| 01/10/2011 1:20 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এমএলএম প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকুন: কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ঢাকা, ৯ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) প্রতিষ্ঠানের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমপ্রতি এমএলএম ব্যবসায়ী পরিচয়ে কিছু প্রতিষ্ঠান মাসিক ১০ শতাংশ বা তারও বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে সরল বিশ্বাসী জনসাধারণের কাছ থেকে প্রতারণামূলকভাবে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করছে। এসব সংগৃহীত অর্থ বিদেশে স্বর্ণ বা বৈদেশিক মুদ্রা ইত্যাদি ক্রয় করে জমা রাখা বা ব্যবসায়িক লেনদেনে ব্যবহার হচ্ছে বলে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দ্বারা বা প্রতিনিধিদের আয়োজিত ছোট ছোট সভায় প্রচারণা দ্বারা সাধারণ জনগণকে প্রলুব্ধ করছে।
এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে, বস্তুত বাংলাদেশে সংগৃহীত তহবিল বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশে স্থানান্তর বা বিনিয়োগ বৈদেশিক মুদ্রা আইন ১৯৪৭-এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পাশাপাশি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০৯-এর আওতায়ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এসব প্রতিষ্ঠানের একটির লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক মানি লন্ডারিং আইন ২০০৯-এর আওতায় স্থগিত করা হয়েছিল এবং কোনো কোনোটির বিরুদ্ধে দুদক কর্তৃক আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন নামে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। এদের কোনো একটির হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংক বা দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক অবরুদ্ধ করা হলেই এরা নতুন নামে ভিন্ন এলাকায় একই ধরনের কার্যক্রম শুরু করে। অবাস্তব উচ্চ মুনাফার লোভে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। এ কারণে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সাথে লেনদেনে সতর্ক থাকার জন্য জনসাধারণকে পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসএইচ/ এনএম/ এসসি/২০.৪৭ ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:21 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে ৯৬ সালের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না: অর্থমন্ত্রী
ঢাকা, ৯ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
পুঁজিবাজারে ১৯৯৬ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। রোববার সন্ধ্যায় সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দেশের শেয়ারবাজারের ব্যপ্তি অনেক বেড়েছে। বর্তমানে এখানে প্রায় ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী রয়েছে। খুব সহজেই এখানে ধস নামানো যাবে না। তবে দেশের শেয়ারবাজারকে স্থিতিশীল ও টেকসই করতে হলে বিনিয়োগকারীদের আরও ধৈর্যশীল হতে হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, সরকার তাদের সঙ্গে আছে। তারা যাতে টিকে থাকতে পারে, অবশ্যই সে ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারের দর যখন বাড়ে, তখন কেউ মিষ্টি বিতরণ করে না। কিন্তু দাম কমলেই রাস্তায় নেমে ভাঙচুর করা হয়। গত কয়েক দিনে যেভাবে ভাঙচুর করা হয়েছে- তা স্বাভাবিকতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সরকার এ ধরনের আচরণ সহ্য করবে না।
শেয়ারবাজারে অস্থিতিশীলতার পেছনে কিছু প্রতিষ্ঠানের কারসাজি যুক্ত রয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, কিছু লোক ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। নিজেদের স্বার্থে বাজারে ভীতি ছড়ায়। ইউনিপে টু ইউসহ তিনটি প্রতিষ্ঠান অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে। তাদেরকে যথাযথ শিক্ষা দেয়া হবে।
পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত বৃহস্পতিবার দরপতনের পরই পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এর প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই এসইসি মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা তুলে নিয়েছে। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের মনোবল ফেরাতে বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক রেপোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে অর্থ যোগান দিয়েছে।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজার থেকে মুনাফা পেতে হলে বিনিয়োগকারীদের অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করতে হবে। ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে তো মুনাফা পেতে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়। তাহলে শেয়ারবাজার থেকে আজ ১০ টাকা বিনিয়োগ করে কালই কেন ১৫ টাকা পাওয়ার আশা করবেন?
তিনি বলেন, গত দু'বছরে আমরা একটা অসাধারণ অবস্থার মধ্যে আছি। শেয়ারবাজারের সূচক এ সময়ের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার পয়েন্ট বেড়ে গেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অল্প সময়ে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা বেশি থাকায় বাজারে স্থিতিশীলতা আসছে না। অধিকাংশের মধ্যেই শেয়ার ধরে রাখার প্রবণতা নেই। বাজারকে স্থিতিশীল করতে হলে শেয়ার ধরে রাখতে হবে। তবে স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম বিন্যস্তকরণ (ডি-মিউচ্যুয়ালাইজেশন) ছাড়া বাজার স্থিতিশীল হবে না বলেও অর্থমন্ত্রী মন্তব্য করেন।
বিনিয়োগকারীদের প্রতি মৌলভিত্তি দেখে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, তাদেরকে হিসাব করতে হবে- বিনিয়োগের অর্থ কত বছরে ফেরত পাওয়া যাবে। শেয়ারের বাজার মূল্য ও প্রকৃত আয় (পিই) অনুপাত দেখে বিনিয়োগ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, দেশের শেয়ারবাজার অনেক সম্প্রসারিত হয়েছে। তবে সে অনুযায়ী ভালো শেয়ারের সরবরাহ নেই। সরকার শেয়ার সরবরাহ বাড়ানোর জন্য কাজ করছে।
তিনি বলেন, মূল্য সংশোধনের মাধ্যমে বাজার স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের সাময়িকভাবে সমস্যা হলেও দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার লক্ষ্য একটি লাগসই শেয়ারবাজার। বাজারকে যৌক্তিক ও সঙ্গতিপূর্ণ অবস্থানে রাখতে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে ইতিমধ্যেই বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। একক গ্রাহকের জন্য মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের মার্জিন ঋণ প্রদানে ১০ কোটি টাকার সর্বোচ্চ সীমা তুলে নেয়া হয়েছে। নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ দিনের মধ্যে ঋণ পাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রামীণফোনের শেয়ার লেনদেনে নেটিং সুবিধা চালু করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী বলেন, মুদ্রাবাজারে তারল্য সংকট রয়েছে- এ তথ্য সঠিক নয়। সিআরআর বাড়িয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ২ হাজার কোটি টাকা জমা নিলেও এর বিপরীতে রেপোর মাধ্যমে প্রতিদিন ৬ হাজার কোটি টাকা যোগান দেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের দিকে দৃষ্টি রেখে রোববার দেয়া হয়েছে ৭ হাজার কোটি টাকা। ফলে তারল্যের অভাব রয়েছে- এ কথা কোনোভাবেই সত্য নয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/২১.০০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:22 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পতন থামেনি পুঁজিবাজারে, উত্তেজনা
ঢাকা, জানুয়ারি ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
ঢাকার পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত আছে। সোমবার লেনদেন শুরুর প্রথম ৫৫ মিনিটে আগের দিনের রেকর্ড ভেঙে মূল্যসূচক পড়ে যায় ৬৬০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট।
ওদিকে ডিএসইর সামনে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক র্যাব-পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে।
দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলেও বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত কেউ রাস্তায় নামেনি।
তবে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজ থেকে তারা পুলিশকে লক্ষ করে পানির বোতল, ঝাড়– ও ইট-পাটকেল নিক্ষপ করছেন। ডিএসইর সামনের রাস্তায়
এর আগে ঢাকার পুঁজিবাজারে রোববার একদিনে সর্বোচ্চ দরপতনের রেকর্ড হয়। সাধারণ সূচক কমে ৬০০ পয়েন্ট। তবে প্রায় সব শেয়ারের দাম কমলেও বাড়ে লেনদেন।
গত বছরের শেষ থেকেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠে ডিএসই। গত ১৯ ডিসেম্বর ডিএসই সাধারণ সূচক একদিনে ৫৫১ পয়েন্ট কমে যায়। গত ১২ ডিসেম্বর কমে ২৮৫ পয়েন্ট। গত ৬ নভেম্বর মূল্যসূচক কমে ২৩৩ পয়েন্ট।
বছরের শুরুতেও দরপতনের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। রোববারও দরপতন দিয়েই দিন শুরু করে ডিএসই, শেষে তা ১৯ নভেম্বরের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সাধারণ সূচক দাঁড়ায় ৭১৩৫ দশমিক ০২, যা দিনের শুরুর চেয়ে ৬০০ দশমিক ২১ পয়েন্ট বা ৭ দশমিক ৭ শতাংশ কম।
এদিন মোট ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ২৪১টির দামই কমে, বাড়ে বাকি ৩টির।
সূচক ও দাম কমে গেলেও শেয়ার কেনার প্রবণতার কারণে লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে যায়। পুরো দিনে ১ হাজার ৩৩১ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এজে/কেএমএস/১১৫৮ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:23 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | মতিঝিল-দিলখুশা রণক্ষেত্র
ঢাকা, জানুয়ারি ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
শেয়ারবাজারে দরপতনে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাজধানীর মতিঝিল ও দিলখুশার রাস্তায় নেমে এসেছে।
ফার্মগেট ও মিরপুর এবং চট্টগ্রামের আগ্রাবাদেও বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা। তারা সরকারবিরোধী শ্লোগান দিচ্ছে।
মতিঝিল এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যাব ও পুলিশ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনের রাস্তা থেকে বেধড়ক লাঠিপেটা করে সরিয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের।
লেনদেন বন্ধ করার সিদ্ধান্তের পর হাজার হাজার বিনিয়োগকারী ডিএসইর সামনেসহ আশপাশ এলাকার রাস্তায় নেমে আসে। এসময় পুরো মতিঝিল এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
এক পর্যায়ে র্যাব ও পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে। এতে চার সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ৯ জন আহত হয়।
দৈনিক বাংলার মোড় থেকে ওদিকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ করে দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
সোমবার লেনদেন শুরুর প্রথম ৫৫ মিনিটে আগের দিনের রেকর্ড ভেঙে মূল্যসূচক পড়ে যায় ৬৬০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট।
ডিএসইর সামনে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক র্যাব-পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে। (বিস্তারিত আসছে)।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এসআইটি/এজে/কেএমএস/১২১৪ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:24 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ
ঢাকা, জানুয়ারি ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
দরপতন অব্যাহত থাকায় সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরুর প্রথম ৫৫ মিনিটে আগের দিনের রেকর্ড ভেঙে মূল্যসূচক পড়ে যায় ৬৬০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট।
ওদিকে ডিএসইর সামনে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক র্যাব-পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে। (বিস্তারিত আসছে)।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এজে/১২০৬ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:25 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পতন থামেনি পুঁজিবাজারে, উত্তেজনা
ঢাকা, জানুয়ারি ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-
ঢাকার পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত আছে। সোমবার লেনদেন শুরুর প্রথম ৫৫ মিনিটে আগের দিনের রেকর্ড ভেঙে মূল্যসূচক পড়ে যায় ৬৬০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট।
ওদিকে ডিএসইর সামনে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক র্যাব-পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে।
দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলেও বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত কেউ রাস্তায় নামেনি।
তবে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজ থেকে তারা পুলিশকে লক্ষ করে পানির বোতল, ঝাড়– ও ইট-পাটকেল নিক্ষপ করছেন। ডিএসইর সামনের রাস্তায়
এর আগে ঢাকার পুঁজিবাজারে রোববার একদিনে সর্বোচ্চ দরপতনের রেকর্ড হয়। সাধারণ সূচক কমে ৬০০ পয়েন্ট। তবে প্রায় সব শেয়ারের দাম কমলেও বাড়ে লেনদেন।
গত বছরের শেষ থেকেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠে ডিএসই। গত ১৯ ডিসেম্বর ডিএসই সাধারণ সূচক একদিনে ৫৫১ পয়েন্ট কমে যায়। গত ১২ ডিসেম্বর কমে ২৮৫ পয়েন্ট। গত ৬ নভেম্বর মূল্যসূচক কমে ২৩৩ পয়েন্ট।
বছরের শুরুতেও দরপতনের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। রোববারও দরপতন দিয়েই দিন শুরু করে ডিএসই, শেষে তা ১৯ নভেম্বরের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সাধারণ সূচক দাঁড়ায় ৭১৩৫ দশমিক ০২, যা দিনের শুরুর চেয়ে ৬০০ দশমিক ২১ পয়েন্ট বা ৭ দশমিক ৭ শতাংশ কম।
এদিন মোট ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ২৪১টির দামই কমে, বাড়ে বাকি ৩টির।
সূচক ও দাম কমে গেলেও শেয়ার কেনার প্রবণতার কারণে লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে যায়। পুরো দিনে ১ হাজার ৩৩১ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এজে/কেএমএস/১১৫৮ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:27 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বিনিয়োগকারীরা রাজপথে
ঢাকা, জানুয়ারি ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
শেয়ারবাজারে দরপতনের কারণে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাজধানীর মতিঝিলে রাস্তায় নেমে এসেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যাব ও পুলিশ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনের রাস্তা থেকে বেধড়ক লাঠিপেটা করে সরিয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের। এ সময় তারা সরকারবিরোধী শ্লোগান দিচ্ছিলো।
লেনদেন বন্ধ করার সিদ্ধান্তের পর হাজার হাজার বিনিয়োগকারী ডিএসইর সামনেসহ আশপাশ এলাকার রাস্তায় নেমে আসে। এসময় পুরো মতিঝিল এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
এক পর্যায়ে র্যাব ও পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে। এতে চার সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ৯ জন আহত হয়।
দৈনিক বাংলার মোড় থেকে ওদিকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ করে দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
সোমবার লেনদেন শুরুর প্রথম ৫৫ মিনিটে আগের দিনের রেকর্ড ভেঙে মূল্যসূচক পড়ে যায় ৬৬০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট।
ডিএসইর সামনে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক র্যাব-পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসআইটি/এএএম/এজে/কেএমএস/১২১৪ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:28 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার শান্ত করতে সক্রিয় সরকার
ঢাকা, জানুয়ারি ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
একদিনের লেনদেনে সূচকের রেকর্ড পতনের পর অস্থিতিশীল পুঁজিবাজারকে শান্ত করার চেষ্টা হিসেবে 'পুরস্কার-তিরষ্কার কৌশল' নিয়েছে সরকার।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এক হাজার সাতশ কোটি টাকা মূল্যমানের আইপিও (ইনিশিয়াল পাবলিক শেয়ার) 'খুব শিগগিরই' বাজারে ছাড়া হবে।
অন্যদিকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিয অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিঋণের সীমা তুলে নিয়েছে। এই সীমা ছিলো ১০ কোটি টাকা।
বিও অ্যাকাউন্টধারীদের ঋণ নেয়ার সময়সীমা কমানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। বিও অ্যাকাউন্ট খোলার পর ৩০ দিনের বদলে ১৫ দিনে ঋণ নেওয়া যাবে।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী জানান, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের রক্ষায় তার ক্ষমতা অনুযায়ী সবই করবেন। অন্যদিকে শেয়ায়বাজারকে চাঙ্গা করতে এদিন সকালেই একাধিক সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, "বাজার যখন চাঙ্গা থাকে তখন কেউ মিষ্টি বিতরণ করে না। কিন্তু একটু নামলেই রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু হয়।"
"সরকার এটা মেনে নেবে না।"
রোববারের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিক ও এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারও ছিলেন।
এদিন সাধারণ সূচকের রেকর্ড ৬০০ পয়েন্ট পতন হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, "সূচক অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছিলো। ৮০০০ পয়েন্ট থেকে ২০০০ পয়েন্টে নেমে একে স্বাভাবিক হতে হবে।
"বাজার অস্বাভাবিক হয়ে উঠেছিলো। এখন এটি সংশোধনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।"
"কেউ কেউ মাছ শিকারের চেষ্টা করছে [ঘোলা পানিতে]। কেউ কেউ তাদের স্বার্থে বাজারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে," বলেন মুহিত।
তিনি বিনিয়োগকারীদের সাবধানে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন।
তারল্যে কোনো সংকট নেই
মশিউর রহমান বলেন, "শেয়ারবাজারের বৃদ্ধি আমাদের জাতীয় বৃদ্ধির হিসেবের সঙ্গে মেলে না।"
"বাজার বড় হয়েছে, কিন্তু মানুষ যতো কিনতে চায় সে পরিমাণ শেয়ার নেই।"
"শেয়ারের অভাব আছে। বাজার চলছে অনুমানের ওপর। যারা স্বাভাবিক লেনদেনে যুক্ত তাদের লোকসান হবে না," বলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা।
জিয়াউল হাসান বলেন, বাজারে তারল্য সংকট থাকার কথাটি ঠিক নয়।
"রেপো ও নগদ অর্থ সহায়তার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রোববার বাজারে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি সরবরাহ করেছে," বলেন জিয়াউল।
জিয়াউল হক খন্দকার জানান, এসইসি একটি স্থিতিশীল পুঁজিবাজার তৈরির চেষ্টা করছে এবং বিনিয়োগকারীদের সাবধানে বিনিয়োগ করা উচিত।
তিনি বলেন, "আমার ১০ কোটি টাকার বিনিয়োগ সীমা প্রত্যাহার করেছি এবং বাজারকে স্থিতিশীল করতে গ্রামীণফোনকে নেটিং পদ্ধতির আওতায় আনা হয়েছে।"
রাতারাতি লাভ নয়
অর্থমন্ত্র বলেন, "রাতারাতি লাভের আশা করবেন না। বাজারের অস্থিতিশীলতায় মানুষের অভ্যস্ত হওয়া উচিত।"
"কিছু মানুষ মনে করে বাজারের পড়তি অবস্থায় তারা লাভবান হতে পারে এবং শেয়ার কিনতে পারে সস্তায়; কিন্তু তা হবে না ," বলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত।
ওইভাবে শেয়ার কেনার চিন্তা কারা করে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
তিনি বলেন, "গভর্নর ও অন্য অংশীদারদের সঙ্গে আজ [রোববার] কথা বলেছি। আমার মনে হয় না বাজারে মারাত্মক কিছু ঘটবে।"
চট্টগ্রামভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইউনিপে২ এর বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
"প্রতিষ্ঠানটি এক সপ্তাহে দ্বিগুণ লাভ দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেয়," বলেন তিনি।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সাধারণ সূচক দাঁড়ায় ৭১৩৫ দশমিক ০২, যা দিনের শুরুর চেয়ে ৬০০ দশমিক ২১ পয়েন্ট বা ৭ দশমিক ৭ শতাংশ কম।
এদিন মোট ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৪১টির দামই কমেছে, বেড়েছে বাকি ৩টির।
সূচক ও দাম কমে গেলেও কেনার প্রবণতার কারণে শেয়ার লেনদেনের পরিমাণবেড়ে যায়। পুরো দিনে ১ হাজার ৩৩১ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।
ব্যাপক দরপতনের পরও আগের মতো কোনো ধরনের বিােভ দেখা যায়নি। গত সপ্তাহের বিােভের পর রোববার ডিএসই'র সামনে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক র্যাব-পুলিশ অবস্থান নেয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম /এসএসজেড/এমআর/এসএইচ/পিকেএস/বিডি/পিডি/০১৫৭ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:33 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ, বিক্ষোভ, লাঠিপেটা, আহত শতাধিক
জানুয়ারি ১০, ২০১১
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: ব্যাপক দরপতনের মুখে সোমবার ১২টার দিকে দেশের দুই পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এদিন লেনদেন শুরুর মাত্র ৫০ মিনিটের মধ্যে সাধারণ সূচক পড়ে যায় ৬১৭ পয়েন্ট, যা ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
ব্যাপক দরপতনের পর বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ, ভাঙচুর শুরু করলে পুলিশ তাদের বেধড়ক লাঠিপেটা করে। এতে শতাধিক আহত হয়েছেন বলে আমাদের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট গোলাম সামদানী ঘটনাস্থল থেকে জানিয়েছেন।
পুলিশের বেপরোয়া হামলা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সাংবাদিকরাও রেহাই পাননি। সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, কোনো ধরনের উস্কানি ছাড়াই ঠিক ১২টা ১৫ মিনিটে পুলিশ হঠাৎ সাংবাদিকদের লাঠিপেটা শুরু করে। এতে আমাদের অর্থনীতির মাসুদ, এবিসি রেডিওর সীমা ভৌমিক, শীর্ষ নিউজের মতুর্জা, প্রথম আলোর ওয়ারিসসহ সাত-আট জন সাংবাদিক আহত হন।
মাসুদের অবস্থা গুরুতর। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
লেনদেন বন্ধের ঘোষণা প্রসঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমরা বৈঠকে বসছি। সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে লেনদেন কতক্ষণ বন্ধ থাকবে, একঘণ্টা নাকি একদিন, না দুইদিন।’
এর আগে রোববার মূল্যসূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে যায়।
এছাড়াও পুলিশের লাঠিপেটায় ১০/১৫ জন বিনিয়োগকারীর মাথা ফেটে গিয়ে রক্ত বের হতে থাকে।
পুরো এলাকা জুড়ে চলছে আতঙ্কের পরিবেশ। বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ভবনের ছাদে উঠে পড়েছেন। এসব ভবনের মূল ফটক আটকে রাখায় তারা রাস্তায় বের হতে পারছেন না।
সর্বশেষ খবর পর্যন্ত পুলিশ ৪/৫ জনকে আটক করে নিয়ে যায়।
দুপুর ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত পর্যন্ত লেনদেন হওয়া ২২৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২১৯টির দরই ছিল নিম্নমুখি।
রোববার সাত হাজার ১৩৫ পয়েন্টে দিন শেষ করা এ সূচক দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৫১৭ পয়েন্টে। এ পর্যন্ত ৬০ হাজার ১৭৬ বারে তিন কোটি ৭০ হাজার ৮৬৬টি শেয়ার ও ইউনিট। লেনদেন হয় মোট ৩৯৯ কোটি ২৩ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।
বাংলাদেশ সময়: ১২১২২৯ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১০, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:44 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Historic plunge in stock prices
Benchmark index down by 20pc since Dec, 05
FE Report
10.01.2011
The benchmark index of the Dhaka Stock Exchange (DSE) suffered Sunday the steepest ever single-day fall in the bourse's history. The DGEN plunged by 600 points, and all indices fell nearly eight per cent amid panic-sale.
"The market plunged as investors gripped by panic started selling their stocks to avert further loss which pushed the market towards a massive correction," analysts said.
The previous biggest single day fall was 552 points or 6.72 percent on December 19 last year, when a section of investors turned violent and clashed with police on the streets.
Between December 05 and January 09 the benchmark index lost 1,783 points or 20 per cent from its all time high of 8,918.51 points.
The dramatic fall triggered by a combination of factors has rattled the investors' confidence, dealers said.
A large contingent of police and Rapid Action Battalion (RAB) were deployed in front of the DSE building since Sunday morning to avert any untoward incident.
Hundreds of investors tried to come to the street in front of the DSE building and stage demonstration Sunday but their bid was foiled by law enforcers.
Meanwhile, RAB detained a special correspondent of the daily Prothom Alo, Monjur Ahmed, at about 2.00pm while he was on his professional duty the DSE main building. But in the face of strong protests by the others journalists present he was released after 20 minutes.
The market opened on the day with a positive note, gaining more than 68 points in first five minutes, but it started declining following strong sale pressure from the investors.
The benchmark DSE General Index (DGEN) closed at 7135.02 with a loss of 600.20 points or 7.76 per cent beating the previous highest ever-single day fall of 552 points, recorded just 20 days beck.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) lost 494.41 points or 7.69 per cent to end at 5938.02, while the DSE 20 blue chip index shed 343.98 points or 7.09 per cent to end at 4504.55.
Almost all the scripts traded on the day fell. Only three issues gained while 241 declined. The three gainers on the day were Rahim Textile, Monno Jute Stafflers and Grameenphone.
"A big correction in share prices was widely predicted earlier by the analysts and the ongoing correction is a part of that", said Prof. Abu Ahmed, who teaches Economics at Dhaka University, said.
It is time for the institutional investors to play a bigger role and save the market from going downhill, he said.
"As the institutional investors play a vital role in the market they should come forward to save the market," Mr Ahmed said.
"Fund crisis and sale pressure have been dragging down the market," said Akter H Sannamat, managing director of Prime Finance and Investment.
Call money market yet to come at a sustainable level, the stock market would not be stable until the money market is soft, he added.
"SEC is trying its best to stablilise the market but the liquidity crunch remains a major hurdle. The SEC should sit with central bank, merchant banks and all others stakeholders and take a decision immediately to stabilise the market," Mr Sannamat said.
The investors have lost their confidence following the continuous fall of the market, he said.
"This is an unexpected correction," said Yewar Sayeed, managing director of AIMS of Bangladesh adding that the panicky general investors have lost their confidence and they are selling their stocks.
The liquidity crisis is also affecting the market, said Mr Sayeed, also chief executive officer of AIMS Bangladesh.
He also suggested the investors not to sell their stocks out of panic.
Earlier in the morning on Sunday, the Securities Exchange Commission (SEC) took some decisions to stabilize the market. But those virtually had no impact on the market.
SEC withdrew the single-client credit exposure of Tk 100 million, and reduced the time limit to 15 days from previous 30 days for new BO accountholders to be eligible for share credit. SEC also decided to allow Grameenphone netting facilities for the purchase of Grameenphone shares.
Shares of all the sectors experienced erosion in prices on the day except telecommunication as GP gained 1.84 per cent following the SEC decision.
Banking sector, the market bellwether, was one of the big losers on the day and went down by 8.25 per cent, and all the 30 banks lost on profit taking, dealers said.
General Insurance lost 10.88 per cent, life insurance 7.92 per cent, cement 7.38 per cent, non-banking financial institutions 6.81 per cent, fuel and power lost 6.64 per cent and pharmaceuticals 6.92 per cent.
The only positive outcome of Sunday's trading was the increase in turnover, which was Tk 13.3 billion, up by 37 per cent over the previous session.
Our Rajshahi Correspondent adds: Hundreds of agitated investors took out procession on Sunday in Rajshahi city protesting the massive price correction of stocks on the day. Trading at the ICB and other brokerage houses remained suspended for more than two and a half hours because of the investors' protest. A group of investors tried to ransack the ICB brokerage house but the police foiled their bid.
The angry investors at a protest meeting demanded resignation of heads of capital market and banking regulatory bodies. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:45 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | SEC takes steps to boost share prices
FE Report
10.01.2011
The securities regulator took a flurry of decisions Sunday including scrapping maximum loan limit for investors in an effort to boost liquidity in the stock market as shares plunged to their steepest single-day fall.
In an emergency meeting, convened amid plunging stock prices at the Dhaka Stock Exchange, the Securities and Exchange Commission repealed the 100 million taka loan cap it had imposed on a single investor.
The SEC allowed a new investor to enjoy margin loan facilities just 15 days after the opening of a beneficiary owner's account, halving the time limit, in a bid to channel fresh fund in the slippery-slope market.
The regulator also allowed netting facility for Grameenhone, which is the most weighted stock in the DSE, accounting for 15 per cent of the market capitalisation.
The move means an investor can now sell GP shares and buy another stock with the fund in a single day, instead of normal practice of three days.
SEC chairman Ziaul Haque Khondker said the measures were timely and taken to spur the market. Officials at the SEC said the latest decisions aimed at boosting new fund in the liquidity-crunched bourse.
"We hope things will stabilise after these measures," said an SEC official, adding that two of the decisions have been made effective from Sunday and the netting facility for GP from Monday.
The steps, which were taken in the opening hour of trading on Sunday, however failed to halt the market slide later in the day, as stocks nosedived 600 points to 7.76 per cent - the highest one-day fall ever.
Experts were critical of the latest moves, saying the measures came too late to the panic-driven market.
"The stock exchange plunged because of lack of confidence. Repealing the loan limit or allowing fresh investors to access margin loan quickly won't improve the situation," said Yawer Sayeed, a fund manager and expert.
Sayeed said after the SEC decisions the market rallied for a few minutes before losing steam in the closing hours. Out of 244 issues traded on the day, only three issues gained and the rest declined.
"These steps have all but proved ineffective and won't work in the long run because panic has already gripped retail investors," he said, adding under current situation investment with loan money will be a "highly risky".
"Besides, most institutional players won't have the ability to provide loan in line with SEC directive due to the fund crisis," said another analyst, adding "Who will even extend loan facilities to their clients in this crisis period?"
Experts urged the investors not to be carried away by rumours swirling the market and instead hold on to their fundamentally strong shares.
"Regulator's decision can not uphold the interest of the investors alone; investors need to be calculative in order to protect their own interest," said the analyst, speaking on condition of anonymity.
In the meeting, the SEC also deferred Initial Public Offering (IPO) of Salvo Chemical to February 16, from January 30. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:48 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে ধস বিক্ষোভে উত্তাল বিনিয়োগকারীরাস্থিতি ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, এসইসির তিন সিদ্ধান্ত
Kaler Kontho
10.01.2011
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ারবাজারে স্মরণকালের দরপতন দেখলেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী। গতকাল রবিবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জে চোখের সামনে মিনিটে মিনিটে শেয়ারের দাম কমার দৃশ্য দেখে তাঁরা হয়ে পড়েন হতবিহ্বল, ক্ষুব্ধ। ফলে ঢাকার বাইরে বড় শহরগুলোতে রাস্তায় নেমে আসেন বহু বিনিয়োগকারী। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাজশাহীতে ১০টি ব্রোকারেজ হাউসের শাখায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সিলেটে অসংখ্য বিনিয়োগকারী লেনদেন বন্ধ রাখেন। তাঁরা সমাবেশে ঘোষণা দিয়েছেন, এমনটি আজ সোমবারও চলতে থাকলে তাঁরা লেনদেন একেবারেই বর্জন করবেন।
গতকাল প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এক দিনেই শেয়ারের সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে প্রায় ৬০০ পয়েন্ট বা পৌনে ৮ শতাংশ। এটি এখন পর্যন্ত শেয়ারবাজারের ইতিহাসে এক দিনে সূচকের সর্বোচ্চ পতন। এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর এক দিনে ডিএসইর সাধারণ সূচক ৫৫২ পয়েন্ট বা ৭ শতাংশ কমেছিল।
শেয়ারবাজারের গত কয়েক দিনের দরপতনের ঘটনাকে ’৯৬ সালের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সময়কার পতনের চেয়ে ভয়াবহ উল্লেখ করেছেন অনেকে। ওই সময় সাত-আট মাসে ডিএসইর সূচক ৩ হাজার ৬০০ পয়েন্ট থেকে কমতে কমতে একপর্যায়ে ৪৬২ পয়েন্টে নেমে আসে। অবশ্য ১৯৯৬ সালের তুলনায় এখন বাজার অনেক বেশি বিস্তৃত। তালিকাভুক্ত কম্পানি ও বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও এখন বাজারে ’৯৬-এর তুলনায় অনেক বেশি। সূচকের গণনাও ’৯৬ সালের মতো না।
এদিকে, গত ৩ জানুয়ারি থেকে ধারাবাহিক দরপতনের শুরু। সেই থেকে গতকাল পর্যন্ত পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইর সাধারণ সূচক কমেছে ১১৬৯ পয়েন্ট। ৩ জানুয়ারি লেনদেনের শুরুতে ডিএসইর সূচক ছিল প্রায় ৮৩০৪ পয়েন্টে। গতকাল লেনদেন শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৭১৩৫ পয়েন্টে।
গতকালের দরপতনের ভয়াবহতা এতটাই ব্যাপক ছিল যে ঢাকার বাজারে লেনদেন হওয়া কম্পানিগুলোর মধ্যে তিনটি বাদে সবকটিরই দাম কমেছে। সকালের পর অনেক শেয়ারের কোনো ক্রেতাই ছিল না। বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতাশূন্যতায় ওই সব কম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে ধারাবাহিক দরপতনকে ঘিরে গত সপ্তাহের শেষ দুই দিন রাজধানীর মতিঝিলে বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক বিক্ষোভ করলেও গতকাল তেমন হয়নি। সকাল থেকেই ডিএসই ভবনের সামনের সড়কে পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সদস্য অবস্থান নেয়। বেশ কয়েকদফা বিনিয়োগকারীরা দরপতনের প্রতিবাদে ডিএসইর ভবনের সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। একপর্যায়ে কিছু বিনিয়োগকারী ডিএসই ভবনের সামনের সড়কে শুয়ে পড়েন। কিন্তু পাঁচ মিনিটের মধ্যে পুলিশ তাঁদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেন। এ সময় পুলিশ মামুন নামের এক বিনিয়োগকারীকে আটক করে। বিক্ষোভ না হলেও মতিঝিল পাড়ার অবস্থা ছিল কিছুটা থমথমে।
পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মধ্যেই ছিল দরপতনের আশঙ্কা। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) মধ্যেও ছিল উদ্বেগ। এ কারণে গতকাল লেনদেন শুরুর আগেই সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সকাল সাড়ে ৯টায় জরুরি বৈঠকে বসে এসইসি। সেই বৈঠকে পতন ঠেকাতে তিনটি সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার নিজেই সংবাদ মাধ্যমে বক্তব্য দেন। বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি। কিন্তু সেই আহ্বানও বেশ কিছুদিন ধরে আস্থার সংকটে ভুগতে থাকা বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে পারেনি। ফলে এর প্রভাব পড়তে থাকে বাজারে। কমতে থাকে শেয়ারের দাম। সেই সঙ্গে মূল্যসূচকও। চার ঘণ্টার লেনদেনকালীন মাঝেমধ্যে সূচকের পতনের ব্যবধান কমানোর দৃশ্য দেখা গেলেও সেটি ছিল সাময়িক। দিনের শেষভাগে সূচকের ভয়াবহ পতন ঘটতে থাকে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ : শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক এই পতন সরকারের মধ্যেও তোলপাড় সৃষ্টি করে। এ কারণে গতকাল মন্ত্রিসভা বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই পতন রোধে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অর্থমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন। বৈঠক সূত্র প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ব্যাংক ঋণের টাকা অবাধে যাতে পুঁজিবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ খাতে চলে যেতে না পারে সেজন্য ব্যাংক ঋণের খাত নির্দিষ্ট করে দেওয়ার কথা বলেছেন। তিনি এও বলেছেন, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এক শ্রেণীর মানুষ অধিক লাভের আশায় তা পুঁজিবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ করে লোকসানের মুখে পড়ছেন। তাই ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই এর খাত নির্দিষ্ট করে দেওয়া উচিত। বৈঠক সূত্রে এসব খবর জানা গেছে।
মুদ্রাবাজারে সৃষ্ট তারল্য সংকটের কারণে শেয়ারবাজারে দরপতন দেখা দিয়েছে-এমন বক্তব্য খণ্ডনের জন্য গতকাল বিকেলেই তারল্য পরিস্থিতি তুলে ধরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাজারচিত্র : গতকাল লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৭৭৩৫ পয়েন্টে। ওখান থেকেই শুরু হয় গতকালের লেনদেন। লেনদেন শুরুর প্রথম ১০ মিনিটে সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৬৮ পয়েন্ট বেড়ে ৭৩০৮ পয়েন্টে ওঠে। এরপর শুরু হয় দরপতন। শেয়ারের দামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মিনিটে মিনিটে কমতে থাকে ডিএসইর সাধারণ সূচকও। দিনের একপর্যায়ে সূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৭৬ পয়েন্ট কমে সর্বনিু ৭৫৯ পয়েন্টে নেমে আসে। তবে দিনশেষে সূচক কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়ে ৭১৩৫ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে গতকাল মোট ২৪৪ কম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। তার মধ্যে মাত্র তিনটি বাদে সবটির দাম কমেছে।
ইতিহাসের এই ভয়াবহ দরপতনের দিনে কিছুটা শুভ ইঙ্গিত ছিল লেনদেনে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মাত্র ৯৭০ কোটি টাকা। এটি ছিল গত আট মাসের মধ্যে সর্বনিু লেনদেন। গতকাল সেটি বেশ খানিকটা বেড়েছে। রবিবার দিনশেষে ঢাকার বাজারে এক হাজার ৩৩১ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। আগের দিনের চেয়ে যা ৩৬১ কোটি টাকা বেশি। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শঙ্কিত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় লেনদেনও কিছুটা বেড়েছে। একদল ভয়ে শেয়ার বিক্রি করেছেন আর একদল কিনেছেন। লেনদেন বাড়াকে বাজারসংশ্লিষ্টরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
এসইসির তিন সিদ্ধান্ত : সকাল সাড়ে ৯টায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি ও মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে এসইসি। বৈঠক থেকে নেতাদের কয়েকটি সুপারিশ গ্রহণ করে এসইসি। এই সুপারিশ অনুযায়ী ১০ কোটি টাকার ওপরের বিও হিসাবধারীদের বিনিয়োগে মার্জিন ঋণসুবিধা বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে ১০ কোটি টাকার ওপরের বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ক্রয়ে ঋণসুুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে নতুন বিও হিসাবধারীদের জন্য হিসাব খোলার প্রথম ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত ঋণসুবিধা বন্ধের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ১৫ দিন করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে নতুন বিনিয়োগকারীরা ১৫ দিনের মধ্যে ঋণসুবিধা পাবেন। এ ছাড়া গ্রামীণফোনের শেয়ার ক্রয়ে আর্থিক সমন্বয় সুবিধা (নেটিং সুবিধা) দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে যেকোনো শেয়ার বিক্রি করে গ্রামীণফোনের শেয়ার কিনতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। আগে গ্রামীণফোনের শেয়ার বিক্রি করে অন্য শেয়ার কেনার সুযোগ ছিল। কিন্তু অন্য কম্পানির শেয়ার বিক্রি করে গ্রামীণফোনের শেয়ার কেনার সুযোগ ছিল না।
সাংবাদিক আটক : বেলা সোয়া ২টার দিকে দায়িত্ব পালনরত র্যাবের একটি টিম ডিএসই ভবনের দ্বিতীয়তলায় সাবেক সভাপতি আবদুল হকের রুম থেকে প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিবেদক মঞ্জুর আহমেদকে আটক করে। এ ঘটনায় উপস্থিত বিক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা রাস্তায় বসে পড়েন। এর আধা ঘণ্টা পর র্যাব তাঁকে ছেড়ে দেয়। মঞ্জুর আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, তিনি ওই সময় বাথরুম থেকে বেরিয়ে শোরগোল দেখার জন্য নিচে উঁকি মারেন। এর অল্প সময় পর নিচ থেকে র্যাব এসে তাঁকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে গাড়িতে আটকে রাখে।
চট্টগ্রাম : গত বছরের ১৯ ডিসেম্বরকে ধরা হতো ’৯৬ পরবর্তী শেয়ারবাজারের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়কর দিন। কিন্তু গতকালের চট্টগ্রাম পুঁজিবাজারে লেনদেন সে বিপর্যয়কেও ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এক দিনেই সার্বিক সূচকের পতন ঘটেছে ১৩৯৫ পয়েন্ট। আর দরপতনের তালিকায় ছিল লেনদেন হওয়া শেয়ারের প্রায় ৯৯ শতাংশ। কিন্তু এর মধ্যেও বেড়েছে শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ। আতঙ্কের কারণে বিক্রির চাপ বাড়ায় এমনটি হয়েছে বলে মনে করছেন শেয়ারবিশেষজ্ঞরা।
সিএসইতে গতকাল ১৯০টি কম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র তিনটি কম্পানির। চট্টগ্রাম পুঁজিবাজারে গতকাল প্রায় ১৫৫ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের লেনদেনের চেয়ে ৬০ কোটি টাকা বেশি। এদিন শেয়ার লেনদেন হয়েছে এক কোটি সাড়ে ২৬ লাখ। বৃহস্পতিবারের চেয়েও প্রায় ৪৪ লাখ বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে গতকাল। শেয়ারবিপর্যয়ের দিনে লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়াকে অশনি সংকেত হিসেবে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
গত ১৯ ডিসেম্বর সিএসইতে সার্বিক সূচক ১৩৮৩ পয়েন্ট কমেছিল। গতকাল সেটাকে ছাড়িয়ে সূচক পড়েছে ১৩৯৫ পয়েন্ট। বিশ্লেষকদের মতে ১৯৯৬ সালের মহাবিপর্যয়েও এক দিনে সূচকের এত পতন হয়নি।
আর পতনের তালিকায় ছিল বাকি ১৮৭টি শেয়ার। সাধারণ সূচক ১৪৫৪ পয়েন্ট কমে গতকাল ১৩২৯৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বাজার মূলধনও এক দিনে ১৮ হাজার কোটি টাকা কমে গতকাল দুই লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
সিএসইতে গতকাল দাম বাড়ার তালিকায় থাকা ভাগ্যবান শেয়ার তিনটি হলো-বার্জার পেইন্ট, গ্রামীণফোন ও এসিআই জিরো কুপন বন্ড।
রাজশাহী : দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীরা নগরীতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করে। নগরীর সাহেববাজার আইসিবির (ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ) কার্যালয়ের সামনে থেকে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। অব্যাহত দরপতনের জন্য এসইসি চেয়ারম্যানকে দায়ী করে তাঁর পদত্যাগ চাওয়া হয় বিক্ষোভ-সমাবেশে। পরে বিনিয়োগকারীরা আইসিবিসহ শহরের ১০টি ব্রোকারেজ হাউসে তালা ঝুলিয়ে দেন। ফলে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
সিলেট : দরপতনের প্রতিবাদে গতকাল দুপুরে সিলেটের অসংখ্য বিনিয়োগকারী রাজপথে নেমে আসেন। করেন প্রতিবাদ সভা। সভায় ঘোষণা দেওয়া হয় বাজার স্থিতিশীল না হলে আজ সোমবার থেকে সিলেটের ব্রোকার হাউসগুলোতে কেউ লেনদেন করবেন না। এর আগে বিভিন্ন ব্রোকার হাউসগুলোতে গিয়ে অনেক বিনিয়োগকারী লেনদেন বন্ধ করার আহ্বান জানালে অন্যরা সম্মত হন। এরপর দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা সব ব্রোকার হাউসে লেনদেন বন্ধ থাকে।
বগুড়া : শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে বগুড়ার বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও সড়ক অবেরোধ করেন। বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এসইসি ও ডিএসই প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
খুলনা : দরপতনে বিক্ষুব্ধ হয়ে বিনিয়োগকারীরা নগরীর শিল্প ব্যাংকের সামনে জমায়েত হয়ে সব রকম যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:49 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দরপতনে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভঅভিযোগের আঙুল ডিএসই, এসইসি ও অর্থমন্ত্রীর দিকে বাণিজ্য ডেস্ক
Kaler Kontho
10.01.2011
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে গতকাল ছিল এক দুর্বিষহ দিন। গতকাল প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৬০০ পয়েন্ট বা ৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং ডিএসআই সার্বিক সূচক ৪৯৪ পয়েন্ট কমে যায়। অপরদিকে দেশের অপর প্রধান পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে সার্বিক সূচকের পতন ঘটে ১ হাজার ৩৯৫ পয়েন্ট। এ অবস্থায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। সারা দেশেই যেখানে যেখানে শেয়ার ব্যবসার লেনদেনের জন্য ব্রোকারেজ হাউস আছে, সেখানেই গতকাল বিনিয়োগকারীরা জোটবদ্ধ হয়ে এই সূচক পতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।
কালের কণ্ঠের খুলনা অফিস জানায়, দরপতনে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা নগরীর শিল্প ব্যাংকের সামনে জমায়েত হয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন। বিক্ষুব্ধরা মিছিলও বের করেন। মিছিলটি শিববাড়ী মোড়, ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের মোড়, ডাকবাংলো ফেরিঘাট এবং নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পিকচার প্যালেসের মোড়ে এসে সমাবেশ করেন। ব্রোকারেজ হাউস রয়েল ক্যাপিটালের জুনিয়র এঙ্কিউটিব রুবাইদ হোসেন বলেন, 'বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা শেয়ারবাজারে দরপতন এবং সূচকের নিম্নমুখিতার কারণে সকল প্রকার লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে গতকাল হাউসে কোনো লেনদেন হয়নি।'
এদিকে কালের কণ্ঠের সিলেট অফিস জানায়, দরপতনের প্রতিবাদে সিলেটের বিনিয়োগকারীরা শুধু মিছিল-সমাবেশ নয়, এবার সিলেটের সব ব্রোকারেজ হাউসে লেনদেন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল রবিবার ডিএসই এবং সিএসই-এর সিলেটের ব্রোকার হাউসগুলোয় দুই ঘণ্টা লেনদেন বন্ধ রাখেন বিনিয়োগকারীরা। বাজার স্থিতিশীল না হলে আজ থেকে সিলেটে অনির্দিষ্টকালের জন্য লেনদেন বন্ধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।
কালের কণ্ঠের বগুড়া অফিস জানায়, শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে বগুড়ার বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করেন। গতকাল দুপুরে শহরের বড়গোলার আইসিবির ব্রোকারেজ হাউস থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিল শেষে বিনিয়োগকারীরা বড়গোলায় সড়ক অবরোধ করেন। মিছিলকারীরা শেয়ারবাজারে দরপতনের কারণে এসইসিকে দায়ী করেন। দরপতন ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এসইসি ও ডিএসই প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবি করেন।
কালের কণ্ঠের যশোর প্রতিনিধি জানান, শেয়ারবাজারে আকস্মিক দরপতনের প্রতিবাদে গতকাল দুপুরে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা যশোর শহরের নেতাজি সুভাষ চন্দ্র সড়কের রয়েল ক্যাপিটাল হাউসের সামনে জড়ো হয়ে রাস্তা অবরোধ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেন, সরকারের নীরবতার কারণে শেয়ারবাজারে এমন অস্বাভাবিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 1:51 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে এ বিপর্যয়ের দায়ভার কার?
Kaler Kontho
10.01.2011
মাসুদ রুমী
শেয়ারবাজার নিয়ে স্বপ্নের বিজ বোনা তরুণ বিনিয়োগকারীদের আশাভঙ্গের দিন ছিল গতকাল। পুঁজিবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল সাধারণ সূচক ৬০০ পয়েন্ট (৭.৭৬%) এবং ডিএসআই সূচক ৪৯৪ পয়েন্ট (৭.৬৯%) কমে গেছে, যা '৯৬ সালের চেয়েও ভয়াবহ। ১৯৯৬ সালের ৬ নভেম্বর ডিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ২৩৩ পয়েন্ট পতন হয়েছিল। নজিরবিহীন এ দরপতনে আবার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসেন। আবার শুরু হয় বিক্ষোভ, মিছিল ও অগি্নসংযোগ। যদিও শেয়ারবাজার বোদ্ধারা বলেছিলেন, '১৯৯৬ সালের ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি হবে না।' কিন্তু তাঁদের ভবিষ্যৎবাণী বারবার মিথ্যা প্রমাণিত হচ্ছে।
কয়েক মাসে শেয়ারবাজারে যেভাবে একের পর এক মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড হচ্ছিল তখন পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্টদের দরপতনের কোনো হুঁশিয়ারিই কাজে আসেনি। ৮ ও ১৯ ডিসেম্বরের দরপতন কাটিয়ে না উঠতেই আবার সেই অপ্রত্যাশিত নজিরবিহীন দরপতন!
গত ১৯ ডিসেম্বর সাধারণ মূল্যসূচক ৫৫১ পয়েন্ট কমে যায়। বিনিয়োগকারীদের তোপের মুখে বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ঋণসীমা ১ঃ১.৫ করা, ব্রোকারেজ হাউসগুলোর মেম্বারস মার্জিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত, গ্রামীণফোন ও ম্যারিকোকে স্পট মার্কেট থেকে মূল বাজারে ফিরিয়ে আনা, এনএভি-সংক্রান্ত লোন র্যাশিও নিয়ে আগের নির্দেশনা প্রত্যাহারসহ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
এসইসির এসব সিদ্ধান্তের পরও বারবার দরপতনের ঘটনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শঙ্কা ও ভীতি তৈরি করে। আরো দরপতনের আশঙ্কায় অনেকে দ্রুত শেয়ার বিক্রি শুরু করে। এতে শেয়ারবাজারে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে দরপতন অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে।
গতকাল ভয়াবহ ধসের পর এসইসির বাজার উদ্ধার চেষ্টায় ব্যক্তির ঋণসীমা তুলে নেওয়া, গ্রামীণফোনের শেয়ারে নেটিং সুবিধা দেওয়াসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্তের পরও এই পতন রোধ
করা যায়নি।
শেয়ারবাজারের গত কয়েক মাসের পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, পুঁজিবাজারের তেজি ভাবের সময় কম সময়ে দ্রুত মুনাফা উঠানোর লোভে উদ্যোক্তারা অধিক হারে শেয়ারবাজারে ঝুঁকে পড়েন। এ কার্যক্রমে সামনের কাতারে চলে আসে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। একই সঙ্গে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোও পরোক্ষ বিনিয়োগ বাড়াতে তৎপর হয়। শেয়ারবাজারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপক বিনিয়োগের ফলে শেয়ারের দাম বাড়তে থাকে হু হু করে। বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়ে যায়।
উদ্যোক্তা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি শেয়ারবাজারে জড়িয়ে পড়েছে_তার প্রমাণ পাওয়া যায় সম্প্রতি প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিক আর্থিক ফলাফলে। তৃতীয় প্রান্তিকের প্রকাশিত অধিকাংশ কম্পানিই মুনাফার উচ্চ প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে। তবে মুনাফার অধিকাংশই এসেছে বিনিয়োগ থেকে। অর্থাৎ শেয়ারবাজার থেকে।
এ ক্ষেত্রে শেয়ারবাজার থেকে অধিক আয় দিয়ে কম্পানিগুলোর ইপিএসকে অধিক আকর্ষণীয় করে তোলার প্রতিযোগিতা কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নিয়ে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। উপরন্তু কম্পানিগুলো মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ভূমিকায় পরোক্ষভাবে শেয়ারবাজারে অবতীর্ণ হওয়াকেও দীর্ঘমেয়াদে বাজারের জন্য কোনো অবস্থায় শুভ হবে না বলে কেউ কেউ মন্তব্য করেছিলেন।
গতকাল এসইসির কিছু পদক্ষেপের পরও শেয়ারবাজার ব্যাপকভাবে পড়ে যাওয়ায় একটি বিষয় পরিষ্কার হয়েছে যে ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে অতিমুনাফার লোভে আইন লঙ্ঘন করে মাত্রাতিরিক্ত বিনিয়োগ করে ঝুঁকি বাড়িয়েছে, যার প্রভাব বিনিয়োগকারীদের ওপরও পড়েছে। যদিও বলা হয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো মোট আমানতের ১০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে, যা বিশ্বের এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি (সেখানে মূলধনের ৫ থেকে ১০ শতাংশ বিনিয়োগ করা যায়)। কিন্তু ব্যাংকগুলোও এর চেয়ে অনেক বেশি বিনিয়োগ করেছে। স্বাভাবিকভাবেই ব্যাংক-কম্পানি আইনের বাস্তবায়ন ও আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের পৃথক সাবসিডিয়ারির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু এসইসির দীর্ঘসূত্রতায় ব্যাংকগুলো এখনো তাদের সাবসিডিয়ারি কম্পানি গঠন করলেও কার্যক্রম চালু করতে পারছে না। ফলে পুঁজিবাজারে ব্যর্থতার দায় কিছুটা সংশ্লিষ্টদের ওপর বর্তায়।
যদিও বাজার-সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, কিন্তু তারা বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক-কম্পানি আইনের সুরক্ষায় এসব পদক্ষেপ নিয়েছে_এ সত্যটি পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকগুলোর নগদ জমা সংরক্ষণ বা সিআরআরের পরিমাণ .৫ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে ব্যাংক খাতের তারল্য প্রবাহে টান পড়ে। কিন্তু যতটা পড়ার কথা তার চেয়েও অনেক বেশি টান পড়ে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, অনেক ব্যাংক আগে থেকে বড় অঙ্কের অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে রেখেছে, তাই সিআরআরের টাকা জোগান দিতে কোনো কোনো ব্যাংক ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি সিআরআর বাড়ানোর আগে থেকেই অনেক ব্যাংক কলমানি থেকে টাকা ধার করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক বর্ধিত টাকা সমন্বয়ের জন্য ১৫ দিন সময় দিলেও ব্যাংকগুলো তা যথাযথভাবে পূরণ করতে পারেনি।
পুরো ব্যাংকিং খাতে তারল্য স্বাভাবিক থাকলেও কিছু ব্যাংক অতিমুনাফার আশায় ফটকা কারবারে টাকা লগি্ন করে রাখে এবং সময়মতো বের হতে পারেনি। ফলে এদের কেউ কেউ কলমানি মার্কেট থেকেও প্রচুর টাকা ধার করে। এর ফায়দা লুটে পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট জুয়াড়িচক্র।
শেয়ারবাজারে সাধারণত যখন বড় ধরনের দরপতন হয় সেই সুযোগে জুয়াড়ি-কারসাজি ও মুনাফালোভী প্রতিষ্ঠানগুলো কম দামে শেয়ার কেনার সুযোগ পায়। আর দরপতনের ভিকটিম হন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তবে মূল্য সংশোধনের এ প্রক্রিয়া যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে বাজারকে টেকসই করার স্বার্থেই।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/10/2011 2:22 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে ফের ধস
The Daily Ittefaq
10.01.2011
গিয়াসউদ্দিন আহমেদ
পুঁজিবাজারে নতুন বছরের শুরুতেই একদিনে স্মরণকালের সর্বোচ্চ দরপতনের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকার পুঁজিবাজারে গতকাল রবিবার সূচক ৬শ' পয়েন্ট কমে ৭ হাজার ১৩৬ পয়েন্ট এবং চট্টগ্রামে সূচক ৮৯৭ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ২৯৬ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে ঢাকার পুঁজিবাজারে লেনদেন কিছুটা বেড়ে ১ হাজার ৩৩১ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন পুঁজিবাজারের সংকট উত্তরণে গতকাল রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ও মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশনসহ সংশিস্নষ্টদের নিয়ে বৈঠক করে। বৈঠকের পর পরই দেশের দুই পুঁজিবাজারেই এই পতনের সৃষ্টি হয়।
এদিকে পুঁজিবাজারে ফের দরপতনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। রাজশাহীতে ১০টি ব্রোকারেজ হাউজে তালা ঝুলিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা। পুঁজিবাজারের সংকট উত্তরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করে এ বাজারের জন্য অর্থ ছাড় করার আহবান জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা। তারা বলেন, অর্থ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা যাদের হাতে তারা এ বাজার উদ্ধারে এগিয়ে না আসলে এসইসি যতই ঋণসীমা বাড়াক কিংবা যত কিছুই দিক না কেন পুঁজিবাজারের কোন উপকারে আসবে না। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা এসইসিকে 'ভাত দেয়ার নাম নেই, কিল মারার গোসাই' হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, পুঁজিবাজারে নতুন টাকার জোগান ছাড়া এ বাজারের গতি আসবে না। সে গতি আনতে হলে বর্তমানে এসইসিকে নয় বাংলাদেশ ব্যাংককেই এগিয়ে আসতে হবে বলে তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। গতকাল সকালে ঢাকার পুঁজিবাজারে সূচকের ভাল অবস্থান নিয়ে যাত্রা শুরু হয়। এসইসির বৈঠক চলাকালীন সময়ে সূচক প্রায় ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বৈঠকে ব্যক্তি পর্যায়ে ঋণসীমা ১০ কোটি টাকার উপরে নিতে পারবে। নতুন বিও একাউন্ট হোল্ডারদের ১৫ দিনের মধ্যে ঋণ দেয়া যাবে এবং গ্রামীণফোনের শেয়ার নেটিং সুবিধা পাবে এসব সিদ্ধান্ত নেয়ার খবর প্রচারিত হওয়ার সাথে সাথে সূচক নামতে শুরু করে।
গতকালের পুঁজিবাজারকে ১৯৭১ সালের গোর্কির সাথে তুলনা করেছেন তরুণ বিনিয়োগকারী মোতাহার মাসুম।
এদিকে গতকাল রবিবার লেনদেন শুরুর আগে থেকেই ঢাকার পুঁজিবাজারের সামনে বিপুলসংখ্যক র্যাব-পুলিশ অবস্থান নেয়। বিকাল ৩টার লেনদেন শেষে ডিএসই ভবনের সামনে কয়েকজন বিনিয়োগকারী বিক্ষোভের চেষ্টা করলে পুলিশের মারমুখী অবস্থান দেখে তারা চলে যায়। মামুন নামের একজনকে সেখান থেকে আটক করে পুলিশ।
ঢাকার সাথে সাথে খুলনা, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তারা অনেক স্থানে ট্রেড বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ করেন ব্রোকার হাউস কর্মকর্তারা।
রাজশাহী অফিস জানায়, শেয়ার বাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে গতকাল রাজশাহীর ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা নগরীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউসে লেনদেন বন্ধ করে দিয়ে নেমে আসে রাস্তায়। নগরীর সাহেব বাজার আইসিবি কার্যালয়ের সামনে থেকে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি সাহেব বাজার ও সোনাদীঘির মোড় হয়ে পুনরায় আইসিবি কার্যালয়ের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। বক্তারা শেয়ার বাজারে অব্যাহত দরপতনের জন্য এসইসি চেয়ারম্যানকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেন। পরে তারা শহরের ১০টি ব্রোকারেজ হাউসে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
খুলনা অফিস জানায়, শেয়ারের দরপতন ঘটলে খুলনায় বিনিয়োগকারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এ সময় তারা ব্রোকার হাউজগুলোতে বিক্ষোভ করে। এক পর্যায়ে বিনিয়োগকারীরা ব্রোকার হাউজ ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে। দুপুর ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা নগরীর পিকচার প্যালেস মোড় থেকে মিছিল বের করে। তারা শিববাড়ি মোড়ে পেঁৗছে সড়ক অবরোধ করলে কিছু সময়ের জন্য নগরীতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মিছিলকারীদের বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়। তবে পুলিশের হস্তক্ষেপে তারা অবরোধ তুলে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
ব্রোকার হাউজ সূত্র জানায়, গতকাল ২৮০ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৭০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতন ঘটে। এতে চরমভাবে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
বিনিয়োগকারীরা জানান, অব্যাহত এ দরপতনে এখানকার বিনিয়োগকারীরা কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। সরকার এবং ডিএসই ও সিএসই যদি দ্রুত এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসতে হবে।
ডিএসই সভাপতি যা বলেন
বর্তমান পুঁজিবাজারের ব্যাপারে ডিএসই সভাপতি মোঃ শাকিল রিজভীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বর্তমান অবস্থায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানান। একই সাথে পুঁজিবাজারের ভাল এবং মৌল ভিত্তিক শেয়ার ক্রয়ের এখনই সময় বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। এছাড়া তিনি পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং মিউচুয়েল ফান্ডগুলোকে বেশি করে শেয়ার কেনার আহবান জানান। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|