DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 28 / 40 1 - 2 - 3.. - 26 - 27 - 28 - 29 - 30.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
02/06/2011 2:23 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার ছাড়তে দেরি হলে পদত্যাগ করুন: অর্থমন্ত্রী



ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, সরকারি ২৬ প্রতিষ্ঠান এবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেয়ারবাজারে না আসতে পারলে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে। রোববার সচিবালয়ে ডিসিসিআই'র নব-নির্বাচিত প্রেডিডেন্ট তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ২৬টি সরকারি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ ৩ বছরেও শেয়ারবাজারে আসতে পারেনি। শিগগির তাদের সাথে আলোচনায় বসে সময় বেধে দেয়া হবে। এ সময়ের মধ্যে বাজারে আসতে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে।
(বিস্তারিত আসছে...)
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ আরএমএম/ এআই/ এমএইচ/ ১৩.৩৪ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 2:24 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
লেনদেনের শুরুতে পুঁজিবাজারে ধস, বিক্ষোভ

ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


বড় দরপতনের মধ্য দিয়ে সপ্তাহের প্রথম দিনের লেনদেন শুরু হয়েছে। লেনদেন শুরুর ১ ঘণ্টার মধ্যে সাধারণ সূচক পড়ে যায় ২৭১ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে বেশির ভাগ কোম্পানির দাম কমেছে। দাম কমেছে ২২৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম, বেড়েছে ১২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এ পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে ২শ ১৮ কোটি টাকা। টানা দরপতনের প্রতিবাদে বেলা ১২টার দিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ করছেন। বিক্ষোভকারীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে। টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সরকারি বিরোধী শ্লোগান দিচ্ছে। তারা অর্থমন্ত্রী, এসইসি'র চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে রেখেছে। ওই রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ মউ/ এআই/ ১২.২৫ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 7:40 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিএনপি'র হরতালে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের সমর্থন



ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


বিএনপি'র ডাকা সোমবারের হরতালের প্রতি সমর্থন দিয়েছে পুঁজিবাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। রোববার সপ্তাহের প্রথম দিনে ব্যাপক দরপতনের মধ্য দিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে। তারা ঢাকা স্টক একচেঞ্জের সামনে খণ্ড খণ্ড মিছিল করে। টায়ারে আগুন ধরিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা। এসময় ক্ষুব্দ বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, এসইসি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের পদত্যাগের দাবিতে শ্লোগান দেয়। বিক্ষোভের মুখে মতিঝিলের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ। পরে ডিএসইর সামনে তাৎক্ষণিক সমাবেশ করে পুঁজিবাজারে অব্যাহত এ দরপতনকে বিশেষ গোষ্ঠীর কারসাজি বলে অভিযোগ করে বিনিয়োগকারীরা। সমাবেশ শেষে বিএনপি ডাকা হরতালের প্রতি এ সমর্থন ঘোষণা করে তারা।
বিকেলের দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। পৌনে ৪টার দিকে মতিঝিলের রাস্তায় যান চলাচল শুরু হয়।
এদিকে রোববার ডিএসইর সাধারণ সূচক ৪০৬ পয়েন্ট পড়ে যায়। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ২৩৮টির, বেড়েছে ১৩টির, অপরিবর্তিত ছিল ৪টির। লেনদেন হয়েছে ৭০৫ কোটি টাকার শেয়ার।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ মউ/ এআই/এমএইচ/ ১৫.৫৫ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 7:41 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার ধসের তদন্ত কাজে হস্তক্ষেপ করবে না সরকার

ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


পুঁজিবাজার ধসের ঘটনায় তদন্ত কাজে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। রোববার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী আমাকে নিশ্চিত করেছেন সরকার তদন্ত কাজে হস্তক্ষেপ করবে না। এছাড়া তদন্ত কাজ শুরু করতে গিয়ে আমরা এখনো কোন সমস্যায় পড়িনি। ২ মাসের মধ্যে তদন্ত কাজ শেষ করার বিষয়ে তিনি বলেন, যদি মনে হয় সময় না বাড়ালেই নয় তখন হয়তো সময় বাড়ানোর জন্য আমরা আবেদন জানাবো। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত কাজ শেষ করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, গত মাসে পুঁজিবাজারে কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে ২৫ জানুয়ারি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী এবং ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল বারী, এফসিএ।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/আরএমএম/সুম/এসসি/১৬.১৫ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 7:43 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতন, বিক্ষোভ


ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ০৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


সপ্তাহের শুরুতেই ঢাকার পুঁজিবাজারে দরপতনে বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষোভকারীদের একাংশের মিছিল থেকে বিএনপি'র ডাকা সোমবারের হরতালকে সমর্থনও দেওয়া হয়। দিনের লেনদেনে সূচক কমেছে ৪০০ পয়েন্ট। কমেছে প্রায় সব শেয়ারের দাম।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৩০০ পয়েন্ট পতনের পরই বিক্ষুব্ধ একদল বিনিয়োগকারী মতিঝিলে সড়কে নেমে আসে।

এ সময় বিনিয়োগকারীরা ডিএসই'র সামনের রাস্তায় কাগজ জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দেয় ও মিছিল শুরু করে। তখন মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে আর কে মিশন রোড পর্যন্ত সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ স্তিমিত হয়ে এলে দুপুর সোয়া ৩টার দিকে ওই সড়কে কিছু গাড়ি চলাচল করতে শুরু করেছে।

মিছিলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ ডিএসই ও বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) প্রধানদের পদত্যাগ দাবি করা হয়।

মিছিলকারীদের একাংশ সোমবার সারাদেশে বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল হরতালের প্রতি সমর্থন জানিয়ে স্লোগান দেয়।

বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মিছিলে অংশ নেওয়া জহিরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এত বিনিয়োগকারীর ক্ষতি হওয়ার পরও সরকার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এ সরকার জালিম সরকার।"

পুঁজিবাজারে 'কেলেঙ্কারির' জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর নিয়ে সহিংস ঘটনায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধসহ কয়েকটি দাবিতে বিএনপি এ হরতাল ডাকে।

ডিএসই'র সামনে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সমিতি'র পক্ষে এ সময় বেশ কিছু লিফলেট বিলি করা হয়। লিফলেটে পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে বাজারে তারল্য সরবরাহ নিশ্চিত করাসহ বিনিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

পুঁজিবাজারে দরপতনে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে কয়েকদফা বিক্ষোভ ও ভাংচুর হয়। ওই ঘটনায় বিনিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

পুঁজিবাজারে অনিয়ম তদন্তে সরকার একটি কমিটিও গঠন করেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়।

রোববার দেশের দুই পুঁজিবাজারেই দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিটেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১৭৭ পয়েন্ট কমে যায়।

দিন শেষে সূচক ৪০৬ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বা ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ কমে ৬৭১৯ দশমিক ০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

লেনদেন হওয়া শেয়ারের মধ্যে ২৩৮টির দামই কমেছে, বেড়েছে ১৩টির। ৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিলো।

সারাদিনে ডিএসইতে মোট লেনদেন দাঁড়ায় ৭০৫ কোটি ২২ লাখ টাকা।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনের প্রথম ২০ মিনিটে সূচক ১৮৬ পয়েন্ট কমে যায়।

সিএসই সিলেক্টিভ ক্যাটাগরিজ ইনডেক্স (সিএসসিএক্স) সূচক দিন শেষে ৭০২ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বা ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১২৪৩৬ দশমিক ৮০ পয়েন্ট।

লেনদেন হওয়া ১৯৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মধ্যে দাম কমেছে ১৮৯টির বেড়েছে মাত্র ৫টির এবং কোনো শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিল না।

এই বাজারে মোট লেনদেন হয় ১০৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এলএইচ/জেবি/এমআই/১৬১৬ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 7:46 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

ডিএসইতে দরপতন: বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, হরতালে সমর্থন


গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৮০৪ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১১




দরপতনের প্রতিবাদে রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে ফের বিক্ষোভ করেছেন বিনিযোগকারীরা। সেইসঙ্গে বিএনপির ডাকা সোমবারের হরতালে তারা সমর্থনও দিয়েছেন।

এ সময় তারা অর্থমন্ত্রী, ডিএসইর সভাপতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগানও দেন।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১০ সালের ৮, ১২ ও ১৯ ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের ৫, ৯, ১০, ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতনের প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল।

যাই হোক, এদিন লেনদেন শুরুর মাত্র সোয়া ঘণ্টার মধ্যে দুপুর ১২টা ১৩ মিনিটে সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৯৭ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৮২৭ দশমিক ৭৫ পয়েন্টে নেমে আসে।

এ সময় বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজ থেকে শত শত ুদ্র বিনিয়োগকারী মিছিল সহকারে রাস্তায় নেমে আসেন এবং বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে মতিঝিল থেকে টিকাটুলি পর্যন্ত রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

এ সময় বিনিযোগকারীরা রিকশা চলাচলেও বাধা দেন।

তবে মতিঝিল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলেও তারা কোনও অ্যাকশনে যায়নি।

এদিকে, সড়ক অবরোধ করায় মতিঝিল এবং এর আশেপাশে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে দুপুর ৩টা ৪৫ মিনিটে বিনিয়োগকারীরা চলে গেলে আবার যান চলাচল শুরু হয়।

এদিকে, দিনশেষে আগের দিনের চেয়ে সাধারণ মূল্য সূচক ৪০৬ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৭১৯ পয়েন্টে নেমে আসে।

লেনদেন হওয়া ২৫৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ২৩৮টির। বেড়েছে ১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টির দাম।

দিন শেষে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭০৫ কেটি ২২ লাখ টাকা।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 7:52 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

২৬ সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার তাগিদ অর্থমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৬-০২-২০১১
Prothom-Alo


সরকারি মালিকানাধীন ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার যথাসময়ে ছাড়ার আবারও তাগিদ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আজ রোববার সকালে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) নবনির্বাচিত সভাপতি আসিফ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার ব্যাপারে আবারও একটি সভা করে চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে। ওই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেয়ার ছাড়তে না পারলে এসব প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের পদত্যাগ করতে হবে। দীর্ঘদিন তাঁরা পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়তে পারেননি। সুতরাং তাঁদের বাজারে আসতেই হবে।
এদিকে, শেয়ারবাজারের কারসাজির তদন্তে গঠিত কমিটি স্বাধীনভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালিদ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে পারবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 7:54 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতন, ডিএসইর সামনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ০৬-০২-২০১১
Prothom=Alo


  


দেশের পুঁজিবাজারে আজ রোববার আবারও বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে বিনিয়োগকারীরা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনের সড়ক প্রায় চার ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তাঁরা ঢাক স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারবাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। তাঁরা বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঢাকা কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সম্মান শেষ বর্ষের ছাত্র কাজী কৌশিক আহমেদ বলেন, ‘মা-বাবার কাছ থেকে আমি প্রায় ১০ লাখ টাকা নিয়ে শেয়ার ব্যবসা শুরু করি। এখন আমার পোর্টফোলিওতে প্রায় চার লাখ টাকা নাই হয়ে গেছে।’ তিনি আরও জানান, বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হচ্ছে মাত্র কয়েক দিন পর। এ অবস্থায় বাজারের অস্থিতিশীলতা আমাদের দেশের ভাবমূর্তিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
কৌশিক আরও জানান, তাঁর মতো আরও অনেক ছাত্র পড়াশুনার পাশাপাশি শেয়ার ব্যবসা করেন। বর্তমানে তাঁদের সবার প্রায় একই অবস্থা।
একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন মো. মোখলেছুর রহমান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শেয়ার ব্যবসা করছেন। তিনি জানান, ১০ বছরে তিনি যা লাভ করেছেন, গত এক মাসে তাঁর ক্ষতির পরিমাণ লাভের দ্বিগুণ। তাঁর মতে, শেয়ারবাজারের অস্থিতিশীলতা দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। একই মতামত ব্যক্ত করেছেন বিনিয়োগকারী আমির হোসেন, হাফিজুর রহমান, নুর মামুন সরকার ও আবদুল্লাহ আল মামুন।
তবে বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকটের কারণে বারবার বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটছে।
ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, আজকের দরপতন গত কয়েক দিনের অব্যাহত ধারা ছাড়া আর কিছুই নয়। আর এটা সাধারণত বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা হারানোর কারণে হচ্ছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা এই মুহূর্তে বিনিয়োগ করতে চাচ্ছেন না। এখন তাঁরা বাজার কোন দিকে যায়, সে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন।
তবে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে তিনি বলেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই মুহূর্তে সরকারের ব্যাপক সহযোগিতা দরকার। সরকারের উচিত ফান্ড তৈরি করে বাজারে খাটানো। এতে করে বাজার ঘুরে দাঁড়তে পারে বলে তিনি মনে করেন। তবে বিষয়টি একান্তই সরকারের ব্যাপার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ দরপতনের মধ্য দিয়ে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২৯৭ পয়েন্ট নেমে যায়। এতে আতঙ্কিত হয়ে বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ভবন থেকে রাস্তার ওপর ইট, কাঠ ও পানির বোলত ছোড়েন। বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনের রাস্তা অবরোধ করে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ চলাকালে এক বিনিয়োগকারীকে পুঁজি হারিয়ে সড়কের মাঝখানে গলায় তার পেঁচিয়ে প্রতীকী ফাঁস নিতে দেখা যায়। বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ মিছিলে মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ডিএসইর মূল ভবনের সামনে বেশ কিছু পুলিশ থাকলেও তাদেরকে নিষ্ক্রিয় থাকতে দেখা যায়। প্রায় চার ঘণ্টা ডিএসইর সামনের সড়ক অবরোধ থাকার পর বিকেল পৌনে চারটার দিকে সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বাজার পরিস্থিতি: আজ লেনদেনের শুরু থেকেই ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক কমতে শুরু করে, যা দিনভর অব্যাহত ছিল। লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় সূচক ১৭৭ পয়েন্ট কমে যায়। দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৪০৬.২৮ পয়েন্ট কমে ৬৭১৯.০৪ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ ডিএসইতে ২৫৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ১৩টির, কমেছে ২৩৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে চারটির। ডিএসইতে আজ ৭০৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ১৮৩ পয়েন্টের পতন হয়। এ নিয়ে গত দুদিনে ৫৯০ পয়েন্টের পতন হলো।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ১০৮০.১০ পয়েন্ট কমে ১৯২১২.২১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র পাঁচটির এবং কমেছে ১৮৯টি প্রতিষ্ঠানের। আজ স্টক এক্সচেঞ্জটিতে ১০৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়।
ডিএসই সূত্রে আজ লেনদেনে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো—ইউসিবিএল, গ্রামীণফোন, এনবিএল, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, এবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, বে-লিজিং ও সাউথইস্ট ব্যাংক।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 7:57 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতন, ডিএসইর সামনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ


অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ০৬-০২-২০১১





দেশের পুঁজিবাজারে আজ রোববার আবারও বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে বিনিয়োগকারীরা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনের সড়ক প্রায় চার ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তাঁরা ঢাক স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারবাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। তাঁরা বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঢাকা কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সম্মান শেষ বর্ষের ছাত্র কাজী কৌশিক আহমেদ বলেন, ‘মা-বাবার কাছ থেকে আমি প্রায় ১০ লাখ টাকা নিয়ে শেয়ার ব্যবসা শুরু করি। এখন আমার পোর্টফোলিওতে প্রায় চার লাখ টাকা নাই হয়ে গেছে।’ তিনি আরও জানান, বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হচ্ছে মাত্র কয়েক দিন পর। এ অবস্থায় বাজারের অস্থিতিশীলতা আমাদের দেশের ভাবমূর্তিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
কৌশিক আরও জানান, তাঁর মতো আরও অনেক ছাত্র পড়াশুনার পাশাপাশি শেয়ার ব্যবসা করেন। বর্তমানে তাঁদের সবার প্রায় একই অবস্থা।
একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন মো. মোখলেছুর রহমান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শেয়ার ব্যবসা করছেন। তিনি জানান, ১০ বছরে তিনি যা লাভ করেছেন, গত এক মাসে তাঁর ক্ষতির পরিমাণ লাভের দ্বিগুণ। তাঁর মতে, শেয়ারবাজারের অস্থিতিশীলতা দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। একই মতামত ব্যক্ত করেছেন বিনিয়োগকারী আমির হোসেন, হাফিজুর রহমান, নুর মামুন সরকার ও আবদুল্লাহ আল মামুন।
তবে বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকটের কারণে বারবার বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটছে।
ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, আজকের দরপতন গত কয়েক দিনের অব্যাহত ধারা ছাড়া আর কিছুই নয়। আর এটা সাধারণত বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা হারানোর কারণে হচ্ছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা এই মুহূর্তে বিনিয়োগ করতে চাচ্ছেন না। এখন তাঁরা বাজার কোন দিকে যায়, সে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন।
তবে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে তিনি বলেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই মুহূর্তে সরকারের ব্যাপক সহযোগিতা দরকার। সরকারের উচিত ফান্ড তৈরি করে বাজারে খাটানো। এতে করে বাজার ঘুরে দাঁড়তে পারে বলে তিনি মনে করেন। তবে বিষয়টি একান্তই সরকারের ব্যাপার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ দরপতনের মধ্য দিয়ে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২৯৭ পয়েন্ট নেমে যায়। এতে আতঙ্কিত হয়ে বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ভবন থেকে রাস্তার ওপর ইট, কাঠ ও পানির বোলত ছোড়েন। বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনের রাস্তা অবরোধ করে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ চলাকালে এক বিনিয়োগকারীকে পুঁজি হারিয়ে সড়কের মাঝখানে গলায় তার পেঁচিয়ে প্রতীকী ফাঁস নিতে দেখা যায়। বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ মিছিলে মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ডিএসইর মূল ভবনের সামনে বেশ কিছু পুলিশ থাকলেও তাদেরকে নিষ্ক্রিয় থাকতে দেখা যায়। প্রায় চার ঘণ্টা ডিএসইর সামনের সড়ক অবরোধ থাকার পর বিকেল পৌনে চারটার দিকে সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বাজার পরিস্থিতি: আজ লেনদেনের শুরু থেকেই ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক কমতে শুরু করে, যা দিনভর অব্যাহত ছিল। লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় সূচক ১৭৭ পয়েন্ট কমে যায়। দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৪০৬.২৮ পয়েন্ট কমে ৬৭১৯.০৪ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ ডিএসইতে ২৫৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ১৩টির, কমেছে ২৩৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে চারটির। ডিএসইতে আজ ৭০৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ১৮৩ পয়েন্টের পতন হয়। এ নিয়ে গত দুদিনে ৫৯০ পয়েন্টের পতন হলো।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ১০৮০.১০ পয়েন্ট কমে ১৯২১২.২১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র পাঁচটির এবং কমেছে ১৮৯টি প্রতিষ্ঠানের। আজ স্টক এক্সচেঞ্জটিতে ১০৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়।
ডিএসই সূত্রে আজ লেনদেনে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো—ইউসিবিএল, গ্রামীণফোন, এনবিএল, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, এবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, বে-লিজিং ও সাউথইস্ট ব্যাংক।

    বিনিয়োগকারীরা কি করবে? মিছিল মিটিং করে কি হবে ? যদি মিছিল মিটিং করতে হয় শান্তপূর্ণভাবে বড় অাকারের বিক্ষোভ করুন।এটা সরকারের পুতুল খেলা।এখন অাবার শেয়ার বাজার নিয়ে রাজণিতি শুরু করেছেন।বিনিয়োগকারীরাদের বলবো অাপনারা সবাই মিলে সরকারের কাছে না বলে একটা জাতীয় মোনাজাতের অায়োজন করুন হোতাদের উপর গজব নাজিল হউক।কারণ অাল্লাহর কাছে অাওয়ামীলীগ ও বিএনপি বলতে কিছু নেই।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 8:01 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিপর্যয়েও শেয়ারবাজারে থামছে না বিনিয়োগকারীর স্রোত

কাওসার আলম
Amardeshonline.com
05.02.2011


ভয়াবহ বিপর্যয় সত্ত্বেও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীর স্রোত থামছে না। প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন মুখ। দিনের পর দিন বেড়েই চলছে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শেয়ারবাজারে একের পর এক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটতে থাকে। শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক বিপর্যয়ের কারণে পুঁজি হারিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসতে বাধ্য হন। এখনও বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি। তারল্য এবং আস্থার সঙ্কটের কারণে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে এখনও রয়েছে নানা উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা। কিন্তু তারপরও থেমে নেই বিনিয়োগকারীর মিছিল। শেয়ারবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যেও ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে আড়াই লাখেরও বেশি বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ডিসেম্বরে বেনিফিশিয়ারি অ্যাকাউন্ট (বিও) খুলেছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার। এ বছরের জানুয়ারি মাসে এ সংখ্যা কিছুটা কমে আসে। জানুয়ারি মাসে বিও অ্যাকাউন্ট খুলেছেন ১ লাখ ৩ হাজারের বেশি বিনিয়োগকারী। অর্থাত্ গত দু’মাসে শেয়ারবাজারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন আরও আড়াই লাখ নতুন বিনিয়োগকারী।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় শিক্ষিত বেকাররা উপায়ান্তর না দেখেই শেয়ারবাজারের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন বেশি। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী থেকে শুরু করে গৃহবধূরাও এখন শেয়ারবাজারমুখী হচ্ছেন। বাড়তি আয়ের জন্য চাকরিজীবীরাও শেয়ার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। তবে এদের মধ্যে তরুণ এবং শিক্ষিত বেকারের সংখ্যাই বেশি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমদ। তিনি বলেন, আমাদের দেশে ক্রমেই কর্মসংস্থানের সুযোগ সঙ্কুচিত হয়ে আসছে। দেশের প্রধান কর্মসংস্থান এখনও কৃষিনির্ভর। এরপরই রয়েছে শিল্প। কিন্তু গত কয়েক বছরে দেশে বিদ্যুত্ ও গ্যাস সঙ্কটের কারণে নতুন কোনো শিল্প-কলকারখানা গড়ে উঠছে না। কিন্তু প্রতিবছরই চাকরির বাজারে যোগ হচ্ছে নতুন নতুন মুখ। অথচ এদের চাকরির সুযোগ ক্রমেই কমছে। ফলে চাকরির বিকল্প হিসেবে এদের একটি বড় অংশই শেয়ারবাজারের মতো ট্রেডিং বিজনেসে যুক্ত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যেভাবে শেয়ার ব্যবসার সঙ্গে নতুন নতুন বিনিয়োগকারী যুক্ত হচ্ছেন, তাতে শেয়ার সরবরাহ বাড়ানো না গেলে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। এজন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের পাশাপাশি বেসরকারি কোম্পানিগুলোকেও শেয়ার ছাড়ার ব্যাপারে এগিয়ে আসা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের জুন মাসে চালু বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ১৪ হাজার। ডিসেম্বরে সে সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছিল ১৯ লাখ ২০ হাজারে। এর মধ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন ফি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় দেড় লাখ বিও অ্যাকাউন্ট বাতিল করা হয়। সে হিসাবে ২০১০ সালের শুরুতে বৈধ বিও অ্যাকাউন্টধারীর সংখ্যা ছিল ১৭ লাখ ৭০ হাজারে। বছর শেষে অর্থাত্ ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ লাখ ৩৭ হাজারে। সে হিসাবে ২০১০ সালে নতুন বিও অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে ১৪ লাখ ৬৭ হাজার। কোনো একক বছরে বিও অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে এটি নতুন রেকর্ড। হিসাব অনুযায়ী দেখা গেছে, গত বছর গড়ে প্রতিমাসে নতুন বিও অ্যাকাউন্ট খুলেছেন ১ লাখ ২২ হাজারের বেশি বিনিয়োগকারী।
এদিকে গত ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শেয়ারবাজারে একের পর এক বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটলেও শেয়ারবাজারে নতুন বিনিয়োগকারীর আগমন থেমে নেই। এ বছরের শুরুতে বিও অ্যাকাউন্টধারীর সংখ্যা ৩২ লাখ ৩৭ হাজার থেকে গত ৪ ফেব্রুয়ারি এ সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৬তে। চলতি বছরই নতুন করে বিও অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে খুলেছেন ১ লাখ ৩ হাজারের মতো। এসব বিনিয়োগকারী এমন সময় শেয়ারবাজারে যুক্ত হয়েছেন যখন পরিস্থিতি খুব একটা স্বাভাবিক নয়। ক্রমাগত দরপতনের ফলে পরিস্থিতি এতটাই নাজুক হয়ে পড়েছিল যে, লেনদেন কার্যক্রমও স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বাজারে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর ডিসেম্বরের তুলনায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। আর এ দরপতনের প্রতিবাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বিপুল অংশই তাদের পুঁজি হারান। ধারণা করা হচ্ছিল, ক্রমাগত দরপতনের কারণে শেয়ারবাজারের প্রতি আগ্রহ আগের তুলনায় অনেক কমে যাবে এবং নতুন বিনিয়োগকারী আসার যে স্রোত তৈরি হয়েছিল, তাতে বড় ধরনের ভাটা পড়বে। ১৯৯৬ সালের চেয়েও এবছর শেয়ারবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় হলেও সাধারণ মানুষের আগ্রহে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। সংশ্লিষ্টরা জানান, নানা কারণে গত দু’বছওে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ ব্যাপক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে কালোটাকা সাদা করার শর্তহীন সুযোগ গ্রহণ করে গত অর্থবছরে অনেকেই বিপুল পরিমাণ টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছেন। অন্যান্য খাতের চেয়ে শেয়ারবাজারে কালোটাকা বিনিয়োগে ঝামেলা কম, মুনাফার সুযোগ বেশি। পাশাপাশি বিদ্যুত্ ও জ্বালানি সঙ্কটের কারণে শিল্পখাতে বিনিয়োগ প্রত্যাশানুযায়ী না বাড়ায় শিল্প উদ্যোক্তাদের অনেকেই শেয়ারবাজারে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছেন। একই কারণে ব্যাংকিং খাতের উদ্বৃত্ত তারল্য শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ হয়েছে। ব্যাংক আমানত ও সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমে যাওয়ায় বিপুলসংখ্যক মানুষ পুঁজিবাজারের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে পেনশনভোগী বিপুলসংখ্যক মানুষ সঞ্চয়পত্রের পরিবর্তে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে আসছেন।
গ্যাস-বিদ্যুত্সহ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে বিনিয়োগ অনুকূল পরিবেশ না থাকায় বড় উদ্যোক্তারাও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। উত্পাদনশীল খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ শেয়ারবাজারে চলে আসায় জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শিল্পখাতের পরিবর্তে উদ্যোক্তাদের অনেকেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে আকৃষ্ট হয়ে পড়ছেন। এমনকি শিল্প স্থাপনের জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েও অনেক উদ্যোক্তা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 12:14 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পরিকল্পিত দর পতন!
শেয়ার মার্কেট
বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ ॥ হরতালের পক্ষে স্লোগান ॥ বাধা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The daily Janakantha
07.02.2011

সরকারের পৰ থেকে নানামুখী পদৰেপের ঘোষণার প্রভাবে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হলেও ধীরে ধীরে তা হতাশায় রূপ নিচ্ছে। মাত্র চারদিন উর্ধমুখী থাকার পর আবারও টানা দরপতনে আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়েছেন তাঁরা। ফলে ৮ কার্যদিবসের ব্যবধানে পুঁজিবাজারে আরেক দফা বড় দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার সপ্তাহের প্রথম লেনদেনে প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের ব্যাপক দরপতনের কারণে ৪০৬ পয়েন্ট কমে গেছে ডিএসই সাধারণ সূচক। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তা, মার্জিন ঋণে স্থবিরতা এবং কয়েকটি কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) বিপুল পরিমাণ টাকা আটকে যাওয়ায় বাজারে ধারাবাহিক মন্দা বিরাজ করছে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন। তবে রবিবারের বড় দরপতনের পেছনে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির ডাকা হরতাল কর্মসূচীর সংশিস্নষ্টতা থাকতে পারে বলে অনেক বিনিয়োগকারীর অভিযোগ।
এদিকে শেয়ারবাজারে বড় দরপতনের প্রতিবাদে আবারও রাসত্মায় নেমে বিৰোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। এ সময় তাঁরা গাড়ির টায়ার, কাগজপত্রে আগুন জ্বালিয়ে রাসত্মায় অবরোধ সৃষ্টি করেন। এতে মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীরা দফায় দফায় বিৰোভ মিছিল করলেও কোনরকম ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। বিৰোভ চলাকালে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ বিচ্ছিন্নভাবে বিএনপির ডাকা হরতালের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সেস্নাগান দেয়। তবে বিনিয়োগকারীদের আরেক অংশকে পুঁজিবাজারকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে সেস্নাগান দিতে দেখা গেছে।
বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, বিএনপির হরতালের আগের দিন পরিকল্পিতভাবে শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটানো হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের বিক্ষুব্ধ করে হরতাল কর্মসূচীর যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্য এ ধরনের কৌশল বেছে নেয়া হয়েছে। দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সদস্যদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াতপন্থীদের আধিপত্য থাকায় তাদের পৰে খুব সহজেই বাজারে বিপর্যয় সৃষ্টি করা সম্ভব বলে তাঁরা মনে করেন। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) বিগত জোট সরকারের আমলে বিএনপি-জামায়াতের প্রথম সারির নেতাদের নামে-বেনামে অনেক সদস্যপদ দেয়া হয়েছিল। বিএনপির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের অনেকেরই ব্রোকারেজ হাউস রয়েছে। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মতো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও বিএনপি-জামায়াতের প্রাধান্য রয়েছে। হরতাল সামনে রেখে বিনিয়োগকারীদের ৰেপিয়ে তুলতে তারাই পরিকল্পিতভাবে বাজারে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে বলে বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ। দরপতনের প্রতিবাদে বিৰোভ কর্মসূচীতে উলেস্নখযোগ্যসংখ্যক রাজনৈতিক কর্মী অংশ নিয়েছে বলে বিনিয়োগকারীরা জানান।
বিৰোভ চলাকালে ফয়সাল নামে এক বিনিয়োগকারী জনকণ্ঠকে বলেন, বেশিরভাগ মার্চেন্ট ব্যাংকই বিএনপিপন্থীদের মালিকানাধীন। সরকারকে বিপদে ফেলতে তারা ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের মার্জিন ঋণ দিচ্ছে না। পুঁজিবাজারে স্থি্থতিশীলতা ধরে রাখতে আইসিবিকে বাধ্যতামূলক শেয়ার কিনতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।
প্রত্যৰদর্শীরা জানান, গত সপ্তাহের তিন কার্যদিবস ও চলতি সপ্তাহের প্রথম দিনের দরপতনের ফলে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন। পুঁজি হারানোর আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা ডিএসই এলাকায় জড়ো হয়ে বেলা সোয়া ১২টায় বিৰোভ মিছিল করতে থাকে। এ সময় মতিঝিলের ইত্তেফাক মোড় থেকে শাপলা চত্বর পর্যনত্ম রাসত্মায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় বিনিয়োগকারীরা মতিঝিলের মূল রাসত্মার বিভিন্ন স্থানে গাড়ির টায়ার এবং পুরনো কাগজপত্র জড়ো করে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর, এসইসি, ডিএসইর বিরম্নদ্ধে সেস্নাগান দেয়। তারা বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যনত্ম মিছিল করে। এর মধ্যে কিছু বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের দায় নিয়ে সরকারের পদত্যাগও দাবি করেন। বিৰোভকারীদের কেউ কেউ প্রতীকী গলায় ফাঁস লাগিয়েও প্রতিবাদ জানান। এ সময় প্রতিবাদকারীরা জানায়, দ্রম্নত বাজার নিয়ন্ত্রণে না আনলে সত্যি সত্যি তারা আত্মহুতি দেবেন। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে পুলিশী প্রহরায় যান চলাচল শুরম্ন হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
তবে রাসত্মায় বিৰোভ করে সূচকের পতন ঠেকানো যায়নি। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে ৪০৬ পয়েন্ট। মূলত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই লেনদেনে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। এছাড়া ধারাবাহিক দরপতনের কারণে ঋণনির্ভর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটি অংশ ফোর্স সেলের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর এ ধরনের প্রবণতা বাজারে বড় দরপতন ত্বরান্বিত করেছে বলে বিনিয়োগকারীরা জানিয়েছেন।
এদিকে বেলা পৌনে চারটার দিকে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ নামে একটি সংগঠন স্থিতিশীল ও উৎপাদনমুখী পুঁজিবাজারের দাবিতে ডিএসইর সামনে মানববন্ধন করে। এ সময় সংগঠনটির পৰে ১৬ দফা দাবিসংবলিত লিফলেট বিলি করা হয়। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে বাজারে তারল্য সরবরাহ নিশ্চিত করা, বিনিয়োগকারীদের বিরম্নদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, আস্থা ফিরিয়ে আনা, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করা এবং মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে ঋণ প্রদানে বাধ্য করা।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা যায়, রবিবার লেনদেন শুরম্ন প্রথম ঘন্টায় ৯০ শতাংশ শেয়ারের দরপতনের ফলে ডিএসইর সাধারণ সূচক ২৬০ পয়েন্ট হ্রাস পায়। এরপরই বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে মিছিল শুরম্ন করে। এ সময় ডিএসই সাধারণ সূচক কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও সেই ধারা বেশিৰণ স্থায়ী হয়নি। বেলা সাড়ে ১২টার পর থেকে প্রায় সব কোম্পানির দর হারালে সূচকের পতন ত্বরান্বিত হয়। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৭টি কোম্পানি ও মিউচু্যয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ১৩টির, কমেছে ২৩৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টির। এতে ডিএসই সাধারণ সূচক ৪০৬ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৬৭১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭০৫ কোটি টাকা।
এদিকে পুঁজিবাজারে সক্রিয় ভূমিকা পালনের কথা বললেও পতনের লাগাম টেনে ধরতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর কোন ভূমিকা লৰ্য করা যায়নি। বরং টানা দরপতনের ঋণনির্ভর বিনিয়োগকারীদের ঋণ সমন্বয় করতে মার্জিন কল করেছে অনেক মার্চেন্ট ব্যাংক। বিনিয়োগকারীরা মার্জিন সমন্বয় করতে না পারলে ফোর্স সেল শুরম্ন করবে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এতে পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, যা বড় ধরনের পতন ডেকে আনবে।
তবে বাজারের এ পরিস্থিতিতে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফোর্স সেল না করার আহ্বান জানাবেন বলে সাংবাদিকদের বলেছেন এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 12:17 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার বাজারের লুটপাট কাহিনী

০০আবুল খায়ের
The Daily Ittefaq
07.02.2011


শেয়ার বাজার দরপতনের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার নেপথ্যে নায়করা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে। তাদের স্পর্শ করার ক্ষমতা কারো নেই। নির্মম, নির্দয়ভাবে প্রায় ৪০ লাখ বিনিয়োগকারীদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন তারা। ৪০ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ও তার পরিবারসহ প্রায় ২ কোটি মানুষ নিদারুণ আর্থিক কষ্টের শিকার। এই নির্দয় লুণ্ঠনকারীদের আলস্নাহ বিচার করবেন। গতকাল রবিবার নবমবারের মত শেয়ার বাজারে দরপতনে নিঃস্ব হওয়া ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বেশ কয়েকজন কান্নাজড়িত কণ্ঠে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। অপরদিকে বিভিন্ন সংস্থা শেয়ার বাজারে দরপতনের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎকারীদের সনাক্ত এবং কিভাবে আত্মসাৎ করেছে তার বিস্তারিত তথ্য উলেস্নখ করে ইতিমধ্যে সরকারের শীর্ষ প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করেছে। তারপরও শেয়ার বাজারে দরপতনের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট বন্ধ হয়নি। সর্বশেষ গতকাল শেয়ার বাজারে দরপতন হয়েছে। পাশাপাশি বিক্ষোভ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় শেয়ার বাজারে কোটি কোটি টাকা লুণ্ঠনকারী কিছুসংখ্যক অর্থলোভীকে নিয়ন্ত্রণ করা কিংবা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না। এই নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। তাদের এত ক্ষমতার উৎস কি? অনুসন্ধান ও বিভিন্ন সংস্থা এবং বিনিয়োগকারীসহ ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, শেয়ার বাজারে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারীরা ক্ষমতাধর দুইটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং কেউ কেউ দলীয় নেতা। রাজনীতি নিয়ে উভয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে রাজপথে ও জনগণের সামনে কথা বলছে। দৃশ্যপট এমন যে, উভয়ের মধ্যে দা-কুমড়া সম্পর্ক। আসলে তা নয়, একশ্রেণীর নেতা উভয় দলের মধ্যে কোটি কোটি টাকা ভাগাভাগিতে একে অপরের জানিদোস্ত। কি মজার ব্যাপার শেয়ার বাজারের কোটি কোটি টাকা কেলেংকারির জন্য উভয় দল থেকে একে অপরকে দায়ী করে এবং সরকারের চরম ব্যর্থতার কথা উলেস্নখ করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চারদলীয় জোট সরকারের আমলের এক ক্ষমতাধর মন্ত্রীর পুত্র, অসীম ক্ষমতাধর দুই এমপি ও তিন ব্যবসায়ী এবং বর্তমান আওয়ামী লীগসহ মহাজোট সরকারের দুই এমপি, দুই ক্ষমতাবান শিল্পপতি ব্যবসায়ীসহ উভয় দলের ১১ জন প্রত্যক্ষভাবে শেয়ার কেলেংকারিতে জড়িত। এছাড়া তাদের সঙ্গে আরো কয়েকজন জড়িত বলে জানা গেছে। গত ৮ ডিসেম্বর থেকে গতকাল পর্যন্ত নবম দফা শেয়ার বাজারের দরপতন ঘটিয়ে কোটি কোটি টাকা তারা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, শেয়ার বাজার থেকে ৪৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা শেয়ার বাজারে বার বার দরপতন ঘটিয়ে কোটি কোটি টাকার কেলেংকারি ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত করেছে। তদন্ত করে উভয় দলের ১১ জন রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী শেয়ার বাজার কেলেংকারির সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে। বিষয়টি সরকারের শীর্ষ প্রশাসনকে অভিহিত করেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, শেয়ার বাজারে কোটি কোটি টাকা লুটপাটে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কতিপয় কর্তা জড়িত। বাংলাদেশ ব্যাংক শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বিধি অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ তাদের মূলধনের ১০% এর বেশি শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে পারে না। কিন্তু অধিকাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংক নীতিমালা লংঘন করে তাদের মূলধনের অধিকাংশই শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করার ফলে শেয়ারের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক এ নীতিমালা অনুসরণের জন্য আদেশ দেয়ায় এবং তদারকি করায় ব্যাংকসমূহ তাদের বিনিয়োগ প্রত্যাহার করায় শেয়ার বাজারে দরপতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশ ব্যাংক ১০ ডিসেম্বর বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগের দুই হাজার কোটি টাকা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এতে শেয়ার বাজারে দরপতন ঘটে যায় বলে সংস্থার তদন্তে উলেস্নখ করা হয়।

১৯৯৬ সালে উক্ত জড়িত ব্যবসায়ী ও নেতারা কৌশলে শেয়ার বাজারে বড় ধরনের পতন ঘটিয়ে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়। সেই উভয় দলের নেতারা এবার শেয়ার বাজারে একই কেলেংকারি ঘটিয়েছেন। এছাড়া ১৯৯৬ সালে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন শেয়ার বাজারে দরপতনের সঙ্গে ১৫টি কোম্পানি জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে মামলা দায়ের করে। সেই মামলা এখন হিমাগারে। এসব লুণ্ঠনকারী কোম্পানি শেয়ার বাজারে এখন তৎপর রয়েছে বলেও তদন্ত প্রতিবেদনে উলেস্নখ করা হয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 12:19 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
গতিশীল শেয়ার বাজারের জন্য কর্পোরেট তথ্যসমূহ সঠিক ও নির্ভুল হওয়া জরুরী

অর্থমন্ত্রীর সাথে ডিসিসিআই নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ


০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
07.02.2011


ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)র সভাপতি আসিফ ইব্রাহীমের নেতৃত্বে ডিসিসিআই'র পরিচালনা পর্ষদ রবিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সাথে সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন।

ডিসিসিআই সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম সম্প্রতি সরকার ঘোষিত মুদ্রানীতিতে উৎপাদন খাতকে অধিক প্রাধান্য এবং ঋণ প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি শেয়ারবাজারের বর্তমান অবস্থা মোকাবেলার জন্য এসইসি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণের উপর গুরুত্বআরোপ করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, "জেড" ক্যাটাগরির শেয়ারের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা প্রয়োজন এবং বাজারের মোট শেয়ারের চেয়ে এ সব কোম্পানীর শেয়ার ১০% চেয়ে বেশী হওয়া উচিত নয়। তিনি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, একটি গতিশীল শেয়ারবাজারের জন্য কর্পোরেট তথ্যসমূহ সঠিক ও নিভর্ুল হওয়া জরুরি। তিনি মটর গাড়ি, ইলেকট্রনিক পণ্যের মত সংযোজনশীল শিল্পের ক্ষেত্রে "ট্যাক্স হলিডে" সুবিধা বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব-আরোপ করেন। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর আদায় ও নীতিমালা তৈরীর দায়িত্ব পালন করছে। তিনি খাত দুটোকে আরো গতিশীলতা আনয়নের জন্য এগুলোর কাজকে আলাদা করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নিটিং, ডাইং, ওয়েভিং এবং স্পিনিং রপ্তানি খাতে কর হার কমানোর উপর গুরুত্বআরোপ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই সরকারের উচিত বিদু্যতের দাম না বাড়িয়ে আগের পর্যায়ে রাখা। ডিসিসিআই সভাপতি পুনরায় সম্পত্তি কর আরোপ এবং ভ্যাট রিটার্ন ফাইলিং এর বিষয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বৃদ্ধি না করার প্রস্তাব করেন।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ডিসিসিআই'র নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদকে তার কার্যালয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ডিসিসিআই কতর্ৃক উথাপিত প্রস্তাবনাসমূহে সমর্থন জানান। তিনি বলেন, সরকার পিপিপি মডেলের প্রকল্পসমূহে উৎসাহ প্রদান করছে এবং রেন্টাল বিদু্যৎ কেন্দ্র স্থাপনে সরকার প্রায় লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। তিনি জানান, সরকার এনবিআরের কর আহরণ ও নীতিমালা প্রণয়ন এর দ্বৈত কর্মকাণ্ডের বিষয়টির ব্যাপারে আরও আলোচনা করবে। তিনি বলেন, সম্প্রতি আভ্যন্তরীণ কর আহরণের পরিমান অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। পুঁজিবাজার সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহে পুঁজিবাজারে আসা উচিত এবং এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রণালয় সর্বাত্নক সহযোগিতা প্রদান করবে। তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে কম হারে সুদ প্রদানের বিষয়টি ট্যাক্স হলিডের বিকল্প হতে পারে।

ডিসিসিআই ঊধর্্বতন সহ-সভাপতি টি আই এম নূরুল কবীর আইটি খাতের মানব সম্পদ উন্নয়নের উপর গুরুত্বআরোপ করেন। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টেকসই মডেল প্রণয়নের আহবান জানান। ডিসিসিআই পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মোশাররফ হোসেন, ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, খাইরুল মজিদ মাহমুদ এবং এম আবু হোরায়রা বক্তব্য প্রদান করেন। ডিসিসিআই সহ-সভাপতি নাসির হোসেন, পরিচালক হোসেন এ শিকদার, এম বশির উলস্ন্যাহ ভুঁইয়্যা, মাহাবুব আনাম, কে এম এন মনজুরুল হক, আলহাজ্ব মোঃ নাসিরউদ্দিন খাঁন, এম আনওয়ারুল হক, আবসার করিম চৌধুরী এবং ডিসিসিআইর ভারপ্রাপ্ত সচিব ফেরদৌস আরা বেগম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 12:23 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Share price fall sparks protest

Star Business Report
07.02.2011


Hundreds of angry investors took to the streets in the financial district of Motijheel once again to protest a slump in share prices yesterday.

They expressed solidarity with today's countrywide dawn-to-dusk hartal called by the main opposition BNP.

Starting on a negative note, the General Index of Dhaka Stock Exchange (DSE) came down to 6,719 points, registering a 406 points or 5.7 percent fall at the end of a four-hour trading session.

The market remained in the red for the third consecutive trading session with a cumulative drop of 590 points.

Angry investors streamed into the street in front of the premier bourse at about 12:20pm shortly after the General Index fell by more than 300 points.

They set fire to paper and wood, and blocked the road from Shapla Chattar to Ittefaq crossing, bringing traffic in the area to a halt for more than three hours.

Vehicular movement on the road resumed at about 3:45pm after the law enforcers dispersed the protesters.

The protesters were more focused on chanting slogans against the finance minister and the central bank governor than the market regulator or bourse authorities.

Some of them were calling for a "non-stop hartal” from today until the market rebounds to a satisfactory level.

BNP called the nationwide hartal today to press for a number of demands including withdrawal of cases filed against party chief Khaleda Zia and others over the Munshiganj clash, probe into the recent stockmarket crash and bringing the market manipulators to book.

The investors took to the streets the last time on January 20. The market nosedived 587 points in five minutes into the start of trading that day, despite having a circuit breaker to stop trading if the index dropped 225 points.

Market insiders said sale pressure began to mount from the opening bell making the retail investors jittery.

The downtrend was fuelled further by margin calls, and in some cases by forced or trigger sales by the institutions that provide margin loans, a market insider said.

"The institutions called for additional funds from the investors who trade on credit, as their portfolio value came down to the lowest level. If they do not deposit additional funds against their portfolio, the institutions will have to go for a trigger sale to get the credit. Some of them have already done that," the person said, wishing anonymity.

The credit providers will be left with no alternative but to go for trigger sales unless the market bounces back. If the downtrend continues, many other institutions will do that, he added.

Referring to trigger sales, Securities and Exchange Commission Chairman Ziaul Haque Khondker said: "We will look into the matter and also try to find out any solution to avoid the trigger sales."

The investors looked jittery from the start on the trading floor. Panic sale quickened the slump with most sectors falling more than 5 percent. The day's turnover stood at Tk 705 crore, 4.26 percent lower than previous trading session.

Losers outnumbered gainers by 238 to 13, with four securities remaining unchanged on the DSE that traded more than 5.87 crore shares and mutual fund units.

Trading will continue tomorrow from 11:00am as usual, if enough members log in to the main server. It is mandatory that at least one third of the active members log in to begin trading.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 12:25 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
State companies face listing warning

Rejaul Karim Byron and Md Fazlur Rahman
The Daily Star
07.02.2011


In a strong warning, Finance Minister AMA Muhith has said heads of state enterprises will be shown the door if they fail to offload shares on the stockmarket by the 'next'

deadline.

The government plans to extend the deadline to the noncompliant state-owned enterprises (SoE) for the last time this week, after they defied orders from the highest level to offload their shares.

"I am unhappy with them, as it is not happening. I will call them to a meeting and tell them if 'you cannot do it within certain days you have to resign'," the minister said while speaking to a delegation of Dhaka Chamber of Commerce and Industry at his office.

“I am going to impose the condition that if they fail, their resignations will be effective then and there.”

In the last two years, the finance minister held several meetings with the SoEs to increase supply of quality shares to the bourses. But all of them failed to oblige.

His warning came after 34 state-run enterprises repeatedly failed to go public, although the prime minister endorsed the move to shore up bourses amid a crunch of quality shares.

Muhith now plans to sit with the ministries on February 10 in an effort to increase shares of the government-run companies in the stockmarket, which is going through a turbulent period.

The government asked nine SoEs -- Rupali Bank, Bangladesh Shipping Corporation, Power Grid Company of Bangladesh, Dhaka Electric Supply Company, Titas Gas Transmission and Distribution, Meghna Petroleum, Jamuna Oil, National Tubes and Eastern Lubricants Blenders -- to offload 1-17 percent additional shares in the market.

The minister also held a meeting in December last year and set January 15 as the deadline to release the shares, but only Rupali Bank showed some inclination to oblige.

Muhith also sent letters to the related ministries and divisions, asking them to execute the government decision and expressed dissatisfaction over the authorities' procrastination.

"The deadline is set in consultation with the prime minister. No ministry has the jurisdiction to change it. The ministry of energy and mineral resources did not do the right thing," the minister said in a letter sent to the energy and mineral resources ministry after it extended the deadline to offload shares.

Liquefied Petroleum Gas, Bakhrabad Gas Transmission and Distribution Company, Gas Transmission Company, Jalalabad Gas T&T Systems, Paschimanchal Gas Company, Rupantarito Prakritik Gas Company and Sylhet Gas Fields Company, Bangladesh Gas Fields Company -- all under the Energy and Mineral Resources Division -- missed three deadlines in as many years, with the latest on December 31 last year.

Dhaka Power Distribution Company received four time extensions to offload 15 percent additional shares but it failed. The latest deadline expired on December 31 last year.

Rural Power Company also failed three deadlines to go public.

Progoti Industries and Chittagong Dry Dock, both under the industries ministry, breached three deadlines and now have to list on the stockmarket by June.

GEM Company and Bangladesh Blade Factory also could not offload shares despite missing three deadlines, with the latest in December last year.

The civil aviation and tourism ministry also failed to meet two deadlines for offloading shares of Bangladesh Services Ltd (Sheraton Hotel) and Hotel International Ltd (Sonargaon Hotel). Sonargaon Hotel has been allowed extension for the third time until June 2011 to go public.

The post and telecommunications ministry could not offload shares of mobile operator Teletalk and Bangladesh Telephone Company Ltd although they were given deadlines three times.

Under the same ministry, the deadline for offloading shares of Bangladesh Cable Industries and Telephone Shilpa Sangstha expired last year.

The health and family planning ministry could not honour the government order either, as the deadline for offloading 25 additional shares of Essential Drugs Company expired twice.

The shipping ministry also missed two deadlines for offloading 17.5 percent additional shares of Bangladesh Shipping Corporation.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 28 / 40 1 - 2 - 3.. - 26 - 27 - 28 - 29 - 30.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview