DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 11 / 40 1 - 2 - 3.. - 9 - 10 - 11 - 12 - 13.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
01/17/2011 1:01 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
আইসিবিকে ২০০ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার

হাসান ইমাম | তারিখ: ১৭-০১-২০১১
Prothom Alo



দেশের শেয়ারবাজারে গতকাল রোববার আবারও ধসের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আর্থিক খাতের কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের তৎপরতায় সেই শঙ্কা কিছুটা সামাল দেওয়া গেছে। কিন্তু মূল্যসূচকের পতন ঠেকানো যায়নি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল লেনদেনের প্রথম থেকেই সূচক কমতে শুরু করে। বেলা দেড়টার মধ্যে সূচক ৩১২ পয়েন্ট পড়ে যায়। এ অবস্থায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আরেকটি ধসের আতঙ্ক ভর করে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এ সময় রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংক শেয়ার কেনা শুরু করে। এতে সূচক আবার বাড়তে থাকে। অবশ্য দিনশেষে সাধারণ মূল্যসূচক ১৪১ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ৪৩৫ পয়েন্টে নেমে আসে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আইসিবি গতকাল ১৫৯ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। এর মধ্যে ১২৪ কোটি টাকার শেয়ার কেনা হয় প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব এবং ইউনিট ফান্ড ও মিউচুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগ কোষ বা পোর্টফোলিতে।
প্রতিষ্ঠানটির তিনটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের পোর্টফোলিওতে কেনা হয়েছে ১৬ কোটি টাকার শেয়ার। আর আইসিবির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকেরা ১৯ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে।
এ ছাড়া সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংক আইসিবি সিকিউরিটিজের মাধ্যমে পৃথকভাবে ৭৬ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে।
সব মিলিয়ে আইসিবির মাধ্যমে ২৩৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনা হয়েছে। তার মানে ডিএসইর মোট লেনদেনের ২১ শতাংশই করেছে আইসিবি। ডিএসইতে গতকাল এক হাজার ১৬৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
সূত্র জানায়, বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে আইসিবিকে ২০০ কোটি টাকা জোগান দিয়েছে। গতকালের ধস ঠেকাতে এ টাকা কাজে লাগানো হয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে আইসিবির মহাব্যবস্থাপক ইফতেখার-উজ-জামান এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বাজারের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সমর্থন দিতে আইসিবি প্রস্তুত রয়েছে।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, বর্তমান বাজারের দুটি প্রধান সমস্যা হলো বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও তারল্য-সংকট। বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা পদক্ষেপে পুঁজিবাজারে তারল্য-সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বাজারে একের পর এক বড় ধরনের সূচক পতনের ঘটনা ঘটতে থাকে। এতে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমতে শুরু করে।
শেষ পর্যন্ত গত সোমবার বাজারে বড় ধরনের ধস হলে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে তারল্য বাড়াতে কয়েকটি নীতি শিথিল করার ঘোষণা দেয়। এতে আশ্বস্ত হয়ে পরের দিন বিনিয়োগকারীরা অতি প্রতিক্রিয়া দেখায়। ফলে ওই দিন দেশের ইতিহাসে রেকর্ড পরিমাণ সূচক বাড়ে। কিন্তু এর পরপরই বিনিয়োগকারীরা বুঝতে পারেন, বাজারে তারল্য পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি ঘটেনি। তাই বাজার আবার কমতে শুরু করে।
বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) থেকে বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসে ফোন করে বিক্রির চাপ না বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসইসির এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, বাজারের এ পরিস্থিতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মতো আচরণ করছে, যা খুবই দুঃখজনক। দরপতনের সময় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলোর মিউচুয়াল ফান্ডের পোর্টফোলিওতে শেয়ার কেনার কথা। কিন্তু তারা সবাই নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। যেন তারা সবাই সর্বনিম্ন দরপতনের অপেক্ষা করছে।
এসইসির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো বুঝতে চাইছে না যে, অব্যাহত দরপতনে বিনিয়োগকারীদের আস্থা হারিয়ে গেলে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 8:39 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে এসইসির আহ্বান

ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

পুঁজিবাজারের ধারাবাহিক মন্দাবস্থা কাটিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগের পাশাপাশি মার্জিন ঋণের হার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে এসইসি। সোমবার এসইসিতে অনুষ্ঠিত পৃথক দুটি বৈঠকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে বাজার সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে এসইসির শীর্ষ কর্মকর্তারা মার্চেন্ট ব্যাংক এবং স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দু'দফায় বৈঠক করেন। বৈঠকে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে এসইসির পক্ষ থেকে শেয়ারবাজারের বর্তমান অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে বাজারে নিম্নমুখী ধারা শুরু হলে স্থিতিশীলতার স্বার্থে শেয়ার বিক্রির চাপ কমাতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া তারল্য প্রবাহ বাড়াতে এসব প্রতিষ্ঠানকে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়।
এসইসি কর্মকর্তারা বলেন, পুঁজিবাজারের মন্দা পরিস্থিতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাদের এই আতঙ্ক দূর করার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতো অপরিণত আচরণ করছে বলে কমিশন মনে করছে। বাজারে শেয়ারের দর কমে গেলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতো অনেক প্রতিষ্ঠানও বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়ে। এ ধরনের প্রবণতা পুঁজিবাজারের জন্য নেতিবাচক। তারা বলেন, বড় দরপতনের পরিস্থিতি তৈরি হলে বাজারের স্বার্থে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় শেয়ার বিক্রির প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করে মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এর মধ্য দিয়ে বাজারে ভারসাম্য তৈরি হবে। এছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করার ক্ষেত্রেও মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট হলে বাজারে দীর্ঘস্থায়ী মন্দা তৈরি হবে। এতে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বৈঠকে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান পৃথক কোম্পানিতে পরিণত হওয়ায় ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ গ্রহণের পদ্ধতি কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে একক গ্রাহকের জন্য নির্ধারিত ঋণসীমা সংক্রান্ত নির্দেশনা মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের জন্য শিথিল করা হলে মার্জিন ঋণ বাড়ানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করা সহজ হবে।
তবে কোনো কোনো মার্চেন্ট ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সামগ্রিকভাবে বাজারে তারল্য সক্সকট অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও তাদের প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই মার্জিন ঋণের হার বাড়িয়েছে। কিন্তু বাজারে মন্দা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় গ্রাহকরা ঋণ নিয়ে শেয়ার কেনায় উৎসাহিত হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে ঋণ বাড়ানোর পর গ্রাহকরা সেখান থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
তারল্য সংকট দূর করার বিষয়ে এসইসি কর্মকর্তারা বলেন, পুঁজিবাজারে তারল্য সমস্যা দূর করতে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশকিছু ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কলমানি সুদের হার নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাজারে অর্থ সরবরাহ বাড়াতে রেপোর মাধ্যমে প্রতিদিনই ব্যাংকগুলোকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টাকা ধার দেয়া হচ্ছে। এছাড়া বাণিজ্যিক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একক গ্রাহকের ঋণসীমার শর্ত শিথিল করা হয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এনএম/ এসসি/১৯.০০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 8:41 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মঙ্গলবার ডিএসই’র জরুরি বৈঠক

গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বাংলাদেশ সময়: ১৯৩৩ ঘণ্টা, ১৭ জানুযারি ২০১১


ঢাকা: পুঁজিবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার জরুরি বৈঠকে বসছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদ।

ডিএসইর বোর্ড রুমে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএবি), বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

বৈঠকে পুঁজিবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে ডিএসই সূত্র নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে ওই জরুরি বৈঠকে বাজারের বর্তমান অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের করণীয় এবং মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্যাংকগুলোর ভূমিকা  নিয়েও আলোচনা হবে।

এ ব্যাপারে ডিএসই‘র সভাপতি মো. শাকিল রিজভী বৈঠকের বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকের আলোচ্য বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি, মার্জিন লোন প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

অন্যদিকে ডিএসই‘র আরেকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, মঙ্গলবারের জরুরি বৈঠকের পর বুধবার ডিএসইর সকল সদস্যদের সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদ আরেকটি জরুরি বৈঠকে বসবেন। সেখানে পুঁজিবাজারের সার্বিক এবং ব্রোকারেজ হাউজগুলোর করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 8:42 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৭৪১ ঘণ্টা, জানুয়ারি, ২০১১

ঢাকা: পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এসইসির সঙ্গে সোমবার সকালে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোশিয়েশনের (বিএমবিএ) সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে সভায় কমিশনের সদস্য মো. ইয়াসিন আলী, বিএমবিএ সভাপতি মো. মূর্তজা আহমেদসহ এসইসি ও বিএমবিএর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক বিষয়ে বিএমবিএর সভাপতি মো. মূর্তজা আহমেদের কাছে জানতে চাইলে বাংলানিউজকে বলেন, বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত আসে নি।

আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাজারে শেয়ারের দাম উঠানামা করবে। এটাই স্বাভাবিক। তবে বাজারে দরপতনের সময়ে অনেক বিনিয়োগকারী আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করে দেন। ওই বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সচেতন করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।  

অন্যদিকে সভাসূত্রে জানাগেছে, বাজারের ধারাবাহিক দরপতনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। এ অবস্থায় বাজারের স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজার প্রতি আস্থা ফিরে আনার জন্য সভায় বিএমবিএর সহায়তা চায় এসইসি। একইসঙ্গে এসইসির পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের সচেতন করার জন্যও মার্চেন্ট ব্যাংকার্স প্রতিনিধিদের অনুরোধ করা হয়। যাতে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করে না দেন।

সূত্র আরও জানায়, সভায় এসইসির পক্ষ থেকে মার্জিন লোন নিয়ে বিনিয়োগকারীদের অসন্তুষ্টির বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া সভায় মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো কিভাবে নিজেরা আরও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হতে পারে তা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 8:46 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

টানা তিন দিন শেয়ার বাজারে দরপতন অব্যাহত

Monday, 17 January 2011, 5:19 PM BDT



অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

বার্তা২৪ ডটনেট

ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-ডিএসইতে টানা তিন দিন দরপতন অব্যাহত রয়েছে। সোমবার দিন শেষে লেনদেন ৮ শত কোটিতে নেমে এসেছে। গত দুই দিনের মতো আজও সাধারণ মূল্যসূচকের সঙ্গে কমেছে বেশিরভাগ শেয়ারের দাম, আর্থিক লেনদেন ও বাজার মূলধন।বাজারের বর্তমান অবস্থাকে কোনোভাবেই স্থিতিশীল বলা যায় না বলে জানিয়েছেন বাজার বিশেস্নষকরা। তারা বলছেন, বাজারের বর্তমান অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণের জন্য এসইসি’র নজরদারি আরো বাড়াতে হবে।পুঁজিবাজারের ইতিহাসে গেল সপ্তাহে ঘটেছে সূচকের সর্বোচ্চ উত্থান-পতন । পতন ঠেকাতে গত সপ্তাহে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন-এসইসি বেশকিছু ইতিবাচক সিদ্ধামত্ম গ্রহণ করে। তার মধ্যে মার্জিন ঋণের পরিমাণ ১:২ নির্ধারণ অন্যতম।অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের পরিমাণমতো মার্জিন ঋণ প্রদান না করা হলে পুঁজিবাজার আবারো ভয়াবহ ধসের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশেস্নষকরা।‘মার্জিন ঋণ সঠিকভাবে প্রদান করা হচ্ছে না’ অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ মর্তুজা আহমেদ বার্তা২৪ডটনেটকে বলেন, বেশিরভাগ ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক তারল্য সংকটে রয়েছে।এ কারণে ১:২ হারে ঋণ প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে বর্তমানে ১:০.৭৫ হারে ঋণ দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন, তারল্য সংকট কেটে গেলে ঋণ প্রদানের হার বাড়বে . ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলছেন, সূচকের উঠানামা স্বাভাবিক। এসইসি’র নির্দেশনাগুলো ঠিকমতো বাসত্মবায়ন হলে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে বলে তিনি দাবি করেন।এদিকে, সোমবার দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৫৭ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ৩৭৭ দশমিক ৫৮ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে।লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৭টির, কমেছে ১৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।ডিএসইতে সোমবার নয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে লেনদেন হয়েছে ৮৪৮ কোটি টাকা, যা গতকালের চেয়ে ৩২১ কোটি টাকা কম।ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৩ কোটি ২১ লাখ ৫৮৬ কোটি টাকা।আজ লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো- ইউসিবিএল, এনবিএল, স্কয়ার ফার্মা, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, ডেসকো, গ্রামীণফোন, এবি ব্যাংক, ইউনাইটেড এয়ার ও সাউথইস্ট ব্যাংক।  আজ বাজারে এসে শেয়ারের দাম বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম স্থান করে নিয়ে চমক দেখায় দেশবন্ধু পলিমার। এছাড়া শীর্ষে থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ম্যারিকো, সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ফরথ আইসিবি এম.এফ, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ, রেনেটা লিমিটেড, বিওসি, রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্স, বাংলাদেশ ল্যাম. দাম পড়ে যাওয়া শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে তিলস্নু স্পিনিং, চিটাগাং ভেজিটেবল, পূরবী জেনারেল ইনসুরেন্স, মেঘনা পেট, সায়হাম টেক্সাইল, বিএসসি, কেয়া কসমেটিকস, প্রাইম ইনসুরেন্স, মাইডাস ফাইন্যান্সসিং ওপিপলস লিজিং।

বার্তা২৪/এসএমআর/এআর/লআ/১৬২০ঘ
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 8:47 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে তৃতীয় দিনের মতো দরপতন


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৭, ২০১১


ঢাকা: পুঁজিবাজারে তৃতীয় দিনের মতো দরপতন হয়েছে। সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। সে সঙ্গে কমেছে আর্থিক লেনদেন, বাজার মূলধন ও সব সূচক। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।


সোমবার ডিএসইতে মাত্র ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। এটি গত ৯ মাসের মধ্যে একদিনে সর্বনিম্ন লেনদেন। এর আগে ২০১০ সালের ১৫ এপ্রিল ডিএসইতে একদিনে ৭৭২ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া ২৪৮টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৬৭টির এবং কমেছে ১৭৭টির। এছাড়া ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত থাকে। দিনশেষে সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৭  পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ৩৭৭ পয়েন্টে নেমে আসে।

অন্যদিকে চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। সিএসইতে লেনদেন ১৮১টি কোম্পানির মধ্যে ১২১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে, বেড়েছে মাত্র ৫৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এছাড়া ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত থাকে। লেনদেনের পরিমাণ দাড়ায় ৮৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।  দিনশেষে সিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৩ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার ৩৩১ পয়েন্টে নেমে আসে।

বাজারে টানা দরপতন ও লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়া প্রসঙ্গে বাজার বিশ্লেষকদের অভিমত, বাজার থেকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের মুনাফা করে বেরিয়ে যাওয়ার পর এখনো তারা বাজারে প্রবেশ করছে না। এতে বাজারে আর্থিক লেনদেন কমে গেছে। অন্যদিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের দরপতনের কারণে বর্তমানে লোকসানে থাকায় শেয়ার বিক্রয় করতে যেমন পারছে না। তেমনি এসইসির নির্ধারিত ১ঃ২ অনুপাতে মার্জিন লোন না পাওয়ার কারণে নতুন করে শেয়ার কিনে অ্যাডজাস্ট করতে পারছে না। এতে বাজারে লেনদেন কমে গেছে।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 1:18 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Institutional investors'role irks SEC
ICB trying to be market saviour


FE Report
18.01.2011

The Securities and Exchange Commission (SEC) has urged the institutional investors including brokerage firms and merchant banks to be responsible for the sake of a sustainable stock market, officials said.

The regulatory advice comes after some institutional investors have behaved like retailers in selling shares in the volatile market, which resulted in the retail investors being more panicked.

The top officials of the SEC Monday sat two times with the representatives of merchant banks and brokerage firms in a move to deal with the unrest in the stock market by way of responsible behaviour of institutional investors.

"The responsibility of institutional investors is more crucial than that of retail investors," an SEC official said.

"But unfortunately, some institutional investors have also behaved like retailers with many retailers following them in triggering a panic in the stock market," he said.

"That's why we have urged them to be more responsible so that retailers can overcome their shaky state of mind and the market returns to a stable situation," he added.

At the meeting, the SEC discussed the overall situation of the market and urged the merchant bakers to increase the amount of margin loan for increasing the purchase power of their clients.

The merchant bankers said that they could not provide sufficient amount of loans as many of them have already been subsidised by their parent companies.

In such a situation, it will be easier to increase the amount of margin loans if Bangladesh Bank (BB) relaxes its directive regarding the fixed amount of loans for merchant banks and brokerage firms, the merchant bankers said.

The SEC said in its reply that the regulator has already talked to BB to overcome the liquidity crisis in the stock market and that every day the central bank is lending a significant amount of money to the banks thorough Repo. At the same time, the condition on loan-limit has also been relaxed for the subsidiary firms of commercial banks, it added.

The SEC stressed responsible behaviour by the institutional investors so that they do not increase sell pressure in the volatile market.

According to sources, some brokerage firms sold a large amount of shares on Sunday. Even they have sold good-fundamental shares at lower prices, which spread a panic in the market and the benchmark DSE general index (DGEN) lost 4.10 per cent or 312 points in the mid-session of Sunday's trading.

Before the trading session, the SEC got tips that some rouge elements could play a role in bringing the market down. Against this backdrop, SEC chairman Ziaul Haque Khondker and member Muhammad Yasin Ali were seen present in the surveillance room at the SEC office throughout the trading session to closely detect the machinations disturbing the market.

However, finally the DGEN recovered 171 points and the market closed its session with a loss of 141 points mainly riding on the purchase by the state-owned investment bank, Investment Corporation of Bangladesh (ICB).

On the day, the ICB bought the shares worth Tk 2.29 billion with the support of Bangladesh Bank.

An SEC official said the regulator is monitoring the activities of institutional investors.

"The SEC will take action against any firm if the regulator finds it engaged in foul play," he said.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 1:19 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

Dhaka stocks slip for third session
Turnover hits nine months' low


FE Report
18.01.2011

Dhaka stocks continued to slip for the third consecutive session Monday amid roller-coaster trading with the turnover hitting nine months' low.

Turnover continued to shrink sharply and stood at only Tk 8.49 billion, down by 27.0 per cent compared to the previous session. It was the lowest since April 15, 2010, and Tk 24.01 billion lower than the highest-ever record of Tk 32.50 billion, set on December 5, 2010.

The market opened with a positive note in the morning, gaining more than 54 points, but it began to decline amid ups and downs, and finally closed 51 points lower.

The benchmark DSE General Index (DGEN), the yardstick of the market, was down by 0.77 per cent or 57.0 points to end at 7377.58. The DGEN lost 313 points in the last three trading sessions.

The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 6120.89, shedding 0.77 per cent or 47.74 points. The DSE-20 index including blue chips lost 0.61 per cent or 28.83 points to 4704.12.

"The market could not get strength, as both the money market and the stock market suffered from liquidity crisis. Liquidity crisis and lack of investors' confidence pushed the market down," said Ahmed Rashid Lali, managing director of Rashid investment limited.

"The investors, who lost their confidence in recent market crush, are yet to become fully confident about the market. As a result, the market cannot come out from the bearish trend," said Mr Rashid, also former senior vice president of the DSE.

"The big market players and the institutional investors are also on sideline, as they cannot find the bottom line of the market at present," he added.

"Many investors are still waiting on sideline to see the sustainability of the current market trend, and the selling pressure of Tuesday's magical recovery was also reflected in the trading," said LankaBangla Securities, in its daily market analysis.

Share prices of all the major sectors declined, except pharmaceutical and fuel and power sectors. Banking issues, the bellwether of the DSE, continued to fall, losing 0.82 per cent, while non banking financial institutions, general insurance and life insurance lost 1.77 per cent, 1.25 per cent and 1.13 per cent respectively.

Besides, ceramics sector lost 1.94 per cent, cement 0.92 per cent, mutual funds 0.67 per cent, and telecommunication 0.34 per cent.

However, pharmaceutical sector gained 0.30 per cent, and fuel and power gained 0.39 per cent.

The losers took strong lead over the gainers, as out of the 248 issues traded, 67 advanced, 177 declined and four remained unchanged.

United Commercial Bank topped the turnover list with shares worth Tk 373.80 million changing hands. The other turnover leaders were National Bank, Square Pharma, Beximco Limited, Titas Gas, DESCO, Grameenphone, AB Bank, United Airways and Southeast Bank.

A new company - Deshbandhu Polymer - made debut Monday. Its price appreciated 640 per cent from the offer price of Tk 10 to close at Tk 74, making it the highest gainer of the day.

After Deshbandhu Polymer, the other gainers were Marico, City General Insurance, Meghna Petroleum, Fourth ICB, Berger Paints, Renata, BOC, Reliance Insurance and BD Lamps.

The prominent losers included Tallu Spinning, Chittagong Vegetable, Purabi General Insurance, Meghna Pet, Saiham Textile, BSC, Keya Cosmetics, Prime Insurance, Midas Finance and Peoples Insurance.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 1:24 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ওটিসি বিধিমালা সংশোধনের সুপারিশ করেছে ডিএসই

মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১১,

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha

বিনিয়োগকারীদের জন্য ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ঘোষিত সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি সৃষ্টি জটিলতা নিরসনে সংশিস্নষ্ট বিধিমালা সংশোধনের সুপারিশ করেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। স্টক এঙ্চেঞ্জটির পৰ থেকে ইতোমধ্যেই সংশোধনীর লিখিত প্রস্তাবনা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, ওটিসি মার্কেটে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে শেয়ারহোল্ডারের বিও হিসাব থেকে শেয়ারটি ডিএসইর ওটিসি এঙ্চেঞ্জের ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট (ডিপি) ক্লিয়ারিং এ্যাকাউন্টে পাঠাতে হয়। ওই শেয়ার বিক্রি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া কিংবা বিক্রির আদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত ওটিসি এঙ্চেঞ্জের এ্যাকাউন্টে জমা রাখতে হয়। সাধারণত কাগজের শেয়ারের ক্ষেত্রে যতক্ষণ পর্যনত্ম কোন ক্রেতা বা তার অনুমোদিত ব্যক্তির কাছে তা হসত্মানত্মর না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত যার কাছে শেয়ার থাকবে তিনিই মালিক হবেন। ইলেকট্রনিক শেয়ারের ক্ষেত্রে মালিকানা খুব দ্রম্নত বিক্রেতার হিসাব থেকে ক্রেতার হিসাবে জমা হয়। ওটিসি মার্কেটে কাগজের শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে স্টক এঙ্চেঞ্জের ডিপোজিটরি এ্যাকাউন্টে জমা দেয়ার কারণে নিয়ম অনুযায়ী সে শেয়ারের মালিক হয়ে যায় স্টক এঙ্চেঞ্জ। অথচ শুধুমাত্র শেয়ার বিক্রি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিক্রির আদেশ দেয়া শেয়ার ওটিসি এঙ্চেঞ্জের হিসাবে জমা দিতে হয়। আর এ শেয়ার জমা রাখা হয় বিক্রেতার পক্ষে। ওটিসি এঙ্চেঞ্জ ডিপোজিটরি শেয়ারের মালিকানা হসত্মানত্মরের পস্নাটফর্ম হিসেবে কাজ করে থাকে। ফলে এটির শেয়ারের মালিক হওয়ার কোন সুযোগ নেই। অথচ ডিপোজিটরি এ্যাকাউন্টে জমা থাকা অবস্থায় ওই কোম্পানির পৰ থেকে কোন সুযোগ-সুবিধা দেয়া হলে রেকর্ড ডেট অনুযায়ী স্টক এঙ্চেঞ্জ ওই সুবিধা পাচ্ছে। এ জটিলতা দূর করার জন্যই সংশিস্নষ্ট বিধি সংশোধনের প্রসত্মাব দিয়েছে ডিএসই।
জানা গেছে, গত ৫ জানুয়ারি ডিএসই পরিচালনা পর্ষদ সভায় ওটিসি বিধিমালা সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভার সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী তা অনুমোদনে এসইসিতে পাঠানো হয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 1:25 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন
শেয়ারবাজারে দরপতনের ধারা অব্যাহত

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
18.01.2011

দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন ও সূচকের নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। আগের দু'দিনের ধারাবাহিকতায় সোমবার আরেক দফা কমেছে দুই শেয়ারবাজারের সূচক। একইসঙ্গে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ গত ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। তারল্য সঙ্কটের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কের কারণেই বাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর ও লেনদেন কমার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করেন বিশেস্নষকরা।
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৭.০১ পয়েন্ট কমে ৭৩৭৭.৫৮ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে লেনদেন ৩১৮ কোটি টাকা কমে গত নয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। সারা দিনে লেনদেন হয়েছে ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ ৩২ হাজার ২২৪ টাকার শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড।
এদিকে দিনের অধিকাংশ সময় নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকায় আগের দিনের মতোই শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সচেষ্ট ছিলেন সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) উর্ধতন কর্মকর্তারা। সকালে মার্চেন্ট ব্যাংক এবং স্টক এঙ্চেঞ্জের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দু'দফায় বৈঠক করেন তাঁরা। বৈঠকে এসইসির পক্ষ থেকে শেয়ারবাজারের বর্তমান অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে বাজারে নিম্নমুখী ধারা শুরম্ন হলে স্থিতিশীলতার স্বার্থে শেয়ার বিক্রির চাপ কমাতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া তারল্য প্রবাহ বাড়াতে এসব প্রতিষ্ঠানকে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়।
বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, শুরম্নতেই উর্ধমুখী সূচক মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে ৫৩ পয়েন্টে বেড়ে দিনের সর্বোচ্চ ৭৪৮৮.৩৭ পয়েন্টে পেঁৗছে। এর ২০ মিনিটের মধ্যে তা ১৩২ পয়েন্ট নেমে ৭৩৫৫.৮৯ পয়েন্টে নামে। এ সময় এসইসি কর্মকর্তারা বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাদের কাছে টেলিফোনে শেয়ার ক্রয় করে বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে অনুরোধ করেন।
এরপর থেকে বাজার আবার উর্ধমুখী হয়ে ওঠে। দিনশেষে সূচক আগের দিনের তুলনায় ৫৭.০১ পয়েন্ট কমে ৭৩৭৭.৫৮ পয়েন্টে স্থির হয়। সূচকের এই ওঠানামায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
এদিকে কিছু কিছু ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক সোমবারও আগের দিনের মতোই বিক্রির চাপ বাড়িয়ে দেয়। এদিনও লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজ সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করেছে। এদিন প্রতিষ্ঠানটি সর্বমোট ৬৮ কোটি ৩৯ লাখ ২৮ হাজার ৫৯৩ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে লঙ্কাবাংলার কেনা শেয়ারের মূল্য ছিল ৪১ কোটি ৫৭ লাখ ২ হাজার ৬৮৭ টাকা। প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার ক্রয়ের তুলনায় বিক্রির পরিমাণ ছিল ২৬ কোটি ৮২ লাখ ২৫ হাজার ২৮০ টাকা বেশি। বিক্রির দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা পিএফআই সিকিউরিটিজ ২৭ কোটি ৮৬ লাখ ২৬ হাজার ৮৩ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে কিনেছে ১৮ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার ৬৮৭ টাকার শেয়ার। এই প্রতিষ্ঠানের নিট বিক্রির পরিমাণ ৯ কোটি ৪৭ লাখ ১৪ হাজার ৮৯০ টাকা। আইডিএলসি ২৮ কোটি ৪৩ টাকা বিক্রির বিপরীতে শেয়ার কিনেছে ১২ কোটি টাকার। এই প্রতিষ্ঠানের নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ১৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এছাড়া আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ ২২ কোটি টাকা, আল আরাফা ব্যাংক ২১ কোটি টাকা, মিউচু্যয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ২১ কোটি টাকা, ব্যাংক এশিয়া ১৬ কোটি টাকা, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ১৬ কোটি টাকা, এসইএস সিকিউরিটিজ ২০ কোটি টাকা এবং সিএমএসএল সিকিউরিটিজ ১৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার পরিমাণ ছিল অনেক কম।
অন্যদিকে সরকারী প্রতিষ্ঠান আইসিবি সিকিউরিটিজের মাধ্যমে সোমবার ২১১ কোটি ৭৬ লাখ ১৮ হাজার ১৪৩ টাকার শেয়ার কেনা হয়েছে। এরমধ্যে আইসিবির নিজস্ব পোর্টফোলিও ও বিভিন্ন মিউচু্যয়াল ফান্ড এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, অগ্রণী ও জনতা ব্যাংক সিংহভাগ শেয়ার কিনেছে। এর বিপরীতে আইসিবি সিকিউরিটিজের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে ২০ কোটি ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৭ টাকার শেয়ার। ফলে আইসিবির নিট ক্রয়ের পরিমাণ ছিল ১৯১ কোটি ৬৯ লাখ ৫২ হাজার ৫৪৬ টাকা। নিট ক্রয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল এবি সিকিউরিটিজ। এই প্রতিষ্ঠানটি ২৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছে। বিপরীতে বিক্রি করেছে ৫ কোটি ৯১ লাখ টাকার। ফলে নিট ক্রয় দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ব্র্যাক ইপিএল ২৪ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। এর বিপরীতে বিক্রি করেছে ২০ কোটি টাকার শেয়ার। প্রতিষ্ঠানটির নিট ক্রয় দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এছাড়া শাহজালাল ব্যাংক ১৫ কোটি টাকা, বিএলআই সিকিউরিটিজ ১৩ কোটি টাকা, সিটি ব্যাংক ১২ কোটি টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংক সাড়ে ৯ কোটি টাকা, সিনহা সিকিউরিটিজ ৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা, স্টক এ্যান্ড বন্ড ৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এবং প্রিলিঙ্ক সিকিউরিটিজ ৮ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 1:28 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

পুঁজিবাজার ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আপ্রাণ চেষ্টা

খায়রুল হোসেন রাজু ॥
THe Daily Janakantha
18.01.2011

পুঁজিবাজার স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নগদ অর্থের সরবরাহ বৃদ্ধি, নিয়মনীতিতে শিথিলতা আনা, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ও বেসরকারী ব্যাংকগুলোকে শেয়ার বিক্রি করা থেকে বিরত রাখা এবং আইসিবিকে নগদ ২শ' কোটি টাকা দেয়া। পাশাপাশি রেপো ও নগদ অর্থ (তারল্য) সহায়তার মাধ্যমেও প্রায় ৭ হাজার ৮শ' কোটি টাকা প্রদান করা হয়। পুঁজিবাজারে যাতে আতঙ্ক সৃষ্টি না হয় এ লৰ্যেই এসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যদিও এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজ নয় বলেও সংশিস্নষ্টরা মন্তব্য করেছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান জনকণ্ঠকে বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (এসইসি)। এটি বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজ হলো মনিটরি পলিসি প্রণয়ন এবং মানি মার্কেট স্থিতিশীল রাখা। কিন্তু কিছু লোক বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকাকে না জেনেই মনত্মব্য করছেন। এটি ঠিক নয়। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারের দেখভাল না করলেও এর বিরম্নদ্ধে কোন সময়ই ছিল না, এখনও নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না। বরং বাজার স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে। যাতে পুঁজিবাজার আবার ঘুরে দাঁড়ায়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারের বড় ধরনের দরপতন থেকে তুলে আনাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সব ধরনের সহায়তা চলছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মনীতিতে শিথিলতা আনাসহ নগদ অর্থের সহায়তা বাড়ানো হচ্ছে। গত রবিবারের চেয়ে সোমবার প্রায় ৬৪৯ কোটি টাকা বেশি দেয়া হয়েছে। রবিবার রেপো ও নগদ অর্থ সহায়তার মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা প্রদান করা হয়। কিন্তু সোমবার প্রদান করা হয়েছে ৭ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে রেপোতে দেয়া হয়েছে ৩ হাজার ২৪৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া তারল্য বা লিকিউডিটি সহায়তা দেয়া হয় ৪ হাজার ৫৯০ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এ ছাড়া পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে সোমবার ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) ২শ' কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। যাতে করে এ প্রতিষ্ঠানটি বাজার থেকে শেয়ার ক্রয় করে স্বাভাবিক রাখতে পারে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোকে শেয়ারে বিনিয়োগ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বেসরকারী ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান বাজারে শেয়ার না বিক্রির জন্যেও বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে। যদিও এসব বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজ নয়।
জানা গেছে, একাধিক ব্যাংক তারল্য সঙ্কট দেখিয়ে পুঁজিবাজার অস্থির করছে। এ ছাড়া মানি মার্কেটেও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। কিন্তু এটি প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস কে সুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, বাজারের বিদ্যমান পরিস্থিতি সমাধান করাসহ স্থিতিশীল অবস্থা ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পৰ থেকে বিভিন্নভাবে পদৰেপ নেয়া হচ্ছে। যাতে কোনভাবেই বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়। তিনি বলেন, কিছু কিছু ব্যাংক বাজারে তারল্য সঙ্কট দেখিয়ে অতিমুনাফা অর্জন করতে চায়। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক এটি চিহ্নিত করেছে। একই সঙ্গে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। তবে কোন ব্যাংকে যদি তারল্য সংকট দেখা দেয়, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি সমাধানে বিবেচনা করবে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রেপো ও তারল্য সহায়তার মাধ্যমে ৭ হাজার ৮ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রাথমিক এজেন্ট (প্রাইমারি ডিলার) ব্যাংকগুলোর চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ তারল্য সহায়তা দেয়া হয়। আর বাকিদের প্রায় ৭ শতাংশ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মানি মার্কেট নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারে তারল্য সংকট সমাধানের লৰ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কলমানির সুদের হার ১৯০ শতাংশ থেকে মাত্র ১৫ শতাংশে নিয়ে এসেছে। কলমানির সুদের হার কমানোর ফলে ব্যাংকগুলো তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ ধার করতে পারছে আনত্মঃব্যাংক বাজার থেকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাপক অভিযানের ফলেই এটি সম্ভব হয়েছে। এতে একাধিক ব্যাংকের বাজার অস্থির করার কারসাজিও বন্ধ হয়েছে।
বর্তমান পুঁজিবাজারের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আলী জনকণ্ঠকে বলেন, পুঁজিবাজার স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক অনেক যুগোপযোগী উদ্যোগ নিচ্ছে। কিন্তু এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজ নয়। কারণ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করতে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে দেশের অর্থনীতি ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নের লৰ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে।
তারল্য সঙ্কট নিয়ে তিনি বলেন, কিছু কিছু ব্যাংক অতিমুনাফা অর্জনের লৰ্যে আইনী সীমা অতিক্রম করে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু সম্প্রতি বাজারে দরপতন ঘটায় সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলো লোকশান দিয়ে শেয়ার বিক্রি করতে পারছে না। এ ছাড়া তারা ডিপোজিটের তুলনায় অধিক হারে ঋণ বিতরণ করেছে। ফলে তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআরআর বা এসএলআর বৃদ্ধি দায়ী নয়। সিআরআর বা এসএলআর বৃদ্ধি করা এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিংয়েরই একটি অংশ। কিন্তু বাজারে তারল্য সঙ্কটের পেছনে সিআরআর বা এসএলআর বৃদ্ধিকে দায়ী করা ঠিক নয়।
পুঁজিবাজারে ভুক্তভোগীরা জানান, পুঁজিবাজারে যখন উর্ধগতি শুরম্ন হয়, ঠিক তখনই একটি চক্র নাম সর্বস্ব কোম্পানির মূল্য সেনসেটিভ (স্পর্শকারত) তথ্য প্রদান করে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রলুব্ধ হয়ে ওই নাম সর্বস্ব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু নাম সর্বস্ব কোম্পানি যখন মূল্যসেনসিটিভ তথ্য প্রদান করে গুজব ছড়িয়ে তাদের শেয়ার ক্রয় করতে সাধারণ ক্রেতাদের বাধ্য করে তখন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিনিয়োগকারীদের উদ্যোগে কোন নির্দেশনা প্রদান করে না। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা নাম সর্বস্ব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে ফেলে যান। আর সর্বস্ব হারান। এটি রোধ করতে হবে। তা না হলে বাজার স্বাভাবিক রাখা যাবে না বলেও সংশিস্নষ্টরা মনত্মব্য করেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 1:30 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
রেকর্ড দরপতনের কারণ তদন্তের সময় বাড়িয়েছে এসইসি


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
THe Daily Janakantha
18.01.2011

পুঁজিবাজারে রেকর্ড দরপতনের কারণ তদন্তে গঠিত কমিটির কাজের সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বর্ধিত সময় অনুযায়ী তদনত্ম কমিটিকে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্তত্ম প্রতিবেদন পেশ করতে হবে। গত ৮ ডিসেম্বর শেয়ারবাজারে রেকর্ড দরপতনের ঘটনায় গঠিত এই তদন্ত কমিটিকে প্রাথমিকভাবে এক মাস সময় দেয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় সময় বাড়ানো হয়েছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ ডিসেম্বর শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরম্নর পর মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে ব্যাপক দরপতনের ঘটনা ঘটে। এ সময়ের মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক ৫৪৬ পয়েন্ট কমে যায়। এ ধরনের পরিস্থিতিকে পুঁজিবাজারের জন্য অস্বাভাবিক ঘটনা বলে মনে করে এসইসি। বড় দরপতনের পেছনে কোন কারসাজি ছিল কিনা_ তা খতিয়ে দেখতে পরদিন ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদকে প্রধান করে গঠিত তদনত্ম কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন_ নির্বাহী পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামান, পরিচালক মাহবুবুর রহমান এবং সহকারী পরিচালক তানিয়া শারমিন। কমিটিকে ১ মাসের মধ্যে তদনত্ম প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়। কিন্তু এরমধ্যে বাজারে আরও কয়েক দফা বড় দরপতনের ঘটনা ঘটে। তবে এসব ঘটনা তদন্তেত্মে কোন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। আগে গঠিত তদন্ত কমিটিকেও এসব ঘটনা তদন্তের বিষয়ে কোন নির্দেশনা দেয়া হয়নি।

কলাপাড়ায় সমুদ্রবন্দর স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন
মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া, ১৭ জানুয়ারি ॥ কলাপাড়ার লালুয়ায় রামনাবাদ মোহনায় দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি রবিবার পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধি দলের সদস্য বিশ্ব ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তা ইসমাইল মোবারক হোসেনের সঙ্গে বিআইডবিস্নউটিএর প্রধান প্রকৌশলী জুলহুদ্দিন আহম্মেদ রামনাবাদ মোহনাসহ প্রস্তাবিত তৃতীয় সমুদ্রবন্দর এলাকা পরিদর্শন করেন।
ইতোপূর্বে ৩১ আগস্ট আনত্মর্জাতিক বন্দর বিশেষজ্ঞ ও জার্মানির পোর্ট লজিস্টিক ইনফরমেশন টেকনোলজির পরিচালক মি.নেইলস পি.জর্জেনসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (পরিবহন) কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন, কনটেইনার টার্মিনাল ম্যানেজমেন্টের প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোঃ সলিমুলস্নাহ খানসহ কর্মকর্তাবৃন্দ এই এলাকা পরিদর্শন করেন। আনত্মর্জাতিক বন্দর বিশেষজ্ঞ ও জার্মানির পোর্ট লজিস্টিক ইনফরমেশন টেকনোলজির পরিচালক মি.নেইলস পি.জর্জেনসেন পরিদর্শন করে তখন সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেছেন, 'লালুয়ার রামনাবাদ চ্যানেলের চাড়িপাড়া পরিদর্শন করে মনে হয়েছে, প্রাকৃতিক সুর্যোগ সুবিধা ও রামনাবাদে নাব্য থাকায় এখনই বন্দর গড়ে তোলা সম্ভব। ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে মনে হচ্ছে সমুদ্র বন্দর করার জন্য এখানে উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে।' সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও মনত্মব্য করেছেন, তবে বন্দর স্থাপনের জন্য সরকারকে এ মুহূর্তে ওই এলাকার ভূমির ভূ-তাত্তি্বক গঠন কাঠামো কতটুকু সহায়ক তা যাচাই করা, অবাধ ও নিরাপদ জাহাজ চলাচলের জন্য যথাযথ ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা করা, সড়ক পথের উন্নয়ন, গ্যাস, স্বাস্থ্যসেবা ও বিদু্যত সরবরাহ নিশ্চিত করা দরকার। বন্দর থেকে পণ্য নিয়ে সহজেই যাতে ৩/৪শ' ট্রাক দৈনিক চলাচল করতে পারে সেরকম উপযোগী সড়ক তৈরি করতে হবে।' ওই সময় চট্রগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (পরিবহন) কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেছেন, 'এখানে বন্দর গড়ে উঠলে স্থানীয় জনগণ উপকৃত হবে। তাছাড়া এই এলাকার জনগণের ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 1:34 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান
শেয়ারবাজার পরিস্থিতি নিয়ে এসইসিতে বৈঠক



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
18,01,2011

চলমান মন্দা পরিস্থিতি কাটিয়ে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল সোমবার এসইসিতে অনুষ্ঠিত পৃথক দু'টি বৈঠকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পৰ থেকে বাজার সংশিস্নষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে এসইসির শীর্ষ কর্মকর্তারা মার্চেন্ট ব্যাংক এবং স্টক এঙ্চেঞ্জের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দু'দফায় বৈঠক করেন। বৈঠকে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে এসইসির পৰ থেকে শেয়ারবাজারের বর্তমান অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরম্নত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে বাজারে নিম্নমুখী ধারা শুরু হলে স্থিতিশীলতার স্বার্থে শেয়ার বিক্রির চাপ কমাতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া তারল্য প্রবাহ বাড়াতে এসব প্রতিষ্ঠানকে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়।
এসইসি কর্মকর্তারা বলেন, মন্দা পরিস্থিতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাদের এই আতঙ্ক দূর করার ৰেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও অপরিণত আচরণ করছে বলে কমিশন মনে করছে। বাজারে শেয়ারের দর কমে গেলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতো অনেক প্রতিষ্ঠানও বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়ে। এ ধরনের প্রবণতা পুঁজিবাজারের জন্য নেতিবাচক।
তাঁরা বলেন, বড় দরপতনের পরিস্থিতি তৈরি হলে বাজারের স্বার্থে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় শেয়ার বিক্রির প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করে মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এর মধ্য দিয়ে বাজারে ভারসাম্য তৈরি হবে। এছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করার ৰেত্রেও মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট হলে বাজারে দীর্ঘস্থায়ী মন্দা তৈরি হবে। এতে মধ্যসত্মতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও ৰতিগ্রসত্ম হবে।
বৈঠকে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের পৰ থেকে জানানো হয়, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান পৃথক কোম্পানিতে পরিণত হওয়ায় ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ গ্রহণের পদ্ধতি কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের পৰে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে একক গ্রাহকের জন্য নির্ধারিত ঋণ সীমা সংক্রানত্ম নির্দেশনা মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের জন্য শিথিল করা হলে মার্জিন ঋণে বাড়ানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করা সহজ হবে।
তবে কোন কোন মার্চেন্ট ব্যাংকের পৰ থেকে জানানো হয়, সামগ্রিকভাবে বাজারে তারল্য সঙ্কট অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও তাদের প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই মার্জিন ঋণের হার বাড়িয়েছে। কিন্তু বাজারে মন্দা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় গ্রাহকরা ঋণ নিয়ে শেয়ার কেনায় উৎসাহিত হচ্ছে না। অনেক ৰেত্রে ঋণ বাড়ানোর পর গ্রাহকরা সেখান থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। এতে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
তারল্য সঙ্কট দূর করার বিষয়ে এসইসি কর্মকর্তারা বলেন, পুঁজিবাজারে তারল্য সমস্যা দূর করতে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশকিছু ইতিবাচক সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। কলমানি সুদের হার নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাজারে অর্থ সরবরাহ বাড়াতে রেপোর মাধ্যমে প্রতিদিনই ব্যাংকগুলোকে উলেস্নখযোগ্য পরিমাণ টাকা ধার দেয়া হচ্ছে। এছাড়া
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 1:35 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান
শেয়ারবাজার পরিস্থিতি নিয়ে এসইসিতে বৈঠক



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
18,01,2011

চলমান মন্দা পরিস্থিতি কাটিয়ে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল সোমবার এসইসিতে অনুষ্ঠিত পৃথক দু'টি বৈঠকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পৰ থেকে বাজার সংশিস্নষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে এসইসির শীর্ষ কর্মকর্তারা মার্চেন্ট ব্যাংক এবং স্টক এঙ্চেঞ্জের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দু'দফায় বৈঠক করেন। বৈঠকে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে এসইসির পৰ থেকে শেয়ারবাজারের বর্তমান অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরম্নত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে বাজারে নিম্নমুখী ধারা শুরু হলে স্থিতিশীলতার স্বার্থে শেয়ার বিক্রির চাপ কমাতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া তারল্য প্রবাহ বাড়াতে এসব প্রতিষ্ঠানকে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়।
এসইসি কর্মকর্তারা বলেন, মন্দা পরিস্থিতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাদের এই আতঙ্ক দূর করার ৰেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও অপরিণত আচরণ করছে বলে কমিশন মনে করছে। বাজারে শেয়ারের দর কমে গেলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মতো অনেক প্রতিষ্ঠানও বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়ে। এ ধরনের প্রবণতা পুঁজিবাজারের জন্য নেতিবাচক।
তাঁরা বলেন, বড় দরপতনের পরিস্থিতি তৈরি হলে বাজারের স্বার্থে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় শেয়ার বিক্রির প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করে মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এর মধ্য দিয়ে বাজারে ভারসাম্য তৈরি হবে। এছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করার ৰেত্রেও মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট হলে বাজারে দীর্ঘস্থায়ী মন্দা তৈরি হবে। এতে মধ্যসত্মতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও ৰতিগ্রসত্ম হবে।
বৈঠকে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের পৰ থেকে জানানো হয়, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান পৃথক কোম্পানিতে পরিণত হওয়ায় ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ গ্রহণের পদ্ধতি কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের পৰে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে একক গ্রাহকের জন্য নির্ধারিত ঋণ সীমা সংক্রানত্ম নির্দেশনা মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের জন্য শিথিল করা হলে মার্জিন ঋণে বাড়ানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করা সহজ হবে।
তবে কোন কোন মার্চেন্ট ব্যাংকের পৰ থেকে জানানো হয়, সামগ্রিকভাবে বাজারে তারল্য সঙ্কট অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও তাদের প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই মার্জিন ঋণের হার বাড়িয়েছে। কিন্তু বাজারে মন্দা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় গ্রাহকরা ঋণ নিয়ে শেয়ার কেনায় উৎসাহিত হচ্ছে না। অনেক ৰেত্রে ঋণ বাড়ানোর পর গ্রাহকরা সেখান থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। এতে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
তারল্য সঙ্কট দূর করার বিষয়ে এসইসি কর্মকর্তারা বলেন, পুঁজিবাজারে তারল্য সমস্যা দূর করতে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশকিছু ইতিবাচক সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। কলমানি সুদের হার নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাজারে অর্থ সরবরাহ বাড়াতে রেপোর মাধ্যমে প্রতিদিনই ব্যাংকগুলোকে উলেস্নখযোগ্য পরিমাণ টাকা ধার দেয়া হচ্ছে। এছাড়া
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/17/2011 1:39 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সঙ্কট উত্তরণে ডিএসইতে বৈঠক আজ


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
18.01.2011

শেয়ারবাজারে বিদ্যমান সঙ্কট উত্তরণে করণীয় নির্ধারণের জন্য বাজার সংশিস্নষ্ট সকল পৰের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। আজ (মঙ্গলবার) বিকেল ৪টায় ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংশিস্নষ্ট সব বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আগামীকাল (বুধবার) ডিএসইর সকল সদস্য ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাদের নিয়ে আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
জানা গেছে, পুঁজিবাজারের ধারাবাহিক মন্দা পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মতো ডিএসই নেতারা উদ্বিগ্ন। বিদ্যমান সঙ্কট কাটিয়ে বাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখা সম্ভব হবে না বলে তাঁরা মনে করেন। আর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা সঙ্কট তৈরি হলে সামগ্রিকভাবে পুঁজিবাজারসহ জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ অবস্থায় বিদ্যমান সঙ্কট মোকাবেলায় সংশিস্নষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক ভূমিকা প্রয়োজন বলে ডিএসই মনে করে।
সূত্র জানায়, বর্তমান মন্দা পরিস্থিতি কাটিয়ে শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে করণীয় নির্ধারণের জন্যই বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করেছে ডিএসই। বৈঠকে তারল্য সঙ্কটের সমাধান, মার্জিন ঋণ বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ভূমিকা বাড়ানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 11 / 40 1 - 2 - 3.. - 9 - 10 - 11 - 12 - 13.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview