DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 33 / 40 1 - 2 - 3.. - 31 - 32 - 33 - 34 - 35.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
02/10/2011 7:08 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
আসছে সরকারি ২১ কোম্পানির শেয়ার
     

ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


পুঁজিবাজারে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সরকারি ২১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ধাপে ধাপে বাজারে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে এ মাসেই আসছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। আরো পাঁচটি আসবে পরের মাসেই।

বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ছাড়াও যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী জিএম কাদের, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক এবং সংশি¬ষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের পর মুহিত সাংবাদিকদের জানান, ২১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঁচটির শেয়ার বর্তমানে বাজারে রয়েছে। তবে এগুলোর আরো শেয়ার ছাড়া হবে। আর দুটি প্রতিষ্ঠানের বন্ড ছাড়া হবে।

যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এখন বাজারে আছে, তাদের মধ্যে মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির আরো শেয়ার ফেব্র"য়ারির মধ্যে বাজারে আসবে। আর তিতাস গ্যাস কোম্পানি, ডেসকো ও শিপিং কর্পোরেশনের আরো শেয়ার ৩১ মার্চের মধ্যে বাজারে ছাড়া হবে।

মার্চ মাসের মধ্যে আরো দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে। এগুলো হলো- লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড (শেরাটন হোটেল)।

এপ্রিল মাসের মধ্যে বাজারে আসবে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড ও সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড। মে মাসের মধ্যে আসবে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড।

জুন মাসের মধ্যে বাজারে তালিকাভূক্ত হবে- প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড, হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (সোনারগাঁও হোটেল), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড, বাংলাদেশ কেবল শিল্প লিমিটেড ও অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড।

জুলাই মাসের মধ্যে আসবে বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে আসবে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ও বিটিসিএল।

এছাড়া সিলেট গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের বন্ড ছয় মাসের মধ্যে বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

"এ সময়ের মধ্যে শেয়ার যদি বাজারে না আসে, তবে ওই সব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে", বলেন অর্থমন্ত্রী।

বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার পুঁজিবাজারে না আসায় হতাশা প্রকাশ করে গত ৬ ফেব্র"য়ারিও একই কথা বলেছিলেন তিনি।

মুহিত জানান, সম্পদ পূর্ণমল্যায়নের পর পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের আরো শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে। এ ছাড়া গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড, জালালাবাদ গ্যাস টিএন্ডডি সিস্টেমস লিমিটেড ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড সম্পদ পূর্ণমূল্যায়নের পর বাজারে তালিকাভুক্ত হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, রুরাল পাওয়ার কোম্পানির ৭৯ শতাংশের মালিক বিদ্যুৎ সমিতি হওয়ায় পুঁজিবাজারে এ প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্তির বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্লে¬ড ফ্যাক্টরি ও জিইএম কোম্পানি লিমিটেড লাভজনক না হওয়ায় তারাও আপাতত বাজারে আসছে না।

তিনি বলেন, "পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু সেতু ও পদ্মা সেতুর শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"

অর্থমন্ত্রী গতবছর থেকেই সরকারি কোম্পানির শেয়ার বাজারে ছাড়ার কথা বলে আসলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। মন্ত্রী এর আগে বলেছিলেন, ২০১০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২৬টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে।

এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, "সরকারের কথা অনেকে মানে না। সময় মতো কাজ করে না।"

তিনি জানান, যেসব প্রতিষ্ঠান নতুনভাবে তালিকাভুক্ত হবে তাদের বেশিরভাগের শেয়ার মূল্য নির্ধারণ করা হবে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে। এছাড়া সরাসরি তালিকাভুক্তির (ডিরেক্ট লিস্টিং) মাধ্যমেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আসবে।

এসব প্রতিষ্ঠান বাজার থেকে কতো টাকা সংগ্রহ করবে- তা জানাতে পারেননি তিনি।

দ্রুত উত্থানের পর ব্যাপক পতনের কারণে দেশের পুঁজিবাজারে গত দুই মাস ধরে অস্থিরতা চলছে। এ নিয়ে বিক্ষোভ ও ভাংচুরের ঘটনাও ঘটেছে। বাজার স্থিতিশীল করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

পুঁজিবাজারের অস্থিরতার কারণ ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে একটি কমিটিও গঠন করেছে সরকার।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/আরবি/এমআই/জেকে/১৮৪৯ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 7:12 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দরপতন দিয়েই শেষ হলো সপ্তাহ
     

ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)



ঢাকার পুঁজিবাজারে সপ্তাহের শেষ দিনের শুরুতে দর চড়লেও সূচকের পতন দিয়েই তা শেষ হয়েছে। কমেছে লেনদেন ও অধিকাংশ শেয়ারের দাম।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার লেনদেনের শুরুতে দর একটু পড়ে যায়। এরপর তা বেড়ে যায়। সোয়া ১১টায় সাধারণ সূচক ৬৭০০ স্পর্শ করে। কিন্তু এরপরই দ্রুত দর পতন হতে থাকে।

দিন শেষে সাধারণ মূল্য সূচক গত দিনের চেয়ে ১৪৬ দশমিক ২১ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ১৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬৫২৭ দশমিক ১৯ পয়েন্টে।

লেনদেন হওয়া ২৩৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দামই কমেছে, বেড়েছে ১৭টির। সারাদিনে হাতবদল হওয়া ২৫০টি শেয়ারের কোনোটিরই দাম অপরিবর্তিত ছিলো না।

দিন শেষে মোট লেনদেন দাঁড়ায় ৫৬৩ কোটি টাকা। গতদিন লেনদেন হয় মোট ৬৭৩ কোটি টাকার শেয়ার।

একদিন আগে বুধবার ডিএসইতে সূচক ১৪৯ পয়েন্ট কমে। যে কারণে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে। ফলে প্রায় দুই ঘণ্টা মতিঝিল থেকে আর কে মিশন রোড পর্যন্ত সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে।

বৃহস্পতিবার লেনদেনের পর এক দল বিক্ষোভকারী রাস্তায় নামলেও পুলিশের মারমুখী অবস্থান দেখে তারা পিছু হটে। ওই সময় প্রায় ১৫ মিনিটের জন্য সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিলো।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/আরবি/জেবি/এমআই/১৬২০ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 7:12 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
অধিকাংশ শেয়ার এখন কেনার মতো অবস্থানে আছে: শাকিল রিজভি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪১ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১১


ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভি বলেছেন, অধিকাংশ শেয়ার এখন কেনার মতো অবস্থানে আছে। ৪৯ শতাংশ শেয়ারের পিই (মূল্য আয় অনুপাত) ১৮-এর নিচে নেমে এসেছে। তাই বিনিয়োগকারীদের অস্থির হওয়ার কোনো কারণ নেই।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

শাকিল রিজভি বলেন, শেয়ারের বেসিক হচ্ছে পিই। সূচকের ওঠানামায় অস্থির না হয়ে বিনিয়োগকারীদের পিই ও মৌলভিত্তি দেখে শেয়ার কিনতে হবে। সূচক মাথা থেকে বের করে দিতে হবে। তিনি বলেন, মার্কেটে বড় ধরনের সংশোধন হয়েছে। বাজার এখন স্বাভাবিক অবস্থায় আছে।

রিজভি আরও বলেন, ২০০৭ সালে মার্কেটের ওভার অল পিই ছিলো ২২, ২০০৮ সালে ১৯ এবং ২০০৯ সালে ২৫ এবং ২০১০ সালে পিই ছিলো ২৯।
২০১১ সালে বাজার সংশোধনের পর মার্কেটের পিই এসে দাঁড়িয়েছে ১৮তে। সুতরাং বিনিয়োগকারীরা যদি পিই দেখে শেয়ার কিনেন তবে তাদের লোকসানের মধ্যে পড়তে হবে না।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 7:13 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বাজারে ছাড়ার সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময় ১৬০২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১১


ঢাকা: সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় সরকারের হাতে থাকা শেয়ার বাজারে ছাড়ার (অফলোড) সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি ও সংস্থার শেয়ার অফলোড করা সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেয়ার ছাড়তে না পারলে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে বলেও অর্থমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবারের বৈঠকে ২১টি কোম্পানি ও সংস্থার শেয়ার বাজারে ছাড়ার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এগুলোর মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আছে; প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারের হাতে থাকা আরও শেয়ার ছেড়ে দেওয়া হবে।

যদিও ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার ব্যাপারে আলোচনার জন্য বৈঠকের কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়। তবে এগুলোর মধ্যে কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার এরইমধ্যে বাজারে এসেছে বলে বৈঠকে জানানো হয়। অন্য কয়েকটি কোম্পানি শেয়ারছাড়ার উপযোগী এখনও না হওয়ায় সময় দেওয়া হয়। এছাড়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নতুন করে সম্পদমূল্য নির্ধারণ (অ্যাসেট ভ্যালুয়েশন) করার জন্যও সময় দেওয়া হয়।

গত কয়েকবছর ধরেই অবশ্য এসব কোম্পানির শেয়ার বাজারে ছাড়ার কথা জানানো হচ্ছে। তবে নানা কারণে শেয়ার বাজারে আসছিল না। এ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় বরাবরই ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাপে রেখে আসছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবারের বৈঠকটি তারই ধারাবাহিকতারই অংশ।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ মাসেই আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পুঁজিবাজারে আসবে মেঘনা পেট্্েরালিয়াম ও যমুনা অয়েলের সরকারের হাতে থাকা শেয়ার।

এরপর ৩১ মার্চ ছাড়তে হবে তিতাস গ্যাস, ডেসকো, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ও এলপিজিএল’র শেয়ার।

৩০ এপ্রিলের মধ্যে টেলিফোন শিল্প সংস্থা ও সাবমেরিন ক্যাবলস লিমিটেডডের শেয়ার।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার বাজারে দিতে হবে মে মাসের মধ্যে।

৩০ জুন প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ, চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেড, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর ১০ শতাংশ, বাংলাদেশ কেবল্স শিল্প লিমিটেড, এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার বাজারে ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৩১ জুলাই বাজারে আসবে বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ও বিটিসিএলের শেয়ার বাজারে আসবে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।

এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকা বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের হোটেল শেরাটনের ২০ শতাংশ শেয়ার ৩০ মার্চ ও হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিটিটেডের সোনারগাঁও হোটেলের ৩০ শতাংশ শেয়ার ৩০ জুনের মধ্যে বাজারে ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে এ দু’টি প্রতিষ্ঠান সম্পদমূল্য চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ (অ্যাসেট ইভাল্যুয়েশন) শেষ করা হবে।

কর্ণফুলী পেপার মিলসের শেয়ার বাজারে আসবে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে।

সিলেট গ্যাসফিল্ড ও বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডের শেয়ার ছাড়া হবে না, এদের বন্ড আসবে বাজারে। তবে এর তারিখ নির্ধারণ হয়নি।  

সরকারি শেয়ার অফলোড করার এ সময়সীমার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা এ সময়সীমা মেনে বাজারে শেয়ার ছাড়তে ব্যর্থ হবে ওই সব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পদ ছেড়ে দিতে হবে। এ কথাতো আমি আগেই বলেছি।’  

সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি ও সংস্থার শেয়ার বাজারে ছাড়া সংক্রান্ত ওই আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু কোম্পানির অ্যাসেট ভ্যালুয়েশনে সমস্যা থাকায় সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। তবে এসইসি প্রধানের নেতৃত্বে একটি কমিটি করা হয়েছে। এই কমিটি আগামী ১ মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাসেট ভ্যালুয়েশন সম্পন্ন করবে।’

অ্যাসেট ভ্যালুয়েশনের অপেক্ষায় থাকা কোম্পানিগুলো হল জিটিসিএল, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস, জালালাবাদ গ্যাস ও পিজিসিবি। এরপর এসব কোম্পানির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটিডের শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে না। কারণ এই কোম্পানির ৭৯ শতাংশ শেয়ার বিভিন্ন পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কাছে দেওয়া আছে।’

এছাড়া সিলেট গ্যাসফিল্ড ও বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডের শেয়ার ছাড়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এগুলোর বন্ড বাজারে আসবে। এরআগে সেখানে কত পরিমাণ গ্যাস আছে তার হিসাব করা হবে।’  

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সেতু ও পদ্মা সেতুর শেয়ার এখনই ছাড়া হচ্ছে না। পরে আমরা  বিবেচনা করে দেখবো কিভাবে এগুলোর শেয়ার বাজারে ছাড়া যায়।’

শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠান জিইএম কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরির শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে না বলে অর্থমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, ‘এ প্রতিষ্ঠানগুলো লোকসানি।’

শিল্প মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন সুগার মিলগুলোর শেয়ার এখনই বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত আপাতত বাদ দেওয়ার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।  

বৈঠকের কার্যপত্রে উল্লেখ থাকা ন্যাশনাল টিউবস, রূপালী ব্যাংক, পদ্মা অয়েলের শেয়ার এরইমধ্যে বাজারে এসেছে বলেও জানানো হয়।

তিনঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী জিএম কাদের, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি এ প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বাজারে এলে বাজারের পরিস্থিতি ভালো হবে বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রীসহ বৈঠকে অংশ নেওয়া মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 7:14 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
     


ডিএসই ডিমিউচুয়ালাইজেশনের সিদ্ধান্ত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
10 Feb 2011   02:55:17 PM   Thursday


ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভি বলেছেন, ডিএসই ডিমিউচুয়ালাইজেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেক দিন ধরেই এটি নিয়ে আলোচনা চল ছিলো। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

শাকিল রিজভি বলেন, গত ২ ফেব্রুয়ারি ডিএসই-এর এক বোর্ড সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আগে পুঁজিবাজারের দৈনিক লেনদেন ছিলো মাত্র ২০ কোটি টাকা। কয়েক বছরের ব্যবধানে বাজার অনেক সম্প্রসারিত হয়েছে। তাই লেনদেনও বেড়েছে।

রিজভি বলেন, বর্তমানে ডিএসই সেমি ডিমিউচুয়ালাইজেশনে রয়েছে। ডিএসই-এর ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ আলাদা। তবে বিভিন্ন আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ডিমিউচুয়ালাইজেশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, ডিমিউচুয়ালাইজেশনের জন্য আমরা এসইসিতে চিঠি দিয়েছি। ইতোমধ্যেই প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছে। এটি কার্যকরের জন্য এখন পুরোদমে কাজ চলছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৫৩ ঘণ্টা,  ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 7:16 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
লোটাস কামালের সমালোচনায় অর্থমন্ত্রী
সংসদীয় কমিটির সুপারিশ মানা না মানা আমার ব্যাপার: মুহিত



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১১



ঢাকা: শেয়ারবাজার নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আহম মোস্তফা কামালের (লোটাস কামাল) সমালোচনা করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়া সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এ সমালোচনা করেন।

শেয়ারবাজার নিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে মঙ্গলবার লোটাস কামালের দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটার তার নিজস্ব মত।’

শেয়ারবাজারের ইনডেক্সসহ অন্যান্য কিছু বিষয়ে সংসদীয় কমিটির সুপারিশ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সংসদীয় কমিটির কাজ সুপারিশ দেওয়া, এটা মানা বা না মানার ব্যাপার আমার।’

লোটাস কামালের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো কখনো বলিনি যে শেয়ারবাজারের ইনডেক্স কত হবে। এটা বলার অধিকার আমারও নেই।’

শেয়ারবাজারে সূচকের ওঠানামা স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘১৫ মিনিট উঠবে-১৫ মিনিট নামবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু নেমে গেলেই ভাঙচুর করা হবে, এটা তো ঠিক না।’

শেয়ারবাজারের সূচক নেমে গেলেই ভাঙচুর করার প্রস্তুতি নিয়েই কেউ কেউ সেখানে যান বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ভাঙচুরের ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা খুঁজে দেখতে চাই না এর পেছনে কারা আছে। তবে এভাবে ভাঙচুর হতে থাকলে সেখানে গোয়েন্দা নামাতে হবে।’

প্রসঙ্গত, শেয়ারবাজারের চলমান অস্থিতিশীলতার জন্য বিরোধীদলকে দায়ী করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্য রাজনৈতিক বলে মন্তব্য করেন লোটাস কামাল। মঙ্গলবার দুপুরে সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

লোটাস কামাল বলেন, ‘আমাদের সরকার মতা গ্রহণের সময় শেয়ারবাজারের সূচক ছিল দুই হাজার ছয়শ’ পয়েন্টের মতো। হঠাৎ তা বেড়ে ১০ হাজার পয়েন্ট হয়ে গেল। কিন্তু এই দুই বছরে দেশে এমন কোনো শিল্পায়ন হয়নি যে পুঁজিবাজারের ইনডেক্স এত বেড়ে যাবে। সূচক বৃদ্ধির এই বিষয়টি পুরোপুরি কৃত্রিম।’

লোটাস কামালের এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাজারের ইনডেক্স নিজের গতিতেই চলে। এটা কত হবে তা তো আমি নির্ধারণ করে দিতে পারি না।’

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 7:18 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান শাকিল রিজভীর

অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১০-০২-২০১১
Prothom-Alo


ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেছেন, আপনারা কেউ ধৈর্য হারা বা বিচলিত হবেন না। বাজারে যথেষ্ট মূল্য সংশোধন হয়েছে। এ মুহূর্তে ভালো মৌল ভিত্তির শেয়ার ক্রয়ের জন্য তিনি বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান। আজ বৃহস্পতিবার ডিএসই কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
শাকিল রিজভী আরও বলেন, বর্তমানে যে পিই রেশিও রয়েছে, তা বাজারের জন্য খুবই সহনীয়। পিই রেশিও বর্তমানে ১৮, যা গত বছর ছিল ২৯। ২০০৭ সালে এই রেশিও ছিল সাত। তাই তুলনামূলকভাবে বাজারে পিই রেশিও যথেষ্ট ভালো।
রিজভী আরও বলেন, আপনারা ডে ট্রেডার বা প্রতিদিনের ব্যবসায়ী না হয়ে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য বাজারে আসুন। বিনিয়োগকৃত কোম্পানির লভ্যাংশ ও বোনাস খান, তাহলে সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পরে লাভবান হবেন।
সূচকের ওঠানামার ব্যাপারে তিনি বলেন, সূচক দেখে কখনো বাজারের অবস্থা নির্ণয় করা যায় না। এটা নিরূপণ করতে হবে কোম্পানির অবস্থা দেখে। আর সূচক হচ্ছে গতিশীল। এটা কোম্পানির দাম বাড়লে বাড়বে ও দাম কমলে কমে যাবে। কোম্পানির ওপরেই এটা নির্ভরশীল। সুতরাং, সূচক কত বাড়বে বা কমবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।
শেয়ারবাজারে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে ডিএসই কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে নিজ উদ্যোগে কাজ শুরু করেছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ডিএসইতে ডিমিউচুয়ালাইজেশনের কাজ শুরু করা হয়েছে বলে শাকিল রিজভী জানিয়েছেন, যা এরই মধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে জানানো হয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 7:20 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ডিএসইতে আবারও দরপতন আবারও বিক্ষোভ

অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১০-০২-২০১১
Prothom-Alo



শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতনে পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা আজ বৃহস্পতিবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। এ নিয়ে সেখানে গোটা সপ্তাহজুড়ে দরপতন ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১৪৬ পয়েন্ট নেমে গেলে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তাঁরা ডিএসইর সামনের সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এতে মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীরা ডিএসই ও এসইসির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন। পরে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে পুলিশ বিনিয়োগকারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বাজার পরিস্থিতি: আজ ডিএসইতে লেনদেনের শুরু থেকেই সাধারণ সূচকের ওঠানামা ছিল চোখে পড়ার মতো। লেনদেনের শুরুতে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১০৫ পয়েন্ট নেমে যায়। কিছুক্ষণের মধ্য সূচক ঘুরে ২৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়।
বেলা ১১টা ১৫ মিনিটের পর থেকে সূচকের পতন শুরু হয়। এরপর কয়েক দফা ওঠা-নামার পর দিন শেষে সূচক ১৪৬.২২ পয়েন্ট কমে ৬৫২৭.১৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ ডিএসইতে ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭টির এবং কমেছে ২৩৩টি প্রতিষ্ঠানে। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে মোট ৫৬৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ১০ কোটি টাকা বেশি।
ডিএসইতে আজ লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এনবিএল, ইউসিবিএল, গ্রামীণফোন, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, বেক্সিমকো, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স, প্রাইম ব্যাংক, তিতাস গ্যাস, বে লিজিং ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।
অপর দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচকের পতনের পাশাপাশি কমেছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
আজ সিএসইতে লেনদেন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৩৩৬.৮৩ পয়েন্ট কমে ১৮৭০৩.২৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আজ সিএসইতে ১৮৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯টির, কমেছে ১৫৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মোট নয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭৩ কোটি টাকা
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 10:10 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
২১ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারে আসার সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
11.02.2011


সরকারের ২১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আসার সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। চলতি মাসেই আসছে দু'টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে শেয়ার ছাড়ার সময় ঠিক করে দেয়া হয়। সম্পত্তি পূর্ণ মূল্যায়নের জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানকে এক মাস সময় দেয়া হয়েছে। লোকসান থাকায় ও ৫০ শতাংশ শেয়ার থাকায় নতুন দু'টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আসছে না।
বৃস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সরকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার বৈঠকে এসব সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেয়ার ছাড়তে না পারলে পদত্যাগ করতে হবে।
ব্রিফিংয়ে বলা হয়, চলতি মাসেই মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির আরও শেয়ার বাজারে আসবে। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে তিতাস গ্যাস কোম্পানি, ডেসকো ও শিপিং কর্পোরেশনের লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার আনার সময় বেঁধে দেয়া হয়। এছাড়া হোটেল শেরাটনের ২৫ শতাংশ শেয়ার ওই সময় আসবে।
টেশিস ও সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডকে এপ্রিলের মধ্যে আসার নির্দেশ দেয়া হয় এবং ৩০ মে'র মধ্যে রূপানত্মরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (সিএনজি), ৩০ জুনের মধ্যে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ ও চিটাগং ড্রাইডক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স (১০ শতাংশ), বাংলাদেশ কেবল শিল্প লিমিটেড, এ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস, হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (সোনারগাঁও হোটেল ৩০ শতাংশ) ও প্রগতিকে আসতে হবে।
বাখরাবাদ গ্যাস ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এবং টেলিটক, বিটিসিএল সেপ্টেম্বরের মধ্যে এবং কর্ণফুলী পেপার মিলকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাজারে শেয়ার ছাড়ার সময় বেঁধে দেয়া হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড আগামী ৬ মাসের মধ্যে শেয়ারের পরিবর্তে বন্ড ছাড়বে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু ও পদ্মা সেতু যৌথভাবে আগামী জুন বা জুলাই মাসে বাজারে শেয়ার ছাড়বে।
গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড, জালালাবাদ গ্যাস টিএ্যান্ডডি সিস্টেম লিমিটেডের সম্পদ মূল্যায়নে জটিলতা রয়েছে। এজন্য এসব কোম্পানিকে তালিকা থেকে প্রাথমিকভাবে বাদ দেয়া হয়েছে। সম্পত্তি সঠিক মূল্যায়নের জন্য এক মাস সময়ে দেয়া হয়েছে ওই তিনটি কোম্পানিকে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বেস্নড কোম্পানি ও জিইএম কোম্পানি লিমিটেড বাজারে আসছে না। তিনি আরও বলেন, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির সম্পদ মূল্যায়নের জন্য এসইসির চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি কমিটি করে দেয়া হয়েছে। সম্পদ মূল্যায়নের পর কোম্পানির বিষয়ে সিদ্ধান নেয়া হবে।
সরকারী ২৬টি প্রতিষ্ঠানকে গত দুই বছরে শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দফায় দফায় নির্দেশনা পাওয়ার পরও এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক সংশিস্নষ্ট মন্ত্রণালয় তা উপেক্ষা করে যাচ্ছে। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর ২৬ প্রতিষ্ঠানকে ডিসেম্বর পর্যনত্ম সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যেও শেয়ার বাজরে আসতে ব্যর্থ হয় প্রতিষ্ঠানগুলো।
এবার সময় বেঁধে দেয়ার পর প্রতিষ্ঠানগুলো না আসতে পারলে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে। শেয়ারবাজার স্থিতিশীল হওয়ার ব্যাপারে ফের অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি বাজার স্থিতিশীল হবে। শেয়ারবাজারের বিষয়ে যারা রাসত্মায় নেমে ভাংচুর করছে তারা রাভিস। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এক চক্র এসব ভাংচুর করছে।
কারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে করছে তাদের চিহ্নিত করা গেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইডেন্টি ফাই করা যায়নি। তা করতে গেলে গোয়েন্দা সহায়তা নিতে হবে।
শেয়ারবাজার নিয়ে আপনি এক কথা বলছেন, ভিন্ন কথা বলছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান। এতে বাজারে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এটি কেন হচ্ছে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় কমিটির কাজ সুপারিশ করা, সিন্ধানত্ম নেবে সরকার।
বাজার বাজারের গতিতে চলবে। অনেক পদৰেপ নেয়ায় বাজার পরিবর্তন হচ্ছে। আপনি কি মনে করেন এ সময় সরকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আসার সঠিক সময় এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, রাইট টাইম এখন আসার।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ছাড়াও যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই০-ইলাহী চৌধুরী, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী জিএম কাদের, বিদু্যত প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমানসহ সংশিস্নষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উর্ধতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 10:13 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দরপতন আর বিক্ষোভ
পুঁজিবাজার



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
11.02.2011


দেশের পুঁজিবাজারে টানা দরপতন এবং এর প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিৰোভ অব্যাহত রয়েছে। দিনভর ওঠানামার পর বৃহস্পতিবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক আরও ১৪৬ পয়েন্ট কমে গেছে। এ নিয়ে গত দু'দিনে সূচক ২৯৫ পয়েন্ট হ্রাস পেল।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, টানা দরপতনের পর অধিকাংশ শেয়ারই বিনিয়োগের ৰেত্রে ঝুঁকিমুক্ত অবস্থানে চলে এসেছে। কোম্পানিগুলোর বার্ষিক লভ্যাংশ ঘোষণা শুরম্ন হয়েছে। বাজারের ৭০ শতাংশ কোম্পানি ভাল মৌলভিত্তির হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এবার ভাল লভ্যাংশ পাবেন। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যশীল হতে হবে। প্রকৃত বিনিয়োগকারীরা অবশ্যই এ বাজার থেকে লাভবান হবেন।
বৃহস্পতিবার দিনের শুরম্নতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দর হ্রাসের মধ্য দিয়ে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরম্ন হলেও ১৫ মিনিটের ব্যবধানে তা বাড়তে শুরম্ন করে। লেনদেনের প্রথম ৫ মিনিটে সাধারণ সূচক কমে ১১৫ পয়েন্ট। কিন্তু ১৫ মিনিট পরে সূচক বাড়ে ২৫ পয়েন্ট। দিন শেষে সাধারণ সূচক বুধবারের চেয়ে কমে ১৪৬ পয়েন্ট। দিন শেষে কমেছে ২৩৩টি এবং বেড়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের দর। ডিএসইতে সারা দিনে ৫৬৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ১১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা কম।
এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জেও (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচকের পাশাপাশি কমেছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। বৃহস্পতিবার সিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ২১৬.৪২ পয়েন্ট কমে ১২১১০.৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে ১৮৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯টির, কমেছে ১৫৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের। সিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭৩ কোটি টাকা।
সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য, বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তার কারণে বাজারে এ অস্থিরতা চলছে বলে মনে করেন বিশেস্নষকরা। চলতি সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসই সূচকের বড় ধরনের পতন হয়েছে। প্রথম দু'দিন পতনের পর মঙ্গলবার অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়লেও শেষ দু'দিন আবারও বড় দরপতন ঘটেছে। বাজারের এই ধারাবাহিক নিম্নগতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন লাখ লাখ সাধারণ বিনিয়োগকারী। ক্রমাগত দরপতনের বিৰুব্ধ হয়ে প্রায় প্রতিদিনই মতিঝিল এলাকায় বিক্ষোভ করছেন তাঁরা।
শেয়ারের অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবারও রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় বিক্ষোভ করেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সপ্তাহের শেষদিনে ডিএসইতে লেনদেন শেষে দরপতনে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে আসে। তারা খ- খ- মিছিল নিয়ে ডিএসইর সামনে জড়ো হয়। বিক্ষোভকারীরা ডিএসইর সামনের রাসত্মা অবরোধ করে অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবর্নর, এসইসি চেয়ারম্যান এবং ডিএসই সভাপতির পদত্যাগের দাবি জানায়। এর আগে বিৰোভের আশঙ্কায় বেলা ২টা থেকে পুলিশ শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যনত্ম রাসত্মায় যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে পুলিশ বিনিয়োগকারীদের রাসত্মা থেকে সরিয়ে দিলে পুনরায় যান চলাচল শুরম্ন হয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 10:15 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
অধিকাংশ শেয়ারের দর মৌলভিত্তির নিচে নেমেছে ॥ শাকিল রিজভী


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
11.02.2011

একটানা মূল্য সংশোধনের কারণে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর মৌলভিত্তির নিচে নেমে এসেছে বলে মনে করেন ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, টানা দরপতনের পর অধিকাংশ শেয়ারই বিনিয়োগের ৰেত্রে ঝুঁকিমুক্ত অবস্থানে চলে এসেছে। কোম্পানিগুলোর বার্ষিক লভ্যাংশ ঘোষণা শুরম্ন হয়েছে। বাজারের ৭০ শতাংশ কোম্পানি ভাল মৌলভিত্তির হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এবার ভাল লভ্যাংশ পাবেন। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যশীল হতে হবে। প্রকৃত বিনিয়োগকারীরা অবশ্যই এ বাজার থেকে লাভবান হবেন।
তিনি বলেন, গত বছরের তৃতীয় প্রানত্মিকের আয়ের ভিত্তিতে হিসাব করলে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির গড় বাজার মূল্য ও আয়ের (পিই) অনুপাত ১৮-এর নিচে নেমে এসেছে। বার্ষিক হিসাবে এই অনুপাত আরও অনেক কমে আসবে। অর্ধেকেরও বেশি কোম্পানির পিই অনুপাত এখন ১৬-এর নিচে। ফলে বর্তমানে শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারীদের জন্য অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত। তবে তাদের অবশ্যই বিনিয়োগের মানসিকতা নিয়ে আসতে হবে।
ডিএসই সভাপতি বলেন, শেয়ারবাজারে প্রকৃত বিনিয়োগকারীদের আস্থার কোন ঘাটতি নেই। কিন্তু দৈনিক লেনদেনকারীদের (ডে ট্রেডার) কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। প্রতিদিন শেয়ার কেনা-বেচা করে লাভ করা সম্ভব নয়। এ ধরনের মানসিকতা থাকলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে। বিনিয়োগের মানসিকতা নিয়ে শেয়ারবাজারে এলে অবশ্যই লাভবান হওয়া যাবে।
তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে শেয়ারবাজারে বিপুলসংখ্যক নতুন লোক এসেছে। এদের অনেকেই বিনিয়োগকারী নয়, দৈনিক লেনদেনকারী। শেয়ারবাজার সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতা কম। বাজারে শেয়ারের দর বাড়তে শুরম্ন করলেই তাঁরা কেনা শুরম্ন করেন। আবার দর পড়তে থাকলে লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে শুরম্ন করেন। তাঁদের এ ধরনের আচরণ বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে।
শাকিল রিজভী বলেন, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে দৈনিক লেনদেনকারীদের সমস্যা হচ্ছে। এটা বিনিয়োগকারীদের সমস্যা না। কিছুদিন ধৈর্য ধরলেই প্রকৃত বিনিয়োগকারীরা এর ফল পাবেন। কারণ বাজার পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে।
ডিএসই সূচক সম্পর্কে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসই সভাপতি বলেন, সূচক দিয়ে শেয়ারবাজারের প্রকৃত অবস্থা চিহ্নিত করা যায় না। বাজারে বিনিয়োগের ঝুঁকি সম্পর্কে জানতে হলে বিনিয়োগকারী যে শেয়ারটি কিনবে তার মৌলভিত্তি দেখতে হবে। এছাড়া সামগ্রিকভাবে পিই অনুপাত কোন অবস্থানে রয়েছে_ তা দেখে বাজারের মৌলিক অবস্থা নির্ণয় করা সম্ভব। দেশের শেয়ারবাজারের বর্তমান গড় পিই অনুপাত বিনিয়োগকারীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তিনি বলেন, সূচক সব সময় গতিশীল। বাজারে নতুন কোম্পানি ও শেয়ার সংখ্যা বাড়লে সূচকও বাড়বে।
শাকিল রিজভী আরও বলেন, ডিএসইতে ২০০৭ সালে গড় পিই অনুপাত ছিল ১৮। ২০০৯ সালে এটা ২২-এ উঠেছিল। ২০১০-এ পিই অনুপাত ২৮ ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু সংশোধনের পর পিই অনুপাত এখন আবার ১৮-এর কাছাকাছি চলে এসেছে। ফলে সূচক যেখানেই থাক না কেন শেয়ারবাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর এখন ২০০৭-এর পর্যায়ে রয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যে যা বলুক না কেন_ শেয়ার কেনার সময় বিনিয়োগকারীদের নির্দিষ্ট কোম্পানির মৌলভিত্তি বিবেচনা করতে হবে। সূচক কম হলেও বেশি দরে খারাপ কোম্পানির শেয়ার কিনলে লোকসানের আশঙ্কা থেকেই যাবে। আবার সূচক বেশি হলেও ভাল দরে মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনলে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 10:17 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
যমুনা ও মেঘনার সরকারী শেয়ার বিক্রি শুরু এ মাসেই
মার্চের মধ্যে আরও শেয়ার ছাড়বে তিতাস, ডেসকো ও বিএসসি


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
11.02.2011



শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যমুনা অয়েল এবং মেঘনা পেট্রোলিয়ামের সরকারের হাতে থাকা শেয়ারের একাংশ চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বিক্রি শুরম্ন হবে। এছাড়া আগামী মার্চের মধ্যে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (ডেসকো) এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) বিক্রি শুরুন করবে সরকার। বৃহস্পতিবার সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের প্রসত্মাবের প্রেক্ষিতে গত বছরের ৩১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তালিকাভুক্ত সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারের হাতে থাকা শেয়ারের একাংশ বিক্রির অনুমোদন দেন। একইসঙ্গে পুঁজিবাজারের বাইরে থাকা সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তালিকাভুক্তির প্রস্তাবও অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে লিখিত অনুমোদন পাওয়ার পর ২ নবেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে তালিকাভুক্ত ৮টি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণকারী ৪ মন্ত্রণালয় এবং রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি দেয়া হয়। চিঠিতে ১৫ দিনের মধ্যে সংশিস্নষ্ট কোম্পানিগুলোর নির্ধারিত পরিমাণ শেয়ার বিক্রির বিষয়ে সরকারী সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তা বাস্তবায়ন করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়।
সরকারের সিদ্ধান্তম অনুযায়ী রূপালী ব্যাংকের ২৪.৫৫ শতাংশ (৩০ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫০টি) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন যমুনা অয়েল কোম্পানির ১৭ শতাংশ (৭৬ লাখ ৫০ হাজার), মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ১৭ শতাংশ (৭৮ লাখ ৫৪ হাজার, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টের ১৭.৩০ শতাংশ (১ লাখ ৭১ হাজার ৯৬২), তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ১৫ শতাংশ (১ কোটি ২৮ লাখ ৪৭ হাজার ৩৭), বিদ্যুত বিভাগের আওতাধীন ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (ডেসকো) ১৫ শতাংশ (২৪ লাখ ২ হাজার ৫৫৭), পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) ১৬.২৫ শতাংশ (৬৯ লাখ ২০ হাজার ৮১৯), নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ১৭.৫০ শতাংশ (৩ লাখ ৫০ হাজার) এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেডের ১.৯৪ শতাংশ (২৯ হাজার ১২৯) শেয়ার বিক্রি করা হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 10:21 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিন্যস্তকরণ প্রক্রিয়া শুরু করেছে ডিএসই
বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনার পর শুরু হবে চূড়ান্ত কাজ



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
11.02.2011


শেয়ারবাজারের সামগ্রিক কার্যক্রম বিন্যস্তকরণের (ডিমিউচ্যুয়া-লাইজেশন) সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই বিষয়টি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসিকে) অবহিত করা হয়েছে। ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের স্টক এঙ্চেঞ্জের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে যত দ্রুত সম্ভব বিন্যস্তকরণের চূড়ান্ত কাজ শুরু হবে বলে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী জানান।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শাকিল রিজভী বলেন, কয়েক বছর আগেও ডিএসইতে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ২০ কোটি টাকার মতো ছিল। সে সময় স্টক এঙ্চেঞ্জ বিন্যস্তকরণের পরিস্থিতি ছিল না। লেনদেনের পরিমাণ এখন অনেক বাড়লেও তা খুব বেশি দিনের ঘটনা নয়। তবে শেয়ারবাজারের স্বার্থেই বিন্যস্তকরণ প্রয়োজন। এ বিষয়ে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ বা সদস্যদের দ্বিমত নেই। বর্তমানেও ডিএসইর কার্যক্রম আংশিকভাবে বিন্যস্ত (সেমি-ডিমিউচ্যুয়ালাইজড) রয়েছে। ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাজে পরিচালনা পর্ষদ কোন হস্তক্ষেপ করে না। তবে ইতোমধ্যেই পরিচালনা পর্ষদ ডিএসইর পুরোপরি বিন্যস্তকরণ প্রক্রিয়া শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শীঘ্রই এ সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে।
তিনি বলেন, পাকিস্ত‍ানে স্টক এঙ্চেঞ্জ বিন্যস্তকরণে ৭ বছর সময় লেগেছে। বোম্বে স্টক এঙ্চেঞ্জ বিন্যস্ত করতে সময় লেগেছে ৫ বছর। ফলে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ বিন্যস্তকরণের জন্যও সময় লাগবে। তবে অন্যান্য দেশের তুলনায় কম সময়ের মধ্যেই এ কাজ শেষ করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডিএসই সভাপতি জানান, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর বিভিন্ন দেশে স্টক এঙ্চেঞ্জ বিন্যস্তকরণ প্রক্রিয়া ও অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এর ভিত্তিতে একটি কাঠামো নির্ধারণ করে চূড়ানত্ম কাজ শুরম্ন করা হবে।
স্টক এক্সেঞ্জের বিন্যস্তকরণ বা ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন বলতে এর মালিকানা, ব্যবস্থাপনা এবং লেনদেন কার্যক্রম পৃথকীকরণকে বোঝায়। বর্তমান ব্যবস্থা অনুযায়ী দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে মালিকানা, ব্যবস্থাপনা এবং লেনদেন একই কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। এৰেত্রে সদস্য বা ব্রোকাররা একইসঙ্গে স্টক এঙ্চেঞ্জের মালিক এবং বিনিয়োগকারী। আবার তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করেন। এভাবে স্টক এক্সেঞ্জ ও ব্রোকারেজ হাউসের কর্তৃত্ব একই ব্যক্তির হাতে থাকলে এবং তিনিই বিনিয়োগকারী হলে পুঁজিবাজার স্বাধীনভাবে চলতে পারে না। একই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ভিন্নধর্মী তিনটি দায়িত্ব পালন করায় স্টক এঙ্চেঞ্জের কার্যক্রমে তাদের স্বার্থগত বিষয় জড়িত হয়ে পড়তে পারে। এ কারণে আধুনিক পুঁজিবাজারে প্রতিটি সত্মরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ আলাদাভাবে পরিচালিত হয়। বিন্যসত্মকরণ হলে সদস্যরাই স্টক এঙ্চেঞ্জের মালিক থাকলেও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপৰ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে। আবার ব্রোকার বা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হবে সম্পূর্ণ তৃতীয় পৰ। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ইতোমধ্যেই স্টক এঙ্চেঞ্জ বিন্যসত্মকরণের মাধ্যমে মালিকানা, ব্যবস্থাপনা ও লেনদেন কার্যক্রম পৃথক করেছে।
দেশের পুঁজিবাজারের আধুনিকায়নের লৰ্যে সরকারের পৰ থেকে স্টক এঙ্চেঞ্জের কার্যক্রম বিন্যসত্মকরণের (ডিমিউচু্যয়ালাইজেশন) তাগিদ দেয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার ৰমতায় আসার পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিন্যসত্মকরণের ওপর জোর দিয়েছেন। বর্তমান সরকারের আমলেই এই বিন্যসত্মকরণ প্রক্রিয়া শেষ করা হবে বলে তিনি একাধিকবার ঘোষণা দিয়েছেন। গত বুধবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান স্টক এঙ্চেঞ্জগুলো বিন্যসত্ম করা না হলে প্রয়োজনে সরকার ন্যাশনাল স্টক এঙ্চেঞ্জ চালু করবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 10:23 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
আমানতের সুদের হার দ্বিতীয় দফা বৃদ্ধি
তারল্য সঙ্কট কাটাতে ব্যাংকগুলো বেশি সুদে আমানত সংগ্রহ করছে


খায়রুল হোসেন রাজু ॥
The Daily Janakantha
11.02.2011

দ্বিতীয়বারের মতো আমানতের সুদের হার বাড়িয়েছে অধিকাংশ ব্যাংক। ঋণ বিতরণে অতিরিক্ত প্রতিশ্রম্নতি পূরণ, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বিদ্যমান নগদ অর্থ সঙ্কট সমাধানের লৰ্যে আরেক দফায় সুদের হার বাড়ানো হচ্ছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ২টি ব্যাংকসহ বেসরকারী এবং বিদেশী একাধিক ব্যাংকও রয়েছে। আমানতের সুদের হার বৃদ্ধির ফলে বিতরণকৃত ঋণের ৰেত্রেও সুদ বাড়াতে হতে পারে বলেও একাধিক ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তারা মনত্মব্য করেছেন।
এদিকে ব্যাংকগুলোর তারল্য সঙ্কট সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে রেপো ও লিকিউডিটি সাপোর্ট (তারল্য বা নগদ অর্থ) সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রাইমারী ডিলার (পিডি) ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে লিকিউডিটি সহায়তার মাধ্যমে অর্থ সরবরাহ করছে চাহিদা অনুযায়ী। পাশাপাশি পিডি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বাইরেও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রেপোর মাধ্যমে অর্থ ছাড় দিচ্ছে। ক্রমেই এ অর্থ ছাড়ের পরিমাণ বাড়ছে। গড়ে দৈনিক প্রায় ৩ থেকে ৪শ' কোটি টাকা বেশি প্রদান করা হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে। যদিও ওভার নাইটের জন্য এসব অর্থ ধার দেয়া। কিন্তু ব্যাংকগুলো তা বিভিন্নভাবে দিনের পর দিন কৌশল পরিবর্তন করে সময় বাড়াচ্ছে বলেও জানা গেছে।
ব্যাংকগুলোর ফান্ড ম্যানেজমেন্টের কারণেই মূলত তারল্য সঙ্কট তীব্র থেকে তীব্র হয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে অতিরিক্ত ঋণ বিতরণে প্রতিশ্রম্নতি। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো আগ্রাসী বিনিয়োগ করেছে। ডিপোজিটের পাশাপাশি মূলধন থেকেও ঋণ বিতরণ করেছে অনেক ব্যাংক। এতে এখন ডিপোজিট সঙ্কট লৰ্য করা গেছে। তারল্য সঙ্কট থাকায় নতুন করে বিনিয়োগ না বাড়লেও আগের বিনিয়োগের প্রতিশ্রম্নতি পূরণ করতেই হিমশিম খাচ্ছে অধিকাংশ ব্যাংক।
ডিপোজিট সংগ্রহের কারণ হলো তারল্য সঙ্কট সমাধান। অতিরিক্ত আমদানি ব্যয় মেটাতে ব্যাংকগুলো টাকা দিয়ে ডলার ক্রয় করে এলসি খুলছে। এতে ডলারসহ নগদ টাকার সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। বর্তমানে এলসির পরিমাণ বেড়েছে অনেকগুণ। জানা গেছে, ২০১০ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর এবং এর আগের বছরের ওই একই সময় পর্যনত্ম (৬ মাসে) ৪৫ হাজার ২৮০ কোটি টাকার বেশি এলসি খোলা হয়েছে। আর ওই একই সময়ে নিষ্পত্তি হয়েছে ৩১ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।
জানা গেছে, ২০১০ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যনত্ম খাদ্য পণ্য, মধ্যবতর্ী কাঁচামাল (ইন্টারমিডিয়েট গুডস), শিল্প কাঁচামাল, পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়াম পণ্য, ক্যাপিটাল মেশিনারী এবং ৰুদ্র ও মাঝারি শিল্প উন্নয়নের জন্য ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকার ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। কিন্তু এর আগের বছর ওই একই সময়ে প্রায় ৯১ হাজার ১৬২ কোটি টাকার পণ্য আমদানি করা হয়েছিল। গত ২০০৯ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর এবং ২০১০ সালের ওই একই সময়ের (ছ'মাসের) তুলনায় পণ্য প্রায় ৪৫ হাজার ২৮০ কোটি টাকার আমদানির পরিমাণ বেড়েছে। অর্থাৎ এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে। ঋণপত্র খোলার পাশাপাশি নিষ্পত্তির (সেটেলমেন্ট) পরিমাণও বেড়েছে ওই সময়ে। ২০০৯ সালের জুুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যনত্ম বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংক সরকারী ও বেসমরকারীসহ একাধিক কোম্পানির প্রায় ৭৪ হাজার ৪৬ কোটি টাকার পণ্য নিষ্পত্তি করেছে। কিন্তু ২০১০ সালের ঠিক ওই একই সময়ে এলসি নিষ্পত্তির ছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা। ছ'মাসের ব্যবধানে এলসি নিষ্পত্তির প্রবৃত্তি হয়েছে প্রায় ৩২ হাজার কোটি টাকা।
অতিরিক্ত আমদানি করার লৰ্যে বাজারে ডলারের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। যদিও আমদানির বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি নির্দেশনাও রয়েছে। কিন্তু এ নির্দেশনা অমান্য করেই ৭টি ব্যাংক অতিরিক্ত আমদানি করছে। ব্যাংকগুলোর প্রায় ৪৬ শতাংশ পর্যনত্ম বেশি ঋণপত্র বা এলসি খুলেছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার ব্যাংক এবং বেসরকারী তিন ব্যাংক রয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/10/2011 10:33 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সাংবাদিকদের ডিএসইর প্রেসিডেন্ট
ডিমিউচুয়ালাইজেশনের কাজ শুরু করা হয়েছে


নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১১-০২-২০১১
Prothom-Alo



ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ডিমিউচুয়ালাইজেশনের কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী। বিষয়টি ইতিমধ্যে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকেও অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএসইতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শাকিল রিজভী এসব কথা বলেন। তবে তিনি এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেননি।
উল্লেখ্য, গত রোববারই এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শেয়ারবাজারে ডিমিউচুয়ালাইজেশনের অর্থাৎ স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসা পৃথক্করণ করার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘যিনি বিনিয়োগকারী, তিনিই ব্রোকার—এটা ততটা ভালো বিষয় নয়। তাই বর্তমান সরকারের ক্ষমতা থাকতে থাকতেই ডিমিউচুয়ালাইজেশন করা হবে।’
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজেশনে আপত্তি করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গতকাল ডিএসইর প্রেসিডেন্ট বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে আরও বলেন, আপনারা কেউ ধৈর্যহারা বা বিচলিত হবেন না। বাজারে যথেষ্ট মূল্য সংশোধন হয়েছে। এ মুহূর্তে ভালো মৌল ভিত্তির শেয়ার ক্রয়ের জন্য তিনি বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাকিল রিজভী বলেন, বর্তমানে যে মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত রয়েছে, তা বাজারের জন্য খুবই সহনীয়। পিই অনুপাত বর্তমানে ১৮, যা গত বছর ছিল ২৯। ২০০৭ সালে এই অনুপাত ছিল সাত। তাই তুলনামূলকভাবে বাজারে পিই রেশিও যথেষ্ট ভালো।
শাকিল রিজভী আরও বলেন, আপনারা ডে ট্রেডার বা প্রতিদিনের ব্যবসায়ী না হয়ে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য বাজারে আসুন। বিনিয়োগকৃত কোম্পানির লভ্যাংশ ও বোনাস খান, তাহলে সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পরে লাভবান হবেন।
ডিএসইর প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, সূচক দেখে কখনো বাজারের অবস্থা নির্ণয় করা যায় না। এটা নিরূপণ করতে হবে কোম্পানির অবস্থা দেখে। আর সূচক হচ্ছে গতিশীল। এটা কোম্পানির দাম বাড়লে বাড়বে, দাম কমলে কমে যাবে। কোম্পানির ওপরই এটা নির্ভরশীল। সুতরাং, সূচক কত বাড়বে বা কমবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।
শেয়ারবাজারে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে ডিএসই কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে নিজ উদ্যোগে কাজ শুরু করেছে বলেও তিনি জানান।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 33 / 40 1 - 2 - 3.. - 31 - 32 - 33 - 34 - 35.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview