| 02/09/2011 7:35 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজার: সূচক পতনের মধ্য দিয়ে বুধবারের লেনদেন শেষ
ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
দিনভর উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারের লেনদেন শেষ হয়েছে। আজ বুধবার লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১৪৯ পয়েন্ট হারিয়েছে। শেষ মুহূর্তে সূচকের বড় ধরনের পতনের কারণে বিক্ষোভ করেছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
পুঁজিবাজারের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার কারণে উত্থান-পতন হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। এছাড়া সরকারের নীতি নির্ধারকদের বিভিন্ন রকমের মন্তব্যের কারণেও বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়ছে বলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ তুলেছেন।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বুধবার লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মাথায় বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির ফলে ডিএসই সাধারণ সূচক ১০০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। তবে বেশিক্ষণ তা স্থায়ী হয়নি। পরবর্তী ১৫ মিনিটের মধ্যে বেশিরভাগ শেয়ারের দর হ্রাস পেলে সূচক আগের দিনের চাইতে ৭২ পয়েন্ট নিচে নেমে যায়। বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার কারণে বেলা ২টা পর্যন্ত উঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন চললেও সূচকের বড় ধরনের পরিবর্তন হয়নি। তবে লেনদেন শেষ হওয়ার ২০ মিনিট আগে হঠাৎ করেই ৮৫ শতাংশ শেয়ারের দর হ্রাস পেলে সূচক ১৪৯ পয়েন্ট কমে ৬৬৭৩ পয়েন্টে নেমে আসে। এতে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। বিনিয়োগকারীরা ডিএসই সংলগ্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করলে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা ৪টায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়।
বুধবার লেনদেন হওয়া ২৫৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ৩১টির, কমেছে ২১৪টির এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে ৮টির। লেনদেন হয়েছে ৬৭৩ কোটি টাকার শেয়ার। ব্যাংকিং খাতের ৩০টি কেম্পানির শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে ব্যাংক এশিয়া, ডাচ বাংলা ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংক-এর শেয়ারের দাম। এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রকৌশল, গ্রামীণফোনসহ প্রায় সবগুলো মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দাম কমেছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এইচএমএম/ জেডআর/এআইকে/ ১৮.৩৩ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/09/2011 7:36 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ঋণখেলাপিরাই চান না বাজার চাঙ্গা হোক'
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
ঋণখেলাপিরাই চায় না শেয়ারবাজার চাঙ্গা হোক- বলেছেন অর্থমন্ত্রী। কেন তারা তা চান না তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মন্ত্রী।
বুধবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, "আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য সরকারের সময় শেয়ারবাজার ঠিকমতো কাজ করেনি, তাই ঋণখেলাপির সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য অনেকেই চান শেয়ারবাজার যেমন আছে তেমন পড়ে থাকুক।"
প্রশ্নোত্তর পর্বে সুলতানা বুলবুলের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
'আওয়ামী লীগ [ক্ষমতায়] এলেই শেয়ারবাজারে ধস নামে'- এটা কিছুটা ঠিক উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, "শেয়ারবাজারকে ঠিক মতো অ্যাক্ট (কাজ) করতে দিলে ধস নামবে। কাজ করতে না দিলে ধস নামবে না।
"আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য যারা ক্ষমতাই ছিল তারা কেউ শেয়ারবাজারকে কাজ করতে দেয়নি। এজন্য কোনো ধসও হয়নি।
"পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা কোনো ক্ষতি সহ্য করতে চান না," বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী মুহিত। তিনি বলেন, "শেয়ারবাজার অতিমূল্যায়িত হলে এর পতন হবে।"
তিনি বলেন, "শেয়ার বাজার নিয়ে চক্রান্ত চলছে।"
মঙ্গলবার পুঁজিবাজারে সূচকের ওঠা-নামা এবং এর মধ্যে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ প্রসঙ্গেও সংসদে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, "বাজারে গুজব রটে গেল- আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পেশ করিছি। এর পেছনে চক্রান্ত আছে।"
বেনামি বিনিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, "এখন আমাদের কাছে অস্ত্র আছে। বেনামি বিনিয়োগকারীদের আমরা কিছুটা ধরতে পারব।"
চিপ হুইপ আব্দুস শহীদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, "আমরা বুক বিল্ডিং মেথড চালু করেছি। তা কিছুটা কাজ করেনি। আইনে প্রতারণা ধরার তেমন কোনো কৌশল নেই। এজন্য নতুন আইন করা হচ্ছে।"
বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) 'যেসব ভুল করেছে' তার দায় অর্থমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করে নেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমএইচসি/পিডি/১৯১৯ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/09/2011 7:37 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আবার দরপতন পুঁজিবাজারে, বিক্ষোভ
ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
মাঝের একদিন বিরতি দিয়ে আবার দরপতন হয়েছে ঢাকার পুঁজিবাজারে। আর এতে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা মতিঝিলে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনের লেনদেন শেষে সূচক ১৪৯ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট কমে যায়। বাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিকাল ৩টার দিকে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে।
এ সময় মিছিল থেকে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভীর পদত্যাগ দাবি করা হয়। বিক্ষোভকারীরা পুঁজিবাজারে অস্থিরতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানান।
বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় অবস্থান নেওয়ায় মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত গাড়ি চলাচল বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বন্ধ ছিলো।
বুধবার সকাল ১১টায় বাজার শুরুর পর থেকে সূচকের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়। ডিএসই সাধারণ সূচক ১৪৯ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট বা ২.১৯ শতাংশ কমে দিন শেষে দাঁড়ায় ৬৬৭৩ দশমিক ৪০ পয়েন্ট।
সারাদিনের লেনদেনে মোট ৬৭৩ কোটি টাকার শেয়ার হাত বদল হয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫৯টি শেয়ারের মধ্যে দাম কমেছে ২১৪টির, বেড়েছে মাত্র ৩৭টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
সোমবার দরপতন হলেও মঙ্গলবার দিন শেষে ডিএসই-তে ৩৪৫ দশমিক ৩২ পয়েন্ট বেড়েছিলো। তবে দিনের শুরুতে সূচক পতনে বিক্ষোভ করে বিনিয়োগকারীরা। ওই সময় পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে। আটক করা হয় দুজনকে।
বুধবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন শেষে কমেছে সূচক ও অধিকাংশ শেয়ারের দাম।
সিএসই সিলেক্টিভ ক্যাটাগরিজ ইনডেক্স (সিএসসিএক্স) দিন শুরুর চেয়ে ২৮৮ দশমিক ৭৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৮ শতাংশ কমে দিন শেষে দাঁড়ায় ১২৩৩১ দশমিক ২৭ পয়েন্ট।
সারাদিনে মোট লেনদেন দাঁড়ায় ৯২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ১৯৫টি শেয়ারের মধ্যে দাম কমেছে ১৫৭টির, বেড়েছে ৩৮টির।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/এমআই/১৮০৫ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/09/2011 12:27 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজি বাজারে অস্থিরতা কাটছে না, দিনভর বিক্ষোভ
০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
10.02.2011
দিনভর উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারের গতকাল বুধবার লেনদেন শেষ হয়েছে। শেষ মুহূর্তে সূচকের বড় ধরনের পতনের কারণে বিক্ষোভ করেছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বুধবার লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মাথায় বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির ফলে ডিএসই সাধারণ সূচক ১০০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। তবে বেশিক্ষণ তা স্থায়ী হয়নি। পরবর্তী ১৫ মিনিটের মধ্যে বেশিরভাগ শেয়ারের দর হ্রাস পেলে সূচক আগের দিনে চেয়ে ৭২ পয়েন্ট নিচে নেমে যায়। বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার কারণে বেলা ২টা পর্যন্ত উঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন চললেও সূচকের বড় ধরনের পরিবর্তন হয়নি। তবে লেনদেন শেষ হওয়ার ২০ মিনিট আগে হঠাৎ করেই ৮৫ শতাংশ শেয়ারের দর হ্রাস পেলে সূচক ১৪৯ পয়েন্ট কমে যায়। এতে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর বাইরে বিক্ষোভ মিছিল করলে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ও র্যাব বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া দেয়। এসময় অনেক বিনিয়োগকারী রাস্তায় শুয়ে কাঁদতে থাকেন। প্রায় আধাঘন্টা ধরে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বেলা ৪টায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
সূচক গণনার নতুন পদ্ধতি
শিগগির চালু হবে
শেয়ার বাজারে সূচক গণনার নতুন পদ্ধতি গ্রহণের প্রস্তাব করেছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। বুধবার সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কর্মকর্তাদের কাছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তারা এ প্রস্তাব দেন। এতে বলা হয়, তালিকাভুক্ত কোন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হলেই কেবল তা সূচকে অন্তভর্ুক্ত হবে। তবে বর্তমানে চালু সূচক গণনার পদ্ধতি একেবারে বাতিল না করার পরামর্শও দেয়া হয়।
সূত্র জানায়, শীঘ্রই নতুন পদ্ধতিতে সূচক গণনার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সূচক নির্ধারণে ত্রুটি সংশোধনের জন্য গত মাসে এসইসি'র পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়। একই সঙ্গে দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে অভিন্ন নিয়মে সূচক গণনার নীতিমালা প্রণয়ন করতে বলা হয়। এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নের জন্য তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। ছয় মাসেরও বেশি সময় কাজ করার পর কমিটি সূচক গণনার নীতিমালা সুপারিশ করে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/09/2011 12:29 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আবার দরপতন শেয়ারবাজারে
০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
10.02.2011
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিন শেষে সাধারণ সূচক ১৫০ পয়েন্ট কমে যায়। বাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিকাল ৩টার দিকে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ শুরু করে। এসময় বিক্ষোভকারীরা অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল, ডিএসই, সিএসই চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করে শেস্নাগান দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। বিকেল ৪টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বুধবার সকাল ১১টায় বাজার শুরুর পর থেকে সূচকের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়। ডিএসই সাধারণ সূচক ১৪৯ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ১৯ শতাংশ কমে দিন শেষে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৬৭৩ দশমিক ৪০ পয়েন্ট।
সারাদিনে মোট ৬৭৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫৯টি শেয়ারের মধ্যে দাম কমেছে ২১৪টির, বেড়েছে মাত্র ৩৭টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
উলেস্নখ্য, সোমবার দরপতন হলেও মঙ্গলবার দিনশেষে ডিএসই-তে ৩৪৫ দশমিক ৩২ পয়েন্ট বেড়েছিলো। তবে দিনের শুরুতে সূচক পতনে বিক্ষোভ করে বিনিয়োগকারীরা। ওই সময় পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে। আটক করা হয় দুইজনকে।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো-ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউসিবিএল, বেক্সিমকো, পিপলস্ লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, গ্রামীণ ফোন, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, প্রাইম ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, সাউথইষ্ট ব্যাংক ও বে-লিজিং।
অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে গতকালের প্রধান ১০টি কোমপানি হলো-এম.বি ফামর্া, জেমীনি সী ফুড, ডাচ্ বাংলা ব্যাংক, প্রাইম ইন্সুরেন্স, ব্র্যাক ২য় বন্ড, সিটি ইন্সুরেন্স, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ঢাকা ইন্সুরেন্স, আরামিট ও পাইওনিয়ার ইন্সুরেন্স। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/09/2011 12:31 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠা করা হবে ॥ ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ
০ শেয়ারবাজার ডিমিউটিলাইজ করা হবে
০ বর্তমানে পুঁজিবাজার অস্থির করার জন্য কারা দায়ী খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেয়া হবে
সংসদ রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
10.02.2011
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ন্যাশনাল স্টক এঙ্চেঞ্জ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, আমাদের দেশে যাঁরা স্টক মার্কেটের মালিক, তাঁরাই ব্রোকার, ইসু্যয়ার ও বিনিয়োগকারী। যাঁরা শেয়ারবাজারের মালিক তাঁরা এটা করতে পারে না। এ কারণেই শেয়ারবাজারে যত সমস্যা হচ্ছে। এটাকে 'ডিমিউটিলাইজ' করা হবে। প্রয়োজনে আমরা ন্যাশনাল স্টক এঙ্চেঞ্জ প্রতিষ্ঠা করব।
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী বলেন, '৯৬ সালে আমাদের হাতে অস্ত্র ছিল না। এখন আমাদের হাতে অস্ত্র আছে। সিডিবিএলে পুঁজিবাজারের সকল লেনদেনের রেকর্ড রয়েছে। এর মাধ্যমে বর্তমান পুঁজিবাজারের অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে কারা জড়িত, পেছনে কারা কারসাজি করেছে_ তা খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে আবারও পুঁজিবাজারে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য তাঁর কিছু ভুল সিদ্ধানত্মের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারকে টেকসই ও আধুনিক করতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং বিনিয়োগকারীদের দুর্বল করতে কোন চক্রানত্ম হয়েছে কিনা তা তদনত্ম ছাড়া জানা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে তদনত্ম কমিটি কাজ করছে।
সরকারী দলের সুলতানা বুলবুলের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'এটা আমাকেও প্রায় শুনতে হয় যে, আওয়ামী লীগ এলেই নাকি পুঁজিবাজারে ধস নামে! সেৰেত্রে আমার বক্তব্য হচ্ছে, যদি এ পুঁজিবাজারকে কোন কর্মকা- করতে না দেয়া হয়, তবে ধস নামবে না। বিগত সরকারগুলো সেখানে কোন কাজ হতে দেয়নি বলেই তাদের সময়ে ধস নামেনি। অনেকেই চান পুঁজিবাজার নিয়ে নাড়াচাড়া না হোক, ওটা যেন ওভাবেই পড়ে থাকে। কিন্তু আমরা চাই পুঁজিবাজার গড়ে উঠুক। দেশের উন্নয়নে বিনিয়োগ জরম্নরী। আর বিনিয়োগ পেতে হলে পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা করতেই হবে।'
তিনি বলেন, বেশিরভাগ ৰুদ্র বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে সঠিক বিনিয়োগে অভ্যসত্ম নন। তাঁরা মনে করেন পুঁজিবাজারে গেলেই লাভ হবে। তাই কোন ৰতি তাঁরা সহ্য করতে পারেন না। মঙ্গলবার পুঁজিবাজারের দরপতনকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দিনের শুরম্নতে লেনদেন ভাল হলেও পরে তা নামতে থাকে। আর সঙ্গে সঙ্গেই নানান ঘটনা ঘটতে শুরম্ন করে। গাড়ি পোড়ানো হয়, ভাংচুর হয়, আমার পদত্যাগের দাবি ওঠে। এমনকি এমন অপপ্রচারও শুরম্ন হয় যে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। তিনি বলেন, শেষ পর্যনত্ম দিনের শেষে লেনদেন ৪০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এ ঘটনার পেছনেও অবশ্যই রহস্য রয়েছে।
পুঁজিবাজারের ব্যাপক ধসের পেছনে বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠজন মোসাদ্দেক আলী ফালু- বাদলরা জড়িত কিনা এমন প্রশ্নের সরাসরি কোন উত্তর না দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে আমাদের হাতে অস্ত্র ছিল না। এখন আমাদের হাতে অস্ত্র আছে, আর তা হচ্ছে সিডিবিএল। এর মাধ্যমে কে কারসাজি করেছে, বেনামী কারবার করেছে_ তা কিছুটা হলেও ধরা যাবে। তখন বেরিয়ে আসবে যাঁদের নাম বলা হচ্ছে তাঁরা জড়িত আছেন কিনা।
এ প্রসঙ্গে চীফ হুইপ আবদুশ শহীদের অপর সম্পূরক প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে আইপিও আসা মানেই হলো বিনিয়োগ বাড়া। গ্রামীণফোন বড় ধরনের আইপিও নিয়ে আসার পর বাজার উঁচু হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যেভাবে শেয়ারের দাম নির্ধারণ করি, তাতে আমাদের সিদ্ধানত্মগুলো ঠিকভাবে কাজ করে না। এমনকি চার্টার্ড এ্যাকাউন্টট্যান্টরা প্রচলিত যে আইনটি নিয়ে কাজ করেন তাতেও অনিয়ম ধরা যায় না। তাই আমরা বুক বিল্ডিং মেথড করার সিদ্ধানত্ম নিয়েছি। কোন কোম্পানির ফান্ডামেন্টালের ওপর দাম নির্ধারণ করা হবে। দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রিমিয়াম কত হবে তা বুক বিল্ডিং মেথড ভালভাবে পরীৰা করবে। উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ধরা যাক, কোন কোম্পানির প্রিমিয়াম ৫০ টাকা হবে। অথচ বাজার দেখে পরে সে প্রিমিয়াম ২০০ টাকা করা হবে_ সেটি আর হতে দেয়া হবে না। পেস্নসমেন্ট করতে দেয়া হবে না।
অর্থমন্ত্রী অকপটে সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, আমার যে সিদ্ধানত্মগুলো ভুল ছিল, তা আমি স্বীকার করি। বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিকিউরিটিজ এঙ্চেঞ্জ কমিশনও যদি কোন দোষ করে থাকে সেৰেত্রেও আমি দায়ী। তিনি বলেন, প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা নির্ধারণের সিদ্ধানত্মের পর আমি বলেছিলাম, ব্যাংকগুলো যেভাবে রূপানত্মর করতে চায় করম্নক। আমার এই সিদ্ধানত্মটি ভুল ছিল। এখন থেকে নতুন যেসব শেয়ার বাজারে আসবে সেগুলোর অভিহিত মূল্য ১০ টাকাই হবে। তিনি বলেন, আমাদের পুঁজিবাজারে স্টক মার্কেটের মালিকরাই ব্রোকার, ইসু্যয়ার। এটাকে ভাঙতে ডিমিউট্যালাইজেশন করার সিদ্ধানত্ম নিয়েছি আমরা।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট রহমত আলীর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, পুঁজিবাজারে শেয়ারে মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধি একটি স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। তবে বিভিন্ন কারণে শেয়ারের মাত্রাতিরিক্ত দরপতন হতে পারে। অতিমূল্যায়িত শেয়ারের মূল্য সংশোধন। চাহিদার তুলনায় সিকিউরিটিজের যোগানের স্বল্পতার কারণে সিকিউরিটিজ মূল্য সংশোধন হয়ে থাকে। পুঁজিবাজারে প্রচুর সংখ্যক বিনিয়োগকারী স্বল্প মেযাদে মুনাফা লাভের জন্য বাজার সম্পর্কে পূর্ব ধারণা ছাড়াই দ্রম্নত লাভের আশায় বিনিয়োগ করে। এ ধরনের বাসত্মব ধারণাবিবর্জিত গুজবভিত্তিক বিনিয়োগের কারণে সিকিউরিটির মূল্য অতিমূল্যায়িত হয়ে থাকে। ফলে মূল্য সংশোধন হয়ে থাকে। মূল্য সংশোধনের সময় দরপতন বেশি হবে আশঙ্কা করে ব্যসত্মতার সঙ্গে শেয়ার বিক্রি করে দরপতনকে উস্কে দেয়া হয়। তিনি আরও জানান, পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট, কলমানি মার্কেটে সুদের হার বেশি এবং কয়েকটি ৰেত্রে অস্বচ্ছ ত্রম্নটিপূর্ণ আর্থিক বিবরণীর কারণেও দরপতন হয়ে থাকে।
অর্থমন্ত্রী জানান, মাত্রাতিরিক্ত দরপতনের কারণ খুঁজে বের করার জন্য তদনত্ম কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকার বাজার স্বাভাবিক রাখার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য অধিক প্রশিৰণের ব্যবস্থা নেয়া। বাজারের কারসাজি রোধকল্পে সার্ভেইল্যান্স জোরদার করা। পরামর্শক কমিটি, উপদেষ্টা কমিটিসহ বাজার সংশিস্নষ্ট সব স্টোক হোল্ডারের সঙ্গে নিয়মিত সভা করা এবং তাঁদের কাজের সমন্বয় করা। একই প্রসঙ্গে সরকারী দলের সংসদ সদস্য মেহের আফরোজের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, পুঁজিবাজারে ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রৰা ও তাঁদের আস্থা অর্জনে সরকার সদা সচেষ্ট। এ বিষয়ে সরকারের অন্যান্য পদৰেপের মধ্যে রয়েছে, কারসাজি রোধে তদনত্ম ও পরিদর্শন কার্যক্রম জোরদার করা। সর্ট সেল রোধে ইন্টিগ্রেটেড ট্রেডিং সফটওয়্যার প্রণয়নের উদ্যোগ। বিনিয়োগকারীদের প্রশিৰণ। বিনিয়োগকারীদের সচেতনতার জন্য নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ। বাজারের মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে সমন্বয় সাধন। স্টক এঙ্চেঞ্জের মূল মার্কেট থেকে দুর্বল কোম্পানিগুলোকে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে স্থানান্তর। অতিমূল্যায়িত বিবেচিত হলে সাময়িকভাবে সেটার লেনদেন স্থগিত করা এবং নিরীৰিত ও অন্যান্য আর্থিক বিবরণীর আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণসহ অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/09/2011 12:39 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেবে সরকার
সংসদ বার্তা পরিবেশক
The Daily Sangbad
10.02.2011
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, পুঁজিবাজারে শেয়ারের দাম নিয়ন্ত্রণ করার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে সরকার। গতকাল জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।
চিফ হুইপ আবদুস শহীদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে যেভাবে শেয়ারের দাম নির্ধারণ হয়, তাতে সিদ্ধান্তগুলো ঠিকভাবে কাজ করে না। এমন কি চার্টার্ড একাউনট্যান্টরা প্রচলিত যে আইন নিয়ে কাজ করেন তাতেও অনিয়ম ধরা যায় না। তাই আমরা বুক বিল্ডিং মেথডে শেয়ারের দাম নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোন কোম্পানির ফান্ডামেন্টালের ওপর দাম নির্ধারণ করা হবে। প্রিমিয়াম কত হবে তা বুক বিল্ডিং মেথড ভালোভাবে পরীক্ষা করবে।
মন্ত্রী বলেন, আমার যেসব সিদ্ধান্তে ভুল ছিল তা আমি স্বীকার করেছি। বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন যদি কোন দোষ করে থাকে তবে আমি দায়ী। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্তের পর আমি বলেছিলাম, ব্যাংকগুলো যেভাবে রূপান্তর করতে চায় করুক। আমার ওই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। নতুন যেসব শেয়ার বাজারে আসবে সেগুলোর অভিহিত মূল্য ১০ টাকাই হবে।
তিনি বলেন, আমাদের পুঁজিবাজারে স্টক মার্কেটের মালিকরাই ব্রোকার, ইস্যুয়ার। এটাকে ভাঙতে ডিমিউট্যালাইজেশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। এটিই সমস্যার গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা।
সুলতানা বুলবুলের আরেক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা আমাকে প্রায়ই শুনতে হয় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই পুঁজিবাজারে ধস নামে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে আমার কথা হচ্ছে, যদি এ পুঁজিবাজারকে কোন কার্যকলাপ (ফাংশন) করতে না দেয়া হয়, তবে ধস নামবে না। বিগত সরকারগুলো সেখানে কোন কাজ হতে দেয়নি বলেই তাদের সময়ে ধস নামেনি। অনেকেই চান ওই বাজার নিয়ে নাড়াচাড়া না হোক, ওটা যেন ওভাবেই পড়ে থাকে। আমরা চাই পুঁজিবাজার গড়ে উঠুক। বিনিয়োগ পেতে হলে পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী দরপতনে অভ্যস্ত নন তারা মনে করেন পুঁজিবাজারে গেলেই লাভ হবে। তাই কোন ক্ষতি তারা সহ্য করতে পারেন না।
মঙ্গলবার পুঁজিবাজারের দরপতনকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দিনের শুরুতে লেনদেন ভালো হলেও পরে তা নামতে থাকে। আর সঙ্গে সঙ্গেই নানান ঘটনা ঘটতে শুরু করে। গাড়ি পোড়ানো হয়, ভাঙচুর হয়, আমার পদত্যাগেরও দাবি ওঠে। এমন কি এমন অপপ্রচারও শুরু হয় যে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত দিনের শেষে লেনদেন ৪০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এ ঘটনায় অবশ্যই রহস্য রয়েছে। ১৯৯৬ সালে আমাদের হাতে অস্ত্র ছিল না। এখন আমাদের হাতে সিডিবিএল আছে। বেনামি কারবার কিছুটা হলেও ধরা যাবে।
সংসদ সদস্য মো. মুরাদ হাসানের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০০৯-১০ অর্থ-বছরের সিগারেট ও বিড়ি থেকে সরকার ৬ হাজার ৬৪৮ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/09/2011 12:40 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজার নিয়ে এ মন্তব্য কেন?
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
The Daily sangbad
10.02.2011
শেয়ারবাজার স্থিতিশীল করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার সরকারি সব উদ্যোগ নস্যাৎ করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং প্রধান বিরোধীদল বিএনপির স্বার্থান্বেষী কয়েকজন ব্যবসায়ী জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোয়েন্দা সংস্থাগুলো শেয়ারবাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত দু'দলের স্বার্থান্বেষী ব্যক্তিদের একটি তালিকা সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে পেশ করেছে। সরকারি সংস্থাগুলো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের গতিবিধির ওপর নজর রাখছে। তারা যাতে দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য ইমিগ্রেশনকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। কয়েকদিন আগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আইএফআইসি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অন্যতম ব্রোকার লুৎফর রহমান বাদলকে ইমিগ্রেশন বিভাগ সিঙ্গাপুর যেতে দেয়নি।
শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতনের ম্যানুপুলেশনের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার জন্য বিশিষ্ট ব্যাংকার খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটির কাজকে ব্যাহত করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে একটি মহল অপচেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঢাকা ও চট্টগ্রামের অধিকাংশ ব্রোকার হাউজের মালিকই আওয়ামী লীগবিরোধী হিসেবে পরিচিত বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের র্(এসইসি) শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তাও শেয়ারবাজারের কারসাজির সঙ্গে জড়িত। এসইসির সদস্য মনসুর আলম গত মাসে সরকারি উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন। গত মাসে এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়াকে ওএসডি করা হয়েছে। এসইসির অন্য কর্মকর্তাদের ব্যাপারে জোরেশোরে তদন্ত হচ্ছে।
শেয়ারবাজার সম্পর্কে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত চেয়ারম্যান লোটাস কামালের গত মঙ্গলবারের উক্তিটি ছিল টক_ অফ দ্য টাউন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে শেয়ারবাজার কারসাজিতে বিএনপির অনেকের জড়িত থাকার কথা বলেছেন। লোটাস কামাল প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে স্রেফ 'রাজনৈতিক' বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, শেয়ারবাজারের সূচক ৩-৪ হাজারের নিচে না আসা পর্যন্ত কেউ না কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
লোটাস কামাল আওয়ামী লীগের এমপি হলেও শেয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তার নিজের প্রতিষ্ঠান ঈগঈ কঅগঅখ-এর ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের প্রতিটির দাম গতকালের বাজারে সর্বোচ্চ ২১১ টাকা থেকে সর্বনিম্ন ১৯৫ টাকা ৪০ পয়সায় বেচা-কেনা হয়েছে। এই শেয়ার গত একমাসে সর্বোচ্চ ২৩৬ টাকা ৭০ পয়সায় বেচা-কেনা হয়েছিল।
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন, অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি। এই কমিটির চেয়ারম্যান নিজেও একজন শেয়ার ব্যবসায়ী। বাজার সূচক যখন ১০ হাজারে উঠেছিল ওই সময় লোটাস কামাল কোন মন্তব্য করেননি। বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় যখন সরকার একের পর এক উদ্যোগ নেন ঠিক তখন লোটাস কামাল শেয়ারবাজারের সূচক ৩-৪ হাজারের মধ্যে থাকার ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন। কেন তার এই মন্তব্য?
সরকার এবং ক্ষমতাশীন দলের দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে লোটাস কামালের মতো ব্যবসায়ীদের শেয়ারবাজার নিয়ে বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে দিচ্ছে। লোটাস কামালের শেয়ার সম্পর্কিত বক্তব্য কার স্বার্থরক্ষা করেছে? সাধারণ বিনিয়োগকারী না শেয়ার কারসাজির সঙ্গে যুক্তদের? এটাই প্রশ্ন।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/09/2011 12:41 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দিন শেষে ডিএসইতে দরপতনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
The Daily Sangbad
10.02.2011
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) আবারও সূচকের ব্যাপক পতনে বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা। গতকাল দিনের লেনদেন শেষে ১৪৯ পয়েন্ট সূচক কমায় ডিএসই্থর সামনে এ বিক্ষোভ শুরু হয়। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ৪টার দিকে যান চলাচল শুরু হয়। গতকাল লেনদেন হওয়া ২৫৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৭টির, কমেছে ২১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের।
জানা যায়, বুধবার দরের উঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছিল পুঁজিবাজারে। দিনের শুরুতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও ১৫ মিনিটের ব্যবধানে তা পড়তে শুরু করে। লেনদেনের প্রথম ৫ মিনিটে সাধারণ সূচক বাড়ে ৯ পয়েন্ট। কিন্তু ১৫ মিনিট পরে সূচক কমে ৭০ পয়েন্ট। দুপুর ২টায় সূচক আবার ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ ২০ মিনিটে সাধারণ সূচক ১৪৯ পয়েন্ট কমে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অনুপস্থিতির কারণে বাজারে এ রকম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার দিনের লেনদেন শেষে ডিএসই্থর মূল্যসূচক ১৪৯ পয়েন্ট কমলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভকারীরা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আহম মোস্তফা কামাল, সিএসই, ডিএসই চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করে সেস্নাগান দেয়। এ সময় বিনিয়োগকারীরা মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত ডিএসইর সামনে সড়ক অবরোধ করে মিছিল ও আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন। ফলে এ এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ৪টার দিকে যান চলাচল শুরু হয়। ডিএসইর সামনে ও মতিঝিল এলাকায় বেশ কিছু পুলিশ মোতায়েন থাকায় কোন সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে কমিটির সভাপতি আহম মোস্তফা কামাল বলেন, সূচক সাড়ে ৩ থেকে ৪ হাজারে নেমে না আসা পর্যন্ত পুঁজিবাজার স্থিতিশীল হবে না। এমনকি শেয়ারবাজারে অস্থিরতার পেছনে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে মন্ত্রিসভা বৈঠকে বিএনপি জড়িত থাকার যে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী তোলেন তাও নাকচ করে দেন মোস্তফা কামাল। প্রধানমন্ত্রীর ওই বক্তব্য রাজনৈতিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাজার পরিস্থিতি : ডিএসতে দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ১৪৯ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৬৭৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৭.০৬৫ পয়েন্ট কমে ৪৪২৭.৬৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর আগের দিন ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ৪২৮ পয়েন্ট বা ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে ৬ হাজার ৮২২ দশমিক ৮৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছিল। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে মোট ২৫৯টি কোম্পানির ৫ কোটি ৯৯ লাখ ৩৬ হাজার ৬২৩টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৬৭৩ কোটি ৬৭ লাখ ৭৯ হাজার ৯৪৩ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১১৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা কম। ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৪ কোটি টাকা।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- ন্যাশনাল ব্যাংক লিঃ, ইউসিবিএল, বেঙ্মিকো লিঃ, পিপলস্ লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিঃ, গ্রামীণফোন, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, প্রাইম ব্যাংক লিঃ, ওয়ান ব্যাংক লিঃ, সাউথইস্ট ব্যাংক লিঃ ও বে-লিজিং। দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- অ্যাম্বী ফার্মা, জেমীনি সি ফুড, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিঃ, প্রাইম ইন্সুরেন্স, ব্র্যাক ২য় বন্ড, সিটি ইন্সুরেন্স, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ঢাকা ইন্সুরেন্স, আরামিট ও পাইওনিয়ার ইন্সুরেন্স। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিঃ, ১ম প্রাইম মিউচুয়াল ফান্ড, রূপালী ইন্সুরেন্স, সিএমসি কামাল, মডার্ন ডাইয়িং, ইনটেক, তাল্লু স্পিনিং, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স ও ইউসিবিএল। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/09/2011 12:43 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | নতুন নিয়মে সূচক নির্ণয়ের প্রস্তাব দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
10.02.2011
বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন পদ্ধতিতে সূচক নির্ণয়ের প্রস্তাব করেছে ঢাকা ও চিটাগাং স্টক এঙ্চেঞ্জ। গতকাল দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কর্মকর্তাদের সামনে সূচক নির্ধারণ পদ্ধতির ব্যাখ্যা ও নমুনা উপস্থাপন করা হয়।
দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের প্রস্তাব অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যাকে বিবেচনায় না নিয়ে শুধুমাত্র লেনদেনযোগ্য (ফ্রি ফ্লোট) শেয়ারের লেনদেনের ভিত্তিতে সূচক গণনা করা হবে। তালিকাভুক্ত কোন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হলেই কেবল তা সূচকে অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে বর্তমানে চালু সূচকগুলো বাতিল না করেই নতুন পদ্ধতিতে সূচক গণনার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে চালু সূচকগুলো বাতিল করে নতুন সূচক নির্ধারণ করা হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলে ডিএসই ও সিএসইর পক্ষ থেকে অভিমত ব্যক্ত করা হয়েছে।
এদিকে প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে সূচক গণনার বিষয়টি চূড়ান্ত করতে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে নির্দেশ দিয়েছে এসইসি।
জানা যায়, ডিএসই ও সিএসইর পক্ষ থেকে উপস্থাপিত সূচকের বিষয়ে এসইসি কর্মকর্তারা ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। তবে এসইসির সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও কমিশন সভায় সামগ্রিক পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। কবে থেকে নতুন পদ্ধতিতে সূচক নির্ধারণ করা হবে_ তা সম্পূর্ণভাবে এসইসির সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, সূচক নির্ধারণে ভুল-ত্রুটি সংশোধনের জন্য গত জানুয়ারিতে এসইসির পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়। ওই সময় আইএসকোর সূত্র অনুসরণ করে দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ যাতে একই পদ্ধতিতে সূচক পরিমাপ করে_ তা নিশ্চিত করার জন্য অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নেরও তাগিদ দেয়া হয়। সূচক নির্ধারণে নীতিমাল প্রণয়নের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক শামসুল হককে প্রধান করে তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। ৬ মাসেরও বেশি সময় কাজ করার পর কমিটি সূচকের একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে।
অন্যদিকে সূচক পরিমাপের জন্য অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করতে এসইসির পক্ষ থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারায় নীতিমালা চূড়ান্ত করার জন্য ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। ওই সময়ের মধ্যে ডিএসইর পক্ষ থেকে একটি সুপারিশ পেশ করা হয়। তবে সিএসইর সঙ্গে অভিন্ন নীতিমালা নিয়ে কোন আলোচনা করেনি ডিএসই। পরে এসইসির নির্দেশে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ সম্মিলিতভাবে সূচক পরিমাপের নীতিমালা সম্পর্কে প্রস্তাব জমা দেয়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/10/2011 1:04 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
পুঁজিবাজার কারসাজি: গোয়েন্দা নজরদারিতে ৫৭
আহমেদ রাজু, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১২০১ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১১
ঢাকা: পুঁজিবাজার কারসাজিতে জড়িত ৫৭ জনকে নজরদারিতে রেখেছেন গোয়েন্দারা। এদের অনেকেই দেশ ত্যাগের চেষ্টা করছেন। গত সোম ও মঙ্গলবার দু’ই ব্যবসায়ীকে বিমান থেকেও নামিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র।
এদের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী, এমপি থেকে শুরু করে প্রধান বিরোধী দলের সাবেক এমপিদের নাম রয়েছে। আরো রয়েছে রাজনীতিক, ব্যাবসায়ী নেতা, শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা, বড় বিনিয়োগকারী, বেসরকারি টিভি চ্যানেল চেয়ারম্যান, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপকের নামও।
গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, এটা দ্বিতীয় পর্যায়ের নজরদারি। প্রথম পর্যায়ে ১০৭ জনের চলাচলে নজর রাখা হয়েছিলো। দু’সপ্তাহ নজরদারির পর শেয়ারবাজার কারসাজির সঙ্গে ৫৭ জনের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়া গেছে। তাদের নামের তালিকা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও তদন্ত কমিটি প্রধান ড. খন্দকার ইব্রাহিম খালেদের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
তদন্তকাজে জড়িত এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বাংলানিউজকে জানান, শেয়ারবাজার কারসাজির নেপথ্য নায়করা অনেকেই নজরদারির বিষয়টি টের পেয়ে দেশ ত্যাগের চেষ্টা করছেন। গত সোম ও মঙ্গলবার এরকম দু’টো প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছেন গোয়েন্দারা। সোমবার চট্রগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বির্তকিত ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বাদলকে ও মঙ্গলবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়াকুব আলীকে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, নজরদারিতে থাকা অনেকেরই নিজের নামে বিও অ্যাকাউন্ট না থাকলেও বিভিন্ন নামে শ’ শ’ একাউন্ট রয়েছে। এ সব একাউন্টে ৫ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে। কিন্তু কোনো শেয়ারই কেনা হয়নি। এদের অনেকেই মাত্র বছর দুয়েকের মধ্যে মিলিওনিয়ার বনেছেন। রাজধানীর অভিজাত এলাকায় কিনেছেন বিলাসবহুল বাড়ি, ফ্যাট। একাউন্ট খুলেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
লুৎফর রহমান বাদলসহ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে শেয়ারবাজারে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। লতিফ সিকিউরিটিজের কর্ণধার বাদল ক’বছর আগেও বিএনপির মোসাদ্দেক আলী ফালু আর বর্তমান সরকারের সময়ে প্রভাবশালী এক নেতার হাত ধরে দেশের অন্যতম ব্যাবসায়ী হয়ে ওঠেন। ২০ প্রতিষ্ঠানের অন্যতম মালিক বনে যান মাত্র দু’বছরে।
শেয়ারবাজার থেকে শ’ শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে একের পর এক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তিনি। অন্যতম মালিক হন বিজনেস ক্যাপিটাল শেয়ার ও সিকিউরিটিজ, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, এলআর এ্যাগ্রো ফার্ম, ঢাকা-সাংহাই সিরামিক, এনটিভি, আরটিভি, নুরানী হিমাগার, আইএফআইসি ব্যাংক ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের।
এদিকে বাদলের কোম্পানি মেসার্স লতিফ সিকিউরিটিজ লিমিটেড জাল শেয়ার দিয়ে ৮৯ লাখ টাকার ব্যাংক ঋণ হাতিয়ে নিয়েছে বলে প্রাথমিক প্রামাণ পেয়েছেন দুদকের সহকারী পরিচালক আবু নাছির।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও শেয়ারবাজার কারসাজি নিয়ে বুধবার কথা বলেছেন সংসদে।
শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক দরপতনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দু:খ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ‘শেয়ারবাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।’
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/10/2011 7:03 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ডিএসইতে আবারো দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
শেয়ারের অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে মতিঝিলে আজও বিক্ষোভ করেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষদিনে ডিএসইতে লেনদেন শেষে দরপতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারী। তারা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে ডিএসইর সামনে জড়ো হয়। বিক্ষোভকারীরা ডিএসইর সামনের রাস্তা অবরোধ করে অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, সিএসইর চেয়ারম্যান এবং ডিএসই প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবি জানায়। এ দাবিতে ঝাড়ু মিছিল এবং রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিনিয়োগকারীরা। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে থেকে দৈনিক ইত্তেফাকের মোড় পর্যন্ত রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা ৪টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হলে আবারো রাস্তায় যান চলাচল শুরু হয়।
এ সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসই সূচকের বড় ধরনের পতন হয়। একদিন দাম বাড়লেও সূচকের ব্যাপক উঠানামায় দিশেহারা হয়ে পড়ে লাখ লাখ সাধারণ বিনিয়োগকারী। ক্রমাগত দাম পড়ে যাওয়ায় প্রায় প্রতিদিনই মতিঝিলে বিক্ষোভ করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
এদিকে বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দাম কমার মধ্য দিয়ে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হলেও ১৫ মিনিটের ব্যবধানে তা বাড়তে শুরু করে। লেনদেনের প্রথম ৫ মিনিটে সাধারণ সূচক কমে ১১৫ পয়েন্ট। কিন্তু ১৫ মিনিট পরে সূচক বাড়ে ২৫ পয়েন্ট। দিন শেষে সাধারণ সূচক বুধবারের চেয়ে কমে ১৪৬ পয়েন্ট। সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য, বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অনুপস্থিতির কারণে বাজারে এ অস্থিরতা চলছে বলে জানিয়েছে বিশ্লেষকরা। দিন শেষে কমেছে ২৩৩টি, বেড়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/মউ/এমএইচ/১৫.১০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/10/2011 7:05 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে বাজারে আসছে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার
ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
রাষ্ট্রায়াত্ব খাতের ২১ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধাপে ধাপে বাজারে ছাড়ার সময় বেধে দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ২৬ সরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পদের হিসাব ও পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় শেষ বারের মত এ সময় বেধে দেন অর্থমন্ত্রী। একইসঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে শেয়ার ছাড়তে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে বলে ফের সতর্ক করেন তিনি।
গত দুই বছরে শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দফায় দফায় নির্দেশনা পাওয়ার পরও এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তা উপেক্ষা করে যাচ্ছে। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর ২৬ প্রতিষ্ঠানকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেধে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যেও শেয়ার বাজরে আসতে ব্যর্থ হয় প্রতিষ্ঠানগুলো।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েল কোম্পানি আগামী ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাজারে আসছে। তিতাস গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড, লিক্যুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস লিমিটেড ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন শেয়ার বাজারে আসবে ৩১ মার্চের মধ্যে। এছাড়া রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড ৩০ মে, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ ও চিটাগং ড্রাইডক ৩০ জুন, বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড ৩১ জুলাই এবং কর্ণফুলী পেপার মিল ৩১ ডিসেম্বর বাজারে শেয়ার ছাড়বে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড (শেরাটন হোটেল) ২০ শতাংশ ও ৩০ জুনের মধ্যে হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (সোনারগাঁও হোটেল) ৩০ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়বে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানের সম্পদ মূল্যায়নে জটিলতা রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স প্রাথমিকভাবে ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়বে ৩০ জুনের মধ্যে। বাজারে আসার পর ধাপে দাপে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার সংখ্যা বাড়ানো হবে। টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ও বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ৩০ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ কেবলস শিল্প লিমিটেড ৩০ জুন, টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) ও সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড ৩০ এপ্রিল, এ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড ৩০ জুনের মধ্যে বাজারে আসবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড আগামী ৬ মাসের মধ্যে শেয়ারের পরিবর্তে বন্ড ছাড়বে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু ও পদ্মা সেতু যৌথভাবে বাজারে শেয়ার ছাড়বে। গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড, জালালাবাদ গ্যাস টিএন্ডডি সিস্টেম লিমিটেড'র সম্পদ মূল্যায়নে জটিলতা রয়েছে। এজন্য এসব কোম্পানিকে তালিকা থেকে প্রাথমিকভাবে বাদ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্লেড কোম্পানি ও জিইএম কোম্পানি লিমিটেড বাজারে আসছে না বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির সম্পদ মূল্যায়নের জন্য এসইসি'র চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি কমিটি করে দেয়া হয়েছে। সম্পদ মূল্যায়নের পর এ কেম্পানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/আরএমএম/এমএইচ/১৬.৪০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/10/2011 7:06 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারের ভাঙচুর উদ্দেশ্যমূলক: অর্থমন্ত্রী
ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, দরপতনকে ইস্যু করে শেয়ারবাজারে ভাঙচুর উদ্দেশ্যমূলক। শেয়ারবাজার উঠানামা করবে এটাই স্বাভাবিক। এতে একদল লোক বাজার নামার আগেই প্রস্তুত থাকে, বাজার নামার সঙ্গে সঙ্গে তারা ভাঙচুরে নেমে পড়ে। এসব ভাঙচুরকারীদের তিনি বদমাশ বলে অভিহিত করেছেন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের শেয়ারবাজারে ছাড়ার অগ্রগতি নিয়ে সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
এছাড়া তিনি শেয়ারবাজার নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামালের (লোটাস কামাল) বক্তব্যের জবাবে বলেন, তারা সুপারিশ করতে পারেন, সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না।
উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল বলেছিলেন- সূচক নেমে ৩ থেকে ৪ হাজারে না আসলে বাজার স্থিতিশীল হবে না। এছাড়া শেয়ারবাজার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকেও তিনি রাজনৈতিক বলে অভিহিত করেছিলেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/আরএমএম/এসএস/এসসি/১৫.৪০ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/10/2011 7:06 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ডিএসইর ডিমিউচ্যুয়াললাইজেশনের কাজ চলছে: শাকিল রিজভী
ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
ডিএসই'র প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেছেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ব্রোকার হাউজগুলোর ক্ষমতা সঙ্কুচিত করতে ডিএসইর ম্যানেজমেন্টে ডিমিউচ্যুয়াললাইজেশনের কাজ চলছে। এ ব্যাপারে গত ২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসইসিতে এ ব্যাপারে একটি চূড়ান্ত খসড়া জমা দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএসই কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় পুঁজিবাজার নিয়ে সমপ্রতি প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য সঠিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, বাজার উন্নতির পথে। বিনিয়োগকারীদের বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিনিয়োগ করতে হবে।
শাকিল রিজভী বলেন, সূচককে বাজারের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা না করে পিই রেশীয় ও কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল বিবেচনা করে বিনিয়োগ করতে হবে এবং তা হতে হবে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। তাহলেই বাজার থেকে একটি সন্তোষজনক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হবে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/এসএস/এএইচ/১৪.১৫ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|