| 01/10/2011 2:23 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | একদিনে সর্বোচ্চ দরপতন
10.01.2011
ইত্তেফাক রিপোর্ট
বছরের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুর দিনেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্যাপক দরপতন হয়েছে। দিনের মধ্যভাগে সাধারণ সূচক প্রায় ৬০০ পয়েন্ট কমে গেছে। কমেছে প্রায় সব শেয়ারের দাম। গত সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় রবিবার দরপতন দিয়েই দিন শুরু করে ডিএসই।
লেনদেন শুরুর প্রথম এক ঘণ্টায় সাধারণ সূচক ১০০ পয়েন্ট কমে যায়। দুপুর ১টা ৯ মিনিটে সূচক ছিলো ৭ হাজার ২৪১ দশমিক ৯৯, যা দিনের শুরুর চেয়ে ৪৯৩ দশমিক ২১ পয়েন্ট বা ৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ কম। ওই সময় পর্যন্ত মোট ২৪১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৯টির দামই কমেছে, বেড়েছে বাকি দুটির। ব্যাপক দরপতনের পরও কোন ধরনের বিক্ষোভ দেখা যায়নি। গত সপ্তাহের বিক্ষোভের পর রবিবার ডিএসই'র সামনে সকাল থেকেই বিপুলসংখ্যক র্যাব-পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে। বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের পর ডিএসই এলাকা থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
এদিকে প্রথম সপ্তাহে দরপতনের পর রবিবার বিনিয়োগকারী ব্যক্তির ঋণ পাওয়ার সীমা তুলে দেয়াসহ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়া রবিবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
একক ব্যক্তি আগে সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা ঋণ নিতে পারলেও এখন থেকে সে সীমা থাকছে না। ঋণ নেয়া যাবে বিও একাউন্ট খোলার ১৫ দিনের মধ্যেই। আগে বিও একাউন্ট খোলার ৩০ দিন আগে ঋণ নেয়া যেত না। এছাড়া গ্রামীণফোনের শেয়ার এখন থেকে নেটিং সুবিধা পাবে বলেও জানিয়েছেন আনোয়ারুল কবীর।
ডিএসই ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এসইসির বৈঠকে এ সিদ্ধান্তগুলো হয়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 2:24 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে ফের দরপতন, চার ব্যবস্থা কাজে আসেনি
ধৈর্য ধরার পরামর্শ অর্থমন্ত্রীর
The Daily Janakantha
10.01.2011
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ একের পর এক রেকর্ড দরপতনের কারণে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী এখন তাদের পুঁজি হারাতে বসেছেন। রবিবার সপ্তাহের প্রথম লেনদেনে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আরেক দফা রেকর্ড দরপতন ঘটেছে। বিনিয়োগকারীদের মনোবল বাড়াতে রবিবার সকালে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সেচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) মার্জিন ঋণ প্রদানের সর্বোচ্চ সীমা, নতুন বিনিয়োগকারীদের ঋণ প্রদানে বিধিনিষেধ শিথিল এবং গ্রামীণফোনের শেয়ার লেনদেনে নেটিং সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দিলেও বাজারে এর কোন প্রভাব পড়েনি। বরং একদিনে ডিএসই সাধারণ সূচক ৭.৭৬ শতাংশ বা ৬০০ পয়েন্ট কমেছে। এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর এ সূচক ৫৫২ পয়েন্ট কমেছিল। দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে 'কালো দিন' হিসেবে চিহ্নিত ১৯৯৬ সালের ৫ নবেম্বর ডিএসই সূচক কমেছিল ২৩৩ পয়েন্ট। ফলে বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি '৯৬-এর কেলেঙ্কারিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বলে বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন।
তবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, পুঁজিবাজারে ১৯৯৬ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা নেই। রবিবার সন্ধ্যায় এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকশেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দেশের শেয়ারবাজারের ব্যপ্তি অনেক বেড়েছে। বর্তমানে এখানে প্রায় ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী রয়েছেন। খুব সহজেই এখানে ধস নামানো যাবে না। তবে দেশের শেয়ারবাজারকে স্থিতিশীল ও টেকসই করতে হলে বিনিয়োগকারীদের আরও ধৈর্যশীল হতে হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আশ্বসত্ম করে তিনি বলেন, সরকার তাদের সঙ্গে আছে। তারা যাতে টিকে থাকতে পারেন_ অবশ্যই সে ধরনের পদৰেপ নেয়া হবে।
অর্থমন্ত্রীর ব্রিফিং পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য রবিবার সন্ধ্যায় এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বৈঠকশেষে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত বৃহস্পতিবার দরপতনের পরই পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সরকার বেশ কিছু পদৰেপ নেয়ার সিদ্ধানত্ম নেয়। এর প্রেৰিতে ইতোমধ্যেই এসইসি মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা তুলে নিয়েছে। এ ছাড়া বিনিয়োগকারীদের মনোবল ফেরাতে বেশ কিছু পদৰেপ নেয়া হয়েছে। বাজারে তারল্যপ্রবাহ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক রেপোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে অর্থ যোগান দিয়েছে।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজার থেকে মুনাফা পেতে হলে বিনিয়োগকারীদের অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করতে হবে। ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে তো মুনাফা পেতে কিছুদিন অপেৰা করতে হয়। তাহলে শেয়ারবাজার থেকে আজ ১০ টাকা বিনিয়োগ করে কালই কেন ১৫ টাকা পাওয়ার আশা করবেন?
তিনি বলেন, গত দু'বছরে আমরা একটা অসাধারণ অবস্থার মধ্যে আছি। শেয়ারবাজারের সূচক এ সময়ের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পয়েন্ট বেড়ে গেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অল্প সময়ে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা বেশি থাকায় বাজারে স্থিতিশীলতা আসছে না। অধিকাংশের মধ্যেই শেয়ার ধরে রাখার প্রবৃত্তি নেই। বাজার স্থিতিশীল করতে হলে শেয়ার ধরে রাখতে হবে। তবে স্টক এঙ্চেঞ্জের কার্যক্রম বিন্যসত্মকরণ (ডি-মিউচু্যয়ালাইজেশন) ছাড়া বাজার স্থিতিশীল হবে না বলেও অর্থমন্ত্রী মনত্মব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, শেয়ারের দর যখন বাড়ে, তখন কেউ মিষ্টি বিতরণ করে না। কিন্তু দাম কমলেই রাসত্মায় নেমে ভাংচুর করা হয়। গত কয়েক দিনে যেভাবে ভাংচুর করা হয়েছে_ তা স্বাভাবিকতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সরকার এ ধরনের আচরণ সহ্য করবে না।
শেয়ারবাজারে অস্থিতিশীলতার পেছনে কিছু প্রতিষ্ঠানের কারসাজি যুক্ত রয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, কিছু লোক ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। নিজেদের স্বার্থে বাজারে ভীতি ছড়ায়। ইউনিপে টু ইউসহ তিনটি প্রতিষ্ঠান অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে। তাদের যথাযথ শিৰা দেয়া হবে।
বিনিয়োগকারীদের প্রতি মৌলভিত্তি দেখে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, তাদের হিসাব করতে হবে_ বিনিয়োগের অর্থ কত বছরে ফেরত পাওয়া যাবে। শেয়ারের বাজার মূল্য ও প্রকৃত আয় (পিই) অনুপাত দেখে বিনিয়োগ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, দেশের শেয়ারবাজার অনেক সম্প্রসারিত হয়েছে। তবে সে অনুযায়ী ভাল শেয়ারের সরবরাহ নেই। সরকার শেয়ার সরবরাহ বাড়ানোর জন্য কাজ করছে।
তিনি বলেন, মূল্য সংশোধনের মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের সাময়িকভাবে সমস্যা হলেও দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার বলেন, সংশিস্নষ্ট সবার লৰ্য_ একটি লাগসই শেয়ারবাজার। বাজার যৌক্তিক ও সঙ্গতিপূর্ণ অবস্থানে রাখতে পদৰেপ নেয়া হচ্ছে। বাজারে তারল্যপ্রবাহ বাড়াতে ইতোমধ্যেই বেশ কিছু পদৰেপ নেয়া হয়েছে। একক গ্রাহকের জন্য মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের মার্জিন ঋণ প্রদানে ১০ কোটি টাকার সর্বোচ্চ সীমা তুলে নেয়া হয়েছে। নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ দিনের মধ্যে ঋণ পাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রামীণফোনের শেয়ার লেনদেনে নেটিং সুবিধা চালু করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী বলেন, মুদ্রাবাজারে তারল্য সঙ্কট রয়েছে_ এ ধরনের তথ্য সঠিক নয়। সিআরআর বাড়িয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ২ হাজার কোটি টাকা জমা নিলেও এর বিপরীতে রেপোর মাধ্যমে প্রতিদিন ৬ হাজার কোটি টাকা যোগান দেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের দিকে দৃষ্টি রেখে রবিবার দেয়া হয়েছে ৭ হাজার কোটি টাকা। ফলে তারল্যের অভাব রয়েছে_ এ কথা কোনভাবেই সত্য নয়।
রেকর্ড দরপতন মাত্র পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ৪০ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা কমে গেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন। এই সময়ের মধ্যে অধিকাংশ শেয়ারের ব্যাপক দরপতনের কারণে গত কয়েক মাসে অর্জিত মূলধন হারিয়েছে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী। আর রবিবারের রেকর্ড দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মূলধনের ওপর টান পড়েছে বলে জানা গেছে।
বিনিয়োগকারীরা জানান, এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের দিক থেকে বেশ কিছু ইতিবাচক সিদ্ধানত্ম আসতে পারে_ এ প্রত্যাশায় দিনের শুরম্নতে অনেকেই শেয়ার বিক্রি না করে ক্রয়ৰমতা অনুযায়ী শেয়ার কেনার প্রতি আগ্রহী ছিলেন। এ কারণে লেনদেন শুরম্নর পর ১০ মিনিটের মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক প্রায় ৬০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এর আগে এসইসিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে শেয়ার কেনার জন্য একক গ্রাহকের মার্জিন ঋণের ১০ কোটি টাকার সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেয়া হয়। এ ছাড়া নতুন বিও হিসাব খোলার পর ঋণ প্রদানের বিধিনিষেধ ১ মাস থেকে কমিয়ে ১৫ দিন করা হয়। পাশাপাশি গ্রামীণফোনের শেয়ার লেনদেনে নেটিং সুবিধা চালু করা হয়। এ সব সিদ্ধানত্মের ফলে বাজারে তারল্যপ্রবাহ বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হলেও তা বিনিয়োগকারীদের আশ্বসত্ম করতে পারেনি। কারণ এর আগে এসইসির পৰ থেকে মার্জিন ঋণের হার দু'দফা বাড়ানো হলেও অর্থ সঙ্কটের কারণে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো তা কার্যকর করতে পারেনি। ফলে এসইসির নতুন সিদ্ধানত্মও তারল্য সঙ্কট কাটাতে পারবে না বলে বিনিয়োগকারীরা মনে করেন।
সংশিস্নষ্টরা জানান, বিনিয়োগকারীদের এই মনোভাবের কারণেই এসইসির বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধানত্মগুলো প্রচারের পরও বাজারে ব্যাপক হারে শেয়ারের দর কমতে থাকে। বেলা দেড়টা পর্যনত্ম লেনদেন হওয়া ২৩৯টি কোম্পানির মধ্যে ২৩৬টিরই দর কমে যায়। এ সময় ডিএসই সাধারণ সূচক কমে ৫২২ পয়েন্ট। এর পর আধাঘণ্টার মধ্যে বাজার কিছুটা উর্ধমুখী হওয়ায় সূচক প্রায় ২০০ পয়েন্ট বেড়ে আগের দিনের চেয়ে ৩০০ পয়েন্টের মতো নিচে অবস্থান করে। তবে এর পর আবারও ব্যাপক হারে দর কমতে থাকে। দিনের শেষ পর্যনত্ম এ ধারা অব্যাহত থাকায় লেনদেন হওয়া ২৪৪টি কোম্পানির মধ্যে ২৪১টির শেয়ারের দরই কমে গেছে। এর ফলে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে ৬০০.১৯ পয়েন্ট। অবশ্য সূচক কমলেও কয়েক দিনের নিম্নমুখী প্রবণতা কাটিয়ে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ৩৬১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বেড়েছে। সারাদিনে মোট ১০ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার ৮১১টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যার মোট মূল্য ১ হাজার ৩৩১ কোটি ২১ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।
মুদ্রাবাজারে অস্থিরতাসহ বিভিন্ন কারণে গত প্রায় এক মাস ধরে দেশের পুঁজিবাজারে মন্দা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নগদ টাকার সঙ্কট থাকায় একদিকে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছে না। একই কারণে এসইসি মার্জিন ঋণ সুবিধা বাড়ালেও টাকার অভাবে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো বর্ধিত হারে ঋণ দিতে পারছে না। সব মিলিয়ে শেয়ারবাজারে বড় রকমের তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় রকমের উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের মনোবল ধরে রাখতে না পারলে পুঁজিবাজার দীর্ঘস্থায়ী মন্দার কবলে পড়বে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
ডিএসইর সামনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত দরপতন কেন্দ্র করে বিনিয়োগকারীদের বিৰোভ ঠেকাতে রবিবার সকাল থেকেই ডিএসইর সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়। এ ছাড়া মতিঝিল এলাকায় জলকামান ও পুলিশভ্যান অপেৰমাণ রাখা হয়। সকাল থেকে দরপতনের মাত্রা ব্যাপক আকার ধারণ করলেও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে বিৰোভ করতে পারেননি। এর পরও দিনের বিভিন্ন সময়ে মধুমিতা ভবনের ওপর থেকে অনেক বিনিয়োগকারীকে ৰোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। দুপুরে র্যাব সদস্যরা পেশাগত দায়িত্ব পালনরত দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি মনজুর আহমেদকে আটক করে গাড়িতে বসিয়ে রাখে। এ সময় তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়া হয়। উপস্থিত সাংবাদিকরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানালেও তাদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করা হয়। রেকর্ড দরপতনের কারণে দিনের লেনদেন শেষে বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউস থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে ব্যাপক ৰোভ প্রকাশ করেন। এ সময় পুলিশ মামুন নামে এক বিনিয়োগকারীকে আটক করে। এর ফলে পুরো এলাকায় চরম ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিনিয়োগকারীরা বিৰোভ মিছিল ও সমাবেশে করেছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে রাজশাহী থেকে স্টাফ রিপোর্টার জানান, শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও সমাবেশ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। এ সময় তারা রাজশাহীর ১০টি ব্রোকারেজ হাউজে তালা ঝুলিয়ে দেন। এর পর থেকে রাজশাহীতে শেয়ারবাজারে কেনাবেচা বন্ধ রয়েছে।
রবিবার দুপুরে দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীরা নগরীর ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে বেচাকেনা বন্ধ করে দিয়ে রাসত্মায় নেমে আসেন। নগরীর সাহেববাজার এলাকার আইসিবি (ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) কার্যালয়ের সামনে থেকে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলশেষে আইসিবি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা সমাবেশে মিলিত হন।
বগুড়া থেকে স্টাফ রিপোর্টার জানান, ব্যাপক দরপতনের কারণে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা দুপুরের দিকে লেনদেন বন্ধ রেখে রাসত্মায় নেমে বিৰোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। তারা শহরের বড়গোলা এলাকায় কিছুৰণের জন্য সড়ক অবরোধ করে রাখেন।
যশোর অফিস থেকে স্টাফ রিপোর্টার জানান, বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন, আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন তাদের পোর্টফোলিওতে। তারা বাংলাদেশ ব্যাংক গবর্নর ও এসইসি কর্মকর্তাদের নামে নানা সেস্নাগান দিতে থাকেন। এ সময় যশোরের ব্যসত্মতম এমকে রোডে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 2:25 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতেও শেয়ারের দর অতিমূল্যায়িত হচ্ছে
আরও সংস্কার চান বাজার সংশ্লিষ্টরা
The Daily Janakantha
10.01.2011
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর করেও শেয়ারের অতি মূল্যায়ন ঠেকানো যাচ্ছে না। সংশিস্নষ্ট বিধি-বিধানের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে কারসাজির মাধ্যমে অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ করে শেয়ারবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহের পথ তৈরি করছে কোম্পানিগুলো। কোন রকম প্রশ্ন ছাড়াই মৌলভিত্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন দর অনুমোদন করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রয়োগের ৰেত্রে এ ধারা অব্যাহত থাকলে বড় কোম্পানির উদ্যোক্তারা অযৌক্তিকভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে নেয়ার সুযোগ পাবে। অন্যদিকে অতি মূল্যায়িত শেয়ার সংখ্যা বেড়ে গেলে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হবে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক আগে থেকেই সফলভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। দেশের পুঁজিবাজারে এই পদ্ধতি চালু করার জন্য গত বছরের ৯ মার্চ বিধিমালা জারি করে এসইসি। প্রচলিত পদ্ধতির নির্ধারিত মূল্যের (ফিঙ্ড প্রাইস) পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণের লৰ্যে ২০০৬ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চালুর হলেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি না থাকায় এটি প্রয়োগ করতে সময় লেগেছে এক বছর। ২০১০ সালের মার্চে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু হয়।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির মাধ্যমে একপক্ষ লাভবান হচ্ছে। একইসঙ্গে সিন্ডিকেট করে কোম্পানির মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। এই পদ্ধতির অংশ হিসেবে দর প্রস্তাবের (বিডিং) মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার (লক ইন) মেয়াদ খুবই কম হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বেশি দরে শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই শেয়ারের দর কমে যায়। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।
বিশেস্নষকদের মতে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এ পর্যন্ত অনুমোদন পাওয়া সব কোম্পানিই লেনদেন শুরুর আগে থেকেই অতি মূল্যায়িত হয়েছে। অতি মূল্যায়িত হিসেবে এসইসি বর্তমানে কোন শেয়ারের বাজার মূল্য ও আয়ের অনুপাত ৪০-এর বেশি হলে মার্জিন ঋণ দেয়া নিষিদ্ধ করে রেখেছে। অথচ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসা সব কোম্পানিই পিই অনুপাত ৪০-এর উপরে থেকে লেনদেন শুরম্ন করে। এই পদ্ধতি প্রথম মূল্য নির্ধারণ হয় ওশন কন্টেইনারের। ২০০৯ সালে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয় ১৪৫ টাকা। ফলে লেনদেন শুরম্নর আগেই প্রতিটি শেয়ারের দর এর প্রকৃত আয়ের তুলনায় ৬০ গুণ বেশি নির্ধারিত হয়। আরএকে সিরামিকের ইপিএস ছিল ১ টাকা ৯ পয়সা। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করে কোম্পানিটির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৪৮ টাকা। শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরম্নর আগেই কোম্পানিটির পিই অনুপাত দাঁড়ায় ৪৪। খুলনা পাওয়ারের ইপিএস ছিল ২ টাকা ৭৯ পয়সা। এই কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয় ১৯৪ টাকা। ফলে লেনদেনের শুরম্নতেই খুলনা পাওয়ারের শেয়ারের পিই দাঁড়ায় ৬৯। বর্তমানে বাজারে আসার প্রক্রিয়ায় থাকা মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়াচ্ছে ৬২। সর্বশেষ অনুমোদন পাওয়া ইউনিক হোটেলস এ্যান্ড রিসোর্টসের ইপিএস ৪ টাকা ৮০ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ধরা হয়েছে ১৮৫ টাকা। ফলে চূড়ানত্ম মূল্য নির্ধারণের আগেই ইউনিকের পিই দাঁড়াচ্ছে ৩৮.৫০।
সংশিস্নষ্ট বিধি-বিধান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতির ৰেত্রে কোন কোম্পানির শেয়ারের দর মৌলভিত্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন হলে এসইসি তা কাটছাঁট করতে পারে। কিন্তু বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্টভাবে সেই সুযোগ নেই। আইনের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সংশিস্নষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর কোন রকম প্রশ্ন ছাড়াই তা অনুমোদন করে দিচ্ছে এসইসি।
মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত একাধিক সূত্র জানায়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের ৰেত্রেই কোম্পানিগুলো কারসাজির সুযোগ নিচ্ছে। বিধি অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রসত্মাব প্রক্রিয়ার আগে কোম্পানির শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করতে হয়। নিজেদের পছন্দ মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে অতিরিক্ত নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য থাকছে প্রাতিষ্ঠানিক দরপ্রসত্মাবে শেয়ার পাওয়ার নিশ্চয়তা। পরবর্তীতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রসত্মাবের ভিত্তিতে নির্দেশক মূল্যের ২০ শতাংশ কম বা বেশি দরে চূড়ানত্ম মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এৰেত্রেও সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখে পূর্ব নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানগুলো। এজন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে আইপিওর বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে আরও সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন পুঁঁজিবাজার সংশিস্নষ্টরা। তারা নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা ও পেশাগত সক্ষমতা যাচাইয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্পষ্ট নির্দেশনা কামনা করেন।
জানা গেছে, মূল্য নির্ধারণে সমঝোতা ও কারসাজির বিষয়টি স্পষ্ট হলেও এ নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলছে না এসইসি। অথচ বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশিস্নষ্ট বিধিতেই এসইসিকে এই সুযোগ দেয়া হয়েছে। এসইসি (ক্যাপিটাল ইসু্য) আইন, ২০০৬ এর ১৯এ ধারায় বলা হয়েছে, 'এই বিধি নিয়ে কোন ধরনের সন্দেহ বা মতভিন্নতা তৈরি হলে এসইসির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।' অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ হলে করণীয় সম্পর্কে আইনে স্পষ্ট কিছু উলেস্নখ না থাকায় ১৯এ ধারা কাজে লাগিয়ে এসইসি প্রয়োজনীয় পদৰেপ নিতে পারে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 2:58 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | মার্জিন ঋণসীমা আবারও বাড়লো, কাল থেকে লেনদেন
ঢাকা, ১০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
পুঁজিবাজারে ধস ঠেকাতে মার্জিন ঋণের সীমা আবারও বাড়ানো হয়েছে। শেয়ারক্রয়ে মার্জিন ঋণের সীমা আগের ১:১.৫ পরিবর্তে ১:২ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সোমবার এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারে আজ আর লেনদেন হচ্ছে না। আগামীকাল মঙ্গলবার লেনদেন শুরু হবে। এসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব কোম্পানি স্টক মার্কেটে (নগদ টাকায় কেনা বেচা) রয়েছে সেসব কোম্পানি আগামীকাল থেকে মূল মার্কেটে কেনাবেচা করতে পারবে।
এদিকে পুঁজিবাজার নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের দুটি সিদ্ধান্ত এসইসিকে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে শিল্পখাতে ঋণ নিয়ে যারা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে সেই ঋণ ৩০ জানুয়ারির মধ্যে সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে একক গ্রহীতার জন্য ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধনের ১৫ শতাংশ ঋণ নিতে পারবেন। তবে এটা শুধু মার্চেন্ট ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এ ঋণের হার আগে ছিল সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ এমএইচ/ ১৪.১৫ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 3:01 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে সর্বোচ্চ ধস: লেনদেন বন্ধ, রাজধানী জুড়ে বিক্ষোভ
ঢাকা, ১০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনের প্রতিবাদে মতিঝিল, দিলখুশার রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার বিনিয়োগকারী। পুলিশের বাধার মুখে প্রথমে খণ্ড খণ্ড মিছিল হলেও দুপুরের দিকে বিনিয়োগকারীরা মতিঝিল, দিলখুশা, দৈনিক বাংলার মোড়, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম এলাকায় সংগঠিত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে বিনিয়োগকারীরা। তারা অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং এসইসি ও ডিএসইর বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়। পুলিশ দফায় দফায় লাঠিপেটা করে বিনিয়োগকারীদের রাস্তা থেকে হটিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা ইট-পাটকেল ছুড়ে জবাব দেয়। দু'পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে দফায় দফায়। এসময় পুলিশের লাঠিপেটায় শীর্ষ নিউজ ডটকমের এইচএম মর্তুজা, প্রথম আলোর রিপোর্টার আবদুল্লাহ হিল ওয়ারিশ এবং দৈনিক পুঁজিবাজারের রিপোর্টার মামুনসহ অনেক বিনিয়োগকারী আহত হন। বেশ ক'টি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে এসময়। এতে পুরো মতিঝিল ও আশপাশের এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় ওইসব সড়কে যানবাহন চলাচল। দুপুরের দিকে দৈনিক বাংলার মোড় ও দিলখুশায় জীবনবীমা টাওয়ারের সামনে টায়ার ও গাছের গুড়ি এনে আগুন ধরিয়ে দেয় ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। পুঁজিবাজারে দরপতনে মিরপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে সকালে ডিএসইতে ব্যাপক দরপতনে শেয়ার লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়। দিনের লেনদেন শুরু হওয়ার ৫০ মিনিটের মাথায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি লেনদেন বন্ধের এ ঘোষণা দেয়। সকালে পতন দিয়ে শুরু হয় লেনদেন। লেনদেন বন্ধের আগ পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৬৬০ পয়েন্ট পড়ে যায়। এটি পুঁজিবাজারে ইতিহাসে দরপতনের নতুন রেকর্ড। রোববার শেয়ার বাজারে সূচক পড়ে যায় ৬০০ পয়েন্ট। সোমবার লেনদেন বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত দাম বাড়ে মাত্র ৪টি কোম্পানির। কমে ২১৯টি কোম্পানির। চলতি বছর শুরু থেকে টানা দরপতনের মধ্যে রয়েছে পুঁজিবাজার।
বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ ঠেকাতে সকাল থেকে ডিএসই ও এর আশপাশের এলাকায় বিপুল র্যাব-পুলিশ অবস্থান নেয়। ইত্তেফাক মোড় থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনি গড়ে তোলা হয়।
এদিকে শেয়ারের দরপতনে চট্টগ্রামেও বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা। দুপুরের দিকে সিএসই ভবনের সামনে অবস্থান নেয় হাজার হাজার বিনিয়োগকারী। এতে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিপুল র্যাব-পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ এমএইচ/ ১৩.৫০ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 3:15 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Worlds greatest “Share market” disaster
Monday, 10 January 2011
Source: http://www.outlookbd.com/outlookbd/content/view/6010/9/
Today the market crashed again another 660 points in one hour of trading and the general index came to 6400 points. OutlookBD.com predicted this fall way before anyone in the Bangladeshi media. In a previous article it was mentioned that the market was supposed to fall to a record 30 percent loss to 6500 from the highest 8900 points.
The market is currently halted in trading as SEC could not prevent the heavy sale of securities. SEC has not yet put a press release regarding this matter. Finance minister and ACC chairman lead people to panic, such responsible person said this market should be like that and falling is usual. So small traders got panic and they started to sale there stocks leads the market to greatest disaster in the world share market history. There are no such share market in the world that falls 30% in one month, not even in the recession it happened. ACC failed to come up with any regulation to prevent the market for such situation, they halted the market from trading.
Last Updated ( Monday, 10 January 2011 ) |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 6:53 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | BBC NEWS
10 January 2011 Last updated at 12:13 GMT
Bangladesh stock market fall: Clashes hit Dhaka
Bangladeshi police have used tear gas and water cannon against angry investors after the stock market incurred huge losses.
Trading on the Dhaka Stock Exchange index was halted after it fell by 660 points, or 9.25%, in less than an hour.
It was the biggest one-day fall in its 55-year history.
It is estimated that over three million people - many of them small-scale individual investors - have lost money because of the plunging share prices.
The benchmark index had climbed by 80% in 2010 but has lost more than 27% since early December.
Investors and police also clashed last month.
Monday's protest followed losses of about 6.7% in Sunday trading.
Trading was also halted on the country's other main index, the Chittagong Stock Exchange.
Rumours and panic
Police say that they are now firmly in control of Dhaka's business district and have closed roads leading to the stock exchange.
Earlier, officers baton-charged about 5,000 investors to clear them from the area.
Investors vandalise a car near the Dhaka Stock Exchange on 10 January 2011 Investors were not pleased to find that shares can go down as well as up
They had gathered to protest against the closing of the exchange after the record fall. Vehicles were vandalised and bonfires were lit at traffic intersections.
"They started vandalising government property, which forced us to use batons against them," police inspector Azizul Haq told the AFP news agency.
One of the protesters, Mukul Ahmed, said he had lost $3,000 (£1,932) in the market over the last three weeks.
There was also violence in the port city of Chittagong - which has its own exchange.
The government regulator, the Securities and Exchange Commission, held an emergency meeting on Monday with merchant bankers and institutional stockbrokers to discuss saving the market from further falls.
The rising value of the stocks in recent years has attracted millions of investors in Bangladesh.
Shares have become a popular investment for ordinary people, often providing higher returns than bank deposits and savings.
The BBC's Mark Dummett says that Bangladesh might be one of Asia's poorest countries, but its two stock markets have soared in recent years on the rising value of its mobile telephone companies and other firms.
But over the past few weeks more and more investors have been selling up, amid rumours that large institutional investors had pulled their money out after making large profits.
In recent weeks, regulators have taken measures to limit the proportion of deposits that banks can invest into the stock market - after concerns that shares were over-valued.
This move forced big institutional investors to withdraw from the market, triggering panic among individual investors.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 6:56 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | AL-JAJEERA
Last Modified: 10 Jan 2011 11:24 GMT
Clash in Bangladesh as stocks dive
Police fire tear gas as thousands rally in capital, Dhaka, to vent their anger at record 9.25 per cent plunge in stocks.
Trading has been halted at Bangladesh's main stock exchange amid protests over the largest single day loss in the bourse's 55-year history.
The exchange halted trading on Monday as per orders from the Securities and Exchange Commission after the benchmark index plunged 9.25 per cent within the first hour of trading.
Buses of riot police were deployed to the stock exchange building in the capital Dhaka where protesters chanted slogans against the government and market regulators.
Some protesters burned vehicles as riot police struggled to keep control, firing tear gas and charging the crowd with batons.
Al Jazeera's Nicolas Haque, reporting from the capital, said: "Because Bangladesh's stock market is largely driven by individual retail investors, many investors have lost their savings."
Monirul Islam, an investor attending the protests, told the AFP news agency: "I lost $70,000 dollars. This is insane - my whole savings are gone."
"I poured all my money into the Dhaka stock exchange," Humayum Kabir, another Bangladeshi investor, said.
"The finance minister lured us into the stock market, he told us it was safe, but now we have lost everything. They artificially jacked up the prices of junk shares and now our savings have vanished," Kabir said.
Necessary correction
The country's stock exchange hit a record high of 8,918.51 on December 5, but it has so far lost 27.4 per cent, which many experts have called a necessary correction.
Tanvir Chowdhury, the editor of the online journal News from Bangladesh, told Al Jazeera: "One of the factors that could explain these dramatic losses is how the market has widened but the number of the shares does not match the expectations of the people waiting to buy. There is also a lot of speculation from investors who do not understand the stock market.
"Small time entrepreneurs who have little money to invest think they'll get a quick return out of the market by buying stocks without realising the real face value of the stock versus the performance of the companies they are buying from, but it doesn't work like that," Chowdhury said.
Prices of shares have suffered a series of slides since early December after the stock regulator and the central bank took measures to cool the market, prompting some street protests.
The central bank had raised banks' cash requirement ratio from 5.5 per cent to 6 per cent, effective December 15, to rein in on inflation and to curb runaway credit flow, especially to the volatile capital markets.
Call money market rates also hit a record high last month. Some banks have invested 75 per cent of their deposits in the stock market against a ceiling of 10 per cent and had been told to get back under the limit by December 30.
This deadline has now been extended to January 15. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 6:58 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | মার্জিন লোন ১:২, নেটিং সুবিধা
Mon, Jan 10th, 2011 4:24 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-
রেকর্ড দরপতনের পর মার্জিন লোনের অনুপাত বাড়িয়ে ১:২ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার বলেন, "মার্জিন লোনের অনুপাত ১:২ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতদিন এই হার ছিল ১:১.৫।
"স্পট মার্কেট থাকা ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে মূল মার্কেটে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সব প্রতিষ্ঠান নেটিং সুবিধা পাবে।"
"এছাড়া এতদিন মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো পরিশোধিত মুলধনের ৫গুন পর্যন্ত আন্ডাররাইটিং সুবিধা পেত। এখন থেকে তারা কোন হিসাব ছাড়াই এই সুবিধা পাবে।"
জিয়াউল হক বলেন, "বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয়ের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্যে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
শেয়ার বাজারে ব্যাপক দরপতন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "বাজারে তারল্য ধসের কারণে এটি ঘটে থাকতে পারে।"
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ ও মার্চেন্ট ব্যাংকিং এসোসিয়েশনের নেতারা।
বৈঠক চলার সময় এসইসি কার্যালয় জীবন বীমা টাওয়ারের সামনের রাস্তায় বিপুল বিনিয়োগকারী রাস্তায় বসে ছিলেন।
বছরের শুরু থেকেই পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতন শুরু হয়। সোমবার বাজারে রেকর্ড দরপতনের পর দেশের দুই পুঁজিবাজারে লেনদেন স্থগিত করা হয়।
দরপতনে ক্ষুদ্ধ বিনিয়োগকারীরা মতিঝিল, দিলখুশা, মিরপুর, ফার্মগেটে ব্যাপক বিক্ষোভ ও মিছিল করেন। র্যাব ও পুলিশের বেপরোয়া লাঠিচার্জে সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ১৫জন আহত হয়েছেন। দুপুরে মতিঝিল ও মিরপুর এলাকায় সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
চট্টগ্রাম ও বগুড়াতেও বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এসআইএম/কেটি/এসআইটি/কেএমএস/১৬৩৫ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 7:36 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
দরপতন ঠেকাতে মার্জিন ঋণের সীমা ১:২
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১০-০১-২০১১
Prothom Alo
পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে মার্জিন ঋণের সীমা ১:১.৫ থেকে বাড়িয়ে ১:২ করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ সোমবার এক জরুরি বৈঠকে এসইসি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
একই সঙ্গে আজকের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, স্পট মার্কেটে থাকা ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে সাধারণ মার্কেটে স্থানান্তর করার। এ ছাড়া ৩০ জানুয়ারির মধ্যে শিল্পঋণের টাকা সমন্বয় করার বাংলাদেশ ব্যাংকের যে সিদ্ধান্ত ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে।
আজ ব্যাপক দরপতনের ফলে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে দেশের দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর জরুরি বৈঠকে বসে এসইসি।
বৈঠক শেষে বিকেল সাড়ে তিনটায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি জানান, এসব সিদ্ধান্ত শেয়ারবাজারে আগামীকাল থেকে কার্যকর হবে। এসব সিদ্ধান্ত বাজারে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সকালে বন্ধ হয়ে যাওয়া লেনদেন কাল মঙ্গলবার যথারীতি চালু হবে বলেও তিনি জানান।
এসইসির চেয়ারম্যান বলেন, এখন থেকে বিনিয়োগকারীরা নন মার্জিনেবল শেয়ারের ক্ষেত্রে নিটিং সুবিধা পাবেন।
এই বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী, সিএসইর প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ এবং মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 10:28 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বিনিয়োগের টাকা না তুলতে ব্যাংকগুলোকে অনুরোধ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
ঢাকা, ১০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজার থেকে বিনিয়োগের টাকা তুলে না নিতে ব্যাংকগুলোকে অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্পর্কে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে তা দুঃখজনক। সঙ্কট উত্তোরণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। সেমাবার বিকেলে বাংলাশে ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
নজরুল হুদা বলেন, শেয়ার বাজারের পরিস্থির জন্য বাংলাদেশ দায়ী নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করেনা। এটা নিয়ন্ত্রণ করে সিকিউরিটিজ এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসিসি)। বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করে মানি মার্কেট বা অর্থবাজার। তিনি বলেন, বাজারে তারল্য ঘাটতি নিয়েও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তবে বাজারে কোনো ধরনের তারল্য বা নগদ টাকার ঘাটতি নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থবাজারে প্রচুর পরিমাণ নগদ টাকার সহায়তা দিচ্ছে।
নজরুল বলেন, অনেকে ব্যাংকগুলোর নগদ জমা সংরক্ষণ (সিআরআর) বাড়ানোর ফলে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে পরিমাণ তারল্য বাজার থেকে তুলে এনেছে তার তিনগুণ নগদ টাকা ব্যাংকগুলোকে দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ব্যাংকগুলোকে আলাদা সাবসিডি কোম্পানি করার জন্য যে সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল তা নমনীয় করা হয়েছে। এছাড়া তিনি বলেন, একক ঋণগ্রহীতার সীমা ১৫ শতাংশই রাখা হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকগুলো তাদের মোট দায়ের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে না পারায় যে সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল তাও কেস কেস ভিত্তিতে শিথিল করা হবে। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর শিল্পখাতে ঋণ সমন্বয়ের জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যে সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল সেটিও শিথিল করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও সময়টি কেস কেস ভিত্তিতে শিথিল করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকি বলেন, ব্যাংকগুলোর বেশ কিছু নগদ টাকা অলসভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পড়ে আছে। একটা পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বলেন, গত ৫ জানুয়ারি ব্যাংকগুলোর এ ধরনের পড়ে থাকা টাকার পরিমাণ ছিল ৩শ ১১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, ৬ জানুয়ারি ছিল ৪শ ৬১ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং সর্বশেষ ৯ জানুয়ারি এর পরিমাণ ছিল ৯শ ১৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান এসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি), প্রাইমারি ডিলার এসোসিয়েশন এবং রাষ্ট্রয়ত্ব ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে এবিবি'র সভাপতি কে মাহমুদ সাত্তার বাংলাদেশ ব্যাংকের সেমিনার কক্ষে সাংবাদিকদের বলেন, বাজারে নগদ টাকার কোনো ঘাটতি নেই। তবে ব্যাংকগুলোর আমানতের চেয়ে ঋণ প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেশি হওয়ায় কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। এখন শেয়ার বাজারে সে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। খুব দ্রুত এ সমস্যা দূর হয়ে যাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসএইচ/ এএএ/ এসসি/২০.১৪ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:53 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ার বাজার বন্ধ
৫০ মিনিটের মধ্যে সূচক কমে ৬৬০ পয়েন্ট
রাজধানীসহ সারাদেশে বিক্ষোভ সংঘর্ষ
আজ আবার লেনদেন শুরু
০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
11.01.2011
শেয়ারবাজারে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় দরপতনে গতকাল উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা রাজধানী। রাজধানীর বাইরেও চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেছেন। গতকাল সোমবার লেনদেন শুরু হওয়ার ৫০ মিনিটের মধ্যে মূল্যসূচক পড়ে যায় ৬৬০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট, যা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দরপতন। এরপরই ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বন্ধ করে দেয় এসইসি । এর আগের দিন রবিবার মূল্যসূচক পড়েছিল ৬০০ পয়েন্ট। গতকাল লেনদেন বন্ধ হওয়ার পর ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসেন। রাজধানীর মতিঝিল, দৈনিক বাংলা মোড়, ফার্মগেট, গুলশান, উত্তরা ও মিরপুরে ব্যাপক বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা পুরো মতিঝিল এলাকায় রাস্তায় অবস্থান নেন। শত শত বিক্ষোভকারী ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে জীবন বীমা ভবনের কাঁচ ভাংচুর করেছেন। এ সময় কয়েকটি গাড়িও ভাংচুর করা হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কার্যালয় জীবন বীমা ভবনে অবস্থিত।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গতকাল দুপুরে এসইসি জরুরি বৈঠকে বসে। বিকালে বৈঠকের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে গণমাধ্যমের কাছে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের দরপতন ঠেকাতে কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুই পুঁজিবাজারে লেনদেন আবার শুরু হবে এবং সোমবারের ৫০ মিনিটের লেনদেন নিষ্পত্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি। এছাড়া মার্জিন লোন ১:২ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগে যা ছিল ১:১.৫। স্পট মার্কেটে থাকা ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে মূল মার্কেটে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। এখন থেকে সব প্রতিষ্ঠান নেটিং সুবিধা পাবে। এছাড়া এতদিন মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো পরিশোধিত মূলধনের ৫ গুণ পর্যন্ত আন্ডাররাইটিং সুবিধা পেত। এখন থেকে তারা কোন হিসাব ছাড়াই এই সুবিধা পাবে বলে জানান জিয়াউল হক। গতকাল লেনদেন বন্ধ হওয়ার পর বেলা ১২টার কিছু আগে জীবন বীমা মোড়, টিকাটুলি মোড়, মতিঝিল_ফকিরাপুল সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় কাগজ_কাঠ জড়ো করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। পুরো মতিঝিল এলাকার রাস্তা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এ সময় মতিঝিল এলাকায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা বেশ কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করে। এরপরই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় জীবন বীমা ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় চার সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন পুলিশের লাঠিপেটায় আহত হন। আহত সাংবাদিকরা হলেন, আমাদের অর্থনীতির রিপোর্টার মাসুদ, এবিসি রেডিও'র সীমা ভৌমিক, শীর্ষ নিউজের এইচ এম মর্তুজা ও প্রথম আলোর আবদুলস্নাহ হিল ওয়ারিশ। এদের মধ্যে মাসুদের অবস্থা গুরুতর। তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে থাকায় তাদের না চেনার কারণে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এর জন্য তারা দুঃখিত।
বেলা একটার দিকে এসইসি জরুরি বৈঠকে বসে। এ সময় রাস্তায় বিনিয়োগকারীদের সরকারবিরোধী শেস্নাগান, রাস্তায় কাগজ-কাঠ জড়ো করে তাতে অগি্নসংযোগ ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় মতিঝিল এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশ গাড়িতে মাইক লাগিয়ে সবাইকে রাস্তা ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করে। দৈনিক বাংলা মোড়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনের শ্রমিকদের সরিয়ে দিয়ে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। বিক্ষোভকারীদের দাবি পুলিশ ভবনের মধ্যে ঢুকেও লাঠিপেটা করেছে। ফার্মগেট, উত্তরা ও মিরপুরে বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। তারা সরকারবিরোধী শেস্নাগান দেন। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জের (এসইসি) সামনে এবং বায়তুল মোকাররমের গেট, টিকাটুলি থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত এলাকায় হরতালের মতো অবস্থা বিরাজ করে। এসব এলাকায় বেশক'টি গাড়ি ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিনিয়োগকারীরা ওই এলাকার বিভিন্ন ভবনের ছাদে অবস্থান নেন। এ সময় কেউ কেউ ছাদ থেকে হাতে লেখা লিফলেটও ফেলেন। বিক্ষোভকারীরা অর্থমন্ত্রী, এসইসি, ডিএসই, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ চেয়েছেন।
বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা মিরপুর ১ নম্বর গোল চত্বর ও ১০ নম্বর গোল চত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করায় ওই এলাকা অচল হয়ে পড়ে। ১ থেকে ১০ নম্বর পর্যন্ত সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় রোকেয়া সরণি ও টেকনিক্যাল_মিরপুর সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এছাড়া উত্তরা, ফার্মগেইট এলাকায়ও বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা।
মার্জিন ঋণের সীমা বাড়লো
রেকর্ড দরপতনের পর মার্জিন লোনের অনুপাত বাড়িয়ে ১:২ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) জরুরি বৈঠকশেষে সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার বলেন, এখন থেকে মার্জিন লোনের অনুপাত ১:২ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতদিন এই হার ছিল ১:১.৫। এছাড়া স্পট মার্কেট থেকে ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে মূল মার্কেটে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। এখন থেকে সব প্রতিষ্ঠান নেটিং সুবিধা পাবে।
জিয়াউল হক বলেন, এতদিন মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো পরিশোধিত মূলধনের ৫ গুণ পর্যন্ত আন্ডাররাইটিং সুবিধা পেত। এখন থেকে তারা কোন হিসাব ছাড়াই এই সুবিধা পাবেন। বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয়ের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের দরপতনে এসইসি দায়ী নয় বলে দাবি করে তিনি বলেন, বাজারে তারল্য সংকটই শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতনের জন্য দায়ী।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডিএসই'র সভাপতি শাকিল রিজভী, সিএসইর সভাপতি ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ ও মার্চেন্ট ব্যাংকিং এসোসিয়েশনের নেতারা।
এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার জানান, অস্বাভাবিক দরপতনের প্রেক্ষিতে শেয়ারবাজারে লেনদেন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। মাত্র ৫০ মিনিটে সূচক ৬৬০ পয়েন্ট পড়ে যাওয়ার পর বিনিয়োগকারীদের স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা টিকিয়ে রাখতে হবে। আগামীদিন থেকে বাজার স্বাভাবিক ও সঙ্গতির মধ্যে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এর আগে ব্যাংক প্রধানদের সংগঠন এবিবি'র প্রধান ও সিটি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে মাহমুদ সাত্তার, সোনালী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির এবং প্রাইমারি ডিলার এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট্র ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিস এ খানের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন কেন্দ ীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এসময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তিন ডেপুটি গভর্নর উপস্থিত ছিলেন।
'ব্যাংকিং খাতকে শেয়ার কিনতে হবে'
ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা শেয়ারবাজার পরিস্থিতির উন্নয়নে ব্যাংকিং খাতকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে শেয়ার বাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব ব্যাংক একক ঋণ গ্রহীতার ঋণ সীমা অতিক্রম করেছে তাদের ক্ষেত্রে কেন্দ ীয় ব্যাংকের অবস্থান শিথিল করেছে। তবে শেয়ার বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপরে যে অপবাদ দেয়া হচ্ছে তা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি। শেয়ার বাজারে এ পরিস্থিতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক দায়ী নয় বলেও তিনি জানান।
নজরুল হুদা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করে মুদ্রাবাজার ও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করে এসইসি। বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে এবং দেশের সার্বিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। পরিস্থিতির উন্নয়নে ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কেনার জন্য বলা হয়েছে। তিনি বলেন, শেয়ার বাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব ব্যাংক একক ঋণ গ্রহীতার ঋণ সীমা অতিক্রম করেছে তাদের ক্ষেত্রে এবং শিল্পখাতের ঋণ শেয়ার বাজারে চলে যাওয়ার তথ্য তলবের ক্ষেত্রে কেন্দ ীয় ব্যাংক নমনীয় থাকবে।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে দায়ী করা হচ্ছে। বিভিন্ন মহল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে জড়ানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এক বছর আগে পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ ীয় ব্যাংক থেকে বলা হলে তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ভিলেন বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাজারে তারল্য ঘাটতি নিয়েও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। বাজারে কোন ধরনের তারল্য বা নগদ টাকার ঘাটতি নেই।
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ দরকার
বৈঠক শেষে এবিবি প্রেসিডেন্ট কে মাহমুদ সাত্তার সাংবাদিকদের বলেন, পুঁজিবাজার ও মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য দুইটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা। এক্ষেত্রে বাজারে তারল্যের ঘাটতি দেখা দিলে কেন্দ ীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় যোগান দিচ্ছে। বিদ্যমান পুঁজিবাজার পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনভাবে হস্তক্ষেপ করছে না। পুঁজিবাজারে দরপতনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক দায়ী নয়।
মাহমুদ সাত্তার বলেন, সিআরআর বাড়ানোর ফলে শেয়ার বাজারে ধস নেমেছে, তা ঠিক না। সিআরআর বাড়ানো মুদ্রানীতির একটি হাতিয়ার। সিআরআর বাড়ানোর ফলে ব্যাংক থেকে ২ হাজার কোটি টাকা তুলে দেয়া হয়েছে। এর বিপরীতে বাজারে টাকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে গত তিনদিনে ২০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। সোমবার দেয়া হয়েছে ৭ হাজার ১শ' কোটি টাকা। মঙ্গলবার ২শ' টাকার একটি সরকারি বন্ড তুলে নেয়ার কথা থাকলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা পিছিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাত ও আমানতকারীদের রক্ষা করে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের কাজ করছে। শেয়ার বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ আসলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলেও তিনি জানান। ব্যাংকগুলো শেয়ার বাজার পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করবে বলে তিনি জানান।
সোনালী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী হুমায়ুন কবির এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট্র ব্যাংকের এমডি আনিস এ খান পুঁজিবাজার পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা বলেন।
চট্টগ্রামে বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, শেয়ারবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে চট্টগ্রামেও গতকাল সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বিক্ষোভ করেছেন ক্ষুদে বিনিয়োগকারীরা। আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় চট্টগ্রাম শেয়ার বাজারের সামনের সড়ক ছাড়াও নগরীর চাক্তাই, খাতুনগঞ্জসহ ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। এসময় তারা অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে তার বিরুদ্ধে শেস্নাগান দেন। পরে একদল বিনিয়োগকারী তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা চেয়ে চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে একটি স্মারকলিপি পেশ করেন।
সকালে দরপতন শুরু হলে প্রথমে আগ্রাবাদ এলাকায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিনিয়োগকারীরা। পরে অন্য এলাকায়ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভ চলাকালে আগ্রাবাদ এলাকায় বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় কিছুক্ষণের জন্য ব্যারিকেড দেন। এতে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। সকাল থেকে সেখানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। ক্ষুদ্ধ বিনিয়োগকারীরা যানবাহন ভাংচুরের চেষ্টা করলেও পুলিশি বাধারমুখে তারা পিছু হটে। নগর পুলিশের বিশেষ শাখার সহকারী কমিশনার সৈয়দ মেজবাউদ্দিন ইত্তেফাককে জানান, বিক্ষোভ করলেও বিনিয়োগকারীরা কোথাও কোন ভাংচুর করেনি। আগ্রাবাদে রাস্তায় ব্যারিকেড দেয়া হলেও পুলিশ তা সরিয়ে দেয়।
রাজশাহীতে দিনভর বিক্ষোভ
রাজশাহী অফিস জানায়, শেয়ার বাজারে ব্যাপক দরপতনের মুখে গতকাল সোমবারও শেয়ার লেনদেন বন্ধ রেখে নগরীতে দিনভর ব্যাপক বিক্ষোভ করেছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। বেলা ১২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তারা সাহেব বাজার এলাকায় দফায় দফায় বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের পদত্যাগ দাবি করা হয়। এর আগে তারা নগরীর ১০টি ব্রোকারেজ হাউসের সবগুলোতে তালা লাগিয়ে দেন। ভাংচুরের আশঙ্কায় আইসিবিসহ সবগুলো ব্রোকারেজ হাউসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
খুলনায় হরতালের হুমকি
খুলনা অফিস জানায়, শেয়ার বাজারের অব্যাহত দরপতনের ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন খুলনার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। গতকাল সোমবারও বিনিয়োগকারীরা ব্রোকার হাউজগুলোতে বিক্ষোভ করেন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা ব্রোকার হাউসের লেনদেন বন্ধ করে দিয়ে নগরীর শিববাড়ি ও সদর থানার মোড় থেকে মিছিল নিয়ে খুলনা প্রেসক্লাবে আসেন। এ সময় প্রেসক্লাব চত্বরে এক সমাবেশে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজারের অব্যাহত দরপতনের জন্য অর্থমন্ত্রী ড. আবুল মাল আব্দুল মুহিত ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমানের ব্যর্থতাকে দায়ী করে তাদের পদত্যাগ দাবি করেন। তারা বলেন, শেয়ার বাজারে নজিরবিহীন দরপতন বৃহৎ বিনিয়োগকারীদের চক্রান্ত। তাদের চক্রান্তের শিকার হয়ে সারাদেশের মত খুলনার পৌনে দুই লাখ বিনিয়োগকারীদের কোটি কোটি টাকা হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। তারা শেয়ার বাজারে দরপতন ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, অন্যথায় আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত খুলনায় হরতাল পালন করা হবে। বক্তৃতা করেন মেজবাউল ইসলাম রাজন, শফিকুল আলম তুহিন, আব্দুল ওয়াদুদ, কাজী দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
রংপুরে বিক্ষোভ
রংপুর সংবাদদাতা জানান, শেয়ার বাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে রংপুরের বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেছেন। দুপুরে তারা শহরের জাহাজ কোম্পানি মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উদয় চন্দ বর্মণ, দুলাল রায়, তানভীর আহমেদ। বক্তারা অবিলম্বে শেয়ার বাজার সংশোধনের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।
সিলেটে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
সিলেট অফিস জানায়, শেয়ার বাজারে ব্যাপক দরপতন ও লেনদেন বন্ধের প্রতিবাদে সিলেটে বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষুব্ধ শেয়ার ব্যবসায়ীরা নগরীর তালতলাস্থ বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। নগরীর মেন্দীবাগ এলাকায় বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করে সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ করে রাখেন। বিভিন্ন ব্রোকার হাউসসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ শুরু হলে তাৎক্ষণিকভাবে নগরীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পুলিশের ঘেরাওয়ের মধ্যে থেকে একাধিক স্থানে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ সমাবেশও করেন। তারা অবিলম্বে শেয়ার বাজারকে স্থিতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা জানান, শেয়ার বাজারে অতিমাত্রায় দরপতন হওয়ায় দুপুরে টাঙ্গাইলের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। শেয়ার বাজারে দরপতনে নতুন রেকর্ড হওয়ায় শেয়ার ব্যাবসায়ীরা টাঙ্গাইলের ব্রোকার হাউসগুলোর লেনদেন বন্ধ করে রাস্তায় নেমে আসেন। পরে শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণশেষে একই স |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:59 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | SEC halts trading at bourses as stocks plummet at record speed
Investors burst into protest in Dhaka, other districts
SEC halts trading at bourses as stocks plummet at record speed
FE Report
11.01.2011
Thousands of angry small investors staged demonstrations, fought pitched battle with police, vandalised motor vehicles and blocked traffic movement for about four hours in the business district of Motijheel and its adjoining areas in Dhaka Monday as stock prices plummeted at a record speed, surpassing the previous day's fall in just 50 minutes.
The general index of the Dhaka Stock Exchange (DSE), styled as DGEN, shed 660 points or 9.25 per cent between 11 am and 11.50 am when, on instruction from the Securities and Exchange Commission (SEC), the DSE authorities halted share transactions. The Chittagong Stock Exchange (CSE) which also witnessed similar fall in stock prices suspended trading at 11.50am. On Sunday last, the DGEN declined by 600 points.
Investors took to the streets in different areas of the Dhaka city, including Mirpur and Gulshan and in some other cities and towns, including Chittagong, Khulna, Barisal, Bogra, Rangpur, Kushtia and Comilla, protesting the continuous fall in stock prices for the last few days.
In Dhaka, police lobbed two teargas canisters, in a bid to disperse the agitating investors. At least nine persons, including four newsmen, were injured during the clash between the investors and the police.
The streets of Motijheel and Dilkusha scattered with brickbats and burning tires wore the look of battlefields. Vehicular movement remained suspended for more than four hours, leading to serious traffic jams in the adjoining roads, lanes and by-lanes.
Police also picked up two persons named Helal Uddin and Ismail Hossain. However, Ismail was freed later.
The trading at the bourses is expected to resume today (Tuesday).
The benchmark DSE general index has suffered a series of falls in the last three weeks. The benchmark index of DSE lost more than 1800 points in the last six trading sessions and was down by 27 per cent from its all-time high of 8918.51 points as on December 5, 2010.
The agitating investors chanted slogans against top bosses of the premier bourse and market regulator and demanded resignation of the central bank governor. They also chanted slogan against Finance Minister AMA Muhith.
The benchmark index had climbed by 80 per cent in 2010, but has lost more than 27 per cent since early December last year.
"Halting share trading following the fall in share prices is not the solution," said Professor Abu Ahmed, who teaches Economics at Dhaka University.
The big investors like banks and non-banking financial institutions will have to implement the SEC decision to save the market, he said.
Yawer Sayeed, managing director of AIMS Bangladesh said, "SEC should investigate whether any vested quarters or market manipulators were behind the recent free fall of stock prices."
He also said the SEC should review the over-priced IPOs or stocks with high price-earning (PE) ratio to help sustain the market over a long period. He felt that SEC needed to issue new licenses for opening merchant banks to increase the flow fresh fund into the market.
"Increasing the margin loan ratio is not also a solution at this moment, so SEC should give licenses to the new merchant banks to help increase fresh fund flow," said Sayeed, also chief executive officer of AIMS Bangladesh, an asset management company.
Sanjoy Baul, an investor of DSE said that the value of his portfolio has been reduced by half within the last six trading sessions.
"I came to the market with a hope but, in the last six trading sessions, half of my savings has been wiped off, said Sanjoy.
Another investor, Kamal said that he has also lost half of his investment in few sessions.
Our Correspondent adds: Angry investors in the port city clashed with the police within half an hour after the market regulator ordered shut down of transactions in the Chittagong Stock Exchange.
Several hundred investors took to the main street of the Sheikh Mujib Road in Agrabad leading to the seaport, airport and export processing zone on Monday noon demanding resignation of the finance minister, central bank governor and the SEC chairman.
Investors were also protesting at the brokerage houses in different parts of the city and in front of Chittagong Press Club, eyewitnesses said.
Severe traffic congestions ensued in the city following the investors' demonstrating.
At one stage there were incidents of chases and counter chases between the investors and the police, who later convinced the protesters to free the EPZ and Airport Road and submit their demands to the bourse authority.
Assistant commissioner of Chittagong Metropolitan Police (CMP) Double Mooring Zone SM Tanvir Arafat said the investors lay seize on the main thoroughfare at around 12.15 pm and the police tried to quell them from the road to ease traffic congestion.
At around 1.15 pm a group of protesters numbering around 15 met with chief executive officer of the CSE Dr. Abdullah Mamun and handed him a memorandum of 10 points that includes the demand of resignation of the BB Governor and the SEC chairman.
Other demands include suspension of all kinds of activities of all multilevel marketing (MLM) companies operating in the country including the UniPay2u and SpeakAsia.
Our Kushtia correspondent writes: A huge number angry investors brought out a procession in the town on Monday in the district and staged demonstration in front of BRB securities Limited, the brokerage house, protesting the continuous fall in stock prices for the five days. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 2:01 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন ॥ সারাদেশে বিক্ষোভ
০ সোমবার ১১.৪০-এর পর শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়
০ দরপতনের খবরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেক বিনিয়োগকারী
০ ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত ২৫
জনকণ্ঠ রিপোর্ট ॥
11.01.2011
শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতনে সোমবার সারাদেশে ব্যাপক বিৰোভ হয়েছে। দরপতনের খবরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিনিয়োগকারীরা। রাস্তা অবরোধ, ভাংচুর, অগি্নসংযোগ করে প্রতিবাদ জানান তাঁরা। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পুুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ার শেল নিক্ষেপ, ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, বিৰোভকারীদের ইটপাটকেলে ঢাকা ও কুমিলস্নায় আহত হয়েছেন সাংবাদিক পুলিশসহ ২৫ জন। নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে সড়ক অবরোধ করা হয়। সিলেটে বিৰোভকারীরা ভাংচুর করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ভবন। বিৰোভের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে পুলিশ আটক করলেও পরে তাঁদের অধিকাংশই ছেড়ে দেয়া হয়।
রাজধানীতে শত শত বিৰোভকারী মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকার রাস্তাঘাট অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিৰোভ করেন। সকাল থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকা অচল হয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় সবধরনের যানবাহন চলাচল। পুলিশের সঙ্গে বিৰোভকারীদের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিৰেপের ঘটনা ঘটে। ইটপাটকেলের আঘাতে সাংবাদিক, পুলিশ, বিৰোভকারী ও পথচারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বেলা ১১টার দিকে শেয়ারবাজারের দরপতনের খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকায়। এ সময় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে থাকা বিনিয়োগকারীরা বিৰোভ করতে থাকে। শত শত বিনিয়োগকারী জমায়েত হতে থাকেন শেয়ার বাজারের সামনে। বেলা ১২টার দিকে বিনিয়োগকারীরা মতিঝিল মূল রাস্তায় নেমে বিৰোভ প্রদর্শন করতে থাকেন। এ সময় পুরো এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অফিস আদালত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যে যার যার মতো নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভের মাত্রাও বাড়তে থাকে। মুহূর্তেই বিৰোভ ছড়িয়ে পড়ে পুরো মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকায়। বিৰোভকারীরা পল্টন মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। রাসত্মায় টায়ার কাগজ পুড়িয়ে বিৰোভ করতে থাকে। বিৰোভকারীরা দৈনিক বাংলা মোড়, পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোড, পুরনো ডিআইটি রোড, মতিঝিল শাপলা চত্বর, ইত্তেফাক মোড়, টিকাটুলী, রাজধানীর সুপার মার্কেটের সামনের রাসত্মা, যাত্রাবাড়ী, নটরডেম কলেজের সামনের রাসত্মা, রাজউকের সামনের রাসত্মাসহ পুরো এলাকার রাসত্মাঘাট বন্ধ করে দেন। এতে পথচারীরা পড়ে মহাবিপাকে। রাজধানীজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাব দ্রম্নত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ মাইকিং করে বিৰোভকারীদের শানত্ম রাখার চেষ্টা করে। পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পেঁৗছে বিৰোভকারীদের বুঝাতে থাকে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিৰোভকারীদের বাকবিত-াও হয়। বাকবিত-ার ঘটনায় বিৰোভকারীরা আরও বিৰুদ্ধ হয়ে ওঠেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ বিৰোভকারীদের ধাওয়া করে। বিৰোভকারীরা পুলিশ ও র্যাবের গাড়ি লৰ্য করে ইটপাটকেল নিৰেপ করতে থাকেন। পুলিশও বিৰোভকারীদের হটাতে লাঠিচার্জ করে। লাঠিচার্জ ও বিৰোভকারীদের ছোঁড়া ইটপাটকেলের আঘাতে দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক আব্দুলস্নাহ ওয়ারিশ, এবিসি রেডিওর সাংবাদিক সীমা ভৌমিক, অনলাইন নিউজ এজেন্সি শীর্ষ নিউজের সাংবাদিক মতর্ুজা ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার মাসুদ আহমেদসহ অনত্মত ১৫ জন আহত হন।
দ্বিতীয় দফায় বিৰোভ শুরম্ন হলে বিৰোভকারীরা মতিঝিলের বিদু্যত উন্নয়ন বোর্ডের গলি, বাংলাদেশ ব্যাংক গলি, মধুমিতা সিনেমা হল গলি, স্বামীবাগ গলি, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব গলি, পল্টনসহ আশপাশের ছোট ছোট গলিতে অবস্থান নিয়ে পুলিশ ও র্যাবকে লৰ্য করে ইটপাটকেল নিৰেপ করতে থাকে। বিৰোভকারীদের ইটপাটকেলে মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকার অনত্মত ২০টি বহুতল ভবনের দরজা জানালার কাঁচ ভেঙ্গে গেছে। পরে পুলিশ ধাওয়া করে বিৰোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এক রাউন্ড টিয়ারশেলও নিৰেপ করে। তবে রাসত্মার বিভিন্ন মোড়ে বসানো জলকামানসহ অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি। পুলিশ ১০/১২ জন বিৰোভকারীকে আটক করে। বেলা ২টার দিকে পরিস্থিতি আসত্মে আসত্মে স্বাভাবিক হতে থাকলে আটককৃতদের এক এক করে ছেড়ে দেয়া হয়। পুরো এলাকায় অস্থিরতা চলে বেলা ৩টা পর্যনত্ম। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে আবার প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে মতিঝিলসহ আশপাশের এলাকা।
দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আমাদের স্টাফ রিপোর্টার ও নিজস্ব সংবাদদাতাগণ বিৰোভের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁদের পাঠানো সংবাদ অনুযায়ী শেয়ারবাজারের অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে কুমিলস্নায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিনিয়োগকারীরা। চট্টগ্রামে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। সকাল থেকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জ (সিএসই) সংলগ্ন এলাকায় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা আগ্রাবাদ এলাকায় সড়কে অবরোধ সৃষ্টি করলে যানচলাচল ব্যাহত হয়। তবে পুলিশের ত্বরিত হসত্মক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।
সোমবার দুপুরে কুমিলস্নার ৯ টি ব্রোকারেজ হাউস থেকে একযোগে বের হয়ে বিনিয়োগকারীরা শহরে বিক্ষোভে অংশ নেন। এ সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অনত্মত ১০জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৯ বিনোয়োগকারীকে আটক করেছে। গত কয়েক সপ্তাহ যাবত শেয়ারবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে কুমিলস্নার কয়েক হাজার ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারী শহরে মিছিল শেষে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার বাইপাসে অবরোধ সৃষ্টির জন্য যাওয়ার পথে সদর দক্ষিণ বাস টার্মিনালের কাছে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে পুলিশ কনস্টেবল আক্তারম্নজ্জামানহ অনত্মত ১০ বিনিয়োগকারী আহত হন। পুলিশ মিছিলে লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৯ বিনিয়োগকারীকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন_ আবদুস সাত্তার, মোঃ তাহা হোসেন, নাবিল, আশিকুর রহমান, মাসুম, সাখাওয়াত হোসেন, মনজু, আমান ও বাদল।
নরসিংদীতে ব্যবসায়ীরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে। বেলা ১টায় নরসিংদী বাজারের হযরত আমানত শাহ সিকিউরিটিস থেকে মিছিল নিয়ে ব্যবসায়ীরা শহরের ভেলানগরের ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে। বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় বসে বিভিন্ন সেস্নাগান দিতে থাকে। এ সময় মহাসড়কে বাস, ট্রাকসহ সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ২০ মিনিট অবস্থান করার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পেঁৗছে প্রতিবাদকারীদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশ ওই স্থান থেকে খবিরউদ্দিন (৩৫) নামে একজনকে আটক করে। নরসিংদী সদর মডেল থানা ওসি মোঃ নজরম্নল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটার আশঙ্কায় প্রতিবাদকারী শেয়ার ব্যবসায়ীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে এবং যানবাহনে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে থেমে গেছে কোলাহল। বিনিয়োগকারীদের আনাগোনা নেই বললেই চলে। যাঁরা আসছেন তাঁরাও ক্ষুব্ধ, উত্তেজিত। গত ২দিন ধরে শেয়ারবাজারে নজিরবিহীন দরপতন ঘটনায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে ব্্েরাকারেজ হাউসগুলোতে। কয়েক হাজার বিনিয়োগকারীর মাথায় যেন বাজ পড়েছে। আতঙ্কে অনেকেই তাঁদের শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে। বেশ কয়েকজন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী অসুস্থ হবার খবর মিলেছে। সোমবার সকাল ১১টায় জেলার সর্ববৃহৎ ব্রোকারেজ হাউস আল আরাফায় গিয়ে দেখা গেছে, বিনিয়োগকারীদের ভিড় নেই। নিষপ্রাণ হয়ে গেছে হাউজটির। একই অবস্থা ভিশন ক্যাপিটেল লিমিটেডেরও। গত কয়েকদিন ধরে বিনিয়োগকারীরা আসছেন না, আসতে চান না। অথচ এসব হাউস ঘিরে কর্মহীন বেকার যুবকদের কর্মের সংস্থান হয়েছিল। সোমবার ডিএসইর স্বয়ংক্রিয় বাস্কেট ওপেন হওয়ার পরেই দেখা যায় দ্রম্নত নামছে বিভিন্ন শেয়ারের মূল্য। ১১.২৫ মিনিট নাগাদ সূচক ৫৩০-এ চলে আসে। ৪১ মিনিটের মধ্যে আরও ১৭ভাগ কমে ৫৭৮ ভাগ নেমে আসে। ১১.৪৩ মিনিটের মধ্যে সূচকের ভয়াবহ পতন ঘটে। ৬৩০ পয়েন্ট নেমে আসে। এ সময় দেখা যায় ২১৫টি কোম্পানি লোকসানের তালিকায়। মাত্র ৪টি কোম্পানি ছিল লাভজনক অবস্থায়। এ অবস্থাতেই আকস্মিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় স্থানীয় ব্রোকারেজ হাউসগুলোর শেয়ার বেচাকেনা।
সিলেটের বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক অফিসসহ বিভিন্ন ব্রোকার হাউসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের ইটপাটকেলে ভাংচুর হয়েছে নগরীর তালতলার বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। একই সময়ে সিলেটের উপশহর মেন্দীবাগ এলাকায় বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করে সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ করে রাখেন। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন ব্রোকার হাউসসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ ও মিছিল সহকারে নগরী প্রদক্ষিণ করতে থাকলে তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। দুপুরে নগরীর চৌহাট্টার কয়েকটি ব্রোকার হাউসের সামনে বিক্ষোভকারীরা সমাবেশও করেন। এরপর বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা সংগঠিত হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে যান এবং ইট পাটকেল ছুড়তে থাকেন। এতে সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকটি গস্নাস ভেঙ্গে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। ব্যাংক ভাংচুরের ছবি তুলতে গেলে সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষ বাধা দেয় এবং এ ব্যাপারে কোন প্রকার মনত্মব্য দেয়া থেকে বিরত থাকেন তাঁরা। এদিকে বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি জানান, শেয়ারবাজারে দর পতনের প্রতিবাদে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা গতকাল সোমবার বিয়ানীবাজার পৌরশহরে প্রতিবাদ সভা ও সড়ক অবরোধ করেন। দুপুরে বিয়ানীবাজারের দু'টি ব্রোকার হাউসের বিনিয়োগকারীরা প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী সিলেট-বিয়ানীবাজার সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এ সময় তারা প্রতিবাদসভায় শেয়ার ব্যবসায় ইতিহাসের বড় দরপতনের ঘটনায় সরকারকে দায়ী করেন। বিক্ষোভকারীদের কর্মসূচীর সময় রাসত্মার দু'ধারে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। প্রতিবাদ সভায় চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের নিয়ন্ত্রণাধীন দু'টি ব্রোকার হাউসের উর্ধতন কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।
নোয়াখালীতে বিৰোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। দুপুরে জেলা শহর মাইজদী ও জেলার প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র চৌমুহনীর প্রধান সড়কে বিৰোভ চলাকালে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর, এসইসির চেয়ারম্যান ও অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে বিভিন্ন সেস্নাগান দেন। দুপুর ১২টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর দুটি ব্রোকারেজ হাউস থেকে বিনিয়োগকারীরা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে শানত্মিপূর্ণ বিৰোভ মিছিল করেন। একই সময় জেলার প্রধান বাণিজ্যিক শহর চৌমুহনীর চারটি ব্রোকার হাউস থেকে বিনিয়োগকারীরা বের হয়ে প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ ও সড়কে অগি্নসংযোগ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। এ সময় শহরের চাষাঢ়া বঙ্গবন্ধু সড়কে প্রায় আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। প্রত্যক্ষদশর্ী ও পুলিশ জানায়, সোমবার শেয়ারবাজার ধসের প্রতিবাদে মিছিল বের করে বিনিয়োগকারীরা। শহরের আমান ভবনের পাশে অবস্থিত রয়েল ও এ্যালিয়েন্স নামক দুটি ব্রোকারেজ হাউস ভাংচুর করে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। এক পর্যায়ে শহরের ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের চাষাঢ়া বঙ্গবন্ধু সড়কের নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তাঁরা সড়কে অগি্নসংযোগ করেন।
সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরম্ন হলে সূচক নামতে নামতে ৬৬০ কমে গেলে যশোরেও বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যচু্যতি ঘটে। বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিনিয়োগকারীরা। ১১টা ৫০ মিনিটে ডিএসসি যখন লেনদেন বন্ধ করে দেয় তখন যশোরের রাজপথে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের চলছে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া।
কুষ্টিয়ায় ২টি শেয়ার অফিসের প্রায় ১০ হাজার বিনিয়োগকারী সোমবার দুপুরে শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। কুষ্টিয়ার শেয়ার অফিস বিআরবি সিকিউরিটিজ ও র্যাপিড সিকিউরিটিজের মাঝারি পুঁজি বিনিয়োগকারীরা বেলা ১২টার দিকে সরোয়ার ও সেলিমের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে কুষ্টিয়া শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মজমপুর গেটে এক সমাবেশ করে। এ সময় তাঁরা বলেন, তাঁদের স্বল্প মূলধন শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ আছে। শেয়ারবাজারে এ ধরনের দরপতন তাঁরা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তাঁরা পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান। সোমবার পুঁজিবাজারের সূচকের পতন ঘটলে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ ১১টা ৫৫ মিনিটে তাঁদের স্টক এঙ্চেঞ্জের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করে দেয়।
খুলনায় বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভ সমাবেশে বিনিয়োগকারীরা হরতালের আলটিমেটাম দিয়েছেন। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা জানান, সোমবার বেলা ১১টায় লেনদেন শুরম্ন হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যে অধিকাংশ শেয়ারের দাম আগের দিনের চেয়ে অনেক কমে যায়। এরপর এসইসি ট্রেড বন্ধ করে দেয়। বেলা ১২টার দিকে উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে বিক্ষোভ শুরম্ন করেন। নগরীর ১৫টি ব্রোকার হাউস থেকে বেরিয়ে বিনিয়োগকারীরা খ- খ- মিছিল করেন। নগরীর শিববাড়ি মোড় থেকে বের হওয়া একটি মিছিল ডাকবাংলো মোড়, পিকচার প্যালেস মোড় হয়ে খুলনা থানার মোড়ে যায়। সেখান থেকে মিছিলটি খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমাবেশ করে। সমাবেশে বিনিয়োগকারী কাজী মেজবাউল রাজন আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, শেয়ারবাজারের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবারের মধ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ না নিলে মঙ্গলবার খুলনা মহানগরীতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করা হবে। সমাবেশে আরও বক্তৃতা করেন শফিকুল আলম তুহিন, কাজী দেলোয়ার হোসেন, আবদুল ওয়াদুদ, দিলীপ, শফিকুল ইসলাম, শাহাদাত, সাইদ মলিক, লাবু প্রমুখ। সমাবেশ ও মিছিলে অর্থমন্ত্রীর বিরম্নদ্ধে বিভিন্ন সেস্নাগান দেয়া হয়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 2:03 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ, শেয়ারবাজার আজ আবার চালু
বিধিনিষেধ শিথিল
জনকণ্ঠ
মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০১১, ২৮ পৌষ ১৪১৭
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ভয়াবহ দরপতনের প্রেৰিতে দেশের দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বাজার চলাকালে লেনদেন বন্ধের এ ঘটনা দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে নজিরবিহীন। সোমবার দিনের লেনদেন শুরুর পর ৫০ মিনিটের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ বা ৬৬০.৪৩ পয়েন্ট নেমে গেলে সকাল ১১টা ৪৯ মিনিটে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পৰ থেকে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়। তবে আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে পুনরায় স্বাভাবিক লেনদেন চালু হবে। ব্যাপক দরপতন এবং লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে ব্যাপক বিৰোভ, অবরোধ, ভাংচুর ও অগি্নসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে। এ অবস্থায় পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনে লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর মূলধনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যেই সরকারের পৰ থেকে বেশ কিছু ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে পুঁজিবাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে সংশিস্নষ্টরা আশা করছেন।
ব্যাপক দরপতন লেনদেন বন্ধ ॥ আগের দিনের রেকর্ড দরপতনের পর সোমবার লেনদেন শুরুর ৫০ মিনিটের মধ্যেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ বা ৬৬০.৪৩ পয়েন্ট নেমে যায়। একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক ৬.৮৮ শতাংশ বা ৯১৪.৩৮ পয়েন্ট নেমে যায়। এ সময়কালে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২২৩টি প্রতিষ্ঠানের ২১৯টিরই ব্যাপক দরপতন ঘটে। এ অবস্থায় পুঁজিবাজারে আরও বড় ধরনের ধস ঠেকাতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় এসইসি। সেই প্রেক্ষিতে সকাল ১১টা ৪৯ মিনিটে লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়।
বিনিয়োগকারীদের বিৰোভ ॥ ব্যাপক দরপতন এবং লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে ব্যাপক বিক্ষোভ, অবরোধ, ভাংচুর ও অগি্নসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে। গাড়ি ভাংচুর, ডিএসই ভবনে ইট-পাটকেল নিৰেপ, রাসত্মা অবরোধ এবং কুড়ানো কাগজ, টায়ার জড়ো করে আগুন জ্বালিয়ে শেয়ারবাজার সংশিস্নষ্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকটি নির্দেশনা বাতিলের দাবি জানান। এ সময় তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর এবং ডিএসই নেতাদের বিরম্নদ্ধে বিভিন্ন ধরনের সেস্নাগান দিতে থাকেন। এ সময় ইত্তেফাক মোড় থেকে শাপলা চত্বর হয়ে দৈনিক বাংলা মোড় পর্যনত্ম রাসত্মায় যান চলাচল এবং দু' পাশের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যনত্ম এসব এলাকায় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে ছিল। দিনের বিভিন্ন সময়ে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে। এতে সাংবাদিকসহ প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ বিভিন্ন স্থান থেকে ৯ বিনিয়োগকারীকে আটক করলেও পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এসইসির সিদ্ধানত্ম বাজারে তারল্য সঙ্কট কাটাতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ প্রদানের ৰমতা বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর আইনীসীমার অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময় বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের জন্য মার্জিন ঋণের হার আরেক দফা বৃদ্ধি করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। একই সঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার ৰেত্রে মূলধনের ৫ গুণের সীমা তুলে দেয়া হয়েছে। সোমবার দিনের শুরম্নতে বড় দরপতনের প্রেৰাপটে শেয়ারবাজারের লেনদেন কার্যক্রম স্থগিত রাখার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এসব সিদ্ধানত্ম নিয়েছে বলে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে শেয়ারবাজারের স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম চালু হবে।
বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার জানান, অস্বাভাবিক দরপতনের প্রেৰিতে শেয়ারবাজারে লেনদেন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। মাত্র আধঘণ্টায় সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে যাওয়ার পর বিনিয়োগকারীদের স্বার্থেই এ সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রথম হলেও পৃথিবীর অনেক দেশেই লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নজির রয়েছে।
পুঁজিবাজারে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, লেনদেন বন্ধ রাখার পর বাজারে চলমান সঙ্কট দূর করতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে বেশ কিছু সিদ্ধান্তৈ নেয়া হয়েছে। এর প্রেৰিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে স্টক এঙ্চেঞ্জে স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধানত্মের ফলে বাজারে স্বাভাবিকতা ফিরবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এসইসি চেয়ারম্যান জানান, গত কয়েক দিনের দরপতনের কারণ বিনিয়োগকারীদের ক্রয়ৰমতা (পারচেজ পাওয়ার) নেতিবাচক অবস্থানে চলে গেছে। তারা যাতে কিছুটা হলেও লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারেন সেজন্য মার্জিন ঋণের হার ১ঃ১.৫ থেকে বাড়িয়ে ১ঃ২ করা হয়েছে। ঋণ-অযোগ্য কোম্পানির জন্য আর্থিক সমন্বয় (ফাইন্যান্সিয়াল নেটিং) সুবিধা চালু করা হয়েছে। তাৎৰণিক লেনদেনে (স্পট মার্কেট) থাকা ১৪টি কোম্পানিকে সাধারণ লেনদেনে (পাবলিক মার্কেট) ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এ ছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার ৰমতা পরিশোধিত মূলধনের ৫ গুণের মধ্যে থাকার বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়া হয়েছে।
বাজারে অর্থ সঙ্কট কাটিয়ে বর্ধিত হারে মার্জিন ঋণ কার্যকর করার বিষয়ে তিনি বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর অর্থ সঙ্কট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দিক থেকে বেশ কিছু পদৰেপ নেয়া হচ্ছে। সহযোগী কোম্পানি হলেও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এত দিন ব্যাংকের কাছ থেকে তার মূলধনের ১৫ শতাংশের বেশি ঋণ নিতে পারত না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পৰ থেকে একক গ্রাহকের ঋণসীমার এই বিধি-নিষেধ শিথিল করছে। এর ফলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারবে। এর মধ্য দিয়ে বর্ধিত হারে মার্জিন ঋণ চালু করা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা আমানতের ১০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিবাচক সিদ্ধানত্ম নিচ্ছে। এ ছাড়া অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ের বিষয়ে প্রতিবেদন পেশ করার সময়সীমা বাড়ানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে এসইসি সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলি বলেন, দেশের পুঁজিবাজারের জন্য বর্তমানে অত্যনত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ সময় অতিবাহিত হচ্ছে। এ সময় সংশিস্নষ্ট সকলকেই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। কারণ শেয়ারের দর ও সূচক আরও নিচে নেমে গেলে বিনিয়োগকারীসহ সবার জন্যই খারাপ অবস্থা তৈরি হবে। এ সমস্যা মোকাবেলায় এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে যথাযথ পদৰেপ নেয়া হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মোতুর্জা আহমেদ জানান, সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ৰেত্রে ব্যাংকের ঋণ প্রদানের সীমা মূলধনের ১৫ শতাংশের শর্ত শিথিল করা হলে এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী মার্জিন ঋণ দেয়া সম্ভব হবে। এ ছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের নেয়া মার্জিন ঋণ আদায়ে কোন শেয়ার বাধ্যতামূলক বিক্রি (ফোর্স সেল) করা হবে না বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগ ॥ পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকেও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাজারে শেয়ার লেনদেনে গতিশীলতা আনতে গবর্নর ড. আতিউর রহমান বেসরকারী ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ যতটা সম্ভব বাড়ানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার থেকেই এসব প্রতিষ্ঠান বাজারে সক্রিয় হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে এক খাতের ঋণ নিয়ে তা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্ধারিত সময়ে কোন ব্যাংক বিতরণ করা ঋণ সমন্বয় করতে ব্যর্থ হলে তা বাড়ানো হবে। এ ছাড়া বাণিজ্যিক ব্যাংকের সহযোগী কোম্পানি হিসেবে মার্চেন্ট ব্যাংককে তাদের পরিশোধিত মূলধনের ১৫ শতাংশের বেশি ঋণ না দেয়ার নির্দেশনাও শিথিল করা হয়েছে। ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে গবর্নরের এক বৈঠকে এসব সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়।
সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের সভাপতি কে মাহমুদ সাত্তার সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বিদ্যমান পুঁজিবাজার পরিস্থিতি বাংলাদেশ ব্যাংক কোনভাবে হসত্মক্ষেপ করছে না। বরং বাজারে তারল্য সরবরাহ করার লক্ষ্যে সহযোগিতা করছে। পাশাপশি বাজারে দরপতনে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কের কিছু নেই। বাজার দ্রম্নত ঠিক হয়ে যাবে।
তিনি জানান, একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। এর অংশ হিসেবে সিআরআর এবং এসএলআর বৃদ্ধি করে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে নেয়া হয়। কিন্তু বাজারে তার চেয়ে বেশি তারল্য সরবরাহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বিশেষজ্ঞ মতামত ॥ পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে। মূলত এ কারণেই শেয়ারের এত ব্যাপক দর পতন হয়েছে। তবে দ্রম্নত বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য বাজারে নতুন শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে হবে।
যেসব বিনিয়োগকারীর হাতে ভাল শেয়ার আছে, তাদেরকে বর্তমান অবস্থায় শেয়ার লস দিয়ে বিক্রি না করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, যে জিনিসের দাম দ্রম্নত নামে, সেটা আবার দ্রম্নত উঠেও যায়। তাই ভাল কোম্পানির শেয়ার ধরে রাখতে পারলে যে কোন খাতে বিনিয়োগের চেয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ থেকে বিনিয়োগকারীরা বেশি লাভবান হবেন।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, বিনিয়োগকারীদের হতাশ হওয়ার কোন কারণ নেই। সংশোধনের পর পুঁজিবাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে। এ ছাড়া বাজার সংশোধন হওয়ার পরও আবার উত্থান-পতন আসতে পারে। সেই অবস্থাও বিনিয়োগকারীদের মেনে নেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। যাদের অলস টাকা আছে, সাধারণত তাদেরই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা উচিত বলে মনে করেন তিনি। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|