DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 27 / 40 1 - 2 - 3.. - 25 - 26 - 27 - 28 - 29.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
02/03/2011 12:02 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মন্দা কাটাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ
সপ্তাহের শেষ লেনদেনে কমেছে সূচক ও অধিকাংশ শেয়ারের দর


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
04.02.2011

সূচক ও শেয়ারের দরে নিম্নমুখী ধারা বজায় রেখেই সপ্তাহ পার করল পুঁজিবাজার। একদিন বৃদ্ধির পর দেশের দুই শেয়ারবাজারেই বৃহস্পতিবার সব সূচক কমেছে। একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও। টানা বিপর্যয়ের পর প্রথম চারদিন উর্ধমুখী থাকার পর আবারও বেশিরভাগ কোম্পানির ধারাবাহিক দরহ্রাসের কারণে দুশ্চিনত্মামুক্ত হতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। এ অবস্থায় মন্দা দূর করে শেয়ারবাজারে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের প্রতি ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ভূমিকা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদৰেপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেস্নষকরা।
গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পুঁজিবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর এখনও বড় ধরনের লোকসানে রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এরই মধ্যে বাজারে আবার নতুন করে দরপতন হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা বাড়ছে। অন্যদিকে বাজারে অস্বাভাবিক দরপতন রোধ করার জন্য এসইসি বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তা তেমন কোন কাজে আসছে না। ডিএসইতে সর্বশেষ চার কার্যদিবসের মধ্যে বুধবার বাদে বাকি ৩ কার্যদিবসে সূচক কমেছে প্রায় ৪৭৫ পয়েন্ট। অন্যদিকে গত বুধবার ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক মাত্র ২৮ পয়েন্ট বেড়েছিল। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হলেও বাজার বিশেস্নষকরা বাজার পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। তাঁরা মনে করেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের তৎপরতা বাড়লে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরে আসবে। এতে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হয়ে লেনদেনে সক্রিয় হবেন।
এদিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগলেও অনেক বিনিয়োগকারী আবারও শেয়ার কেনায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে জানা গেছে। একাধিক ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় বড় বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বাজারে সক্রিয় হতে শুরম্ন করেছেন। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে তারা তুলনামূলক কম দরে শেয়ার কিনছেন। কারণ ভাল কোম্পানির শেয়ারের বর্তমান দরকে তারা কেনার জন্য উপযুক্ত মনে করছেন।
এইমস অব বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ইয়াওয়ার সাঈদ বলেন, বাজার এখনও সমন্বয় হচ্ছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে যেহেতু বাজারটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে গিয়ে সেখান থেকে প্রায় আড়াই হাজার পয়েন্ট সূচক নেমে যায়। এই কারণে বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানে রয়েছে। আর বর্তমান অবস্থা থেকে বাজার আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়া কঠিন। তাই বিনিয়োগকারীদের লোকসানে বিক্রি না করে দীর্ঘমেয়াদে অপেৰা করা উচিত।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। সেইসঙ্গে কমেছে সব সূচক বাজার মূলধন ও আর্থিক লেনদেন। এদিন উভয় স্টক এঙ্চেঞ্জে ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদু্যত ও জ্বালানি, সিমেন্ট, সিরামিকস খাতের শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৭টি কোম্পানির মধ্যে ২৩১টি কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। বেড়েছে মাত্র ২২টির এবং অবশিষ্ট ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। দিনশেষে সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৩.৮০ পয়েন্ট কমে ৭১২৫.৩৩ পয়েন্টে নেমে আসে। টানা তৃতীয় দিনের মতো ডিএসইতে হাজার কোটি টাকার কম লেনদেন হয়েছে। সারা দিনে লেনদেন হয়েছে মাত্র ৭৩৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৫টি কোম্পানির মধ্যে ১৮৩টি কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে মাত্র ৫টি কোম্পানির শেয়ারের দর। দিনশেষে সিএসইতে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/03/2011 12:04 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজার কারসাজির তথ্য চেয়েছে তদন্ত কমিটি
ফ্যাক্স ও ই-মেইলে যে কোন নাগরিক তথ্য দিতে পারবেন


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
04.02.2011


শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্ত কমিটি শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সর্বসাধারণের কাছে তথ্য চেয়েছে। বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তদনত্ম কাজে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির কাছে তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শেয়ারমূল্য অস্বাভাবিক উত্থান-পতনের খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করতে সকল বিনিয়োগকারী, পুঁজিবাজারের সঙ্গে সম্পর্কিত সংস্থা, কোম্পানি, গবেষক, অবলোকনকারীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং যে কোন নাগরিক ফ্যাক্স বা ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য দিতে পারবে। এক্ষেত্রে প্রেরিত কাগজের ওপর 'তদনত্ম কমিটির জ্ঞাতার্থে' কথাটি লেখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। শেয়ারবাজার অস্থিরতার পেছনে যে কোন তথ্য, ইঙ্গিত বা সুপারিশ পাঠানো যাবে।
তথ্য পাঠানোর ফ্যাক্স নাম্বারগুলো হচ্ছে_ ৯০০৬৭৫৬, ৯৫৫২৪১০ ও ৮১১৯২৯৮। এছাড়া chairman@krishibank.org.bd, tacbibm@yahoo.com এবং hvc@bangla.net এই ই-মেইল ঠিকানাগুলোতে তথ্য পাঠানো যাবে।
এর আগে ২৫ জানুয়ারি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদকে চেয়ারম্যান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি তিন মাসের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে। এরপর দিন ২৭ জানুয়ারি তদন্ত কমিটির অপর দুই সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়। তাঁরা হলেন- বিআইবিএমর মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী ও আইসিএবির সাবেক সভাপতি আব্দুল বারী। ৩১ জানুয়ারি থেকে কমিটি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সঙ্গে আলোচনা করে আনুষ্ঠানিক কাজ শুরম্ন করে।
এর আগে গতবছরের ৬ ডিসেম্বর থেকে শেয়ারবাজারে দরপতন শুরু হয়। এর মধ্যে মাঝখানে কয়েকদিন বাজার ভাল থাকলেও বেশিরভাগ কার্যদিবসে দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে ব্যাপক পতনের মুখে এ বছরের ২০ জানুয়ারি পুঁজিবাজারের লেনদেন দু'দিনের জন্য বন্ধ করে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। এরপর দু'দিন বন্ধ থাকার পর ২৫ জানুয়ারি পুনরায় লেনদেন চালু হলেও বাজারের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসেনি।
এদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরম্ন করলেও নিজস্ব কার্যালয়ে বসতে পারেনি তদনত্ম কমিটি। বর্তমানে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অফিসে বসেই কমিটি কার্যক্রম চালাচ্ছেন তারা। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পৰ থেকে জীবন বীমা ভবনের ১০ তলায় (এসইসির নিচে) একটি কার্যালয়ের ব্যবস্থা করা হলেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি না থাকায় এখনও তা ব্যবহারের উপযোগী হয়নি। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ওই কার্যালয়টি ব্যবহার উপযোগী করে তোলা সম্ভব হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/03/2011 12:05 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ডিএসইর পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করবে তদন্ত কমিটি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
04.02.2011

তদন্ত কাজ অগ্রসর করতে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করবে পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্ত কমিটি। বৈঠকের আমন্ত্রণ জানিয়ে ইতোমধ্যেই পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জান গেছে, তদন্ত কমিটি বর্তমানে বিভিন্ন জনের সঙ্গে বৈঠক করা ছাড়াও তথ্য সংগ্রহ করছে। তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ জানিয়েছেন, তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রায় ১ মাস সময় লাগবে। এরপর যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হবে। তদন্ত কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করা হবে।
এদিকে শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে মার্জিন ঋণ সুবিধা সম্পর্কিত নীতিমালার খসড়া তৈরির জন্য বুধবার বৈঠক করেছে ডিএসই ও সিএসই কর্মকর্তারা। বৈঠকে মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ হার, মার্জিন কল, ট্রিগার সেল এবং উভয় স্টক এঙ্চেঞ্জে অভিন্ন সূচকের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, মার্জিন ঋণ প্রদানের এখতিয়ার মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের ওপর ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির জন্য সুপারিশ চাওয়া হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ ও মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশন কমিশনের কাছে নীতিমালার খসড়া পেশ করবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/03/2011 12:06 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
উভয় শেয়ারবাজারে দরপতন

০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
04.02.2011


সপ্তাহের শেষ দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) শেয়ারের দরপতন, সাধারণ সূচক, বাজার মূলধনসহ আর্থিক লেনদেনে ভাটার টান পড়েছে। একইসাথে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সিমেন্ট, সিরামিকস খাতের শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৭টি কোম্পানির মধ্যে ২৩১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। বেড়েছে মাত্র ২২টির এবং ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত থাকে।

দিনশেষে সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৩ দশমিক ৮০ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ১২৫ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে নেমে আসে। টানা তৃতীয় দিনের মতো লেনদেন হাজার কোটি টাকার নীচে নেমে আসে। ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাড়ায় মাত্র ৭৩৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৫টি কোম্পানির মধ্যে ১৮৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে মাত্র ৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। দিনশেষে সিএসইতে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ দাড়ায় মাত্র ৯১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

ডিএসইতে সর্বশেষ চার কার্যদিবসের মধ্যে বুধবার বাদে বাকি ৩ কার্যদিবসে সূচক কমেছে প্রায় ৪৭৫ পয়েন্ট।

অন্যদিকে গত বুধবার ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক মাত্র ২৮ পয়েন্ট বেড়ে ছিল। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পুঁজিবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর এখনো বড় ধরনের লোকসানে রয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

বাজারের এই অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হলেও বাজার বিশেস্নষকরা স্বাভাবিক আচরণ হিসেবে দেখছেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/04/2011 9:56 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
তারল্য সঙ্কট মেটাতে ব্যাংকের জামানত সুদের হার বাড়ছে


ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

ব্যাংকিং খাতে তারল্য সঙ্কট চলছে প্রকট। এ কারণে ব্যাংকগুলো এলসি খুলতে পারছে না। ফলে এ সঙ্কট মেটাতে এক সাথে ৩০টি ব্যাংক আমানতের সুদের হার বাড়ানো হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
তারল্য সঙ্কটের কারণে ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের কাছে ঋণ সরবরাহ করতে পারছে না বা্যাংকগুলো। গত কয়েক মাস আগেও তারল্য সঙ্কট ছিল না। এমনকি চাহিদা না থাকায় ব্যাংকগুলোর কাছে আমানত বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ওই সময় ব্যাংকগুলোর কাছে অলস আমানত পড়ে ছিল প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে আর্থিক ও ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে কোন তারল্য সংকট নেই। কিন্তু ব্যাংকগুলোর হালনাগাদ তথ্যে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানির পাশাপাশি ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া ও অনুৎপাদনশীল খাতে আমদানি ব্যাপক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে তৈরিজাত পণ্য আমদানি হয়েছে ব্যাপক। ফলে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। এই অতিরিক্ত আমদানি ব্যয় মেটাতে তীব্র তারল্য সংকটে পড়ায় আমানত বাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ব্যাংকগুলো। এক সাথে এতগুলো ব্যাংক আমানত সুদের হার বাড়ানোর ঘটনা নজির স্থাপন করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই সূত্রে আরো জানা গেছে, জানুয়ারি মাসে ব্যাংকগুলো ৫০ পয়সা থেকে সাড়ে ৩ টাকা পর্যন্ত সুদের হার বাড়িয়েছে। ৩০টি ব্যাংক তাদের সব ধরনের আমানতের ক্ষেত্রে সুদের হার বাড়িয়েছে। ব্যাংক গুলো হচ্ছে- পূবালী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, অগ্রণী ব্যাংক, এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, ইবিএল ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, আল-আরাফাহ ব্যাংক, এসআইবিএল ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এঙ্মি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, স্ট্যান্ডর্ড ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, মিউচুয়াল ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, হাবিব ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, আল-ফালাহ ব্যাংক, এইচএসবিসি ব্যাংক। এসব ব্যাংক সেভিংস ডিপোজিট, স্পেশাল নোটিশ ডিপোজিট (এসডিএন), ফিঙ্ড ডিপোজিটের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের সুদের হার বাড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা হচ্ছে ১২ শতাংশের ওপর কেউ সুদের হার নির্ধারণ করতে পারবে না। ফলে এর বেশি কেউ বাড়াচ্ছে কিনা কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা তদারকি করে। তিনি জানান, প্রতিযোগিতার কারণে ব্যাংকগুলো কিছু দুর্নীতিও করে। তবে সেটার দালিলিক কোন প্রমাণ থাকে না। তাই আমাদের পক্ষে তদারকি করা সম্ভব হয় না। তিনি আরো জানান, ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণে সুদের হার বাড়ছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এআর/ জেডআর/ ০০.২০ ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/05/2011 7:44 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

এসইসির দুই সিদ্ধান্ত বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে

আব্দুল্লাহিল ওয়ারিশ | তারিখ: ০৫-০২-২০১১
প্রথম আলো
  
বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, এমন আশায় গেল সপ্তাহে মার্জিন ঋণ ও অভিহিত মূল্য পরিবর্তন-সংক্রান্ত দুটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
সিদ্ধান্ত দুটি হলো—মার্জিন ঋণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এসইসির হস্তক্ষেপ না করা এবং কোম্পানির অভিহিত মূল্য পরিবর্তন-সংক্রান্ত গত বছর মে মাসে জারি করা একটি নির্দেশনা স্থগিত করা। আরেকটি সিদ্ধান্ত হচ্ছে, স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে (এসআরও) স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে প্রয়োজনে কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে ক্ষমতা প্রদান।
এসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান গত মঙ্গলবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এসইসি এখন থেকে মার্জিন ঋণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। এ ব্যাপারে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করে ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিশনে জমা দেবেন। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো গ্রাহকদের মার্জিন ঋণ প্রদানের হার নির্ধারণ করবে। তবে মার্জিন ঋণের নীতিমালা তৈরির ব্যাপারে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ওপর নজর রাখতে হবে। তা হলো গ্রাহকদের হিসাবে রক্ষিত সিকিউরিটিজের মূল্যায়ন পদ্ধতি, জোর করে শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়মাবলিতে এসইসির নীতিমালা অনুসরণ। মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো ছয় মাস অন্তর তাদের নির্ধারিত মার্জিন ঋণের হার পরিবর্তন করতে পারবে। তবে তা জানুয়ারির প্রথম কর্মদিবস ও জুলাইয়ের প্রথম কর্মদিবস থেকে কার্যকর হবে। একই সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) তাদের সদস্য স্টক ব্রোকারদের কাছ থেকে মার্জিন ঋণসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রতি মাসের নির্ধারিত সময়ে এসইসিতে প্রদান করবে। এ ছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো একই সময়ে সরাসরি এসইসিতে তাদের তথ্য প্রদান করবে।
সাইফুর রহমান আরও বলেন, স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে (এসআরও) স্টক এক্সচেঞ্জগুলো এখন থেকে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানের লেনদেন স্থগিত, বা যেকোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। তবে বিষয়টি তাত্ক্ষণিকভাবে এসইসিকে অবহিত করতে হবে। সিদ্ধান্তগুলো বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং বাজার স্বাভাবিক গতিতে চলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গত বুধবার এসইসি আরেকটি নির্দেশনা জারি করে। এতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অভিহিত মূল্য পরিবর্তনে আগের নির্দেশনা স্থগিত করা হয় কমিশন। গত বছর ১০ মে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে তাদের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছিল।
তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন সিদ্ধান্ত যা-ই নেওয়া হোক, বর্তমানে বাজারে প্রধান সমস্যা হচ্ছে তারল্য-সংকট। তাঁদের মতে, পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক ঘটনার পর তারল্য-সংকটের বদলে বড় সমস্যা হচ্ছে—এখনো অনেক বড় বড় বিনিয়োগকারী, বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নিষ্ক্রিয় রয়েছেন। তাঁদের নিষ্ক্রিয়তার কারণে গত কয়েক দিন ধরে বাজারে বেশ অস্থিরতা চলছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপও একই কারণে কাজে আসছে না। সুতরাং, প্রথমেই প্রয়োজন বড় বিনিয়োগকারীদের বাজারে ফিরে আসা।
এ ব্যাপারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য ও রশিদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশিদ লালি বলেন, বিভিন্ন কারণে বর্তমানে বড় বিনিয়োগকারীরা এখন বাজার থেকে দূরে রয়েছেন। এর ফলে বাজারে তারল্য-সংকট বিরাজ করছে। তাঁরা ফিরে আসলে এ সংকট অনেকাংশে কমে যাবে।
এ ব্যাপারে ডিএসইর সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, মার্জিন ঋণ দেওয়ার বিষয়টি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের অধীনে থাকা উচিত।’ কেননা, এসব পেশাদারদের হাতে ছেড়ে দিলে তাঁরা বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি যাচাই-বাছাই করে ঋণ দিতে পারবেন। তাঁর মতে, মার্জিন ঋণ কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম ওঠানামার ওপর নির্ভর করবে। দাম কমলে বেশি ঋণ দিতে হবে এবং বাড়লে কম ঋণ দিতে হবে। এতে দাম বাড়লে শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে নিরুত্সাহিত হবেন এবং দাম কমলে উত্সাহিত হবে। বাজার আরও স্থিতিশীল হবে।
রকিবুর রহমান আরও বলেন, বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সংকট রয়েছে। এর ফলে অনেক বিনিয়োগকারী বাজার থেকে দূরে থাকায় বাজারে তারল্য-সংকটও বিরাজ করছে। সুতরাং তাঁদের মধ্যে আস্থা ফিরে এলে বাজার আবারও স্বাভাবিক হবে।
এদিকে বেশ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস সূত্রে জানা যায়, বাজারের অস্বাভাবিক আচরণে অনেক বিনিয়োগকারী ইতিমধ্যে তাঁদের পোর্টফোলিও ফাঁকা করে ফেলছেন। এর ফলে গত কয়েক দিন ধরে বাজারে দরপতনের ঘটনা ঘটছে। কেননা, বাজার একটু চাঙা হলেই বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি শুরু করছেন। আর বিক্রেতার তুলনায় ক্রেতা কম হওয়ায় শেষ পর্যন্ত দরপতনের ঘটনা ঘটছে।
গত সপ্তাহের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে চার দিনই দরপতন হয়েছে। এক দিন ছিল চাঙাভাব। গোটা সপ্তাহে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২৬০.৫৮ পয়েন্ট কমে ৭১২৫.৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
গেল সপ্তাহে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমেছে। লেনদেন হওয়া ২৬২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৮টির, কমেছে ২১২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। এদিকে গত সপ্তহে ডিএসইতে চার হাজার ৪৯৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/05/2011 7:51 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারের জোগান বৃদ্ধির সরকারি চেষ্টা গতিহীন

ফখরুল ইসলাম | তারিখ: ০৫-০২-২০১১
প্রথম আলো
  

শেয়ারবাজারে সরবরাহ সংকটের বিষয়টি আবারও এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিনিয়োগকারীসহ সবার মাথাব্যথা একটাই, আর তাহলো— মূল্য। অর্থাৎ শেয়ারের দর বাড়ল কিংবা কমল কি না। বিশেষজ্ঞরা অবশ্য সব সময়ই একটি কথা বলে থাকেন, ‘বাজার এক জায়গায় থেমে থাকবে না। বাড়া-কমাই হলো শেয়ারবাজারের ধর্ম ও সৌন্দর্য।’
একটি পরিপক্ব আর্থিক বাজারে শেয়ার, ঋণপত্র (ডিবেঞ্চার ও বন্ড), মিউচুয়াল ফান্ড ইত্যাদি সিকিউরিটিজের দৈনন্দিন লেনদেন হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) শেয়ারের পাশাপাশি কিছু মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়। আর বন্ড আছে নামেমাত্র—কয়েকটি ট্রেজারি বন্ড। সিকিউরিটিজ হিসেবে ডিবেঞ্চার ‘নেই’ হয়ে যাওয়ার দশা হয়েছে। এভাবে দেশীয় বাজারে সিকিউরিটিজে বৈচিত্র্য নেই বললেই চলে।
মোদ্দা কথা হলো, সিকিউরিটিজের সরবরাহ। সন্দেহ নেই, গত কয়েক বছরে বাজারে বিনিয়োগকারী বেড়েছে অনেক গুণ। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নিজেই বলে থাকেন বাজারে এখন ৩৩ লাখ বেনিফিশিয়ারি ওনার (বিও) হিসাবধারী এবং তাঁদের স্বার্থের দিক দেখতে হবে। অবশ্য এই সংখ্যার ন্যূনতম অংশ প্রকৃত বিনিয়োগকারী। বাকিরা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন করার জন্য বিও হিসাব পরিচালনা করেন। দৈনন্দিন লেনদেন কার্যক্রমে তাঁরা থাকেন না।
এবার সরবরাহ প্রসঙ্গে ফিরে আসা যাক। বিনিয়োগকারী বাড়ার পাশাপাশি সিকিউরিটিজের সরবরাহও বাড়ছে বৈ কমছে না। প্রশ্ন হলো, বাড়ার তালটা ঠিক আছে কি না। অর্থাৎ বিনিয়োগকারী বা শেয়ারের চাহিদা যে হারে বাড়ছে, সিকিউরিটিজ বা শেয়ারের সরবরাহ সে হারে বাড়ছে কি না। চাহিদা যদি বেশি বাড়ে, বুঝতে হবে নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ারের পেছনে অধিক পরিমাণ বিনিয়োগকারী ছুটছেন। আর এতে স্বাভাবিক কারণেই শেয়ারের মূল্য বাড়বে। এই সহজ বিষয়টি বুঝতে অর্থনীতির বিশেষজ্ঞ হতে হয় না।
শেয়ারের অতিমূল্য, বাজারের সার্বিক সূচক, বাজার মূলধন, সার্কিট ব্রেকার, আস্থা সংকট, দরপতন, পতন রোধে পদক্ষেপ ইত্যাদি নিয়ে দিনভর বৈঠক হয়েছে কয়েক দিন। কিন্তু আলোচনায় কার্যত স্থান পায়নি সরবরাহ বৃদ্ধির বিষয়টি।
শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক পতনোন্মুখ পরিস্থিতি মোকাবিলায় গ্রহণ করা পদক্ষেপের মধ্যে একটি হলো, শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত করে দেওয়া। সঙ্গে সঙ্গেই স্থগিত হয়ে গেল বেসরকারি মালিকানাধীন কোম্পানির বাজারে আসা। আর সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো তো বাজারে আসি আসি করছে কয়েক বছর ধরেই।
যোগাযোগ করা হলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত বৃহস্পতিবার টেলিফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘শেয়ারবাজারে সরবরাহ বাড়ানোর অংশ হিসেবে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনবরত চাপ দেওয়া হচ্ছে।’
সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়া নিয়ে প্রথম উদ্যোগ শুরু হয় ২০০৫ সালের আগস্ট মাসে। সরবরাহ বাড়ানোর গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান তখন সব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে সরবরাহ বাড়াতে হবে—এই যুক্তিতে সবাই একমত। সবারই একই ভাষ্য—নতুন নতুন বিনিয়োগকারী ঢুকছেন বাজারে, সে তুলনায় শেয়ারের সরবরাহ কম। তাই সরবরাহ বাড়ানোটা একেবারে জরুরি। মন্ত্রণালয়গুলোর সচিবেরাও সায় দিলেন এতে।
এর পরই তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এক মহাপরিকল্পনা (অ্যাকশন প্ল্যান) হাতে নেন। যার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ছেড়ে দেওয়া হবে। উদ্দেশ্য—পুঁজিবাজারে ভালো সিকিউরিটিজের সরবরাহ বাড়ানো। এ জন্য ৬২টি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা করা হয় তখন।
এর মধ্যে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকার আমলে ২০০৬ সালে তালিকাভুক্ত হয় ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি (ডেসকো) এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবিএল) নামের দুটি কোম্পানি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৭ সালে যমুনা অয়েল ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম এবং ২০০৮ সালে তিতাস গ্যাস তালিকাভুক্ত হয়। অর্থাৎ পাঁচ বছরে মাত্র পাঁচটি কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়েছে। কোম্পানিগুলোর ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ শেয়ার অবশ্য এখনো সরকারের হাতেই।
কেবলই সময়সীমা বাড়ানো: শেয়ার ছাড়তে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ২০০৫ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত চার বছরে আট দফা সময়সীমা বাড়িয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বর্তমান সরকারও চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কয়েক দফা। ২০১০ সালের ১৩ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয়ের এক বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানান, শেয়ার ছাড়তে হবে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩২টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। তবে ছয়টিতে কিছু আইনি ঝামেলা থাকায় শেষ পর্যন্ত শেয়ার ছাড়তে হবে ২৬টি প্রতিষ্ঠানকে এবং ছাড়ার সময়সীমা পরবর্তী ছয় মাস।
পূর্বশর্ত হিসেবে এই সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে করপোরেট করা বা কোম্পানিতে রূপান্তরিত হওয়ার কথাও বলা হয়। এ জন্য কাউকে চার মাস আবার কাউকে সর্বোচ্চ ছয় মাস সময় দেন অর্থমন্ত্রী। কিন্তু কাজ হয়নি। জুনের মধ্যে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বা তালিকাবহির্ভূত প্রতিষ্ঠান—কেউই শেয়ার ছাড়তে পারেনি। বরং অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে আবারও ছয় মাস সময় বাড়ানোর আবেদন জানায় প্রায় সব মন্ত্রণালয়।
এ ছাড়া ১৫ দিনের সময় দিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা অয়েলের ১৭ শতাংশ, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ১৭ শতাংশ, তিতাস গ্যাসের ১৫ শতাংশ, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টসের ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশ, ন্যাশনাল টিউবসের ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং রূপালী ব্যাংকের ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ, পাওয়ার গ্রিডের ১৬ দশমিক ২৫ এবং ডেসকোর ১৫ শতাংশ শেয়ার ছেড়ে দিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ গত বছরের ২ নভেম্বর এদের চিঠি পাঠিয়েছিল। এর মধ্যে রূপালী ব্যাংক ছাড়া কেউই শেয়ার ছাড়তে পারেনি। অর্থমন্ত্রী এর আগে জানিয়েছিলেন, চাইলে এক দিনের মধ্যেই এদের শেয়ার ছেড়ে দেওয়া সম্ভব।
বেশি প্রতিষ্ঠান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের: ২৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নয়টিই হলো জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের। বিদ্যুৎ বিভাগের দুটি। বাকি ১৫টি ছয় মন্ত্রণালয়ের। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, শেয়ার ছাড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি টালবাহানা করছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। এ বিভাগের আওতায় পদ্মা অয়েল একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি। এর রাইট শেয়ার ছাড়ার জন্য গত বছরের ১১ মে অর্থ মন্ত্রণালয় ১৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু জ্বালানি বিভাগ ২১ জুন এক পত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানায়, এ অর্থ নিতে তারা রাজি নয়।
বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্টিবিউশনের শেয়ার ছাড়তে হলে ‘কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোং’ নামের একটি কোম্পানি গঠন করতে হবে। আর এ জন্য গত ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছিলেন জ্বালানিসচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন।
জানা গেছে, কোম্পানির জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হওয়ার কথা বলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিক্যুইটিফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস লিমিটেডের (এলপি গ্যাস) শেয়ার ছাড়তে পারছে না বলে অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। আর আন্তমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির পর্ষদ সভায় শেয়ার ছাড়ার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।
জালালাবাদ গ্যাস টিঅ্যান্ডডি সিস্টেম, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস এবং রুরাল পাওয়ার কোম্পানি ৪৯ শতাংশ করে এবং ডেসকো আরও ১৫ শতাংশ শেয়ার ছাড়ার জন্য গত ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় নিয়েছিল।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অজুহাত: শেয়ার না ছাড়ার যুক্তি হিসেবে নতুন এক তত্ত্ব দিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়। সেটি হলো, শেয়ার ছাড়লে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন গত জোট সরকার আমলেও শেয়ার ছাড়া নিয়ে নেতিবাচক অবস্থান ছিল শিল্প মন্ত্রণালয়ের। তখন অবশ্য শিল্পমন্ত্রী ছিলেন বর্তমানে কারাবন্দী জামায়াতে ইসলামীর নেতা মতিউর রহমান নিজামী। কিন্তু বর্তমান শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়ার সময়েও অবস্থার উন্নতি হয়নি।
সূত্রে জানা গেছে, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ সম্পর্কে শিল্প মন্ত্রণালয় বলেছে, ২০১২ সালের মধ্যে সিডান গাড়ি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। আর চিটাগাং ড্রাইডককে লাভজনক করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এমতাবস্থায় শেয়ার ছাড়লে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।
এ ছাড়া জিইএম কোম্পানি এবং বাংলাদেশ ব্লেড কারখানাকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) মাধ্যমে পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়।
তবে পুঞ্জীভূত লোকসানের কারণে কর্ণফুলী পেপার মিলস, বাংলাদেশ ইন্স্যুলেটর ও স্যানিটারি ওয়্যার এবং ছাতক সিমেন্ট কারখানার শেয়ার ছাড়ার বিপক্ষে মত দিয়েছে খোদ এসইসি। শিল্প মন্ত্রণালয় বলছে, এগুলো লাভজনক করার একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
আর উসমানিয়া গ্লাস, এটলাস বাংলাদেশ, ন্যাশনাল টিউবস ও ইস্টার্ন কেব্লসের বিষয়ে মামলা থাকায় এগুলোর শেয়ার ছাড়ার বিষয় আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
ক্রমাগত লোকসান দেওয়ায় ১৩টি চিনিকলকে পর্যায়ক্রমে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা-ও পুনর্বিবেচনা করার আবেদন জানায় শিল্প মন্ত্রণালয়।
বঙ্গবন্ধু সেতুর বন্ড ছাড়া স্থগিত: যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের অন্তর্গত বঙ্গবন্ধু সেতুর ভবিষ্যৎ টোল আয়ের বিপরীতে বন্ড ছাড়ার কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৮ সালে। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি, আইসিবি ও বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়। সেই কমিটি একটি প্রতিবেদন তৈরি করে সেতু বিভাগে পাঠালেও তা পড়ে রয়েছে।
বরং গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর সেতু বিভাগ এক চিঠিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানায়, বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আয়ের বিপরীতে বন্ড ছাড়ার কার্যক্রম পর্ষদ সভায় স্থগিত হয়ে গেছে। তার চেয়ে পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে অর্থের ঘাটতি হলে বন্ড ছাড়ার বিষয়ে ভাবা যাবে।
আটকে আছে সোনারগাঁও-শেরাটন: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে এ দুটি হোটেল—হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (সোনারগাঁও হোটেল) এবং বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড (শেরাটন হোটেল)।
পর্যটনসচিব শফিক আলম মেহেদী আন্তমন্ত্রণালয় সভায় জানিয়েছিলেন, মূলধন পুনর্মূল্যায়ন করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেরাটনের শেয়ার ছাড়া হবে বাজারে। এ জন্য চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট ফার্ম নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সোনারগাঁওয়ের ক্ষেত্রেও তাই। তবে সোনারগাঁওয়ের ভূমি নিয়ে কিছুটা সমস্যা রয়েছে বলে শেয়ার ছাড়তে সমস্যা হচ্ছে। গত বছরের মাঝামাঝি উভয় হোটেলের শেয়ার ছাড়ার জন্যই ২০১১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়েছে।
আরও যেগুলো: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত কোম্পানিগুলো হচ্ছে—টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এবং বাংলাদেশ কেব্ল শিল্প সংস্থা এবং বাংলাদেশ টেলিফোন শিল্প সংস্থা।
এ ছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন কোম্পানি হচ্ছে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড। কিন্তু এর শেয়ার ছাড়ার কার্যক্রমে কোনো অগ্রগতি নেই। আন্তমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত থাকলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে, ‘এ কোম্পানিটির শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সমীচীন হবে।’
ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, শেয়ারবাজার হলো অর্থায়নের উৎস। সে হিসেবে অর্থনীতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। অথচ বড় বড় বিশেষজ্ঞরা একে অনুৎপাদনশীল খাত বলে আখ্যা দিচ্ছেন। এই প্রচারণা উদ্যোক্তা তথা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাজারবিমুখতা বাড়াবে, যা চূড়ান্ত অর্থে ক্ষতি বয়ে আনবে।
শেয়ারবাজারে সরবরাহের বিষয়টি সরকারের নজর এড়িয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘গাড়ি যেমন তেল বা গ্যাস ছাড়া চলে না, তেমনি তারল্য ছাড়া শেয়ারবাজার চলবে না। আর শেয়ারবাজার যদি তারল্য-সংকটে ভোগে, অর্থনীতিরও তাহলে সংকটে পড়া স্বাভাবিক।’
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/05/2011 10:51 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Investors' cautious stand, correction drag down DSE indices

FE Report
25.01.2011



Investors' cautious stand, correction drag down DSE indices
The investors' cautious stand amid uncertainty in the market and price correction dragged down all the indices of the Dhaka Stock Exchange (DSE) last week. Merchant banks, fund managers and big individual investors opted to remain in the sideline, which caused a bearish trend of the market, dealers said.

During the week, the benchmark index DGEN lost 3.53 per cent, while DSI and DSE-20 lost 3.56 per cent and 2.40 per cent respectively.

Head of IDLC's merchant banking wing Moniruzzaman said most of the investors are maintaining wait and see policy in trading due to the prevailing uncertainty in the market. They are not in a position of buying or selling, which on the whole creates slump in the daily turnover volume.

Another leading merchant banker told the FE that though around Tk two billion fund is lying idle with them, the investors are not interested in buying shares, which leads to correction in some of the heavyweight stocks.

Insurance, fuel and power, and cement sectors were the heaviest losers of the week, falling 7.84 per cent, 6.56 per cent and 6.51 per cent respectively.

"Some of the companies of these sectors were overpriced. Naturally they saw significant price correction last week, which is, however, good for the market in the long term," said market insiders.

Other sectors also witnessed price correction during the week. Banks lost 2.37 per cent, and NBFIs lost 1.19 per cent. Telecommunication, pharmaceuticals, and tannery lost 1.28 per cent, 3.63 per cent, 5.38 per cent and 3.75 per cent respectively.

Banks contributed to 30.40 per cent of the total turnover this week. At the beginning of the week some banks gained by a large margin, mostly due to high dividend expectation. However, banking shares also saw price correction Thursday, the last trading day of the week. NBL and MTBL announced date for dividend declaration last week.

The average daily turnover of the week was Tk 8.99 billion, in value terms, comparing to Tk 6.08 billion in the previous week. UCBL, NBL, GP, Bay Leasing, Titas Gas, Beximco Limited, Peoples Leasing, Desco, United Airways and Maksons made up the top turnover list last week.

Experts said ensuring adequate supply of liquidity along with building up of confidence among the investors can improve the overall market situation.

Former DSE senior vice president Ahmed Rashid Lali said, "A huge chunk of money is still stuck in the MJL and MI Cement IPO. If this money is brought to the market, liquidity crisis can be resolved to some extent."

In a bid to avert confusion the Securities and Exchange Commission (SEC) has taken two bold steps last week. Rather than taking the responsibility of fixing margin loan ratio, the regulator has shifted the charge to the merchant banks.

The regulatory body has directed the merchant banks to fix up a margin loan ratio, which would remain applicable for a certain period of time, like three to six months. The merchant banks will submit report regarding the margin loan guideline to the SEC on February 10.

"Speculation is going on among the investors on fixing margin loan ratio. They are not sure about what will come out of the merchant banks' suggestions. Big players are also maintaining wait and see policy, which leads to slump in the market to some extent," said market experts.

The SEC also prohibited modifying face value and splitting of stocks by all companies last week.

The top gainers of the week were Deshbandhu Polymer, Samata Leather, Standard Ceramics, Alhaj Textiles, Rahim Textiles, BD Welding, Mithun Knitting, Alltex Industries, Ambee Pharma and HR Textiles.

On the losing side, Islami Insurance, Monno Jutex, Phoenix Insurance, Grameen One MF, Continental Insurance, Central Insurance, City General Insurance, Meghna Pet, Legacy Footwear and Khulna Power Company were the top losers.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/05/2011 12:07 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তায় স্থবির পুঁজিবাজার
তারল্য বাড়াতে সরকারের ঘোষণা বাস্তবায়ন হচ্ছে না


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
06.02.2011

সঙ্কট উত্তরণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের পর স্বাভাবিকতা ফেরার আভাস দিলেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তায় আবারও স্থবির হয়ে পড়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে বেশ কিছু সিদ্ধানত্ম নেয়া হলেও অধিকাংশ ৰেত্রেই তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ফলে বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকলেও ক্রেতার অভাবে ধারাবাহিকভাবে কমছে অধিকাংশ শেয়ারের দর। এতে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আবারও আস্থাহীনতা তৈরি হচ্ছে। এ অবস্থায় মন্দা দূর করে শেয়ারবাজারে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ভূমিকা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেস্নষকরা।
দেড় মাস ধরে ধারাবাহিক বিপর্যয়ের পর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের দিক থেকে স্বল্প ও মধ্য মেয়াদী নানা পদৰেপের ঘোষণা দেয়া হয়। ধারাবাহিক দরপতন সামাল দিতে বাজারে শেয়ারের চাহিদা বৃদ্ধির জন্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বাজারে অর্থ প্রবাহ বাড়াতে ব্যাংকগুলোর মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা সরিয়ে না নিয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ করে দেয়া হয়। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মুনাফাও পুনরায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য বলা হয়। ইতোমধ্যেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ ঘোষণার পর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরতে শুরম্ন করে। টানা চার দিন বাজারে শেয়ারের দর ও সূচক বেড়ে যায়। কিন্তু তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় আবারও মন্দার কবলে পড়েছে পুঁজিবাজার। গত সপ্তাহে টানা চারদিন কমেছে অধিকাংশ শেয়ারের দর ও সূচক। পুঁজিবাজারে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা অস্বাভাবিক না হলেও একসঙ্গে প্রায় সকল কোম্পানির শেয়ারের দরপতনকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিশেস্নষকরা। তাঁদের মতে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ও আস্থাহীনতার কারণেই একসঙ্গে সব কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে দরপতন শুরম্ন হলে আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়ায় এ ধরনের অস্বাভাবিক অবস্থা তৈরি হচ্ছে।
বাজার সংশিস্নষ্টরা বলছেন, সরকারের নেয়া নানা পদৰেপের কারণে বাজারের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছিল। এ কারণেই প্রথম চারদিন বাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। আগের লোকসান পুষিয়ে নিতে অনেক ব্যক্তি বিনিয়োগকারী নতুনভাবে বিনিয়োগ করে শেয়ার কিনতে শুরম্ন করেন। পাশাপাশি শেয়ারের দর বৃদ্ধির ফলে অনেক বিনিয়োগকারীর মার্জিন ঋণ নেয়ার ৰমতা বৃদ্ধি পায়। বর্ধিত ক্রয়ৰমতা ব্যবহার করে তারা শেয়ার কিনেছেন। কিন্তু ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের এই সক্রিয়তা বাজারকে স্থিতিশীল করে তোলার জন্য যথেষ্ট ছিল না।
তাঁরা মনে করেন, আস্থা সঙ্কট কাটিয়ে বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু অধিকাংশ ৰেত্রেই তাঁরা নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। সরকার ঘোষিত পদৰেপ অনুযায়ী ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ শুরম্ন করলে বাজারে মন্দা পরিস্থিতি কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই শেয়ার কেনা থেকে বিরত রয়েছে। অনেক ৰেত্রে প্রাতিষ্ঠিানিক বিনিয়োগকারীরা বিক্রেতার ভূমিকা পালন করছে। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর কাছে মার্জিন ঋণের হার বাড়ানোর প্রত্যাশা করা হলেও এখন পর্যনত্ম এ ৰেত্রে কোন অগ্রগতি দেখা যায়নি। এসব কারণে বাজারে আরেক দফা মন্দা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদ গত রবিবার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, পুঁজিবাজারে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো অংশগ্রহণ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে বাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর এখনও বেশি থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা হয় তো শেয়ার ক্রয়ে ততটা আগ্রহী হবেন না। মূল্য সংশোধনের ধারা তৈরি হলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো শেয়ার ক্রয় করবে।
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এই মনোভাব ঠিক থাকলে নতুন সপ্তাহে তারা সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে বলে বিশেস্নষকরা মনে করছেন। কারণ গত সপ্তাহের শেষ চারদিনে যে হারে দর কমেছে তাতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারই এখন বিনিয়োগযোগ্য অবস্থানে রয়েছে। বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের তৎপরতা বাড়লে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরে আসবে। এতে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হয়ে লেনদেনে সক্রিয় হবেন।
এদিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগলেও অনেক বিনিয়োগকারী আবারও শেয়ার কেনায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে জানা গেছে। একাধিক ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় বড় বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বাজারে সক্রিয় হতে শুরম্ন করেছেন। কারণ ভাল কোম্পানির শেয়ারের বর্তমান দরকে তাঁরা কেনার জন্য উপযুক্ত মনে করছেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/05/2011 12:08 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
এক সপ্তাহে ৭ হাজার কোটি টাকা কমেছে ডিএসইর বাজার মূলধন
নানা কারণে তারল্য প্রবাহ বাড়ছে না


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
06.02.2011

নানা পদৰেপ সত্ত্বেও শেয়ারবাজারে অর্থপ্রবাহ বাড়ছে না। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তা, মার্জিন ঋণে স্থবিরতা এবং কয়েকটি কোম্পানির প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও) বিপুল পরিমাণ টাকা আটকে যাওয়ায় শেয়ারবাজারে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ব্যাপক মাত্রায় কমে গেছে। এর প্রভাবে ৮০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের ব্যাপক দরপতনের কারণে গত সপ্তাহে ৭ হাজার কোটি টাকা কমেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ২৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ২১ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। মাত্র পাঁচ কার্যদিবসের ব্যবধানে ৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার তা ৩ লাখ ১৪ হাজার ৬১৭ কোটি টাকায় নেমে আসে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৬ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা।
গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর সাধারণ মূল্য সূচক ছিল ৭ হাজার ৩৮৫ দশমিক ৯১ পয়েন্ট। সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার তা ৭ হাজার ১২৫ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে নেমে আসে। এ সময়ের মধ্যে সাধারণ মূল্য সূচক কমেছে প্রায় ২৬০ পয়েন্ট।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে ৮৯৯ কোটি ২৪ লাখ টাকার শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট এবং কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। ৫ দিনে সর্বমোট লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ৪৯৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। লেনদেনের এই পরিমাণ আগের সপ্তাহের চেয়ে বেশি হলেও স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে অনেক কম। আগের সপ্তাহে মোট তিন দিন লেনদেন হলেও অধিকাংশ শেয়ারের দর মূলসীমা স্পর্শ করায় বাজার ছিল প্রায় বিক্রেতাশূন্য। গত সপ্তাহে লেনদেনে গতিশীলতা ফেরায় আর্থিক লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে বেশি হয়েছে। কিন্তু স্বাভাবিক বাজারের চেয়ে সামগ্রিক লেনদেন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে বিশেস্নষকরা মনে করছেন।
গত সপ্তাহে প্রথম কার্যদিবসে (রবিবার) ডিএসই সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৭ পয়েন্ট বাড়লেও পরের দু'দিনে ২৯১ পয়েন্ট কমে যায়। ব্যাংক-শেয়ারের উর্ধমুখী প্রবণতায় সপ্তাহের চতুর্থ দিনে (বুধবার) সূচক ২৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। কিন্তু পরদিনই (বৃহস্পতিবার) ব্যাপক দরপতনের ফলে সূচক কমে যায় ১৮৩ পয়েন্ট।
বাজার বিশেস্নষকদের মতে, গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল তা এখনও অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে এসইসি মার্জিন ঋণের হার বাড়িয়ে দিলেও মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো সে অনুপাতে ঋণ দিচ্ছে না। এ কারণে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও অনেক বিনিয়োগকারী নতুন করে শেয়ার কিনতে পারছেন না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ওসমান ইমাম বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, বাজারে বড় ধরনের দরপতনের পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখনও পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস ফিরে আসেনি। বিপর্যয়ের সময় যে সব বিনিয়োগকারী বাজার থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা আর নতুন করে বিনিয়োগের সাহস পাচ্ছেন না। অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এখনও বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এসব কারণে বাজার পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কিছু সময় লাগবে। তবে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/05/2011 2:25 pm

Forum Addict


Regist.: 12/31/2010
Topics: 14
Posts: 92
OFFLINE
অর্থমন্ত্রীর ভুলস্বীকারের পর এসইসির বোধোদয়

আমাদের সময়, ০৬.০২.২০১১

আবু আলীঃ পুঁজিবাজারে অস্থিরতার পেছনে সরকার ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ভুল রয়েছে- গত ২১ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের এমন মন্তব্যের পর পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির বোধোদয় হয়। পরবর্তীতে আগের নেয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে শুরু করে এসইসি। বাজার সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন, শেষপর্যায়ে এসেও কমিশন তাদের ওইসব সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে, তাতে বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে।

বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে এর আগে এসইসি ঋণ সীমার ব্যাপারে ঘন ঘন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এনিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ছিল। গত ১ ফেব্রুয়ারি এসইসি এখন থেকে ঋণ বিতরণ নিয়ে আর কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাজারে বড় ধরনের উত্থান-পতন রোধে সূচকের ওপর সার্কিট ব্রোকার চালু করেছিল তাও উঠিয়ে নিয়েছে কমিশন।

কোনো কোম্পানির অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি বা পতনে ওই কোম্পাানির শেয়ার সাময়িক কেনাবেচা বন্ধ বা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধের বিষয়টি স্টক এক্সচেঞ্জের ওপর আরোপ করেছে।

বিভিন্ন কোম্পানি শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের নামে কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ানোর কারসাজি করছিল। তা গত ২ ফেব্রুয়ারি স্থগিত করে কমিশন। এছাড়াও মেম্বারস মার্জিন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগেই তা স্থগিত করে এসইসি। ১৬৩ শফিকুল ইসলাম
Quote   
02/05/2011 2:32 pm

Forum Addict


Regist.: 12/31/2010
Topics: 14
Posts: 92
OFFLINE
মার্জিন ঋণের নীতিমালা নিয়ে আইনি জটিলতা
আমাদের সময়, ০৬.০২.২০১১

আবু আলীঃ মার্জিন ঋণ সুবিধা নিয়ে জটিলতা কাটছে না। ফলে সমস্যায় পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এর আগে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বারবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এসইসি। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও হয়। পরে ঋণ বিতরণে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত নেয়। একইসঙ্গে বিষয়টি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের ওপর ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। তবে এ বিষয়ে একটি নীতিমালা তৈরির জন্য মার্চেন্ট ব্যাংক ও উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে নির্দেশ দেয় কমিশন। জানা যায়, ঢাকা ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জের বিধানে মার্জিন ঋণ আওতাভুক্ত নয়। কিন্তু এসইসি মার্জিন ঋণের নীতিমালা তৈরির জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে নির্দেশ দিয়েছে। এক্ষেত্রে মার্জিন ঋণে হস্তক্ষেপ করতে হলে আইন সংস্ড়্গার করতে হবে। ফলে এসইসি’র এ নির্দেশের কারণে বিপাকে পড়েছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। গত ৩ ফেব্রুয়ারি মার্জিন লোনের নীতিমালা তৈরির বিষয় নিয়ে সিএসই ও ডিএসই’র মধ্যে বৈঠক হয়। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

ডিএসই প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, মার্জিন ঋণের নীতিমালা তৈরি নিয়ে কিছু জটিলতা আছে। আমরা আবারো এসইসি’র সঙ্গে বসব।

সিএসই প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দীন আলী আহমেদ বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জের আইনে মার্জিন ঋণ আওতাভুক্ত নয়। সেক্ষেত্রে মার্জিন ঋণের নীতিমালা তৈরি করতে হলে সংশিস্নষ্ট আইনের সংস্ড়্গারের প্রয়োজন হতে পারে। এজন্য আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি। এ ব্যাপারে আবারো এসইসি’র সঙ্গে দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে বসতে হবে। ১৯৬ শফিকুল ইসলাম
Quote   
02/06/2011 2:17 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতনের পর বিক্ষোভ
     
     
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ০৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


ঢাকার পুঁজিবাজারে দরপতনের পর বিক্ষোভ শুরু করেছে বিনিয়োগকারীরা। মতিঝিলে ডিএসইর সামনের সড়কে বন্ধ হয়ে গেছে গাড়ি চলাচল।

দেশের দুই পুঁজিবাজারে দরপতনের মধ্য দিয়ে সপ্তাহের প্রথম দিনে লেনদেন চলছে।

রোববার লেনদেন শুরুর ২০ মিনিটেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১৭৭ পয়েন্ট কমে যায়। সূচক ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৬৯৪৮ দশমিক ১২ এ।

দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে সূচক ২৬৬ পয়েন্ট কমে ৬৮৫৮ দশমিক ৭৩ এ দাঁড়িয়েছে।

ওই সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হওয়া শেয়ারের মধ্যে ২৩২টির দামই কমেছে, বেড়েছে ১১টির। ২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিলো।

দরপতনে বিক্ষুব্ধ একদল বিনিয়োগকারী দুপুর ১২টার দিকে মতিঝিলে ডিএইই'র সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। এরপরই পুলিশ ওই সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়।

পুঁজিবাজারে দরপতনে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে কয়েকদফা বিক্ষোভ ও ভাংচুর হয়। পুঁজিবাজারে অনিয়ম তদন্তে সরকার একটি কমিটিও গঠন করেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়।

লেনদেনের প্রথম ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ সূচক ১৮৬ পয়েন্ট কমে ১২৯৫২ দশমিক ৮৫ এ দাঁড়িয়েছে।

সিএসইতে যে ১০৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, তার মধ্যে ১০১টির দাম বেড়েছে। পাঁচটি শেয়ারের দাম কমেছে এবং তিনটির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/১৩০০ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 2:18 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার ছাড়তে না পারলে চলে যান: মুহিত
     
     
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ০৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, অল্প সময়ের মধ্যে সরকারি ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার পুজিবাজারে না ছাড়া হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে। তবে এই অল্প সময় ঠিক কতটা সময় তা ব্যাখ্যা করেননি তিনি।

অর্থমন্ত্রী রোববার সচিবালয়ে ঢাকা চেম্বারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বলেন, "বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বাজারে আসছে না। এতে আমি হতাশ।"

"অল্প সময়ের মধ্যে ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার যদি বাজারে না আসে, তবে ওই সব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে", বলেন তিনি।

পুঁজিবাজারে অস্থিরতা নিয়েও কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, জেড ক্যাটাগরির শেয়ার নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে। এরা বছরের পর বছর ডিভিডেন্ট দেয় না। নামসর্বস্ব এসব কোম্পানির শেয়ারের দাম তারপরও হু হু করে বাড়ছে।

"জেড ক্যাটাগরির শেয়ার বাজার থেকে আলাদা করার চিন্তাভাবনা আমরা করছি", বলেন মুহিত।

তিনি বলেন, "পুঁজিবাজার এখন বিপজ্জনক জায়গায় চলে গেছে। কিছুক্ষণ আগেই শুনলাম, আজও গোলমাল হচ্ছে।"

ঢাকার পুঁজিবাজারে দরপতনের পর রোববার বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা। তারা অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও স্লোগান দেয়।

মুহিত বলেন, "বাজার স্বাভাবিক করতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পুঁজিবাজারে অস্থিরতার কারণ খুঁজতে আমরা একটি তদন্ত কমিটি করেছি। তারা কাজ করছে।"

তদন্ত কমিটি যে সুপারিশ দেবে তা বিবেচনায় এনে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি।

গত দুই মাস ধরে উত্থান-পতনের মধ্যে দেশের পুঁজিবাজারে অস্থিরতা চলছে। এ নিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ও ভাংচুরও হয়। বাজার স্থিতিশীল করতে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়। অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তার তদন্তে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে কমিটি করে সরকার।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এআরএইচ/এমআই/১৪১৪ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/06/2011 2:19 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ডিএসইতে দরপতন: বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, হরতালের প্রতি সমর্থন


গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৩৫৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১১



ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বড় ধরনের দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীরা সোমবারের হরতালে সমর্থন জানিয়েছেন।

রোববার ডিএসইর সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর এ সমর্থন জানান। এসময় তারা অর্থমন্ত্রী, ডিএসইর সভাপতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।

রোববার দুপুর সোয়া ১২টা দিকে কয়েকশ’ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ডিএসইর সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এসময় তারা রাস্তায় উপর টায়ার জ্বালিয়ে দেন।

মতিঝিল থেকে টিকাটুলি পর্যন্ত রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে পুলিশ কোনো অ্যাকশানে যায়নি।

সড়ক অবরোধ করায় মতিঝিল এবং এর আশেপাশে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার  লেনদেনের শুরুতে সাধারণ সূচক সামান্য বৃদ্ধি পেলেও তা স্থায়ী হয়নি।

দুপুর ১টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া ২৫৪টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ২৩৮টি এবং বেড়েছে মাত্র ১৪টির দাম এবং অপরিবর্তিত ২টির দাম।

এ সময় পর্যন্ত সাধারণ মূল সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৫৯ পয়েন্ট কমে ৬৬৬৫ পয়েন্টে নেমে আসে।

এসময় পর্যন্ত আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৬৯ কোটি টাকা।

পুঁজিবাজারে দরপতনে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে কয়েকদফা বিক্ষোভ ও ভাংচুর হয়।

পুঁজিবাজারে অনিয়ম তদন্তে সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৫৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 27 / 40 1 - 2 - 3.. - 25 - 26 - 27 - 28 - 29.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview