DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 21 / 40 1 - 2 - 3.. - 19 - 20 - 21 - 22 - 23.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
01/25/2011 12:15 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করতে ॥ তদন্ত কমিটি
০ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান ইব্রাহিম খালেদ
০ লেনদেনের প্রথম দিনেই বাজার চাঙ্গা, ছিল ক্রেতা, ছিল না বিক্রেতা
০ ৫ ব্রোকারেজ হাউসের রিট খারিজ



রাজু আহমেদ/বিকাশ দত্ত ॥
The Daily Janakantha
26.01.2011

ক্রেতাশূন্যতার কারণে বড় বিপর্যয়ে দু'দিন বন্ধ থাকার পর লেনদেনের শুরুতেই বিক্রেতাশূন্য হয়ে পড়েছে শেয়ারবাজার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ২৫৮টি কোম্পানির মধ্যে ২১৭টিরই দিনের অধিকাংশ সময় কোন বিক্রেতা ছিল না। এর বিপরীতে কেনার চাপ প্রবল থাকায় প্রায় সব কোম্পানির দরই দিনের সর্বোচ্চ সীমায় (সার্কিট ব্রেকার) পৌঁছে যায়। ফলে মঙ্গলবার ডিএসই সাধারণ সূচক ৪৯৪.৭৩ পয়েন্ট বা ৭.৮২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। অধিকাংশ কোম্পানির দর সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করায় সারাদিনে সূচক এর চেয়ে বেশি বৃদ্ধির সুযোগ ছিল না।
শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের কারণ এবং এজন্য দায়ীদের চিহ্নিত করতে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন সদস্যের এ কমিটিকে আগামী ৩ মাসের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আদেশ চ্যালেঞ্জ করে পাঁচ ব্রোকারেজ হাউসের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, এ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ এবং পিএফআই সিকিউরিটিজ।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়াকে ওএসডি করা হয়েছে।
বিক্রেতাশূন্য শেয়ারবাজার ॥ টানা অস্থিরতা ও একের পর এক বিপর্যয়ের কারণে গত রবি ও সোমবার শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ রাখা হয়। অনাকাঙ্কিত এ পরিস্থিতি কাটিয়ে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফেরাতে সরকারের পৰ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়। বাজারসংশিস্নষ্ট সকল পৰের সঙ্গে বৈঠকের ভিত্তিতে ১৪ দফা পদক্ষেপ গ্রহণ করে অর্থ মন্ত্রণালয়। বাজারে তারল্যপ্রবাহ বাড়াতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মুনাফার একাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার নির্দেশ দেয়া হয়। পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের ৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংককে নমনীয় নীতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়। একইসঙ্গে শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক উত্থান-পতন ঠেকাতে কোম্পানিভিত্তিক শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা (সার্কিট ব্রেকার) অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়।
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার লেনদেনের শুরম্নতেই তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। ফলে মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৩২৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এক ঘণ্টার মধ্যেই সূচক বৃদ্ধির মাত্রা ৪৫০ পয়েন্ট ছাড়িয়ে যায়। এ সময় অধিকাংশ শেয়ারের দর দিনের সর্বোচ্চ সীমায় পেঁৗছে যায়। শেয়ার কেনার জন্য সব ধরনের বিনিয়োগকারীর ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও অধিকাংশ শেয়ারেরই কোন বিক্রেতা ছিল না। দিনের শেষ পর্যনত্ম এ প্রবণতা অব্যাহত থাকায় আর্থিক লেনদেন গত দু'বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। সারাদিনে মাত্র ২০৬ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে।
লেনদেন হওয়া মোট ২৫৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৪৮টিরই শেয়ারের দর বেড়েছে। এর মধ্যে দিনের অধিকাংশ সময় ২১৭টির কোন বিক্রেতা ছিল না। তবে বাজারের এ উর্ধগতিতেও ১০টি কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। এর মধ্যে ৫টি কোম্পানির শেয়ারের বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতারা এসব কিনতে আগ্রহী ছিল না। সারাদিনে ডিএসইতে মোট ১ কোটি ৮৮ লাখ ৯ হাজার ৫৭৩টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যা গত দু'বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
টানা দরপতনের পর সরকারের নানামুখী পদৰেপের ফলে শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে বলে বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশা করছেন। এ কারণেই অধিকাংশ বিনিয়োগকারী তাঁদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রিতে আগ্রহী ছিলেন না। তাছাড়া এর আগে ৭ কার্যদিবস ব্যাপক দরপতনের কারণে প্রায় সব শেয়ারের দরই বিনিয়োগকারীদের কেনা দামের নিচে অবস্থান করছে। বাজার স্থিতিশীল হওয়ার আশায় কেউই লোকসানে শেয়ার বিক্রি করতে আগ্রহী নয়। মূলত এ কারণেই মঙ্গলবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার বিক্রেতাশূন্য ছিল।
এদিকে বেশ কয়েক দিন পর পুঁজিবাজারে উর্ধগতি ফিরে আসায় ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কায় বিৰুব্ধ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বসত্মি ফিরতে শুরম্ন করেছে। আস্থা সঙ্কট পুরোপুরি না কাটলেও তাঁদের মধ্যে বাজার নিয়ে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে। সরকারের নেয়া সব পদৰেপ সঠিকভাবে বাসত্মবায়িত হলে বাজারে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।
তবে দফায় দফায় রেকর্ড দরপতনের পর একদিনে এতবড় উলস্নম্ফনকে পুঁজিবাজারের জন্য স্বাস্থ্যকর বলে মনে করছেন না বিশেস্নষকরা। তাঁদের মতে, দরপতনের সময় যেমন হুজুগের বশে লোকসান দিয়ে শেয়ার বিক্রি করা ঠিক নয়, তেমনি উর্ধমুখী প্রবণতা শুরম্নর সঙ্গে সঙ্গে শেয়ার কেনার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়াও স্বাভাবিক আচরণ নয়। কোম্পানির মৌলভিত্তি দেখে বুঝেশুনে বিনিয়োগের সিদ্ধানত্ম নেয়া উচিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা পরিণত আচরণ না করলে বাজারে আবারও যে কোন অঘটন ঘটতে পারে।
উলেস্নখ্য, বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণে গত ১৮ জানুয়ারি পুঁজিবাজারে লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এসইসি। পরদিন সময় কমিয়ে পুনরায় লেনদেন চালু করা হলেও ব্যাপক পতনের মুখে আবারও বন্ধ করা হয় লেনদেন। এ অবস্থায় একদিনে ডিএসই সাধারণ সূচকের সর্বোচ্চ হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা ২২৫ পয়েন্ট নির্ধারণ করে ২০ জানুয়ারি লেনদেন চালু করা হয়। কিন্তু ওইদিন মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে সীমা অতিক্রম করে ডিএসই সাধারণ সূচক ৬০০ পয়েন্ট নেমে যায়। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বিনিয়োগকারীদের সহিংস বিৰোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রবিবার লেনদেন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়।
এ অবস্থায় পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকারের পৰ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়। সঙ্কট নিরসনে করণীয় নির্ধারণে বাজারসংশিস্নষ্ট সকল পৰকে নিয়ে গত রবিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ওই বৈঠকের আলোচনার প্রেৰিতে সোমবারও লেনদেন বন্ধ রাখা হয়। একইসঙ্গে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ১৪ দফা পদৰেপ গ্রহণের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। এর মধ্যে পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যে পরিমাণ মুনাফা করেছে তার একাংশ পুনরায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য বলা হয়। এৰেত্রে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের মুনাফার উলেস্নখযোগ্য অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করবে। বাকি অংশ উদ্বৃত্ত তহবিলে হিসেবে রেখে দিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোও তাদের মুনাফার অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে। পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের ৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংককে নমনীয় নীতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে বাজারে স্বাভাবিক লেনদেন বজায় রাখতে শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা কমিয়ে অর্ধেক করা হয়েছে।
তদনত্ম কমিটি
গঠন
পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক ঘটনা তদনত্মে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তবে কমিটির অপর দু'সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়নি।
অর্থমন্ত্রী জানান, কমিটিতে সদস্য করার জন্য দু'জনের নাম প্রসত্মাব করা হয়েছিল। কিন্তু শেয়ারবাজারে যুক্ত থাকায় তাদের নেয়া হয়নি। বাকি দু'সদস্যের নাম এবং কার্যপরিধি আজ বুধবার জানানো হবে। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে যেসব সমস্যা ও অনিয়ম হয়েছে_ তা খতিয়ে দেখবে এ কমিটি।
অর্থমন্ত্রী জানান, কমিটি চাইলে বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরম্ন করতে পারে। তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটি প্রয়োজন মনে করলে আরও সদস্য দেয়ার সুযোগ থাকবে সরকারের।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, কে কত শেয়ার কিনেছেন ও বিক্রি করেছেন তার সব হিসাব সিডিবিএলে আছে। সেখান থেকেই সব বের করা যাবে।
পুঁজিবাজারে প্রায় দেড় মাসের অস্থির পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে বাজারসংশিস্নষ্টদের সঙ্গে গত রবিবার দুই দফা বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী দুই সপ্তাহের মধ্যে তদনত্ম কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারি জানান, প্রধানমন্ত্রী পাঁচ দিনের বিদেশ সফরের জন্য ঢাকা ত্যাগ করেছেন। এর আগেই তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে তদনত্ম কমিটির প্রধান করা হয়েছে।
৫ ব্রোকারেজ হাউসের রিট খারিজ কার্যক্রম স্থগিত রাখার বিষয়ে এসইসির আদেশ চ্যালেঞ্জ করে পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউসের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনের পর এসইসি বুধবার ছয়টি ব্রোকারেজ হাউসের নিবন্ধন ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করে। এসইসির এ সিদ্ধানত্মের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাউসগুলো হাইকোর্টে রিট দায়ের করে। মঙ্গলবার শুনানি শেষে বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও বিচারপতি শেখ মোঃ জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তা সরাসরি খারিজ করে দেয়। ফলে নিবন্ধন এবং ব্রোকারেজ হাউসগুলোর লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়ে এসইসির সিদ্ধানত্ম বহাল থাকছে।
পাশাপাশি ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের এক মাস সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার বিষয়ে এসইসির নির্দেশনার বিরম্নদ্ধে করা রিটও খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের আদেশের পর এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, সম্প্রতি শেয়ারবাজারে যে ধস নেমেছে তাতে বিনিয়োগকারীরা সর্বস্বানত্ম হয়ে পড়েছে। ওই ৫টি প্রতিষ্ঠানকে নোটিস করা হয়েছে। তারা ওই নোটিস চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে। তাদের দরখাসত্ম আদালত সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে। আদালতের অভিমত, দেশের স্বার্থ সর্বোচ্চ। যে তদনত্ম শুরম্ন হয়েছে তাতে হসত্মৰেপ করা হবে না। তদনত্ম কাজ যাতে দ্রম্নতগতিতে চলে এ স্বার্থে আদালত আদেশ প্রদান করেছে। আদেশে আদালত বলে, ওই ঘটনা তদনত্মে একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটি দ্রম্নত তদনত্ম শুরম্ন এবং দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ব্রোকারেজ হাউসগুলোর বিও হিসাবধারীরা বিকল্প পন্থায় লেনদেন করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, আদালত অভিমত ব্যক্ত করেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে শেয়ারবাজারে যে টালমাটাল অবস্থা চলছে, আমরা তা বিচারিক নজরে এনেছি। আবেদনকারীরা পরবর্তী সময়ে নতুন উদ্ভূত কোন পরিস্থিতিতে আবার আদালতে আসতে পারবেন। তাঁদের জন্য দরজা বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে না।
রিট আবেদনকারীর আইনজীবী ড. এমএ জহির জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন, বাদী চাইলে আপীল করা হবে। এ মুহূর্তে এর বেশি কিছু বলতে পারছি না।
শুনানিতে আদালত বলেছে, আবেদনকারীরা বাজারে বর্তমান অবস্থার পেছনে কোন ভূমিকা পালন করেছেন কি না তা সঠিক তদনত্মের মাধ্যমে তুলে আনতে হবে। আমরা আশা করছি, অবিলম্বে এ সংক্রানত্ম কমিটি গঠিত হবে এবং কমিটি কোন ধরনের বিলম্ব ছাড়াই ঘটনার পেছনে থাকা মূল দোষীদের খুঁজে বের করবে।
রিট আবেদনের শুনানিতে সোমবার এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারকে তলব করেছিল আদালত। ছয়টি ব্রোকারেজ হাউসের নিবন্ধন স্থগিতের আদেশে সরকারী প্রতীক ব্যবহারের কারণে তাকে তিরস্কার করা হয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/25/2011 12:17 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
এসইসিতে রদবদল
এক নির্বাহী পরিচালক ওএসডি



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
26.01.2011


পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়াকে সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। কমিশন চেয়ারম্যানে জিয়াউল হক খোন্দকার গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করেন। একইসঙ্গে কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভাগীয় দায়িত্বে রদবদল করা হয়েছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত দেড় মাস ধরে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা চলাকালে বিভিন্ন ঘটনায় এসইসির কয়েক জন কর্মকর্তা আনোয়ারম্নল কবীর ভুইয়ার ভূমিকা নিয়ে বেশ কয়েকবার প্রশ্ন তোলেন। গত ১৯ ডিসেম্বর পুঁজিবাজারে বড় দরপতনের প্রেৰিতে কয়েক জন বিনিয়োগকারী এসইসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকের পর বিনিয়োগকারীরা আনোয়ারম্নল কবির ভুইয়াকে উদ্ধৃত করে সাংবাদিকদের জানান, 'কমিশনের দুই সদস্যের (মনসুর আলম ও ইয়াসিন আলী) কাছে এসইসি জিম্মি হয়ে আছে। তাদের কারণে কোন ভাল সিদ্ধানত্ম নেয়া যাচ্ছে না। বাজারে বড় দরপতন ঠেকানোর জন্য মার্জিন ঋণ বিতরণে এনএভিভিত্তিক হিসাব পদ্ধতি বাতিলের প্রসত্মাব আনা হলেও ওই দুই সদস্যের বিরোধিতার কারণে তা করা যায়নি। তবে আনোয়ারম্নল কবির ভুঁইয়া বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কোন কথা বলেননি বলে জানান।
কমিশনের অভ্যন্তরীণ বৈঠকের আলোচিত বিষয় বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রকাশ করায় পরদিন কমিশনের সদস্য আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে শাসত্মিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারকে অনুরোধ করেন।
অন্যদিকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে বিভিন্ন মহলে এসইসি কর্মকর্তাদের সম্পর্কে নানা ধরনের নেতিবাচক তথ্য ছড়ানো হয়। বিশেষ করে মোবাইল ফোনে একটি এসএমএসের মাধ্যমে কমিশনের দু'জন সদস্য এবং চার জন নির্বাহী পরিচালককে বিএনপিপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করে বাজারে অস্থিরতার জন্য তাদের দায়ী করা হয়। ওই এসএমএস ছড়ানোর ৰেত্রে আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়ার ভূমিকা ছিল বলে কমিশনের অনেক কর্মকর্তা ধারণা করেন। বিষয়টি তাঁরা চেয়ারম্যানকেও অবহিত করেন। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়া কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্পর্কে নেতিবাচক তথ্য দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সূত্র জানায়, কমিশনের মুখপাত্র হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে পুঁজিবাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে গত ১৯ নবেম্বর আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু পদৰেপ সম্পর্কে মনত্মব্য করেন। বিশেষ করে সিআরআর বৃদ্ধির ফলে শেয়ারবাজারে তারল্য সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে_ এ ধরনের মন্তব্যের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাঁর ওপর ৰিপ্ত হন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করা হয়। যদিও আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়া বাংলাদেশ ব্যাংক সম্পর্কে কোন বিরূপ মনত্মব্য করেননি বলে জানান। তবে কমিশন কর্মকর্তাদের একের পর এক অভিযোগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরূপ অবস্থানের কারণে শেষ পর্যনত্ম তাকে ওএসডি করা হলো। এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর তাঁকে কমিশনের সার্ভিল্যান্স ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।
তবে আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়ার ঘনিষ্ঠজনদের দাবি, গত দেড় মাস ধরে বড় দরপতনের সময় আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়া বাজার স্থিতিশীল রাখতে সচেষ্ট ছিলেন। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করে তিনি বাজারবান্ধব পদৰেপ গ্রহণের চেষ্টা করেন।
এদিকে আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়াকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার পর তাঁর অধীনে থাকা দু'টি বিভাগ পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। এরমধ্যে কমিশনের নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারম্নল ইসলামকে নিবন্ধন বিভাগ এবং পরিচালক মাহবুবুল আলমকে এসআরএমআইসি বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে কমিশনের আরেক পরিচালক রেজাউল ইসলামের পরিবর্তে উপপরিচালক মাহমুদুল হককে সার্ভিল্যান্সের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। রেজাউল ইসলামকে সিএমআরআরসির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/25/2011 12:18 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সরকারী পদক্ষেপে বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
26.01.2011

একের পর এক বড় দরপতনের পর মঙ্গলবার শেয়ারবাজারে ঊর্ধমুখী প্রবণতা তৈরি হলেও পুরোপুরি আস্থাশীল হতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। তবে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকারের নেয়া পদৰেপে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন তারা। অর্থ মন্ত্রনালয়ের নেয়া সিদ্ধানত্মগুলো সঠিকভাবে বাসত্মবায়িত হলে বাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে বলে তারা মনে করেন। ডিএসইর আওতাধীন বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসে বিনিয়াগকারীদের সঙ্গে আলাপকালে তারা এসব বিষয়ে মন্তব্য করেন।
পুঁজিবাজারে সৃষ্ট স্থবিরতা ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন বিনিয়োগকারী বাবুল আহমেদ। তাঁর সঙ্গে একমত হয়েছেন আরও অনেক বিনিয়োগকারী। আরেক বিনিয়োগকারী মাজহারম্নল ইসলাম সুমন জনকণ্ঠকে বলেন, আগামী মাসে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ক্রিকেট। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক অতিথি এ দেশে আসবে। তাই বিশ্ববাসীর সামনে বিনিয়োগকারীরা আন্দোলন করতে চায় না। সুতরাং দেশের সম্মানের স্বার্থেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি জানান তিনি। আশরাফুল আলম আরজু নামে আরেক বিনিয়োগকারীও সরকারের কাছে এমনটাই দাবি করেন। তিনি জানান, পুঁজিবাজার বড় দরপতনের কারণে তাঁর বিনিয়োগকৃত ২৫ লাখ টাকা এখন ৩ লাখে চলে আসছে।
এদিকে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক ফয়সাল বলেন, পুঁজিবাজার বাঁচাতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিনিয়োগকারীদের একজন ইলিয়াস আহমেদ বলেন, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল হতে সময় লাগবে। আর ধীরে ধীরে এ সঙ্কট কাঠিয়ে উঠলে তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চয় করতে সৰম হবে বলে তিনি মনে করেন।
উলেস্নখ্য, টানা দুই দিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার চালু হয়েছে পুঁজিবাজার। বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সূচকও বেড়েছে যথেষ্ট। আস্থা ফিরতে শুরম্ন করেছে ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের। তবে মাসব্যাপী সৃষ্ট ধসের কারণে বিক্রেতাশূন্য ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে ক্রেতাদের ছিল উপচেপড়া ভিড়। বিনিয়োগকারীদের অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও শেয়ার কিনতে না পারায় ৰোভ প্রকাশ করেছেন। লেনদেনের ৰেত্রে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের স্থবিরতা। বিক্রেতা না থাকায় ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে লেনদেন। মঙ্গলবার দিনশেষে ডিএসইর লেনদেন দাঁড়ায় মাত্র ২০৬ কোটি টাকা। এর আগে ২০০৯ সালের ৯ ফেব্রম্নয়ারি ডিএসইর লেনদেন হয়েছিল মাত্র ২১২ কোটি টাকা।
দু'দিন বন্ধ থাকার মঙ্গলবার শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির নিজস্ব সীমা (সার্কিট ব্রেকার) অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধানত্মের কারণে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়ে অল্প সময়ের মধ্যেই সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করায় ২০০টি কোম্পানির শেয়ার বেচাকেনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অধিকাংশ ক্রেতারা হতাশা ব্যক্ত করেন।

ইউসিবিএলের রাইট শেয়ারের রেকর্ড তারিখ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ রাইট শেয়ার ইসু্যর অনুমোদন পাওয়ার পর রেকর্ড তারিখ ঘোষণা করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল)।
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ আগামী ১৫ ফেব্রম্নয়ারিকে রাইট শেয়ারের জন্য রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করেছে। ওইদিন যাদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবে ব্যাংকের শেয়ার জমা থাকবে, তারাই রাইট শেয়ার পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। একইসঙ্গে রাইট শেয়ারের টাকা জমা নেয়ার সময়সীমা ঘোষণা করেছে ব্যাংকটি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাসেল-২ এর শর্ত পূরণের জন্য ব্যাংকের মূলধনের ভিত্তি শক্তিশালী করতে ইউসিবিএল ১:১ (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট শেয়ার ইসু্য করছে। এর মাধ্যমে গৃহীত মূলধন দিয়ে ব্যাংকের ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং প্রবৃদ্ধির ধারা গতিশীল করার জন্য পদৰেপ নেয়া হবে।
গত বৃহস্পতিবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ব্যাংকটির রাইট শেয়ার ইসু্যর প্রসত্মাব অনুমোদন করে। ইউসিবিএলের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ১৫ টাকা গ্রহণ করা হবে। আগামী ১৮ আগস্ট রেকর্ড ডেটের পর ৬ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যনত্ম রাইট শেয়ারের টাকা জমা নেয়া হবে।
উলেস্নখ্য, ইউসিবিএল মোট ২৯ কোটি ৯ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫০টি রাইট শেয়ার ইসু্য করে পুঁজিবাজার থেকে সর্বমোট ৪৩৬ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার ২৫০ টাকা সংগ্রহ করবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/25/2011 12:19 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শর্ত মেনেই শেয়ারবাজারে আসবে মবিল ও এমআই সিমেন্ট

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
26.01.2011



সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) বেঁধে দেয়া শর্ত মেনেই পুঁজিবাজারে আসবে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট ও এমআই সিমেন্ট মিলস লিমিটেড। শর্ত অনুযায়ী স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন শুরুর পর এক মাসের মধ্যে শেয়ারের দর বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে কমে গেলে কোম্পানির পৰ থেকে সকল শেয়ার কিনে নেয়া (বাই ব্যাক) হবে। দুই কোম্পানির পৰ থেকে ইতোমধ্যেই লিখিতভাবে তাদের সম্মতির বিষয়টি এসইসিকে জানানো হয়েছে। কমিশনের সঙ্গে অঙ্গীকারনামা স্বাৰরের পর মবিল যুমনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও লটারির তারিখ অনুমোদন করা হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, গত সোমবার মবিল যুমনা ও এমআই সিমেন্ট এবং কোম্পানি দু'টির ইসু্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এসইসি কর্মকর্তারা। এ সময় কোম্পানি দুটিকে এসইসির শর্তের বিষয়টি অবহিত করা হয়। তাদের জানানো হয়, অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হওয়ায় কোম্পানিকে আইপিওর বিষয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। এৰেত্রে এক মাসের মধ্যে শেয়ারের দর কমে গেলে সব শেয়ার বরাদ্দ মূল্যে কিনে নেয়ার শর্ত মেনে নিতে হবে।
সূত্র জানায়, দুই কোম্পানির কর্মকর্তারা তাৎৰণিকভাবে এ বিষয়ে কোন মতামত ব্যক্ত না করে পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সিদ্ধানত্ম জানানোর জন্য এসইসির কাছে সময় চান। পরে ওইদিন বিকেলেই কোম্পানি দুটি এসইসির শর্তে সম্মতি প্রকাশ করে। গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে লিখিতভাবে কমিশনকে জানানো হয়েছে।
সূত্র জানায়, কমিশনের শর্তের বিষয়ে লিখিত সম্মতি জানালেও মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের কর্মকর্তাদের শেয়ার কিনে নেয়ার বিষয়ে অঙ্গীকারনামা পেশ করতে হবে। দু'একদিনের মধ্যেই এ প্রক্রিয়া শেষ করে আইপিও লটারির তারিখ অনুমোদন করা হবে।
উলেস্নখ্য, মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য আইপিও আবেদন গ্রহণ করেছে। ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৬০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করছে। এর বিপরীতে কোম্পানির আইপিওতে ২ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে।
অন্যদিকে শেয়ারবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য আবেদন জমা নিয়েছে এমআই সিমেন্ট মিলস লিমিটেড। ১০১ টাকা ৬০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১১ টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানির আইপিওতে ২১০ কোটি টাকার শেয়ার পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীরা মোট ১ হাজার ৫৪০ কোটি টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/25/2011 12:21 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
যান্ত্রিক সমস্যার কারণে কম দরে শেয়ার বিক্রি!
শুনানিতে ৬ ব্রোকারেজ হাউসের ব্যাখ্যা



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
26.01.2011


যান্ত্রিক ত্রম্নটির কারণে বাজার মূল্যের চেয়ে কম দরে শেয়ার বিক্রি হয়েছে বলে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ব্যাখ্যা দিয়েছে অস্বাভাবিক দরপতনে ভূমিকা রাখার দায়ে অভিযুক্ত ছয় ব্রোকারেজ হাউস। গত সোমবার এসইসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুনানিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা এ ব্যাখ্যা দেন। এসইসির সদস্য মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান অভিযুক্ত ছয় ব্রেকারেজ হাউসের শুনানি গ্রহণ করেন। তবে ব্রোকারেজ হাউসের স্থগিতাদেশের বিষয়ে শুনানি সম্পন্ন হলেও ব্রোকারেজ হাউসগুলোর শাস্তির বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি এসইসি। জানা গেছে, কমিশনের পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে বিসত্মারিত পর্যালোচনা করা হবে। তবে শেয়ার বিক্রির ৰেত্রে আগ্রাসী প্রবণতার সঙ্গে জড়িত ব্রোকারদের বিরম্নদ্ধে এসইসি অধিকতর তদনত্ম করবে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর যদি ব্রোকারেজ হাউসগুলোর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে আবারও অভিযুক্তদের বক্তব্য শোনার জন্য নোটিস দেয়া হবে। এরপরই এসইসি জড়িতদের বিরুদ্ধে শান্তি দেয়া হবে কিনা অথবা শাস্তির ধরন কি হবে সে বিষয়ে সিদ্ধানত্ম নেবে। জানা গেছে, ২০ জানুয়ারির এগ্রেসিভ সেল প্রসঙ্গে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর প্রতিনিধিরা শুনানিতে শেয়ার বেশি দরে বিক্রির সুযোগ গ্রহণ না করে কম দরে বিক্রির বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেন। অভিযুক্ত ব্রোকারেজ হাউসের প্রতিনিধিরা শুনানিতে বলেন, সেদিন শেয়ার বিক্রির জন্য দর প্রসত্মাব পেলেও কারিগরি ক্রটির কারণে সঠিক সময়ে অপর পৰ থেকে প্রসত্মাব মূল্য গ্রহণ করা যায়নি। এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এছাড়া কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউসে তখন স্বল্প সময়ের জন্য প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। যদিও কিছুৰণের মধ্যেই তা ঠিক করা হয়। কিন্তু ততৰণে শেয়ারের দর কমে যায় এবং যে দর পাওয়া যায় সেটিই গ্রহণ করা হয়। এৰেত্রে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কিছু করার ছিল না। তবে ব্রোকারেজ হাউসের এ বক্তব্যে এসইসি সন্তুষ্ট হতে পারেনি বলে জানা গেছে। উলেস্নখ্য, গত ২০ জানুয়ারি পুঁজিবাজারে এগ্রেসিভ সেলের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ৬টি ব্রোকারেজ হাউসের লেনদেন ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করেছে এসইসি। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদেরও ৩০ দিন পর্যনত্ম সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি পুঁজিবাজার সংক্রানত্ম আইন ভঙ্গ করায় সংশিস্নষ্ট ব্রোকারেজ হাউসগুলোর নিবন্ধন কেন স্থগিত করা হবে না তার কারণ জানাতে শুনানিতে হাজির হওয়ার জন্য সেদিনই নোটিস পাঠায় এসইসি। এগ্রেসিভ সেলের কারণে ২০ জানুয়ারি লেনদেন শুরম্নর পাঁচ মিনিটের মধ্যে ৫৮৭ পয়েন্ট সূচকের পতন হওয়ায় এসইসি এ সিদ্ধানত্ম নেয়। সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার প্রচলনের কারণে লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনার পরবর্তী দু'দিন পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ রাখা হয়। এগ্রেসিভ সেলের দায়ে জড়িত ব্রোকারেজ হাউসগুলো হচ্ছে- আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ ও এলায়েন্স সিকিউরিটিজ এ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। পরবর্তীতে পুঁজিবাজারের সঙ্কট কাটাতে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে রবিবার বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সূচকের সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহার, কোম্পানির দর হ্রাস-বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে আনা, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে তদনত্ম কমিটি গঠনের ঘোষণা, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিতসহ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা দেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/25/2011 12:23 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার বাজারে ২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন

বিক্রেতা ছিল নগণ্য, এসইসি'র নির্বাহী পরিচালক ওএসডি


রেজাউল করীম
The Daily Ittefaq
26.01.2011




ধসের কারণে টানা দু'দিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার খুলেছে ঢাকা শেয়ারবাজার। পুঁজি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়া বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা ছিল, হারানো পুঁজির কিছুটাও যদি ফেরত পাওয়া যায়! কিন্তু তাদের আশানুরূপ কিছু হয়নি। সারাদিনে লেনদেন হয়েছে মাত্র ২০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে লাভ-লোকসানের হিসাব মেলানোই তাদের জন্য কষ্টকর। তাই মঙ্গলবারও মলিন, বিমর্ষ চেহারা নিয়ে ঘরে ফিরতে হয়েছে বিনিয়োগকারীদের, বুকে শুধু আগামীকালের সম্ভাবনার ঈষৎ ভরসা। কিন্তু আজকের পর বাজার কতটা উঠবে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরাও যথেষ্ট সন্দিহান। এদিকে সংকট উত্তরণের পদক্ষেপ হিসাবে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভুঁইয়াকে ওএসডি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বাজারে সর্বনিম্ন আর্থিক লেনদেনের রেকর্ড শুধু ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেনি, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও রয়েছেন সংশয়ে। কারণ, গত কালকের লেনদেন ছিল গত প্রায় দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। যদিও সাধারণ সূচক ও অধিকাংশ শেয়ারের দাম বেড়েছে। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মাত্র ২০৬ কোটি টাকা। এর আগে ২০০৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে লেনদেন হয় ২১২ কোটি টাকা। সবচেয়ে উলেস্নখযোগ্য দিক হলো, প্রায় ২০০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করে।

বিক্রেতা না থাকায় ডিএসইতে আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে লেনদেন। শুরু থেকেই বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার দিকেই বেশি মনোযোগ ছিল। গত দুই সপ্তাহের ধসের ফলে বেশিরভাগ শেয়ারহোল্ডারের হাতে থাকা শেয়ার লোকসানে ছিল। এ কারণে প্রত্যাশিত দাম না ওঠায় তারা বিক্রি করেনি। লেনদেন শুরুর কিছু সময়ের মধ্যে কেনার চাপে প্রায় প্রতিটি শেয়ারের দাম নিজস্ব সার্কিট ব্রেকারে পেঁৗছে যায়। ফলে দাম না বাড়াতে বাজারে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতার অভাব ছিলো। আর এ কারণেই আর্থিক লেনদেন কম হয়েছে বলে বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন।

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তিন হাজার ২৪৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। দেড় মাসের মধ্যে তিন হাজার ৪৩ কোটি টাকা কম লেনদেন হয়।

বাজার বিশেস্নষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার লেনদেনের শুরু থেকেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারে ঊধর্্বমুখী প্রবণতা ছিল। বেলা ১১টায় লেনদেন শুরুর ২০ মিনিটের মধ্যেই সাধারণ সূচক ৪৪০ পয়েন্ট বাড়ে। মঙ্গলবার ডিএসই'র সাধারণ সূচক ৪৯৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৮২১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৮টির ও কমেছে ১০টির। উলেস্নখ্য, এসইসি'র পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেট থেকে ১০ কোম্পানির লেনদেন স্বাভাবিক মার্কেটে হচ্ছে। এছাড়া মঙ্গলবার থেকে সূচকের উপর আরোপিত সার্কিট ব্রেকার পদ্ধতি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে এ হিসাবে ডিএসই'র সাধারণ সূচক সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে বা কমতে পারে। এর ফলে ডিএসই'র বর্তমান হিসাব অনুযায়ী ৫০০ পয়েন্ট পর্যন্ত কমতে বা বাড়তে পারে।

ডিএসইতে গতকাল লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ প্রতিষ্ঠান হলো ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, ওরিয়ন ইনফিউশন, তিতাস গ্যাস, অ্যাপেক্স অ্যাডেলচি ফুটওয়্যার, ব্যাংক এশিয়া, এনবিএল, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, গ্রামীণফোন, ইস্টার্ন ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে দেশবন্ধু পলিমারের শেয়ারের দাম। এছাড়া প্রথম জনতা মিউচুয়াল ফান্ড, এআইবিএল প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, সিএমসি কামাল, এবি ব্যাংক, মালেক স্পিনিং, শাহজালাল ব্যাংক, সিনোবাংলা, ইউসিবিএল ও জিকিউ বলপেন দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে। ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি কমেছে শ্যামপুর সুগারের শেয়ারের দাম।

অন্যদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভুঁইয়াকে গতকাল ওএসডি করা হয়েছে। ওএসডির চিঠি আনোয়ারুল কবিরের হাতে পেঁৗছেছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। টানা দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, কারসাজির অভিযোগ- সব মিলিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সঙ্কট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে রবিবার পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এর দুইদিনের মাথায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্বাহী পরিচালককে ওএসডি করা হলো। এরই মধ্যে পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক ঘটনাবলী তদন্তে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়েছে
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/25/2011 12:28 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

ডিএসইতে চাঙাভাব, ১৬ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন

অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২৫-০১-২০১১
Prothom-alo


দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে আজ মঙ্গলবার লেনদেন শেষ হয়েছে। বেড়েছে সাধারণ সূচক ও বেশির ভাগ শেয়ারের দাম। তবে আজ ১৬ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে ডিএসইতে আজ লেনদেন শুরু হয়। দিনশেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৪৯৪.৭৩ পয়েন্ট বা সাত দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে ৬৮২১.০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৮টির এবং কমেছে ১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
ডিএসইতে আজ ২০৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত ১৬ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০০৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ডিএসইতে ৩৩৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এ ছাড়া গত বছরের ১৫ এপ্রিল ৭৭২ কোটি, ১৭ জানুয়ারি ৮৪৮ কোটি ও ৬ জানুয়ারি ডিএসইতে ৯৬৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়।
এ ছাড়া গত বছরের ৫ ডিসেম্বর ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তিন হাজার ২৪৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। এই হিসেবে আজ তিন হাজার ৪৩ কোটি টাকা কম লেনদেন হয়।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, গতকাল সোমবার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কোম্পানির সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে আনে। এর ফলে কোম্পানিগুলোর দাম বৃদ্ধি বা কমার সীমা আগের থেকে কমে আসায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
তবে বিনিয়োগকারীরা জানান, আজ বাজার চাঙা হলেও সার্কিট ব্রেকারের সীমা কমে আসায় তাঁরা আশানুরূপ শেয়ার কেনাবেচা করতে পারেননি। তাঁরা জানান, আজ লেনদেনের শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান সার্কিট ব্রেকারে পৌঁছে যায়।
ডিএসইতে আজ লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো বৃটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, ওরিয়ন ইনফিউশন, তিতাস গ্যাস, অ্যাপেক্স অ্যাডেলচি ফুটওয়্যার, ব্যাংক এশিয়া, এনবিএল, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, গ্রামীণফোন, ইস্টার্ন ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে দেশবন্ধু পলিমারের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া প্রথম জনতা মিউচুয়াল ফান্ড, এআইবিএল প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, সিএমসি কামাল, এক্সিম ব্যাংক, মালেক স্পিনিং, শাহজালাল ব্যাংক, সিনোবাংলা, ইউসিবিএল ও জিকিউ বলপেন দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
ডিএসইতে আজ সবচেয়ে বেশি কমেছে শ্যামপুর সুগারের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া অলটেক্স, ইসলামি ইনস্যুরেন্স, সমতা লেদার, ফার্মা এইড, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, মুন্নু জুটেক্স, ডেল্টালাইফ ইনস্যুরেন্স, রহিম টেক্সটাইল ও আইসিবি এএমসিএল প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/25/2011 8:31 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারের জন্য মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে : ডিসিসিআই নিজস্ব প্রতিবেদক

Kaler Kantho
26.01.2011


বিনিয়োগকারী বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো গেলে শেয়ারবাজারে বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না বলে মনে করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। সংগঠনটির সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম বলেছেন, 'শেয়ারবাজারকে স্থিতিশীল করতে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। বাজারে কৃত্রিমভাবে অতিমূল্যায়িত শেয়ার প্রবেশ যেকোনো মূল্যে ঠেকাতে হবে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে এমনভাবে কাজ করতে হবে, যাতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা চেম্বারের এক বছরের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ডিসিসিআই মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত বক্তব্যে আসিফ ইব্রাহিম শেয়ারবাজার সম্পর্কে তিনি বলেন, "পুঁজিবাজারে বর্তমানে ব্যাপকভাবে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। গত দুই-তিন বছরে পুঁজিবাজার সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে সেই আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। বাজারে 'বাবল ইকোনমির' (কৃত্রিমভাবে ফুলেফেঁপে ওঠা) জন্ম হয়েছে। এতে দেশের শিল্পায়ন ব্যাহত হয়েছে।"
তিনি বলেন, 'শিল্পোন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতার সাথে সংগতিপূর্ণ পুঁজিবাজার গঠন করতে হবে, যাতে তা শিল্পোন্নয়নের একটি পরিমাপক হিসেবে চিহ্নিত হয়।'
এতে মূল বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের আগামী এক বছরের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০৩০ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩০তম শক্তিশালী অর্থনীতির দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এ সম্ভাবনা বাস্তবে পরিণত করার জন্য ডিসিসিআই গত বছর এক কনফারেন্সের আয়োজন করে। ওই কনফারেন্সের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি 'স্ট্র্যাটেজি কমিটি' গঠন করবে সংগঠনটি। এই কমিটিকে সহায়তার জন্য একটি গবেষণা ও উন্নয়ন সেল গঠন করা হবে। এ ছাড়া নীতি পরামর্শ, গবেষণা, জরিপ, বাজেটে সুপারিশসহ অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। আসিফ ইব্রাহিম বলেন, 'বাংলাদেশ এমন একটি অবস্থায় রয়েছে, যেখান থেকে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আবার অনেক সুযোগও রয়েছে। এজন্য সরকারকে গুরুত্বের মধ্যেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো চিহ্নিত করতে হবে। অবকাঠামো উন্নয়ন, নীতি ও রাজনীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং জনশক্তিকে সম্পদে রূপান্তর করতে হবে।' ঢাকা ও চট্টগ্রাম সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন ও দুটি সমুদ্রবন্দরের উন্নয়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, 'আগামী পাঁচ বছরে দেশের রপ্তানি আয় ৩৫ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। তবে এজন্য অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি।'
নতুন পণ্য এবং নতুন বাজার তৈরির লক্ষ্যে ঢাকা চেম্বার এ বছর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলোয় প্রতিনিধিদল পাঠাবে বলে জানান ডিসিসিআই সভাপতি।
সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি টি আই এম নূরুল কবীর, পরিচালক ওসমান গনি, মো. নাসিরউদ্দিন খান, খাইরুল মজিদ মাহমুদ ও কে এম এন মনজুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/25/2011 8:33 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ফের তেজি ভাব শেয়ারবাজারে নিজস্ব প্রতিবেদক

Kaler Kantho
26.01.2011

বিপর্যয়ের কবলে পড়ে বন্ধ হওয়া শেয়ারবাজার আবারও চাঙ্গা হচ্ছে। দুই দিন বন্ধ থাকার পর গতকাল মঙ্গলবার চালুর পরপরই ঘুরে দাঁড়ায় শেয়ারবাজার। বেড়ে যায় বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম। দরের সার্কিট ব্রেকার অর্ধেক করে আনায় অল্প সময়ের মধ্যেই বেশির ভাগ কম্পানির দর তা ছুঁয়ে যায়। এরই মধ্যে বিক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে শেয়ারবাজার। ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ গত দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন (২০ জানুয়ারির লেনদেন বাদ দিলে) পর্যায়ে নেমে আসে।
ক্রেতার অভাবে কম লেনদেনের রেকর্ড হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) এবং তা ছিল সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। দুই এক্সচেঞ্জের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের হাতের সব শেয়ারের দরই এখন ক্রয়মূল্যের অনেক নিচে। তাই বিক্রি করার কোনো সুযোগ নেই। মনে করা হচ্ছে, সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া পদক্ষেপেরই সুস্পষ্ট প্রভাব পড়ে গতকালের শেয়ারবাজারে।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হওয়া ১৯৮ কম্পানির মধ্যে ১৭৪টিরই দাম বাড়লেও লেনদেন হয়েছে মাত্র ৫২ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার। গত সাত মাসের মধ্যে এটা সর্বনিম্ন লেনদেন। এর আগে গত ১৭ জুন সিএসইতে ৪০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। গতকাল ডিএসই’র সাধারণ সূচক বেড়েছে ৪৯৪.৭৩ পয়েন্ট বা ৭.৮২ শতাংশ।
সূচকের সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহার ও কম্পানির শেয়ারের সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে এনে গতকাল লেনদেন চালু হয় দুই স্টক এক্সচেঞ্জে। মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩২৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬৬৫০ পয়েন্টে পৌঁছে। আধঘণ্টায় আরো বেড়ে সূচক ৬৮০০ পয়েন্টে ওঠে। এ সময় অধিকাংশ কম্পানির শেয়ার সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৮টি কম্পানির মধ্যে ২১৭টিরই দিনের অধিকাংশ সময় কোনো বিক্রেতা ছিল না। এর বিপরীতে কেনার চাপ প্রবল থাকায় প্রায় সব কম্পানির দরই দিনের সর্বোচ্চ সীমায় (সার্কিট ব্রেকার) পৌঁছে যায়। ফলে সারা দিনে মাত্র ২০৬ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি প্রায় একই পরিস্থিতি ছিল পুঁজিবাজারে। আগের দিন লেনদেন বন্ধ করে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রভাবে সেদিন সূচক বেড়েছিল ১০১২ পয়েন্ট। বিক্রেতাশূন্য হয়ে পড়েছিল শেয়ারবাজার।
অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বাদে গতকালের লেনদেনের পরিমাণ গত দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০০৮ সালের ২২ ডিসেম্বর ২০৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা লেনদেন হয়। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ২৫৮৪.৬১ পয়েন্ট। অবশ্য গত ২০ জানুয়ারি লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৬৮ কোটি টাকা। তবে ৬০০ পয়েন্ট সূচক পতনের সেই দিনে মাত্র পাঁচ মিনিট লেনদেন হয়েছিল।
এদিকে সিএসইতে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে লেনদেন হওয়া ১৩০ কম্পানির মধ্যে ১২১টিরই দর বৃদ্ধির নিজস্ব সার্কিট ব্রেকার ছুঁয়ে যায়। এ সময় বিক্রেতা না থাকায় অনেক কম্পানির লেনদেন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকে বলে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে জানা গেছে।
গতকালের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, বাজার কতটা টেকসই হবে সেটা বোঝা যাবে তিন দিন পর। গতকাল অধিকাংশ ভালো কম্পানির লেনদেন স্থগিত হয়ে যাওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারী দুর্বল মৌল ভিত্তির শেয়ার কিনেছে বলেও তিনি মনে করছেন। এমনটি হয়ে থাকলে এটা বাজারের জন্য খারাপ হবে মনে করছেন এই পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, ধীরে ধীরে বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তিনি বলেন, প্রতিটি কম্পানিরই অ্যাসেট ভ্যালু, ফান্ডামেন্টাল ভ্যালু আছে। দাম কমতে কমতে শূন্য হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আবার অতি উৎসাহিত হওয়ার মতো কোনো কিছু নেই। সব কিছুতেই যৌক্তিক কারণ থাকতে হবে। গতকাল দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিককের সঙ্গে আলাপকালে শাকিল রিজভী এসব কথা বলেন।
আনোয়ারুল কবীর ওএসডি
পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়াকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করেন। একই সঙ্গে কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভাগীয় দায়িত্বে রদবদল করা হয়েছে। এ ছাড়া আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়ার অধীনে থাকা দুটি বিভাগ পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। এর মধ্যে কমিশনের নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল ইসলামকে নিবন্ধন বিভাগ এবং পরিচালক মাহবুবুল আলমকে এসআরএমআইসি বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে কমিশনের আরেক পরিচালক রেজাউল ইসলামের পরিবর্তে উপপরিচালক মাহমুদুল হককে সার্ভিল্যান্সের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রেজাউল ইসলামকে সিএমআরআরসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শেয়ারবাজারে বিপর্যয় নেমে এলে গত রবিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা ফেরাতে ওই দিনই ১৪ দফা পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী। তার ধারাবাহিকতায় গতকালই গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/25/2011 8:34 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারে পতনঅবশেষে তদন্ত কমিটি গঠন
আওতায় আসছে অনেক কিছু


নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
26.01.2011


শেয়ারবাজারে ঘটা সাম্প্রতিক অনিয়মগুলো খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সরকার। কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ড. খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদকে এ কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুজন সদস্যের নাম আজ বুধবার ঘোষণা করবেন অর্থমন্ত্রী। গতকাল মঙ্গলবার শেরে বাংলানগরের পরিকল্পনা কমিশনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের কাছে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা বলেন। এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, কমিটির অন্য দুজন সদস্যের নাম প্রাথমিকভাবে ঠিক করা হয়েছিল। শেয়ারবাজারের সঙ্গে তাঁদের সম্পৃক্ততা থাকায় পরে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ওই দুজনের পরিবর্তে নেওয়া অন্য দুজন সদস্যের নাম বুধবার ঘোষণা করা হবে। তবে তদন্ত কমিটি চাইলে তাঁদের প্রয়োজনে আরো সদস্য নিয়োগ দিতে পারবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, তদন্তের শর্তাবলি ও কার্যাবলি (টার্মস অব রেফারেন্স) কী কী করা হবে, তা বুধবার ঠিক করা হবে। প্রধানমন্ত্রী পাঁচ দিনের সফরে যুক্তরাজ্য যাওয়ার আগেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি খতিয়ে দেখবে। কমিটি চাইলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকেই তদন্তের কাজ শুরু করতে পারবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেবে কমিটি। শেয়ারবাজার থেকে টাকা বিদেশে পাচার হওয়ার অভিযোগ গতকালও নাকচ করে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এটি একটি উদ্ভট কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, টাকা শেয়ারবাজারেই রয়েছে। কে কত টাকার শেয়ার কেনাবেচা করেছে, সে তথ্য সিডিবিএলের কাছে রয়েছে।
জানা গেছে, অতি মূল্যায়িত বাজারের সুযোগ নিয়ে সরাসরি তালিকাভুক্তি, বুক বিল্ডিং এবং ফিক্সড প্রাইজের মাধ্যমে অতি মূল্যায়িত শেয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) এনে অস্বাভাবিক পরিমাণে অর্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে চিহ্নিত করবে শেয়ারবাজার নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি। এ প্রক্রিয়ায় ইস্যু ম্যানেজার, নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, অডিট ফার্ম ও অ্যাসেট ভ্যালুয়ার কম্পানির ভূমিকাও খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি। আইপিওতে ইস্যুয়ার কম্পানির শেয়ার কিনে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাও পর্যালোচনা করবে তদন্ত কমিটি।
শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তদন্তে গঠিত কমিটির শর্তাবলি ও কার্যাবলির (টার্মস অব রেফারেন্স) খসড়ায় এ কথা বলা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউস ও তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের ব্যাঘাত ঘটিয়ে বাজারকে অস্থিতিশীল করার কাজে লিপ্ত ছিল কি না, তদন্ত কমিটি তা খতিয়ে দেখবে। পুঁজিবাজারে অব্যাহত ঊর্ধ্বগতির প্রকৃতি পর্যালোচনা, পুঁজিবাজারের টেকসই অবস্থার ধারণা ও অতি মূল্যায়নের প্রকৃতি নির্ণয় করবে কমিটি। এ ছাড়া ২০১০ সালের শুরুতে ব্যাংক এবং সরকারি সেভিংস ইনস্ট্র–মেন্ট বিনিয়োগ হতে পাওয়া আয়ের তুলনায় পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি আয়ের পর্যালোচনা করবে কমিটি।
খসড়ায় আরো বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীর পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদি ক্রেতা-বিক্রেতার অনুপ্রবেশ ও তাদের লেনদেনের ধরন তদন্ত কমিটি চিহ্নিত করবে। এ ধরনের ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করা, তাদের লেনদেন করা অর্থের পরিমাণ এবং তারা কিভাবে বাজারকে প্রভাবিত করে, তাও বের করা হবে। এ ছাড়া পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান যথেষ্ঠ ছিল কি না এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতির বিপরীতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নেওয়া পদক্ষেপগুলো যথাযথ ছিল কি নাÑতা খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি।
শর্তাবলি ও কার্যাবলির খসড়ায় বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা করে পুঁজিবাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনাসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে বাজারের সাম্প্রতিক অস্বাভাবিক উত্থান-পতনের বিষয়টি তদন্ত করতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি তদন্ত কমিটি গঠনে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের বিধি মোতাবেক এসইসি এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
শেয়ারবাজারে দ্রুত দরপতনের সময় সামগ্রিকভাবে বাজারে তারল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে তদন্ত কমিটি। এ সময় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি পর্যাপ্ত ছিল কি না কমিটি এ বিষয়ে পর্যালোচনা করবে। এ ছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও এসইসির অবকাঠামো ও সুশাসন যথাযথ ছিল কি না তাও পর্যালোচনা করবে তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটি পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির মতামত ও সাক্ষ্য নিতে পারবে। কমিটির কার্যক্রমে এসইসি প্রয়োজনে সাচিবিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেবে।

          
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 7:22 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারি: তদন্ত কমিটির ২ সদস্যের নাম চূড়ান্ত

ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

পুঁজিবাজারে কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটির অপর দুই সদস্যের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। তারা হলেন-বিআইবিএম'র মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী ও আইসিএবি'র সাবেক সভাপতি আব্দুল বারী। পুজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা (এসইসি'র) একটি সূত্র বুধবার বিকেলে শীর্ষ নিউজ ডটকমকে এ কথা নিশ্চিত করেছে। তবে সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ দুই সদস্যের নাম ঘোষণা করা হবে।
এর আগে মঙ্গলবার কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই দিন কমিটির অপর দুই সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে এ কমিটি কাজ শুরু করবে এবং ৩ মাসের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এমএইচ/ এআই/ ১৭.৩০ঘ)

=====================================

পুঁজিবাজারে জড়িত কেউ তদন্ত কমিটিতে থাকবে না: মুহিত

ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক অস্থিরতা তদন্তে গঠিত কমিটির জন্য যোগ্য লোক খোঁজা হচ্ছে। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না। তবে পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত এমন কাউকে কমিটিতে রাখা হবে না বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, বুধবারের মধ্যে কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হতে পারে। এ কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
বুধবার আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এর আগে এনবিআরের সদস্য হুসেইন আহমেদ এর সভাপতিত্বে কাস্টমস দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী। এসময় অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআই'র সভাপতি একে আজাদ, শুল্ক ও ইনকামট্যাক্স-এর মহাপরিচালক নাসির উদ্দিনসহ কাস্টমস এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, স্টেচুমুরি রেগুলেটরি অর্ডারকে (এসআরও) সংশোধন করে সাংবিধানিক ভিত্তি দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শুল্ককে আরো সহজ করা হবে। এসআরও লক্ষ্যমাত্র কমানো উচিত । কিন্তু এই মূহূর্তে সরকার অপারগ।
আবুল মাল মুহিত বলেন, বাণিজ্যের গুরুত্ব আমাদের দেশসহ আন্তর্জাতিকভাবে বেড়েছে। এজন্য আগামী ২৫ বছরের মধ্যে কাস্টমস দিবস বিলুপ্ত হয়ে বাণিজ্য উন্নয়ন দিবসের সূচনা ঘটবে। জাতীয় আয়ের ৪০% বাণিজ্যের ওপর নির্ভর করে বলে তিনি জানান। বাণিজ্যকে সহজ করতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ৫৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে কাস্টমস-এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরে একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএইচএম/আইএম/ এসসি/১৬.৪০ঘ. )

========================================

এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজের লেনদেনের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

পুঁজিবাজারে এগ্রেসিভ সেলের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থগিত ছয় ব্রোকারেজ হাউজের মধ্যে এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজের লেনদেন চালুর অনুমতি দিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ২০ জানুয়ারি অস্বাভাবিক লেনদেনের ঘটনায় ভুল স্বীকার ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ায় এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছে এসইসি। বুধবার এনসিসি ব্যাংকের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়ার পর এ প্রতিষ্ঠানের লেনদেন শুরু হয়েছে।
২০ জানুয়ারি পুঁজিবাজারে এগ্রেসিভ সেলের সাথে জড়িত থাকার দায়ে ৬টি ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করে এসইসি। একই সাথে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তাদেরও ৩০ দিন পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়। পাশাপাশি পুঁজিবাজার সংক্রান্ত আইন ভঙ্গ করায় সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোর নিবন্ধন কেন স্থগিত করা হবে না কারণ জানাতে শুনানিতে হাজির হওয়ার জন্য সেদিনই নোটিশ পাঠায় এসইসি। এগ্রেসিভ সেলের কারণে ২০ জানুয়ারি লেনদেন শুরুর ৫ মিনিটের মধ্যে ৫৮৭ পয়েন্ট সূচকের পতন হওয়ায় এসইসি এ সিদ্ধান্ত নেয়। সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার প্রচলনের কারণে লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনার পরবর্তী দু'দিন পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ রাখা হয়।
এগ্রেসিভ সেলের দায়ে জড়িত ব্রোকারেজ হাউজগুলো হচ্ছে- আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ ও এলায়েন্স সিকিউরিটিজ এন্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট ৫টি ব্রোকারেজ হাউজের নিবন্ধন স্থগিতে এসইসির দেয়া নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সোমবার হাইকোর্টে রিট আবেদন করে অভিযুক্তরা। আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তাকে কাজ থেকে ৩০ দিনের জন্য বিরত রাখার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আলাদা রিট আবেদন করা হয়। মঙ্গলবার হাইকোর্ট এসব রিট মামলা খারিজ করে দেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ ১৭.১০ঘ)


................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 7:24 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সহযোগী ৪ কোম্পানির ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার কেনার প্রস্তাব সামিটের

আলতাফ মাসুদ, ২৬ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)



পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সহযোগী ৪ কোম্পানির শেয়ার কিনতে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমতি চেয়েছে সামিট ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড মার্কেন্টাইল করপোরেশন (এসআইএমসি)। এসইসি'র অনুমোদন সাপেক্ষে বর্তমান বাজার দরে ৪টি সহযোগী কোম্পানির মোট ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার কেনার প্রস্তাব করেছে কোম্পানিটি। তবে শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে এসইসি'র স্পন্সর শেয়ারের জন্য প্রচলিত আইনের একটি বিধি থেকে অব্যাহতি চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
২৩ জানুয়ারি সামিট মার্কেন্টাইল করপোরেশনের পক্ষ থেকে সহযোগী কোম্পানির শেয়ার কেনার প্রস্তাব দিয়ে এসইসি ও দুই স্টক এক্সচেঞ্জে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ঢাকা ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে এ বিপুল পরিমানের শেয়ার ক্রয় করা হবে বলে জানা গেছে। যেসব কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলো হলো- সামিট পাওয়ার লিমিটেড, সামিট এলায়েন্স পোর্ট লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও ওশেন কন্টেইনার্স লিমিটেড।
সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির স্পন্সর বা উদ্যোক্তারা নিজ কোম্পানির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে কিছু বাধ্যবাধকতা মেনে চলার বিধান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- কোম্পানির বার্ষিক হিসাব সমাপনীর দুই মাস আগে এবং বার্ষিক হিসাব সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী বোর্ড মিটিং পর্যন্ত স্পন্সররা নিজ কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করতে পারবেন না। কারণ এ সময়ের মধ্যে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় ও লভ্যাংশ কি পরিমান হতে পারে তা স্পষ্ট হয়ে যায়। সিকিউরিটিজ আইনে উল্লেখিত সময়ে স্পন্সরদের জন্য নিজ কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ে বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া স্পন্সর বা উদ্যোক্তারা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে শেয়ার অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে বিধিমালা দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে একটি গণ-বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।
বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ২০১০ সালে তালিকাভুক্তির পর ওশেন কন্টেইনার্স লেনদেন হয় ৩৫২ টাকায়। এরপর থেকেই এ শেয়ারের দর ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। যা বর্তমানে ১১৭.৩০ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। অপরদিকে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তির পর গত এপ্রিল মাসে ২৭৩ টাকায় লেনদেন হলেও বর্তমানে এর দর ৯৭.৭০ টাকায় নেমে এসেছে। এছাড়া সামিট পাওয়ারের দর এক বছর আগে ১৪০০ টাকায় লেনদেন হলেও বর্তমানে ১১৭.৫০ টাকায় এবং সামিট এলায়েন্স পোর্ট ২৫০০ টাকায় (১০০ টাকা অভিহিত মূল্যে) লেনদেন হলেও বর্তমানে ১২৮.৩০ টাকায় (১০ টাকা অভিহিত মূল্যে) লেনদেন হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে- বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও ওশেন কন্টেইনার্সের শেয়ারের নির্দেশক মূল্য যৌক্তিক মূল্যের চাইতে অনেক বেশি ধরা হয়েছে। এ দুটি কোম্পানির মাধ্যমে সামিট গ্রুপ পুঁজিবাজার থেকে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। তবে এ দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনে বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৯০০ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে।
শেয়ার কেনার বিষয়টি স্বীকার করে সামিট ইন্ডাষ্ট্রিয়াল এন্ড মার্কেন্টাইল করপোরেশনের চেয়ারম্যান মুহম্মদ আজিজ খান শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক পরিস্থিতিকে সামিট গ্রুপের চার সহযোগী প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় সবগুলো কোম্পানির শেয়ারের দরই পড়ে গেছে। এছাড়া সামিট গ্রুপের চার সহযোগী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনে আর্থিক লোকসানে পড়ে কেউ কেউ ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তাই আমরা এসব প্রতিষ্ঠানের ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার বাজার মূল্যে কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ ১৩.৪০ঘ)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 7:27 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার: দিন শেষে হলো ঊর্ধ্বমুখি প্রবণতায়
     
     
Wed, Jan 26th, 2011 1:12 pm BdST
     

ঢাকা, জানুয়ারি ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)



লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় ৮৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করে।

তবে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সা¤প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিটি শেয়ার তাদের নিজস্ব সার্কিট ব্রেকারের সীমায় পৌঁছে গেলেও লেনদেন বন্ধ হবে না, ওই দামেই কেনা-বেচা চলবে।

সকাল ১১টা থেকে দেশের দুই পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়। মঙ্গলবারের মতো বুধবারও লেনদেনের শুরুতেই কেনার চাপ দেখা গেছে। শুরুর ১৫ মিনিটের মধ্যে সূচক বাড়ে ছয় শতাংশ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিন শেষে সাধারণ সূচক ছিলো ৭২৮০, যা দিনের শুরুর চেয়ে ৪৫৮ পয়েন্ট বেশি।

৫৮৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়।

২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হাতবদল হয়, এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৮টির, কমেছে ২৫টির। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটির।

সাধারণ সূচকের সার্কিট ব্রেকার তুলে নেওয়ার পর প্রতিটি শেয়ারের আলাদা সার্কিট ব্রেকারও অর্ধেক করা হয়েছে।

টানা দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, কারসাজির অভিযোগ- সব মিলিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সঙ্কট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে রোববার দুই দফা বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

মঙ্গলবার ডিএসই তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, সাধারণ সূচকে সার্কিট ব্রেকার তুলে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি শেয়ারের আলাদা সার্কিট ব্রেকারও ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে।

প্রধান বিরোধী দল পুঁজিবাজারে অস্থিরতার জন্য সরকারকে দায়ী করে এর তদন্ত চেয়েছে। সেইসঙ্গে অর্থ হারানো বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে তারা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/আরএইচএন/পিডি/১৫৫৪ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 7:30 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে অস্থিরতা
তদন্ত কমিটিতে আরো দুই সদস্য নিয়োগ

     
     
Wed, Jan 26th, 2011 7:22 pm BdST

ঢাকা, জানুয়ারি ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)




পুঁজিবাজারের সা¤প্রতিক অস্থিরতা তদন্তে গঠিত কমিটিতে আরো দুইজনকে সদস্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

এরা হলেন- বিআইবিএম'র মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী ও আইসিএবি'র সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল বারী।

বুধবার সন্ধ্যায় তাদের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে মঙ্গলবার এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কমিটি দুই মাসের মধ্যেই প্রতিবেদন দেবে। কমিটি প্রয়োজন মনে করলে সরকার আরো সদস্য নিয়োগ দেবে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) তদন্ত কমিটিকে সচিবিক সহায়তা দেবে।

এর আগে বুধবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে কাস্টমস ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা হন্য হয়ে অপর দুই সদস্যকে খুঁজছি। তবে শেয়ার বাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে এমন কাউকেই এই তদন্ত কমিটিতে নিয়োগ দেওয়া হবে না।"

তিনি বলেন, "কার্যপরিধি তৈরি হয়ে গেছে এবং কমিটি দুই মাসের মধ্যেই প্রতিবেদন দেবে।"

"কমিটি প্রয়োজন মনে করলে আরো সদস্য নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ থাকবে সরকারের," যোগ করেন তিনি।

টানা দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, কারসাজির অভিযোগ- সব মিলিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সঙ্কট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে রোববার দুই দফা বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, পুঁজিবাজারের সা¤প্রতিক ঘটনাবলি তদন্তে ১৫ দিনের মধ্যে কমিটি করা হবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএসজেড/জেকে/১৯২১ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/26/2011 7:32 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার বাজারের ঘটনা তদন্তে ভালো লোক পাচ্ছি না: অর্থমন্ত্রী


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৪১০ ঘন্টা, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১১

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, শেয়ার বাজারের ঘটনা তদন্তের জন্য হণ্যে হয়ে লোক খুঁজছি। কিন্তু ভালো লোক পাচ্ছি না। তবে বুধবারের মধ্যেই তদন্ত কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণার সম্ভাবণা রয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যেই কমিটিকে রিপোর্ট দিতে হবে।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বুধবার আন্তর্জাতিক কাস্টমস ডে উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান শেষে বাইরে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারবাজারে সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে এমন কাউকে তদন্ত কমিটির সদস্য করা হবে না। কমিটি গঠনের জন্য দুইজন লোকের নাম এসেছে। তাদের একজন এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী এবং ড. জামাল উদ্দিন। কিন্তু তাদের শেয়ার বাজারে সম্পৃক্ততা রয়েছে।

তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির কার্যপরিধি তৈরি হয়ে গেছে। কমিটি প্রয়োজন মনে করলে আরো সদস্য নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

অর্থমন্ত্রী মঙ্গলবার কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে কমিটি তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে বলেও ঘোষণা দেন।

পুঁজিবাজারে টানা দরপতনের কারণে গত এক মাস ধরে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ চলছিলো। বাজার কারসাজির মাধ্যমে একটি সংঘবদ্ধচক্র পুঁজিবাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে সটকে পড়েছে। এতে সর্বশান্ত হয়েছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী।

এসইসি নানা উদ্যোগ নিয়েও বাজারকে স্বাভাবিক করতে পারেনি। অবশেষে সরকার বাজারকে স্বাভাবিক করতে বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি, ডিএসই, মার্চেন্টস ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন, ব্যবসায়ী নেতৃবন্দ ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় রোববার বৈঠক করেন।

একই দিন তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে অর্থমন্ত্রণালয়ে শেয়ার বাজার নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।

তিনি শেয়ার বাজার কেলেংকারির সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে শেয়ার বাজারকে স্বাভাবিক করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও জানান সাংবাদিকদের।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 21 / 40 1 - 2 - 3.. - 19 - 20 - 21 - 22 - 23.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview