| 01/30/2011 7:39 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
ডিসিসিআই’র আলোচনায় বক্তারা
বাজারে প্রভাব বিস্তারকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
30 Jan 2011 07:30:35 PM
ঢাকা: পুঁজিবাজারে স্টেকহোল্ডারদের পুনর্বিন্যাস ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সচেতন করা এবং সামগ্রিক ব্যবস্থার উপর যথাযথ নজরদারি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম।
রোববার পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা শীর্ষক দু’দিনের আলোচনা অনুষ্ঠানের শেষ দিনে তিনি একথা বলেন। ডিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় সংগঠনের সাবেক কয়েকজন সভাপতি ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা অংশ নেন।
ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘পুঁজিবাজারের যথাযথ বিকাশ ছাড়া একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয় এবং এ জন্য সরকারের উচিত পুঁজিবাজার বিষয়ে কিছু স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা।’
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা পুঁজিবাজারের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও বাজার প্রভাবান্বিতকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনের কথা তুলে ধরেন।
তারা মনে করেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদেরকে পোর্টফোলিও ইনভেস্টেমেন্ট আকৃষ্ট করা, বৃহৎ পরিসরে গবেষণা এবং কনসালটেন্সি সেবা ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া পুঁজিবাজারের সূচক বৃদ্ধির জন্য অভ্যন্তরীণ বাজারে স্টকের সাপ্লাই এবং শেয়ারের প্রবাহ বৃদ্ধি ও টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তারা।
বক্তারা এসইসির দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দিকনির্দেশনামূলক গবেষণা ও তথ্যকেন্দ্র স্থাপনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করা এবং পুঁজিবাজারে কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির পদ্ধতি সহজীকরণের উপরও গুরুত্বারোপ করেন।
চেম্বারের নেতারা প্রকৃত সম্পদের ভিত্তি, টার্নওভার এবং জেড ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানিগুলোর বিষয়ে দ্রুত পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন।
আলোচনায় অংশ নেন ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি টি আই এম নূরুল কবীর, প্রাক্তন সভাপতি এ টি এম ওয়াজিউল্ল্যাহ, আর মাকসুদ খান, এ এস এম কাসেম, এম এইচ রহমান, আফতাব-উল ইসলাম, বেনাজির আহামেদ, এম এ মোমেন, হোসেন খালেদ, আবুল কাসেম খান, ডিসিসিআই‘র পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মোশাররফ হোসেন, ডিসিসিআই’র ভারপ্রাপ্ত সচিব ফেরদৌস আরা বেগম প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ১৯২১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩০, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:40 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে চাঙ্গাভাব অব্যাহত ॥ ৪ দিনে সূচক বেড়েছে ১২৪৬ পয়েন্ট
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
30.01.2011
ঢাকা: টানা চতুর্থ দিনের মতো দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের ঊর্ধবগতি অব্যাহত রয়েছে।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার ডিএসই‘র সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৬ দশমিক ৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৭৫৭২ দশমিক ৬১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এ নিয়ে গত চার কার্যদিবসে সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে এক হাজার ২৪৬ পয়েন্ট।
রোববার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সিরামিকস খাতের সব শেয়ারের দাম বেড়েছে।
এছাড়াও এদিন প্রকৌশল, বীমা, সিমেন্ট ও টেক্সটাইল খাতের শেয়ারের দাম বৃদ্ধি ছিল চোখে পড়ার মতো।
গত চার দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধবগতি থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। এখনো অধিকাংশ বিনিয়োগকারী লোকসানের মধ্যে থাকলেও বাজারের বর্তমান অবস্থাকে স্বাভাবিক হিসেবেই মনে করছেন।
তবে বাজার বিশ্লেষকরা প্রতিদিন দাম বাড়াকে স্বাভাবিক মনে না করলেও বড় ধরনের দরপতনের কারণে বাজার কিছুটা ঊর্ধবমুখীতার প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছেন।
তাদের মতে ধারবাহিক দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমান বিনিয়োগকারীরা সেটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছে।
এ ব্যাপারে ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান বাংলানিউজকে বলেন, প্রতিদিন শেয়ারের দাম কমে যাওয়া যেমন ঠিক না, তেমনি বাড়াও ঠিক না। যেহেতু বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছিল, তাই বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এটা প্রয়োজন ছিল।
তবে বিনিয়োগকারীদের অতিমূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগ করা উচিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
রোববার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এদিন ডিএসই’তে এক হাজার দ্ইু কোটি দুই লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে।
এটি আগের দিনের চেয়ে ২৮ কোটি ২২ লাখ টাকা কম। দিনশেষে লেনদেন হওয়া ২৬১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৫ টির এবং কমেছে ৩৩ টি অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটির দাম।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো- ইউসিবিএল, ন্যাশনাল ব্যাংক, বে-লিজিং, তিতাস গ্যাস, গ্রামীণফোন, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, ম্যাকসন স্পিনিং, বেক্সিমকো, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৫ ঘণ্টা, ৩০ জানুয়ারি ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:43 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | মবিল যমুনার আইপিও’র ড্র সোমবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৮২২ ঘণ্টা, ৩০ জানুয়ারি ২০১১
এদিন সকাল ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তরজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আইপিও’র ড্র হবে। এসইসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি এসইসি শর্ত সাপেক্ষে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারিত হওয়া এই কোম্পানিটির পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য নীতিগত অনুমোদন দেয়।
শর্ত অনুযায়ী পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রথম ৩০ দিন আইপিও’র প্রস্তাবিত মূল্যর চেয়ে বেশি মূল্য শেয়ার বিক্রি করতে হবে। যদি আইপিও’র প্রস্তাবিত মূল্যর চেয়ে কম হলে কোম্পানির পরিচালকদের আইপিও’র দামে শেয়ার কিনে নিতে হবে।
১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এমজেএল চার কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৬০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে গত ২ জানুয়ারি থেকে আইপিও’র টাকা জমা নেয়।
কোম্পানিটির ১০০টি শেয়ারে এক মার্কেট লট নির্ধারন করা হয়েছে। ১০ টাকা শেয়ারের বিপরীতে ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা মূল্য নির্ধারন করা হয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের প্রতিটি লটের বিপরীতে ১৫ হাজার ৪০০ টাকা জমা দিতে হবে।
কোম্পানিটির আইপিও পূর্ববর্তী পরিশোধিত মূলধন ১৪০ কোটি ৩২ লাখ এবং আইপিও পরবর্তী পরিশোধিত মূলধন ১৮০ কোটি ৩২ লাখ টাকা। সর্বশেষ ২০১০ সালের ৩১ মার্চ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ৭০ পয়সা।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 1:07 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আইন ভঙ্গ করে ১৬৫০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি বেক্সিমকোর
আলতাফ মাসুদ, ৩০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করে ঘোষণা ছাড়াই ১৬৫০ কোটি টাকার স্পন্সর শেয়ার বিক্রি করেছে বেক্সিমকো গ্রুপ। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির স্পন্সর শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ৩০ দিনের আগাম ঘোষণার বিধান রয়েছে। কিন্তু বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো টেক্সটাইল (বেক্সটেক্স), বেক্সিমকো ফার্মা ও বেক্সিমকো সিনথেটিকের পরিচালকরা গত দেড় বছরে প্রায় ১৬৫০ কোটি টাকার স্পন্সর শেয়ার বিক্রি করলেও স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রির কোনো ঘোষণা দেয়নি। এটি সিকিউরিটিজ আইনে অপরাধ হলেও এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রকাশিত মাসিক রিভিউ ও ওয়েবসাইট সূত্রে দেখা যায়, ২০০৯ সালের মে মাসে বেক্সিমকো টেক্সটাইলের পরিচালকদের শেয়ার ৩৯.৪৭ শতাংশ থাকলেও ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তা ২০.১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। অর্থাৎ উক্ত সময়ের মধ্যে ১৯.৩২ শতাংশ শেয়ার বেক্সটেক্সের পরিচালকরা বিক্রি করেছেন। উল্লিখিত সময়ে শেয়ারের গড় মূল্য ৮৩ টাকা অনুযায়ী প্রায় ৭৪৯ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার পরিচালকরা বিক্রি করেছেন। কিন্তু ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ শেয়ার বিক্রির কোনো ঘোষণা দেখা যায়নি। ২০০৯ সালের মে মাসে বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালকদের শেয়ার ২০.৬৩ শতাংশ থেকে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ১০.৯১ শতাংশে নেমে এসেছে। এ সময়ে এ কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও তাদের হাতে থাকা ৯.৫৮ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। শেয়ারের গড় মূল্য অনুযায়ী শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে এ কোম্পানির পরিচালক, প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৬৮৩ কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে নিয়েছেন। এক্ষেত্রেও স্পন্সর শেয়ার বিক্রির কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি। একই সময়ের মধ্যে বিবিধ খাতের বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালকদের শেয়ার ২৪.৮৮ থেকে ২১.২৬ শতাংশে নেমে এসেছে। শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালকরা বাজার থেকে প্রায় ২১১ কোটি টাকা তুলেছেন। একই সময়ে বেক্সিমকো সিনথেটিকের পরিচালকরা ৬.৩২ শতাংশ শেয়ার প্রায় ২০ কোটি টাকায় বিক্রি করেছেন। এসব শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রেও কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি।
অপরদিকে স্পন্সর শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে বেক্সিমকো গ্রুপের কোম্পানিগুলো কোনো আগাম ঘোষণা না দিলেও শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে উলি্লখিত সময়ে বিভিন্ন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- ২০০৯ সালে জুলাই মাসে বেক্সিমকো লিমিটেড কর্তৃক জিএমজি এয়ারলাইন্সের ৩০ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয়, আগস্টে বাংলাদেশ অনলাইন অধিগ্রহণের ঘোষণা দেয় বেক্সিমকো। এছাড়া ২০১০ সালের জুন মাসে ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্টের ১৬০ কোটি টাকার বিনিয়োগ ও জুলাই মাসে ঢাকা সাংহাই সিরামিক অধিগ্রহণের ঘোষণা দেয়া হয়। এছাড়া গত বছরের আগস্ট মাসে বেক্সিমকো টেক্সটাইল কর্তৃক নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেডের ৩৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনার ঘোষণা দেয়া হয়। এসব ঘোষণার মাধ্যমে বেক্সিমকো গ্রুপের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর বাড়ানোর সুযোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিচালকরা ঘোষণা ছাড়াই শেয়ার বিক্রি করেন।
এ বিষয়ে এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, এভাবে স্পন্সর শেয়ার বিক্রি সিকিউরিটিজ আইনের পরিপন্থি। এ ধরনের কিছু হয়ে থাকলে এসইসি ও ডিএসই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এনএম/এসসি/ ২০.১৬ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 1:15 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে কারসাজি চিহ্নিত করবে তদন্ত কমিটি
কোন শক্তিই তদন্ত প্রভাবিত করতে পারবে না ॥ ইব্রাহিম খালেদ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
31.01.2011
অস্বাভাবিক উত্থান ও পতনের নেপথ্যে কোন মহলের কারসাজি ছিল কিনা_ তা খতিয়ে দেখবে পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটি। শেয়ারের দর বৃদ্ধি এবং পতনের পেছনে একই গোষ্ঠীর ভূমিকা ছিল কিনা_ তা চিহ্নিত করার ব্যবস্থা করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কাজ শেষ করে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করা হবে। রবিবার বিকেলে এসইসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, শেয়ারবাজারে যা ঘটেছে তা উদঘাটনের সব রকম চেষ্টা করা হবে। কোন শক্তিই তদন্ত কাজ প্রভাবিত করতে পারবে না।
ইব্রাহিম খালেদ বলেন, কী কারণে পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক উত্থান-পতনের ঘটনা ঘটল কমিটি সে বিষয়টি সবচেয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করবে। এর পেছনে কোন কারসাজি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি ও পতনের ক্ষেত্রে একই গোষ্ঠী ভূমিকা রেখেছে কিনা কমিটি তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে। উত্থান ও পতনের পেছনে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠীর ভূমিকা থাকলে তাও বের করার চেষ্টা করা হবে।
তিনি বলেন, তদনত্ম কাজের জন্য সিডিবিএলের পাশাপাশি ডিএসইর লেনদেন তথ্যও পর্যালোচনা করা হবে। তদনত্মের স্বার্থে ডিএসই, সিএসই, মার্চেন্ট ব্যাংক এ্যাসোসিয়েশন, পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ এ্যাসোসিয়েশন, সাংবাদিকসহ পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট সব পৰের সঙ্গে কথা বলা হবে।
তিনি বলেন, বাজারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধানের কোন দুর্বলতা ছিল কিনা_ তা পরীৰা-নিরীৰা করা হবে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ পেশ করা হবে। তদনত্ম কমিটির প্রধান আরও বলেন, সম্পূর্ণ নিরপেৰ অবস্থানে থেকে তদনত্ম কাজ শেষ করা হবে। কোন শক্তিই এ কাজে প্রভাব বিসত্মার করতে পারবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ করা হবে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশ বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব সরকারের।
তিনি জানান, তদন্ত কাজ সঠিক পথে এগিয়ে নেয়ার জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। তবে তদন্ত কমিটির অফিসের জন্য এখনও জায়গা পাওয়া যায়নি। এসইসি একটি অফিস নির্ধারণ করলেও ওই জায়গাটি বর্তমানে বিনিয়োগ বোর্ড ব্যবহার করছে। দু'একদিনের মধ্যেই সে জায়গা খালি করে দেয়া হবে বলে বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান তাঁকে জানিয়েছেন।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 1:16 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই উর্ধমুখী পুঁজিবাজার
আস্থাশীল হয়ে উঠছেন বিনিয়োগকারীরা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
31.01.2011
সঙ্কট উত্তরণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের পর স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই পুঁজিবাজারে টানা উর্ধমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার পাশাপাশি বাজারের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসায় স্বাভাবিক হচ্ছে লেনদেন পরিস্থিতি।
তবে টানা চার দিন ধরে অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বাজার নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়ছেন বিশেস্নষকরা। তাঁদের মতে, সংশোধন ছাড়াই শেয়ারের দর এভাবে বাড়তে থাকলে শেয়ারবাজার আবারও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদ বলেন, গত দেড় মাস ধরে পুঁজিবাজারে টানা সংশোধন হয়েছে। ওই অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে নানা পদৰেপ গ্রহণ করা হয়।
এতে তাদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হওয়ায় বাজার এখন উর্ধগতির ধারায় রয়েছে। তবে লেনদেনে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন না। তিনদিন টানা উর্ধগতির পর কিছুটা মূল্য সংশোধন হওয়া উচিত ছিল। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যেভাবে হুমড়ি খেয়ে শেয়ার ক্রয় করছেন তাতে বাজারে কিছুটা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
তিনি জানান, পুঁজিবাজারে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো অংশগ্রহণ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে বাজারের এ উর্ধমুখী অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা হয় তো শেয়ার ক্রয়ে ততটা আগ্রহী হবেন না। পুঁজিবাজারে যদি মূল্য সংশোধনের ধারা তৈরি হয় তাহলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো শেয়ার ক্রয় করবে।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, রবিবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরম্নর প্রথম ২০ মিনিটে অধিকাংশ শেয়ারের দর কিছুটা সংশোধনের ধারায় ছিল। এ কারণে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৪০ পয়েন্ট হ্রাস পায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ শেয়ারের দর উর্ধমুখী হয়ে ওঠে। এতে সূচকও বাড়তে থাকে। লেনদেনের শেষ পর্যনত্ম এই ধারা অব্যাহত থাকায় লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ১৮৬.৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ৭৫৭২.৬১ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা, সিমেন্ট, ট্যানারি, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, জ্বালানি, বস্ত্র ও প্রকৌশল খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরই আরেক দফা বেড়েছে। এছাড়া ওষুধ ও মিউচু্যয়াল ফান্ড খাতে কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। অন্যদিকে টেলিযোগাযোগ খাতের একমাত্র কোম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ারের দর সামান্য কমেছে। সবমিলিয়ে লেনদেন হওয়া ২৬১টি কোম্পানি ও মিউচু্যয়াল ফান্ডের মধ্যে ২২৫টিরই দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে ৩৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টির।
গত সপ্তাহে লেনদেন শুরম্ন হওয়ার পর প্রথম দু'দিন বিক্রেতা না থাকায় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনতে পারেনি।
তবে বৃহস্পতিবার থেকে লেনদেনে যে গতিশীলতা তৈরি হয়েছিল রবিবারও তা অব্যাহত থাকে। ফলে শেয়ার সংখ্যা ও আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ অনেকটা বেড়েছে। রবিবার ডিএসইতে মোট ৮ কোটি ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৭০টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যার মোট মূল্য ১ হাজার ২ কোটি ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬০ টাকা_ যা আগের দিনের তুলনায় ২৮ কোটি ২২ লাখ টাকা কম।
আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে রবিবার প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো_ ইউসিবিএল, ন্যাশনাল ব্যাংক, বেলিজিং, তিতাস গ্যাস, গ্রামীণফোন, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস, ম্যাকসন্স স্পিনিং, বেঙ্মিকো লিমিটেড, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স এবং ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।
দর বৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষ ১০টি কোমপানি হলো_ আরএকে সিরামিকস, ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ড, গোল্ডেনসন, মালেক স্পিনিং, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, কেয়া ডিটারজেন্ট, দেশবন্ধু পলিমার, ঢাকা ডায়িং, সায়হাম টেঙ্টাইল এবং মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ।
দর হ্রাসে শীর্ষে থাকা কোমপানিগুলো হলো_ ইসলামী ইন্সু্যরেন্স, আইসিবি ফার্স্ট এনআরবি মিউচু্যয়াল ফান্ড, মুন্নু স্টাফলার, লিবরা ইনফিউশন, জুট স্পিনার্স, প্রথম আইসিবি মিউচু্যয়াল ফান্ড, মুন্নু জুটেঙ্, বেঙ্মিকো সিনথেটিকস, ৬ষ্ঠ আইসিবি মিউচু্যয়াল ফান্ড এবং এপেঙ্ স্পিনিং।
ঢাকা ইপিজেডে বেলজিয়াম কোম্পানির ৬৭ লাখ ৫৬ হাজার ডলার বিনিয়োগ
মেসার্স টাইগারকো লিমিটেড নামের একটি বেলজিয়ামের কোম্পানি ঢাকা রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় হাইটেক গার্মেন্টস্ ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পে বিনিয়োগ করবে।
সম্পূর্ণ বিদেশী এ কোম্পানি ৬৭ লাখ ৫৬ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বুলেট প্রুফ জ্যাকেট, তাঁবু, প্রটেকটিভ ক্লথসহ গার্মেন্টস্্ সামগ্রী উৎপাদন ও রফতানি করবে। মেসার্স টাইগারকো লিমিটেড ৪০৯ জন বাংলাদেশী লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
এ উপলৰে সম্প্রতি ঢাকায় বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপৰের (বেপজা) নির্বাহী দফতরে বেপজা ও মেসার্স টাইগারকো লিমিটেডের সঙ্গে একটি লিজ চুক্তি স্বাৰরিত হয়। বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মোঃ মোয়েজ্জদ্দীন আহমেদ এবং মেসার্স টাইগারকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইকবাল হোসেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পৰে লিজ চুক্তি স্বাৰর করেন।
বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এটিএম শহিদুল ইসলাম, এনডিইউ, পিএসসি, সস্য (অর্থ) একেএম মাহবুবুর রহমান, সচিব মোঃ শওকত নবী, মহাব্যবস্থাপক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) এজেডএম আজিজুর রহমান এবং বেপজার অন্যান্য কর্মকর্তা চুক্তি স্বাৰর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। _বিজ্ঞপ্তি। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 1:17 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আগামী ছয় মাসে ॥ মূল্যস্ফীতি হবে ৭ শতাংশ
০ মুদ্রানীতি ঘোষণা
০ বাজেটে প্রত্যাশা ছিল এ সময়ে ৬.৫ শতাংশে নেমে আসবে
০ বিদ্যুত খাত ও কর্মসংস্থানকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
31.01.2011
অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় কমিয়ে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ নিয়েই বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১০-১১ অর্থবছরের শেষ অর্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। আগামী ৬ মাসের জন্য প্রণীত মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতির হার প্রায় ৭ শতাংশ রাখা এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ৬.৭ শতাংশ অর্জনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মিলনায়তনে অনুষ্ঠানিকভাবে মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর মোঃ নজরুল হুদা, জিয়াউল হাসান সিদ্দিকীসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবর্নর বলেন, ২০১০-১১ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে মুদ্রানীতির ভঙ্গিটি প্রথমার্ধের মতোই উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকা-ের সহায়ক থাকবে। তবে অভ্যন্তরীণ ঋণের মাত্রাতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি দ্বারা মূল্যস্ফীতি চাপ সৃষ্টি রোধে এবং অপচয়ী অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবাহ কমানো হবে।
তিনি বলেন, বিকাশমান এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার আশানুরূপ হওয়ার কারণে জ্বালানি ও খাদ্য বহির্ভূত শিল্পপণ্যের মূল্যও বাড়ন্ত। এই প্রেৰাপটে মূল্যস্ফীতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে খুব দ্রুত হ্রাস পাবে না। ফলে সরকারের অর্থবছরের-১১ এর বাজেটে প্রত্যাশিত গড় মূল্যস্ফীতি ৬.৫ শতাংশ মাত্রায় নেমে আসারও সম্ভাবনা কম। বরং মূল্যস্ফীতির এ হার আগামী ছ'মাসের জন্যে ৭ শতাংশের মধ্যেই থাকবে।
ড. আতিউর রহমান বলেন, দেশে উৎপাদন কর্মকাণ্ডের উর্ধগতির জোরালো পুনরুদ্ধার ইঙ্গিত করছে। এ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে বিদ্যুত পরিস্থিতির উলেস্নখযোগ্য উন্নতির সূচনা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দ্রুত ভাড়ায় আনা বিদু্যত উৎপাদন কেন্দ্র চালু হবে। ফলে অর্থবছরের এই পর্বে ৰুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের উৎপাদনে কাঙ্ৰিত প্রবৃদ্ধি হবে। তিনি আরও বলেন, যদি নতুন কোন সঙ্কট সৃষ্টি না হয়, তাহলে অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে ৬.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে অর্থবছর-১২তে প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ অতিক্রম করাও সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর বলেন, ২০১০ জুন পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮.৭০ শতাংশ। একই বছর অক্টোবরে তা কমে ৬.৮৬ শতাংশে এসে দাঁড়ায়। কিন্তু নবেম্বর-২০১০ এ তা পুনরায় বেড়ে ৭.৫৪ শতাংশে আসে। বারো মাসের গড় মূল্যস্ফীতি জুন-১০এ ছিল ৭.৩১ শতাংশ। এই হার চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রানত্মিকে ছিল বাড়নত্ম। মূলত আগের বছরের ওই সময়ের ভিত্তি কম থাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, অর্থবছরের-১১ এর দ্বিতীয়ার্ধে জ্বালানি মূল্য পুনর্নির্ধারিত হতে পারে। এতে খাদ্য-বহিভর্ূত মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা বাড়তে পারে। চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে দেশে এবং বিদেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল অস্থির। বাংলাদেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি জুন ২০১০-এ ছিল ১০.৮৮ শতাংশ। নবেম্বরে তা ছিল ৯.৮০ শতাংশে।
মুদ্রানীতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জনকণ্ঠকে বলেন, প্রবৃদ্ধির হার অব্যাহত এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে একটি বাসত্মবমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এ মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি বেসরকারী খাতে ঋণপ্রবাহ আগের মুদ্রানীতির তুলনায় কিছুটা কমানো হয়েছে। অর্থ সরবরাহের পরিমাণ কিছুটা হ্রাস করা হলেও এটি যাতে রিয়েল এস্টেট সেক্টরে বিনিয়োগ করা হয় এ লৰ্যেই কাজ করতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকে। তা না হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।
তবে বিশেস্নষকরা বলছেন, কিছুটা হলেও সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। কারণ দ্রব্যমূল্যসহ আনুষঙ্গিক জিনিসের দর বৃদ্ধির ফলে বাধ্য হয়েই বাংলাদেশ ব্যাংক কিছুটা হলেও সঙ্কচনমূলক মুদ্রানীতি প্রণয়ন করছে।
জানা গেছে, এ বারের মুদ্রানীতিতে বিশেষ করে বিদু্যত খাতের উন্নয়নকেও প্রাধান্য দেয়া হয়। এর পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানের ওপরও জোর দেয়া হয়েছে। ঘোষিত বাজেট বাসত্মবায়নের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই এ মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া অনত্মভর্ুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য মোচনে সরকারের বিবিধমুখী উদ্যোগ সমর্থন যোগানোর নির্দেশনা রয়েছে এ মুদ্রানীতিতে।
ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, জ্বালানি খাতের উন্নয়ন করা, কৃষি, এসএমই এবং শিল্প খাতে যেসব ঋণ বিতরণ করা হয়েছে তা যাতে সঠিক খাতে ব্যয় করা হয় এ বিষয়টিও বাংলাদেশ ব্যাংক কঠোরভাবে নজরদারি করবে বলে জানা গেছে।
মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, অভ্যনত্মরীণ বাজারে খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি, বিশ্ব অর্থনীতি পুনরম্নজ্জীবনের ফলে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে খাদ্য, জ্বালানি এবং সারসহ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আনত্মর্জাতিক বাজারে অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধি, অভ্যনত্মরীণ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অতিরিক্ত তারল্য এবং লৰ্যমাত্রার তুলনায় মুদ্রা যোগানের উচ্চতর প্রবৃদ্ধি। কিন্তু সরকার এবং বাংাদেশ ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লৰ্যে কৃষি ঋণ, ভতর্ুকি, সার, বীজ, কীটনাশক, জ্বালানি এবং বিদু্যতের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরের প্রথম দিকে চাল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। পাশাপাশি খোলা বাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) এবং ২.৫ মিলিয়ন অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে 'ন্যায্য মূল্য কার্ড' বিতরণ করা হয়।
২০০৯ অর্থবছরের শেষে ব্যাংক অগ্রিমের ওপর বার্ষিক গড় সুদের হার ১১.৮৭ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ২০১০ অর্থবছরের শেষে ১১.২৩ শতাংশে দাঁড়ায়। অর্থবছর ১০ শেষে ব্যাংক আমানতের ওপর বার্ষিক গড় সুদের হার হ্রাস পেয়েছে ৫.৯৬ শতাংশে। যা অর্থবছর ০৯ শেষে ছিল ৭.০১ শতাংশ। অন্যদিকে অগ্রিম ও আমানতের সুদের হারের ব্যবধান অর্থবছর ০৯-এর শেষের ৪.৮৬ শতাংশের তুলনায় অর্থবছর-১০ এর শেষে ৫.২৭ শতাংশে দাঁড়ায় |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 1:19 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বোনাস শেয়ার হাতিয়ার করে এক বছরে তুলে নিয়েছে ৮ হাজার কোটি
রাজু আহমেদ ॥
The Daily Janakantha
31.01.2011
পুঁজিবাজার হলো এমন একটি জায়গা যেখানে সাধারণ মানুষ তার সঞ্চিত পুঁজি বিনিয়োগ করবে আর বড় উদ্যোক্তারা তাদের প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছেড়ে সেখান থেকে অর্থ তুলে নিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণ করবে। স্বাভাবিক অবস্থায় শেয়ার ছেড়ে শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য টাকা তুলে নেয়ার মধ্যেই সীমিত থাকবে উদ্যোক্তার ভূমিকা। অর্থাৎ তাদের তৎপরতা সাধারণভাবে প্রাথমিক বাজারে (প্রাইমারী মার্কেট) সীমিত থাকবে। বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগৃহীত টাকায় শিল্প স্থাপন এবং বাণিজ্যিক কর্মকা- পরিচালনার মাধ্যমে মুনাফা অর্জনই হবে তার মূল কাজ। বছর শেষ অর্জিত মুনাফার অংশ আনুপাতিকহারে বণ্টন করা তার দায়িত্ব। আর নতুন পুঁজির প্রয়োজন হলে আবার শেয়ার ছেড়ে টাকা নেয়ার সুযোগও তার জন্য খোলা থাকে।
কিন্তু স্বাভাবিক সূত্রই মেনে চলছে না দেশের পুঁজিবাজার। নানা কারণে উদ্যোক্তাদের মধ্যে শিল্পবিমুখতা তৈরি হওয়ায় মুনাফা অর্জনের মূল কেন্দ্র হয়ে উঠেছে শেয়ারবাজার। গ্যাস-বিদু্যত সঙ্কটের দোহাই দিয়ে শিল্পের টাকা নিয়ে তারা ছুটে এসেছেন শেয়ারবাজারে। সরকারের পক্ষ থেকে কালো টাকার শর্তহীন বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ায় এই প্রক্রিয়া আরও জোরদার হয়ে ওঠে। অন্যদিকে ব্যাংক আমানত ও সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকেও অনুৎপাদনশীল এই খাতে ঠেলে দেয়া হয়। ফলে বিপুল পরিমাণ অলস অর্থ এসে জমা হয় শেয়ারবাজারে। আর সেই সুযোগে নানা কায়দায় টাকা তুলে নেয়ার ফাঁদ তৈরি করে লুটেরা চক্র। বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করে অধিকাংশ তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দর সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরও নানা ধরনের গুজব ও প্রলোভনের কারণে শেয়ার ধরে রাখেন অধিকাংশ বিনিয়োগকারী। একের পর এক পদৰেপ নিয়েও বাজারের রাশ টানতে ব্যর্থ হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। এ অবস্থায় শেয়ারবাজারে জমে ওঠা পুঁজি উৎপাদনমুখী খাতে স্থানান্তর করে শেয়ারের যোগান বাড়ানো ছিল সবচেয়ে জরুরী। কিন্তু চাহিদা ও যোগানের অসামঞ্জস্যতা কমাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা বাড়াতে না পারায় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে পুঁজিবাজার।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত দেড় বছরে পুঁজিবাজার থেকে নানা কায়দায় অর্থ তুলে নিয়েছে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালক ও উদ্যোক্তারা। এ সময় শেয়ারের দর বাড়িয়ে লাভবান হওয়ার ৰেত্রে বোনাস শেয়ার ইসু্যকে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করেই বাজার থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ তুলে নেয়া হয়েছে বলে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে।
শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বণ্টন না করে কোম্পানির অর্জিত মুনাফা পরিশোধিত মূলধনে রূপানত্মর বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত পন্থা। এৰেত্রে নগদ অর্থের পরিবর্তে শেয়ারহোল্ডারদের সমপরিমাণ টাকার নতুন শেয়ার ইসু্য করা হয়। বর্ধিত এই মূলধন কোম্পানির কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য ব্যবহৃত হওয়ার কথা। অর্থাৎ কোম্পানির কর্মকা- সম্প্রসারণ বা নতুন বিনিয়োগের প্রয়োজন না হলে বোনাস ইসু্য অপ্রয়োজনীয়। কিন্তু বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বোনাস প্রদানের এই সুযোগের যথেচ্ছ ব্যবহার করা হচ্ছে। তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির মোট শেয়ারের বড় অংশ পরিচালক ও উদ্যোক্তাদের হাতে রয়েছে। মুনাফাকে মূলধনের রূপানত্মরের জন্য যে সংখ্যক বোনাস শেয়ার ইসু্য করা হয় আনুপাতিকহারে তার অধিকাংশই পান উদ্যোক্তারা। তাছাড়া বোনাস ঘোষণার আগে অনেক কোম্পানির উদ্যোক্তারা বেনামে সিংহভাগ শেয়ার কিনে নেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে নানা ধরনের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রচার করে বাজারে দর বাড়িয়ে বোনাস শেয়ার বিক্রি করে দেন তাঁরা। এভাবে ব্যক্তি মুনাফার সহজ পথ তৈরি করতেই গত দেড়-দু'বছরে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর বোনাস শেয়ার ঘোষণার হিড়িক পড়েছে।
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২০১০ সালে ২১৬টি কোম্পানি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করেছে। এরমধ্যে ১৪৪টি কোম্পানিই শেয়ারহোল্ডারদের জন্য বোনাস শেয়ার ঘোষণা করে। এছাড়া ৯৫টি কোম্পানি নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। বাকি কোম্পানিগুলো কোন লভ্যাংশ প্রদান করেনি।
ডিএসইর তথ্য মতে, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো গত বছর সর্বমোট ৭৫ কোটি ৩০ লাখ ১০ হাজার ৬৩৬টি বোনাস শেয়ার ইসু্য করে। এর মাধ্যমে সর্বমোট ৩ হাজার ১২০ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার মুনাফাকে মূলধনে রূপানত্মর করা হয়। এর আগে ২০০৯ সালে ইসু্য করা হয়েছিল ১ হাজার ৮৫৩ কোটি ৪৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূলধনের ৩২ কোটি ৮৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬টি বোনাস শেয়ার। ২০০৮ সালে ১৭ কোটি ৯৯ লাখ ৩ হাজার ৯৫৭টি বোনাস শেয়ারের মাধ্যমে ইসু্যকৃত মূলধনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪৪১ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। দু'বছরের ব্যবধানে বোনাস শেয়ার ইসু্যর সংখ্যা প্রায় ৪ গুণে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে ২০১০ সালে ডিএসইতে সকল শেয়ারের ইসু্যকৃত মূলধনের পরিমাণ ছিল ৬৬ হাজার ৪২৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে বছরের শেষ লেনদেন দিবসে সকল শেয়ারের বাজার মূল্য (বাজার মূলধন) ছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার ৮০০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ ইসু্য মূল্যের তুলনায় শেয়ারের বাজার মূল্য প্রায় ৫.২৮ গুণ বেশি। সেই হিসাবে ২০১০ সালে ইসু্যকৃত সকল বোনাস শেয়ারের মূল্য দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৪৭৬ কোটি ২৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। পরিচালক ও স্পন্সরদের হাতে গড়ে কোম্পানির মোট শেয়ারের অর্ধেক থাকলেও এক বছরে শুধু বোনাস শেয়ার ইসু্যর মাধ্যমে তাঁদের মুনাফা হয়েছে ৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ইতোমধ্যেই অধিকাংশ কোম্পানির উদ্যোক্তারা তাঁদের বোনাস শেয়ারের সিংহভাগ বিক্রি করে দিয়েছেন বলে ডিএসইর তথ্য ভা-ারে (নিউজ আর্কাইভ) প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে।
তথ্য ভা-ার বিশেস্নষণে দেখা যায়, এজিএমে বোনাস শেয়ার অনুমোদনের পর তা বিতরণের আগে বা পরপরই অধিকাংশ কোম্পানির পৰ থেকে কোন না কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ঘোষণা করা হয়েছে। এর প্রভাবে বেড়েছে শেয়ারের দর। এরপরই উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা তাদের বোনাস শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। উদাহরণ হিসাবে দেখা যায়, ঢাকা ডায়িংয়ের পরিচালনা পর্ষদ ২৮ অক্টোবর কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দেয়। ৭ ডিসেম্বর কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। ২২ ডিসেম্বর শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসাবে বোনাস শেয়ার পাঠানো হয়। একই সময়ে কোম্পানিটি রাইট শেয়ার ইসু্য করবে বলে বাজারে গুজব ছড়ানো হয়। এর ফলে এক সপ্তাহের মধ্যে শেয়ারটির দর ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১০১ টাকায় উঠে যায়। ২ জানুয়ারি পরিচালনা পর্ষদের পৰ থেকে ১:১ হারে রাইট শেয়ার ইসু্যর ঘোষণা দেয়া হয়। এভাবে বোনাস ইসু্য করা অধিকাংশ কোম্পানিই মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ব্যবহার করে শেয়ারের দর বাড়িয়েছে বলে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়।
বোনাস ঘোষণা করে পরিচালকদের অতিরিক্ত মুনাফার সবচেয়ে বড় দৃষ্টানত্ম স্থাপন করেছে ফার্মা এইড। ২৮ অক্টোবর ফার্মা এইডের পরিচালনা পর্ষদ ২০০৯-০১ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫০০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দেয়। কোম্পানিটি এর আগের ১০ বছর সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। একটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৫টি বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণায় শেয়ারবাজারে ফার্মা এইডের শেয়ারের দর অস্বাভাবিকহারে বেড়ে গেছে। আগের দিন ৭ হাজার ৮৩ টাকায় লেনদেন হওয়া শেয়ারটির দর ২৮ অক্টোবর ২৫ হাজার টাকা পর্যনত্ম উঠে যায়। হঠাৎ করেই ৫০০ শতাংশ হারে বোনাস ঘোষণা এবং দরবৃদ্ধির প্রবণতাকে অস্বাভাবিক মনে করে ১ নবেম্বর কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেয় এসইসি। একইসঙ্গে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয় তদনত্ম কমিটি। তবে তদনত্ম শেষ হওয়ার আগেই ২ ডিসেম্বর থেকে পুনরায় লেনদেন চালু করা হয়। ১০ ডিসেম্বর কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক এমএ মাসুদ শেয়ারবাজারে ১ হাজার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেন। ১৫ দিনের মধ্যে তিনি আরও ৭০০ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেন।
মূল্য সংবেদনশীল তথ্যে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রানত্ম করে বাজার মূল্য বাড়িয়ে পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির প্রবণতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে এসইসি চেয়ারম্যান মোঃ জিয়াউল হক খোন্দকার জনকণ্ঠকে বলেন, শেয়ারবাজারের সব রকম অনিয়ম খতিয়ে দেখতে সরকার ইতোমধ্যেই একটি তদনত্ম কমিটি গঠন করেছে। ফলে এই মুহূর্তে কোন বিষয়ে মনত্মব্য করা ঠিক হবে না। আশা করি তদনত্ম কমিটি বাজারের সব রকম নেতিবাচক প্রবণতা চিহ্নিত করে সেগুলো দূর করার বিষয়ে যথাযথ সুপারিশ পেশ করবে।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, বিদ্যমান বিধি-বিধান অনুযায়ী কোম্পানির মূলধন বাড়াতে মুনাফাকে বোনাসে রূপানত্মর করা দোষের কিছু নয়। তবে শুধু পরিচালকদের অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে বোনাস ঘোষণা করা এবং মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ঘোষণা করে দর বাড়িয়ে সেই শেয়ার বিক্রি করার প্রবণতা অবশ্যই কারসাজির পর্যায়ে পড়ে। এ ধরনের প্রবণতার বিরম্নদ্ধে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।
জানা গেছে, আইপিও বা রাইট শেয়ার ইসু্যর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে হলে কোম্পানিকে এসইসির কাছে এর যৌক্তিক কারণ ব্যাখ্যা করতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় সংগৃহীত অর্থের সামগ্রিক ব্যয় হিসাব এসইসিতে দাখিল করতে হয়। কিন্তু বোনাস শেয়ার ইসু্য করে মুনাফাকে মূলধনে রূপানত্মরের ৰেত্রে এ ধরনের কোন ব্যবস্থা নেই। এৰেত্রে শুধু এসইসির কাছ থেকে মূলধন বৃদ্ধির অনুমোদন নিলেই চলে। প্রকৃতপৰেই কোম্পানির উৎপাদন ও বাণিজ্যিক কর্মকা- সম্প্রসারণের জন্য মূলধন বাড়ানো প্রয়োজন কিনা_ সে ধরনের কোন ব্যাখ্যা দিতে হয় না। বর্ধিত মূলধনের টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে কিনা_ সে বিষয়েও কোন তথ্য দিতে হয় না। এ কারণে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে বোনাস শেয়ার ইসু্যর প্রবণতা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে ভূমিকা রাখলেও বোনাস শেয়ার ইসু্য এখন অনেক কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কারসাজির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে বলে পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্টরা মনে করেন। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 1:20 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | SEC, experts concerned at share market's latest rally
Mohammad Mufazzal
Financial Express
31.01.2011
The securities regulator and experts again expressed their concern over the continuous rise of the stock market after the recent unprecedented crash of the market.
They said it is time for all to be prudent by taking into account the lessons of the recent unprecedented fall of the share market.
Otherwise, another disaster will befall them due to the irrational behaviour of the stock market, they observed.
Their concern comes after the continuous rally of the DSE General Index (DGEN), which gained more than 1246 points in last four trading sessions.
An official of the Securities and Exchange Commission (SEC) said the present behaviour of the stock market is not something to feel delighted over by both the market and retailers.
"The continuous rally of the DGEN, which gained on an average 300 points in the last four days, is not comfortable to regulator," the official said.
"However, investors ought to be prudent in the interest of their investments," the official said.
Professor Salah Uddin Ahmed Khan, who teaches finance at Dhaka University, said the market is likely to experience another disaster if the investors do not become aware of the realities.
"The investors should remember their recent experience before going for aggressive investments," Mr. Khan said.
"Otherwise, another disaster is inevitable, in which the retailers will be far more affected," he added.
Mr. Khan said the liquidity supply should be tightened gradually to control the continuous rally of the stock market.
"The regulator should play a role so that neither the market goes up riding on excess liquidity supply, nor is the market affected by hard measures," he said.
Another market expert said, asking not to be named, "The market is likely to embrace another disaster if the investors forget their recent experience."
Meanwhile, a market expert and merchant banker said that in normal case investors should take some profits when the market continuously goes up for three or four days.
"Investors should use their proper knowledge to avert another catastrophe," he said.
The market re-opened on January 25, and on that day the shares prices at Dhaka Stock Exchange (DSE) went up sharply and DGEN soared 494 points from the previous session of January 20, when the DGEN was close to 6326.34 points.
On the re-opening day, all indices gained nearly eight per cent, despite an insignificant turnover of Tk 2.06 billion, which was more than two years' lower since December 22, 2008 as investors were not in a position to sell their shares.
On Wednesday, the DGEN gained 458 points and all indices gained more than six per cent with the majority of the shares hitting upper level of their respective circuit breakers once again.
On the following day, the DGEN gained 105 points with a significant turnover of Tk 10.30 billion and experts termed the behavior comparatively mature.
All sectors scored remarkable gains close to 10 per cent last week but on Sunday, the DGEN gained more than 2.52 per cent or 186.69 points to 7572.61 points, which prompted concern. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 1:21 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Dhaka stocks' bull run continues for 4th straight session
FE Report
31.01.2011
Dhaka stocks' upward trend continued for the fourth straight session Sunday, as the investors went for fresh buying in most sectors.
However, analysts said consistent spike in share prices is not a good sign for a sustainable market.
The market opened with a positive mood in the morning as the DGEN gained 27 points within seven minutes, but it went to the negative zone for a while. However, after that the DGEN began to rise and the momentum continued until the closure as the investors went for fresh buying mainly in financial issues, finally closing 186 points higher.
The benchmark DSE General Index (DGEN) - the market barometer - went up by 2.53 per cent or 186.70 points to end at 7572.61. The benchmark index jumped 1246.27 points or 19.7 per cent in the last four trading sessions, after it suffered big slumps on January 19 and 20.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 6271.53, rising 2.46 per cent or 150.61 points. The DSE-20 index including blue chips soared 1.21 per cent or 57.08 points to 4758.79.
In all, 81.04 million shares changed hands Sunday, the opening day of the week, against 83.62 million Thursday. The trade deals Sunday totalled 166,422 compared to 168,305 Thursday last.
Total turnover stood at Tk 10.02 billion, down by 2.74 per cent compared to the previous session. The gainers took a strong lead over the losers as out of 261 issues traded, 225 advanced, only 33 declined and three remained unchanged.
The total market capitalisation stood at Tk 3281.20 billion (including Equity Tk 2777.65 billion, Mutual Tk 42.45 billion and debenture securities Tk 461.10 billion) Sunday which was Tk 3215.31 billion in the previous session.
The government steps and the regulatory measures further increased the investors' confidence which was reflected on the market, the analysts said.
Ahmed Rashid, managing director of Rashid Investment Services, said, "The market is stable though there was a little volatility and it will be more stable in the days ahead as investors are optimistic about the market."
He said if the money market remains stable, the stock market will be more stable.
However, AB Mirza Azizul Islam, former adviser to the caretaker government said, "The market is yet to return to normal and as such a free ride in share prices might again be risky as prices of almost all the shares are going up continuously."
"The continuous rise in share prices is not a good sign for a sustainable market and this spike may again be risky for the investors as many of the weak fundamental companies' share prices are going up continuously," Mirza Azizul Islam, also former chairman of Securities and Exchange Commission (SEC) said.
Apart from the telecommunications sector, all other sectors closed positive.
The banking issues, the market's bellwether, continued to flex their muscle for the fourth consecutive session and all the 30 banks in the sector closed in the deep green zone and the sector gained 1.73 per cent.
Among others NBFIs sector gained 4.35 per cent, general insurance 3.78 per cent and life insurance 2.40 per cent. Fuel and power and pharmaceuticals also gained 2.07 per cent and 1.27 per cent respectively while telecommunications lost 0.57 per cent on the day.
UCBL topped the turnover list with shares worth Tk 570.61 million changing hands. The other turnover leaders were National Bank, Bay Leasing, Titas Gas, Grameenphone, Peoples Leasing, Maksons Spinning, Beximco Limited, Lankabangla Finance and Union Capital.
RAK Ceramics was the highest gainer posting a rise of 15.90 per cent on the day as the company announced 15 per cent cash dividend and 10 per cent stock dividned for the year end.
The day's other gainers were DBH First Mutual Fund, Golden Son, Malek Spinning, United Airways, Keya Ditergent, Deshbandhu Polymer, Dacca Dying, Saiham Textile and Miracle Industries.
The day's prominent losers included Islami Insurance, ICB AMCL First NRB Mutual Fund, Monno Jute Stafflers, Libra Infusions Limited, Jute Spinners, First ICB, Monno Jutex, Beximco Synthetics, Sixth ICB, Apex Spinning. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 1:22 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Half-yearly monetary policy unveiled
Reining in inflation main goal
FE Report
31.01.2011
The central bank unveiled Sunday its half-yearly monetary policy that aims at keeping inflation rate at around 7.0 per cent by the end of this fiscal through discouraging credit flow to unproductive sectors.
Other major thrust of the policy will on achieving an inclusive economic growth by facilitating productive sectors while keeping inflationary pressure under control.
"Monetary policy stance in the second half (H2) of this fiscal will, as before, remain accommodative for productive economic activities; while also firmly discouraging diversion and undue expansion of bank credit for wasteful unproductive uses, to stem build-up of inflationary pressures," Bangladesh Bank (BB) Governor Atiur Rahman told reporters at the central bank while releasing the monetary policy for January-June period of the fiscal 2010-11 (FY11).
He also said climatic adversities disrupting output in many regions around the world are pushing up global prices of food commodities; strong growth performance in emerging and developing economies is propping up global prices of energy and non-food industrial commodities as well.
"Against this backdrop, decline in the 12-month average CPI inflation in Bangladesh in H2 FY11 may be slower than expected earlier, remaining above the 6.5 per cent level targeted in government's FY11 budget. A level around 7.00 per cent appears to be likelier for June 2011," the central bank chief added.
He also said the government could re-fix energy price in H2 of this fiscal that will impart some upward spurt on non-food CPI inflation.
"Food price inflation remained volatile in H1 FY11 both domestically and globally, at 9.80 per cent in November in Bangladesh against 10.88 percent of June 2010," Dr. Rahman added.
The country's inflation as measured by consumers' price index (CPI) moved slightly in the month of November last mainly because of increase in prices of food items.
The inflation rate moved up to 8.14 per cent in November from 8.12 per cent of the previous month on the annual average basis, according to the Bangladesh Bureau of Statistics (BBS) data.
On the other hand, the point-to-point inflation rate rose to 7.54 per cent in November from 6.86 per cent in October 2010 despite declining prices of non-food items.
Stubbornly high food price inflation in neighboring fast growing India, and prevailing high international prices of food commodities mean that no calming influence on food prices are to be expected from private sector imports, the reason why local rice prices are high and rising even after a good aman harvest, the BB said.
"Monetary policy actions will have little leverage on rising food prices in this situation, fiscal measures by way of subsidized food grain sales from public stock may need to be expanded to ease hardships faced by low income population segments," the monetary policy said.
It also said higher food grain prices for growers have important medium term upsides however; enabling the government to scale down input subsidies as growers get market prices adequately covering their costs and remunerating their efforts, and the price incentive eliciting higher output responses is eventually stabilising prices.
"Barring unforeseen new difficulties, the economy looks well poised to attain the 6.7 per cent real gross domestic product (GDP) growth targeted for FY11, as also to leap forward to growth performance well beyond seven percent in FY12," the BB governor noted.
The central bank has taken measures to reduce credit flow to the private sector through asking some banks to bring down their credit deposit ratio (CDR) at a rational level and imposing restriction on consumer financing.
"We've already imposed restriction on consumer financing so that banks are discouraged to lend to unproductive sectors," BB Senior Deputy Governor Nazrul Huda said while replying to a query.
Credit flow to the private sector recorded a growth of 27.77 per cent to Tk 658.938 billion in November 2010 on a year-on-year basis compared to 16.73 per cent or Tk 340.175 billion in the same period of the previous calendar year, according to the central bank statistics.
However, the BB had set the private sector credit growth target at 16 per cent by the end of June 2011.
The BB deputy governor also said the central bank has sat with the banks, which have higher credit growth than that of deposit, separately to discuss the issue.
"Actually, the private sector credit growth was high last year," Mr. Huda said, adding that the credit flow to the private sector will come down at reasonable level if the banks maintain the existing CDR norm.
At least six commercial banks have CDR ranging between 84 and 94 per cent, instead of the standard 81 per cent, the central bank officials confirmed.
In conformity with the monetary policy stance and the financial inclusion initiative, the BB's credit policies in H2 FY11 will seek to redirect credit flows for unproductive wasteful uses into productive, employment and income generating uses.
"Supervisory vigil on lending and loan administration discipline in banks will remain stricter, lapses and laxities in lending banks will be dealt with sternly, eschewing forbearance," the BB said.
The central bank has kept broad money supply target unchanged at 15.2 per cent for FY11, which is higher considering the country's inflation and GDP growth, Deputy Governor of the BB Ziaul Hassan Siddiqui said.
"It's an accommodative monetary policy," Mr. Siddiqui said while mentioning the definitions between concretionary and neutral monetary polices.
Regarding energy prices revision, the BB deputy governor said the government will take decision on rising prices of fuel oils considering the country's macroeconomic stability. "It's not our basic task," he noted.
The first-ever monetary policy statement was formally published in January 2006 and the central bank of Bangladesh declared that it would publish it on a half-yearly basis along with a half-yearly policy review.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 1:25 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে চাঙ্গা ভাব অব্যাহতবিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ
নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
31.01.2011
চতুর্থ দিনের মতো গতকাল রবিবারও শেয়ারবাজারের মূল্যবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত ছিল। শেয়ারবাজার চালুর পর থেকেই এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে। পুঁজিবাজারের এ পরিস্থিতিকে বিশেষজ্ঞরা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রকাশ হিসেবে দেখছেন। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের সতর্ক হতে বলেছেন বিশ্লেষকরা। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী কালের কণ্ঠকে বলেন, 'শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসছে। এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে ধৈর্য ধরতে হবে।'
পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'গত বৃহস্পতিবার মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা যে ইতিবাচক কথা বলেছেন, তার একটা সুফল দেখা গেছে শেয়ারবাজারে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসছে বলে মনে হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে শুরু করেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাজারে।' তিনি বলেন, 'বাজারের লেনদেন, মূলধন ও সূচকের মধ্যে এই মুহূর্তে একটা ভারসাম্য বজায় রয়েছে। সূচক আরো বাড়লে আবার ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে বাজার।'
গতকাল বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৬.৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৭৫৭২.৬১ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। মোট ২৬১টি কম্পানির আট কোটি ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৭০টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে গতকাল মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক হাজার দুই কোটি দুই লাখ ছয় হাজার ৫৬০ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ২৮ কোটি ২২ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৬১টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৫টির। কমেছে ৩৩টি কম্পানির ও অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি কম্পানির শেয়ার। ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল_তিন লাখ ২৮ হাজার ১১৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪১৬ টাকা। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 1:28 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
সপ্তাহের শুরুতে চাঙা পুঁজিবাজার
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ৩০-০১-২০১১
Prothom-Alo
চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে সপ্তাহের প্রথম দিন পার করল দেশের পুঁজিবাজার। দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ সূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম। তবে আর্থিক লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কিছুটা কমেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আজ বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত মূদ্রানীতির প্রভাব বাজারে লক্ষ্য করা গেছে। তাঁদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাজারের জন্য ইতিবাচক মূদ্রানীতি আসবে এমন আশায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আজ শেয়ার কেনার প্রবণতা বেশি ছিল। ফলে বাজার চাঙা হয়ে ওঠে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ রোববার লেনদেনের শুরুতে সাধারণ মূল্যসূচক বাড়লেও ১৫ মিনিটে সূচক প্রায় ২০ পয়েন্ট কমে যায়। তবে এরপর সূচক আবার বাড়তে শুরু করে, যা বাকিটা সময়ই অব্যাহত থাকে। দিন শেষে দেখা যায়, সাধারণ মূল্যসূচক ১৮৭.৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ৭৫৭২.৬১ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ লেনদেন হওয়া ২৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৫টির, কমেছে ৩৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মোট তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে মোট এক হাজার দুই কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে ২৮ কোটি টাকা কম। গত বৃহস্পতিবার ডিএসইতে এক হাজার ৩০ কোটি টাকার লেনদেন হয়। আজ ডিএসইর বাজার মূলধন তিন লাখ ২৮ হাজার ১১৯ কোটি টাকা।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ সাধারণ সূচক ৫০৪.৫৬ পয়েন্ট বেড়ে ২১৪৬৯.৮০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৫টির, কমেছে ২৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মোট ছয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ১২৫ কোটি টাকা, যা গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে এক কোটি টাকা কম। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয় ১২৬ কোটি টাকার।
আজ ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠান হলো ইউসিবিএল, এনবিএল, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, তিতাস গ্যাস, গ্রামীণফোন, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, ম্যাকসন স্পিনিং, বেক্সিমকো, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে আরএকে সিরামিকের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া ডিবিএইচ প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, গোল্ডেন সন, মালেক স্পিনিং, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, কেয়া ডিটারজেন্ট, দেশবন্ধু পলিমার, ঢাকা ডাইং, সায়হাম টেক্সটাইল ও মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০-এর তালিকায় রয়েছে।
আজ সবেচেয়ে বেশি কমেছে ইসলামী ইনস্যুরন্সের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া আইসিবি প্রথম এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, মুন্নু স্টাফলার, লিবরা ইনফিউশন, জুট স্পিনার্স, প্রথম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, মুন্নু জুটেক্স, বেক্সিমকো সিনথেটিক, ষষ্ঠ আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড ও অ্যাপেক্স স্পিনিং দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/31/2011 8:27 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | স্পন্সর শেয়ার বিক্রিতে অনিয়ম নিয়ে বেক্সিমকোর প্রতিবাদ ও শীর্ষ নিউজের প্রমাণ
ঢাকা, ৩১ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারের বিদ্যমান আইন লঙ্ঘন করে স্পন্সর শেয়ার বিক্রি করেছে বেক্সিমকো গ্রুপ। ২০০৯ সালের মে থেকে ২০১০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ডিএসইর মাসিক রিভিউতে দেয়া তথ্য অনুযায়ী বেক্সিমকো গ্রুপের ৪টি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের স্পন্সর ডিরেক্টররা ১৬৫০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেন। গতকাল রোববার শীর্ষ নিউজ ডটকমে 'আইন ভঙ্গ করে ১৬৫০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি বেক্সিমকোর' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে স্পন্সর শেয়ার বিক্রিতে অনিয়মের বিস্তারিত তথ্যও উল্লেখ করা হয়। তবে বেক্সিমকো গ্রুপের পক্ষে বেক্সিমকো মিডিয়া লিমিটেড প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, প্রতিবেদনটি সত্য নয়। প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে শীর্ষ নিউজ ডটকমের প্রমাণ এবং বেক্সিমকোর প্রতিবাদ তুলে ধরা হলো।
বেক্সিমকোর প্রতিবাদ
৩০ জানুয়ারি শীর্ষ নিউজ ডটকমে প্রচারিত 'আইন ভঙ্গ করে ১৬৫০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি বেক্সিমকোর' শিরোনামে সংবাদটির প্রতিবাদ জানিয়েছে বেক্সিমকো। বেক্সিমকো মিডিয়া লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদ পত্রে বলা হয়, শীর্ষ নিউজ ডটকমে প্রচারিত সংবাদটি কুৎসাপূর্ণ ও মিথ্যা। বেক্সিমকোর কোন স্পন্সর কিংবা পরিচালক শেয়ার বিক্রি করেননি। প্রতিবাদ পত্রে প্রকাশিত ওই রিপোর্টটি প্রত্যাহারেরও অনুরোধ জানায় বেক্সিমকো।
শীর্ষ নিউজের প্রমাণ
প্রকাশিত রিপোর্টটি শীর্ষ নিউজের মনগড়া তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়নি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাসিক রিভিউ ও ডিএসইর ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্যানুযায়ী রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে। ডিএসইর মাসিক রিভিউতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর স্পন্সর, সরকার, প্রতিষ্ঠান, বিদেশি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ার অনুপাত প্রকাশ করা হয়। বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে দেয়া প্রতিবাদ পত্রে বলা হয়েছে যে, কোন উদ্যোক্তা অথবা পরিচালক শেয়ার বিক্রি করেননি। ২০০৯ সালের মে মাসে ডিএসই প্রকাশিত মাসিক রিভিউতে দেখা যায় বেক্সিমকো লিমিটেডের স্পন্সর/পরিচালকদের শেয়ার ছিল ২৪.৮৮ শতাংশ। কিন্তু ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে এ কোম্পানির স্পন্সর/পরিচালকদের শেয়ার নেমে আসে ২১.২৬ শতাংশে। উলি্লখিত সময়ের ব্যবধানে বেক্সিমকো লিমিটেডের স্পন্সর/পরিচালকদের শেয়ার ৩.৬২ শতাংশ কমেছে। বিক্রি না করলে এ পরিমাণ শেয়ার কিভাবে কমলো তা ওই প্রতিবাদ পত্রে ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি।
এছাড়া ডিএসইর মাসিক রিভিউতে ২০০৯ সালের মে মাসে বেক্সিমকো টেক্সটাইলের স্পন্সর/পরিচালকদের শেয়ার ৩৯.৪৭ শতাংশ থাকলেও ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তা নেমে আসে ২০.১৫ শতাংশে। অর্থাৎ উক্ত সময়ের মধ্যে স্পন্সর/পরিচালকদের শেয়ার ১৯.৩২ শতাংশ কমেছে। অপরদিকে ডিএসইর মাসিক রিভিউ অনুযায়ী ২০০৯ সালের মে মাসে বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালকদের শেয়ার ২০.৬৩ শতাংশ থাকলেও ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তা নেমে আসে ১০.৯১ শতাংশে। উল্লিখিত সময়ে এ কোম্পানির স্পন্সর/পরিচালকদের ধারণ করা শেয়ার কমেছে ৯.৭২ শতাংশ। ২০০৯ সালের মে মাসের ডিএসইর মাসিক রিভিউ অনুযায়ী বেক্সিমকো সিনথেটিকের স্পন্সর/পরিচালকদের শেয়ার ৪১.৯২ শতাংশ থেকে ২০১০ সালের অক্টোবরে ৩৫.৬০ শতাংশে নেমে এসেছে। উল্লিখিত সময়ে এ কোম্পানির স্পন্সর/পরিচালকদের ধারণ করা শেয়ার কমেছে ৬.৩২ শতাংশ। এখন প্রশ্ন হচ্ছে বেক্সিমকো গ্রুপের উক্ত চারটি কোম্পানির স্পন্সর/পরিচালকদের শেয়ার বিক্রি না করলে ধারণ করা শেয়ার কমল কিভাবে। অপরদিকে স্পন্সর/পরিচালকদের শেয়ার বেচা-কেনায় কিছু বিধি-বিধান মেনে চলার নিয়ম রয়েছে সিকিউরিটিজ আইনে। নিয়মানুযায়ী পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানির স্পন্সর/পরিচালকরা শেয়ার বিক্রি করতে চাইলে এসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে স্টক এক্সঞ্জের মাধ্যমে ঘোষণা দিতে হয়। কিন্তু বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সটেক্স, বেক্সিমকো ফার্মা ও বেক্সিমকো সিনথেটিকের স্পন্সর/পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির কোন ঘোষণা ডিএসইর ওয়েবসাইটে নেই। অথচ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া অন্যান্য কোম্পানির স্পন্সর/পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা পাওয়া যায়। অতএব ডিএসইর মাসিক রিভিউ ও ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্যানুযায়ী এটি পরিস্কার যে, বেক্সিমকো গ্রুপের উল্লিখিত চার কোম্পানির স্পন্সর/পরিচালকরা সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী শেয়ার বিক্রির কোন ঘোষণা দেননি।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমএইচ/১২.৩০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/31/2011 8:54 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | কাল পুঁজিবাজর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এসইসির বৈঠক
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো মার্জিন লোন নির্ধারণের দায়িত্ব পেতে পারে
গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৯৩২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩১, ২০১১
ঢাকা: সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) আগামীকাল মঙ্গলবার পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এক বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করবে। সভায় মার্জিন লোনের বর্তমান সীমা ১:২ পদ্ধতি প্রত্যাহার করা হতে পারে। সেইসঙ্গে কমিশন বর্তমান মার্জিনের সীমা নির্ধারণ করার দায়িত্ব মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর ওপর ছেড়ে দিতে পারে।
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট এক বিশ্বস্ত সূত্রে এ কথা জানা গেছে।
সভায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ লিস্টেড কোম্পানি অ্যাসোসিয়েশন’র প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, এসইসি মার্জিন লোনের ব্যাপারে আর ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা পরিমার্জন করবে না- এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই আগামীকালের সভা আহ্বান করা হয়েছে।
এখন থেকে কমিশন বছরে একবার বা দু’বার মার্জিন লোনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে। আর মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো কত পরিমাণ লোন দিবে তা প্রত্যেক হাউসকে প্রতি মাসের শুরুতে সিদ্ধান্ত নিয়ে এসইসিকে লিখিতভাবে জানাতে হবে।
প্রতিমাসে একবার করে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো মার্জিন লোন বাড়াতে বা কমাতে পারবে। হাউসগুলো ইচ্ছা করলে মার্জিন লোন কোনও কায়েন্টকে কম বা বেশি দিতে পারবে।
মার্জিন লোন নিয়ে এসইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে কমিশন সূত্র জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে এসইসি গত এক বছরে মার্জিন লোনের পরিমাণ ১২ বার পরিবর্তন করে। এরপর বাজারের সর্বকালের রেকর্ড ধসের পর বাজার সংশ্লিষ্ট সব প্রতিনিধির দাবির মুখে এসইসি এ সিদ্ধন্ত নিতে যাচ্ছে।
২০১০ সালের জুলাই মাসে এসইসি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারদের সব মার্জিন লোনযোগ্য কোম্পানির মার্জিন লোন ১:১ হিসেবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এসইসি মার্জিন লোন পরিমাণ ১:১ থেকে বাড়িয়ে ১:৫ করে এবং পিইও রেশিও ৭৫ থেকে কমিয়ে ৫০ এ নামিয়ে আনে।
এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার দু’দিন পরে এসইসি ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে মার্জিন লোনের পরিমাণ ১:১.৫ থেকে কমিয়ে ১:১ নিয়ে আসে।
একই বছর ১৫ মার্চ এসইসি অবার লোনের পরিমাণ বাড়িয়ে ১:১.৫ করে। পরে ২৩ মার্চ এনএভি ও মার্কেট প্রাইস যোগ করে মার্জিন লোন ১:১.৫ কার্যকর করতে রুল জারি করে।
সর্বশেষ চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি এসইসি মাজিন লোনের পরিমাণ ১:১.৫ থেকে বাড়িয়ে ১:২ করে।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|