| 01/13/2011 1:26 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে আবারো বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
পুঁজিবাজারে আবারো বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন
ঢাকাঃ সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার আবারো দরপতন ঘটেছে পুঁজিবাজারে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। সে সঙ্গে কমেছে বাজার মূলধন, সব সূচক ও আর্থিক লেনদেন।
দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৬টি কোম্পানির মধ্যে ১৯৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে, বেড়েছে মাত্র ৪৪টির এবং অবশিষ্ট ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত থাকে।
সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১১৪ দশমিক ৮০ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ৫৭৫ দশমিক ৮৮ পয়েন্টে নেমে আসে। এই দিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬৩ কোটি টাকা। যা গতকালের চেয়ে প্রায় ৫৮৬ কোটি টাকা কম।
অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৩২টির, কমেছে ১৫২টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। দিনশেষে লেনদেনের পরিমাণ দাড়ায় ৯৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এটি আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা কম।
সপ্তাহের শেষ দিন বাজারে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমে ও সূচক কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা কিছুটা হতাশ হলেও বাজার বিশ্লেষকরা একে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন।
এ বিষয়ে কয়েকজন বিনিয়োগকারী বাংলানিউজকে বলেন, বাজারে বড় ধরনের দরপতনের পর গত মঙ্গল ও বুধবার বাজার ঊর্ধমুখি হলেও এখানো বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মধ্যে রয়েছে।
অন্যদিকে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজগুলো এসইসির নির্দেশনা অনুযাযী ১:২ হারে মার্জিন লোন না দেওয়ায় নতুন করে শেয়ার কিনে সমন্বয় করা যাচেছ না। ফলে বিনয়োগকারীরা দরপতনের ধাক্কা সামলে উঠতে পারছেন না।
এ বিষয়ে ডিএসইরি সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান বাংলানিউজকে বলেন, দুইদিন ঊর্ধ্বমুখি থাকার পর ১০০ পয়েন্ট কমা কিংবা বাড়া স্বাভাবিক বিষয়। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হবার কিছু নেই। তিনি বলেন, সূচক একদিনে ৫০০ পয়েন্ট বাড়া কিংবা কমা কোনটাই স্বাভাবিক নয়।
স্থানীয় সময়ঃ ১৬২২ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৩, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/13/2011 1:29 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে কম মূলধনের কোম্পানি
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৩-০১-২০১১
Prothom Alo
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল বুধবার দাম বাড়ার শীর্ষে ছিল স্বল্প মূলধনের কোম্পানিগুলো। ১০০ কোটি টাকা বা তার কম মূলধনের কোম্পানিগুলো ছিল এ তালিকায়। ডিএসইতে দাম বাড়ার শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকার নয়টিই ছিল শত কোটি টাকার কম মূলধনের। আবার এদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিল বিমা কোম্পানি।
গতকাল ডিএসইতে দাম বাড়ার শীর্ষে ছিল ২৫ কোটি টাকা মূলধনের কোম্পানি সায়হাম টেক্সটাইল। দ্বিতীয়টি ১৫ কোটি টাকা মূলধনের কোম্পানি প্রাইম লাইফ ইনস্যুরেন্স। ওই তালিকায় আরও ছিল স্কয়ার টেক্সটাইল, উত্তরা ফিন্যান্স, স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্স, কর্ণফুলী ইনস্যুরেন্স, ফেডারেল ইনস্যুরেন্স, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, মেঘনা সিমেন্ট ও এশিয়া প্যাসিফিক ইনস্যুরেন্স। এসব কোম্পানির মধ্যে একমাত্র ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ছাড়া অন্য সব কটির মূলধন শত কোটি টাকার কম।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বার্ষিক লভ্যাংশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে অনেক বিনিয়োগকারী কম মূলধনের কোম্পানির দিকে ঝুঁকছেন। বিনিয়োগকারীদের ধারণা, কম মূলধনের কোম্পানিকে পুঁজি বাড়াতে হলে বোনাসের পরিমাণও বাড়াতে হবে। পাশাপাশি প্রতিদিনের লেনদেনে কোম্পানিগুলোর দাম বাড়া-কমার ব্যবধানটাও খুব বেশি নয়। ফলে লোকসানের ঝুঁকি কম। এসব কারণে কম মূলধনের কোম্পানির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি হয়ে থাকতে পারে।
গতকাল শেয়ারবাজারের গ্রাহক ঋণ পরিস্থিতিও ছিল আগের দিনের মতো। এ নিয়ে দু-একটি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁদের তর্কাতর্কিও হয়।
ঋণ পরিস্থিতি সম্পর্কে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী শেখ মর্তুজা আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত দুই দিনে বাজারের সূচক বেশ বেড়েছে। সেই সঙ্গে নিষ্ক্রিয় থাকা অনেক বিনিয়োগকারীও সক্রিয় হয়েছেন। নতুন করে অনেকে আবার বাজারের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন। এতে বিনিয়োগকারীদের দিক থেকেও বাজারে আমানত বাড়ছে। এ অবস্থায় ঋণসীমা আর বাড়ানোর প্রয়োজন আছে বলে মনে হচ্ছে না।’
বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সর্বোচ্চ সীমার ঋণ নিয়ে বাজারে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। তাঁরা মনে করছেন, বেশি ঋণ নিয়ে বাজারে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকিও অনেক বাড়বে। সাম্প্রতিক দরপতনের পর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এই ভীতি তৈরি হয়েছে।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) বেঁধে দেওয়া সীমা অনুযায়ী ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ১ : ২ অনুপাতে (এক লাখ টাকার বিপরীতে দুই লাখ টাকা) ঋণসুবিধা দিতে পারবে। ঋণ নিয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছেন এমন বিনিয়োগকারীর শেয়ার যাতে দরপতনের কারণে জোরপূর্বক বিক্রির (ফোর্স সেল) আওতায় না পড়ে, এ জন্যই এসইসি ঋণসীমা বাড়িয়ে দেয়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/13/2011 1:32 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Dhaka stocks slide amid profit-taking
FE Report
14.01.2011
Dhaka stocks went down Thursday after two days of roller-coaster ride, as most issues slid amid profit-taking.
"More than 80 per cent stocks went down, as investors booked profit on most sectors," dealers said.
The market opened with a positive mood in the morning, gaining 88 points within five minutes of trading, but wavered between positive and negative territories throughout the whole session, finally closing in the negative.
The benchmark DSE General Index (DGEN), the yardstick of the market, was down by 1.49 per cent or 114.80 points to end at 7575.89. The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 6288.26, shedding 1.45 per cent or 92.53 points. The DSE-20 index, including blue chips, dropped by 1.27 per cent or 61.19 points to 4767.35.
However, market analysts saw it as a normal price correction. "Mainly profit-taking sent the market into the red, and it was a normal correction," said AIMS Bangladesh CEO and MD Yewar Sayeed.
"The investors, who brought shares at lower prices Sunday, sold their stocks Thursday to book profit, which pushed the market into the red. Selling pressure was also seen from the mid-session," he added.
Many investors still claimed that most of the credit providers could not provide margin loan in the increased ratio. "We are yet to get increased margin loan though the SEC announced it three days back. As a result, we cannot buy shares of our choice," said an investor.
Share prices of almost all the sectors closed down. Banking issues, which make up more than one-third of the market capitalisation, closed 1.58 per cent lower, and 27 banks lost out of 30. The non-banking financial institution (NBFI) sector lost 1.48 per cent, as out of 21, 18 lost and three gained.
Among the notable losers, telecom sector lost 1.76 per cent, life insurance 1.92 per cent, general insurance 1.35 per cent, pharmaceuticals 1.80 per cent, mutual fund 1.26 per cent, cement 1.26, and fuel and power lost 1.36 per cent.
Turnover also declined by 35.5 per cent, compared to the previous session, and stood at 10.80 billion. The losers took strong lead over the gainers, as out of the 246 issues traded, only 44 advanced, 198 declined, and four remained unchanged. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/13/2011 1:34 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হবে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি
মোট ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার বিক্রি করবে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
14,01.2011
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের পর পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত (ডাইরেক্ট লিস্টিং) হবে সরকারী মালিকানাধীন বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে মোট ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার বিক্রি করবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত রোড শো অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে কোম্পানির শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রস্তাব আহ্বান করা হয়। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য জিএমজি এয়ারলাইন্সের ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিএসসিসিএলের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি আরও ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ফলে তালিকাভুক্তির পর কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ৯৭ কোটি টাকা।
রোড শো অনুষ্ঠানে কোম্পানির পক্ষ থেকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৮০ টাকা প্রিমিয়ামসহ সম্ভাব্য নির্দেশক মূল্য ৯০ টাকা প্রসত্মাব করা হয়। ২০১০ সালের বার্ষিক হিসাবে কোম্পাানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬ টাকা ৩৫ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৬০ পয়সা।
রোড শোতে জানানো হয়, বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ এ্যান্ড টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) এর সাবমেরিন কেবল প্রজেক্টের মাধ্যমে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে বিএসসিসিএল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কোম্পানিটি ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়েছে। বিএসসিসিএল বর্তমান ব্যান্ডউইথ ৰমতা হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ৪৪.৬০ গিগাবাইট (জিবিপিএস)। বর্তমানে কোম্পানিটি কার্যৰমতার মাত্র ২৫ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছে। দেশে তথ্য-প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির কার্যৰমতার ব্যবহার বাড়বে। এতে কোম্পানির আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানে কোম্পানির পৰ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশের টেলিযোগাযোগের ৰেত্রে প্রবেশদ্বার হিসেবে বিএসসিসিএল প্রতিনিধিত্ব করছে। এ কোম্পানির মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবহারযোগ্য ব্যান্ডউইথ ক্যাপাসিটি ৪৪.৬ জিবিপিএস। এরমধ্যে মাত্র ১১ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সারাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণের পরও ৩৬.৬ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ অব্যবহৃত রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা মাথায় রেখে আগামী ৫ বছর পর্যনত্ম সারাদেশের চাহিদা নিরূপণ করা হয়েছে ৩৭.০৭৫ জিবিপিএস। তারপরও উদ্বৃত্ত থাকবে ৭.৫২৫ জিবিপিএস। এছাড়া সাবমেরিন কেবল আবার আপগ্রেড করা হচ্ছে_ যা তৃতীয় আপগ্রেড নামে পরিচিত। এই আপগ্রেডেশনে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে সসত্মামূল্যে আরও প্রায় ৭ মিলিয়ন এমআইইউকেএম অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিএসসিসিএলের ব্যবহারযোগ্য ব্যান্ডউইথ হবে ৮০ জিবিপিএস_ যা আগামী বছরের মধ্যেই ব্যবহার করা সম্ভব হবে। সামগ্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বর্ধিত ব্যান্ডউইথ বিদেশে বিক্রি বা লিজ দেয়া সম্ভব হবে। বিদেশে ব্যান্ডউইথ রফতানির মাধ্যমে কোম্পানিটি বিপুল পরিমাণের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে। পাশাপাশি কোম্পানির ব্যান্ডউইথ দিয়ে ব্রডব্যান্ড সার্ভিস, ডাটা ট্রান্সমিশন, কল সেন্টার সার্ভিস, সফটওয়্যার রফতানি ইত্যাদি স্বল্প খরচে সম্ভব হবে।
রোড শো অনুষ্ঠানে বিএসসিসিএলের চেয়ারম্যান এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সনীল কানত্মি বোস, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবদুর রউফ বক্তব্য রাখেন। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/13/2011 1:36 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন
মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় কমেছে অধিকাংশ শেয়ারের দর
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
The Daily Janakantha
14,01.2011
দু'দিন বৃদ্ধির পর কিছুটা নিম্নমুখী অবস্থানে থেকে সপ্তাহ পার করেছে পুঁজিবাজার। সপ্তাহের শুরম্নতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর দু'দিনে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক বেড়েছিল ১১৯১ পয়েন্ট। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা বেশি থাকায় অধিকাংশ শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার প্রত্যাশিতভাবেই সূচক সংশোধন হয়েছে। দিন শেষে ১১৪.৮০ পয়েন্ট কমেছে এই সূচক ৭৫৭৫.৮৯ পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে। বড় রকমের অস্থিরতার পর বাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের সংশয় না কাটলেও সপ্তাহের শেষ দিনে মূল্য সংশোধনকে পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা হিসেবে দেখছেন বিশেস্নষকরা।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত রবিবার রেকর্ড দরপতনের দিন যেসব বিনিয়োগকারী শেয়ার কিনেছিলেন বৃহস্পতিবার সেসব শেয়ার বিক্রির উপযোগী (ম্যাচিউরড) হয়েছে। মঙ্গল ও বুধবার ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে অধিকাংশ শেয়ারেই ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যনত্ম মুনাফা অর্জিত হয়েছে। বাজারের গতি-প্রকৃতি নিয়ে সংশয় পুরোপুরি কেটে না যাওয়ায় অধিকাংশ বিনিয়োগকারীই বৃহস্পতিবার ওই মুনাফা তুলে নিতে তৎপর ছিলেন। মূলত এ কারণেই দিনের শুরম্ন থেকে পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রির চার বেশি ছিল। এর প্রভাবে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যেতে থাকে। দিনের শেষ সময় পর্যন্ত বাজারের নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত থাকায় অনেক বিনিয়োগকারী আতঙ্কেও শেয়ার বিক্রি করেছেন। এ কারণেই বাজার সূচকে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সামগ্রিকভাবে শেয়ারবাজার বর্তমানে স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
ডিএসইর লেনদেন বিশেস্নষণে দেখা যায়, দিনের লেনদেন শুরম্নর ৫ মিনিটের মাথায় ডিএসই সাধারণ সূচক ৮৮ পয়েন্ট নেমে যায়। তবে ২০ মিনিটের মধ্যে সূচক আবার ৩১ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর কিছু সময় সূচক বাড়লেও পরে তা আবার কমতে থাকে। শেষ পর্যনত্ম এ ধারা অব্যাহত থেকে সারা দিনে ডিএসই সাধারণ সূচক ১১৪.৮০ পয়েন্ট কমে ৭৫৭৫.৮৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে মোট ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪৪টির, কমেছে ১৯৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর
বৃহস্পতিবার লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি ছিল_ ইউসিবিএল, বেঙ্মিকো লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক, পিপলস্ লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, বে লিজিং, সাউথইস্ট ব্যাংক, তিতাস গ্যাস, এবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ও গ্রামীণফোন।
অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ অবস্থানে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ সিনোবাংলা, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস্, বাংলাদেশ অঙ্েিজন কোম্পানি, ইউসিবিএল, মুন্নু সিরামিকস্, প্রাইম ইন্সু্যরেন্স, শমরিতা হাসপাতাল, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, মাইডাস ফাইন্যান্স ও সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক।
দর হ্রাসের শীর্ষে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ ইসলামী ইন্সু্যরেন্স, দুলামিয়া কটন, ম্যারিকো, এআইবিএল প্রথম ইসলামী মিউচু্যয়াল ফান্ড, স্টাইল ক্রাফট, রহিম টেঙ্টাইল, এইচআর টেঙ্টাইল, সোনালী আঁশ, কন্টিনেন্টাল ইন্সু্যরেন্স ও বিকন ফামর্া। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/14/2011 11:47 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ICT sector remains non-starter
Jasim Uddin Haroon
The Financial Express
15.01.2011
The Information and Communication Technology (ICT) sector has never achieved its export target over the past 15 years despite the fact it enjoyed a flurry of facilities as a thrust sector.
Its performance remains 15 to 20 per cent below the strategic export target each year, according to data available with the Export Promotion Bureau (EPB).
The incentives include tax holiday, accelerated depreciation, concessionary duty on imported capital machinery, full repartition of capital, profit and dividends and exemption of income tax.
The EPB, national export promoting agency, sat several times with the ICT firms on the issue. But ICT professionals insisted the sector earns much more than the EPB official data. EPB collects data from central bank based on the letter of credit (L/C) settlement.
Data processing and computer consultancy remained almost stagnant over the past 10 years while software development only grew at a snail's pace.
Computer consultancy received an earning of 1.4 million US dollars each year over the last one decade ending 2009-10. Data Processing earned each year on an average 3.2 million US dollars during the period.
Mahbub Zaman, president of BASIS (Bangladesh Association of Software and Information Services), admitted that the ICT sector failed to reach its goal over the years.
Mr. Zaman who also owns leading computer services company Data Soft, said, "This failure can be attributed to the poor infrastructure in the country."
EPB officials said they had met with the ICT people several times on the issue and requested them to boost export as they are getting different benefits from the government since 1994-95.
Experts say the sector has no comparative advantage to sustain in the international market.
They also said the benefits derived by IT services providers are much more higher compared to their earnings and contribution to the economy.
MA Taslim, chief executive officer of Bangladesh Foreign Trade Institute, said no sector can flourish relying only on the state support or nursing.
He said: "ICT has no comparative advantage to trade in the international trade and its export performance is really dismal."
Mr Taslim, also a professor of Department of Economics, said the government should review its list of thrust sectors with support from the people in international trade.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/14/2011 11:53 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | লাইফ সাপোর্টে শেয়ারবাজার!
তানজিদ-উল-ইসলাম
The Daily Ittefaq
15.01.2011
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জা আজিজুল ইসলামের মতে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার এখন ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে আছে। কোন রকমে একে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে বাচিয়ে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ যেকোন মুহুর্তে মৃতু্য হতে পারে। আমাদের শেয়ারবাজারকে বুঝার জন্য এর চেয়ে বড় কোন উদাহরণ হতে পারে না।
শেয়ারবাজার এখন অস্থির। অস্থির না বলে একে অবহেলিতও বলা যেতে পারে। অন্যদিক থেকে বলা যেতে পারে বিশৃংখলও। দূর্ভাগ্যজনকভাবে সরকারের নজর এড়িয়ে যাচ্ছে অর্থনীতি তথা অর্থায়নের এ গুরুত্বপূর্ণ খাত। মনে হয় খাতটিকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদীতো বটেই স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনাও নেই সরকারের।
ফলে যা হবার তাই হচ্ছে। বিশৃংখলভাবে চলছে বাজার। সম্প্রতি বিশৃংখলার চরম এক রূপ দেখেছে দেশবাসী তথা বিশ্ববাসী। শেয়ারবাজার নিয়ে এত বিক্ষোভ, আন্দোলন, জ্বালাও-পোড়াও, ধর-পাকড়, জেল-হাজত, মামলা-মোকদ্দমা এর আগে কখনো দেখা যায়নি।
ঝুঁকির বাজারখ্যাত শেয়ারবাজারে ঝুঁকির মাত্রাটিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে খোদ সরকার। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারের দায়িত্বহীনতা এবং নিস্পৃহতার কারণে শেয়ারবাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশে। রাষ্ট্রায়ত্ব ২৬ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়া হবে, বলা হচ্ছে প্রায় চার বছর ধরেই। বর্তমান সরকারের সময়কালেই পাঁচবার সময়সীমা অতিক্রম হয়েছে। কিন্তু শেয়ার আর আসে না। সরবরাহ বৃদ্ধির তাহলে কী হবে। বেসরকারি খাতও ততটা আগ্রহী নয়। না, শেয়ারবাজার নিয়ে নীতিনির্ধারকদের কারও কোনো মাথা ব্যথা নেই। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অসহায় মুখ নিয়ে সাংবাদিকের জানান, তাঁর কথা কেউ শোনেনা।
বাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসি কি সক্ষম?
প্রশ্ন উঠতে পারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সক্ষমতা নিয়ে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কি বিদ্যমান শেয়ারবাজারকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম? ৫০টি ব্যাংক ও ৩০টি ব্যাংক বহিভর্ূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (লিজিং কোম্পানি) নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে পাঁচ হাজার জনবল নিয়ে। এই ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানিগুলোর বেশিরভাগই আবার শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত। সে হিসেবে এসইসি এদেরও নিয়ন্ত্রক। বাড়তি হিসেবে আছে বীমা কোম্পানি। সব মিলিয়ে ৪০০'র মতো তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য ৪০০ জনেরও জনবল নেই এসইসিতে।
অবিশ্বাস্য যে, এসইসির তদারকি কার্যক্রমে নিয়োজিত মাত্র দুইজন কর্মকর্তা। একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ নিয়ে তদন- কমিটি গঠিত হলে, তদন- কাজ শেষ করতে না করতেই আরেকটি বিষয় এসে হাজির হয়। এসইসি তখন কোনো কাজই ভালভাবে করতে পারে না।
আরেকটি বিষয় পূঁজি বাজারে এখন প্রায় প্রচলিত। অনিয়ম-দুনর্ীতি যা পার, কর। কিছুই হবে না। কারণ, এ পর্যন- কারুর বিরুদ্ধেই তেমন কিছু হয়নি। শাস-ি যা-কিছু হয়েছে নামকাওয়াস-ে। দুর্নীতি বরং এতে আস্কারা-ই পায়।
মামলা হয়, শাস-ি হয়না। একটু তলিয়ে দেখলে বা পেছনের দিকে তাকালেই তার প্রমাণও পাওয়া যায়। ১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারীর সঙ্গে অভিযুক্তরা এখনও বহাল তবিয়তে আছেন। তারা দাবড়ে বেড়াচ্ছেন বাজার। নেতাগিরি করছেন। ওই ঘটনায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছিল, এক যুগ পার হলেও তার নিষ্পত্তি নেই। বলা হয় তারা এই বাজারেও সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে।
তারপর একে একে বহু ঘটনাই ঘটেছে। গত জোট সরকারের আমলের শেষ দিকে গোটা বাজারকেই ঝুঁকিপূর্ণ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য এককভাবে দায়ী ছিল বেসরকারি খাতের একটি ব্যাংক। ব্যাংকটির কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা জরিমানা আদায় করা হয়, যা দেশীয় শেয়ারবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অংকের জরিমানা। অবৈধ মুনাফা ৩০০ কোটি টাকা, আর জরিমানা ১০ কোটি টাকা! চমৎকার শাস-ি!
ঢাকায় বসে সৌদি আরবের কোম্পানির নাম ব্যবহার করে অভিনব কায়দার জোচ্চোরি দেখেছে বিনিয়োগকারীরা। বিডি ওয়েল্ডিং নামক তালিকাভুক্ত কোম্পানিটিকে সৌদি আরবের এক কোম্পানি কিনে নিতে চায় বলে বলে বাজারে ছড়ানো হয়েছিল। ঘটনা পুরোটাই ভুয়া-এসইসির কাছে তা ধরা পড়লে ঘটনার নায়ক কতিথ একটি পত্রিকার সম্পাদক তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। কিন্তু ওই পর্যন-ই। আর কিছুই হয়না। মামলার পরের সপ্তাহেই তিনি সৌদি আরব সফর করেন। এখনও দূর্দান- প্রতাপ খাটিয়ে আছেন।
বাজার কারসাজি ও ইনসাইডার ট্রেডিংয়ে লিপ্ত থাকা এর পর বহু কোম্পানির নাম এসেছে। এসইসি কিছু খতিয়ে দেখে, অনেকগুলো আবার ইচ্ছে করেই এড়িয়ে যায়। শুধু জনবল বা সক্ষমতার অভাবেই এড়িয়ে যায়-বিশেষজ্ঞরা বিষয়টিকে এত সরল বাক্যে মানতে নারাজ। এখানেও অন্য কিছু থাকে।
বিও হিসাবধারী ৩৩ লাখ
শেয়ারবাজার বিস-ৃত হচ্ছে। সরকারি হিসেবে বেনিফিশিয়ারি ওনার (বিও) হিসাবধারী এখন ৩৩ লাখ। গত এক বছরেই ১৯ লাখ বিও হিসাবধারী বেড়েছে। প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে আট লাখ বিও হিসাবধারীই নারী। মোট বিও হিসাবধারী কোথায় গিয়ে ঠেকবে কেউ জানেনা। বাড়ার হার দেখে মনে হয়, আগামী কয়েক বছরে তা এক কোটিতে গিয়ে পেঁৗছাবে। প্রশ্ন উঠতে পারে, এই ৩৩ লাখ বিওধারী কি বিনিয়োগকারী? না, এরা প্রাথমিক গণপ্রস-াবে (আইপিও) অংশগ্রহণ করে। অনেকে আবার জানেও না, তাদের নামে বিও হিসাব আছে। কারণ, ছবি সংগ্রহ করে একজন ১০০ থেকে ৫০০ বিও হিসাব সংরক্ষণকারী এখনও বিদ্যমান বলে এসইসির কর্মকর্তারা এখনও স্বীকার করেন।
অভিহিত মূল্য সমাচার
সব শেয়ারের মূল্য দ্বিগুণ হয়েছে। সরকারের কোনো কোনো নীতি নির্ধারকের মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ারের দাম এক বছরেই বেড়েছে ১২০০ শতাংশ। অভিহিত মূল্য (ফেস ভ্যালু) শেয়ারের ওঠানামায় বড় খেল দেখিয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয় বলে একটা, তারপর অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি বলে আরেকটা। এসইসি নিজেও কিছু বলে, তবে স্বর নরম। ধমক পেয়ে একেকবার একেক সুরে কথা বলে এসইসি। নিজের বুঝ না-কি পাগলেও বোঝে, কিন্তু এসইসি বোঝে না। বুঝুন ঠেলা। শেয়ার বাজার কেমন আছে আর কেমনইবা থাকবে। শেষমেষ ১০ টাকা অভিহিত মূল্য কোম্পানির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়। 'এই ১০ টাকা করা হচ্ছে, এই ১০ টাকা করা হচ্ছে' অজুহাত তুলে কয়েক দফা দাম বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে, ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটে (ওটিসি) পাঠানোর জন্য ১২ কোম্পানির তালিকা তৈরি করেছিল এসইসি। ব্যাখ্যা ছাড়াই পরে আবার কাউকে কাউকে বাদ দেয়া হলো কেন-এ প্রশ্নের এসইসির জানা নেই। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/14/2011 11:56 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এসইসির ভাবমূর্তি প্রশ্নের মুখে
The Daily Ittefaq
15.01.2011
যেকোনো সংস্থারই প্রধান ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব ও ভাবমূর্তি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। এসইসির বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের ব্যাপারে তা যথেষ্টই প্রশ্নসাপেক্ষ। এ যাবৎকাল এসইসির চেয়ারম্যান নিয়োগ হচ্ছিলেন সরকারের সাবেক আমলা বা সচিবেরা। যাঁরা সরাসরি বাজারের লোক ছিলেন না। কিন্তু চালিয়েছেন বেশ।
এবারই প্রথম বতিক্রম হয়েছে। ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালককে এসইসির চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়। বাজার সংশ্লিষ্টদের মনে ধারণা জন্মে, অভিজ্ঞ লোক হিসেবে তিনি কিছু দিতে পারবেন। কিন্তু সব হিসেবই গোলমেল ঠেকে সময়ে। তাঁর সময়েই সবচেয়ে বেশি টালমাটাল হয় দেশের শেয়ারবাজার।
বর্তমান এসইসির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগটা হচ্ছে, নিজেরা কোনো সিদ্ধান- নিতে পারে না। কিসের বা কার অঙ্গুলি হেলানের দিকে তাকিয়ে থাকে। দুর্মুখদের ভাষায়, মাজা-ভাঙ্গা এসইসি। এই এসইসি দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ চলে না।
গত এক বছরের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, এই সময়ে ২৩টি ফরমান জারি করেছে এসইসি। পরে যার একটিকেও যথার্থ মনে করেনি সংস্থাটি নিজেই। একটি ফরমান জারি করে দুইদিন, কখনো কখনো দুই ঘণ্টা পরেই তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার উদাহরণ তৈরি হয়েছে। বাজারের স্বার্থে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলেও গোষ্ঠী স্বার্থে পরে তা থেকে পিছিয়ে আসারও নজির তৈরি করেছে সংস্থাটি।
এসব কারণে এসইসির কর্মকর্তারা সামাজিকভাবে হেয় হচ্ছেন। আজকাল সামাজিক অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলছেন তাঁরা। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/15/2011 12:03 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ছাড়া হয়নি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা কাজে আসেনি
The Daily Ittefaq
15.01.2011
কয়েকদফা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা সত্ত্বেও সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এখনো বাজারে আসেনি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১ নভেম্বর তার সম্মতি এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেন। এর আগে গত ৩১ অক্টোবর অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, পরবতর্ী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৯টি কোম্পানির শেয়ার ছাড়া হবে। আর ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের আরো ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে। রূপালী ব্যাংক ছাড়া অন্য কোম্পানির শেয়ার নতুন করে বাজারে ছাড়া হয়নি।
এর আগে জোট সরকারের সময় সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানও এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার জন্য কয়েক দফা নির্দেশ দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ওয়ান ইলেভেনের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম দিনক্ষণ বেঁধে দিয়েও এসব শেয়ার বাজারে আনতে পারেননি।
সমপ্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছেন, কিছু কিছু কর্মকর্তার অনাগ্রহের কারণে সরকারের শেয়ার বাজারে ছাড়া যাচ্ছে না। ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আদৌ বাজারে ছাড়া হবে কিনা তা নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
সূত্র জানায়, তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের আরো ২৪ শতাংশ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ, পাওয়ার গ্রিডের ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, ডেসকোর ১৫ শতাংশ, তিতাস গ্যাসের ১৫ শতাংশ, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ১৭ শতাংশ, যমুনা অয়েলের ১৭ শতাংশ, ন্যাশনাল টিউবসের ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং ইস্টল্টার্ন লুব্রিক্যান্টের ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়ার কথা ছিল। এর মধ্যে শুধু রূপালী ব্যাংকের শেয়ার বাজারে ছাড়া হয়েছে। অপরদিকে ২৬টি কোম্পানির একটির শেয়ারও বাজারে ছাড়া হয়নি।
এদিকে শেয়ারবাজারে ডিসেম্বর মাসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতনের অন্যতম কারণই হচ্ছে বাজারে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার না ছাড়া। শেয়ারবাজারকে অত্যন- ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে গত ৯ অক্টোবর দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন, পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল রাখতে হলে দ্রুত সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়তে হবে। আর যদি তা না করা হয় তাহলে বাজারে কোনো ধরনের ধস নামলে তার দায়-দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্টরা এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস-ক্ষেপও কামনা করেন। তাদের এ হুঁশিয়ারিতে সরকার কিছুটা নড়েচড়ে বসে। কারণ এর আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঘটেছিল শেয়ারবাজারের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায়। এখনো শেয়ারবাজারে বিপর্যয় হলে তার জন্য বড় ধরনের খেসারত গুনতে হবে_ এ বিষয়টি মাথায় রেখেই সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সে নির্দেশনার পরও সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারে আসেনি। আর স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি উচ্চারণের দু'মাস পরেই ঘটেছে শেয়ারবাজারের ইতিহাসের ভয়াবহ দরপতন। আর এ পতনের কারণে পুঁজি হারিয়ে হাজার হাজার বিনিয়োগকারী রাস-ায় নেমে বিক্ষোভ-ভাঙচুর, মিছিল-সমাবেশ করেছেন।
এখানে প্রসঙ্গত, এ বছরের ১৩ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, জুনের মধ্যে সরকারের ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে পর্যায়ক্রমে ছাড়া হবে। কিন্তু তার এ ঘোষণা অনুযায়ী একটি কোম্পানির শেয়ারও বাজারে আসেনি। কিন্তু তা সত্ত্বেও ৩১ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে ঘোষণা দিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সত্ত্বেও সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে না আসার বিষয়টি বড় ধরনের বিস্ময়ের কারণ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকার পরও শেয়ার না আসায় প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠতে পারে, সরকারের ওপর প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ আছে কিনা। এ জন্য বিষয়টি তদন- করে দেখা উচিত। তিনি আরো বলেন, বাজারে সমপ্রতি ভয়াবহ ধস নামলেও অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর অতিমূল্যায়িত। সরকারের উচিত বাজারের স-িতিশীলতার স্বার্থে হাতে থাকা শেয়ার ছেড়ে দেয়া।
এ বিষয়ে ডিএসই'র সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান বলেন, বারবার ঘোষণা সত্ত্বেও সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে না আসায় সরকার আদৌ কি চাচ্ছে তা নিয়ে নানা ধরনের সন্দেহ তৈরি হচ্ছে।
সরকারের নীতি অনুযায়ী কর্মকর্তারা কাজ করবেন এটিই স্বাভাবিক। সরকারের নীতির বাইরে গিয়ে কর্মকর্তাদের তার বিপরীতে কোনো সিদ্ধান- বাস-বায়ন করার কথা নয়। সরকার যদি সত্যিকার অর্থেই শেয়ার ছাড়তে চায় সেক্ষেত্রে কেউ প্রতিবন্ধকতা তৈরি করলে তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া উচিত। কারণ তাহলে সরকার এসব কর্মকর্তা দিয়ে তার নীতি বাস-বায়ন করতে পারবে না। তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, অনেক কর্মকর্তা মুখে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার কথা বলেন; কিন্তু বাস-বে তারাই আবার এ বিষয়ে বিরোধিতা করে থাকেন। এ পরিস্থিতির অবসান হওয়া উচিত। অর্থমন্ত্রীর ঘোষণার বাস-বায়ন নিয়ে নিজের সংশয়ের কথা উল্লেখ করে রকিবুর রহমান বলেন, এর আগেও অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা সত্ত্বেও কোনো কোম্পানির শেয়ার বাজারে আসেনি। নতুন করে অর্থমন্ত্রী শেয়ার ছাড়ার যে সময় বেঁধে দিয়েছিলেন তা নিয়ে প্রথম থেকেই সন্দেহ ও সংশয় ছিল। এখন তাই হয়েছে। নতুন বছরের শুরুতে সরকারের শেয়ার বাজারে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/15/2011 12:45 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Applications to float new insurance cos galore
Mushir Ahmed
The Financial Express
16.01.2011
The Finance Ministry has been swamped with applications to launch new private insurance companies in the country, officials said Saturday.
Chief Controller of Insurance M.M Niazuddin said local entrepreneurs have submitted "around 400 applications" for life and non-life i.e. general insurance companies.
"They submitted the applications to our office and the ministry of finance. But the government has not decided on how many licenses would be issued for new insurance firms," he told the FE.
Officials said many of the proposals are from people close to the ruling Awami League. "Among the applications, 90 per cent are for life insurance companies and the rest for non-life," a senior official said.
Sources said the government could allow some 20 new entrants in the already-crowded sector where 62 companies chase for annual premiums worth only one billion dollars.
"The government will first form a new insurance regulatory authority in weeks. The IRA will decide the fate of these applications," said a finance ministry official who is familiar with the issue.
The applications started pouring in since 2009 after the Awami League government came to power. The last time the AL was in power between 1996 and 2001, it approved around 40 new companies.
The country now has 43 private general insurance companies and 17 life insurers. The government also owns a life and a non-life insurance companies.
"The chances for new life insurers are high because the number of life insurance firms is still relatively low and the sector has a huge untapped potentials to grow," said a source.
In 2009, the life insurance companies earned nearly 700 million dollars worth of premiums and have been growing at a pace of around 25 per cent.
"By contrast, general insurance companies earned around 250 million dollars and the growth is around 10 per cent," he added.
The likelihood of a new competitors in the already densely-populated market sent shivers down the spines of some companies although the Bangladesh Insurance Association is tight-lipped about the prospect.
Sheikh Kabir Hossain, the newly-elected president of BIA said his grouping hoped the government would take decision based on "the economic growth and state of insurance business in the country."
"We haven't said anything on the issue formally. Let the government decide what it wants to do on the fate of these applications," he said.
A chief executive officer of a top insurer said Bangladesh market is not prepared for entry of new insurance firms. "One new license will be too many in my opinion," he said.
The CEO said Bangladesh lacks the skilled manpower to man the existing 62 companies. "It is already too-crowded and only a few can claim that they have enough professionals to run the business properly."
Although 44 life insurers have their operations spread throughout the country, together they boost the presence of only one full and an associate actuaries.
Service of an actuary -- or dozens of them -- is a regular feature in life insurance firms across the globe as they are required to calculate premiums and the associated risks.
In Bangladesh, Pragati Life Insurance had appointed a full actuary as its managing director earlier last decade. The actuary lost job in 2009 and has since remained jobless.
The CEO alleged that greed has driven the applicants to seek new insurance licenses. "Listing of dozens of insurance firms have made quite a lot of sponsor directors extremely rich in the past five years."
"Besides, the sector is not tightly regulated like banks. The Chief Controller of Insurance does not have the teeth like the central bank. The proposed IRA has not been formed yet," he said.
"Unlike in the West, where insurance firms face regulations in every step, Bangladeshi insurers can get away with breaching rules quite easily under the nose of the regulators," he added. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/15/2011 12:51 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ওঠানামার মধ্য দিয়ে আরেকটি সপ্তাহ পার করল ডিএসই
আব্দুল্লাহিল ওয়ারিশ | তারিখ: ১৫-০১-২০১১
Online Edition, Prothom Alo
বছরের প্রথম সপ্তাহে বড় ধরনের ধাক্কার পর রেকর্ড ওঠানামার মধ্য দিয়ে আরেকটি সপ্তাহ পার করল দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। সপ্তাহের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তিন দিনই রেকর্ড হয় সেখানে। এর মধ্যে রবি ও সোমবার হয় দরপতনের রেকর্ড এবং মঙ্গলবার হয় সূচক বৃদ্ধির রেকর্ড। এ ছাড়া সপ্তাহের পাঁচ দিনের তিন দিন দরপতন ও বাকি দুই দিন চাঙা থাকে ডিএসই। এর পাশাপাশি গত সপ্তাহে ডিএসইতে সাধারণ সূচক কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম, আর্থিক লেনদেন ও বাজার মূলধনও।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক সাত দশমিক ৭৬ শতাংশ বা ৬০০ দশমিক ১৯ পয়েন্ট নেমে যায়। পরদিন সোমবার লেনদেনের ৫০ মিনিটের মাথায় সূচক ৬৬০ পয়েন্ট নেমে যায়, যা ডিএসইর ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ সূচক কমার রেকর্ড। এর কিছুক্ষণের মধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেন বন্ধ করে দেয়। এ দরপতনে পুঁজি হারিয়ে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ সময় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের বেধড়ক লাঠিপেটা করে। পুলিশের লাঠিপেটায় সেখানে কর্তব্যরত চার সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়। এদিকে টানা কয়েক দিনের দরপতনের পর নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের পক্ষ থেকে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়। পতন ঠেকাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো বেশ কিছু বিধি-নিষেধ শিথিল করে।
এতে পতনের ধাক্কা সামলে ওঠে বাজার। মঙ্গলবার ডিএসইর সাধারণ সূচক ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ বা ১০১২ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়; যা ডিএসইর ইতিহাসে এক দিনে সূচক বৃদ্ধির সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর বাজারে গ্রামীণফোনের শেয়ার লেনদেন শুরুর দিন ডিএসইতে সর্বোচ্চ ৭৬৪ পয়েন্ট বাড়ে। বাজারে চাঙাভাবের ধারা বুধবারও স্থায়ী ছিল। ওই দিন সূচক ১৭৮ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বাড়ে। তবে সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার সূচক ১১৪ দশমিক ৮০ পয়েন্ট কমে যায়।
এদিকে ভয়াবহ দরপতনের পর স্বস্তিতে নেই বিনিয়োগকারীরা। কেননা, তাঁরা নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী ১:২ হারে মার্জিন ঋণ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শেখ মর্তুজা আহমেদ এসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঋণ না দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে বেশ তারল্য-সংকট রয়েছে। এ কারণে ১:১.২ ঋণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বেশির ভাগ মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসে ইতিমধ্যে ১:০.৭৫ হারে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। ধীরে ধীরে এ হার বাড়ানো হবে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে (৯ থেকে ১৩ জানুয়ারি) সাধারণ মূল্যসূচক দুই দশমিক ছয় শতাংশ বা ১৫৯ দশমিক ২০ পয়েন্ট কমে সপ্তাহ শেষে ৭৫৭৫ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে; যা সপ্তাহের শুরুতে ছিল ৭৭৩৫ দশমিক ২২ পয়েন্টে।
একই সময়ে আর্থিক লেনদেন গড়ে প্রতিদিন ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ কমে প্রতিদিন এক হাজার ৮৪ কোটি টাকা করে হয়েছে। সপ্তাহ জুড়ে মোট লেনদেন হয়েছে পাঁচ হাজার ৪২১ কোটি টাকা।
এদিকে সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল কমে তিন লাখ ৩০ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা; যা সপ্তাহ শেষে দশমিক ৮৬ শতাংশ কমে তিন লাখ ২৭ হাজার ৬৩২ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।
গেল সপ্তাহে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমেছে। এ সময় লেনদেন হওয়া মোট ২৫১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ২১২টির এবং বেড়েছে ৩৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
গত সপ্তাহে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো—এনবিএল, ইউসিবিএল, বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, গ্রামীণফোন, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, তিতাস গ্যাস, এবি ব্যাংক, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও প্রাইম ব্যাংক।
সমাপনী মূল্যের ভিত্তিতে গত সপ্তাহে দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো—সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, রহিম টেক্সটাইল, বেক্সিমকো সিনথেটিকস, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, স্কয়ার টেক্সটাইল, ডেসকো, তৃতীয় আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড ও দ্বিতীয় আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড।
সমাপনী মূল্যের ভিত্তিতে দাম কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো—এশিয়া ইন্ডাস্ট্রিজ, চট্টগ্রাম ভেজিটেবল, সাভার রিফ্রাক্টরিজ, দুলামিয়া কটন, এইচআর টেক্সটাইল, জুট স্পিনার্স, তাল্লু স্পিনিং, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, আজিজ পাইপ ও ইমাম বাটন। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/15/2011 12:52 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বড় উত্থান-পতনের মধ্যে আরেকটি সপ্তাহ পার করলো ডিএসই
০০ইত্তেফাক রিপোর্ট
16.01.2011
বড় ধরনের উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে আরো একটি সপ্তাহ পার করলো দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। আর উত্থান-পতনের মধ্যে ডিএসইতে এক সপ্তাহে গড় লেনদেন কমেছে ১৪৪ কোটি টাকা।
গত সপ্তাহে প্রথম দুই কার্যদিবসে ডিএসইতে সাধারণ মূল্য সূচক রের্কড পরিমাণ ১ হাজার ২৩৫ পযেন্ট কমে যায়। অর্থাৎ প্রথম কার্যদিবস রবিবার সাধারণ মূল্যসূচক ৬০০ পয়েন্ট এবং দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার ৬৩৫ পয়েন্ট কমে যায়।
অন্যদিকে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার সাধারণ মূল্য সূচক রেকর্ড পরিমাণ ১ হাজার ১২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এতে করে বাজারের এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। তবে সপ্তাহের শেষ দুই দিন সূচকের উঠানামা স্বাভাবিক থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। গত সপ্তাহে পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয় মাত্র ৫ হাজার ৪২১ কোটি টাকা। এ সময় গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৮৪ কোটি টাকা।
অন্যদিকে গত জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয় ৬ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। এ সময় গড় লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে গড় লেনদেন কমেছে ১৪৪ কোটি টাকা।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি বাজার মূলধন, সব সূচক এবং লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের বড় ধরনের দরপতন হয়। সপ্তাহের শুরুতে রবিবার ডিএসই'র বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৩০ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। অন্যদিকে সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বাজার মূলধন কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ২৭ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ২ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা।
অন্যদিকে সপ্তাহের শুরুতে রবিবার সাধারণ মূল্য সূচক ৭ হাজার ৭৩৫ দশমিক ২২ পয়েন্ট থাকলেও সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার তা ৭ হাজার ৫৭৫ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে নেমে আসে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে সাধারণ মূল্য সূচক কমে যায় ১৫৯ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/15/2011 12:53 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আইপিওর টাকা ভিন্ন খাতে ব্যবহার করছে মালেক স্পিনিং
অতিরিক্ত প্রিমিয়ামে জে এম ফেব্রিক্সে শেয়ার কেনার উদ্যোগ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
16.01.2011
প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) বিবরণীতে দেয়া ঘোষণা অনুযায়ী নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ না করে শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত টাকায় একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেড। এজন্য জে এম ফেব্রিঙ্ নামে ওই প্রতিষ্ঠানের ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৪০ টাকা। এ কারণে এক খাতের জন্য মূলধন সংগ্রহের পর অন্য খাতে ব্যয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে সংশিস্নষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। শুধু তাই নয়, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পর অতিরিক্ত দরে আরেক কোম্পানির শেয়ার কেনার সুযোগ দেয়া হলে তা ভবিষ্যতে খারাপ উদারহণ হয়ে থাকবে বলে অনেকে মনে করছেন।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য ২০১০ সালের মে মাসে মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেড আইপিও বিবরণী প্রকাশ করে। এতে কোম্পানির নিজস্ব প্রকল্প হিসেবে নিউ এশিয়া সিনথেটিক লিমিটেড নামে পিইটি গ্রানুয়েলস এবং পলিস্টার স্টাপল ফাইবার উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠার জন্য ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহের ঘোষণা দেয়া হয়। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা সংগ্রহ করা হয়। কোম্পানিটি ৬-১০ জুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আবেদনপত্র জমা নেয়। ২৯ জুলাই মালেক স্পিনিং ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত হয়। ২ আগস্ট থেকে দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরু হয়।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পর ৬ মাস পার হলেও কোম্পানিটি ঘোষিত নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করেনি। এ বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারের পৰ থেকে নতুন শিল্পে গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখার কারণে পিইটি গ্রানুয়েলস এবং পলিস্টার স্টাপল ফাইবার কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। এর বিকল্প হিসেবে শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত টাকায় জে এম ফেব্রিঙ্রে শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, জে এম ফেব্রিক্স একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। এই কোম্পানির ৬ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার মালেক স্পিনিংয়ের নামে হস্তান্তর করা হবে। এজন্য শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত ১০০ কোটি টাকা থেকে ৭৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। ওই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের হসত্মানত্মর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৪০ টাকা। এৰেত্রে জে এম ফেব্রিঙ্রে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১১৪০ টাকা প্রিমিয়াম রাখা হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধানত্ম গ্রহণের পর গত ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয়া হয়।
জানা গেছে, অস্বাভাবিকহারে প্রিমিয়াম মূল্য যুক্ত করে অন্য কোম্পানির শেয়ার কেনার জন্য পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ ব্যয়ের অনুমোদন দেয়ার বিষয়টি বতর্মানে ডিএসই ও এসইসির পরীৰাধীন রয়েছে। তবে এ খাতের জন্য সংগৃহীত অর্থ অন্য খাতে ব্যয়ের এই প্রক্রিয়া নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। বেশ কিছুদিন বন্ধ রাখার পর সরকার নতুন প্রকল্পে গ্যাস সংযোগ দেয়া শুরম্ন করলেও অতিরিক্ত প্রিমিয়াম দিয়ে শেয়ার কেনার ৰেত্রে মালেক স্পিনিংয়ের উদ্দেশ্য নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, এভাবে সুযোগ দেয়া হলে অনেক ভুয়া কোম্পানি নানা ধরনের কারণ দেখিয়ে পুঁজিবাজার থেকে টাকা নেয়ার চেষ্টা করবে_ যা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৰতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কারণ কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করেছে ৭৭.৫ শতাংশই একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মালিকদের কাছে চলে যাবে।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মালেক স্পিনিংয়ের কোম্পানি সচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকার গ্যাস সংযোগ দিতে পারবে না বলে চিঠি দেয়ার পর আইপিওর টাকা ব্যয়ে জে এম ফেব্রিঙ্রে শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদ সভায় সিদ্ধানত্ম নেয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী তাৎৰণিকভাবে ফ্যাঙ্যোগে বিষয়টি এসইসি, ডিএসই ও সিএসইকে জানানো হয়। সম্প্রতি ডিএসইর পৰ থেকে এ সংক্রানত্ম কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। গত ১৩ জানুয়ারি কোম্পানির পৰ থেকে এর জবাব দেয়া হয়।
৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের একটি কোম্পানিতে এত টাকা বিনিয়োগের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোম্পানিটির ব্যাংক ঋণ পরিশোধের জন্য ওই টাকা ব্যয় করা হবে। অতিরিক্ত প্রিমিয়ামের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কোম্পানি সচিব কোন ব্যাখ্যা দিতে অস্বীকার করেন।
বিশেস্নষকদের মতে, দেশের শেয়ারবাজার বর্তমানে যে কোন সময়ের তুলনায় শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ফলে উৎপাদনমুখী খাতের বিকাশের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য বিপুল পরিমাণ মূলধন যোগান দেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে বর্তমান পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে কোন কোন সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এখান থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে পারে। এজন্য সংশিস্নষ্ট সবাইকেই সতর্ক থাকাতে হবে। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহিত অর্থ কোথায়, কীভাবে ব্যয় করা হচ্ছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ কতটুকু রৰিত হচ্ছে_ সেদিকেও নজর রাখতে হবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/15/2011 12:55 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আশঙ্কা কাটিয়ে উঠছে পুঁজিবাজার
সতর্কতার সঙ্গে লেনদেনের পরামর্শ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
16.01.2011
বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা কাটিয়ে দেশের পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহের প্রথম দু'দিন ভয়াবহ ধস নামলেও পরের দু'দিন ঊর্ধমুখী ছিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক। শেষ দিনে কিছুটা মূল্য সংশোধন হলেও পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে বলে মনে করেন বাজার বিশেস্নষকরা।
দু'দিনের ভয়াবহ ধসের পর অভাবনীয় দরবৃদ্ধির ঘটনা ঘটলেও গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন ২ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা কমে গেছে। ওই সময়কালে লেনদেন হওয়া ২৫১টি কোম্পানির মধ্যে ২১২টিরই শেয়ারের দর কমেছে। ফলে সপ্তাহ শেষে ১৫৯.৩৩ পয়েন্ট কমে ডিএসই সাধারণ সূচক ৭৫৭৫.৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন, স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বেশ কয়েক দফা বড় দরপতনের কারণে অনেক বিনিয়োগকারী নতুন করে বিনিয়োগ না করে পরিস্থিতি পর্যবেৰণ করছেন। এ কারণে বাজারে এখনও লেনদেনে কিছুটা মন্দা রয়ে গেছে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে কোন রকম গুজবে কান না দিয়ে ধৈর্য ধরে বুঝে-শুনে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
রেকর্ড দরপতনের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের ধ্বংসাত্মক বিৰোভের কারণে ১৯৯৬ সালের পর দেশের পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহটি ছিল সবচেয়ে অস্থির। সপ্তাহের প্রথম দিনেই ডিএসই সাধারণ সূচক ৬০০ পয়েন্ট কমে যায়_ যা ওই দিন পর্যনত্ম সর্বোচ্চ দরপতনের রেকর্ড সৃষ্টি করে। কিন্তু পরদিন ৫০ মিনিটের লেনদেনেই ওই রেকর্ড ভঙ্গ হয়ে যায়। ওই সময়ের মধ্যেই ডিএসই সাধারণ সূচক ৬৬০.৪৩ পয়েন্ট নেমে গেলে আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কায় লেনদেন বন্ধ করে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এর ফলে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী পুঁজি হারানোর আশঙ্কায় রাসত্মায় নেমে বিক্ষুব্ধ ও সহিংস প্রতিবাদ শুরম্ন করে। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে বেশ কিছু ইতিবাচক সিদ্ধানত্ম নিয়ে পুনরায় লেনদেন চালু করা হয়। এর প্রভাবে মঙ্গলবার দরবৃদ্ধির ৰেত্রে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করে শেয়ারবাজার। একদিনে ডিএসই সাধারণ মূল্য সূচক বৃদ্ধি পায় ১০১২ পয়েন্ট। পরের দিনও দরবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত ছিল। দু'দিন বৃদ্ধির পর সপ্তাহের শেষ দিনে শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন ঘটে। মূলত গত সপ্তাহের প্রথম দু' দিনে রেকর্ড দরপতনের সময় যেসব বিনিয়োগকারী শেয়ার কিনেছিলেন বৃহস্পতিবার সেসব শেয়ার বিক্রির উপযোগী হয়েছে। মাঝের দু'দিনে ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে এসব শেয়ারের বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিয়েছেন।
বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন, বাজারের গতি-প্রকৃতিতে বিনিয়োগকারীদের কোনোভাবেই আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। এ সময় লোকমুখে কিছু শুনে লোভের বশে কোন বিনিয়োগ করা ঠিক হবে না। শেয়ার কেনার আগে সংশিস্নষ্ট কোম্পানির মৌলভিত্তি এবং সাম্প্রতিক লেনদেনের গতি-প্রকৃতি দেখে কেনা উচিত। আবার বিক্রির সময় ধৈর্য ধরা দরকার। দরপতন শুরম্ন হলেই সব শেয়ার বিক্রি করতে হবে_ এমন কোন কথা নেই।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, সামগ্রিকভাবে গত সপ্তাহে (৯ থেকে ১৩ জানুয়ারি) ডিএসই সাধারণ মূল্য সূচক ২.০৬ শতাংশ বা ১৫৯.৩৩ পয়েন্ট কমেছে। সপ্তাহের শুরম্নতে সাধারণ মূল্য সূচক ছিল ৭৭৩৫.২২ পয়েন্ট। সপ্তাহের লেনদেন শেষে এই সূচক ৭৫৭৫.৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
একই সময়ে আর্থিক লেনদেন গড়ে প্রতিদিন ১১.৭১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৮৪ কোটি ৩৬ লাখ ১০ হাজার ৪৮৭ টাকায় দাঁড়ায়। সব মিলিয়ে গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৪২১ কোটি ৮০ লাখ ৫২ হাজার ৪৩৪ টাকা।
এদিকে সপ্তাহের শুরম্নতে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৩০ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা_ যা সপ্তাহ শেষে ০.৮৬ শতাংশ কমে ৩ লাখ ২৭ হাজার ৬৩২ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। এদিকে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমেছে। এ সময় লেনদেন হওয়া মোট ২৫১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৩৬টির, কমেছে ২১২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/16/2011 4:30 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | কৃত্রিমভাবে বাজার ধরে রাখার চেষ্টা কখনোই স্থিতিশীল হবেনা
ঢাকা, ১৫ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
নজিরবিহীন উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে ঘটনাবহুল একটি সপ্তাহ পার করল দেশের পুঁজিবাজার। একদিনের লেনদেনে সর্বোচ্চ পতনের পর আবার অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির ঘটনা যেমন ঘটেছে তেমনি বিপর্যয় রোধে পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ করে দেয়ার নজিরবিহীন ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া শেয়ারের দরের সর্বোচ্চ সীমা (সার্কিট ব্রেকার) স্পর্শ করায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রায় ২০০ কোম্পানির লেনদেন স্থগিতের ঘটনা ঘটেছে, যা পুঁজিবাজারের ইতিহাসে বিরল।
তবে এ উত্থান-পতনের ঘটনাকে অস্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেছেন পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ম্যাচিউরড না হওয়ায় এ ধরনের অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটছে বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। তবে সপ্তাহ শেষে পুঁজিবাজার তার হারানো সূচক পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি হারানো দরও অনেকটাই ফিরে পেয়েছে। এতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত হওয়ায় এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এ অবস্থায় মার্জিন ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি বাজারের জন্য আরো ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। অতি মূল্যায়িত মার্কেটে মার্জিন না দিয়ে অন্য কোনোভাবে সুবিধা বাড়ানো যায় কিনা সেটা বের করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। কৃত্রিমভাবে বাজার ধরে রাখার চেষ্টা কখনোই স্থিতিশীল হবেনা। এভাবে সরকার বেশিদিন বাজার ধরে রাখতে পারবেনা বলে জানান বাজার বিশ্লেষকরা। পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে হলে সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে।
এদিকে পুঁজিবাজারে ধসের ঘটনায় সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সিনিয়র সদস্য মনসুর আলম পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগের সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহের শুরুতেই পুঁজিবাজারে বড় ধরনের মূল্য সংশোধন দেখা দেয়। ৯ জানুয়ারিতে ৯৯ শতাংশ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের দরহ্রাস পাওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক কমে ৬০০ পয়েন্ট। পরদিন ১০ জানুয়ারি মাত্র ৪০ মিনিটের লেনদেনে সূচক ৬৬০ পয়েন্ট হারালে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুঁজিবাজারের লেনদেন স্থগিত করে দেয়। পর পর দুদিন সাধারণ সূচক ১২৬০ পয়েন্ট হারালে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিলের পাশাপাশি ভাঙচুর করেন বিনিয়োগকারীরা। এ অবস্থায় এসইসি মার্জিন ঋণের সীমা ১:২ বৃদ্ধি, নন মার্জিনেবল সিকিউরিটিজে নেটিং সুবিধা প্রদান, স্পট মার্কেটে থাকা ১৪টি কোম্পানিকে মূল মার্কেটে স্থানান্তরসহ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সীমা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা শিল্প ঋণের অর্থ সমন্বয় শিথিল ও একক ঋণ গ্রহীতা বিশেষ করে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর জন্য নির্ধারিত ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১১ জানুয়ারি পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১০১২ পয়েন্ট সূচক বৃদ্ধি পায়। একই সাথে সেদিন প্রায় ২০০ কোম্পানির দর সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সেসব কোম্পানির লেনদেন স্থগিত হয়ে যায়। পুঁজিবাজারে উত্থান-পতন স্বাভাবিক হলেও গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারের এ আচরণকে নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
সাম্প্রতিককালে পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক ঘটনা প্রসঙ্গে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহি অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, অতি মূল্যায়িত বাজারে এ ধরনের উত্থান-পতন ঘটতেই পারে। তবে বাজারের এ অস্বাভাবিক আচরণের জন্য তিনি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগ একসাথে প্রত্যাহার না করে ধীরে ধীরে করা যেত। কিন্তু সেটা না করায় পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া সীমা অনুযায়ী শেয়ার ক্রয়ের পর দর বেড়ে গেলে সেটাকে অতিরিক্ত বিনিয়োগ অভিহিত করে তা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। এ কারণে তারল্য প্রবাহ কমে যাচ্ছে বলে অধ্যাপক সালাউদ্দিন বলেন। তিনি পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সরকারকে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের উদ্যোগ নিতে হবে বলে জানান। এছাড়া আইসিবিসহ অন্যান্য মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এসইসির সহায়তায় নতুন আইপিও আনতে পারলে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল হবে বলে জানান।
পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে এল আর গ্লোবাল বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা রিয়াজ ইসলাম শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, গত এক বছরে পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার কারণে সম্প্রতি অস্বাভাবিক উত্থান-পতন ঘটছে। এছাড়া কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংক পৃথক হয়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো তাদের বিনিয়োগ প্রত্যাহার করায় পতন ত্বরান্বিত হয়েছে। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে যখন পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছিল, তখনই মূল্য সংশোধনের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমাদের পুঁজিবাজার ম্যাচিউরড না হওয়ার কারণে অস্বাভাবিক উত্থান-পতন ঘটছে বলে তিনি জানান। রিয়াজ ইসলাম বলেন, বর্তমানেও অনেক শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়ে আছে। এ অবস্থায় মার্জিন ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি বাজারের জন্য আরো ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। অতি মূল্যায়িত মার্কেটে মার্জিন না দিয়ে অন্য কোনোভাবে সুবিধা বাড়ানো যায় কিনা সেটা বের করতে হবে। তিনি বলেন, কৃত্রিমভাবে মার্কেট ধরে রাখার চেষ্টা কখনোই স্থিতিশীল হবেনা। এভাবে সরকার বেশিদিন বাজার ধরে রাখতে পারবেনা। শেয়ার তার যৌক্তিক মূল্যে ফিরে আসবেই। পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে হলে সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে ডিএসইতে গড় লেনদেন কমেছে ১১.৭১ শতাংশ। একই সাথে কমেছে বাজার মূলধন ও সব ধরনের সূচক। তবে আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানির সংখ্যা বেড়েছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে ডিএসইর সাধারণ সূচক ১৫৯ পয়েন্ট কমে ৭৫৭৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এআইকে/১৭.২৭ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|