| 01/10/2011 2:04 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | জনকণ্ঠ
মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০১১, ২৮ পৌষ ১৪১৭
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কেনার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
খায়রুল হোসেন রাজু ॥ পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে ব্যাংকগুলোকে জোরালো উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই অংশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে অধিক হারে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকেও শেয়ার বিক্রি না করে অধিক হারে বিনিয়োগে পরামর্শ দেয়া হয়।
পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রতি এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। জানা গেছে, বেশ কয়েক দিন ধরে পুঁজিবাজারে ধারাবাহিকভাবে সূচক হ্রাস পাওয়াসহ শেয়ারের ব্যাপক দরপতন হচ্ছে। আর এসময় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারে তারল্য সঙ্কট দেখিয়ে তাদের শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। কারণ পুঁজিবাজারের মোট লেনদেনের প্রায় ৮০ শতাংশই দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে। আর বাকি ২০ শতাংশ করছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বর্তমানে পুঁজিবাজারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার বিক্রি করে দেয়ায় বাজারে বড় ধরনের ধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের আতঙ্ক দেখা দিচ্ছে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা বাজার স্বাভাবিক করতে রাসত্মায় নেমে মিছিল মিটিং এবং অগ্নিকণ্ডের ঘটনাও ঘটিয়েছেন। বিষয়টি সংশিস্নষ্ট উর্ধতন কতর্ৃপৰ খতিয়ে দেখেই পুঁজিবাজার স্বাভাবিক রাখতে আজ (মঙ্গলবার) থেকে ব্যাংকগুলোকে অধিকহারে বিনিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোকে যতটা সম্ভব শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি বেসরকরী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকেও বাজার থেকে শেয়ার না বিক্রি করে বরং ক্রয় করতে বলা হয়।
এ বিষয়ে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর মোঃ নজরম্নল হুদা এবং জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, ব্যাংকগুলো যাতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে এ লৰ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যৌথভাবে তারা বলেন, বাজারে যথেষ্ট তারল্য রয়েছে। কিন্তু ব্যাংকগুলো তারল্য সঙ্কটের দোহাই দিয়ে শেয়ারে বিনিয়োগ করছে না। অথচ বাজারে তারল্যের কোন ঘাটতি নেই। এ চিত্র পরিহার করতে হবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 2:12 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে মহাধস : মতিঝিল রণক্ষেত্র : ৫০ মিনিটে সূচক পতন ৬৩৫ : ট্রেড বন্ধ : আজ চালু হবে
আমার দেশ
১১ জানুয়ারি ২০১১
কাওসার আলম
আবারও ভয়াবহ বিপর্যয়ে শেয়ারবাজার। ট্রেড শুরুর আধঘণ্টার মধ্যে গতকাল ৬ শতাধিক পয়েন্ট সূচক নেমে গিয়ে দরপতনের সব রেকর্ড অতিক্রম করে ডিএসসি। এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ৫০ মিনিটের মাথায় নজিরবিহীনভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেড বন্ধ করে দেয়। দেশের শেয়ারবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো লেনদেন স্থগিত করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীসহ সারাদেশে।
তবে আজ থেকে যথারীতি লেনদেন শুরু হবে বলে জানিয়েছে এসইসি। লেনদেন বন্ধ করে দেয়ার আগ পর্যন্ত দেশের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচকের পতন হয় ৬৩৫ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট। শতাংশ হিসাবে এ পতনের হার ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২৩৩টি কোম্পানির মধ্যে ৪টি ছাড়া সবক’টির দর কমে। গতকাল একদিনেই ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ২৩ হাজার কোটি টাকা। অপরদিকে চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে গতকাল সার্বিক মূল্য সূচকের পতন হয়েছে ১ হাজার ৩৬৯ পয়েন্ট। শতাংশ হিসাবে সূচক পতনের এ হার ৬ দশমিক ৭৭ ভাগ।
এদিকে দেশের শেয়ারবাজারের ইতিহাসে ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণে পুঁজি হারানো হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারী রাস্তায় বিক্ষোভ, সমাবেশ, মিছিল, ভাংচুর করেছে। রাজধানীর দৈনিক বাংলা মোড় থেকে ইত্তেফাকের মোড় পর্যন্ত এলাকা ছিল বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের দখলে। বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পুরো মতিঝিল এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশ বিনিয়োগকারীদের ওপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে। পুলিশের লাঠিপেটা থেকে রেহাই পাননি সাংবাদিকরা। পুলিশের লাঠিপেটার শিকার হয়েছেন এবিসি রেডিওর সীমা ভৌমিক, আমাদের অর্থনীতির মাসুদ আহমেদ, শীর্ষ নিউজের মর্তুজা ও প্রথম আলোর ওয়ারিশ। এছাড়া পুলিশ বেশ কয়েকজন বিনিয়োগকারীকেও আটক করে করে। বিনিয়োগকারীরা ডিএসই ভবন ও এসইসি কার্যালয়ের সামনে আগুন জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে রাখে। বিনিয়োগকারীরা এসইসি কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে তারা ভবনের নিচতলায় ভাংচুর চালায়। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের খণ্ড খণ্ড মিছিলে উত্তপ্ত ছিল রাজপথ। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ভাংচুর করেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
অপরদিকে বাজারের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে মার্জিন লোন সুবিধা বৃদ্ধি, ঋণ অযোগ্য কোম্পানির জন্য আর্থিক সমন্বয় সুবিধা চালু, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। অপরদিকে পুঁজিবাজারের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক এক খাত থেকে অন্যখাতে ঋণ সমন্বয়ের সময়সীমা বাড়িয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের ফলে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি।
গতকাল বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার বলেন, অস্বাভাবিক দরপতনের প্রেক্ষিতে শেয়ারবাজারে লেনদেন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। মাত্র আধঘণ্টায় সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে যাওয়ার পর বিনিয়োগকারীদের স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রথম হলেও পৃথিবীর অনেক দেশেই লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নজির রয়েছে। পুঁজিবাজারে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এসইসির পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, লেনদেন বন্ধ রাখার পর বাজারে চলমান সঙ্কট দূর করতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামীকাল (আজ) সকাল থেকে স্টক এক্সচেঞ্জে স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে স্বাভাবিকতা ফিরবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য তারল্য সঙ্কটকে দায়ী করেন। মুদ্রানীতির জন্য তারল্য সঙ্কট তৈরি হয়েছে বলে বলে মন্তব্য করেন এসইসি চেয়ারম্যান।
শেয়ারবাজারে ক্রমাগত দরপতনের কারণে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এসইসি চেয়ারম্যান, ডিএসই প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান এবং পদত্যাগ দাবি করেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও নানা স্লোগান দেন। এসইসি ভবনের সামনের রাস্তায় বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের ‘প্রধানমন্ত্রীর ... জুতা মারো তালে তালে’ স্লোগান দেন। শেয়ারবাজারের দরপতনের জন্য তারা অর্থমন্ত্রীর ভূমিকার সমালোচনা করেন এবং তার পদত্যাগ দাবি করেন। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের কারণে শেয়ারবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটছে বলে বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেন। বিনিয়োগকারীরা বলেন, ব্যাংকগুলো যখন শেয়ারবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করেছিল তখন বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এখন হঠাত্ করেই যেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘুম ভেঙেছে। তারা ব্যাংকগুলোর সিআরআর এবং এসএলআরের পরিমাণ বাড়িয়েছে। আবার ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগ প্রত্যাহার করতে বলেছে। কিন্তু শুরুতেই ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত বিনিয়োগ করে শেয়ারবাজারে তারল্যের জোয়ার বইয়ে দিয়েছিল, এখন তাদের বাধ্য করা হয়েছে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করতে। এর ফলে বিনিয়োগকারীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটছে। লাখ লাখ বিনিয়োগকারী তাদের পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। এর দায় নিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরকে। তারা বলেন, ব্যাংকগুলো তার আমানতের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। কিন্তু যখন এ নিয়ম করা হয় তখন শেয়ারবাজারের সূচক ছিল মাত্র ২ হাজার পয়েন্ট। পুঁজিবাজারে পরিধিও ছিল খুব ছোট। তখনকার হিসাবে ১০ শতাংশ বিনিয়োগ বৈধ হলে এখন বাজার অনেক সম্প্রসারিত হয়েছে। ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর বাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগসীমা ১০ শতাংশ যথেষ্ট নয়। এ সীমা আরও বাড়ানো উচিত ছিল। অদূরদর্শী ভূমিকার জন্য বিনিয়োগকারীরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ দাবি করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে পুঁজিবাজারবিরোধী উল্লেখ করে বিনিয়োগকারীরা বলেন, গভর্নর শেয়ারবাজারকে ‘ফটকা কারবার’ বলে অভিহিত করে থাকেন। আমরা কোনো ফটকা কারবারি নই। যারা শেয়ারবাজারে কারসাজি করছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
এদিকে এসইসির ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের তীব্র সমালোচনা করে বিনিয়োগকারীরা বলেন, বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। এসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যেসব কোম্পানির মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত ৪০ এর বেশি সেসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ এবং সেসব কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে মার্জিন লোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু এসইসি নিজেই বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৬৫ থেকে ৭০ পিই অনুপাতে কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজার থেকে টাকা তুলে নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। সম্প্রতি আইপিও আবেদন শেষ হওয়া মবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তারা বলেন, এ কোম্পানি ৬০ এর বেশি পিই অনুপাতে শেয়ার থেকে টাকা উত্তোলন করার অনুমতি পেয়েছে কিভাবে? মাত্র ৩০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে ৫৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহে হোটেল ইউনিক অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। অতি মূল্যায়িত বাজার থেকে কোম্পানিগুলোকে ফায়দা লুটতে এসইসি সুযোগ করে দিয়েছে বলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেন। এজন্য তারা এসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করেন।
বাজার পরিস্থিতি : গতকাল শেয়ারবাজারে মাত্র ৫০ মিনিট লেনদেন হয়েছে। এরই মধ্যে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচকের পতন হয় ৬৩৫ দশমিক ৫৮ পয়েন্টের। শতাংশ হিসাবে এ পতনের হার ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ। এছাড়া ডিএসআই সূচকের ৩৮৭ পয়েন্ট এবং ডিএসই ২০ সূচকের ৫১৭ পয়েন্টের পতন হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২৩৩টি কোম্পানির মধ্যে ৪টি ছাড়া সবক’টির দর কমেছে। কোম্পানির দরপতনের কারণে গতকাল একদিনেই ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ২৩ হাজার কোটি টাকা। গতকাল লেনদেন হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা। অপরদিকে চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারের সার্বিক মূল্যসূচকের পতন হয়েছে ১ হাজার ৩৬৯ পয়েন্টের। শতাংশ হিসাবে সূচক পতনের এ হার ৬ দশমিক ৭৭ ভাগ। চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া ১৫৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১৪৭টির, বেড়েছে ৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২টির দাম। লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি টাকা।
কেন এ দরপতন : শেয়ারবাজারে ক্রমাগত দরপতনের জন্য বাজারের তারল্য সঙ্কটকেই দায়ী করা হচ্ছে। তারল্য সঙ্কটের কারণে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো গ্রাহকদের মার্জিন লোন সুবিধা দিতে পারছে না। অপরদিকে অব্যাহত দরপতনের কারণে শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় শেয়ার বিক্রি করতে না পেরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদেরও শেয়ার কেনার ক্ষমতা কমে যায়। দরপতনের কারণে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করলেও ক্রেতা না থাকায় শেয়ারের দরপতন ঘটে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও এ ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীর মতো আচরণ করায় পরিস্থিতি আরও সঙ্কটময় হয়ে ওঠে। এদিকে কারসাজি করে শেয়ারের দরপতন ঘটানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
লেনদেনের সেটেলমেন্ট হবে : শেয়ারবাজারে গতকাল ৫০ মিনিট লেনদেন হওয়ায় লেনদেন বাতিল করা হবে বলে জোর গুঞ্জন ওঠে। তবে লেনদেনের সেটেলমেন্টট হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট ফখর উদ্দিন আলী আহমদ। তিনি বলেন, যে পরিমাণ লেনদেন হয়েছে তার সেটেলমেন্ট করা হবে। সেটেলমেন্ট করা না হলে আইনি জটিলতায় পড়তে হবে বলে জানান তিনি।
এসইসির সাবেক চেয়ারম্যানের বক্তব্য : এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, বাজারে যা ঘটছে তা দুভার্গজনক। বাজারে সংশোধন অনিবার্য ছিল। তবে এ সংশোধন খুব দ্রুত হয়েছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন। যাদের হাতে শেয়ার ছিল তারা অতি দ্রুত পতনের কারণে শেয়ার বিক্রি করতে পারেননি। তিনি বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে বলেন, যাদের হাতে ভালো শেয়ার রয়েছে তাদের উচিত ধৈর্য ধরা। এসইসির সিদ্ধান্তের ফলে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে কিনা—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব সিদ্ধান্তের ফলাফল কী হবে তা বলা মুশকিল। তিনি বাজারের স্থিতিশীলতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে না এলে তা কঠিন হবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 2:13 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে ধস পরিকল্পিত, লুট করা অর্থ কোথায় : বিএনপি
আমার দেশ
১১ জানুয়ারি ২০১১
স্টাফ রিপোর্টার
শেয়ারবাজারের ধসকে পরিকল্পিত বলে অভিযোগ করেছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। দলটির নেতারা বলেছেন, পরিকল্পিতভাবে দেশের পুঁজিবাজারে ধস নামিয়ে লাখ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর অর্থ লুট করা হয়েছে। শেয়ার লুটের এসব অর্থ ভারত, আমেরিকা ও লন্ডনে পাচার করা হয়েছে কিনা তাও সরকারের কাছে জানতে চেয়েছে দলটি। লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, বিনিয়োগকারীদের লুটকরা অর্থের সন্ধান না দিতে পারলে ব্যর্থতার দায়ে সরকারকেই পদত্যাগ করতে হবে।
গতকাল রাতে চেয়ারপার্সনের গুলশানের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা এসব দাবি করেন। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, সরকার শেয়ারবাজার বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু বন্ধ করে দেয়া কোনো সমাধান নয়। এটা সরকারের ব্যর্থতা। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী পথে বসানো হয়েছে। এজন্য সরকারই দায়ী।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের শেয়ারবাজার ১৯৯৬ সালেও লুট করা হয়েছিল। আবারও আজ লাখ লাখ দরিদ্র মানুষের সম্পদ লুট করা হয়েছে। শেয়ারবাজার লুট হয়ে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী কঠোর হতে বললেন। আমরা সরকারের কাছে জানতে চাই এসব লুট করা অর্থ দেশে আছে, নাকি আমেরিকা, লন্ডন ও ভারতে পাচার হয়ে গেছে?
তিনি বলেন, একটা গণতান্ত্রিক দেশ এভাবে চলতে পারে না। দেশের ইতিহাসে শেয়ারবাজারে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটেনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, গত দু’দিন দেশে যে ঘটনা ঘটছে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গতকাল সকালে মতিঝিলে যুবদলের একজন ওয়ার্ড সভাপতিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। রোববার ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট হয়েছে। সরকারি দলের এমপির বাসায় ডাকাতি হয়েছে। তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। মা ও ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। শুভ নামের একটি বাচ্চাকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ইমাম থেকে অন্ধ কেউ নিরাপদ নয়। তারপরও তারা বলছেন দেশের আইনশৃঙ্খলা ভালো। তিনি বলেন, সীমান্তে প্রতিদিন মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। সভ্য পৃথিবীতে একমাত্র ইসরাইল-ফিলিস্তিন ছাড়া এমন ঘটনা আর কোথাও ঘটে না। সরকার কখনও এর প্রতিবাদ করেছে বলে আমার জানা নেই। সরকার বিরোধী দলকে দমন করতে ব্যস্ত।
বিরোধী দলের নেতা বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করতে দেয়নি অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার তাদের অতীত ঐতিহ্য বাকস্বাধীনতা হরণ করছে। আমাদের কথা জনগণ শুনলে সরকার ভয় পায়। কারণ, তারা সত্যকে ধামাচাপা দিতে চায়। তিনি বলেন, আজ ১/১১। বিগত দিনে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আনা হয়েছিল। আমাদের আশঙ্কা হয় আবারও দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে দেশকে সেই পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কিনা।
সংবাদ সম্মেলনে প্রজেক্টরের মাধ্যমে ইউনি পে টু ইউ নামে একটি এমএলএম কোম্পানির ঘটনা প্রদর্শন করেন তারা। একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের ওই সংবাদটিতে দেখানো হয়, ওই কোম্পানি দেশের সাধারণ মানুষকে লাখ লাখ টাকার লোভ দেখিয়ে ৪শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ কোম্পানি যখন কাজ শুরু করে তখন ব্যবস্থা না নিয়ে সরকার এখন বলছে তারা ব্যবস্থা নেবে। এই কোম্পানির কয়েকজন পরিচালকের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বৈঠক করেছেন। এ বিষয়টি উল্লেখ করে বিএনপি নেতারা বলেন, এ চিত্রটিই প্রমাণ করে ওই কোম্পানির সঙ্গে করা জড়িত।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এম ওসমান ফারুক, বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 2:15 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আমার দেশ
১১ জানুয়ারি ২০১১
স্টাফ রিপোর্টার
বিনিয়োগকারীদের কুলখানির মিষ্টি খেতে চান অর্থমন্ত্রী
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
শেয়ারবাজারে দরপতনের ঘটনায় অর্থমন্ত্রীকে দায়ী করেছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বলেন, অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বহীন বক্তব্যের কারণে শেয়ারবাজারে আজও (গতকাল) দরপতন হয়েছে। শেয়ারবাজারে ভয়াবহ দরপতন হলেও তিনি পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করার পরিবর্তে তাদের সঙ্গে উপহাস করেছেন। তিনি বিনিয়োগকারীদের নিয়ে উপহাস করেছেন। তিনি বিনিয়োগকারীদের ‘মিষ্টি না খাওয়ানোর’ কথা বলছেন। ফারুক আহমেদ নামে এক বিক্ষুব্ধ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তিনি (অর্থমন্ত্রী) মিষ্টি খেতে চেয়েছিলেন। আমরা অর্থমন্ত্রীকে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর কুলখানির মিষ্টি খাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রসঙ্গত, রোববার একদিনেই ডিএসই সাধারণ সূচকে ৬০০ পয়েন্টের পতন হলে ওইদিন সন্ধ্যায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন অর্থমন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, শেয়ারের দাম ৫ টাকা কমে গেলে রাস্তায় নেমে এসে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করে; কিন্তু শেয়ারের দাম ৫০০ টাকা বাড়লে তো মিষ্টি খাওয়ান না।’
অর্থমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্যকে বিনিয়োগকারীরা দায়িত্বজ্ঞানহীন উল্লেখ করে বলেন, পুঁজিবাজারের এমন ভয়ানক পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রীর উচিত ছিল পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়া। বাজারে ভয়াবহ দরপতন হওয়ার পেছনে যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করার ঘোষণা দেয়া; কিন্তু তিনি এসব কিছুই বলেননি। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের কারণে বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়েছেন। তার বক্তব্যের কারণেই শেয়ারবাজারে আরও দরপতন হয়েছে। শেয়ারবাজারের ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর সঙ্গে তাদের পরিবারের ভাগ্য জড়িত। তিনি এ বিষয়টি উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রীকে দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং অযোগ্য বলে মন্তব্য করেন।
আমরা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে এসেছি। কর্মসংস্থান না থাকার কারণে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে আসতে বাধ্য হয়েছি উল্লেখ করে সারোয়ার আহমেদ নামে এক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বলেন, আমার লেখাপড়া শেষ করে চাকরি না পেয়ে শেয়ারবাজারে এসেছি। কিন্তু এখন আমরা পুঁজি হারিয়েছি। এর দায় নিয়ে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। আমরা তার পদত্যাগ দাবি করছি।
বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কড়া সমালোচনা করে বলেন, সরকারি শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বারবার ঘোষণা দিয়েও তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। সরকারি শেয়ার ছাড়া হলে শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক দর সংশোধন হতো। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতেন না। তিনি গত বছরের জুনের মধ্যে সরকারের ২৬টি কোম্পানির শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন; কিন্তু একটি কোম্পানিরও শেয়ার ছাড়া হয়নি। এরপর অর্থমন্ত্রী ৩১ অক্টোবর আবার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তালিকাভুক্ত ৮টি কোম্পানির আরও শেয়ার ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে ছাড়া হবে এবং ডিসেম্বরের ৩১ তারিখের মধ্যে আরও ২৪টি কোম্পানির শেয়ার ছাড়া হবে। অর্থমন্ত্রীর ওই ঘোষণার পর তালিকাভুক্ত সরকারি ৮টি কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যায়। কিন্তু ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি ওইসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়া হয়নি। এ জন্য বিনিয়োগকারীরা আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন তাই এর দায় অর্থমন্ত্রীকে নিতে হবে। বিনিয়োগকারীরা আরও বলেন, অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতির কারণে বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অভিহিত মূল্য পরিবর্তন হলে কোম্পানির আয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পরিবর্তন না হলেও কারসাজি করে কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ানো হয়েছে। শেয়ারবাজার অতিমূল্যায়িত হওয়ার পেছনে এটি একটি বড় কারণ বলে অভিযোগ করে বিনিয়োগকারীরা বলেন, এসব দায় অর্থমন্ত্রী এড়াতে পারেন না। তাই অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে গতকাল সারাদিনই বিনিয়োগকারীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল করেছে। এসব মিছিলে অর্থমন্ত্রী ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এসইসির চেয়ারম্যান ও ডিএসইর প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবি করা হয়।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 7:31 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বিক্রেতা না থাকায় ৯৫ শতাংশ কোম্পানির লেনদেনে অচলাবস্থা
ঢাকা, ১১ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নজিরবিহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ সূচক বেড়েছে ১০১৪ পয়েন্ট। যা দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ সূচক বৃদ্ধি। এদিকে শেয়ার ক্রয়ের চাহিদা থাকলেও ৯৭ শতাংশ শেয়ারে কোনো বিক্রেতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। শেয়ারের সর্বোচ্চ সীমা (সার্কিট ব্রেকার) স্পর্শ করায় ৯৫ শতাংশ শেয়ারের লেনদেন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় স্থগিত হয়ে যায়।
আগামীকাল বুধবার আবার যথারীতি এসব শেয়ারের লেনদেন চালু হবে। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত লেনদেন হওয়া ২৪৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ২৪২টির এবং কমেছে মাত্র ৪টির।
এদিকে শেয়ার কেনায় বিনিয়োগকারীদের প্রচণ্ড আগ্রহের সমালোচনা করেছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। তাদের অভিমত, গত কয়েকদিন শেয়ারের দর ব্যাপক হারে কমলেও বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনা থেকে বিরত থেকেছে। অথচ বাজারের ধারাবাহিক ধস ঠেকাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক গৃহীত কয়েকটি পদক্ষেপের কারণে মঙ্গলবার পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়ানোয় বিনিয়োগকারীরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন শেয়ার ক্রয়ে। মূল্য সংশোধনের সময় একযোগে সব বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি, আবার দরবৃদ্ধির সময়ও একসাথে শেয়ার কেনার প্রতিযোগিতার কারণে বাজারে একদিনেই ভয়াবহ ধস নামে আবার একদিনের ব্যবধানে নজিরবিহীন ঊর্ধ্বগতি হয়। যা বাজারের জন্য উদ্বেগের বিষয়।
এ প্রসঙ্গে ডিএসই'র প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, পুঁজিবাজারে বিশেষ করে সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ করতে হলে বিনিয়োগকারীদের নুন্যতম ধারণা থাকা আবশ্যক। কিন্তু আমাদের বিনিয়োগকারীরা যথাযথ ধারণা না নিয়েই পুঁজিবাজারে ব্যবসা করছেন। এর ফলে তাদের বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া হুজুগের কারণেও পুঁজিবাজারের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। বাজার ধসের সময় আতঙ্কিত হয়ে একসাথে সব বিনিয়োগকারীর শেয়ার বিক্রি এবং ঊর্ধ্বগতির সময় একসাথে সবার শেয়ার কেনার প্রবণতা পুঁজিবাজারের জন্য ঠিক নয়। বাজার ধসের এক দিনের মধ্যেই নজিরবিহীন ঊর্ধ্বগতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে মূল্য সংশোধনের সময় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ক্রয় করেননি। অথচ মূল্য সংশোধনের সময় দর কমে যাওয়ায় শেয়ার ক্রয়ের উপযুক্ত সময় ছিল। অথচ ঊর্ধ্বগতির কারণে আজ সবাই একসাথে শেয়ার ক্রয়ে ঝুঁকে পড়েছেন। অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি হলে আবার সেভাবেই পতন হবে। সম্প্রতি সে ধরনের কিছু নজির দেখা গেছে। শাকিল রিজভী বলেন, দুঃখজনক হচ্ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর সাথে সাথে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও একই ধরনের আচরণ করছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ ১৫.১০ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 7:32 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | নতুন ঋণের হার না মানায় বিক্ষোভ, দুই মার্চেন্ট ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
ঢাকা, ১১ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন মার্জিন ঋণ কার্যকর না করায় বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভের মুখে লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে দুটি মার্চেন্ট ব্যাংকের। মার্চেন্ট ব্যাংক দুটি হচ্ছে- আইডিএলসি সিকিউরিটিজ এবং আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউজ। এছাড়া নতুন হারে ঋণ না দেয়ায় বিক্ষোভ হয়েছে আইসিবি, প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট, উত্তরা ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট, ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউজসহ আরও কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজে।
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন শুরুর আগেই গ্রাহকরা এসইসির নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী ঋণ দিতে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু তারল্য সঙ্কটের দোহাই দিয়ে ১:২ হারে ঋণ প্রদানে অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠানগুলো। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে আইডিএলসি সিকিউরিটিজ এবং আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন দুপুর ১২টায় বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া আইসিবি সিকিউরিটিজ ও ক্যাপিটাল ডিভিশনে এসইসির নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী ঋণ না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির সিইও আবদুর রউফকে ঘেরাও করে রাখে বিনিয়োগকারীরা।
জানা গেছে, এসইসি'র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠানই নির্ধারিত সীমায় ঋণ প্রদান করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তারা ১:২ হারে ঋণ প্রদানের পরিবর্তে সর্বোচ্চ ১:০.৭৫ হারে ঋণ প্রদান করছে। কিন্তু এ পরিমাণে ঋণে বিনিয়োগকারীরা মানতে চাইছে না। এ বিষয়ে আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একরামুল হক সাংবাদিকদের জানান, তারল্য সঙ্কটের কারণে আমরা ১:২ হারে ঋণ দিতে পারছিনা। তিনি বলেন, ৩ মাস পূর্বে আমরা এসইসির নির্ধারিত সীমায় গ্রাহকদের ঋণ দিয়েছি। সে সময় পুঁজিবাজারে আমাদের ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ ছিল। কিন্তু গত ১৪ নভেম্বর যখন মার্জিন ঋণ কমিয়ে ১:০.৫ করা হলো তখন ঋণ সমন্বয়ের কারণে বাজার থেকে আমাদের ৪১৯ কোটি টাকার ঋণ ফেরত নিতে হয়েছে। পরবর্তীতে আমরা সে টাকা বিভিন্ন মেয়াদে অন্যখাতে বিনিয়োগ করেছি। তিনি আরো বলেন, তারল্য সঙ্কট মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে রেপোর মাধ্যমে যে অর্থ যোগান দেয়া হচ্ছে ইসলামী ব্যাংক হওয়ায় আল আরাফা সে অর্থ নিতে পারছে না। তাই আপাতত এ ব্যাংকের তারল্য সমস্যা মেটার সম্ভাবনা নেই। তবে ফেব্রুয়ারি নাগাদ এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ প্রদান করতে পারব।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমএইচ/১৩.৫৫ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 7:33 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ধস ঠেকাতে ২শ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঢাকা, ১১ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
শেয়ারবাজারের ধস ঠেকাতে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) ২শ কোটি টাকা লোন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এ লোন দেয়া হয়। এছাড়া ট্রেজারি বন্ডের ২শ কোটি টাকা নিলাম হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে। ফলে ওই ২শ কোটি টাকা বাজারে রয়ে গেছে।
একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর নগদ টাকার সহায়তা পূরণ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ ৪ হাজার ৬শ ৭ কোটি টাকা তারল্য সহায়তা এবং ২ হাজার ৮শ ৮৫ কোটি টাকা রেপো সুবিধা প্রদান করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এভাবে বাজার বেশিদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। বাজার ধরে রাখার দায়িত্ব সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনকেই (এসইসি) নিতে হবে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাজারে যথেষ্ট নগদ টাকা সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
তবে এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহি পরিচালক এস কে সুর চৌধুরী বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ। তারল্য ঘাটতির প্রভাব যেন পুঁজিবাজারে না পড়ে সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে যথেষ্ট নগদ টাকার সহায়তা দেয়া হচ্ছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এসএইচ/এসএস/এসসি/১৬.০৪ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 7:34 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পূঁজিবাজারে নজিরবিহীন ঊর্ধ্বগতি: সূচক বৃদ্ধিতে রেকর্ড
ঢাকা, ১১ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
সর্বোচ্চ পতনের পর মঙ্গলবার সূচকের রেকর্ড বৃদ্ধি দিয়ে শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। বেড়েছে ২৪৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। কমেছে ৫টির। একদিনে সাধারণ সূচক বেড়েছে ১০১২ পয়েন্ট। গত বছরের ১৬ নভেম্বর সাধারণ সূচক ৭৬৪ পয়েন্ট বেড়ে রেকর্ড গড়ে। লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক, গ্রামীণফোণ, বেক্সটেক্স এবং তিতাস গ্যাস লিমিটেড।
ঊর্ধ্বমুখী এ প্রবণতায় লেনদেনের প্রথম ঘণ্টাতেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করায় সেগুলোর লেনদেন স্থগিত হয়ে যায়। আগামীকাল বুধবার এসব কোম্পানির শেয়ার আবারও লেনদেন শুরু হবে। দিনের শুরুতেই ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে। ক্রেতাদের চাহিদায় বাড়তে থাকে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার দাম। এক পর্যায়ে শেয়ার বিক্রেতা না থাকায় শেয়ার কিনতে পারেন নি অনেক বিনিয়োগকারী। এদিকে ঋণ মার্জিন নিয়ে এসইসির সিদ্ধান্ত কার্যকর না হওয়ায় বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ করে বিনিয়োগকারীরা।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমএইচ/১৫.৫০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 7:35 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | নিয়ন্ত্রক সংস্থার অদূরদর্শিতায় বাজার ধস হয়েছে: ৩ বিশেষজ্ঞ
ঢাকা, ১০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
পুঁজিবাজারে বড় ধরনের কয়েকটি ধসের কারণে সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। ভয়াবহ দরপতনের কারনে মাত্র এক মাসের মধ্যে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজির একটি বিশাল অংশ হারিয়েছেন। অপরদিকে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বড় বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজার থেকে বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। এদিকে বাজারের ভয়াবহ ধসের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, সূচকের ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি আরও আগেই নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়া উচিত ছিল। এছাড়া পুঁজিবাজারে অবৈধ বিনিয়োগ চিহ্নিত করলেও সঠিক সময়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণ না করে ডিসেম্বর মাসে পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনের সময় নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো কঠোর নীতিমালা প্রয়োগ করায় বাজারে ধস নেমেছে। এতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অদূরদর্শিতার পরিচয় বহন করে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
পুঁজিবাজারে ভয়াবহ ধস প্রসঙ্গে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, অতিরিক্ত এবং অযৌক্তিকভাবে শেয়ারের সূচক উঠেছে। এটা আরও আগেই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত ছিল কিন্তু সেটা কর্তৃপক্ষ করেনি। হুজুগে বিনিয়োগ করেছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু বড় বিনিয়োগকারীরা এই অবস্থার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত থাকে। এজন্য তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়না, কিন্তু ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে সামপ্রতিক দরপতনে আস্থার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। এজন্য সার্বিক অর্থনীতিতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তিনি বাঘের পিঠে সওয়ার হওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, পুঁজিবাজারকে কোনোভাবেই অতিরিক্ত উঠতে দেয়া যাবে না। তাহলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, আমাদের বিনিয়োগের পরিবেশই মূল সমস্যা। কর্তৃপক্ষ সঠিক দিক-নির্দেশনা দিতে পারে না। ফলে বিনিয়োগকারীরা অনুৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ করে। তার পরিণতি হচ্ছে এরকম ধস। আমাদের পলিসি ঠিক আছে কিনা, ব্যাংকগুলোর মার্কেটে আসা ঠিক হয়েছে কিনা এগুলো কর্তৃপক্ষকে আবারও ভাবতে হবে।
এসইসি'র সাবেক সভাপতি ফারুখ আহমদ সিদ্দিকী বলেন, স্টক এঙ্চেঞ্জকে নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই দুরূহ কাজ। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ একটা নিয়ম মেনে চলে। তাই এক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগ করে কোনো লাভ হয় না। আর পুঁজিবাজারে চাপ প্রয়োগ করলেই যে স্থিতিশীলতা আসবে তা বলা যায় না। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একধরনের লোভ কাজ করে। ফলে তারা দ্রুত মার্কেটে প্রবেশ করে এবং ধস নামলে কিছু না বুঝেই বাজার থেকে বেরিয়ে যায়। তাই ব্যাপারটা শুধু অর্থনৈতিক না, এটা মনস্তাত্তি্বকও।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এআইকে/১৯.৩০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 7:38 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সর্বোচ্চ পতনের পর ব্যাপক চাঙা পুঁজিবাজার
Tue, Jan 11th, 2011 3:32 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ১১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
- সর্বোচ্চ পতনের পরদিনই সূচকে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি দেখেছে ঢাকার পুঁজিবাজার, বেড়েছে প্রায় সব শেয়ারের দাম। তবে মার্জিন লোনের নতুন হার না মানায় বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসে বিক্ষোভ হয়েছে।
মঙ্গলবার দিনের লেনদেন শুরুর প্রথম আধা ঘণ্টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৮৭০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ৩টায় লেনদেন শেষে সূচক ৭৫১২ দশমিক ০৯ এ দাঁড়িয়েছে, যা দিনের শুরুর চেয়ে ১০১২ পয়েন্ট বা ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি।
এর আগে গত বছরের ১৬ নভেম্বর সাধারণ সূচক ৭৬৪ পয়েন্ট বেড়ে রেকর্ড গড়েছিলো।
সারাদিনে ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৪৩টির দামই বেড়েছে, কমেছে ৫টির। লেনদেনের পরিমাণ ছিলো ৯৭৭ কোটি টাকার বেশি।
লেনদেনের শীর্ষে ছিলো বেক্সিমকো, ন্যাশনাল ব্যাংক, গ্রামীণফোন, বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাসের শেয়ার।
দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি আটকে যায়। এ কারণে ১৯৫টি শেয়ারের চাহিদা থাকলেও বিক্রেতা ছিলো না।
এদিকে মার্জিন লোনের অনুপাত ১:২ মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও তা ব্রোকারেজ হাউসগুলো মানছে করছে না বলে অভিযোগ করেছে বিনিয়োগকারীরা। এ জন্য মতিঝিলে আল আরাফা, মার্কেন্টাইল, পূবালি এবং প্রাইম ব্যাংকের ব্যাংকের মার্চেন্ট ব্যাংকিং শাখাসহ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউসে বিক্ষোভ হয়েছে।
তবে ব্যাংকগুলো বলছে, ঋণের জন্য তাদের নির্ধারিত অর্থের ওপর চাপ থাকায় তাদের পক্ষে এখনি সরকারের নির্দেশনা মানা এ মুহূর্তে সম্ভবপর নয়।
দুপুরের দিকে পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ' ডিএসইর সামনে একটি লিফলেট বিলি করে। তারা বাজার স্থিতিশীল করতে সরারকে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। বাজার ২৪ ঘণ্টায় ব্যাপক পতন-উত্থানকে অস্বাভাবিক বর্ণনা করে এর তদন্তের দাবিও করেছে তারা।
তারা অভিযোগ করেছে, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো মার্জিন লোনের হারের বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা মানছে না।
এ বিষয়ে মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মুর্তজা আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বেশিরভাগ ব্যাংক এখন তাদের এক্সপোজার লিমিট দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। ফলে এ মুহূর্তে মার্জিন লোনের ১:২ হার অনুসরণ করা তাদের পক্ষে সম্ভবপর নয়।"
ব্যাংকগুলো ১:০.৭৫ হারে ঋণ দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি।
আল আরাফা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একরামুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুসারে মার্জিন লোন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে তাদের দেড় মাস সময় লাগতে পারে।
সকালে ১:০.৬ হারে মার্জিন লোন দিতে চাইলে আল আরাফা ব্যাংকের মার্চেন্ট শাখায় বিক্ষোভ হয় এবং কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তবে পরে ১:০.৮ হারে ঋণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান একরামুল।
এর আগে গত দুই দিনে ডিএসইতে সাধারণ সূচক পতনের রেকর্ড হয়। রোববার ৬০০ পয়েন্ট কমার পরদিন সে রেকর্ডও ভেঙে যায়।
গত বছরের শেষ থেকেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। গত ১৯ ডিসেম্বর ডিএসই সাধারণ সূচক একদিনে ৫৫১ পয়েন্ট কমে যায়। গত ১২ ডিসেম্বর কমে ২৮৫ পয়েন্ট। গত ৬ নভেম্বর মূল্যসূচক কমে ২৩৩ পয়েন্ট। বছরের শুরুতেও দরপতনের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে।
পুঁজিবাজারে দরপতনে বিক্ষোভ, ভাংচুর ও সড়ক অবরোধও হয় গত কয়েকদিনে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এসআইএম/আরএইচএন/এমআই/১৫১৯ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 7:41 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ‘সূচক বাড়লো ১ হাজার ১২ পয়েন্ট’
ভয়াবহ দরপতনের পরদিনই পুঁজিবাজার চাঙ্গা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
‘সূচক বাড়লো ১ হাজার ১২ পয়েন্ট’ভয়াবহ দরপতনের পরদিনই পুঁজিবাজার চাঙ্গা
ঢাকা: ভয়াবহ দর পতনের পরদিন বিপরীত আচরণ লক্ষ করা গেছে দেশের দুই পুঁজিবাজারে। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) রের্কড পরিমাণ সূচক বেড়েছে। যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে অনেকটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।
মঙ্গলবার ডিএসইর সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১ হাজার ১২ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৫১২ পয়েন্টে উন্নীত হয়। এটি একদিনে ডিএসইতে সর্বোচ্চ সূচক বৃদ্ধি।
এর আগে ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর গ্রামীণফোনের লেনদেন চালুর প্রথম দিনে সাধারণ সূচক বেড়েছিল ৭৬৪ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট।
এদিন সূচক বৃদ্ধির পাশপাশি বাজার মূলধন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৩ লাখ ২৬ হাজার ১০৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। মাত্র একদিনে বাজার মূলধন বেড়েছে ৩৮ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা।
লেনদেন হওয়া ২৪৮টি কোম্পানির মধ্যে ২৪৩টি কোম্পানির শেযারের দাম বেড়েছে, কমেছে মাত্র ৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
অন্যদিকে সিএসইতেও এদিন লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। সে সঙ্গে বেড়েছে সব সূচক ও বাজার মূলধন। দিনশেষে লেনদেন হওয়া ১৯৪টি কোস্পানির মধ্যে ১৮৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে।
সিএসই সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২ হাজার ৬৮২ পয়েন্ট বেড়ে ২১ হাজার ৮৯৫ পয়েন্টে উন্নীত হয়।
মঙ্গলবার উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের বড় ধরনের ঊর্ধমুখী এবং লেনদেন হওয়া প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লেও সে তুলনায় আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ছিল খ্বুই কম।
এদিন লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম সার্কিট ব্রেকার এর কাছাকাছি চলে এলেও বেশির ভাগ বিনিয়োগ শেয়ার বিক্রি করেনি। ফলে বেশির ভাগ সময় ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা ছিল না বললেই চলে। আর এই কারণেই লেনদেন কম হয়েছে।
এ ব্যাপারে জাফর, সাজ্জাদ ও সুমন নামের কয়েকজন বিনিয়োগকারী বাংলানিউজকে বলেন, বাজারে বড় ধরনের দরপতনের পর অধিকাংশ শেয়ারের দাম বাড়লেও এখনো বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানে রয়েছে। ফলে দাম বাড়লেও বিনিয়োগকারীদের লোকসানে থাকায় শেয়ার বিক্রি করেনি।
অন্যদিকে বর্ধিত হারে মার্জিন লোন না পাওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা নতুন করে শেয়ার কিনতে পারেনি। ফলে লেনদেন কম হয়েছে।
বাজারের লেনদেন কম ও সূচক বাড়া প্রসঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মূর্তজা আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা আসতে শুরু করেছে। তবে বাজারে সূচক ৫০০ থেকে ১০০০ পয়েন্ট বাড়া কিংবা কমা কোনটাই স্বাভাবিক নয়। তবে আমি আশা করি এভাবে শেযারবাজারে স্থিতিশীলতা আসবে।
মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয় মাত্র ৯৭৭ কোটি টাকা। এটি গত ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন। অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হয় মাত্র ১৭১ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ সময়: ১৭২০ঘণ্টা, জানুয়ারি ১১, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 9:25 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | গতকালের (১০-০১-২০১১) বাজার ধ্বসের পর বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
ইউটিউবে ভিডিও দেখুনঃ
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 9:36 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারি: মনসুর আলমকে নিষ্ক্রিয় রাখার সিদ্ধান্ত
ঢাকা, ১১ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সদস্য মনসুর আলমকে নিষ্ক্রিয় করে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসির ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের নির্দেশে মনসুর আলমকে নিষ্ক্রিয় করার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, চেক ও নেটিং বিষয়ে পূর্বে জারি করা দুটি নির্দেশনা প্রয়োগের বিষয়ে এসইসির সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলে গত ৮ ডিসেম্বর পুঁজিবাজারে এক ঘণ্টায় ভয়াবহ দরপতন ঘটে। কমিশনের সিদ্ধান্ত ছাড়া সদস্য মনসুর আলমের নির্দেশে গত ৬ ও ৭ ডিসেম্বর চেক নগদায়ন এবং নেটিং সুবিধা সংক্রান্ত দুটি নির্দেশনা জারি করা হয় বলে এসইসির একজন নির্বাহি পরিচালক অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৮ ডিসেম্বর এক ঘণ্টার ভয়াবহ দরপতন হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সেদিনই মনসুর আলমকে সার্ভেইল্যান্স, মনিটরিং ও প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিভাগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। একই সাথে চেক ও নেটিং বিষয়ে এসইসির জারি করা নির্দেশনা স্থগিত করা হয়। যদিও উক্ত দুটি নির্দেশনা আগে থেকেই জারি করা ছিল। তবে এসব সিদ্ধান্ত পালনে এসইসি বরাবরই ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ছাড় দিয়ে এসেছে।
এরপরও পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন অব্যাহত থাকায় এসইসি ইতিপূর্বে নেয়া বর্ধিত মেম্বারস মার্জিন, সম্পদ মূল্য বিবেচনায় মার্জিন ঋণ প্রদানসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাতিল করতে বাধ্য হয়। এছাড়া বাজার ধরে রাখতে মার্জিন ঋণের পরিমাণ বাড়ানো হয়। কিন্তু এসব পদক্ষেপ নেয়া হলেও বাজারের পতন ঠেকানো যায়নি। এদিকে এসইসির একজন নির্বাহি পরিচালক বাজার ধসের সময়ে বিনিয়োগকারীসহ সরকারের ঊর্ধ্বর্তন মহলের কাছে অভিযোগ করেন যে, পুঁজিবাজার ধসের জন্য মনসুর আলম দায়ী। তবে ওই সময়ে মনসুর আলমের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলো নেয়া হলেও পরবর্তীতে আরও বড় ধরনের কয়েকটি বাজার ধস হয়েছে। গত কয়েকদিনের বাজার ধসের ধারাবাহিকতায় সোমবার পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সরকারকে ত্বরিত লেনদেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সরকার পুঁজিবাজার নিয়ে এখন এক চরম বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কিন্তু এসব পদক্ষেপকে যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন সরকারের সংশ্লিষ্টরা। আর এ কারণেই এসইসির কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নতুন এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পলিসি নির্ধারণ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সব বিভাগ থেকে মনসুর আলমকে সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে সদস্য মনসুর আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে এ ধরনের কোনো কিছু হয়নি বলে শীর্ষ নিউজ ডটকমকে জানান তিনি।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এআরএম/ এনএম/ এসসি/১৮.৫৭ ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 9:43 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
ডিএসইতে সূচক বৃদ্ধির নতুন রেকর্ড
অনলাইন প্রতিবেদক |
প্রথম আলো
তারিখ: ১১-০১-২০১১
ডিএসইতে চাঙাভাবের কারণে এক ব্রোকারেজ হাউসে মিষ্টি বিতরণ।
ডিএসইর ইতিহাসে রেকর্ড দরপতনের একদিন পর আজ মঙ্গলবার আবার নতুন রেকর্ড হয়েছে। তবে রেকর্ডটি দরপতনের নয়। সূচক বৃদ্ধির। ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক এক দিনে সর্বোচ্চ বৃদ্ধির রেকর্ড সৃষ্টি করেছে আজ। তবে গতকালের চেয়ে লেনদেন বরাবরের চেয়ে কমেছে। আবার অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধির কারণে ১৯৫টি প্রতিষ্ঠান সার্কিট ব্রেকার বা দাম বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়।
বাজার বিশ্লেষকেরা বাজারের চাঙা ভাবকে অস্বাভাবিক হিসেবে মন্তব্য করছেন। তাঁরা বলছেন, হঠাত্ করে অতিরিক্ত দরপতন বা অতিরিক্ত চাঙাভাব বাজারের জন্য মোটেও শুভকর নয়। বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় ধীরে ধীরে এটা হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তাঁরা।
অন্যদিকে বিনিয়োগকারীরা বলছেন, বাজার অতিরিক্ত চাঙা হওয়ার কারণে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম সার্কিট ব্রেকারে পৌঁছানোর কারণে তাঁরা আর শেয়ার কিনতে পারেননি।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, ডিএসইতে আজ সাধারণ মূল্যসূচক ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ বা ১০১২.৬৫ পয়েন্ট বেড়ে ৭৫১২.০৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এর আগে ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর ডিএসইতে সর্বোচ্চ ৭৬৪ পয়েন্ট বাড়ে। এই হিসেবে আজকের সূচকের বৃদ্ধি ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আজ লেনদেনের শুরুতে সাধারণ সূচক ৭০০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। সারা দিনই সূচকে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকে।
এদিকে ডিএসইতে আজ মোট ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টির এবং কমেছে মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। আজ ডিএসইতে মোট ৯৭৭ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।
গতকাল সোমবার ডিএসইতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতনের ঘটনা ঘটে। কয়েক হাজার বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষুব্ধ ও সহিংস প্রতিবাদ শুরু করে। এর ফলে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বন্ধ করে দেওয়া হয় দেশের প্রধান পুঁজিবাজারের লেনদেন। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে।
গতকাল বিকেলেই এসইসি, ডিএসই, সিএসই ও মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে মিলিত হয়ে আগে নেওয়া বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নতুন করে সমন্বয় করা হয়।
এদিকে বাজার অতিরিক্ত চাঙা হওয়ায় ডিএসইতে আজ ১৯৫টি প্রতিষ্ঠান দাম বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা ছিল না বলে জানা গেছে।
ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো বেক্সিমকো, এনবিএল, গ্রামীণফোন, বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাস, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক।
অন্যদিকে দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো এআইবিএল প্রথম ইসলামী মিউচুয়াল ফান্ড, অগ্নি সিস্টেম, ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ব্যাংক, ফু-ওয়াং ফুড, এনবিএল, প্রাইম ব্যাংক, শাইনপুকুর সিরামিক, উত্তরা ব্যাংক, বিডি ফাইন্যান্স ও ইউসিবিএল।
আজ ডিএসইর বাজার মূলধন তিন লাখ ২৬ হাজার ১০৮ কোটি টাকা।
এদিকে আজ বাজার চাঙাভাব হওয়ায় এক ব্রোকারেজ হাউসে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ প্রকাশ করা হয় বলে জানা গেছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/11/2011 2:05 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Dhaka stocks see record rebound
Heavy institutional purchases, authorities’ interventions lead ‘abnormal’ revival
FE Report
12.01.2011
Dhaka stocks Tuesday rose more than 15 per cent - the highest one-day spike ever - rebounding a day after a record plunge sparked violent protests nationwide and prompted a flurry of market-boosters from the authorities
The benchmark Dhaka Stock Exchange general index (DGEN) gained 1,012.65 points, or 15.58 percent, to close at 7,512, but analysts warned the market could still face troubles as the bounce was led by government intervention.
The market slumped 7.76 per cent on Sunday while trading on Monday was suspended when the index dived a record 8.9 per cent within an hour, sending investors onto the streets in major cities and towns across the country.
"This is a government-led rebound driven by market-boosting measures from the Securities and Exchanges Commission (SEC) and the central bank," Mahmud Osman, professor of finance at Dhaka University, said.
"In the ultimate analysis it looks like an artificial spike - one that raises more questions than answers. And the vital question remains how much of these gains will be retained," he said.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) was sharply up by 829.24 points or 15.30 per cent to end at 6249.36, while the DSE 20 blue chip index rose by 656.51 points or 15.95 per cent to end at 4773.66.
Trading of 180 issues - or some 80 per cent of the shares -- hit the upper band of their respective circuit breakers, forcing automatic freeze on their transaction. And there were no sellers for most of the stocks.
On Monday riot police used tear gas to disperse investors protesting a record fall outside the stock exchange, where outraged crowd clashed with police and set alight tires and furniture and chanted slogans against the government and regulators.
The authorities - the SEC and the Bangladesh Bank -reacted with repealing or postponing some of their recent orders and easing margin loans facility for retail investors in a bid to boost liquidity and appease angry investors.
The SEC increased margin loan - the credit extended to investors to buy shares -- to 1:2 instead of the current 1: 1.5 and lifted restrictions on 14 companies being traded at the spot market.
The central bank also asked the commercial banks including the state-heavyweights Sonali, Janata and Agrani to buy shares so as to buttress the market against any new selling pressure.
And institutions were active right from the very first minute. Within five minutes the DGEN was up by 700 points, or 12 per cent, and it soared 1000 points in just about two hours time before flattening in late session.
"It looks like the central bank had a trade-off with the banks. The BB told the banks to buy heavily and in exchange it promised to turn a blind eye to diversion of their industrial credit to the stock market," said an analyst.
"I expected the market to rise today following panic sale in the last two days. While the past two days almost everybody became a seller. Today all have become buyers," said Monirul Kabir, a trader.
However, many small investors had to stay on the sideline as the market rose to a dizzying height. Some cash-rich investors wanted to buy stocks, but had to return empty-handed because of lack of sellers.
Retail investors demonstrated at different merchant banks and brokerage houses after the institutions failed to provide increased 1:2 margin loans in line with the SEC's directives.
Al Arafah Islami Bank and IDLC securities suspended trading for more than a hour due to the protests. The investors also demonstrated in front of Mercantile Bank.
"The institutional investors and many big investors bought shares Tuesday, which prodded some small investors to buy shares and pushed the market up," said Professor Abu Ahmed, who teaches Economics at Dhaka University.
But others warned that the rally does not portend well for the market's future. "It was unusual and abnormal behaviour. We did not expect it," said Akter H Sannamat, managing director of Prime Finance and Investment.
"The liquidity crisis is still persisting as many of merchant banks and brokerage houses could not implement the reset 1:2 margin loan and many lenders offices were attacked by investors," Mr. Sannamat said.
Turnover came down to 9.77 billion taka due to paucity of sellers. Gainers led strongly over the losers as out of 248 issues traded, 243 gained and only five declined.
Beximco Limited topped the turnover list with shares worth Tk 824.62 million changing hands. And AIBL First Mutual Fund was the highest gainer posting a rise of 77.66 per cent.
The day's only five losers were Jute spinning, Monno Jute Stafflers, Delta Life Insurance, First ICB and Chittagong Vegetable.
Meanwhile, most of the brokerages and merchant banks have said they could not meet the hunger for margin loans the investors sought to adjust their portfolio, following two days heavy losses days.
"Providing margin loan at the new ratio has become difficult as most institutions faced acute fund crisis. Although the BB fixed interest rate cap at 20 per cent in the call market, the money market remains volatile" said a top merchant banker.
"If you don't have money in your own pocket, how can you lend money to others?" he said.
Record spike worries SEC
Instead of celebrating the rebound, officials of the SEC expressed their concern over the reckless behavior of the stock market after the DGEN recorded a new one-day spike.
"We wanted to see the market behave normally. But we have never expected the DGEN will go up by 1012 points. It's too much beyond our expectation as it does bear positive sign," said an official.
In such a situation, the official has advised the retail investors to be prudent in their transaction. "We are worried that this sort of unusual hike could ultimately hurt investors," he said.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|