| 01/16/2011 4:49 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ডিএসইতে ইটিভি'র স্টুডিও বন্ধ
Sun, Jan 16th, 2011 4:36 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ১৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টিভির (ইটিভি) সরাসরি স¤প্রচার স্টুডিওটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্টের নির্দেশে রোববার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ডিএসই কর্তৃপক্ষ ইটিভি স্টুডিওতে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে ডিএসই'র ব্যাবস্থাপক (প্রশাসন) শেখ মোহাম্মদ উল্লাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমরা স্টুডিও উচ্ছেদ করছি না, কেবল আদালতের আদেশ পালন করছি।"
২০০৭ সালের ডিসেম্বরে ঢাকার শেয়ার বাজারের তাৎক্ষণিক খবর স¤প্রচারের লক্ষ্যে ইটিভি'র স্টুডিওটি চালু করা হয়।
গত বছর ১২ ডিসেম্বর ডিএসই'র সঙ্গে তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তবে স¤প্রচার কার্যক্রম বন্ধ না করার জন্য ইটিভি কর্তৃপক্ষের আবেদনে স্টুডিও উচ্ছেদের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/এমআই/১৬৩৫ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 4:50 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দরপতন দিয়ে সপ্তাহ শুরু
Sun, Jan 16th, 2011 12:28 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ১৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
সপ্তাহের শুরুর দিনে ঢাকার পুঁজিবাজারে সাধারণ সূচক কমেছে। সেইসঙ্গে কমেছে প্রায় সব শেয়ারের দাম।
রেকর্ড পতন এবং রেকর্ড উত্থানের পর গত সপ্তাহেও সূচক কমার মধ্য দিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষ হয়েছিল।
রোববার ডিএসইতে সাধারণ সূচক ১৪১.২৯ পয়েন্ট বা ১.৮৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৭৪৩৪.৫৯ পয়েন্ট। দুপুর ১.৪০ এর দিকে সূচকে দিনের সর্বোচ্চ ৩১৫ পয়েন্টেরও বেশি পতন হয়।
দিন শেষে শেয়ারের মোট লেনদেন দাঁড়ায় ১ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা।
লেনদেন হওয়া মোট ২৪৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মধ্যে দাম কমেছে ২১৫টির, বেড়েছে মাত্র ৩২টির।
ব্যাংকিংখাত, জ্বালানি ও সিমেন্টসহ ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা, বস্ত্র ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারেরও দাম কমেছে।
তবে ইন্সুরেন্স খাতে লেনদেন হওয়া সবগুলো শেয়ারেরই দাম কমেছে। এই খাতে একটি শেয়ারের লেনদেন হয়নি।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সপ্তাহের প্রথম দিনে মূল্য সূচক (সিএসসিএক্স) ৩৪২.৩৬ পয়েন্ট কমে দিন শেষে দাঁড়িয়েছে ১৩৫৫৬.৩০।
লেনদেন হওয়া মোট ১৮৪ টি শেয়ারের মধ্যে দাম কমেছে ১৬৯টির, বেড়েছে মাত্র ১৩টির এবং দাম অপরিবর্তিত ছিলো ২টির।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/এমআই/১৫৪৫ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 4:52 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বড় দরপতন দিয়ে শুরু ডিএসইর লেনদেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৪৩০ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৬, ২০১১
ঢাকা: বড় ধরনের দরপতন দিয়ে সপ্তাহ শুরু করল দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে দুপুর পর্যন্ত সূচক কিছু উঠানামা করলেও বেশিরভাগ সময়ই ছিলো নিম্নমুখী।
লেনদেন শুরুর ৩৫ মিনিটের মধ্যে ডিএসই’র সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৬০ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ৪১৫ ও পৌনে ১২টায় সাত হাজার ৩৮০ পয়েন্টে নেমে, ১২টা ১০ মিনিট পর্যন্ত কিছুটা ঊঠলেও আবারও নামতে থাকে। ১টা ৪০ মিনিটে এ সূচকের অবস্থান দাঁড়ায় সাত হাজার ২৬২ পয়েন্টে। আর ২টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কিছুটা উঠে দাঁড়ায় সাত হাজার ৩৭৪ পয়েন্টে।
দুপুর ২টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৫ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২২৪টির দাম কমেছে। বেড়েছে মাত্র ২০টির।
এক লাখ ২৯ হাজার ৫৩০ বারে হাতবদল হয় ছয় কোটি ৩০ লাখ ৩৪ হাজার ৩৫৩টি শেয়ার ও ইউনিট। এসবের মোট মূল্য ছিল প্রায় ৮২৬ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৩০ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৬, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 7:33 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এমএলএম ব্যবসা : লেনদেন স্থগিতের নির্দেশ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
Amar Desh
15.01.2011
ইউনিগেট ওয়ে ট্রেডিং কোম্পানি ও বিলিয়ন ভল্ট লিমিটেডের নামে দু’টি এমএলএম কোম্পানির সব ধরনের ব্যাংকিং লেনদেন স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ৩০ দিনের জন্য কোম্পানি দু’টির ব্যাংক হিসাব থেকে কোনো ধরনের ডেবিট বা অর্থ উত্তোলন করা যাবে না।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে এই নির্দেশ দিয়ে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে কোম্পানি দু’টির ব্যাংক হিসাবের পূর্ণাঙ্গ বিবরণী, হিসাব খোলার ফরমসহ যাবতীয় কাগজপত্রের ফটোকপি পাঠাতে বলেছে। কোম্পানি দু’টির নামে এরই মধ্যে ব্যাংক হিসাব বন্ধ হয়ে থাকলে তারও বিবরণী পাঠাতে বলা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগ থেকে পাঠানো এই বিশেষ নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোম্পানি দু’টির অনুকূলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আমদানি/রফতানি করা হয়ে থাকলে তাও বিবরণীর সঙ্গে জানাতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০৯-এর ২৩(১)(গ) ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এই নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পৃথক আরেকটি নির্দেশনায় কোরিয়ান দম্পতি কিয়ান সিক কিম প্রকাশ বিলি কিম ও তার স্ত্রী সুক হি বাং এবং তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ফেয়ারওয়েজ কর্পোরেশন, বিকে ডেভেলপমেন্ট লি., সাউথ খুলসী অ্যাপার্টমেন্ট লি., ও বিকে কোম্পানি লি.-এর নামে অতীতে ও বর্তমানে কোনো হিসাব পরিচালিত হয়ে থাকলে তাও জানাতে নির্দেশ দিয়েছে।
প্রতারণার আরেক নাম এমএলএম ব্যবসা—আর্থিক খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা এমনটাই বিশ্লেষণ করে বলেছেন, সারাদেশে জালের মতো ছড়িয়ে থাকা এমএলএম ব্যবসার প্রতারণা থেকে জনগণকে বাঁচাতে সরকারের পদক্ষেপ নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, লাইসেন্স প্রদানকারী সংস্থা, যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদফতর এ ধরনের কোম্পানি চালুর পথ বন্ধে জোরেশোরে উদ্যোগ গ্রহণ করুক।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এমএলএম কোম্পাানির কার্যক্রম নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিত জারি করেছে। এতে বলা হয়, কিছুৃ কিছু এমএলএম প্রতিষ্ঠান অবাস্তব মুনাফার লোভ দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও মাসিক ১০ ভাগ মুনাফার প্রলোভনও দেখানো হচ্ছে। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে বিদেশে স্বর্ণ বা বৈদেশিক মুদ্রা জমা রাখা বা এ ধরনের বিভিন্ন ব্যবসার নাম করে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়াই এসব প্রতিষ্ঠান বিদেশে টাকা প্রেরণ করছে, যা বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৪৭-এর লঙ্ঘন। তাছাড়া বাংলাদেশে সংগৃহীত তহবিল বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশে স্থানান্তর ও বিনিয়োগ বাংলাদেশ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০৯-এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জানা গেছে, ছয় থেকে দশ মাসের মধ্যে মূলধনসহ দ্বিগুণ অর্থ ফেরত দেয়ার মতো লোভনীয় টোপ দেখিয়ে মানুষকে প্রলুব্ধ করে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানিগুলো। বিদেশে স্বর্ণ এবং ডলারে বিনিয়োগসহ দেশের আইটি, শিক্ষা, গাছ এবং বিভিন্ন পণ্য বিক্রি ও প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অভিনব কায়দায় জনগণের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে কোম্পানিগুলো। সারাদেশে একযোগে প্রতারণামূলক এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে প্রায় এক দশক ধরে। এর আগে এ ধরনের বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক চক্রকে চিহ্নিত করে এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করা হলেও নাম পাল্টে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে তারা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কার্যক্রম।
এমএলএম কোম্পানিগুলোর কাছে প্রতিদিনই দেশের লাখ লাখ মানুষ নানাভাবে প্রতারিত হচ্ছে। কোনো রকম নীতিমালা না থাকার কারণে এই প্রতারণার মাত্রা তীব্র আকার ধারণ করেছে। কোনো রকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা না থাকায় শুধু যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদফতরে বা ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই রাতারাতি কোটিপতি বনে যাচ্ছে প্রতারক দল।
সম্প্রতি দেশের শেয়ারবাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ধস নামলে খোদ অর্থমন্ত্রী গত রোববার এই ধসের জন্য এমএলএম প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়ী করেন। বিশেষ করে ইউনিপেকে দায়ী করে তিনি বলেন, স্বল্প সময়ে অত্যধিক মুনাফার লোভ দেখানোর কারণে মানুষ অন্যান্য ব্যবসা ছেড়ে এসব কোম্পানির দিকে ঝুঁকছে।
দেশে এমএলএম ব্যবসার সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধারায় ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির ১১শ’ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হচ্ছে। এরই মধ্যে এর সিংহভাগ শেয়ার সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হয়ে গেছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি আমদানি করা বিভিন্ন পণ্য গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রি করছে।
যদিও বলা হয়, এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো বিজ্ঞাপন এবং এজেন্সি কমিশনের অর্থ খরচ করতে হয় না। ফলে সেই অর্থ ডিস্ট্রিবিউটরদের দেয়া হচ্ছে। এখানে অন্য কোনো প্রতারণা নেই। কিন্তু আসল চিত্র ভিন্ন। কিছু কিছু এমএলএম প্রতিষ্ঠান বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে পণ্য বিক্রি করে এবং তাকে দুইজন ডিস্ট্রিবিউটর তৈরি করার পরামর্শ দেয়। এসব ডিস্ট্রিবিউটরের থেকে তাদেরকে কমিশন দেয়ার লোভ দেখানো হয়। এখানে তাদের প্রতারণার চিত্র অত্যন্ত আধুনিক। কোম্পানিগুলো কয়েকটি ব্যক্তির মাধ্যমে প্রতারণা করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ এক ব্যক্তির নিকট একটি পণ্য ৭০০০ টাকায় বিক্রি করা হলো। পণ্যটি বাজার মূল্যের চেয়ে ২০০০ টাকা বেশি দাম রাখা হলো। উল্লেখ্য, কখনও কখনও এই বাজার মূল্যের চেয়ে তাদের মূল্য আরো অনেক বেশি হয়ে থাকে। এখন ওই ব্যক্তি আরো দু’ব্যক্তিকে তার ডিস্ট্রিবিউটর বৃদ্ধি করলো। প্রতিষ্ঠান এই তিনজনের কাছ থেকে মোট ছয় হাজার টাকা অতিরিক্ত আদায় করলো। এখানে প্রথম ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠান কমিশন হিসেবে ডিস্ট্রিবিউটর বৃদ্ধির জন্য দুইশত করে মোট চারশত টাকা দিল। এখানে কমিশন দেয়ার পর প্রতিষ্ঠানের মুনাফা দাঁড়ালো ৫৬০০ টাকা। এভাবে প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যক্তি আরও দু’জন করে ডিস্ট্রিবিউটর বৃদ্ধি করলো। এভাবে কোম্পানির মুনাফার পরিমাণ বাড়তেই থাকে। ডিস্ট্রিবিউটররা কমিশন পায় তবে তা অনেক কম হারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই পদ্ধতিকে একটি পিরামিডের সঙ্গে তুলনা করা যায়। যেখানে পিরামিডের উপরের দিকের ডিস্ট্রিবিউটররা লাভবান হয় আর নিচের দিকের ডিস্ট্রিবিউটররা বঞ্চিত হয়ে থাকে।
১৯৯৯ সালে গ্লোবাল গার্ডিয়ান নেটওয়ার্ক বাংলাদেশে প্রথম এমএলএম ব্যবসা শুরু করে। ২০০১ সালে দেশের সাধারণ মানুষের প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ভেগে যায়। এ সময় থেকেই দেশে ব্যবসার নামে এই অভিনব প্রতারণা শুরু হয়। দেশব্যাপী ব্যাপক প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে ইউনি গ্রুৃপের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। স্বর্ণ-ডলার কেনার নামে এবং ১০ মাসে দ্বিগুণ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কোনো জামানত ছাড়াই টাকা নিচ্ছে তারা।
ইউনিপে টু ইউ, ইউনিপে টু ইউ বাংলাদেশ লিমিটেড, ভিসারেব, ইউনিগোল্ড টু ইউ, ইউনিগেটওয়ে টু ইউ, বিভিন্ন নামে ব্যবসা চলছে। এছাড়া নিউ ওয়ে, ই-লিং, ব্রাবো আইটি লিমিটেড, রিচ বিজনেস সিস্টেমস, এমএক্সএন, বিডি লিংক, গোল্ড এন্ড ট্রেড, স্মার্ট লাইনসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এমএলএম ব্যবসা করছে। এর মধ্যে জিজিএনসহ বেশ কয়েকটি এমএলএম প্রতিষ্ঠান প্রতারণার দায়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।
জানা গেছে, এমএলএম প্রতিষ্ঠানগুলো রাজধানী ঢাকার সীমানা ছাড়িয়ে এখন দেশের প্রত্যন্ত গ্রামে চলে গেছে। চট্টগ্রাম, সিলেট, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ময়মনসিংহ, কক্সবাজার, কুমিল্লা, বরিশাল, খুলনা, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জনসাধারণের কাছ থেকে এরা অর্থ সংগ্রহ করছে।
উল্লেখ্য, যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদফতরের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে এমএলএম কোম্পানির সংখ্যা ৭০টি। ২০০২ সালে ছিল ১৬টি এবং ২০০৬ সালে দেশে এমএলএম কোম্পানি ছিল ২৪টি।
সম্প্রতি গ্রেট ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি এমএলএম কোম্পানির কর্মকর্তারা প্রায় ২৫০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকার নয়টি শাখার মাধ্যমে তারা এ প্রতারণা করে।
বিশেষজ্ঞরা মত দেন যে, এই অবস্থায় আপাতত কোম্পানিগুলোকে নতুন করে কোন পলিসি খুলতে না দিয়ে বা কোম্পানিগুলো বন্ধ না করে বরং তাদের ব্যবসা পরিচালনায় আইনগত নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রমকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা যেতে পারে। এতে অবশ্যই বিনিয়োগকারীদের প্রতি নজর রাখতে হবে এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে বৈধতা আনতে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 12:48 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
দুই স্টক এক্সচেঞ্জে দরপতন অব্যাহত
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১৬-০১-২০১১
Prothom Alo
দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আজ রোববার দরপতন অব্যাহত রয়েছে। ফলে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের পতন হয়েছে। এর পাশাপাশি বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমেছে। তবে আর্থিক লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। গত বৃহস্পতিবারও উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে দরপতন হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা যায়, দরপতনের মধ্য দিয়ে আজ ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। দুপুর একটা ৪০ মিনিটের দিকে সাধারণ মূল্যসূচক ৩১২ পয়েন্ট নেমে যায়। এরপর সূচক কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ১৪১ পয়েন্ট কমে ৭৪৩৪.৫৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩২টির এবং কমেছে ২১৫টির। ডিএসইতে আজ এক হাজার ১৬৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে ১০৩ কোটি টাকা বেশি। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে এক হাজার ৬৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়।
এদিকে খাত অনুযায়ী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ডিএসইতে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যাংকিং খাতের ৩০টির মধ্যে আজ ২৫টির দাম কমেছে। অন্যান্য খাতগুলোর মধ্যে সিমেন্ট খাতের পাঁচটির মধ্যে চারটির, সিরামিক খাতের পাঁচটির মধ্যে সবকটির, প্রকৌশল খাতের ২১টির মধ্যে ১৮টির, লিজিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২১টির মধ্যে ২০টির, খাদ্য খাতের ১৩টির মধ্যে সবকটির, জ্বালানি খাতের ১১টির মধ্যে ১০টির, বিমা খাতের ৪৪টির মধ্যে ৪৩টির, আইটি খাতের পাঁচটির মধ্যে সবকটির, বিবিধ খাতের নয়টির মধ্যে আটটির, মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ৩২টির মধ্যে ২৫টির, ওষুধ খাতের ১৯টির মধ্যে ১০টির ও বস্ত্রখাতের ২২টির মধ্যে ২০টির দাম কমে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ খাতের একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের শেয়ারের দামও কমেছে আজ।
ডিএসইতে আজ লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো, এনবিএল, ইউসিবিএল, বেক্সিমকো, গ্রামীণফোন, এবি ব্যাংক, তিতাস গ্যাস, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, স্কয়ার ফার্মা, সাউথইস্ট ব্যাংক ও বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে স্কয়ার ফার্মার শেয়ারের দাম। এ ছাড়া বাটা সু, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, লিব্রা ইনফিউশন, অ্যাপেক্স ট্যানারি, অ্যাপেক্স এডালচি, এসিআই ফর্মুলেশন, ট্রাস্ট ব্যাংক, দ্বিতীয় আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড ও পাওয়ারগ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
আজ সবচেয়ে বেশি কমেছে সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, সাভার রিফ্রাক্টরিজ, পিপলস ইনস্যুরেন্স, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস, এআইবিএল প্রথম ইসলামী মিউচুয়াল ফান্ড, বঙ্গজ, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, নিটল ইন্স্যুরেন্স ও পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে। আজ ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল তিন লাখ ২২ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকা।
অপরদিকে সিএসই সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ সাধারণ সূচক ৫৩৩.৪৫ পয়েন্ট কমে ২০৯৭৫.৬১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩টির, কমেছে ১৬৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মোট দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া আর্থিক লেনদেন হয়েছে ১২০ কোটি টাকার, যা গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে ২৭ কোটি টাকা বেশি। বৃহস্পতিবার সিএসইতে ৯৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 12:49 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
প্রাথমিক শেয়ার ছাড়বে সামিট শিপিং
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৬-০১-২০১১
Prothom alo
প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে শেয়ার ছেড়ে জনসাধারণের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহের প্রস্তুতি শুরু করেছে সামিট শিপিং লিমিটেড (এসএসএল)।
প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে আগামী ২০ দিনের মধ্যেই বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কাছে শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন চাইবে কোম্পানিটি।
এসইসির অনুমোদন পেলে এটিই হবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেসরকারি খাতের প্রথম শিপিং কোম্পানি।
এসএসএল শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী সামিট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
কোম্পানিটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের তিন কোটি শেয়ার ছাড়বে। তবে প্রতিটি শেয়ারের প্রস্তাবিত মূল্য কত হবে, বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়মানুযায়ী তা দরপত্রের মাধ্যমে ঠিক করা হবে। এ পদ্ধতিতে চূড়ান্ত দরপত্রে যাওয়ার আগে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য (ইনডিকেটিভ প্রাইস) ঠিক করতে হয়। এরই অংশ হিসেবে ২০ জানুয়ারি রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে রোড শো বা প্রদর্শনীর আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি।
এসএসএল সূত্র জানায়, তাদের পক্ষ থেকে প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৭০ টাকা প্রিমিয়ামসহ (অভিহিত মূল্যের অতিরিক্ত) ৮০ টাকা নির্দেশক মূল্য প্রস্তাব করা হবে। তবে প্রকৃত নির্দেশক মূল্য কী হবে, তা নির্ধারিত হবে অংশগ্রহণকারী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাবিত মূল্যের গাণিতিক গড়ের ভিত্তিতে। এভাবে নির্ধারিত নির্দেশক মূল্যের ভিত্তিতেই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের চূড়ান্ত দরপত্র প্রস্তাবে অংশ নিতে হবে। এ সময় তারা নির্দেশক মূল্যের ২০ শতাংশ কম বা বেশি দরপ্রস্তাব করতে পারবে। তবে এর আগে নির্দেশক মূল্য এসইসি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।
এসএসএলের বর্তমান পরিশোধিত মূল্য ৫০ কোটি টাকা। নতুন করে শেয়ার ছাড়ার পর এর পরিমাণ বেড়ে ৮০ কোটিতে গিয়ে ঠেকবে। কোম্পানিটি যদি প্রস্তাবিত নির্দেশক মূল্যেও শেয়ার বিক্রি করতে পারে, তাহলে বাজার থেকে ন্যূনতম ২৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে পারবে।
কোম্পানি সূত্র জানায়, এর মধ্যে ২৫ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ব্যয় করা হবে। আর ঋণমুক্ত হলে কোম্পানিটির অতিরিক্ত মুনাফা যোগ হবে বছরে তিন কোটি টাকা। ১৮০ কোটি টাকা (শুল্ক, কর ও প্রাক-পরিচালন ব্যয়সহ) ব্যয় করা হবে দুটি সমুদ্রগামী জাহাজ কেনার জন্য। এ জন্য জাপানভিত্তিক কাইয়ো করপোরেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক চুক্তি সই হয়েছে। জাহাজ দুটি কেনার পর ৪০ হাজার টন অতিরিক্ত পরিবহন ক্ষমতা বাড়বে কোম্পানিটির। এতে তাদের সম্ভাব্য মুনাফা ২০ কোটি টাকা বাড়বে বলে কোম্পানি সূত্র জানায়।
বর্তমানে এসএসএলের বহরে ছয়টি তেলবাহী জাহাজ রয়েছে। যেগুলোর বহনক্ষমতা এক হাজার ২০০ টন থেকে দুই হাজার ৫০০ টন পর্যন্ত। এ ছাড়া আইপিওর টাকা দিয়ে নারায়ণগঞ্জে একটি ট্যাংক টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে কোম্পানিটির।
২০১০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দেখানো হয়েছে দুই টাকা ১৪ পয়সা।
ব্যাংককো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এসএসএলের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পেয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 12:51 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার রাজনীতির হাতিয়ার করতে মেতেছে বিশেষ গোষ্ঠী
বাজার চাঙ্গা করতে সরকারের জরুরী সিদ্ধানন্ত
রাজু আহমেদ ॥
THe Daily Janakantha
16.01.2011
দেশের পুঁজিবাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে একটি বিশেষ গোষ্ঠী। বাজারে পরিকল্পিত ধস নামিয়ে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষুব্ধ করে তোলার জন্য নানামুখী তৎপরতা চলছে। তিনটি বিভাগের পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে রবিবার শেয়ারবাজারে আরেক দফা অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়েছে ওই চক্রটি। তবে আগে থেকেই বিষয়টি আঁচ করতে পেরে নানামুখী প্রচেষ্টার মাধ্যমে তাদের সেই চেষ্টা আপাতত ব্যর্থ করে দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এ ছাড়া বিশ্বকাপ ক্রিকেট সামনে রেখে আবারও এ ধরনের অপচেষ্টা চালিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ৰুণ্ন করার চেষ্টা হতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। এ অবস্থায় বাজারে অর্থ প্রবাহ বাড়াতে সরকারের দিক থেকে কার্যকর পদৰেপ নেয়া না হলে বাজারের মন্দা পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে বিশেষ গোষ্ঠীর পৰে সহজেই বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করা সম্ভব বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
এসইসির শীর্ষস্থানীয় একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কমিশনের কাছে খবর ছিল_ রবিবার শেয়ারবাজারে পরিকল্পিত অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে। এ কারণে আগে থেকেই সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক ছিলেন। কমিশনের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখার জন্য সব রকম প্রচেষ্টা চালানো হয়। এ কারণে দিনের শুরুতে উল্লেখযোগ্য দরপতনের পরও শেষ পর্যন্ত বড় কোন বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোম ও মঙ্গলবার ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে একটি বিশেষ রাজনৈতিক মহল শেয়ারবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছিল। তাদের মতাদর্শের ৩০ থেকে ৩৫টি ব্রোকারেজ হাউস এবং কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংককে কাজে লাগিয়ে বাজারে বড় ধরনের দরপতনের চেষ্টা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী দিনের শুরম্নতেই ওই সব প্রতিষ্ঠান থেকে বাজারে শেয়ার বিক্রির চাপ তৈরি করা হয়। বিশেষ করে মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ার তুলনামূলক কম দরে বিক্রি করতে থাকায় বাজার সূচক ব্যাপক হারে পড়ে যেতে থাকে। এক পর্যায়ে লেনদেন হওয়া ৯৮ শতাংশ শেয়ারের দর আগের দিনের তুলনায় কমে যায়। ওই সময় ডিএসই সাধারণ সূচক ৩১২ পয়েন্ট হ্রাস পায়। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে গত সপ্তাহের মতো আরেক দফা বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়। এ সময় কোন কোন হাউস থেকে বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে আসারও প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে এসইসির পৰ থেকে নানামুখী উদ্যোগের কারণে বাজারে কেনার চাপ বাড়তে থাকায় শেয়ারের দরও উর্ধমুখী হয়ে ওঠে। শেষ পর্যনত্ম বড় কোন অঘটন ছাড়াই দিনের লেনদেন শেষ করা সম্ভব হয়েছে।
জানা গেছে, বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা সম্পর্কে এসইসির কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য ছিল। এ কারণে দিনের লেনদেন শুরম্নর পর পরই পরিস্থিতি সামাল দিতে কমিশনের পৰ থেকে তৎপরতা শুরম্ন হয়। এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার এবং সার্ভিলেন্স বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলী দিনের অধিকাংশ সময় সার্ভিলেন্স কৰে সশরীরে অবস্থান করে শেয়ারবাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেছেন। এ সময় কমিশনের পৰ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করে শেয়ারবাজারে অর্থ প্রবাহ বাড়ানোর চেষ্টা চালানো হয়। এ ছাড়া বিক্রির হার কমিয়ে শেয়ার কেনার চাপ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানকে অনুরোধ জানানো হয়।
সূত্র জানায়, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনায় পুঁজিবাজারে অস্থিরতা সামাল দিতে এক পর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকও তৎপর ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পৰ থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সরকারী প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) তাৎৰণিকভাবে ২০০ কোটি টাকা তহবিল ঋণ দেয়া হয়। এই তহবিল ব্যবহার করে দিনের লেনদেনের মাঝামাঝি সময়ে আইসিবি শেয়ার কিনতে শুরম্ন করে। এ কারণে বেলা দুইটার দিকে শেয়ারবাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা শুরম্ন হয়। দিনের লেনদেন শেষে অধিকাংশ শেয়ারের দর আগের দিনের তুলনায় কম থাকলেও প্রথম দিকের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। এর ফলে সূচক হ্র্রাসের পরিমাণ ৩১২ পয়েন্ট থেকে দিনশেষে ১৪১ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
এদিকে ডিএসইর লেনদেন বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে কয়েক দফা রেকর্ড দরপতনের সময় সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করা প্রতিষ্ঠানগুলো রবিবারও একই ধরনের ভূমিকা পালন করেছে। এ ছাড়া বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান লেনদেনে নিষ্ক্রিয় থেকে বাজারের নিম্নমুখী প্রবণতাকে সমর্থন জুগিয়েছে। ডিএসইর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজ সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করেছে। প্রতিষ্ঠানটি সর্বমোট ৯৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৭ হাজার ৮৬৮ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে লঙ্কাবাংলার কেনা শেয়ারের মূল্য ছিল ৭৩ কোটি ২৩ লাখ ৬৪ হাজার ১৮ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার ক্রয়ের তুলনায় বিক্রির পরিমাণ ছিল ২১ কোটি ৫৯ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫০ টাকা বেশি। বিক্রির দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা আল আরাফা ব্যাংক ৩৬ কোটি ১৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬৯০ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে কিনেছে ১৯ কোটি ১০ লাখ ১৩ হাজার ৪২৪ টাকার শেয়ার। এই প্রতিষ্ঠানের নিট বিক্রির পরিমাণ ১৭ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৬৬ টাকা বেশি। এ ছাড়া পিএফআই সিকিউরিটিজ ২৬ কোটি টাকা, আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ ২৬ কোটি টাকা, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ২৩ কোটি টাকা, ফারইস্ট স্টক এ্যান্ড বন্ড ২৮ কোটি টাকা, আইডিএলসি ২১ কোটি টাকা, ফখরম্নল ইসলাম সিকিউরিটিজ ২৩ কোটি টাকা, মিউচু্যয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ২৩ কোটি টাকা এবং ওইফ্যাং সিকিউরিটিজ ২৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে এ সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার পরিমাণ ছিল অনেক কম। এ ছাড়া শাহজালাল ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, এসইএস সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক, সিএমএসএল সিকিউরিটিজ, এসসিএল সিকিউরিটিজ, ন্যাশনাল ব্যাংক, রয়েল ক্যাপিটাল, ঢাকা ব্যাংক এবং হ্যাক সিকিউরিটিজের শেয়ার বিক্রির পরিমাণ ক্রয়ের তুলনায় অনেক বেশি ছিল।
অন্যদিকে সরকারী প্রতিষ্ঠান আইসিবি সিকিউরিটিজ এককভাবেই শেয়ার কিনেছে ২২৯ কোটি ৩৫ লাখ ৬৮ হাজার ২৩০ টাকার। এর বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি ২৭ কোটি ৪৮ লাখ ৪৭ হাজার ৬ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। ফলে আইসিবির নিট ক্রয়ের পরিমাণ ছিল ২০১ কোটি ৮৭ লাখ ২১ হাজার ২২৪ টাকা। ক্রয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্র্যাক ইপিএল। এই প্রতিষ্ঠানটি ২৪ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। এর বিপরীতে বিক্রি করেছে ১২ কোটি টাকার শেয়ার। এ ছাড়াও ক্রয়ের দিক থেকে শীর্ষ তালিকায় ছিল বিএলআই সিকিউরিটিজ, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মাল্টি সিকিউরিটিজ, এসএআর সিকিউরিটিজ, এবি সিকিউরিটিজ, সিনহা সিকিউরিটিজ, শাকিল রিজভী স্টক লিমিটেড এবং সুইফট ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।
এদিকে এসইসির পৰ থেকে নানামুখী পদৰেপ নেয়া হলেও পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট কাটছে না। প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে না পেরে অধিকাংশ মার্চেন্ট ব্যাংকই মার্জিন ঋণের হার বাড়াতে পারেনি। গত এক মাসের মধ্যে মার্জিন ঋণের হার ১ঃ০.৫ থেকে তিন দফায় বাড়িয়ে ১ঃ২ করা হয়েছে। এ ছাড়া মার্জিন ঋণ নির্ধারণের ৰেত্রে শেয়ারের প্রকৃত সম্পদ মূল্যভিত্তিক (এনএভি) হিসাব পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়েছে। ওই পদ্ধতি কার্যকর থাকায় গত ১৩ ডিসেম্বর পর্যনত্ম মার্জিন ঋণের প্রকৃত হার ছিল ১ঃ০.২৫। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে মার্জিন ঋণের হার প্রায় ৮ গুণ বেড়ে যাওয়ায় সে অনুযায়ী তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। এ কারণেই অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান বর্ধিত হারে ঋণ দিতে পারছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অর্থ সঙ্কটের কারণে কোন প্রতিষ্ঠানই এখন পর্যনত্ম এসইসির ঘোষণা অনুযায়ী বর্ধিত হারে ঋণ দিতে পারেনি। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই ১ঃ০.৭৫ থেকে ১ঃ১ হারে ঋণ প্রদান করছে।
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংক ঋণের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকটি নির্দেশনার কারণে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। গত ১ নবেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের মাস্টার সাকর্ুলারে ব্যাংকগুলোকে তাদের সাবসিডিয়ারি মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউসকে ঋণ প্রদানের ৰেত্রে একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়। একক গ্রাহক ঋণসীমা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে তার মূলধনের ১৫ শতাংশের বেশি ঋণ দিতে পারে না।
এর আগে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংকের নিজস্ব বিভাগ বা ইউনিট হিসাবে কাজ করায় তাদের দেয়া মার্জিন ঋণ ব্যাংকের নিজস্ব বিনিয়োগ হিসাবে ধরা হতো। ফলে এৰেত্রে ঋণের কোন সীমা নির্ধারিত ছিল না। কিন্তু মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো সাবসিডিয়ারি কোম্পানি হয়ে যাওয়ায় মার্জিন ঋণ দেয়ার জন্য তাদের ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নিতে হয়। সেৰেত্রে আলাদা কোম্পানি হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠানও তাদের মূলধনের ১৫ শতাংশের বেশি ঋণ নিতে পারে না। পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে এই বিধানের প্রয়োগ শিথিল করার ঘোষণা দেয়া হয়। তবে এখন পর্যনত্ম এ বিষয়ে কার্যকর কোন উদ্যোগ না নেয়ায় মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো তাদের মূল ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিতে পারছে না। এ কারণে এ সব প্রতিষ্ঠান মার্জিন ঋণের হার বাড়াতে পারছে না।
বিশেস্নষকদের মতে, তারল্য সঙ্কটই বর্তমানে পুঁজিবাজারের প্রধান সমস্যা। প্রায় দু'বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ সমাগমের পর নানা দিক থেকে কড়াকড়ির কারণে হঠাৎ করে তারল্য সঙ্কট সৃষ্টি হওয়ায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিশেষ কোন মহল যে কোন সময় বাজারে বড় ধরনের ধস নামিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যসাধনের চেষ্টা করতে পারে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 12:52 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ওটিসি মার্কেট থেকে ১০ কোম্পানিকে মূল মার্কেটে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
দৈনিক সংবাদ
17.01.2011
কাগুজে শেয়ার থেকে ইলেকট্রনিক শেয়ারে রূপান্তরিত হওয়ায় ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে লেনদেন করা ১০ কোম্পানিকে স্বাভাবিক মার্কেটে ফিরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল এসইসির বাজার পর্যালাচনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আগামী ২৩ জানুয়ারি থেকে ওই ১০ কোম্পানির লেনদেন স্বাভাবিক মার্কেটে শুরু হবে। এসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ এসইসির এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
ওটিসি মার্কেট থেকে মূল মার্কেটে ফিরিয়ে নেয়া কোম্পানিগুলো হচ্ছে_ বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড, সমতা লেদার কমপ্লেক্স লিমিটেড, আনলিমা ইয়ার্ন ডায়িং লিমিটেড, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মডার্ন ডায়িং এন্ড স্ক্রিন প্রিন্টার্স লিমিটেড, জিল বাংলা সুগার মিলস, শ্যামপুর সুগার মিলস, রেনউইক জজ্ঞেশ্বর এন্ড কোম্পানি লিমিটেড, নর্দার্ন জুট ম্যানুফাকচারিং লিমিটেড এবং ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।
এদিকে পুঁজিবাজারে আবারও মূল্য সংশোধনের ধারা অব্যাহত রয়েছে। দিনভর উত্থান-পতনের পর গতকাল লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক কমেছে ১৪১ পয়েন্ট। লেনদেন শুরুর দিকে সূচক বড় ধরনের পতনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা থেকে রক্ষা পেয়েছে। মূলত ব্যাংকের শেয়ারের দর বড় পতনের হাত থেকে ফিরে আসায় হারানো সূচক কিছুটা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। প্রায় ৮৫ শতাংশ শেয়ারের দর হ্রাসের মধ্যদিয়ে গতকাল ডিএসইর লেনদেন শেষ হয়েছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরুতেই অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের কারণে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। দুপুর ২টা পর্যন্ত সূচক ধারাবাহিকভাবে পতন ঘটতে থাকে। এ সময় সূচক সর্বোচ্চ ৩১২ পয়েন্ট পতন হয়। তবে বেলা ২টার পর ব্যাংক, ইনস্যুরেন্সসহ মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারের হারানো দর কিছুটা পুনরুদ্ধার হলে সূচক বড় ধরনের পতনের হাত থেকে রক্ষা পায়। গতকাল লেনদেন শেষে ডিএসইর সাধারণ সূচক ১৪১ পয়েন্ট কমে ৭৪৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক পতন ঠেকাতে মার্জিন ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ১:২ করা, নন মার্জিনেবল সিকিউরিটিজে নেটিং সুবিধা প্রদান, স্পট মার্কেটে থাকা ১৪টি কোম্পানিকে মূল মার্কেটে স্থানান্তরসহ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সীমা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা শিল্প ঋণের অর্থ সমন্বয় শিথিল ও একক ঋণগ্রহীতা বিশেষ করে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর জন্য নির্ধারিত ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১১ জানুয়ারি পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১০১২ পয়েন্ট সূচক বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে সেদিন প্রায় ২০০ কোম্পানির দর সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সেসব কোম্পানির লেনদেন স্থগিত হয়ে যায়। তবে শেয়ারের দরে অতিমূল্যায়ণের কারণেই আবারও বড় ধরনের মূল্য সংশোধনের আশঙ্কা করছেন পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ৩২টির, কমেছে ২২৫টির।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ২৪৭টি কোম্পানির ৮ কোটি ৬৯ লাখ ৫৮ হাজার ৮৪৫টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ ১১৬৬ কোটি ৬১ লাখ ৮৭ হাজার ৫১ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১০৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা বেশি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪১.৩০ পয়েন্ট কমে ৭৪৩৪.৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৪.৩৮ পয়েন্ট কমে ৪৭৩২.৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ২৪৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩২টির এবং কমেছে ২১৫টি কোম্পানির শেয়ার। লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো_ ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, ইউসিবিএল, বেক্সিমকো, গ্রামীণফোন, এবি ব্যাংক লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, স্কয়ার ফার্মা, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড ও বে-লিজিং। দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো_ স্কয়ার ফার্মা, বাটা সু, হাইডেলবার্জ সিমেন্ট, লিব্রা ইনফিউশন, এপ্রেক্স ট্যানারি, এপেক্স এডালচি, এসিআই ফরমুলেশন, ট্রাস্ট ব্যাংক, ২য় আইসিবি ও পাওয়ার গ্রিড। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো_ সিটি ইনস্যুরেন্স, ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, পিপলস ইনস্যুরেন্স, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, এআইবিএল ১ম ইসলামী মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বঙ্গজ লিমিটেড, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, নিটোল ইনস্যুরেন্স ও পাইওনিয়ার ইনস্যুরেন্স। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 12:58 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত
বিক্রির চাপ বেড়ে যাওয়ায় অধিকাংশ শেয়ারের মূল্য হ্রাস
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
17.01.2011
পুঁজিবাজারে নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। সপ্তাহের প্রথম লেনদেনে বিক্রির চাপ বেশি থাকায় অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর আগের দিনের তুলনায় কমে গেছে। অবশ্য দিনের অধিকাংশ সময় দরপতনের মাত্রা ব্যাপক হলেও শেষদিকে এসে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়। এ কারণে শুরুতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আরেকটি বড় দরপতনের আশঙ্কা ভর করলেও দিন শেষে মূল্য সংশোধনকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন বিশেস্নষকরা।
বিশেস্নষণে দেখা যায়, রবিবার লেনদেনের শুরুতেই অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের কারণে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। বেলা দেড়টা পর্যন্ত একটানা দরপতনের ধারা অব্যাহত ছিল। এ সময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে মাত্র ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দর আগের দিনের চেয়ে বেশি ছিল। এর বিপরীতে দর হারিয়েছিল ২৪৩টি কোম্পানি। এ সময় পর্যন্ত ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৩১২ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর কিছু সময়ের জন্য স্থির থেকে পৌনে দু'টা থেকে অধিকাংশ শেয়ারের হারানো দর পুনরুদ্ধার শুরু হয়। এরমধ্যে ব্যাংকিং খাতের দরবৃদ্ধির মাত্রা ছিল অন্যান্য খাতের তুলনায় বেশি। একইসঙ্গে বীমাসহ মৌলভিত্তিসম্পন্ন বেশকিছু কোম্পানির শেয়ারের হারানো দর কিছুটা পুনরুদ্ধার হলে সূচক বড় ধরনের পতনের হাত থেকে রক্ষা পায়। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪১ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৭৪৩৪ পয়েন্টে। শেষ পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৭টি কোম্পানি ও মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ৩২টির। এর বিপরীতে কমেছে ২২৫টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
বাজার বিশেস্নষকদের মতে, গত সপ্তাহের প্রথম দু'দিনের রেকর্ড দরপতনের সময় যেসব বিনিয়োগকারী শেয়ার কিনেছিলেন ইতোমধ্যেই সেসব শেয়ার বিক্রির উপযোগী (ম্যাচিউড) হয়েছে। মঙ্গল ও বুধবার ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে অধিকাংশ শেয়ারেই ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যনত্ম মুনাফা অর্জিত হয়েছে। বাজারের গতি-প্রকৃতি নিয়ে সংশয় পুরোপুরি কেটে না যাওয়ায় অধিকাংশ বিনিয়োগকারীই ওই মুনাফা তুলে নিতে তৎপর ছিলেন। মূলত এ কারণেই বৃহস্পতিবারের পর রবিবারেও পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রির চাপ বেশি ছিল। এর পাশাপাশি রবিবার বেশ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস থেকে অস্বাভাবিক বিক্রির চাপ লৰ্য করা গেছে। মন্দা বাজারে ব্রোকারেজ হাউসের এ ধরনের প্রবণতার পেছনে কোন উদ্দেশ্য ছিল কিনা_ তা খতিয়ে দেখা দরকার বলে অনেকে মনে করেন।
মূলত বিক্রির চাপ বেশি হওয়ার কারণেই দিনের শুরম্ন থেকে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যেতে থাকে। দিনের শুরম্নর দিকে আরেক দফা বড় দরপতনের আশঙ্কা পেয়ে বসায় অনেক বিনিয়োগকারী আতঙ্কেও শেয়ার বিক্রি করেছেন। এ কারণেই বাজার সূচকে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সামগ্রিকভাবে শেয়ারবাজার বর্তমানে স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
এদিকে অধিকাংশ শেয়ারের দর নিম্নমুখী হলেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। সারা দিনে ৮ কোটি ৬৯ লাখ ৫৮ হাজার ৮৪৫টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৬৬ কোটি ৬১ লাখ ৮৭ হাজার ৫১ টাকা_ যা আগের দিনের চেয়ে ১০৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা বেশি।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক পতন ঠেকাতে গত সপ্তাহে মার্জিন ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ১:২ নির্ধারণ করে এসইসি। এছাড়া ঋণ-অযোগ্য কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে আর্থিক সমন্বয় (নেটিং) সুবিধা সিকিউরিটিজে নেটিং সুবিধা প্রদান, স্পট মার্কেটে থাকা ১৪টি কোম্পানিকে মূল মার্কেটে স্থানানত্মরসহ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সীমা প্রত্যাহারের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা শিল্প ঋণের টাকা সমন্বয়ের সময়সীমা এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর নেয়া ঋণের সীমা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এসব সিদ্ধানত্মের প্রভাবে ১১ জানুয়ারি পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১০১২ পয়েন্ট সূচক বৃদ্ধি পায়। পরদিনও দরবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলেও বৃহস্পতিবার থেকে পুঁজিবাজারে আরেক দফা মূল্য সংশোধনের ধারা শুরু হয়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 12:59 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | নগদ অর্থ সংগ্রহে নেমেছে ব্যাংক
খায়রুল হোসেন রাজু ॥
The Daily Jana Kantha
17.01.2011
বাজারে নগদ অর্থ (তারল্য) সঙ্কট সমাধানে তফসিলী ব্যাংকগুলো ব্যাংক টু ব্যাংক, গ্রাহক এবং বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি থেকে ডিপোজিট সংগ্রহ করছে। ডিপোজিট সংগ্রহের ৰেত্রে ব্যাংক টু ব্যাংক প্রায় ১৫ শতাংশ এবং গ্রাহকদের থেকে ১৪ শতাংশ হার সুদ প্রদান করা হচ্ছে। এদিকে পুঁজিবাজার চাঙ্গা করতে রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) ২শ' কোটি টাকা তহবিল বরাদ্দ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পুঁজিবাজার স্বাভাবিক রাখতেই এ উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানা গেছে।
বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যেগুলো অনেক আগে থেকেই পুঁজিবাজারে অনেক বেশি বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু সম্প্রতি পুঁজিবাজারে দরপতন দেখা দেয়ায় ব্যাংকগুলো লোকশান দিয়ে তাদের শেয়ারে বিনিয়োগকৃত অর্থ তুলে নিতে পারছে না। এ ছাড়া একাধিক ব্যাংক তাদের ডিপোজিটের তুলনায় অনেক বেশি ঋণ বিতরণের লৰ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি রয়েছে ব্যাংকগুলোর ফান্ড ম্যানেজমেন্টদের দক্ষতার অভাব। এসব কারণেই মূলত বাজারে তারল্যের সঙ্কট দেখা দিচ্ছে।
জানা গেছে, ব্যাংকগুলো তারল্য সঙ্কট দেখা দেয়ায় কলমানি (স্বল্প সময়ের জন্যে ধার করা অর্থ) থেকে নগদ অর্থ সংগ্রহ করায় সুদের হার প্রায় ১৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছিল। এতে মানি মার্কেটে আতঙ্ক দেখা দিলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জোরালো ভূমিকা নেয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে কলমানির লেনদেনে সতর্ক করে দেয়া হয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে। একই সঙ্গে কলমানির সুদের হার ১৯০ শতাংশ থেকে ধীরে ধীরে কমিয়ে সর্বশেষ ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। যাতে করে ব্যাংকগুলো কম সুদে কলমানি থেকে অর্থ ধার করে প্রয়োজনীয় ব্যয় মিটাতে পারে। কিন্তু এরপরও মানি মার্কেটে নগদ অর্থের সরবরাহের ব্যাপক সঙ্কট রয়েছে। আর বিদ্যমান সঙ্কট কাটাতে ব্যাংকগুলো ব্যাংক টু ব্যাংক ১৫ শতাংশ হার সুদে ডিপোজিট সংগ্রহ করছে। সেই সঙ্গে ডিপোজিটরদের থেকেও প্রায় ১৪ শতাংশ হার সুদে নগদ অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। যাতে করে ব্যাংকগুলো নগদ অর্থের সংকট কাটিয়ে উঠতে সৰম হয়। পাশাপাশি বড় বড় প্রতিষ্ঠান থেকেও উচ্চ হার সুদে নগদ অর্থ সংগ্রহ করছে একাধিক ব্যাংক।
নগদ অর্থের পাশাপাশি বাজারে ডলার সঙ্কটও কাটছে না। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ডলারের সঙ্কট সমাধানে ওভার ড্রাফট (ওডির) মাধ্যমে ডলার সরবরাহ করছে। কিন্তু একাধিক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ও বেসরকারী ব্যাংক ওডির মাধ্যমে ডলার সংগ্রহ করতে আগ্রহ হারাচ্ছে। ওইসব ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তারা জনকণ্ঠকে বলেন, ওডির মাধ্যমে ডলার সরবরাহ না করে বিক্রি করলে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের জন্যে ভাল হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে জানানো হয়, ডলার বিক্রি করলে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ওপর চাপ পড়বে। কারণ যে হারে আমদানি হচ্ছে তাতে এ হার বিদ্যমান থাকলে রিজার্ভের ওপর অনেক চাপ বেড়ে যাবে। ফলে যাতে রিজার্ভের ওপর চাপ না পড়ে এবং ব্যাংকের বিদ্যমান সমস্যা সমাধান হয় এ লৰ্যেই ওডির মাধ্যমে ডলার সরবরাহ করা হচ্ছে। ব্যাংকের পৰ থেকে আরও জানানো হয়, ওডির মাধ্যমে ডলার সরবরাহ না করে বিক্রি করা হলে বাজারে তারল্য সঙ্কট বেড়ে যাবে। এতে আরও আতঙ্ক সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে রিজার্ভের ওপর চাপও পড়বে। উলেস্নখ্য, রবিবার পর্যনত্ম বাংলাদেশ ব্যাংকে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৯ কোটি বা ১০ হাজার ১৯০ মিলিয়ন ডলার। যা এর আগে ছিল প্রায় ১১শ' কোটি ডলার। আমদানির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভের পরিমাণ কিছুটা হলেও কমেছে।
এদিকে পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাকের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। যদিও এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজ নয়। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করছে এসইসি। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক পুঁজিবাজারের বিষয় অনেক সহায়তা করছে। এরই অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মনীতির বিষয়ে অনেক শিথিল আনা হয়েছে। পাশাপাশি আইসিবিকে অর্থের যোগান দেয়া হচ্ছে। গতকালও এ প্রতিষ্ঠানকে ২শ' কোটি টাকা তহবিল বরাদ্দ দেয়া হয়। ফলে আইসিবি রবিবার প্রায় ২২৯ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয় করেছে পুঁজিবাজার থেকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 1:06 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে দরপতন অব্যাহত : দুই কার্যদিবসে সূচক কমেছে ২৫৬ পয়েন্ট
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
amar Desh
16.01.2011
শেয়ারবাজারে দরপতন অব্যাহত রয়েছে। গতকাল সপ্তাহের প্রথম লেনদেন দিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক কমেছে ১৪১ পয়েন্ট। তবে লেনদেনের এক পর্যায়ে ডিএসই সাধারণ সূচক কমে গিয়েছিল ৩১৬ পয়েন্ট। শেষ এক ঘণ্টার লেনদেনে বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালে আরও একটি বড় পতন থেকে রক্ষা পায় পুঁজিবাজার। এ নিয়ে গত দু’দিনের দরপতনে ডিএসইর সাধারণ সূচক কমেছে ২৫৬ পয়েন্টের। গতকাল লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৭টি কোম্পানির মধ্যে দর কমেছে ২২৫টির, বেড়েছে মাত্র ৩২টির দাম। এদিকে গতকালের দরপতনে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হলেও এটিকে স্বাভাবিক বাজার সংশোধন বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তবে গতকাল শেষ এক ঘণ্টার লেনদেনে বাজার পরিস্থিতিকে কিছুটা কৃত্রিম উপায়ে টেনে ধরা হয়েছে বলে তারা মনে করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গতকালের বাজারের দর সংশোধন অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। গত সপ্তাহের রোববার এবং সোমবার শেয়ারবাজারের ইতিহাসে ভয়াবহ দরপতনের ঘটনা ঘটে। ওই সময় যারা শেয়ার কিনেছিলেন তাদের সেসব শেয়ার বিক্রিযোগ্য হয়ে পড়ে। দরপতনের পর যেহেতু অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারেরই দর বেড়ে গিয়েছিল সে জন্য বিনিয়োগকারীরা সেসব শেয়ার বিক্রি করে তাদের মুনাফা লাভে সচেষ্ট ছিল। এতে শেয়ারের বিক্রি চাপ বেড়ে যাওয়ায় অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন ঘটে। আবার দরপতন হতে থাকলে শেয়ার ক্রয়ের চাপও বেড়ে যায়। ক্রেতা এবং বিক্রেতার সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে শেষদিকে বাজার পরিস্থিতি কিছু ঘুরে দাঁড়ায়। ফলে দর সংশোধনের মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছে গতকালের শেয়ারবাজারের লেনদেন।
ওদিকে অনেকের ধারণা, শেষদিকে এসে কিছুটা কৃত্রিম উপায়ে শেয়ারবাজারকে টেনে তোলা হয়েছে। তা না হলে আরও একটি বড় ধরনের দরপতন হতো গতকাল। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গতকাল ঋণাত্মক ধারা দিয়েই শুরু হয় দিনের লেনদেন। প্রায় ৫০ মিনিটে নিম্নগতির ধারা থেকে সূচকে ঊর্ধ্বগতি ফিরে এলেও তা খুব একটা স্থায়ী হয়নি। ফের সূচকের পতন হতে থাকে। বেলা ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত একটানা দরপতনে ডিএসই সাধারণ মূল্য সূচকের পতন ঘটে ৩১৬ পয়েন্টের। সূচকের এ পতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আরও একটি বড় ধরনের দরপতন হতে যাচ্ছে—এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজির নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন। অবশ্য এ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করতে কৃত্রিম উপায়ে সূচকের পতন থেকে রক্ষা করা হয় পুঁজিবাজারকে। সম্প্রতি বাজারকে কৃত্রিমভাবে টেনে ধরার প্রবণতা বেড়ে গেছে। তবে এভাবে বাজারকে স্থিতিশীল করা সম্ভব নয় বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তারা বলেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার অভাব রয়েছে। তাদের মধ্যে আস্থা ফিরে না এলে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। বিনিয়োগকারীরা যাতে আস্থা ফিরে পান সে বিষয়টির দিকে গুরুত্ব দিতে হবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটিকে।
শেয়ারবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিনিয়োগকারীদের মার্জিন লোন সুবিধা বাড়ানো হলেও মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো তারল্য সঙ্কটের কারণে সে সুবিধা দিতে পারছে না। ফলে বাজারে তারল্য প্রবাহে এখনও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি।
এদিকে গতকাল বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগ ঐক্যপরিষদ এক সমাবেশে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গতকাল এক সমাবেশে তারা বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক আমূল পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়া শেয়ারবাজারে একদিনে সূচকের এ ধরনের ওঠানামা স্থিতিশীল পুঁজিবাজারের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। আমরা চাই একটি স্থিতিশীল পুঁজিবাজার। একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যের সঙ্গে বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিনিয়োগ আচরণ করারও আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিষদের আহ্বায়ক মিজান উর রশিদ চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
পুঁজিবাজারের এ ধরনের পতন এবং উত্থানে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা স্বস্তিবোধ করছেন না। একটি স্বাভাবিক পুঁজিবাজারের প্রত্যাশা করেন তারা। সূচকের স্বাভাবিক ওঠানামার মধ্যে লেনদেন হবে এবং এতে স্বাভাবিক দর সংশোধন ঘটবে—এমনটিই প্রত্যাশা করেন তারা। কিন্তু সম্প্রতি শেয়ারবাজারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি ও পতনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৩২টির, কমেছে ২২৫টির। ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত, বীমা কোম্পানির অধিকাংশ কোম্পানিসহ অধিকাংশ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারেরই দর কমেছে। এদিকে গতকাল আগের দিনের তুলনায় ১০ শতাংশ লেনদেন বেড়েছে। লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 1:45 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার বিশ্লেষণ
স্থিতিশীলতায় ৬ সুপারিশ
রশিদ লালী
Banglanews24.com
16.01.2011
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণস্থিতিশীলতায় ৬ সুপারিশ
পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য সুনির্দিষ্ট ছয়টি সুপারিশ তুলে ধরেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আহমেদ সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশিদ লালী। রোববার বাংলানিউজের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট এসএম গোলাম সামদানীর সঙ্গে কথপোকথনে এসব সুপারিশের কথা তুলে ধরেন এই পুঁজিবাজার বিশ্লেষক। তার নিজের ভাষ্যেই এসব সুপারিশ তুলে ধরা হলো বাংলানিউজের পাঠকের জন্য।
আমি মনে করি, পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য ছয়টি বিষয় অনুসরণ করা জরুরি। তা না হলে স্থিতিশীলতা আনা ও বজায় রাখা কঠিন হবে। সবার আগে আর্থ সামাজিক অবস্থায় চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পলিসি নির্ধারণ করতে হবে।
এছাড়া ব্যাংক ও ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপোজার ডেফিনেশন সহজতর ও পুননির্ধারণ করা, কর্পোরেট ও হাই নেটওয়ার্ক বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রাবাজার নীতিতে পুঁজিবাজার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তদারকির ব্যবস্থা রাখা, আইপিওর সময় কমিয়ে আনা এবং তালিকাভুক্ত হওয়ার আগেই কোনো কোম্পানির অতিমূল্যায়িত হওয়া ঠেকানো দরকার।
প্রথমত, পুঁঁজিবাজার আজ অর্থনীতির অন্যতম অনুসঙ্গ। ইদানিং পুঁজিবাজারে যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তাতে আর্থ সামজিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়েই যে কোনো নীতি নির্ধারণ করতে হবে। তাহলেই কেবল বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে।
দ্বিতীয়ত, ব্যাংক ও ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপোজার ডেফিনেশন কিয়ার করতে হবে। এটি পুনর্নির্ধারণও করতে হবে। আজ যে শিল্পপতি তার শেয়ার রেখে শিল্পায়নের জন্য টাকা নেন, ব্যাংক সেই টাকাটাও ক্যাপিটাল মার্কেটে এক্সপোজার হিসেবে ধরে নেয়। এই ডেফিনেশনগুলো পরিবর্তন করতে হবে। এগুলো পরিবর্তন না করলে সামনে সমস্যা হবে।
তৃতীয়ত, কর্পোরেট ও হাই নেটওয়ার্ক ইনভেস্টররা এখন সাইড লাইনে মার্কেটের বটম দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। মার্কেট পরিস্থিতি কোথায় যাচ্ছে তা না দেখে তারা বিনিয়োগ করছেন না। তাদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
চতুর্থত, মানি মার্কেটে লিকিউডিটি নাই বিধায় এর প্রভাব পুঁজিবাজারে এসে পড়েছে। পুঁজিবাজরের নাম কিন্তু পুঁজিবাজার। এখানে পুঁজি ছাড়া কোনো কাজ নেই। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক যে মানি মার্কেট পলিসি নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সেখানে পুঁজিবাজারের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট মনিটরিং পলিসি থাকতে হবে। যাতে মানি মার্কেটের সাথে সাথে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল হয়।
পঞ্চমত, বর্তমানে একটি কোম্পানির আইপিও বাজারে আসতে ৪ থেকে সাড়ে ৪ মাস সময় লাগে। এই দীর্ঘ সময় ধরে আইপিওতে কোটি কোটি টাকা আটকে রয়েছে। এতে করে বাজারের নগদ অর্থের পরিমাণ কমে গেছে। তাই আইপিও সময় আরো কমিয়ে আনতে হবে। এতে বাজারে নগদ অর্থের সরবরাহ বাড়বে, বাজার স্থিতিশীল হবে।
ষষ্ঠত, বাজারে শেয়ার ছাড়ার আগে সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসিকে) খেয়াল রাখতে হবে কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্তি হওয়ার আগেই যাতে অতিমূল্যায়িত হয়ে না যায়। বাজারে আসার আগেই শেয়ার অতিমূল্যায়িত হলে বাজারে অস্থিরতা বাড়বে।
স্থানীয় সময়: ১৯৫৭ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৬, ২০১১
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 1:46 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজার : অধিকাংশ শেয়ারের দাম কমেছে
Sunday, 16 January 2011, 6:42 PM BDT
অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
বার্তা২৪ডটনেট
ঢাকা, ১৬ জানুয়ারি : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের মধ্যে পার করলো সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার।
আজ সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ১৪১ পয়েন্ট। একই সঙ্গে কমেছে অধিকাংশ শেয়ারের দাম। তবে আর্থিক লেনদেন কিছুটা বেড়েছে।
বাজারের বর্তমান অবস্থাকে কোনভাবে স্থিতিশীল বলা যায় না বলে জানিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
তারা বলছেন, বাজারের বর্তমান অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণের জন্য এসইসির নজরদারী আরো বাড়াতে হবে।
পুঁজিবাজারের ইতিহাসে গেল সপ্তাহে ঘটেছে সূচকের সর্বোচ্চ পতন ও উত্থান। পতন ঠেকাতে গেল সপ্তাহে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বেশকিছু ইতিবাচক সিদ্ধামত্ম গ্রহণ করে।
তার মধ্যে মার্জিন ঋণের পরিমান ১:২ নির্ধারণ অন্যতম।
এদিকে বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করে বলেন, এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী তারা মার্জিন ঋণ পাচ্ছেন না।
অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের পরিমাণমত মার্জিন ঋণ প্রদান না করা হলে পুঁজিবাজার আবারো ভয়াভহ ধসের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশেস্নষকরা।
মার্জিন ঋণ সঠিকভাবে প্রদান করা হচ্ছে না-এ অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট শেখ মর্তুজা আহমেদ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকে তারল্য সংকটে রয়েছে।
এ কারণে ১:২ হারে ঋণ প্রদার করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে বর্তমানে ১:০.৭৫ হারে ঋণ দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরো বলেন, তারল্য সংকট কেটে গেলে ঋণ প্রদানের হার বাড়বে।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলছেন, সূচকের উঠা-নামা স্বাভাবিক। এসইসির নির্দেশনা গুলো ঠিকমত বাসত্মবায়ন হলে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীলতায় আসবে বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে আজ দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ১৪১ দশমিক ২৯ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ৪৩৪ দশমিক ৫৬ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩২টির এবং কমেছে ২১৫টির প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
ডিএসইতে আজ লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১৬৬ কোটি টাকা, যা গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে ১০৩ কোটি টাকা বেশি।
আজ লেনদেনে শীর্যে থাকা শীর্য ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো- এনবিএল, ইউসিবিএল, বেক্সিমকো, গ্রামীণ ফোন, এবি ব্যাংক, তিতাস গ্যাস, ইউনাইটেড এয়ার, স্কয়ার ফার্মা, সাউথইষ্ট ব্যাংক এবং বে লিজিং।
দিন শেষে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্য ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে স্কয়ার ফার্মা, বাটা সু, হেল্ডবার্জ সিমেন্ট, লিবরা ইনফিউশন, এপেক্স ট্যানারি, এপেক্স ফুটওয়ার, এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড, ট্রাস্ট্র ব্যাংক, সেকেন্ড আইসিবি এম.এফ এবং পাওয়ার গ্রীড বাংলাদেশ।
দাম পড়ে যাওয়া শীর্যে থাকা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে রয়েছে সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স, সাভার রিফ্রাক্টটরিজ, পিপলস ইনস্যুরেন্স, ইস্টার্ন লু&&ব্রকেন্টস, এআইবিএল ফাস্ট ইসলামিক মিউচুয়্যাল ফান্ড, বঙ্গজ, ইউনাইটেড এয়ার, নিটল ইনস্যুরেন্স এবং পাইনিয়ার ইনস্যুরেন্স।
বার্তা২৪ডটনেট/এসএমআর/জাই/১৮.৩১ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 1:50 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে সপ্তাহজুড়ে সর্বোচ্চ ভাঙ্গা-গড়ার রেকর্ড
Sunday, 16 January 2011, 2:35 PM BDT
অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
বার্তা২৪ ডটনেট
ঢাকা, ১৪ জানুয়ারি :
৫৬ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভাঙ্গা-গড়ার রেকর্ড নিয়ে সপ্তাহ পার করলো শেয়ারবাজার।
নতুন বছরের শুরুতেই শেয়ারবাজার বড় ধাক্কার মধ্য দিয়ে পার করলেও বছরের দ্বিতীয় সপ্তাহটি ছিল নিত্য নতুন রেকর্ডে ভরপুর।
এক নজরে গেল সপ্তাহের শেয়ারবাজারের চিত্র (৯ থেকে ১৩ জানুয়ারি):
৯ জানুয়ারি, রোববার : সাধারণ মূল্যসূচক ৬০০ দশমিক ১৯ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ১৩৫ দশমিক ০২ পয়েন্টে এসে দাঁড়ায়।
ব্যাপক মূল্য ধসে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্ট হয়। এদিন সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে শেয়াবাজারে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অস্থিরতা কাটানোর জন্য স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। সভায় অর্থমন্ত্রীকে শেয়ারবাজারের বিষয়টির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখতে বলা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর অর্থমন্ত্রী তার হেয়ার রোডের বাসভবনে জরুরি বৈঠকে বসেন।
১০ জানুয়ারি, সোমবার : সকাল ১১টায় বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার মধ্যে দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। দেখতে দেখতে সাধারণ মূল্যসূচক ৬৬০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট কমে ছয় হাজার ৪৭৪ দশমিক ৫৮ পয়েন্টে এসে দাঁড়ায়, যা পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বনিম্ন।
এদিন শেয়ার কেলেঙ্কারীর নতুন ইতিহাস তৈরি হয়। সূচক ৯ শতাংশ কমে গেলে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) দুপুর ১১: ৫৫ মিনিটে লেনদেন বন্ধ করে দেয়।
এ সময় পর্যন্ত দাম কমেছিল ২১৯টি এবং বেড়েছিল ৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৯৯৬ সালে প্রথমবার শেয়ার কেলেঙ্কারি সংগঠিত হয়েছিল। সে সময় সূচক কমেছিল ২৩৩ পয়েন্ট।
তবে ডিএসইতে এ বারেই প্রথম লেনদেন শুরু হওয়ার এক ঘন্টার মাথায় লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়।
এ খবর মুহূর্তের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে, দুপুর ১২টার পর মতিঝিল এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রচন্ড বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বিনিয়োগকারীরা। অগ্নিসংযোগ, ডিএসই ও এসইসি অফিস ভাঙচুর, দফায় দফায় পুলিশের সাথে সংঘর্যের মধ্যে দিয়ে দিন অতিবাহিত হয়।
এ ঘটনায় বার্তা২৪ ডটনেটের ফটো সাংবাদিক রাজীবসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়। এ সময় শেয়ারবাজারে মূল্য ধসের পর পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশন (এসইসি) সংশ্লিষ্টদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও জরুরি বৈঠকে বসে।
শেয়ারবাজারের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে এসইসি।
অব্যাহত দরপতন নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ৬টি পদক্ষেপ নেয়। এর আগে ৪টি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।
পুঁজিবাজার রক্ষায় এ পর্যন্ত সর্বমোট ১০টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি।
এর মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য ৯টি ইতিবাচক সিন্ধান্ত হল মার্জিনঋণ ১:১.৫ থেকে বাড়িয়ে ১:২ করা হয়েছে, স্পট মার্কেটে থাকা ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে মূল মার্কেটে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, সব প্রতিষ্ঠান নেটিং সুবিধা পাবে, আগে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো পরিশোধিত মূলধনের পাঁচগুণ আন্ডার টেকিং সুবিধা পেত। এখন থেকে কোন হিসেব ছাড়াই এ সুবিধা পাবে, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা শিল্প ঋণের অর্থ সমন্বয়ের নির্দেশনা স্থগিত, ঋণ প্রদানে একক গ্রহিতার জন্য মূলধনের ১০ শতাংশের সীমা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ, গ্রামীণ ফোনের আর্থিক সমন্বয় সুবিধা, একক বিও হিসাবধারীদের ক্ষেত্রে পূর্বের ১০ কোটি টাকার উপরের বিনিয়োগে মার্জিন ঋণ সুবিধা বন্ধের সিদ্ধামত্ম প্রত্যাহার করা, নতুন বিও হিসাবধারীদের জন্য ৩০ দিনের পরিবর্তে ১৫ দিন পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন না।
এসব সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পুঁজিবাজারে ইতিহাসে ব্যাপক দরপতনের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ভয়াবহ এ দরপতনের সঙ্গে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি’র কোন ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তিনি।
তবে পুঁজিবাজার বিষয়ে শতভাগ নিয়ন্ত্রণ এসইসির ছিলনা বলে স্বীকার করেছেন তিনি
১১ জানুয়ারি, মঙ্গলবার : এসইসি ঘোষণা অনুসারে সকাল ১১টায় যথারীতি লেনদেন শুরম্ন হয়। এর এক ঘন্টার মধ্যে অস্বাভাবিক গতিতে সূচক উঠতে থাকে।
অবশেষে ডিএসইর ৫৬ বছরের ইতিহাসে সূচকের সর্বোচ্চ দরপতনের পরের দিনই সূচকের সর্বোচ্চ ঊর্ধ্বগতির নয়া রেকর্ড করে।
এর আগে ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর গ্রামীণ ফোন লেনদেন শুরম্ন করলে সাধারণ সূচক সর্বোচ্চ ৭০০ পয়েন্ট অতিক্রম করে।
সাধারণ মূল্যসূচক এক হাজার ১২ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বেড়ে সাত হাজার ৫১২ দশমিক ০৯ পয়েন্টে এসে দাঁড়ায়।
১৯৫টি প্রতিষ্ঠান সার্কিট ব্রেকার বা দাম বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমায় চলে যায়। শেয়ারবাজারে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা ছিল না।
তবে পরপর দু’দিন শেয়ারবাজারে বিপরীতমুখী রেকর্ড বিশ্বের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে বিরল এবং একটি আদর্শ মার্কেটের জন্য হুমকি বলে বাজার বিশেস্নষকরা বলেছেন।
১২ জানুয়ারি, বুধবার : বিপর্যয় কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরম্ন করে পুঁজিবাজার। এদিন সাধারণ মূল্যসূচক ১৭৮ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বেড়ে সাত হাজার ৬৯০ দশমিক ৬৮ পয়েন্টে এসে দাঁড়ায়
এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, বাজারে সংশোধনের ধারা অব্যাহত থাকবে। এখন শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা আরো সচেতন হয়ে বিনিয়োগ করতে পারবে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় ডিএসই কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।
এছাড়া এসইসির নির্দেশনাগুলো ঠিকমত বাসত্মবায়ন হলে বাজার পরিস্থিতি আরো স্থিতিশীলতায় আসবে বলে তিনি দাবি করেন।
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির নেপথ্যে নায়ক হিসেবে এসইসির সিনিয়র সদস্য মো. মনসুর আলমকে পদত্যাগে বাধ্য করে অর্থমন্ত্রণালয়।
১৩ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার : সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে আবারো দর পতনের ধারায় ফিরে আসে ডিএসই। দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ১১৪ দশমিক ৮০ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ৫৭৫ দশমিক ৮৮ পয়েন্টে এসে দাঁড়ায়।
বাজার বিশেস্নষকরা বলছেন, পুঁজিবাজারের ইতিহাসে চলতি সপ্তাহটা ঘটনাবহুল। এ সপ্তাহে ঘটেছে সূচকের সর্বোচ্চ উত্থান ও পতন ।
বাজারের এই অবস্থাকে কোনভাবে স্থিতিশীল বলা যায় না বলে জানিয়েছেন বাজার বিশেস্নষকরা।
তারা বলছেন, বাজারের বর্তমান অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণের জন্য এসইসির নজরদারী আরো বাড়াতে হবে।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, সূচকের ওঠা-নামা স্বাভাবিক। এসইসির নির্দেশনাগুলো ঠিকমত বাস্তবায়ন হলে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীলতায় আসবে বলে তিনি দাবি করেন
পুরো সপ্তাহে সাধারণ মূল্যসূচক, অধিকাংশ শেয়ারের দাম, আর্থিক লেনদেন ও বাজার মূলধন কমেছে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে (৯ থেকে ১৩ জানুয়ারি) সাধারণ মূল্যসূচক ১৫৯ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট কমে সপ্তাহ শেষে সাত হাজার ৫৭৫ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে। সপ্তাহের শুরম্নতে সাধারণ মূল্যসূচক ছিল সাত হাজার ৭৩৫ দশমিক ২২ পয়েন্ট।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গেল সপ্তাহে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমেছে। এ সময় লেনদেন হওয়া ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ৩৬টির, কমেছে ২১২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
এ সময়ে আর্থিক লেনদেন হয়েছে প্রতিদিন গড়ে মোট ৬২৮ কোটি টাকা।
সপ্তাহের শুরম্নতেই ডিএসই বাজার মূলধন ছিল তিন লাখ ৩০ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। যা সপ্তাহ শেষে দশমিক ৮৬ শতাংশ কমে তিন লাখ ২৭ হাজার ৬৩২ কোটি টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে।
গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্যে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো এনবিএল, ইউসিবিএল, বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, গ্রামীণ ফোন, সাউথইষ্ট ব্যাংক, তিতাস গ্যাস, এবি ব্যাংক, বে লিজিং এবং প্রাইম ব্যাংক।
সমাপনী মূল্যের ভিত্তিতে গেল সপ্তাহে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে সিনো বাংলা ইন্ডাষ্ট্রিজ, মিরাক্কেল ইন্ডাষ্ট্রিজ, রহিম টেক্সাইল, বেক্সিমকো সিনথেটিকস, স্টান্ডার্ড সিরোমিক, ইউসিবিএল, স্কয়ার টেক্সটাইল, ডেসকো, থার্ড আইসিবি এম.এফ এবং সেকেন্ড আইসিবি এম.এফ।
সমাপনী মূল্যের ভিত্তিতে গেল সপ্তাহে দাম কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে এশিয়া ইনস্যুরেন্স, চিটাগং ভেজিটেবল, সাভার রিফ্রাক্টটরিজ, দুলামিয়া কটন, এইচ আর টেক্সটাইল, জুট স্পিনারস, তালস্ন স্পিনিং, মেঘনা পেট, আজিজ পাইচ এবং ইমাম বাটন।
বার্তা২৪ ডটনেট/এসএমআর/এআর/১৩.৫১ঘ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/17/2011 12:25 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | তারল্য সংকট, বিক্রির চাপফের শেয়ারের দরপতন
নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kontho
17.01.2011
দরপতন দিয়ে সপ্তাহ শেষ হয়েছিল বৃহস্পতিবার। সেই ধারা থেকে বেরোতে পারেনি গতকাল রবিবারের শেয়ারবাজার। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, গত সোম ও মঙ্গলবার দরপতনের সুযোগ নিয়ে যেসব বিনিয়োগকারী (প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ) শেয়ার কিনেছিলেন, গতকাল তাঁদের অনেকেই লাভ উঠিয়ে নিয়েছেন। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে অতিমাত্রায় শেয়ার বিক্রির কারণে অল্প সময়ের ব্যবধানে গতকাল অধিকাংশ কম্পানির শেয়ারের দরপতন ঘটে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন। এদিকে বর্ধিত মার্জিন ঋণ প্রদানে গতকালও বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ছিল অনীহা। ফলে বিক্রি আর ক্রয়ের মধ্যে ভারসাম্য থাকেনি। ঘটে দরপতন।
পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, এখনো বিনিয়োগকারীদের মন থেকে আতঙ্ক দূর হয়নি। তিনি বলেন, সরকারের চাপে বাজারের পতন ঠেকাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনেছিল। এখন হয়তো সেগুলো বিক্রি করে দিচ্ছে। এ কারণে গতকাল বিক্রির চাপ ছিল বেশি। এ ছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটের কারণে ঋণ দিতে পারছে না। এসব ঘটনা বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে।
দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই গতকাল শুরু থেকে বিক্রির চাপ বেড়ে যায়। ফলে দরপতন শুরু হয়। এ পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মনে আগের সপ্তাহের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু হওয়ার মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যে আগের দিনের তুলনায় সূচক ২০০ পয়েন্ট কমে ৭৩৭৫ পয়েন্টে নামে। এ সময় সাতটি কম্পানি বাদে লেনদেন হওয়া বাকি ২৪০টি কম্পানির শেয়ারের দাম কমে যায়। এর আধঘণ্টায় সূচক আবার ৯০ পয়েন্ট বেড়ে ৭৪৬৫ পয়েন্টে ওঠে। কিছুক্ষণ পর আবার নামতে থাকে সূচক। দুপুর পৌনে ২টার দিকে ৩১২ পয়েন্ট কমে সূচক ৭২৬৩ পয়েন্টে নামে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ১৮৪টি কম্পানির শেয়ারের মধ্যে কমে ১৬৯টির, বেড়েছে মাত্র ১৩টির। অপরিবর্তিত ছিল দুটি কম্পানির শেয়ারের দাম।
গতকাল পতনের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার ও সদস্য ইয়াসিন আলীসহ অন্য কর্মকর্তাদের উদ্বিগ্ন চেহারায় সার্ভিল্যান্স রুমে বারবার ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। এ সময় কমিশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করে শেয়ারবাজারে অর্থপ্রবাহ বাড়ানোর চেষ্টা চালানো হয়। এ ছাড়া বিক্রির হার কমিয়ে শেয়ার কেনার চাপ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুরোধ জানানো হয়।
সূত্র জানায়, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনায় পুঁজিবাজারে অস্থিরতা সামাল দিতে একপর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকও তৎপর ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) তাৎক্ষণিকভাবে ২০০ কোটি টাকা তহবিল ঋণ দেওয়া হয়। এ তহবিল ব্যবহার করে দিনের লেনদেনের মাঝামাঝি সময়ে আইসিবি শেয়ার কিনতে শুরু করে। এ কারণে দুপুর ২টার দিকে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়। পৌনে ২টা থেকে অধিকাংশ শেয়ারের হারানো দর পুনরুদ্ধার শুরু হয়। এর মধ্যে ব্যাংকিং খাতের দর বৃদ্ধির মাত্রা ছিল অন্যান্য খাতের তুলনায় বেশি। একই সঙ্গে বীমাসহ মৌল ভিত্তিসম্পন্ন বেশ কিছু কম্পানির শেয়ারের হারানো দর কিছুটা পুনরুদ্ধার হলে সূচক বড় ধরনের পতনের হাত থেকে রক্ষা পায়। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪১ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৭৪৩৪ পয়েন্টে।
গতকাল ডিএসইতে ২৪৭টি কম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আট কোটি ৬৯ লাখ ৫৮ হাজার ৮৪৫টি শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক হাজার ১৬৬ কোটি ৬১ লাখ ৮৭ হাজার ৫১ টাকা। এটা আগের দিনের চেয়ে ১০৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা বেশি। শেষ পর্যন্ত লেনদেনকৃত ২৪৭টি কম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ২১৫টি কম্পানির শেয়ার। বেড়েছে ৩২টির।
গতকালের বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল তিন লাখ ২২ হাজার ৭৮৪ কোটি ২৭ লাখ ৩১ হাজার ২৯৬ টাকা।
এদিকে এসইসির পক্ষ থেকে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হলেও পুঁজিবাজারে তারল্য সংকট কাটছে না। প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে না পেরে অধিকাংশ মার্চেন্ট ব্যাংকই মার্জিন ঋণের হার বাড়াতে পারেনি। গত এক মাসের মধ্যে মার্জিন ঋণের হার ১ঃ০.৫ থেকে তিন দফায় বাড়িয়ে ১ঃ২ করা হয়েছে। এ ছাড়া মার্জিন নির্ধারণের ক্ষেত্রে শেয়ারের প্রকৃত সম্পদ মূল্যভিত্তিক (এনএভি) হিসাব পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়েছে। ওই পদ্ধতি কার্যকর থাকায় গত ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত মার্জিন ঋণের প্রকৃত হার ছিল ১ঃ০.২৫। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে মার্জিন ঋণের হার প্রায় আট গুণ বেড়ে যাওয়ায় সে অনুযায়ী তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। এ কারণেই অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান বর্ধিত হারে ঋণ দিতে পারছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অর্থ সংকটের কারণে কোনো প্রতিষ্ঠানই এখন পর্যন্ত এসইসির ঘোষণা অনুযায়ী বর্ধিত হারে ঋণ দিতে পারেনি। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই ১ঃ০.৭৫ থেকে ১ঃ১ হারে ঋণ প্রদান করছে।
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংক ঋণের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকটি নির্দেশনার কারণে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গত ১ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের মাস্টার সার্কুলারে ব্যাংকগুলোকে তাদের সাবসিডিয়ারি মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউসকে ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়। একক গ্রাহক সীমা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে তার মূলধনের ১৫ শতাংশের বেশি ঋণ দিতে পারে না।
এর আগে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংকের নিজস্ব বিভাগ বা ইউনিট হিসেবে কাজ করায় তাদের দেওয়া মার্জিন ঋণ ব্যাংকের নিজস্ব বিনিয়োগ হিসাবে ধরা হতো। ফলে এ ক্ষেত্রে ঋণের কোনো সীমা নির্ধারিত ছিল না। কিন্তু মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো সাবসিডিয়ারি কম্পানি হয়ে যাওয়ায় মার্জিন ঋণ দেওয়ার জন্য তাদের ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে আলাদা কম্পানি হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠানও তাদের মূলধনের ১৫ শতাংশের বেশি ঋণ নিতে পারে না। পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিধানের প্রয়োগ শিথিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো তাদের মূল ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিতে পারছে না। এ কারণে এসব প্রতিষ্ঠান মার্জিন ঋণের হার বাড়াতে পারছে না।
এদিকে ডিএসইর লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজ সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করেছে। প্রতিষ্ঠানটি সর্বমোট ৯৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৭ হাজার ৮৬৮ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে লঙ্কাবাংলার কেনা শেয়ারের মূল্য ছিল ৭৩ কোটি ২৩ লাখ ৬৪ হাজার ১৮ টাকা। প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার ক্রয়ের তুলনায় বিক্রির পরিমাণ ছিল ২১ কোটি ৫৯ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫০ টাকা বেশি। বিক্রির পরিমাণের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা আল আরাফা ব্যাংক ৩৬ কোটি ১৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬৯০ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। কিনেছে ১৯ কোটি ১০ লাখ ১৩ হাজার ৪২৪ টাকার শেয়ার। এ প্রতিষ্ঠানের নিট বিক্রির পরিমাণ ১৭ কোটি সাত লাখ ৫০ হাজার ২৬৬ টাকা বেশি। এ ছাড়া পিএফআই সিকিউরিটিজ ২৬ কোটি টাকা, আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ ২৬ কোটি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ২৩ কোটি, ফারইস্ট স্টক অ্যান্ড বন্ড ২৮ কোটি, আইডিএলসি ২১ কোটি, ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ ২৩ কোটি, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ২৩ কোটি এবং ওইফ্যাং সিকিউরিটিজ ২৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার পরিমাণ ছিল অনেক কম।
এ ছাড়া শাহজালাল ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, এসইএস সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক, সিএমএসএল সিকিউরিটিজ, এসসিএল সিকিউরিটিজ, ন্যাশনাল ব্যাংক, রয়েল ক্যাপিটাল, ঢাকা ব্যাংক এবং হ্যাক সিকিউরিটিজে শেয়ার বিক্রির পরিমাণ ছিল কেনার তুলনায় অনেক বেশি।
অন্যদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান আইসিবি সিকিউরিটিজ এককভাবেই শেয়ার কিনেছে ২২৯ কোটি ৩৫ লাখ ৬৮ হাজার ২৩০ টাকার। এর বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ২৭ কোটি ৪৮ লাখ ৪৭ হাজার ছয় টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। কেনার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্র্যাক ইপিএল। এই প্রতিষ্ঠান ২৪ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। এর বিপরীতে বিক্রি করেছে ১২ কোটি টাকার শেয়ার। এ ছাড়া কেনার দিক থেকে শীর্ষ তালিকায় ছিল বিএলআই সিকিউরিটিজ, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মাল্টি সিকিউরিটিজ, এসএআর সিকিউরিটিজ, এবি সিকিউরিটিজ, সিনহা সিকিউরিটিজ, শাকিল রিজভী স্টক লিমিটেড ও সুইফট ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|