| 02/01/2011 12:09 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে আরেক দফা মূল্য সংশোধন
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজার স্বাভাবিক, আতঙ্কের কিছু নেই
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
02.02.2011
অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর পর্যবেক্ষণশীল মনোভাবের কারণে দ্বিতীয় দিনের মতো সংশোধনের ধারায় শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। একই সঙ্গে কমেছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ দিনের শুরু থেকে কেনা-বেচার পরিবর্তে বাজারের গতি-প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করলেও শেষ দিকে কিছুটা আতঙ্ক ভর করায় মঙ্গলবার সংশোধনের মাত্রা কিছুটা বেশি হয়েছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন। তবে শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক আখ্যায়িত করে তাঁরা বলেন, বড় বিপর্যয়ের সময় কেনার সুযোগ পাওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারীর হাতে মুনাফা তুলে নেয়ার মতো শেয়ার রয়েছে। পর পর চারদিন দরবৃদ্ধির কারণে তারা সেই শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিচ্ছেন। এর প্রভাবে বাজারে সংশোধন হচ্ছে। তাঁরা মনে করেন, বাজারের গতি-প্রকৃতিতে বিনিয়োগকারীদের কোনভাবেই আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। একটু ধৈর্য ধরলেই বাজার ভাল হয়ে যায়।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমদ বলেন, শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধি বাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা। লেনদেন চালুর পর প্রথম চার কার্যদিবসে যে হারে দর বেড়েছে তাতে অনেক বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নেয়ার দিকে ঝুঁকেছেন। এ কারণেই অধিকাংশ শেয়ারের মূল্য সংশোধন হচ্ছে। দু'একদিনের মধ্যেই বাজার আবার উর্ধমুখী হয়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সিএসই সভাপতি বলেন, বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য এবং বিচক্ষণতাই দেশের পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল রাখতে পারে। এই মুহূর্তে তাদের আতঙ্কিত হয়ে পড়া ঠিক হবে না। কারণ বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে।
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা রাখতে হবে। ভাল মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনে থাকলে ঝুঁকির কিছু নেই।
কোন কোন বাজার বিশেস্নষক অবশ্য মনে করেন, বাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর এখনও কিছুটা বেশি থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীরা কেনার দিকে ঝুঁকছে না। পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে নানা গুজব ছড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত করার চেষ্টা করছে একটি চক্র। এর প্রভাবেই মঙ্গলবার লেনদেনের শেষ পর্যায়ে অধিকাংশ শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় সূচকের বড় রকমের সংশোধন হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের পুঁজিবাজারকে স্বাভাবিক গতিতে চলতে দিতে হলে এই মুহূর্তে বড় প্রয়োজন বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করে আস্থা ফিরিয়ে আনা। এ জন্য বাজার সংশিস্নষ্ট সকল পক্ষকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি অর্থ মন্ত্রণালয় ঘোষিত ১৪ দফা পদৰেপ দ্রম্নত বাসত্মবায়ন করতে হবে। তা না হলে বাজারে কিছুটা দরপতন হলেই বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়বে_ যা আরও বড় পতনের পথ ত্বরান্বিত করবে।
এ বিষয়ে অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, সরকারের ঘোষিত পদক্ষেপগুলো দ্রম্নত বাসত্মবায়ন করা দরকার। তাহলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট ২৫৫টি কোম্পানির ৭ কোটি ৬৫ লাখ ২৪ হাজার ২৭৫টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট এবং কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ৯৩৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫৯ হাজার ৪৯৬ টাকা_ যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা কম।
লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৩৩টির শেয়ারের দরই আগের দিনের তুলনায় কমে গেছে। এর বিপরীতে বেড়েছে মাত্র ২০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২টির শেয়ারের দর। ফলে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২০৩.২৪ পয়েন্ট কমে ৭২৮০.৯৮ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। দিন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৮২ কোটি ৯২ লাখ ৫৮ হাজার ৭৬৮ টাকায়।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/01/2011 11:55 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ICB to issue 3 rights against 4 shares
FE Report
02.02.2011
Investment Corporation of Bangladesh (ICB) has decided to increase its liquidity flow through issuing three right shares against four existing shares, official sources said.
Intervening the capital market with injecting available fund is the root cause for the issuance of the proposed right shares, a high ICB official said.
The value of each right share has been fixed at Tk 1,000 with a premium of Tk 900.
"Increasing the supply of good shares and enhancing the financial capacity of ICB to support the capital market in need are the major reasons to issue the right shares," a general manager of the Corporation told FE on Tuesday.
"Extra fund of about Tk 20 billion will be in the account of ICB after getting the subscription fee against the right shares," he added.
Presently, government owns 27 per cent stake of ICB, 70.19 per cent by institutions and the remaining 2.81 per cent is held by public.
The authorized capital of ICB is Tk5.0 billion, while the paid-up capital is Tk 2.5 billion.
ICB officials said they are now facing dearth of liquid fund to intervene in the market. Recently, Bangladesh Bank has lent Tk 4.0 billion to ICB to intervene in the market.
The ICB sent the proposal to Ministry of Finance (MoF) last week for approval.
Officials in the MoF said they are aware of the fund shortage of ICB.
They said MoF is in favour of strengthening the financial capacity of the Corporation as the ministry has to ask ICB often to buy shares from the market when volatility arises. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/02/2011 7:38 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারের তদন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: ইব্রাহীম
ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
শেয়ারবাজার অস্থিরতার কারণ নির্ণয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ইব্রাহীম খালেদ বলেছেন, তদন্ত সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হবে। সু্ষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে প্রয়োজন সততা, নিষ্ঠা ও দৃঢ়তা যা কমিটির সদস্যদের আছে। বুধবার দুপুরে কৃষি ব্যাংক কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার তদন্ত কমিটিকে অনভিজ্ঞ, আওয়ামীপন্থি বলে এর পুনর্গঠনের যে দাবি করেছেন সে প্রসঙ্গে ইব্রাহীম খালেদ বলেন, সরকার চাইলে তদন্ত কমিটির পরিবর্তন হতে পারে। এম কে আনোয়ারের বক্তব্য খণ্ডন করে তিনি আরো বলেন, শেয়ারবাজারের সাথে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, তাছাড়া রাজনীতির সাথে আমি কখনো জড়িত ছিলাম না। এম কে আনোয়ারের এ বক্তব্য একেবারে রাজনৈতিক। তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/মউ/এসসি/১৬.০১ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/02/2011 7:39 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | উত্থান-পতন শেষে ডিএসইর সূচক বৃদ্ধি
ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ বুধবারের লেনদেন। অধিকাংশ শেয়ারের দর কমলেও সাধারণ সূচক বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে লেনদেনের সমাপ্তি হয়েছে। তবে আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে। গত এক সপ্তাহের পুঁজিবাজারের আচরণকে বিশ্লেষকরা স্বাভাবিক বললেও আস্থাহীনতায় ভুগছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। অপরদিকে পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় অংশগ্রহণের ঘোষণা দিলেও তাদের তৎপরতা এখনো উল্লেখ করার মতো নয়।
বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনে বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তহীনতা লক্ষ্য করা গেছে। এ কারণেই দিনভর সূচকের উত্থান-পতন দেখা গেছে। ডিএসইর লেনদেন শুরু ১৫ মিনিটের মধ্যে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের কারণে সাধারণ সূচক ৬০ পয়েন্ট হ্রাস পায়। পরবর্তী ১৫ মিনিটে অধিকাংশ শেয়ার হারানো দর ফিরে পাওয়ায় সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যায়। এরপর থেকেই সূচকের উঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন এগিয়ে যেতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের দিনের চাইতে ২৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে লেনদেন শেষ হয়। তবে লেনদেন তুলনামূলক অনেকটাই কমে গেছে। বুধবার ডিএসইর লেনদেন হয়েছে ৭৪১ কোটি টাকা। যা আগের দিনের চাইতে ১৯৭ কোটি টাকা কম।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে একমাত্র ব্যাংকিং খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। অপরদিকে সিমেন্ট, সিরামিক, প্রকৌশল, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, খাদ্য ও অনুষঙ্গ, জ্বালানি, ইন্স্যুরেন্স, বস্ত্র, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, গ্রামীণফোন ও বিবিধ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। এছাড়া মিশ্র অবস্থা লক্ষ করা গেছে সেবা ও ট্যানারি খাতে। বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৭টির, কমেছে ১৮২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টির। বুধবার ডিএসইতে দরবৃদ্ধির শীর্ষ কোম্পানির মধ্যে এনবিএল, এমটিবিএল, রহিম টেঙ্টাইল, আইসিবি, প্রাইম ব্যাংক, ইবিএল, এসআইবিএল, পূবালী ব্যাংক উল্লেখযোগ্য।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/মউ/এসসি/১৬.৫৫ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/02/2011 7:41 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের প্রজ্ঞাপন স্থগিত
ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের অনুমোদন আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ বুধবার ২০১০ সালের ১০ মে অভিহিত মূল্য পরিবর্তন সংক্রান্ত এসইসির জারি করা প্রজ্ঞাপনটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। এ অবস্থায় পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করার কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। জানা গেছে, পুঁজিবাজারের সংকট নিরসনে ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে স্টেক হোল্ডারদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মৌলভিত্তির পরিবর্তন না হয়েও অভিহিত মূল্যের পরিবর্তনের প্রভাবে শেয়ারের দাম অতি মূল্যায়িত হওয়া রোধে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/মউ/এমএইচ/১৬.১৫ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/02/2011 7:49 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলেও সূচক বেড়েছে
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০২, ২০১১
ঢাকা: বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলেও বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক বেড়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোম্পানির মধ্যে ১৮২ টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে মাত্র ৬৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
তবে এদিন লেনদেন হওয়া প্রায় সব খাতের শেয়ারের দাম কমলেও বেড়েছে ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের দাম। এতে সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে।
বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩০টি ব্যাংকের শেয়ারের মধ্যে ২৮টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। কমেছে মাত্র ২টি ব্যাংকের শেয়ারের দাম।
অন্যদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা, প্রকৌশল, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সিমেন্ট, টেক্সটাইল, সিরামিকস এবং খাদ্য-সংশ্লিষ্ট খাতের প্রায় সব শেয়ারের দাম কমেছে।
এদিন ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের দাম বাড়াকে স্বাভাবিক বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের মতে আগামী মাস থেকেই ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা শুরু হবে। বিশেষ করে গত বছর ব্যাংকগুলো বড় ধরনের মুনাফা করায় চলতি বছরে ভালো লভ্যাংশ ঘোষণা আসতে পারে। এ কারণে বিনিয়োগকারীরা এ খাতে বিনিয়োগ অনেকটা নিরাপদ মনে করছেন।
অন্যদিকে বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম গত কয়েক দিন ঊর্ধমুখী থাকায় এ খাতে কিছুটা মূল্য সংশোধন হচ্ছে বলে বাজার বিশ্লেষকদের অভিমত।
ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. সালাউদ্দিন আহমেদ খান বাংলানিউজকে বলেন, বাজার বেশ স্বাভাবিক রয়েছে। টানা চার দিন সূচকের ঊর্ধমুখী থাকার পর সোম ও মঙ্গলবার সূচক কমেছে এবং বুধবার আবার সূচক বেড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে।
বুধবার দিনশেষে ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৭৪১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এটি আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১৯৭ কোটি টাকা কম। সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৮ দশমিক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৩০৯ দশমিক ১৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/02/2011 8:31 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ব্যাংক-শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে উর্ধমুখী পুঁজিবাজার
বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে কমেছে লেনদেন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily janakantha
03.02.2011
গ্রামীণফোনসহ অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমলেও ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের দরবৃদ্ধির প্রভাবে আবার উর্ধমুখী হয়ে উঠেছে পুঁজিবাজারের সূচক। দেশের দুই শেয়ারবাজারেই বুধবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। কিন্তু ব্যাংকিং খাতের ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে বেড়েছে সূচক ও বাজার মূলধন।
ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস জুড়ে টানা বিপর্যয়ের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছিল তা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। বিশেষ করে আগের দু'দিন অধিকাংশ শেয়ারের বড় দরপতনের কারণে অনেক বিনিয়োগকারীর মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। বুধবার চার ঘণ্টার লেনদেনে ৯ বার বাজারের গতি পরিবর্তনের মধ্য বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তহীনতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তবে পুঁজিবাজারের বর্তমান আচরণকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন বিশেস্নষকরা। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা আরেকটু সক্রিয় হলে বাজার পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে বলে তাঁরা মনে করেন।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, দু'দিন কমার পর সূচক বৃদ্ধিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। তবে লেনদেন কমে যাওয়াটা বাজারের জন্য ভাল নয়। ডিএসইতে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ১২০০ কোটি টাকার কাছাকাছি হলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলা যেত। এখানও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকে অনেক বিনিয়োগকারী ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন বলে তিনি ধারণা প্রকাশ করেন।
পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, দু'দিন দরপতনের পর সূচকের উর্ধমুখী প্রবণতা শেয়ারবাজারের জন্য ইতিবাচক। তবে লেনদেন কমে যাওয়া ভাল লক্ষণ নয়।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, কিছুটা সিদ্ধানত্মহীনতা থাকলেও বিনিয়োগকারীরা ভাল শেয়ারের দিকে মনোযোগী হচ্ছেন। এ কারণে বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমলেও লভ্যাংশ ঘোষণাকে সামনে রেখে ব্যাংকিং খাতের দর বাড়তে শুরম্ন করেছে। এর প্রভাবে সূচকও বেড়েছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কোম্পানির মৌলভিত্তি ও লভ্যাংশ ঘোষণার বিবেচনা কাজ করলে বাজারের সামগ্রিক চিত্র শীঘ্রই ইতিবাচক ধারায় ফিরবে বলে বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন। তাঁরা মনে করেন, শেয়ারের দর কমে যাওয়া কোম্পানির সংখ্যা বেশি হলেও বাজারে কোন অস্বাভাবিকতা নেই।
বুধবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) দিনভর সূচকের উত্থান-পতন দেখা গেছে। লেনদেন শুরম্নর পর প্রথম ২০ মিনিটে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের কারণে সাধারণ সূচক ৬০ পয়েন্ট হ্রাস পায়। পরবর্তী ১৫ মিনিটে অধিকাংশ শেয়ার হারানো দর ফিরে পাওয়ায় সূচকের উর্ধমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এরপর থেকেই সূচকের উঠা নামার মধ্য দিয়ে লেনদেন এগিয়ে যেতে থাকে। শেষ পর্যনত্ম ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৮.১৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৭৩০৯.১৪ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোম্পানির মধ্যে ১৮২টিরই দর কমেছে। এর বিপরীতে ৬৭টির দর বেড়েছে এবং ৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে। দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৮টি ছিল ব্যাংকিং খাতের। এ খাতের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২টি বাদে সবগুলোর দরই বেড়েছে। তবে অন্যান্য সব খাতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। এরমধ্যে সিমেন্ট, সিরামিক, প্রকৌশল, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, খাদ্য ও অনুষঙ্গিক, জ্বালানি, বীমা, বস্ত্র, মিউচু্যয়াল ফান্ড ও বিবিধ খাতে দর হ্রাসের মাত্রা ছিল বেশি।
সূচকে উর্ধমুখী প্রবণতা শুরম্ন হলেও সামগ্রিকভাবে লেনদেনে মন্দা পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। ডিএসইতে বুধবার মোট ৫ কোটি ৬৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭১৮টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭৪১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা_ যা আগের দিনের তুলনায় ১৯৭ কোটি টাকা কম। দিন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন ৩ লাখ ১৯ হাজার ৫১০ কোটি ৬৫ লাখ ৫ হাজার ৪৮১ টাকায় দাঁড়িয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/02/2011 8:32 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | নগদ অর্থের অভাবে বিনিয়োগ হ্রাস পাচ্ছে
০ ১৭ ব্যাংকে তারল্য সঙ্কট
০ ব্যাংকগুলো আমানত সংগ্রহে ব্যস্ত
০ এলসি খোলা নিয়ে জটিলতা
খায়রুল হোসেন রাজু ॥
The Daily janakantha
03.02.2011
নতুন বিনিয়োগে পিছিয়ে পড়ছে অধিকাংশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একাধিক ব্যাংকসহ বেসরকারি এবং বিদেশী ব্যাংকও রয়েছে। অধিকাংশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত নগদ অর্থের (তারল্য) অভাবে বিনিয়োগ হ্রাস পাচ্ছে বলেও সংশিস্নষ্টরা মন্তব্য করছেন।
ব্যাংকিং খাতের নতুন বিনিয়োগ কিছুটা হ্রাস পেয়েও আদায়ের পরিমান বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি আগের বিতরণকৃত ঋণের সমন্বয় করতে আদায়ের পাশাপাশি উচ্চ হার আমানত সংগ্রহ করছে ব্যাংকগুলো। এতে এফডিআর ও সেভিংসের সুদের হার বাড়ানো হচ্ছে। পর্যাপ্ত তারল্যের পাশাপাশি রয়েছে ডলারের সংকটও। এর ফলে সরকারি বড় বড় ঋণপত্র (এলসি) খোলা নিয়েও রয়েছে জটিলতা। রাজধানীর একাধিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় এবং শাখা অফিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
পর্যাপ্ত তারল্যের অভাবে একাধিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ বিতরণ ও এলসি খোলার বিষয়ে সংকটে পড়লেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতে (দেশের আর্থিক খাতে) তেমন তারল্য সংকট নেই। এরপরও যদি কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তারল্য সংকট দেখা দেয় তা সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফান্ড ম্যানেজমেন্টের দুর্বলতার কারণেই ঘটেছে। তবে এ সংকট কাটাতেও বাংলাদেশ ব্যাংক তার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। তারল্য সংকটে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একাধিক ব্যাংকের পাশাপাশি বেসরকারি এবং বিদেশী ব্যাংকও রয়েছে এ তালিকায়।
বুধবারের তথ্যমতে, ১৭টি ব্যাংক রয়েছে যেগুলোতে কম বেশি তারল্য সংকট রয়েছে। এ সংকটের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৭৭ কোটি টাকা পর্যনত্ম দেখা গেছে। এছাড়া একাধিক ব্যাংক রয়েছে যেগুলোতে নামে মাত্র তারল্য বাড়তি রয়েছে। এদের তালিকায় রয়েছে একটি বেসরকারি ব্যাংক (বিসিবিএল)। এটির তারল্য উদ্বিত্ত্য রয়েছে মাত্র ১ মিলিয়ন বা দশ লাখ টাকা।
এরমধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জনতা ব্যাংকের প্রায় ৩৬ কোটি টাকা তারল্য ঘাটতি রয়েছে। ব্যাংক এশিয়ার রয়েছে ২১ কোটি টাকা, ইর্ষ্টান ব্যাংকের রয়েছে ১৪ কোটি টাকা, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের রয়েছে ১১ কোটি, ইসলামী ব্যাংকের রয়েছে ১৭৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা । এছাড়াও একাধিক ব্যাংক রয়েছে যেগুলোতে ৪ থেকে ৮ কোটি টাকা পর্যনত্ম তারল্য ঘাটতি রয়েছে মঙ্গলবার হিসেব মতে। তারল্য সংকট ছাড়াও কিছু কিছু ব্যাংকে নামে মাত্র উদ্বিত্ত্য তারল্য রয়েছে।
ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও তারল্য সংকট রয়েছে। নতুন একটি লাইসেন্স পাওয়াসহ মোট ৩০টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় অর্ধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই তারল্য সংকট রয়েছে। এসব বিষয়ে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের উধর্্বতন কর্মকর্তারা স্বীকারও করেছেন।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন অনুযায়ী তারল্য না থাকার কারণে অধিকাংশ ব্যাংক নতুন করে ঋণ প্রদান অনেক কমিয়ে দিয়েছে। মতিঝিলসহ রাজধানীর অধিকাংশ এলাকা ঘুরে সরেজমিন করে একাধিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শাখা ব্যবস্থাপক এবং গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগের কমিটমেন্ট অনুযায়ী ব্যাংকের পৰ থেকে ঋণ প্রদান করা হচ্ছে গ্রাহকদের। এছাড়া নতুন করে ঋণ প্রদান করা হচ্ছে না।
এ বিষয়ে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এক জন উধর্্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনকন্ঠকে বলেন, তারল্য সংকট এখনও রয়েছে। এটি কাটিয়ে ওঠা অনেক কষ্টকর। তারল্য সংকটের কারণেই আমরা নতুন করে ঋণ বিতরণ প্রবাহ অনেকটা কমিয়ে দিয়েছি। পাশাপাশি বিতরণকৃত ঋণ আদায় বাড়িয়ে সমন্বয় করা হচ্ছে।
তারল্য সংকট নিয়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আর্থিক খাতে তারল্য সংকট রয়েই যাচ্ছে। নগদ অর্থের পাশাপাশি রয়েছে ডলারের সংকটও। এর ফলে নতুন করে ঋণ বিতরণ যেমন একদিকে কমছে, অন্যদিকে এলসি খোলতে অনেক ব্যাংকই সাহস পাচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, একটি সময় ছিল যখন সরকারি এলসি খোলার বিষয়ে ব্যাংকগুলোর মধ্যে কাড়াকাড়ি শুরম্ন হত। কিন্তু এখন সরকারি বা বড় বড় এলসি খোলার বিষয় ব্যাংকগুলো হিমশীম খাচ্ছে। অনেক ব্যাংক এলসি খোলার জন্যে ডলার না পেয়ে এলসি খোলা থেকে পিছিয়ে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, অধিকাংশ ব্যাংক এলসি খোলার জন্যে ওডি'র মাধ্যমে ডলার না নিয়ে সরাসরি ক্রয়ের জন্যে দাবি করছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে বিক্রি না করে ওডির মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে অনেক ব্যাংক এলসি খোলা থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে।
সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিডিউল মোট ৪৭টি ব্যাংক রয়েছে। এসব ব্যাংকগুলোর মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটি ব্যাংক ছাড়া অধিকাংশ ব্যাংকেই তারল্য বা নগদ অর্থের বেশ সংকট রয়েছে। নগদ অর্থের সংকট থাকার কারণে ব্যাংকগুলো নতুন করে তাদের বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে না। বিনিয়োগ কম হলে, কর্মসংস্থান, অভ্যনত্মরীণ উৎপাদন কম হবে। সেই সঙ্গে আমদানির পরিমান বেড়ে যাবে। সব মিলিয়ে দেশের আর্থিক খাতেও এর একটি বড় ধরেনর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
একাধিক ব্যাংকাররা বলছেন, সম্প্রতি মনিটরি পলিসিতে অনুৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বন্ধ করার ফলে ব্যাংকগুলোতে কিছুা হলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ ব্যাংকগুলো তাদের টার্গেট অনুাযায়ী বিনিয়োগ করবে। কিন্তু এখানে নির্দেশিক খাত বাছাই করে দেয়ার ফলে ব্যাংকিং ব্যবসায় কিছুটা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ইন্টারন্যাশনাল লীজিং এন্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম মোসত্মাফিজুর রহমান, তারল্য সংকট কিছুটা কাটতে শুরম্ন করছে। তবে এটি এখনও লৰ্য করা যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, সিআরআর এবং এসএলআর বাড়ানো এবং স্টক মার্কেট বিনিয়োগ করার কারণেই এটি সংকট দেখা দিয়েছে। আমরা অনেক শকর্ততার সঙ্গেএ সংকট কাঠানোর জন্যে কাজ করছি।
প্রাইম ফাইন্যান্স এন্ড ইনঢেস্টমেন্ট লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকতার হোসেন সান্নামাত জনকন্ঠকে বলেন, বাজারে তারল্য সংকট কেটে গেছে সেটি বলা যাবে না। তবে আগের চেয়ে কিছুটা হ্রাস পেতে শুরম্ন করছে। কিন্তু এখনও ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আগের মত বিনিয়োগ করতে পারছেন না। পাশাপাশি সরকারি এলসিগুলোও খুলতে সমস্যা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আর্থিক বাজারে তারল্য সংকট না থাকলে কেন কিছু কিছু ব্যাংক ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ হার সুদে ডিপোজিট সংগ্রহ করছে। এফডিআর'র রেট বাড়ানোর পাশাপাশি সঞ্চয়ের সুদও বাড়ানো হয়েছে। এতে বলা যায়, ব্যাংকিং খাতে এখনও তারল্য সংকট রয়েছে। এটি পুরোপরি কাঠছে তা বলা যাবে না।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তারল্য সংকট রয়েছে বলে সংশিস্নষ্টরা দাবি করলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সম্প্রতি এক সেমিনারে সাংবাদিকদের বলেন, ব্যাংকিং খাতে এখন কোন তারল্য সংকট নেই। যদিও কোন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সংকট থাকে তা সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফান্ড ম্যানেজমেন্টের অদৰ্যতার কারণেই ঘটেছে। তবে এটির সমাধান করার লৰ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক তার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, রেপো ও লিকিউডিটি সাপোর্টের মাধ্যমে প্রতি দিনই প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রদান করা হচ্ছে। যাতে করে সংকট মোকাবেলা করা যায়।
এদিকে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিনই নগদ সহায়তা প্রদান করছে। সর্বশেষ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক রেপোর মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ৪৪৯ কোটি ডিপি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং নন পিডিদের এছাড়া লিকিউডিটি সাপোর্টের মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা পিডি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেয়া হয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/02/2011 8:37 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সামিটের সঙ্গে আইডিএলসির ১১৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি
বাণিজ্য ডেস্ক
Ka;er Kantho
03.03.2011
সামিট বিবিয়ানা-১ পাওয়ার কম্পানি লিমিটেড ও সামিট বিবিয়ানা-২ পাওয়ার কম্পানি সম্প্রতি আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের সঙ্গে এক চুক্তি সই করেছে। এই চুক্তির আওতায় ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন ও ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি বা আইপিএফএফের মাধ্যমে ১১৫ মিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠন করা হবে। আইপিএফএফ হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপির জন্য ফান্ডিং ফ্যাসিলিটি বা তহবিল গঠন সুবিধা পাবে।
সামিট গ্রুপের পরিচালক আয়েশা আজিজ খান ও আইডিএলসি ফাইন্যান্সের সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর সেলিম আর এফ হোসেইন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান এবং সামিট, জিই ও আইডিএলসির অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/02/2011 8:41 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ফেরেনি পুঁজিবাজার
রাশেদুল তুষার, চট্টগ্রাম
kaler Kantho
03.02.2011
শেয়ারবাজারের গত চার দিনের লেনদেনের আচরণ কিছুটা হতাশ করেছে বাজার বিশেষজ্ঞদের। পুঁজিবাজারের জন্য চলতি সপ্তাহের লেনদেনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবেই আখ্যা দিয়েছিলেন তাঁরা। বিশেষ করে দেড় মাসের টানা ধসের কারণে সরকারি একাধিক সিদ্ধান্তে বাজারে কেমন প্রভাব পড়েছে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরেছে কি-না_তা এই সপ্তাহের লেনদেন দেখেই অনুমান করা যাবে। কিন্তু গত চার দিনের শেয়ারবাজারের চিত্রে তেমন আশাপ্রদ কিছু চোখে পড়েনি। বরং বাজারের নেতিবাচক প্রবণতার জন্য শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আবার কমতে শুরু করেছে বলে তাঁরা মনে করেন। ইনভেস্টরস ফোরাম অব চিটাগাংয়ের আহ্বায়ক আসলাম মোরশেদ বলেন, 'বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক এখনো কাটেনি। টানা পতন কিংবা ঊর্ধ্বগতি কোনোটাই সুস্থ বাজারের লক্ষণ নয়। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ না করলে তাদের এই আতঙ্ক কাটবে না।'
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাজার বিশ্লেষক বলেন, 'শেয়ারবাজার সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য এখনো বন্ধ হয়নি। বিশেষ করে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের কেউ কেউ শেয়ারবাজারকে অনুৎপাদনশীল খাত হিসেবে মন্তব্য করছেন। পুঁজিবাজারকে এভাবে হালকাভাবে দেখা উচিত নয়।'
চলতি সপ্তাহে প্রথম চার দিনের লেনদেনে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ সূচক ও সার্বিক সূচক কমেছে যথাক্রমে ৯৫ ও ১৬২ পয়েন্ট। এ সময় বাজার মূলধন কমেছে দেড় শ কোটি টাকা। এই চার দিনের লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা যায়, রবি থেকে বুধবার পর্যন্ত লেনদেন কমেছে ধারাবাহিকভাবে। বাজারের তারল্য সংকটও সেভাবে কাটেনি। বাজারের সার্বিক চিত্রই প্রমাণ করে দেশের পুঁজিবাজার এখনো স্বাভাবিক হয়নি। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, 'বাজারে এখনো ক্রয়-বিক্রয়ের আদেশ কম। লেনদেন নিয়ে এখনো হয়তো বিনিয়োগকারীরা সতর্কতা অবলম্বন করছে। তারা আস্থার সংকটে ভুগছে। তা ছাড়া তারল্য সংকট কাটাতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে লেনদেনে আসতে হবে। শেয়ার সরবরাহ ঢালাওভাবে না করে চাহিদা অনুযায়ী বাড়াতে হবে।'
তিনি বিনিয়োগকারীদের সূচকের ওঠা-নামার প্রতি দৃষ্টি না দিয়ে নিজস্ব পোর্টফোলিওর দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন। সিএসই সভাপতি বলেন, 'দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের বর্তমান বাজার নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই। কারণ তারা রাইট ও বোনাস শেয়ার পেয়ে ঠিকই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে। আর স্বল্পমেয়াদে যারা বিনিয়োগ করবে, তারাও যেন ভীত হয়ে শেয়ার বিক্রয় করে না ফেলে।' সিএসই পরিচালক ও আইল্যান্ড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, 'আতঙ্কের কারণে বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজার সম্পর্কিত যেকোনো খবরই নেতিবাচকভাবে নিচ্ছে বলে মনে হয়। তাই বিচার-বিবেচনা না করে ভালো-খারাপ সব শেয়ারের দামই কমে যাচ্ছে।' |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/03/2011 7:44 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ার বাজার: নেপথ্য খেলোয়াড়দের বিষয়ে তথ্য প্রদানের আহবান
ঢাকা, ৩ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
শেয়ার বাজারে অস্বাভাবিক উত্থান পতনের নেপথ্য খেলোয়াড়দের চি্ি#৮২০৬;্#৮২০৬;হ্নত করতে সর্বসাধারণের প্রতি তথ্য প্রদানের আহবান জানিয়েছে তদন্ত কমিটি। পুঁজিবাজারে সামপ্রতিক উত্থান পতনের জন্য গঠিত তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এ আহবান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ইব্যাহিম খালেদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে শেয়ারবাজারের সকল স্টেকহোল্ডার, ক্রয়-বিক্রয়কারী, সংশ্লিষ্ট সংস্থা, কোম্পানি, গবেষক, অবলোকনকারী ও সর্বসাধারণের প্রতি তদন্ত কমিটিকে সহযোগিতার অনুরোধ করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, শেয়ারের অস্বাভাবিক উত্থান পতনের ঘটনায় খেলোয়ারদের চিহ্নিতকরণের সুবিধার্থে যে কোন তথ্য, ইঙ্গিত বা সুপারিশ লিখিতভাবে কমিটির কাছে প্রেরণ করা যাবে। প্রেরক ইচ্ছা করলে গোপনীয়তা বজায় রাখবে কমিটি। তথ্যাদি প্রেরণের জন্য তদন্ত কমিটি ফ্যাঙ্ ও ই-মেইল নম্বর প্রকাশ করেছে। প্রেরিত কাগজের ওপর 'তদন্ত কমিটির জ্ঞাতার্থে' কথাটি লেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তদন্ত কমিটির ফ্যাক্স ও ই-মেইলনম্বর হচ্ছে-৯০০৬৭৫৬, ৯৫৫২৪১০, ৮১১৯২৯৮, |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/03/2011 7:46 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ডিএসইতে বড় দরপতন: প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নিষ্ক্রিয়
ঢাকা, ৩ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে আবারো বড় ধরনের দরপতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে আজকের লেনদেন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ না থাকায় তারল্য সঙ্কটের প্রভাবে মূল্য সংশোধন হচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। ডিএসই সাধারণ সূচকের বর্তমান অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ক্রয়ে আগ্রহী না হওয়ায় মূল্য সংশোধন ত্বরান্বিত হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ৩ দিন দরপতনের কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও সৃষ্টি হয়েছে আস্থাহীনতা। সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার শেয়ারের দর ৯০ শতাংশ হ্রাসে ডিএসই সাধারণ সূচক ১৮৩ পয়েন্ট কমেছে।
বৃহস্পতিবার ডিএসইর লেনদেন শুরুর পর সূচক সামান্য বৃদ্ধি পেলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে তা নিম্নমুখী হয়। অধিকাংশ শেয়ারের দর পতনের কারণে দুপুর ২টায় সূচকের পতন ঘটে ২০০ পয়েন্টেরও বেশি। তবে লেনদেনের শেষ সময়ে ডিএসইর হারানো সূচক সামান্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়।
আজ ডিএসইর সাধারণ সূচক গতকালের চেয়ে ১৮৩ পয়েন্ট কমে ৭১২৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে ডিএসইতে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে লেনদেন।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে সর্বমোট ৭৩৬ কোটি টাকা। লেনদেনের শুরু থেকেই অধিকাংশ শেয়ারের দর হ্রাস পেতে থাকে, যা শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। গতকালের মতো আজও ব্যাংকিং খাত চালকের আসনে থাকলেও লেনদেনের শেষ দিকে দরবৃদ্ধির ধারা থেকে ছিটকে পড়ে। এতে সূচকের পতন ত্বরান্বিত হয়। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ২২টির, কমেছে ২৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টির। দরবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল জেমিনি সি ফুড, এপেক্স স্পিনিং, কোহিনুর, আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ জেএ/এআইকে/ ১৭:১৪ ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/03/2011 7:50 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে দরপতন: ডিএসইতে সূচক কমেছে ১৮৩ পয়েন্ট
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়ঃ ১৬৩৫ ঘন্টা ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১১
ঢাকাঃ সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। সে সঙ্গে কমেছে সব সূচক, বাজার মূলধন ও আর্থিক লেনদেন।
এদিন উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সিমেন্ট, সিরামিকস খাতের শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৭টি কোম্পানির মধ্যে ২৩১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। বেড়েছে মাত্র ২২টির এবং অবশিষ্ট ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত থাকে।
দিনশেষে সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৩ দশমিক ৮০ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ১২৫ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে নেমে আসে। টানা তৃতীয় দিনের মতো লেনদেন হাজার কোটি টাকার নীচে নেমে আসে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেনরে পরিমাণ দাড়ায় মাত্র ৭৩৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।
অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৫টি কোম্পানির মধ্যে ১৮৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে মাত্র ৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। দিনশেষে সিএসইতে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ দাড়ায় মাত্র ৯১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
ডিএসইতে সর্বশেষ চার কার্যদিবসের মধ্যে বুধবার বাদে বাকি ৩ কার্যদিবসে সূচক কমেছে প্রায় ৪৭৫ পয়েন্ট।
অন্যদিকে গত বুধবার ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক মাত্র ২৮ পয়েন্ট বেড়ে ছিল। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পুঁজিবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর এখনো বড় ধরনের লোকসানে রয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
এরই মধ্যে বাজারে আবার নতুন করে দরপতন হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা বাড়ছে।
অন্যদিকে বাজারে অস্বাভাবিক দরপতন রোধ করার জন্য এসইসি বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তা তেমন কোনো কাজে আসছে না। বাজারে এই অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হলেও বাজার বিশ্লেষকরা একে দেখছেন স্বাভাবিক হিসেবেই ।
এ ব্যাপারে এইমস মিউচুয়াল ফান্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইয়াওয়্যার সাঈদ বাংলানিউজকে বলেন, বাজারে এখনো এডজাস্টমেন্ট হচ্ছে। এতে আতঙ্কিত হবার কিছু নেই। তবে যেহেতু বাজারটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেগিয়ে সেখান থেকে প্রায় আাড়াই হাজার সূচক নেমে যায়।
এই কারণে বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানে রয়েছে। এই অবস্থায় লোকসানে বিক্রি না করে দীর্ঘ মেযাদে অপেক্ষা করা উচিত।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/03/2011 7:51 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
ডিএসই
আজও দরপতন, সূচক কমেছে ১৮৩ পয়েন্ট
অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ০৩-০২-২০১১
প্রথম আলো
সপ্তাহের শেষ দিনের লেনদেনে আজ বৃহস্পতিবারও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতন হয়েছে। লেনদেনের শুরুতে সাধারণ মূল্যসূচক বেশ কিছুটা বেড়েছিল। এর পর থেকে সূচক কমতে থাকে। আজ লেনদেন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ১৮৩ পয়েন্ট। একই সঙ্গে কমেছে অধিকাংশ শেয়ারের দামও।
ডিএসইতে সাধারণ সূচক ১৮৩ দশমিক ৮০ পয়েন্ট কমে ৭১২৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আজ মোট ২৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২২টির, কমেছে ২৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
আজ লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো এনবিএল, গ্রামীণফোন, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, বে লিজিং, তিতাস গ্যাস, বেক্সিমকো, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড, সাইথইস্ট ব্যাংক, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স ও বেক্সটেক্স। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/03/2011 7:52 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
শেয়ারবাজার
কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটিকে তথ্য সরবরাহের আহ্বান
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ০৩-০২-২০১১
প্রথম আলো
সম্প্রতি শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটিকে সংশ্লিষ্ট তথ্য সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছেন কমিটির চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শেয়ারবাজারের সব স্টেক হোল্ডার, ক্রয়-বিক্রয়কারী, এ-বিষয়ক সংস্থা, কোম্পানি, গবেষক, অবলোকনকারী ও সর্ব সাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, কমিটির তদন্তকাজ বিশেষ করে শেয়ারমূল্যের অস্বাভাবিক উত্থান-পতনের খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করণের সুবিধার্থে যেকোনো তথ্য, ইঙ্গিত বা সুপারিশ লিখিতভাবে কমিটির কাছে পাঠানো যাবে। প্রেরক ইচ্ছা প্রকাশ করলে কমিটি গোপনীয়তা বজায় রাখবে। পাঠানো কাগজের ওপর ‘তদন্ত কমিটির জ্ঞাতার্থে’ কথাটি লেখা থাকলে ভালো হয়।
আগ্রহী ব্যক্তিদের নিম্নোক্ত নম্বরে ফ্যাক্স ও ই-মেইল করতে বলা হয়েছে। ফ্যাক্স নম্বর ৯০০৬৭৫৬, ৯৫৫২৪১০ ও ৮১১৯২৯৮। ই-মেইল: tacbibm@yahoo.com, chairman@krishibank.org.bd, hvc@bangla.net
এর আগে গত ২০ জানুয়ারি বেলা একটায় লেনদেন শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিটের মাথায় ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় ৬০০ পয়েন্ট নেমে যায়। এতে সূচক বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
শেয়ারবাজারে সংঘটিত সাম্প্রতিক অনিয়ম খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এবং কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদকে চেয়ারম্যান করে গত ২৫ জানুয়ারি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বিস্তারিত তদন্ত শেষে দুই মাসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|