DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 22 / 40 1 - 2 - 3.. - 20 - 21 - 22 - 23 - 24.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
01/26/2011 7:33 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারের ফিরতে শুরু করেছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময় : ১৬১২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৬, ২০১১

ঢাকা: টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পুঁজিবাজারের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকায় পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বাজারে ফিরতে শুরু করেছেন। বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরুর মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৪২৯ পয়েন্ট বেড়ে যায়।

একইসঙ্গে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করায় এবং ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা না থাকায় শতাধিক কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন সারাদিন হল্টেড থাকে।

বাজারের এ অবস্থাতে স্বাভাবিক হিসেবেই মনে করছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি মো. শাকিল রিজভী। বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘বাজার স্বাভাবিক আচরণ করছে।’ তার দাবি,‘বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। আর্থিক লেনদেন মঙ্গলবার অনেক কমে গেলও বুধবার আগের দিনের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।’  ডিএসই সভাপতি আরও বলেন, আমি আশা করছি বৃহস্পতিবার লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।    

বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সিমেন্ট, সিরামিকস, আইটি এবং সেবা ও আবাসন খাতের সব শেয়ারের দাম বেড়েছে। দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৮টির কমেছে ২৫টির এবং ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত থাকে। সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৫৮ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ২৮০ দশমিক ০১ পয়েন্টে উন্নীত হয়। এদিন আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ৫৮৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এটি আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৩৮১ কোটি টাকা বেশি। গত দুইদিনে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে ৯৫২ পয়েন্ট।

অন্যদিকে এদিন চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। সে সঙ্গে বেড়েছে সূচক ও আর্থিক লেনদেন। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৭টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে ১৭৪ টি শেয়ারের দাম বেড়েছে। কমেছে মাত্র ১৩টির এবং ১০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত থাকে। দিনশেষে আর্থিক লেনদেনের পরিমান ১০৯ কোটি ৮ লাখ টাকা। এটি আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা বেশি।

বুধবার বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।  বাজারে বড় ধরনের দরপতনের কারণে লোকসানে থাকায় শেয়ার বিক্রি করছেন না বলে জানান বিনিয়োগকারীরা।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 7:37 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারে চাঙাভাব অব্যাহত

অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২৬-০১-২০১১
Prothom-Alo

  

দেশের পুঁজিবাজারে আজ বুধবারও চাঙাভাব অব্যাহত রয়েছে। সূচক ও লেনদেন বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে ডিএসইতে আজ লেনদেন শুরু হয়। শুরুতেই ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক গতকালের চেয়ে ৪১২ পয়েন্ট বেড়ে যায়, যা সারা দিনই অব্যাহত থাকে। দিন শেষে সাধারণ সূচক ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ বা ৪৫৮.৯৩ পয়েন্ট বেড়ে ৭২৮০.০১ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৮টির, কমেছে ২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মোট তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে আজ ৫৮৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ৩৮০ কোটি টাকা বেশি। গতকাল সেখানে ২০৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ১১৭৫.৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৯৬৭৫.২১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৪টির, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে আজ ১০৯ কোটি টকাার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসই ওয়েবসাইট সূত্রে আজ লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, এনবিএল, গ্রামীণফোন, বেক্সটেক্স, ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মা, বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো ও প্রাইম ব্যাংক।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রডসের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া বিজিআইসি, রংপুর ফাউন্ড্রি, আরএন স্পিনিং, অ্যাকটিভ ফাইন, ঢাকা ডাইং, ওসিএল, স্কয়ার টেক্সটাইল, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড ও উত্তরা ব্যাংক দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
ডিএসইতে আজ সবচেয়ে বেশি কমেছে অরটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া সমতা লেদার, ঝিল বাংলা, ইসলামী ইনস্যুরেন্স বাংলাদেশ লিমিটেড, ফার্মা এইড, আলহাজ্ব টেক্সটাইল, দেশবন্ধু পলিমার, মুন্নু স্টাফলার, বিএসসি ও শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 9:18 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার 'আবার বিপদজনক উত্থানের পথে'


ঢাকা, জানুয়ারি ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


ঊর্ধ্বমুখী সূচক নিয়েই বুধবার লেনদেন শেষ করেছে ঢাকার পুঁজিবাজার।

মঙ্গলবারের মতো এদিনও শেয়ার কেনার ব্যাপক চাপ থাকলেও হাতে থাকা শেয়ার ছাড়ার ব্যাপারে ব্যাপারে অনাগ্রহ দেখা গেছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক ছিলো ৭২৮০, যা দিনের শুরুর চেয়ে ৪৫৮ পয়েন্ট বা ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি।

গত ২০ জানুয়ারি পুঁজিবাজারে ধসের পর লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হলেও খোলার পর দুই দিনে সূচক বেড়েছে ৯৫৩ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট।

বাজারের এ প্রবণতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশ্লেষকরা বলছেন, এতোকিছুর পরও গত দুইদিনে বাজারের এই ঊর্ধ্বগতি বিনিয়োগকারীদের 'অপরিপক্কতকেই' প্রকাশ করছে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, "আগের মতোই বাজার বিপদজনকভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠেছে। এ ধরনের প্রবণতা প্রমাণ করে বিনিয়োগকারীরা সা¤প্রতিক বাজার ধস থেকে কোনো শিক্ষা নেননি। এটি কোনো পরিপক্কতার লক্ষণ নয়।"

এদিন ডিএসইতে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় লেনদেন কম হয়েছে। ডিএসইর জনসংযোগ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় ১০৫টি কোম্পানির শেয়ারের বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়।

দেশের প্রধান এই বাজারে এদিন মোট ৫৮৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়, যা আগের দিনের চেয়ে দেড়গুণ বেশি।

হাতবদল হওয়া ২৫৬টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৮টির, কমেছে ২৫টির; আর অপরিবর্তিত ছিল তিনটির দাম।

দিনের লেনদেনের শীর্ষে ছিল বিডি ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডস, বিজিআইসি ও রংপুর ফাউন্ড্রি।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্চেও এদিন সূচক বেড়েছে। দিন শেষে এ বাজারের সূচক ৭৮৩ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট বা ৬ দশমিক ১৬ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ৪৯১ দশমিক ৫৫ পয়েন্টে অবস্থান করছিলো।

এ বাজারে লেনদেন হওয়া ৮০ ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম এদিন বেড়েছে।

তবে ডিএসই'র সাবেক প্রধান নির্বাহী সালাহউদ্দিন আহমেদ খানের মতে, এটা মোটেই 'ভালো লক্ষণ' নয়।

তিনি বলেন, "বাজারের এই ধারা কোনো ভালো লক্ষণ নয়। বিনিয়োগকারীদের আরো সতর্ক হওয়া উচিত।"

"বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী আগের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশায় দাম আরো বাড়ার অপেক্ষায় আছেন। ক্রেতার চাপ থাকলেও এ কারণেই বাজারে বিক্রেতা কম। তবে তাদের এটাও মাথায় রাখা দরকার- বাজারের এই ঊর্ধ্বগতি যে কোনো সময় থমকে যেতে পারে", যোগ করেন তিনি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এএল/জেকে/১৯৪৯ ঘ.
WARNING: Any unauthorised use or reproduction of bdnews24.com content
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 12:54 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারে চাঙাভাব অব্যাহত

ইত্তেফাক রিপোর্ট
27.01.2011

দেশের শেয়ারবাজারে বুধবারও চাঙাভাব অব্যাহত রয়েছে। অধিকাংশ শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি সূচক ও লেনদেন বেড়েছে।

চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে ডিএসইতে বুধবার লেনদেন শুরু হয়। শুরুতেই ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক গত মঙ্গলবারের চেয়ে ৪১২ পয়েন্ট বেড়ে যায়, যা সারাদিনই অব্যাহত থাকে। দিন শেষে সাধারণ সূচক ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ বা ৪৫৯ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ২৮০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৮টির, কমেছে ২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মোট তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে বুধবার ৫৮৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা এর আগের দিনের চেয়ে ৩৮০ কোটি টাকা বেশি। মঙ্গলবার ২০৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ১ হাজার ১৭৫.৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৯ হাজার ৬৭৫.২১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৪টির, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে আজ ১০৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, এনবিএল, গ্রামীণফোন, ক্সেটেক্স, ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, বেক্সিকো ফার্মা, বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো ও প্রাইম ব্যাংক। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্টোডসের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া বিজিআইসি, রংপুর ফাউন্ড্রি, আরএন স্পিনিং, অ্যাকটিভ ফাইন, ঢাকা ডাইং, ওসিএল, স্কয়ার টেঙ্টাইল, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট ও উত্তরা ব্যাংক দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।

ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি কমেছে অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের দাম। এছাড়া সমতা লেদার, ঝিল বাংলা, ইসলামী ইনস্যুরেন্স বাংলাদেশ, ফার্মা এইড, আলহাজ্ব টেক্সটাইল, দেশবন্ধু পলিমার, মুন্নু স্টাফলার, বিএসসি ও শ্যামপুর সুগার মিলস দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 12:56 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার থেকে করা মুনাফা ব্যাংক ফের বিনিয়োগ করতে পারবে
আস্থা ফেরাতে উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের ॥ তবে আইনী সীমা মানতে হবে_ বোনাস বা লভ্যাংশ দেয়া যাবে না



খায়রুল হোসেন রাজু ॥
The Daily Janakantha
27.01.2011

ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজার থেকে মুনাফা করা প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা আবার বিনিয়োগের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইনের মধ্যে থেকে (অর্থাৎ সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের মোট দায়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত) শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে ব্যাংকগুলো। পুঁজিবাজার স্থিতিশীল এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতেই নতুন এ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জনকণ্ঠকে বলেন, ব্যাংকের কোন অর্থই (ডিপোজিট মানি) শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা ঠিক নয়। সেটি মূলধন আর লভ্যাংশের অর্থ যাই হোক না কেন। কারণ ব্যাংক যদি কোনক্রমে শেয়ারবাজার থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে ব্যাংকের ডিপোজিটরদের লোকশান হবে। কিন্তু ব্যাংক লাভ করলে ডিপোজিটররা পাবেন না। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো ডিপোজিটরদের অর্থ দিয়েই শেয়ারবাজার থেকে মুনাফা অর্জন করেছে। তাই এ টাকার মালিক ডিপোজিটররা। তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজার থেকে মুনাফা করা অর্থ থেকে কোন লভ্যাংশ না দিয়ে তা ব্যাংকের মূলধন মজবুত করার জন্য রাখা উচিত। এতে ব্যাংকের মূলধন আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি ব্যাসেল-২ অনুযায়ী ব্যাংকগুলো মূলধন যে ৪শ' কোটি টাকা করতে বলা হয়েছে সেৰেত্রেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেও আমি মনে করি।
সূত্রে জানা গেছে, গত বছর (২০১০ সালে) ব্যাংকগুলো প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে। এর মধ্যে একটি বড় অংশ এসেছে পুঁজিবাজার থেকে। গত বছর যেসব ব্যাংক শেয়ারবাজার থেকে বেশি মুনাফা অর্জন করেছে সে তালিকায় প্রায় ১৪টি ব্যাংকের নাম রয়েছে। ব্যাংকগুলো হলো এবি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, সাউথইস্ট, প্রাইম, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, মিউচু্যয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকসহ মোট ১৪টি ব্যাংক। ব্যাংকগুলো গত বছর শেয়ারবাজার থেকে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার ওপরে মুনাফা অর্জন করেছে। এর মধ্যে কমিশন হিসেবে মুনাফা অর্জন করেছে প্রায় ৫শ' কোটি এবং ব্যাংক সরাসরি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে মুনাফা করেছে প্রায় ১৫শ' কোটি টাকা (১ হাজার ৩২১ কোটি টাকা)।
সূত্রে আরও জানা গেছে, পুঁজিবাজারের স্থিতিশীল অবস্থা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের বিভিন্ন সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। এরই অংশ হিসেবে কলমানির সুদের হার কমানো, রেপো ও তারল্য সহায়তা প্রদান করাসহ সামগ্রিক নির্দেশনায় অনেকটা শিথিলতা আনা হয়েছে। সর্বশেষ ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজার থেকে বিনিয়োগ করে যে মুনাফা অর্জন করেছে তাও আবার শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে বলেও সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে বিনিয়োগের ৰেত্রে ব্যাংকগুলোকে ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর নির্দেশনা মেনে চলে করতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকের মোট দায়ের ১০ শতাংশের বেশি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে না।
শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর যখন অতিমাত্রায় বিনিয়োগ ছিল, তখন বাংলাদেশ ব্যাংক বিনিয়োগ আইনী সীমার মধ্যে নামিয়ে আনার জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ প্রদান করে। এরই অংশ হিসেবে সর্বশেষ গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম পুঁজিবাজারের মোট বাজার মূলধনের মধ্যে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ ছিল প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট শেয়ারবাজারের মূলধনের মধ্যে প্রায় ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। সেই হিসেবে বর্তমানে ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজার থেকে অর্জিত লাভের একটি বড় অংশ আবার শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী ব্যাংকগুলোয় তাদের মোট দায়ের ১০ শতাংশ পর্যনত্ম পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে। সেই হিসেবে ব্যাংকগুলো তাদের দায়ের আরও সাড়ে ৭ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে।
ব্যাংকগুলো যাতে তাদের লাভের একটি অংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে এ লৰ্যে ওই লাভের অর্থ দিয়ে শেয়ারহোল্ডারদের কোন স্টক, বোনাস এবং অন্য কোন লভ্যাংশ প্রদান করতে পারবে না বলেও বাংলাদেশ ব্যাংক অলিখিতভাবে নির্দেশ দিয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ পর্যায়ে বৈঠকও সম্পন্ন হয়েছে। পুঁজিবাজারের লাভের টাকা দিয়ে আবার শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতেই বাংলাদেশ ব্যাংক ওই অর্থ দিয়ে কোন ধরনের বোনাস প্রদান না করার নির্দেশ দিয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকের ক্যাপিটালের একটি পার্ট হিসেবেই শেয়ারবাজার থেকে মুনাফা করা অর্থ জামানত থাকবে। ব্যাংকগুলোর সকল হিসেব সম্পন্ন করার পরেই এসব অর্থ দিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হবে বলেও জানা গেছে।
শেয়ারবাজার থেকে অর্জিত মুনাফা থেকে লভ্যাংশ না দিয়ে আবার তা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীল পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজার থেকে যে মুনাফা অর্জন করেছে এর একটি বড় অংশই আবার শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হয়েছে। তবে এসব মুনাফার অর্থ দিয়ে ব্যাংকগুলো কোনক্রমেই শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ প্রদান করতে পারবে না_ এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক অলিখিতভাবে একটি সিদ্ধানত্মও দিয়েছে। ব্যাংকগুলোর সার্বিক মুনাফার চূড়ানত্ম হিসেব হলেই পুঁজিবাজার থেকে অর্জিত মুনাফার অর্থ আবার শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। তবে তা ব্যাংক কোম্পানি আইনী সীমার মধ্যে থেকে বিনিয়োগ করবে_ এর বাইরে নয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 12:57 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারে সবাই ক্রেতা!
দ্বিতীয় দিনে বিক্রেতাশূন্য ১৫২ কোম্পানির শেয়ার য়চাঙ্গা হচ্ছে লেনদেন


রাজু আহমেদ ॥
The Daily Janakantha
27.01.2011


বড় দরপতনের আতঙ্কে টানা দু'সপ্তাহ ধরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির হিড়িক পড়ে গেলেও পুঁজিবাজারে এখন সবাই শুধুই ক্রেতা। টানা দরপতনের পর সরকারের নানামুখী পদৰেপের ফলে শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে বলে বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশা করছেন। এ কারণেই অধিকাংশ বিনিয়োগকারী তাঁদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রিতে আগ্রহী হচ্ছেন না। তাছাড়া ব্যাপক দরপতনের কারণে প্রায় সব শেয়ারের দরই বিনিয়োগকারীদের কেনা দামের নিচে অবস্থান করছে। বাজার স্থিতিশীল হওয়ার আশায় কেউই লোকসানে শেয়ার বিক্রি করতে আগ্রহী নয়। অন্যদিকে এর আগে বেশি দরে কেনা শেয়ারের গড় ক্রয়মূল্য কমানোর জন্য অধিকাংশ বিনিয়োগকারী নতুন করে শেয়ার কেনার দিকে ঝুঁকেছেন। এসব কারণে আগের দিনের মতো বুধবারও শেয়ারবাজারে ব্যাপকহারে কেনার চাপ থাকলেও অধিকাংশ শেয়ারের কোন বিক্রেতা ছিল না।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, বুধবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ১৫৬টি কোম্পানির মধ্যে ১৫২টিরই দিনের অধিকাংশ সময় কোন বিক্রেতা ছিল না। এর বিপরীতে কেনার চাপ প্রবল থাকায় প্রায় সব কোম্পানির দরই দিনের সর্বোচ্চ সীমায় (সার্কিট ব্রেকার) পেঁৗছে যায়। ফলে ডিএসই সাধারণ সূচক ৪৫৮.৯৩ পয়েন্ট বা ৬.৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। লেনদেন হওয়া মোট ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২২৮টিরই শেয়ারের দর বেড়েছে। এর বিপরীতে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে এবং ৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিক্রির প্রবণতা কম থাকলেও বাজারে লেনদেন চাঙ্গা হতে শুরম্ন করেছে। অনেক বিনিয়োগকারী দিনের সর্বোচ্চ দরে শেয়ার বিক্রির সুযোগ গ্রহণ করায় আগের দিনের চেয়ে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ৩১৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা বেড়েছে। সারা দিনে মোট লেনদেন হয়েছে ৫৮৭ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ৪১০ টাকা মূল্যের ৫ কোটি ৪ লাখ ৫৬ হাজার ১০১টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড ।
পর্যবেৰণে দেখা গেছে, আগের দিনের মতো বুধবারও লেনদেনের শুরম্নতেই তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। ফলে মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪০০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। একঘণ্টার মধ্যেই সূচক বৃদ্ধির মাত্রা ৪৫০ পয়েন্ট ছাড়িয়ে যায়। এ সময় অধিকাংশ শেয়ারের দর দিনের সর্বোচ্চ সীমায় পেঁৗছে যায়। শেয়ার কেনার জন্য সব ধরনের বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও অধিকাংশ শেয়ারেরই কোন বিক্রেতা ছিল না। দিনের শেষ পর্যনত্ম এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলেও সর্বোচ্চ দরে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা আগের দিনের চেয়ে বেশি ছিল। মূলত এ কারণেই আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
বড় বিপর্যয়ের পর টানা দু'দিন পুঁজিবাজারে উর্ধগতি অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক কাটতে শুরম্ন করেছে। আস্থা সঙ্কট পুরোপুরি না কাটলেও তাদের মধ্যে বাজার নিয়ে আশাবাদ জোরালো হচ্ছে। সরকারের নেয়া সব পদৰেপ সঠিকভাবে বাসত্মবায়িত হলে বাজারে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।
তবে বড় দরপতনের সময়ে আতঙ্কিত হয়ে একযোগে শেয়ার বিক্রির জন্য ঝাঁপিয়ে পড়া, আবার দরবৃদ্ধি শুরম্ন হলেই একসঙ্গে শেয়ার কেনার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়া_ বিনিয়োগকারীদের এ দুটো আচরণই পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য ৰতিকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। দেড় মাস ধরে দফায় দফায় রেকর্ড দরপতনের পর টানা দু'দিন অধিকাংশ শেয়ারের দর দিনের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করাকে সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক আখ্যায়িত করে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে তাঁরা এ কথা বলেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দরপতনের সময় যেমন হুজুগের বসে লোকসান দিয়ে শেয়ার বিক্রি করা ঠিক নয়, তেমনি উর্ধমুখী প্রবণতা শুরম্নর সঙ্গে সঙ্গে শেয়ার কেনার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়াও স্বাভাবিক আচরণ নয়। কোম্পানির মৌলভিত্তি দেখে বুঝে-শুনে বিনিয়োগের সিদ্ধানত্ম নেয়া উচিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা পরিণত আচরণ না করলে বাজারে আবারও যে কোন অঘটন ঘটতে পারে।
তারা পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হলে বিনিয়োগকারীদের অবশ্যই পরিণত আচরণ করতে হবে। শেয়ার কেনার ৰেত্রে কোম্পানির মৌলভিত্তি বিবেচনায় না নিলে তাদের বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে হবে। কোন কোম্পানির শেয়ারের দর ও আয়ের (পিই) অনুপাত ২০-২৫-এর বেশি হলে ওই শেয়ারের বিনিয়োগ করা ঠিক হবে না। পাশাপাশি কোম্পানিটি গত কয়েক বছরে কী হারে লভ্যাংশ দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে কোম্পানির সম্ভাবনা কেমন_ এসব বিবেচনা করে শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নিতে হবে।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারের দিক থেকে নেয়া পদৰেপগুলোর ফলে বাজারের গতি-প্রকৃতি কোন দিকে যায়_ আরও কিছুদিন তা পর্যবেৰণ করা দরকার। এই সময়ে কোনভাবেই হুজুগের বশে শেয়ার কেনায় ঝাঁপিয়ে পড়া ঠিক হবে না।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 12:58 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
আগ্রাসী বিক্রির ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন
গ্রাহকরা বিপাকে, এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
27.01.2011



বাজার মূল্যের চেয়ে কম দরে শেয়ার বিক্রির ঘটনায় অভিযুক্ত ছয় ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকা- খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য বুধবার পৃথক পৃথক কমিটি গঠন করা হয়। অবশ্য ছয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজের কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে এসইসি। আদালতের আদেশের লিখিত কপি না পাওয়ায় রিট মামলা দায়েরকারী অন্য প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না বলে এসইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। অন্যদিকে লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার গ্রাহক বিপাকে পড়েছেন।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, ছয়টি প্রতিষ্ঠানের বিরম্নদ্ধে আনীত অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক তদন্ত ছাড়া এদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না। বিধি অনুসরণ করার জন্যই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জানা গেছে, লেনদেন স্থগিত করা ছয়টি ব্রোকারেজ হাউসের অস্বাভাবিক লেনদেন তদনত্মে ছয়টি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুই সদস্যের প্রতিটি কমিটিতে এসইসির একজন উপ-পরিচালক ও একজন সহকারী পরিচালককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কমিটিগুলো আগামী ২ ফেব্রম্নয়ারির মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে। আইআইডিএফসির অস্বাভাবিক লেনদেন তদন্তে গঠিত কমিটিতে রয়েছেন এসইসির উপ-পরিচালক আবুল হাসান ও সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম। এনসিসি ব্যাংকের জন্য গঠিত কমিটিতে রয়েছেন উপ-পরিচালক শেখ মাহবুবুর রহমান ও সহকারী পরিচালক হোসেন খান। ঢাকা ব্যাংকের অনিয়ম তদনত্মের দায়িত্ব পেয়েছেন উপ-পরিচালক মনসুর রহমান ও সহকারী পরিচালক ইউসুফ ভূঁইয়া। উপ-পরিচালক আবু রায়হান মোঃ মুসত্মাকিম বিলস্নাহ ও সহকারী পরিচালক ওয়াহিদুল ইসলামকে এ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজের কর্মকা- তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের জন্য গঠিত কমিটিতে রয়েছেন উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ও সহকারী পরিচালক ইকবাল হোসেন।
এদিকে অভিযুক্ত ছয় ব্রোকারেজ হাউসের মধ্যে বুধবার এনসিসি ব্যাংকের কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে এসইসি। ফলে আজ (বৃহস্পতিবার) এই প্রতিষ্ঠানে লেনদেন কার্যক্রম চালু হবে। তবে আদালতের আদেশের কপি না পাওয়ায় আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ব্যাংক সিকিউিরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউস এবং এ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজের বিষয়ে সিদ্ধানত্ম নিতে পারেনি এসইসি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার এসব ব্রোকারেজ হাউসের কার্যক্রম এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের এক মাসের জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
উলেস্নখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিনের লেনদেন শুরম্নর পর মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের ফলে ডিএসই সাধারণ সূচক ৫৯৯ পয়েন্ট কমে যায়। এর ফলে তাৎৰণিকভাবে শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। ওইদিন এসইসির সার্ভিল্যান্স বিভাগ ওই সময়ের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখেছে, কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস থেকে বাজার দরের চেয়ে কম মূল্যে শেয়ার বিক্রির আদেশ দেয়া হয়েছে। বাজারে অনাকাঙ্ৰিত পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্যই এ ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে কমিশন মনে করে। শেয়ার বিক্রির ৰেত্রে সন্দেহজনক প্রবণতার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়ায় ৬টি ব্রোকারেজ হাউসের কার্যক্রম এক মাসের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এদিকে লেনদেন বন্ধ থাকায় ৬টি প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার গ্রাহক বড় রকমের বিপাকে পড়েছেন। গত দু'দিন ধরে শেয়ারবাজারে লেনদেন চালু হলেও এতে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না তাঁরা। এরমধ্যে কিছু গ্রাহক সংযোগ হিসাব খুলে অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লেনদেন করছেন। তবে মার্জিন ঋণ নিয়ে ব্যবসা করা গ্রাহকদের দায় নিচ্ছে না অন্য কোন প্রতিষ্ঠান। কার্যক্রম স্থগিত থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশ গ্রাহকই ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেন। এক প্রতিষ্ঠানের ঋণের জটিলতা অন্য প্রতিষ্ঠান নিতে না চাওয়ায় তাঁরা সংযোগ হিসাব খুলতে পারছেন না বলে জানা গেছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 1:00 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
১৫০ কোটি টাকার শেয়ার কেনার আবেদন করেছে সামিট গ্রুপ
অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের লোকসানের ভার কমানোই লক্ষ


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
27.01.2011



অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের লোকসানের ভার কমাতে পুঁজিবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার কেনার অনুমতি চেয়েছে সামিট গ্রুপ। এই টাকায় গ্রুপের আওতাধীন তালিকাভুক্ত চার কোম্পানির শেয়ার কেনার জন্য সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন করা হয়েছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, গ্রম্নপের সহযোগী চার কোম্পানির শেয়ার কেনার অনুমতি চেয়ে গত ২৩ জানুয়ারি সামিট মার্কেন্টাইল করপোরেশনের পক্ষ থেকে এসইসি ও দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আবেদন করা হয়। প্রসত্মাব অনুযায়ী ১৫০ কোটি টাকায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের মাধ্যমে সামিট পাওয়ার লিমিটেড, সামিট এলায়েন্স পোর্ট লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড এবং ওশন কন্টেইনার্স লিমিটেডের শেয়ার কেনা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সামিট গ্রম্নপের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ খান সাংবাদিকদের জানান, পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট কিছুটা দূর করতে সামিট গ্রুপের চার কোম্পানির ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার কেনার জন্য এসইসিতে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এসইসি অনুমোদন করলে বাজার মূল্যে এসব কোম্পানির শেয়ার কেনা হবে। পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে সামিট গ্রম্নপের চার সহযোগী প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দরই পড়ে গেছে। এছাড়া সামিট গ্রম্নপের চার সহযোগী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনে আর্থিক লোকসানে পড়ে কেউ কেউ ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তাই এসব প্রতিষ্ঠানের ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার বাজার মূল্যে কিনে নেয়ার সিদ্ধানত্ম নিয়েছি।
সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির স্পন্সর বা উদ্যোক্তারা নিজ কোম্পানির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে কিছু বাধ্যবাধকতা মেনে চলার বিধান রয়েছে। বিধি অনুযায়ী কোম্পানির বার্ষিক হিসাব সমাপনীর দু'মাস আগে এবং বার্ষিক হিসাব সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী বোর্ডসভা পর্যনত্ম কোম্পানির পরিচালক বা উদ্যোক্তারা নিজ কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করতে পারেন না। কারণ এ সময়ের মধ্যে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় ও লভ্যাংশ সম্পর্কে ধারণা করা যায়। সিকিউরিটিজ আইনে উলিস্নখিত সময়ে স্পন্সরদের জন্য নিজ কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর তালিকাভুক্তির আগেই বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের ৰেত্রে কিছু কিছু কোম্পানি কারসাজির মাধ্যমে মৌলভিত্তির চেয়ে বেশি মূল্য নির্ধারণ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এরমধ্যে বেসরকারী খাতের কোম্পানি হিসেবে পুঁজিবাজারে সর্বশেষ তালিকাভুক্ত ওশন কন্টেইনার ও খুলনা পাওয়ারের শেয়ারের মূল্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এ দু'টি কোম্পানিই সামিট গ্রম্নপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান। অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ করে কোম্পানি দু'টি প্রায় ১৬০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ওশন কন্টেইনারের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২০১০ সালের ৪ মার্চ সরাসরি তালিকাভুক্ত হয়ে লেনদেন শুরম্নর পর শেয়ারের দর সর্বোচ্চ ৩৫২ টাকায় উঠে যায়। তবে কোম্পানি ঘোষিত শেয়ার বিক্রি শেষ হওয়ার পরই ধারাবাহিকভাবে দর কমতে থাকে। বুধবার এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ার ১১৭.৩০ টাকায় লেনদেন হয়। অন্যদিকে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করে ১৯৪ টাকা। গত বছরের ১৮ এপ্রিল তালিকাভুক্তির পর শেয়ারটির দর ২৭৩ টাকা পর্যন্ত উঠে। তবে বুধবার এই শেয়ারের দর ছিল ১০৪ টাকা।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 1:03 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Dhaka stocks sharply rise for 2nd session


FE Report
27.01.2011


Dhaka stocks continued to gain strongly for the second straight session Wednesday, and all indices gained more than six per cent with majority of the shares hitting the upper level of their respective circuit breaker.

"The government's positive measures are restoring the investors' confidence gradually, which was reflected in the market," analysts said.

Most of the shares were traded at the upper band of their respective circuit breaker with limited number of sellers, and more than 70 per cent of the traded issues remained without sellers for several times.

"In the first two hours of trading, nearly 85 per cent shares hit their respective circuit breaker limit, which does not allow prices to go up or down by a certain limit in a day. As a result, many investors could not buy shares though buy pressure was seen heavily," dealers said.

The SEC reduced the individual circuit breaker limit for the companies from Tuesday in an effort to control abnormal rise or fall of share prices in a single trading day.

However, buy-sale increased Wednesday, as there were more sellers that increased the total turnover to Tk 5.88 billion - nearly three times higher than the previous session. On Tuesday, the turnover was only Tk 2.06 billion - more than two years low since December 22, 2008. The number of transaction on Wednesday stood at 87,165, which was 29,200 in the previous session.

The market opened with a flying note, gaining more than 430 points within ten minutes of trading. After that the market became flat and finaly closed 458 points higher.

The benchmark DSE General Index (DGEN) jumped by 6.73 per cent or 458.93 points to end at 7280.01. The index gained 953.67 points in the last two sessions, recovering 70 per cent of the 1365 points fall of the previous six sessions.

The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 6040.70, rising 6.61 per cent or 374.50 points. The DSE-20 index including blue chips shot up by 7.04 per cent or 313.65 points to 4766.20.

"The market is going to be stabilised, as the investors are gradually gaining back their confidence," said Ahmed Rashid Lali, managing director of Rashid Investment Limited.

"The market's behaviour is normal and good. It will be more stable in near future when the investors will go through sale and buy. The turnover is relatively low because of the individual circuit breaker limit," he added.

"The investors are becoming optimistic, and they will be more confident in days ahead, as the government's market-friendly initiatives are becoming more and more visible," said Yawer Sayeed, managing director and CEO of AIMS Bangladesh.

  
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/27/2011 7:36 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে অনিয়ম: রোববার থেকে কাজ শুরু তদন্ত কমিটির

ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

পুঁজিবাজারের অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটি আগামী রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে। একথা জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি কার্যালয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান । শেয়ার কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে ৩-সদস্যের কমিটি ঘোষণার একদিন পর তিনি এসইসি'র কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। তার সঙ্গে কমিটির অপর দুই সদস্যও উপস্থিত ছিলেন।
পূঁজিবাজারে সাম্প্রতিক অস্বাভাবিক উত্থান পতনের ঘটনা খতিয়ে দেখতে বুধবার কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে ৩-সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘোষণা করে এসইসি। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী এবং ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্টটেন্টস অব বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি আবদুল বারি এফসিএ।
তিনি আরো জানান, কাজ শুরুর প্রথম ৪/৫ দিন ওয়ার্ক প্লান ঠিক করবে কমিটি। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটির সদস্য সংখ্যা আরো বাড়ানোর আবেদন জানানো হবে বলেও জানান তিনি। ইব্রাহিম খালেদ বলেন, বৈঠকে এসইসি ভবনে কমিটির কাজ করার জন্য একটি অফিস চাওয়া হয়েছে। এছাড়া শেয়ারবাজারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে এসইসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে।
শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক অনিয়ম সম্পর্কে তথ্য দিয়ে কমিটিকে সহায়তা করতে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ সকল পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের কাছে আবেদন জানান তদন্ত কমিটির প্রধান ইব্রাহিম খালেদ।
এর আগে বেলা ৩টায় কমিটির অপর সদস্যসহ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে আসেন ইব্রাহিম খালেদ। এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার এবং সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে প্রায় সোয়া এক ঘন্টা আলোচনা করেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এসএস/এমএইচ/১৬.৩৯ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/27/2011 7:37 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার: সপ্তাহের শেষ দিনের লেনদেন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় সপ্তাহের শেষ দিনের লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। তবে গত দুই দিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বগতি কিছুটা কমেছে। লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও কিছু শেয়ারের মূল্য সংশোধন হয়েছে। পুঁজিবাজারের মন্দা পরিস্থিতির সময় যারা কম দামে শেয়ার কিনেছেন বৃহস্পতিবার তারা হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিয়েছেন। দিন শেষে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ১০৩০ কোটি টাকা। যা গত সাত কার্যদিবসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যেই ডিএসইর সাধারণ সূচক প্রায় ২৭৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। এ সময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৪টি কোম্পানির শেয়ার সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করে। তবে আগের দিনের তুলনায় বিক্রির চাপ কিছুটা বাড়ায় সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কিছুটা কমে যায়। আজ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি, খাদ্য ও অনুষঙ্গ, প্রকৌশল, বস্ত্রখাতের প্রায় অর্ধেক সংখ্যক কোম্পানির শেয়ারের দর হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া গ্রামীণ ফোনের শেয়ারের দর কমেছে ৭.৫০ টাকা। অপরদিকে মূল্য বৃদ্ধির তালিকায় বীমা খাতের অবস্থান ভালো ছিল।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ২৫৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৯টির, কমেছে ১১৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টির। আগের দিনের তুলনায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ১০৫ পয়েন্ট বেড়ে ৭৩৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এসএস/এসসি/১৫.৩৫ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/27/2011 10:25 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE


রোব বা সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটি


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বাংলাদেশ সময়: ১৬৪০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৭, ২০১১

ঢাকা: পুঁজিবাজারে দরপতনের ঘটনা তদন্তে সরকার গঠিত তিন সদস্যের কমিটি আগামী রোববার বা সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে কমিটি চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সংস্থার দুই সদস্য বিআইবিএম চেয়ারম্যান তৌফিক আহমেদ চৌধুরী ও আইসিএবির সাবেক সভাপতি আবদুল বারী।

ইব্রাহীম খালেদ বলেন, ‘এসইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে এ সাক্ষাৎ ছিলো মূলত পরিচয় পর্ব। কমিটি সদস্যদেরই সবার সঙ্গে সবার ভালো পরিচয় নেই। এসইসির অনেক কর্মকর্তার সঙ্গেও সেভাবে পরিচয় হয়নি।’

কমিটি প্রয়োজন মনে করলে আরো সদস্য নিয়োগ করতে পারে বলে অর্থমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন সে প্রসঙ্গে মনোযোগ আকর্ষণ করা হলে ইব্রাহীম খালেদ বলেন, ‘আপাতত তিন সদস্যের কমিটিই কাজ শুরু করবে। নতুন কাউকে নেওয়ার দরকার হলে নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘কাজ করতে গিয়ে কোথাও আটকে যাবো বলে মনে হয় না। কমিটি কাজটা সুষ্ঠূভাবে করতে পারবে বলে আশা করি। সময় যেহেতু দু’মাস। তাই ৫/৭ দিনের মধ্যেই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করবো।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক তো বটেই, পুঁজিবাজারের স্বার্থে যে কোনো নাগরিক তদন্ত কমিটিতে তথ্য দিতে পারবেন।’

তিনি জানান, তদন্ত সংস্থা চেয়ারম্যান হিসেবে গত রাতে (বুধবার) তিনি চিঠি পেয়েছেন।

তবে সংস্থার অফিস এখনো ঠিক হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কোথায় বসে কাজ করবো। আপাতত এসইসিতেও বসার জায়গা আছে বলে জানা নেই।’
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/27/2011 12:35 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Dhaka stocks go strong for third session
Turnover rises by 75.33pc


FE Report
28.01.2011

The upbeat mood of the Dhaka stocks continued for the third straight session Thursday, the week's last trading day, with turnover rising, significantly, in both value and volume terms.

The market opened with a strong mood in the morning and gained more than 275 points in its index within ten minutes of trading. However, it began to decline when investors booked profit on shares in telecommunication and pharmaceutical sectors, and finally closed with the benchmark DSE General Index 105 points higher. The index, thus, went up by 1.45 per cent to end at 7385.91.

It moved up by 1059.57 points during the last three sessions, after it suffered free-fall in the last week.

The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 6120.92, rising 1.33 per cent or 80.22 points. However, the DSE-20 index, including blue chips, shed 1.35 per cent or 64.49 points to 4701.71.

The aggregate value of trading on the DSE stood at about Taka 10.30 billion on Thursday compared to Taka 5.88 billion on the previous day. In all, 83.62 million shares changed hands on the closing day of the week against 50.45 million last Wednesday. The trade deals on Thursday totalled 1,68,305 compared to 87,165 the day before.

"The investors are gradually becoming confident, and the market is returning to normalcy, which are good signs," said Yawer Sayeed, managing director and CEO of AIMS Bangladesh.

"On Thursday most of the investors went for buy-sale, as they almost recovered their previous loss. In the coming days, the market will be more stable, because many investors have sold their stocks and bought new ones," he added.

"Both buyers and sellers were quite vibrant, breaking the turnover impasse of last two days. Turnover in value terms increased by 75.33 per cent, reflecting the normal liquidity behaviour of the market," said LankaBangla Securities, in its daily market commentary.

"Many investors offloaded their shares after waiting for long, while many took position in the market with corrected prices of stocks, anticipating a healthy bottom line growth and corporate declaration in the coming days," it said.

All major sectors closed on Thursday positive, except those in telecommunication and pharmaceutical sectors.

Banking issues, which make up more than one-third of the market capitalisation, continued to flex their muscle and gained 1.06 per cent.

Among the notable gainers, the non-banking financial institution sector gained 2.11 per cent, general insurance, 2.80 per cent, life insurance, 3.03 per cent, fuel and power, 1.94 per cent, and ceramic, 4.37 per cent. Mutual fund, cement and tannery sectors closed mixed, while telecommunication lost 3.57 per cent, and pharmaceutical, 1.19 per cent.

Total turnover increased significantly and stood at 10.30 billion, a sharp rise by 75 per cent over the previous session. Out of the 257 issues traded, 139 issues advanced, 115 declined and three remained unchanged.

UCBL was at the top among turnover leaders, with shares worth Tk 937.46 million changing hands. The other turnover leaders were National Bank, Beximco Limited, Grameenphone, Bextex, Titas Gas, Southeast Bank, Bay Leasing, One Bank and Maksons Spinning.

Summit Alliance Port was the highest gainer, posting a rise of 9.99 per cent, followed by Malek Spinning, Navana CNG, Keya Cosmetics, Dacca Dying, RN Spinning, United Airways, Agni Systems and Saiham Textile.

The prominent losers included Alltex Industries, Shyampur Sugar Mills, Modern Dyeing, Islami Insurance, Beacon Pharmaceuticals, First Prime Mutual Fund, Aramit, Desh Garment, ICB Islamic Bank and Deshbandhu Polymer.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/27/2011 12:36 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
রবিবার থেকে কাজ শুরু করবে তদন্ত কমিটি
এসইসিতে পরিচিতি বৈঠক শেষে জানালেন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
28.01.2011


আগামী রবিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের কারণ এবং এজন্য দায়ীদের চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্ত কমিটি। সরকার নির্ধারিত কার্যপরিধির মধ্যে কমিটির সামগ্রিক কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের পর শুরু হবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত। পুঁজিবাজারের মতো বিশাল ক্ষেত্র নিয়ে তদন্তের জন্য কমিটির সদস্য সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে। বৃহস্পতিবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সঙ্গে প্রাথমিক বৈঠকে তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
ইব্রাহিম খালেদ বলেন, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই তদন্ত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে। প্রাথমিকভাবে এক-দু' সপ্তাহের মধ্যে সামগ্রিক কাজের পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। কারণ পরিকল্পনা না করে বিচ্ছিন্নভাবে কাজ শুরু করলে কোন কিছুই ঠিক মতো হয় না। এ কারণে পরিকল্পনা তৈরি করে ধাপে ধাপে তদন্ত কাজ এগিয়ে নেয়া হবে।
তদনত্ম কাজে কমিটির সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, কাজ শুরু করার পর বোঝা যাবে_ সদস্য সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন হবে কিনা। প্রয়োজনে সরকারের কাছে আরও লোক চাওয়া হবে। তবে সদস্য সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন হবে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।
সরকারের বেঁধে দেয়া কার্যপরিধি সম্পর্কে ইব্রাহিম খালেদ বলেন, 'কমিটির কাজের জন্য যেসব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে আমরা তার কোনটাই ফেলে দেব না। আবার এর বাইরেও খুব বেশি যাব না। তবে কার্যপরিধির মধ্যেই তদন্ত কমিটিকে প্রয়োজনে প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে অনুসন্ধানের সুযোগ দেয়া হয়েছে।'
তিনি জানান, কাজ শুরুর পর তদন্ত কমিটি শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক বিপর্যয় সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহের জন্য বিনিয়োগকারীসহ পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট সকল পৰের কাছে আহ্বান জানানো হবে। যে কেউ কমিটিকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে চাইলে তাকে স্বাগত জানানো হবে।
শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে তদনত্ম কমিটি গঠনের পর কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এবং সদস্য ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী ও এমএ বারী এফসিএ বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো এসইসিতে আসেন। এ সময় তাঁরা এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলীসহ উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক সম্পর্কে তদনত্ম কমিটির প্রধান বলেন, 'গত রাতে (বুধবার) আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছি। তদনত্ম কমিটির সদস্যরা আজ (বৃহস্পতিবার) সবাই সবাইকে চিনে নিলাম। সেই সুযোগে এসইসি কর্মকর্তাদের সঙ্গেও পরিচিত হলাম। এটা মূলত একটি পরিচিতি সভার মতো হয়েছে।'
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/27/2011 12:37 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ব্যাংক এশিয়ার মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করতে পারবে আইআইডিএফসির গ্রাহকরা

The Daily Janakantha
28.01.2011


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ব্যাংক এশিয়ার মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করতে পারবে আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজের গ্রাহকরা। কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও গ্রাহকদের সুবিধার জন্য প্রতিষ্ঠানের আবেদনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত আবেদন অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সুনির্দিষ্টভাবে আবেদন করলে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে এসইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহকদের অসুবিধার বিষয়টি বিবেচনা করে আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজের পৰ থেকে তাদের গ্রাহকদের ব্যাংক এশিয়ার মাধ্যমে শুধু শেয়ার বিক্রির অনুমোদন চেয়ে এসইসিতে আবেদন করা হয়। কমিশন ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দিয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানের আবেদন অনুযায়ী, গ্রাহকরা শুধু তাদের শেয়ার বিক্রি করতে পারলে, ক্রয় করতে পারবে না। এই প্রক্রিয়ায় শেয়ার বিক্রির ৰেত্রে কোন সমস্যা সৃষ্টি হলে সংশিস্নষ্ট ব্রোকারেজ হাউসকে তার দায় বহন করতে হবে বলেও কমিশন জানিয়েছে।
উলেস্নখ্য, গত ২০ জানুয়ারি দিনের লেনদেন শুরুর পর মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের ফলে ডিএসই সাধারণ সূচক ৫৯৯ পয়েন্ট কমে যায়। এর ফলে তাৎৰণিকভাবে শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। ওইদিন এসইসির সার্ভিল্যান্স বিভাগ ওই সময়ের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখেছে, কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস থেকে বাজার দরের চেয়ে কম মূল্যে শেয়ার বিক্রির আদেশ দেয়া হয়েছে। বাজারে অনাকাঙ্ৰিত পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্যই এ ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে কমিশন মনে করে।

========================================================

৩ কোটি শেয়ার ছাড়বে গোল্ডেন হারভেস্ট

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
28.01.2011


পুঁজিবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছাড়বে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানি গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের পর প্রাথমিক গণ-প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে প্রায় ২০৯ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য বৃহস্পতিবার কোম্পানির পৰ থেকে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জমা দেয়া হয়েছে। তবে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত থাকায় আপাতত কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন পাচ্ছে না। বুকবিল্ডিং নিয়ে সিদ্ধানত্ম গ্রহণের পর গোল্ডের হারভেস্টের আবেদন বিবেচনা করা হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গোল্ডেন হারভেস্ট ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের মোট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করবে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর আইপিওর মাধ্যমে এসব শেয়ার বিক্রি করা হবে। শেয়ারের চূড়ানত্ম মূল্য নির্ধারণের জন্য দর প্রসত্মাব প্রক্রিয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬০ লাখ শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হবে_ যা মোট বিক্রিযোগ্য শেয়ারের ২০ শতাংশ।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 22 / 40 1 - 2 - 3.. - 20 - 21 - 22 - 23 - 24.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview