DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 1 / 40 1 - 2 - 3 - 4 - 5 - 6 - 7... - 33 - 34 - 35 - 36 - 37 - 38 - 39 - 40 Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
12/21/2010 7:50 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Hold Ctrl and Press + to increase font size


ছোট মূলধন কোম্পানির জন্য আলাদা মার্কেট গঠনের পরামর্শ

ঢাকা, ২০ ডিসেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ছোট মূলধন কোম্পানিগুলোর জন্য আলাদা মার্কেট করার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারের বিকাশ ও স্থায়িত্ব ধরে রাখতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সোমবার এসইসিতে পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডাররা এ সুপারিশ করেন। পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এ বৈঠকের আয়োজন করে এসইসি। সভায় এসইসি’র চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারের সভাপতিত্বে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী, চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ, বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ এসোসিয়েশনের সভাপতি সালমান এফ রহমান, মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশনের সভাপতি আরিফ খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহি পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম অংশ নেন। এছাড়া এফবিসিসিআই-এর একজন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

সভায় স্টেক হোল্ডাররা জানান, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ছোট মূলধনের কোম্পানিগুলো অনেক বেশি অতি মূল্যায়িত হয়ে আছে এবং মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই প্রায়ই এসব কোম্পানির দর বাড়ছে। তাই এসব কোম্পানির জন্য আলাদা মার্কেট গড়ে তোলা হলে বিনিয়োগকারীরা খুব সহজেই এসব কোম্পানি সম্পর্কে জেনে লেনদেন করতে পারবেন।

এছাড়া আলাদা মার্কেট হলে পুঁজিবাজারের বাইরে থাকা ছোট মূলধনের কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্ত হয়ে লেনদেন করতে পারবে। অধিক সংখ্যক কোম্পানির তালিকাভুক্তির ফলে বাজারে শেয়ার সরবরাহ বাড়বে। এছাড়া পুঁজিবাজার বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি আরো বেশি সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের উপর জোর দেয়া হয়।

সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুঁজিবাজারের অতি মূল্যায়ন নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বৈঠকে জানান, এখনো দেশের পুঁজিবাজারের বেশিরভাগ সিকিউরিটিজ অতি মূল্যায়িত নয়। তবে এ মতের সাথে অন্যান্য অংশগ্রহণকারীরা দ্বিমত প্রকাশ করে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য যেকোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশের শেয়ারবাজার অনেক বেশি অতি মূল্যায়িত। তবে পুঁজিবাজারের মূল্য সংশোধন বড় আকারের না হয়ে ধীরে হওয়া উচিত বলে সভায় অংশগ্রহণকারীরা সকলেই একমত পোষণ করেন। সভায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এছাড়া বাজার ধসের সময় এসইসি’র করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে কোনো পরামর্শ পাওয়া যায়নি।

বৈঠক শেষে এসইসি’র চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার জানান, এসইসি’র ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাজারে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল, সেটা আমরা করেছিলাম পুঁজিবাজার স্বাভাবিক রাখার জন্য। এখন যেকোনো সিদ্ধান্ত বিষয়ে আমরা আরো সতর্ক হয়েছি। এখন থেকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা মাথায় রেখে পুঁজিবাজার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আজকের বৈঠকে পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বাজারের তারল্য সঙ্কট বিষয়ে এসইসি চেয়ারম্যান বলেন, এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের এখতিয়ার। তবে পুঁজিবাজারের বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা করে আমরা এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে আলোচনা করেছি।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ ১৮.৩০ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/21/2010 8:25 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Hold Ctrl and Press + to increase font size


বিনিয়োগে আগ্রাসী ব্যাংকিং খাত: কলমানি মার্কেটে অস্থিরতা

সেলিম হোসেন, ২০ ডিসেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): সাম্প্রতিক সময়ে কলমানি মার্কেটে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। সর্বশেষ ১৯ ডিসেম্বর দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৯০ শতাংশ হার সুদে লেনদেন হয়েছে এ কলমানি মার্কেটে। ব্যাংকগুলো তাদের নগদ টাকার ঘাটতি মেটাতে স্বল্প সময়ের জন্য অন্য ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এ ঋণ নিয়ে থাকে। ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট এতটাই প্রকট আকার ধারণ করেছে যে কলমানি মার্কেট থেকে তারা যেকোন হারে সুদে ধার নিতে দ্বিধাবোধ করছে না। এতে ব্যাংকিং খাতে এক ধরনের চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। তবে এ অবস্থার জন্য সংশ্লিষ্টরা ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগে আগ্রাসী ভূমিকাকেই দায়ী করছেন বেশি। ব্যাংকগুলোর এ ধরনের আগ্রাসী ভূমিকা কোন ভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোন নির্দেশনাই যেন তোয়াক্কা করছে না তারা। বার বার কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হলেও ব্যাংকগুলোর আমানতের চাইতে বিনিয়োগের পরিমাণ কোন ভাবেই কমানো যাচ্ছেনা বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়। এ অবস্থা নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।

ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী একটি ব্যাংক যে পরিমাণ আমানত সংগ্রহ করবে, আমানতের ঘাটতি সংরক্ষণ করার জন্য ব্যাংকগুলোকে ১৯ শতাংশ বিধিবদ্ধ জমার হার (এসএলআর) হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষণ করতে হয়। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ জমা সংরক্ষণ (সিআরইর) এবং ১৩ শতাংশ সহজে বিনিময়যোগ্য সম্পদ দিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়। ব্যাংকগুলো তাদের কাছে সংরক্ষিত ওই আমানতের ৮১ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে নগদ ৬ শতাংশ জমাসহ মোট ১১ দশমিক ৫ শতাংশ সংরক্ষণ করতে হয়। সে হিসেবে তারা তাদের কাছে আমানতের ৮৮ দশমিক ৫ শতাংশ বিনিয়াগ করতে পারেন। এ মাসের ১৫ তারিখ থেকে এ হার কার্যকর করা হয়। তবে ব্যাংকগুলো আমানতের বিনিয়োগযোগ্য পরিমাণের সঙ্গে মূলধন ও রিজার্ভের একটি অংশ বিনিয়োগ করতে পারে।

এর পূর্বে ব্যাংকগুলোকে সাড়ে ১৮ শতাংশ হারে এসএলআর হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষণ করতে হত। এর মধ্যে সাড়ে ৫ শতাংশ সিআরআর এবং ১৩ শতাংশ সহজে বিনিময়যোগ্য সম্পদ দিয়ে সংরক্ষণ করতে হত। ব্যাংকগুলো তাদের কাছে সংরক্ষিত আমানতের সাড়ে ৮১ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারত। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে নগদ সাড়ে ৫ শতাংশ জমাসহ মোট সাড়ে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ করতে হত। সে হিসেবে তারা তাদের কাছে আমানতের সাড়ে ৮৯ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারত।

কিন্তু দেশে চলমান ৩০ বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ১৯ ব্যাংকের বিরুদ্ধে এ আইন লঙ্ঘন করে আগ্রাসী ব্যাংকিং-এর অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, উপরোক্ত তারল্য বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষণের পর ব্যাংকগুলো ১৫ ডিসেম্বরের নতুন শর্ত কার্যকর হওয়ার পূর্বে সর্বোচ্চ ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ বাজারে বিনিয়োগ করতে বা ঋণ দিতে পারত।
নির্ধারিত এ বিনিয়োগের হারের চেয়ে বেশি কোন ব্যাংক ঋণ দিলে সেই ব্যাংক ঝুঁকির মধ্যে থাকে। ঋণ আদায়ে অনিশ্চয়তার সঙ্গে থাকে ব্যাংকের তারল্য বা নগদ টাকার সংকট। তাই কখনও কখনও কলমানি মার্কেট থেকেও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে ঋণ নিতে হয়। ফলে ব্যাংকিং খাতে অনিয়শ্চয়তা ও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকে ব্যাংকগুলোর ঋণ আমানতের এ ধরনের তালিকা থেকে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর, ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৪ অক্টোবর এবং ১৮ নভেম্বরের বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক ভিত্তিক প্রতিবেদনগুলোতে দেখা যায়, এসব ব্যাংক শুধু ব্যাংক কোম্পানি আইনের ধারাগুলো লঙ্ঘনই করেনি, কোন কোন ক্ষেত্রে তারা প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত, এমনকি কোন কোন ব্যাংক ১০০ শতাংশেরও বেশি বিনিয়োগ করেছেন।


আইসিবি ইসলামী ব্যাংক : ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। তারা ১৫ ডিসেম্বরের পূর্বে তাদের মোট আমানতের সর্বোচ্চ সাড়ে ৮৯ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারলেও গত ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১১৭ দশমিক ১ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ১১৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ, ১৪ অক্টোবর ছিল ১২২ দশমিক ২১ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বর ছিল ১২০ দশমিক ২০ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অবশ্য এ ব্যাংককে প্রোবলেম ব্যাংক হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

এবি ব্যাংক: এবি ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী তাদের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৯৩ দশমিক ২২ শতাংশ, ১৪ অক্টোবর ছিল ৮৮ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৮৮ দশমিক ২৭ শতাংশ।

এক্সিম ব্যাংক: এক্সিম ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক হওয়ায় তারা বাজারে সর্বোচ্চ সাড়ে ৮৯ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। তবে ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১০২ দশমিক ০৪ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৯৮ দশমিক ১৬ শতাংশ, ১৪ অক্টোবর ছিল ৯৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ১০৪ দশমিক ১২ শতাংশ।

যমুনা ব্যাংক: যমুনা ব্যাংকের বাজারে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯০ দশমিক ৪৮ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৯৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ, ১৪ অক্টোবর ছিল ৯২ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৮৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক: বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের বিনিয়োগের সর্বোচ্চ পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১০০ দশমিক ০২ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বরে ছিল ৮৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ, ১৪ অক্টোবরের স্থিতির পরিমাণ ছিল ৮০ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৮৭ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ ব্যাংকটিও এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রোবলেম যুক্ত ব্যাংক হিসেবে রয়েছে।

ব্র্যাক ব্যাংক: ব্র্যাক ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮২ দশমিক ১৪ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯২ দশমিক ৪৮ শতাংশ, ১৪ অক্টোবরের স্থিতি অনুযায়ী তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯২ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৮৫ দশমিক ২৭ শতাংশ।

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক: স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বরে পরিমাণ ছিল ৯৩ দশমিক ৬১ শতাংশ, ১৪ অক্টোবরে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯২ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বর ছিল ৯১ দশমিক ৯২ শতাংশ।

ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংকটি ইসলামী ব্যাংক হওয়ার কারণে ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮৯ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯৫ দশমিক ২০ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৯৯ দশমিক ১২ শতাংশ, ১৪ অক্টোবর ছিল ৯৯ দশমিক ১২ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৯৯ দশমিক ১০ শতাংশ।

ইস্টার্ণ ব্যাংক: ইস্টার্ন ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯৩ দশমিক ০৮ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৮৮ দশমিক ৮২ শতাংশ, ১৪ অক্টোবর ছিল ৮৪ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৯২ দশমিক ১৩ শতাংশ।

ঢাকা ব্যাংক: ঢাকা ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮৯ দশমিক ২৫ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বরে ছিল ৮৭ দশমিক ৯২ শতাংশ, ১৪ অক্টোবরে ছিল ৮৯ দশমিক ১১ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরে ছিল ৯১ দশমিক ২৪ শতাংশ।

প্রিমিয়ার ব্যাংক: প্রিমিয়ার ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৮৬ দশমিক ৯২ শতাংশ, ১৪ অক্টোবর ছিল ৮৯ দশমিক ২০ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৯১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

ন্যাশনাল ব্যাংক: ন্যাশনাল ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮৫ দশমিক ৯১ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৮৭ দশমিক ৭০ শতাংশ, ১৪ অক্টোবর ছিল ৮৫ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৮৩ দশমিক ২৩ শতাংশ।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক: মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮৬ দশমিক ৮০ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৮৭ দশমিক ১২ শতাংশ, ১৪ অক্টোবরে ছিল ৮৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৯৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক: ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৮৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ, ১৪ অক্টোবরের স্থিতি ছিল ৮৬ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৮৯ দশমিক ০৮ শতাংশ।

পূবালী ব্যাংক: পূবালী ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৮৪ দশমিক ৭১ শতাংশ, ১৪ অক্টোবর ছিল ৮৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৮৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

এনসিসি ব্যাংক: এনসিসি ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮৩ দশমিক ৫২ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল ৮৬ দশমিক ০৭ শতাংশ, ১৪ অক্টোবরে ছিল ৮৭ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরে ৮৭ দশমিক ২৭ শতাংশ।

সাউথ-ইস্ট ব্যাংক: সাউথ-ইস্ট ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বর ৮৫ দশমিক ০৯ শতাংশ, ১৪ অক্টোবরে ৮৬ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৮১ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক: শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮৯ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯৬ দশমিক ১৮ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বরে ৯৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ১৪ অক্টোবরে ৯০ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরে ৯৫ দশমিক ১৫ শতাংশ।

ব্যাংক এশিয়া: ব্যাংক এশিয়ার সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮১ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও ৯ সেপ্টেম্বরের স্থিতি অনুযায়ী বাজারে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ, ৩০ সেপ্টেম্বরে ৮৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ, ১৪ অক্টোবরে ৮৩ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং ১৮ নভেম্বরে ৮৫ দশমিক ৪১ শতাংশ।

এছাড়া ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি.-এর সর্বোচ্চ বিনিয়োগের পরিমাণ সাড়ে ৮৯ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও গত ৯ সেপ্টেম্বর, ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৪ অক্টোবর নির্দিষ্ট সীমার চেয়ে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ বেশি ও ১৮ নভেম্বরের স্থিতির পরিমাণ ছিল ৯৬ দশমিক ১১ শতাংশ।

এবং সোস্যাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের সর্বোচ্চ বিনিয়োগ সাড়ে ৮৯ শতাংশ হওয়ার কথা থাকলেও গত ৯ সেপ্টেম্বর, ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৪ অক্টোবর বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল নির্দিষ্ট সীমার চেয়ে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ বেশি ও ১৮ নভেম্বরের স্থিতি ছিল ৯৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা শীর্ষ নিউজ ডটকমকে জানান, এ ধরনের ব্যাংকিং ব্যবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ব্যাংকগুলোর এ ধরনের বিনিয়োগের ব্যাপারে বারবার মৌখিকভাবে সতর্ক করা হচ্ছে। কোনো কোনো ব্যাংক নির্দেশনা অনুযায়ী বিনিয়োগের পরিমাণ কমিয়ে আনছে। তবে যে টুকু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর তদারকির কারণে হচ্ছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, অনেক ব্যাংক অনুৎপাদনশীল খাতে ও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার কারণে এসব বিনিয়োগ আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং তাদের নগদ টাকার সংকট মেটাতে কলমানি মার্কেটের প্রতি ঝুঁকে পড়তে হচ্ছে।
কলমানি মার্কেট থেকে এত উচ্চ হারে সুদ নিলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো চরম সংকটে পড়তে পারে। এ ধরনের উচ্চ হারে ঋণ নিলে প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় বেড়ে যাবে। তা পূরণ করতে ব্যাংকগুলোও তাদের গ্রাহকদের কাছে সুদের হার বাড়িয়ে দেবে। ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিআরআর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকগুলো শিল্প খাতসহ বড় বড় খাতে অধিক অর্থ বিনিয়োগ করছে। এর মধ্যে কিছু টাকা সঠিক খাতে ব্যবহার না হয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার হচ্ছে। ফলে বাজারে মূল্যস্ফীতি বেড়েই যাচ্ছে। সিআরআর বাড়ানোর ফলে ব্যাংকগুলোর বাজারে ঋণ প্রবাহের পরিমাণ কমে যাবে। ফলে বাজার থেকে বিরাট একটা অংকের টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে উঠে আসবে এবং এতে করে বাজারে টাকার প্রবাহ কমবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/21/2010 8:45 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Hold Ctrl and Press + to increase font size


পুঁজিবাজার যাঁদের জন্য

সাইদ আরমান | তারিখ: ১১-০৮-২০১০
ProthomAlo

ঢাকার কারওয়ান বাজারে ফুটপাতে ঘড়ির ব্যবসা করেন মনির হোসেন। ব্যবসা করে বেশ কিছু টাকা জমিয়েছিলেন। অনেকের কাছ থেকে শোনেন পুঁজিবাজার বা শেয়ারবাজারের কথা।আগ্রহী হয়ে ওঠেন শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে। তাঁর ধারণা, রাতারাতি টাকা কামানোর এই বুঝি সহজ উপায়। শেয়ার কিনলেই তো অনেক লাভ। কাছের একটি ব্রোকার হাউসে বেনিফিশারি হিসাব (বিও) খোলেন। শুরু করেন বিনিয়োগ। না জেনে, না বুঝেই বিনিয়োগ শুরু করেন তিনি। কিছু দিন যেতে না যেতেই ঘুম ভাঙে তাঁর। বুঝতে পারেন বিনিয়োগ ঠিকমতো হয়নি। কিন্তু তখন আর কিছু করার ছিল না। কষ্টের জমানো তিন লাখ টাকা প্রায় শেষ হয়ে গেছে। শেয়ারবাজারের দরপতন দেখে কেনা শেয়ারগুলো আবার তড়িঘড়ি করে বিক্রি করে দিয়ে অনেকটা নিঃস্ব হয়ে ফিরে আসেন শেয়ারবাজার থেকে।
শুধু মনির নয়, তাঁর মতো অনেকেই না জেনে, না বুঝে বিনিয়োগ করে আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। নিজের জমানো টাকা লাভের আশায় বিনিয়োগ করে শেষ করে ফেলছেন। আবার অনেকেই বিনিয়োগ করে লাভবানও হচ্ছেন। তাই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শুরুর আগে পুরো বিষয়টি বুঝে নিতে হবে ভালো করে। কাদের জন্য এই শেয়ারবাজার তাও জানতে হবে।

পুঁজিবাজারের চিত্র
বর্তমানে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রায় ২৬ লাখ। সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, প্রায় পাঁচ থেকে ছয় লাখ লোক নিয়মিত শেয়ার বেচাকেনা করে থাকেন। আর প্রতিটি কার্য দিবসে প্রায় দুই লাখ ৫০ হাজার বিনিয়োগকারী বেচাকেনার কাজ করেন। প্রতিদিনের লেনদেনের পরিমাণও অনেক। এখান থেকে কেউ লাভ করছেন, কারও আবার বিনিয়োগ করা টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে।

কাদের জন্য
শেয়ার ব্যবসা কি সবার জন্য? পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে চাইলে কেউ আপনাকে বাধা দিতে পারবে না। তবে এ ব্যবসায় আপনার ঢোকাটা ঠিক হবে কি না, তা আপনাকেই বুঝতে হবে। কথা হচ্ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদের সঙ্গে। তিনি সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক উপদেষ্টা।তিনি বলেন, পুঁজিবাজার আসলে সবার জন্য নয়। বর্তমানে দেখা যায়, ন্যূনতম জ্ঞান নেই এমন অনেক লোক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এ ব্যবসা সত্যিকার অর্থে নির্বাচিত কিছু লোকের জন্য। যাঁদের পুঁজিবাজার সম্পর্কে জ্ঞান আছে, যাঁরা ব্যবসায় ঝুঁকি নিতে পারেন, কেবল এমন পেশাদার শিক্ষিত লোকেরই উচিত এখানে বিনিয়োগ করা।

পেশারও ক্ষেত্র
পুঁজিবাজারে সাধারণত দুই ধরনের বিনিয়োগকারী থাকেন। এক. ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিনিয়োগকারী।
দুই. প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিনিয়োগকারী। আবার পুঁজিবাজারের ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিনিয়োগকারীদের বেশির ভাগ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। তাঁদের কেউ চাকরিজীবী, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ শিক্ষিত বেকার, কেউ বা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া আবার অনেকেই আছেন যাঁরা বিদেশফেরত।কেউ চাইলে এটাকে রীতিমতো পেশার ক্ষেত্র হিসেবেও নিতে পারেন। প্রাইলিংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম জানান, অল্প কিছু দিন আগেও মানুষ ভাবতে পারত না, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে এটাকে পেশা হিসেবে নেওয়া যাবে। তবে বর্তমানে সে ধারণা পাল্টে গেছে। এখন অনেকেই পুঁজিবাজারকে পেশার জায়গা হিসেবেই নিচ্ছেন। বিশেষ করে অনেক শিক্ষিত বেকার ও বিদেশফেরত লোকজন পুঁজিবাজারকে পেশার ক্ষেত্র হিসেবে নিচ্ছেন।

বিনিয়োগে হতে হবে কৌশলী
অনেকেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকে লটারির মতো মনে করে থাকে। তবে শেয়ার ব্যবসা কোনো লটারির খেলা নয়। এখানে বিনিয়োগ করে লাভবান হতে হলে তাকে কৌশলী হতে হবে। বাজারের ধারাকে বুঝতে হবে।
আবু আহমেদ বলেন, বিনিয়োগের আগে বিনিয়োগকারীকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক তথ্য যথাযথভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। তা ঠিকভাবে না করতে পারলে আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। অনেকে আবার বিভিন্ন গুজবে কান দিয়ে বিনিয়োগ করে নিজের ক্ষতি করে ফেলছেন।

বিনিয়োগ বিভিন্ন খাতে
আপনি যদি শেয়ারে বিনিয়োগ করে লাভবান হতে চান, তবে বিনিয়োগ করার সময় একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। মূলধনের টাকাকে খাত অনুযায়ী ভাগ করে নিতে হবে। আবু আহমেদ জানান, বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের ফলে কোনো একটি বিশেষ খাতের বিনিয়োগ যদি ক্ষতির মধ্যেও পড়ে যায় তা অন্য খাতের মাধ্যমে পুষিয়ে নিতে পারবেন। আর পুরো টাকা একটি খাতে বিনিয়োগ করে ফেললে সে সুযোগ আর থাকে না। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের সিকিউরিটিকে ১৭টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সেগুলো হলো ব্যাংকিং, বিনিয়োগ, করপোরেট বন্ড, বিমা, প্রকৌশল খাত, খাদ্য ও সমজাতীয় পণ্য, জ্বালানি, ওষুধ, কাগজ ও মুদ্রণ, সেবা, পাট, টেক্সটাইল, সিমেন্ট, তথ্যপ্রযুক্তি, সিরামিক, পর্যটন এবং বিবিধ। আপনি যদি শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে চান, তবে আপনাকে এসব খাত ধরে বিনিয়োগ করতে হবে।

শেয়ারের শ্রেণী
শেয়ারবাজারে যেসব কোম্পানির শেয়ার আছে সেগুলোকে আবার এ, বি, এন এবং জেড শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। এ শ্রেণীতে রয়েছে ওই সব কোম্পানির শেয়ার, যারা নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করে এবং শেয়ার লভ্যাংশও দেয় ১০ শতাংশের ওপর। নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করলেও লভ্যাংশ দেয় ১০ শতাংশের কম তারা পড়ে বি শ্রেণীতে। এন শ্রেণীতে আছে এক বছরের কম সময় আগে নিবন্ধিত কোম্পানির শেয়ার। আর জেডে রয়েছে যারা নিয়মিত লভ্যাংশ দেয় না এবং এজিএমও করে না। জহিরুল ইসলাম বলেন, যাঁরা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে সাবধানতা মেনে চলেন, তাঁরা সাধারণত এ শ্রেণীর শেয়ার কিনে থাকেন।
সাবধানতা
যাঁরা ভাবছেন শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ করবেন, তাঁরা বিনিয়োগকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে কয়েকটি বিষয় বিশেষ খেয়াল রাখুন। তবে হ্যাঁ ঝুঁকি যত বেশি, লাভবান হওয়ার সুযোগও তত বেশি। শেয়ার বেচার সময় শতকরা ১০ টাকা লাভ হলেই বিক্রি করে দেয়া উচিত।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ একটি সুচিন্তিত, পরিকল্পিত ও বিশ্লেষণধর্মী বিনিয়োগ।
এখানে লাভের যেমন সুযোগ আছে, তেমনি আছে আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিও।
কোম্পানি/ফান্ডের অতীত, বর্তমান, আর্থিক ফলাফল এবং অবস্থা, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ইত্যাদি নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগ করতে হবে।
 বিনিয়োগের আগে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন দিক, বিষয়, খুঁটিনাটি সম্পর্কে সঠিক, পর্যাপ্ত তথ্য ও জ্ঞানলাভ করতে হবে। বিনিয়োগের সময় প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষিত আয়-ব্যয়সহ আর্থিক অবস্থা সম্পর্কিত স্বীকৃত কিছু মানদণ্ড বিশ্লেষণ করে দেখতে হয়। ফলাফল বিশ্লেষণ ছাড়া বিনিয়োগে ঝুঁকি বেশি।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/25/2010 11:48 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

Hold Ctrl and Press + to increase font size



NEWS FROM The Daily Janakantha, 26 Dec 2010 (Online edition)

শেয়ারবাজারে স্বাভাবিকতা ফেরার আভাস
গত সপ্তাহে কমেছে লেনদেন, সূচক ও অধিকাংশ শেয়ারের দর

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মুদ্রাবাজারে তারল্য সঙ্কটের প্রভাবে বড় দরপতনের পর স্বাভাবিক অবস্থানে ফেরার আভাস দিয়েই গত সপ্তাহ পার করেছে দেশের পুঁজিবাজার। সপ্তাহের প্রথম দিন রেকর্ড দরপতন হলেও পরের তিনদিন উর্ধমুখী ছিল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সূচক। শেষ দিনে কিছুটা মূল্য সংশোধন হলেও পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে মনে করেন বাজার বিশেস্নষকরা।
তাঁরা মনে করেন, গত সপ্তাহে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের মূল্য সংশোধন হলেও অস্বাভাবিকতা নেই। প্রতিবছরই ডিসেম্বর মাসে লেনদেন কিছুটা কমে যায়। বার্ষিক হিসাব সমাপনীর কারণে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা তুলনামূলক নিষ্ক্রিয় থাকায় বাজারে মূল্য সংশোধন ঘটে। তবে স্বল্প ব্যবধানে দু'দিন বড় দরপতনের কারণে অনেক বিনিয়োগকারী নতুন করে বিনিয়োগে না পরিস্থিতি পর্যবেৰণ করেছেন। সব মিলিয়ে গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে লেনদেনের পাশাপাশি অধিকাংশ শেয়ারের দর এবং সূচক কমেছে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনরকম গুজবে কান না দিয়ে ধৈর্য ধরে বুঝেশুনে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
মুদ্রাবাজারে অস্থিরতার প্রভাবে গত তিন সপ্তাহ ধরে পুঁজিবাজারে মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করে। মুদ্রানীতি পরিবর্তনের লৰ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের বেশকিছু সিদ্ধানত্মের প্রভাবে বাজার অর্থের প্রবাহ কমে গেছে। এসইসি মার্জিন ঋণ সুবিধা বাড়ালেও টাকার অভাবে অনেক মার্চেন্ট ব্যাংক বর্ধিত হারে ঋণ দিতে পারছে না। নগদ টাকার সঙ্কট থাকায় ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ থেকে বিরত ছিল। তাছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত বিনিয়োগ প্রত্যাহার এবং শিল্পঋণের টাকা শেয়ারবাজার থেকে তুলে নেয়ার চাপ থাকায় লেনদেনে নিম্নগতি বিরাজ করে। এর সঙ্গে ব্রোকারেজ হাউসের বর্ধিত নিরাপত্তা জামানত (মেম্বারস মার্জিন) প্রত্যাহারের জন্য এসইসিকে চাপে ফেলার প্রচেষ্টাও কাজ করেছে বলে অনেকে মনে করেন। সব মিলিয়ে শেয়ারবাজারে সাময়িকভাবে হলেও তারল্য সঙ্কট দেখা দেয়।
অবশ্য অনেক বাজার বিশেস্নষক মনে করেন, গত সপ্তাহে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের মূল্য সংশোধন হলেও এর মধ্যে অস্বাভাবিকতা নেই। টানা তিন মাস বৃদ্ধির ফলে বিনিয়োগ ঝুঁকি কমাতে এ মূল্য সংশোধন প্রয়োজন ছিল। তবে হঠাৎ করে বড় দরপতন হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে গত সপ্তাহের অধিকাংশ দিনই বাজার স্বাভাবিক আচরণ করায় তাদের সেই আতঙ্ক কেটে যেতে শুরম্ন করেছে।
বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন, বাজারের গতি-প্রকৃতিতে বিনিয়োগকারীদের কোনভাবেই আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। এ সময় লোকমুখে কিছু শুনে লোভের বশে কোন বিনিয়োগ করা ঠিক হবে না। শেয়ার কেনার আগে সংশিস্নষ্ট কোম্পানির মৌলভিত্তি এবং সাম্প্রতিক লেনদেনের গতি-প্রকৃতি কেনা উচিত। আবার বিক্রির সময় ধৈর্য ধরা দরকার। দরপতন শুরম্ন হলেই সব শেয়ার বিক্রি করতে হবে_ এমন কোন কথা নেই।
তবে অনেকে মনে করেন, বাজার অর্থের প্রবাহ কিছুটা কমে গেছে। তাছাড়া গত তিন মাসে অনেক কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষিত হওয়ায় বাজারে সমন্বয় প্রক্রিয়া চলছে। এ অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের তৎপরতা বাড়লে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরে আসবে। এতে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হয়ে লেনদেনে সক্রিয় হবেন।
ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, বিনিয়োগকারীরা এখন অনেকটা পর্যবেক্ষণশীল হয়েছেন। তাঁরা হয়ত বাজারের গতি-প্রকৃতি দেখেশুনে সিদ্ধানত্ম নিতে চাইছেন। এ কারণেই লেনদেনের পরিমাণ কম হচ্ছে।
এদিকে রেকর্ড দরপতনের ধাক্কা অনেকটা সামলে উঠলেও সামগ্রিকভাবে ডিএসইতে গত সপ্তাহে সাধারণ সূচক ও আর্থিক লেনদেন কমেছে। প্রথম দিন বড় দরপতন সত্ত্বেও সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন দিনই চাঙ্গাভাব ছিল। সব মিলিয়ে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাজার।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত রবিবার সাপ্তাহিক লেনদেনের শুরম্নতে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৫১১ পয়েন্ট কমে ৭৬৫৪.৪০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ওইদিন ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ দরপতন ঘটে। অবশ্য পরদিন সোমবার সাধারণ সূচক ৩০৪ পয়েন্ট বেড়ে যায়। উর্ধমুখী এ ধারা মঙ্গল ও বুধবারও অব্যাহত থাকে। তবে বৃহস্পতিবার সূচক ৬৩ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট কমে ৮১০৮.১০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। তিন দিন বৃদ্ধির পর সূচকের এই সংশোধন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।
সামগ্রিকভাবে গত সপ্তাহে (১৯ থেকে ২৩ ডিসেম্বর) ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ১.২০ শতাংশ বা ৯৮.০৭ পয়েন্ট কমেছে। সপ্তাহের শুরম্নতে সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৮২০৬.১৭ পয়েন্ট। সপ্তাহের লেনদেন শেষে এ সূচক ৮১০৮.১১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
একই সময়ে আর্থিক লেনদেন গড়ে প্রতিদিন ৩.৩৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫১৯ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। সব মিলিয়ে গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে ৭ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকা_ যা আগের সপ্তাহের চার কার্যদিবসের তুলনায় চেয়ে ২০ দশমিক ৭৭ পয়েন্ট বেশি। এদিকে সপ্তাহের শুরম্নতে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা_ যা সপ্তাহ শেষে ০.৫৩ শতাংশ বেড়ে তিন লাখ ৪৬ হাজার ৭৯০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।
এদিকে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমেছে। এ সময় লেনদেন হওয়া মোট ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৫৩টির, কমেছে ১৯৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর।



এইমসের লভ্যাংশ ও রাইট বরাদ্দপত্র বিতরণ আজ থেকে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ এইমস ফার্স্ট গ্যারান্টেড মিউচু্যয়াল ফান্ডের ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট এবং রাইট এন্টাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট ও আবেদনপত্র আজ রবিবার থেকে বিতরণ করা হবে। বিনিয়োগকারীরা আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যনত্ম রাজধানীর পান্থপথে অবিস্থত ইউনিক কনভেনশন সেন্টার থেকে ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট এবং রাইট শেয়ারের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।
মিউচু্যয়াল ফান্ডটির ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের পৰ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৫ নবেম্বরের রেকর্ড ডেট অনুযায়ী ইউনিটধারীরা ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা ৬০ পয়সা জমা দিয়ে পূর্ব ঘোষিত ১৩০ শতাংশ রাইট গ্রহণ করতে পারবেন। ইউনিটধারীরা তাদের প্রাপ্য ইউনিট ছাড়ারও অতিরিক্ত আবেদন করতে পারবেন। রবিবার থেকে আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যনত্ম সিটি ব্যাংকের যে কোন শাখায় রাইটের টাকা জমা দেয়া যাবে।
উলেস্নখ্য, এইমস ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ড ২০০৭-০৮ এবং ২০০৮-০৯ অর্থবছরের জন্য একত্রে ৭০ শতাংশ হারে বোনাস এবং ১৩০ শতাংশ হারে রাইট শেয়ার দিচ্ছে। এছাড়া ২০০৯-১০ অর্থবছরের জন্য ফান্ডটি ৭২.৫০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিচ্ছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ইউনিটধারীদের বিও হিসেবে বোনাস পেঁৗছে দেয়া হবে বলে ফান্ড সূত্রে জানা গেছে

৫৫ কোটি টাকার অনুমোদন নিয়ে ১৯২ কোটি সংগ্রহ!
জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশনের প্লেসমেন্ট বাণিজ্য
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের আবেদন বাতিল হওয়ার পর এবার বড় ধরনের প্লেসমেন্ট বাণিজ্য শুরু করেছে জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশনস লিমিটেড। সাড়ে ৫ কোটি শেয়ার ইসু্য করে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে কোন রকম প্রিমিয়াম ছাড়া ৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন নিলেও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে গণহারে শেয়ার বিক্রি করছে কোম্পানিটি। শীঘ্রই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির নিশ্চয়তা দিয়ে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ শেয়ারপ্রতি ৩৫ টাকা হিসাবে সর্বমোট ১৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হচ্ছে।
জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে দর নির্ধারণের পর শেয়ারবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশন লিমিটেড গত ২৮ অক্টোবর এসইসিতে আবেদন জমা দিয়েছিল। কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫০ টাকা ৬৩ পয়সা। আবেদন পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী এসইসি'র সংশ্লিষ্ট বিভাগ তাদের প্রসপেক্টাসে উল্লিখিত আর্থিক ও সম্পদের হিসাব পরীৰা-নিরীৰা করে। এ সময় কোম্পানির সম্পদের হিসাবে অসামঞ্জস্যতা চিহ্নিত হয়। শেয়ারের দর বাড়ানোর জন্য কোম্পানিটি কৃত্রিমভাবে সম্পদের পরিমাণ বেশি দেখিয়েছে বলে এসইসির মূল্যায়নে ধরা পড়ে। নিরীৰিত হিসাবে কোম্পানির সম্পদ হিসাবে উলেস্নখ করা ৪৩৫.৬৫ ডেসিমেল জমির মধ্যে ৩০৬.৫০ ডেসিমেল কোম্পানির চেয়ারম্যান তাওহিদুল ইসলাম চৌধুরীর ব্যক্তি মালিকানাধীন বলে এসইসির নিরীৰায় ধরা পড়ে। এর ফলে কোম্পানির প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনইভি) অনেক বেশি দেখানো সম্ভব হয়েছে। এছাড়া এসইসির বিধি অম্যান্য করে একই প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে কোম্পানির সম্পদ মূল্যায়ন এবং হিসাব নিরীৰা করানো হয়। এসব অনিয়মের কারণে গত ১০ নবেম্বর কোম্পানির আইপিও আবেদন বাতিল করে দেয় এসইসি।
সূত্র জানায়, আইপিও আবেদন বাতিলের পর ২৯ নবেম্বর কোম্পানির পৰ থেকে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারেেদর মধ্যে সাড়ে ৫ কোটি শেয়ার ইসু্য করে ৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন চেয়ে এসইসিতে আবেদন করা হয়। গত ৮ ডিসেম্বর এসইসির পৰ থেকে কোম্পানিটির মূলধন সংগ্রহের আবেদন অনুমোদন করা হয়। এসইসির পৰ থেকে কোম্পানিকে পাঠানো অনুমোদনপত্রে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে কোন প্রিমিয়াম ছাড়া ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ার ইসু্যর বিষয়টি স্পষ্টভাবে উলেস্নখ করা হয়
জানা গেছে, বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে ১০ টাকায় শেয়ার ইসু্যর অনুমোদন পেলেও জেনারেশন নেঙ্ট গণহারে পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করছে। ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৩৫ টাকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের বাইরে পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের নামে শেয়ার ইসু্য করে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় কোম্পানিটি সর্বমোট ১৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহের লৰ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বলে জানা গেছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৮ ডিসেম্বর এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পর ওই দিন থেকেই কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে শেয়ার ইসু্যর টাকা জমা হতে শুরম্ন করে। ১৭ ডিসেম্বর পর্যনত্ম ৭৯ লাখ ৮৫ হাজার শেয়ার ইসু্যর বিপরীতে শেয়ারপ্রতি ৩৫ টাকা হিসাবে কোম্পানির হিসাবে মোট ১৫ কোটি ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা জমা হয়।
এসইসিতে জমা দেয়া তালিকায় দেখা গেছে, বর্তমানে জেনারেশন নেঙ্টের সর্বমোট শেয়ারহোল্ডার ৪১। কমিশনের অনুমোদন অনুযায়ী এই শেয়ারহোল্ডারদের কাছেই নতুন সাড়ে ৫ কোটি শেয়ার ইসু্য করার কথা। অথচ ইতোমধ্যে এদের বাইরে ১৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে ৭৯ লাখ ৮৫ হাজার শেয়ার ইসু্য করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে বাকি শেয়ারগুলো ইসু্য করার প্রস্তুতি চলছে। প্রতিদিনই এসব শেয়ারের মূল্য বাবদ কোম্পানির হিসাবে চেক জমা করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, এসইসি থেকে মূলধন সংগ্রহের জন্য যে পরিমাণ শেয়ার ইসু্যর অনুমোদন নেয়া হযেছে তার পুরোটাই বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের বাইরে ইসু্য করা হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের নামে শেয়ার বরাদ্দের তালিকা করে পরবর্তীতে নতুন শেয়ারহোল্ডারদের নামে স্থানানত্মর করা হবে। এজন্য শেয়ারের মূল্য সংগ্রহের সময় অর্থ পরিশোধকারীকে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের স্বাৰর করা শেয়ারের মালিকানা বদলের ফরম (১১৭) দেয়া হচ্ছে।
মূলধন সংগ্রহের জন্য শেয়ার বরাদ্দের ৰেত্রে কমিশনের দেয়া শর্ত ভঙ্গের বিষয়টি অবহিত করা হলে এসইসি সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলী জনকণ্ঠকে বলেন, কোন কোম্পানিকে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্য থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দেয়া হলে তারা অন্য কাউকে শেয়ার বরাদ্দ করে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে না। জেনারেশন নেঙ্ট এ ধরনের কোন অনিয়ম করলে তাদের বিরম্নদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে চলমান মূলধন সংগ্রহ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর পরই জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশন নতুন করে আইপিও আবেদন জমা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। গত ৩০ নবেম্বর কোম্পানির পৰ থেকে দেয়া এক চিঠিতে এসইসি'কে বিষয়টি অবহিত করা হয়।


প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তন ৫ জানুয়ারি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকায় রূপান্তরের লৰ্যে রেকর্ড ডেট ঘোষণা করেছে প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে আগামী ৫ জানুয়ারি এ রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। ওইদিন কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকা এবং মার্কেট লট ৫০টি থেকে ২৫০টিতে রূপান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
জানা গেছে, প্রাইম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গত ৮ সেপ্টেম্বর শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকায় এবং মার্কেট লট ৫০টির পরিবর্তে ২৫০টিতে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তিপত্র পাওয়ার পর গত ৯ ডিসেম্বর বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ (আরজেএসসি) থেকে সংঘবিধি সংশোধন অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করায় গত বুধবার এসইসির পক্ষ থেকে প্রাইম ব্যাংকের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের অনুমোদন দেয়া হয়।



................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/25/2010 12:10 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Hold Ctrl and Press + to increase font size

From Sheersha News, 26 Dec, 2010
মিউচ্যুয়াল ফান্ড চাঙ্গা করতে এসইসি'র পদক্ষেপ
ঢাকা, ২১ ডিসেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের লক-ইনের সময় হ্রাস, প্লেসমেন্ট বরাদ্দে সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেয়াসহ বেশকিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। মঙ্গলবার এসইসির সমন্বয় সভায়  এসোসিয়েশন অব এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ (এএএমসি) এর  কয়েকটি দাবি বিবেচনার বিষয়ে কমিশনের পরবর্তী সভায় আলোচনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর আর্থিক ভিত শক্তিশালী করতে বিভিন্ন কোম্পানির আইপিওতে কোটা বৃদ্ধি এবং বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে দরপ্রস্তাব প্রক্রিয়ায় সুযোগ দেয়া যায় কিনা সে বিষয়ে কমিশন সভায় আলোচনা করা হবে।  
পুঁজিবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দুরবস্থা নিরসনে ইতিপূর্বে এসোসিয়েশন অব এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ (এএএমসি)  ছয়টি প্রস্তাব পেশ করে এসইসিতে। এগুলো হচ্ছে- প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া ইউনিটের লক-ইনের মেয়াদ ৬ মাসে নামিয়ে আনা, নতুন আসা কোম্পানির আইপিওতে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কোটা বর্তমান ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা, ব্যক্তি বিনিয়োগকারী ও কোম্পানির জন্য প্লেসমেন্টের মাধ্যমে মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট বরাদ্দের সীমা তুলে দেয়া এবং বুকবিল্ডিং পদ্ধতির দরপ্রস্তাবে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া, মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য বোনাস শেয়ার প্রদানের সুযোগ এবং ফান্ডের মেয়াদকাল ১০ বছরের বেশি বৃদ্ধি। তবে এসইসির মঙ্গলবারের সভায় উক্ত ছয়টি প্রস্তাবের মধ্যে চারটি প্রস্তাব বিবেচনার জন্য কমিশনের পরবর্তী সভায় আলোচনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আর মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য বোনাস শেয়ার প্রদানের সুযোগ এবং ফান্ডের মেয়াদকাল ১০ বছরের বেশি বৃদ্ধির প্রস্তাবে আপত্তি থাকায় কমিশন সভার এজেন্ডা থেকে তা বাদ দেয়া হয়েছে বলে এসইসি সূত্র জানায়।  
সূত্র জানায়, মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রতি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের কারণে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। এ অবস্থায় এ খাতের সংকট কাটাতে এসইসির পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন। এ কারণেই মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে গঠিত সংগঠন এএএমসির পক্ষ থেকে এসইসি চেয়ারম্যানের কাছে এসব প্রস্তাব করা হয়।
এএএমসি তাদের প্রস্তাবনায় জানায়, বিনিয়োগকারীদের নেতিবাচক মনোভাবের কারণে কোনো কোনো ফান্ডের স্পন্সর প্রতিষ্ঠান আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। আর এতে করে পাইপলাইনে থাকা মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সংশয় রয়েছে।  প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীরা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্লেসমেন্টে অংশ নিতে অনাগ্রহী হয়ে উঠেছে। ফলে প্রস্তাবিত অনেক মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংকটের মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যে এসইসির অনুমোদন পাওয়া ফান্ডগুলোর পক্ষেও যথাসময়ে প্লেসমেন্ট শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। একইভাবে আইপিওতে নির্ধারিত ইউনিটের চেয়ে কম আবেদন জমা পড়ার (আন্ডার সাবস্ক্রাইবড) আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর কিছুদিন এভাবে চললে স্পন্সর ও বিনিয়োগকারীরা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দিক থেকে সম্পূর্ণভাবে মুখ ফিরিয়ে নেবে এবং কয়েক বছরের মধ্যে এ খাতটি ধ্বংস হয়ে যাবে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এআইকে/২০.১৫ঘ.) Hold Ctrl and Press + to increase font size
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/27/2010 10:42 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

Hold Ctrl and Press + to increase font size

দেশবন্ধু পলিমারের আইপিও'র লটারির অনিয়ম তদন্ত হবে
ঢাকা, ২৭ ডিসেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজি বাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া দেশবন্ধু পলিমার লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আইপিওতে এ কোম্পানির প্রাথমিক শেয়ারের জন্য আবেদন করা একজন বিনিয়োগকারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বিষয়টি তদন্ত করার জন্য কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। এসইসির পরিচালক কামরুল আলম খান ও সহকারী পরিচালক রাজিব আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি অভিযোগ তদন্ত করবেন। আগামী ১৪ জানুয়ারির মধ্যে এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর দেশবন্ধু পলিমার লিমিটেডের আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এসইসিতে একজন বিনিয়োগকারী অভিযোগ করেন, আইপিও লটারি অনুষ্ঠানের দিন লটারিতে তার নাম প্রকাশ পেলেও তার বিও একাউন্টে উক্ত কোম্পানির শেয়ার আসেনি। তিনি এ বিষয়টি তদন্ত করার জন্য এসইসিতে আবেদন করেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ জেডআর/এআইকে/ ১৯.০০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/31/2010 10:12 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দেশবন্ধু পলিমারের আইপিও'র লটারির অনিয়ম তদন্ত হবে
ঢাকা, ২৭ ডিসেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজি বাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া দেশবন্ধু পলিমার লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আইপিওতে এ কোম্পানির প্রাথমিক শেয়ারের জন্য আবেদন করা একজন বিনিয়োগকারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বিষয়টি তদন্ত করার জন্য কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। এসইসির পরিচালক কামরুল আলম খান ও সহকারী পরিচালক রাজিব আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি অভিযোগ তদন্ত করবেন। আগামী ১৪ জানুয়ারির মধ্যে এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৩ নভেম্বর দেশবন্ধু পলিমার লিমিটেডের আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হয়। এসইসিতে একজন বিনিয়োগকারী অভিযোগ করেন, আইপিও লটারি অনুষ্ঠানের দিন লটারিতে তার নাম প্রকাশ পেলেও তার বিও একাউন্টে উক্ত কোম্পানির শেয়ার আসেনি। তিনি এ বিষয়টি তদন্ত করার জন্য এসইসিতে আবেদন করেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ জেডআর/এআইকে/ ১৯.০০ঘ.)  
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/31/2010 10:14 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারের এক বছর: সম্ভাবনার পাশাপাশি বেড়েছে ঝুঁকি
আলতাফ মাসুদ, ৩০ ডিসেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ২০১০ সালটি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বছর বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্য যেকোনো ধারার তুলনায় পুঁজিবাজার ছিল অনেক বেশি এগিয়ে। তীব্র জ্বালানি সঙ্কটের কারণে দেশের শিল্প,
কারখানাসহ বিভিন্ন সেক্টরের বিকাশ যখন প্রায় রুদ্ধ অবস্থা, তখন পুঁজিবাজার চলে এসেছে সকলের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। স্বল্প সময়ে অধিক পরিমাণে লাভের আশায় মুদি দোকানি থেকে শুরু করে শিল্পপতিসহ প্রায় সব শ্রেণীপেশার মানুষ বিনিয়োগের জন্য ছুটে এসেছেন পুঁজিবাজারে। ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমে যাওয়ায় বিপুল সংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ ব্যক্তিও পুঁজিবাজারকে বিনিয়োগের উত্তম জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এই মিছিলে যোগ দিয়েছেন ছাত্র-শিক্ষক ছাড়াও শিক্ষিত বেকার যুবকরা। তাইতো এক বছরের ব্যবধানে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ১৩ লাখ বেড়ে ৩৩ লাখে উন্নীত হয়েছে। এতে দেশের পুঁজিবাজারের সম্ভাবনা যেমন বেড়েছে, তেমনি সম পরিমাণে বেড়েছে ঝুঁকি। বর্তমানে বাজার মূলধন জিডিপির ৫০ শতাংশের বেশি। শেয়ার লেনদেনের ওপর উৎসে কর সংগ্রহ করে ২০১০ সালে ডিএসই ৩১৫ কোটি সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে। এদিকে বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে যুক্ত হলেও এর সাথে তাল মিলিয়ে শেয়ার সরবরাহ বাড়েনি। চাহিদার তুলনায় সরবরাহে ঘাটতি থাকায় তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার হয়েছে অতি মূল্যায়িত। একদিকে শেয়ারের অতি মূল্যায়ন, অন্যদিকে বাজার জুয়াড়িদের কারসাজি- এ দুইয়ে মিলে সম্ভাবনাময় পুঁজিবাজারে ঝুঁকির আশংকা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এসব কারণেই ডিসেম্বর মাসে বড় তিনটি ধসের ঘটনাও ঘটেছে। তবে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীর ঝুঁকি নিরসনে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় ২০১০ সালে ছিল অনেক বেশি সক্রিয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসইসির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ থাকলেও সার্বিক কার্যক্রম ছিল সন্তোষজনক।  
গত এক বছরে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার অনেক দূর এগিয়েছে। বাজার মূলধন জিডিপির অর্ধেকের বেশি হয়েছে। পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ভূমিকা ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। পুঁজিবাজারের বিকাশ ও বিনিয়োগকারীদের বৃহত্তর স্বার্থে ২০১০ সালে এসইসি সর্বমোট ৮১টি নির্দেশনা জারি করেছে। অবশ্য বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য এসইসি সবচেয়ে বেশি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে মার্জিন ঋণ বিষয়ে। অপরদিকে ২০১০ সালে বাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসির সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র ছিল ব্রোকারেজ হাউজের নিরাপত্তা জামানতের (মেম্বারস মার্জিন) বর্ধিত হারের সিদ্ধান্ত। যদিও অস্ত্রটি প্রয়োগের আগেই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এছাড়া চেক ও নেটিং বিষয়ে জারি করা দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা স্থগিত করে এসইসি। এর ফলে সিকিউরিটিজ আইনের পরিপন্থী কার্যকলাপ হলেও কিছু ক্ষেত্রে তা মেনে নিয়েছে এসইসি। এদিকে ২০১০ সালে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়ার পর চাপের মুখে তা বাতিল অথবা স্থগিত করতে হয়েছে। আবার কয়েকটি ভুল সিদ্ধান্তের কারণে পুঁজিবাজারকে অনেক বেশি খেসারত দিতে হয়েছে। এরমধ্যে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি অন্যতম। এ পদ্ধতির কারণে কোম্পানি কর্তৃক যৌক্তিক মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি হারে প্রিমিয়াম নেয়ায় বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কয়েকগুণ বেশি লাভবান হয়েছেন কোম্পানির মালিকপক্ষ। এতে পুঁজিবাজারের বিকাশ কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। আবার অভিহিত মূল্যের পরিবর্তন, নীতিমালা তৈরির আগেই প্রেফারেন্স শেয়ারের অনুমোদনসহ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কোম্পানির অভিহিত মূল্য পরিবর্তনে সময়সীমা বেঁধে না দেয়ায় তালিকাভুক্ত অন্তত ৬৩টি কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩৫টি কোম্পানির অভিহিত মূল্য পরিবর্তন হয়েছে এবং অবশিষ্ট ২৮টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এদিকে ভুল পদ্ধতিতে সূচক গণনা করা এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগে লেনদেন শুরু করায় গত ২২ জুলাই প্রথম বারের মতো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) এক লাখ টাকা করে জরিমানা করে এসইসি। যদিও পরবর্তীতে জরিমানা মওকুফ করা হয়। এছাড়া শেয়ারে কারসাজির ঘটনায় দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জরিমানার ঘটনাও ঘটেছে। তবে ২০১০ সালের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল চলতি ডিসেম্বর মাসের তিনটি বড় ধরনের বাজার ধস। পরিকল্পিত এ বাজার ধসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে দুর্বল করে ফেলা হয়েছে। এর ফলে সারাবছর বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য এসইসির একটু একটু করে সঞ্চয় করা শক্তি দুর্বল হয়ে বাজার জুয়াড়িদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে। এছাড়াও ২০১০ সালে এসইসির গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির ত্রৈমাসিক আর্থিক বিবরণী প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা, প্রথমবারের মতো বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রয়োগ, মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ নির্ধারণ এবং দশ বছর মেয়াদউত্তীর্ণ মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো অবলুপ্ত করার নির্দেশ, পিই রেশিও অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারে ঋণ প্রদান, শেয়ারে ঋণ প্রদানে সম্পদমূল্য বিবেচনা (এনএভি) পদ্ধতির প্রবর্তন, তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ও মার্কেট লট বিষয়ে নির্দেশনা জারি, কাগুজে শেয়ারধারী কোম্পানিগুলো ওটিসি (ওভার দ্যা কাউন্টার) মার্কেটে স্থানান্তর, বিও হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ ফি ৫০০ টাকায় নির্ধারণ, বিও হিসাব খোলার পরবর্তী ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত ঋণ সুবিধা বন্ধ এবং অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণে ১৪টি কোম্পানিকে স্পট মার্কেটে প্রেরণের নির্দেশনা।
ঋণ প্রদানে অনিয়মের অভিযোগে চলতি বছর নভেম্বর মাসে অন্তত ২৫টি ব্রোকারেজ হাউজকে শো-কজ করেছে এসইসি। এছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ও ন্যূনতম শেয়ার ছাড়ার শর্ত শিথিল করেছে কমিশন। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য বর্তমান এবং আইপিও’র মাধ্যমে সংগ্রহের জন্য প্রস্তাবিত তহবিল মিলিয়ে কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ৩০ কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। এছাড়াও শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে বিতর্কিত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন করা হয়। ব্রোকারেজ হাউজের কোনো গ্রাহক একদিনে ১ কোটি টাকার বেশি লেনদেন এবং কোনো স্টক ডিলার একদিনে ১ কোটি ডলার লেনদেন করলে সে তথ্যও কমিশনকে জানানোর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। পিই রেশিও ৪০ এর বেশি থাকা কোম্পানির নেটিং সুবিধা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। এ বছর স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে ডিমিচ্যুয়ালাইজেশন করার নির্দেশ দেয় এসইসি। ব্রোকারেজ হাউজগুলো তাদের উদ্বৃত্ত মূলধন, দায়-দেনা এসইসিতে জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করে। একই সাথে পুঁজিবাজারে শীর্ষস্থানীয় ২৭০০ বিনিয়োগকারীর লেনদেনের তথ্য পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। এ বছর পুঁজিবাজারে অবৈধ প্লেসমেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে পুঁজিবাজারে শেয়ারের তীব্র চাহিদা থাকলেও দুটি কোম্পানিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়নি এসইসি। সম্পদ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কারসাজির আশ্রয় নেয়ায় জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেড এবং অস্বাভাবিক দরে একই গ্রুপের আরেকটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার প্রস্তাবের কারণে মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন বাতিল করে দেয় এসইসি।
এদিকে ২০১০ সালে এসইসির কয়েকটি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ হয়েছে উচ্চ আদালতে। এর মধ্যে প্রকৃত সম্পদমূল্য বিবেচনায় মার্জিন ঋণ প্রদান এবং ঋণ অযোগ্য কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ে আর্থিক সমন্বয়সুবিধা (নেটিং সুবিধা) বন্ধ করে  সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নেয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্ট। তবে পরবর্তীতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করে সুপ্রিম কোর্ট। এছাড়া এইমস মিউচ্যুয়াল ফান্ডের রাইট ও বোনাস শেয়ারের ঘোষনা এসইসি স্থগিত করলে উচ্চ আদালতে মামলা হয়। হাইকোর্ট এসইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন।
এদিকে পুঁজিবাজারে অব্যাহত চাহিদার প্রেক্ষিতে ২০১০ সালে বিভিন্ন কোম্পানির আইপিও এবং রাইট ইস্যুর মাধ্যমে ৪৮২৭ কোটি টাকার শেয়ার অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এর মধ্যে ২১টি আইপিও’র মাধ্যমে ২৩৪৫ কোটি টাকা এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির রাইট অনুমোদনের মাধ্যমে ২৪৭২ কোটি টাকার শেয়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আইপিও নিয়ে এসেছে এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ আইনী সীমায় নামিয়ে আনতে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সাথে ব্যাংকগুলোর নগদ জমা সংরক্ষনের হার (সিআরআর) ও বিধিবদ্ধ জমার হার (এসএলআর) বৃদ্ধি করে। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে সাময়িকভাবে নগদ টাকার সঙ্কট দেখা দেয়। যার বিরূপ প্রভাব পড়ে শেয়ারবাজারে।

বাজার পরিস্থিতি:
২০১০ সালে পুঁজিবাজারে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক সাধারণ বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারে যুক্ত হয়েছেন। আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১৩ লাখ বেশি বিনিয়োগকারী এ বছর বিনিয়োগে অংশগ্রহণ করেছেন। এ বছর ডিএসইতে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজসমূহের লেনদেনের পরিমাণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১০ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ১৬৯৭ কোটি ৪৫ লাখ সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়, যার মূল্য টাকায় ৪লাখ ৯৯১ কোটি টাকা। অপরদিকে ২০০৯ সালে ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। এ বছর লেনদেন, বাজার মূলধন ও সাধারন সূচকে প্রায়ই রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর বাজার মূলধন ছিল ১ লাখ ৯০ হাজার ৩২২ কোটি টাকা, যা এক বছরের মধ্যে ৮৪ শতাংশ বেড়ে ৩ লাখ ৫০ হাজার ৮০০ কোটি টাকায় অবস্থান করছে। একই সাথে সূচক বেড়েছে দ্বিগুণ হারে। গত বছরের এ সময়ে ডিএসইর সাধারন সূচক ছিল ৪৫৩৫ পয়েন্ট, যা এক বছর পরে ৮২৯০ পয়েন্টে দাড়িয়েছে। যদিও ৫ ডিসেম্বর সূচক ৮৯১৮ পয়েন্ট পর্যন্ত উঠেছিল। মার্কেট পিই রেশিও (মূল্য আয় অনুপাত) বেড়ে ২৮.৪৭ পয়েন্টে পৌছেছে। যা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির বিষয়টি অঙ্গুলি নির্দেশ করছে। ২০০৯ সালের তুলনায় ডিএসইর গড় লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১৮৬ শতাংশ। গত বছর ডিএসইর গড় লেনদেন ছিল ৬০৪ কোটি টাকা, যা ২০১০ সালে ১৬০০ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। এছাড়া ২০১০ সালের অধিকাংশ দিনই পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। এ বছর লেনদেন হওয়া ২৪৪ কার্যদিবসের মধ্যে সূচক বেড়েছে ১৬০ দিন। এ বছরের ৫ ডিসেম্বর ডিএসইতে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছিল ৩২৪৯ কোটি টাকা, সর্বোচ্চ সূচক বৃদ্ধি ২০ ডিসেম্বর ৩০৪ পয়েন্ট এবং সর্বোচ্চ পরিমানে সূচকের পতন হয়েছিল ১৯ ডিসেম্বর ৫৫১ পয়েন্ট।  
২০১০ সালে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ব্রোকারেজ হাউজের শাখা ৩৫০ থেকে বেড়ে ৬০৮টি হয়েছে। নতুন শাখা স্থাপনের মাধ্যমে এ বছরে ১৬১৫ জনকে অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে চাকরি দেয়া হয়েছে।
২০১০ সালের স্মরণীয় ঘটনা:
এ বছর পুঁজিবাজারের উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে ডিসেম্বর মাসের তিনটি বাজার ধস। পরিকল্পিত এ বাজার ধসের কারণে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন। এ কারণে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, মিছিল ও ভাঙচুর করেছেন। চেক ও নেটিং বিষয়ে এসইসির দুটি নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে ৮ ডিসেম্বর পুঁজিবাজারে এক ঘন্টায় ভয়াবহ রকমের দরপতন ঘটে। সেদিন এক ঘণ্টার এ দরপতনে ডিএসই ৫৪৭ পয়েন্ট সূচক হারায়। এ দরপতনের কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ মিছিল করলে সেদিনই এসইসি বাধ্য হয়ে চেক ও নেটিং বিষয়ে জারি করা নির্দেশনা স্থগিত করে। এরপর পরবর্তী দুঘণ্টার মধ্যে হারানো ৫৪৭ পয়েন্ট সূচক পূনরুদ্ধার হয়। যা সত্যিই বিস্ময়কর। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআরআর (নগদ জমা সংরক্ষণ) ও এসএলআর (বিধিবদ্ধ জমা সংরক্ষণ) বাড়ানোয় তারল্য সংকটের অজুহাত দেখিয়ে ১২ ও ১৯ ডিসেম্বরের ধস নামানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পুঁজিবাজারে ৮ ডিসেম্বরের এক ঘণ্টার ভয়াবহ দরপতনের স্মৃতি ম্লান হওয়ার আগেই আবারও বড় দরপতন হয় ১২ ডিসেম্বর| এদিন ডিএসইর সাধারণ সূচক কমেছে ২৮৪ পয়েন্ট। ২০০১ সালে এই সূচক চালু হওয়ার পর গত ১০ বছরের মধ্যে এটিই একদিনে সর্বোচ্চ সূচক পতন। ১২ ডিসেম্বরের দরপতন হয়েছে মূলত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দরপতনের কারণে। এদিন ডিএসইতে ৩০টি ব্যাংকের সবক'টি এবং ২১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০টি শেয়ারের দর হারিয়েছে। বাজারে তারল্য সঙ্কটের কারণে এ দরপতন হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। একই অজুহাতে ১৯ ডিসেম্বর ভয়াবহ ধস নামানো হয়েছে। এছাড়া দরপতনের পেছনে একাধিক ঘটনার প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সাধারণত ডিসেম্বর বাজারের গতিশীলতা কমে যায়। তবে এ ধসের পেছনে আরও কিছু উপাদান যুক্ত হয়েছে। শেয়ারবাজারে যেসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সীমার বেশি বিনিয়োগ করেছে তাদের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তা সমন্বয়ের নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে যেসব উদ্যোক্তা অন্য খাতের জন্য ঋণ নিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছিলেন তাদের ওই অর্থ ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আলটিমেটাম দেওয়া হয়। এই দুই কারণে বাজারে বিক্রির চাপ বেড়ে যায়। আর এ বিক্রি চাপ বাড়াতে প্রধান ভূমিকা পালন করে কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংক। এসব কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যা দরপতনে প্রধান ভূমিকা রাখে। তবে উক্ত তিনটি ধসের পেছনে পুঁজিবাজারে সক্রিয় সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক মেম্বাস মার্জিন বাতিল, শেয়ারে মার্জিন ঋণ বৃদ্ধি ও ঋণ প্রদানে সম্পদমূল্য বিবেচনার বিষয়টি স্থগিত করলে পরবর্তিতে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এআইকে/১৯.০০ঘ.)

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/31/2010 10:15 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারের দর প্রভাবিত করায় লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্সের জরিমানা বহাল
ঢাকা, ২৯ ডিসেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): গুজব ছড়িয়ে শেয়ারের দর প্রভাবিত করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিতে সহযোগিতার দায়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য প্রতিষ্ঠান লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্সকে করা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা বহাল রেখেছে
  সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। মঙ্গলবার এসইসির নিয়মিত সভায় লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্সের জরিমানা মওকুফের আবেদন খারিজ করে জরিমানা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গত ২ মে গুজব ছড়িয়ে শেয়ারের দর প্রভাবিত করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়ার দায়ে কেয়া কসমেটিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল খালেক পাঠানসহ কোম্পানির সকল পরিচালককে ৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এই কারসাজিতে সহযোগিতা করায় ডিএসই সদস্য প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংক লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্সকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
একই দিন পুঁজিবাজারে কারসাজির পৃথক দু'টি ঘটনায় জুয়াড়িচক্রের দুই সদস্য, একটি কোম্পানি এবং একটি মার্চেন্ট ব্যাংককে সর্বমোট ৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা জরিমানা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। এর মধ্যে ম্যারিকোর শেয়ার নিয়ে কারসাজির অভিযোগে পুঁজিবাজারে জুয়াড়িচক্রের অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ইয়াকুব আলী খন্দকারকে ১ কোটি টাকা এবং তার সহযোগী আরিফুর রহমানকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসইসির সভায় এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরিচালিত তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে জরিমানার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। দেশের শেয়ারবাজারের ইতিহাসে এক সঙ্গে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ জরিমানার ঘটনা এর আগে কখনই ঘটেনি।
জানা গেছে, গুজব ছড়িয়ে দরবৃদ্ধি করে বেআইনীভাবে নিজেদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অতিরিক্ত মুনাফা তুলে নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কেয়া কসমেটিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল খালেক পাঠানকে ৫ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি পরিচালক হিসেবে কোম্পানির শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে আইন অমান্য করায় তাকে আরও ৩৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মূল্য সংবেদনশীল তথ্য গোপন করায় কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছাড়াও পরিচালক ফিরোজা বেগম, খালেদা পারভীন, মাসুম পাঠান, আলহাজ আক্কাস আলী পাঠান এবং কোম্পানি সচিবকে ৫ লাখ টাকা করে মোট ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, শ্রীলঙ্কান প্রতিষ্ঠান হেমাস হোল্ডিংস লিমিটেড কেয়া কসমেটিক্সের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শেয়ার কিনবে ২০০৯ সালের শেষ দিকে শেয়ারবাজারে এমন একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রভাবে বাজারে ওই কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়তে থাকে। ২০০৯ সালের অক্টোবর মাস থেকে কোম্পানির পরিচালকদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা বেড়ে যায়। বিষয়টি নজরে আসায় এসইসির সার্ভিলেন্স বিভাগ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিকভাবে গুজব ছড়ানোর পেছনে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল খালেক পাঠান এবং লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্সের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায় কমিশন।
গত ১৭ জানুয়ারি এ বিষয়ে কেয়া কসমেটিক্স এবং লঙ্কা-বাংলার কর্মকর্তাদের কারণ দর্শাও নোটিশ জারি করে এসইসি। পাশাপাশি কেয়া কসমেটিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সকল পরিচালক এবং কোম্পানি সচিবকে শুনানিতে ডাকা হয়। একই সঙ্গে লঙ্কা-বাংলার কর্মকর্তাদেরও শুনানিতে ডাকা হয়।
জানা গেছে, গুজব ছড়িয়ে দরবৃদ্ধির পর কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল খালেক পাঠান মোট ১ কোটি ২৪ লাখ শেয়ার বিক্রি করেন। এতে স্বাভাবিক বাজার দরের তুলনায় তার অতিরিক্ত ১১ কোটি টাকা লাভ হয়। গুজব ছড়িয়ে শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ৫ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া কোম্পানির পরিচালক হিসেবে শেয়ার অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিধি (সাবসটেনশিয়াল এ্যাকুইজেশন রুল) ভঙ্গ করায় তাকে আরো ৩৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এদিকে শ্রীলঙ্কার হেমাস হোল্ডিংসের সঙ্গে লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্সের যোগসূত্র রয়েছে বলে এসইসির তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। কেয়া কসমেটিক্সে ওই কোম্পানিটির বিনিয়োগের গুজব প্রচারের ক্ষেত্রে লঙ্কা-বাংলার ভূমিকা রয়েছে বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। গুজব ছড়িয়ে শেয়ারের দর বাড়িয়ে লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্স অতিরিক্ত ২৭ কোটি টাকা কমিশন পেয়েছে বলে তদন্তে জানা গেছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্সের মালিকানাধীন কোম্পানি হচ্ছে লঙ্কা-বাংলা সিকিউরিটিজ।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ সস/ ২১.১০ঘ.)

     

সত্বাধিকারঃ 2010 Sheershanews. সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/31/2010 10:16 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার বাজার: ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় শেষ হলো বছরের শেষ লেনদেন
ঢাকা, ৩০ ডিসেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতার মধ্য দিয়ে শেষ হলো বছরের শেষ লেনদেন। চলতি মাসে ভয়াবহ ধসের পর পুঁজি বাজার আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কয়েকটি ইতিবাচক সিদ্ধান্তের কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে বলে পুঁজি বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে সব ধরনের সূচক। বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে বুধবারের চাইতে ডিএসইতে বৃহস্পতিবার লেনদেন বেড়েছে ৩০৪ কোটি টাকা। ২০১০ সালের শুরু থেকে পুঁজি বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। এক বছরের মধ্যে প্রায় ১৩ লাখ নতুন বিনিয়োগকারী পুঁজি বাজারে যুক্ত হওয়ায় এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেয়। একইসাথে চাহিদার তুলনায় শেয়ারের সরবরাহ কম থাকায় তালিকাভুক্ত অধিকাংশ সিকিউরিটিজ অতিমূল্যায়িত হয়ে পড়ে। এতে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকির মুখে পড়ে যায়। অপরদিকে অতি মূল্যায়িত শেয়ারের পাশাপাশি জুয়াড়িদের কারসাজির কারণে ডিসেম্বর মাসে তিনটি বড় ধরনের ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপে পরবর্তীতে অব্যাহত দরপতনের আতঙ্ক থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারী। অবশেষে পুঁজি বাজার আবার স্বাভাবিক ধারায় ফিরে এসেছে।    
পুঁজি বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইর তালিকাভুক্ত ব্যাংক, সিমেন্ট, সিরামিক, প্রকৌশল, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি, ইন্স্যুরেন্স, আইটি, মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ প্রায় সবগুলো খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৬টির, কমেছে ৫৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২টির। অধিকাংশ কোম্পানির দর বৃদ্ধির কারণে ডিএসইর সাধারণ সূচক ৭৫ পয়েন্ট বেড়ে ৮২৯০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৭৮৩ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার ডিএসইর দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় একটি বাদে সবগুলো ছিল মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে গ্রামীণ-টু, সিএসসি কামাল, পিএইচপি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এইমস ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, পপুলার লাইফ মিউচ্যুয়াল ফান্ড উল্লেখযোগ্য।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ জেডআর/এএইচ/ ১৬.২৭ঘ.)

     

সত্বাধিকারঃ 2010 Sheershanews. সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/31/2010 10:20 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

চাঙা ভাব নিয়ে বছর শেষ হলো শেয়ারবাজারে

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ৩১-১২-২০১০
Prothom alo


বছর শেষ হতে এখনো পুরো একটা দিন বাকি। কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবারই দেশের শেয়ারবাজারের বছরের সমাপ্তি ঘটেছে। আজ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় গতকাল ছিল শেয়ারবাজারে বছরের শেষ লেনদেন।
শেষ দিনটি বিনিয়োগকারীদের জন্য এককথায় ভালো কেটেছে। কারণ, এদিন দুই স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ শেয়ারের দাম বেড়েছে। বেড়েছে মূল্যসূচক, বাজার মূলধন ও লেনদেনের পরিমাণ। আর এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে ব্যাংক, মিউচুয়াল ফান্ড ও অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের শেয়ার।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রতিবছরের শেষ দিনে ব্যাংক ও অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাব চূড়ান্ত করা হয়। বিনিয়োগকারীদের একটা বড় অংশের ধারণা, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থেকে এসব প্রতিষ্ঠান এবার অনেক ভালো মুনাফা করবে। আর এ প্রত্যাশা থেকেই তাঁদের অনেকেই এ দুটি খাতের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়েছেন।
অন্যদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটে বিনিয়োগের জন্য ঋণসুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে সব ধরনের আইনি জটিলতা দূর করার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সিদ্ধান্তে এ খাতটির প্রতিও আগ্রহী হয়ে উঠেছেন অনেক বিনিয়োগকারী।
এসইসির বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে এ খাতটি এত দিন একরকম অবহেলিত ছিল। তবে গত বুধবার মিউচুয়াল ফান্ডের বিপরীতে ঋণসুবিধা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও বাজারে আসতে আগ্রহী কোম্পানিগুলোর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে দরপ্রস্তাবের (বিডিং) মাধ্যমে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। এর ফলে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিটি মিউচুয়াল ফান্ডের নামে পৃথকভাবে দরপ্রস্তাবের মাধ্যমে শেয়ার কিনতে পারবে। এতে স্বল্প সময়ে ফান্ডগুলো অধিক মুনাফা করার সুযোগ পাবে।
মূলত এসব বিবেচনায় গতকালের বাজারে ব্যাংক ও অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মূল্য ও লেনদেন বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দাম বৃদ্ধির শীর্ষ ১০টি শেয়ারের তালিকায় আটটি ছিল মিউচুয়াল ফান্ড।
বাজার পরিস্থিতি: ডিএসই ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) উভয় জায়গায় গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই মূল্যসূচক বাড়তে থাকে। প্রথম এক ঘণ্টায় ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ১২০ পয়েন্টের মতো বেড়ে যায়। এর পরের তিন ঘণ্টা সূচক খুব সামান্য ওঠানামা হলেও সামগ্রিকভাবে বাজার স্থিতিশীল ছিল। ডিএসইতে গতকাল সাধারণ মূল্যসূচক ৭৫ পয়েন্ট বেড়ে আট হাজার ২৯০ পয়েন্ট ছাড়িয়ে গেছে। আর সিএসইর সাধারণ সূচক ১৫০ পয়েন্ট বেড়ে ২৩ হাজার ৪৪৮ পয়েন্ট হয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল ২৪৬টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৬টিরই দাম বেড়েছে। কমেছে মাত্র ৫৮টির আর অপরিবর্তিত ছিল দুটির দাম। ডিএসইতে গতকাল মোট এক হাজার ৭৮৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, আগের দিনের চেয়ে যা ৩০৪ কোটি টাকার মতো বেশি।
সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮৯টি কোম্পানির শেয়ার। এর মধ্যে ১৩৫টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, কমেছে ৫১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল তিনটি কোম্পানির শেয়ারের দাম। লেনদেন হওয়া শেয়ারের মোট মূল্য ১৭৯ কোটি টাকা।
লেনদেন সামান্য বাড়লেও বাজারে এখনো তারল্য ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের নির্বাহীরা। এ কারণে তাঁরা গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণ সরবরাহ করতে পারছেন না। আর ঋণ না পেয়ে গ্রাহকেরা প্রতিদিনই নির্বাহীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে এ সংকট ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/31/2010 10:30 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
The Daily Janakantha
31.12.2010

রেকর্ডময় বছর পার করল শেয়ারবাজার
এক বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা
অর্থনীতি ভাল অবস্থায় থাকায় শেয়ারবাজার শক্তিশালী হয়েছে ॥ ডিএসই সভাপতি
রাজু আহমেদ ॥ ঘটনাবহুল ও রেকর্ডময় একটি বছর পার করল দেশের পুঁজিবাজার। বছর জুড়েই গুজব, আতঙ্ক আর অস্থিরতা অব্যাহত থাকলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বাজার কর্তৃপক্ষের নানামুখী পদৰেপের ফলে ২০১০ সালে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। শেয়ার সংখ্যা, আর্থিক লেনদেন, বাজার মূলধন, মূল্য সূচকসহ সবদিক থেকেই নতুন এক উচ্চতায় অবস্থান করছে শেয়ারবাজার। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) বেশ কিছু পদৰেপ যেমন ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তেমনি কিছু কিছু পদৰেপ দীর্ঘমেয়াদে পুঁজিবাজারকে ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পরিণত করতে ভূমিকা রেখেছে। সব মিলিয়ে বিদায়ী বছরটি পুঁজিবাজারের জন্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
বড় ধরনের অগ্রগতি সত্ত্বেও বেশ কয়েকটি সঙ্কটের সমাধান ছাড়াই বছর শেষ করেছে দেশের পুঁজিবাজার। মিউচু্যয়াল ফান্ড মামলা, মার্জিন ঋণ ও বিলুপ্তির প্রশ্নে বিনিয়োগকারীদের ৰোভ, বীমা আইন পাস নিয়ে অনিশ্চয়তা, নতুন কোম্পানির ৪০ শতাংশ শেয়ার অবমুক্ত করার প্রশ্নে সিদ্ধান্তহীনতা এবং কারসাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা নিয়েই নতুন বছর শুরু করছে শেয়ারবাজার। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হলে ২০১০ সাল হতে পারে পুঁজিবাজারের জন্য আরেকটি ইতিহাস গড়ার বছর।
বিদায়ী অর্থবছরের অর্জন সম্পর্কে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী জনকণ্ঠকে বলেন, 'পুঁজিবাজার এখন আর শুধুমাত্র সিকিউরিটিজ লেনদেনের জায়গা নয়। গত এক বছরে তা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এজন্য সরকারের প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, মন্ত্রণালয়, এসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশিস্নষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান এবং বিনিয়োগকারীদের অভিনন্দন জানাই।'
তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ৰেত্রে পুঁজিবাজার গুরম্নত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। প্রত্যৰ ও পরোৰভাবে প্রায় ১ কোটি মানুষ পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। গত এক বছরে অনেকগুলো ভাল কোম্পানি পুঁজিবাজারে এসেছে। বাজারে উন্নয়নের যে গতিধারা সৃষ্টি হয়েছে_ তা ধরে রাখার জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
শাকিল রিজভী বলেন, সরকারের পুঁজিবাজারবান্ধব নীতি এবং এসইসি ও ডিএসইর সমন্বিত প্রচেষ্টাসহ বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে শেয়ারবাজারে টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হবে। বাজারকে গতিশীল রাখতে হলে চাহিদা অনুযায়ী শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে হবে। এখন পর্যনত্ম যেটুকু বোঝা যাচ্ছে, ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে বিপুলসংখ্যক নতুন শেয়ার যুক্ত হবে। এর ফলে বাজারে ভাল শেয়ারের যোগান বাড়বে এবং চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য তৈরি হবে।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, শেয়ারবাজারে ব্যাপক উর্ধমুখী প্রবণতা দিয়েই ২০১০ সাল শুরম্ন হয়েছিল। বেশ কয়েক দফা উত্থান-পতনের পর এক বছরে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে গড় লেনদেনের পরিমাণ প্রায় আড়াই গুণ হয়েছে। ২০১০ সালে ডিএসইতে মোট ২৪৪ দিন লেনদেন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই সময়কালে মোট ১ হাজার ৬৯৭ কোটি ৪৫ লাখ সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে_ যার মূল্য ৪ লাখ ৯৯১ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ২০০৯ সালে ৭৯৬ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছিল_যার মোট মূল্য ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১০ সালে সিকিউরিটিজ লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ১১২.৯০ শতাংশ এবং টাকার দিক থেকে বৃদ্ধি পায় ১৭১.৮০ শতাংশ।, যা ২০০৯ সালে ছিল ২৪৪। ২০১০ সালে প্রতিদিনের গড় লেনদেন হয়েছে ১৬৪৩ কোটি ৪০ টাকা_ যা ২০০৯ সালে ছিল ৬০৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এছাড়া ডিএসইর ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটে (ওটিসি) তালিকাভুক্ত ৭৯টি কোম্পানির ৫ লাখ ২ হাজার ৯২১টি শেয়ার লেনদেন হয়_ যার মোট মূল্য ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ৯১ হাজার ৫৩৭ টাকা।
২০১০ সালে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারে দর ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। এ কারণে এক বছরে ডিএসই সাধারণ মূল্য সূচক ৩৭৫৪.৮৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর এই সূচক ৪৫৩৫.৫৩ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর সূচক দাঁড়িয়েছে ৮২৯০.৪১ পয়েন্টে। এর আগে ৫ ডিসেম্বর ডিএসই সাধারণ মূল্য সূচক সর্বোচ্চ ৮৯১৮.৫১ পয়েন্ট উন্নীত হয়েছিল।
অধিকাংশ শেয়ারের ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধি এবং উলেস্নখযোগ্যসংখ্যক নতুন শেয়ারবাজারে আসায় একবছরে ডিএসইর বাজার মূলধন ৮৪.২১ শতাংশ বেড়ে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৯.৭৪ শতাংশ থেকে ৫০.৮০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার ২০১০ সালের শেষ কার্যদিবসে বাজার মূলধন ৩ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। টাকার অঙ্কে এক বছরে বাজার মূলধন বেড়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
২০১০ সালে ডিএসইতে মোট ৩ হাজার ৯৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনসম্পন্ন ২৫টি নতুন ইসু্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি মিউচু্যয়াল ফান্ড, ১টি বন্ড, ১টি কর্পোরেট বন্ড এবং ১২টি কোম্পানি রয়েছে। ২০০৯ সালে ৩টি মিউচু্যয়াল ফান্ডসহ ১ হাজার ৯৪১ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের ১৫টি ইসু্য পুঁজিবাজারে এসেছিল।
বিদায়ী বছরে মোট ১৮টি ইসু্যর জন্য পুঁজিবাজার থেকে আইপিও'র মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে_ যার পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ২৬৫৩ কোটি ৬৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৩২৭ কোটি ৯৫ লাখ ২৪ হাজার টাকার শেয়ার। ২০০৯ সালে ২৩১৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধনের ১৮টি কোম্পানি আইপিও'র মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেছিল_ এর মধ্যে ৮৯১ কোটি ৭২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
শুধু লেনদেন বা তালিকাভুক্তির দিক থেকেই নয়, বাজার সম্প্রসারণের ৰেত্রেও ২০১০ সাল ছিল শেয়ারবাজারের জন্য বিশাল অগ্রগতির বছর। এ বছর বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৭ থেকে বেড়ে ৩২ লাখ ৭০ হাজার ৭৭৫ এ উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ এক বছরে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়েছে ১৮ লাখ ৩ হাজার ৩০৮ জন।
প্রতি বছরই ডিসেম্বর মাসে এসে পুঁজিবাজারে মূল্য সংশোধনের প্রবণতা তৈরি হয়। এর মূল কারণ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাব সমাপনী। বার্ষিক হিসাব চূড়ানত্ম করার জন্য এসব প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব পোর্টফলিওর শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নেয়। জানুয়ারিতে তারা আবার বিনিয়োগ শুরম্ন করলে বাজার উর্ধমুখী হয়ে ওঠে। ২০১০ সালেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। অধিকাংশ শেয়ারের দর ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিসেম্বরের শুরম্ন থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিতে শুরম্ন করেন। তবে শেয়ারের দর ব্যাপক বৃদ্ধির পাশাপাশি বিনিয়োগের পরিমাণ আইনী সীমার মধ্যে নামিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের কারণে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বিক্রির প্রবণতা ছিল অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি। অন্যদিকে ব্যাংকের ঝুঁকি কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক সিআরআর ০.৫ শতাংশ হার বাড়িয়েছে। এর ফলে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত ২ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হয়েছে। এর ফলে মুদ্রাবাজারে সৃষ্ট অস্থিরতা পুঁজিবাজারকে প্রভাবিত করে। সব মিলিয়ে দরপতনের ৰেত্রে তৈরি হয় নতুন রেকর্ড।
২০১০ সাল দেশের পুঁজিবাজারের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা ছিল মূল বাজারে কাগজের শেয়ারের যুগাবসান। গত ১ অক্টোবর দেশের স্টক এঙ্চেঞ্জের মূল বাজারে কাগজের শেয়ারের যুগ শেষ হয়ে যায়। ওই দিন থেকে শুধু ইলেকট্রনিক শেয়ার লেনদেন হচ্ছে।
বছর জুড়েই এসইসির বেশ কিছু পদৰেপ চরম বিতর্কের জন্ম দেয়। বিশেষ করে শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকায় রূপানত্মর, মার্জিন ঋণ প্রদানের ৰেত্রে এনএভিভিত্তিক হিসাব পদ্ধতি, মার্জিন ঋণের হার দফায় দফায় হ্রাস বৃদ্ধি, মিউচু্যয়াল ফান্ড নিয়ে বিভিন্ন সিদ্ধানত্ম বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। বছরের শেষ পর্যায়ে এসে প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নেয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ায় বাজারে মন্দা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক হিসাব সমাপনী (ইয়ার ক্লোজিং), আইনসীমার অতিরিক্ত বিনিয়োগ প্রত্যাহারে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর অবস্থান, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা শিল্প ঋণের টাকা ফেরতের সময় বেঁধে দেয়া, ব্যাংকের নগদ জমা সংরৰণের (সিআরআর) হার বৃদ্ধি, মার্জিন ঋণ সংকোচন এবং আনত্মর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সতর্কবাণীর প্রভাবে দরপতনের মাত্রা বেশি হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অবশ্য প্রায় সাড়ে ৩ মাস ধারাবাহিক বৃদ্ধির পর বাজারের এই প্রবণতাকে স্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিশেস্নষকরা। তাদের মতে, বছরের শেষ প্রানত্মে এসে বাজারে মূল্য সংশোধন অস্বাভাবিক নয়। এ সময় বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধারণ করে ভাল কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে।
শেয়ারবাজারে জমে ওঠা বিপুল পরিমাণ মূলধনের একাংশকে উৎপাদনশীল খাতে স্থানানত্মর করে অর্থনীতির মূলস্রোতের সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন। শক্তিশালী পুঁজিবাজারকে দেশের উৎপাদনমুখী খাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতির বিকাশে কিভাবে কাজে লাগানো যায়_ সরকারের দিক থেকে সে ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত। এজন্য বিদু্যত, গ্যাসসহ অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং শিল্প খাতকে শক্তিশালী করতে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সরবরাহের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারলে একদিকে যেমন জাতীয় অর্থনীতি গতিশীল হবে_ তেমনি পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অর্থের নিরাপত্তা বাড়বে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/31/2010 10:31 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
The Daily Janakantha
31.12.2010

এসইসির ইতিবাচক পদক্ষেপে চাঙ্গা মিউচ্যুয়াল ফান্ড
রবিবার থেকে কার্যকর হচ্ছে মার্জিন ঋণের বর্ধিত সুবিধা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ইতিবাচক পদৰেপের প্রভাবে পুঁজিবাজারে আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন। মার্জিন ঋণ প্রদানের ৰেত্রে ইউনিটের বাজার মূল্য প্রকৃত সম্পদ মূল্যের (এনএভি) দেড় গুণের মধ্যে থাকার শর্ত তুলে দেয়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এ খাতের প্রতি নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ফলে গতকাল বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সব মিউচু্যয়াল ফান্ডের দর বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। বিনিয়োগকারীদের এই আগ্রহ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা নতুন ফান্ডগুলোর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের অক্টোবরে ঋণ সুবিধা বাতিল করেছিল এসইসি। পাশাপাশি ১০ বছর অতিক্রান্ত মেয়াদহীন ফান্ডগুলো বিলুপ্তির ঘোষণা এবং একাধিক মামলা নিয়ে জটিলতার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মিউচু্যয়াল ফান্ডের প্রতি অনাগ্রহ তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যে দু'দফায় সীমিত আকারে ঋণ সুবিধা বাড়ানো হলেও সামগ্রিক লেনদেনে কোন প্রভাব পড়েনি। কারণ কোন মিউচু্যয়াল ফান্ডের বাজারমূল্য ও প্রকৃত সম্পদমূল্যের পার্থক্য ৫০ শতাংশের নিচে থাকলেই কেবল ওই ফান্ড ইউনিট কেনার জন্য ঋণ সুবিধা পাওয়া যেত। কিন্তু প্রতিদিন বাজার দরের সঙ্গে এনএভি হিসাব করে ঋণের যোগ্যতা নির্ধারণ করাকে ঝামেলাপূর্ণ মনে করায় মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো এসইসির বেঁধে দেয়া ১৫০ শতাংশের শর্ত বিবেচনায় না নিয়ে মিউচু্যয়াল ফান্ডে ঋণ দেয়াই বন্ধ করে দিয়েছিল। এ কারণে মিউচু্যয়াল ফান্ডের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল না। শেয়ারবাজারে প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল মিউচু্যয়াল ফান্ডের লেনদেন।
সেকেন্ডারি মার্কেটের পাশাপাশি আইপিওর ৰেত্রেও মিউচু্যয়াল ফান্ডের প্রতি অনাগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। ২০০৯ সালে বাজারে আসা ফান্ডগুলোর আইপিওতে যেখানে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়েছে, সেখানে সর্বশেষ কয়েকটি ফান্ডের ৰেত্রে এ হার দেড় গুণেরও কম আবেদন পড়ে। শুধু তাই নয়, সর্বশেষ কয়েকটি মিউচু্যয়াল ফান্ডের পেস্নসমেন্টের ইউনিট বরাদ্দ নেয়ার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীদের কাছে ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে ধর্ণা দিতে হয়েছে। অথচ পেস্নসমেন্টে মিউচু্যয়াল ফান্ডের ইউনিট বরাদ্দ পেতে কয়েক মাস আগেও নানা অনৈতিক প্রতিযোগিতা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মিউচু্যয়াল ফান্ড নিয়ে সব ধরনের বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ পুঁজিবাজারের একটি গুরম্নত্বপূর্ণ খাত নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে এসইসির অনুমোদনের অপেৰায় থাকা ৬০টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল। অথচ শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় প্রাতিষ্ঠানিক তহবিলের গুরম্নত্ব বাড়াতে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যেই মিউচু্যয়াল ফান্ডের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কমিশনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের বিনিয়োগের গভীরতা বাড়াতে প্রতি মাসে কমপৰে দু'টি নতুন মিউচু্যয়াল ফান্ড অনুমোদনের নীতিগত সিদ্ধানত্ম নিয়েছে এসইসি। সেই আলোকে নিয়মিতভাবেই একের পর এক মিউচু্যয়াল ফান্ড বাজারে আসছে। এই অবস্থায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগ্রহ না থাকলে মিউচু্যয়াল ফান্ড নিয়ে মন্ত্রণালয় ও এসইসির এই প্রচেষ্টা মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
শেষ পর্যনত্ম মার্জিন ঋণ প্রদানের ৰেত্রে এনএভির শর্ত বাতিলসহ বেশ কয়েকটি সিদ্ধানত্ম নিয়ে মিউচু্যয়াল ফান্ডের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হলো। এসইসির এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী রবিবার থেকে মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট কেনার জন্য কোম্পানির শেয়ারের মতোই ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে বলে বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন। কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তাও এ ধরনের আভাস দিয়েছেন।
এসব কারণে বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে মিউচু্যয়াল ফান্ডের লেনদেন চাঙ্গা হয়ে ওঠে। ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ৩১ ফান্ডের মধ্যে ৩০টিরই দর বেড়েছে। শুধু তাই নয়, ডিএসইর দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ তালিকায় ১০টিই ছিল মিউচু্যয়াল ফান্ড। ফান্ডগুলো হলো_ গ্রামীণ-২, পিএইচপি-১, এইমস ফার্স্ট, পপুলার লাইফ-১, গ্রিন ডেল্টা, ইবিএল ফার্স্ট, আইসিবি এমপস্নয়িজ, ষষ্ঠ আইসিবি এবং আইএফআইএল ইসলামী মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
বাজার দরের পাশাপাশি মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর লেনদেনের পরিমাণও ব্যাপকহারে বেড়েছে। লেনদেনের ৰেত্রে শেয়ার সংখ্যার দিক থেকে ডিএসইর শীর্ষ ২০ তালিকায় ১৪টিই ছিল মিউচু্যয়াল ফান্ড। এই তালিকার প্রথম ১১টিই ছিল এ খাতের।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/31/2010 10:47 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মিউচুয়াল ফান্ডের মার্জিন লোনের শর্ত শিথিল
     
BDNEWS24.com     
Wed, Dec 29th, 2010 9:30 pm BdST
     

ঢাকা, ডিসেম্বর ২৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মার্জিন লোন পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত সম্পদ মূল্যের (এনএভি) শর্ত শিথিল করেছে।

বুধবার এসইসি'র নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবিল ভূঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ কথা নিশ্চিত করেন।

এর আগে মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর শেয়ারের এনএভি দেড়গুণ হলে সেগুলো মার্জিন লোন পেত না। অর্থাৎ বাজারে এনএভিসহ ১০০ টাকার কোনো মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম ১৫০ টাকা হয়ে থাকলে মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে ওই শেয়ারের বিপরীতে মার্জিন লোন নেওয়া যেত না।

এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ডের প্লেসমেন্ট বরাদ্দের ক্ষেত্রে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি।

সেইসঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য প্লেসমেন্ট বরাদ্দের ক্ষেত্রে আর কোনো সীমা থাকছে না। আগে এ সীমা ১০ কোটি টাকায় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল।

আনোয়ারুল কবির বলেন, "কমিশন মিউচুয়াল ফান্ডগুলোকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে দরপ্রস্তাব (বিডিং) প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) ইনডিকেটিভ প্রাইস পাবে।"

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/টিএ/জেবি/পিডি/২১২২ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
12/31/2010 10:50 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
চারটি কোম্পানির আইপিও, রাইটস শেয়ার অনুমোদন
bdnews24.com     
     
Tue, Dec 28th, 2010 6:43 pm BdST
     

ঢাকা, ডিসেম্বর ২৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) মঙ্গলবার দু'টি প্রাথমিক গণ প্রস্তাব (আইপিও) ও দু'টি কোম্পানির রাইটস শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছে। যার মোট মূল্য ৭৬২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

আইপিও ছাড়ার অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠান দু'টি হচ্ছে- ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্স লিমিটেড ও বারাকাতুল্লাহ ইলেক্ট্রা ডিনামিটস লিমিটেড।

রাইটস শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে- কন্টিনেন্টাল ইন্সুরেন্স লিমিটেড ও ফুয়াং ফুড লিমিটেডকে।

এর মধ্যে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্স লিমিটেড বাজারে তিন কোটি শেয়ার ছাড়বে। কোম্পানিটি বাজার থেকে পাঁচশ ৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

ঢাকায় তিনটি ফাইভ স্টার হোটেল স্থাপনে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। হোটেল তিনটি হচ্ছে- ওয়েস্টিন-টু, লা মেরিডিয়ান ও লাক্সারি কালেকশন।

কোম্পানিটির শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। ইনডিকেটিভ প্রাইস ১৮৫ টাকা এবং ১০টাকায় এর আর্নিং পার শেয়ার ৪.৮০ টাকা।

এর শেয়ারের ব্যাবস্থাপনায় থাকবে ব্র্যাক ইপিএল।

বারাকাতুল্লাহ ইলেক্ট্রো ডিনামিটস লিমিটেড বাজারে দুই কোটি শেয়ার ছেড়ে ১২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

এই অর্থ সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কোম্পানির ৫১ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঋণ পরিশোধের কাজে ব্যয় করা হবে।

এর অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ টাকা। প্রিমিয়াম ৫০ টাকা। এই শেয়ার ফিক্সড প্রাইস মেথডে বাজরে আসবে।

কোম্পানিটির শেয়ার ব্যবস্থাপনায় থাকবে প্রাইম ফাইন্যান্স।

কন্টিনেন্টাল ইন্সুরেন্স লিমিটেড দুটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন পেয়েছে। কোম্পানিটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৬৭ কোটি ৫৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে।

এর অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। প্রিমিয়াম ৫০ টাকা।

ফুয়াং ফুড লিমিটেড একটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার ছাড়বে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি ২০ কোটি ২৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে।

এই অর্থ ফুয়াং বেভারেজ ক্রয় এবং কোম্পানির পরিবর্ধন ও ঋণ পরিশোধের কাজে ব্যবহার করা হবে।

এর শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

পুঁজি বৃদ্ধির বিষয়ে লক ইন

পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর লক্ষ্যে কোম্পানিগুলো বাজারে যে নতুন শেয়ার ছাড়বে তা প্রথম বছর লক ইন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি।

এসইসির নির্বাহী পরিচালক তারিকুজ্জামান মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, "মূলধন বাড়ানোর অনুমোদন পাওয়ার পর বিভিন্ন কোম্পানির স্পন্সররা শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছিল। এতে শেয়ারের দামে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"

এসইসির এক বছরের খতিয়ান

এ বছর এসইসি মোট চার হাজার আটশ ২৭ কোটি টাকার প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ও রাইটস শেয়ারের অনুমোদন দিয়েছে।

গত বছর এর পরিমাণ ছিল সাতশ ৪৭ কোটি টাকা।

২০১০ সালে দুই হাজার তিনশ ৫৫ কোটি টাকার আইপিও ছাড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে অনুমোদন দেওয়া হয় ছয়শ তিন কোটি টাকার আইপিও।

২০১০ সালে রাইটস শেয়ারের অনুমোদন দেওয়া হয় দুই হাজার চারশ ৭২ কোটি টাকার। ২০০৯ সালে এর পরিমাণ ছিল একশ ৪৪ কোটি টাকা।

এ বছর এসইসি মোট ১১টি নতুন আইপিও ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছে। গত বছর নয়টি আইপিও ছাড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে এসইসির নির্বাহী পরিচালক তারিকুজ্জামান বলেন, "এ বছর আমরা শেয়ারের যোগানের উপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।"

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/কেএমএস/১৮৩৪ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 1 / 40 1 - 2 - 3 - 4 - 5 - 6 - 7... - 33 - 34 - 35 - 36 - 37 - 38 - 39 - 40 Next »
Login with Facebook to post
Preview