DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 8 / 40 1 - 2 - 3.. - 6 - 7 - 8 - 9 - 10.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
01/11/2011 2:08 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
একটানা বড় দরপতনের একদিন পরেই ॥ নজিরবিহীন উর্ধগতি
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ॥ সূচক বেড়েছে একদিনে রেকর্ড ১০১২.৬৫ পয়েন্ট ॥ ১৬৭ কাম্পানির দর সর্বোচ্চ সীমায় উঠে যায়


দৈনিক জনকন্ঠ
১২।০১।২০১১

রাজু আহমেদ ॥ একটানা বড় দরপতনের পর নজিরবিহীন উর্ধগতির মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন কার্যক্রম চালু হয়েছে। তালিকাভুক্ত প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের ব্যাপক দরবৃদ্ধির প্রভাবে মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১০১২.৬৫ পয়েন্ট বা ১৫.৫৮ পয়েন্ট বেড়ে গেছে_ যা দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে একদিনে সূচকের সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। বিপুলসংখ্যক ক্রয়াদেশের বিপরীতে বিক্রেতা না থাকায় দিনের লেনদেন শুরম্নর এক ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় ৯০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা বন্ধ হয়ে যায়। দরবৃদ্ধির মাত্রা এতই ব্যাপক ছিল যে লেনদেন হওয়া ২৪৬টি কোম্পানির মধ্যে ১৬৭টির দর দিনের সর্বোচ্চ সীমায় (সার্কিট ব্রেকার) উঠে যায়। প্রত্যাশার চেয়ে বেশিমাত্রায় দরবৃদ্ধির কারণে একদিন আগে ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কায় বিৰুব্ধ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে গত এক মাসে দফায় দফায় রেকর্ড দরপতনের পর একদিনে এত বড় উলস্নম্ফনকে পুঁজিবাজারের জন্য স্বাস্থ্যকর বলে মনে করছেন না বিশেস্নষকরা।
তাদের মতে, দরপতনের সময় যেমন হুজুগের বসে লোকসান দিয়ে শেয়ার বিক্রি করা ঠিক নয়, তেমনি উর্ধমুখী প্রবণতা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে শেয়ার কেনার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়াও স্বাভাবিক আচরণ নয়। কোম্পানির মৌলভিত্তি দেখে বুঝে-শুনে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা পরিণত আচরণ না করলে বাজারে আবারও যে কোন অঘটন ঘটতে পারে।
রেকর্ড দরপতনের কারণে একদিন বন্ধ রাখার পর পুনরায় লেনদেন চালুর দিনই পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সূচক বৃদ্ধির রেকর্ড হয়েছে। মঙ্গলবার দিনের লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ১০১২.৬৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫১২ পয়েন্টে। এর আগে ২০০৯ সালের ১৬ নবেম্বর ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক সর্বোচ্চ ৭৬৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছিল। ওই দিন মূলত পুঁজিবাজারে সবচেয়ে বড় মূলধনের কোম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ার লেনদেন শুরু হওয়ার প্রভাবেই সূচক এতটা বৃদ্ধি পেয়েছিল। আর মঙ্গলবার তালিকাভুক্ত অধিকাংশ শেয়ারের দর দিনের সর্বোচ্চ সীমা ছুঁয়ে যাওয়ায় সূচক এক লাফে ১৫.৫৮ শতাংশ বাড়ল।
গত সোমবার শেয়ারবাজারে দরপতনের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়। লাখ লাখ বিনিয়োগকারী পুঁজি হারানোর আশঙ্কায় রাস্তায় নেমে বিক্ষুব্ধ ও সহিংস প্রতিবাদ শুরম্ন করেন। এর ফলে দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধানত্ম নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ফলে মাত্র ৫০ মিনিট লেনদেনের পর ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনে লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর মূলধন রৰায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বেশ কিছু সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করে এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংক। বাজারে অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধি ও শেয়ার কেনার ৰেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ভূমিকা বাড়ানোর ৰেত্রে কার্যকর এ সব সিদ্ধানত্ম কার্যকর করার পর মঙ্গলবার দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে পুনরায় লেনদেন চালু করা হয়।
দিনের শুরম্নতেই তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। ফলে মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৭০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এক ঘণ্টার মধ্যেই সূচক বৃদ্ধির মাত্রা ১০০০ পয়েন্ট ছাড়িয়ে যায়। এ সময় অধিকাংশ শেয়ারের দর দিনের সর্বোচ্চ সীমায় পেঁৗছে যায়। শেয়ার কেনার জন্য সব ধরনের বিনিয়োগকারীর ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও অধিকাংশ শেয়ারেরই কোন বিক্রেতা ছিলেন না। দিনের শেষ পর্যনত্ম এ প্রবণতা অব্যাহত থাকায় আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ খুব বেশি বাড়তে পারেনি। সারাদিনে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া মোট ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৪৩টিরই শেয়ারের দর বেড়েছে। এর মধ্যে ১৬৭টির দর দিনের সর্বোচ্চ সীমা পর্যনত্ম বেড়েছে। এ কারণে এ সব শেয়ারের লেনদেন স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় বন্ধ হয়ে যায়। মূল্যসীমা বৃদ্ধির ফলে আজ বুধবার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এ সব শেয়ারের লেনদেন শুরম্ন হবে।
সারাদিনে ডিএসইতে মোট ১১ কোটি ১০ লাখ ১৯ হাজার ৫২১টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে। এ সব সিকিউরিটিজের মোট মূল্য ছিল ৯৭৭ কোটি ১৪ লাখ ১৭ হাজার টাকা।
গত এক মাসে ডিএসই সাধারণ সূচক ২৪১৯ পয়েন্ট কমার পর একদিনেই ১০০০ পয়েন্ট উত্থানকে বাজারের স্বাভাবিক আচরণ বলে মনে করছেন না বাজার বিশেস্নষকরা। তারা মনে করেন, গত কয়েক দিন শেয়ারের দর ব্যাপক হারে কমলেও বিনিয়োগকারীরা তখন কম দরে শেয়ার কেনায় আগ্রহী হননি। শেয়ারের দর বাড়তে শুরম্ন করায় তারাই এখন কেনার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। মূল্য সংশোধনের সময় একযোগে সব বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি, আবার দরবৃদ্ধির সময় একসঙ্গে শেয়ার কেনার প্রতিযোগিতা পুঁজিবাজারকে অস্থির করে তুলছে।
এ বিষয়ে সাবেক অর্থ উপদেষ্টা এবং এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হলে বিনিয়োগকারীদের অবশ্যই পরিণত আচরণ করতে হবে। শেয়ার কেনার ৰেত্রে কোম্পানির মৌলভিত্তি বিবেচনায় না নিলে তাদের বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে হবে। কোন কোম্পানির শেয়ারের দর ও আয়ের (পিই) অনুপাত ২০-২৫-এর বেশি হলে ওই শেয়ারে বিনিয়োগ করা ঠিক হবে না। পাশাপাশি কোম্পানিটি গত কয়েক বছরে কী হারে লভ্যাংশ দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে কোম্পানির সম্ভাবনা কেমন_ এ সব বিবেচনা করে শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নিতে হবে।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, পুঁজিবাজারে বিশেষ করে সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ করতে হলে বিনিয়োগকারীদের নূ্যনতম ধারণা থাকা আবশ্যক। কিন্তু আমাদের বিনিয়োগকারীরা যথাযথ ধারণা না নিয়েই পুঁজিবাজারে ব্যবসা করছেন। এর ফলে তাদের বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া হুজুগের কারণেও পুঁজিবাজারের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। বাজার ধসের সময় আতঙ্কিত হয়ে একসঙ্গে সব বিনিয়োগকারীর শেয়ার বিক্রি এবং উর্ধগতির সময় একসঙ্গে সবার শেয়ার কেনার প্রবণতা পুঁজিবাজারের জন্য ঠিক নয়।
তবে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে বড় ধরনের দরপতনের পর অধিকাংশ শেয়ারের দর এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে, একদিনে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যনত্ম বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানে রয়েছেন। এ কারণে দর বাড়লেও বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রিতে আগ্রহী ছিলেন না। অন্যদিকে বর্ধিত হারে মার্জিন ঋণ না পাওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা নতুন করে শেয়ার কিনতে পারেননি। ফলে সামগ্রিকভাবে লেনদেন কম হয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/11/2011 2:11 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিক্রেতাহীন শেয়ারবাজারে এবার সূচকবৃদ্ধির রেকর্ড নিজস্ব প্রতিবেদক

কালের কন্ঠ
১২।০১।২০১১



সোমবার লেনদেন বন্ধ করে দিয়ে শেয়ারবাজারের পতনের লাগাম টেনেছিল কর্তৃপক্ষ। গতকাল মঙ্গলবার দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই-সিএসই) স্বাভাবিক লেনদেন শুরুর পর এক দিনের সূচক বৃদ্ধিতে রেকর্ড সৃষ্টি করে। ডিএসইতে গতকাল এক হাজার পয়েন্ট সূচক বৃদ্ধির নতুন রেকর্ড হয়। তবে লেনদেন শুরুর মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে মূল্য নিয়ন্ত্রক সার্কিট ব্রেকার (বৃদ্ধির-হ্রাসের শেষ সীমা) ছুঁয়ে যাওয়ায় ১৯৫টি কম্পানির লেনদেন স্থগিত হয়ে যায়। বিক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে শেয়ারবাজার। এদিকে বর্ধিত ঋণসুবিধা না দেওয়ায় রাজধানীতে কয়েকটি হাউসে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
ডিএসইতে গত সোমবার সূচক অল্প সময়ের ব্যবধানে ৬৩৫ পয়েন্ট পড়ে গেলে বাজার শুরুর ৫০ মিনিটের মাথায় লেনদেন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গত ৩ জানুয়ারি থেকে গত সোমবার পর্যন্ত এক সপ্তাহে সূচকের পতন ছিল ১৮০৫.১৫ পয়েন্ট। গতকাল এক দিনে তা বেড়েছে ১০১২.৬৫ পয়েন্ট। গতকালের এই দর বৃদ্ধির কারণে অধিকাংশ কম্পানির শেয়ারের দাম এক সপ্তাহের প্রায় আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। গতকাল ১২টার দিক থেকেই বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের কোনো বিক্রেতা ছিল না। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ক্রয়মূল্যের অনেক নিচে থাকায় বিনিয়োগকারীরা গতকাল শেয়ার হাতছাড়া করতে চাননি। ফলে অনেকে মূলধন থাকার পরও শেয়ার কিনতে পারেননি। এ কারণে সার্বিক লেনদেন ও হাওলা গতকাল ছিল বেশ কম।
এক দিনের ব্যবধানে সূচকের পতন ও ঊর্ধ্বগতির রেকর্ড প্রত্যক্ষ করল চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) বিনিয়োগকারীরাও। সোমবার ৫০ মিনিটের লেনদেনেই সার্বিক সূচক ১৩৯৬ পয়েন্ট পতনের রেকর্ড গড়েছিল সিএসই। গতকাল এক দিনেই সার্বিক সূচক বেড়েছে ২৬৮৩ পয়েন্ট, যা এক দিনে সূচক বৃদ্ধিরও রেকর্ড। রেকর্ড পতনের পর গতকালের লাগামহীন দরবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। এদিকে এসইসি মার্জিন ঋণ ১ঃ২ করা হলেও চট্টগ্রামের ব্রোকারেজ হাউসগুলো এ নীতি মেনে চলেনি বলে জানা গেছে। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ক্ষোভও দেখা দেয়। এক দিনের ব্যবধানে বাজারের পতন আর উত্থানের রেকডর্কে
বাজার বিশ্লেষকরা অস্বাভাবিক বলেছেন। ধারাবাহিক দরপতনের পর এ রকম বৃদ্ধিকে শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রকাশ বলেও বলে মনে করেন অনেকে। কেউ কেউ নতুন করে বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
জানা যায়, রাজধানীতে অনেক মার্চেন্ট ব্যাংকই সকাল থেকে ১ঃ২ হারে ঋণ দেওয়া থেকে বিরত থাকে। এ নিয়ে শুরু থেকেই বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংকে গোলযোগ হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানে চলে ভাঙচুর। দুটি মার্চেন্ট ব্যাংকের লেনদেন কার্যক্রমও বন্ধ রাখা হয়।
কয়েক দিনের দরপতনের পর গতকাল বাজার ঘুরে দাঁড়ানোয় রাজধানীতে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসে এক ধরনের উৎসাহের আমেজ তৈরি হয়। তবে ছয় দিনের ধারাবাহিক দরপতনের সময় যারা শেয়ার বিক্রি করে পুঁজি খুইয়েছেন তাঁদের নীরব কান্না সে আমেজে ছেদ টানে। অনেকের মধ্যে আগামী দিনের বাজার পরিস্থিতি নিয়েও সংশয় দেখা গেছে।
বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সোমবার নেওয়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কয়েকটি পদক্ষেপ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে ছিল কম্পানির শেয়ার ক্রয়ে মার্জিন ঋণের হার ১ঃ২ নির্ধারণ, স্পট মার্কেট থেকে ১৪ কম্পানিকে স্বাভাবিক লেনদেনে ফিরিয়ে আনা, ঋণসীমার বাইরে থাকা কম্পানির শেয়ার ক্রয়ে আর্থিক সমন্বয় বা নেটিং সুবিধা চালুসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। তবে তার চেয়েও বড় ভূমিকা ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের পুঁজিবাজার-বান্ধব কয়েকটি সিদ্ধান্ত।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতেই সব কটি কম্পানির শেয়ারের দাম প্রায় একসঙ্গে বাড়তে থাকে। আগের দিনের সাধারণ মূল্যসূচক ৬৪৯৯.৪৩ পয়েন্ট থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ৭২০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৭২২০ পয়েন্টে ওঠে। পরবতী আধঘণ্টায় আরো ২০০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায় সূচক। এ সময় বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম বেড়ে মূল্য নিয়ন্ত্রক সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করে। এর আগে ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর গ্রামীণ ফোনের শেয়ারের লেনদেন চালুর প্রথম দিন সূচক বেড়েছিল ৭৬৪.৮৮ পয়েন্ট।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৮টি কম্পানির মধ্যে পাঁচটি বাদে সবকটির দাম বেড়েছে। অধিকাংশ শেয়ারের দর বৃদ্ধির হার ছিল ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। আর সার্কিট ব্রেকারের কারণে দর বৃদ্ধির সুযোগ ছিল কম্পানিভেদে ২০ শতাংশ পর্যন্ত। সার্কিট ব্রেকার ছুঁয়ে যাওয়ায় ও বিক্রেতার অভাবে গতকাল ১৯৫টি শতাংশ কম্পানির লেনদেন স্থগিত থাকে। ফলে ক্রেতার তালিকা অনেক দীর্ঘ হলেও সার্কিট ব্রেকার ও বিক্রেতার অভাবে মোট লেনদেন ছিল কম। এক লাখ ১৬ হাজার ৫১৮ বারে ২৪৮টি কম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ১১ কোটি ১০ লাখ ১৯ হাজার ৫২১টি শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের পরিমাণ ছিল পরিমাণ ৯৭৭ কোটি ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৫৯০ টাকা। এটা আগের দিনের ৫০ মিনিটের লেনদেনের চেয়ে ৫৭৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা শেষ পর্যন্ত বজায় রেখে ৭৫১২.০৯ পয়েন্টে শেষ হয়। এটা আগের দিনের তুলনায় ১০১২.৬৫ পয়েন্ট বা সাড়ে ১৫ শতাংশ বেশি।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, এক দিনে এতটা সূচক বৃদ্ধি অস্বাভাবিক। তবে লেনদেন বন্ধ ও তা চালুর পর এই বৃদ্ধিকে একেবারে অস্বাভাবিক বলা যাবে না। কারণ ২০০ থেকে ৩০০ পয়েন্ট সূচক বাড়লে বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি হতো না। তবে এ পরিস্থিতিতে বাজার কতটা টেকসই হবে, সেটা বোঝা যাবে তিন দিন পর।
তিনি বলেন, গতকালের দর বৃদ্ধির ফলে হয়তো এক সপ্তাহের আগের অবস্থায় চলে গেছে অধিকাংশ কম্পানির শেয়ারের দাম। কিন্তু ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব কম্পানির দরপতন হয়েছে সে অবস্থায় পেঁৗছাতে সময় লাগবে। ওই সময় পর্যন্ত দাম উঠিয়ে অনেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করে বেরিয়ে গেছে। গতকাল থেকে তারা আবার কেনা শুরু করেছে। এ কারণেও হয়তো বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।
মার্জিন ঋণ না দেওয়ায় ভাঙচুর
গতকাল লেনদেন শুরুর পর থেকেই লোকসান কাটিয়ে উঠতে বিনিয়োগকারীরা ১ঃ২ হারে মার্জিন হারে ঋণ পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। তবে প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে না পেরে অধিকাংশ মার্চেন্ট ব্যাংকই এসইসির ঘোষণা অনুযায়ী মার্জিন ঋণের হার বাড়াতে পারেনি। বর্ধিত হারে ঋণ না পেয়ে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়তে হয়।
মার্জিন ঋণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হওয়ায় উত্তেজিত গ্রাহকরা রাজধানীর মতিঝিলে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মার্চেন্ট ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউস এবং আইডিএলসি সিকিউরিটিজে ভাঙচুর চালায়। এ পরিস্থিতিতে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও আইডিএলসিতে লেনদেন বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া নতুন হারে মার্জিন ঋণ না দেওয়ায় আইসিবি, প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ট্রাস্ট ব্যাংকসহ বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসে গ্রাহকরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। আইসিবি সিকিউরিটিজ ও ক্যাপিটাল ডিভিশনে এসইসির নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী ঋণ না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রউফকে ঘেরাও করে রাখেন বিনিয়োগকারীরা।
এ সম্পর্কে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একরামুল হক সাংবাদিকদের জানান, মূলত অর্থ সংকটের কারণেই ১ঃ২ হারে ঋণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিন মাস আগে এসইসির নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী ঋণ দেওয়া হয়েছে। সে সময় আল আরাফাহ ব্যাংক পুঁজিবাজারে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিল। কিন্তু গত ১৪ নভেম্বর এসইসি মার্জিন ঋণের হার ১:০.৫ করার পর ঋণ সমন্বয় করে ৪১৯ কোটি টাকার ঋণ ফেরত নিতে হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সে টাকা বিভিন্ন মেয়াদে অন্য খাতে বিনিয়োগ করা হয়েছে। এখন এসইসির পক্ষ থেকে ঋণের হার বাড়ানো হলেও স্বল্প সময়ে ওই টাকা ফেরত আনা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণেই ঋণের হার বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
একরামুল হক আরো বলেন, তারল্য সংকট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেপোর মাধ্যমে যে অর্থ জোগান দিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক হওয়ায় আল আরাফাহ সে অর্থ নিতে পারছে না। তাই আপাতত এ ব্যাংকের তারল্য সমস্যা মেটার সম্ভাবনা নেই। ফেব্রুয়ারি নাগাদ এটা সম্ভব হতে পারে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/11/2011 2:13 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
অস্বাভাবিকভাবে ঘুরে দাঁড়াল শেয়ারবাজার

বর্ধিত ঋণ না পাওয়ায় মতিঝিলে একটি মার্চেন্ট ব্যাংকে ভাংচুর হয় সমকাল


সমকাল প্রতিবেদক
১২।০১।২০১১


বিশাল ধসের পর মাত্র একদিনের ব্যবধানে পাল্টে গেছে দেশের শেয়ারবাজার। সোমবারের ভয়াবহ দরপতনের একদিনের মাথায় মূল্যসূচকের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। টানা দ্বিতীয় দিনের ব্যাপক দরপতনে আরও বড় বিপর্যয় এড়াতে সোমবার মাঝপথে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল শেয়ারবাজারের। সেই বাজার গতকাল এতটাই তেজি হয়ে ওঠে যে, প্রথম আধঘণ্টায় দেড়শ' কোম্পানির শেয়ারের বিক্রেতা উধাও হয়ে যায়। শেয়ার কিনতে না পেরে হতাশ হয়ে লেনদেন সময় শেষ হওয়ার আগেই অনেক বিনিয়োগকারী ব্রোকার হাউস থেকে বেরিয়ে পড়েন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আগের দিন ৬৬০ পয়েন্ট সূচক হারানোর বিপরীতে মঙ্গলবার সূচক বেড়েছে ১ হাজার ১২ পয়েন্ট। আর এর মধ্য দিয়ে শেয়ারবাজারে যেন মঞ্চস্থ হয়ে গেল ২৪ ঘণ্টার এক নাটক।
এদিকে শেয়ারবাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় গতকাল সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এসইসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেন। আগের দিনের মতো গতকালও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেন। তবে আগের দিন তারা রাস্তায় নেমেছিলেন পুঁজি হারানোর ভয়ে। আর কাল বিক্ষোভ করেন বর্ধিত ঋণ না পেয়ে। রাজধানীতে তাদের বিক্ষোভ ও বাধার মুখে আল-আরাফাহ ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউস ও আইডিএলসিতে দীর্ঘ সময় লেনদেন বন্ধ ছিল।
বাজার বিশ্লেষকদের অনেকেই পুঁজিবাজারের এ আচরণকে স্বাভাবিক মনে করছেন না। তাদের মতে, আমাদের বিনিয়োগকারীদের অপরিপকস্ফতা এবং আবেগপ্রবণতার প্রতিফলন ঘটেছে গতকালের বাজারে। বাজার স্থিতিশীলতার প্রয়োজনে বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তাদের আরও বেশি যৌক্তিক ও সংযত হওয়া প্রয়োজন। বর্ধিত ঋণের জন্য তারা যেভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাপ দিয়েছেন, ক্ষোভের যে বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন, তাও বাজারের জন্য ইতিবাচক নয় বলে তারা মনে করেন। তবে কোনো কোনো বিশ্লেষক গতকালের ঊর্ধ্বগতিকে স্বাভাবিক মনে করছেন। তাদের মতে,
মাত্র দু'দিনে ডিএসই সূচক সাড়ে ১২০০ পয়েন্ট কমে যাওয়ার মধ্য দিয়ে যে চাপ তৈরি হয়েছিল তার বিপরীত চাপেই গতকাল বাজার এতটা ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে। ওই চাপের অবসান হওয়ায় আজ থেকে বাজার স্বাভাবিক ধারায় ফিরে আসবে।
এদিকে শেয়ারবাজারে রবি ও সোমবারের বড় দরপতন এবং মঙ্গলবারের অস্বাভাবিক উত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সংস্থাপন বিষয়ক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, এসইসি চেয়ারম্যান মোঃ জিয়াউল হক খোন্দকার উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা বাজারে বড় ধরনের উত্থান-পতন রোধে এসইসির মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করার পরামর্শ দেন। এছাড়া শেয়ারের মূল্য পরিবর্তনের মতো সূচকের সর্বোচ্চ উত্থান-পতনের কোনো সীমা (সার্কিট ব্রেকার) আরোপ করা যায় কি-না তাও ভেবে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এইচটি ইমাম শেয়ারের দরপতনে বিক্ষোভ ও ভাংচুরকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে তা নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা জোরদারের সুপারিশ করেন। ড. আতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করলেও শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণে তারা কোনোভাবেই যুক্ত নয়। তবুও বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা এবং সরকারের ইচ্ছার পরিপ্রেক্ষিতে তারা শেয়ারবাজারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নমনীয় অবস্থানের কথা জানিয়েছে। বাজারে তারল্য সরবরাহসহ বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে।
সোমবারের ভয়াবহ দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এবং মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সঙ্গে বৈঠক করে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বাংলাদেশ ব্যাংকও তফসিলি ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয়। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আইনগত সীমারেখা কিছুটা শিথিল করারও আশ্বাস দেওয়া হয়। এতে একদিকে বাজারে তারল্য কিছুটা বেড়েছে, অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপসহ সংশ্লিষ্টদের নেওয়া বিভিন্ন ব্যবস্থায় বিনিয়োগকারীদের হারানো আস্থার অনেকটা ফিরে এসেছে। গতকাল দিনভর বাজারে ছিল এর প্রতিফলন। টানা দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে রুদ্ধশ্বাস অবস্থা তৈরি হয়েছিল, হঠাৎ করে তার অবসান হওয়ায় তাদের আবেগের সব বাঁধ যেন ভেঙে যায়।
জানা গেছে, এসইসি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতেই সক্রিয় হয়ে ওঠে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি বিনিয়োগকারীও ঝাঁপিয়ে পড়েন। এতে শেয়ার কেনার চাপ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু এর বিপরীতে বিক্রির প্রস্তাব ছিল অনেক কম। এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া বিভিন্ন ব্যবস্থার কারণে বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠবে_ এমন আশায় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি না করে ধরে রাখার অবস্থানে চলে যান। চাহিদা ও জোগানের এই ভারসাম্যহীনতার কারণেই হুহু করে বাড়তে থাকে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম। দামের এ ঊর্ধ্বগতি সম্ভাব্য বিক্রেতাকে শেয়ার বিক্রিতে আরও অনাগ্রহী করে তোলে।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিশ্লেষক মনে করেন, গতকালের অস্বাভাবিক উত্থানের পেছনে ব্যাংকগুলোর ভূমিকাই ছিল মুখ্য। তার মতে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে যে কোনো পরিমাণের শেয়ার কিনে হলেও বাজারকে ঊর্ধ্বমুখী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আগের দিন। কম পরিমাণ শেয়ার কিনেই যাতে এ লক্ষ্য অর্জন করা যায় সে উদ্দেশ্যে দিনের শুরুতেই তারা সর্বোচ্চ দাম দিয়ে হলেও বিক্রির জন্য প্রস্তাবিত সব শেয়ার কিনে নিয়েছেন। বাজারের এমন অপ্রত্যাশিত ঊর্ধ্বগতিতে বেশির ভাগ বিনিয়োগকারী এখনই শেয়ার বিক্রি না করে কয়েকদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেন। এতে বাজারে বিক্রির চাপ না থাকায় তাদের বেশি টাকার শেয়ার কিনতে হয়নি। খুব অল্প বিনিয়োগেই লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয় ব্যাংকগুলো।
মঙ্গলবার অভাবনীয় ঊর্ধ্বগতি নিয়ে লেনদেন শুরু হয় বাজারে। প্রথম পাঁচ মিনিটেই ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৭০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। দুপুর ১২টা নাগাদ তা ১ হাজার পয়েন্ট বেড়ে সমান্তরাল গতিতে এগোতে থাকে। অন্যদিকে প্রথম পাঁচ মিনিটেই প্রায় সোয়াশ' কোম্পানির শেয়ারের দাম সার্কিট ব্রেকার (একদিনে শেয়ারের দাম পরিবর্তনের সর্বোচ্চ সীমা) স্পর্শ করে। এগুলোর বেশির ভাগের ক্ষেত্রে ওই সময় কোনো বিক্রেতা ছিল না। অথচ ঠিক আগের দিন ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। সেদিন ৪৭ কোম্পানির শেয়ারের কোনো ক্রেতা ছিল না। মঙ্গলবার দিন শেষের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে ২৪৩টি কোম্পানির শেয়ারের কেনাবেচা হয়। এগুলোর মধ্যে ২৩৮টির দাম বেড়েছে, কমেছে মাত্র ৫টির দাম। ডিএসইতে এদিন সূচক বেড়েছে ১ হাজার ১২ পয়েন্ট, যা একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। এর আগে ২০০৯ সালের ১২ অক্টোবর গ্রামীণফোনের অভিষেক দিনে এই সূচক ১ হাজার ২০০ পয়েন্ট বেড়েছিল। তবে সূচক ও শেয়ারের দাম বাড়লেও গতকাল লেনদেন হয় ১ হাজার কোটি টাকার কম। পর্যাপ্ত বিক্রেতা না থাকায় কেনার প্রস্তাব দিয়েও শেয়ার কিনতে পারেননি অধিকাংশ বিনিয়োগকারী। এ কারণে লেনদেনও বাড়েনি।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল ১৯৪টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নেয়। এগুলোর মধ্যে ১৮৮টির দাম বেড়েছে, কমেছে ৬টির। সিএসইতে সার্বিক সূচক বেড়েছে ২ হাজার ৬৮২ পয়েন্ট।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/11/2011 2:15 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বর্ধিত ঋণ না পাওয়ায় বিক্ষোভ ভাংচুর

সমকাল প্রতিবেদক
12.01.2011
বর্ধিত ঋণ সুবিধার দাবিতে মঙ্গলবার শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেছেন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তারা এ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের বাধা ও ভাংচুরের কারণে রাজধানীতে একটি মার্চেন্ট ব্যাংক এবং একটি ব্রোকারেজ হাউসে প্রায় দুই ঘণ্টা লেনদেন বন্ধ থাকে।
শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সোমবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)
মার্জিন (শেয়ার কেনার জন্য গ্রাহকদের মার্চেন্ট ব্যাংক ব্রোকার হাউস প্রদত্ত ঋণ) ঋণের অনুপাত বাড়ালেও গতকাল পর্যন্ত বেশিরভাগ মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। পর্যাপ্ত তারল্য না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠান বর্ধিত হারে ঋণ দিতে পারছে না বলে জানিয়েছে। তবে প্রাইম ব্যাংক, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক ব্রোকারেজ, প্রাইম ফাইন্যান্স, লংকাবাংলাসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ঋণের অনুপাত কিছুটা বাড়িয়েছে।
সোমবার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) মার্জিন লোন রেশিও ১ :১.৫ থেকে বাড়িয়ে ১ :২ করে দেয়। এসইসির ওই নির্দেশনা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর করার কথা থাকলেও এদিন বেশিরভাগ মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস তা কার্যকর করেনি। ফলে লেনদেন শুরু থেকেই মার্জিন লোন না পেয়ে বেশ কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা লেনদেন বন্ধ করে দেন।
গতকাল ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা যেসব প্রতিষ্ঠানের লেনদেন সাময়িক বন্ধ করে দেন এর মধ্যে রয়েছে আইডিএলসি সিকিউরিটিজ, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংকের ব্রোকারেজ হাউস। এছাড়া আইসিবি, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, এনসিসি ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউসসহ আরও কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউসে নতুন হারে ঋণ না দেওয়ায় বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। তারল্য সংকটের দোহাই দিয়ে ১ :২ হারে ঋণ প্রদানে অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠানগুলো। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে আইডিএলসি সিকিউরিটিজ এবং আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউসের লেনদেন দুপুর ১২টায় বন্ধ করে দেয়। এছাড়া আইসিবি সিকিউরিটিজ ও ক্যাপিটাল ডিভিশনে এসইসির নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী ঋণ না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির সিইও আবদুর রউফকে ঘেরাও করে রাখেন বিনিয়োগকারীরা।
জানা গেছে, এসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানই নির্ধারিত সীমায় ঋণ প্রদান করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তারা ১ :২ হারে ঋণ প্রদানের পরিবর্তে সর্বোচ্চ ১ :০.৭৫ থেকে ০.৩০ হারে ঋণ প্রদান করছে। কিন্তু এ পরিমাণে ঋণে বিনিয়োগকারীরা মানতে চাইছে না।
বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, টানা রেকর্ড পরিমাণ দর পতনের কারণে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন। এ অবস্থায় এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী ১ :২ হারে মার্জিন লোন পেলে লোকসান কিছুটা কমিয়ে আনতে পারতেন। কিন্তু ব্রোকারেজ হাউসগুলো ১ :২ পরিবর্তে ১ :০.২৫ থেকে সর্বোচ্চ ১ :১ হারে মার্জিন লোন দিচ্ছে। অন্যদিকে অনেক হাউসেই অনেক বড় বড় বিনিয়োগকারীকে ১ :১ থেকে ১ :১.৫ হারে মার্জিন লোন দেওয়া হচ্ছে। একই অভিযোগ করেন অন্য কয়েকটি হাউসের বিনিয়োগকারীরাও।
মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মুর্তজা আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, এসইসি মার্জিন লোন রেশিও ১ :২ নির্ধারণ করে দিয়েছে। তার অর্থ হলো আমরা এর বেশি মার্জিন লোন দিতে পারব না। কিন্তু হাউসগুলো তার সামর্থ্য অনুযায়ী মার্জিন লোন দেবে। তারল্য সংকটের কারণে বেশিরভাগ হাউস ওই পরিমাণ মার্জিন লোন দিতে পারছে না। তিনি আরও বলেন, মার্জিন লোন সামান্য বাড়ানোর কারণে সাধারণ মূল্যসূচক ১ হাজার পয়েন্ট বেড়ে গেছে। যদি সবাই ১ :২ হারে মার্জিন লোন দিত তাহলে বাজারের কী অবস্থা হতো?
এ বিষয়ে আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একরামুল হক সাংবাদিকদের জানান, তারল্য সংকটের কারণে আমরা ১ :২ হারে ঋণ দিতে পারছি না। তিন মাস আগে আমরা এসইসির নির্ধারিত সীমায় প্রাহকদের ঋণ দিয়েছি। সে সময় পুঁজিবাজারে আমাদের ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ ছিল। কিন্তু গত ১৪ নভেম্বর যখন মার্জিন ঋণ কমিয়ে ১ :০.৫ করা হলো তখন ঋণ সমন্বয়ের কারণে বাজার থেকে আমাদের ৪১৯ কোটি টাকার ঋণ ফেরত নিতে হয়েছে। পরে আমরা সে টাকা বিভিন্ন মেয়াদে অন্য খাতে বিনিয়োগ করেছি। তিনি আরও বলেন, তারল্য সংকট মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে রেপোর মাধ্যমে যে অর্থ জোগান দেওয়া হচ্ছে ইসলামী ব্যাংক হওয়ায় আল-আরাফা সে অর্থ নিতে পারছে না। তাই আপাতত এ ব্যাংকের তারল্য সমস্যা মেটার সম্ভাবনা নেই। তবে ফেব্রুয়ারি নাগাদ এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ প্রদান করতে পারব।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/12/2011 5:48 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
     
12 Jan 2011  

‘অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির দায় এড়ানো যাবে না’



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

‘অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির দায় এড়ানো যাবে না’

ঢাকা: শেয়ারবাজারের ভয়াবহ বিপর্যয় রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘন ঘন বৈঠক, নানা  সান্ত্বনা আর অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসেও বিশ্বাস করতে পারছেন না ক্ষতিগ্রস্ত শেয়ার বিনিয়োগকারীরা। অব্যাহত দরপতনের কারণে নিজেদের পুঁজি হারানোর আশংকায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগকারীরা গত কয়েকদিন বিক্ষোভ, ভাংচুর, অবস্থান কর্মসূচি পালনের পর মঙ্গলবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে হাজির হন। সর্বস্ব হারানোর আতংকে অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন, আবার কেউ কেউ জানান ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।

তারা শেয়ার বাজারে হাজার হাজার মানুষের পুঁজি লুটে নেওয়া চক্রের সন্ধান ও দরপতনের মূল কারণ খুঁজে বের করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বলেন, ‘ভূয়া আশ্বাস আর সান্ত্বনা দিয়ে মানুষজনকে আরও বেশি ঠকানোর সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।’

তারা বলেন, ‘অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের ওপর দোষ চাপিয়ে পুঁজিবাজারের কেলেঙ্কারির দায় এসইসি এড়াতে পারবে না।’

টঙ্গীর মরকুন এলাকা থেকে আগত স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক আরিফ আহমেদ (৩৮) মাত্র আড়াই মাস আগে ডিএসই’র শেয়ার বাজারে ৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। তিনি কেয়া ডিটারজেন্ট, এইচআর টেক্সটাইল, বিডি ওয়েল্ডিং, সায়হাম টেক্সটাইল, এপেক্স স্পিনিংসহ মোট ৬টি কোম্পানির শেয়ার  কেনেন। এর মধ্যে ৫টি কোম্পানির শেয়ারের বড় ধরনের দরপতন ঘটে। ফলে সীমাহীন হতাশ হয়ে পড়েছেন শিক্ষক আরিফ আহমেদ।

তিনি জানান, গোটা পুঁজির মধ্যে মাত্র এক লাখ ২০ হাজার টাকা তার নিজের, বাকি ৬ লাখ ১০ হাজার টাকা ধার-দেনা করে শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছিলেন। আরিফ আহমেদ বলেন, ‘চারদিন ধরে মতিঝিলের রাস্তায় আছি, রাস্তাতেই খাচ্ছি-পুঁজি খোয়ানোর পর আমার নিজের জীবনটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মানুষের এতো ধারদেনা আমি কিভাবে শোধ  দেবো ভেবে পাচ্ছি না।’

মিরপুর বাংলা কলেজের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের আজিজ, মঞ্জুরুল, মুন্না, কাননসহ সহপাঠী ১৫ বন্ধু একত্রে শেয়ার ব্যবসায় নেমে মোটা অংকের টাকা গচ্ছা দেওয়ার মুখে পড়েছেন। তাদের কয়েকজন নিজেদের পরিবার থেকে ও বাকিরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ তুলে পুঁজি সংগ্রহ করে দুটি কোম্পানির ৯ লাখ টাকার শেয়ার কেনেন। কোম্পানি দুটি হচ্ছে, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স ও এইচআর টেক্সটাইল। দরপতনের ধকলে তাদের প্রায় অর্ধেক পুঁজি লাপাত্তা হয়ে গেছে, বাকি অর্ধেক পুঁজি তুলতে পারবেন কি না তা নিয়ে খুবই দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

শেয়ারে বিনিয়োগকারী ছাত্র সাহাদৎ হোসেন মুন্না বলেন, ‘কোনো মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানিকে আমরা চিনি না। আমরা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) আর বাজারে শেয়ার ব্যবসায় যুক্ত থাকা কোম্পানিগুলোর কথা জানি। স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকায় ইউনিপেটুইউ বা ডেসটিনি ২০০০ নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই।’

বিনিয়োগকারী অপর ছাত্র রাজিব হোসেন কানন বলেন, ‘মার্কেটের সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন প্রতিষ্ঠানের ওপর খামোখা দোষ চাপিয়ে মূলত শেয়ার বাজারের কেলেংকারী ধামাচাপা দেওয়ারই পাঁয়তারা চলছে।’

শেয়ার বাজার আবার চাঙ্গা হওয়ার কথা উল্লেখ করে রাজিব প্রশ্ন তুলেন, ‘বিক্ষোভ-ভাংচুর হলেই পতন শেয়ারের দামও বাড়তে থাকার নজির অন্য কোথাও আছে কি ?’

বাংলাদেশ সময় : ১১০৬ ঘন্টা, জানুয়ারি ১২, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/12/2011 5:51 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত
     


ঢাকা, জানুয়ারি ১২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)



দর উত্থানের রেকর্ডের পরদিনও পুঁজিবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত ছিলো। বেশিরভাগ শেয়ারের দামও বেড়েছে।

বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক গত দিনের চেয়ে ১৭৮ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়ে দিন শেষে দাঁড়ায় ৭৬৯০ দশমিক ৬৮।

এদিন ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৪৭টির দাম বেড়েছে, কমেছে ৯৪টির। ৫টি শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

দিন শেষে মোট লেনদেন দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা।

লেনদেনে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল ব্যাংকিং খাত। লেনদেনের তালিকায় শীর্ষ ২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টিই ছিল এ খাতের।

লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে ছিল ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল), দ্বিতীয় ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড (এনবিএল) ও তৃতীয় স্থানে ছিল ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।

গত সোমবার সর্বোচ্চ পতনের পরদিন মঙ্গলবার সূচক ১ হাজার ১২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এর আগে গত বছরের ১৬ নভেম্বর সাধারণ সূচক ৭৬৪ পয়েন্ট বেড়ে রেকর্ড গড়েছিলো।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/জেবি/এমআই/১৬৫০ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/12/2011 5:52 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
এসইসি সদস্য মনসুরের পদত্যাগ
     



ঢাকা, জানুয়ারি ১২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-


পুঁজিবাজারে অস্থিরতার পেছনে যার কয়েকটি সিদ্ধান্ত দায়ী বলে অনেকে মনে করেন, সেই মনসুর আলম পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা- এসইসির সদস্যের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) এক কর্মকর্তা বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, মনসুর আলম মঙ্গলবার এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারের কাছে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।

এ বিষয়ে এসইসি চেয়ারম্যানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে মনসুর আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়, তিনি অফিসে আসেননি।

গত এক মাস ধরে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা চলছে। এর মধ্যে দরপতনের রেকর্ড ভাঙে কয়েকবার। গত সোমবার সর্বোচ্চ দরপতন হয় ঢাকার পুঁজিবাজারে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, এসইসি চেয়ারম্যান দেশের বাইরে থাকা অবস্থায় দায়িত্বপালনরত মনসুর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের ঋণসীমা বাড়ানো এবং নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন আনেন। যা বাজারে দরপতন ত্বরান্বিত করে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/১৪৩৫ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/12/2011 5:54 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারে বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত




ঢাকা, ১২ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

সম্প্রতি শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ-ভাঙচুরসহ সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মঙ্গলবার রাতে দুই উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুই উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও এইচটি ইমাম, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও এসইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ড. মশিউর রহমান।
শেয়ারবাজারে বড় ধরনের উত্থান-পতন ঠেকাতে মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করার পরামর্শ দেন দুই উপদেষ্টা। সেইসঙ্গে শেয়ারের মূল্য অপরিবর্তনের মতো সূচকের উঠানামার কোনো সীমা নির্ধারণ করা যায় কিনা তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার কথাও বলেন তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক শুধু মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণে কোনো ভূমিকা না থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় শেয়ারবাজারে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নমনীয় অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসআর/ জেএ/ ০০.০৫ ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/12/2011 5:57 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার অস্থিতিশীল নয়: আশরাফ
     
     

ঢাকা, জানুয়ারি ১২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, পুঁজিবাজার অস্থিতিশীল নয় এবং এ নিয়ে গণমাধ্যমে গুরুত্ব পাওয়ার মতো কিছু ঘটেনি।

তিনি বলেছেন, "একদিন রেকর্ড পরিমাণ দাম বাড়বে, একদিন রেকর্ড পরিমাণ দাম কমবে- এটাই শেয়ার বাজারের নিয়ম। শেয়ার বাজার তো বাজির খেলা।"

বুধবার দুপুরে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

গত বছরের শেষ থেকেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। ডিএসই সাধারণ সূচক গত ১৯ ডিসেম্বর একদিনে ৫৫১ পয়েন্ট কমে যায়। ২৮৫ পয়েন্ট কমে গত ১২ ডিসেম্বর। মূল্যসূচক ২৩৩ পয়েন্ট কমে গত ৬ নভেম্বর।

বছরের শুরুতেও দরপতন অব্যাহত থাকে। দ্বিতীয় সপ্তাহেই ঢাকার পুঁজিবাজারে একদিনে সর্বোচ্চ দরপতনের রেকর্ড হয়। গত ৯ জানুয়ারি সাধারণ সূচক ১৯ ডিসেম্বররের রেকর্ড ছাড়িয়ে ৬০০ পয়েন্ট কমে যায়। পরদিনই সূচক কমে ৬৬০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট।

পুঁজিবাজারে অব্যাহতভাবে এ দরপতনের প্রতিবাদে কয়েক দফা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষোভ হয় ঢাকার বাইরেও। এসব ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন ছয়জন।

শেয়ার বাজারে ধসের মুখে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে গত সোমবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা (এসইসি) মার্জিন লোনের অনুপাত বাড়িয়ে ১:২ করার ঘোষণা দেয়।

এছাড়া গত এক মাসে এসইসি'র বেশ কিছু নির্দেশনাও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

এ নিয়ে গণমাধ্যমের সংবাদ প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফ বলেন, "তেমন গুরুত্ব পাওয়ার উপযোগী কিছু শেয়ার বাজারে হয়নি।"

দেশের ৯৯ ভাগ মানুষ শেয়ার ব্যবসা সম্পর্কে জানেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, "যখন দাম কমলো, তখন অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটলো। আর যখন দাম বাড়লো, তখন তো কেউ বিজয় মিছিল বের করলো না।

"শেয়ার বাজারের ধর্মই হলো- বাজার উঠবে, আবার নামবে। যারা শেয়ার ব্যবসা করেন তাদের এটা মানতে হবে। ঝুঁকি নিয়েই এ ব্যবসা করতে হবে।"

এদিকে গত সোমবার সর্বোচ্চ পতনের পরদিন মঙ্গলবার সূচক ১ হাজার ১২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এর আগে গত বছরের ১৬ নভেম্বর সাধারণ সূচক ৭৬৪ পয়েন্ট বেড়ে রেকর্ড গড়েছিলো।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসইউএম/জেবি/পিডি/১৭৪২ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/12/2011 6:01 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সূচকের অস্বাভাবিক উঠানামা রোধে সার্কিট ব্রেকার চালু করতে যাচ্ছে এসইসি


গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম






সূচকের অস্বাভাবিক উঠানামা রোধে সার্কিট ব্রেকার চালু করতে যাচ্ছে এসইসি

ঢাকা: পুঁজিবাজারের বড় ধরনের উত্থান পতন রোধে সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার চালু করতে যাচ্ছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। একইসঙ্গে কমিশন শেয়ারের দাম বাড়া-কমার ক্ষেত্রে চালু থাকা সার্কিট ব্রেকার আরও কমিয়ে আনা যায় কি-না তাও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে-দেখা হচ্ছে। পুঁজিবাজারে সূচকের অস্বাভাবিক উঠানামা রোধ করার জন্যই এসইসি এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।

এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার বাংলানিউজকে বলেন, সূচকের অস্বাভাবিক উঠানামা রোধ করার জন্য সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার চালু করার কথা ভাবছে কমিশন। একইসঙ্গে বর্তমানে চালু থাকা সার্কিট ব্রেকার আরও কমিয়ে আনা যায় কি-না ও তাও ক্ষতিয়ে দেখা হবে।

পুঁজিবাজারের বিভিন্ন শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক উঠানামা রোধ করার জন্য সার্কিট ব্রেকার (সর্বোচ্চ উঠানামার সীমা) চালু রয়েছে। সার্কিট ব্রেকার অনুযায়ী ২০০ টাকা পর্যন্ত কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম একদিনে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারবে। তবে তা ৩৫ টাকা ঊর্ধ্বে নয়। ২০১ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারবে তবে তা ৭৫ টাকার বেশি না। ৫০১ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ তবে ১২৫ টাকা ঊর্ধ্বে নয়। ১ হাজার ১ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত সাড়ে ১২ শতাংশ ২০০ টাকা ঊর্ধ্বে নয়। ২ হাজার ১ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, তবে ৩৭৫ টাকা ঊর্ধ্বে নয় এবং  ৫ হাজার ১ টাকা থেকে অসীম পযন্ত সাড়ে ৭ শতাংশ তবে তা ৬০০ টাকা ঊর্ধ্বে নয়।

বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সার্কিট ব্রেকারা থাকলেও বর্তমানে সূচকের সর্বোচ্চ উঠানামার ক্ষেত্রে কোনো সার্কিট ব্রেকার নেই। ফলে গত এক মাসে ডিএসইতে একদিনে সাধারণ মূল্য সূচক একাধিকার ৫৫০ থেকে ৬১৯ পয়েন্ট পর্যন্ত একাধীকবার পতন হয়েছে।

অন্যদিকে মঙ্গলকার একদিনে সাধারণ মূল্য সূচক ১ হাজার ১২  পয়েন্ট বেড়ে যায়।  

বাজার বিশ্লেষকদের মতে সূচকের উঠানামার জন্য কোনো সার্কিট না থাকায় একদিনে সূচকের অস্বাভাবিক উঠানামা করে। সূচকের সার্কিট ব্রেকার থাকলে সেটা হবে না। তবে এটা আরও আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আহমেদ খান বাংলানিউজকে বলেন, এটা করা হলে বাজারের ব্যাপক উঠানামা সার্বিকভাবে বন্ধ হবে। তবে এতে করে বাজারে কৃত্রিমতা বাড়বে। তাই এটি করার আগে আরও চিন্তা ভাবনা করা দরকার।

স্থানীয় সময়ঃ ১৬৫৮ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১২, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/12/2011 6:14 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

লেনদেন শেষে সূচক বেড়েছে ১৭৮ পয়েন্ট

অনলাইন ডেস্ক | Prothom-Alo
তারিখ: ১২-০১-২০১১


দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। আজ বুধবার ডিএসইতে সাধারণ সূচকের সঙ্গে বেড়েছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। দিনভর ডিএসইতে সূচকের ওঠা-নামা ছিল চোখে পড়ার মত।
আজ লেনদেন শুরুর ১০মিনিটের দিকে সাধারণ সূচক ৩২০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে ধীরে তা একবার কমে, আবার বাড়তে থাকে।
দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ১৭৮ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বেড়ে সাত হাজার ৬৯০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আজ মোট ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৭টির, কমেছে ৯৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৬৪৯ কোটি টাকার।
আজ লেনদেনে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠান হলো- ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, এনবিএল, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ লিমিটেড, সাইথ ইস্ট ব্যাংক, বেক্সটেক্স লিমিটেড, বে লিজিং, এবি ব্যাংক, তিতাস গ্যাস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড ও গ্রামীণ ফোন।
গতকাল ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ১০১২দ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বেড়ে ৭৫১২ দশমিক ০৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। যা ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ সূচক বৃদ্ধির রেকর্ড। এর আগে ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর ডিএসইতে সর্বোচ্চ ৭৬৪ পয়েন্ট বাড়ে।
গতকাল মোট ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টির এবং কমেছে মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। আজ ডিএসইতে মোট ৯৭৭ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।
গত সোমবার ডিএসইতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতনের ঘটনা ঘটে। ওই দিন সূচক ৬৬০ পয়েন্ট কমে গেলে দেশের দুই শেয়ারবাজার বন্ধ করে দেওয়া হয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/12/2011 6:16 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

সূচকের ওঠানামায় সীমা আরোপ হতে পারে

বিশেষ প্রতিনিধি , Prothom Alo
তারিখ: ১২-০১-২০১১


স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচকের ওপর ইনডেক্স ব্রেকার বা সর্বোচ্চ ওঠানামার সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হতে পারে। মূল্যসূচকের অস্বাভাবিক উত্থান-পতন আটকানোর জন্যই এ চিন্তা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে বাজারে বড় বিপর্যয় ঠেকাতে আপাতত কিছু তহবিল জোগান দেওয়ার কথা হলেও ব্যাংক আমানত শেয়ারবাজারে যথেচ্ছ ব্যবহার না করতে একমত হয়েছেন এ খাতে সরকারের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তিরা।
দেশের সামগ্রিক পুঁজিবাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে এসব নীতিগত মতৈক্য হয়েছে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সংস্থাপনবিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা, জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, বৈঠকে সার্বিক পুঁজািবাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এক দিন আগে এই বৈঠকটি ডাকা হয়েছিল বাজার পরিস্থিতি দেখে। তবে গতকালের বাজার ঘুরে দাঁড়ানোয় পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ যেমনটা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করেছিলেন তেমন হয়নি বলে সূত্র জানায়। তা সত্ত্বেও গত কয়েক দিনের বাজারে মূল্যসূচকের বড় ধরনের উত্থান-পতনকে অস্বাভাবিক আখ্যা দেওয়া হয়। বলা হয়, মূল্যসূচক ৬০০ থেকে ৭০০ পয়েন্ট পড়ে যাওয়া যেমনটি স্বাভাবিক বাজারের যৌক্তিক আচরণ মনে করা যায় না, তেমনি এক দিনে হাজার পয়েন্ট বেড়ে যাওয়াও স্বাভাবিক কোনো আচরণ নয়। এই পরিস্থিতিকে সামাল দিতে হবে। এসইসির দিক থেকে মূল্যসূচকে সার্কিট ব্রেকার বা ইনডেক্স ব্রেকার আরোপের কথা বলা হলে বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় চিন্তাভাবনা করতে বলা হয়। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এটি করতে পরামর্শ আসে বৈঠকে।
বৈঠকে বলা হয়, শেয়ারবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় যাতে ঘনীভূত হতে না পারে, তার জন্য এসইসিকে প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রভাবিত করতে হবে। বলা হয়, বাজার পরিস্থিতির ওপর প্রতিনিয়ত নজরদারি রেখে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার অপেক্ষা না করে তাৎক্ষণিকভাবে ফোন করে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে হবে। যেমনটি বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিনিয়ত স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে পদক্ষেপ নেয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দিক থেকে বৈঠকে বলা হয়, সংকটকালীন উত্তরণ ব্যবস্থাপনা হিসেবে ব্যাংকগুলোকে বাজার-সহায়তা দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু এ ধারা কোনোভাবেই চালিয়ে যাওয়া যাবে না। বৈঠকে মতৈক্য হয়, আমানতের টাকা নিয়ে শেয়ারবাজারে খেলা করতে দেওয়া হবে না। ব্যাংক খাতকে নিরাপদে রাখতে হবে।
এদিকে এসইসির সদস্য মনসুর আলমকে সরিয়ে দিতে সরকারের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বৈঠকের মধ্যে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, বিধিগতভাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা থাকায় আপাতত তাঁকে নিষ্ক্রিয় রাখা বা কোনো কাজ না দেওয়া এবং আইনকানুন দেখে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, আগের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মনসুর আলমকে ছয় মাস আগে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে। কিন্তু পুনর্নিয়োগের কোনো চুক্তি এখনো হয়নি। একটি সূত্র জানায়, ইতিমধ্যেই মনসুর আলম গতকাল অব্যাহতিপত্র এসইসিতে জমা দিয়েছেন। এ বিষয়ে কথা বলতে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/12/2011 6:17 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য বিনিয়োগের শর্ত শিথিল

নিজস্ব প্রতিবেদক , Prothom Alo
তারিখ: ১২-০১-২০১১


শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একক ও খাতওয়ারি কোম্পানিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মিউচুয়াল ফান্ডের ওপর আরোপিত শর্ত শিথিল করা হয়েছে।
এত দিন তহবিল পরিচালনাকারী সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো একক ও খাতওয়ারি কোম্পানির শেয়ারের যথাক্রমে ওই তহবিলের ১০ ও ২৫ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ করতে পারত না।
শর্ত শিথিল করার ফলে এখন থেকে একক ও খাতওয়ারি কোম্পানিতে বিনিয়োগে এই ধরনের কোনো সীমা আর থাকবে না। তবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত মিউচুয়াল ফান্ড এই শর্তমুক্ত বিনিয়োগসুবিধা ভোগ করবে।
গতকাল মঙ্গলবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটেও নির্দেশনার খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে।
ধারাবাহিক দরপতন রোধে এসইসি গত কয়েক দিনে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তারই অংশ হিসেবে গতকাল এই সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। আজ বুধবার থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর করা হবে।
মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘এর ফলে ফান্ডগুলোর একক ও খাতওয়ারি কোম্পানিতে বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়বে।’
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, বর্তমানে বাজারে লেনদেন হওয়া অনেক ফান্ড রয়েছে, যেগুলো এরই মধ্যে খাতওয়ারি ২৫ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ করে ফেলেছে। কিন্তু বাজারে দরপতন শুরু হওয়ার পর তা রোধে ফান্ডগুলো জোরালো কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।
বিশেষ করে যেসব শেয়ারের দাম বাড়লে তা মূল্যসূচকে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, সেসব শেয়ারে মিউচুয়াল ফান্ডগুলো বিনিয়োগ করতে চাইলে আইনি বাধ্যবাধকতা বা বিনিয়োগের সীমা থাকায় তা সম্ভব হচ্ছিল না। একইভাবে খাতওয়ারি বিনিয়োগেও অসুবিধা হচ্ছিল।
এ অবস্থায় দরপতন রোধে মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যেন আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে জন্য এসইসি এসংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করেছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/12/2011 1:08 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Dhaka stocks finish higher amid volatility
SEC member Mansur Alam steps down


FE Report
13.01.2011

Dhaka stocks rose Wednesday sharply for the two consecutive sessions after buying spree in financial issues pushed the turnover up amid volatility.

Market operators said strong buying in banking, non-banking and insurance issues by retail and institutional investors helped maintain the bullish trend on the Dhaka Stock Exchange (DSE) with turnover rising significantly.

The market opened with a flying start, rising 302 points in just ten minutes, and then followed volatile trading as it shed 124 points before its closure.

The benchmark DSE General Index (DGEN) surged by 2.38 per cent or 178.60 points to close at 7690.69, after a record gain of 1012 points or 15 per cent Tuesday.

The broader All Shares Price Index (DSI) moved up by 2.10 per cent or 131.43 points to 6380.79. The DSE-20 Index comprising blue chips was up by 1.15 per cent or 54.86 points to 4828.52.

The regulator's market friendly steps helped regain investors' confidence and the buying binge closed the market up, dealers said.

"Confidence is being restored among investors. I think the market is going to be stable in the coming days," said Ahmad Rashid Lali, managing director of the Rashid Investment Services.

The central bank is set to unveil its half-yearly monetary policy this month, he said, hoping that the policy would give some specific directions with regard to the capital market as it faces liquidity crisis.

Analysts, however, voiced doubt over the sustainability of the Tuesday's "unusual" gains stemming from the regulator's series of interventions.

Many of them called it a government intervention and it looked like an artificial spike as it rose more than 15 per cent or 1012 points - the highest one-day spiral.

Banking issues, the market's bellwether, continued to flex their muscle and gained 2.38 per cent.

Among the notable gainers, non-banking financial institutions 4.21 per cent, general insurance 6.28 per cent and life insurance 6.26 per cent, which helped the market maintain its upward trend.

Grameenphone, the most weighted shares in the DSE, lost 5.23 per cent.

The other major sectors--fuel and power and pharmaceuticals--lost 0.70 per cent and 0.41 per cent respectively.

Turnover sharply rose to Tk 16.50 billion, up by 69.0 per cent over the previous session. The gainers took the strong lead over the losers as out of 246 issues traded, 147 advanced, 94 declined and five remained unchanged.

On Tuesday, the DSE general index gained 1,012.65 points or 15.58 per cent to close at 7512.09, just a day after the Securities and Exchange Commission suspended trading of shares after free fall of 660 points within 50 minutes traded Monday.

United Commercial Bank topped Wednesday the turnover list with shares worth Tk 777.96 million changing hands.

The other turnover leaders were National Bank, United Airways, Southeast Bank, Bextex, Bay Leasing, AB Bank, Titas Gas, Peoples Leasing and Grameenphone.

Saiham Textile was the highest gainer posting a rise of 19.98 per cent followed by Prime Life Insurance, Square Textile, Uttara Finance, Standard Insurance, Karnaphuli Insurance, Federal Insurance, UCBL, Meghna Cement and Asia Pacific Insurance.

The day's prominent losers included AIBL First Mutual Fund, Standard Ceramics, Savar Refactories, Meghna Pet, Dulamia Cotton, Chittagong Vegetable, BSC, Hakkani Pulp and Papers, Rupali Bank and Reckitt Benckiser Bangladesh Ltd.

Meanwhile, the man blamed for the last year's major stock falloff stepped down from his post at the Securities and Exchange Commission (SEC) in a development that could assuage investors' worry, officials said.

SEC chairman Ziaul Haque Khondker told reporters Wednesday that Mr. Alam resigned Tuesday from his post on "personal grounds" and the Finance Ministry accepted his resignation letter.

He also said that the authority sent his resignation letter to the Ministry of Establishment Wednesday.

His resignation came weeks after controversial personal directive cause a major fall in the share market on December 08 last year.

Dhaka Stock Exchange's benchmark DGEN index sank more 6.37 per cent of 547 points in the first 80 minutes of trading on December 8, in a day of extreme volatility that saw market regain most of the losses in late hours to close at minus 1.56 per cent.

The steepest fall sparked wildcat street protests in Dhaka and half a dozen district towns by thousands of retail investors who sniffed conspiracy by a "vested group" in the sudden stocks fall.

Investors blamed two SEC orders that barred execution of share buying before cashing of cheques and misuse of netting facilities for the plunge.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/13/2011 1:24 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
]ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনে পুঁজিবাজার

ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

টানা দুই দিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর সূচক পতনের মধ্য দিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন শেষ হয়েছে। অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দরহ্রাসের পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেন কমেছে। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১০৬৩ কোটি টাকা। অধিকাংশ কোম্পানির দরহ্রাসকে স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন বলে অভিহিত করেছেন পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা। গত এক সপ্তাহে অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দর প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নেয়ায় ডিএসইতে মূল্য সংশোধন হয়েছে। এছাড়া গত এক মাসের টানা দরপতনের কারণে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার কারণে দরহ্রাস পেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা।
পুঁজিবাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, আজ ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতেই অধিকাংশ কোম্পানির দরবৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণসূচক ৩২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় অধিকাংশ শেয়ারের দর কমতে থাকে। লেনদেনের প্রথম এক ঘণ্টা পর্যন্ত ডিএসইতে সূচকের উত্থান-পতন লক্ষ করা গেছে। তবে এরপর থেকেই পুঁজিবাজারের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়, যা লেনদেনের শেষ সময় পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণসূচক ১১৪ পয়েন্ট হারিয়ে ৭৫৭৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অধিকাংশ কোম্পানির দরহ্রাসের সাথে সাথে কমেছে লেনদেন। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১০৬৩ কোটি টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৫৮৬ কোটি টাকা কম। আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ৪৪টির, কমেছে ১৯৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টির। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে দরবৃদ্ধির শীর্ষ কোম্পানির মধ্যে সিনো বাংলা, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, বিওসি, ইউসিবিএল, মুন্নু সিরামিক, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, শমরিতা হাসপাতাল উল্লেখযোগ্য।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এএএ/ এসসি/১৬.০৪ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 8 / 40 1 - 2 - 3.. - 6 - 7 - 8 - 9 - 10.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview