| 01/07/2011 11:24 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার অস্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের হাত নেই: গভর্নর
ঢাকা, ৭ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক দরপতনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাত রয়েছে বিনিয়োগকারীদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, পুঁজি বাজারের স্থিতিশীলতা নষ্ট হোক বাংলাদেশ ব্যাংক কখনো তা চায় না। একটি স্থিতিশীল এবং বৃহদাকার পুঁজি বাজারের অস্তিত্ব বাংলাদেশ ব্যাংক মনেপ্রাণে কামনা করে। এ জন্যেই সম্প্রতি পুঁজি বাজারের স্থিতিশীলতায় সহায়ক বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। মুদ্রাবাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে ভবিষ্যতেও পুঁজি বাজারের জন্যে সহায়ক সম্ভাব্য সবকিছুই করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। তিনি বলেন, অযৌক্তিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংককে দোষারোপ করলে বা ভুল বুঝলে তা হবে সত্যিই দুঃখজনক ।
আজ শুক্রবার সকালে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমী মিলনায়তনে সাউথইস্ট ব্যাংক লি. আয়োজিত মতবিনিময় সভা ও সৌরবাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, সম্প্রতি পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকই দায়ী সাধারণ বিনিয়োগকারীদের এমন ধারণা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। অথচ পুঁজি বাজারের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয় এমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক। বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষের জানা প্রয়োজন, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য আলাদা সংস্থা রয়েছে।
গত দুই দিনে রেকর্ড দরপতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকে সাধারণ লোকজন মিছিল নিয়ে আক্রোশ প্রকাশ করেছে যা খুবই দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গভর্নর আরও বলেন, সঠিক মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন এবং আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা করাই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কাজ। তা সত্ত্বেও পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক দরপতনের প্রেক্ষিতে মুদ্রানীতির সাথে কিছুটা আপোস করে হলেও রেপোর মাধ্যমে বাজারে পর্যাপ্ত তারল্য সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে কোনো ব্যাংক তারল্য সঙ্কটে পড়ে অত্যন্ত চড়া সুদে কলমানি মার্কেট থেকে টাকা ধার করতে বাধ্য হলে তার জন্য ওই ব্যাংকের দুর্বল ফান্ড ব্যবস্থাপনাই দায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক নয়।
গভর্নর আরও বলেন, জনগণের আমানতের টাকায় ব্যাংকগুলো উচ্চ মুনাফা করছে। কাজেই সমাজের প্রতি ব্যাংকগুলোর দায়বদ্ধতা থাকা অপরিহার্য। ব্যাংকগুলো তাদের মুনাফার একটি ক্ষুদ্র অংশও যদি সামাজিক দায়বদ্ধতার (CSR) কার্যক্রমের আওতায় জনকল্যাণ ও উন্নয়নে ব্যয় করে তাহলে দেশ ও জাতি অনেক উপকৃত হবে।
তিনি বলেন, আমরা একটি দক্ষ, গতিশীল এবং মানবদরদী ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই । এ প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যাংকগুলো আমাদের পাশে থেকে দেশের উন্নয়ন, কল্যাণ সর্বোপরি অনগ্রসর ও অবহেলিত অঞ্চলের জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাবে, এটাই হোক আমাদের আজকের অঙ্গীকার।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসএইচ/ জেএ/ এসসি/১৮.৪১ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/07/2011 11:31 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বাংলাদেশ ব্যাংক পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করে না: গভর্নর
অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ০৭-০১-২০১১
প্রথম আলো
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান বলেছেন, পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন বা মূল্যসূচক বৃদ্ধির সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করে না। এ জন্য একটি আলাদা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা রয়েছে। তবে স্থিতিশীল পুঁজিবাজার বজায় রাখতে সহায়ক সম্ভাব্য সবকিছুই করা হচ্ছে।
আজ শুক্রবার বগুড়ায় পল্ল¬ী উন্নয়ন একাডেমীতে ‘নদী ও জীবন’ প্রকল্পের আওতায় উত্তরবঙ্গের চর এলাকার ছয়টি এনজিওর দুই হাজার ছাত্রছাত্রীর মধ্যে সৌরশক্তিচালিত বাতি ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সাউথইস্ট ব্যাংকের পক্ষ থেকে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টানা দরপতনের পর কোনো কোনো ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর সন্দেহের তীর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দিকে ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে গভর্নর এ মন্তব্য করলেন।
আতিউর রহমান বলেন, পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন হলেই সাধারণ মানুষের মধ্যে এমন একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় যে এ দরপতনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক দায়ী। সাম্প্রতিক দরপতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের দিকে কেউ কেউ মিছিল নিয়ে এসে আক্রশ প্রকাশ করেছে, যা খুবই দুঃখজনক। পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়, এমন কোনো পদক্ষেপও বাংলাদেশ ব্যাংক নেয়নি। সঠিক মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন এবং আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করাই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কাজ। তবে এ মুদ্রানীতি প্রণয়নের সময় মূল্যস্তরের বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখতে হয়।
গভর্নর বলেন, যদি কোনো এক বা একাধিক ব্যাংক তারল্য-সংকটে পড়ে এবং তার জন্য অত্যন্ত চড়া সুদে কলমানি মার্কেট থেকে টাকা ধার করতে বাধ্য হয় সে জন্য ওই ব্যাংকের দুর্বল ফান্ড ব্যবস্থাপনাই দায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক নয়।
সাউথইস্ট ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও আইরিশ সাহায্য সংস্থা কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলমগীর কবির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস কে সুর চৌধুরী এবং কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর এ কে এম মুসা। বাসস। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/07/2011 4:12 pm |
 Forum Addict

Regist.: 12/31/2010 Topics: 14 Posts: 92
 OFFLINE | বেপরোয়া শেয়ারবাজার
প্রথম আলো সম্পাদকীয় / তারিখ: ০৮-০১-২০১১
শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক হালচাল এককথায় বেপরোয়া। দরের ওঠানামা বেপরোয়া, বেপরোয়া দ্রুত মুনাফার বাসনা। একেই ষাঁড়ের দৌড়ের সঙ্গে তুলনা করেছে গতকালের প্রথম আলো। মুনাফা ও দরের ঊর্ধ্বগতির পরে গত এক মাসজুড়ে দেখা যাচ্ছে, ভালুকের মতো ঝিমুচ্ছে শেয়ারবাজার। এই চরমভাবাপন্ন অবস্থারই প্রতীক যেন সংবাদটির সঙ্গে প্রকাশিত ছবিটি। সেখানে ভাঙচুরের অভিযোগে আটক এক বিনিয়োগকারীকে দেখা যাচ্ছে প্রিজন ভ্যানের গরাদের ভেতর থেকে বিক্ষুব্ধ ও হতাশ চোখে তাকিয়ে থাকতে। হঠাৎ করে পুঁজি হারিয়ে ফেলা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অবস্থার প্রতীক যেন এই ছবি।
দেশের শেয়ারবাজার কিছুদিন ধরেই বেশ টালমাটাল। কিছুদিন আগেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচকের স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় পতন ঘটেছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার কর্মদিবসের শেষ ঘণ্টায় হঠাৎ করে বিরাট দরপতন ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় পুঁজি হারিয়ে হতাশ কিছু বিনিয়োগকারী রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর শুরু করেন। আগেরবারের দরপতনের পর বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন বিধিনিষেধ শিথিল করে ফেললেও তা কাজে দিচ্ছে না। বিনিয়োগকারীরাও দ্রুত লাভের লোভে ছুটে বুঝে-শুনে বিনিয়োগ করছেন না। শেয়ারবাজারে শুধু দাম বাড়বেই, কখনো কমতে পারবে না—এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবতাবর্জিত এবং পুঁজিবাজারকে সত্যিকারভাবে শক্তিশালী করার অন্তরায়।
শেয়ারবাজার যেভাবে ফুলে-ফেঁপে উঠছিল, তা ছিল বহুলাংশে কৃত্রিম ও যৌক্তিকতাহীন। ফাটকাবাজির বাজারে ক্রমাগত অর্থের জোগান নির্বিচারে বিভিন্ন শেয়ারের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছিল। আর এতে প্রলুব্ধ হয়ে ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় না নিয়ে অনেকেই সহজে টাকা বানানোর দিকে ঝুঁকে পড়েছিলেন। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম ভেঙে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছিল। আরও দাম বাড়ার ও নিরন্তর মুনাফা করার কল্পিত প্রত্যাশায় প্রায় সবাই যেন বুঁদ হয়ে গিয়েছিল। অদক্ষ এসইসিও ঘন ঘন নীতি-নির্দেশনা পরিবর্তন করে বাজারের অস্থিরতাকে উসকে দিচ্ছিল। সর্বোপরি পুঁজিবাজারের বড় বড় ক্রীড়নক সরকারসহ নীতিনির্ধারকদের বিভিন্নভাবে চাপের মুখে রাখার কৌশল নিয়েছিল, যেন বাজারের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতিতে রাশ টানতে না পারে। এসবের অনিবার্য পরিণতি যে একপর্যায়ে বাজারের বড় পতন—তা এখন প্রমাণিত হচ্ছে।
যাঁরা কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছেন, দাম বাড়ার একটা পর্যায়ে তাঁরা শেয়ার বেচে মুনাফা তুলে নেবেন—এটাই স্বাভাবিক এবং এটাই বড় দরপতনকে ত্বরান্বিত করেছে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতিজনিত চাপ প্রশমনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাবাজারে তারল্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের দিকে জোর দিয়েছে। শিল্পঋণের টাকা শেয়ারবাজারে খাটানোর প্রবণতা রোধেও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে নজরদারি কঠোর করতে হয়েছে। এসবের কিছুটা প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। কিন্তু সার্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার স্বার্থে, আর্থিক খাতের শৃঙ্খলার স্বার্থে এ ধরনের কঠোরতার কোনো বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে শেয়ারবাজারের বড় দরপতন হওয়াটাও বাজার সংশোধনের প্রক্রিয়া হিসেবেই দেখতে হবে। বিনিয়োগকারীদেরও বুঝতে হবে, যতটা লাভের প্রত্যাশা তাঁরা করেন, ততটা লোকসানের ঝুঁকিও রয়েছে। এটাই কঠিন সত্য। পুঁজিবাজারে ফাটকাবাজি ও অনিশ্চয়তা থাকবেই। সর্বোপরি এসইসিকে সুপরিকল্পিতভাবে বাজারে হস্তক্ষেপ করতে হবে, যা হতে হবে দীর্ঘমেয়াদি। সব পক্ষেরই উচিত, ভুলের শিক্ষা নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ বাজার-ব্যবস্থাপনার দিকে অগ্রসর হওয়া। |
|
|
| 01/07/2011 4:17 pm |
 Forum Addict

Regist.: 12/31/2010 Topics: 14 Posts: 92
 OFFLINE | Public listing of 16 state jute mills planned
S M Jahangir / Financial Express / 08.01.2011
The government has taken an 'ambitious' plan to float shares of more than a dozen state jute mills in the capital market in a year after turning them profitable.
The Minister of Textile and Jute Abdul Latif Siddique unveiled the plan at a recent meeting with the Finance Minister AMA Muhith, officials said.
"We have plan to float shares of as many as 16 jute mills within a year. But the jute mills must be profitable," the minister told the meeting.
Mr. Siddique also told the meeting that his ministry was working hard to make the state-run jute mills operationally sound and economically viable.
Simultaneously, steps are also underway to help revitalise the country's jute industry, including private sector mills, as the demand for the environment-friendly natural fibre has risen sharply in the global market, said a senior government official, who was present at the meeting.
The meeting also discussed the problems and prospects of the country's jute sector, he said.
After a thorough discussion, the meeting assigned the Jute Ministry and BJMC to draw up a roadmap for offloading the shares of state-run jute mills, meeting sources said.
The listing move state jute mills is part of the government's broader effort to offload shares of some 21 government firms and also boost supply of good issues in the capital market.
The finance minister recently said share of state-owned enterprises (SOEs) would be floated in six months while additional shares of listed companies would be floated shortly.
But the minister made it clear that the government would keep the majority stakes in state firms even after the public listing.
Industry insiders say floatation of BJMC-run jute mills will be a 'big task' for the government.
"Although the plan is a right step, its implementation needs strong political will of the government," a private sector jute-mills operator told the FE.
He said if the shares of state-run jute mills are floated, it will help bring transparency and accountability in the operations of BJMC units and give a boost to the country's overall jute sector.
Currently some 24 jute mills are in operation under the state-run BJMC but most of them are financially frail, sources said, adding the government provides billions each year to the loss-incurring entities.
Like the private sector mills, sources said the state-run units are now in better shape than before due to a substantial rise in the price of jute in the international market, caused by an increasing demand.
|
|
|
| 01/08/2011 12:54 pm |
 Forum Addict

Regist.: 12/31/2010 Topics: 14 Posts: 92
 OFFLINE | বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে উইন-উইন ৯ কোম্পানি লাভবান হচ্ছে
আমাদের সময় / ০৯.০১.২০১১
আরো সংস্ড়্গার চান বাজার সংশিস্নষ্টরা
আবু আলীঃ
কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীর স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে আন্তôর্জাতিক এ পদ্ধতি চালু করা হলেও ইতোমধ্যে তিনবার সংস্ড়্গার করা হয়েছে। কিন্তু নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা ও পেশাগত সক্ষমতা যাচাইয়ের স্পষ্ট নির্দেশনার অভাব রয়েছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এ পদ্ধতি সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ করেছে। সিপিডি’র পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে- এ পদ্ধতির মাধ্যমে একপক্ষ লাভবান হচ্ছে। একইসঙ্গে সিন্ডিকেট করে কোম্পানির মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। লকিংয়ের সময় খুবই কম এজন্য পেস্নসমেন্ট শেয়ারধারীরা বেশি দামে শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই শেয়ারের দাম কমে যায়। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্তô হয়।
এজন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে আইপিও’র বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আরো সংস্ড়্গারের দাবি জানিয়েছেন পঁুঁজিবাজার সংশিস্নষ্টরা। তারা নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা ও পেশাগত সক্ষমতা যাচাইয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্পষ্ট নির্দেশনা কামনা করেন তারা।
বিল্ডিং প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ম্যানেজ করে এ দু’টি কোম্পানি অস্বাভাবিক উচ্চমূল্যে বাজারে শেয়ার বিক্রি করে। গতবছর এ পদ্ধতির মাধ্যমে তালিকাভূক্ত হওয়া ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের দু’টি কোম্পানির শেয়ারের দাম প্রথম দিন ৩৯৫ এবং ৩৪১ টাকায় কেনাবেচা হয়। কিন্তু বর্তমানে ওই কোম্পানি দুটির শেয়ারের বাজার দর রয়েছে ১০৫ টাকা এবং ১২৫ টাকা। বেশি দরে কোম্পানির শেয়ার কিনে বিনিয়োগকারীরা এক অর্থে সর্বস্বান্তô হয়ে বসে আছেন।
বিশেস্নষকরা জানিয়েছিলেন কোম্পানি দু’টির চুড়ান্তô মূল্য বেশি নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এসইসির চোখ খোলে। এসময় তারা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সংখ্যা পাঁচটি থেকে বাড়িয়ে ১৫টিতে উন্নীত করে। যাতে কেউ সিন্ডিকেট করতে না পারে। এছাড়াও রোড-শোতে সম্পদ ব্যবস্থাপকদের অংশ গ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়।
কিন্তু আইন সংশোধনের পরও বেশ কয়েকটি কোম্পানির রোড শো হয়েছে। দরপ্রস্তôাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়লেও কোম্পানির আর্থিক অবস্থার সঙ্গে শেয়ারের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণে খুব ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেনি।
প্রাইম ফিনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখতার হোসাইন সান্নামাত বলেন, বিডিংয়ে যেসব প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে তাদের সংখ্যার চেয়েও যোগ্যতা নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে ভালো ভূমিকা রাখবে। কোনো কোম্পানির আর্থিক অবস্থা বিচারের ভার এমন কারো ওপর ন্যস্তô করা উচিত নয়, যাদের এ সম্পর্কিত দক্ষতা নেই।
ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক সালাহ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, যে কোনও আইন হলে প্রয়োজনে সংশোধন হতে পারে। অনেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে। এতে বিনিয়োগকারীরা বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে।
এসইসি’র দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছেন, কোনো ভালো পদ্ধতিকে আমরা ভালোভাবে নিতে পারি না। কোনো পদ্ধতির দুর্বলতা বের করে তার সুযোগ নেয়াই আমাদের মজ্জাগত চরিত্র। তিনি বলেন, ক্রমান্বয়ে এ পদ্ধতিতে আরো সংশোধনী আসবে, যা পদ্ধতিটিকে এক সময় পূর্ণতা দেবে। বিশ্বজিৎ দত্ত |
|
|
| 01/08/2011 3:07 pm |
 Forum Addict

Regist.: 12/31/2010 Topics: 14 Posts: 92
 OFFLINE | Inside story of recent bearish market and way to reinstate investors' confidence
The Financial Express/09.01.2011
Bangladesh capital market experienced the highest fall of its index by 551 points in a single day on December 19, 2010. Previously on November 6, 1996, it fell by 233 points. Of the 243 traded shares, 236 fell, five increased and two remained unchanged. The regulators who were earlier frequently imposing several rules, regulations to make the market vibrant had to withdraw these rules after such fall. Market investors in panic started to sell their shares which made the market more unstable. The bullish trend of market suddenly turned to bearish more than expected which ultimately made the market plummet and reduced confidence level that adversely affected to the trading behaviour and attitude of retail investors.
There are several reasons which made the market plummet recently. More tightened policies came from several sides like SEC, Bangladesh Bank and the government that pushed down uptrend of market to downtrend. A large portion of the market investors are institutional investors and most of them are commercial banks. Moreover commercial banks are now investing more in share market to enhance their profit through capital and dividend gain. It is alleged that many of commercial banks invested industrial loan in share market. We see that Bangladesh Bank has declared several circulars regarding money market exposure. Sudden increase of CRR from 5.5 % to 6%, SLR from 18.5% to 19 % and increase of paid up capital created an extra pressure for commercial banks to raise their liquidity.
Moreover December is the month for closing account of most of the banks for that financial year. To show higher income commercial banks tried to sell shares at the end of year. For all these reasons, commercial banks took the role of sellers rather than buyers to enhance liquidity. This made the share price decreased. Moreover according to DSE officials, more than 1,00,000 retail investors on an average are joining the share market every month as the number of active B/O account holders doubled in a year to reach 3.2 million in December 2010. Most of the new investors have little knowledge about market environment and mechanism. So during this price fall they became panicky and started to sell their shares even at a loss. So the downward trend got more speed and ultimately market fell more steeply.
It seems people coming share market without mentality of taking risk of price fall. They only try to reaping profit and they think there is no such a thing of loss. But share market has its own trend. It goes through up and down trend. So, investors should know the basic trend of market. If they come to market only to enhance their money without having knowledge of market and without mentality of taking risk then market sure will be unstable. Many of them have no idea about fundamentality of the shares.
We see recently that Z category shares offering more capital gain than A category even these are very much risky. This attracts new investors and they invest in Z category share which increase the risk of loss. Previously on 21 November, 2010, decision of the SEC to reduce margin loan from 1:1 to 1:0.5 had badly affected fundamental based share. We saw that next day on 22 November, reducing loan facilities resulted in the reduction of prices of comparatively better fundamental based shares. On the other hand it results in increase of price of comparatively lower performance based shares from 10 to 20 per cent. Regulator's credit tightening move confused the investors to differentiate between bad and good stocks as prices of bad stocks gained ground on the day.
After fall of 19 December SEC again raised margin loan facilities from 1:0.5 to 1:1.5. Frequent imposing and changing rules make the investors confused and reduce their confidence which has negative impact on market price. Investors make decisions based on rumors in maximum cases instead of analysing company-specific fundamentals. But as investors it can be observed that most of the rumours like right offer, changing face value or stock dividend have become true later. So rumours have established its own strength. This indirectly indicates to insider trading transactions on the basis of undisclosed price sensitive information to public which ultimately manipulates the market. Another point is that brokerage houses have a profound influence on investors and they comment about speculation of share price.
During downtrend they keep investors away from purchasing of shares. It is noticeable that when market falls then investors come to the street, show protest and then suddenly prices go up. This indicates the existence of syndicates and market manipulators in the capital market. Market experts believe that the bearish trend is a result of market correction. It is true that a correction is needed but it should be in a proper way. If the correction destroys the market and confidence of the investors then there is no need such type of correction. Still such bearish trend is going on. Merchant banks are not disbursing margin loan according to new ratio of 1:1.5. Moreover there are several companies coming soon in the market through IPO and Book Building method with higher cut off price. So many investors have started selling shares to collect application money for IPO.
We believe that market has its own nature and if regulatory body and respective parties perform their role perfectly then this unwarranted situation can be over. The SEC should protect investors' interest and create an efficient market environment for issuers. It must employ more resourceful, competent and qualified people. The SEC may think of imposing a permanent policy for the margin ratio rather than frequent experiments. Merchant bankers and brokerage houses can organise regular awareness program for investors. They can also motivate investors to invest in fundamental based share and avoid rumors based investment.
Besides, brokerage houses should stop comments about speculation of share price. Government can improve its guidelines for capital market. At present there are more than 3600 garments in Bangladesh with strong financial background. These garments industries should be encouraged to be listed.
Innovative financial products and hybrid securities needs to be introduced to enrich our capital market. A separate corporate bond market can be introduced. Less time-consuming compliances of numerous formalities, low cost of initial public equity offerings, elimination of double taxation will be helpful to equity market improvement. SEC should initiate awareness, educational and promotional programmes through institutional training for a vibrant market with active presence of issuers and investors. Bangladesh Bank needs to strictly monitor the activities of commercial banks specially their activities leading to capital market exposure.
After the bubble burst of 1996, our capital market has attracted a lot more attention and importance. Though there are now strict rules and guidelines, trading circuit breakers and international standard surveillance to protect investor rights and to ensure fair play but the Bangladesh capital market still has a long way to go. Capital market can not be functional without investors. So the activities of investors have high influence on market movement. The decisions regarding the market should be taken considering behavioural psychology of the investors. Now long term policy, appropriate guideline by Bangladesh Bank for commercial banks to adjust capital market exposure, support of big institutional investors and easing of rules, regulations are necessary to restore confidence of retail investors. Finally there should be a proper coordination between all market players -SEC, DSE, CSE, merchant banks and government so that capital market can play a vital role efficiently for the economic development of the country.
The author is with the Department of Finance, University of Dhaka. He can be reached at e-mail: shovon_8512@yahoo.com
|
|
|
| 01/09/2011 7:17 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে বড় ধস: ১ মাসে সূচক হারিয়েছে ১৭৮৩ পয়েন্ট
ঢাকা, ৯ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম): রোববার পুঁজিবাজারে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধস নেমেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই)। টানা দরপতনের ৫ম দিনে লেনদেন শেষে ডিএসইর সাধারন সূচকের পতন হয়েছে ৬০০ পয়েন্ট। এর আগে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ডিএসইর সাধারন সূচকের পতন হয়েছিল ৫৫১ পয়েন্ট। ধারাবাহিক দরপতনের কারনে এক মাসে ডিএসই সাধারন সূচক হারিয়েছে ১৭৮৩ পয়েন্ট। রোববার ডিএসইতে লেনদেন শেষে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৩টির। অপরদিকে কমেছে ২৪১টির। এদিকে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পতন হলেও পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারনে বিক্ষোভ মিছিল করতে মাঠে নামতে পারেনি বিনিয়োগকারীরা। তবে মামুন নামের একজন বিনিয়োগকারীকে আটক করেছে পুলিশ। সর্বস্ব হারানোর আশঙ্কায় ভীত হলেও প্রতিবাদ করতে পারছেন না ুদ্র বিনিয়োগকারীরা। ইতিমধ্যেই ুদ্র বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজির এক তৃতীয়াংশ হারিয়েছেন।
গত চার মাসে পুঁজিবাজার বিশ্লেষনে দেখা যায়, ২৭ সেপ্টেম্বর ডিএসইর সাধারন সূচক সর্বপ্রথম ৭০০০ পয়েন্ট অতিক্রম করে। পরবর্তিতে ৫ ডিসেম্বর ডিএসইর সাধারন সূচক দাড়ায় ৮৯১৮ পয়েন্টে। পুঁজিবাজারের ধারাবাহিক উর্ধমুখি প্রবনতার কারনে দুই মাস ৮ দিনের মধ্যে ডিএসইর সাধারন সূচক বেড়েছে ১৮৯২ পয়েন্ট। এ সময়ের মধ্যে প্রায়ই ডিএসইর সাধারন সূচক বৃদ্ধির রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। তবে এর পরের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ন ভিন্ন। সেপ্টেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত যত দ্রুত সূচক বেড়েছে, তার চেয়েও দ্বিগুন গতিতে পতন হয়েছে সূচকের। ৬ ডিসেম্বর থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩৩দিনে সূচকের পতন হয়েছে ১৭৮৩ পয়েন্ট। এরমধ্যে রোববার পুঁজিবাজারের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। একদিনেই সাধারন সূচক কমেছে ৬০০ পয়েন্ট। এর আগে ১৯ ডিসেম্বর সূচক কমেছিল ৫৫১ পয়েন্ট। আর ১২ ডিসেম্বর কমেছিল ২৮৪ পয়েন্ট। তবে ৮ ডিসেম্বর এক ঘন্টার দরপতনও ছিল উল্লেখ করার মতো। সেদিন লেনদেনের প্রথম এক ঘন্টায় সূচক সাড়ে ৪শ পয়েন্ট হারালেও এসইসির কার্যকর পদক্ষেপের কারনে সেদিন হারানো সূচক পূনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। এদিকে পুঁজিবাজারের টানা দরপতন ঠেকাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) তার হাতে থাকা সর্বস্ব উজাড় করে দিলেও পতন ঠেকানো যাচ্ছেনা ।
রোববারের বাজার পরিস্থিতি:
চলতি বছরের টানা দরপতনের মুখে রোববার লেনদেনের শুরুতে সূচক সামান্য বাড়লেও তা বেশিক্ষন স্থায়ী হয়নি। লেনদেনের প্রথম দু'ঘন্টায় ডিএসইর সাধারন সূচক পতন হয়েছিল ৩০০ পয়েন্টের বেশি। এ সময় দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানির সংখ্যা ছিল মাত্র ১১টির। এরপর সূচক পূনরুদ্ধারের চেষ্টা চললেও তা ব্যর্থ হয়। সূচকের ধারাবাহিক দরপতনে বিনিয়োগকারীরা তাদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রিতে মরিয়া হয়ে উঠেন। এ কারনে বেলা দু'টার পর সূচকের পতন আরো তরান্বিত হয়ে লেনদেন শেষে ডিএসই ৬০০ পয়েন্ট সূচক হারায়। যা পুঁজিবাজারের ইতিহাসে একদিনের সর্বোচ্চ পতন। তবে বাজার ধস হলেও আগের দিনের চাইতে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে। রোববার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৩৩১ কোটি টাকা। ৯৯ শতাংশ শেয়ারের দর পতনের কারনে ডিএসইর মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকা খুজে পাওয়া যায়নি। রোববার ডিএসইর সাধারন সূচক ৬০০ পয়েন্ট কমে ৭১৩৫ পয়েন্টে দাড়িয়েছে।
এদিকে পরপর ৫ দিনের টানা দরপতনের কারনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অপরদিকে পুঁজিবাজারের নেতিবাচক প্রবনতার কারনে যে কোন ধরনের বিশৃংখলা ঠেকাতে রোববার সকাল থেকেই ডিএসইর সামনে পুলিশ ও র্যাব অবস্থান নেয়। এ কারনে পুঁজি হারালেও তা প্রকাশ করতে পারেননি বিনিয়োগকারীরা। তবে লেনদেন শেষে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষিপ্তভাবে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলে মামুন নামের একজন বিনিয়োগকারীকে আটক করে পুলিশ। এর আগে বেলা দু'টার দিকে র্যাবের একটি দল প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি মনজুর আহমেদকে আটক করে। তবে সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় র্যাব। এ ঘটনায় ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিষ্ট ফোরাম তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। পুঁজিবাজারের এ বিপর্যয়ের মুখে সাংবাদিকদের স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টির ফলে আরো নেতিবাচক পরিস্থিতি ডেকে আনবে।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/09/2011 7:19 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | গ্রামীণ ফোনের নেটিং সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত
undefined
ঢাকা, ৯ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজার সক্রিয় রাখতে গ্রামীণ ফোনের নেটিং সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে এক একাউন্টে ১০ কোটি টাকার উপর লেনদেনে এবং নতুন বিও একাউন্ট খোলার ৩০ কার্যদিবসের পরিবর্তে ১৫ কার্যদিবসে ঋণ সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। রোববার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিজ এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
পরে এসইসির নির্বাহি পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া বৈঠকের সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের অবহিত করেন। তিনি জানান, বৈঠকে উপস্থিত প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এদিকে, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/মউ/এমএইচ/১১.৫৬ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/09/2011 7:24 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ব্যাংক ঋণে খাত নির্দিষ্টের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা, জানুয়ারি ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-
পুঁজিবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ খাতে ব্যাংকের টাকা যেন না যায়, সেজন্য ব্যাংক ঋণের খাত নির্দিষ্ট করে দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন বলে বৈঠকে অংশ নেওয়া এক মন্ত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, "বৈঠকে পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক থেকে অবাধে ঋণ নিয়ে এক শ্রেণীর মানুষ তা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছে। কিন্তু লাভের আশায় বিনিয়োগ করে তারা লোকসানের মুখোমুখি হচ্ছে। এজন্য ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই এর খাত নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। যাতে ঋণ নিয়ে এরা ঝুঁকিপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ করতে না পারে।"
গত মাসে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও বিভিন্ন খাতের ব্যাংক ঋণের অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হচ্ছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
গত বছরের শেষ ভাগ থেকে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা চলছে। গত ১৯ ডিসেম্বর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) একদিনে সর্বোচ্চ দরপতনের রেকর্ড হয়। সূচক ৬০০ পয়েন্ট কমে রোববারই সর্বোচ্চ দরপতনের নতুন রেকর্ড হয়।
পুঁজিবাজারে দরপতনে অর্থ হারিয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অসন্তোষও দেখা দেয়। যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও ভাংচুরও হয়েছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমকে/এমআই/১৮০৮ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/09/2011 7:26 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে সর্বোচ্চ দরপতন
ঢাকা, জানুয়ারি ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-
বছরের শুরুতেই ঢাকার পুঁজিবাজারে একদিনে সর্বোচ্চ দরপতনের রেকর্ড হয়েছে। সাধারণ সূচক কমেছে ৬০০ পয়েন্ট। তবে প্রায় সব শেয়ারের দাম কমলেও বেড়েছে লেনদেন।
গত বছরের শেষ থেকেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। গত ১৯ ডিসেম্বর ডিএসই সাধারণ সূচক একদিনে ৫৫১ পয়েন্ট কমে যায়। গত ১২ ডিসেম্বর কমে ২৮৫ পয়েন্ট। গত ৬ নভেম্বর মূল্যসূচক কমে ২৩৩ পয়েন্ট।
বছরের শুরুতেও দরপতনের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। রোববারও দরপতন দিয়েই দিন শুরু করে ডিএসই, শেষে তা ১৯ নভেম্বরের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সাধারণ সূচক দাঁড়ায় ৭১৩৫ দশমিক ০২, যা দিনের শুরুর চেয়ে ৬০০ দশমিক ২১ পয়েন্ট বা ৭ দশমিক ৭ শতাংশ কম।
এদিন মোট ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৪১টির দামই কমেছে, বেড়েছে বাকি ৩টির।
সূচক ও দাম কমে গেলেও কেনার প্রবণতার কারণে শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে যায়। পুরো দিনে ১ হাজার ৩৩১ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।
ব্যাপক দরপতনের পরও আগের মতো কোনো ধরনের বিক্ষোভ দেখা যায়নি। গত সপ্তাহের বিক্ষোভের পর রোববার ডিএসই'র সামনে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক র্যাব-পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে।
বেলা ৩টায় লেনদেন শেষে ডিএসই ভবনের সামনে কয়েকজন বিক্ষোভের চেষ্টা করলে পুলিশের মারমুখী অবস্থান দেখে তারা মিইয়ে যায়। মামুন নামে একজনকে সেখান থেকে আটক করে পুলিশ।
তবে পুঁজিবাজারে দরপতনে ঢাকার বাইরে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।
বড় ধরনের দরপতনের প্রতিবাদে গত সপ্তাহে দুই দফা রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। বৃহস্পতিবার ছয় জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়। গত ১৯ ডিসেম্বরও দরপতনের ঘটনায় রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায় তারা।
এদিকে গত আট মাসের পরিসংখ্যানে ডিসইতে লেনদেন সর্বনিু পর্যায়ে নেমে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার যার পরিমাণ ছিল ৯৬৯ কোটি টাকা।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/এমআই/১৬২৪ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/09/2011 7:32 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ব্যক্তির ঋণসীমা তুলে নিলো এসইসি
ঢাকা, জানুয়ারি ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-
বছরের প্রথম সপ্তাহে দরপতনের পর বিনিয়োগকারী ব্যক্তির ঋণ পাওয়ার সীমা তুলে দেওয়াসহ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া রোববার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
একক ব্যক্তি আগে সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা ঋণ নিতে পারলেও এখন থেকে সে সীমা থাকছে না। ঋণ নেওয়া যাবে বিও একাউন্ট খোলার ১৫ দিনের মধ্যেই। আগে বিও একাউন্ট খোলার ৩০ দিন আগে ঋণ নেওয়া যেত না।
এছাড়া গ্রামীণফোনের শেয়ার এখন থেকে নেটিং সুবিধা পাবে বলেও জানিয়েছেন আনোয়ারুল।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এসইসির বৈঠকে এ সিদ্ধান্তগুলো হয়।
এদিকে গত সপ্তাহের দরপতনের ধারা রোববার নতুন সপ্তাহের শুরুর দিনেও অব্যাহত রয়েছে।
ডিএসইতে রোববার লেনদেন শুরুর প্রথম এক ঘণ্টায় সাধারণ সূচক ১০০ পয়েন্ট কমে যায়। কমেছে অধিকাংশ শেয়ারের দাম।
বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে সূচক ছিলো ৭৬৫১ দশমিক ৪৩, যা দিনের শুরুর চেয়ে ৮৩ দশমিক ৭৭ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ০৮ শতাংশ কম।
ওই সময় পর্যন্ত মোট ২২৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৬টির দাম কমেছে, বেড়েছে ৩২টির দাম। ৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে গত সপ্তাহের বিক্ষোভের পর রোববার ডিএসই'র সামনে বিপুল সংখ্যক র্যাব-পুলিশের অবস্থান দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের পর ডিএসই এলাকা থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছিলো পুলিশ।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/১২০০ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/09/2011 10:54 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
ইউনিপেটুইউ’র সঙ্গে লেনদেনে সতর্ক থাকার পরামর্শ বাংলাদেশ ব্যাংকের
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
জানুয়ারি ৯, ২০১১
ঢাকা: ইউনিপেটুইউ-এর সঙ্গে লেনদেনে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ পরামর্শ দেওয়া হয়। এর আগে বিকেলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও শেয়ার বাজারে দরপতনের জন্য ইউনিপেটুইউকে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিপেটুইউ-এর নাম সরাসরি উল্লেখ করা না হলেও ব্যবসার যে ধরনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা কেবল এ কোম্পানির অর্থ সংগ্রহ তৎপরতার সঙ্গে মেলে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসায়ী বর্ণনাধারী কিছু প্রতিষ্ঠান অবাস্তব উচ্চ মুনাফার (কোথাও কোথাও মাসিক ২০ শতাংশ বা তারও বেশি) প্রলোভন দেখিয়ে সরল বিশ্বাসী জনগণের কাছ থেকে প্রতারণামূলকভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করছে। এরা গৃহীত অর্থ বিদেশে স্বর্ণ বা বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় করে জমা রাখার বা ব্যবসায়ীক লেনদেনে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে জনগণকে প্রলুব্ধ করছে। কিন্তু বাংলাদেশের সংগৃহীত তহবিল বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশে স্থানান্তর ও বিনিয়োগ বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৪৭-এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো কোনোটির লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০৯-এর আওতায় স্থগিত করা হয়েছিল। এছাড়া কোনো একটির বিরুদ্ধে দুদক মামলাও করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন নামে বেনামে পর পর তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। এদের কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের হিসেব বাংলাদেশ ব্যাংক বা দুর্নীতি দমন কমিশন অবরুদ্ধ করে। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠান অন্য নামে ভিন্ন এলাকায় একই ধরনের কার্যক্রম শুরু করছে। তাই এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যে কোনো লেনদেনে সতর্ক থাকার জন্যে সবাইকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, রাতারাতি অর্থশালী করে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ইউনিপেটুইউ নামে এক গ্রুপের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জনগণকে প্রতারিত করছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কিন্তু এরপরও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি নামে বেনামে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান বাংলানিজকে বলেন, ‘ইউনিপেটুইউ নামের প্রতিষ্ঠানটি রাতারাতি ভাগ্য পরিবর্তনের প্রচারণা চালিয়ে অর্থ সংগ্রহ করে প্রতারণা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের অর্থ নিয়ে একাধিক ব্যাংকে রাখা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, টাকা নিয়ে বিদেশে গ্রাহকদের নামে স্বর্ণ ক্রয় করা হচ্ছে। ওই স্বর্ণ ভল্টে রাখা হচ্ছে। যাদের থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে তাদের শতকরা ২০ শতাংশ হারে সুদ প্রদান করা হবে বলেও জানানো হচ্ছে। এছাড়া স্বর্ণ ক্রয়ের সনদও প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ প্রতিষ্ঠানটি টাকা নিয়ে লুটে খাচ্ছে, কোনো স্বর্ণ ক্রয় করছে না। যা বাংলাদেশ ব্যাংক চিহ্নিত করেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘জানা গেছে-এরই মধ্যে প্রায় ১শ’ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ওঠানো হয়েছে। কিন্তু ওই টাকা কোথায় রাখা হয়েছে, কি করা হয়েছে তার কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি ইউনিপেটুইউ থেকে।
বাংলাদেশ সময়: ২১৪৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৯, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/09/2011 11:01 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
বাংলানিউজের সঙ্গে আলাপ বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরার আহবান ডিএসই ও সিএসই সভাপতির
এসএম গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
জানুয়ারি ৯, ২০১১
ঢাকা: পুঁজিবাজারে স্মরণকালের রেকর্ড দরপতন নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য্য ধরার আহবান জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি মো. শাকিল রিজভী ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি মো. ফকরুউদ্দীন আলী আহমেদ।
রোববার সন্ধ্যায় বাংলানিউজকে দেওয়া বিশেষ প্রতিক্রিয়ায় তারা এ আহবান জানান।
প্রতিক্রিয়ায় পুঁজিবাজারে দরপতনকালে মার্চেন্ট ব্যাংকের আচরণে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
ডিএসই সভাপতি মো. শাকিল রিজভী বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমাদের দেশের অর্থনীতি বর্তমানে বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে এমন কোনো বিপর্যয় নেমে আসেনি যে শেয়ারবাজারে বিপর্যয় নেমে আসবে।’
তিনি বলেন, ‘বাজারের এই দরপতনের সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতো আচরণ করছেন। এটা কোনোভাবেই তাদের কাছে কাম্য ছিলো না। বাজারে এই দরপতনের সময়ে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের যে আচরণ করা উচিত ছিলো তারা তা করছেন না। ফলে বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে।’
দরপতনের বেশ কয়েকটি কারণও উল্লেখ করেন শাকিল বিজভী।
তিনি বলেন, ‘মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও’র জন্য চলতি মাসে টাকা জমা নেওয়ায় বাজার থেকে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা চলে গেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকের সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজগুলো বিনিয়োগকারীদের চাহিদা অনুযায়ী মার্জিন লোন দিতে পারছে না। তাই বাজারে এক ধরনের তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়। বাজারে বেশ কিছু শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়ে পড়েছিল। একইসঙ্গে অনেক ভালো শেয়ারের দামও কমে গেছে। যা কাম্য ছিল না। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য্য ধারণ করা উচিত। কোনভাবেই অধৈর্য্য হয়ে শেয়ার বিক্রি করে দেওয়া উচিত হবে না।’
শাকিল বিজভী আরো বলেন, ‘পুঁজিবাজারের উর্ধ্বমুখীতার বিষয়ে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে ২০১০ সালের ৯ অক্টোবর আমরা বিনিয়োগকারীদের সাবধান করেছিলাম। এটা পুঁজিবাজারের ইতিহাসে বিরল ঘটনা। কিন্তু তারপরও বিনিয়োগকারীরা সচেতন হননি। ফলে যা হবার তাই হয়ে গেছে। তাই এই মুহূর্তে বিনিয়োগকারীদের কোনোভাবেই লোকসানে শেয়ার বিক্রি না করে প্রয়োজনে লভ্যাংশ ঘোষণা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।’
চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি মো. ফকরুউদ্দীন আলী আহমেদ বাজারের বড় ধরনের দরপতন সর্ম্পকে বাংলানিউজকে বলেন, ‘বাজারের এই দরপতনকালে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর আচরণ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতো। বাজারের এই দরপতনকালে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর যে আচরণ করা দরকার ছিল তারা সেটা করছে না।’
কি আচরণ করা দরকার ছিল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি এর বেশি বলবো না।’
সিএসই সভাপতি আরো বলেন, ‘বাজারের এই দরপতনের কোনো কারণ ছিল না। আমাদের পুঁজিবাজারের বাজার মূলধন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকা। সেখান থেকে ২০/৩০ হাজার কোটি টাকা চলে গেলে কিছু হবে না। কিন্তু বিনিযোগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘বাজারের এই অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের মৌলভিত্তি সম্পন্ন শেয়ার ধরে রাখা উচিত।’
বাংলাদেশ সময়: ২০২০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৯, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/09/2011 8:48 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারের দরপতনের জন্য ইউনিপে টুকে দায়ী করলেন অর্থমন্ত্রী
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
জানুয়ারি ০৯, ২০১১
ঢাকা: পুঁজিবাজারের ভয়াবহ পতনের জন্য অন্যান্য কারণের পাশাপাশি ইউনিপে টু ইউ নামের একটি মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানিকে দায়ী করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানে বাংলাদেশের দাবির পক্ষে অবস্থানপত্র নিয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শেয়ারবাজারের কারসাজির সঙ্গে দায়ী কাউকে ছেড়ে দেব না। ইউনিপেটু ইউ মানুষকে এক সপ্তাহে দ্বিগুণ লাভ দেওয়ার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদেরকেও ধরব।’
এছাড়া পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
একই সঙ্গে রাতারাতি বড় ধরনের লাভের আশা না করার পরামর্শ দিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রতি ধৈর্য ধরার আহ্বানও জানান তিনি।
রাতারাতি দ্বিগুণ লাভ করার প্রবণতাকে অর্থমন্ত্রী উম্মাদনা হিসাবে অভিহিত করেন।
ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য মার্জিন লোনের সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেওয়া, নতুন বিও অ্যাকাউন্টধারীদের এক মাসের পরিবর্তে ১৫ দিনের মধ্যে ঋণ সুবিধা প্রদান, গ্রামীণ ফোনের লেনদেনের ক্ষেত্রে নেটিং সুবিধা চালু করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ইউনিপে টু ইউ শেয়ার বাজারে বসে অল্প সময়ে অর্থ দ্বিগুণ করে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বিনিয়োগকারীদের টাকা তাদের কাছে নিয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জে বসে তারা এ কাজ করছে বলে প্রমাণ আছে। আমরা তাদেরকে ধরব।’
উল্লেখ্য, ইউনিপেটু ইউ নামের এ বিদেশি এমএলএম কোম্পানি একটি নির্দিষ্ট সময়ে বিনিয়োগ করা অর্থ দ্বিগুণ করে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে।
তারা বিনিয়োগকারীদের বলছে, এ অর্থ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হচ্ছে। ইউনিপেটু ইউ’র প্রতারণা নিয়ে বাংলানিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেশ কিছু প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে।
আব্দুল মুহিত বলেন, অনেকে বাজার থেকে অর্থ তুলে বসে আছেন। তারা মনে করছে শেয়ার বাজার পড়ে গেলে সস্তায় শেয়ার কিনে লাভবান হবেন। কিন্তু এ ধরনের চিন্তা ঠিক নয় এবং তা হতে দেওয়া যাবে না।
কারা এ ধরনের কাজ করছে তা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী তা জানাননি।
মুহিত বলেন, ১০ টাকা বিনিয়োগ করে রাতারাতি দ্বিগুণ লাভ করার চিন্তা উম্মাদনা ছাড়া আর কিছুই নয়। মার্কেট পড়তে থাকলে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেন। কিন্তু যখন পাঁচশ টাকা বাড়ে তখন বিক্ষোভ করেন না।
তিনি বিনিয়োগকারীদের মনে সাহস রাখার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘ধৈর্য ধরেন, সাহস রাখেন ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।’
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:19 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১১ ১১:৩০:৪৬ AM
পুঁজিবাজারে সর্বোচ্চ ধস: লেনদেন বন্ধ, মতিঝিল রণক্ষেত্র
ঢাকা, ১০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনের মুখে মতিঝিল জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষোভে পুলিশ বাধা দিলে পুরো মতিঝিল এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশের সাথে বিনিয়োগকারীদের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল। এর আগে সকালে ব্যাপক দরপতনে শেয়ার লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়। দিনের লেনদেন শুরু হওয়ার ৫০ মিনিটের মাথায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি লেনদেন বন্ধের এ ঘোষণা দেয়। সকালে পতন দিয়ে শুরু হয় লেনদেন। লেনদেন বন্ধের আগ পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৬৬০ পয়েন্ট পড়ে যায়। এটি পুঁজিবাজারে ইতিহাসের দরপতনের নতুন রেকর্ড। রোববার শেয়ার বাজারে সূচক পড়ে যায় ৬০০ পয়েন্ট। সোমবার লেনদেন বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত দাম বেড়েছে মাত্র ৪টি কোম্পানির। কমেছে ২১৯টি কোম্পানির। চলতি বছর শুরু থেকে টানা দরপতনের মধ্যে রয়েছে পুঁজিবাজার।
শেয়ার বাজার ধসের প্রতিবাদে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দিলে তাদের প্রতিও ইট-পাটকেল ছোড়ে তারা। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে বেধড়ক লাঠিপেটা করে। এতে শীর্ষ নিউজ ডটকমের এইচএম মর্তুজাসহ ৪ সাংবাদিক আহত হয়েছেন। পুলিশ ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো মতিঝিল জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ ঠেকাতে সকাল থেকে ডিএসই ও এর আশপাশের এলাকায় বিপুল র্যাব-পুলিশ অবস্থান নেয়। ইত্তেফাক মোড় থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনি গড়ে তোলা হয়।
এদিকে শেয়ারের দরপতনে চট্টগ্রামেও বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা। দুপুরের দিকে সিএসই ভবনের সামনে অবস্থান নেয় হাজার হাজার বিনিয়োগকারী। এতে সড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিপুল র্যাব-পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ এমএইচ/ ১২.৫০ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|