DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 31 / 40 1 - 2 - 3.. - 29 - 30 - 31 - 32 - 33.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
02/08/2011 6:44 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিক: লোটাস কামাল

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


শেয়ারবাজারের অস্থিতিশীলতার জন্য বিরোধী দলীয় ব্যবসায়ীদের দায়ী করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্য রাজনৈতিক বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল)। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কমিটির ৩৩তম বৈঠক শেষে জাতীয় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
লোটাস কামাল বলেন, আমরা চাই পুঁজিবাজারে সামপ্রতিক অস্থিতিশীলতার কারণ উদঘাটনে গঠিত তদন্ত কমিটি স্বাধীনভাবে কাজ করুক। তাই এ নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
পরবর্তীতে সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হয়ে মুখ খোলেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কোন পরিস্থিতিতে এটা বলেছেন আমি তা বলতে পারবো না। এটা একটি রাজনৈতিক বক্তব্য। নিশ্চয়ই কোনো তথ্যের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী এমনটা বলেছেন। সেই তথ্য কি তা আমার জানা নেই। তাই এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
পুঁজিবাজারের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা আর সাদা টাকা আরো সাদা করার সুযোগ দেয়ার ফলে বাজারের এ অস্বাভাবিক স্ফীতির কারণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাচ্ছে এবং ফি রেশীয় অতিমাত্রায় বেশি সেগুলোর ক্ষেত্রে সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) প্রাইস ব্রেকার দেয়ার প্রস্তাব করে সংসদীয় কমিটি। কিন্তু বিশ্বের কোথাও এমন নিয়ম নেই উল্লেখ করে এসইসি তা করেনি। এটা করলে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হত না।
লোটাস কামাল বলেন, সরকার ক্ষমতাগ্রহণের সময় শেয়ারবাজারের সূচক ছিল ২ হাজার ৬শ পয়েন্টের মতো। হঠাৎ তা বেড়ে ১০ হাজার পয়েন্ট হয়ে গেল। কিন্তু এ ২ বছরে দেশে এমন কোনো শিল্পায়ন হয়নি যে, পুঁজিবাজারের ইনডেঙ্ এত বেড়ে যেতে পারে। সূচক বৃদ্ধির এ বিষয়টি পুরোপুরি কৃত্রিম। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের সূচক এখনো ৭ হাজার আছে। এটি যতদিন সাড়ে ৩ বা ৪ হাজার পয়েন্টে না নামবে, কেউ না কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এর আগে বৈঠকে আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য একেএম মাঈদুল ইসলাম, এম কে আনোয়ার, মো. মতিউর রহমান, মো. তাজুল ইসলাম, এম এ মান্নান ও ফরিদা রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর আতিউর রহমান, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ তারেক, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মনজুর হোসেন, এফবিসিসিআই সভাপতি এ কে আজাদ, এমসিসিআই সহ-সভাপতি নিহাদ কবিরসহ অর্থমন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসকে/ এআই/ ১৭.২০ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 6:46 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শুরুতে বিক্ষোভ, শেষে কেনার চাপ
     

ঢাকা, ফেব্র"য়ারির ০৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


পুঁজিবাজারে লেনদেনের বেশিরভাগ সময় উত্থান-পতন এবং বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভের পর দিন শেষ হয়েছে সূচকের ঊর্ধ্বমুখি প্রবণতায়।

মঙ্গলবার দিন শেষে (বিকাল ৩টায়) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক তিনশ ৪৫ দশমিক ৩২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ছয়শ ৫১ দশমিক ৭৯।

ডিএসই'র এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, লেনদেনের শেষদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনায় এসময় চাপ বেড়েছে।

মঙ্গলবার লেনদেন হয় সাতশ ৮৭ কোটি কোটি ছয় লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন হওয়া মোট দুশ ৫৫টি শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে দুশ ৪৩ টির, কমেছে ১১টির।

বিক্ষোভের সময় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিক্ষোভের কারণে প্রায় দু'ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মতিঝিল শাপলা চত্ত্বর থেকে রামকৃষ্ণ মিশন মোড় পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয় বেলা ২টার পর।

এক সিইও'র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) বাজারে সক্রিয় থাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।

বেলা সাড়ে ৩টায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) এক বৈঠকের পর সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

গত ২০ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে ধসের পর যে ছয়টি ব্রোকারেজ হাইজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) বাজারে সক্রিয় থাকা বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল তার একটি অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ।

সূচকের ওঠানামা, বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারী
সকাল ১১টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনেদেনের শুরুতে মূল্যসূচক বেড়ে ১২টার দিক থেকে কমতে থাকে।

সকাল পৌনে ১২টায় মূল্যসূচক বাড়ে ১৫৬ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট। বেলা ১২টা ৪২ মিনিটে মূল্যসূচক কমে ৪২ দশমিক ৯১ শতাংশ। বেলা সোয়া ১২টায় মূল্যসূচক কমে ১৮ দশমিক ৬০ শতাংশ।

দুপুর ১টা ১০ মিনিটে মূল্যসূচক বাড়ে ৩৩ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট। দুপুর ১টা ৫৭ মিনিটে সূচক বাড়ে ৬১ দশমিক ৯১ শতাংশ। এসময় পর্যন্ত লেনদেন হয় চারশ ৭১ কোটি পাঁচ লাখ টাকার শেয়ার।

এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হওয়া দুশ ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মধ্যে দাম বাড়ে একশ আটটির, কমে একশ ৩৭টির। দাম অপরিবর্তিত ছিলো চারটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের।

সকাল ১২টায় সূচক কমতে শুরু করার সময় থেকেই একটি ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন বিনিয়োগকারীরা। এর আগে সকাল সোয়া ১১টার দিকে সূচক বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন কয়েকজন বিনিয়োগকারী।

বিক্ষুব্ধরা ডিএসই ভবনের উল্টোদিকের রহমান ম্যানশনসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি ভবনের জানালায় ইট-পাটকেল ছুড়ে মারেন। রহমান ম্যানশনে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভির ব্রোকারেজ হাইজের কার্যালয়।

বিক্ষুব্ধরা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ চারজনের পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান দেন।

বেলা ১টার দিকে বিক্ষুব্ধরা ওই সড়কে ছয়-সাতটি বেসরকারি ব্যাংকের বিজ্ঞাপনী বোর্ড ভাংচুর করেন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে তিনদফা লাঠিচার্য করেছে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পাঁচ রাউন্ড। ডিএসই ভবনসহ বিভিন্ন ভবন থেকে পুলিশের ওপর খালি পানির বোতল, ইট-পাটকেল ছুড়ে মারা হয়।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, ১০-১৫ জন মানুষের জন্য লাখো বিনিয়োগকারীকে 'পথে বসানো' চলবে না। বিক্ষোভকারীরা একটি ঝাড়– মিছিলও করেন। তারা অর্থমন্ত্রী, ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভি, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমানের পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান দেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/পিডি/১৬০৮ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 6:48 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, পুলিশের টিয়ারশেল, গ্রেপ্তার ৩

গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


ঢাকা : পুঁজিবাজারে টানা চতুর্থদিনের দরপতনের পর পুলিশের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি সামল দিতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। সাংবাদিকদের ওপরও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। যান চলাচল বন্ধ থাকে।

বাজার স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

বেলা ২টার পর ঘটনাস্থল থেকে ৩ বিনিয়োগকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আব্দুর রহমান, আবদুর রাজ্জাক ও নজরুল।  

দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে বিনিয়োগকারীরা মধুমিতার পাশের ভবন রহমান ম্যানসনে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।

এই ভবনে ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভীর ব্রোকার হাউজ, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আছে।

১২টা ৪৮ মিনিটে বিনিয়োগকারীরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশও পাল্টা অ্যাকশনে যায়। এ সময় পুলিশ বিনিয়োগকারীদের ওপর ব্যাপক লাঠিচার্জ করে ও ৩টি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

এছাড়া এ সময় পুঁজিবাজার এলাকার অলিগলিতে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হন বাংলানিউজের ফটোগ্রাফার রাকেশ।

টানা তিন দিন দরপতনের পর মঙ্গলবার সকালে ঘুরে দাঁড়ালেও মাত্র ১২ মিনিটের দেনদেনের মাথায় দরপতন শুরু হয় দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে।

শুরু ৬ মিনিটের মধ্যে ২৩৪ পয়েন্ট বেড়ে গেলেও তা ৬ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়নি। ১১টা ১২ মিনিটে দরপতন শুরু হয়।

দরপতনের প্রতিবাদে দুপুর ১২টায় বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকার হাউস থেকে মিছিল করে ডিএসইর সামনে নেমে এসে  বিক্ষোভ শুরু করে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ফোরামের ব্যানারে শুরু হয় ঝাড়– মিছিল।

তারা ‘অর্থমন্ত্রীর গদিতে আগুন জালাও’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। মধুমিতার সামনে টায়ারে আগুন ধরিয়ে সড়ক অবরোধ করেন বিনিয়োগকারীরা।

বিনিয়োগকারীরা মিছিল নিয়ে মধুমিতা সিনেমা হল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন পর্যন্ত আসা যাওয়া করতে থাকেন।

এ সময় শাপলা চত্বর , ডিএসইর সামনে, মধুমিতার সামনে ও ইত্তেফাক ভবনের দিকে অবস্থান নেয় বিপুল সংখ্যক পুলিশ।  

এর আগে সকালে বিনিয়োগকারীরা মানববন্ধন করেন এবং অর্থমন্ত্রীর কুশপুতুল তৈরি করে তাতে জুতোর মালা পরান। ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন চলে।

মঙ্গলবার লেনদেন শুরুর প্রথম ছয় মিনিটের মধ্যেই সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৩৪ পয়েন্ট বেড়ে গেলেও
দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া ২৪৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বাড়ে ৫৪টির। কমে ১৭০টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

ওই সময় পর্যন্ত সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৯৭ পয়েন্ট কমে ৬২৯৭ পয়েন্টে নেমে আসে।

বাংলাদেশ সময়: ১২২০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 6:50 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ডিএসই
বিনিয়োগকারী-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ১০, আটক তিন


অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ০৮-০২-২০১১
Prothom-Alo




দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে আজ মঙ্গলবারও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সূচকের পতন শুরু হয়। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে সাধারণ সূচক ১০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা বরাবরের মতো আজও রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে বিভিন্ন হাউস থকে কয়েক শ বিনিয়োগকারী তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। বিনিয়োগকারীরা আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে আর কে মিশন রোড পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা ওই সড়কের দুই পাশের ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করলে পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যান। বিনিয়োগকারীদের সড়ক থেকে সরাতে পুলিশ কয়েক দফা লাঠিপেটা ও ছয়টি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় বিনিয়োগকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকা থমথমে অবস্থা বিরাজ করে। এ সময় সেখানে কর্তব্যরত মতিঝিল থানার পেট্রোল পরিদর্শক আবু হাজ্জাজ, উপপরিদর্শক সমীর, কনস্টেবল রানা মিয়া, বাংলা নিউজের ফটো সাংবাদিক জোবায়ের রাকেশ, মাই টিভির ক্যামেরাম্যান রাজিব ফকরুল, মাই টিভির সাংবাদিক হাসান জাকিরসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। এঁদের মধ্যে রানা মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক। বেলা আড়াইটার দিকে সূচক ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এ দিকে বিনিয়োগকারীরা সময় টেলিভিশনের গাড়িসহ অন্তত ১০টি গাড়ি, রহমান চেম্বার, রশীদ মোটর ভবন, হোটেল ঘরোয়া ভবন, ইসলামী ব্যাংক অফিস, বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ডের ভবনসহ বেশ কিছু ভবনের গ্লাস ভাঙচুর করেন। এ সময় পুলিশ তিনজনকে আটক করে।
এ ব্যাপারে আবু হাজ্জাজ বলেন, ‘সকাল থেকেই বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। তবে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁরা বেপরোয়া হয়ে গেলে আমরা তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছি।’ তিনি বলেন, সবাই সমস্যা করছে না, কিছু কিছু লোক সমস্যার সৃষ্টি করছে।
আবু হাজ্জাজ তিনজনকে আটক করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাজার পরিস্থিতি: আজ লেনদেনের শুরুতে সাধারণ সূচক বেড়ে গেলেও কিছুক্ষণের মধ্যে সূচকের পতন শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাধারণ সূচক ৫০ পয়েন্ট কমে গেলেও এরপর ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে সাধারণ সূচক। দিনের সাধারণ মূল্যসূচক ৪২৮.৩২ পয়েন্ট বেড়ে ৬৮২২.৮৫ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ মোট ২৫৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টির এবং কমেছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে আজ মোট ৭৮৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক আজ ১০৬২.৩৮ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে ১৯৪৯১.৫২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আজ সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৭টির, কমেছে ১৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মোট তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। আজ সেখানে ১১৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 8:49 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মতিঝিল রণক্ষেত্র



অশান্ত পুঁজিবাজারে ফের বিক্ষোভ ভাংচুর, আহত ২০


০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
09.02.2011



পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতনে মতিঝিল এলাকায় বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। গতকাল দুপুরে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে পুরো মতিঝিল এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিক্ষুব্ধরা মতিঝিল এলাকায় ২০/২৫টি দোকান এবং কয়েকটি অফিসে ভাংচুর চালায়। এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জ এবং বিক্ষোভকারীদের ইট-পাটকেল নিক্ষেপে পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে আটক করলেও থানায় তিনজনকে গ্রেফতার দেখিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর আধাঘন্টা পর দরপতনে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা মতিঝিলের রাস্তায় নেমে আসে। বেলা ১১ টার দিকে বিনিয়োগকারীরা একটি ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। তখন বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজ থেকে বিনিয়োগকারীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে ডিএসই'র সামনে জড়ো হয়। টানা চতুর্থদিনের মত ব্যাপক দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধরা ডিএসই ভবনের উল্টোদিকের রহমান ম্যানশনসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি ভবনের জানালায় ইট-পাটকেল ছুঁড়ে মারে। বিক্ষুব্ধরা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, সিএসই এবং ডিএসই চেয়ারম্যানসহ চারজনের পদত্যাগ দাবি করে এবং 'পথে বসানো চলবে না' বলে শেস্নাগান দিতে থাকে।

তারা ডিএসই'র সামনের রাস্তা অবরোধ করে একটি ঝাড়- মিছিল করে। এ সময় বিক্ষুব্ধরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। পুলিশ তাদেরকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষোভ আরো ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা রাস্তার পাশে দুই ধারে দোকানগুলো এবং ফুটপাতের দোকানে ভাংচুর চালায়। অনেকে ফুটপাতের দোকানদারদের মালামাল রাস্তার উপর ফেলে দেয়। এ পরিস্থিতিতে পুলিশ তাদের উপর লাঠিচার্জ করে। তখন দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। ডিএসই ভবনসহ বিভিন্ন ভবন থেকে পুলিশের ওপর খালি পানির বোতল, ইট-পাটকেল ছুঁড়ে মারা হয়। পুলিশ তখন আরো মারমুখী হয়ে ওঠে। দুপুর ১টার দিকে বিক্ষুব্ধরা ওই সড়কে ছয়-সাতটি বেসরকারি ব্যাংকের বিজ্ঞাপনী বোর্ড ভাংচুর করে। তখন পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে তিনদফা লাঠিচার্জ এবং পাঁচ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে রাস্তা থেকে বিক্ষুব্ধরা সরে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং সড়কটিতে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মতিঝিল থানার ওসি তোফাজ্জেল হোসেন জানান, এ ঘটনায় বিক্ষোভকারীদের হামলায় ৩ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। তবে এদের মধ্যে কনস্টেবল রানা বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে আব্দুর রাজ্জাক, নজরুল ইসলাম ও আব্দুর রউফ নামে তিনজনকে থানায় আটক রাখা হয়েছে
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 8:50 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার বাজারে সূচকের উত্থান পতন

০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
09.02.2011



টানা তিন দিন দরপতনের পর মঙ্গলবার সকালে ঢাকার শেয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়ালেও মাত্র কয়েক মিনিট পর দরপতন শুরু হয়। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শুরুতে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইন্সু্যরেন্সসহ মৌলভিত্তির শেয়ারের দাম বাড়ায় মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে সাধারণ সূচক ২৩৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। পরবর্তী দেড় ঘণ্টায় অধিকাংশ শেয়ারের দর কমার কারণে সূচক ৭৭ পয়েন্ট কমে যায়। বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভের পরে দিনশেষে অধিকাংশ শেয়ারের মূল্য আগের দিনের চেয়ে বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণ সূচক ৪২৮ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৮২২ পয়েন্টে স্থির হয়। বাজার বিশেস্নষণে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে মোট ২৫৪ টি কোম্পানির ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৬ টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসই'তে গতকাল মোট লেনদেনের পরিমাণ ৭৮৭ কোটি ৬৮ লাখ ৭৯ হাজার ৬৫৯ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৭৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা বেশি।

ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪২৮ দশমিক ৩২ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৮২২ দশমিক ৮৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই- ২০ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৩শ' পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৫৩৪ দশমিক ৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল লেনদেনকৃত ২৫৪ টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩ টির এবং কমেছে ১১ টি কোম্পানির শেয়ার। লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো-ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউসিবিএল, গ্রামীণ ফোন, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, বে-লিজিং, পিপলস লিজিং এণ্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, সাউথইস্ট ব্যাংক, বেক্সটেক্স ও ওয়ান ব্যাংক।

অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো-দেশবন্ধু পলিমার, ফু-ওয়াং ফুডস, বিডি ফাইন্যান্স, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, রেকিট বেঙ্কাইজার, আর এন স্পিনিং, কর্ণফুলী ইন্সুরেন্স, কেয়া কসমেটিকস, উত্তরা ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংক।

অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো-ব্র্যাক ২য় বন্ড, সমতা লেদার, মুন্নু স্টাফলার, সমরিতা হাসপাতাল, সাভার রিফ্রেক্টরীজ, রেকিট বেঙ্কাইজার, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, লীগেসী ফুটওয়্যার, লিব্রা ইনফিউশন্স ও ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 8:52 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক লেনদেনেও ॥ 'অস্বাভাবিক বিক্ষোভ'
০ লেনদেন শুরুর আগেই মিছিলের প্রস্তুতি হিসেবে নিয়ে আসা হয়, অর্থমন্ত্রীর কুশপুতুল, ব্যানার ও ঝাড়ু
০ টোকাই শিশুদের নিয়ে আসা হয় মিছিলে
০ বিনিয়োগকারী পরিচয় দিয়ে একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ চালায় ব্যাপক তাণ্ডব



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
09.02.2011


পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক লেনদেনেও মতিঝিল এলাকায় অস্বাভাবিক বিৰোভ ও ব্যাপক ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে বিনিয়োগকারী পরিচয়ধারী একটি গ্রুপ। মঙ্গলবার দিনের শুরুতে অধিকাংশ শেয়ারের দর বৃদ্ধির পর কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হতেই মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে এরা। ডিএসই সাধারণ সূচক ১০০ পয়েন্ট নেমে যাওয়ার পর শুরু হয় ব্যাপক তা-ব। বিৰোভকারীরা ডিএসই ভবনের বিপরীতে অবস্থিত রহমান ম্যানশনসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি ভবনে ব্যাপক ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর চালায়। তারা এ সময় টেলিভিশনের একটি গাড়ি এবং রাসত্মার মাঝে স্থাপিত কয়েকটি বেসরকারী ব্যাংকের বেশ কিছু বিজ্ঞাপন বোর্ড ভাংচুর করে। এতে বাধা দিতে গেলে ভাংচুরকারীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে পানির বোতল ও ইট-পাটকেল নিৰেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ছয় রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিৰেপ করে। উভয় পৰের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে দুই সাংবাদিক ও এক পুলিশ সদস্যসহ প্রায় ২০ জন আহত হন। এ সময় পুলিশ ৪ জনকে আটক করে।
প্রত্যৰদর্শীরা জানান, পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনের কারণে গত দু' মাসে দফায় দফায় বিৰোভ ও ভাংচুর হলেও মঙ্গলবারের ঘটনার প্রকৃতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এর আগে বাজারে ব্যাপক দরপতন শুরম্ন হলে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে বিনিয়োগকারীরা একত্র হয়ে বিৰোভ করেছে। এতে পুলিশ বাধা দিলেই বিনিয়োগকারীরা ভাংচুরসহ উচ্ছৃঙ্খল ঘটনা ঘটিয়েছে। কিন্তু মঙ্গলবার বিৰোভের পুরো ঘটনাই ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। লেনদেন শুরম্নর আগেই মিছিলের প্রস্তুতি হিসেবে বেশ কিছু ব্যানার, ঝাড়ু ও অর্থমন্ত্রীর কুশপুতুল নিয়ে আসা হয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাজার কিছুটা নিম্নমুখী হতেই শুরম্ন হয় বিৰোভ। টোকাই, শিশু-কিশোর এবং হকারদেরও এ বিৰোভে অংশ নিতে হয়েছে।
সামান্য দরপতন ব্যাপক তাণ্ডব ॥ সোমবার ব্যাপক দরপতনের পর মঙ্গলবার সকালে সূচকের উর্ধগতি দিয়ে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। আধাঘণ্টার মধ্যে সাধারণ মূল্যসূচক ২৩৬ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এ সময় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় অধিকাংশ শেয়ারের দর কমে যেতে থাকে। ১৫ মিনিটের মধ্যে মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় ১০৪ পয়েন্ট কমে যায়। তবে দরপতনের এ মাত্রা ছিল গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেক কম। গত চার দিন একসঙ্গে প্রায় সব শেয়ারের দর কমলেও মঙ্গলবার বাজারের আচরণ ছিল স্বাভাবিক। সূচক কমলেও বেলা পৌনে ১২টার দিকে লেনদেন হওয়া ৬১টি কোম্পানির দর আগের দিনের তুলনায় বেশি ছিল। এছাড়া অনেক কোম্পানির দর স্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করছিল। এরপরও বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে এক দল বিনিয়োগকারী ব্যানার ও ঝাড়ু নিয়ে রাসত্মায় নেমে আসে। এ সময় বিনিয়োগকারীদের দু'টি সংগঠন ডিএসই'র সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।
অন্যদিকে বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচয় দেয়া আরেক দল মতিঝিল এলাকায় ব্যাপক তা-ব শুরম্ন করে। এরা শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যনত্ম রাসত্মা বন্ধ করে বেপরোয়া ভাংচুর ও পুলিশকে লক্ষ্য করে বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। ডিএসই ভবনের আশপাশের প্রতিটি ভবনেই ইট-পাটকেল নিৰেপ করে ভাংচুর চালানো হয়। এরমধ্যে ডিএসই মূল ভবন এবং এর উল্টো দিকের রহমান ম্যানশনে ভাংচুরের মাত্রা ছিল সবচেয়ে বেশি। তারা বিনা উস্কানিতে পুলিশ ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। এতে দুই জন সাংবাদিক ও একজন পুলিশ আহত হয়। এ সময়ে বিভিন্ন ভবনের ওপর থেকে বিনিয়োগকারীরা পুলিশের ওপর পানির বোতল, ময়লা আবর্জনা এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
পৌনে একটার দিকে বিৰোভকারীরা মিছিল নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে পুলিশের বাধায় তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। এ সময় তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অগি্নসংযোগ করে। সেখান থেকে ফিরে রহমান ম্যানশনে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভীর ব্রোকারেজ হাউসসহ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউসে ভাংচুর চালায়। বেলা দেড়টার দিকে তারা দিলকুশার জীবনবীমা টাওয়ারে হামলা চালায়। বিনিয়োগকারীরা এ সময় রাসত্মার ওপরে বেশ কয়েকটি গাড়ি, বেসরকারী ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের বিলবোর্ড এবং রিকশা ভাংচুর করে। বেলা ১টা ১০ মিনিটের দিকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভাংচুরকারীদের ওপর লাঠিচার্জ শুরম্ন করে। এ সময় ৮ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে।
দিন শেষে বাজারে উর্ধগতি ॥ রাস্তায় ব্যাপক ভাংচুর চললেও মঙ্গলবার শেয়ারবাজারে লেনদেন পরিস্থিতি ছিল অনেকটা স্বাভাবিক। দিন শেষে ডিএসইতে ২৫৪টি কোম্পানির ৬ কোটি ৭৯ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার মোট মূল্য ছিল ৭৮৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে আর্থিক লেনদেন বেড়েছে ১৭৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। ডিএসইর সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪২৮ দশমিক ৩২ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৮২২ দশমিক ৮৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৯৬ দশমিক ৯১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৫৩৪ দশমিক ৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫৪টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৩ টির এবং কমেছে ১১টি কোম্পানির শেয়ারের দর। ডিএসইর বাজার মূলধন আগের দিনের চেয়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা বেড়ে ৩ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, মূলত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হয়ে ওঠার কারণেই পুঁজিবাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা শুরম্ন হয়েছে। বেশ কিছুদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান শেয়ার কেনা শুরম্ন করে। এতে বাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়ে যায়। কিন্তু বর্ধিত দরে অনেক প্রতিষ্ঠান শেয়ার কিনতে আগ্রহী না থাকায় ১০ মিনিটের মধ্যেই বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরম্ন হয়। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে অনেক সাধারণ বিনিয়োগকারী বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়লে দরপতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এ সময় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োকারীরা আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে বেলা ১২টা থেকে অধিকাংশ শেয়ারের দর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ওই সময় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত চলতি সপ্তাহেই শেয়ারবাজার ঠিক হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ খবর পাওয়ার পর অধিকাংশ বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রির সিদ্ধানত্ম থেকে সরে দাঁড়ায়। তবে বাজারের ইতিবাচক গতি সম্পর্কে আশাবাদী হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার প্রবণতা অব্যাহত ছিল।
রাজশাহীতে বিক্ষোভ ॥ পুঁজিবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাজশাহীতে ব্যাপক বিৰোভ ও ভাংচুর করেছে বিনিয়োগকারীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশের লাঠিচার্জে অনত্মত ১০ জন আহত হয়েছে।
বেলা সোয়া ১২টার দিকে বিনিয়োগকারীরা দরপতনের প্রতিবাদে বিৰোভ মিছিল ও রাজশাহী আইসিবি সেন্টারে হামলা চালালে পুলিশ এসে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিৰেপের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ লাঠিচার্জ শুরম্ন করে। এতে অনত্মত ১০ জন আহত হয়েছে বলে বিনিয়োগকারীরা জানান।
এ ঘটনার পর দ্বিতীয় দফায় নগরীর কুমারপাড়া এলাকায় আইসিবির সামনে বিনিয়োগকারীরা সড়কে ব্যাপক বিক্ষোভ করে। তারা আইসিবি ভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
ৰুদ্র বিনিয়োগকারীরা জানান, লেনদেন শুরম্নর প্রথম ৪০ মিনিটের মধ্যে সাধারণ সূচক পড়ে যায় ৪০০ পয়েন্ট। পরিস্থিতি দেখে তাৎৰণিকভাবে লেনদেন বন্ধ করে দেয়ায় রাসত্মায় নেমে এসে বিৰোভ শুরম্ন করে বিনিয়োগকারীরা। এসময় পুলিশের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
কুমিলস্নায় বিৰোভ ভাংচুর ॥ পুঁজিবাজারে দরপতনকে কেন্দ্র করে কুমিলস্নায়ও বিক্ষোভ-ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টায় ডিএসই সাধারণ সূচক ১০৪ পয়েন্ট পড়ে গেলে স্থানীয় ৯টি ব্রোকারেজ হাউসের বিনিয়োগকারীরা লেনদেন বন্ধ করে রাসত্মায় নেমে পড়ে। বিনিয়োগকারীরা মিছিল করে শহরে কান্দিরপাড় পূবালী চত্বর মোড়ে অবস্থান নেয়। ওই সময় এনসিসি ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউস লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে এনসিসি ব্যাংক অফিসের জানালার কয়েকটি কাঁচ ভেঙ্গে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় প্রায় ১ ঘণ্টা কান্দিরপাড় এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।
সিলেটে মিছিল ॥ সিলেটের বিশ্বনাথে শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে বিনিয়োগকারীরা ঝাড়ু ও জুতা মিছিল করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্বনাথ নতুনবাজার থেকে প্রায় অর্ধশতাধিক বিনিয়োগকারী এ মিছিল বের করে। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নতুন বাজারে এসে শেষ হয়। এসময় বিনিয়োগকারীরা ঝাড়ু ও জুতা হাতে নিয়ে অর্থমন্ত্রীকে কটূক্তি করে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 8:53 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তায় উর্ধমুখী পুঁজিবাজার
অধিকাংশ শেয়ারের ব্যাপক দরবৃদ্ধিতে ৪২৮ পয়েন্ট বেড়েছে সূচক



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
09.02.2011


তিন দিন বড় দরপতনের পর আবারও উর্ধমুখী হয়ে উঠেছে পুঁজিবাজার। দিনের লেনদেনের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত দফায় দফায় উত্থান-পতন ঘটলেও কেনার চাপ বাড়তে থাকায় সূচকের ব্যাপক বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন শেষ হয়েছে। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ২৫৪টি কোম্পানির মধ্যে শেষ দিকে এসে ১৫২টিরই কোন বিক্রেতা ছিল না। এর বিপরীতে কেনার চাপ প্রবল থাকায় প্রায় ৯৫ শতাংশ শেয়ারের দর ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার কারণেই বিপর্যয়কর পরিস্থিতি থেকে শেয়ারবাজারের উত্তরণের সূচনা হয়েছে বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন।
বিশেস্নষকরা মনে করেন, ব্যাংকিং খাতের লভ্যাংশ ঘোষণার শুরম্নর কারণে বাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগে থেকেই আশাবাদ তৈরি হয়েছিল। ব্যাংকগুলো ভাল লভ্যাংশ ঘোষণা করলে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি কাটিয়ে পুঁজিবাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী আশা করছিলেন। ওই অবস্থায় ন্যাশনাল ব্যাংকের পৰ থেকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হারে লভ্যাংশ ঘোষণার প্রভাবে মঙ্গলবার শেয়ারবাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। দিনের মাঝামাঝি সময় পর্যনত্ম উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হলেও শেষ পর্যনত্ম ব্যাপক উর্ধগতির মধ্য দিয়েই লেনদেন শেষ হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, মূলত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হয়ে ওঠার কারণেই পুঁজিবাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা শুরম্ন হয়েছে। বেশ কিছুদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান শেয়ার কেনা শুরম্ন করে। এতে বাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়ে যায়। কিন্তু বর্ধিত দরে অনেক প্রতিষ্ঠান শেয়ার কিনতে আগ্রহী না থাকায় ১০ মিনিটের মধ্যেই বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরম্ন হয়। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে অনেক সাধারণ বিনিয়োগকারী বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়লে দরপতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এ সময় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োকারীরা আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে বেলা ১২টা থেকে অধিকাংশ শেয়ারের দর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ওই সময় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত চলতি সপ্তাহেই শেয়ারবাজার ঠিক হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ খবর পাওয়ার পর অধিকাংশ বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রির সিদ্ধানত্ম থেকে সরে দাঁড়ায়। তবে বাজারের ইতিবাচক গতি সম্পর্কে আশাবাদী হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার প্রবণতা অব্যাহত ছিল।
জানা গেছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের পর লেনদেন চালু হওয়ায় ব্রোকারেজ হাউসগুলোর বেশ কয়েক জন বড় বিনিয়োগকারী শেয়ার কেনায় তৎপর ছিলেন। এ কারণে বেলা দেড়টার পর বাজারে শেয়ারের চাহিদা ব্যাপক মাত্রায় বেড়ে যায়। এতে অধিকাংশ শেয়ারের দর দ্রম্নত বেড়ে যেতে থাকে। তবে এখনও লোকসানে থাকায় অধিকাংশ বিনিয়োগকারী বর্ধিত দরেও শেয়ার বিক্রিতে আগ্রহী ছিলেন না। এ কারণে দিনের শেষ দিকে এসে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার বিক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে।
বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ৬ বড় দরপতনের কারণে প্রায় সব শেয়ারের দরই বিনিয়োগকারীদের কেনা দামের নিচে অবস্থান করছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা এবং অর্থমন্ত্রীর ইতিবাচক বক্তব্যের কারণে বাজার স্থিতিশীল হওয়ার আশায় কেউই লোকসানে শেয়ার বিক্রি করতে আগ্রহী ছিল না। মূলত এ কারণেই মঙ্গলবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার বিক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে। ডিএসইতে সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫৪টি কোম্পানি ও মিউচু্যয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৪৩টিরই দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে মাত্র ১১টির দর। ডিএসই সাধারণ সূচক একদিনে ৪২৮.৩২ পয়েন্ট বেড়ে গেছে। তবে বিক্রেতা না থাকায় লেনদেনের পরিমাণ খুব বেশি বাড়তে পারেনি। সারা দিনে ৭৮৭ কোটি ৬৮ লাখ ৭৯ হাজার টাকার শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ১৭৭ কোটি ৭১ লাখ ২৮ হাজার টাকা বেশি। সারা দিনে ডিএসইতে মোট ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৬টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে।
এদিকে বেশ কয়েক দিন পর পুঁজিবাজারে উর্ধগতি ফিরে আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বসত্মি ফিরতে শুরম্ন করেছে। মঙ্গলবার কিছুসংখ্যক বিনিয়োগকারী রাসত্মায় বিৰোভ করলেও অধিকাংশই বাজার পর্যবেৰণে মনোযোগী ছিলেন। আস্থা সঙ্কট পুরোপুরি না কাটলেও তাদের মধ্যে বাজার নিয়ে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে। সরকারের নেয়া সব পদৰেপ সঠিকভাবে বাসত্মবায়িত হলে বাজারে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।
উলেস্নখ্য, বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণে গত ১৮ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) পুঁজিবাজারে লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এসইসি। পরদিন সময় কমিয়ে পুনরায় লেনদেন চালু করা হলেও ব্যাপক পতনের মুখে আবারও বন্ধ করা হয় লেনদেন। এ অবস্থায় একদিনে ডিএসই সাধারণ সূচকের সর্বোচ্চ হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা (সার্কিট ব্রেকার) ২২৫ পয়েন্ট নির্ধারণ করে ২০ জানুয়ারি লেনদেন চালু করা হয়। কিন্তু ওইদিন মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে সীমা অতিক্রম করে ডিএসই সাধারণ সূচক ৬০০ পয়েন্ট নেমে যায়। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বিনিয়োগকারীদের সহিংস বিৰোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২৩ জানুয়ারি লেনদেন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়।
ওই অবস্থায় পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকারের পৰ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়। সঙ্কট নিরসনে করণীয় নির্ধারণে বাজার সংশিস্নষ্ট সকল পৰকে নিয়ে ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ওই বৈঠকের আলোচনার প্রেৰিতে ২৪ জানুয়ারি লেনদেন বন্ধ রাখা হয়। একইসঙ্গে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ১৪ দফা পদৰেপ গ্রহণের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। এরমধ্যে পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যে পরিমাণ মুনাফা করেছে তার একাংশ পুনরায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য বলা হয়। এৰেত্রে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের মুনাফার উলেস্নখযোগ্য অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করবে। বাকি অংশ উদ্বৃত্ত তহবিলে হিসেবে রেখে দিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোও তাদের মুনাফার অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের ৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংককে নমনীয় নীতি অনুসরণ করতে বলা হয়। একইসঙ্গে বাজারে স্বাভাবিক লেনদেন বজায় রাখতে শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা কমিয়ে অর্ধেক করা হয়।
এসব সিদ্ধানত্মের পর ২৫ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে পুনরায় লেনদেন চালু করা হয়। বিক্রেতাশূন্যতার কারণে ওইদিন লেনদেনে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। পরদিনও একই অবস্থা অব্যাহত থাকায় অধিকাংশ শেয়ারের দর ব্যাপক মাত্রায় বেড়ে যায়। ২৭ জানুয়ারি পর্যনত্ম বাজারের উর্ধগতি অব্যাহত থাকলেও পরদিন থেকে আবার মন্দা পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরবর্তী ৭ কার্যদিবস ধরে বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকলেও ক্রেতার অভাবে ধারাবাহিকভাবে কমেছে অধিকাংশ শেয়ারের দর। মাঝে একদিন বাদে প্রতিদিনই ব্যাপকহারে কমেছে সূচক। এ সময়ের মধ্যে ডিএসইর সাধারণ সূচক কমেছে ১১৭৮ পয়েন্ট।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 8:54 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
এমআই সিমেন্টের আইপিও লটারি আজ


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
09.02.2011


প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের জন্য আজ (বুধবার) সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের (ক্রাউন সিমেন্ট) লটারী অনুষ্ঠিত হবে। লটারীর ফলাফল ডিএসই, সিএসই, সংশিস্নষ্ট কোম্পানি এবং ইসু্য ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এমআই সিমেন্ট মোট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৩৩৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা সংগ্রহ করছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১১ টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানির ১০০টি শেয়ারের মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানির ইসু্য ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এমআই সিমেন্টের ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার বরাদ্দ করে ২০০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর বিপরীতে ১ হাজার ২৯২ কোটি ৭০ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে_ যা নির্ধারিত শেয়ারের ৬.৪৪ গুণ। অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হবে ৩৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা মূল্যের ৩০ লাখ শেয়ার। এর বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা বা ২.৮৬ গুণ। মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য সংরৰিত ৩০ লাখ শেয়ারের জন্য ২৪৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা বা ৭.৪১ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এর আগে দর প্রসত্মাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬০ লাখ শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হয়।

পিজিসিবির ১৪তম বার্ষিক সাধারণসভা
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিঃ (পিজিসিবি)-র চতুর্দশ বার্ষিক সাধারণ সভা সম্প্রতি বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পিজিসিবির সংশিস্নষ্ট সকল কর্তকর্তা-কর্মচারী ও শেয়ারহোল্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। পিজিসিবির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. মোঃ হারম্নন-উর-রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সাধারণ সভায় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে বক্তব্য রাখেন পিডিবি চেয়ারম্যান এএসএম আলমগীর কবীর। এ ছাড়াও পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, আবুল আলম চৌধুরী, ফয়েজ আহমেদ, ব্যারিস্টার এম এমানুল কবীর ইমন, পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ জামাল উলস্নাহ এবং কোম্পানি সচিব মোঃ আশরাফ হোসেন। সভায় চেয়ারম্যান ড. হারম্নন-উর-রশীদ ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন তুলে ধরে পিজিসিবির শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশের ১০% নগদ এবং ১৫% বোনাস শেয়ার প্রদানের প্রসত্মাব করেন। শেয়ারহোল্ডাররা সম্মিলিতভাবে প্রসত্মাবিত বার্ষিক প্রতিবেদনটি অনুমোদন করেন। _বিজ্ঞপ্তি।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 9:01 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Stock prices recuperate in late 'rally'
Investors turn violent by early fall



Policemen taking two injured investors to custody after sporadic clashes at Motijheel in the city Tuesday. — FE Photo


FE Report
09.02.2011


The stock prices at the Dhaka Stock Exchange (DSE) see-sawed Tuesday as the frenzied retail investors resorted to vandalism of serious nature in business district of Motijheel.

However, the main index, DGEN, increased by 428.32 points or 6.69 per cent in the late rally when there were few sellers.

The late buying pressure pushed all the indices of the Dhaka Stock Exchange (DSE) to a high end though the same went down in the early hours of trading. The DGEN, the bourse's main barometer, added 428.32 points on the day to end at 6822.85. The DSI jumped 6.50 per cent or 345.42 points to 5651.79.

Market analysts tagged the turnaround of the market with the finance minister's comment on capital market Tuesday. Finance Minister A M A Muhith, while talking to the journalists in the Secretariat, said the market is going to be stable within this week. He also said the institutions will play their due role in the capital market in future.

DSE senior vice president Saiful Islam said any comment from the finance minister on capital market is very important. He said the market is in a transition period, so unexpected ups and downs might take place.

Another broker told the FE that so far 28 banks have opened their merchant banking wings for capital market operation. Besides, 33 mutual funds are listed with the DSE. So, overall institutional participation is now quite large in the capital market.

"Participation of the institutions was the key factor behind Tuesday's surge in the capital market," he said.

On Tuesday, the market started with a positive note that continued for 10 to 15 minutes. However, the investors reacted sharply, as the indices started falling in line with the trend of previous sessions. Agitated investors came out of the brokerage houses to the streets and started throwing brickbats and other missiles at the buildings adjacent to the DSE.

At first policemen tried to appease them, but the investors continued with their rampage, and vandalised a number of cars. The law-enforcers swung into action following arrival of additional forces in the area.

The police lobbed six to seven rounds of tear-gas shell to disperse the agitated investors. At that time one media person and one policeman were injured. Police arrested three investors from the area.

Like the events on the streets, the day's trading was also marked by actions. After a positive start, the DGEN went down to 6290 points.

After that, the market experienced ups and downs, and the indices started jumping at about 2 am, which continued until the end of the trading session. In the last 15 minutes of the trading there were no sellers, and a serious buying pressure overwhelmed the market.

"Majority of the stocks had no seller in the last 15 minutes of the trading. General investors followed the positive trend, and decided to take the wait and see policy," said Md Azam Khan, CEO of Anwar Securities.

Sharif Ataur Rahman, a senior broker, said, "I am clueless about the sudden hike in stock prices at the fag end of the day's trading, and I am also frustrated about the unruly events of the last few days."

Out of the 254 issues traded on the day, 243 advanced and only 11 declined.

All of the sectors performed well on the day. Among them, ceramic, IT and banks were the best performers, jumping 9.76 per cent, 8.94 per cent, and 8.65 per cent respectively.

The top ten gainers were Deshbandhu Polymer, Fu-Wang Foods, BD Finance, SIBL, RAK Ceramics, RN Spinning, Karnafuli Insurance, Keya Cosmetics, Uttara Bank and Prime Bank.

The day also saw relatively higher participation of the institutional investors. The daily turnover stood at Tk 7.87 billion, in value terms. The top ten turnover list comprises of NBL, UCBL, GP, Beximco, Titas Gas, Bay Leasing, PLFSL, Southeast Bank, Bextex and One Bank.

A total of 68.00 million shares changed hands on the day against 54.8 million in the previous session. The number of trade deals increased to 151,890, which was 125,723 Monday. The total market capitalisation stood at Tk 3042.01 billion, compared to Tk 2884.76 billion in the previous session.

Meanwhile, our Rajshahi correspondent adds, hundreds of small investors staged demonstration and ransacked offices in Rajshahi to protest the sharp fall of indices Tuesday.

With the fall of share prices in the morning, investors from all brokerage houses in Rajshahi stopped trading and took to the street. They engaged in sporadic clashes with police and RAB during the agitation.

The entire 'security trading zone' from Shaheb Bazaar Zero Point to Kumarpara turned into a battlefield, as the agitators ransacked whatever they got on their way. The demonstrators chanted slogans against the government, the SEC and Bangladesh Bank.

Later, police took the situation under control by charging baton on the aggrieved investors. Trading in most brokerage houses restarted at around 1:00 pm, but trading in Rajshahi ICB remained closed due to chaotic situation.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 9:02 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
অনুমোদিত মূলধন বাড়াবে ব্যাংক এশিয়া

সমকাল প্রতিবেদক
09.02.2011


ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৪৪৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন লাগবে।
ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস : করপোরেট উদ্যোক্তা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন তাদের ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৫৪১টি শেয়ারের মধ্যে ৮২ হাজার ৭০১টি শেয়ার বিক্রি করবে।
ঢাকা ইন্স্যুরেন্স : শেয়ারের লেনদেন শুধু স্পট বা ব্লক মার্কেটে করা যাবে ৯ থেক ১৩ ফেব্রুয়ারি। ১৪ তারিখ রেকর্ড তারিখের কারণে লেনদেন হবে না।
সিনোবাংলা : রেটিং কোম্পানি ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড দীর্ঘমেয়াদে এ কোম্পানিকে 'এ মাইনাস' এবং স্বল্পমেয়াদে 'এসটি-৩' রেটিং করেছে।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 9:03 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিভিন্ন স্থানে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ


সমকাল ডেস্ক
09.02.2011


শেয়ারবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে গতকাল দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে ভাংচুর করে। অনেক জায়গায় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল লেনদেন শুরু হওয়ার পর সূচকের পতন ঘটলে রাজধানী ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, সিলেট, মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। অবশ্য দিনের শেষে শেয়ার সূচক ঊর্ধ্বমূখী হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে। গতকাল দেশের দুই শেয়ারবাজারে দরপতন দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত সূচক আবার ঘুরে দাঁড়ায়। সমকাল ব্যুরো, অফিস ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
রাজশাহী :রাজশাহীতে বিক্ষোভ করেছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। দুপুরে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় রাজশাহী মহানগরীর কুমারপাড়া এলাকায় আইসিবির সামনে বিনিয়োগকারীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। তারা আইসিবি ভবনে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে ও তালা ঝুলিয়ে দেয়।
ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা জানান, লেনদেন শুরুর প্রথম ৪০ মিনিটের মধ্যে সূচক পড়ে যায় ৪০০ পয়েন্ট। পরিস্থিতি দেখে তাৎক্ষণিকভাবে লেনদেন বন্ধ করে দেয় আইসিবি। ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ শুরু করেন বিনিয়োগকারীরা। পরে তারা আইসিবি কার্যালয় ও শহরের শোভাবর্ধনকারী বিভিন্ন জিনিস ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে পুলিশের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে র‌্যাব সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কুমিল্লা :অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে ও অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও ভাংচুর করেছে কুমিল্লার বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। সকাল সোয়া ১১টা দিকে সূচক ১০৪ পয়েন্ট পড়ে গেলে কুমিল্লার ৯টি ব্রোকারেজ ও সিকিউরিটিজ হাউসের বিনিয়োগকারীরা লেনদেন বন্ধ করে রাস্তায় নেমে পড়েন। বিনিয়োগকারীরা মিছিল করে শহরে পূবালী চত্বর মোড়ে অবস্থান নিলে এসময় এনসিসি ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউসকে লক্ষ্য করে বিনিয়োগকারীরা রাস্তা থেকে ইটপাটকেল মারতে থাকলে এনসিসি ব্যাংকের বাইরে কয়েকটি বড় গল্গাস ভেঙে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় শহরে এক ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। শহরে বিক্ষোভকালে বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রীকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে তার দ্রুত পদত্যাগ দাবি এবং শেয়ারবাজারে ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত দরপতন বন্ধে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মৌলভীবাজার :দরপতনের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে বিনিয়োগকারীরারা রাস্তায় নেমে আসেন তারা। দুপুর ১২টায় জেলা ইনভেস্টর ফোরামের উদ্যোগে শহরের চৌমোহনা চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা ইনভেস্টর ফোরামের আহ্বায়ক নজমুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ মজম্মিল আলী শরীফ, হেলু মিয়া, ইয়াওর আহমদ, সৈয়দ রুমেন আলী প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে বিনিয়োগকারীরা চৌমোহনা এলাকায় মৌলভীবাজার-কুলাউড়া, রাজনগর ও মৌলভীবাজার-কমলগঞ্জ সড়ক ঘণ্টাব্যাপী অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বের করতে ব্যর্থ অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, এসইসি এবং ডিএসই কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানান। তখন বিক্ষোভকারীরা জুতা হাতে নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
সিলেট :সিলেটের বিশ্বনাথে বিনিয়োগকারীরা ঝাড়ূ ও জুতামিছিল করেছে। দুপুরে বিশ্বনাথ নতুনবাজার থেকে এ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ফের নতুন বাজারে এসে সমাপ্ত হয়। এ সময় বিনিয়োগকারীরা ঝাড়ূ ও জুতা হাতে নিয়ে অর্থমন্ত্রীকে কটূক্তি করে তার পদত্যাগের দাবি করেন।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 9:04 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সূচক বেড়েছে, তবুও মতিঝিল রণক্ষেত্র


মতিঝিলে পুঁজি বিনিয়োগকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ সমকাল


সমকাল প্রতিবেদক
09.02.2011


টানা তিনদিন দরপতনের পর দেশের শেয়ারবাজার গতকাল ঊর্ধ্বমুখী হয়। তাতেও বিনিয়োগকারীদের ক্ষোভ কমেনি। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র মতিঝিল গতকালও রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বাজারের ওঠানামা ছিল অস্বাভাবিক। গতকাল দেশের দুই বাজারের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৪২৮ পয়েন্ট বা ৭ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ৬৯৮ পয়েন্ট বা ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তারপরও বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ থামেনি। থেমে থেমে
রাজধানীর মতিঝিলে চলে ভাংচুর, অগি্নসংযোগ।
এদিকে অর্থমন্ত্রী গতকাল সচিবালয়ে তার দফতরে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, এ সপ্তাহের মধ্যেই বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি না করার পরামর্শ দেন তিনি।
গতকাল দিনের শুরুতে দরপতনের প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ ও ভাংচুর করে। রাজধানীতে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে তিন পুলিশ ও চার সাংবাদিকসহ আহত হন ১০ জন। সময় টেলিভিশনের একটি প্রাইভেট কারসহ বেশ ক'টি গাড়িও ভাংচুর করে তারা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেন শুরু হওয়ার আগেই মতিঝিলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা জড়ো হয়ে মানববন্ধন করে। এ সময় অর্থমন্ত্রীর একটি কুশপুত্তলিকায় অগি্নসংযোগ করা হয়। তখন বাজারের লেনদেন শুরু হয়েই মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় সূচক বেড়ে যায় ২৩৪ পয়েন্ট। বাজারের ঊর্ধ্বগতি দেখে বিক্ষোভকারীরা নিজ নিজ ব্রোকারেজ হাউসে ফিরে যায়। সকাল ১১টা ৬ মিনিট থেকে আবার সূচক পতন আরম্ভ হয়। অস্বাভাবিকভাবে সূচক আবার আগের অবস্থানে চলে আসে। বিনিয়োগকারীরা এটাকে যোগসাজশের বাজার আখ্যা দিয়ে ১১টা ৫৩ মিনিটে আবার রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ শুরু করে। দুপুর ১২টায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ ঝাড়ূ ও জুতা মিছিল করে। ১২টা ২০ মিনিটে ডিএসই ভবনের বিপরীতে রহমান ম্যানশন থেকে হঠাৎ পুলিশের ওপর বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে প্যাট্রল ইন্সপেক্টর আবু হাজ্জাজ, এসআই সমীর এবং কনস্টেবল রানা মিয়া গুরুতর আহত হন। ইট-পাটকেলের আঘাতে দায়িত্বরত চার সাংবাদিকও আহত হন এ সময়। মতিঝিল, দিলকুশাসহ পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিক্ষোভকারীরা এ সময় মাইটিভির ফটোগ্রাফার হাসান জাকিরের কাছ থেকে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এছাড়া বাংলা নিউজ ২৪-এর জোবায়ের রাকিব, মাইটিভির হাসান জাকির, রাজীব ফখরুল এবং একজন ক্যামেরাম্যানসহ চার সাংবাদিক আহত হন।
পুলিশসহ সাধারণ মানুষের ওপর বিক্ষোভকারীদের আক্রমণের মাত্রা বেড়ে গেলে পুলিশ ১২টা ৪৮ মিনিটে বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয়। ৬ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়। তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
রাজপথ যখন রণক্ষেত্র তখন শেয়ারবাজারের লেনদেন চলছে যথারীতি। দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা তেমন লেনদেন না করার ফলে ঢিমেতালে চলছিল লেনদেন। এ কারণে ২টা পর্যন্ত সাধারণ সূচক আগের দিনের কাছাকাছি স্থানে অবস্থান করছিল।
দুপুর ২টার পর থেকে মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউস এবং মিউচুয়াল ফান্ড তাদের নিজস্ব পোর্টফোলিওতে শেয়ার কিনতে শুরু করে। সূচক বাড়তে থাকে অস্বাভাবিকভাবে। দিন শেষে সাধারণ সূচক ৪২৮ পয়েন্ট বাড়ে। মোট ৭৮৭ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়। দিন শেষে সূচক বৃদ্ধি পেয়ে ৬ হাজার ৮২২ পয়েন্টে উন্নীত হয়। এ বৃদ্ধি ডিএসইর সাধারণ সূচকের ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ডিএসইতে গতকাল মোট ২৫৪টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ২৪৩টির, কমেছে ১১টি কোম্পানির শেয়ার।
এদিকে সিএসইতেও সারাদিনের লেনদেনে মোট ১১৬ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। গতকাল দিন শেষে ৬৯৮ পয়েন্ট সাধারণ সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে। আর লেনদেন হয়েছে মোট ১৯৮টি কোম্পানির শেয়ার। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৭টি কোম্পানির, কমেছে ১৮টির। অপরিবর্তিত ছিল তিনটি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
গতকালের বাজার সম্পর্কে শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ সমকালকে বলেন, বাজারে গতকাল প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনেছেন বলে বাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরে এসেছে। এসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান শেয়ার কেনার ধারা অব্যাহত রাখলে বাজার আবার স্থিতিশীল হয়ে আসবে বলে মনে করেন তিনি।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/09/2011 7:32 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সংসদে প্রধানমন্ত্রী
শেয়ারবাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার


সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৮০০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১১

ঢাকা: শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক দরপতনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দু:খ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শেয়ারবাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঝালকাঠি-১ আসনের সাংসদ বজলুল হক হারুনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখতে যা কিছু প্রয়োজন তা করা হচ্ছে। হঠাৎ দাম বাড়া-কমার কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের জন্য দু:খ প্রকাশ করছি।’

কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ মুজিবুল হকের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বরিশালসহ দেশের প্রতিটি জেলা রেলা লাইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বর্তমান সরকারের। এছাড়া ভরাট হয়ে যাওয়া নদীগুলো ড্রেজিং করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।’

হাসানুল হক ইনুর প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি মজুদ বাড়ান্ োহচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে চড়া দাম হওয়ায় দেশেও এর প্রভাব পড়ে। বর্তমানে দেশে ৮ লাখ টন খাদ্য মজুদ আছে। আমদানি করা হচ্ছে আরো ১০ লাখ টন।’

এছাড়া আরো ক’জন সাংসদের প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/09/2011 7:34 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে কিছু চক্র খেলা করছে'
     
     
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


পুঁজিবাজারে 'কিছু চক্র খেলা করছে' উল্লেখ করে বুঝেশুনে বিনিয়োগ করতে বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, "পুঁজিবাজারের ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে- কিছু কিছু চক্র খেলা করছে। শেয়ারের দাম কখনো উঠবে, কখনো কমবে। শেয়ারের দাম শুধু উঠতেই থাকলে, উঠতে উঠতে কোথায় যাবে?

"শেয়ারের দাম উঠবে-কমবে- এটাই স্বাভাবিক এবং তা সহনীয় পর্যায়ে থাকতে হবে।"

জাতীয় সংসদের বুধবারের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বজলুল হক হারুনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

সরকারপ্রধান তার বক্তব্যে পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক দরপতনে ক্ষতিগ্রস্তবিনিয়োগকারীদের প্রতি সমবেদনা জানান।

মঙ্গলবার পুঁজিবাজারের দরপতনের পর তৎক্ষণাৎ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের পদত্যাগ দাবি করে ব্যানারসহ বিক্ষোভ প্রদর্শনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, "পুঁজিবাজার পড়বে- তা তারা কীভাবে জানলো। তারা ব্যানার নিয়ে নেমে পড়লো। ব্যানার কখন তৈরি হলো?"

"এটা দেখেই সন্দেহ হয়- কারা এটার পেছনে খেলছে," বলেন শেখ হাসিনা।

মহাজোট সরকার ক্ষমতা নেওয়ার সময় পুঁজিবাজার স্থিতিশীল ছিলো জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "যখন শেয়ারের দাম বাড়তে থাকে, তখনই আমরা ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিই।

"কিন্তু, একটা মহলের কারসাজিতে [পুঁজিবাজার] অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।"

পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "শেয়ারের দাম প্রতিনিয়তই বাড়বে- এটা আশা করা ঠিক নয়।"

"তবে, শেয়ারের দাম পড়ে গেলে ভয় পেয়ে তা বিক্রি করে দেওয়া ঠিক না," উল্লেখ করে তিনি বলেন, "কিছুদিন শেয়ারটা ধরে রাখলে দাম বাড়বেই।"

তিনি নিজে শেয়ারের ব্যবসা করেন না এবং শেয়ার সম্পর্কে নিজের ভালো ধারণা নেই উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, "ঝুঁকি নিয়েই পুঁজিবাজারে যেতে হবে।"

তিনি বলেন, "যারা পুঁজিবাজারের দরপতনের পর ভাংচুর করছে, তাদের খুঁজে বের করা হবে।"

পুঁজিবাজারের অস্থিতিশীলতার পেছনে কেউ জড়িত কি না তা খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিটি হয়েছে- জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, "অনেক কথা বলার থাকলেও বললাম না। ভবিষ্যতে বলবো।"

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসইউএম/পিডি/১৮১২ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 31 / 40 1 - 2 - 3.. - 29 - 30 - 31 - 32 - 33.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview