| 02/10/2011 10:34 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ডিমিউচুয়ালাইজেশনের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
Amardeshonline.com
11.02.2011
পরিচালনা পরিষদ থেকে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে পৃথক (ডিমিউচুয়ালাইজেশন) করার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেও ডিএসই পরিচালনা পরিষদ এ বিষয়টি বারবার এড়িয়ে গেছে। মাত্র কয়েক মাস আগেও ডিএসই পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এখনও ডিমিউচুয়ালাইজেশনের সময় হয়নি। এমনকি এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া হলে স্টক এক্সচেঞ্জের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানেই সে অবস্থা থেকে সরে এসেছে ডিএসই পরিচালনা পরিষদ। গত ২ ফেব্রুয়ারি পরিচালনা পরিষদের সভায় স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশনের বিষয়টি গৃহীত হয় এবং এ লক্ষ্যে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। ডিমিচুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে শুধুমাত্র স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পরিষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষই পৃথক হবে না, একই সঙ্গে স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান আদলের বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটবে। গতকাল ডিএসই ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিএসই প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, ডিএসই পরিচালনা পরিষদ ডিমিউচুয়ালাইজশনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৫ থেকে ৬ বছর সময় লেগে যেতে পারে। বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের উদাহরণ তুলে ধরে ডিএসই প্রেসিডেন্ট বলেন, তাদের এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৫ বছরের বেশি সময় লেগেছে। আমাদের এটি করতেও সময় লাগবে। এরই মধ্যে ডিমিচুয়ালাইজেশনের বিষয়টি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) অবহিত করা হয়েছে। শাকিল রিজভী বলেন, বর্তমানে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং পরিচালনা পরিষদ আলাদাভাবে কাজ করছে। তারপরও অবস্থার প্রেক্ষিতে আমরা ডিমিচুয়ালাইজেশনের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। অবশ্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সম্প্রতি ডিমিচুয়ালাইজেশনের বিষয়টিতে বেশ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন এবং এটি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ডিএসই প্রেসিডেন্ট বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, বাজারে বড় ধরনের দর সংশোন হয়েছে। এখন অনেক কোম্পানির শেয়ার তার মৌলভিত্তির নিচে চলে এসেছে। বিনিয়োগের মানসিকতা নিয়ে বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে আসলে লাভবান হবেন। বর্তমানে বাজারের সার্বিক মূল্য-আয় অনুপাত (পিই) ১৮ তে নেমে এসেছে। ৫০ শতাংশ কোম্পানি ১৬পিইতে রয়েছে। বাজারে কিছু কিছু শেয়ার এখনও অতিমূল্যায়িত। এটা সব মার্কেটে হয়। বিনিয়োগকারীদের ট্রেডিং মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে। বাজারে অনেক ট্রেডার রয়েছেন যারা খুব দ্রুত লাভ করতে চায়। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ডে ট্রেডিং-এর ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যশীল হতে হবে। দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করে ডিভিডেন্ড খান, বোনাস খান। এতে আপনারা লাভবান হবেন। বাজারে মৌলভিত্তির দিক থেকে ৭০ শতাংশ কোম্পানি অত্যন্ত শক্তিশালী বলে জানান তিনি।
সূচক সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজারে নেমে আসলে বাজার স্থিতিশীল হবে—অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আহম মোস্তফা কামালের এ বক্তব্যের বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে শাকিল রিজভী বলেন, সূচকের বিষয়টি মাথায় না রেখে বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির মূল দেখে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা উচিত। সূচক একটি চলমান প্রক্রিয়া। সূচক দিয়ে মার্কেটের অবস্থা উপলব্ধি করা যায় না। মার্কেটের প্রধান ভিত্তি হচ্ছে মূল্য-আয় অনুপাত। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০০৭ সালে মার্কেটের সূচক ছিল ২৫০০ পয়েন্ট। কিন্তু পিই অনুপাত ছিল ২২। ২০০৮ সালে পিই ছিল ১৯। ২০০৯ সালে পিই ২৯-এ পৌঁছায়। কিন্তু এখন তা ১৮তে কমে এসেছে।
এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসই প্রেসিডেন্ট জানান, শেয়ারবাজারে কারসাজির বিষয়ে ডিএসইর পক্ষ থেকেও তদন্ত চলছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/10/2011 10:35 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | মার্জিন লোন নিয়ে রোববার এসইসিতে বৈঠক
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
Amardeshonline.com
11.02.2011
মার্জিন লোন বিষয়ে নীতিমালা বিষয়ে আগামী রোববার ফের এসইসির সঙ্গে বৈঠকে বসবে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন নেতারা। মার্জিন লোন বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করে গতকালই তা এসইসিতে জমা দেয়ার ছিল শেষদিন। কিন্তু নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে কিছু আইনি জটিলতার কারণে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে সীমাবদ্ধতার বিষয়টি এসইসিকে অবহিত করা হয়। একইসঙ্গে এ বিষয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে সময় চাওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে আগামী রোববার নতুন করে এসইসির সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ডিএসই প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী জানান, মার্জিন লোনের নীতিমালা প্রণয়ন হয়নি। এ বিষয়ে আগামী রোববার এসইসির সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/10/2011 10:36 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ দিনেও দরপতন, বিক্ষোভ ভাংচুর উদ্দেশ্যমূলক : অর্থমন্ত্রী
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
Amardeshonline.com
11.02.2011
সপ্তাহের শেষ লেদদেন দিবসেও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষাভ করেছে। দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীরা লেনদেন শেষ হওয়ার পর রাস্তায় নেমে আসে এবং খণ্ড খণ্ড মিছিল করে। বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি চেয়ারম্যান ও ডিএসই প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবি করেন। বিনিয়োগকারীরা এসময় একটি বাসে ভাংচুর লাগায়। বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় অবস্থান নেয়ার কারণে ইত্তেফাকের মোড় থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত এলাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবশ্য শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক ওঠানামার কারণে বেলা পৌনে ২টা থেকে এ এলাকায় বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ। বেলা ৪টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এ নিয়ে এ সপ্তাহে টানা ৫ কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। এদিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দরপতনকে ইস্যু করে শেয়ারবাজারে ভাংচুর উদ্দেশ্যমূলক। শেয়ারবাজার ওঠানামা করবে, এটাই স্বাভাবিক। এতে একদল লোক বাজার পড়ার আগেই প্রস্তুত থাকে, বাজার নামার সঙ্গে সঙ্গে তারা ভাংচুরে নেমে পড়ে। এসব
ভাংচুরকারীকে তিনি বদমাশ বলে অভিহিত করেছেন। গতকাল সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের শেয়ার বাজারে ছাড়ার অগ্রগতি নিয়ে সভাশেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
গতকালের বাজার চিত্রে দেখা যাচ্ছে, সূচকের অস্বাভাবিক ওঠানামার মধ্য দিয়ে গতকাল শেষ হয়েছে দিনের লেনদেন। সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দিয়েই দিনের লেনদেন শুরু হলেও তা মাত্র ১০ মিনিট স্থায়ী ছিল। এ সময় সূচক বেড়ে যায় ১২০ পয়েন্ট। কিন্তু তারপরের ১০ মিনিটে সূচকের পতন ঘটে ১০৫ পয়েন্টের কাছাকাছি। পরবর্তী ১৫ মিনিটে সূচক আবার বেড়ে যায় ৬০ পয়েন্টের বেশি। বাকি লেনদেন সময়ে আরও ৬বার সূচকের ওঠানামা হয়েছে। আর দিনশেষে সূচকের পতন হয়েছে ১৪৬ পয়েন্ট। লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৫২৭ পয়েন্টে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা লেনদেন কার্যক্রমে অংশ না নেয়ার কারণে বাজার কোনো ধরনের সাপোর্ট পাচ্ছে না। ফলে বাজার স্বাভাবিক আচরণ করছে না। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে না আসলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। এসইসির একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, যখনই শেয়ারের দাম কিছুটা বাড়ে তখনই বিক্রির চাপ অনেকগুণ বেড়ে যায়। ফলে সূচকের খুব দ্রুত পতন হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজার পরিস্থিতিতে অনেকটা হাত গুটিয়ে নিয়েছে। তারা শেয়ার বিক্রি করছে না যেমন, তেমনি শেয়ার ক্রয়ও করছে না। এভাবে বাজার পরিস্থিতিকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, বর্তমানে বাজারে তারল্যের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এ সঙ্কট কাটাতে না পারলে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। এ সঙ্কট কাটাতে ‘মার্কেট রিকভারি ফান্ড’ গঠন করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।
অবশ্য ডিএসই প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান, যারা ডে ট্রেডার তাদের জন্য এ পরিস্থিতি কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে যারা বিনিয়োগ করবেন তারা লাভবান হবেন। তিনি বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা শেয়ার ধরে রেখে ডিভিডেন্ড, বোনাস খান। এতে লাভবান হবেন।
এ সপ্তাহে একদিন বাদে বাকি চারদিনে সূচকের বড় ধরনের পতন হয়েছে। সূচকের অব্যাহত পতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কায় পড়েছেন। একই সঙ্গে বাজার নিয়ে সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেয়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সঙ্কটে আরও বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আহম মোস্তফা কামাল বলেছেন, সূচক সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজারে নেমে আসলে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে। তার এ বক্তব্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। যদিও অর্থমন্ত্রী চলতি সপ্তাহ থেকে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে মত প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু অর্থমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও বাজারে সূচকের ক্রমেই পতন হচ্ছে। তাহলে সংসদীয় কমিটির সভাপতির কথাই ঠিক হতে চলছে—এমন উদ্বেগই এখন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।
এদিকে বাজারে তারল্য সঙ্কট এখন খুবই প্রকট আকার ধারণ করেছে। আগের দিনের তুলনায় ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে ১১০ কোটি টাকার বেশি। লেনদেন হয়েছে ৫৬৩ কোটি টাকা। গত ১৬ মাসের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন লেনদেন। গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর ডিএসইতে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছিল ৫৪২ কোটি টাকা। অবশ্য চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ৫৩৭ কোটি টাকা লেনদেন হলেও ওই দিন মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
গতকালের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ডিএসইতে ২৫০টি কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ১৭টির, কমেছে ২৩৩টির। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতনে দিনশেষে ডিএসইর বাজার সূচক কমেছে ১৪৬ পয়েন্ট। একই দিনে ডিএসই-২০ সূচক কমেছে ৮৮ পয়েন্ট এবং ডিএসআই সূচক কমেছে ১১৯ পয়েন্ট।
এসইসির সঙ্গে তদন্ত কমিটির বৈঠক : পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক উত্থান-পতনের কারণ চিহ্নিত ও খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটি গতকাল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন টার্মিওনোলজি সম্পর্কে জেনেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, তদন্ত কমিটি, প্লেসমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য, পিই রেশিও, লকিংসহ টার্মিওনলজি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন কমিটি। তদন্ত কমিটি বর্তমানে বিভিন্নজনের সঙ্গে বৈঠক করা ছাড়াও তথ্য সংগ্রহ করছেন। তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বলেন, তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রায় ১ মাস সময় লাগবে। এরপর যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তদন্ত কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করা হবে। এলক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে কাজ করছে কমিটি। তবে এসইসির সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/10/2011 10:37 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | New deadline set to offload SoEs' shares
FE Report
11.02.2011
The Ministry of Finance (MoF) on Thursday extended the deadline for divestment of shares, up to 49 per cent of the equity capital, of about two dozen state-owned enterprises (SoEs) in the stock market.
Three SoEs were, however, dropped from the list that was prepared a long time back, for the purpose of divestment - off-loading of shares.
The time, that was previously extended to December 31, 2010, has now been rescheduled again. The period for off-loading of shares of SoEs in the revised list will continue until December this year.
This was decided at a top-level meeting on the day at the MoF.
The chief executive of SoEs who will fail to meet the new deadline, will have to resign from their positions.
"We have set another deadline to offload the shares of SoEs. No further extension will be given to implement the decision of the government, meant for overcoming the supply-side constraints relating to availability of good shares in the capital market," Muhith told reporters after a meeting with stakeholders.
"The top bosses have to resign in case they fail to avail themselves of this last opportunity."
The meeting held at the conference room of MoF was, among others, attended by Minister for Communications Syed Abul Hossain, State Minister for Energy Enamul Haque, Civil Aviation and Tourism Minister G M Quader and senior officials concerned.
The SoEs, which were identified earlier for offloading and now dropped from the list are: Bangladesh Blade Factory Ltd, GEM Company Ltd. and Bangabandhu Bridge, Finance Minister Muhith told reporters after the meeting.
"Presently, these three companies are not in a situation to offload their shares," he said, without elaborating.
According to the decision, two listed companies -- Meghna Petroleum Ltd. and Jamuna Oil Company Ltd. will offload more of their shares to the market by February 22, this year, while three other listed ones -- Titas Gas Transmission and Distribution Company Ltd, Bangladesh Shipping Corporation, and Dhaka Electric Supply Company Ltd. -- will get time for divestment until March 31 this year.
A sizeable amount of shares of Liquefied Petroleum Gas Ltd., will also be offloaded by March 31 this year, Muhith said.
The enterprises like Bangladesh Cable Industries ltd, Telephone Shilpo Sangtha, Pragati Industries ltd, Chittagong Dry Ltd, Biman Bangladesh Airlines and Essential Drugs will come to the capital market, the latest by June 30 this year, he added.
Bakhrabad Gas Transmission and Distribution Company Ltd., will be listed by July 31 this year, the meeting decided.
Muhith said the shares of Teletalk Bangladesh Ltd. and BTCL will be offloaded by September 30, while Karnaphully Paper Mills Ltd., by December 31 this year.
The finance minister said the offloading of an additional portion of equity capital of Power Grid Company Ltd., and the cases of Jalalabad Gas T&D System Ltd., South Zone Gas Company Ltd., Hotel Sheraton and Hotel Sonargaon, for offloading of their shares which was decided earlier, will be considered later for divestment, because the companies are facing some problems concerning valuation of their assets.
A committee will be formed soon to outline the methodology for their asset valuation, which is required to be completed before offloading shares of any company, be it public or private.
Muhith said the shares of Sylhet Gas Field Company Ltd., will not be offloaded, instead its bond will be floated in the market.
Besides, the government is planning to offload shares of proposed Padma Bridge and the Bangabandhu Bridge in a package, the minister added.
UNB adds: Briefing reporters after the meeting, the finance minister said that Liquefied Petroleum Gas Ltd (LPGL), Titas Gas Transmission and Distribution Company Limited, DESCO and Bangladesh Shipping Corporation will offload shares by March 31, 2011, Bakhrabad Gad Transmission and Distribution Company Ltd., will do so by July 31, Telephone Shilpa Sangstha and Submarine Cables Company Ltd., by April 30, and CNG Company Ltd., by May 11.
Pragati Industries Ltd, Chittagong Dry Dock Ltd, Biman Bangladesh Airlines Ltd, Bangladesh Cables Ltd and Essential Drugs Company Ltd must offload their shares by June 30, while the shares of Teletalk Bangladesh Ltd and BTCL will be offloaded by September 30, 2011.
Post and Telecommunications Minister Raziuddin Ahmed Razu, Adviser on Power to the Prime Minister Towfiq-Elahi Chowdhury, and State Minister for Energy, Power and Mineral Resources Brig. Gen (retd) Enamul Haque, attended the meeting, held at the MoF on the day.
The minister said Rupali Bank Ltd., and National Tubes have already fulfilled their obligations as these two entities have entered the market.
About Power Grid Company, he said that a committee will be formed headed by the SEC chairman to evaluate its assets within one month before offloading its shares.
Rural Power Company Ltd, GEM Company Ltd, Bangladesh Blade Factory Ltd, the sugar mills under the ministry of industries, Usmania Glass Sheet Factory Ltd, Atlas Bangladesh Ltd and Eastern Cables Ltd have been dropped from the list for offloading of shares.
The meeting also set a December 31 deadline for the Karnaphuli Paper Mills Ltd., Bangladesh Insulator and Sanitary Ware Factory Ltd., and Chatak Cement Factory Ltd., for offloading of their shares.
He said the shares of both Sheraton Hotel and Hotel Sonargaon will be offloaded partially by this June, after completion of valuation of their assets. Initially, Bangladesh Biman would offload 10 per cent of its shares, and more shares will be offloaded later, he added.
He also told a questioner that all the companies would enter the market following the book-building method.
In September, Prime Minister Sheikh Hasina approved a proposal on offloading shares of concerned SoEs.
The same month, Finance Minister AMA Muhith said that the share of eight SoEs would be offloaded within 20 days.
The SoEs are - Rupali bank, Titas Gas, Atlas Bangladesh, Desco, Padma Oil, Meghna Oil, Jamuna Oil, Power Grid and Bangladesh Shipping Corporation (BSC).
The government last year decided to offload 49 per cent of its stakes with 26 SoEs and retain 51 per cent of their equity capital. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/10/2011 10:38 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Strong selling pressure pulls down DSE indices
FE Report
11.02.2011
The bearish trend in Dhaka Stock Exchange (DSE) persisted Thursday, with its main index DGEN shedding 146.21 points on the day.
A strong selling pressure, mainly from small investors, drove all the indices in the negative terrain for the second consecutive session.
The index lost more than 1000 points, in aggregate terms, after last nine trading sessions at the close of the week.
After Thursday's trading session, a small section of the investors, assembled in front of the DSE building, chanted slogans against top functionaries of the capital market regulatory body and the DSE and also the Chairman of parliamentary standing committee on the ministry of finance for his recent remarks on the capital market. However, the protest lasted for a brief period, as riot police had strong presence in front of the DSE building.
The angry investors also tried to hurl brickbats at a bus, but the attempt was foiled by the police.
Small investors have largely lost their confidence in the market and they are even afraid of buying share at current available attractive prices, said an official of a brokerage firm.
He said, institutional participation in the market is still limited.
AB Mirza Azizul Islam, former chairman of the SEC (Securities and Exchange Commission) said the market has now come to a standard level and it is likely to take a stable form at this stage.
He also said that at present the price-earning (P/E) ratio of more than 70 companies, at the least, is attractive for the investors.
The market opened on Thursday with a negative note in the morning hours and fell 115 points within five minutes; however, it went up by 25 points in the next 15 minutes. After that, it went through ups and downs until 11.30am. Afterwards, it fell steadily and finally closed 146 points lower than that of the previous day.
The benchmark DSE General Index (DGEN), the yardstick of price movements of stocks in the market, shed 2.19 per cent or 146.22 points to end at 6527.19.The broader DSE All Share Price Index (DSI) ended at 5409.10, declining by 2.17 per cent or 119.70 points. The DSE-20 comprising blue chips, dropped 1.99 per cent or 88.36 points to 4339.34.
Low level of participation by the big players was mainly responsible for the day's thin trading. Turnover, in value terms, stood at Tk 5.63 billion, down by 16.4 per cent compared to that of the previous session.
The Chief Executive Officer of ICB Capital Management Limited, Md Abdour Rouf, however, said, as a government institution, their company has been lending support to the market in a critical period. "We are participating in the market to the extent we deem it necessary" he added.
Losers took strong lead over the gainers on the day. Out of 250 issues traded, only 17 advanced and 233 declined. No issue remained unchanged in value in the day's trading.
All sectors including banks, non-banking financial institutions (or BFIs), power and energy and telecommunications, were in the red-zone.
The banking issues, the actively traded ones in the market, lost 2.06 per cent. Among others -- NBFIs sector lost 1.55 per cent, general insurance, 4.09 per cent and life insurance, 3.50 per cent. Fuel and power and pharmaceuticals, telecom and cement also lost 2.54 per cent and 2.00 per cent, 2.13 per cent and 1.48 respectively. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/10/2011 10:39 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Situation in capital market stable now: Muhith
FE Report
11.02.2011
Finance Minister AMA Muhith said Thursday the situation in the country's capital market is now stable.
He observed that said 'a group of people' was 'playing foul' in the share market while stating that acts of vandalism by some 'unruly investors' for the reason of falling stock prices, are largely "motivated".
"All these incidents are rubbish," Muhith told reporters, referring to the rampage by a group of investors for the ups and downs of prices of stocks.
The finance minister was responding to a number of queries relating to the stock market at his secretariat office.
Venting his anger over last Tuesday's events in which the investors took to the street and vandalized private properties though Dhaka Stock Exchange (DSE) index rose by 438 points after a while, he said, "all such incidents were pre-planned. They are playing foul in the share market."
Asked to give his comment on a statement made by AHM Mustafa Kamal (Lotus Kamal) , chairman, parliamentary standing committee on the ministry of finance, Muhith evaded an answer on technical ground.
"He is not the government," Muhith answered.
Mustafa Kamal on Tuesday, after a meeting of the standing committee that he heads, said, the market will be stable and the investors will be benefited, after the DSE General Index come down, within the range between 3,000 and 3500 points.
He was reported to have said that he would not mind if the market falls further for offloading shares of state-owned-enterprises (SoEs).
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/12/2011 12:27 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এক সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ২০ হাজার কোটি টাকা
নানা কারণে তারল্য প্রবাহ বাড়ছে না
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
13.01.2011
নানা পদৰেপ সত্ত্বেও শেয়ারবাজারে অর্থপ্রবাহ বাড়ছে না। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তা, মার্জিন ঋণে স্থবিরতা এবং কয়েকটি কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) বিপুল পরিমাণ টাকা আটকে যাওয়ায় আর্থিক লেনদেন ব্যাপক মাত্রায় কমে গেছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল আগের সপ্তাহের চেয়ে ২৫ শতাংশ কম। তালিকাভুক্ত ৯৫ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের ব্যাপক দরপতনের কারণে এক সপ্তাহে ২০ হাজার কোটি টাকা কমেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন।
বাজার সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন, সরকারের দিক থেকে ঘোষণা থাকলেও ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এখনও খুব বেশি বিনিয়োগ করছে না। অন্যদিকে এসইসি মার্জিন ঋণ সুবিধা বাড়ালেও টাকার অভাবে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো বর্ধিত হারে ঋণ দিতে পারছে না। সব মিলিয়ে শেয়ারবাজারে বড় রকমের তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা কয়েকটি কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবে (আইপিও) আবেদনের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও বাজার থেকে উলেস্নখযোগ্য পরিমাণ টাকা তুলেছেন। এসব কারণে গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ কমে গেছে।
গত দু'মাস ধরে পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সরকারের পৰ থেকে বেশকিছু পদৰেপ নেয়ার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা উদ্বেগের মধ্য দিন কাটাচ্ছেন। একের পর এক বড় দরপতনের কারণে আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে বিৰোভ, ভাংচুর, অগি্নসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, চলতি মাসের আট কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচক ৭৫৪ পয়েন্ট কমে গেছে। এ সময়কালে বাজার মূলধন কমেছে ২৫ হাজার ২৪৫ কোটি কোটি টাকা। এ মাসের প্রথম কার্যদিবসে ৯৩৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকার লেনদেন হলেও গত বৃহস্পতিবার তা ৫৬৩ কোটি ১৪ লাখ টাকায় নেমে আসে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদের মতে, শেয়ারবাজার এখন মন্দা পরিস্থিতির (বিয়ারিস) কবলে পড়েছে। এ কারণে লেনদেনের পরিমাণ আগের চেয়ে অনেক কমেছে। প্রাতিষ্ঠানিক এবং বড় বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হলে বাজার আবার উর্ধমুখী হয়ে উঠবে।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ৩ ফেব্রম্নয়ারি বৃহস্পতিবার ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ১৪ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা। মাত্র পাঁচ কার্যদিবসের ব্যবধানে ১০ ফেব্রম্নয়ারি বৃহস্পতিবার তা ২ লাখ ৯৩ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকায় নেমে আসে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ২০ হাজার ৭৭৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
গত সপ্তাহের শুরম্নতে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৭ হাজার ১২৫ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট। সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার তা ৬ হাজার ৫২৭ দশমিক ১৯ পয়েন্টে নেমে আসে। এ সময়ের মধ্যে সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ৫৯৮ পয়েন্ট।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে ৬৬৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকার শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট এবং কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেনের গড় ছিল ৮৯৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা। গত সপ্তাহের ৫ দিনে সর্বমোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৩৩৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন ছিল ৪ হাজার ৪৯৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা।
বাজার বিশেস্নষকদের মতে, গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখনও অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে এসইসি মার্জিন ঋণের হার বাড়িয়ে দিলেও মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো সে অনুপাতে ঋণ দিচ্ছে না। এ কারণে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও অনেক বিনিয়োগকারী নতুন করে শেয়ার কিনতে পারছেন না।
তাঁরা মনে করেন, বাজারে বড় ধরনের দরপতনের পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখনও পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস ফিরে আসেনি। বিপর্যয়ের সময় যে সব বিনিয়োগকারী বাজার থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা আর নতুন করে বিনিয়োগের সাহস পাচ্ছেন না।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ৩০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডাচ-বাংলা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের ২০১০ সালের জন্য ৩০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। শেয়ারহোল্ডাররা ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে নগদ ৩০ টাকা পাবেন।
ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১০০ টাকা ১২ পয়সা। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/12/2011 12:29 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | অস্থির বাজারে সরকারী শেয়ার ছাড়লে লাভবান হবে কারা?
তারল্য সঙ্কট না কাটিয়ে তালিকাভুক্ত কোম্পানির আরও শেয়ার ছাড়া হবে আত্মঘাতী
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
13.01.2011
তারল্য সঙ্কটের কারণে দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা চলছে। সরকারের পৰ থেকে নানামুখী পদৰেপ গ্রহণের ঘোষণায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হলেও ধীরে ধীরে তা হতাশায় রূপ নিচ্ছে। টানা দরপতনের কারণে পুঁজি হারানোর আতঙ্কে ভুগছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী। এ অবস্থায় বাজারে অর্থ প্রবাহ বাড়াতে কার্যকর পদৰেপ প্রয়োজন হলেও তেমন কোন উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। শেয়ারবাজারের এই নাজুক পরিস্থিতিতে তালিকাভুক্ত সরকারী কোম্পানিগুলোর আরও শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন আতঙ্ক বয়ে এনেছে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে শেয়ার ছাড়া হলে দরপতনের মাত্রা বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা। এই সুযোগে কম দরে সরকারী শেয়ার কিনে নিয়ে আবারও লাভবান হবে বাজারে সক্রিয় স্বার্থান্বেষীরা।
বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন, গত দেড় বছরে নানা উৎস থেকে স্রোতের মতো টাকা ঢুকলেও এর সঙ্গে পালস্না দিয়ে সঠিক সময়ে নতুন শেয়ারের যোগান বাড়াতে না পারার কারণেই পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক উর্ধর্মুখী প্রবণতা তৈরি হয়। অধিকাংশ তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দর কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পেঁৗছে যায়। সে সময় একের পর এক পদৰেপ নিয়েও বাজারের রাশ টানতে ব্যর্থ হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। এ অবস্থায় শেয়ারবাজারে জমে ওঠা পুঁজি উৎপাদনমুখী খাতে স্থানানত্মর করে শেয়ারের যোগান বাড়ানো সবচেয়ে জরম্নরী ছিল। ওই অবস্থায় নতুন কিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়ারও তালিকাভুক্ত সরকারী কোম্পানিগুলোর আরও শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। এসব শেয়ার বিক্রির জন্য অর্থমন্ত্রী বেশ কয়েকবার সময় বেঁধে দিলেও পুঁজিবাজার চাঙ্গা থাকতে একটি কোম্পানিও শেয়ার বিক্রি করেনি। চাহিদা ও যোগানের অসামঞ্জস্যতা দূর করতে ব্যর্থ হওয়ায় এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে পুঁজিবাজার। এই সুযোগে প্রতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিতে শুরম্ন করায় মূল্য সংশোধনের মাত্রা ব্যাপক রূপ ধারণ করে। এর সঙ্গে বিভিন্ন মহলের অপতৎপরতা যুক্ত হয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে পুঁজিবাজার।
বিশেস্নষকদের মতে, বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা বেরিয়ে যাওয়ার কারণেই পুঁজিবাজারে বড় দরপতন এখন প্রতিদিনের ঘটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর স্বার্থে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে অর্থ প্রবাহ বাড়ানো জরম্নরী। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করে বাজারে লেনদেনের গতি ফেরাতে না পারলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরবে না। বর্তমান নাজকু পরিস্থিতিতে তালিকাভুক্ত সরকারী কোম্পানিগুলোর আরও শেয়ার বিক্রির ঘোষণা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত দু'মাস ধারাবাহিক মন্দার কারণে অধিকাংশ বিনিয়োগকারীই বিপুল লোকসানের মধ্যে রয়েছেন। কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারের দর বাড়িয়ে যেসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারী ডিসেম্বরের আগে শেয়ার বিক্রি করে বেরিয়ে গিয়েছিল, তারা ছাড়া অন্য বিনিয়োগকারীদের হাতে এখন শেয়ার কেনার মতো টাকা নেই। ফলে সরকারী শেয়ার বিক্রি করা হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তা কিনতে পারবে না। এতে বাজারে ক্রেতা না থাকলেও শেয়ার বিক্রির চাপ আরও বাড়বে_ যা সরকারী প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য কোম্পানির শেয়ারের দর হ্রাসে ভূমিকা রাখবে। এই সুযোগে কম দরে শেয়ার কিনে নিয়ে আরেক দফা মুনাফা লুটের সুযোগ পাবে কারসাজির সঙ্গে জড়িতরা।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, সরকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা অয়েলের শেয়ারের দর গত জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ৪০০ থেকে ৪৭২ টাকার মধ্যে উঠানামা করে। ওই সময় একজন বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ দর যমুনা অয়েলের ৫ হাজার শেয়ার কিনলে তাকে বিনিয়োগ করতে হয়েছে ২৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বর্তমানে প্রতিটি শেয়ারের বাজার মূল্য ২৫৫ টাকা। সেই হিসাবে ৫ হাজার শেয়ারের বাজার মূল্য ১২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। মার্জিন ঋণসহ সামগ্রিক লোকসানের পরিমাণ প্রায় ১৪ লাখ টাকা।
একইভাবে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের প্রতিটি শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ৩২৫ টাকা। এই কোম্পানির ৫ হাজার শেয়ার কিনতে তখন ব্যয় হয়েছে ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। বর্তমানে প্রতিটি শেয়ারের দর ১৮৮ টাকা হিসাবে ওই শেয়ারের বাজার মূল্য দাঁড়ায় ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা। মার্জিন ঋণসহ লোকসান দাঁড়াচ্ছে ১০ লাখ টাকা।
শুধু তাই নয়, এই মুহূর্তে শেয়ার বিক্রি করলে মার্জিন ঋণ শোধ করতে গিয়ে এ দু'টি কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগকৃত অর্থের পুরোটাই চলে যাবে। এ অবস্থায় সরকারী শেয়ার ছাড়া হলে লোকসানে থাকা বিনিয়োগকারীর পৰে তা কিনে গড় ক্রয়মূল্য কমানো সম্ভব হবে না। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারী শেয়ার বিক্রির উদ্যোগ শুধু সুযোগসন্ধানীদেরই মুনাফার সুযোগ করে দেবে।
বাজার সংশিস্নষ্ট একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, আগামী ২২ ফেব্রম্নয়ারি থেকে যমুনা অয়েল ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামের শেয়ার বিক্রি করা হলে এর আগে যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা সরিয়েছে শুধু তাদের পৰেই এসব শেয়ার কেনা সম্ভব হবে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব শেয়ার ছাড়ার মানে হবে বাজার নিয়ে যারা খেলছে তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা। বর্তমান বাজার মূল্যে শেয়ার ছাড়া হলে সরকারও আর্থিকভাবে ৰতিগ্রসত্ম হবে।
বিশেস্নষকরা মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারকে স্বাভাবিক করা। এজন্য প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করে অর্থ প্রবাহ বাড়ানো। তা না করে উল্টো শেয়ার সরবরাহ বাড়াল বাজারে অস্থিরতা বাড়বে বৈ কমবে না। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/12/2011 12:34 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | DSE chief wants 'more liquidity support'
'Too tight a position' for banks to do that
FE Report
13.02.2011
The President of Dhaka Stock Exchange (DSE) Shakil Rizvi considers the present market situation as comparatively "risk-free" for making investments, as the shares of a good many companies are now at a "reasonable position" to attract investments after continuous price corrections.
This view is also shared by some capital market analysts. According to them, the rejuvenation of the market will be "easier" if effective policy-supports are given by the government to help overcome some "obstacles" that are impacting adversely the operations in the market. They particularly cited the case of liquidity constraints in the market.
Without such supports, they feared that the country's stock market would not be able to overcome the shaky mood of the retailers for its sustained growth.
Their comments come at a time when the DSE general index (DGEN) lost about 2391 points on February 10, 2011, from its highest at 8918 pints mark on December 5, 2010.
Over the last two months, the country's stock market witnessed strong protests and acts of vandalism by thousands of angry investors due to continuous fall of the share prices. Such investors have been complaining that some "heavyweights", directly or indirectly, played many foul-games in the market.
However, the DSE president told the FE that the overall market achieved a good position and investors should have nothing to be worry about making their investments now."
Mr. Shakil Rizvi said, the price-earning (P/E) ratios of about 50 per cent companies are now within the range of 2 to 16.
"These shares are in a good position to attract investment," he said.
"And P/E ratios of 20 per cent of the listed companies is 20 in the upper range. Such companies are also good for making investments as their growth performance remains at a satisfactory level," he said.
The DSE president said the company's P/E ratio is an important parameter, depicting the overall prospects of a company.
"That's why investors should consider the growth situation of a company, along with other fundamentals, while taking decisions for making investments in the shares of the listed companies," he said.
"They should invest by taking the fundamentals of companies into account," he added.
Former DSE Chief Executive Officer Professor Sala Uddin Ahmed Khan, who teaches finance at Dhaka University, also said the market has taken a turn towards a comparatively reasonable position.
"About 100 to a 150 companies have entered the risk-free zone and the investors can invest in the shares of these companies," Mr. Khan told the FE.
He, however, said the prices of about one hundred companies are still slightly over-priced.
"But by this time, the market has reached a reasonable position. But it might become vulnerable in the absence of government's strong support," he said.
He said the market is most likely to see a further downward trend if liquidity supply does not improve.
"Otherwise, the confidence of retail investors will not be restored," Mr. Khan said.
Another market analyst told the FE on condition of anonymity that the government's policy-supports, coming in a synergy, would facilitate a turnaround of the situation in the stock market "sooner rather than later".
Meanwhile, some observers of both capital and money markets have raised questions about the rationale of any move to persuade, or get the financial sector involved, on a larger scale, in the stock market |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/13/2011 5:44 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | যে কোনো মূল্যে শেয়ারবাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখবো: গভর্নর
ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, যে কোনো মূল্যে শেয়ারবাজারে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখবো। এছাড়া তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। আজ রোববার সিরডাপ মিলনায়তনে ইমার্জিং চ্যালেঞ্জ ফর বাংলাদেশ ইকোনোমি ইন সেকেন্ড হাফ অব এফওয়াই ২০১০-২০১১ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিপিডি চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান।
ড. আতিউর বলেন, মুদ্রানীতিতে আরো জনসম্পৃক্ততা বাড়িয়ে আমরা গরীববান্ধব করে তুলতে আগ্রহী। নিঃসন্দেহে আমাদের মুদ্রানীতির মালিক আমরা। বৈদেশিক নীতি আমাদের উন্নয়ন ও কল্যাণের সহায়ক।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএমএম/এসএস/এসসি/১৩.৩১ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/13/2011 5:45 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দুই ব্রোকারেজ হাউজের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি
ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
গত ৭ ফেব্রুয়ারি এগ্রিসিভ সেলের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে এইচএসি এবং ফারইস্ট স্টক এন্ড বন্ড নামের দুই ব্রোকারেজ হাউজের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। আজ রোববার এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ব্রোকারেজ হাউজ এইচএসির জন্য সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের উপ-পরিচালক মাহাবুব উর রহমান এবং সহকারী পরিচালক অহিদুল ইসলামকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। ফারইস্ট স্টক এন্ড বন্ডের জন্য সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের উপ-পরিচালক আবু রায়হান মোহাম্মদ মুত্তাসিম বিল্লাহ এবং সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন খানকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। তদন্ত দলকে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রিপোর্ট এসইসিতে জমা দিতে বলা হয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/মউ/এমএইচ/১৫.৫০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/13/2011 5:46 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে ফের দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনে মতিঝিলে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। দুপুর সোয়া বারোটার দিকে বিনিয়োগকারীরা দরপতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে। তারা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বিনিয়োগকারীরা আশপাশের ভবনে অবস্থান নেয় এবং সেখান থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। দু'পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মুখে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় মতিঝিলের অধিকাংশ অফিস এবং ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে বিনিয়োগকারীরা আবারো সংঘটিত হয়ে ডিএসই'র ভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। তবে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও বিক্ষোভকারীদের বাধা দেয়নি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছিলো। এ সময় তারা সরকার বিরোধী শ্লোগান দিয়ে অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, এসইসির চেয়ারম্যান এবং ডিএসই প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবি করে। এ দাবিতে ঝাড়ু মিছিল এবং রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিনিয়োগকারীরা। বিকেল ৪টার দিকে মতিঝিলে রাস্তায় গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এদিকে ব্যাপক দরপতনের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে শেষ হয়েছে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের লেনদেন। আজ রোববার দিনের শুরুতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম পড়ে যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে দাম পড়ার হার আরো বাড়তে থাকে। গত ২৫ জানুয়ারি কোম্পানির লেনদেনের উপর সার্কিট ব্রেকার আরোপের পর সুচকের সর্বোচ্চ পতন দিয়ে রোববার লেনদেন শেষ হয়। দিন শেষে সাধারণ সূচক কমে ৪৭৪ পয়েন্ট। কমেছে ২৪৭টির, বেড়েছে ৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। দাম কমে সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করায় ৫০ শতাংশ কোম্পানির লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসই সূচকের বড় ধরনের পতন হয়। গড়ে সাধারণ সূচক কমে ৫৯৮ পয়েন্ট।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/মউ/এমএইচ/১৫০৫.ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/13/2011 5:47 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দরপতন পুঁজিবাজারে, বিক্ষোভ
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ১৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
সপ্তাহের শুরুর দিনে ব্যাপক দরপতন হয়েছে ঢাকার পুঁজিবাজারে। কমেছে লেনদেন ও প্রায় সবকটি শেয়ারের দাম। এতে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভের কারণে মতিঝিলে ডিএসইর সামনের রাস্তায় প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিলো।
রোববার লেনদেনের শুরু থেকেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক পড়তে থাকে। দিনের শেষ ঘণ্টা পর্যন্ত সে ধারা অব্যাহত ছিলো।
দিন শেষে সাধারণ সূচক ৪৭৪ দশমিক ৭৭ পয়েন্ট বা ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬০৫২ দশমিক ৪১ পয়েন্ট।
লেনদেন হওয়া ২৪৭টি শেয়ারের দামই কমেছে, বেড়েছে ৫টির। ৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিলো।
সারাদিনে মোট ৫১৩ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।
ঢাকার পুঁজিবাজারে প্রথম ঘণ্টায় ব্যাপক দরপতনের পর সোয়া ১২টার দিকে বিভিন্ন ব্রোকারেস হাউজে অবস্থানকারী বিনিয়োগকারীরা ভবনের ভেতর থেকেই বিক্ষোভ শুরু করে।
মতিঝিলে ডিএসই ভবনের সামনে আগে থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিলো। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ভবনের ভেতর থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুুড়তে শুরু করে।
সাড়ে ১২টার পর বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে মিছিল শুরু করে। এসময় পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। তবে তারপরও মিছিল অব্যাহত থাকে।
দুপুর সোয়া ১২টায়ই শাপলা চত্বর থেকে আর কে মিশন রোড পর্যন্ত সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মিছিল থেকে সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়।
বিকাল পৌনে ৪টার দিকে পুলিশ বিনিয়োগকারীদের হটিয়ে দিলে গাড়ি চলাচল পুনরায় শুরু হয়।
গত সপ্তাহের শেষ দিনের শুরুতে দর চড়লেও দিন শেষে সূচকের ১৪৬ দশমিক ২১ পয়েন্ট কমে যায়। দরপতনের পর বুধবার বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভের কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা মতিঝিল থেকে আর কে মিশন রোড পর্যন্ত সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে।
এদিকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) অত্যাধিক বিক্রির চাপের জন্য দুটি ব্রোকারেস হাউসকে চিহ্নিত করেছে। এগুলো হলো- এইচএসি সিকিউরিটিজ ও ফারইস্ট স্টক অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেড।
তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে বলে রোববার এসইসির ওয়েবসাইটে জানানো হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/এমআই/১৬০০ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/13/2011 5:48 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আর্থিক শৃংখলা ভঙ্গ করতে দেওয়া হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্ণর
স্টাফ করেপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময় ১৬৫৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১১
ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, অর্থবাজার সংশ্লিষ্টদের কোনোভাবেই আর্থিক শৃংখলা ভঙ্গ করতে দেওয়া হবে না।
আর্থিক শৃঙ্খলাকে জাতীয় প্রবৃদ্ধির চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
শনিবার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং মুদ্রানীতি: বাংলাদেশর ২০১০-২০১১ অর্থ বছরের প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর বলেন, ‘মুদ্রাবাজারে শৃংখলা মূল্যস্ফীতির চেয়েও জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রকৃত অর্থনীতি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এক সঙ্গে চলতে হবে।
ড. আতিউর বলেন, মূল্যস্ফীতি শুধু আমাদের জন্য হচ্ছে না। এর সঙ্গে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাজারও জড়িত।
‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ক্যাসিনোর মতো বলে উল্লেখ করে সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান ওই আলোচনায় বলেন, ‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে কোনো বিনিয়োগ পরিবেশ নেই। মানুষ না বুঝেই বিনিয়োগে ঝাপিয়ে পড়ছে। তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তারা কোনো বিশ্লেষণ করে না।’
বাজারে নতুন আইপিও না আসারও সমালোচনা করেন রেহমান সোবহান।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
এতে তিনি বলেছেন, দেশের অর্থনীতি নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে। এ থেকে উত্তরনে উৎপাদনমুখী খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়াতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, তত্ত্বধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্ঠা ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ড. সালেহ উদ্দিন, আর্ন্তজাতিক শ্রম সংস্থার সাবেক বিশেষ উপদেষ্টা রিজওয়ানুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহম্মেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকি প্রমুখ।
মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘বৈদেশিক আয় কমেছে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ নেই। ফলে মনে হচ্ছে প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে না।’
ড. সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘পুর্ঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকে কোন নীতির পরিবর্তন করার আগে দেখতে হবে সেটি পুঁজিবাজারে কোন প্রভাব ফেলবে কিনা।
অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে অনেক আগেই সর্তক হওয়া দরকার ছিলো। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক সেদিকে খেয়াল রাখেনি।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/13/2011 5:49 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
সিএসইতেও দরপতন, কমেছে অধিকাংশ শেয়ারের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম | তারিখ: ১৩-০২-২০১১
Prothom-Alo
দেশের দ্বিতীয় পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচকের পাশাপাশি কমেছে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। আজ রোববার লেনদেনের শুরুতে সাধারণ সূচক কিছুটা বাড়লেও এর পর থেকে কমতে শুরু করে, যা দিনভর অব্যাহত ছিল। তবে সিএসইতে কোনো বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি।
আজ সিএসইতে দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ১২৮৯.৬০ পয়েন্ট কমে ১৭৪১৩.৬৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছ। মোট ১৯১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে তিনটির, কমেছে ১৮৮টির শেয়ারের দাম। লেনদেন হয়েছে ৯৮ কোটি ৬৯ লাখ ৩৭ হাজার ৩৭৮ টাকার মতো।
গত বৃহস্পতিবার সিএসইতে লেনদেন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ২২০.০৬ পয়েন্ট কমে ১২,১১০.৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে ১৮৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯টির, কমেছে ১৫৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মোট নয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭৩ কোটি টাকার। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|