DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 39 / 40 1 - 2 - 3 - 4 - 5 - 6 - 7... - 33 - 34 - 35 - 36 - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
02/16/2011 1:33 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
চার দিন লেনদেন বন্ধ
ইতিবাচক ধারায় শেয়ারবাজার


নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
16.02.2011


কয়েক দিনের টানা দরপতনের পর ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে শেয়ারবাজার। বাজারে অর্থপ্রবাহ বাড়াতে সরকারের নেওয়া কিছু পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক প্রভাবে কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছেন পুঁজি হারানো বিনিয়োগকারীরা। অনেকেই হাতের শেয়ার ধরে রাখায় একপর্যায়ে বাজারে বিক্রেতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে সুবাতাসের আভাস পেয়ে এগিয়ে এসেছেন অনেক ক্রেতা। ফলে গতকাল প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) সূচক বেড়েছে ৩৪৬.৮৪ পয়েন্ট। এদিকে আজ থেকে চার দিন শেয়ারবাজার বন্ধ থাকছে। আজ ঈদে মিলাদুন্নবী, কাল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং শুক্র ও শনিবার মিলিয়ে চার দিন বাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে।
পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেছেন, শেয়ার কেনার জন্য আইসিবিকে সরকারের টাকা দেওয়া, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে শেয়ারে বিনিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া এবং ফোর্সড সেল বন্ধ করার ব্যাপারে অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এসবের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক লেনদেনে।
আগের দিনের চেয়ে লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা বেশি। লেনদেন হওয়া ২৫৮টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২২০টির। দরবৃদ্ধির একপর্যায়ে ৭৯টি কম্পানির শেয়ারের কোনো বিক্রেতা ছিল না। এক দিনের লেনদেনের সর্বোচ্চ মাত্রা (সার্কিট ব্রেকার) ছুঁয়ে যাওয়ার কারণেও অনেক কম্পানির লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
সরকারের তরফে নেওয়া নানামুখী কার্যকর পদক্ষেপের প্রভাবে বাজার ইতিবাচক আচরণ করেছে বলে মনে করছেন ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী। তিনি বলেছেন, অর্থমন্ত্রী এবং সরকারের নানা সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপের কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে এসেছে এবং বাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) শেয়ার কিনতে গতকাল ২০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়। একইভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংককে যার যার নিজস্ব তহবিল থেকে শেয়ার কেনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনকে এ পদক্ষেপের কথা জানানো হয়েছে। ডিএসইর ওয়েবসাইটে গতকাল এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এদিকে শেয়ারবাজারের বর্তমান আতঙ্কে ফোর্সড সেল বন্ধ করার জন্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'আমি ফোর্সড সেল পছন্দ করি না। এর বিকল্প বের করার জন্য শিগগিরই মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক করা হবে।' গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী এ কথা জানান।
তবে এখনই স্বস্তি প্রকাশ করতে নারাজ বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। কেননা এখনো বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করা থেকে বিরত রয়েছে। মূলত তারল্য সংকটই এর কারণ। তবে সরকারের তরফে নেওয়া গতকালের কয়েকটি পদক্ষেপের প্রভাবে তাদের মধ্যে আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মুর্ত্তজা আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, গতকালের পরিস্থিতি দেখে মনে হয়েছে বাজার স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে। আরো দু-এক দিন বাজারের অবস্থা না দেখে মন্তব্য করা যাবে না। তিনি বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ করছে। নইলে বাজার ঘুরে যাওয়ার কথা নয়।'
এদিকে গতকালের বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইতে ২৫৮টি কম্পানির ছয় কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার ৩০৪টি শেয়ার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া এসব শেয়ারের আর্থিক মূল্য ৬৮৯ কোটি ৩৯ লাখ ৫২ হাজার ৫৩৭ টাকা। আগের দিনের চেয়ে এ পরিমাণ ২৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা বেশি। ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৪৬.৮৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫৯২৬.৩৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৬০.৯০ পয়েন্ট বেড়ে ৩৯৯৯.১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫৮টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২২০টির, কমেছে ৩৭টির এবং অপরিবর্তিত থাকে একটির।
গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৭১ হাজার ৪৯ কোটি ৫৪ লাখ ৫৮ হাজার ৪৬৭ টাকা।
লেনদেনের ভিত্তিতে গতকাল এগিয়ে ছিল ব্যাংক এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কম্পানিগুলো।
লেনদেনের ভিত্তিতে গতকালের শীর্ষ কম্পানি ছিল বেঙ্মিকো লিমিটেড। এ প্রতিষ্ঠানের ৩৭ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/16/2011 1:34 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
অনেক কম্পানির শেয়ারের দর মৌল ভিত্তির নিচে নেমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
16.02.2011


অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর এই মুহূর্তে মৌল ভিত্তির নিচে নেমে গেছে। এখন শেয়ার কিনলে ক্ষতির আশঙ্কা কম। এর ফলে পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েক দিনের অব্যাহত দরপতনের কারণে পুঁজিবাজারের অধিকাংশ মৌলভিত্তির শেয়ারের বাজার মূল্য ও আয়ের (পিই) অনুপাত এখন ভালো অবস্থায় রয়েছে। তাই এসব শেয়ারে বিনিয়োগের উপযুক্ত সময় এখন। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী গতকাল মঙ্গলবার ডিএসই কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন। বড় ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নতুন করে বাজারে প্রবেশের আহ্বান জানান ডিএসই সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।
শাকিল রিজভী বলেন, 'অব্যাহত দরপতনে সরকার এবং অর্থমন্ত্রী যে পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা বাজারের জন্য খুবই ইতিবাচক। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে। ইতিমধ্যে বাজারে এসব পদক্ষেপের প্রতিফলন ঘটতে শুরু করেছে। যার ফলে মঙ্গলবার পুঁজিবাজারের অধিকাংশ শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে।' বাজারে সাম্প্রতিক অস্থিরতার পেছনে কোনো চক্র কাজ করেছে কিনা_সাংবাদিকদের এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'যেহেতু গত কয়েক দিনে ভালো ভালো কিছু কম্পানির শেয়ার কম দরে বিক্রি হয়েছে। এতে বোঝা যায় বাজারে হয়তো একটি চক্র কাজ করতে পারে। যাদের উপস্থিতির কারণে বাজারের এ অবস্থা হয়েছে।'
কয়েক দিনের দরপতন প্রসঙ্গে শাকিল রিজভী বলেছেন, 'আতঙ্কিত হয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করেছেন। এ কারণে সূচকের পতন ত্বরান্বিত হয়েছে। বর্তমানে ভালো কম্পানি এখন কম দামে রয়েছে।' এ সংবাদটি মানুষের কাছে পেঁৗছে গেলে বাজার ভালো হতে বাধ্য বলেও মনে করেন তিনি। ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারের দর কমার পেছনে কোনো কারসাজি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/16/2011 1:35 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিনিয়োগের অনুমতি পেল ১০ মিউচ্যুয়াল ফান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
16.02.2011


পুঁজিবাজারের অস্থির পরিস্থিতি কাটাতে তারল্য প্রবাহ বাড়ানো উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এ লক্ষ্যে আরো ১০টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ বিনিয়োগের অনুমতি পেয়েছে।
সোমবার ২০০ কোটি টাকার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগ অনুমোদন দেওয়ার পর গতকাল মঙ্গলবার আরো ২০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয় সংস্থাটি। এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পরও যে ১০টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড এখনো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি, সেসব ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশ আগামী রবিবার থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের অনুমতি পেয়েছে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর সম্পদ ব্যবস্থাপকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এসইসি বিনিয়োগের অনুমোদন দেয়।
এসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান জানান, ১০টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তারা এখনো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি। এসব ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপকদের উদ্যোক্তা অংশ থেকে পুঁজিবাজারে শেয়ার ক্রয়ে বিনিয়োগ করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সোমবার এসইসির অনুমোদন পাওয়া ফাস্ট বাংলাদেশ ফিঙ্ড ইনকাম ফান্ডের ২০০ কোটি টাকার উদ্যোক্তা অংশ গতকাল মঙ্গলবার থেকেই পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কম্পানির শেয়ার ক্রয়ে বিনিয়োগ শুরু করেছে। পুঁজিবাজারে এখনো তালিকাভুক্ত হয়নি_এ ধরনের অনুমোদিত মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রায় ৪০০ কোটি টাকার উদ্যোক্তা অংশ শেয়ারে বিনিয়োগের ফলে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করছে এসইসি।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/16/2011 1:36 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ফোর্সড সেলের অধিকার নেই মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
16.02.2011


মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বাধ্যতামূলকভাবে নির্দিষ্ট দামের চেয়ে কম দামে শেয়ার বিক্রি (ফোর্সড সেল) মোটেই পছন্দ নয় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর এ ধরনের কোনো অধিকারও নেই বলে মনে করেন তিনি। তাই ফোর্সড সেল বন্ধ করতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে অনেকেই তা মানেনি। ফোর্সড সেল ঠেকাতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা হবে। এ জন্য আগামী শুক্রবার মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন অর্থমন্ত্রী।
গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, 'সরকারি শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত বাতিল হয়নি। তবে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েলের শেয়ার আনার ঘোষণা থাকলেও তা ওই সময়ের মধ্যে আসছে না। কারণ এখনো কিছু কাজ বাকি আছে। মার্চের মধ্যেই সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আসতে শুরু করবে। বাকি প্রতিষ্ঠানও পর্যায়ক্রমে আসবে।' সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার নির্দিষ্ট মূল্যের কমে ছাড়া হবে না বলে জানান মন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, 'গণমাধ্যম ও তথাকথিত বিশেষজ্ঞদের কারণে ২২ তারিখ থেকে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আনা হচ্ছে না।' পুঁজিবাজারে অব্যাহত অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ ফেব্রুয়ারি আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সরকারি ২১ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার সেপ্টেম্বরের মধ্যে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার পর্যায়ক্রমে বাজারে আসবে বলে জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। গত সোমবার অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার কবে কিভাবে ছাড়া হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ২০ ফেব্রুয়ারির পর। তিনি অভিযোগ করে তখন বলেন, 'সরকারি শেয়ার আসার ঘোষণার পর কেউ কেউ ইচ্ছা করে শেয়ারের দাম কমিয়ে দিচ্ছে।' মার্চেন্ট ব্যাংকিং সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, 'তাদের ইকুইটি বাড়াতে হবে। স্বনির্ভর হতে হবে। মার্চেন্ট ব্যাংকিং বালাদেশে নতুন, সরকারের কাছেও বিষয়টি নতুন। এ ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর জন্য একটি সমন্বিত নীতিমালা তৈরি করা দরকার।' শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'পুঁঁজিবাজারে অনেক বেশি মূল্য সংশোধন হয়েছে। আমি সব সময়ই আশা করছি মার্কেট স্থিতিশীল হবে।' শেয়ারবাজারের সূচক ওঠা-নামা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, 'এক দিনে ৫০০ পয়েন্ট বেড়ে যাওয়াটাও পাগলামী।' সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'যাদের কারণে শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে, তাদেরও পুঁজিবাজারে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।'
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/18/2011 7:23 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে নানামুখী পদক্ষেপ

ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


সরকারের নানামুখী পদক্ষেপে টানা দরপতনের পর কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে গেল সপ্তাহের ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের লেনদেন। গত ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় সূচকের ধারাবাহিক পতন। পতনের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও থেকে ফোর্স সেলের মাধ্যমে ঋণের টাকা তুলে নেয় মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো। এতে দরপতন আরো ত্বরান্বিত হয়।
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে দু'ধাপে ৪০০ কোটি টাকা এবং আইসিবিকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে ৬০০ কোটি টাকার তহবিল দেয়। একইসঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক সোনালী, রূপালী, জনতা এবং অগ্রণী ব্যাংককে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের অনুমতি দেয় সরকার। এর প্রভাবে গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস মঙ্গলবার বাজারে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
গত সপ্তাহের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, তিন কার্যদিবসে মোট লেনদেন হয়েছে ২০৬৮ কোটি ১৪ লাক্ষ ৭৯ হাজার ১৪৯ টাকা। প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৮৯ কোটি ৩৮ লাখ ২৬ হাজার ৩৮৬ টাকা। সপ্তাহের তিন কার্যদিবসের মধ্যে রোববার ও সোমবার সাধারণ সূচক কমছে ৪৭৪ ও ৪৭২ পয়েন্ট। মঙ্গলবার সূচক বেড়েছে ৩৪৬ পয়েন্ট। হাতবদল হওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারই ছিল এ ক্যাটাগরির। শতকরা হিসাবে এ ক্যাটাগরির শেয়ার বিক্রি হয়েছে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ, বি ক্যাটাগরির ২ দশমিক ১৯ শতাংশ, এন ক্যাটাগরির ১ দশমিক ০২ শতাংশ এবং জেড ক্যাটাগরির দশমিক ৮৩ শতাংশ। তবে জি ক্যাটাগরির কোন শেয়ারের লেনদেন হয়নি। লেনদেন হয়েছে ২৬১টি কোম্পানির শেয়ার।
ডিএসইতে লেনদেন হওয়া শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠান হল ন্যাশনাল ব্যাংক, বেক্সিমকো, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, পিপলস্ লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস, তিতাস গ্যাস, গ্রামীণ ফোন, সাউথইস্ট ব্যাংক, বে-লিজিং এন্ড ইনভেস্টমেন্ট, প্রাইম ব্যাংক এবং এবি ব্যাংক।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/মউ/এমএইচ/১৬.৫০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/18/2011 7:24 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
১৮ ব্রোকারেজ হাউজকে ৩১ লাখ টাকা জরিমানা

ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


সম্প্রতি সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সঞ্জের (ডিএসই) সদস্য ১৮টি ব্রোকারেজ হাউজকে ৩১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এরমধ্যে চলতি সপ্তাহে ১২টি এবং এর আগের সপ্তাহে ৬টি ব্রোকারেজ হাউজকে জরিমানার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে এসইসি। বিধি ভঙ্গ করে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন, গ্রাহকদের পোর্টফোলিও'র শেয়ার অনুমতি ছাড়াই বিক্রিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ডিসেম্বর মাসে এসইসি'র পক্ষ থেকে ব্রোকারেজ হাউজ পরিদর্শনকালে এ্যাসেঞ্জ সিকিউরিটিজের গ্রাহকদের জমা দেয়া অর্থ ও শেয়ার লেনদেনে অসামঞ্জস্যতা চিহ্নিত হয়। পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ বিষয়টি তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গ্রাহকদের টাকায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পোর্টফোলিওতে শেয়ার কেনার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে এ্যাসেঞ্জ সিকিউরিটিজের কর্মকর্তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য জানুয়ারির প্রথমদিকে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দেয়া বক্তব্য গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় কমিশন সভায় এ্যাসেঞ্জ সিকিউরিটিজকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ডিএসই'র পরিচালক লাইলুন নাহার একরাম এ প্রতিষ্ঠানটির মালিক।
অন্যদিকে অস্বাভাবিক দরে চিটাগাং ভেজিটেবলের শেয়ার লেনদেনে সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মোট ৯টি ব্রোকারেজ হাউজকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো_ এনবিএল সিকিউরিটিজ, শাহ মোহাম্মদ সগীর সিকিউরিটিজ, ট্রাস্টি সিকিউরিটিজ, সাবভ্যালি সিকিউরিটিজ, এইচএসি (হ্যাক) সিকিউরিটিজ, এবিএস সাফদার এ্যান্ড কোং, আজম সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ ও আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ। এছাড়া শেয়ার লেনদেনে বিধিভঙ্গ করায় ওয়েস্টার্ন সিকিউরিটিজকে ৫ লাখ টাকা, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড সিকিউরিটিজ, বালি সিকিউরিটিজ, এ্যারেনা সিকিউরিটিজ, মুনতাহা সিকিউরিটিজ, সাদ সিকিউরিটিজ, এমএএইচ সিকিউরিটিজ ও এম সিকিউরিটিজকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। তবে, এসব হাউজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এস/ এসসি/২১.১৩ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/18/2011 10:23 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত
ফোর্সড সেল বন্ধে নীতিমালা করার ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
19.02.2011


পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সৰমতা বাড়াতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য মূলধনের পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে উন্নীত করতে সময় বেঁধে দেয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মূলধনের উৎস নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি মার্জিন ঋণ বিতরণ এবং ফোর্সড সেল বন্ধে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করারও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শুক্রবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। সম্পদ ব্যবস্থাপনা ছাড়া বাজারের সব ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠান জড়িত। কিন্তু মূলধন কম থাকায় মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যথাযথভাবে তাদের ভূমিকা পালন করতে পারছে না। এজন্য তাদের নিজের সম্পদ বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য একটি ন্যূনতম মূলধনের সীমা বেঁধে দেয়া হবে। সরকারের পক্ষ থেকে শীঘ্রই রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মূলধন বৃদ্ধি করা হবে।
মার্চেন্ট ব্যাংকের মার্জিন ঋণ কার্যক্রম সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রাহকের সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান মার্জিন ঋণের হার নির্ধারণ করবে। এৰেত্রে সরকার বা এসইসি কোন হস্তক্ষেপ করবে না। তবে সরকারের পক্ষ থেকে ঋণ প্রদানের নীতিমালা করে দেয়া হবে।
বাজারে শেয়ারের দর কমে গেলে বাধ্যতামূলক বিক্রির (ফোর্সড সেল) প্রবণতাকে অনৈতিক আখ্যায়িত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারবাজার সম্পর্কে কোন রকম অভিজ্ঞতা ছাড়াই অনেকে বাজারে বিনিয়োগ করেছে। এ ধরনের গ্রাহককে ঋণ দেয়ার পর শেয়ারের দর কমে গেলে ফোর্স সেল করা ঠিক নয়। গ্রাহকের সঙ্গে কথা না বলে তার হিসাব থেকে শেয়ার বিক্রি করে ঋণ আদায় করার প্রবণতা বন্ধ করা হবে। ফোর্স সেল বন্ধে শীঘ্রই একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।
তিনি বলেন, মার্জিন ঋণ ও ফোর্স সেল বন্ধে নীতিমালা করার জন্য মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর কাছে প্রসত্মাব চাওয়া হয়েছে। যে কোন বিষয়ে চূড়ানত্ম বিধিমালা করার আগে অবশ্যই সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
শেয়ারবাজার সম্পর্কে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, 'আমাদের মূল লৰ্য বিনিয়োগ। বিনিয়োগের স্বার্থেই পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য এখনও পুঁজিবাজারকে ভালভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে সরকার মনে করে। পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের জন্য ইতোমধ্যেই অনেক আইপিও আসতে শুরম্ন করেছে। এজন্য শেয়ারবাজারকে রৰা করতে হবে।
তিনি জানান, বিনিয়োগের পাশাপাশি লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর কষ্টের বিষয়টিও সরকার অনুধাবন করছে। এ কারণেই শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তহবিল যোগান দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে নানা ধরনের নীতিগত পদৰেপ নেয়া হচ্ছে।
বাজার পরিচালনার ৰেত্রে বিভিন্ন সময়ে নেয়া পদৰেপে ভুল-ত্রম্নটি স্বীকার করে মুহিত বলেন, আগের সরকারের আমলে পুঁজিবাজারের দিকে কোন নজর দেয়া হয়নি। ফলে আমাদের সব কিছু নতুন করে শুরম্ন করতে হয়েছে। অনেক ৰেত্রে ঘন ঘন নিয়ম বদলাতে হয়েছে। নতুন বাজারের জন্য অনেক ৰেত্রে নিয়ম-কানুন পরিবর্তন করা দরকার ছিল। তারপরও অনেক ৰেত্রে হয়ত ভুল হয়েছে। সেগুলো দ্রম্নত সংশোধনেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বাজারে স্থিতিশীলতা রৰায় মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর ভূমিকা সম্পর্কে মুহিত বলেন, কোন কোন প্রতিষ্ঠানে দরপতনের সময় শেয়ার বিক্রি করে বাজারকে অস্থির করেছে। এ ধরনের প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। চট করে সূচক ৫০০ পয়েন্ট বেড়ে যাওয়া, আবার ৪০০ পয়েন্ট কমে যাওয়া কোন স্বাভাবিক আচরণ হতে পারে না। তিনি বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে শেয়ারের দর কমে গেলে কেনার পরিমাণ বাড়াতে বলা হয়েছে। একইভাবে শেয়ারের দর বেড়ে গেলে স্থিতিশীলতা রৰার জন্য এসব প্রতিষ্ঠান যাতে বিক্রি করে মুনাফা তুলে নেয়_ সে বিষয়েও তাগিদ দেয়া হয়েছে।
পুঁজিবাজারে কারসাজির সুযোগ কমাতে পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ বন্ধ করা হবে বলে অর্থমন্ত্রী জানান। এছাড়া নতুন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনের ঘোষণা দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান বুকবিল্ডিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অনেক কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত করা হয়েছে। এৰেত্রে কোন কোন মার্চেন্ট ব্যাংকের সশ্লিষ্টতা ছিল। তবে এজন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টরা। এদেরও নিয়মের মধ্যে আনা হবে।
চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল গঠনের উদ্যোগের কথা পুনর্ব্যক্ত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ সংক্রান্ত আইনের খসড়াটি দু'বার মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি ভালভাবেই সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। মন্ত্রিসভা থেকে এ বিষয়ে একটি কমিটি করে দেয়া হয়েছে। কমিটির সুপারিশের আলোকে শীঘ্রই ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং এ্যাক্ট চূড়ান্ত করা হবে। আইনী ভিত্তি তৈরির পর চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টদের অসাধু কর্মকা-ের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো তাদের মূলধন বাড়াতে আমানত সংগ্রহ করতে পারে কিনা_ ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গ্রাহকের সম্পর্কের ভিত্তিতে মার্জিন ঋণের হার নির্ধারিত হবে। এছাড়া শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে বাজার সৃষ্টিকারী (মার্কেট মেকার) প্রতিষ্ঠান চালুর বিষয়ে পদৰেপ নেয়া হবে।
তিনি জানান, তালিকাভুক্ত কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের ফলে বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। এজন্য পুনর্মূল্যায়নের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। এছাড়া শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ৰেত্রে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চালুর প্রস্তাব এসেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান চালু আছে। আমাদের দেশেও পরামর্শক কার্যক্রম চালুর বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণের বিষয়ে তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত বিধি সংশোধনের জন্য একটি খসড়া নীতিমালা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এটি চূড়ান্ত করা হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/18/2011 11:54 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী
মার্চেন্ট ব্যাংকের বিনিয়োগ ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৯-০২-২০১১
প্রথম আলো

  
টেকসই পুঁজিবাজারের স্বার্থে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ- সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী দিনে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর নিজস্ব সম্পদ অর্থাৎ পরিশোধিত মূলধন বাড়ানো হবে। প্রণয়ন করা হবে এদের মার্জিন ঋণের ব্যাপারে একটি নীতিমালা।
অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের দিক বিবেচনা করে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে আর ‘ফোর্স সেল’ (জোর করে শেয়ার বিক্রি) করতে দেওয়া হবে না। গতকাল শুক্রবার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সম্মেলনকক্ষে মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদসহ এসইসি, দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে খুবই ভালো একটি সভা হলো। সবাই বেশ প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিলেন। শেয়ারবাজারের একটি বড় পক্ষ মার্চেন্ট ব্যাংক। কিন্তু এদের নিজস্ব মূলধন বাড়ানোর সুযোগ কম। সব মার্চেন্ট ব্যাংকেরই তাই মূলধনের পরিমাণ বাড়াতে হবে। মূলধন উন্নীত করতে হবে একটি ন্যূনতম নির্দিষ্ট অঙ্কে। এ জন্য বিধিবিধান করা হবে।
এদিকে সরকারি মালিকানাধীন মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মূলধন শিগগিরই বাড়ানো হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। বলেন, মার্জিন ঋণের হার নির্ধারিত হবে গ্রাহকের সঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকের সম্পর্কের ভিত্তিতে। অর্থাৎ গ্রাহককে কী পরিমাণ ঋণ দেওয়া হবে, তা মার্চেন্ট ব্যাংকই ঠিক করবে। এসইসি এতে হস্তক্ষেপ করবে না। তবে ঋণের সীমা বেঁধে দিয়ে নীতিমালাটি করে দেবে এসইসি।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর ফোর্স সেল বিষয়ে মুহিত বলেন, ‘আমার মতে, এটি অনৈতিক ব্যাপার। আমি আগেও বলেছি এ কথা। বাজারে কিছু বিনিয়োগকারী এসেছেন। ওনাদের অশিক্ষিত বলব না, তবে তাঁদের অনেকেই অনভিজ্ঞ। তাঁরাও ঋণ নিয়েছেন। কিন্তু দাম কমে গেলেই তাঁদের হিসাবে থাকা শেয়ার বিক্রি করে দেবেন, আর তাঁদের জিজ্ঞেসই করবেন না! এটা ঠিক না।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগকারীদের বোঝানোর দায়িত্ব পালন করতে হবে, আবার তাঁদের মানসিকতাও বুঝতে হবে। এ জন্য অবশ্য কিছু সময় লাগবে। কিছু বিনিয়োগকারী যতই অশিক্ষিত হোন না কেন, ডেকে এনে প্রয়োজনে তাঁদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের পুঁজিবাজার হলো একটা উঠতি বাজার। কিন্তু বর্তমান সরকার ও তার আগের সরকারগুলো এ নিয়ে তেমন একটা খেয়াল করেনি। তাই অনেক কিছু নতুন করে শুরু করতে হয়েছে। হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে বেশি বেশি। এতে কিছু ভুলও হয়েছে। তবে ভুলগুলো সংশোধন হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, ঢাকার বাজারে জীবন আসে মূলত আশির দশকের শেষ দিকে। তবে সত্যিকারের জীবন আসে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়। তারপর এটা পড়ে গিয়েছিল। পরে আবার উঠে আসে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই বিনিয়োগ ও বিনিয়োগের স্বার্থেই শেয়ারবাজারকে শক্তিশালী করতে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি আপাতত স্থগিত থাকলেও এসইসি তা নিয়ে কাজ করছে। শিগগির তা চালু হবে। বাজারে তখন নতুন নতুন আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) আসবে, যা শুভ লক্ষণ।’
বুক বিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহারে কিছু চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট (সিএ) প্রতিষ্ঠান দায়ী বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনো কোনো শেয়ারকে অতি মূল্যায়িত করতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো ভূমিকা রেখেছে ঠিক। তবে এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি দোষী সিএ প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই এদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে একটি কাউন্সিল গঠনের চিন্তা করা হচ্ছে। সংসদে এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। আইনি কাঠামো তৈরির পর অসাধু সিএদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিমিউচুয়ালাইজেশনের (ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথক) ব্যাপারে ডিএসইর সম্মতি এবং বাজারের মূল্যসূচক গণনার ক্ষেত্রে একটি মানদণ্ড তৈরির কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে অনেকগুলো প্রস্তাব এসেছে। যেমন নিজস্ব মূলধন বৃদ্ধি, বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতো আমানত সংগ্রহ, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চালু ইত্যাদি। তিনি বলেন, মূলধন বাড়াতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে প্রস্তাব দিতে বলা হয়েছে। কোন কোন উৎ স থেকে তারা অর্থ সংগ্রহ করতে চায়, প্রস্তাবে তা উল্লেখ থাকবে। আর আমানত সংগ্রহের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।
কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন বিষয়ে একটি নীতিমালা তৈরি করার কথা জানিয়ে এসইসির চেয়ারম্যান বলেন, বুক বিল্ডিং নিয়ে খসড়া নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। শিগগিরই তা চূড়ান্ত করা হবে।
সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের তেমন কোনো প্রভাব শেয়ারবাজারে পড়ছে না কেন? জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জবাব দিতে চাই না। জবাব দিলেই তা রাজনৈতিক হয়ে যাবে।’ বাজার চাঙা রাখতে ঋণ দেওয়া ঠিক হচ্ছে কি না, এ প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এতে কোনো ভুল দেখছি না। বেআইনিভাবে দিয়েছি নাকি? বাজারকে তো রক্ষা করতে হবে।’
ফোর্স সেল বন্ধে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো কোনো ঝুঁকিতে পড়বে কি না, এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘না, পড়বে না। বিধিবিধান করা হচ্ছে সব দিক বিবেচনা করেই।’ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মূলধন কি আসলেই বাড়ানো হবে? জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই’।
প্রসঙ্গত, দেশে ৩৭টি মার্চেন্ট ব্যাংকের মধ্যে চালু রয়েছে ৩১টি। তবে ১৪টি মার্চেন্ট ব্যাংক গ্রাহকদের ঋণ দেয় না। তারা নিজেরাই শেয়ার কেনাবেচা করে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/19/2011 11:57 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মন্দা কাটিয়ে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকন্ঠ
২০।০২।২০১১


প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তায় মন্দা পরিস্থিতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার ঘোষণায় গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে উর্ধমুখী হয়ে ওঠে বাজার। একইসঙ্গে ১১টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৪০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ শুরু হলে চলতি সপ্তাহ থেকেই বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে বলে আশা করছেন বিশ্লেষকরা। সেইসঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মূলধন বৃদ্ধি ও ফোর্স সেল বন্ধে অর্থমন্ত্রীর উদ্যোগ বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন।
পুঁজিবাজারে মন্দা কাটাতে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গত মঙ্গলবার আইসিবিকে ২০০ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার। এর আগেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী, জনতা, রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংককে শেয়ার কিনতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এখন থেকে শেয়ারবাজারের লেনদেনে ভারসাম্য রৰায় এসব প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগানোরও সিদ্ধানত্ম নিয়েছে সরকার। বাজারে অস্বাভাবিক দরপতন ঘটলে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার কিনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচেষ্ট হবে। আবার অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দিলে এসব প্রতিষ্ঠান শেয়ার বিক্রি করে বাজারকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করবে।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, 'আমাদের মূল লৰ্য বিনিয়োগ। বিনিয়োগের স্বার্থেই পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য এখনও পুঁজিবাজারকে ভালভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে সরকার মনে করে। পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের জন্য ইতোমধ্যেই অনেক আইপিও আসতে শুরম্ন করেছে। এজন্য শেয়ারবাজারকে রৰা করতে হবে।
তিনি জানান, বিনিয়োগের পাশাপাশি লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর কষ্টের বিষয়টিও সরকার অনুধাবন করছে। এ কারণেই শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তহবিল যোগান দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে নানা ধরনের নীতিগত পদৰেপ নেয়া হচ্ছে।
এদিকে তারল্য সঙ্কট কাটাতে প্রক্রিয়াধীন ১১টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তাদের অংশের মোট ৪০০ কোটি টাকা এখনই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এরমধ্যে মঙ্গলবার ১০টি মিউচু্যয়াল ফান্ডকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়। এর আগে সোমবার ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিঙ্ড ইনকাম ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দেয় এসইসি। আগামী রবিবার থেকেই মিউচু্যয়াল ফান্ডগুলো তাদের এই তহবিলের মাধ্যমে বাজার থেকে শেয়ার কিনতে পারবে। নতুন মিউচু্যয়াল ফান্ডগুলোর এসব তহবিল বিনিয়োগের ফলে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে এসইসি আশা করছে। এদিকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সৰমতা বাড়াতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির সিদ্ধানত্ম নিয়েছে সরকার। এজন্য মূলধনের পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে উন্নীত করতে সময় বেঁধে দেয়া হবে। এই সিদ্ধানত্ম বাসত্মবায়নের জন্য সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মূলধনের উৎস নির্ধারণ করা হবে।
এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারের গুরম্নত্বপূর্ণ অংশীদার। সম্পদ ব্যবস্থাপনা ছাড়া বাজারের সব ধরনের কর্মকা-ের সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠান জড়িত। কিন্তু মূলধন কম থাকায় মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যথাযথভাবে তাদের ভূমিকা পালন করতে পারছে না। এজন্য তাদের নিজের সম্পদ বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য একটি নূ্যনতম মূলধনের সীমা বেঁধে দেয়া হবে। সরকারের পৰ থেকে শীঘ্রই রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মূলধন বৃদ্ধি করা হবে।
বাজারে শেয়ারের দর কমে গেলে বাধ্যতামূলক বিক্রির (ফোর্স সেল) প্রবণতাকে অনৈতিক আখ্যায়িত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারবাজার সম্পর্কে কোন রকম অভিজ্ঞতা ছাড়াই অনেকে বাজারে বিনিয়োগ করেছে। এ ধরনের গ্রাহককে ঋণ দেয়ার পর শেয়ারের দর কমে গেলে ফোর্স সেল করা ঠিক নয়। গ্রাহকের সঙ্গে কথা না বলে তার হিসাব থেকে শেয়ার বিক্রি করে ঋণ আদায় করার প্রবণতা বন্ধ করা হবে। ফোর্স সেল বন্ধে শীঘ্রই একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।
বাজার সংশিস্নষ্টরা বলছেন, সরকারের নেয়া নানা পদৰেপের কারণে বাজারের ভবিষ্যত সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। এ কারণেই গত সপ্তাহের শেষ লেনদেনে বাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হওয়ায় আগের লোকসান পুষিয়ে নিতে অনেক ব্যক্তি বিনিয়োগকারীও নতুনভাবে বিনিয়োগ করবেন। পাশাপাশি শেয়ারের দর বৃদ্ধির ফলে অনেক বিনিয়োগকারীর মার্জিন ঋণ নেয়ার ৰমতা বৃদ্ধি পাবে। বর্ধিত ক্রয়ৰমতা ব্যবহার করে তারা শেয়ার কিনলে সামগ্রিকভাবে বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠবে।
বিশেস্নষকদের মতে, আস্থা সঙ্কট কাটিয়ে বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। সরকার ঘোষিত পদৰেপ অনুযায়ী ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ শুরম্ন করলে বাজারে মন্দা পরিস্থিতি কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের তৎপরতা বাড়লে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরে আসবে। এতে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হয়ে লেনদেনে সক্রিয় হবেন।
এদিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগলেও অনেক বিনিয়োগকারী আবারও শেয়ার কেনায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে জানা গেছে। একাধিক ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় বড় বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বাজারে সক্রিয় হতে শুরম্ন করেছেন। কারণ ভাল কোম্পানির শেয়ারের বর্তমান দরকে তারা কেনার জন্য উপযুক্ত মনে করছেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/19/2011 11:59 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
গত বছরের তুলনায় লভ্যাংশ বেড়েছে অধিকাংশ কোম্পানির


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকন্ঠ
২০।০২।২০১১


পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা শুরম্ন করেছে। অধিকাংশ কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশের হার গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। তবে লভ্যাংশ বাড়লেও বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণে বাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন ঘটেছে।
তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে আর্থিক দিক থেকে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে থাকা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ২০১০ সালের লভ্যাংশ ঘোষণা শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহ পর্যন্ত ৫টি ব্যাংক ও দু'টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এগুলো হলো ন্যাশনাল ব্যাংক, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। এর মধ্যে মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। গত বছরও এ ব্যাংক ২০ শতাংশ বোনাস দিয়েছিল। ন্যাশনাল ব্যাংক শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৯৫ শতাংশ হারে বোনাস দিচ্ছে। আগের বছর এ ব্যাংকটি ৫৫ শতাংশ হারে বোনাস দিয়েছিল। ইস্টার্ন ব্যাংক এ বছর ৫৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগের বছর দিয়েছিল ২০ শতাংশ নগদ ও ১৭ শতাংশ বোনাস। লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স ৫৫ শতাংশ হারে বোনাস দিচ্ছে। আগের বছর প্রতিষ্ঠানটি ১৫ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছিল। ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৬০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএলএফএসএল)। পাশাপাশি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ একটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি (১ : ১) রাইট শেয়ার ইসু্যর সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ৭৫ শতাংশ বোনাস দিয়েছিল। ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড (ডিবিএল) এবার ৩৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে। গত বছর এ ব্যাংকের বোনাসের হার ছিল ২৫ শতাংশ।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের লভ্যাংশের হার গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে। গত বছর ব্যাংকটি ৩৩.৩৩ শতাংশ হারে বোনাস দিলেও এবার ৩০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর বাইরে ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিচ্ছে পুঁজিবাজারে ওষুধ খাতের কোম্পানি গস্ন্যাঙ্ােস্মিথ ক্লেইন। আগের বছর কোম্পানিটি ১৬০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/19/2011 12:00 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ধারাবাহিক পতনের পর গত সপ্তাহের শেষ দিনে উর্ধমুখী শেয়ারবাজার
এ সপ্তাহ থেকেই শেয়ারবাজার স্থিতিশীলতায় ফেরার সম্ভাবনা



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকন্ঠ
২০।০২।২০১১


ধারাবাহিক অস্থিরতার পর সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রভাবে গত সপ্তাহের শেষ দিনে কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে শেয়ারবাজার। তবে আগের দু'দিনের ব্যাপক দরপতনের কারণে তিন দিনের লেনদেনেই গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা। মূল্যসূচক কমেছে ৬০০ পয়েন্ট। বাজারে ব্যাপক দরপতন হওয়ায় পুঁজি হারানোর ক্ষোভে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা সারাদেশে ব্যাপক ভাংচুর ও অগি্নসংযোগ করেছে। তবে অর্থপ্রবাহ বাড়াতে নানামুখী উদ্যোগের কারণে এ সপ্তাহ থেকেই শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ৩ দিনে ডিএসইতে ২ হাজার ৬৮ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৬৮৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে ৫ দিনে ডিএসইতে ৩ হাজার ৩৩৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার ২৯ কোটি ১৯ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। প্রতিদিন গড়ে ৬৬৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছিল। এ হিসেবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে এক হাজার ২৭১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। তবে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন বেড়েছে ২১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।
গত সপ্তাহের শুরুতে (রবিবার) ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ২ লাখ ৯৩ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষ লেনদেনে (মঙ্গলবার) তা কমে ২ লাখ ৭১ হাজার ৪৯ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এ হিসাবে গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন আগের সপ্তাহের চেয়ে ২২ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকা কমেছে। সপ্তাহের শুরম্নতে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৬ হাজার ৫২৭ দশমিক ১৯ পয়েন্ট। সপ্তাহ শেষে তা কমে ৫ হাজার ৯২৬ দশমিক ৩৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এ হিসাবে মূল্যসূচক ৬০০ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট বা ৯ দশমিক ২১ শতাংশ কমেছে। সারা সপ্তাহে লেনদেন হওয়া ২৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৮টির। এর বিপরীতে কমেছে ২৫৩টির দর।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক ৯৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা, বেঙ্মিকো লিমিটেড ৮৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ৭৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস ৭৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, তিতাস গ্যাস ৭১ কোটি ৫ লাখ টাকা, গ্রামীণফোন ৬৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, সাউথইস্ট ব্যাংক ৪৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, বেলিজিং এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ৪৫ কোটি ৩ লাখ টাকা, প্রাইম ব্যাংক ৪১ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং এবি ব্যাংকের ৪০ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
সপ্তাহের দরবৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এ্যান্ড ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস, চতুর্থ আইসিবি মিউচু্যয়াল ফান্ড, মুন্নু জুটেঙ্, সপ্তম আইসিবি মিউচু্যয়াল ফান্ড, প্রথম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, তৃতীয় আইসিবি মিউচু্যয়াল ফান্ড এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ২৫ শতাংশ কনভারটেবল বন্ড।
অন্যদিকে দর হ্রাসের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো_ ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আরএকে সিরামিকস, সিএমসি কামাল, লিগেসি ফুটওয়্যার, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক, জিকিউ বলপেন, সাভার রিফ্যাক্টরিজ, সমতা লেদার কমপেক্স, এসিআই বন্ড এবং মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/19/2011 12:01 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
প্রাইম ব্যাংকের ৩৫% বোনাস ও ১০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকন্ঠ
২০।০২।২০১১


২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার এবং ৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিচ্ছে প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড। শনিবার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এ হার নির্ধারণ করা হয়। ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৩৫টি বোনাস শেয়ার এবং নগদ ৫০ টাকা পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৭ মার্চ সকাল ১১টায় হোটেল শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে প্রাইম ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৩ মার্চ রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী গত বছর প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৫৬ টাকা। গত বছর প্রাইম ব্যাংক শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ হারে বোনাস এবং ১০ শতাংশ হারে নগদ শেয়ার দিয়েছিল।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/19/2011 12:06 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
এক সপ্তাহে বাজার মূলধন কমেছে ২৩ হাজার কোটি টাকা
পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে নানামুখী পদক্ষেপ


এমএম মাসুদ
Sangbad
20.02.2011


শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপে সপ্তাহের শেষদিকে ঘুরে দাঁড়ায় দেশের প্রধান দুই স্টক মার্কেট। টানা দরপতনের পর কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যদিয়ে লেনদেন শেষ হওয়ায় আস্থা ফিরে আসে বিনিয়োগকারীদের। তবে সপ্তাহের প্রথম দু'দিন বাজার ছিল ব্যাপক অস্থির। সব মিলিয়ে গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা। মূল্যসূচক কমেছে ৬০০ পয়েন্ট। বাজারে ব্যাপক দরপতন হওয়ায় পুঁজি হারানোর ক্ষোভে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা সারাদেশে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগি্নসংযোগ করেছে। ভাঙচুর চলাকালীন সময় ডিএসইর সামনে থেকে ৬০ জন বিনিয়োগকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
এদিকে সমপ্রতি সিকিউরিটিজ আইন ভঙের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সঞ্জের (ডিএসই) সদস্য ১৮টি ব্রোকারেজ হাউজকে ৩১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
এদিকে গত ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় সূচকের ধারাবাহিক পতন। পতনের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও থেকে ফোর্স সেলের মাধ্যমে ঋণের টাকা তুলে নেয় মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো। এতে দরপতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এছাড়া পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকার মিউচুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে দুই ধাপে ৪০০ কোটি টাকা এবং আইসিবিকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে ৬০০ কোটি টাকার তহবিল দেয়। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক সোনালী, রূপালী, জনতা এবং অগ্রণী ব্যাংককে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের অনুমতি দেয় সরকার। এর প্রভাবে গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস মঙ্গলবার বাজারে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে তিনদিনে ডিএসইতে ২ হাজার ৬৮ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৬৮৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে ৫ দিনে ডিএসইতে ৩ হাজার ৩৩৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার ২৯ কোটি ১৯ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। প্রতিদিন গড়ে ৬৬৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছিল। এ হিসেবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ১ হাজার ২৭১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। তবে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন বেড়েছে ২১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।
সপ্তাহের শুরুতে অর্থাৎ রোববার ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ২ লাখ ৯৩ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার তা কমে ২ লাখ ৭১ হাজার ৪৯ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এ হিসাবে গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন আগের সপ্তাহের চেয়ে ২২ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকা কমেছে।
সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৬ হাজার ৫২৭ দশমিক ১৯ পয়েন্ট। সপ্তাহ শেষে তা কমে ৫ হাজার ৯২৬ দশমিক ৩৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এ হিসাবে মূল্যসূচক ৬০০ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট কমেছে। শতাংশের হিসাবে, যা ৯ দশমিক ২১ শতাংশ। লেনদেনে অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৮টির এবং কমেছে ২৫৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে যে কোম্পানির শেয়ার সবচেয়ে বেশি লেনদেনে হয়েছে সেগুলো হলো_ ন্যাশনাল ব্যাংক ৯৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা, বেক্সিমকো লিমিটেড ৮৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ৭৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, পিপলস লিজিং এন্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ৭৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, তিতাস গ্যাস ৭১ কোটি ৫ লাখ টাকা, গ্রামীণফোন ৬৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, সাউথইস্ট ব্যাংক ৪৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, বে-লিজিং এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ৪৫ কোটি ০৩ লাখ টাকা, প্রাইম ব্যাংক ৪১ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং এবি ব্যাংকের ৪০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। ডিএসইতে গত সপ্তাহে যেসব কোম্পানির শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেড়েছে সেগুলো হলো_ ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এন্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, চতুর্থ আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, মুন্নু জুটেক্স, সপ্তম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, প্রথম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, তৃতীয় আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ২৫ শতাংশ কনভারটেবল বন্ড। অন্যদিকে যেসব কোম্পানির শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি কমেছে সেগুলো হলো_ ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আরএকে সিরামিকস, সিএমসি কামাল, লিগেসি ফুটওয়্যার, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক, জিকিউ বলপেন, সাভার রি-ফ্যাক্টরিজ, সমতা লেদার কমপ্লেক্স, এসিআই বন্ড এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক।
এদিকে সমপ্রতি সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সঞ্জের (ডিএসই) সদস্য ১৮টি ব্রোকারেজ হাউজকে ৩১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এর মধ্যে চলতি সপ্তাহে ১২টি এবং এর আগের সপ্তাহে ৬টি ব্রোকারেজ হাউজকে জরিমানার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে এসইসি। বিধি ভঙ্গ করে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন, গ্রাহকদের পোর্টফোলিও্থর শেয়ার অনুমতি ছাড়াই বিক্রিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ডিসেম্বর মাসে এসইসি্থর পক্ষ থেকে ব্রোকারেজ হাউজ পরিদর্শনকালে এসেঞ্জ সিকিউরিটিজের গ্রাহকদের জমা দেয়া অর্থ ও শেয়ার লেনদেনে অসামঞ্জস্যতা চিহ্নিত হয়। পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ বিষয়টি তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গ্রাহকদের টাকায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পোর্টফোলিওতে শেয়ার কেনার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ বিষয় এসেঞ্জ সিকিউরিটিজের কর্মকর্তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য জানুয়ারির প্রথমদিকে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দেয়া বক্তব্য গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় কমিশন সভায় এসেঞ্জ সিকিউরিটিজকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ডিএসই্থর পরিচালক লাইলুন নাহার একরাম এ প্রতিষ্ঠানটির মালিক।
অন্যদিকে অস্বাভাবিক দরে চিটাগাং ভেজিটেবলের শেয়ার লেনদেনে সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মোট ৯টি ব্রোকারেজ হাউজকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এনবিএল সিকিউরিটিজ, শাহ মোহাম্মদ সগীর সিকিউরিটিজ, ট্রাস্টি সিকিউরিটিজ, সাব-ভ্যালি সিকিউরিটিজ, এইচএসি (হ্যাক) সিকিউরিটিজ, এবিএস সাফদার এন্ড কোং, আজম সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ ও আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ। এছাড়া শেয়ার লেনদেনে বিধিভঙ্গ করায় ওয়েস্টার্ন সিকিউরিটিজকে ৫ লাখ টাকা, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড সিকিউরিটিজ, বালি সিকিউরিটিজ, এরেনা সিকিউরিটিজ, মুনতাহা সিকিউরিটিজ, সাদ সিকিউরিটিজ, এমএএইচ সিকিউরিটিজ ও এম সিকিউরিটিজকে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। তবে এসব হাউজের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/19/2011 12:07 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজার স্থিতিশীল করতে মিউচুয়াল ফান্ডের ওপর নির্ভরশীল হতেই হবে

অর্থনৈতিক বার্তা পরবেশক
Sangbad
20.02.2011


শেয়ারবাজারের সংকট যেন কাটছে না। শেয়ারবাজার এ মুহূর্তের সংকট হলো আস্থার সংকট। সেই সঙ্গে অর্থের সংকট। আস্থার সংকট শুরু হয়েছে ডিএসই মূল্যসূচক যখন দু'দিনে ১২০০ পয়েন্ট পড়ে যায়। আবার পরে একদিনেই ১ হাজার পয়েন্ট উঠলেও তা দাঁড়াতে পারেনি। বাজার পড়তে থাকে আর মূল্যসূচক সাড়ে পাঁচ হাজারে নেমে আসে। অর্থমন্ত্রীসহ সরকারের নীতিনির্ধারকরা একের পর এক সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন আর পাল্টাচ্ছেন। কিন্তু সেভাবে ফল বয়ে আনছে না। আসলে শেয়ারবাজারে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সে কারণে বাজারও ঠিকমতো আচরণ করছে না। যখন বাড়ছে তখন এক নাগারে সব শেয়ারের দাম বাড়ছে, আবার যখন কমছে তখন এক নাগারে সব শেয়ারের দাম কমছে।
গত শুক্রবার মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী বিরক্তির সঙ্গে বলেছেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে অনিচ্ছা সত্ত্বেও সরকারকে শেয়ার কিনতে হচ্ছে। কিন্তু সত্যিই কী তাই? সরকার নিজে তো কোন শেয়ার খরিদ করছে না। নতুন একটি মিউচুয়াল ফান্ড গঠন করে আর আইসিবিকে সরকার টাকা ধার দিয়েছে শেয়ার খরিদ করে বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য।
শেয়ারবাজারে মূল্য সংশোধনের পর এখন বেশিরভাগ শেয়ারের দাম মোটামুটি এমন পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে একটি বিনিয়োগ অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অবশ্য এখনো অনেক শেয়ার যেমন অতিমূল্যায়িত রয়েছে, তেমনি অনেক শেয়ারের দাম কমতে কমতে একেবারে সর্বনিম্ন অবস্থানে চলে এসেছে। এগুলো হচ্ছে কিছু বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজার সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণার অভাবে। তারা বিভিন্ন মহলের আচরণে বিভ্রান্ত হয়ে যেনতেন প্রকারে এখান থেকে চলে যেতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। তার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে। একথা তারা বুঝছে না যে, তাদের বিক্রি করা শেয়ার কেউ না কেউ কিনে নিচ্ছে। যারা কিনছেন তারা নিশ্চয়ই একেবারে নির্বোধ নয়। যখন মূল্যসূচক ৯ হাজার উঠেছিল তখনো শেয়ারবাজারে অনেক ভালো শেয়ারের দাম ৩ হাজার সূচকের দামের নিচে অবস্থান করছিল। এবারের শেয়ারবাজারে বাজার সিন্ডিকেট তথা গ্যাম্বলারদের প্রভাব এমন ছিল যে, ওই গ্যাম্বলাররা না চাইলে কোন শেয়ারের দাম একবিন্দু বাড়েনি; বরং কমেছে। কিছু কিছু শেয়ারের দাম তো নেট এসেট ভ্যালুর নিচে নেমে এসেছে। একটি সুস্থ শেয়ারবাজারের প্রাণ হলো মিউচুয়াল ফান্ড। অথচ এসব বাজার খেলোয়াড়দের নেতিবাচক তৎপরতার কারণে বিনিয়োগকারীরা এগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে রেখেছে। বাজার খেলোয়াড়দের এ কাজে ইন্ধন যুগিয়েছে এসইসি। কিন্তু বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারের বিপদের দিনে মিউচুয়াল ফান্ডগুলোই এগিয়ে আসে ত্রানকর্তা হিসেবে। পার্শ্ববর্তী ভারতের উদাহরণ আমাদের সামনে রয়েছে।
আমাদের শেয়ারবাজারের এ পরিস্থিতিতেও মিউচুয়াল ফান্ডগুলো যে ভূমিকা রাখতে পারবে সেই বোধ হয়েছে কর্তা ব্যক্তিদের। তারা সম্প্রতি কয়েকটি সরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় ৫০০ কোটি টাকার একটি মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু এই ৫০০ কোটি টাকা তো চাহিদার তুলনায় অতি নগণ্য। তারপর এর ব্যবস্থাপকরা যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে অর্থাৎ বুঝে শেয়ার খরিদ না করে তবে লোকসান গুনতে হবে; তাতে হিতেবিপরীত হবে। নতুন এই প্রতিষ্ঠানটির সফলতার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। এটি সফল হলে সরকারি-বেসরকারি আরও নতুন নতুন মিউচুয়াল ফান্ড হবে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বেসরকারি মিউচুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তাদের ইকুইটি অংশের টাকা দিয়ে শেয়ার কেনার অনুমতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু পাবলিক অংশের শেয়ার তো আইপিও ছেড়ে বাজারে বিক্রি করতে হবে। কিন্তু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা অনেক কমে গিয়েছে মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর ওপর থেকে। তার প্রতিফলন ঘটছে বাজারে থাকা মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর শেয়ার মূল্যে। বিনিয়োগকারীদের নতুন সব মিউচুয়াল ফান্ডের প্রতি আকৃষ্ট করতে হলে বিদ্যমান মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর ওপর আস্থা ফেরাতে হবে সবার আগে। এর জন্য বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে নীতিনির্ধারকদের। বিশেষ করে ক্লোজ এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর জন্য সুস্পষ্ট ডিভিডেন্ড নীতিমালা ঘোষণা করতে হবে। ডিভিডেন্ড নীতিমালায় বর্তমানে যেসব ফাঁকফোকর আছে সেগুলো বন্ধ করতে হবে। ক্লোজ এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডগুলো যাতে বার্ষিক নিট আয়ের কমপক্ষে ৮০ শতাংশ ডিভিডি প্রদান করে তার নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে। সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলকেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
শেয়ারবাজারে বর্তমানে অর্থ সংকট প্রকট। ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো জোর করে শেয়ার খরিদে বাধ্য করা যাবে না যতক্ষণ না তারা নিজেরা শেয়ার কিনতে আগ্রহী হয়। শেয়ারবাজারের নিয়মিত বিনিয়োগকারী ও মিউচুয়াল ফান্ডগুলোই বিচার বিবেচনা করে এখন শেয়ার খরিদ করছে। কিন্তু তাদের ক্রয়ক্ষমতাও সীমিত। শেয়ারবাজারে বাই প্রেসার-সেল প্রেসারের বিষয়টি সবার জানা আছে। কিন্তু ১১টা থেকে ৩টা অর্থাৎ ৪ ঘণ্টার সেল প্রেসার থাকলেও সেই অনুপাতে এত দীর্ঘ সময় ্বাই প্রেসার ধরে রাখা এদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। সে কারণে দিনের শুরুতে কেনাবেচা স্বাভাবিক থাকলেও শেষদিকে এসে মূল্য পতন ঘটছে। এই অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে ট্রেডিং আওয়ার ৩ ঘণ্টা অর্থাৎ বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত করা দরকার। অবস্থার উন্নতি হলে এটি আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখতে পারেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/19/2011 3:35 pm

Forum Addict


Regist.: 12/31/2010
Topics: 14
Posts: 92
OFFLINE
বুদ্ধিমান লগ্নিকারকরা এখনই শেয়ার কিনবেনঃ সালমান এফ রহমান

চারদিন বন্ধের পর আজ পুঁজিবাজার খুলছে
আমাদের সময়, ২০.০২.২০১১


আবু আলীঃ

চারদিন বন্ধ থাকার পর আজ একদিনের জন্য পুঁজিবাজার খুলছে। ২১ফেব্রুয়ারি থাকায় সোমবার পুঁজিবাজার বন্ধ থাকবে। মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিকভাবে পুঁজিবাজারে কেনাবেচা চলবে। গত সপ্তাহে সূচক বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে কেনাবেচা শেষ হয়েছিল। আশা করা হচ্ছে আজও বাজার ইতিবাচক থাকবে।

পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকার গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক সোনালী, অগ্রণী, জনতা ও রূপালী ব্যাংককে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) ২০০ কোটি টাকার তহবিল জোগান দেয়। এ ছাড়া এসইসি’র অনুমোদন দেয়া ১১টি মিউচুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের বিনিয়োগের মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকা জোগান দেয়া হবে। সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপে গত মঙ্গলবার পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বগতি ফিরে পায়। বাজার নিয়ে সরকারের এধরনের সিদ্ধান্তেô সাধারণ লগ্নিকারকরাও ধীরে ধীরে আস্থা ফিরে পান বাজারের ওপর। লগ্নিকারক ও বাজার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কিছুদিন বাজার এরকমভাবে চললে লগ্নিকারকদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে। যারা বাজারে লগ্নি করতে চান তাদের জন্য এখনই উপযুক্ত সময়।

সাবেক অর্থ উপদেষ্টা এবি মির্জা আজিজুল ইসলামের মতে, বাজারে এখনো একশ’র ওপর কোম্পানি রয়েছে যেগুলোর শেয়ার কেনা যায়। আমি হলে এখনই শেয়ার কিনতাম।

বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সালমান এফ রহমান বলেন, মিথ্যা গুজবে কান না দিয়ে পিই রেশিও কম এমন শেয়ারে বিনিয়োগ করার এখনই উপযুক্ত সময়। বুদ্ধিমান ক্রেতারা বাজার থেকে এখন শেয়ার কিনবেন।

ডিএসই’র প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, এ মুহূর্তে অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমে এসেছে। তাই এখন শেয়ার কিনলে ক্ষতির আশঙ্কা কম। এ ছাড়া বর্তমানে বাজারের মূল্য-আয় অনুপাত অনেকটা বাজার সহায়ক।

বিশ্বজিৎ দত্ত
Quote   
Page 39 / 40 1 - 2 - 3 - 4 - 5 - 6 - 7... - 33 - 34 - 35 - 36 - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview