| 02/15/2011 8:20 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | টানা ৪ দিনের জন্য বন্ধ হচ্ছে পুঁজিবাজার
ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধনের দিন লেনদেন বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিনের জন্য বন্ধ হচ্ছে পুঁজিবাজার।
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে জানানো হয়, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ ফেব্র"য়ারি পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে।
বিশ্বকাপ উদ্বোধনের ওই দিনে ঢাকায় ইতোমধ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
ঈদ ই মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় ১৬ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) এমনিতেই লেনদেন বন্ধ থাকবে পুঁজিবাজারে। এরপর ১৮ ও ১৯ তারিখ শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।
রোববার খোলার দিন থাকলেও সোমবার ২১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটির দিনে আবার বন্ধ থাকবে পুঁজিবাজারে লেনদেন।
এদিকে ডিএসই'র ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার আরো জানানো হয়েছে, পুঁজিবাজারে শেয়ার কেনার জন্য সোনালী, জনতা, অগ্রণী ব্যাংক ও আইসিবিকে তহবিল দিচ্ছে সরকার ।
তবে কী পরিমাণ তহবিল দিচ্ছে, তা জানানো হয়নি।
অন্যদিকে গত এক মাসে সাধারণ সূচক প্রায় ২ হাজার পয়েন্ট কমার পর মঙ্গলবার দিনের শুরুতে সূচক বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ করা গেছে।
ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম ২০ মিনিটে সূচক ২৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫৬০৯ দশমিক ৪৯ এ দাঁড়িয়েছে।
তবে লেনদেন হওয়া ১৬৮টি শেয়ারের দামই কমেছে, বেড়েছে ৩৫টির। ৯টি শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিলো।
একদিন আগেই পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতদনে বিক্ষোভ করে বিনিয়োগকারীরা। আটক করা হয় অন্তত ৫০ জনকে। ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/১১৩০ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/15/2011 8:24 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ৪শ’ কোটি টাকার প্রবাহ বাড়ছে
তারল্য সংকট কাটাতে ১১ মিউচ্যুয়াল ফান্ড অনুমোদন
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৯০০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১১
ঢাকা: শেয়ারবাজারের তারল্য সংকট কাটাতে ১১ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
ফান্ডগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাজারে অর্থপ্রবাহ বাড়াতে মঙ্গলবার এসইসির এক জরুরি বাজার পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১১ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে প্রায় ৪শ’ কোটি টাকা শিগগিরই বাজারে প্রবেশ করবে।
প্রাথমিকভাবে স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অনুমোদনপ্রাপ্ত মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো হলো- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ফাস্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফাস্ট অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এলআর গ্লোব্যাল বাংলাদেশ মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান, রুপালী লাইফ ফাস্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, প্রাইম ফাইন্যান্স সেকেন্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সাউথইস্ট ব্যাংক ফাস্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এনএলআই ফাস্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফাস্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, এক্সিম ব্যাংক ফাস্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও ইস্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
এসইসির অনুমোদন পাওয়া যেসব মিউচ্যুয়াল ফান্ড এখনো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি সেসব ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ আগামী রোববার থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অনুমোদন পাওয়া এসব মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এসইসি বিনিয়োগের অনুমোদন দেয় বলে জানান এসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান।
যেসব মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ আগামী রোববার থেকে পুঁজিবাজারে শেয়ার ক্রয়ে বিনিয়োগ করা হবে সেগুলো হচ্ছে- সোনালি ব্যাংক ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ ২৫ কোটি টাকা, ফাস্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২৫ কোটি টাকা, এলআর গ্লোবাল ফাস্ট ইসলামী মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০ কোটি টাকা, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ড ১৫ কোটি টাকা, এনএলআই ফাস্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ১০ কোটি টাকা, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফাস্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০ কোটি টাকা, প্রাইম ফাইন্যান্স ২য় মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০ কোটি টাকা, সাউথ ইস্ট ব্যাংক ফাস্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২৫ কোটি টাকা, এক্সিম ব্যাংক ফাস্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২০ কোটি টাকা ও ইস্টার্ন ব্যাংক এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ১৫ কোটি টাকা।
এছাড়া সোমবার এসইসির ফাস্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের ২শ’ কোটি টাকার ফান্ডের অনুমোদন দেয়। উদ্যোক্তা অংশ সেকেন্ডারি শেয়ারে বিনিয়োগের ফলে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করছে এসইসি।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:06 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে তৎপর সরকার
আইসিবিকে দেয়া হয়েছে দু'শ' কোটি টাকা, চার রাষ্ট্রীয় ব্যাংককে শেয়ার কেনার নির্দেশ, দর উর্ধমুখী
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
16.02.2011
শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়েছে সরকার। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে শেয়ারের চাহিদা বৃদ্ধির জন্য সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তহবিল যোগান দেয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশনকে (আইসিবি) মঙ্গলবার ২০০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। একইভাবে সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে শেয়ারবাজারে যত বেশি সম্ভব বিনিয়োগ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মার্জিন ঋণের টাকা আদায় করতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো যাতে বাধ্যতামূল্যক শেয়ার বিক্রি (ফোর্সড সেল) না করে সে বিষয়েও পদৰেপ নেয়া হবে বলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শেয়ারবাজার স্থিতিশীলতায় ফিরবে বলেও আশা প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজার অনেক সংশোধন হয়েছে, আশা করা যায় এটা স্থিতিশীল হবে।
এদিকে তহবিল যোগানের মাধ্যমে চাহিদা সৃষ্টি করতে সরকারের নেয়া পদৰেপের প্রভাবে পাঁচ কার্যদিবস পর উর্ধমুখী হয়ে উঠেছে পুঁজিবাজার। মঙ্গলবার দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জেই অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। ফলে একদিনে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৩৪৭ পয়েন্ট এবং চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) নির্বাচিত সূচক ৪৩৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসঙ্গে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। ধারাবাহিক দরপতনের পর অধিকাংশ শেয়ারের দর ঝুঁকিমুক্ত অবস্থানে আসায় সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সক্রিয় হলে শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন। পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, অব্যাহত দরপতনে সরকার এবং অর্থমন্ত্রী যে পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা বাজারের জন্য খুবই ইতিবাচক। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে। ইতোমধ্যে বাজারে এসব পদৰেপের প্রতিফলন ঘটতে শুরম্ন করেছে। যার ফলে মঙ্গলবার পুঁজিবাজারের অধিকাংশ শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, বাজারে গড় পিই অনুপাত এই মুহুর্তে ২০০৭-০৮ সালের পর্যায় রয়েছে। সেদিক থেকে বিনিয়োগকারীরা বাজারের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। অর্ধেকেরও বেশি কোম্পানির পিই অনুপাত এখন ১৬-এর নিচে। ফলে বর্তমানে শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারীদের জন্য অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত। বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি শেখ মোর্তজা আহমেদ বলেন, মঙ্গলবারের লেনদেন পরিস্থিতি দেখে মনে হয়েছে বাজার স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে। তবে আরও দু'একদিন বাজারের গতি-প্রকৃতি দেখে সঠিক মনত্মব্য করা যাবে। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ করছে। তা না হলে বাজার ঘুরে যাওয়ার কথা নয়।
শেয়ার কিনছে সরকারী ৫ প্রতিষ্ঠান ॥ সরকারের কাছ থেকে তহবিল পাওয়ার পর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে সক্রিয় হতে শুরম্ন করেছে। বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে আইসিবিকে ২০০ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটিকে এই অর্থ যোগান দেয়া হয়। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী, জনতা, রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংককে শেয়ার কিনতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবারই সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার থেকে শেয়ার কিনতে শুরম্ন করেছে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তহবিল ছাড়ের প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগায় প্রথম দিনে খুব বেশি শেয়ার কিনতে পারেনি আইসিবি। তবে এদিন বাজারে আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি থেকেই সবচেয়ে বেশি শেয়ার কেনা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব পোর্টফোলিও এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্যই আইসিবির এই ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমেই শেয়ার লেনদেন করে। এসব প্রতিষ্ঠান সক্রিয় হওয়ার কারণেই ডিএসইর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শেয়ার কেনার দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে ছিল আইসিবি।
ফোর্স সেল বন্ধে পদৰেপ নেবে সরকার ॥ মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস থেকে মার্জিন ঋণ নিয়ে শেয়ার কিনে বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছেন প্রায় ১২ লাখ বিনিয়োগকারী। ধারাবাহিক পতনের কারণে অধিকাংশ শেয়ার এমন পর্যায়ে পেঁৗছেছে যে, এই মুহূর্তে শেয়ার বিক্রি করলে বিনিয়োগকারীদের নিজস্ব মূলধনের প্রায় পুরোটা মার্জিন ঋণ পরিশোধ করতেই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু শেয়ারের দর ব্যাপকহারে কমে যাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলক বিক্রির (ফোর্সড সেল) মাধ্যমে ঋণ আদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে চরম দুশ্চিনত্মায় পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। ইতোমধ্যে কোন কোন প্রতিষ্ঠান অনেক গ্রাহকের শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে বলেও জানা গেছে।
এ অবস্থা থেকে বিনিয়োগকারীদের রৰায় প্রয়োজনীয় পদৰেপ নিচ্ছে সরকার। বিষয়টি নিয়ে আগামী শুক্রবার মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে একটি নির্দিষ্ট দামের কমে শেয়ার বিক্রি বন্ধ করতে অনুরোধ করেছিলাম। অনেকেই তা মানেনি। এটা ঠেকানো দরকার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকিং বাংলাদেশে নতুন, সরকারের কাছেও বিষয়টি নতুন। এক্ষেত্রে মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য একটি নীতিমালা করে দেয়া দরকার। যারা অর্থের ব্যবসা করে তাদের লোভ অস্বাভাবিক হয়, এটাও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
মিউচু্যয়াল ফান্ডের ৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন তারল্য সঙ্কট কাটাতে প্রক্রিয়াধীন ১১টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তাদের অংশের মোট ৪০০ কোটি টাকা এখনই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এরমধ্যে মঙ্গলবার ১০টি মিউচু্যয়াল ফান্ডকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়। মিউচু্যয়াল ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপকদের আবেদনের প্রেৰিতে মঙ্গলবার এসইসি এ অনুমোদন দিয়েছে বলে কমিশনের মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিঙ্ড ইনকাম ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দেয় এসইসি। আগামী রবিবার থেকেই মিউচু্যয়াল ফান্ডগুলো তাদের এই তহবিলের মাধ্যমে বাজার থেকে শেয়ার কিনতে পারবে। নতুন মিউচু্যয়াল ফান্ডগুলোর এসব তহবিল বিনিয়োগের ফলে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে এসইসি আশা করছে। এছাড়াও সরকার পুঁজিবাজার চাঙ্গা করতে বিভিন্ন ধরনের পদৰেপ নিচ্ছে বলে জানা গেছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:07 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের এখনই উপযুক্ত সময়
সরকারের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন ডিএসই সভাপতি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily janakantha
16.02.2011
গত কয়েকদিনের দরপতনের কারণে পুঁজিবাজারের অধিকাংশ মৌলভিত্তির শেয়ারের বাজার মূল্য ও আয়ের (পিই) অনুপাত এখন ভাল অবস্থায় রয়েছে। এসব শেয়ারে বিনিয়োগের জন্য এখন উপযুক্ত সময় বলে মনে করেন ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী। গতকাল মঙ্গলবার ডিএসই কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ এই মুহূর্তে অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর মৌলভিত্তির নিচে নেমে এসেছে। তাই এখন শেয়ার কিনলে ক্ষতির আশঙ্কা কম। তিনি বড় ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নতুন করে বাজারে প্রবেশের আহ্বান জানান। ডিএসই সভাপতি পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।
শাকিল রিজভী বলেন, অব্যাহত দরপতনে সরকার এবং অর্থমন্ত্রী যে পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা বাজারের জন্য খুবই ইতিবাচক। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে। ইতোমধ্যে বাজারে এসব পদৰেপের প্রতিফলন ঘটতে শুরম্ন করেছে। যার ফলে আজ (মঙ্গলবার) পুঁজিবাজারের অধিকাংশ শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজারে সামপ্রতিক অস্থিরতার পেছনে কোন চক্র কাজ করেছে কিনা_ সাংবাদিকদের এ সংক্রানত্ম প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু গত কয়েকদিনে ভাল ভাল কিছু কোম্পানির শেয়ার কম দরে বিক্রি হয়েছে। এতে বোঝা যায় বাজারে হয়ত একটি চক্র কাজ করতে পারে। যাদের উপস্থিতির কারণে বাজারের এ অবস্থা হয়েছে।
গত কয়েকদিনের দরপতন প্রসঙ্গে শাকিল রিজভী বলেছেন, আতঙ্কিত হয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করেছেন। এ কারণে সূচকের পতন ত্বরান্বিত হয়েছে। বর্তমানে ভাল কোম্পানি এখন কম দামে রয়েছে। এ সংবাদটি মানুষের কাছে পেঁৗছে গেলে বাজার ভাল হতে বাধ্য বলেও মনে করেন তিনি। ভাল মৌলভিত্তির শেয়ারের দর কমার পেছনে কোন কারসাজি হয়েছে কিনা_ তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সঠিকভাবে তাদের কাজ করছে কিনা এবং বাজারের সঙ্কটের সময় তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে কিনা তাও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বিধিমালা প্রণয়নের প্রয়োজন রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:09 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | উর্ধমুখী শেয়ারবাজার
আশার আলো দেখছেন বিনিয়োগকারীরা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
16.02.2011
টানা পাঁচ দিন বড় দরপতনের পর আবারও উর্ধমুখী হয়ে উঠেছে শেয়ারবাজার। তহবিল যোগানের মাধ্যমে চাহিদা সৃষ্টি করতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপের প্রভাবে মঙ্গলবার দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জেই অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। ফলে একদিনে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৩৪৭ পয়েন্ট এবং চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সূচক ৪৩৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসঙ্গে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। ধারাবাহিক দরপতনের পর অধিকাংশ শেয়ারের দর ঝুঁকিমুক্ত অবস্থানে নেমে আসায় সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সক্রিয় হলে শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন। এ অবস্থায় পুঁজি হারানো বিনিয়োগকারীরাও কিছুটা আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত দু'মাস ধরে দেশের পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক মন্দা চলছে। মাঝে দু'একবার বাজার উর্ধমুখী হলেও ক্রেতা না থাকায় সেই গতি ধরে রাখা যায়নি। ফলে দু'মাসে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক পড়েছে ৩৩৩৯ পয়েন্ট। এরমধ্যে সর্বশেষ ৫ কার্যদিবসে সূচক পড়েছে ১২৪৩ পয়েন্ট। বাজার মূলধনের হিসাবে গত দু'মাসে তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির শেয়ারের দর গড়ে ৩০ শতাংশ কমেছে। এরমধ্যে কোন কোন কোম্পানির শেয়ারের দর ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যনত্ম কমার উদাহরণও রয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশই শেয়ারবাজার থেকে অর্জিত মুনাফার টাকা লোকসান দেয়ার পর এখন মূলধন হারানোর আশঙ্কায় ভুগছিলেন।
এ অবস্থায় সরকারের দিক থেকে অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধির পদৰেপ নেয়ায় মঙ্গলবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে শেয়ারবাজার। অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধি পাওয়ায় দিনের লেনদেনের শুরম্নর ছয় মিনিটের মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক ১০০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। এরপর অবশ্য কিছু সময়ের জন্য সূচক কমতে থাকে। আধঘণ্টায় সূচক ১৯৮ পয়েন্ট কমে যায়। কিন্তু লেনদেনের প্রথম ঘণ্টা শেষে ডিএসই সূচক বাড়তে থাকে। দিনের শেষ পর্যনত্ম এ ধারা অব্যাহত থাকায় লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ৩৪৬ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট বা ছয় দশমিক ২১ শতাংশ বেড়ে ৫৯২৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
লেনদেনের ৰেত্রে চাঙ্গাভাব সৃষ্টি হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। এ কারণে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শেয়ার বিক্রির চাপ কমেছে। দিন শেষে একদিনে দরবৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করলেও ৭৯টি কোম্পানির শেয়ারের কোন বিক্রেতা ছিল না। মূলত অধিকাংশ শেয়ার এখনও ক্রয় মূল্যের নিচে থাকায় উর্ধমুখী বাজারে লোকসানে শেয়ার বিক্রি করতে চাননি বিনিয়োগকারীরা।
টানা ৪ দিনের জন্য বন্ধ হচ্ছে পুঁজিবাজার
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের কারণে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ। ওইদিন ব্যাংকের সময়সীমা বেলা দু'টা পর্যনত্ম নির্ধারণ করায় লেনদেন নিষ্পত্তিতে জটিলতা এড়াতে এ সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। এর ফলে আজ বুধবার ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটিসহ টানা চারদিন বন্ধ থাকছে পুঁজিবাজার।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী ১৭ ফেব্রম্নয়ারি বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলৰে ওইদিন সরকারীভাবে অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করায় ব্যাংক লেনদেনের সময়সীমা কমে আসবে। এ অবস্থায় শেয়ারবাজারে লেনদেন চালু রাখা হলে বেলা ৩টার পর তা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে না। এ কারণেই ওইদিন লেনদেন বন্ধ রাখা হচ্ছে।
এদিকে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সরকারী ছুটি থাকায় আজ পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে। এছাড়া ১৮ ও ১৯ ফেব্রম্নয়ারি শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। পরবর্তীতে রবিবার পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক লেনদেন হবে। তবে ২১ ফেব্রম্নয়ারি সাধারণ ছুটির দিনে আবার বন্ধ থাকবে লেনদেন। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:11 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আরও ১০ মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily janakantha
16.02.2011
পুঁজিবাজারের তারল্য সঙ্কট কাটাতে ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিঙ্ড ইনকাম ফান্ডের পর প্রক্রিয়াধীন আরও ১০টি মিউচু্যয়াল ফান্ডকে উদ্যোক্তা অংশের মোট ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এসব ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপকরা আগামী রবিবার থেকেই এ অর্থ দিয়ে বাজার থেকে শেয়ার কিনতে পারবে। ফান্ডগুলোর সম্পদ ব্যবস্থাপকদের আবেদনের প্রেৰিতে মঙ্গলবার এ অনুমোদন দেয়া হয় বলে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিঙ্ড ইনকাম ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দেয় এসইসি।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাসে ১০টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন করা হলেও এসব ফান্ড পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতে পারেনি। তবে ফান্ড গঠনের জন্য ইতোমধ্যেই উদ্যোক্তারা তাদের অংশের অর্থ যোগান দিয়েছে। পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতনের প্রেৰিতে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে ফান্ডগুলোর সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানগুলো ওই অর্থ বিনিয়োগের অনুমতি চেয়ে এসইসি আবেদন করে। বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে কমিশন তাদের এই প্রসত্মাব অনুমোদন করে।
অনুমোদন পাওয়া ফান্ডগুলোর মধ্যে সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের ২৫ কোটি টাকা, ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচু্যয়াল ফান্ডের ২৫ কোটি টাকা, এলআর গেস্নাবাল ফার্স্ট ইসলামী মিউচু্যয়াল ফান্ডের ২০ কোটি টাকা, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড ১ম মিউচু্যয়াল ফান্ডের ১৫ কোটি টাকা, এনএলআই ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ডের ১০ কোটি টাকা, রূপালী লাইফ ইন্সু্যরেন্স ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ডের ২০ কোটি টাকা, প্রাইম ফাইন্যান্স সেকেন্ড মিউচু্যয়াল ফান্ডের ২০ কোটি টাকা, সাউথ ইস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ডের ২৫ কোটি টাকা, এঙ্মি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ডের ২০ কোটি টাকা এবং ইস্টার্ন ব্যাংক এনআরবি মিউচু্যয়াল ফান্ডের ১৫ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে।
সব মিলিয়ে গত দু'দিনে ১১টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের ৪০০ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে এসইসি। পাশাপাশি পুঁজিবাজারের বর্তমানের সঙ্কট কাটাতে ইতোমধ্যেই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিনিয়োগ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এরমধ্যে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবিকে মঙ্গলবার ২০০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য। এসব তহবিল বিনিয়োগের ফলে দরপতনের ধারা কাটিয়ে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে বলে সংশিস্নষ্টরা আশা করছেন।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:11 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | অতিরিক্ত বিনিয়োগ করায় ২৬ ব্যাংকের এমডিদের তলব
২০ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈঠক
খায়রুল হোসেন রাজু ॥
The Daily Janakantha
16.02.2011
বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেয়া নির্ধারিত লৰ্যমাত্রার চেয়েও অতিরিক্ত বিনিয়োগ করায় ২৬ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কি কারণে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করা হয়েছে এর কারণ দর্শাতে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২০ ফেব্রেম্নয়ারি ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর মোঃ নজরম্নল হুদা এবং নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী বৈঠক করবেন। এসব বিষয় উলেস্নখ করে মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ থেকে এ সংক্রানত্ম চিঠি প্রদান করা হয়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানি মার্কেটে তারল্য সঙ্কট লৰ্য করা গেছে। এ সঙ্কটের পেছনে প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগ (ল্যান্ডিং) কে দায়ী করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতির পলিসি অনুযায়ী সিআরআর ও এসএলআর বৃদ্ধি করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের মোট ডিপোজিটের ৮১ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। তবে ইসলামী ব্যাংকগুলো মোট ডিপোজিটের প্রায় ৯০ শতাংশ বিনিয়োগ করবে। কিন্তু একাধিক বেসরকারী ব্যাংক প্রায় ১শ' শতাংশের ওপরে বিনিয়োগ করেছে। এছাড়া ১০টি ব্যাংক ৯০ শতাংশের ওপর ল্যান্ডিং করছে। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো যে পরিমাণ ঋণ বিতরণ করতে পারে এর চেয়ে অনেক বেশি বিনিয়োগ করেছে। ফলে বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। কিন্তু তারল্য সঙ্কট সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, তারল্য সহায়তার মাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই ৭ হাজার কোটি টাকার ওপর পিডি ও নন পিডি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নগদ অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ কমিয়ে আনতে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত একটি ব্যাংকসহ বেসরকারী খাতের ব্যাংক মোট ২৬ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে আগামী ২০ ফেব্রম্নয়ারি। এ বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নরসহ সকল ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত থাকবেন।
অন-ইসলামী ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি কিছু ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্তি বিনিয়োগ রয়েছে। এর ফলে ওইসব ব্যাংকেও বর্তমানে তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এর জন্য সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলোর দুর্বল ব্যবস্থাপনাই দায়ী। কারণ সময় মতো বিনিয়োগের নির্দেশনা প্রদান না করা, বিনিয়োগে অতিরিক্ত প্রতিশ্রম্নতি দেয়া এবং ম্যানেজমেন্টের অদৰতাই ছিল মূলত দায়ী।
এদিকে বাজারে তারল্য সঙ্কট সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে বিভিন্নভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিদিনই রেপো ও লিকিউডিটির মাধ্যমে নগদ অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। মঙ্গলবার লিকিউডিটির মাধ্যমে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার ওপরে বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া রেপোর মাধ্যমে ৪ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়। তবে গত সোমবারের চেয়ে প্রায় মঙ্গলবার প্রায় ৬শ' কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়া ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) কে গতকাল ২শ' কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। ৯০ দিনের জন্য এসব অর্থ প্রদান করা হয়েছে। শেয়ার ক্রয় করার জন্য এ ঋণ দেয়া হয়। এ নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬শ' কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। বিদ্যমান পুঁজিবাজার চাঙ্গা করার লৰ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সহযোগিতা প্রদান করছে। যদিও এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজ নয়।
বাজারে তারল্য সঙ্কট সমাধানে কলমানির সুদের হার ১২ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ১২ শতাংশের ওপর অর্থ ধার বা গ্রহণ করতে পারবে না। এ নির্দেশ অমান্য করা হলে সংশিস্নষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরম্নদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:16 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে তারল্য সঙ্কট কাটাতে নানা উদ্যোগ : টানা ৪ দিন পতনের পর সূচক ঊর্ধ্বমুখী
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
amardeshonline.com
16.02.2011
পুজিবাজারে তারল্য সঙ্কট নিরসনের উদ্যোগ নেয়ার পর গতকাল দেশের শেয়ারবাজারের সূচকের বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে। গতকাল একদিনে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে ৩৪৬ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট। লেনদেনে অংশ নেয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণে সূচকের এ উন্নতি ঘটে। কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় গতকাল শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি ছিল অনেক কম। একটানা ৪ দিনের বড় ধরনের দরপতন শেষে সূচকের উন্নতি হলো।
গতকাল শেয়ারবাজারের দরবৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ কাজ করেছে। এর মধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান আইসিবিকে নতুন করে আরও ২০০ কোটি টাকা ফান্ড দিয়েছে সরকার। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংককে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয়া হয়। অপরদিকে আগের দিন অনুমোদন দেয়া ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড নামে একটি মিউচুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দেয় এসইসি। এ ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের ২০০ কোটি টাকা গতকাল থেকে ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শুরু করেছে। নতুন যুক্ত হওয়া ফান্ডের মাধ্যমে শেয়ার কেনায় গতকাল অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। একই সঙ্গে আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে ২৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা।
এর আগে দরপতনের কারণে গত সাত কার্যদিবসে ডিএসইর সামনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। এ সময় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগসহ আটকের ঘটনাও ঘটে। তবে চাঙ্গাভাবের কারণে গতকাল ডিএসইর সামনের পরিবেশ ছিল স্বাভাবিক।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজার অতিরিক্ত ঊর্ধ্বগতিও যেমন ভালো নয়, তেমনি অতিরিক্ত দরপতনও ভালো নয়। এই মুহূর্তে দরকার একটি স্থিতিশীল অবস্থা।
বাজার ািবশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, লেনদেনের শুরুতে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১০০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। তবে এরপর সূচকের কিছুটা পতন হয়। আধঘণ্টার মধ্যে সূচক ১৯৮ পয়েন্ট কমে যায়। তবে এক ঘণ্টা পর সূচক বাড়তে শুরু করে, যা দিনভর অব্যাহত ছিল।
ডিএসইতে দিনের লেনদেন শেষে মোট ২৫৮টি কোম্পানির ৬ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার ৩০৪টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ৬৮৯ কোটি ৩৯ লাখ ৫২ হাজার ৫৩৭ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ২৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা বেশি। ডিএসইতে এদিন সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৪৬.৮৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫৯২৬.৩৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৬০.৯০ পয়েন্ট বেড়ে ৩৯৯৯.১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই’র বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা। লেনদেনকৃত ২৫৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ২২০টির, কমেছে ৩৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো বেক্সিমকো লি., পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লি., ন্যাশনাল ব্যাংক লি., গ্রামীণফোন, বে-লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি., এবি ব্যাংক লি., তিতাস গ্যাস, বেক্সটেক্স ও উত্তরা ব্যাংক লি.। অন্যদিকে দরবৃদ্ধিতে আজকের প্রধান ৩টি কোম্পানি হলো ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি., ন্যাশনাল ব্যাংক লি., পপুলার ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, ইস্টার্ন ব্যাংক লি., ওশান কন্টেইনার লি., মেঘনা পেট্রোলিয়াম, প্রাইম ব্যাংক লি., দেশবন্ধু পলিমার, মেট্রো স্পিনিং ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।
দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো সিএমসি কামাল, এপেক্স স্পিনিং, মিথুন নিটিং, ইষ্টার্ন লুব্রিকেন্টস্, রহিম টেক্সটাইল, মডার্ন ডাইয়িং, জনতা ইন্স্যুরেন্স, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, লিব্রা ইনফিউশনস্ ও সাভার রিফ্রেক্টরিজ।
এদিকে যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ডিএসই ভবনের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এদিকে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি. ও ইস্টার্ন ব্যাংক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি. প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ অর্থবছরে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৬০% স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১:১ রাইট শেয়ার ইস্যুর ঘোষণা দিয়েছে যা কোম্পানির সাধারণ শেয়ারহোল্ডার এবং রেগুলেটরি অথরিটির অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল। অপরদিকে ইস্টার্ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ অর্থবছরে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫৫% স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
নানা উদ্যোগ
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ১১টি মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদন দিয়েছে। এ অনুমোদনের ফলে এসব ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ হিসেবে ৪০০ কোটি টাকা পাবে সংশ্লিষ্ট ফান্ড ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলো। ফান্ড ম্যানেজাররা আগামী রোববার থেকে এ টাকা শেয়ারবাজারের সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ করতে পারবেন। বাজারে তারল্য সঙ্কট কাটাতে গত সোমবার ৫০০ কোটি টাকার ফিক্সড ইনকাম বাংলাদেশ নামে একটি মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদন দেয়। এ অনুমোদনের ফলে ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান রেইস এসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি উদ্যোক্তাদের ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের সুযোগ পেয়েছে এবং গতকাল থেকে ফান্ডটি শেয়ার কিনতে শুরু করেছে।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, গতকাল কমিশনের জরুরি সভায় বাজারে তারল্য সঙ্কটের চলমান ঘাটতি কাটাতে ১১টি মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগের জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছে। অনুমোদনপ্রাপ্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলো হলো সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড মিউচুয়াল ফান্ড, এলআর গেম্নাবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান, রূপালী লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, প্রাইম ফাইন্যান্স সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড, সাউথইস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এনএলআই ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ও ইস্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এসইসির অনুমোদন পাওয়া যেসব মিউচুয়াল ফান্ড এখনো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি সেসব ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ আগামী রোববার থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া এসব মিউচুয়াল ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এসইসি অনুমোদন দেয় বলে এসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান জানিয়েছেন।
যেসব মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ আগামী রোববার থেকে পুঁজিবাজারে শেয়ার ক্রয়ে বিনিয়োগ করবে সেগুলো হচ্ছে সোনালি ব্যাংক ১ম মিউচুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ ২৫ কোটি টাকা, ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড ২৫ কোটি টাকা, এল আর গ্লোবাল ফার্স্ট ইসলামী মিউচুয়াল ফান্ড ২০ কোটি টাকা, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড ১ম মিউচুয়াল ফান্ড ১৫ কোটি টাকা, এনএলআই ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ১০ কোটি টাকা, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ২০ কোটি টাকা, প্রাইম ফাইন্যান্স ২য় মিউচুয়াল ফান্ড ২০ কোটি টাকা, সাউথ ইস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ২৫ কোটি টাকা, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ২০ কোটি টাকা এবং ইস্টার্ন ব্যাংক এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড ১৫ কোটি টাকা।
এসব ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ সেকেন্ডারি শেয়ারে বিনিয়োগের ফলে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে এসইসি মনে করছে। আর এ জন্যই তড়িঘড়ি করে এসব ফান্ডের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসইসি সূত্রে জানায়, তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলো পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করে তহবিল শূন্য হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় নতুন ফান্ড বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। এরই প্রেক্ষিতে এসইসি এসব নতুন মিউচুয়াল ফান্ড অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে মিউচুয়াল ফান্ডের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু শেয়ারবাজারে পর্যাপ্ত মিউচুয়াল ফান্ড না থাকায় বর্তমান সঙ্কটকালীন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখতে পারছে না এ প্রতিষ্ঠানগুলো। নতুন এসব ফান্ডে অর্থ বাজারে তারল্য প্রবাহ কিছুটা বাড়াতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্নিষ্টরা। তবে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর পাশাপাশি শেয়ার সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়েও নজর দিতে হবে। তা না হলে শেয়ার সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ফের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হবে।
এদিতে গত সোমবার অনুমোদন দেয়া ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের ৫০০ কোটি টাকার উদ্যোক্তা অংশের ২০০ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শুরু করেছে। ফান্ডটির ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান রেইস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমরা উদ্যোক্তা তহবিলের একটি বড় অংশ পেয়েছি। এবং এ তহবিল দিয়ে শেয়ার কেনা শুরু হয়েছে। আজ (গতকাল) বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে এটি একটি বড় কারণ বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বলা হচ্ছিল। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে পর্যাপ্ত তহবিল না থাকার কারণে তারা বাজারে তেমন কোনো ভূমিকা পালন করতে পারছিল না। এখন নতুন ফান্ড আসার কারণে বাজার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, এসইসি আরও বেশকিছু ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছে। এটি বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারের জন্য একটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
অর্থমন্ত্রী শেয়ারবাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে ঘোষণা দিলেও তা হয়নি। একটানা দরপতনে বিনিয়োগকারীরা অনেকটা উপায়হীন হয়ে পড়েন। অবশেষে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে এ উদ্যোগের ফলে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেয়া সম্ভব হবে বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:18 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ার বাজারে সূচকের উন্নতি
০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
16.02.2011
একদিনে ৩৪৭ পয়েন্ট বৃদ্ধির মাধ্যমে ঢাকার শেয়ার বাজারে দীর্ঘ বিরতিতে সূচকের উন্নতি ঘটল। সরকারি ৪ বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আইসিবিকে শেয়ার কিনতে তহবিল যোগানের খবর বাজারে আসার পর সূচকের এই ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী মঙ্গলবার সরকারি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে বলেছেন, মার্চেই সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়তে হবে। এসব ঘোষণায় বাজার চাঙ্গা হয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মঙ্গলবারের ঊধর্্বমুখী সূচক বাজারকে এগিয়ে নেয়ার ইঙ্গিতবাহক। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা হলেও ফিরে আসবে। শেয়ার কিনতে বাড়তি তহবিল যোগানের সিদ্ধান্তও ইতিবাচক হবে। তাদের মতে, প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতার মাধ্যমে বাজারকে টেনে তোলা সম্ভব। সরকার শেয়ার বাজারকে টেনে তুলতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বেশি শেয়ার ক্রয়ের ব্যবস্থা নিয়েছে, যাতে করে শেয়ারের দাম এমন পর্যায়ে নেয়া যায় যে, বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হয়। এর আওতায় মঙ্গলবার ইন-ভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) ২শ' কোটি টাকা তহবিল যোগান দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে তহবিল দেয়ার মাধ্যমে শেয়ার কিনতে বলা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের কথা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) জানান হয়। এসইসি সূত্র জানায়, এই কোম্পানিগুলো শেয়ার কিনতে থাকলে পড়তি বাজারে দাম বাড়বে এবং পুঁজি হারানো অনেকেই শেয়ার বিক্রি করে বেরিয়ে আসতে পারবে।
এছাড়া, এসইসির অনুমোদন পাওয়া যেসব মিউচু্যয়াল ফান্ড এখনো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি সেসব ফান্ডের উদ্যোক্তাকে আগামী রবিবার থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এসইসি এই অনুমোদন দেয়।
সরকারি ২৬টি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে সরকার আবারো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে। এসব কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়ার একদিন পর তা স্থগিত করা হয়। সেটি আবার প্রত্যাহার করা হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত মঙ্গলবার জানিয়েছেন, আগামী মার্চ থেকেই সরকারি ওসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আসা শুরু হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে ফোর্সড সেলের মাধ্যমে বাজারে কারসাজি করার জন্য মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো দায়ী। শেয়ারবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ভূমিকা কর্তৃপক্ষের অপছন্দ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাজার স্থিতিশীল হবে বলেও আশাবাদ রাখেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী শুক্রবার মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক হবে। ঐ বৈঠকে বিষয়টি আলোচনা করা হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকিং বাংলাদেশে নতুন, সরকারের কাছেও বিষয়টি নতুন। এক্ষেত্রে মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য একটি নীতিমালা করে দেয়া দরকার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মার্কেট অনেক কারেকশন হয়েছে, আশা করা যায় এটা স্থিতিশীল হবে। একদিনে ৫০০ পয়েন্ট বেড়ে যাওয়াটাও পাগলামী বলে তিনি অভিহিত করেন। তিনি বলেন, যারা অর্থের ব্যবসা করে তাদের লোভ অস্বাভাবিক হয়, এটাও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েলের শেয়ার আনার পূর্ব ঘোষণা থাকলেও তা আসছে না জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এখনো কিছু কাজ বাকি আছে। মিডিয়া ও তথাকথিত বিশেষজ্ঞদের কারণেই ২২ তারিখ থেকে শেয়ার আনা হচ্ছে না।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেছেন, পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ শেয়ারের পিই রেশিও ভালো অবস্থায় রয়েছে। মঙ্গলবার ডিএসই কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী ও সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তার প্রতিফলন বাজারে দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, হয়তো শেয়ার বাজারে একটি চক্র কাজ করছে। গত কয়েকদিন আতঙ্কিত হয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করেছেন। এ কারণে সূচকের পতন ত্বরান্বিত হয়েছে। ভালো কোম্পানির দাম এখন অনেক কম। এ সংবাদটি মানুষের কাছে পেঁৗছে গেলে বাজার ভালো হতে বাধ্য। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:23 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
টানা পতনের পর সূচক বাড়ায় খানিকটা স্বস্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৬-০২-২০১১
Prothom-Alo
টানা পতনের পর অবশেষে সূচক আবার বাড়ল। সরকারের হস্তক্ষেপে অব্যাহত দরপতনের ধারা থেকে শেয়ারবাজার বেরিয়ে আসায় পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব লাখো বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে এসেছে। আর তাই রাজপথের বিক্ষোভ ছেড়ে আবার তাঁরা ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে লেনদেনে সক্রিয় হয়েছেন। তবে এ ধারা কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে তাঁদের নিজেদের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে।
অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে সরকার গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক—সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে শেয়ার কেনার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) শেয়ার কেনার জন্য আরও ২০০ কোটি টাকার তহবিল দিয়েছে। এর আগে সরকার আইসিবিকে দুই দফায় ৪০০ কোটি টাকা দেয়।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেছেন, সরকারের এ পদক্ষেপে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন বিনিয়োগকারীরা। ফলে এক দিন আগেও যাঁরা যেকোনো দামে শেয়ার বেচে দিতে রাজি ছিলেন, তাঁদেরই অনেকে অবতীর্ণ হয়েছেন ক্রেতার ভূমিকায়। আগের দিনে যেখানে ২০৭টি কোম্পানির শেয়ারে ক্রেতা ছিল না, সেখানে গতকাল মঙ্গলবার অনেক কোম্পানির শেয়ার বিক্রেতাহীন হয়ে পড়ে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল আইসিবি ও সরকারি মালিকানাধীন চার ব্যাংক মিলে মোট ২৭ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে।
যোগাযোগ করা হলে আইসিবির মহাব্যবস্থাপক ইফতেখার-উজ-জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী শেয়ার কেনার জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু বাজার তার নিজস্ব গতিতে বেড়ে যাওয়ায় আমাদের খুব বেশি শেয়ার কিনতে হয়নি।’ তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশনা পরিপালনের জন্য আগামী রোববার আইসিবি ও চার ব্যাংক নিজেদের মধ্যে বৈঠক করবে। এ বৈঠকে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগের কৌশল ঠিক করা হবে বলে জানান তিনি।
বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) গত সোমবার ৫০০ কোটি টাকার একটি প্রথম বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি ও নিবন্ধন অনুমোদন দিয়েছে। ফান্ডটির উদ্যোক্তাদের ২০০ কোটি টাকা তাৎক্ষণিক বিনিয়োগের শর্তে দ্রুততার সঙ্গে ফান্ডটির অনুমোদন দেওয়া হয়। মিউচুয়াল ফান্ডটির ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান রেইস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, গতকাল থেকেই তহবিলটির উদ্যোক্তাদের অংশ দিয়ে শেয়ার কেনা শুরু হয়েছে।
বাজার পরিস্থিতি: গতকাল লেনদেনের শুরুর প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ১৫০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। কিন্তু পরের ২০ মিনিটে মূল্যসূচক কমে ৩৫০ পয়েন্টের মতো। তবে এর পর থেকে সূচক আবার বাড়তে শুরু করে, যা দিনভর অব্যাহত ছিল।
ডিএসইতে গতকাল দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ৩৪৭ পয়েন্ট বা ৬ দশমিক ২১ শতাংশ বেড়ে পাঁচ হাজার ৯২৬ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৬৭০ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৭৮৩ পয়েন্ট হয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হয়েছে ৯৮ কোটি টাকার। অপর দিকে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৮৯ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে সামান্য বেশি।
ডিএসইতে গতকাল ২৫৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২২০টির, কমেছে ৩৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮৯টি কোম্পানির শেয়ার। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫৪টির, কমেছে ৩২টির ও অপরিবর্তিত ছিল তিনটি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে আশান্বিত হওয়ার মতো ঘোষণা থাকলেও দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া বাজার অতি প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। এটি একটা শুভ লক্ষণ। তাঁদের মতে, যেকোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বাজার একেবারে ক্রেতাহীন বা বিক্রেতাহীন হয়ে পড়া বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য ভালো নয়।
বিশ্লেষকেরা আরও বলেন, বিনিয়োগকারীরা এখনো চরম আস্থার সংকটে ভুগছেন। এ অবস্থায় বাজার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করার সময় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।
এদিকে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ডিএসই ভবনের সামনে গতকালও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত দরপতন না ঘটায় মতিঝিল এলাকা ছিল স্বাভাবিক।
বৃহস্পতিবার লেনদেন বন্ধ: কাল ১৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধন হবে। এ উপলক্ষে রাজধানীতে দুপুর দুইটার পর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময়ের পর ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দিনের লেনদেন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে না। এ কারণে ডিএসই কর্তৃপক্ষ ওই দিন লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এ নিয়ে টানা চার দিন লেনদেন বন্ধ থাকবে ডিএসইতে। আগামী রোববার আবার লেনদেন যথারীতি শুরু হবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:25 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে শুক্রবার বৈঠক
বাজারের সংশোধন হয়েছে অনেক বেশি: অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৬-০২-২০১১
Prothom-Alo
শেয়ারবাজারে অনেক বেশি সংশোধন হয়েছে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তাই তিনি আশা করছেন, এ বাজার শিগগিরই স্থিতিশীল হয়ে উঠবে।
গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে রাজধানীর যানজট নিরসন-সংক্রান্ত আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বিদ্যমান ‘ফোর্স সেল’ পদ্ধতির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে নির্দিষ্ট দামের কমে শেয়ার বিক্রি বন্ধ করতে বলেছিলাম। তা তাঁরা মানেননি। ফোর্স সেল করার কোনো অধিকার নেই এঁদের। চূড়ান্তভাবে এটা আমার অপছন্দের।’
আগামী শুক্রবার মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক করার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ বৈঠকে ফোর্স সেল পদ্ধতির সংশোধনের বিষয়টি ফয়সালা হবে।’
১০ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার বছরওয়ারি পরিকল্পনা ঘোষণার পর গত সোমবার হঠাৎ তা স্থগিত করা হলো কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা তো করা হয়েছে আপনাদের (গণমাধ্যম) ও কথিত বিশেষজ্ঞদের কারণে।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার কার্যক্রম বাতিল হয়নি। ফেব্রুয়ারিতে যে দুইটি কোম্পানিকে আরও শেয়ার ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, তারা আসবে মার্চে। আর পর্যায়ক্রমে সবগুলোই শেয়ার ছাড়বে বাজারে।
অর্থমন্ত্রী জানান, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মুলধন বাড়াতে হবে এবং স্বনির্ভর হতে হবে। এদের জন্য একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের তাগিদ দেন তিনি।
একদিনে সূচকের ৫০০ পয়েন্ট কমা বা বাড়াকে ‘পাগলামি’ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজারে অনেক বেশি সংশোধন হয়েছে। আমি সব সময়ই আশা করে আসছি, এ বাজার স্থিতিশীল হয়ে উঠবে। তবে যারা অর্থের ব্যবসা করে, তাদের লোভও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে ন্যূনতম মাত্রা বেঁধে দেওয়ার কথা জানান অর্থমন্ত্রী। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:27 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে কিঞ্চিৎ স্বস্তি
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কেনার নির্দেশ
সমকাল প্রতিবেদক
16.02.2011
দেশের পুঁজিবাজারকে ভাঙনের মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে সরকার গতকাল সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের প্রধান দুটি পুঁজিবাজারে। সরকার ৩টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়ায় গতকাল দুটি পুঁজিবাজারের মূল্যসূচক যথাক্রমে ৩৪৬ এবং ৪৩৬ পয়েন্ট বেড়েছে। এদিকে সরকার আইসিবিকে ২০০ কোটি টাকার ফান্ড হস্তান্তর করেছে সরাসরি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য। অপরদিকে ২১টি রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখা এবং বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে ৫০০ কোটি
টাকার মিউচুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে গতকাল কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে বিনিযোগকারীদের মধ্যে। লেনদেন হওয়া সবগুলো কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। চরম হতাশার পর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে অনেক দেরিতে হলেও।
গত মঙ্গলবারের পর শেয়ারবাজারের দরপতন যখন কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছিল না, সে মুহূর্তে সরকার নিজেই বাজারকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনতে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় সরকারকেই এ পদক্ষেপ নিতে হলো বলে সাংবাদিকদের জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনতে গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, রূপালী, জনতা এবং অগ্রণী ব্যাংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। তাৎক্ষণিকভাবে আইসিবিকে ২০০ কোটি টাকার ফান্ড হস্তান্তর করা হয়। এর আগে গত সোমবার সকালে রাষ্ট্রায়ত্ত ২১ কোম্পানির শেয়ার বিক্রির সরকারি সিদ্ধান্ত স্থগিত করার ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং সন্ধ্যায় বাজারের তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর জন্য ৫০০ কোটি টাকার একটি মিউচুয়াল ফান্ড অনুমোদন করে এসইসি। শর্ত ছিল, ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের ২০০ কোটি টাকা মঙ্গলবার থেকে বিনিয়োগ করতে হবে।
তারল্য প্রবাহ বাড়ানো এবং বাজারে শেয়ার সরবরাহ স্থগিত করার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। আর এ কারণে ঘুরে দাঁড়িয়েছে শেয়ারবাজার। এমন মন্তব্য করে আইসিবির মহাব্যবস্থাপক ইফতেখার-উজ-জামান সমকালকে বলেন, শেয়ারবাজারের দুর্দিনে আইসিবি সব সময় বিনিয়োগকারীদের পাশে থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি বলেন, সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে আজই ২০০ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে। তবে বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা এতটাই বেশি ছিল যে, গতকাল ওই ফান্ড থেকে শেয়ার কেনার প্রয়োজন হয়নি।
এদিকে আইসিবির সহযোগী কোম্পানি আইসিবি সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সানাউল হক জানান, তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আইসিবি গতকাল ২৭ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা আইসিবির মতো সক্রিয় থাকলে বাজার পতন রোধ করা যাবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংকও গতকাল শেয়ারবাজারে ক্রেতার ভূমিকায় ছিল। জনতা ব্যাংকের মালিকানাধীন জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ সাইফ উল্লাহ জানান, তার প্রতিষ্ঠান গতকাল শুধু শেয়ার কিনেছে, কোনো শেয়ার বিক্রি করেনি। তিনি বলেন, 'আমার প্রতিষ্ঠান গত ১৫ দিনে কোনো শেয়ার বিক্রি করেনি। কম করে হলেও প্রতিদিনই আমরা শেয়ার কিনেছি। বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছি।' জনতা ক্যাপিটালের এই কর্মকর্তা আর জানান, ইতিমধ্যে কোম্পানি ১৪৭ কোটি টাকার মার্জিন ঋণ পরিশোধ করায় বিনিয়োগের জন্য খুব বেশি টাকা উদ্বৃত্ত নেই। তাই মূল কোম্পানি জনতা ব্যাংকের কাছে আরও ২০০ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা চেয়েছে তারা, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান। এদিকে বিনিয়োগকারীরা সরকারের সাম্প্রতিক এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, বিনিয়োগকারীদের এই দুর্দিনে সরকার সহায়তা দিলে বিনিয়োগকারীরাও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারকে সহায়তা করবে।
বাজার পরিস্থিতি : গতকাল পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে ডিএসই সাধারণ সূচক মাত্র ৫ মিনিটে বেড়ে যায় ১৭৬ পয়েন্ট। কিন্তু পরবর্তী ২০ মিনিটে কমে যায় ১৯৮ পয়েন্ট। এ অবস্থায় রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক এবং আইসিবি শেয়ার কিনতে থাকলে বাজারে জ্বালানি, ব্যাংকিং কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর বাড়তে থাকে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রায় সবগুলো কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়তে থাকে এবং দিনের শেষে ডিএসইর সাধারণ সূচক ৩৪৬ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫৯২৬ দশমিক ৩৫ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়। তবে লেনদেনের পরিমাণ ছিল কিছুটা কম। গতকাল ডিএসইতে মোট ৬৮৯ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫৮টি কোম্পানির মধ্যে ২২০টির দর বৃদ্ধি পায়, কমেছে ৩৭টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ১টির।
দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগাম স্টক এক্সচেঞ্জের সিলেকটিভ ক্যাটাগরি ইনডেক্স (নির্বাচিত খাত সূচক) ৪৩৬ দশমিক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ক্লোজ হয় ১০৮৫৩ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয় ৯৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন হওয়া ১৮৯টি কোম্পানির মধ্যে ১৫৪টির দর বৃদ্ধি পায়, কমেছে ২০টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৩টির। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:29 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতন সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো সঠিক দায়িত্ব পালন করেনি
সমকাল প্রতিবেদক
16.02.2011
শেয়ারবাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে আইসিবিসহ চার রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংককে শেয়ার কেনার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। গতকাল লেনদেন শুরুর আগেই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসিকেও বিষয়টি মৌখিকভাবে অবগত করা হয়। এদিকে, বাজারের সাম্প্রতিক অবস্থার জন্য মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সমালোচনা করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো সঠিক দায়িত্ব পালন করেননি। জোর করে শেয়ার বিক্রি (ফোর্স সেল) করার নৈতিক অধিকার তাদের নেই। আমি এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করি না। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজারে সক্রিয় না হওয়ার কারণে সরকারকেই তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি আগামী শুক্রবার মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে এক বৈঠক করবেন।
শেয়ার কেনার নির্দেশ : 'পতন রুখতে তারল্য প্রবাহের বিকল্প নেই' নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এবং বাজার বিশেষজ্ঞদের এমন পরামর্শে সরকার নিজেই শেয়ারবাজারে তারল্য সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল শেয়ারবাজারের লেনদেন শুরুর আগেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবিকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আইসিবির জন্য ২০০ কোটি টাকার তহবিল ছাড় করে।
এসইসি সূত্র জানায়, গতকাল সকালেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, সোনালী, রূপালী, জনতা এবং অগ্রণী ব্যাংককে নিজস্ব তহবিল থেকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইসিবিকে শেয়ার কেনার জন্য ২০০ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাসের জন্য আইসিবিকে এ টাকা ঋণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ পাওয়ার পর জনতা ব্যাংকসহ অপর তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক নিজেদের তহবিল থেকে শেয়ার কিনেছে। জনতা ব্যাংকের মার্চেন্ট ব্যাংকিং শাখারও উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ সাইফ উল্লাহ জানান, তার প্রতিষ্ঠান গত ১৫ দিন ধরে শেয়ার কিনছে। গতকালও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার কেনা হয়েছে বলে তিনি সমকালকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আমরা ২০০ কোটি টাকার তহবিলের জন্য জনতা ব্যাংকের কাছে আবেদন করেছি। শিগগিরই টাকা ছাড় করা হবে।
এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইসভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) মহাব্যবস্থাপক ইফতেখার-উজ-জামান বলেন, গতকালই আমরা তিন মাসের জন্য ঋণ হিসেবে ২০০ কোটি টাকা পেয়েছি। তবে আইসিবির মহাব্যবস্থাপক জানান, এ তহবিল থেকে গতকাল কোনো শেয়ার কেনা হয়নি। এর কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারের উদ্যোগে বিনিয়োগকারীদের আস্থা এতটাই বেড়েছিল যে, গতকাল পাওয়া ২০০ কোটি টাকার তহবিল থেকে আইসিবির কোনো শেয়ার কেনার প্রয়োজন পড়েনি। উল্লেখ্য, এর আগে গত জানুয়ারি মাসে দুই দফায় আইসিবিকে অনুরূপ ঋণ হিসেবে ৪০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল।
দরপতন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী : গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে রাজধানীর যানজট নিরসনে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে দরপতনের সময় সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেনি। দরপতনের সময় শেয়ার না কিনে, বরং বিক্রি করেছে। মার্জিন ঋণে কেনা গ্রাহকদের শেয়ার জোর করে বিক্রি (ফোর্স সেল) করেছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী শুক্রবার আমি মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে বৈঠক করব। সেখানে এসব বিষয় নিয়ে কথা হবে। আমি মনে করি তাদের ইক্যুইটির পরিমাণ বাড়ানো উচিত। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য আলাদা একটি নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, যারা টাকা-পয়সা নিয়ে কায়কারবার করে তাদের মধ্যে যে কোনোভাবে টাকা উপার্জনের জন্য এক ধরনের লোভ কাজ করে। কোনো কোনো সময় এ ধরনের লোভ অতিমাত্রা ধারণ করে। তখনই বিপত্তি ঘটে। এদের জন্য নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাও রয়েছে। অবশ্য আমাদের দেশে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো নতুন। তারা অভিজ্ঞতা অর্জন করছে, আমরাও করছি। এদের একটি নীতিমালার মধ্যে আনা হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার বিষয়টি একশ্রেণীর প্রচার মাধ্যম ও তথাকথিত কিছু বিশেষজ্ঞের কারণে সাময়িক স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছি। এরা শেয়ারবাজার এবং সরকারি শেয়ার ছাড়া নিয়ে এমন সব মন্তব্য করা শুরু করেছিলেন যা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছিল। এ মুহূর্তে সরকারি শেয়ার ছাড়া হলে তা বাজারের জন্য আরও খারাপ হতে পারে। তবে যেসব কোম্পানির শেয়ার চলতি মাসের মধ্যেই ছাড়ার কথা ছিল তার সব দিক থেকেই তৈরি আছে। আগামী মার্চের মধ্যে এসব কোম্পানির শেয়ার ছাড়া হবে।
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ারবাজারে কার্যকর ভূমিকা রাখা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আমরা শুধু অনুরোধ করতে পারি। তাদের কোনো হুকুম দিতে পারি না। অনেক সময় তারা আমাদের অনুরোধ রাখতেও চায় না। তবে হ্যাঁ, তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে একটি আইন অনুমোদনের জন্য জাতীয় সংসদে তোলা হবে।
শেয়ারবাজার থেকে বিগত সময়ে যারা প্রচুর লাভ করে এখন লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে তাদের বাজারে পুনর্বিনিয়োগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, তাদের আমরা অনুরোধ করতে পারি। বাধ্য করতে পারি না। তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এসব বিষয় ঠিক হয়ে যাবে। আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি বাজার সংশোধন হচ্ছে, এ বাজার ঠিক হবেই। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:30 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Market bounces back with support from ICB, SCBs
FE Report
16.02.2011
The Dhaka Stock Exchange (DSE) witnessed Tuesday a reversal of the declining trend in the prices of its listed issues, after a continuous dip for previous four-days' trading sessions.
The four state-controlled commercial banks -- Sonali, Janata, Agrani and Rupali -- and investment bank, the Investment Corporation of Bangladesh (ICB), provided an active buying support on the day in the market.
The ICB was given an additional amount of Taka 2.0 billion (2000 crore)for extended operations in the market. Earlier, it was given Taka 4.0 billion (400 crore) to provide support to the market. Apart from the buying support by the government controlled banking and investment companies, some attractive corporate declarations by a number of companies also contributed to the turnaround of the stock market.
The Dhaka Stock Exchange Bencmark DGEN, a broad indicator of price trends of the listed issues, rose to 346.84 points on the day. Investors got what they considered a welcome signal form the buying support of the state-controlled institutions in the early hours of trading on the day through DSE website.
The market opened with a positive note, with the DGEN rising 100 points within five minutes. However, it declined 198 points after half-an-hour of trading. Afterwards, the market bounced back on receipt of the news that the government had given fund to the ICB, and that the state-controlled banks would become active to buy shares. This momentum continued until closure of trading and the market closed on the day at 346 points higher than the previous day's level.
The DSE General Index DGEN shot up by or 6.22 per cent at the close of a four-hour trading session on the day.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 4915.62points, rising 6.08 per cent or 282.15 points while the DSE-20 index that includes blue chips rose by 6.98 per cent or 260.90 points to 3999.14 points.
Marker insiders said expanded market operations by the state-controlled Sonali, Janata, Agrani, Rupali and ICB played the role of a catalyst to help create a momentum in the market.
Meanwhile, corporate declarations by International Leasing and Prime Insurance lent furthermore a positive support to the market sentiment. During the day, Southeast Bank, Mercantile Bank and Brac Bank announced the dates for their corporate declarations.
"The policy support by the market regulator and the government to facilitate enlarged buying operations by the ICB and four state-controlled banks and to put on hold its earlier decision on divestment of 21 state owned enterprises (SoEs) impacted the market favourably," said stock market expert Akter H Sannamat.
"The institutional investors were starting to buy shares and some retail investors were also buying shares to recover their previous losses," Mr Sannamat said.
The panic sale that was witnessed in previous four or five days in a row largely stopped on Tuesday and the retail investors regained some confidence following government's some pro-active measures to stabilise the market, he added
However, he said as the market largely suffered from a liquidity crunch, the SEC should approve some mutual funds to facilitate investments of such funds for building their portfolio. This will also provide an additional buying support to the market.
The buying spree by the institutions prompted most of the shares to gain on the day. Of the total traded issues, 220 advanced, 37 declined and one remained unchanged on the day.
The turnover of trade totalled Tk 6.89 billion on the day, up by 4.0 per cent from the level at the close of the previous day's trading session.
A total of 61.15 million shares changed hands on the day against 68.77 million in the previous trading session.
The number of trade deals, however, increased to 148795 which was 128,807 last Monday.
The total market capitalization stood at Tk 2710.50 billion against Tk 2580.00 billion of the previous session. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/16/2011 1:32 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Muhith blasts merchant banks for 'forced selling' of shares
Offloading of SoEs’ stakes in March
FE Report
16.02.2011
Finance Minister AMA Muhith Tuesday came down hard on the merchant bankers who have been engaged in "forced selling" of investors' shares and said the government would offload stakes in state-owned enterprises from March.
The minister was critical of the role played by the scores of merchant bankers during the recent stock crash, saying they have no "moral right" to resort to the forced sale of shares of their hundreds of thousands of clients.
"I have requested merchant bankers not to sell the investors shares below a certain level of their prices, which have been ignored largely by a number of merchant bankers," Muhith said at his secretariat office.
The minister said "greed" factor drove some of the merchant banks to make windfall profit from the plummeting market even though it gutted many investors. "Regulatory bodies are there to check this kind of greed," he said.
Muhith will sit with the merchant banks on Friday to discuss the issue. "I think their equity must be increased and we will also make a guideline for them. We need a regulation to tighten their activities," he added.
His comments came as experts and investors alleged that in the recent stock plunge, some merchant banks had deliberately sold off shares of the investors at a throw-way price without even taking consent of the affected clients.
"I think there is nothing to do according to the existing laws. But I dislike most forced selling of shares by the merchant banks. They have no moral right to do this," he said.
The minister said the government would float shares of 21 SOEs from next month once stability returns to the Dhaka and Chittagong stock exchanges.
"We will begin offloading shares of SoEs from the month of March," Muhith told reporters, just a day after he announced that floating process has been postponed due to foul-play by some rogue traders.
He said the government would float a "minimum percentage of shares" in its enterprises and the percentage would be fixed later," quelling fears that large-scale sale of SOE stakes could drive down the indices further.
Offloading of shares of two companies-Meghna Petroleum and Jamuna Oil Company-scheduled to start on February 22 has been suspended, he added.
Muhith said the government has halted offloading of shares of the SoEs in the face of criticism from the media and some so-called experts. He hoped the capital market would behave normally from next week.
Criticising the current trend in bourses, Muhith said both gaining and falling of indices by 500 points in a single day is not "a healthy sign for any capital market".
The finance minister said government has urged some institutional investors to plough back some of their profits into the market in an effort to stabilise the flagging bourses.
"We could only request them, but many of them do not follow our requests," he said adding the parliament would enact laws soon to rein in the errant institutional investors.
He also said the Investment Corporation of Bangladesh (ICB) was not using taxpayers money to buy shares.
(UNB contributed to the report) |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|