DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 25 / 40 1 - 2 - 3.. - 23 - 24 - 25 - 26 - 27.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
01/31/2011 9:54 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE





................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/31/2011 12:13 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সাড়ে চার হাজার কোটি তুলে নিয়েছে নতুন পদ্ধতির অপব্যবহারে


রাজু আহমেদ ॥
The Daily Janakantha
01.02.2011

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতে গত দু'বছরে নানা ধরনের প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছেন কয়েকটি কর্পোরেট গ্রুপের উদ্যোক্তারা। নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। রূপান্তরযোগ্য অগ্রাধিকার শেয়ার ইসু্য, ব্যাংক ঋণকে শেয়ারের রূপান্তর, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার এবং সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির উদ্যোক্তারা বাজার থেকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন বলে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে।
সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) সূত্রে জানা গেছে, গত দেড় বছরে রূপান্তরযোগ্য অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু করে ৮টি কোম্পানি বাজার থেকে ১ হাজার ১৮২ কোটি ৯৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা সংগ্রহ করেছে। একই সময়কালে ব্যাংক ঋণকে শেয়ারে রূপান্তর করে বাজার থেকে নেয়া হয়েছে ৬৩৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৯ হাজার ৩১২ টাকা। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে তিনটি কোম্পানি বাজার থেকে সংগ্রহ করেছে ১ হাজার ১৯৮ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া একই পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর সরাসরি তালিকাভুক্ত হয়ে তিনটি কোম্পানির উদ্যোক্তারা বাজার থেকে তুলে নিয়েছেন কমপৰে ১ হাজার ৫৬১ কোটি ৯১ লাখ ৪০ হাজার ৬০ টাকা। প্রতিটি ৰেত্রেই প্রচলিত বিধি অনুসরণ করা হলেও কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারের অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ করে বাজার থেকে বাড়তি অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অগ্রাধিকার শেয়ার ॥ কোম্পানির মূলধন সংগ্রহের জন্য অগ্রাধিকার শেয়ার একটি স্বীকৃত মাধ্যম হলেও বাংলাদেশে এর খুব বেশি প্রচলন ছিল না। কিন্তু গত দেড় বছরে হঠাৎ করেই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে মূলধন বৃদ্ধির হিড়িক পড়ে যায়। স্বল্প সময়ে অনুমোদন নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহের সুযোগ থাকায় অধিকাংশ কোম্পানিই এখন এই পথ বেছে নিতে শুরম্ন করে। সুনির্দিষ্ট কোন নীতিমালা না থাকায় এর মধ্য দিয়ে কোম্পানির সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা ৰতিগ্রসত্ম হয়েছেন বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে গত দেড় বছরে শেয়ারবাজার থেকে ১ হাজার ১৬২ কোটি ৯৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা তুলে নিয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির উদ্যোক্তারা। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রাইট শেয়ার ছাড়ার যোগ্যতা না থাকলেও কোন কোন কোম্পানি বিকল্প হিসেবে অগ্রাধিকার শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পথ বেছে নেয়। এমনকি লোকসানের কারণে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হলেও অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে অর্থ সংগ্রহ করেছে একাধিক কোম্পানি।
এসইসি থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, গত দেড় বছরে অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে বেঙ্মিকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড সর্বোচ্চ ৪১০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এরপরের অবস্থানে রয়েছে সামিট পাওয়ার লিমিটেড। কোম্পানিটি অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে তুলে নিয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। এছাড়া আফতাব অটোমোবাইলস ১৮০ কোটি টাকা, পিপলস লিজিং ১২০ কোটি টাকা, বাংলাদেশ থাই এলুমিনিয়াম ৭৫ কোটি টাকা, এস আলম কোল্ড ৫৩ কোটি ৩৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা, বিডিকম লিমিটেড ২৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা এবং অগি্ন সিস্টেমস ২০ কোটি টাকার অগ্রাধিকার শেয়ার ইসু্য করে।
সাধারণভাবে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোন কোম্পানি মূলধন বাড়াতে চাইলে রাইট শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে এ সংক্রানত্ম সিদ্ধানত্ম গ্রহণের পর বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) ডেকে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে হয়। এরপর রাইট শেয়ার ইসু্যর অনুমোদন চেয়ে এসইসিতে আবেদন করতে হয়। এসইসির পৰ থেকে কোম্পানির আর্থিক অবস্থান, উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম, মুনাফা অর্জনের রেকর্ড, লভ্যাংশ বিতরণসহ ইত্যাদি পরীৰা-নিরীৰার পাশাপাশি ওই কোম্পানি বা এর পরিচালকদের নামে কোন ব্যাংকে খেলাপী ঋণ রয়েছে কিনা_ তা যাচাই-বাছাই করা হয়। এছাড়া যে উদ্দেশ্যে মূলধন বাড়ানো হচ্ছে_ তার বাসত্মবতা সম্পর্কেও খোঁজ-খবর নেয়া হয়। এর আগে শেয়ারবাজারের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়েছে কিনা_ সে বিষয়ে তদনত্ম করে এসইসি। কোম্পানির দেয়া তথ্যে কোন ঘাটতি থাকলে প্রয়োজনে একাধিকবার তদনত্ম করা হয়। প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র পাওয়ার পর কোম্পানির সামগ্রিক অবস্থান সম্পর্কে ইতিবাচক প্রতিবেদন পেলেই কেবল রাইট শেয়ার অনুমোদন করা হয়। আর সামগ্রিক প্রক্রিয়া শেষ করতে কোন কোন ৰেত্রে ৬ থেকে ৭ মাস লেগে যায়।
জানা গেছে, রাইট শেয়ার ইসু্যর ৰেত্রে দীর্ঘসূত্রতা এবং কোম্পানির যোগ্যতায় ঘাটতি থাকার কারণেই অনেক কোম্পানি ভিন্ন পথ হিসাবে অগ্রাধিকার শেয়ার ইসু্যর প্রতি ঝুঁকে পড়ে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এবং ইজিএমে অনুমোদনের পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই অগ্রাধিকার শেয়ার ছাড়ার জন্য এসইসির কাছ থেকে অনুমোদন পেয়ে যায় এসব কোম্পানি। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রৰার জন্য রাইট শেয়ারের ৰেত্রে ব্যাপক যাচাই-বাছাই করা হলেও অগ্রাধিকার শেয়ারের ৰেত্রে তা করা হয়নি। কোম্পানির এজিএমে অনুমোদনের পর ২০ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যেই এসইসির কাছ থেকে অনুমোদন পেয়েছে অধিকাংশ কোম্পানি। নীতিমালা না থাকায় কোম্পানি যেভাবে প্রসত্মাব দিয়েছে সেভাবেই অগ্রাধিকার শেয়ারের সব রকম শর্ত বহাল রেখেছে এসইসি।
অগ্রাধিকার শেয়ারকে সাধারণ শেয়ারে রূপানত্মরের মাধ্যমে কোম্পানির পরিচালকরা কৌশলে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রাইট শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের ৰেত্রে কোম্পানির আর্থিক অবস্থান ও সুনাম বিবেচনা করে এসইসি প্রিমিয়াম হিসেবে সাধারণত শেয়ারের অভিহিত মূল্যের ২ থেকে ৩ গুণ অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দেয়। কিন্তু অগ্রাধিকার শেয়ারকে সাধারণ শেয়ারে রূপানত্মরের সময় নির্দিষ্ট সময়ের বাজার মূল্যের গড়ের চেয়ে মাত্র ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ছাড় দিয়ে শেয়ারের অভিহিত মূল্যের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ গুণ অর্থ তুলে নেয়া হচ্ছে। এতে কোম্পানির পরিচালকরা বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহের সুযোগ পেলেও সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কারণ কোম্পানির শেয়ারসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে এর দর কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে অগ্রাধিকার শেয়ারের প্রায় ৯০ শতাংশ পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি হওয়ায় এ নিয়ে অনৈতিক বাণিজ্যেরও অভিযোগ রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, রাইট শেয়ার ছাড়ার যোগ্যতা না থাকলেও একাধিক কোম্পানিকে অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে এসইসি। বিডিকম লিমিটেড ১:১ হারে মোট ১ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার রাইট শেয়ার ছাড়ার জন্য এসইসিতে আবেদন করেছিল। কিন্তু কোম্পানির পরিচালকদের কাছে মাত্র ১৩.৭৬ শতাংশ শেয়ার থাকায় এসইসির কাছে রাইট শেয়ার ইসু্যর প্রসত্মাবটি অযৌক্তিক মনে হওয়ায় কমিশনের ৩৩২তম সভায় আবেদনটি বাতিল করা হয়। কোম্পানির পৰ থেকে পুনরায় আবেদন করা হলে কমিশন আবারও তা বাতিল করে দেয়। কিন্তু এর পরপরই কোম্পানির পৰ থেকে ২৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকার অগ্রাধিকার শেয়ার ছাড়ার আবেদন করা হলে এসইসি তা অনুমোদন করে। একইভাবে পরিচালকদের হাতে মাত্র ৬.৩৯ শতাংশ শেয়ার থাকায় অগি্ন সিস্টেমসকে রাইট শেয়ার ইসু্যর অনুমোদন দেয়নি এসইসি। কিন্তু অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে ইতোমধ্যেই কোম্পানিটি ২০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে।
অগ্রাধিকার শেয়ারকে সাধারণ শেয়ারে রূপানত্মরের প্রক্রিয়া নিয়ে ইতোমধ্যেই নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সাধারণভাবে অগ্রাধিকার শেয়ার ছাড়ার পর নির্ধারিত সময় শেষে তা সাধারণ শেয়ারে রূপানত্মর করার সুযোগ থাকে। কিন্তু অন্যান্য দেশে অধিকাংশ ৰেত্রেই এজন্য কয়েক বছর সময় নেয়া হয়। এজন্য অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি বছর নির্ধারিত হারে লভ্যাংশ দেয়া হয়। কোম্পানি মুনাফা অর্জন করলে সর্বপ্রথম অগ্রাধিকার শেয়ারধারীদের লভ্যাংশ দিতে হয়। কিন্তু দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো মাত্র কয়েক দিনের জন্য অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে অর্থ সংগ্রহ করছে। সাধারণ শেয়ারে রূপানত্মরের জন্য কোন কোম্পানিই তিন মাসের বেশি সময় নেয়নি। এ পর্যনত্ম অগ্রাধিকার শেয়ার ইসু্যকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেঙ্মিকো লিমিটেড ৩ মাস, আফতাব অটো ৪ মাস, বিডি থাই দেড় মাস এবং এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল ৩ মাস পর ওইসব শেয়ারকে সাধারণ শেয়ারে রূপানত্মর করেছে।
অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে মূলধন সংগ্রহের এ প্রবণতা বিষয়ে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার গত আগস্ট মাসে জনকণ্ঠকে বলেছিলেন, অগ্রাধিকার শেয়ারের মাধ্যমে কোম্পানিগুলো অবশ্যই মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। এতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু যে কয়টি কোম্পানি এই প্রক্রিয়ায় অর্থ সংগ্রহ করেছে_ প্রতিটিরই অগ্রাধিকার শেয়ারের মেয়াদ ছিল খুবই কম। এ কারণেই মূলত বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ কারণে অগ্রাধিকার শেয়ার নিয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কারসাজি ॥ দীর্ঘদিন পরীৰা-নিরীৰার পর পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক আগে থেকেই সফলভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। দেশের পুঁজিবাজারে এই পদ্ধতি চালু করার জন্য গত বছরের ৯ মার্চ বিধিমালা জারি করে এসইসি। প্রচলিত পদ্ধতির নির্ধারিত মূল্যের (ফিঙ্ড প্রাইস) পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণের লৰ্যে ২০০৬ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইসু্য) আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চালু হলেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি না থাকায় এটি প্রয়োগ করতে সময় লেগেছে এক বছর। ২০১০ সালের মার্চে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরম্ন হয়।
কিন্তু শুরম্ন থেকেই সংশিস্নষ্ট বিধির দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করে কয়েকটি কোম্পানি। এ পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর আইপিওর মাধ্যমে আরএকে সিরামিকস ২১৩ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা, মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট ৬৪৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং এমআই সিমেন্ট ৩৩৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে। একই পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর সরাসরি তালিকাভুক্ত হয়ে সামিট গ্রম্নপের কোম্পানি ওশন কন্টেইনার ১৭২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং খুলনা পাওয়ার ১ হাজার ১২ কোটি ৭১ লাখ ৯০ হাজার ১৫০ টাকা সংগ্রহ করে। এর আগে সরাসরি তালিকাভুক্ত হয়ে ২০০৮ সালে বেঙ্মিকো গ্রম্নপের শাইনপুকুর সিরামিকস ২৮৬ কোটি ১১ লাখ ৬২ হাজার ৬০ টাকা এবং ২০০৯ সালে আফতাব গ্রম্নপের নাভানা সিএনজি ৩৭৬ কোটি ৬৪ লাখ ৭৯ হাজার ৯১০ টাকা তুলে নেয়। তবে এ দু'টি কোম্পানির মূল্য নির্ধারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়নি।
বিশেস্নষকদের মতে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এ পর্যনত্ম অনুমোদন পাওয়া সব কোম্পানিই মৌলভিত্তির তুলনায় অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার সুযোগ গ্রহণ করেছে। এই পদ্ধতি প্রথম মূল্য নির্ধারণ হয় ওশন কন্টেইনারের। ২০০৯ সালে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয় ১৪৫ টাকা। ফলে লেনদেন শুরম্নর আগেই প্রতিটি শেয়ারের দর এর প্রকৃত আয়ের তুলনায় ৬০ গুণ বেশি নির্ধারিত হয়। খুলনা পাওয়ারের ইপিএস ছিল ২ টাকা ৭৯ পয়সা। এই কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয় ১৯৪ টাকা। ফলে লেনদেনের শুরম্নতেই খুলনা পাওয়ারের শেয়ারের পিই দাঁড়ায় ৬৯। বর্তমানে বাজারে আসার প্রক্রিয়ায় থাকা মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়ায় ৬২।
সংশিস্নষ্ট বিধি-বিধান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতির ৰেত্রে কোন কোম্পানির শেয়ারের দর মৌলভিত্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন হলে এসইসি তা কাটছাঁট করতে পারে। কিন্তু বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্টভাবে সেই সুযোগ নেই। আইনের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই সংশিস্নষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর কোন রকম প্রশ্ন ছাড়াই তা অনুমোদন করেছে এসইসি।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পদ্ধতির অংশ হিসেবে দর প্রসত্মাবের (বিডিং) মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার (লক ইন) মেয়াদ খুব কম হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বেশি দরে শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই শেয়ারের দর কমে যায়। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রসত্ম হন।
ব্যাংক ঋণকে শেয়ারে রূপান্তর ॥ একই গ্রুপের ৬টি কোম্পানির ঋণ পরিশোধের জন্য ২০০৯ সালের আগস্টে ৬৩৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৯ হাজার ১২ টাকার শেয়ার ইসু্য করে বেঙ্মিকো গ্রম্নপের কোম্পানি বেঙ্টেঙ্ লিমিটেড। এজন্য কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ২০৭ কোটি ১১ লাখ ৩০ হাজার ৮৭০ টাকা থেকে ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ৬৫ হাজার ৩০ টাকায় উন্নীত করা হয়। ঋণের বিনিময়ে শেয়ার পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো_ নিউ ইংল্যান্ড ইকু্যয়িটি লিমিটেড, বেঙ্মিকো লিমিটেড, শাইনপুকুর সিরামিকস, বাংলাদেশ অনলাইন লিমিটেড, নিউ ঢাকা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং বেঙ্মিকো হোল্ডিংস লিমিটেড। এরমধ্যে নিউ ইংল্যান্ড ইকু্যয়িটি বেঙ্মিকো গ্রম্নপের উপদেষ্টা সাহাবুল আলমের মালিকানাধীন এবং বাকিগুলো বেঙ্মিকো গ্রম্নপের সহযোগী কোম্পানি। ঋণের বিনিময়ে এসব কোম্পানির নামে সর্বমোট ১৯ কোটি ৮৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪১৬টি শেয়ার ইসু্য করা হয়। এৰেত্রে প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয় ৩২ টাকা। তবে মাত্র ৬ মাসের মধ্যে এসব শেয়ারের বাজার মূল্য দ্বিগুণেরও বেশি দাঁড়ায়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/31/2011 12:14 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
স্বাভাবিক সংশোধনে পুঁজিবাজার

চার দিনে ১২৪৬ পয়েন্ট বৃদ্ধির পর ৮৮.৩৮ পয়েন্ট কমেছে ডিএসই সাধারণ সূচক



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
01.02.2011

টানা চার কার্যদিবস উর্ধমুখী থাকার পর মূল্য সংশোধনের ধারায় ফিরেছে দেশের পুঁজিবাজার। সোমবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। এর প্রভাবে কমেছে সব সূচক ও বাজার মূলধন। এরমধ্যে ডিএসই সধারণ সূচক কমেছে ৮৮.৩৮ পয়েন্ট। তবে টানা তৃতীয় দিনের মতো হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করেছে ডিএসইর আর্থিক লেনদেন। এর আগে গত চার কার্যদিবসে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১২৪৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়।
টানা বৃদ্ধির পর অধিকাংশ শেয়ারের দর ও সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতাকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন বাজার বিশ্লেষক ও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তাঁদের মতে, কয়েকদিন উর্ধমুখী থাকার পর এদিন বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী তাঁদের মুনাফা তুলে নিতে সচেষ্ট ছিলেন। ফলে বাজারে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর ও সাধারণ সূচক কমেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওসমান ইমাম গণমাধ্যমকে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে শেয়ারবাজারে উর্ধমুখী থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা স্বসত্মি ফিরে এসেছে। একইসঙ্গে বাজার টানা উর্ধমুখী থাকায় কিছুটা মূল্য সংশোধন হওয়া দরকার ছিল। ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই বাজারে মূল্য সংশোধন হয়েছে।
সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৮টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৭৮টির এবং কমেছে ১৭৮টির। এছাড়া ২টি কোম্পানির শেয়ারের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৮৮ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট কমে ৭৪৮৪.২৩ পয়েন্টে নেমে আসে। ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৭৩৮ কোটি ৭০ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮০ টাকা।
সারা দিনে ডিএসইতে মোট ৮ কোটি ২৭ লাখ ৬ হাজার ২০৩টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে। আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ৭৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা_ যা আগের দিনের তুলনায় ৭৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা বেশি।
আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো_ গ্রামীণফোন, ইউসিবিএল, ডেসকো, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস, বে লিজিং, ন্যাশনাল ব্যাংক, বেঙ্মিকো, তিতাস গ্যাস, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এবং সিএমসি কামাল।
দরবৃদ্ধিতে শীর্ষে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ দেশবন্ধু পলিমার, বিডি ওয়েল্ডিং, আনলিমা ইয়ার্ন, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস, এমবি ফার্মা, এইচআর টেঙ্টাইল, প্যারামাউন্ট ইন্সু্যরেন্স, ম্যারিকো, মুন্নু সিরামিকস ও মিথুন নিটিং।
দর হ্রাসের শীর্ষে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ ইসলামী ইন্সু্যরেন্স, পপুলার লাইফ ইন্সু্যরেন্স, প্রাইম ইন্সু্যরেন্স, ড্যাফোডিল কম্পিউটার, ফিনিঙ্ ইন্সু্যরেন্স, প্রিমিয়ার ব্যাংক, বিআইএফসি, প্রাইম লাইফ ইন্সু্যরেন্স, ইউসিবিএল ও কেয়া কসমেটিকস।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/31/2011 12:15 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মার্জিন ঋণ বিষয়ে এসইসিতে বৈঠক আজ
ঋণ নির্ধারণের ক্ষমতা মার্চেন্ট ব্যাংকের ওপর ছেড়ে দেয়া হতে পারে



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
01.02.2011

শেয়ারের বিপরীতে মার্জিন ঋণ বিতরণ প্রক্রিয়া নিয়ে পরামর্শের জন্য পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট সকল পৰের সঙ্গে বৈঠকে বসছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ মঙ্গলবার কমিশনের সভাকৰে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। এতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশন এবং লিস্টেট কোম্পানিজ এ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকে মার্জিন ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে কোন রকম সীমা বেঁধে না দিয়ে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের ওপর ছেড়ে দেয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১৪ দফা পদৰেপের আলোকে মার্জিন ঋণ বিতরণের বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করবে এসইসি। এৰেত্রে এসইসি আর ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা পরিমার্জন করবে না। এখন থেকে কমিশন বছরে একবার বা দু'বার দীর্ঘ সময়ের জন্য মার্জিন ঋণ সম্পর্কে কিছু নির্দেশনা ঠিক করে দেবে। দীর্ঘমেয়াদী এ নির্দেশনায় ঋণের হার নির্ধারণের বিষয়টি সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেয়া হবে। তবে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস প্রতিমাসে একবার ঋণের হার বাড়াতে বা কমাতে পারবে। এ বিষয়ে প্রতিমাসের শুরুতে সিদ্ধান্ত নিয়ে এসইসিকে লিখিতভাবে অবহিত করবে। এর আগে তারল্য প্রবাহ বাড়িয়ে শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে গত ১০ জানুয়ারি তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে মার্জিন ঋণ সুবিধা বাড়িয়ে ১:২ নির্ধারণ করে এসইসি।
গত ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মার্জিন ঋণ সম্পর্কে সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। ওই সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী এসইসি ঋণের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দেবে। তবে প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণের হার নির্ধারণ করবে। পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনেও বিষয়টি উলেস্নখ করা হয়।
উলেস্নখ্য, তারল্য প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ঝুঁকি কমাতে গত বছরের ১ ও ৩ ফেব্রম্নয়ারি দু'দফায় মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের মার্জিন ঋণ প্রদানের ৰমতা কমিয়ে ১:১ করা হয়। তবে ধারাবাহিক দরপতনের ফলে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠায় ১৫ মার্চ ঋণ সুবিধা বাড়িয়ে ১:১.৫ করা হয়। পরবর্তী তারল্য প্রবাহ ব্যাপকহারে বেড়ে যাওয়ায় অধিকাংশ শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়ে পড়ায় ৮ জুলাই থেকে মার্জিন ঋণের হার ১:১.৫ থেকে কমিয়ে ১:১ নির্ধারণ করে এসইসি। পাশাপাশি মার্জিন ঋণের প্রদানের জন্য শেয়ারের বাজার মূল্য নির্ধারণে এসইসি কোম্পানির এনএভি ও বাজার মূল্যের যোগফলের অর্ধেক হিসাবে ঋণ প্রদানের নিয়ম কার্যকর করা হয়। এরপরও অধিকাংশ শেয়ারের দর অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণে গত ২১ নবেম্বর থেকে ঋণের হার ১:০.৫ এ নামিয়ে আনা হয়।
টানা তিন মাস দরবৃদ্ধির পর ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পুঁজিবাজারে মূল্য সংশোধন শুরম্ন হয়। বার্ষিক হিসাব সমাপনী এবং অতিরিক্ত বিনিয়োগ প্রত্যাহারে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের কারণে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বিক্রির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় সংশোধনের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হয়। এরমধ্যে বেশ কয়েক দিন বাজারে বড় ধরনের ধস নামে। এ অবস্থায় দু'দফায় মার্জিন ঋণের হার বাড়িয়ে ১:১.৫ করা হয়। তবে অর্থ সঙ্কটের কারণে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো গ্রাহকদের বর্ধিত হারে ঋণ দিতে পারেনি। তা সত্ত্বেও ১০ জানুয়ারি বাজারের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে বেশকিছু সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। এরমধ্যে মার্জিন ঋণের হার বাড়িয়ে ১:২ করা হয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/31/2011 12:16 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সূচক কমছে, লেনদেন বাড়ছে

০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
01.02.2011


টানা পাঁচদিন ঊধর্্বমুখী থাকার পর সোমবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই সূচক কমেছে। দিনের লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৮৮ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে ৭ হাজার ৪৮৪ দশমিক ২২ পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে। তবে বাজারে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৭ শতাংশ। মোট ১ হাজার ৭৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে চেয়ে ৭৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা বেশি।

বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিমেন্ট, জ্বালানি, বীমা ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম কমেছে। লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে ডিএসইর মূল্যসূচক ২০ পয়েন্ট বাড়ে। কিন্তু পরের ২০ মিনিটে তা ৫০ পয়েন্ট নেমে আসে। মাঝবেলা পর্যন্ত সূচকের এই ওঠানামা চলে।

এ ব্যাপারে পুঁজিবাজার বিশেস্নষকরা জানান, গত কয়েকদিন শেয়ারবাজারে ঊধর্্বমুখী থাকায় মূল্য সংশোধন হওয়া দরকার ছিল। ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই বাজারে মূল্য সংশোধন হয়েছে।

সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৮টির এবং কমেছে ১৭৮টির এবং অবশিষ্ট ২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত থাকে। দিনশেষে সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৮৮ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ৪৮৪ দশমিক ২৩ পয়েন্টে নেমে আসে।

লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো, গ্রামীণ ফোন, ইউসিবিএল, ডেসকো লি., পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লি., বে-লীজিং, ন্যাশনাল ব্যাংক লি., বেক্সিমকো লি., তিতাস গ্যাস, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও সিএমসি কামাল।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমেছে বেশিরভাগ শেয়ারের দাম। মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৩ দশমিক ৪১ পয়েন্ট বা দশমিক ১৬ শতাংশ কমে ১৩৮৭৩ দশমিক ০১ পয়েন্টে দাঁড়ায়। হাতবদল হওয়া ১৯৯টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৪টির, কমেছে ১৩০টির এবং বাকি পাঁচটির দাম অপরিবর্তিত ছিলো।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/01/2011 6:52 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা প্রত্যাহার করবে এসইসি

ঢাকা, ১ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ে মার্জিন ঋণ বিতরণের সর্বোচ্চ সীমা প্রত্যাহার করবে সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কোন শেয়ারে কী পরিমান ঋণ দেয়া যাবে তা নির্ধারণের দায়িত্ব পাচ্ছে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশন ও স্টক এঙ্চেঞ্জ আলাদাভাবে মার্জিন ঋণ বিষয়ে খসড়া এসইসিতে জমা দেয়ার পরই এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে এসইসি। মঙ্গলবার মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশন ও স্টক এঙ্চেঞ্জের সাথে এসইসির বৈঠকের পর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসইসির মুখপাত্র সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে সদস্য ইয়াসিন আলী, মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী, ফকরউদ্দিন আলী আহমদ, মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদসহ এসইসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
এসইসির মুখপাত্র সাইফুর রহমান বলেন, এসইসি মার্জিন ঋণের হার নির্ধারণ করবে না। মার্জিন ঋণ বিষয়ে মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশন ও স্টক এঙ্চেঞ্জ আলাদাভাবে খসড়া নীতিমালা তৈরি আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসইসিতে জমা দেবে। এরপর এসইসি তা যাচাই বাছাই করে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। ঋণ প্রদানকরী প্রতিষ্ঠানগুলোর খসড়া নীতিমালায় গ্রাহকের হিসাবে রক্ষিত সিকিউরিটিজের মূল্যায়ন পদ্ধতি, মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ হার এবং মার্জিন কল অথবা ফোর্স সেলের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মাবলী উল্লেখ থাকবে। সাইফুর রহমান বলেন, এসইসির আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে মার্জিন ঋণ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করবে প্রতিষ্ঠানগুলো। ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি ছয় মাস পর পর মার্জিন ঋণের হার পরিবর্তন করার বিধান রাখবে। এছাড়া ডিএসই ও সিএসই তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মার্জিন ঋণের হিসাব নির্দিষ্ট ছকে প্রতি মাসের নির্দিষ্ট তারিখে এসইসিতে দাখিল করবে। তবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো আলাদাভাবে ঋণের হিসাব এসইসিতে দাখিল করবে বলে সাইফুর বলেন। এছাড়া স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্টক এঙ্চেঞ্জ যাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে সে বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এখন থেকে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অস্বাভাবিক লেনদেন ও কোনো কোম্পানিকে স্পট মার্কেটে স্থানান্তরের বিষয়ে স্টক এঙ্চেঞ্জ ব্যবস্থা নিতে পারবে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এএএ/ এসসি/১৮.১০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/01/2011 6:54 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মার্জিন লোনের হার আর ঠিক করবে না এসইসি
     
     

ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বিপরীতে ঋণের (মার্জিন লোন) হার আর ঠিক করে দেবে না বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এসইসি। একটি নীতিমালার আওতায় বাজার সংশ্লিষ্টদেরই এর হার ঠিক করতে হবে।

মঙ্গলবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৈঠকের পর এসইসি'র নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "এসইসি আর মার্জিন লোনের হার ঠিক করে দেবে না। এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা তৈরি করতে মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোয়িসেশন এবং ডিএসই ও সিএসইকে বলা হয়েছে। ওই নীতিমালা অনুযায়ী মার্জিন লোন দেওয়া হবে।"

নীতিমালা ১০ ফেব্র"য়ারির মধ্যে চূড়ান্ত করতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বর্তমানের কোনো বিনিয়োগকারী তার হাতে থাকার শেয়ারের বাজার মূল্যের দ্বিগুণ অর্থ ঋণ নিতে পারে। পুঁজিবাজারে সা¤প্রতিক অস্থিরতার মধ্যে বেশ কয়েকবার মার্জিন লোনের হার পরিবর্তন করে এসইসি।

মার্জিন লোন বিষয়ক প্রতিবেদন প্রতি মাসেই এসইসিতে জমা দিতে ডিএসই, সিএসই এবং মার্চেন্ট বাংকগুলোকে বলা হয়েছে।

সাইফুর রহমান জানান, এখন থেকে লেনদেন স্থগিত এবং লেনদেনের জন্য স্পট মার্কেটে শেয়ার পাঠানোর বিষয়েও এসইসি সিদ্ধান্ত নেবে না। স্টক এক্সচেঞ্জগুলো নিজেরাই এ সিদ্ধান্ত নেবে এবং তা এসইসিকে জানাবে।

এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারের সঙ্গে বৈঠকে ডিএসই ও সিএসই'র সভাপতি ও নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/01/2011 6:56 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত
     
     

ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


সপ্তাহের তৃতীয় দিনেও পুঁজিবাজারে সূচকের পতন হয়েছে। কমেছে লেনদেন ও অধিকাংশ শেয়ারের দাম।

টানা পাঁচদিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর সোমবার থেকে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক কমতে শুরু করে।

মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ঊর্ধ্বগতি দিয়ে শুরু হলেও কিছু সময় পর সূচক পড়তে থাকে।

সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ২০৩ দশমিক ২৪৬৫১ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৭১ শতাংশ কমে দিন শেষে দাঁড়ায় ৭২৮০ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট।

এদিন মোট ৯৩৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ারের হাত বদল হয়েছে। গতদিন লেনদেন হয় ১ হাজার ৭৭ কোটি টাকা।

লেনদেন হওয়া ২৫৫টি শেয়ারের মধ্যে দাম কমেছে ২৩৩টির বেড়েছে মাত্র ২০টির ও অপরিবর্তিত ছিলো ২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।

যেসব কম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে- তার মধ্যে রয়েছে খাদ্য, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, বীমা ও মিউচুয়াল ফান্ড।

ব্যাংক, টেলিকম ও জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠান লেনদেনে এগিয়ে থাকে।

লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে ছিল ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবিএল)। এই প্রতিষ্ঠানের মোট ৪৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা গ্রামীণফোনের মোট লেনদেন হয় ৪২ কোটি টাকা। তৃতীয় অবস্থানে থাকা তিতাস গ্যাসের মোট লেনদেন হয় ২৬ কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকে পতনের সঙ্গে কমেছে লেনদেন ও বেশিরভাগ শেয়ারের দাম।

এই বাজারে সিলেক্টিভ ক্যাটাগরিজ ইনডেক্স (সিএসসিএক্স) আগের দিনের চেয়ে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১৩৪৯০ দশমিক ৬১ পয়েন্টে।

লেনদেন হওয়া ২০২টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে দাম কমেছে ১৮২টির, বেড়েছে ১৯টির এবং একটির দাম অপরিবর্তিত ছিলো।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া শেয়ারের মোট মূল্য ১১৪ কোটি টাকা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/জেবি/এমআই/১৬৩০ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/01/2011 6:57 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দাম বাড়ছে ডলারের, বাড়ছে মুদ্রাস্ফীতি কমছে রিজার্ভ


সোহেল রহমান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৫ ঘন্টা, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১১


ঢাকা: দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মার্কিন ডলারের দাম বাড়ছে। এতে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার পাশাপাশি কমছে রিজার্ভ।

কারণ ডলারের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় আমদানি ব্যয় যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে আমদানি করা পণ্যের মূল্যও। ফলে মুদ্রাস্ফীতির ওপর চাপ বাড়ার পাশাপাশি ভোক্তা শ্রেণীর ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ কথা জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গত জুনে অভ্যন্তরীণ বাজারে ডলার ও টাকার গড় বিনিময় মূল্য ছিল ৬৯ টাকা ৫০ পয়সা। বছর শেষে অর্থাৎ গত ৩০ ডিসেম্বর এ বিনিময় মূল্য বেড়ে দাঁড়ায় ৭০ টাকা ৭৫ পয়সা। আর চলতি মাসে এ বিনিময় মূল্য আরও বেড়ে ৭১ টাকা ১৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর অভ্যন্তরীণ বাজারে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে
ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি কমে আসায় মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান হ্রাস পাচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর ২০১০) আমদানি ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ডলারেরও বেশি। এর আগের অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় তা ৩৬ শতাংশ বেশি।

অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বিবিধ পণ্যের দাম বাড়ার কারণে এ আমদানি ব্যয় বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এদিকে শুধু ডলারের বিনিময় মূল্যই বাড়েনি, বাজারে ডলারের এক ধরনের সঙ্কটও রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে যে কথাটা বাজারে চাউর রয়েছে তা হচ্ছে, শুধু আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি নয়, সম্প্রতি পুঁজিবাজার থেকে যে পরিমাণ অর্থ উধাও হয়েছে তা ডলারের মাধ্যমে বাইরে পাচার হয়ে গেছে। ডলার সঙ্কটের এটাও একটা কারণ।

এদিকে ডলার সঙ্কটের কারণে প্রতিনিয়তই রিজার্ভ থেকে ব্যাংকগুলোকে ডলার সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে রিজার্ভও কমে যাচ্ছে।

গত ডিসেম্বর শেষে যেখানে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১১৭ কোটি ডলার, এ মাসের ২৫ তারিখে তা নেমে এসেছে ১ হাজার ৩৯ কোটি ডলারে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ডলারের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এরই মধ্যে একাধিক চেম্বার ও ব্যবসায়ী সংগঠন এটাকে স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অভ্যন্তরীণ বৈদেশিক মুদ্রার বাজারকে ‘অস্থিতিশীল’ হিসেবে উল্লেখ করে রিজার্ভ, ডলার বিনিময় হার ও সুদের হার স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারের প্রতি তিন দফা অনুরোধ জানিয়েছে।  

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী বাংলানিউজকে বলেন, বাজারে ডলারের সঙ্কট হওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর চাহিদার যোগান দিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, যেদিন বিপিসি’র পেমেন্ট বা খাদ্য আমদানি ব্যয় পরিশোধ করতে হয় সেদিন একটু বেশি চাপ পড়ে।

এছাড়া ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে বাজারে ডলারের যোগান দেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোকেও তাদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের উৎসসমূহকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।  

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/01/2011 6:58 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দাম অস্বাভাবিক ওঠানামা করলে সে শেয়ার বন্ধ করতে পারবে ডিএসই ও সিএসই


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৪৫২ ঘণ্টা, ফ্রেব্রুয়ারি ০১, ২০১১


ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)- এর সার্ভেইল্যান্স মনিটরিং বিভাগকে আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

বাজারে কোনো শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক ওঠা-নামা করলে যৌথভাবে ওই কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন স্থগিত কিংবা বন্ধ করে দিয়ে এসইসিকে জানাতে বলা হয়েছে।

আর এ ব্যাপরে তারা নিজেরা প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। পববর্তী সময়ে এসব সিদ্ধান্ত সিএসইকে জানাতে হবে।

মঙ্গলবার সকালে এসইসি, ডিএসই, সিএসই, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন ও তালিকাভুক্ত কোম্পানি অ্যাসোসিয়েশনের এক যৌথ সভা শেষে ডিএসই সভাপতি মো. শাকিল রিজভী এসব কথা জানান।

অন্যদিকে সিএসই সভাপতি ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, ‘মার্চেন্ট ব্যাংক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে তারা কীভাবে নিজেরা তহবিল সংগ্রহ করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

এ বিষয়ে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটায় সিএসই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/01/2011 7:01 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

ডিএসইতে সূচক কমেছে ২০৩ পয়েন্ট

অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ০১-০২-২০১১
PROTHOM.ALO

  


দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে আজ মঙ্গলবারও গতকালের মতো দরপতন অব্যাহত রয়েছে। আজ লেনদেনের শুরুতে সাধারণ সূচক কিছুটা কমতে থাকে। তবে প্রথম ঘণ্টা শেষে সূচক কিছুটা বাড়ে। এরপর সূচক আবার কমতে শুরু করে। দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ২০৩ পয়েন্ট কমে যায়। একই সঙ্গে কমেছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
আজ ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ২০৩ দশমিক ২৪ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ২৮০ দশমিক ৯৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মোট লেনদেন হওয়া ২৫৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২০টির, কমেছে ২৩৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের। মোট লেনদেন হয়েছে ৯৩৮ কোটি টাকার।
আজ লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, গ্রামীণফোন, তিতাস গ্যাস, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সিমকো, এনবিএল, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড, ইউনিক্যাপ ও প্রাইম ব্যাংক।
গতকাল ডিএসইতে সারা দিনই সূচকের ওঠানামা ছিল চোখে পড়ার মতো। সূচকের ঊর্ধ্বগতির মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৮৮ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ৪৮৪ দশমিক ২২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। মোট লেনদেন হওয়া ২৫৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বাড়ে ৭৮টির, কমে ১৭৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া মোট লেনদেনের পরিমাণ এক হাজার ৭৭ কোটি টাকা।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো—গ্রামীণফোন, ইউসিবিএল, ডেসকো, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, এনবিএল, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও সিএমসি কামাল।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/01/2011 7:02 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

মার্জিন ঋণ নির্ধারণে হস্তক্ষেপ করবে না এসইসি

অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ০১-০২-২০১১
Prothom.Alo


মার্জিন ঋণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিউিরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এ ব্যাপারে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করে ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিশনে জমা দেবে। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো গ্রাহকদের মার্জিন ঋণ দেওয়ার হার নির্ধারণ করবে। আজ মঙ্গলবার এসইসিতে এক আলোচনা সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিশনের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
সাইফুর রহমান বলেন, মার্জিন ঋণের নীতিমালা তৈরির ব্যাপারে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ওপর নজর রাখতে হবে। তাহলো গ্রাহকদের হিসাবে রক্ষিত সিকিউরিটিজের মূল্যায়ন পদ্ধতি, জোরপূর্বক শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়মাবলিতে এসইসির নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে এবং মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো ছয় মাস অন্তর অন্তর তাদের নির্ধারিত মার্জিন ঋণের হার পরিবর্তন করতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে জানুয়ারির প্রথম কর্মদিবস ও জুলাইয়ের প্রথম কার্যদিবস থেকে কার্যকর হবে। একই সঙ্গে ডিএসই ও সিএসই তাদের সদস্য স্টক ব্রোকারদের কাছ থেকে মার্জিন ঋণ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রতি মাসের নির্ধারিত সময়ে এসইসিতে প্রদান করবে। এ ছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো একই সময়ে সরাসরি এসইসিতে তাদের তথ্য প্রদান করবে।
সাইফুর রহমান আরও বলেন, স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে (এসআরও) স্টক এক্সচেঞ্জগুলো এখন থেকে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানের লেনদেন স্থগিত বা যেকোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে। তবে বিষয়টি তাত্ক্ষণিকভাবে এসইসিকে অবহিত করতে হবে।
এসইসির মুখপাত্র বলেন, পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের পরমার্শ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুই স্টক এক্সচেঞ্জ যাতে এসআরও হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে, সে লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে। এতে বাজার স্বাভাবিক গতিতে চলবে বলেও তিনি আশা করেন।
সভায় অন্যদের মধ্যে এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ, তারিকুজ্জামান, সাইফুর রহমান, ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী, সিএসইর প্রেসিডেন্ট ফকর উদ্দিন আলী আহমেদ ও মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/01/2011 12:01 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজার সূচকের পতন অব্যাহত

ইত্তেফাক রিপোর্ট
02.02.2011


সপ্তাহের তৃতীয় দিনেও শেয়ারবাজার সাধারণ সূচকের পতন অব্যাহত রয়েছে। কমেছে লেনদেন ও অধিকাংশ শেয়ারের দাম। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ঊধর্্বগতি দিয়ে শুরু হলেও কিছু সময় পর সূচক পড়তে থাকে। গতকাল খাদ্য, জ্বালানি, বিদু্যৎ, বীমা ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম কমেছে। দাম বেড়েছে ব্যাংক, টেলিকম ও জ্বালানি খাতের শেয়ারের।

ডিএসইতে মোট ২৫৫টি কোম্পানির ৭ কোটি ৬৫ লাখ ২৪ হাজার ২৭৫টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ৯৩৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫৯ হাজার ৪৯৬ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা কম। সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২০৩ পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ২৮১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ২৫৫ টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২০ টির এবং কমেছে ২৩৩ টি কোম্পানি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২ টি কোম্পানির শেয়ার।

লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো-ইউসিবিএল, গ্রামীণ ফোন, তিতাস গ্যাস, বিএসআরএম স্টীল, বেক্সিমকো, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, পিপলস্ লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল ও প্রাইম ব্যাংক।

অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো - দেশবন্ধু পলিমার, ফাইন ফুডস্, এপেক্স স্পিনিং, এইচআর টেক্স, মিথুন নিটিং, ফামর্া এইড, রহিম টেক্সটাইল, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক্, বিএসআরএম স্টীল ও বিডি ওয়েল্ডিং।

দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, কাশেম ড্রাই সেল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ফিনিক্স ইন্সুরেন্স, রহিমা ফুডস্, পাওয়ার গ্রীড, বিডি অটোকারস্, ১ম প্রাইম মিউচুয়াল ফান্ড, গেস্নাবাল ইন্সুরেন্স ও বাজর্ার পেইন্ট।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/01/2011 12:02 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মার্জিন লোন হার আর ঠিক করবে না এসইসি

০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
02.02.2011


মার্জিন ঋণের হার নতুন নীতিমালার আওতায় সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারণ করতে হবে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের বিপরীতে ঋণের (মার্জিন লোন) হার আর ঠিক করবে না নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি।

মঙ্গলবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৈঠকের পর এসইসি'র নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এসইসি আর মার্জিন লোনের হার ঠিক করে দেবে না। এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা তৈরি করতে মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোয়িসেশন এবং ডিএসই ও সিএসইকে বলা হয়েছে। ওই নীতিমালা অনুযায়ী মার্জিন লোন দেওয়া হবে। নীতিমালা ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত করতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বর্তমানের কোনো বিনিয়োগকারী তার হাতে থাকার শেয়ারের বাজার মূল্যের দ্বিগুণ অর্থ ঋণ নিতে পারে। পুঁজিবাজারে সামপ্রতিক অস্থিরতার মধ্যে বেশ কয়েকবার মার্জিন লোনের হার পরিবর্তন করে এসইসি।

মার্জিন লোন বিষয়ক প্রতিবেদন প্রতি মাসেই এসইসিতে জমা দিতে ডিএসই, সিএসই এবং মার্চেন্ট বাংকগুলোকে বলা হয়েছে।

সাইফুর রহমান জানান, এখন থেকে লেনদেন স্থগিত এবং লেনদেনের জন্য স্পট মার্কেটে শেয়ার পাঠানোর বিষয়েও এসইসি সিদ্ধান্ত নেবে না। স্টক এক্সচেঞ্জগুলো নিজেরাই এ সিদ্ধান্ত নেবে এবং তা এসইসিকে জানাবে।

এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারের সঙ্গে বৈঠকে ডিএসই ও সিএসই'র সভাপতি ও নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/01/2011 12:04 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ প্রবণতা বাড়াতে হবে ॥ ডিএসই সভাপতি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
02.02.2011

ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী স্বল্পমেয়াদী বিনিয়োগ প্রবণতা কমিয়ে পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গত সোমবার ডিএসই ট্রেনিং একাডেমী আয়োজিত মাসিক সচেতনতামূলক কর্মসূচীর আওতায় ৯ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ডিএসই সভাপতি ভাল মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়ে বলেন, অতি মূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগ না করাই বিনিয়োগকারীদের জন্য মঙ্গলজনক হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা ভাল মৌলভিত্তির শেয়ার শনাক্ত করতে সক্ষম হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, দেশের পুঁজিবাজার দিন দিন সম্ভাবনাময় হয়ে ওঠায় ডিএসই ট্রেনিং একাডেমীর প্রশিক্ষণ কর্মসূচী বিনিয়োগকারীদের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। কারণ প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত মৌলিক ও প্রারম্ভিক ধারণা নিয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করলে অনেকটা ঝুঁকি এড়িয়ে চলা সম্ভব।

১০% বোনাস শেয়ার ও ৫% নগদ লভ্যাংশ দেবে এইচআর টেঙ্টাইল
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার এবং ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এইচআর টেঙ্টাইল।
কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতি ১০টি শেয়ারের বিপরীতে নগদ ১টি বোনাস শেয়ার এবং শেয়ার প্রতি নগদ ৫ টাকা পাবেন।
আগামী ২৮ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা ক্যান্টোনমেন্টের ট্রাস্ট মিলনায়তনে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ ফেব্রম্নয়ারি।
গত বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১৫ টাকা ৫৫ পয়সা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৩৫ টাকা ২ পয়সা।

অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি রোধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারবে স্টক এক্ষচেঞ্জ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ তালিকাভুক্ত কোন কোম্পানির শেয়ারের দর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেলে দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ৰমতা দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে ওই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত বা বন্ধ করতে পারবে। মঙ্গলবার এসইসিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সার্ভিল্যান্স ও মনিটরিং বিভাগকে]আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে সিকিউরিটি এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বাজারে নির্দিষ্ট কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি রোধের জন্যই লেনদেন স্থগিত বা বন্ধ করার ৰমতা স্টক এঙ্চেঞ্জের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কোন কোম্পানির শেয়ারের দর অস্বাভাবিক গতিতে বাড়তে থাকলে এর কারণ খতিয়ে দেখার জন্য ডিএসই ও সিএসই যৌথভাবে সিদ্ধানত্ম নিয়ে লেনদেন স্থগিত বা বন্ধের সিদ্ধানত্ম নিতে পারবে। এ ধরনের সিদ্ধানত্ম কার্যকর করার পর এসইসিকে তা অবহিত করলেই চলবে।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, বাজারে কোন শেয়ারের দর অস্বাভাবিক ওঠা-নামা করলে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে যৌথভাবে সিদ্ধানত্ম নিয়ে ওই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত কিংবা বন্ধ করে দিয়ে এসইসিকে জানাতে বলা হয়েছে। এর আগে এ ধরনের সিদ্ধানত্ম নিতে হলে এসইসির অনুমোদন প্রয়োজন হতো।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 25 / 40 1 - 2 - 3.. - 23 - 24 - 25 - 26 - 27.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview