DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 30 / 40 1 - 2 - 3.. - 28 - 29 - 30 - 31 - 32.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
02/07/2011 6:17 am

Junior Member


Regist.: 01/22/2011
Topics: 0
Posts: 20
OFFLINE
thanks for all news
Quote   
02/07/2011 9:02 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
এগ্রেসিভ সেল: ৫ ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন কাল চালু হচ্ছে

ঢাকা, ৭ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

পুঁজিবাজারে এগ্রেসিভ সেলের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থগিত ৫ ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে এসব ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন চালু হবে। সোমবার এসইসির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে এসইসির মুখপাত্র সাইফুর রহমান জানিয়েছেন। লেনদেন চালু হওয়া ব্রোকারেজ হাউজগুলো হচ্ছে- আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ ও এলায়েন্স সিকিউরিটিজ এন্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। তবে এসব ব্রোকারেজ হাউজের নির্বাহি প্রধানদের ওপর এসইসির স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।
এছাড়া এগ্রেসিভ সেলের সঙ্গে জড়িত ব্রোকারেজ হাউজের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটি যে রিপোর্ট দিয়েছে বিধি মোতাবেক এসইসির এনফোর্সমেন্ট বিভাগে এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের জানান। এর আগে ২৬ জানুয়ারি এনসিসি ব্যাংক এগ্রেসিভ সেলের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের শাস্তি দেয়ায় এবং ভুল স্বীকার করায় এসইসি এ ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন চালুর অনুমোদন দেয়।
এর আগে রোববার ছয় ব্রোকারেজ হাউজের জন্য পৃথক ছয়টি তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল। তবে তদন্তকার্য সম্পন্ন না হওয়ায় দুই কার্যদিবস সময় বাড়িয়ে ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। ২৬ জানুয়ারি পুঁজিবাজারে এগ্রেসিভ সেলের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজের বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি তদন্ত কমিটি গঠন করে এসইসি।
২০ জানুয়ারি পুঁজিবাজারে এগ্রেসিভ সেলের (বেশি দরে বিক্রির সুযোগ গ্রহণ না করে কম দরে বিক্রি) সাথে জড়িত থাকার দায়ে আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ ও এলায়েন্স সিকিউরিটিজ এন্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের লেনদেন ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করে এসইসি। এগ্রেসিভ সেলের কারণে সেদিন লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ সূচক ৫৮৭ পয়েন্ট পতন হওয়ায় এসইসি এ সিদ্ধান্ত নেয়। একই সাথে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তাদেরও ৩০ দিন পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়। এছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে আইআইডিএফসি'র গ্রাহকদের জন্য ব্যাংক এশিয়া ও এমটিবি সিকিউরিটিজের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/জেডএইচ/এসসি/১৯.০০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/07/2011 9:05 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারে ৯৫ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে এনবিএল
     
     

ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ০৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


শেয়ার মালিকদের ২০১০ সালের জন্য ৯৫ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনবিএল) পরিচালনা পর্ষদ।

বিনিয়োগকারীদের এই লভ্যাংশ পরিশোধ করা হবে শেয়ারে।

এক্ষেত্রে রেকর্ড ডেট হবে আগামী ২৩ ফেব্র"য়ারি; অর্থাৎ সেদিন যার কাছে এনবিএলের শেয়ার থাকবে তিনি ওই লভ্যাংশ পাবেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে সোমবার এক বার্তায় জানানো হয়, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় লভ্যাংশ ঘোষণার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের নির্দেশনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে এনবিএলের শেয়ার লেনেদেনে সার্কিট ব্রেকার থাকবে না।

কোনো প্রতিষ্ঠান শেয়ার মালিকদের লভ্যাংশ হিসেবে নগদ অর্থ না দিয়ে শেয়ার দিলে তাকে স্টক ডিভিডেন্ট বলা হয়।

এনবিএলের পরিচালনা পর্ষদ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে আয় দেখিয়েছে ১৫ টাকা ৫৫ পয়সা। আর প্রতিটি শেয়ারের নেট অ্যাসেট ভ্যালু দেখানো হয়েছে ৪৩ টাকা ৩০ পয়সা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/পিডি/জেকে/২০৪১ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/07/2011 9:07 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ডিএসইতে ৩ কার্যদিবসে সূচক কমেছে ৯১৫ পয়েন্ট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশের সময়: ২০৫০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০১১


ঢাকা: দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতন অব্যাহত রয়েছে। সোমবার ডিএসইতে সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩২৪ দশমিক ৫১ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৩৯৪ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে নেমে আসে। ধারবাহিক দরপতনের কারণে গত ৩ কার্যদিবসে ডিএসইতে সূচক কমেছে ৯১৫ পয়েন্ট।

ধারাবহিকভাবে সূচকের পতনের পাশাপাশি লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায় ডিএসইর বাজার মূলধনও কমছে।

সোমবার ডিএসইর বাজার মুলধন আগের দিনের চেয়ে ১১ হাজার ২২২ কোটি টাকা কমে ২ লাখ ৮৮ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকায় নেমে আসে। এ নিয়ে গত তিন কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৩১ হাজার ৩৪ কোটি টাকা।

সোমবার বড় ধরনের দরপতনের কারণে ডিএসইতে ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিমেন্ট, সিরামিকস, টেক্সটাইল, সেবা ও আবাসন, ওষুধ ও রসায়ন, টেলিকমিউনিকেশন এবং আইটি খাতের লেনদেন হওয়া সব শেয়ারের দাম কমেছে।

লেনদেন হওয়া ২৫৫ টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ১২ টির, কমেছে ২৪১ টির এবং ২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত থাকে।

দিনশেষে ডিএসই’তে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬০৯ কোটি ৯৭ লাখ ৫১ হাজার টাকা। এটি আগের দিনের চেয়ে ৯৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা কম।

অন্যদিকে ধারাবাহিক দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীরা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন। একইসঙ্গে বাজারের এই অবস্থার জন্য সরকারের উদাসিনতা দায়ী করে তারা অর্থমন্ত্রীর পতত্যাগ দাবি করেন।

এ ব্যাপারে স্বপন, কালাম ও ফারুক নামের কয়েকজন বিনিয়োগকারী হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী এবং ডিএসই ও সিএসই সভাপতি আহবানে সাড়া দিয়ে আমরা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছি। অথচ বাজারের বর্তমান অবস্থায় সরকার কোনো দায়িত্ব নিচ্ছে না।’

অন্যদিকে বাজারের বর্তমান অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের আবারো আতঙ্কিত না হওয়ার আহবান জানিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

এ ব্যপারে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলানিউজকে বলেন, ‘বাজার এই অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের ধয্য ধরার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু বেশির ভাগ বিনিযোগকারী তা না করে আতঙ্কিত হয়ে কম দামে শেয়ার বিক্রি করছে। এতে করে বাজার আরো পতন হচ্ছে।’

অল্প দিনের মধ্যে বাজারে স্থিতিশলিতা ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সোমবার ডিএসইতে একদিনের ইতিহাসে ৬ষ্ঠ সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি ডিএসইতে একদিনে সর্বোচ্চ ৬৩৫ পয়েন্ট সাধারণ মূল্য সুচক কমে যায়। এটি এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ সুচকের পতন। সূচকের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পতন হয় ৯ জানুয়ারি ৬০০ পয়েন্ট। তৃতীয় সর্বোচ্চ পতন হয় গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ৫৫১ পয়েন্ট, চতুর্থ সর্বোচ্চ পতন হয় গত ৮ ডিসেম্বর ৫৪৭ পয়েন্ট। ৫ম সর্বোচ্চ পতন হয় ৬ ফেব্রুয়ারি ৪০৬ পয়েন্ট। ৭ম সর্বোচ্চ দরপতন হয় গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ২৮৪ পয়েন্ট, ৮ম সর্বোচ্চ পতন হয় চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ২৩৭ পয়েন্ট এবং ৯ম সর্বোচ্চ দরপতন হয় ১৯৯৬ সালের  ৬ নভেম্বর ২৩৩ পয়েন্ট কমে যায়। প্রতিটি দরপতনেই বাজারে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/07/2011 12:50 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বাজার পরিস্থিতি খুব শীঘ্রই স্বাভাবিক হয়ে যাবে
সিএসইর প্রশিক্ষণ কর্মসূচী উদ্বোধনকালে বক্তারা


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
08.02.2011

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) আয়োজিত সমন্বিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। শীঘ্রই বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। সোমবার সিএসই সম্মেলন কৰে ১২তম প্রশিক্ষণ কর্মসূচী উদ্বোধন করা হয়। সিএসই সহ-সভাপতি তারেক কামাল এ কর্মসূচী উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে সিএসই সহ-সভাপতি তারেক কামাল বলেন, বাজার পরিস্থিতি খুব শীঘ্রই স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তবে যে কোন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগের সময় বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বাস্তবিক চিন্তাধারার পরিপ্রেক্ষিতে বাজার থেকে অতিরিক্ত মুনাফা প্রত্যাশা করা উচিত নয়।
সিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুলস্নাহ মামুন বলেন, পুঁজিবাজার দিন দিন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। গত কয়েক বছর ধরে বাজারের পরিধি বিশেষ অর্থপূর্ণভাবে বেড়ে উঠছে। কিন্তু সরবরাহের দিকটা এখনও সনত্মোষজনক পর্যায়ে পেঁৗছেনি। তবে সিএসই এই ঘাটতি পূরণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সিএসই বাজারে গুণাগুণ সম্পন্ন বিনিয়োগকারী আনার জন্য তার আনত্মরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
অনুষ্ঠানে সিএসইর সাবেক সিইও এবং বর্তমানে জিপিএইচ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক এবি সিদ্দিক বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সিএসইর অর্থ বিভাগের প্রধান আহমেদ দাউদ, এজিএম লিগ্যাল এফেয়ার্স সোনিয়া হোসাইন, এজিএম, আইটি সার্ভিসেস মেজবাহ উদ্দীন, মার্কেট ডেভেলপমেন্ট বিভাগের ম্যানেজার একেএম শাহরোজ আলম, মার্কেট ডেভেলপমেন্ট বিভাগের এসিসটেন্ট ম্যানেজার জাবেদ সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।
মাসব্যাপী এই প্রশিৰণ কর্মসূচীতে অধ্যাপক আবু আহমেদ, ইওয়ার সাঈদ, অধ্যাপক ড. এম ওসমান ইমাম, অধ্যাপক ড. সালেহ জহুর, আরিফ খান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুসা, আর ওয়াই শমসের এবং এসইসির উর্ধতন কর্মকর্তারা প্রশিৰণ দেবেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/07/2011 12:59 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
টানা দরপতনে বিক্ষোভ ভাংচুর
পুঁজিবাজার
অর্থমন্ত্রীর কুশপুতুল দাহ ॥ হরতালের পৰে স্লোগান


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
08.02.2011

প্রধান বিরোধী দল বিএনপির ডাকা হরতাল চলাকালে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক লেনদেন অব্যাহত থাকলেও টানা দরপতনের কারণে ব্যাপক বিক্ষোভ, অবরোধ ও ভাংচুর করেছে বিনিয়োগকারীরা। নির্দিষ্টসংখ্যক সদস্য প্রতিষ্ঠান তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করায় সোমবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের লেনদেন শুরু হয়। তবে এক ঘণ্টার মধ্যেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের ব্যাপক দরপতন শুরু হলে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে শুরম্ন করেন। বিৰোভকালে বিনিয়োগকারীরা ইত্তেফাক মোড় থেকে মতিঝিলের শাপলা চত্বর পর্যনত্ম রাসত্মার দুই পাশে বিভিন্ন স্থানে টায়ারে আগুন ধরিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে। বিকেল ৪টার দিকে বিনিয়োগকারীরা মতিঝিল এলাকায় বেশ কয়েকটি ব্যাংক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ইটপাটকেল নিৰেপ করে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। তারা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কুশপুতুল পোড়ায়। এ সময় পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে আগের দিনের মতো সোমবারও দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের বিৰোভের সুযোগ নিয়ে ডিএসইর সামনে বিএনপির কিছু কর্মী তৎপর ছিল। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিৰোভ ডিএসইর সামনে সীমিত থাকলেও ওই রাজনৈতিক কর্মীরা শাপলা চত্বর এলাকায় তৎপরতা চালায়। তবে দরপতনে বিনিয়োগকারীদের কর্মসূচী হিসেবে এসব তৎপরতায় কোন হসত্মৰেপ করেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বিকেলের দিকে মতিঝিলজুড়ে ব্যাপক ভাংচুরের ঘটনায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি গোপীবাগ ও মতিঝিলের আশপাশের বিএনপি কর্মীরাও বেশি সক্রিয় ছিল বলে প্রত্যৰদর্শীরা জানান।
হরতালে লেনদেন ॥ হরতালের কারণে সোমবার শেয়ারবাজারে লেনদেন হবে কিনা_ এ নিয়ে ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তা এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভ্রানত্মি ছিল। সাধারণ রীতি অনুযায়ী যে কোন কার্যদিবসে কোরাম পূর্ণ হলেই ডিএসইতে নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরম্ন হয়। সব সংশয়ের অবসান ঘটিয়ে সোমবার নির্ধারিত সময়ের (সকাল ১০টা ৪০ মিনিট) মধ্যেই ডিএসইতে লেনদেন শুরম্নর জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য প্রতিষ্ঠান ট্রেড সার্ভারে লগ ইন করে। কোরামের জন্য ৭০টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ প্রয়োজন হলেও ওই সময় পর্যনত্ম ১৬৫টি সদস্য প্রতিষ্ঠান তাদের কম্পিউটার লগইন করে। ফলে অন্য দিনের মতোই বেলা ১১টা থেকে স্বাভাবিক লেনদেন শুরম্ন হয়। লেনদেন চালু থাকলেও দুই শেয়ারবাজারের ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। তা সত্ত্বেও অনেক বিনিয়োগকারী টেলিফোনের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেন করেছেন। অবশ্য মতিঝিল ছাড়া রাজধানীর অন্যান্য এলাকা এবং বিভাগীয় ও জেলা শহরে অবস্থিত ব্রোকারেজ হাউসের শাখাগুলোতে তুলনামূলক বেশি বিনিয়োগকারী ভিড় জমিয়েছেন।
ব্যাপক দরপতন, বিৰোভ-ভাংচুর ॥ লেনদেন শুরুতে সাধারণ মূল্যসূচক সামান্য বাড়লেও বলা ১১টা ৫ মিনিটে সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৩৭ পয়েন্ট কমে যায়। এ সময় বিনিযোগকারীদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা শুরম্ন হয়। তবে পরের ২০ মিনিটে অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়ে যাওয়ায় ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পায়। এ সময় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হলে লেনদেনে চাঙ্গাভাব তৈরি হয়। কিন্তু কিছুৰণের মধ্যেই ব্যাপক বিক্রির চাপে বাজার আবার নিম্নমুখী হয়ে যায়। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট থেকে ১২টার মধ্যে ১৬৭টি কোম্পানির শেয়ারের দর ব্যাপকহারে কমে যায়। ওই ১৫ মিনিটে ডিএসই সাধারণ সূচক প্রায় ৩৭০ পয়েন্ট কমে যায়। বেলা ১টা পর্যনত্ম বাজারে পতনের ধারা অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে বিৰোভ শুরম্ন করে। তারা বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় পুরো রাসত্মায় শত শত বিনিয়োগকারী অবস্থান নিয়ে অর্থমন্ত্রী, ডিএসই প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবি করে। বিৰোভ চলাকালে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মিশে বিএনপি কর্মীরা সরকারবিরোধী বিভিন্ন সেস্নাগান দেয়। বেলা ১টা ৩০ মিনিটে বিনিয়োগকারীরা যাত্রাবাড়ী-গাবতলী রম্নটের একটি গাড়ি ভাংচুর করে।
বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ শাপলা চত্বরের সামনে বিৰোভ করে। একপর্যায়ে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের মূল গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রায় এক ঘণ্টা অবরম্নদ্ধ হয়ে থাকে। বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়ালের সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলে। বিৰোভ চলাকালে মতিঝিল এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও তারা কোন এ্যাকশনে যায়নি।
বেলা ৩টায় লেনদেন কার্যক্রম শেষে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে বেরিয়ে সেস্নাগান দিতে দিতে বিনিয়োগকারীরা ফিরে যেতে থাকে। এ সময় মিছিলকারীদের একটি অংশ রাসত্মার দু'পাশের ভবনগুলোতে ব্যাপক ইট-পাটকেল নিৰেপ করতে থাকে। তারা মধুমিতা সিনেমা হল ভবন, আইসিবি ইসলামি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, স্টান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক, বাংলালিংক অফিসসহ বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাঁচ ভেঙ্গে ফেলে। এ সময় পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা লাঠিচার্জ শুরম্ন করে। ভাংচুরকারীরাও তাদের দিকে ইট-পাটকেল নিৰেপ করে। এতে বেলা সাড়ে ৩টা থেকে ৪টা পর্যনত্ম উভয়পৰের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে টিকতে না পেরে ভাংচুরকারী এলাকা ছেড়ে চলে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
সরকারী সিদ্ধানত্মের প্রভাব নেই বাজারে সঙ্কট উত্তরণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের পর স্বাভাবিকতা ফেরার আভাস দিলেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তায় আবারও স্থবির হয়ে পড়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে বেশ কিছু সিদ্ধানত্ম নেয়া হলেও অধিকাংশ ৰেত্রেই তা বাসত্মবায়ন হচ্ছে না। ফলে বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকলেও ক্রেতার অভাবে ধারাবাহিকভাবে কমছে অধিকাংশ শেয়ারের দর। গত ৬ কার্যদিবসের মধ্যে ৫ দিনই বড় দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। এতে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে ১১৭৮ পয়েন্ট। দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ৬০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আবারও আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে।
দেড় মাস ধরে ধারাবাহিক বিপর্যয়ের পর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের দিক থেকে স্বল্প ও মধ্য মেয়াদি নানা পদৰেপের ঘোষণা দেয়া হয়। ধারাবাহিক দরপতন সামাল দিতে বাজারে শেয়ারের চাহিদা বৃদ্ধির জন্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। বাজারে অর্থপ্রবাহ বাড়াতে ব্যাংকগুলোর মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা সরিয়ে না নিয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ করে দেয়া হয়। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মুনাফাও পুনরায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য বলা হয়। ইতোমধ্যেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে এসব পদৰেপ বাসত্মবায়নের জন্য সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ ঘোষণার পর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরতে শুরম্ন করে। টানা চারদিন বাজারে শেয়ারের দর ও সূচক বেড়ে যায়। কিন্তু তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় আবারও মন্দার কবলে পড়েছে পুঁজিবাজার। গত সপ্তাহে টানা চারদিন কমেছে অধিকাংশ শেয়ারের দর ও সূচক। পুঁজিবাজারে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা অস্বাভাবিক না হলেও একসঙ্গে প্রায় সকল কোম্পানির শেয়ারের দরপতনকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিশেস্নষকরা। তাঁদের মতে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ও আস্থাহীনতার কারণেই একসঙ্গে সব কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে দরপতন শুরম্ন হলে আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়ায় এ ধরনের অস্বাভাবিক অবস্থা তৈরি হচ্ছে।
বাজার সংশিস্নষ্টরা বলছেন, সরকারের নেয়া নানা পদৰেপের কারণে বাজারের ভবিষ্যত সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছিল। এ কারণেই প্রথম চারদিন বাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। আগের লোকসান পুষিয়ে নিতে অনেক ব্যক্তি-বিনিয়োগকারী নতুনভাবে বিনিয়োগ করে শেয়ার কিনতে শুরম্ন করেন। পাশাপাশি শেয়ারের দর বৃদ্ধির ফলে অনেক বিনিয়োগকারীর মার্জিন ঋণ নেয়ার ৰমতা বৃদ্ধি পায়। বর্ধিত ক্রয়ৰমতা ব্যবহার করে তারা শেয়ার কিনেছেন। কিন্তু ব্যক্তি-বিনিয়োগকারীদের এই সক্রিয়তা বাজারকে স্থিতিশীল করে তোলার জন্য যথেষ্ট ছিল না।
তারা মনে করেন, আস্থা সঙ্কট কাটিয়ে বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু অধিকাংশ ৰেত্রেই তারা নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। সরকার ঘোষিত পদৰেপ অনুযায়ী ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ শুরম্ন করলে বাজারে মন্দা পরিস্থিতি কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই শেয়ার কেনা থেকে বিরত রয়েছে। অনেক ৰেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিক্রেতার ভূমিকা পালন করছে। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর কাছে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানোর প্রত্যাশা করা হলেও এখন পর্যনত্ম এৰেত্রে কোন অগ্রগতি দেখা যায়নি। এসব কারণে বাজারে আরেক দফা মন্দা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এই মনোভাব ঠিক থাকলে নতুন সপ্তাহে তারা সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে বলে বিশেস্নষকরা মনে করছেন। কারণ গত সপ্তাহের শেষ চারদিনে যে হারে দর কমেছে তাতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারই এখন বিনিয়োগযোগ্য অবস্থানে রয়েছে। বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের তৎপরতা বাড়লে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরে আসবে। এতে ব্যক্তি-বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হয়ে লেনদেনে সক্রিয় হবেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/07/2011 1:00 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Investment still depressed despite good performance of economy: MCCI


FE Report
08.02.2011


The Metropolitan Chamber of Commerce and Industry, Dhaka (MCCI) has suggested the government to be proactive in renewing and revising strategies and approaches for implementing its investment programmes and responding to the various challenges of inflation, unemployment and growth.

The Chamber in its "Review of Economic Situation in Bangladesh" for the second quarter (Q2) of the current fiscal said the overall investment scenario still remains depressed despite having a reasonably well performance of the country's economy in the quarter under review.

"The economy has performed reasonably well in the second quarter of the present fiscal, even though the performance of different sectors and sub-sectors has remained mixed," it said.

The review also said: "The overall investment scenario still remains depressed but the situation is steadily improving. Investment is coming up in the power and energy sector."

Mentioning that there are some definite signs of improvement, it said the actual increase in investment would depend on how effectively the government could ease the constraints to investment growth, including the shortage of power and energy.

"The acceleration of growth would depend upon a speedier implementation of the government's ADP but most importantly on increased investment in the private sector," it said.

"Containing the food prices and improving the power supply are now the most important tasks of the government. Otherwise the aim of Vision-2021 may remain elusive and distant dreams, which the nation cannot afford," it said.

The MCCI in its review said the country is on the track to achieve some of the Vision-2021 targets, but many of these targets may remain behind the expected levels.

Terming the performance of Bangladesh economy 'mixed' during Q2 of FY'11, it said in the domestic front there are indications of strong production performance in the crop sector as well as a positive turnaround in industrial investment, underpinned by higher credit flow and enhanced imports of capital goods and industrial raw materials.

According to the review, the relatively encouraging performance of the real sectors was not, however, adequately matched by the records of public investment.

"Implementation of the annual development programme (ADP) remained low. There was no tangible departure from the historical trend of slow ADP implementation in the past years," it said, adding the most critical sectors like energy were the most laggard in this regard.

A silver lining in the fiscal sector was, however, the strong revenue performance of the National Board of Revenue (NBR).

On the external front, export growth rate accelerated during the Q2 under review, it said, mentioning that exports during the second quarter of FY11 grew by 53.53 percent, reflecting a big jump over the 30.00 percent growth recorded in the first quarter.

During the October-December quarter, several commodities such as knitwear, woven garments, home textiles, footwear, frozen foods, jute goods (excluding carpet), agricultural products, raw jute and leather were exported to Asian and NAFTA markets, it added.

Import growth was also strongly positive, showing a 35.8 percent growth in the October-November months of FY1 1, which was only slightly lower than the recorded 37.10 percent growth in the July-September quarter of the fiscal, the MCCI review said.

The increase was mainly due to larger imports of food grains and other consumer goods, fuel oils, capital machinery and industrial raw materials, it said.

The inflow of remittances in the Q2 of FY11 increased only slightly by US$8.27 million over the same period of the previous year, the MCCCI review revealed.

Recent price trends in the domestic and international market indicate that despite a slight easing of the price pressure, the inflation rate remains high and that the upward inflationary pressure is likely to continue during the coming months, said the review.

"A steady recovery from global recession would increase demand for investments (credit growth), which might eventually contribute to demand-pull inflation, it said, suggesting that both demand and supply side measures need to be taken for maintaining price stability.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/07/2011 1:02 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিক্ষোভের আগুন শেয়ার বাজারে



০০ জামাল উদ্দীন
08.02.2011


হরতালে শেয়ার বাজারের মন্দায় উত্তাপ ছিল রাস্তায়। অব্যাহত দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ নতুন আগন্তুকের কাছে যেন হরতালের পিকেটিং। সোমবার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আশা ছিল হরতালে কিছুটাও যদি ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া যায়। কিন্তুু বাজারের পতন দেখে ব্রোকারেজ হাউজ ছেড়ে তাদের রাস্তায় নেমে আসতে হয়। ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে তাদের মনের জ্বালা মেটাতে হয়। সপ্তাহের দ্বিতীয় লেনদেনেও বিপর্যস্ত বাজার তাদের হতাশায় ফেলে দেয়।

শেয়ার বাজারে বড় ধরণের কারসাজির পর তদন্ত কমিটি এখন কাজ করছে। এই ফাঁকে যদি কিছু পুঁজি ফেরত পাওয়া যায়, সেই আশায় দিন গুনছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী। কিন্তুু কিছুতেই কিছু আর হচ্ছে না। একদিনেই সূচক কমেছে ৩২৪ পয়েন্ট। লেনদেন-কৃত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৪১টি কোম্পানির শেয়ারের দামই কমেছে। মাত্র ১২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ে গতকাল। অপরিবর্তিত ছিল ২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। দিনে মাত্র ৬১০ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়। দিনশেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩২৪ দশমিক ৫১ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৩৯৪ পয়েন্টে নেমে আসে। এ নিয়ে গত তিন দিনে ডিএসইতে সাধারণ মূল্য সূচক কমেছে ৯১৩ পয়েন্ট।

পরিস্থিতি এমন দেখে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে পড়ে। যদিও হরতালের কারণে মতিঝিলের রাস্তায় যান চলাচল ছিল সীমিত। রিক্সা চলছিল অনেক। সেগুলোরও গতি আটকে দেয়া হয়। মিছিলে পদত্যাগ দাবি করা হয় অর্থমন্ত্রীর। পাশাপাশি অর্থমন্ত্রীর কুশপত্তলিকা দাহ করা হয়।

দুপুর ২টার পর বিক্ষোভকারীরা মতিঝিল শাপলা চত্বরের কাছে একটি বাস এবং ডিএসই ভবনের কাছে একটি পিকআপভ্যান ভাংচুর করে। তারা সড়কে কাগজ জড়ো করে টায়ার জ্বালিয়ে আগুনও ধরিয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীরা ইস্পাহানি ভবন, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক, আইএফআইসি ও সিটি ব্যাংক ভবন লক্ষ করে ব্যাপক ঢিল ছুঁড়ে ভবনগুলোর কাঁচ ভাঙচুর করে। এ সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ ও র্যাব লাঠিচার্জ করে বিনিয়োগকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তারপরও বিনিয়োগকারীরা বারবার সংঘবদ্ধ হয়ে মিছিল করে। এক পর্যায়ে পুলিশ ও র্যাবের সঙ্গে বিনিয়োগ-কারীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণরের পদত্যাগও দাবি করে। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে কিছু সময় ধরে বিক্ষোভ চালায়। সেখানে একটি বিজ্ঞাপনী বিলবোর্ডও ভাঙচুর করা হয়।

গত রবিবার অর্থমন্ত্রী সরকারি কোম্পানির শেয়ার বাজারে আনতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন। মিছিল, পদত্যাগের দাবির মধ্যে তদন্ত কমিটিও কাজ করছে। চলছে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠনের উদ্যোগ। এরই মধ্যে বাজারের স্বাভাবিক গতি ফিরে আসলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়তো বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এ মুহূর্তে সরকারি কোম্পানিগুলোর শেয়ার বাজারে এনে বাজারের গভীরতা বাড়ানো দরকার।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/07/2011 8:27 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
অর্থমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির ফল
২৬ কম্পানির শেয়ার ছাড়ার তোড়জোড়


তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ঢাকা ও রাশেদুল তুষার, চট্টগ্রাম
Kaler Kantho
08.02.2011


নির্দিষ্ট সময়ে শেয়ার ছাড়তে না পারার কারণে অর্থমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পর নড়েচড়ে বসেছেন ২৬টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা। অর্থমন্ত্রীর গত রবিবারের ঘোষণার পর গতকালই ২২টি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কম্পানি লিমিটেডের (আইসিবি সিএমএল) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আগামী বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী শেয়ার ছাড়ার জন্য দিন-তারিখ নির্ধারণ করে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিতে পারেন বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারি প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) একজন কর্মকর্তা গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীর ঘোষণার পর গতকাল থেকে সরকারি ২২ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা আইসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এত দিন তাঁদের দুয়ারে ঘুরে ঘুরে আমরা কোনো সহযোগিতা পাইনি। এখন তাঁরাই যোগাযোগ শুরু করেছেন।’ ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘অডিট ফার্ম নিয়োগ করে কম্পানির সম্পদসহ আর্থিক প্রতিবেদন তৈরির পর আমাদের কাজ শুরু হবে। এটা করতে এসব কম্পানির আরো ছয় মাস সময় লাগতে পারে। এটা হলেই সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে এসব কম্পানি পুঁজিবাজারে আসতে পারবে।’
গত রবিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী কঠোরভাবে বলেন, নির্ধারিত সময়ে শেয়ার না ছাড়লে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে। তবে কবে নাগাদ এ শেয়ার ছাড়তে হবে, অর্থমন্ত্রী তা বলেননি। ধারণা করা হচ্ছে, ১০ ফেব্রুয়ারির বৈঠকে অর্থমন্ত্রী এ ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দেবেন।
সূত্র মতে, আগামী বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও করপোরেশনগুলোর চেয়ারম্যানদের সঙ্গে শেয়ার অফলোডের ব্যাপারে আলোচনার দিনক্ষণ নির্ধারিত রয়েছে। এ বৈঠকে ২৬টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পদের হিসাব ও পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
শেয়ার ছাড়ার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এর আগেই ২৬ সরকারি প্রতিষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়। তবে ডিসেম্বর পর্যন্ত বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠানই শেয়ার ছাড়তে পারেনি। এ নিয়ে সম্প্রতি একাধিক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী হতাশা ব্যক্ত করেন। ২৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠান মার্চ পর্যন্ত সময় বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে। চারটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে জটিলতা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এর আগে পুঁজিবাজারে আসা সরকারি কম্পানির শেয়ার অফলোডের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কম্পানিগুলো আর্থিকভাবে লাভবান হয়নি। বরং বার্ষিক আয় থেকে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দিতে হতো। মূলত এ কারণেই শেয়ারবাজারে অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনীহা ছিল। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এবার প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) থেকে অর্জিত অর্থ সংশ্লিষ্ট কম্পানিগুলোর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে ব্যয় করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
এদিকে ২৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সব কম্পানির বাজারে আসা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের (বিএসইসি) আওতাধীন চারটি প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে জিইএম কম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ব্লেড কম্পানি শেয়ারবাজারে আসার পথে কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে।
সমস্যার কথা স্বীকার করে বিএসইসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু হাফিজ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এই দুটি প্রতিষ্ঠান অব্যাহত লস দেওয়ায় শেয়ারবাজারে আসার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা আছে। কারণ লস দেওয়া প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার ব্যাপারে কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিষয়টি আমরা লিখিতভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। তবে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ ও চিটাগং ড্রাইডক শেয়ার ছাড়ার ব্যাপারে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আশা করছি, নির্দিষ্ট সময়ে এই কম্পানিগুলোর শেয়ার বাজারে আনা সম্ভব হবে।’
বিএসইসির আওতাধীন প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বিনিয়োগকৃত মূলধন ২০ কোটি এবং প্রকৃত সম্পদের পরিমাণ ১১৬ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে জয়েন্ট স্টক থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়েছে বলে প্রগতি সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী প্রগতির সম্পত্তির পরিমাণ আরো অনেক বেশি। করপোরেশনের বৈঠকে এটা নিয়ে আলোচনাও করা হয়েছে। বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী সম্পদের হিসাব করলে সরকার এবং প্রতিষ্ঠান অনেক লাভবান হবে। তবে শেয়ার ছাড়ার তাড়া থাকলে বর্তমান সম্পদের হিসাব অনুযায়ীই শেয়ার অফলোড করা হবে। সে জন্য আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত সময় দেওয়ার জন্য করপোরেশনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সময় চাওয়া হয়েছে।
প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী জহির উদ্দিন চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা মূলত ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। এখন পাজেরো স্পোর্টসসহ একাধিক নতুন প্রকল্প হাতে রয়েছে। ফলে শেয়ার ছেড়ে যে টাকা পাব তা আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের কাজেই ব্যবহার করা যাবে।’
তবে এ ক্ষেত্রে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছেন চিটাগং ড্রাইডক কর্তৃপক্ষ। ড্রাইডকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এনামুল বাকী গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জাহাজ নির্মাণে পিপিপি পদ্ধতিতে কাজ করার জন্য একনেক অনুমোদন দিয়েছে। এখন আবার যদি শেয়ার ছাড়তে বলে তাহলে বিষয়টি কিছুটা কনফিউজিং হয়ে যায়। তার পরও আমরা শেয়ার ছাড়ার ব্যাপারে অনেক দূর এগিয়ে গেছি। জন্মলগ্নে আমাদের বিনিয়োগকৃত সম্পদের পরিমাণ ছিল এক কোটি ২৫ লাখ টাকা। এখন পুনর্মূল্যায়নের পর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮ কোটি টাকা। জয়েন্ট স্টকের অনুমোদনের জন্য কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পেলে দুই মাসের মধ্যে বাজারে শেয়ার আনতে পারব।’
তবে শেয়ার অফলোডের ব্যাপারে অনেকটাই অন্ধকারে রয়েছে কর্ণফুলী পেপার মিল (কেপিএম) কর্তৃপক্ষ। গতকাল কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শেয়ার ছাড়ার ব্যাপারে আমাদের অফিসিয়ালি কোনো অর্ডার দেওয়া হয়নি। তার পরও আমরা নিজ দায়িত্বে কিছু কাজ এগিয়ে রাখছি। তবে কেপিএম একটি বিশাল প্রতিষ্ঠান হওয়ায় শেয়ার ছাড়ার জন্য যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করতে কিছুটা সময় লাগবে।’
২৬টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরো আছে বাংলাদেশ ইনস্যুলেটর অ্যান্ড স্যানিটারি ওয়্যার ফ্যাক্টরি লিমিটেড, বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড (শেরাটন হোটেল), হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (সেনারগাঁও হোটেল), বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল), টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস), টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, বাংলাদেশ কেবলস শিল্প লিমিটেড, অ্যাসেনসিয়াল ড্রাগস কম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, লিক্যুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস লিমিটেড, বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড, গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কম্পানি লিমিটেড, সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কম্পানি লিমিটেড ও রুরাল পাওয়ার কম্পানি লিমিটেড।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/07/2011 8:29 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
টক শোতে তাঁরা এখন বলছেন ভিন্ন কথা নাজমুল আলম শিশির

Kaler Kantho
08.02.2011


বেশি লাভের আশায় শেয়ারবাজারে লগি্ন করেছিলেন দুই কোটি টাকা। কমতে কমতে তা এখন এসে ঠেকেছে ৫০ লাখে। নিজের নামটা বলতে চাইলেন না ভদ্রলোক। বললেন, এখন কান্নাকাটি করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই তাঁর। বিক্ষোভ মিছিলে সামিল হয়ে যে কিছুটা হালকা হবেন, সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবে তাও করতে পারলেন না তিনি। তখন দুপুর সাড়ে ১২টা। সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনেও পুঁজিবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে মতিঝিল ডিএসই ভবনের সামনের রাস্তায় চলছে লগি্নকারীদের বিক্ষোভ। হরতালের পিকেটার আর পুঁজি হারানো লগি্নকারী যেন একাকার হয়ে গেছে রাজধানীর মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা।
রবিবার ৪০৬ পয়েন্ট কমার পর গতকাল ৩২৪ পয়েন্ট পড়ে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সূচক ৬৩৯৪ দশমিক ৫৩ এ দাঁড়িয়েছে। সারা দিনে প্রায় ৬১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। আর ২৪১টি কম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। বেড়েছে ১২টির। আর অপরিবর্তিত আছে দুটি কম্পানির শেয়ারের দাম। বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় গতকাল সোমবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত মতিঝিলের ডিএসই ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা।
স্বপন নামের এক লগি্নকারী বলেন, 'প্রায় দুই মাস ধরে রাস্তায় বিক্ষোভ করলেও দেশের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের কাউকে সামনে পেলাম না যে দুটি আশার বাণী, ভরসার কথা শোনাতে পারবে।' বিনিয়োগকারীদের পাশে কেউ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মেহেদী নামের অপর একজন জানান, যখন বাজার ভালো ছিল তখন টেলিভিশনের টক শোতে অনেকেই বলেছে, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বেড়েছে। কিন্তু আজ যখন বাজার পড়ছে তখন তারাই আবার বলছে, শেয়ারবাজারে এতো বিনিয়োগ করা উচিত ছিল না। আরেক লগি্নকারী কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজার থেকে যারা হাজার কোটি টাকা নিয়ে সরে পড়েছে, সরকার তাদের কিছুই করতে পারছে না। এখনো বাজারে অদৃশ্য কারসাজি চলছে বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, সরকারের ভিতর ঘাপটি মেরে বসে থাকা একটি শ্রেণী প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে বাজার থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তদন্ত কমিটি হওয়ার পরও কী করে আবারও দরপতন হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। অনেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিভিন্ন সিদ্ধান্তকে দায়ী করছেন ধারাবাহিক দরপতনের জন্য।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/07/2011 8:32 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজার পড়ছেই, লেনদেন বন্ধের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
08.02.2011


আগের দিনের ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার হরতালের দিনেও শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন হয়েছে। গতকালও পুঁজিহারানো বিনিয়োগকারীরা রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় রাজপথে নেমে আসেন। তাঁদের বিক্ষোভ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা মতিঝিল এলাকার হরতালে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
রবিবার ৪০৬ পয়েন্ট পতনের পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক গতকাল ৩২৪ পয়েন্ট কমে যায়। আর লেনদেন হওয়া ২৫৫টি কম্পানির মধ্যে দর হারায় ২৪১টি। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ব্যাপক দরপতন ঘটে।
এদিকে গতকাল বিনিয়োগকারীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য লেনদেন বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার থেকে সব মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। তা না হলে আজ থেকে ব্রোকারেজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোতেও হামলা করার হুমকি দিয়েছেন অনেক বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারী।
পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজানুর রশীদ চৌধুরী এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে লেনদেন বন্ধের দাবি করেন। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার, ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভীর পদত্যাগ দাবি করেন। এ সময় পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ রাখার দাবি করেন তিনি।
সরকারের কিছু পদক্ষেপ ঘোষণার পর মাঝখানে এক সপ্তাহ মোটামুটি স্থিতিশীল ছিল শেয়ারবাজার। কিন্তু ব্যাংকসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনা বন্ধ রাখা মাত্র আবারও দরপতন শুরু হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা বলছেন, সরকারের নির্লিপ্ততায় এক মরণদশায় পড়েছে শেয়ারবাজার।
হতাশ ও ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা গতকাল প্রথমবারের মতো লেনদেন বন্ধ রাখার দাবিতে মিছিল করেছেন। দরপতন ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় তাঁরা অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন। আগের দিন দরপতনের সময় বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্যানার থেকে বিএনপির ডাকা সোমবারের হরতালের প্রতি সমর্থন জানান। গতকাল দরপতন ঘটলে তাঁরা রাস্তায় নেমে আসেন।
গতকাল হরতালের দিনে এমনিতেই বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ছিল কম। দিনের শুরু থেকেই কমতে থাকে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম। সকাল থেকেই মতিঝিলের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ভবনের সামনে কিছু বিনিয়োগকারী জড়ো হতে থাকেন।
লেনদেনের শুরুতেই দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সকাল থেকেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ১টা নাগাদ বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। হরতালে এমনিতে রাস্তা ছিল ফাঁকা। বিনিয়োগকারীরা ফাঁকা রাস্তার বিভিন্ন স্থানে কাগজ, বাঁশ ও টায়ার জড়ো করে তাতে আগুন লাগিয়ে দেন। দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেন তাঁরা। ডিএসই ভবন থেকে শাপলা চত্বর চলে যায় বিনিয়োগকারীদের দখলে। মিছিল থেকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার, ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভীর পদত্যাগ দাবি করে নানা স্লোগান দেওয়া হয়।
ডিএসই ভবনের উল্টো দিকের মধুমিতা ভবনে প্রবেশ করে ভাঙচুরের চেষ্টা চালান তাঁরা। বেলা ২টার দিকে শাপলা চত্বরে একটি বাস ও ডিএসই ভবনের কাছে একটি পিকআপ ভাঙচুর করেন। দু-একটা মোটরসাইকেল ও রিকশা চলাচলের চেষ্টা করলে তাতে বাধা দেন বিনিয়োগকারীরা।
বেলা আড়াইটার দিকে অর্থমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা পোড়ান তাঁরা। বিক্ষোভকারীরা ইস্পাহানি ভবন, এনসিসি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ভবন ও মধুমিতা ভবন লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়েন। এতে ভবনগুলোর কিছু কাচ ভেঙে যায়।
এ সময় পুলিশ সংযমের পরিচয় দেয়। ফলে কোনো সহিংস ঘটনা ঘটেনি। তবে বেলা ৩টার দিকে পুলিশ বিনিয়োগকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
রেজাউল করিম নামে এক বিনিয়োগকারী কালের কণ্ঠকে বলেন, অর্থমন্ত্রী পুঁজিবাজার নিয়ে যে ধরনের ব্যঙ্গাত্মক হাসি হেসেছেন টেলিভিশনের পর্দায় তা দেখে আমরা ব্যথিত হয়েছি। সে জন্যই এ পর্যন্ত তাঁর দেওয়া কোনো প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়ন হতে দেখা যায়নি। এ কারণেই বাজারে আজকের এই বিপর্যয়। শেয়ারবাজার সম্পর্কে এত নেতিবাচক ধারণা নিয়ে তিনি অর্থমন্ত্রী থাকতে পারেন না। প্রায় একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন মো. জিয়াউদ্দিন নামের আরেক বিনিয়োগকারী। তিনি বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বন্ধ রেখেছে। আরো দরপতনের পর তারা বাজারে ঢুকবে। এ বাজারের এখন তারাই বড় গেম্বলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের হঠাৎ আরোপিত কয়েকটি সিদ্ধান্তের কারণে আজকের বাজারের এই মরণদশা।
গতকালের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩২৪.৫১ পয়েন্ট কমে ৬৩৯৪.৫৩ পয়েন্টে স্থির হয়। ২৫৫টি কম্পানির পাঁচ কোটি ৪৭ লাখ ৬৪ হাজার ৪২৪টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে গতকাল মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৬০৯ কোটি ৯৭ লাখ ৫১ হাজার ৩১১ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৯৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৫৫টি কম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ২৪১টির। বেড়েছে ১২টির। অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি কম্পানির শেয়ার। গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল দুই লাখ ৮৮ হাজার ৪৭৬ কোটি ৩৭ লাখ ৭৭ হাজার ৩৭০ টাকা।
পাঁচ হাউসের লেনদেন চলবে : বাজারমূল্যের চেয়ে কম দরে শেয়ার বিক্রির ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউসে লেনদেন কার্যক্রমের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে এসইসি। হাউসগুলো হলো পিএফআই সিকিউরিটিজ, অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ, আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ব্যাংক সিকিউরিটিজ এবং ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ। আজ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম চালু হবে। সোমবার এসইসির ৩৭১তম জরুরি কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান এসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান। তিনি সাংবাদিকদের জানান, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সে বিষয়ে কমিশনের এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 6:42 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার: শেষ মুহূর্তে দরবৃদ্ধির চমক

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


কার্যদিবসের শেষ মুহূর্তে দরবৃদ্ধির চমকে শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন। দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক বেড়েছে ৪২৮ পয়েন্ট। মঙ্গলবারের লেনদেন শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যে ডিএসইর সাধারণ সূচক ২৩৬ পয়েন্ট বাড়লেও পরবর্তী আধ ঘণ্টার মধ্যেই সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়। তবে দুপুর ২টার পর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনা শুরু করলে ডিএসইর সাধারণ সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
বিশেষ করে সরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান আইসিবি সিকিউরিটিজ বেলা ২টার পর বিপুল পরিমাণে শেয়ার কিনলে সূচক দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকে। একই সময় মার্চেন্ট ব্যাংকসহ অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও শেয়ার কেনায় আগ্রহী হয়ে উঠেন। তবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এ আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে মঙ্গলবার যখন সূচকের নিম্নগামী প্রবণতা ছিল, তখন মার্চেন্ট ব্যাংক ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনা থেকে বিরত ছিল। আবার কিছুটা দর বৃদ্ধির পর সূচক বাড়তে থাকলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিপুল পরিমাণে শেয়ার কেনে। ফলে সূচক স্বল্প সময়ে অস্বাভাবিক রকম বেড়ে যায়। এ কারণেই মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে ডিএসই হারানো সূচক পুনরুদ্ধার করে আগের দিনের চাইতে ৪২৮ পয়েন্ট বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ করেছে।
এদিকে সকালে লেনদেনের আধ ঘণ্টা পর ডিএসই সাধারণ সূচক ৭৭ পয়েন্ট কমে গেলে দুপুর ১২টা থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ডিএসই সংলগ্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করে। বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভের কারণে ডিএসই সংলগ্ন রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা পুলিশের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। দুপুর সোয়া ১২টায় বিনিয়োগকারীরা রহমান ম্যানসনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় বিনিয়োগকারীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। এক পর্যায়ে উত্তেজিত বিনিয়োগকারীকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ৬ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ লাঠিচার্জ করলে একজন সাংবাদিক ও এক পুলিশসহ কয়েকজন বিনিয়োগকারী আহত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩ জনকে আটক করেছে। এদের মধ্যে আব্দুর রব ও নজরুল ইসলামকে হাবিব সিকিউরিটিজ থেকে আটক করা হয়। আটক হওয়া অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এদিকে মঙ্গলবারে ডিএসই এলাকায় বিক্ষোভ মিছিলে অনেক নতুন মুখ দেখা গেছে। তারা সাংবাদিকদের ভিডিও ফুটেজ নিতে বাধা দেয়। বেলা পৌনে ২টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের দিনের চাইতে কিছুটা বাড়লে বিনিয়োগকারীরা লেনদেনে মনোযোগী হয়ে পড়েন। ফলে ডিএসই এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক হয়ে পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইন্স্যুরেন্সসহ মৌলভিত্তির শেয়ারের দর বাড়ায় মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে সাধারণ সূচক ২৩৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। তবে পরবর্তী দেড় ঘণ্টায় অধিকাংশ শেয়ারের দর কমার কারণে সূচক ৭৭ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনা শুরু করলে মার্কেট ঘুরে দাঁড়ায়। লেনদেন শেষে সূচক ৪২৮ পয়েন্ট বেড়ে ৬৮২২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৩টির এবং কমেছে ১১টির। লেনদেন হয়েছে ৭৮৭ কোটি টাকার।
এদিকে এগ্রেসিভ সেলে জড়িত এলায়েন্স সিকিউরিটিজ এন্ড ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এরফলে এলায়েন্স সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা পঙ্কজ রায়ের এ ব্রোকারেজ হাউজের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে কোনো বাধা রইল না। এসইসির প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে তার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে এসইসির মুখপাত্র সাইফুর রহমান জানিয়েছেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমএইচ/১৬.০৮ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 6:42 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতন: বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডেস্ক)


পুঁজিবাজারে দরপতনে মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। রাজশাহী ব্যুরো জানায়, বেলা সোয়া ১২টার দিকে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। রাজশাহী নগরীর কুমারপাড়া এলাকায় আইসিবির সামনের সড়কে বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভকালে আইসিবি ভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি জানান, দুপুরে রাস্তায় নেমে আসে মৌলভীবাজারের বিনিয়োগকারীরা। এ সময় মৌলভীবাজার জেলা ইনভেস্টার ফোরামের উদ্যোগে শহরের চৌমুহনা চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে জেলা সদরের সহস্রাধিক বিনিয়োগকারী অংশ নেয়। মানববন্ধন শেষে বিনিয়াগকারীরা শহরের চৌমুহনা চত্বরে সড়ক অবরোধ করে। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা জুতা হাতে পুঁজিবাজারে অস্থিরতার জন্যে অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গর্ভনর, এসইসি এবং ডিএসই কর্মকর্তাদের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে শ্লোগান দেয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/প্রতিনিধি/এসএস/এমএইচ/১৬.৪৮ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 6:43 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দরপতনে পুঁজিবাজারে ফের বিক্ষোভ, মতিঝিল রণক্ষেত্র

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


পুঁজিবাজারে দরপতনে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে পুরো মতিঝিল এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সংঘর্ষে এ পর্যন্ত দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন শুরুর ৪০ মিনিটের মধ্যে দরপতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার বিনিয়োগকারী। তারা ডিএসইর সামনের রাস্তা অবরোধ করে অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্ণর, সিএসই এবং ডিএসই চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি জানায়। এ দাবিতে ঝাড়ু মিছিল এবং রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিনিয়োগকারীরা। পুলিশ তাদের উপর লাঠিচার্জ করে হটিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বিনিয়োগকারীরা। দু'পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে বেশ কিছুক্ষণ। পুলিশ আরো মারমুখী হয়ে উঠলে ভাঙচুর শুরু করে বিনিয়োগকারীরা। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে থেকে দৈনিক ইত্তেফাকের মোড় পর্যন্ত রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
মঙ্গলবার লেনদেন শুরুর ৪০ মিনিটের মাথায় ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা মতিঝিলের রাস্তায় নেমে আসে। তারা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে ডিএসইর সামনে জড়ো হয়। টানা চতুর্থ দিনের মত ব্যাপক দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার দরপতনের প্রতিবাদে মতিঝিলে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
চাঙ্গাভাবের মধ্য দিয়ে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে সপ্তাহের তৃতীয় দিনের লেনদেন শুরু হলেও কিছুক্ষণের মধ্যে তা নিম্নগামী হতে থাকে। লেনদেন শুরুর প্রথম ১০ মিনিটেই সাধারণ সূচক বাড়ে ২৩০ পয়েন্ট। বাড়ে ব্যাংক, বীমাসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। তবে ৩০ মিনিটের মধ্যে পাল্টে যায় চিত্র। সূচক কমে যায় সোমবারের চেয়ে ৭০ পয়েন্ট।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএস/এমএইচ/১২.৫৫ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/08/2011 6:44 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
এ সপ্তাহেই স্থিতিশীল হবে শেয়ারবাজার: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


সপ্তাহের শুরু থেকে ধসের মধ্যে থাকা শেয়ারবাজার চলতি সপ্তাহের শেষে স্থিতিশীল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, সরকারের নেয়া পদক্ষেপগুলোর ভিত্তিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে। তবে কিছুটা সময় লাগবে। বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা ঠিক নয়।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে চা এসোসিয়েশনের সাথে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী তার দফতরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন। মুহিত বলেন, বিনিয়োগকারীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে চিন্তা-ভাবনা করেন না। কিছু বিনিয়োগকারী আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করছেন। এটা ঠিক নয়। শেয়ারবাজার উঠলেই ভালো, নামলে খারাপ এটাকেও সমর্থন করি না।
সিআরআর (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) বাড়ানোর কারণে পুঁজিবাজারে কোনো প্রভাব পড়ছে কিনা এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। অর্থমন্ত্রী জানান, গ্রামীণ ফোন ডিভিডেন্ট ও ন্যাশনাল ব্যাংক বোনাস শেয়ার ঘোষণা করবে। এছাড়া বুক বিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতি ভালো, তবে আমরা এর যথাযথ ব্যবহার করতে পারিনি। এর মাধ্যমে শেয়ারের দাম অযথাই অতিমূল্যায়িত হয়। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কিছু নতুন বিষয় আসা উচিত।
স্থগিত ৫টি ব্রোকারেজ হাউজের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত চলাকালীন তাদের ব্যবসা করার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর দোষী প্রমাণিত হলে শাস্তি দেয়া হবে।
বৈঠকের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, চা ব্যবসায়ীদের নতুন লিজের নানা সমস্যা, ভূমি উন্নয়ন কর, চা বোর্ড পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সংস্কার ও স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ চান তারা।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ আরএমএম/ এআই/ ১৩.১৮ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 30 / 40 1 - 2 - 3.. - 28 - 29 - 30 - 31 - 32.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview