| 02/19/2011 3:44 pm |
 Forum Addict

Regist.: 12/31/2010 Topics: 14 Posts: 92
 OFFLINE | ডিএসইতে বাজার মূলধন কমেছে ২৩ হাজার কোটি টাকা
আমাদের সময়, ২০.০২.২০১১
আবু আলীঃ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পর গত সপ্তাহের শেষদিকে কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে শেয়ারবাজার। তবে সপ্তাহের প্রথম দুইদিন বাজার ছিল ব্যাপক অস্থির। সব মিলিয়ে গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা। মূল্যসূচক কমেছে ৬০০ পয়েন্ট।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ৩ দিনে ডিএসইতে দুই হাজার ৬৮ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৬৮৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। আগের সপ্তাহে ৫ দিনে ডিএসইতে ৩ হাজার ৩৩৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার ২৯ কোটি ১৯ লাখ শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল। প্রতিদিন গড়ে ৬৬৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা কেনাবেচা হয়েছিল। এ হিসাবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে কেনাবেচা কমেছে এক হাজার ২৭১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। তবে প্রতিদিন গড়ে কেনাবেচা বেড়েছে ২১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।
সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল দুই লাখ ৯৩ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। সপ্তাহ শেষে মঙ্গলবার তা কমে দুই লাখ ৭১ হাজার ৪৯ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এ হিসাবে গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন আগের সপ্তাহের চেয়ে ২২ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকা কমেছে। কেনাবেচা হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৮টির এবং কমেছে ২৫৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। বিশ্বজিৎ দত্ত |
|
|
| 02/20/2011 6:51 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সপ্তাহের প্রথম দিনে পুঁজিবাজারে ছিল চাঙ্গা ভাব
ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
চাঙ্গাভাবের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সপ্তাহের প্রথম দিনের লেনদেন। টানা ৪ দিন বন্ধের পর আজ রোববার লেনদেন শুরু থেকে চাঙ্গাভাব দেখা যায়। এ ধারা বজায় ছিল লেনদেনের শেষ পর্যন্ত। দাম বেড়ে সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করলে অটো হল্টেড হয়ে যায় বেশিরভাগ কোম্পানির লেনদেন। পাশাপাশি ব্যাপক চাহিদা থাকায় অধিকাংশ কোম্পানি বিক্রেতা শূন্য হয়ে পড়ে। এ কারণে লেনদেন কমেছে।
দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে হাতবদল হয় ২৫৯টি কোম্পানির শেয়ার। দাম বেড়েছে ২৫১টির, কমেছে ৮টির। লেনদেন হয়েছে ৫৭৭ কোটি টাকার। যা গত কার্যদিবসের লেনদেনের চেয়ে ১৬ শতাংশ কম। ডিএসই সাধারণ সূচক বেড়েছে ৪৬৩ পয়েন্ট। বৃদ্ধির হার সাত দশমিক ৮১ শতাংশ। এ নিয়ে গত দুই কার্যদিবসে সূচক বেড়েছে ৮০৬ পয়েন্ট।
অপরদিকে ঢাকা ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক এবং লংকাবাংলা ফিন্যান্স লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ঘোষিত লভ্যাংশের হার ঢাকা ব্যাংক ৩৫ শতাংশ, ওয়ান ব্যাংক ৫৫ শতাংশ, লংকাবাংলা ফিন্যান্স ৫৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ এবং প্রাইম ব্যাংক ৩৫ শতাংশ স্টক ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। লভ্যাংশ ঘোষণা করায় আজ লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে ঢাকা ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স। এছাড়া লেনদেনের শীর্ষে থাকা অন্য শেয়ারগুলো হল প্রাইম ইনস্যুরেন্স, একটিভ ফাইন, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, বেক্সটেক্স, সামিট এলায়েন্স পোর্ট, কেয়া কসমেটিকস ও নাভানা সিএনজি। অপর দিকে দর কমার তালিকায় রয়েছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, অ্যাপেক্স স্পিনিং, প্রথম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, পঞ্চম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সিএমসি কামাল ও ডেল্টা লাইফ ইস্যুরেন্স।
সরকারের নানামুখী পদক্ষেপে টানা দরপতন থেকে বেরিয়ে আসার প্রবণতায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসছে। একই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া টাকা ফিরে পাবেন কিনা তা নিয়ে এখনো শঙ্কা বিরাজ করছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে। উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে দু'ধাপে ৪০০ কোটি টাকা এবং আইসিবিকে ৬০০ কোটি টাকার তহবিল দেয়া হয়। একই সঙ্গে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংক সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংককে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয় ।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এইচএমএম/মাবি/এসসি/১৭.৫১ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/20/2011 6:53 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | 'সরকারের পদক্ষেপে পুঁজিবাজারে স্থিতি ফিরছে'
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
টানা কয়েকদিন দরপতনের পর দুদিন ধরে পুঁজিবাজারে চাঙাভাব সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের ফল বলে মনে করছেন ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শেয়ার কেনার সিদ্ধান্তের ফলে পুঁজিবাজার স্বাভাবিক হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
রোববার সপ্তাহ শুরুর দিনে ঢাকার পুঁজিবাজারে সাধারণ সূচক বেড়েছে ৪৬৩ পয়েন্ট। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সিলেক্টিভ ক্যাটাগরিতে সূচক বাড়ে ৭২১ পয়েন্ট। দু'টি বাজারেই বেড়েছে প্রায় সবকটি শেয়ারের দাম।
এর আগের দিনও পুঁজিবাজারে চাঙাভাব ছিলো। তবে গত সপ্তাহে তার আগের কয়েকদিনে ব্যাপক দরপতনে বিক্ষোভও হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সরকার পুঁজিবাজার থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বাজারের এই পরিবর্তন স্বাভাবিক।
"বিনিয়োগকারীরা বাজারের প্রতি আস্থা ফিরে পেয়েছেন। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে খুব কম সময়ের মধ্যেই বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে", বলেন তিনি।
গত ১৫ ফেব্র"য়ারি পুঁজিবাজারের বেসামাল পরিস্থিতি সামাল দিতে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ-আইসিবিকে ২০০ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার। এছাড়া রাষ্ট্রায়াত্ত সোনালী, জনতা, রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংককে পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কিনতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর একদিন আগেই বাজার পরিস্থিতির উত্তরণে ৫০০ কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের অনুমোদন দেয় বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
ব্রোকার হাউজগুলোর কর্তৃত্ব কমাতে ডিএসই'র পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা কাঠামো আলাদা করার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে শাকিল বলেন, "ডিমিউচুয়ালাইজেশন একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করা হবে।"
গত ১০ ফেব্র"য়ারি তিনি জানিয়েছিলেন, বোর্ড সভায় ডিএসইকে ডিমিউচুয়ালাইজেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ ফেব্র"য়ারি এ বিষয়ে কাজ শুরু হবে।
বর্তমান ব্যবস্থায় ব্রোকারেজ হাউজের মালিকরা ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসাবে থাকার সুযোগ পাচ্ছেন। ডিমিউচুয়ালাইজেশন হলে সরকার মনোনীত ব্যক্তিরা পদাধিকার বলে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য করার সুযোগ থাকবে।
গত বছর ডিসেম্বর থেকে অস্থিতিশীল হয়ে উঠে পুঁজিবাজার। বাজার স্বাভাবিক করতে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (এসইসি) ও সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ে সরকার তদন্ত কমিটিও করেছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/এমআই/১৭২০ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/20/2011 6:54 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে ধস ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
প্রফেসর ড. মো. রিজাউল করিম শেখ
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময় ১০১৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১১
শেয়ারবাজারে আগুন লেগেছে এটা বুঝতে কারো অসুবিধা হচ্ছে না এবং মাঝে মাঝে বিনিয়োগকারীরাও রাস্তায় আগুন জ্বালাচ্ছে। এ সময় সবাই আশা করছিলো আগুনে একটু পানি দেবে সরকার কিন্তু তা না স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীই নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আন্দোলনকারীদের খুঁজে বের করতে। আগুন লাগা বাজারে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশটি পানির পরিবর্তে কেরোসিন ঢেলে দেওয়ার মতো কাজ হবে কিনা ভয় পাচ্ছি। তাই যদি হয় তবে তো আগুন আরও দাই দাই করে জ্বলার কথা। কিন্তু সেটা নাও হতে পারে। তবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে আপাত ঢেকে রাখা সম্ভব হলেও বিনিয়োগকারীদের মনের আগুন নিভানো সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না, আর এই ফলাফল ভবিষ্যৎই বলে দেবে।
২০ জানুয়ারি যখন ৫ মিনিটে শেয়ারবাজার সূচক ৬০০ পয়েন্ট কমে গেল, তখন এসইসি মনে করেছিলো এটা অস্বাভাবিক দরপতন, এটা হওয়া উচিত না এবং লেনদেন বন্ধ করে দিয়ে ছিল। পরবর্তীতে সরকার কিছু ভালো পদপে নেওয়ার কারণে বাজার একটু ভালো হয়েছিলো। কিন্তু সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্তা ব্যক্তিদের খামখেয়ালি ও লাগাম ছাড়া বক্তব্যের জন্য শেয়ারবাজারের এই করুণ অবস্থা।
বিনিয়োগকারীরা আগুন জ্বালাচ্ছে, পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে, ৬১ জনকে পুলিশ আটকও করেছে। প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন আন্দোলনকারীদের জিজ্ঞাসার মাধ্যমে ইন্ধন-দাতাদের খুঁজে বের করতে। সরকারের নির্দেশ পেলে সরকার যে গন্ধ পায় পুলিশের পে সেটা বের করতে মোটেও দেরি হওয়ার কথা না, তাঁর উৎকৃষ্ট উদাহরণ ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার জর্জ মিয়ার স্বীকারোক্তি।
শুধুমাত্র বিরোধীদলীয় লোকজন এবং ইন্ধন-দাতারা যে আগুন জ্বালানোর কাজ করছে তা মনে হয় না। ইন্টারনেটের সুবাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অনেক কথাই জানতে পারি, এমন অনেক বিনিয়োগকারী আছে তারা আগুন লাগানোর চেয়েও বেশি কিছু করতে চায় কিন্তু করতে পারছে না। আর বিরোধীদলকে দোষ দিয়া লাভ কি? ঘোলা পানিতে মাছ শিকার কে না করতে চায়? দেখা জরুরি পানি ঘোলা করছে কারা?
সাম্প্রতিককালের পত্র-পত্রিকার খবর ও কর্তা ব্যক্তিদের বক্তব্য থেকে শেয়ারবাজার ধসের নায়কদের চিনতে কারো বাকি থাকার কথা না। এই সমস্ত নায়কদেরকে কি শাস্তি হবে এটাই জানার আগ্রহ সবার।
তদন্ত কমিটির সভাপতি জনাব ইব্রাহিম খালেদের মাধ্যমে এই সমস্ত দুষ্টচক্রকে চিহ্নিত করা সম্ভব বলে মাননীয় সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মন্তব্য করলেও তিনি এও বলেছেন, ‘তবে শাস্তি দেওয়া নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন’। একজন প্রবীণ, বিজ্ঞ ও সরকারিদলের প্রভাবশালী সাংসদের এই বক্তব্য থেকে কি বোঝা যায় না যে দুষ্টচক্রকে সবাই সরকারের কাছের এবং প্রভাবশালী হিসেবেই চিনে সবাই। তাদের শাস্তি দেওয়ার মতা কারো নেই(?)। তাই সর্বস্ব হারানো রাস্তায় আন্দোলনরত বিনিয়োগকারীদের পুলিশের পেঁদানি দিয়া কি বুঝানোর চেষ্টা চলছে? শেয়ারবাজার ধংসের নায়কদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে?(!!)। এর আগেও অ্যাগ্রেসিভ সেলের দায়ে ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজের ৩০ হাজার বিনিয়োগকারীর লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু অ্যাগ্রেসিভ সেলের দায়ে আজ পর্যন্ত কোন অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়নি (!)। উদর পি-ি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে থাকলে সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে কি?
শেয়ারবাজারে আগুন লাগানোর জন্য হাই ক্যাটালাইটিক এ্যাক্টিভিটি সম্পন্ন বক্তব্যটি ছিল অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জনাব আ হ ম মোস্তফা (লোটাস) কামালের। তিনি বলেছিলেন, ‘শেয়ারবাজার সূচক ৩০০০-৪০০০ মধ্যে না আসা পর্যন্ত বাজারে স্থিতি আসবে না’। প্রশ্ন হলে- বাজার সূচক যদি ৩০০০-৪০০০ মধ্যে আসে এবং উনার কোম্পানির সিএমসি কামাল শেয়ারের পিই রেশিও যদি ৩০০ হয় তাহলে কি বাজারে স্থিতি আসবে? উনি তো উনার কোম্পানি সিএমসি কামালের একটি শেয়ারের বিপরীতে দু’টি রাইট শেয়ার অনুমোদন করিয়ে সিএমসি কামালের দাম আকাশচুম্বি করেছেন, যার পিই রেশিও হয়েছিলো ৩০০ (বর্তমান ১৬৬) এর বেশী। মাননীয় অর্থমন্ত্রী কিন্তু সূচক ম্যানিয়া দিয়ে শেয়ারবাজার ধসের চক্রান্ত বুঝতে পেরেছেন।
শেয়ারবাজার সূচক কখনো কোন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য অতিমূল্যায়িত হওয়া বুঝায় না, অতিমূল্যায়ন কেবলমাত্র পিই রেশিও দিয়াই বোঝা সম্ভব, ৩০০ পিই রেশিও অর্থ হচ্ছে ৩০০ বছর আয় করে বর্তমান দামে শেয়ারটি আসতে পারবে। যেটা সিএমসি কামাল অল্প দিনের মধ্যে করতে পেরেছে রাইট শেয়ার অনুমোদন করিয়ে।
২০ জানুয়ারি যখন ৫ মিনিটে শেয়ারবাজার সূচক ৬০০ পয়েন্ট কমেছিল তখন সরকার তৎপর ছিল বাজার উদ্ধার করার জন্য কিন্তু এখন যখন প্রত্যেকটি শেয়ারের দাম ঐ দিনের চেয়ে আরও ২০ শতাংশ পড়ে গেছে, এই আগুন লাগা বাজারে পানি দিয়া নিভানোর পরিবর্তে কেরোসিন ঢালার চেষ্টা চলছে (!) কার পরামর্শে?
আবার জনাব সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের কথায় আসি, ব্যবসায়ীরা আওয়ামী লীগও করেন বিএনপিও করেন, আবার আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি একত্রে ও করেন। শেয়ারবাজারে ও আছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিনিয়োগকারী, আছে লুটে নেওয়ার দল এবং সর্বস্ব হারানোর দল, তাই এখানে রাজনীতির গন্ধ না খুঁজে আগুন লাগা বাজারে একটু পানি দিন, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বাঁচান।
গতকালের পত্রিকাতে জানতে পারলাম ২০০ কোটি টাকার পানি বরাদ্দ করা হয়েছে বাজারের আগুন নিভানোর জন্য, যেখানে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছে প্রভাবশালী বিভিন্ন গ্রুপ সেখানে ২০০ কোটি টাকায় কী হবে? সরকার যেখানে বিদেশে পাচার হওয়া টাকা উদ্ধার করতে পারে, সেখানে শেয়ারবাজারের লুট করা টাকা কি উদ্ধার করে সরকার নিজেই বিনিয়োগ করতে পারে না? হাজার হাজার কোটি টাকা যারা লুটে নিয়েছে তারা কি ওই টাকা দিয়া সরকারকে আগামী নির্বাচনে ভোট কিনে দিবে? অবশ্যই না।
সরকার প্রধান নিজে অপরাধ না করলেও অপরাধীদের (তারা যে দলেরই হক না কেন) শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হয়।
বাংলাদেশ সময় ১০১৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/20/2011 6:57 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ফোর্সড সেল না হওয়ায় পুঁজিবাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে: শাকিল রিজভী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৬১৭ ঘণ্টা, ২০ জানুয়ারি, ২০১১
ঢাকা: মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো শেয়ার ফোর্সড সেল থেকে বিরত থাকায় পুঁজিবাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী।
তিনি আরও বলেছেন, মার্জিন লোনের নীতিমালা করার ব্যাপারে অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে এসেছে।
রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কোনো ব্যাংকের গ্রাহকরা যদি সেই ব্যাংক থেকে একবারে টাকা তুলে নিতে চায়, তবে সেখানে যেমন সংকট তৈরি হবে, শেয়ার বাজারেও একই ধরনের সংকট সৃষ্টি হবে।
শাকিল রিজভী আরও বলেন, সব কোম্পানিরই শেয়ার প্রতি সম্পদ আছে। কোনো কোম্পানিই বাজার থেকে উধাও হয়ে যাবে না। তাই বিয়োগকারীদের আতংকিত হওয়ার কারণ নেই।
বিনিয়োগকারীদের অধৈর্য না হয়ে কোম্পানির মৌলভিত্তি দেখে শেয়ার কেনার পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে সূচক দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে যে কোম্পানির শেয়ার কেনা আছে তার অবস্থা বিবেচনা করে লেনদেন করারও পরামর্শ দেন শাকিল রিজভী।
তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের চেয়ে ট্রেডারের সংখ্যা বেড়ে গেছে। এ কারণেই শেয়ারের দাম অতিমূল্যায়িত হয়ে পড়ে।
ডিমিউচুয়ালাইজেশনের জন্য ডিএসই থেকে একটি কমিটি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। শিগগিরই ডিমিউচুয়ালাইজেশন করা হবে।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 7:57 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
‘পরিকল্পিতভাবে পুঁজিবাজারে ধস নামানো হয়েছে’
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৬০০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১
ঢাকা: বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ অভিযোগ করে বলেছেন, পুঁজিবাজারে পরিকল্পিতভাবে ধস নামানো হয়েছে।
মঙ্গলবার ‘শেয়ার বাজারে ধস ও লুণ্ঠনের অর্থনীতি’ শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
গণসংহতি আন্দোলন এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
আবুল মকসুদ বলেন, ‘পুঁজিবাজারে এত বড় ঘটনা ঘটার পর সরকার প্রধান ও তার মন্ত্রীরা সর্বস্বান্ত হওয়া ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের প্রতি একটু সমবেদনা জানালো না। উল্টো এর দায় বিএনপির ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। বিএনপি বলছে এটি আওয়ামী লীগের কাজ।’
তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবেই পুঁজিবাজারে বিপর্যয় সৃষ্টি করা হয়েছে। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দলের লোকই জড়িত।’
জনগণের সঙ্গে সরকার তামাশা করছে মন্তব্য করে সৈয়দ মকসুদ বলেন, ‘গত বিশ বছরে পলিটিক্স করে সর্বস্বান্ত হয়েছেন এমন এমপি মন্ত্রী তো আমাদের চোখে পড়ে না। তাহলে ৩৩ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী কেন তাদের পুঁজি হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে নামবে?’
এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশের অবস্থা লিবিয়া, মিশর ও বাহরাইনের মতো হতে বেশি দিন সময় লাগবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় প্রেসকাবের সম্মেলন কক্ষে বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এ গোলটেবিল আলোচনা ও মতবিনিময় সভা শেষ হয় দুপুরে দেড়টায়।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি’র সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও অংশ নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর ও খনিজ সম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটির নেতা আনু মুহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু আহমেদ প্রমুখ।
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘একই ধরনের ঘটনা ১৯৯৬ সালে ঘটেছিল। তখনও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি।’
বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এখন আপনাদের সব চেয়ে বড় কাজ হবে ১৯৯৬ ও এ বছর যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে তার রিপোর্ট প্রকাশের দাবি করা। তাহলে এর নেপথ্য নায়কদের সম্পর্কে জানা যাবে।’
রিপোর্ট প্রকাশের জন্য তথ্য অধিকার আইনের আওতায় কর্তৃপক্ষকে চাপ প্রয়োগের পরামর্শ দিয়ে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘১৯৯৬ সালে যাদের নাম এসেছে এ বছরও তাদের নাম এসেছে। সুতরাং তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ হলেই প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করা যাবে।’
পুঁজিবাজার নিয়ে যারা খেলছে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ঐক্য বিদ্যমান মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পুজিবাজার কেলেঙ্কারির দায় বিরোধী দলের ওপর চাপালেও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল বলছেন, এটি তার (প্রধানমন্ত্রী) রাজনৈতিক বক্তব্য।’
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 8:01 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | নির্ধারিত সময়েই তদন্ত শেষ হবে: ইব্রাহিম খালেদ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৪০৪ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১
ঢাকা: নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্তের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন পুঁজিবাজার কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটির প্রধান খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ।
তিনি বলেন, প্রায় এক মাসে তদন্ত কাজের যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। তবে সময় যেহেতু মাত্র দু’মাস তাই তদন্তের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
অগ্রাধিকার দেওয়া বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারীরা জানতে চায় ঘটনাটা কিভাবে ঘটেছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত রয়েছে।’
মঙ্গলবার সকালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইব্রাহিম খালেদ এসব কথা বলেন।
ডিএসই পরিদর্শনের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ এবং ডিএসই কিভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে তা দেখার জন্যই এই পরিদর্শন।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কমিটিতে ব্যাংকার, চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট এবং একজন অধ্যাপক আছেন। সেই সঙ্গে একজন আইন বিশেষজ্ঞ থাকলে ভালো হয়। ব্যাপারটি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সাথে কথা হয়েছে। তিনি কয়েকদিনের মধ্যে একজন আইন বিশেষজ্ঞ কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন।
ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভি সাংবাদিকদের জানান, তদন্ত কমিটির সদস্যরা এসেছিলেন ডিএসইর কার্যক্রম পরিদর্শন করতে। কারসাজির সঙ্গে কারা জড়িত এসব বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে তদন্ত কমিটির কোনো কথা হয় নি।
অপর এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, ডিএসইর লেনদেনে কারসাজি সংক্রান্ত কোনো বিষয় তার কাছে আসেনি। ডিএসইর সার্ভিলেন্স বিভাগ তথ্যগুলো প্রথা অনুযায়ী এসইসিতে পাঠিয়ে দেয়।
এছাড়া বর্তমান বাজার সম্পর্কে তিনি বলেন, ধীরে ধীরে বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসতে শুরু করেছে। এক্ষেত্রে সরকারেরও যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।
শাকিল বলেন, বাজার ঘুরে দাঁড়ালেও লেনদেন কম হচ্ছে। লেনদেনটা বাড়লে বাজার আরো দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
তিনি বলেন, ফোর্সড সেল অনৈতিক। এ ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে আমি একমত। অবিলম্বে ফোর্সড সেল বন্ধে আইনগত সংস্কার করা উচিত।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 8:03 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দুই পুঁজিবাজারের সূচক কমেছে
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১
ঢাকা : গত দু’কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর মঙ্গলবার আবার দেশের দুই পুঁজিবাজারের সাধারণ সূচক ও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক ২১৬ পয়েন্ট কমে ৬১৭৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫২ টি কোম্পানির মধ্যে ২২৪টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ২৮টির।
মোট লেনদেন হয় ৯৬২ কোটি ৯৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা।
ডিএসইতে দাম বাড়ার শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো- প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ফার্স্ট লিজ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এসিআই লিমিটেড, ইউনিয়ন ক্যাপিটেল লিমিটেড, উত্তরা ফাইন্যান্স, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, ইউনাইটেড লিজিং ও বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই) লেনদেন হওয়া ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ১৫৫টির, বেড়েছে ৩৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টি প্রতিষ্ঠানের দাম। সিএসইতে সাধারণ সূচক ৩৪৭ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ২২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এনআর ট্রেডিং-এর কর্মকর্তা এসএম রানা জানান, গত ২ কার্যদিবস বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে দর বাড়ায় মঙ্গলবার বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিয়েছেন। ফলে সার্বিক বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। এ কারণে দেশের দুই শেয়ার বাজারেই বেশিরভাগ কোম্পানির দাম কমেছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 8:03 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দুই পুঁজিবাজারের সূচক কমেছে
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১
ঢাকা : গত দু’কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর মঙ্গলবার আবার দেশের দুই পুঁজিবাজারের সাধারণ সূচক ও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক ২১৬ পয়েন্ট কমে ৬১৭৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫২ টি কোম্পানির মধ্যে ২২৪টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ২৮টির।
মোট লেনদেন হয় ৯৬২ কোটি ৯৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা।
ডিএসইতে দাম বাড়ার শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো- প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ফার্স্ট লিজ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এসিআই লিমিটেড, ইউনিয়ন ক্যাপিটেল লিমিটেড, উত্তরা ফাইন্যান্স, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, ইউনাইটেড লিজিং ও বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই) লেনদেন হওয়া ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ১৫৫টির, বেড়েছে ৩৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টি প্রতিষ্ঠানের দাম। সিএসইতে সাধারণ সূচক ৩৪৭ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ২২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এনআর ট্রেডিং-এর কর্মকর্তা এসএম রানা জানান, গত ২ কার্যদিবস বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানে দর বাড়ায় মঙ্গলবার বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিয়েছেন। ফলে সার্বিক বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। এ কারণে দেশের দুই শেয়ার বাজারেই বেশিরভাগ কোম্পানির দাম কমেছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 8:18 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্য সংখ্যা বাড়লো
ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে দরপতন খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তদন্ত কমিটির আবেদনের প্রেক্ষিতে একজন আইনজীবীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নতুন সদস্যের নাম হচ্ছে ব্যারিস্টার নিহাত কবীর। মঙ্গলবার পুঁজিবাজার বিষয়ক সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তদন্ত কমিটির প্রধান ইব্রাহিম খালেদ এ কথা জানান।
ইব্রাহিম খালেদ বলেন, তদন্ত কাজে আইনগত কিছু বিষয় থাকায় আমরা সরকারের কাছে একজন আইনজীবী নিয়োগ দেয়ার জন্য সুপারিশ করেছিলাম। সরকার আমাদেরকে আইনজীবীর নাম প্রস্তাব করতে বলায় আমরা নিহাত কবীরের নাম প্রস্তাব করেছিলাম। নিহাত কবীর কোম্পানি আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবী। তিনি বলেন, নতুন সদস্য নিয়োগের বিষয়ে মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, নির্ধারিত সময়েই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।
এদিকে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক উত্থান পতনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা সভায় ইব্রাহিম খালেদ বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে এবং তদন্ত কাজে কোনো হস্তক্ষেপ নেই। তিনি তদন্ত কমিটির বিভিন্ন অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা করেন। অপরদিকে সাংবাদিকরা পুঁজিবাজারের গত দু'বছরের বিভিন্ন উত্থান-পতনের বিষয় উপস্থাপন করে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। এছাড়া পুঁজিবাজার সংক্রান্ত বিভিন্ন আইনের সংস্কারসহ অস্বাভাবিক উত্থান-পতন রোধে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে সাংবাদিকরা তাদের অভিমত প্রকাশ করেন। মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রায় সব সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনে কারসাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে গত ২৫ জানুয়ারি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। একইসঙ্গে দু'মাসের মধ্যে কারসাজির বিষয়ে রিপোর্ট দিতেও কমিটিকে সময় বেঁধে দেয়া হয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমএইচ/১৮.৩৬ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 8:19 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আবারো দরপতন পুঁজিবাজারে
ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার আবারো দরপতন হয়েছে। ডিএসই সাধারণ সূচক ২১৬ পয়েন্ট কমে ৬১৭৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের অভাবে সূচকের পতন হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া ফোর্স সেলকে দরপতনের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। দরপতন হলেও আজ লেনদেন বেড়েছে ৩৮৫ কোটি টাকা। লেনদেন হয়েছে ৯৬২ কোটি টাকার শেয়ার।
এর আগে লেনদেন শুরুর ১০ মিনিটের মাথায় বেশিরভাগ শেয়ারের দর বৃদ্ধি পাওয়াতে সূচক বাড়ে ১২৮ পয়েন্ট। তবে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সাড়ে ১১টার দিকে লেনদেনকৃত অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন হলে সূচক কমে দাঁড়ায় ৬৪২০ পয়েন্টে। পরে আবারো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। ওই প্রবণতাও বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। দিন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক কমে দাঁড়ায় ৬১৭৫ পয়েন্টে।
মঙ্গলবার ডিএসই মোট ২৫২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ২৮টির, কমেছে ২২৪টির। ব্যাংক, বীমা ও টেক্সটাইলের প্রায় ৯০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। দাম কমেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারেরও। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের মাত্র একটি কোম্পানির দাম বেড়েছে এবং কমেছে অন্য সব কোম্পানির।
দাম বাড়ার শীর্ষে ছিল প্রাইম ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট। এছাড়া শীর্ষ দশে থাকা অন্য প্রতিষ্ঠাগুলো হলো ফাস্ট লিজ এন্ড ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট, এসিআই, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, উত্তরা ফাইন্যান্স, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, ইউসিবিএল, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, ইউনাইটেড লিজিং ও বে লিজিং এন্ড ইনভেস্টমেন্ট। অপরদিকে দরপতনের শীর্ষ দশে ছিল সাইথ ইস্ট ব্যাংক, সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, আরএকে সিরামিকস, কেয়া ডিটারজেন্ট, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, মালেক স্পিনিং, প্রাইম ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, অল টেক্স ইন্ডাট্রিজ এবং রহিমা ফুড।
উল্লেখ্য, এর আগের দুই কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচক ৫৫৭৫ পয়েন্ট থেকে ৮১০ পয়েন্ট বেড়ে ৬৩৮৯ গিয়ে দাঁড়ায়। গত সপ্তাহের বুধবার ৩৪৭ পয়েন্ট এবং এ সপ্তাহের রোববার ৪৬৩ পয়েন্ট বেড়েছে ডিএসই সাধারণ সূচক। অপরদিকে গত সপ্তাহে সূচক কমেছিল ৬০০ পয়েন্ট।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/এমএইচ/১৭.৫৫ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 9:48 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে সূচক পড়লেও লেনদেন বেড়েছে
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ২২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
দিনভর ওঠানামার পর সূচক পতনের মধ্য দিয়ে ঢাকার পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ হয়েছে মঙ্গলবার। সেইসঙ্গে কমেছে অধিকাংশ শেয়ারের দাম। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে।
দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক (ডিজিইএন) গত দিনের চেয়ে ২১৬ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ কমে ৬১৭৩ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
এদিন মোট ৯৬২ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এর আগের কার্যদিবসে (রোববার) ডিএসইতে মোট ৫৭৭ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়।
লেনদেন হওয়া ২৫২টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে ২২৪টি শেয়ারের দাম কমেছে, বেড়েছে মাত্র ২৮টির দাম।
ব্যাংক, বীমা, সিমেন্ট, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ, বস্ত্র ও ওষুধ খাতের প্রায় বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমেছে এদিন।
ব্যংক বহির্ভুত আর্থিক প্রতিষ্ঠানেরর শেয়ারগুলোর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ছিল মিশ্র। এই খাতে লেনদেন হওয়া ২১টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে দাম কমেছে ১০টির, বেড়েছে ১১টির।
সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের প্রধান ব্যবস্থাপক ইওয়ার সাঈদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আজকের ওঠানামার পেছনে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলের নেওয়ার প্রবণতাই দায়ী। তবে বাজার স্বাভাবিক আচরণ করেছে।"
"গতদিন সাধারণ সূচক ৪০০ পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যাওয়ার পর ৩ শতাংশ কমে আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আজ বাজার থেকে অনেক বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন," যোগ করেন তিনি।
সাঈদ বলেন, বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরতে আরো কিছু সময় লাগবে।
মঙ্গলবারের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, "আজ সূচকে অনেক ওঠা-নামা থাকলেও, লেনদেন বেশি। এটা বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসার লক্ষণ।"
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও মঙ্গলবার (সিএসই) গতদিনের চেয়ে সূচক কমে এসেছে। কমেছে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দামও।
সিএসই সিলেক্টিভ ক্যাটাগরিজ ইনডেক্স (সিএসসিএক্স) সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে ৩৪৭ দশমিক ১৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৯৯ শতাংম কমে দিন শেষে দাঁড়িয়েছে ১১২২৭ দশমিক ৬৭।
লেনদেন হওয়া ১৯৪টি শেয়ারের মধ্যে ১৫৫টির দামই কমেছে, বেড়েছে ৩৬টির ও অপরিবর্তিত ছিলো ৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
এই বাজারে সারাদিনে হাতবদল হয় মোট ১২৩ কোটি টাকার শেয়ার।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/জেকে/১৬২৬ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 9:49 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে অস্থিরতা
'যথা সময় প্রতিবেদন দেওয়া হবে'
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ২২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
শেয়ার বাজার নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি যথা সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ।
তিনি বলেন, "তদন্ত কমিটি গঠন করার পর প্রায় এক মাস পার হয়েছে। এর মধ্যে আমাদের কাজেরও অগ্রগতি হয়েছে। আশা করছি, যথাসময়েই আমরা তদন্ত কাজ শেষ করতে পারবো।"
মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ইব্রাহিম খালেদ বলেন, "আজ (মঙ্গলবার) আমরা গিয়েছিলোম ডিএসই কীভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে তা দেখতে।"
কমিটির তদন্ত কাজের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজ্ঞ দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, "অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা এ বিষয়ে কথা বলেছি, তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।"
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।
রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, "তদন্ত কমিটিকে আমরা পূর্ণ সহযোগিতা দিচ্ছি। আজ আমরা কমিটিকে দেখিয়েছি, আমাদের কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হয়।"
এ সময় ফোর্স সেলিং বন্ধের পক্ষেও মত প্রকাশ করেন ডিএসই সভাপতি।
তিনি বলেন, "স¤প্রতি অর্থমন্ত্রী ফোর্স সেল বন্ধে আইন করার বিষয়ে যে কথা বলেছেন, আমি মনে করি তা সঠিক।"
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবারের পরিস্থিতি সম্পর্কে সভাপতি বলেন, "আজ সূচকে অনেক ওঠা-নামা থাকলেও, লেনদেন এখন পর্যন্ত বেশি। এটা বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসার লক্ষণ।"
পুঁজিবাজারে সা¤প্রতিক অস্থিরতার কারণ খতিয়ে দেখতে গত ২৫ জানুয়ারি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। শেয়ার বাজারে টানা দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ ও কারসাজির অভিযোগ তদন্ত করে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয় এ কমিটিকে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/কিউএইচ/জেকে/১৪৩৩ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 9:51 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২২-০২-২০১১
প্রথম আলো
দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আজ মঙ্গলবার সাধারণ সূচক কমেছে। তবে আর্থিক লেনদেন আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে। আজ উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমেছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলেছেন, আজ চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারীর মধ্যে লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। এর ফলে বিক্রির চাপ বেশি হলে অনেক প্রতিষ্ঠানের দাম কমে যায়। আর তাই সূচকের ঊর্ধ্বগতির মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও তা নিম্নগতির মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা যায়, ডিএসইতে আজ লেনদেনের শুরুতে সাধারণ সূচক প্রায় ১৩০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর কয়েকবার ওঠানামার পর দিন শেষে তা ২১৬.২৪ পয়েন্ট কমে ৬১৭৩.৩৮-এ দাঁড়ায়। আজ ডিএসইতে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৮টির এবং কমেছে ২২৪টির। আজ ডিএসইতে মোট ৯৬২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত রোববারের চেয়ে ৩৮৫ কোটি টাকা বেশি। রোববার ডিএসইসে ৫৭৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়। তবে ওই দিন সাধারণ মূল্যসূচক ৪৬৩ পয়েন্ট বাড়ে।
এদিকে খাত অনুয়ায়ী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আজ ব্যাংকিং খাতের ৩০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৭টির দাম কমেছে। এ ছাড়া প্রকৌশল খাতের ২৩টির মধ্যে ২২টির, জ্বালানি খাতের ১১টির মধ্যে নয়টির, বিমা খাতের ৪৪টির মধ্যে ৩৯টির, মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ৩৩টির মধ্যে ২৭টির, ওষুধ খাতের ২০টির মধ্যে ১৮টির, বস্ত্র খাতের ২৫টির মধ্যে ২১টির ও টেলিকমিউনিকেশন খাতের একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের শেয়ারের দাম কমেছে ।
আজ লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এনবিএল, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, বেক্সিমকো, বে লিজিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, সাউথইস্ট ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, গ্রামীণফোন, প্রাইম ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও ইউসিবিএল।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে প্রাইম ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, এসিআই, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, উত্তরা ফিন্যান্স, আইডিএলসি, ইউসিবিএল, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, ইউনাইটেড লিজিং ও বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট দাম বাড়ায় শীর্ষ ১০-এর তালিকায় রয়েছে।
আজ সবচেয়ে বেশি কমেছে সাউথইস্ট ব্যাংকের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, আরএকে সিরামিক, কেয়া ডিটারজেন্ট, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, মালেক স্পিনিং, প্রাইম ব্যাংক, এনবিএল, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও রহিমা ফুড দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০-এর তালিকায় রয়েছে।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ৫৩৩.৬৯ পয়েন্ট কমে ১৭৩৬০.১১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে আজ লেনদেন হওয়া ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬টির, কমেছে ১৫৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মোট তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া সিএসইতে আজ ১২৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত রোববারের চেয়ে ৫৫ কোটি টাকা বেশি। রোববার স্টক এক্সচেঞ্জেটিতে ৬৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/23/2011 11:33 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ঘোষণাঃ গত ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১১ থেকে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত শেয়ারবাজার সংক্রান্ত খবর, ওয়েবসাইটের খবর প্রতিদিন নতুন থ্রেডে প্রকাশ করা হচ্ছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|