DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 35 / 40 1 - 2 - 3 - 4 - 5 - 6 - 7... - 33 - 34 - 35 - 36 - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
02/13/2011 5:51 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

ডিএসইতে ব্যাপক দরপতনে বিক্ষোভ অব্যাহত, বরিশালে ভাঙচুর

অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১৩-০২-২০১১
Prothom-Alo

  

ব্যাপক দরপতনে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচকের পাশাপাশি কমেছে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। এ মুহূর্তে মতিঝিল এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি বরিশালে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা ভাঙচুর করেছেন।
সপ্তাহের প্রথম কর্ম দিবসে আজ রোববার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে সব প্রতিষ্ঠানের দাম কমে যায়। ডিএসইর ইতিহাসে এই প্রথম একসঙ্গে সব প্রতিষ্ঠানের দাম কমে যায়। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সাধারণ মূল্যসূচক ৩০০ পয়েন্টের বেশি কমে গেলে বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় মধুমিতা ভবনসহ কয়েকটি ভবন থেকে তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে তাঁরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। এতে মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এই প্রথম বিনিয়োগকারীরা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। পুলিশ এ সময় বিক্ষোভে কোনো বাধা দেয়নি।
আজ ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সূচক কমার গতি আরও বেড়ে যায়। একই সঙ্গে কমে যায় প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দামও।
আজ ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ৪৭৪.৭৭ পয়েন্ট কমে ৬,০৫২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ লেনদেনের পাঁচ মিনিটের মাথায় সাধারণ সূচক ৩৬ পয়েন্ট কমে যায়। এর মাত্র চার মিনিট পরই সূচক কমে যায় ১৭৪ পয়েন্ট। এর পর থেকে আরও দ্রুত সূচক পড়ার হার বাড়তে থাকে। বেলা আড়াইটার দিকে সাধারণ সূচক ৫০১ পয়েন্টের বেশি কমে যায়। এভাবেই চলে ডিএসইতে সূচক পতনের লড়াই।
আজ মোট লেনদেন হয়েছে ২৫৫টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে বেড়েছে পাঁচটির, কমেছে ২৪৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ৭১৫ কোটি টাকার।
গত বৃহস্পতিবার ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ১৪৬.২২ পয়েন্ট কমে ৬,৫২৭.১৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড হাতবদল হয়। এর মধ্যে দাম বাড়ে ১৭টির এবং কমে ২৩৩টি প্রতিষ্ঠানের। স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ৫৬৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়।
বরিশাল: দরপতনের ফলে বরিশালে আজ দুপুর ১২টার দিকে বিনিয়োগকারীরা সড়ক অবরোধ, টেম্পো ও ব্রোকারেজ হাউস ভাঙচুর করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের অব্যাহত দরপতনে দুপুর ১২টার দিকে বিনিয়োগকারীরা একযোগে ব্রোকারেজ হাউস থেকে বের হয়ে বরিশালের প্রধান সড়কে জড়ো হন। এরপর মিছিল করে আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় তাঁরা অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেন। একপর্যায়ে তাঁরা সড়কে খড়কুটো স্তূপ করে আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়।
উত্তেজিত বিনিয়োগকারীরা একটি ব্রোকারেজ হাউস আইসিবির ক্যাশ কাউন্টারে চেয়ার ছুড়ে গ্লাস ভাঙচুর করেন। এ সময় সড়কের দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিনিয়োগকারীরা একটি টেম্পো ভাঙচুর করেন। পুলিশ পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় ৪৫ মিনিট সদর রোড এলাকায় যান চলাচল বন্ধ ছিল। পাশাপাশি সব দোকানপাটও বন্ধ হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে বরিশাল আইসিবির শাখা ব্যবস্থাপক গিয়াসউদ্দিন জানান, ১২টা ১০ মিনিটে বিনিয়োগকারীরা একযোগে ব্রোকারেজ হাউসের মধ্যেই হইচই শুরু করেন এবং কাউন্টারের গ্লাস ভাঙচুর করেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/13/2011 11:56 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারে ফের দরপতন, দিশেহারা বিনিয়োগকারী


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
14.02.2011


দফায় দফায় বড় দরপতনের কারণে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা এখন দিশেহারা। বিৰুব্ধ হয়ে রবিবারও ঢাকার মতিঝিলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছেন তারা। 'শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণ করুন_ নয় তো গুলি করে মেরে ফেলুন, চাই না বিৰোভ চাই না ভাংচুর_ চাই শান্তিপূর্ণ শেয়ারবাজার।' ব্যানারে এই সেস্নস্নাগান লিখে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বিৰোভ করেন একদল বিনিয়োগকারী। আগে অর্জিত মুনাফার পুরোটাই খোয়া যাওয়ার পর মূল পুঁজি হারানোর
আশঙ্কায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তাঁরা। এ সময় বেশ কয়েক জন বিনিয়োগকারীকে অসংলগ্ন আচরণ করতে দেখা গেছে।
আগের সপ্তাহের নিম্নমুখী ধারা বজায় রেখেই রবিবার দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। শুরুতে দরপতনের মাত্রা কিছুটা কম হলেও একঘণ্টার মধ্যে তা ব্যাপক আকার ধারণ করে। বেলা ১২টা ১০ মিনিটে ডিএসইর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একযোগে সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমে যায়। ওই সময় সাধারণ মূল্যসূচক ৩০০ পয়েন্টের বেশি কমে গেলে বিনিয়োগকারীদের একাংশ ডিএসইর সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় মধুমিতা ভবনসহ কয়েকটি ভবন থেকে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। প্রথমাবস্থায় পুলিশ বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া করে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। এরপর বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী দিনভর রাস্তা অবরোধ করে বিৰোভ করলেও পুলিশ তাদের বাধা দেয়নি। বিৰুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিনিয়োগকারীরা বেলা সোয়া ১২টা থেকে চারটা পর্যন্ত শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ করে রাখেন।
'বিনিয়োগকারী ভাই ভাই, দল মত কিছু নাই। বিনিয়োগকারী জনতা, গড়ে তোল একতা'_ এ ধরনের নানা সেস্নস্নাগানে ডিএসইর সামনের রাসত্মা দিনভর মুখরিত করে রাখেন বিনিয়োগকারীরা। এদিন বিনিয়োগকারীরা প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবি করে সেস্নাগান দেন। এছাড়া অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর, এসইসি ও ডিএসই কর্মকর্তাদের পদত্যাগও দাবি করেন তাঁরা। কোন কোন বিনিয়োগকারী বিশ্বকাপ ক্রিকেট বন্ধ করে শেয়ারবাজার ঠিক করার দাবি জানিয়েও সেস্নস্নাগান দেন। বেলা পৌনে তিনটার দিকে বিনিয়োগকারীরা ডিএসই ভবন ঘেরাও করে রাখেন। তাঁরা ভবনের মূল গেটে তালা লাগিয়ে কর্মকর্তাদের অবরম্নদ্ধ করারও চেষ্টা করেন। বিনিয়োগকারীরা প্রয়োজনে আমরণ অনশন বা হরতাল কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে বলে জানান। এ সময় তাঁরা বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যনত্ম পুঁজিবাজার বন্ধ রাখারও দাবি জানান।
নীতি-নির্ধারকদের বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিনিয়োগকারীরা বলেন, 'আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। আমাদের নিয়ে আর তামাশা করবেন না। দয়া করে আমাদের পুঁজির ওপর হাত দেবেন না। আমাদের আর কোন কর্মসংস্থান নেই।'
বিৰোভকালে বিনিয়োগকারীরা সরকারী কোম্পানিগুলোর নতুন শেয়ার বিক্রির ঘোষণার কঠোর বিরোধিতা করেন। তাঁরা বলেন, এটা হবে সরকারের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধানত্ম। সরকার ও সাধারণ বিনিয়োগকারী উভয়ই এ সিদ্ধানত্মের জন্য ৰতিগ্রসত্ম হবেন। পৰানত্মরে লাভবান হবেন কারসাজির সঙ্গে জড়িত বড় খেলোয়াড়রা। কারণ বাজারের এই দুঃসময়ে কেবল তাদের হাতেই টাকা আছে। অন্যদিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাসত্মার ফকিরে পরিণত হয়েছেন। তাঁরা ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণায় হতাশা প্রকাশ করেন। বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাংকিং খাতের বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে এ বিষয়ে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর হসত্মৰেপ কামনা করেন। তাঁরা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর উচিত বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলা। তাঁরা পুঁজিবাজারের কুচক্রী মহলকে চিহ্নিত করে দ্রম্নত বিচারের দাবি জানান।
তাঁরা আরও বলেন, বিশ্বকাপ সামনে রেখে সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে খাটো করতে একটা মহল কাজ করে যাচ্ছে। তারা সরকারের ভিতরে-বাইরে বসেই এ অরাজক পরিস্থিতির জন্ম দিচ্ছে। সরকারের উর্ধতন মহলের মধ্যে কোন সমন্বয় নেই বলেও তাঁরা অভিযোগ করেন।
এদিকে রবিবার পুঁজিবাজারে ব্যাপক বিক্রির চাপ থাকলেও সে অনুযায়ী ক্রেতা ছিল না। ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতিও ছিল স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কম। পুলিশী এ্যাকশন ও গ্রেফতারের ভয়ে অনেক বিনিয়োগকারী বিৰোভে অংশ নেননি। দ্রম্নত বিচার আইনে মামলা দেয়ায় গত সপ্তাহে গ্রেফতার হওয়া আব্দুর রাজ্জাক, নজরম্নল ও আব্দুর রবের এখনও জামিন হয়নি। এ কারণে অনেক বিনিয়োগকারীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
এদিকে বরিশাল থেকে প্রতিনিধি জানিয়েছেন, পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনের ধারাবাহিকতায় রবিবার বরিশালের বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা লেনদেন বন্ধ করে দেয়ার পর বিক্ষোভ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করেন। দুপুর সাড়ে ১২টায় বরিশালের প্রাণকেন্দ্র সদর রোডের এসএস টাওয়ার চত্বরে বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এ সময় পাঁচ শতাধিক বিনিয়োগকারী প্রায় ঘণ্টাখানেক সড়ক অবরোধ করে রাখেন। বিক্ষোভের পর আইসিবি সিকিউরিটিজ হাউসে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা হামলা চালিয়ে গস্নাস ও আসবাবপত্র ভাংচুর করেন।
বগুড়া থেকে স্টাফ রিপোর্টার জানিয়েছেন, শেয়ারবাজারে অব্যাহত ধসের প্রতিবাদে রবিবার বগুড়ায় বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। দুপুর ১টার দিকে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে বিনিয়োগকারীরা শহরের বড়গোলা এলাকায় সমবেত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে শহরের কেন্দ্রস্থল সাতমাথা এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। শেয়ার মার্কেট ইনভেস্টর ফোরাম আয়োজিত এ কর্মসূচী চলাকালে বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/13/2011 11:57 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
আরও দুই ব্রোকারেজ হাউসের কার্যক্রম তদন্তে কমিটি গঠন
শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে আগ্রাসী প্রবণতা



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
14.02.2011


শেয়ার বিক্রির ৰেত্রে আগ্রাসী প্রবণতার কারণে আরও দু'টি ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকা- খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য প্রতিষ্ঠান ফার ইস্ট স্টকস এ্যান্ড বন্ডস লিমিটেড এবং হ্যাক সিকিউরিটিজের কার্যক্রম তদন্তে রবিবার পৃথক কমিটি গঠন করা হয়। গত ৭ ফেব্রম্নয়ারি পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনের দু'টি প্রতিষ্ঠান থেকে অস্বাভাবিক কম দরে বিপুল সংখ্যক শেয়ার বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, দু'টি ব্রোকারেজ হাউসের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক তদন্ত ছাড়া এদের বিরুদ্ধে শাসত্মিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না। বিধি অনুসরণ করার জন্যই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ফারইস্ট স্টকস এ্যান্ড বন্ডসের অস্বাভাবিক লেনদেন তদন্তে গঠিত কমিটিতে রয়েছেন এসইসির উপ-পরিচালক আবু রায়হার মোহাম্মদ মোহতাসিম বিলস্নাহ এবং সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন খান। হ্যাক সিকিউরিটিজের অভিযোগ তদনত্মে গঠিত কমিটিতে রয়েছেন উপ-পরিচালক শেখ মাহবুবুর রহমান ও সহকারী পরিচালক অহিদুল ইসলাম। দু'টি কমিটিকেই আগামী ২৪ ফেব্রম্নয়ারির মধ্যে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রামে বিআইসিএমের প্রশিক্ষণ কর্মসূচী শুরু
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সদস্যদের নিয়ে কমপস্নায়েন্স বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী শুরম্ন করেছে। সিএসই এবং বিআইসিএমের যৌথ আয়োজনে রবিবার সিএসই সম্মেলন কৰে এই কর্মসূচী উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিআইসিএমের নির্বাহী পরিচালক আব্দুল হান্নান জোয়ার্দ্দার বলেন, পুঁজিবাজারে মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য বিআইসিএম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই কারণে বাজারে প্রশিৰিত ও সামগ্রিক ধারণাসম্পন্ন মানুষের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। বিআইসিএম সাধারণত প্রাথমিকভাবে স্বল্পমেয়াদী কোর্স চালু করেছে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে নানা পেশাজীবী ও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ভবিষ্যত কার্যপ্রণালীর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী কোর্স চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে_ পিএইডি ও এমফিলের মতো কোর্সও এতে অনত্মর্ভুক্ত থাকবে।
সিএসই সহ-সভাপতি তারেক কামাল বলেন, ২০০৫ সালে সিএসই প্রথম প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করে। পরে এসইসি তা বাসত্মবায়ন করে। সিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আব্দুলস্নাহ মামুন বলেন, বিআইসিএম প্রতিষ্ঠিত হবার পর ক্যাপিটাল মার্কেটে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে। এখানে দক্ষ জনশক্তির যথেষ্ট প্রয়োজনীতা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সিএসইর কোম্পানি সচিব ও অর্থায়ন বিভাগের প্রধান আহমেদ দাউদ, মার্কেট ডেভেলপমেন্ট বিভাগের ম্যানেজার একেএম শাহরোজ আলম উপস্থিত ছিলেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/13/2011 11:59 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ক্রেতাশূন্য সরকারী কোম্পানির শেয়ার
দফায় দফায় দরপতনে বিনিয়োগকারীরা দিশেহারা



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
14.02.2011


আগের সপ্তাহে একটানা দরপতনের পর নতুন সপ্তাহের প্রথম লেনদেনেই আরেক দফা বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে পুঁজিবাজার। রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া প্রায় সব শেয়ারের দর ব্যাপকহারে কমে গেছে। দিন শেষে সাধারণ মূল্য সূচক কমেছে প্রায় ৪৭৫ পয়েন্ট। মন্দা বাজারে সরকারের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রির ঘোষণায় সরকারী কোম্পানিগুলোর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে শেয়ার ছাড়া হলে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর ব্যাপকমাত্রায় কমে যাবে বলে মনে করছেন তাঁরা। এ কারণে দিনের অধিকাংশ সময়ই সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের কোন ক্রেতা ছিল না।
এদিকে দফায় দফায় বড় দরপতনের কারণে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ-কারীরা এখন দিশেহারা। বিক্ষুব্ধ হয়ে রবিবারও ঢাকার মতিঝিলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছেন তাঁরা।
আগের সপ্তাহের নিম্নমুখী ধারা বজায় রেখেই রবিবার দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। শুরুতে দরপতনের মাত্রা কিছুটা কম হলেও একঘণ্টার মধ্যে তা ব্যাপক আকার ধারণ করে। বেলা ১২টা ১০ মিনিটে ডিএসইর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একযোগে সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমে যায়। ওই সময় সাধারণ মূল্যসূচক ৩০০ পয়েন্টের বেশি কমে গেলে বিনিয়োগকারীদের একাংশ ডিএসইর সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় মধুমিতা ভবনসহ কয়েকটি ভবন থেকে তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। প্রথমাবস্থায় পুলিশ বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া করে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। এরপর বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী দিনভর রাস্তা অবরোধ করে বিৰোভ করলেও পুলিশ তাদের বাধা দেয়নি। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এতে মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
অন্যদিকে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ডিএসইতে অধিকাংশ শেয়ারের দর ও সূচক কমার গতি বাড়তে থাকে। বেলা আড়াইটার দিকে সাধারণ সূচক ৫০১ পয়েন্টের বেশি কমে যায়। শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির নতুন সীমা বেঁধে দেয়ার পর একদিনে সূচক এরচেয়ে খুব বেশি কমার সুযোগ ছিল না। তবে দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৪৭৪.৭৭ পয়েন্ট কমে ৬০৫২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে মাত্র ৫টির দর। এর বিপরীতে কমেছে ২৪৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর।
অবশ্য সূচক কমলেও আগের সপ্তাহের তুলনায় লেনদেনের গতি কিছুটা বেড়েছে। রবিবার ডিএসইতে ৬ কোটি ৩৮ লাখ ৩৪ হাজার ৮১০টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া এসব সিকিউরিটিজের আর্থিক মূল্য ছিল ৭১৫ কোটি টাকা ৬৮ লাখ ৩২ হাজার টাকা। লেনদেনের এই পরিমাণ গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বেশি।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তারল্য (নগদ টাকা) সঙ্কট তীব্র হয়ে ওঠার কারণেই পুঁজিবাজারে টানা মন্দা তৈরি হয়েছে। নগদ টাকার সঙ্কট থাকায় একদিকে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে আপাতত কোন বিনিয়োগ করছে না। বরং হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে নগদ অর্থ সংগ্রহের দিকে ঝুঁকে পড়েছে এসব প্রতিষ্ঠান। একই কারণে এসইসি মার্জিন ঋণ সুবিধা বাড়ালেও টাকার অভাবে অনেক মার্চেন্ট ব্যাংক বর্ধিত হারে ঋণ দিতে পারছে না। সব মিলিয়ে শেয়ারবাজারে বড় রকমের তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে লেনদেনের পরিমাণ ব্যাপকহারে কমে গেছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/13/2011 12:01 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার বাজার থেকে নিয়ম বহিভর্ূতভাবে একটি টাকাও উঠাইনি

-------------সালমান এফ. রহমান


০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
14.02.2011


সামপ্রতিককালে পুঁজিবাজার নিয়ে যে অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে তার খবর এখন সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর দফতর পর্যন্ত আলোচিত। শেয়ারবাজার নিয়ে রাস্তায় মিছিল, বিক্ষোভ, জ্বালাও-পোড়াও, গাড়ি ভাংচুর, গ্রেফতারসহ নানা অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। চায়ের টেবিল থেকে পার্লামেন্টেও এই বিষয়ে আলোচনা চলছে। চলছে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ। পুঁজিবাজার নিয়ে মন্তব্যে সরকারের অর্থমন্ত্রীর সাথে অন্যান্য সংসদ সদস্যেরও বাকবিতন্ডা শুরু হয়েছে। অর্থমন্ত্রী থেকে শুরু করে খোদ প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে উৎকণ্ঠিত। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং শেয়ারবাজারকে স্থিতিশীল করতে সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ। এই পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পাবলিকলী লিস্টেড কোম্পানীজ (বিএপিএলসি) যার যার অবস্থান থেকে পদক্ষেপ নিচ্ছে। সরকারের তরফ থেকে খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি ঘটনার কারণ খুঁজে বের করার পাশাপাশি কি করলে বাজার স্থিতিশীল হবে সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পাবলিকলী লিস্টেড কোম্পানীজ-এর (বিএপিএলসি) সভাপতি ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান এক সাক্ষাৎকারে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি, বেক্সিমকো গ্রুপ এবং তাকে নিয়ে জনমনে বিদ্যমান ভুল ধারণার বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

প্রশ্ন: পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে আপনি শেয়ারবাজার থেকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে টাকা উঠিয়েছেন। এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী?

উত্তর: অভিযোগটি ভিত্তিহীন। কেননা, শেয়ারবাজার থেকে আমি বা আমার কোন কোম্পানি নিয়ম বহির্ভূতভাবে একটি টাকাও উঠাইনি। আমরা বেক্সিমকো ফার্মার প্রেফারেন্স শেয়ার বিক্রি করে এবং শাইনপুকুর সিরামিকসের ডাইরেক্ট লিস্টিং-এর মাধ্যমে বাজার থেকে টাকা উত্তোলন করেছি। এগুলো করার আগে আমার এজিএম ও ইজিএমে পাশ করিয়ে নিয়মানুযায়ী এসইসির অনুমতি নিয়েছি। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই আমি বা আমার কোম্পানী পুঁজিবাজার আইনের বহিভর্ূত কোন কর্মকাণ্ডে কখনোই জড়িত হইনি।

প্রশ্ন: বিগত কয়েক বছর আগেও বেক্সিমকো যেখানে কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছিল সেখানে এখন দেখা যাচ্ছে বেক্সিমকো এখন নতুন নতুন কোম্পানী একের পর এক কিনে নিচ্ছে। এ অর্থের উৎস আসলে কী?

উত্তর: আপনার প্রশ্নের দুটি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশ বেতন দিতে পারিনি কেন? এর উত্তরই আগে দেই। আপনারা জানেন বেক্সিমকো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ৪৫ বছর আগে। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার আসার আগ পর্যন্ত বেসরকারি খাতে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় গ্রুপ ছিল বেক্সিমকো। সেবারের সংসদ নির্বাচনে আমি আমার ভাতিজা নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি এবং ৬০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হই। নাজমুল হুদা মন্ত্রীত্ব লাভের পর প্রভাব খাটিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হতে বেক্সিমকো গ্রুপের সকল ঋণ সুবিধা বন্ধ করে দেয়। যার ফলে বেক্সিমকো গ্রুপ তীব্র তারল্য সংকটের মধ্যে পড়ে। বিএনপি শাসনামলসহ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। শেষ পর্যন্ত অবস্থা এমন আকার ধারণ করে যে বেক্সিমকোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে টাকার যোগান দিয়ে কোম্পানীকে কোনভাবে টিকিয়ে রাখে। কোম্পানীর মৌল ভিত্তি (ফান্ডামেন্টাল) শক্ত থাকায় দেশে গণতান্ত্রিক সরকার আসার সাথে সাথে আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি। এটা সম্ভব হয়েছে কারণ বেক্সিমকোর প্রতিটি কোম্পানীর রয়েছে সর্বাধুনিক কারখানা, বিশ্বসেরা প্রযুক্তি ও দেশ সেরা লোকবল।

এবার আসি পরের অংশে। নতুন নতুন কোম্পানী কেনা নিয়ে যেমন - ঢাকা সাংহাই সিরামিক্স কোম্পানীটি তার মালিকানা বিক্রির উদ্যোগ নিলে বেক্সিমকোর অন্যতম লাভজনক কোম্পানী শাইনপুকুর সিরামিকসের ব্যবসায়িক ধরন একই হওয়ায় বেক্সিমকো সিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানীটির মালিকানা কিনে নেয়ার এবং এর শতভাগ মালিকানা আমরা একোয়ার করে নেই এসইসির সকল অনুমতি সাপেক্ষে শেয়ার এক্সচেঞ্জ-এর মাধ্যমে।

এদিকে বেক্সিমকো লি:-এর শতভাগ মালিকানাধীন শাইনপুকুর সিরামিকসকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শেষ দিকে ডাইরেক্ট লিস্টিং করা হয়। এর মাধ্যমে বেক্সিমকো লি: প্রায় ৩০০ কোটি টাকা উত্তোলন করে। এ টাকা দিয়ে বেক্সিমকো ওয়েস্টিন হোটেল এবং জিএমজি এয়ারলাইন্সে বিনিয়োগ করে। এখানে উলেস্নখ্য যে, এ ধরনের বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরাসহ আমাদের আড়াই লক্ষ শেয়ার হোল্ডারদেরই লাভবান হবার সম্ভবনা বিদ্যমান। এছাড়া বেক্সটেক্স তার নিজস্ব প্রফিট থেকে নর্দার্ন পাওয়ারে ৪০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে।

এর বাইরে আমরা আর কোন কোম্পানী কিনি নাই। সর্বশেষ সিঙ্গারের ৫৫ শতাংশ শেয়ার ক্রয়ের জন্য আমরা কয়েকজন ব্যবসায়ী চুক্তি করেছি। এসইসি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি পাওয়া গেলে সেখানে আমাদের বিনিয়োগ করতে হবে ১১০ কোটি টাকা। এগুলো খুবই সাধারণ বিনিয়োগ, এর মধ্যে অস্বাভাবিকতার কিছু নেই। মানুষকে আমার সম্পর্কে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের যে ভুল তথ্য দেয়া হচ্ছে তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

প্রশ্ন: আপনার বিরুদ্ধে আরো একটি অভিযোগ আপনি জেল থেকে মুক্তি পাবার পর বেক্সিমকোর বিভিন্ন কোম্পানীর নামে নেয়া হাজার হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পরিশোধ করে ফেলেছেন। আপনি যদি শেয়ারবাজার থেকে টাকা না তুলে থাকেন, তাহলে হঠাৎ কোথা থেকে এত টাকা পেলেন?

উত্তর: আমি জেল থেকে বের হবার পর থেকেই আমি চেষ্টা চালাচ্ছিলাম আমাদের ঋণগুলো পুনঃতফসিলি করার, গণতান্ত্রিক সরকার আসার পরই আমরা আমাদের ঋণগুলো প্রয়োজনীয় ডাউন পেমেন্ট দিয়ে পুনঃতফসিলি করতে সক্ষম হয়েছি। আপনাদের মনে আছে যে, এই সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই মাননীয় অর্থমন্ত্রী সংসদে ঋণ খেলাপিদের একটি তালিকা উপস্থাপন করেন, যাতে বেক্সিমকোর নাম ছিল। আমরা সে তথ্যকে চ্যালেঞ্জ করি। এর কয়েকদিন পরই অর্থমন্ত্রী সংশোধিত তালিকা সংসদে উপস্থাপন করেন, যেখানে বেক্সিমকোর কোন কোম্পানীর নাম ছিল না। ওই সময় শেয়ারবাজার অতি মূল্যায়িত ছিল না এবং শেয়ারবাজার থেকে টাকা তোলার কোন প্রশ্নই উঠে না। তারপর বেক্সিমকো গ্রুপের লাভজনক শক্ত মৌলভিত্তির কোম্পানীগুলোর লভ্যাংশ দিয়ে আমরা কিছু ঋণ পরিশোধ করেছি। এছাড়াও আমরা আমাদের মালিকানাধীন কিছু জমি, একটি ব্রোকারেজ হাউজ-এর লাইসেন্স বিক্রি করে এসব ঋণের কিছু অংশ পরিশোধ করেছি। এরপর আমরা কিছু ঋণকে ইকু্যইটিতে রূপান্তর করেছি। এই প্রক্রিয়াগুলোর মাধ্যমে আমাদের প্রায় ৯০০ কোটি টাকা ঋণ লাঘব হয়েছে। এটা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সেটা প্রকৃত শেয়ারবাজারের কারসাজির সাথে জড়িতদের আড়াল করারই অপচেষ্টা।

প্রশ্ন: বর্তমান পুুঁজিবাজার অস্থিরতার পেছনে বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালু এবং ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বাদলের সাথে আপনার সংশিস্নষ্টতা আছে বলে কিছু পত্রিকায় অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি?

উত্তর: এখানে প্রথমেই স্পষ্ট করে বলে রাখছি, পুুঁজিবাজারে সেকেন্ডারি মার্কেটে আমি কোন ধরনের কারচুপি বা কারসাজির সাথে কোনভাবেই জড়িত নই। এক্ষেত্রে এ ধরনের কোন কাজে অন্য কারো সাথে সংশিস্নষ্টতার প্রশ্নই উঠে না। এখানে জনাব ফালু ও বাদলের সাথে আমার ব্যবসায়িক সংশিস্নষ্টতার ব্যাপারে যে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে তার ব্যাখ্যার প্রয়োজন।

আইএফআইসি ব্যাংকে আমার পার্টনার ছিলেন জনাব মরহুম জহুরুল ইসলাম । জনাব জহুরুল ইসলামের মৃতু্যর পর উত্তরাধিকার সূত্রে এই শেয়ার চলে যায় তাঁর ছেলে জনাব মঞ্জুরুল ইসলামের কাছে । গত বিএনপি আমলে জনাব মঞ্জুরুল ইসলাম তাঁর শেয়ার জনাব ফালু এবং তৎকালীন যুবক নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দিলে জনাব ফালু এই ব্যাংকের অংশীদার ও চেয়ারম্যান হন। এরপর যুবক তার অংশ জনাব বাদলের কাছে বিক্রি করে দিলে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় চেয়ারম্যান হন। পরবর্তীতে গণতান্ত্রিক সরকার আসায় আমরা আমাদের পূর্বের অবস্থানে ফিরে যাই এবং আমি বর্তমানে এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান। আমরা আইএফআইসি ব্যাংক শুরু করেছিলাম জনাব জহুরুল ইসলামের সাথে এখন ঘটনাপ্রবাহে জহুরুল ইসলামের পরিবর্তে আমাদের পার্টনার হয়ে দাঁড়িয়েছে জনাব ফালু ও জনাব বাদল। এখানে আমার কিছুই করার ছিল না।

প্রশ্ন: অতি সমপ্রতি দেখা যাচ্ছে বেক্সিমকো গ্রুপের শেয়ারগুলোর দাম কমে যাচ্ছে। এর পেছনে কী কারণ থাকতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

উত্তর: সামপ্রতিক শেয়ারবাজারে যে ধস নেমেছে তাতে বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা কোনরূপ ক্ষতির সম্মুখীন হননি। কেননা, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানি শেয়ারের মূল্য কোন সময়ই অতি মূল্যায়িত হয়নি এবং এসব কোম্পানির মৌলভিত্তি বেশ শক্ত। কিন্তু গত দু'এক সপ্তাহ ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে এসব লাভজনক ও শক্ত মৌলভিত্তির শেয়ারে দাম কমে যাচ্ছে কিছু নেতিবাচক প্রচারণার কারণে। আমার মনে হয় একটি কুচক্রীমহল ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের কোম্পানি এবং আমার সম্পর্কে এসব নেতিবাচক প্রচারণা চালিয়ে আমাদের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের মূল্য কমানোর অশুভ তৎপরতা চালাচ্ছে। শেয়ারবাজার কারসাজির সাথে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্তকারী কমিটির কাছে আমার অনুরোধ, তারা যেন আমার কোম্পানির বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত ভাবে নেতিবাচক ধারণা ছড়িয়ে যারা ফায়দা লুটতে চায় এবং এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের যারা ক্ষতি করতে চায় তাদেরকে যেন সনাক্ত করণপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কেননা আমি ছাড়াও এর সাথে আড়াই লক্ষ শেয়ারহোল্ডার ও ৪৫ হাজার কর্মকর্তা কর্মচারীর ভবিষ্যৎ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

প্রশ্ন: পুঁজিবাজারের বর্তমানে সমস্যাকে আপনি একজন সফল ব্যবসায়ী এবং পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ হিসেবে কিভাবে দেখছেন। বর্তমান এই পরিস্থিতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে আপনার পরামর্শ কি?

উত্তর: পুঁজিবাজারের সাথে সংশিস্নষ্ট সরকারি ও বেসরকারি সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বাজারের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি উত্তরণে দিনরাত কাজ করে চলেছেন। আশা করি বাজার শিঘ্রই স্থিতিশীল হবে এবং জনমনে আস্থা ফিরে আসবে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য আমি সবসময়ই আমি বলে এসেছি যে বা যারাই বিনিয়োগ করবেন, তাদেরকে একটু সতর্ক হয়ে বুঝে-শুনে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা উচিত। যে শেয়ারটার মৌলভিত্তি ভাল, প্রাইস-আর্নিং অনুপাত (পিই) কম সেই শেয়ারগুলো কেনা উচিত। আমি মনে করি বর্তমানে অনেক শেয়ার আছে যার মৌল ভিত্তি ভালো পিই অনেক কম সেই শেয়ারগুলো কেনার এখনই উপযুক্ত সময়। যারা বুদ্ধিমান বিনিয়োগকারী তারা এটাই করবে বলে আমার ধারণা।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/13/2011 12:03 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
গুজব ছড়িয়ে কোম্পানি পরিচালকরা লুটে নিয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা

শফিকুল ইসলাম
The Daily Ittefaq
14.02.2011


পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি থেকে শুরু করে প্রতিটি পর্যায়ে তথ্য কারসাজির মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা। কখনও আইপিও আসার সময় শেয়ারের অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ তথ্য কারসাজির মাধ্যমে দর বাড়িয়ে নিজেদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে অতিরিক্ত মুনাফা করেছে আগে থেকেই তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালকরা। প্রতিটি ক্ষেত্রেই এসব শেয়ার বিক্রির আগে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে কারসাজির মাধ্যমে দর বাড়াতে তৎপর ছিলেন তারা। এসইসি ও স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে যে কোনো কোম্পানির পরিচালকের জন্য শেয়ার বিক্রির সুযোগ থাকলে তথ্য কারসাজির এ প্রবণতা বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। শেয়ারের দর বাড়াতে বোনাস ঘোষণা, সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন, অভিহিত মূল্য পরিবর্তন, রাইট শেয়ার ইসু্যসহ নানা পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। নিয়মিত বিরতিতে একটির পর একটি মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ঘোষণা করে শেয়ারের দর বাড়ানো হয়েছে। এ সুযোগে দফায় দফায় বিক্রি করা হয়েছে পরিচালকদের হাতে থাকা শেয়ার।

ডিএসইর ওয়েবসাইটে দেয়া বিবরণী ও কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদন বিশেস্নষণ করে দেখা গেছে, গত দেড় বছরে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে কমপক্ষে ৬০টির শেয়ার বিভাজনে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে গেছে। ২০০৯ সালের জুনের আগে এসব কোম্পানির পরিচালকদের হাতে যে পরিমাণ শেয়ার ছিল, বর্তমানে তা অনেক কমে গেছে। বাজারে শেয়ারের দরবৃদ্ধির সুযোগে পরিচালকরা এসব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন।

প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, ২০০৯ সালের জুন থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে ব্যাংক খাতের কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তারা। এর পরপরই রয়েছে ব্যাংক বহিভর্ূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেক্সটাইল, প্রকৌশল, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতের কোম্পানিগুলো।

তথ্য বিশেস্নষণে দেখা যায়, গত দেড় বছরে বস্ত্র খাতের বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা ১ হাজার কোটি টাকার বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন। ২০০৯ সালের মে মাসে আলহাজ টেক্সটাইলের মোট শেয়ারের ৯৯.১৬ শতাংশ ছিল পরিচালকদের হাতে। বর্তমানে কোম্পানিতে তাদের অংশীদারিত্ব মাত্র ২৭.৪১ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে বেক্সটেক্স পরিচালকদের শেয়ার ৩৯.৪৭ শতাংশ থেকে বর্তমানে ২০.১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। ফলে ওই কোম্পানির পরিচালকরা তাদের ১৯.৩২ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। মেট্রো স্পিনিংয়ের পরিচালকরা ১১ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। একই ভাবে ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের পরিচালকরা ৩৭.৭৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন।

বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত দেড় বছরে বিভিন্ন ব্যাংকের পরিচালকরা ২ হাজার কোটি টাকারও বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন। ২০০৯ সালের জুনে এবি ব্যাংকের পরিচালকদের শেয়ার ছিল ৫০ শতাংশ। কিন্তু বর্তমানে এ ব্যাংকের পরিচালকদের শেয়ার ১৩.৯৭ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে সিটি ব্যাংকের পরিচালকদের হাতে ২৯.১৬ থেকে বর্তমানে ১২.৫০ শতাংশে নেমে এসছে। আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালকদের শেয়ার ৪ শতাংশ কমে বর্তমানে ৮.৬২ শতাংশে নেমে এসেছে। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ৩৯.৫৬ থেকে বর্তমানে ২৮.১৯ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে ব্যাংক এশিয়ার পরিচালকরা তাদের হাতে থাকা ৫১.৮৮ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। পরিচালকদের অংশের প্রায় অর্ধেক শেয়ার (২৬.৭৮ শতাংশ) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা কিনে নিয়েছেন। উত্তরা ব্যাংকের ৯৫.৭৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের হাতে। এছাড়া ইউসিবিএল, এনসিসি, ডাচ্-বাংলাসহ কয়েকটি ব্যাংকের পরিচালকরা তাদের হাতে থাকা শেয়ার একই সময়ের মধ্যে বিক্রি করছেন।

আর্থিক খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালকরা প্রায় হাজার কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এর মধ্যে আইডিএলসি'র পরিচালকদের হাতে ২০০৯ সালের জুন পর্যন্ত ৪৭.৩৫ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৩৬.০১ শতাংশ। একই সময়ের ব্যবধানে ফার্স্ট লিজ ইন্টারন্যাশনালের পরিচালকদের শেয়ার ৩৫.৫৫ থেকে ১৮.১৬ শতাংশে নেমে এসেছে। প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের পরিচালকরা ১২ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের পরিচালকরা ১৬.০৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। একই সময়ের মধ্যে লংকা-বাংলা ফাইন্যান্সের উদ্যোক্তাদের শেয়ার ৭০.৯১ থেকে ৫৮.৮৫ শতাংশে নেমে এসেছে। একইভাবে আইপিডিসি'র পরিচালকরা ২৬.৪২ শতাংশ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অন্তত ১৩০ কোটি টাকা, ইউনিয়ন ক্যাপিটালের উদ্যোক্তা শেয়ার ৬৯ থেকে ৬৩ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (বিডি ফাইন্যান্স) উদ্যোক্তাদের শেয়ার ৭৬.৯২ থেকে ৬৮.৫৬ শতাংশে নেমে এসেছে, আইএলএফএসএল ১০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে।

অপরদিকে প্রকৌশল খাতের কয়েকটি কোম্পানির পরিচালকরা বিক্রি করেছেন ৮০০ কোটি টাকারও বেশি শেয়ার। এর মধ্যে বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেডের পরিচালকদের শেয়ার ৮৬.২১ থেকে বর্তমানে ৬৫.৫২ শতাংশে এসেছে। একই সময়ে বাংলাদেশ থাই এলুমিনিয়ামের পরিচালকদের শেয়ার ৫৩.৬১ শতাংশ থেকে বর্তমানে ৩৯.৯১ শতাংশে নেমে এসেছে। এছাড়া গোল্ডেন সন কোম্পানির পরিচালকরা ৩৪.৭৮ শতাংশ শেয়ার বিক্রি ও ন্যাশনাল পলিমারের পরিচালকরা ১১.৩১ শতাংশ শেয়ার ১০ কোটি টাকায় বিক্রি করেছেন।

এছাড়া একই সময়ে জ্বালানি ও খাদ্য খাতের বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা বিক্রি করেছেন ৪৫০ কোটি টাকার শেয়ার। এর মধ্যে সামিট পাওয়ারের উদ্যোক্তা শেয়ার ৫৮.৬ শতাংশ থেকে বর্তমানে ৪৯ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ের মধ্যে বিচ হ্যাচারির পরিচালকরা ১৭.০৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি ও ফাইন ফুডসের পরিচালকদের শেয়ার ৪৪.২৪ থেকে ৩২.২০ শতাংশে নেমে আসায় ৮ কোটি টাকা বাজার থেকে নিয়েছে।

২০০৯ সালে জুন মাসে বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালকদের শেয়ার ২০.৬৩ শতাংশ থেকে বর্তমানে ১০.৯১ শতাংশে নেমে এসেছে। এ সময়ে এ কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও তাদের হাতে থাকা ৯.৫৮ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। একই সময়ে বেক্সিমকো সিনথেটিকের পরিচালকরা ৬.৩২ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। দেড় বছরে ইনফর্মেশন সার্ভিস নেটওয়ার্কের পরিচালকদের শেয়ার ৩১.৩১ থেকে ২১.৩৯ শতাংশে নেমে এসেছে। বিডিকম অনলাইনের পরিচালকদের ২৩.৩৮ থেকে ১৩.৭৬ শতাংশে নেমে এসেছে, ইনটেক অনলাইনের ১২.২৮ থেকে ৩.৭৯ শতাংশে নেমে এসেছে।

এছাড়া একই সময়ের মধ্যে শেয়ারের দরবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে পুঁজিবাজারের অন্যান্য খাতের কয়েকটি কোম্পানির পরিচালকরা তাদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অন্তত ৬০০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে। এর মধ্যে বীমা খাতের পিপলস ইন্সু্যরেন্সের পরিচালকরা ১০২ কোটি টাকা, কর্নফুলী ইন্সু্যরেন্স ৪০ কোটি টাকা, প্রাইম ইন্সু্যরেন্স সাড়ে ৮ কোটি টাকা, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সু্যরেন্স ৮৪ কোটি টাকা এবং মেঘনা লাইফ ইন্সু্যরেন্সের পরিচালকরা ১০৫ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। একই সময়ের মধ্যে বিবিধ খাতের বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালকদের শেয়ার ২৪.৮৮ থেকে ২১.২৬ শতাংশে নেমে এসেছে। এছাড়া ফু-ওয়াং সিরামিকসের পরিচালকরা শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ৪৫ কোটি টাকা বাজার থেকে নিয়ে গেছে।

ডিএসইর ওয়েবসাইটে দেয়া সংবাদ ভা ারে (নিউজ আর্কাইভ) দেয়া তথ্যে দেখা গেছে, প্রতিটি কোম্পানির ক্ষেত্রেই পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির আগে বাজারে দরবৃদ্ধির জন্য নানা কৌশলের আশ্রয় নেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পরপর মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ঘোষণা করে শেয়ারের দর বাড়ানো হয়েছে। মূল্য সংবেদনশীল তথ্য কারসাজির মাধ্যমে দর বাড়িয়ে পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির বড় উদাহরণ আফতাব অটোমোবাইল। গত দেড় বছরে একের পর এক গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে একশ্রেণীর বিনিয়োগকারী এ কোম্পানির শেয়ার কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এ সুযোগে বেশি দরে শেয়ার বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন কোম্পানির পরিচালকরা। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, ২০০৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর কোম্পানিটির এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। এজিএমে কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করে। ফলে কোম্পানির এজিএমে ঘোষিত লভ্যাংশের বড় অংশই পেয়েছেন পরিচালকরা। ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি এ লভ্যাংশ বিতরণ শেষ হয়। এ সময় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে গুজব ছড়ানো হয়, আফতাব অটো কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই রাইট শেয়ার ইসু্য করবে।

১০ দিনের ব্যবধানে শেয়ারটির দর ৩০২ থেকে বেড়ে ৪০০ টাকায় উঠে যায়। দর বেড়ে যাওয়ার পর ২৫ জানুয়ারি কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম তার ২২ হাজার ৮৬৮টি শেয়ারের মধ্যে ৪ হাজার ১৫৮টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেন। ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেয়ারটির দর বেড়ে ৬০০ টাকায় উঠে যায়। অস্বাভাবিক এ মূল্যবৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে ডিএসইর পক্ষ থেকে কোম্পানির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, তাদের কাছে মূল্য সংবেদনশীল কোনো তথ্য নেই। ১ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়। ওইদিনই কোম্পানির আরেক স্পন্সর মাফিয়া ইয়াসমিন তার ৫ হাজার ৬৬২টি শেয়ারের মধ্যে ১ হাজার ২৯টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেন। ৮ ফেব্রুয়ারি আরেক স্পন্সর সুমাইয়া ইসলাম তার ৫ হাজার ৬৬৬টি শেয়ারের মধ্যে ১ হাজার ৫০০ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেন। পরদিন ৯ ফেব্রুয়ারি আনোয়ারুল ইসলাম তার কাছে থাকা বাকি ২০ হাজার ৩৩৮টি শেয়ারের মধ্যে আরো ১ হাজার ৬২৮টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেন।

এর আগে থেকেই বাজারে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, নাভানা সিএনজি ডিএসই এবং সিএসইতে সরাসরি তালিকাভুক্ত হচ্ছে। আর এ প্রতিষ্ঠানের বড় অংশ শেয়ারের মালিক আফতাব অটোমোবাইলস। ফলে এ ক'দিনে ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে কোম্পানির শেয়ারের দর। এরপর থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটি অবিহিত মূল্য পরিবর্তন, নতুন যন্ত্র স্থাপন, উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদেশি প্রতিষ্ঠান জেম গেস্নাবালের বিনিয়োগ, অগ্রাধিকার শেয়ার ইসু্য, বোনাস শেয়ার ঘোষণাসহ একের পর এক মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ঘোষণা করে শেয়ারের দর প্রভাবিত করা হয়েছে। আর প্রতিটি ক্ষেত্রেই কোম্পানির পরিচালক ও উদ্যোক্তারা ঘোষণা দিয়ে হাজার হাজার শেয়ার বিক্রি করেছেন। ২০০৯ সালের শুরুতে এ কোম্পানির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের দর ছিল ৩০০ টাকার কম।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/13/2011 12:10 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
DSE chief wants 'more liquidity support'
'Too tight a position' for banks to do that


FE Report
14.02.2011


The President of Dhaka Stock Exchange (DSE) Shakil Rizvi considers the present market situation as comparatively "risk-free" for making investments, as the shares of a good many companies are now at a "reasonable position" to attract investments after continuous price corrections.

This view is also shared by some capital market analysts. According to them, the rejuvenation of the market will be "easier" if effective policy-supports are given by the government to help overcome some "obstacles" that are impacting adversely the operations in the market. They particularly cited the case of liquidity constraints in the market.

Without such supports, they feared that the country's stock market would not be able to overcome the shaky mood of the retailers for its sustained growth.

Their comments come at a time when the DSE general index (DGEN) lost about 2391 points on February 10, 2011, from its highest at 8918 pints mark on December 5, 2010.

Over the last two months, the country's stock market witnessed strong protests and acts of vandalism by thousands of angry investors due to continuous fall of the share prices. Such investors have been complaining that some "heavyweights", directly or indirectly, played many foul-games in the market.

However, the DSE president told the FE that the overall market achieved a good position and investors should have nothing to be worry about making their investments now."

Mr. Shakil Rizvi said, the price-earning (P/E) ratios of about 50 per cent companies are now within the range of 2 to 16.

"These shares are in a good position to attract investment," he said.

"And P/E ratios of 20 per cent of the listed companies is 20 in the upper range. Such companies are also good for making investments as their growth performance remains at a satisfactory level," he said.

The DSE president said the company's P/E ratio is an important parameter, depicting the overall prospects of a company.

"That's why investors should consider the growth situation of a company, along with other fundamentals, while taking decisions for making investments in the shares of the listed companies," he said.

"They should invest by taking the fundamentals of companies into account," he added.

Former DSE Chief Executive Officer Professor Sala Uddin Ahmed Khan, who teaches finance at Dhaka University, also said the market has taken a turn towards a comparatively reasonable position.

"About 100 to a 150 companies have entered the risk-free zone and the investors can invest in the shares of these companies," Mr. Khan told the FE.

He, however, said the prices of about one hundred companies are still slightly over-priced.

"But by this time, the market has reached a reasonable position. But it might become vulnerable in the absence of government's strong support," he said.

He said the market is most likely to see a further downward trend if liquidity supply does not improve.

"Otherwise, the confidence of retail investors will not be restored," Mr. Khan said.

Another market analyst told the FE on condition of anonymity that the government's policy-supports, coming in a synergy, would facilitate a turnaround of the situation in the stock market "sooner rather than later".

Meanwhile, some observers of both capital and money markets have raised questions about the rationale of any move to persuade, or get the financial sector involved, on a larger scale, in the stock market
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/14/2011 7:03 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বাজার ঠিক রাখতে সরকারি শেয়ার ছাড়া আপাতত বন্ধ: মুহিত

ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


অব্যাহত দরপতনে বাজার স্থিতিশীল রাখতে আপাতত সরকারি কোম্পানির শেয়ার বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এছাড়া সরকারি কোম্পানির শেয়ার বাজারে আসছে শুনে অনেকেই ইচ্ছে করে দাম কমানো শুরু করেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমরা এর প্রমাণও পেয়েছি। সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ২০ ফেব্রুয়ারির পর বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আর এ সপ্তাহের মধ্যেই শেয়ারমার্কেট স্থিতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে রোববার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ এর এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান শেয়ারবাজারকে ক্যাসিনোর সঙ্গে তুলনা করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় অর্থমন্ত্রী বলেন, রেহমান সোবহান এটা আসলে প্রতীকী অর্থে বলেছেন। আর আমি তো আগেই বলেছি শেয়ারবাজার জুয়া খেলার স্থান নয়। কারণ আজ বাজারে এসে কালই লাভ করতে চায় বিনিয়োগকারীরা। তিনি আরো বলেন, পড়ে যাওয়া শেয়ারবাজারেও ১ লাখ লোক বিনিয়োগ করতে এসেছে। এটা তো জুয়া খেলার মতোই।
অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জকে ডিমিচ্যুয়ালিজেশন করার ব্যাপারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা এ বিষয়ে রাজি হয়েছে। শেয়ারবাজারের উন্নতির জন্য অবশ্যই রিফর্ম করতে হবে। আর ডিমিচ্যুয়ালাইজেশন সম্ভব না হলে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ করা হবে। আমাদের দেশের জন্য একটি মার্কেটই যথেষ্ট।
এদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী দেখছেন, তিনিই ব্রিফ করবেন। তবে বৈঠকে ভোজ্য তেলের শুল্ক হ্রাসের বিষয়ে কথা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
শুল্ক হ্রাস করলেই দ্রব্যমূল্য কমে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, গত রমজানে বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে চিনির শুল্ক হ্রাস করা হয়েছিল। কিন্তু বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। তবে এবার ব্যবসায়ীরা প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছেন। দেখা যাক কি হয়।
প্রসঙ্গত, ১০ ফেব্রুয়ারি অস্থির পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ধাপে ধাপে ২১টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেয় সরকার। এর মধ্যে এ মাসেই দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আসার কথা ছিল। তবে সরকারের এ ঘোষণার পরও শেয়ারবাজারের কোনো উন্নতি হয়নি। বরং শেয়ারবাজারের সূচক পড়তির দিকে। আজো সকাল থেকে সূচক পড়েছে প্রায় ৪৬৬ পয়েন্ট। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে এসে ভাঙচুর চালায়। মতিঝিলে পুলিশের সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অনেককেই আটক করেছে। একই ঘটনায় বিক্ষোভ হয় চট্টগ্রাম ও বরিশালে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচআই/এসএস/এসসি/১৫.২৬ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/14/2011 7:05 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বাজার ঠিক রাখতে সরকারি শেয়ার ছাড়া আপাতত বন্ধ: মুহিত

ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


অব্যাহত দরপতনে বাজার স্থিতিশীল রাখতে আপাতত সরকারি কোম্পানির শেয়ার বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এছাড়া সরকারি কোম্পানির শেয়ার বাজারে আসছে শুনে অনেকেই ইচ্ছে করে দাম কমানো শুরু করেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমরা এর প্রমাণও পেয়েছি। সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ২০ ফেব্রুয়ারির পর বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আর এ সপ্তাহের মধ্যেই শেয়ারমার্কেট স্থিতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে রোববার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ এর এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান শেয়ারবাজারকে ক্যাসিনোর সঙ্গে তুলনা করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় অর্থমন্ত্রী বলেন, রেহমান সোবহান এটা আসলে প্রতীকী অর্থে বলেছেন। আর আমি তো আগেই বলেছি শেয়ারবাজার জুয়া খেলার স্থান নয়। কারণ আজ বাজারে এসে কালই লাভ করতে চায় বিনিয়োগকারীরা। তিনি আরো বলেন, পড়ে যাওয়া শেয়ারবাজারেও ১ লাখ লোক বিনিয়োগ করতে এসেছে। এটা তো জুয়া খেলার মতোই।
অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জকে ডিমিচ্যুয়ালিজেশন করার ব্যাপারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা এ বিষয়ে রাজি হয়েছে। শেয়ারবাজারের উন্নতির জন্য অবশ্যই রিফর্ম করতে হবে। আর ডিমিচ্যুয়ালাইজেশন সম্ভব না হলে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ করা হবে। আমাদের দেশের জন্য একটি মার্কেটই যথেষ্ট।
এদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী দেখছেন, তিনিই ব্রিফ করবেন। তবে বৈঠকে ভোজ্য তেলের শুল্ক হ্রাসের বিষয়ে কথা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
শুল্ক হ্রাস করলেই দ্রব্যমূল্য কমে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, গত রমজানে বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে চিনির শুল্ক হ্রাস করা হয়েছিল। কিন্তু বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। তবে এবার ব্যবসায়ীরা প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছেন। দেখা যাক কি হয়।
প্রসঙ্গত, ১০ ফেব্রুয়ারি অস্থির পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ধাপে ধাপে ২১টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেয় সরকার। এর মধ্যে এ মাসেই দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আসার কথা ছিল। তবে সরকারের এ ঘোষণার পরও শেয়ারবাজারের কোনো উন্নতি হয়নি। বরং শেয়ারবাজারের সূচক পড়তির দিকে। আজো সকাল থেকে সূচক পড়েছে প্রায় ৪৬৬ পয়েন্ট। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে এসে ভাঙচুর চালায়। মতিঝিলে পুলিশের সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অনেককেই আটক করেছে। একই ঘটনায় বিক্ষোভ হয় চট্টগ্রাম ও বরিশালে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচআই/এসএস/এসসি/১৫.২৬ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/14/2011 7:06 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে কাল থেকে ২০০ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ

ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


পুঁজিবাজারে সংকট উত্তরণে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সোমবার নতুন একটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দ্রুত বাজারে বিনিয়োগের শর্তে এ ফান্ডের অনুমোদন দেয়া হয়। ৫০০ কোটি টাকার এ ফাণ্ডের উদ্যোক্তা অংশ ২০০ কোটি টাকা মঙ্গলবার থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে।
সোমবার কমিশনের জরুরি সভায় ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফাণ্ড নামের এ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্ট ডিড ও রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দেয়া হয়। স্পন্সর ছাড়া এ ফান্ডের অবশিষ্ট টাকা পরবর্তীতে সংগ্রহ করা হবে বলে এসইসির মুখপাত্র সাইফুর রহমান জানিয়েছেন। এ মিউচ্যুয়াল ফাণ্ডের উদ্যোক্তা হচ্ছে- সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড।
নতুন এ ফান্ডের অনুমোদন প্রসঙ্গে এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার বলেন, এ ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ ২০০ কোটি টাকা আগামীকাল থেকেই পুঁজিবাজারের বিভিন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ করা হবে। মঙ্গলবার থেকেই বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারের অব্যাহত তারল্য সংকটের প্রেক্ষিতে গত সপ্তাহ থেকেই এসইসি নতুন কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া থেকে বিরত রয়েছে। তবে সোমবারের মিউচ্যুয়াল ফান্ড অনুমোদন দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র উদ্যোক্তা অংশ দ্রুত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আশ্বাসে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ জেডআর/ ১৮.০৩ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/14/2011 7:07 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতনে বিক্ষোভ-ভাঙচুর, আটক ৬১

ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)




পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনে মতিঝিলে পুলিশের সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। সোমবার সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে সূচকের পতন দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। পতনের এ ধারা অব্যাহত থাকায় পৌঁনে ১২টার দিকে বিনিয়োগকারীরা দরপতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে। এতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দরপতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে চট্টগ্রাম, বরিশালেও ।
বিনিয়োগকারীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পুলিশ বাধা দিলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে দু'পক্ষের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিপেটা ও টিয়ারগ্যাস সেল ছোড়ে।
ক্ষুব্দ বিনিয়োগকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং চালককে মারদোর করে। ব্যাপক ভাঙচুর চলে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের আশপাশের ভবনে। উত্তেজিত বিনিয়োগকারীরা মধুমিতা সিনেমা হল ভবনের পাশে একটি ব্রোকারেজ হাউজে ব্যাপক ভাংচুর চালায় এবং আগুণ ধরিয়ে দেয়। তবে ওই ব্রোকারেজ হাউজের কর্মীরা অন্যদের সহায়তায় আগুন নিভিয়ে ফেলে।
এসময় পুরো মতিঝিলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অফিস এবং ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩৪ জনকে আটক করে। তবে ১৭ জনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন, সাইদুর রহমান সাঈদ, শাহাদাত হোসেন, হাসিব, গৌরাঙ্গ ভৌমিক, রূপন, রাসেল, মোজাম্মেল, মামুন, নোমান, রেজওয়ান, মাসুম, সুমন, হৃদয়, আসলামুল, জাহিদ, জামাল, সোহেল। বিকেল পৌঁনে ৪টার দিকে মধুমিতা ভবনে অভিযান চালায় পুলিশ। ওই ভবন থেকে পুলিশ অজ্ঞাত ২৭ জনকে আটক করে।
এদিকে ব্যাপক দরপতনের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে শুরু হয় সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসের লেনদেন। আজ সোমবার দিনের শুরুতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম পড়ে যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে দাম পড়ার হার আরো বাড়তে থাকলে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে। দিনশেষে সাধারণ সুচক কমে ৪৭২ পয়েন্ট। কমেছে ২৪৬টির, বেড়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমএইচ/১৫.৫০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/14/2011 7:08 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দরপতনে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ

ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


পুঁজিবাজারে দরপতনে আজ সোমবার চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ করেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, শত শত বিনিয়োগকারী দুপুর ১২টা থেকে নগরীর আগ্রাবাদস্থ চিটাগাং স্টক এঙ্চেঞ্জের সামনে রাস্তার উপর বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। বিক্ষোভের মুখে কবির সিকিউরিটিজ, লংকা বাংলা, আইডিএলসি এবং চিটাগাং কেবিটেলসহ ৮টি ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে বিক্ষোভের কারণে এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে বরিশাল ব্যুরো জানায়, দুপুর ১টায় অশ্বিনী কুমার হল প্রাঙ্গণ থেকে সদর রোডে বিনিয়োগকারীরা ভিক্ষার পাত্র নিয়ে বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভ শেষে বরিশাল অশ্বিনী কুমার হল প্রাঙ্গনে সমাবেশে মিলিত হয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এসআই/এজে/এসএস/এমএইচ/১৫.৫০ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/14/2011 7:09 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে সরকারি শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত


ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


পুঁজিবাজারে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যাপক দরপতনের পর সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়। শীর্ষ নিউজ ডটকমকে একথা জানিয়েছেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের মুখপাত্র সাইফুর রহমান। তিনি জানান, আজ সকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার এ বিষয়ে আলোচনা করেন। পরে সরকারি ২১ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১০ ফেব্রুয়ারি সরকারি ২১ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে সরকারি ২১ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার সময় বেঁধে দেয়া হয়। একই সঙ্গে সময়সীমার মধ্যে শেয়ার ছাড়তে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে বলেও সতর্ক করে দেন অর্থমন্ত্রী। গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ২৬টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পদের হিসাব ও পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ সময় বেঁধে দেন তিনি।
গত দুই বছরে শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দফায়-দফায় নির্দেশনা পাওয়ার পরও এসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তা উপেক্ষা করে আসছে। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর ২৬ প্রতিষ্ঠানকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু এরমধ্যেও শেয়ার বাজারে আসতে ব্যর্থ হয় এসব প্রতিষ্ঠান।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমএইচ/১২.৫০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/14/2011 7:12 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সরকারি শেয়ারের সিদ্ধান্ত ২০ ফেব্রুয়ারির পর'
     

ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ১৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


অর্থমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার পুঁজিবাজারে কবে কীভাবে ছাড়া হবে সে সিদ্ধান্ত ২০ ফেব্রুয়ারির পর নেওয়া হবে।

চলতি সপ্তাহের মধ্যে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে আবারো আশাও প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর কেউ কেউ শেয়ারের দাম কমাচ্ছে- উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, "এর প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। তাই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এখনই বাজারে ছাড়া হবে না।"

বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাঁচটি প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি ২১ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার সময় বেঁধে দেওয়া হয়। ফেব্র"য়ারি থেকে মার্চের মধ্যে এসব শেয়ার বাজারে আনার সিদ্ধান্ত হয়।

এরপর বৃহস্পতি থেকে সোমবার পর্যন্ত তিন কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে প্রায় ১১শ পয়েন্ট।

গত মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাজার স্থিতিশীল হবে। অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের দিন ডিএসই'র সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছিল ৪২৮। এরপর গত চারদিন বাজারে দরপতন চলছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা পর্ষদ আলাদা করা প্রসঙ্গে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, "ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। প্রথমে আপত্তি করলেও পরে তারা ডিমিউচুয়ালাইজেশনে রাজি হয়েছে।"

"ডিমিউচুয়ালালাইজেশন সম্ভব না হলে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের কথা চিন্তা করা হবে," বলেন অর্থমন্ত্রী।

রোববার এক সেমিনারে ঢাকার পুঁজিবাজারকে ক্যাসিনোর (জুয়ার আসর) সঙ্গে তুলনা করেছেন সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, "আমি আগেই বলেছি শেয়ার বাজার কোনো জুয়া খেলার জায়গা নয়। কিন্তু এখানে কেউ আজ ১০০ টাকা এনে কালই ২০০ টাকা বানাতে চাচ্ছেন।

"বাজারের এ পতনোন্মুখ অবস্থার মধ্যেও বাজারে এক লাখ বিনিয়োগকারী এসেছে। তার মনে কী? এটা তো জুয়া খেলার মতোই মনে হচ্ছে।"

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/আরবি/পিডি/১৬৪৪ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/14/2011 7:17 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
৫শ কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড অনুমোদন
     

ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ১৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)



পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি উত্তরণে পাঁচশ কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড নামের এ ফান্ডের পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- সোনালি ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ও ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড।

এসইসি সভাপতি জিয়াউল হক খন্দকার বলেন, "এ ফান্ডের দুশ কোটি টাকা আগামীকাল (মঙ্গলবার) বাজারে আসবে বলে আশা করছি।"

বাকি তিনশ কোটি টাকা পরবর্তী সময়ে প্রাইভেট প্লেসমেন্ট ও (ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং) আইপিও'র মাধ্যমে তুলে নেওয়া হবে।

সোমবার এসইসি'র এক বৈঠকে এ মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের অনুমোদন দেয় বলে জানিয়েছেন এসইসি মুখপাত্র সাইফুর রহমান।

চারশ ৭২ দশমিক ৯০ পয়েন্ট বা সাত দশমিক ৮১ শতাংশ কমে সোমবার দিনশেষে মূল্যসূচক দাঁড়ায় পাঁচ হাজার পাঁচশ ৭৯ দশমিক ৫০ পয়েন্ট। লেনদেন হয় ছয়শ ৬৩ কোটি টাকার শেয়ার। লেনদেন হওয়া দুশ ৪৯ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে তিনটির, কমেছে দুশ ৪৬টির দাম।

গত চার সপ্তাহে মূল্যসূচক কমেছে এক হাজার নয়শ ৩৩ পয়েন্ট।

দরপতনে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা প্রায় প্রতিদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিক্ষোভ করছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/পিডি/১৭৫৫ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 35 / 40 1 - 2 - 3 - 4 - 5 - 6 - 7... - 33 - 34 - 35 - 36 - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview