| 01/24/2011 1:13 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজার থেকে তোলা অর্থ কী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা দেখার পরামর্শ
এসইসি পুনর্গঠন ও তদন্ত কমিটি গঠনের চিন্তা
শওকত হোসেন ও হাসান ইমাম | তারিখ: ২৩-০১-২০১১
Prothom -Alo
দ্রুত এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া শেয়ারবাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
এ জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তি প্রদান, বাজার ধসের কারণ অনুসন্ধানে টাস্কফোর্স গঠন এবং বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে যাঁরা ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।
সূত্র জানায়, সরকারও আস্থা ফিরিয়ে আনতে নতুন কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে। এ লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলছেন। এসইসিতে নতুন দুজন সদস্য নিয়োগ দেওয়াসহ পুনর্গঠন এবং দায়দায়িত্ব নিরূপণ করতে একটি কমিটি গঠন করা হতে পারে বলেও জানা গেছে।
অর্থমন্ত্রী আজ রোববার সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে শেয়ারবাজার পরিস্থিতি বিষয়ে বৈঠক করবেন। ৩০ লাখেরও বেশি বিনিয়োগকারী এখন এই বৈঠকের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়। তাঁরা আস্থা ফিরে পেতে চান। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে সরকারের ওপর। আজ শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে।
অর্থমন্ত্রী গত শুক্রবার তাঁর ও এসইসির নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে স্বীকার করেছেন। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও মনে করেন, অনেক সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়াই এমন অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে কৃত্রিমভাবে বাজার চাঙা থেকেছে এবং শেয়ারের দর বেড়েছে। এতে অতি লাভের লোভে বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও বেড়েছে।
বাজারে বড় ধস নামলেও এখান থেকে মুনাফা তুলে নিয়েছে, এমন বিনিয়োগকারীও অসংখ্য বলে জানা গেছে। এই অর্থ কোথায় যাচ্ছে, নতুন বিনিয়োগ কর্মকাণ্ডে যাবে না পাচার হয়ে যাবে, সেটি দেখাও প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘অতীতে বিদেশি ঋণ ও ব্যাংকের অর্থ নিয়ে অনেকে ধনী হয়েছেন। এবার মধ্যবিত্তের সঞ্চয় নিয়ে এ ধরনের চেষ্টা দেখা গেল। এর অবশ্যই সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে। যাঁরা বলেন, এর কোনো প্রভাব নেই, তাঁদের সঙ্গে একমত নই।’ তিনি আরও বলেন, এখনো বিনিয়োগ করার ভালো ক্ষেত্র তৈরি হয়নি। সুতরাং শেয়ারবাজারের মুনাফার অর্থ কোথায় যায়, তা দেখা প্রয়োজন। নতুন করে অর্থ পাচারের বিষয়ে তিনি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, কর আরোপ করার বিষয়টিও আবার ভাবতে হবে। গত বাজেটে চেষ্টা করেও অর্থমন্ত্রী পারেননি। কিন্তু এটি করা প্রয়োজন।
এসইসি পুনর্গঠন: পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। কিন্তু গত দুই বছরে পুঁজিবাজার অনেকের কথায় চলেছে বলে সূত্র জানায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের একজন সাবেক সভাপতি, স্থায়ী কমিটির একজন প্রভাবশালী সাংসদ এবং একজন বড় ব্যবসায়ী নানাভাবে এসইসিকে প্রভাবিত করেছেন। তাঁদের কারণে এসইসিকে নানা সময়ে নানা ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। এর প্রভাব পড়ে বাজারে। ফলে এসইসির বিশ্বাসযোগ্যতা তেমন ছিল না। সুতরাং এসইসি পুনর্গঠন না করলে এর প্রতি আস্থা ফিরে আসবে না বলেই সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ ৪ জানুয়ারি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর তৈরি একটি প্রতিবেদনে বলেছে, একটি গ্রুপ শেয়ারবাজারে নানাভাবে সক্রিয় ছিল। দুই স্টক এক্সচেঞ্জের কয়েকজন সদস্য, এসইসির কর্মকর্তা, কিছু রাজনৈতিক নেতা, কয়েকজন বড় ব্যবসায়ী, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের সদস্যরা নানাভাবে বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এমনকি অর্থ মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিও নানা সময়ে পরামর্শকের ভূমিকা নেওয়ায় তা এসইসি ও পুঁজিবাজারের ওপর চাপ তৈরি করে।
সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় মনে করেন, এসইসির ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনতে সংস্থাটির প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার জরুরি। যাঁরা দায়িত্ব পালন করতে পারেননি, তাঁদের দায়দায়িত্ব নিরূপণ করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি সংস্থাটির সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।
টাস্কফোর্স গঠন: ’৯৬-এর শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার এখনো হয়নি। এবারও কিছু মানুষের কারসাজির কারণে বাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে বলে সবাই মনে করেন। এ কারণে এখন আরেকটি কমিটি গঠনের সময় হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। অর্থমন্ত্রী নিজেও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন। এ লক্ষ্যে কমিটি বা টাস্কফোর্স গঠন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
সূত্রগুলো মনে করছে, কখন কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কী কারণে পরিবর্তন করা হয়েছিল এবং কারা পরিবর্তনে প্রভাব বিস্তার করেছে—সবকিছুই খতিয়ে দেখা হবে। কেননা, কারা কারসাজি করে শেয়ারের মূল্য বাড়িয়েছেন এবং মুনাফা নিয়ে বাজার থেকে বের হয়ে গেছেন, তা খুঁজে বের করতেই একটি কমিটি বা টাস্কফোর্স গঠন করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১০ সালের শেষ ছয় মাসে ১৬টি কোম্পানি রাইট শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে দুই হাজার ১৪ কোটি টাকা বাজার থেকে তুলেছে। এ ছাড়া সরাসরি তালিকাভুক্তি ও বুক বিল্ডিং পদ্ধতির মাধ্যমেও কয়েকটি কোম্পানি প্রচুর অর্থ তুলে নিয়েছে। এসব অর্থ কোথায় বিনিয়োগ হয়েছে, তা এবং এসব অর্থ ব্যবহার করে কোম্পানিগুলোর লাভজনকতা বেড়েছে কি না, তা দেখতে হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যও এ ধরনের একটা কমিটি গঠনের পক্ষে মত দেন।
ব্যাংক খাতের বিনিয়োগ: বাংলাদেশ ব্যাংক শুরু থেকেই শেয়ারবাজারে কোনো কোনো ব্যাংকের অতিরিক্ত অংশগ্রহণের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হয়ে এর রাশ টেনে ধরতে চেয়েছিল। কিন্তু ডিএসইর একজন প্রভাবশালী সদস্য ও একজন বড় ব্যবসায়ী সরকারের নানা মহলে প্রভাব বিস্তার করে তা করতে বাধা দেন বলে সূত্র জানায়। এর ফলে শেয়ারবাজারে কোনো কোনো ব্যাংকের বিনিয়োগ বেশি থেকে যায়। জানা গেছে, বেসরকারি খাতের কয়েকটি ব্যাংক শেয়ারবাজার থেকে অতিরিক্ত মুনাফা করেছে।
ব্যাংকগুলোর কয়েকটি ২০১০ সালে আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি মুনাফা করেছে। এই মুনাফার বড় কারণ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ। ব্যাংকগুলোর মোট মুনাফার কত অংশ শেয়ারবাজার থেকে এসেছে, সে তালিকা প্রকাশ করা প্রয়োজন বলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন। তা ছাড়া ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংকিং শাখা কী ধরনের ভূমিকা পালন করেছে, তা-ও খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।
সমন্বিত উদ্যোগ: সামষ্টিক অর্থনীতি বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি সমন্বয় কমিটি রয়েছে। কিন্তু শেয়ারবাজার বিষয়ে কমিটি একটি বৈঠকও করেনি। আবার সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে সমন্বিত পদক্ষেপও নিতে দেখা যায়নি কখনো। পুরো সময়জুড়েই ছিল নীতি সমন্বয়ের ব্যর্থতা। আস্থা ফিরিয়ে আনতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলেও মনে করছেন সবাই।
এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, এ মুহূর্তে বাজারে আস্থার সংকটই মূল সমস্যা। অন্য সমস্যাগুলো গৌণ। কারণ, বাজারে অনেক শেয়ারই বিনিয়োগযোগ্য অবস্থায় চলে এসেছে। তার পরও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সে ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এ ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা একটা ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে তারা সেটি না করে আরও পতনের জন্য অপেক্ষা করছে। এ ব্যাপারে সরকারসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সতর্ক থাকতে হবে।
একই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা যেমন, বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি সমন্বিতভাবে কাজ করছে—সেই ব্যাপারটিও বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরতে হবে। এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী মনে করেন।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলামও মনে করেন, সরকারের এই দুই সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জরুরি। কারণ, মুদ্রাবাজার ও পুঁজিবাজারের একটি যোগাযোগ রয়েছে। এ যোগাযোগ পরস্পরবিরোধী এবং একটির নীতি অন্যটিকে বিপরীতভাবে প্রভাবিত করে। দুটি ক্ষেত্রই যাতে মাঝামাঝি একটি অবস্থানে থাকতে পারে, সে বিষয়টি দেখা যেতে পারে।
বাজারশক্তির ওপর নির্ভরতা: বাজারসংশ্লিষ্টরা সবাই মনে করছেন, বাজারকে বাজারশক্তির ওপর ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন। যখনই বাজার সংশোধন শুরু হয়, তখন তাকে বাধা না দিয়ে বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন। যেমন, ২০১০ সালের শুরুতে বাজার সংশোধন হলে ক্ষতিগ্রস্ত হতো ১৫ লাখ বিনিয়োগকারী। আর এখন বাজারে ধস নামায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩০ লাখের বেশি বিনিয়োগকারী। আবারও বাজার কৃত্রিম উপায়ে চাঙা রাখা হলে এক বছর পর হয়তো ক্ষতির মুখে পড়বে ৫০ লাখ বিনিয়োগকারী। সুতরাং সংশোধন যত দিন ঠেকিয়ে রাখা হবে, পরিস্থিতি ততই খারাপ হবে।
মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বর্তমান পরিস্থিতিতে দীর্ঘ মেয়াদে বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে নতুন শেয়ার ছাড়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে এখনই সরকারি শেয়ার ছাড়া যাবে কি না, সে ব্যাপারে গত শুক্রবার অর্থমন্ত্রী সংশয় প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এ ধরনের সংশয় থাকা উচিত নয়। কারণ প্রাথমিক বাজারে (আইপিও) এখনো কোনো সমস্যা নেই। সব আইপিওতে চাহিদার তুলনায় বেশি আবেদন জমা পড়ছে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত করা উচিত হয়নি বলে উল্লেখ করে মির্জ্জা আজিজ আরও বলেন, এ আইনের কোনো সমস্যা থাকলে তা সংশোধন করা যেত। কিন্তু বাদ দেওয়ায় বেসরকারি খাত নিরুৎসাহিত হবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 6:42 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এসইসি চেয়ারম্যানকে আদালতে দাঁড় করিয়ে রেখে ভৎর্সনা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময় ১৭৩১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৪, ২০১১
ঢাকা: সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আদেশপত্রে সরকারের লোগো ব্যবহার করায় সংস্থাটির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারকে ভৎর্সনা করেছেন আদালত। সোমববার দুপুরে হাইকোর্টে হাজির হলে তাকে পুরো সময় দাঁড় করিয়ে রাখেন আদালত।
এর আগে এসইসির আদেশপত্রে সরকারের লোগো ব্যবহার করায় তাকে আদালতে তলব করা হয়। আজ সোমবার বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বেঞ্চে হাজির হলে তাকে ভর্ৎসনা করেন দুই বিচারপতি।
এজলাস বসার পরপরই বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী সরকারি প্রতীক বা লোগো ব্যবহারে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘ইজ ইট এ গভট ডিপার্টমেন্ট, হোয়াট ইজ হি, হোয়াট ইজ হিজ কোয়ালিফিকেশন, হু অথরাইজড হিম টু ইউজ দিস?’
এসইসি’র আদেশপত্রের একটি কপি তুলে ধরে বিচারপতি বলেন, ‘এখানে লেখা হয়েছে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’, অ্যাজ ইফ এটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।’
তিনি বলেন, ‘ফৌজদারি দণ্ডবিধির ২০৫ ধারায় এটি একটি অপরাধ।’
পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির জন্যও এসইসি’র চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারের তীব্র সমালোচনা করে হাইকোর্ট বেঞ্চ বলেন, ‘শেয়ারবাজার নিয়ে কি হচ্ছে তা সবার জানা। অন্য কোনো দেশ হলে এর দায় নিজের কাঁধে নিয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান পদত্যাগ করতেন।’
বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী এসইসি চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে আরো বলেন, ‘দেশকে, সরকারকে গভীর ষড়যন্ত্রের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর দায়িত্বি কি তিনি (এসইসি’র চেয়ারম্যান) নেবেন? পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি তো কিছুই করেন নি।’
বিচারপতি চৌধুরী সরকারি লোগো-ব্যবহার করে দেওয়া এসইসির আদেশপত্রগুলো প্রত্যাহারে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন।
বিচারপতি বলেন, ‘আমরা এর পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না। এটি যে একটি ক্রিমানাল অফেন্স এই ভদ্রলোক সেটাও জানেন না। ’
এসময় নীরবে এজলাসে বিচারকদের সঙ্গে ফাঁকা স্থানে দাড়িয়ে ছিলেন এসইসি চেয়ারম্যান।
পরে ৬টি ব্রোকারেজ হাউজের নিবন্ধন স্থগিত করে এসইসি’র দেওয়া নির্দেশের বিরুদ্ধে করা রিটের শুনানি গ্রহণ করেন হাইকোর্ট বেঞ্চ। রিটকারীদের পক্ষে ড. এম জহির ও ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ব্রোকারেজ হাউজগুলোর নিবন্ধন বাতিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শুনানি করেন।
প্রায় দুই ঘণ্টা শুনানি নিয়ে আদালত মঙ্গলবার এ বিষয়ে আদেশ দেওয়ার দিন ধার্য করেন।
উল্লেখ্য ব্রোকারেজ হাউজগুলোর নিবন্ধন বন্ধের আদেশ পত্রে এসইসি চেয়ারম্যন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতীক ব্যবহার করেন।
সোমবার সকালে বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন দুই আইনজীবী ড. এম জহির ও ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে বিকেল তিনটায় এসইসি চেয়ারম্যানকে আদালতে হাজির থাকার জন্য তলব করেন।
সে অনুযায়ী আদালতে হাজির হলে এসইসি চেয়ারম্যানকে দুই ঘণ্টা এজলাসের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখেন ও ভর্ৎসনা করেন আদালত।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 6:43 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে আনছে এসইসি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৮২৮ ঘণ্টা, ২৪ জানুযারি ২০১১
ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির সার্কিট ব্রেকারের সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
মঙ্গলবার থেকে এসইসির এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসইসির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
সার্কিট ব্রেকারের নতুন সীমা অনুযায়ী, কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম ২০০ টাকা পর্যন্ত হলে একদিনে ওই কোম্পানির শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বাড়তে পারবে। তবে তা ১৭ টাকা ৫০ পয়সার বেশি না।
আগে এটি সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ ও ৩৫ টাকা ছিল। ২০১ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম একদিনে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়তে পারবে। আগে এটি ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল।
একইসঙ্গে ৫০১ টাকা থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম একদিনে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারবে। আগে এটি ১৫ শতাংশ ছিল।
এক হাজার এক টাকা থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম একদিনে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়তে পারবে। আগে এটি ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল।
দুই হাজার এক টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম একদিনে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পযন্ত বাড়বে। আগে এটি ১০ শতাংশ ছিল।
এছাড়া ৫০০১ টাকা থেকে অবশিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম একদিনে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। তবে তা ৩০০ টাকার বেশি নয়। আগে এটি ১০ শতাংশ ও ৬০০ টাকা ছিল।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 7:06 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সরাসরি তালিকাভুক্তিতে সর্বস্বান্ত বিনিয়োগকারী
ঢাকা, জানুয়ারি ২৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
ক্রমাগত দরপতনের মুখে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী পথে বসার পর সরকার যখন তদন্তের ঘোষণা দিল, তখন স্টক এক্সচেঞ্জে সরকারি তালিকাভুক্তির (ডিরেক্ট লিস্টিং) নিয়মকেও এই অস্থিরতার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
সরকারের মন্ত্রী এবং পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাও এখন স্বীকার করছে যে, তাঁতিয়ে থাকা বাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে অতিমূল্যায়িত কিছু শেয়ার ছাড়ার অনুমতি দেওয়াটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো।
খোদ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত শুক্রবার বলেছেন, "পুঁজিবাজার পরিচালনায় নিশ্চয়ই এসইসি (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ) কর্তৃপক্ষের ভুল হয়েছিলো। তা না হলে পরিস্থিতি এ রকম হতো না।"
"ভুল আমারও হয়েছে," যোগ করেন তিনি।
এ পর্যন্ত ১০টি কোম্পানি পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুবিধা ভোগ করেছে।
এর মধ্যে পাঁচটি সরকারি ও দুটি বেসরকারি কোম্পানি মিলিয়ে মোট সাতটি প্রতিষ্ঠান ২০০৬ থেকে ২০০৮ এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
সরকারি পাঁচটি কোম্পানি হলো- ডেসকো, পাওয়ারগ্রিড, যমুনা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ও তিতাস গ্যাস। বেসরকারি কোম্পানি দুটি হলো শাইনপুকুর সিরামিকস ও এসিআই ফরমুলেশন।
এরপর অষ্টম যে কোম্পানি সরাসরি তালিকাভুক্তির সুবিধা পেয়েছে- অযৌক্তিক আচরণের নজির গড়ে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অভিহিত মূল্যের চেয়ে ২০ গুণ বেশি দাম আদায় করেছে তারা।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত দুই বছরে তিনটি কোম্পানিকে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথমটি- নাভানা সিএনজি বাজারে আসে ২০০৯ সালে। তালিকাভুক্তির সময় ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার তারা বিক্রি করে গড়ে ২০০ টাকা করে। এতে তাদের পি ই রেশিও (প্রতি শেয়ারের বিপরীতে আয়ের অনুপাত) দাঁড়ায় ৫০।
এভাবে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩৬৩ কোটি টাকা তুলে নেয় নাভানা সিএনজি।
এ কোম্পানির শেয়ারের অতি উচ্চমূল্য এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে কম্পানির অযৌক্তিক রকমের বেশি পি ই রেশিও নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংসদীয় কমিটি, অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
তীব্র সমালোচনার মুখে সরাসরি তালিকাভুক্তি বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হয় এসইসি।
ওই সময় সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য আরো তিনটি প্রতিষ্ঠানের আবেদন এসইসির বিবেচনার অপেক্ষায় ছিলো। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- খুলনা পাওয়ার (কেপিসিএল), ওশান কন্টেইনার লাইন (ওসিএল) ও ওয়েস্টিন হোটেল।
এসইসি পরে নিজের সিদ্ধান্তের উল্টোপথে হেঁটে কেপিসিএল ও ওসিএলকে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ দেয়। এবং সেই সুযোগে বাজার থেকে ১৬ শ' কোটি টাকা তুলে নেয় প্রতিষ্ঠান দুটি। কেবল ওয়েস্টিনের আবেদনটি আটকে থাকে।
নাভানা সিএনজিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেওয়ার সময়ে ডিএসইর সভাপতি থাকা রকিবুর রহমান বলেন, সামিট গ্র"পের ওই দুই কোম্পানিকে সরাসরি তালিকাভুুক্তির ক্ষেত্রে ডিএসইর কিছুই করার ছিল না।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, "নাভানা সিএনজির অভিজ্ঞতার পর আমরা ব্যাক্তি মালিকানাধীন কোম্পানির ক্ষেত্রে সরাসরি তালিকাভুক্তি নিষিদ্ধ করেছিলাম।"
বরং ডিএসই সেই সময় কেবল রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানির ক্ষেত্রে সরাসরি তালিকাভুক্তির পক্ষে ছিল বলে দাবি করেন সাবেক সভাপতি।
"কারণ সেক্ষেত্রে যে অর্থ বাজার থেকে তুলে নেওয়া হবে- প্রকারান্তরে তা জনগণ বা সরকারের হাতেই থাকবে। কিন্তু ব্যাক্তি মালিকানাধীন কোম্পানি সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ পেলে পুরো টাকা পরিচালকদের পকেটে যায়," ব্যখ্যা করেন তিনি।
অবশ্য বাণিজ্যমন্ত্রী এম ফারুক খানের ছোট ভাই, সামিট গ্র"পের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান মনে করেন না যে, সরাসরি তালিকাভুক্তির সময় তার কোম্পানির শেয়ারের যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিলো- তা ছিলো অতিরিক্ত।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আমি মনে করি না সেগুলো অতিমূল্যায়িত ছিল।"
গত এক বছরে কেপিসিএল ১৫০ শতাংশ হারে বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অবশ্য ওসিএল সম্পর্কে কথা বলতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদক সোমবার যখন আজিজ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তখন তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে 'প্রস্তুত' ছিলেন না।
তিনি দাবি করেন, বৃহস্পতিবার বাজারে ব্যাপক দরপতনের পর যে বিনিয়োগকারীরা ভাবছেন- বেশি দামে শেয়ার কিনে তারা ভুল করেছেন, তাদের কাছ থেকে ওই শেয়ার কেনা দামে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য (বাই ব্যাক) তিনি ওইদিনই এসইসির কাছে 'আবেদন' করেছেন।
তালিকাভুক্তির সময় কেপিসিএল ও ওসিএলের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিনিময়ে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেওয়া হয় গড়ে ২২৫ টাকা ও ৩২৫ টাকা। এভাবে এ দুটি কম্পানির পৃষ্ঠপোষকরা বাজার থেকে তুলে নিয়েছে ১৫৬০ কোটি টাকা।
এতে করে কোম্পানি দুটির পিই রেশিও দাঁড়ায় যথাক্রমে ৯৮ ও ৮১, যা নাভানা সিএনজিকেও ছাড়িয়ে যায়। আর এ ঘটনা ঘটে নাভানা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে।
গত ২০ জানুয়ারি- ছয় মিনিটের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে যাওয়ার দিনে কেপিসিএলর শেয়ার সর্বশেষ ৮৫ টাকা, ওসিএল ১০৬ টাকা এবং নাভানা সিএনজির শেয়ার ১৩২ টাকায় বিক্রি হয়।
অর্থাৎ কেপিসিএল ও ওসিএলের শেয়ারের মূল্য তালিকাভুক্তির দিনের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি পড়ে যায়।
এসইসি, ডিএসই ও অর্থমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের যোগসাজশ ছাড়া কেপিসিএল ও ওসিএলের শেয়ার এতোটা অতিমূল্যায়িত দরে বাজারে আসা সম্ভব কি না- তা নিয়ে এখন যে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে।
সরাসরি তালিকাভুক্তি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরও তা থেকে সরে এসে এসব কেম্পানিকে এভাবে বাজারে আসতে দিয়ে বিনিয়োগকারীদের বিপদে ফেলার পেছনে কারা দায়ী- একমাত্র স্বাধীন তদন্তেই তা বেরিয়ে আসতে পারে।
কিছু শেয়ারের দাম নিয়ে কারসাজির ক্ষেত্রে ব্রোকারেজ হাউজ ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের সঙ্গে এসইসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের যোগসাজশ ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ্ উদ্দিন আহমেদ রোববার খোলাখুলিভাবেই এসইসির সমালোচনা করেছেন।
এমন উদাহরণও রয়েছে- নির্দেশনা দেওয়ার কয়েক দিন, এমনকি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা আবার উল্টে ফেলেছে এসইসি।
এসইসির ওইসব নির্দেশনার ঠিক আগে এবং পরে কারা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ার কিনেছে বা বিক্রি করেছে- তাও তদন্ত করা প্রয়োজন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/পিকেএস/জিএনএ/জেবি/এমআই/জেকে/১৭ ৪৭ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 7:08 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত
ঢাকা, ২৪ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির দর উঠানামায় প্রযোজ্য সার্কিট ব্রেকার (সর্বোচ্চ) অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এজন্য স্টক এক্সচেঞ্জের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ চলছে। সোমবারের মধ্যেই সফটওয়্যারের কাজ শেষ করা হবে। মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক লেনদেন হবে।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এর ফলে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির দর পূর্বে যদি সর্বোচ্চ ৫০ টাকা বাড়তে বা কমতে পারত বর্তমান নিয়মের কারণে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা বাড়তে বা কমতে পারবে। সার্কিট ব্রেকার কমিয়ে আনার ফলে একদিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৫০০ পয়েন্ট পর্যন্ত উঠানামা করতে পারবে। তবে শেয়ারের দরে বেঁধে দেয়া সার্কিট ব্রেকারে স্পর্শ করলেও সংশ্লিষ্ট কোম্পানির লেনদেন বন্ধ হবে না।
উল্লেখ্য, রোববার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এক সংবাদ সম্মেলনে সূচকের ওপর আরোপিত সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। একই সাথে তালিকাভুক্ত কোম্পানির দর নিয়ন্ত্রণের জন্য বর্তমানের প্রযোজ্য সার্কিট ব্রেকার কমিয়ে আনার ঘোষণা দেন।
এছাড়া রোববার স্থগিত করা মোবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত হওয়া কোম্পানির পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাব আসবে মঙ্গলবার। এসইসি সূত্র জানিয়েছে, এ দুটি কোম্পানির লটারি অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই তালিকাভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ দুটি কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা আটকে গেছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ এসসি/১৭.৫০ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 7:08 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার
সিদ্ধান্ত এলো, তবে দেরিতে
ঢাকা, জানুয়ারি ২৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
পুঁজিবাজারে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সংকট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে রোববার বাজার সংশ্লিষ্টদের নিয়ে দুই দফা বৈঠক করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
দিনশেষে তিনি বললেন, বাজারের সা¤প্রতিক সংকটের পেছনে মার্চেন্ট ব্যাংক, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, সাধারণ বিনিয়োগকারী- সবারই দায় আছে। তিনি আরো বললেন, বাজার নতুন করে সাজাতে হবে।
সন্ধ্যায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, "মঙ্গলবার থেকে বাজার খুলে দেওয়া হবে। আশা করি, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে।"
তিনি জানান, পুঁজিবাজারে মঙ্গলবার আবার লেনদেন শুরু হবে। সূচকে আরোপ করা সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে শেয়ারবাজারের সা¤প্রতিক ঘটনাবলী তদন্তে একটি কমিটি করা হচ্ছে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় স্থগিত করা হয়েছে মোবিল-যমুনা ও এম আই সিমেন্টের শেয়ার লেনদেন। প্রবর্তন করা হবে 'বাই ব্যাক' নীতিমালা।
বাজার বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন, এ সিদ্ধান্তগুলো যখন নেওয়াই হলো, এতোদিন কেন নেওয়া হলো না?
গত ৮ ডিসেম্বর থেকে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতন শুরু হয়। ওই দিন থেকে গত ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত মূল্যসূচক ২৫৯২ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে ৬৩২৬ দশমিক ৩৪ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
পতন ঠেকাতে এসইসি এই সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও কোনোটিই কাজে আসেনি। এই সময়ের মধ্যে এসইসি অন্তত তিনবার মার্জিন লোনের হার বাড়িয়ে পুনর্র্নিধারণ করেছে। আগের দেওয়া নানা বিধিনিষেধও তুলে নেওয়া হয়েছে। কিছু বড় কম্পনিকে স্পট মার্কেট থেকে মূল বাজারে ফিরিয়ে আনে এসইসি। সূচকের ওপর বসানো হয় সার্কিট ব্রেকার। এক পর্যায়ে দৈনিক লেনদেনের সময় ৪ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ২ ঘণ্টাও করা হয়। ব্রোকারদের জামানতমুক্ত ক্রয়সীমা ৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকা করে তালিকাভুক্ত সব কম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য (ফেস ভ্যালু) ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়।
এরপরও গত ২০ জানুয়ারি লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে মূল্যসূচক ৫৮৭ পয়েন্ট পড়ে যায়। সার্কিট ব্রেকার কার্যকর থাকায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায় লেনদেন। রোববার পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের বিভিন্নস্থানে শুরু হয় বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ ও ভাংচুর।
বাজারের এই পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে রোববার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন অর্থমন্ত্রী। এই বৈঠকে আসা প্রস্তাবগুলো নিয়ে বিকেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ে আলোচনায় বসে মন্ত্রণালয়, এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, নতুন কিছু বিধিমালা ও আইন করতে হবে। ১৯১৩ সালের কোম্পানি আইন সাজাতে হবে। বাই ব্যাক পলিসি তৈরি করতে হবে। তদন্ত কমিটি সবকিছুই তদন্ত করে দেখবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত এক সাংবাদিক অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারের ধসের পরও তদন্ত কমিটি হয়েছিল। তার ভিত্তিতে মামলাও দায়ের করা হয়। কিন্তু সাক্ষির অভাবে সেই জালিয়াতির অভিযোগের কোনো সুরাহা হয়নি।
জবাবে মুহিত বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে লেনদেনসহ পুঁজিবাজারে সব তথ্যই এখন নথিভুক্ত হচ্ছে। কাজেই তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নিতে কোনো সমস্যা হবে না।
'সিদ্ধান্ত নিতে এতো দেরি কেন'
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের শিক্ষক ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলছেন, বৈঠকের কিছু সিদ্ধান্ত তার কাছে স্পষ্ট নয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, "মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে আবারও বাজারে ফিরিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। অথচ কিছুদিন আগে বলা হয়েছিল, ব্যাংকগুলো তাদের প্রদেয় ঋণের নির্ধারিত সীমার বেশি বিনিয়োগ করে ফেলেছে। তাহলে এখন তারা কীভাবে আবার বাজারে আসবে তা পরিষ্কার করতে হবে।"
নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক ব্যাংক তাদের প্রদেয় মোট ঋণের ১০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারে।
অবশ্য এই সিদ্ধান্তগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারে সক্রিয় হলে অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন হবে বলেও আশাবাদী তিনি।
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, "এ সিদ্ধান্তগুলো যখন নেওয়াই হলো, এতোদিন কেন নেওয়া হলো না? যখন সিদ্ধান্ত হলো, তখন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে আজ বিপদগ্রস্থ।"
বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় বিকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে মোবিল-যমুনা ও এম আই সিমেন্টের শেয়ার আইপিও স্থগিত করার সিদ্ধান্তও হয়।
মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আরিফ খান এ বিষয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "এ দুটি কোম্পানির শেয়ার আইপিও স্থগিত করায় এসব প্রতিষ্ঠানে যারা আবদেন করেছিলেন তাদের বিপুল অংকের টাকা আটকে গেল। এর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না- কবে এ টাকা বাজারে ফিরে আসবে। এ বিষয়েও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/আরবি/জেকে/পিডি/০০২০ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 7:09 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ছয় ব্রোকারেজ হাউজের কার্যক্রম স্থগিত: রিটের আদেশ কাল
ঢাকা, ২৪ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
পুঁজিবাজারে ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজের কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়া আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ আগামীকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে আদেশ প্রদানের জন্য দিন ধার্য করেছেন।
আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নিয়ে ড. এম এ জহির আদালতকে জানান, কোনো নোটিশ না দিয়েই সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ব্রোকারেজ হাউজের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। যা আইন বহির্ভূত ও অবৈধ।
এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, শেয়ারবাজারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় চলছে। এ ব্যাপারে সরকারও বিব্রত। পরিস্থিতি সামাল দিতেই এসইসিকে জরুরি সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত মঙ্গলবার আদেশ প্রদানের জন্য দিন ধার্য করেন।
প্রসঙ্গত, পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনের মুখে এসইসি ২০ জানুয়ারি ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন কার্যক্রম ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করে। এগুলো হলো- আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং এনসিসি ব্যাংক, আল আরাফাহ ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংকের মার্চেন্ট শাখা। ওই স্থগিতাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ছয় প্রতিষ্ঠান হাইকোর্টে পৃথক রিট আবেদন দায়ের করে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/জেডএইচ/টিএইচ/এআইকে/১৭.১০ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 7:16 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
ব্যাংকের মুনাফার হিসাব প্রকাশ ও তা বাজারে আনার সুপারিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৪-০১-২০১১
Prothom-Alo
পুঁজিবাজার থেকে গত কয়েক বছরে ব্যাংক, বিমা ও অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কী পরিমাণ মুনাফা করেছে, তার হিসাব প্রকাশের দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ওই মুনাফার টাকা পুনরায় শেয়ারবাজারে ফিরিয়ে আনারও সুপারিশ করা হয়েছে।
গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর ইস্কাটনে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত সরকারের সঙ্গে বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এসব দাবি জানানো হয়। বৈঠকে শেয়ারবাজারের ধসের জন্য কারা দায়ী, তা নিয়েও অনেক কথাবার্তা হয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নানা উপায়ে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে অর্থ তুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে এক দফা উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় বলেও জানা গেছে।
শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের উপস্থিতিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে আটটায় শুরু হওয়া এ বৈঠক চলে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।
অর্থমন্ত্রী ছাড়াও বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, সংস্থাপনবিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ, এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা ও শিল্পপতি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান, বর্তমান সভাপতি শাকিল রিজভী, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সহসভাপতি আল মারুফ খান, বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএলসিএ) সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস কে সুর চৌধুরী, ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবির সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার, ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির সভাপতি কে মাহমুদ সাত্তার, এবি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী কাইজার এ চৌধুরী, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদসহ শেয়ারবাজারসংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জের নেতারা বলেন, গত কয়েক বছরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ মুনাফা করেছে। বাজারের স্থিতিশীলতার স্বার্থে এসব টাকা বাজারে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। কোন ব্যাংক কত টাকা মুনাফা করেছে তাও জনসমক্ষে প্রকাশ করার দাবি জানিয়ে তাঁরা বলেন, ব্যাংকের আমানতের কোনো টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই। কেউ তা চায়ও না।
ডিএসইর সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান সভায় বলেন, যেসব কোম্পানির শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির পর নির্দেশক দামের নিচে নেমে এসেছে, ওই সব কোম্পানির বেলায় আইন করে নিজ কোম্পানির শেয়ার পুনঃক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে তুলে নেওয়া টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আওতায় আনতে হবে। এ জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, যদি কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম তালিকাভুক্তির ছয় মাসের মধ্যে নির্দেশক দামের নিচে নেমে আসে তাহলে কোম্পানিটির শেয়ারের যে পরিমাণ দাম কমবে সমপরিমাণ অর্থ কোম্পানিটিকে বাজারে বিনিয়োগ করতে হবে বা ওই সমপরিমাণ টাকায় তাকে নিজ কোম্পানির শেয়ার কিনতে হবে।
রকিবুর রহমানের এই প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করেন সালমান এফ রহমান। তিনিও শেয়ার পুনঃক্রয় (বাই-ব্যাক) ব্যবস্থা চালুর কথা বলেন।
সালমান এফ রহমান বৈঠকের একটি আলোচনাকে কেন্দ্র করে বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়েন। জানা গেছে, বৈঠকে উপস্থিত একজন তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি উড়োজাহাজ কোম্পানির হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ওই বক্তা বলেন, কোম্পানিটি বছরের পর বছর লোকসান দেখিয়ে এসেছে। কিন্তু হঠাৎ করে আইপিওতে আসার প্রস্তুতি নেওয়ার আগের বছর কোম্পানিটি মুনাফা দেখিয়েছে। যখন কোম্পানিটি লোকসান করেছে, তখন খরচ বেশি দেখানো হয়েছে। কিন্তু যে বছর মুনাফা করেছে, সে বছর খরচ দেখানো হলো কম। এটা কীভাবে সম্ভব, তা বোধগম্য নয়। কোম্পানিটি যে টেলিফোন খরচ দেখিয়েছে, তা তাঁর ব্রোকারেজ হাউসের টেলিফোন খরচের চেয়েও কম।
এ বক্তব্যের পরপরই সালমান এফ রহমান বলেন, তিনি বহু ব্যবসায়িক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। কিন্তু কোথাও তাঁকে এভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয়নি। এসব আলোচনা এ ফোরামের বিষয় নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর উড়োজাহাজ বহরে নতুন নতুন জাহাজ যুক্ত হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রুট চালু করা হয়েছে। এসব কারণে মুনাফা হয়েছে। টেলিফোন খরচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠানে ‘সিটা’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এ কারণে টেলিফোন খরচ কম হয়েছে। এসব বিষয়ে না জেনে ঢালাও মন্তব্য করা ঠিক হয়নি।
সিএসইর সহসভাপতি আল মারুফ খান প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে একসঙ্গে পুরো টাকা বাজার থেকে তোলার সুযোগ না দিয়ে ধাপে ধাপে টাকা তোলার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে তিনি আইপিও-প্রক্রিয়ার সঙ্গে ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে যুক্ত করার দাবি জানিয়ে বলেন, এতে পুরো প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমবে। দীর্ঘদিন টাকা আটকে থাকবে না। পাশাপাশি কোম্পানির দামভেদে আরোপিত সার্কিট ব্রেকার (দাম বাড়া-কমার নির্ধারিত সীমা) সীমা কমিয়ে আনার কথা বলেন, যাতে খুব বেশি লাভ-লোকসানের সুযোগ না থাকে। পাশাপাশি প্রাইভেট প্লেসমেন্টকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান সিএসইর প্রতিনিধিরা।
দুই এক্সচেঞ্জের নেতারা বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় থাকা কোম্পানিগুলোর হিসাব বিবরণী নিরীক্ষার দাবি জানান।
সভায় উপস্থিত ব্যাংকাররা বলেন, ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজার থেকে যে মুনাফা করেছে তার একটি অংশ ওই ব্যাংকেরই সহযোগী মার্চেন্ট ব্যাংকে রিজার্ভ হিসেবে রাখতে হবে। তার পরই ওই ব্যাংক মুনাফার ভিত্তিতে লভ্যাংশ ঘোষণা করবে।
জানা গেছে, সভায় তিনটি কোম্পানি বাজার থেকে বড় অঙ্কের টাকা তুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। বলা হয়, ওই সব কোম্পানি তালিকাভুক্তির শুরুতে বিনিয়োগকারীদের কাছে যে দামে শেয়ার বিক্রি করেছে, ধীরে ধীরে তার দাম কমেছে। এতে বিনিয়োগকারীদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। কীভাবে কোম্পানিগুলোকে উচ্চ দামে শেয়ার বিক্রির সুযোগ দেওয়া হলো, এ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
সভায় উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি একপর্যায়ে বক্তব্য দিতে চাইলে অর্থমন্ত্রী তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আলাদা বৈঠকে তোমাদের কথা শোনা হবে। এখানে আমি অন্যদের কথা শুনতে চাই।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম শেয়ারবাজারের গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, মাঝেমধ্যে পার্টি অফিসে গেলে সেখানে দলের লোকজন বাজার সম্পর্কে জানতে চান। শেয়ারবাজারের অস্থিরতার কারণে দলের অনেক কর্মীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এতে তাঁদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এ বাজারের সঙ্গে এখন সারা দেশের বিভিন্ন শ্রেণীপেশার লোক জড়িত। এখানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এটিকে কোনোভাবেই অবহেলার দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ নেই।
সম্প্রতি পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আশানুরূপ ফল অর্জন না করার পেছনে শেয়ারবাজারের অস্থিরতার একটা প্রভাব রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় সব শেয়ারের অভিন্ন অভিহিত মূল্য (ফেস ভ্যালু) নির্ধারণের পরামর্শ দিয়ে বলা হয়, অভিহিত মূল্য পরিবর্তনে কোম্পানির আর্থিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন না হলেও এটিকে কেন্দ্র করে বাজারে কারসাজি হয়েছে। এটিও বাজারে অস্থিরতা তৈরিতে সহায়তা করেছে। ভবিষ্যতে কেউ যাতে এভাবে আর দামে কারসাজি করতে না পারে, সে জন্য সব কোম্পানির অভিন্ন অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা উচিত।
পুঁজিবাজারের স্বচ্ছতার স্বার্থে এসইসির জনবল বাড়ানো এবং একে আরও বেশি শক্তিশালী করার পরামর্শ তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া বাজার নিয়ে যেকোনো মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন উপস্থিত অনেকে। তাঁরা বলেন, সরকারের লোকজনই বাজার নিয়ে যেসব মন্তব্য করছেন, সেগুলো বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট আরও বাড়াচ্ছে।
সভায় উপস্থিত অনেকে সরাসরি নাম উল্লেখ না করে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজনের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, এ মুহূর্তে কারোরই দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়।
শেয়ারবাজার সম্পর্কে না জেনে, না বুঝে কেউ যাতে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে না পারেন, সে জন্য আর্থিক বিশ্লেষক লাইসেন্স পদ্ধতি চালুর পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাজারের গভীরতা বাড়াতে তহবিল ও পত্রকোষ (পোর্টফোলিও) ছাড়পত্র চালুরও কথা বলেন কেউ কেউ।
সকালের এই সভাতেই মূল্যসূচকের ওপর আরোপিত সার্কিট ব্রেকার তুলে নেওয়ার পরামর্শ দেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গতকালের সভায় শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য অনেকাংশে বাংলাদেশ ব্যাংককে দায়ী করা হয়। বাজারের এই অস্থিরতার কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত কমিটি গঠনেরও পরামর্শ দেন অনেকে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:18 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Restriction on dividend disbursement by 15 banks
Money can be invested in stock market
Siddique Islam
Financial Express
25.01.2011
The central bank has decided to create a new window for investment through imposing restriction on disbursement of dividends by 15 private commercial banks (PCBs).
Under this decision, the net profit from banks' operations in capital market can be kept as retained earnings, not to be disbursed among the shareholders in form of either cash or bonus shares. But the banks can invest such fund in the capital market, if they desire.
The PCBs are: AB Bank Ltd, Al-Arafah Islami Bank Ltd, City Bank Ltd, Dhaka Bank Ltd, IFIC Bank Ltd, Mercantile Bank Ltd, Mutual Trust Bank Ltd, National Bank Ltd, NCC Bank Ltd, Prime Bank Ltd, Premier Bank Ltd, Pubali Bank Ltd, Southeast Bank Ltd, The Trust Bank Ltd and Uttara Bank Ltd.
"These banks had a substantial volume of investment in the shock market," a senior official of the Bangladesh Bank (BB) told the FE Monday, adding that the banks will be empowered to disburse the dividend only after the lifting of such a restriction.
He also said such fund will help the banks to consolidate their capital base that may be used for stabilising the country's capital market.
The central bank of Bangladesh took the decision on Monday against the backdrop of a debacle in the country's capital market.
The BB official said the banks' exposures to the capital market have come down within the limit of 10 per cent as per section 26 (2) of the Banking Companies Act 1991 due to proper supervision and monitoring of the central bank.
Under the provisions of this Act, banks are allowed to invest not more than 10 per cent of their total liabilities in the capital market.
"Our allout cooperation for maintaining sufficient liquidity in the market will continue," the BB official said, adding that the central bank is closely monitoring the overall money market situation. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:19 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Stock trading resumes today
Investors keep fingers crossed
FE Report
25.01.2011
Trading at the county's two bourses resumes today (Tuesday) after two working days of suspension amid both high expectation and worries of the investors as the goverment took some measures to stabilise the market.
The government decided to discontinue the 'index circuit breaker' from today as it failed to create any positive development to bring normalcy to the market.
"The market will start its trading from Tuesday at 11am withount index circuit breaker," an official of the Securities and Exchange Commission (SEC) said.
Meanwhile, the SEC has decided to halve the existing issue-based daily circuit breaker to control the abnormal ups and downs in the volatile market.
With this measure in place, share prices of a certain company will not go through ups and downs above 10 per cent in a single day.
Earlier, the the circuit breaker ceiling was 20 per cent for the listed companies.
aid.
Investors' expressed both hope and concern over trading. Many investors are optimistic of a possible bounce-back of the market as the government has apparently taken into account the recent plunge of the stock market in earnest while announcing a new package of measures last Sunday for reactivation of the market.
"We hope the market will recover the losses riding on the measures taken by the government," Abul Hashem, a retail investor said.
At the same time, some investors expressed concern as the government's decisions are yet to be materialised. "The taste of the pudding lies in its eating," they observed while stating that they would like to see the actual operational results of the measures.
"If the government fails to implement its decisions on an urgent basis, the market is likely to continue to go down," Kamal Hossen, a retail investor said.
However, experts have stressed immediate coordination between the government, regulator and shakeholders to help stabilise the market.
"Otherwise, it might not be possible to bring back investors' confidence, which is very crucial at the present situation," Hasan Imam, a fund manager, said.
Share trading at both the bourses -- Dhaka Stock Exchange (DSE) and Chittagong Stock Exchange (CSE) -- was closed down for consecutive two days---Sunday and Monday due to free-fall of share prices and lack of investors' confidence, despite some mesures taken then by the regulator.
The SEC earlier took a series of initaives to stablise the recent turbulent market. But all effots went in vain.
As the market continued to slump, the regulator imposed index circuit breaker on DSE within the limit of 225 points or more for DGEN on Wednesday to control the abnormal ups and downs, and it was the latest tool to stabilise the market.
The step failed to work the next day, Thursday, as the the benchmark index of the DSE general index (DGEN) saw 600-point slump in just five minutes while the CSE saw 795-point plunge in about 15 minutes after trading opened at 1pm. Later, trading was shut as it hit the index circuit breaker, leading to violent protests by thousands of angry investors.
In an immediate move, the securities regulator, SEC decided to suspend trading at DSE and CSE on Sunday in the wake of the prevailing volatile market. The SEC said it would take decision on resumption of trading on the and the regulator also decided to suspend trading on Monday.
On Sunday, Finance Minister AMA Muhith sat with the regulators, bankers, business leaders and stackhoders at state guesthouse Padma where placed a series of suggestions and opinions were suggested to stabilise the market.
The minister announced a package of measures for restoring investors' confidence in the market. He also stated that a committee would be constituted within the next fortnight to probe the allegations of any manipulations in the market by some quarters for inflating share prices.
The government also decided to redesign the book builiding method and drop the index circuit breaker system, among a raft of steps, to restore investors' confidence.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:21 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Banks' exposure to capital market should be within permissible limit: Experts
Financial Express
25.01.2011
Some eminent bankers, economists and stock analysts recommended Monday a limited exposure of banks to the country's stock market, reports BSS.
The recommendation came when some people were demanding banks' increased exposure to stock market to help restore of stability.
Sources in the Bangladesh Bank (BB) told the news agency that the governor already held separate meetings with the chief executives of the banks that have earned substantial amounts of profit by investing funds beyond the permissible limit under the Bank Company Act.
According to the sources, the aggregate profit earned by some banks from stock market stood at Tk 20 billion. The Act limits a bank's investment in capital market to a maximum of 10 per cent of its total liabilities.
The governor at the meeting was learnt to have advised the respecting banks to deposit the money with the central bank as their reserve, which would eventually help them increase their lending capacity.
"This is a good idea," said former BB governor Dr Saleh Uddin Ahmed.
He said the central bank could not take risk on depositors' money by allowing banks to invest in any risky venture like capital market beyond their permissible limit.
Referring to the recent argument that some of the latest action of the central bank's created liquidity crunch in the stock market, Ahmed said, "It is not right to blame the Bangladesh Bank for the stock market fall".
"It would have been far better had the central bank taken the steps before," said the economist who was the immediate past governor.
"We wanted a definite stance from the central bank on 'liquidity creation' in the bourses," said Mamun Rashid, a leading banker and economic analyst.
But he observed that the Bangladesh Bank's (BB) effort to 'raise a firewall' between banks and their merchant banking subsidiaries was a good one to protect the banking sector from the adverse affect of the very recent stock market debacle.
Mamun said the central bank "has to drive changes or even run supportive measures, in the context of the overall monetary policy".
He advised cautious regulatory measures as "no one has the right to break investors' confidence in the market by making decisions without any impact analysis".
Mamun said the market is going through a correction and we all should allow this to happen and avoid 'panic creation' by shifting decisions.
"There are still rooms for investment in good shares in the growth sectors and in shares with better price earning ratio" he said.
He also saw positive signals from the institutional investors, including the foreign ones to invest in view of recent corrections.
Kazi Mahmood Sattar, Chairman of the Association of Bankers Bangladesh (ABB), said banks' involvement should be limited as per the rules and regulations.
He said it would be more damaging to the economy if the banks suffer the same crisis like the stock market.
Md Nurul Amin, Vice Chairman of ABB and Managing Director National Credit and Commerce Bank Limited also supported the central bank's role for limiting the banks exposure to protect the banking sector from the volatility of the stock market.
He said blaming the BB for the recent price fall of shares is wrong because the central bank only instructed the banks to follow the stipulated regulations.
Stock analyst Syed Mahbub Rashid also believed that pumping money from the banking sector would not bring about sustainable stability in the stock market.
He suggested restructuring the Securities and Exchange Commission (SEC), allowing merchant banks to fix the rate of margin loan within a wide ceiling and coordinated measures to restore investors' confidence.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:22 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | 'Investor of last resort' swings into action as stock plunges
Mushir Ahmed
Financial Express
25.01.2011
The Investment Corporation of Bangladesh (ICB) and its subsidiaries have bought shares worth around Taka 7.0 billion in the last four trading days of the stock exchanges, prior to suspension of operation in the bourses on January 20 last, officials of the state-managed investment institution said.
But the market crash could not be prevented despite such purchase operation by the ICB and its subsidiaries, known as "the investor of last resort".
"We are doing all we could to shore up the stock market. In fact, we have buying shares for more than a month," said a senior ICB executive.
The corporation and its subsidiaries alone bought 23-24 per cent of the shares sold in the past trading days -- three of them were halted after the benchmark index at the Dhaka Stock Exchange crossed it's the then circuit-breaker threshold at 225 points.
Normally, the state-owned investment bank accounts for 10 per cent of the trading that takes place at the Dhaka Stock Exchange (DSE). In the last six months it traded some Taka 230 billion worth of shares -- the best performance among the institutional investors.
"The problem is we are the only big institutional player who have been active over the last few sessions," he said. "If others follow us forcefully in the market, the slide can be stopped and confidence can be restored."
He spoke on condition of anonymity as he is not "authorized" to talk to the media.
The Bangladesh Bank has pumped Taka 4.00 billion to the market through the ICB and its subsidiaries in a bid to halt the plunge.
"But it took us only two days to spend the money. If you have to continue purchase for weeks, we may face a severe liquidity problem," he said.
ICB's concern is that the risky investment in a slumping market may take a toll on its balance sheets. In the years after the 1996 crash, it suffered a massive erosion in profit.
This time Taka 4.00 billion the BB has lent is tagged with five per cent interest rate and will have to be paid back in 90 days.
"If the slide continues for years, we have to forget the kind of results we have seen over the last four years. The honeymoon seems to be over," said the official.
The last time it swung into buying binge in the aftermath of the 1996 stock crash, the ICB purchased shares for years to prop up a plunging stock market.
It took ten years to see the market give the kind of return it has been looking for. The last two consecutive years they declared hefty dividend, largely to the government.
Amid a new stock crash, the lone state-owned investment bank found itself in a familiar role: buying shares at the behest of the government to buttress a slumping market.
The market is still overheated -- the average price-earning ratio is around 23, up from standard 15 -- and any purchase at this time could easily slip into the red, according to some analysts.
Still all eyes will be on the "investor of last resort" as trading at the stock market resumes today (Tuesday) after two days of suspension. ICB officials said they would be active as ever.
"We shall be playing our usual role: bringing stability back in the market," M Fayekuzzman, its soft-spoken managing director said, in a steely voice.
"If there is any injury in the market, our role is to repair it," he said, adding the bank has been planning some "long-term" measures to boost the market.
He did not elaborate what the long-term steps are. But he added the target was to make the market "fully operative".
"The ICB has been created to develop the capital market and broaden the base of investment. And that's the role we are now playing," he said. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:24 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Direct-listing, one of the conduits, used to fleece investors
Financial Express
25.01.2011
As efforts are on to find out the real reasons why the small investors are on a roller coaster, direct listing is being discussed as one that gave them a raw deal, reports bdnews24.com.
So far, 10 companies have enjoyed the privilege of being listed directly.
Seven - five state-owned and two private-were directly listed on the DSE during 2006-08 period.
The five government-run companies were Desco, wergrid, Jamuna Oil, Meghna Petroleum and Titas Gas. The two private companies were Shinepukur Ceramics and ACI Formulations.
For the eighth company that was given the privilege-in one glaring instance of irrational behaviour from the stakeholders-investors paid 20 times the face value.
In the last two years of the Awami League-led government, three companies have been allowed to list directly. The first, in 2009, was Navana CNG at an average price of Tk 200 per share of Tk 10 each at a PE Ratio of 50.
The sponsors of Navana CNG raised a staggering Tk 3.63 billion (363 crore) from the market.
The instance drew strong criticism from different quarters- including the parliamentary committee on the finance ministry-because of its high price and the consequent high PE Ratio.
The reaction forced the SEC to announce that no more direct listings would be allowed.
At the time of this notification, there were three direct listing applications awaiting SEC clearance. These were Khulna Power (KPCL), Ocean Container Line (OCL) and Westin Hotel.
Later, SEC allowed KPCL and OCL to list directly in violation of its own notification; the two raised nearly Tk 16 billion. Westin was not cleared.
A former DSE president Rakibur Rahman, who was at the helm when Navana made it, says that the DSE had nothing to do with allowing the direct listing of the two entities owned by energy giant Summit Group.
"We banned direct listing for private sector companies after the Navana CNG experience," said Rahman.
The DSE was, however, in favor of allowing state businesses for direct listing.
"That way, the money raised remains with public or the government. But, in case of private sector it goes to the pockets of the directors of the companies," the top broker told the agency.
Summit Group chairman Muhammad Aziz Khan sought to defend the exorbitant prices fixed at the time of direct listing.
"I don't think they were overvalued," Khan said, responding to a query by the agency. "KPCL grew by 150 per cent in the last one year," he claimed.
The Summit chief, younger brother of commerce minister M Faruk Khan, was not ready to discuss OCL.
Aziz Khan revealed he had "applied" to SEC on Thursday, the day the market plunged to new depths, to let him "buy back" some of these shares from those who would feel they had been short-changed by very high initial prices.
Sponsors of KPCL and OCL raised Tk 15.60 billion from the market at an average price of Tk 225 and Tk 325 per share of Tk 10 each at PE Ratio of 98 and 81 respectively.
The figures far exceeded those for even Navana CNG which had resulted in such a hue and cry only a few months earlier.
On Jan 20, when the market shed 600 points in less than six minutes, KPCL stocks were last traded at Tk 85, OCL at Tk 106 and Navana CNG at Tk 132.
More than two-thirds of the value of KPCL and OCL had simply vanished.
One only wonders if the sponsors of KPCL & OCL could have raised such sums of money at these ridiculously inflated prices without cooperation from SEC, DSE and finance ministry officials.
Only an independent enquiry can find out those responsible for reversing the direct listing decision allowing these companies to take the small investors for a ride.
Fingers have been pointed time and again at senior SEC officials who allegedly connived with sponsors or directors, big time brokers and high net worth investors to manipulate some of the prices.
Only two days ago, a former central bank governor went public criticising the SEC for its failure to protect the investors' interests.
There have been instances when SEC issued directives and reversed those within days and in one instance within hours. The point for those probing would be to see who bought shares of these companies just before and after these regulatory steps. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:29 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এসইসিতে পরিবর্তন আসছে বাড়ছে লোকবল
আজ লেনদেন শুরু
এজাজ হোসেন
The Daily Ittefaq
25.01.2011
শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউ-রিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) ঢেলে সাজানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারে ধসের জন্য কারা দায়ী তা বের করার জন্য তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।
সূত্র জানান, অর্থমন্ত্রী এই কমিটি গঠনের জন্য দুই সপ্তাহ সময় নিয়েছেন। তবে আশা করা যায় তার আগেই এই কমিটি গঠনের কাজ শেষ হয়ে যাবে। এখন কমিটির টার্মস অব রেফারেন্স তৈরির কাজে হাত দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চলছে কমিটির সদস্যদের নাম সংগ্রহের প্রক্রিয়া। প্রধানমন্ত্রীর কার্যা-লয়ের সঙ্গে আলোচনা করে কমিটির সদস্যদের নাম চূড়ান্ত করা হবে। সূত্র জানান, এসইসিকে অনেকটা ঢেলে সাজানোর কাজে হাত দেয়া হয়েছে। বর্তমানে সেখানে লোকবলের সংখ্যা ১১৫ জন। তাদের আরও ৪৯ জন লোকবল দেয়া হবে। এর মধ্যে নির্বাহী পরিচালক থেকে শুরু করে সহকারী পরিচালক পর্যন্ত কর্মকর্তা থাকবে। লোকবল দেয়ার বিষয়টি বর্তমানে কেবিনেটের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে বর্ধিত জনবলের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে বলে সূত্র আশা প্রকাশ করেন। তাছাড়া কমিশনের দুই সদস্য পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য লোক খোঁজা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের শফিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেছেন, আমরা আশা করছি চলতি মাসের মধ্যে এ দুইটি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে।
চেয়ারম্যানসহ ৫ সদস্যের এই কমিশনে আগে থেকেই একটি পদ খালি ছিল। কয়েকদিন আগে অন্য একজন সদস্য মনসুর আলমকে পদত্যাগ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে 'পরামর্শ' দেয়া হয়। এই প্রেক্ষেপটে তিনি ১২ জানুয়ারি 'ব্যক্তিগত' কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এর আগেরদিন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মনসুর আলমকে নিষ্ক্রিয় রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। ডিসেম্বরে পুঁজিবাজারে আকস্মিক যে অস্থিরতা দেখা দেয় তার জন্য অভিযোগের তীর তার দিকে রয়েছে। গত ৬ ও ৭ ডিসেম্বর কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ছাড়া চেক নগদায়ন এবং নেটিং সংক্রান্ত দুইটি নির্দেশনা জারি করেন মনসুর আলম। এক্ষেত্রে চেয়ারম্যানেরও অনুমতি নেননি তিনি। এ পরিপত্রের কারণে ওই সময় পুঁজিবাজারে নজিরবিহীন দরপতন হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
আজ লেনদেন ঃ টানা চারদিন বন্ধের পর আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে আবার শুরু হচ্ছে লেনদেন। অব্যাহত দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে এসইসি গত বৃহস্পতিবার রবিবারের লেনদেন বন্ধ করে। এরপর আরো একদিন বাড়িয়ে তা সোমবার পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করে। অবশেষে অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার থেকে চালু হচ্ছে লেনদেন। এদিকে এসইসি তালিকাভুক্ত কোম্পানির দর বাড়া-কমার ক্ষেত্রে সার্কিট ব্রেকারের সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, আজ থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে আগের সার্কিট ব্রেকারের সীমা ৫০ ভাগ কমিয়ে লেনদেন করা হবে। এর ফলে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির দর পূর্বে যদি সর্বোচ্চ ৫০ টাকা বাড়তে বা কমতে পারত বর্তমান নিয়মের কারণে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা বাড়তে বা কমতে পারবে। তবে শেয়ারের দর সার্কিট ব্রেকারে স্পর্শ করলেও সংশিস্ন্লষ্ট কোম্পানির লেনদেন বন্ধ হবে না। সার্কিট ব্রেকার কমিয়ে আনার ফলে একদিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৫০০ পয়েন্ট পর্যন্ত উঠানামা করতে পারবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, সার্কিট ব্রেকার কমিয়ে আনার কার্যকর সফটওয়্যার আপডেটের কাজ চলছে এবং গতকালের মধ্যেই তা সম্পন্ন হওয়ার কথা।
এ ব্যাপারে ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, আজ মঙ্গলবার থেকেই দরে সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে এনে লেনদেন হবে। ফলে কোম্পানির দর আগের চেয়ে অনেক কম বাড়তে পারবে বা কমতে পারবে। আর এতে করে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি অনেটা কমে যাবে।
এছাড়া রবিবার স্থগিত করা মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত হওয়ায় কোম্পানির পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাব আসবে মঙ্গলবার। এসইসি সূত্র জানায়, এ দুইটি কোম্পানির লটারি অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই তালিকাভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ দুইটি কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা আটকে গেছে।
এদিকে শেয়ার বাজার থেকে তুলে নেয়া মুনাফা পুনঃবিনিয়োগের বিষয়ে ব্যাংকগুলোর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে। তারা বলেছেন, ব্যাংকের কথা খুব বেশি আসছে। কিন্তু বাস্তবে ব্যাংকগুলোর সংশিস্নষ্টতা যে পর্যায়ে বলা হচ্ছে সে পর্যায়ে ছিল না। তবে কিছু কিছু ব্যাংক বাজার থেকে ভাল মুনাফা তুলে নিয়েছে। আবার বেশ কিছু ব্যাংকের বড় অংকের অর্থ শেয়ার বাজারে আটকে আছে। সব মিলিয়ে শেয়ার বাজারকে চাঙ্গা করার কাজে ব্যাংকিং খাতকে খুব বেশি ব্যবহারের বিপদ সম্পর্কে তারা সতর্ক করে দিয়েছেন। এ অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানান, আমরা কোন অবস্থাতেই ব্যাংকগুলোকে শেয়ার বাজারে বেশী সংশিস্নষ্ট করতে চাই না। তারা যে মুনফা করেছে তার একটি অংশ আমরা বাজারে বিনিয়োগ করার কথা বলেছি। যদি সেটা তারা না করতে চায়, তাহলে কি করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে বিষয়ে আমরা এখনো কিছু চিন্তা করে দেখিনি। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:33 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আজ লেনদেন শুরু পুঁজিবাজারে, সরকারের ১৪ দফা প্রজ্ঞাপন
রাজু আহমেদ ॥
The Daily Janakantha
25.01.2011
দু'দিন বন্ধ থাকার পর দেশের শেয়ারবাজারে আজ মঙ্গলবার থেকে পুনরায় লেনদেন কার্যক্রম চালু হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে আলোচনার প্রেৰিতে ইতোমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে ১৪ দফা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ধারাবাহিক দরপতন সামাল দিতে বাজারে শেয়ারের চাহিদা বৃদ্ধির জন্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করা হবে বলা হয়েছে। এছাড়া বাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও জড়িতদের চিহ্নিত করতে আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। সরকারের নেয়া এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক করে আজ আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সরকারের নেয়া উদ্যোগের ফলে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন। বড় ধরনের অস্থিরতার প্রেৰিতে আগের সপ্তাহের শেষ দু'দিন দু'ঘণ্টা কমিয়ে আনা হলেও আজ থেকে বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যনত্ম স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে বলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পৰ থেকে জানানো হয়েছে। টানা দেড় মাস ধরে একের পর এক রেকর্ড দরপতন এবং বিনিয়োগকারীদের বিৰোভের মুখে গত ১৮ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) পুঁজিবাজারে লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এসইসি। পরদিন সময় কমিয়ে পুনরায় লেনদেন চালু করা হলেও ব্যাপক পতনের মুখে আবারও বন্ধ করা হয় লেনদেন। এ অবস্থায় একদিনে ডিএসই সাধারণ সূচকের সর্বোচ্চ হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা (সার্কিট ব্রেকার) ২২৫ পয়েন্ট নির্ধারণ করে বৃহস্পতিবার লেনদেন চালু করা হয়। কিন্তু ওইদিন মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে সীমা অতিক্রম করে ডিএসই সাধারণ সূচক ৬০০ পয়েন্ট নেমে যায়। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বিনিয়োগকারীদের সহিংস বিৰোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রবিবার লেনদেন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়।
বড় ধরনের বিপর্যয় কাটিয়ে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণে সরকারের পৰ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়। সঙ্কট নিরসনে করণীয় নির্ধারণে বাজার সংশিস্নষ্ট সকল পৰকে নিয়ে গত রবিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ওই বৈঠকের আলোচনার প্রেৰিতে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ১৪ দফা পদৰেপ গ্রহণের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। সোমবার ওই প্রজ্ঞাপনের খসড়া চূড়ানত্ম করা হয়েছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যে পরিমাণ মুনাফা করেছে তার একাংশ পুনরায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য বলা হয়েছে। এৰেত্রে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের মুনাফার উলেস্নখযোগ্য অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করবে। বাকি অংশ উদ্বৃত্ত তহবিল হিসেবে রেখে দিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোও তাদের মুনাফার অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের ৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংককে নমনীয় নীতি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা (সার্কিট ব্রেকার) তুলে দেয়ার সিদ্ধানত্ম জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কোম্পানিভিত্তিক শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা কমিয়ে আনতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতোমধ্যেই তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা (সার্কিট ব্রেকার) অর্ধেক করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এর ফলে কোন কোম্পানির শেয়ারের দর একদিনে ১০ শতাংশের বেশি বাড়তে বা কমতে পারবে না। শেয়ারের মূল্যসীমার (সার্কিট ব্রেকার) পরিবর্তন সম্পর্কিত এই সিদ্ধানত্ম আজ থেকে কার্যকর হবে। পরিবর্তিত মূল্যসীমা অনুযায়ী বাজারে কোন শেয়ারের দর ২০০ টাকার কম হলে একদিনে ওই শেয়ারের দর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যনত্ম বাড়তে বা কমতে পারবে। তবে দর হ্রাস-বৃদ্ধির পরিমাণ কোনভাবেই সাড়ে ১৭ টাকার বেশি হতে পারবে না। একইভাবে শেয়ারের বাজারমূল্য ২০১ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যনত্ম হলে ৮.৭৫ শতাংশ বা ৩৭ টাকা ৫০ পয়সা, ৫০১ টাকা থেকে ১০০০ টাকা মূল্যের শেয়ারের ৰেত্রে সাড়ে ৭ শতাংশ বা ৬২ টাকা ৫০ পয়সা, ১০০১ টাকা থেকে ২০০০ টাকা মূল্যের শেয়ারের ৰেত্রে ৬.২৫ শতাংশ বা ১০০ টাকা, ২০০০ থেকে ৫০০০ পর্যনত্ম ৫ শতাংশ বা ১৮২ টাকা ৫০ পয়সা এবং ৫০০০ টাকার বেশি মূল্যের শেয়ারের ৰেত্রে একদিনে ৩.৭৫ শতাংশ বা ৩০০ টাকা পর্যনত্ম বাড়তে বা কমতে পারবে।
প্রজ্ঞাপনে মার্জিন ঋণের ৰেত্রে এসইসির পৰ থেকে দীর্ঘমেয়াদী নীতি ঘোষণার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে ঋণের হার নির্ধারণে এসইসি ঘন ঘন হসত্মৰেপ করবে না। প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণের হার নির্ধারণ করবে।
অর্থমন্ত্রণালয় মনে করে, দেশের শেয়ারবাজারের মৌলভিত্তি অনেক ভাল। পিই অনুপাত ২৩-এর নিচে থাকা বাজারের জন্য সহনীয়। তবে এটা আদর্শ অবস্থান নয়। সেৰেত্রে পিই অনুপাত কত হলে তা বাজারের জন্য ইতিবাচক হবে এসইসি তা নির্ধারণ করবে। পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার পর পরিস্থিতি অনুযায়ী কোম্পানি যাতে পুনরায় সেই শেয়ার কিনে নিতে পারে (বাই ব্যাক), সে ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশেও সে ধরনের ব্যবস্থা চালু করা হবে। এজন্য কোম্পানি আইনে কিছু পরিবর্তন আনা হবে। এছাড়া বাজারে আসার আগেই অতি মূল্যায়িত হওয়ায় মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট ও এমআই সিমেন্টের আইপিও বাতিল কিংবা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরৰণ করে এ বিষয়ে সিদ্ধানত্ম গ্রহণের জন্য এসইসিকে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, এসইসি যাতে কার্যকরভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সেজন্য সংস্থার জনবল দ্বিগুণ করা হবে। পাশাপাশি এসইসির উপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠন ও একে কার্যকর করা হবে। এসইসি, রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি (আরজেএসসি) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানো হবে। এসইসির কার্যক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন প্রতিনিধিকে যুক্ত করার ব্যবস্থা করা হবে। কমিশনের সিদ্ধানত্ম গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের কারণ এবং এজন্য দায়ীদের চিহ্নিত করতে আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যে একটি তদনত্ম কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া প্রজ্ঞাপনে পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য অধিক প্রশিৰণের ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|