DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 17 / 40 1 - 2 - 3.. - 15 - 16 - 17 - 18 - 19.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
01/22/2011 12:18 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
২০ জানুয়ারির অস্বাভাবিক লেনদেন বাতিলের দাবি বিনিয়োগকারীদের

ঢাকা, ২২ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

পুঁজিবাজারে ২০ জানুয়ারির অস্বাভাবিক লেনদেন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ জেনারেল ইনভেস্টর্স ফোরাম (বিজিইএফ)। কারসাজির কারণে ওই দিন অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত সূচকের পতন সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তারা। এ ঘটনার তদন্ত করে দোষিদের শাস্তি দাবি করেছে সংগঠনটি।
শনিবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সঙবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় সংগঠনের আহ্বায়ক মো. মোর্শেদুর রহমান, সদস্য ড. নাজমুল হাসান, আবু তাহের সরকার, সালাউদ্দিন মানিক ও মো. ওমর ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
ফোর্স সেলিং বন্ধের দাবি জানিয়ে বিনিয়োগকারীরা বলেন, ফোর্স সেল বন্ধ না হলে বাজারে বিক্রির চাপ আরো বেড়ে যাবে। এতে বাজার কোনোভাবেই ঘুর দাঁড়াতে পারবে না। এ ছাড়া বর্তমানে প্রচলিত ২২৫ পয়েন্টের সার্কিট ব্রেকার পদ্ধতি প্রত্যাহার করে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ারও দাবি জানায় সংগঠনটি।
সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ বাড়ানোসহ মোট ১০টি দাবি তুলে ধরা হয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এইচএমএম/ জেডআর/এআইকে/ ১৮.২৩ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 12:22 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
নিজের স্থগিতাদেশই মানছে না এসইসি
     
     
Sat, Jan 22nd, 2011 9:31 pm BdST
     

ঢাকা, জানুয়ারি ২২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

টানা তিন দিন দরপতনের কারণে পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বৃহস্পতিবার বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি স্থগিত করলেও দুটি প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দিচ্ছে, যারা অতিমূল্যায়িত বাজার থেকে কোটি কোটি টাকা তুলে নেবে।

'দুর্বল' ব্যালেন্স শিট নিয়েও এ দুটি কোম্পানি 'হাস্যকর' রকমের বেশি প্রিমিয়ামে তাদের শেয়ার বিক্রি করবে, যাতে করে তাদের পি ই রেশিও (প্রতি শেয়ারের বিপরীতে আয়ের অনুপাত) দাঁড়াবে ৫০ ও ৭০।

বুক বিল্ডিং নীতিমালা সংশোধনের পর এম আই সিমেন্ট ও মোবিল যমুনা নামের আরো দুটি কোম্পানিকে বাজারে আসার অনুমতি দেয় এসইসি। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, সরাসরি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে অতি মূল্যায়নের যে সুযোগ ছিল- সংশোধিত বুক বিল্ডিং নিয়মেও সেই একই ছিদ্র রয়ে গেছে।

আর এমন একটি দিনে এ দুটি কম্পানিকে বুক বিল্ডিং নিয়ে স্থগিতাদেশের বাইরে রাখা হচ্ছে- যে দিন মাত্র ৬ মিনিটের মধ্যে ৬০০ পয়েন্ট হারানোর কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ লেনদেন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রত্যেক শেয়ারের বিপরীতে ১০১ টাকা ৬০ পয়সা প্রিমিয়াম নিয়ে এম আই সিমেন্ট বাজার থেকে মোট ৩৩৫ কোটি টাকা তুলে নেবে। এতে তাদের পিই রেশিও দাঁড়াচ্ছে ৫০।

আর মোবিল-যমুনা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রত্যেক শেয়ারের বিপরীতে ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামে বাজার থেকে তুলে নেবে মোট ৬১০ কোটি টাকা। ফলে তাদের পিই রেশিও হবে ৭০।

এসইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমআই সিমেন্টের প্রাথমিক বিনিয়োগ সংগ্রহের প্রক্রিয়া মোটামুটি চূড়ান্ত। এরইমধ্যে তাদের আইপিও লটারি এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বণ্টন হয়ে গেছে। কেবল তালিকাভুক্তির কাজটিই এখনও বাকি।

আর মোবিল-যমুনা কর্তৃপক্ষ লটারির জন্য আবেদন সংগ্রহ করলেও তাদের লটারি বা শেয়ার বণ্টন এখনও হয়নি।

পুঁজিবাজারের বর্তমান মূল্যপরিস্থিতিতে লেনদেন শুরু হলে এ দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম অন্তত দুই তৃতীয়াংশ কমে যাবে।

শেয়ার বাজারের একজন ব্রোকার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "উচ্চ প্রিমিয়াম আর অযৌক্তিক রকমের চড়া পিই রেশিওতে এই শেয়ার যারা কিনবেন তাদের আবারও পস্তাতে হতে পারে।"

অবশ্য বাজারে তালিকাভুক্তির এ পদ্ধতি সম্পর্কে বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যেই অভিযোগ তুলেছেন খোদ ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী।

ওই দিন এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার বাজারে আসা নিয়ে দ্বিধা তৈরি হয়েছে। মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রেও অসুবিধা সৃষ্টি হয়েছে।

"এছাড়া বাজার অতিমূল্যায়িত হওয়ায় দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারাচ্ছেন, যার কারণে পুঁজিবাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।"

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসতে চাওয়া ৪৮টি কম্পানির মধ্যে অধিকাংশেরই ব্যালেন্স শিট 'দুর্বল' উল্লেখ করে তিনি বলেন, "এ বিষয়টি কর্তৃপক্ষের যথাযথভাবে পরীক্ষা করে দেখা উচিত।"

এর আগ পর্যন্ত কেবল দুটি কম্পানি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

গ্রামীণ ফোন ২০০৯ সালে ৬০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৭০ টাকা দামে শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে মোট ৯৪৫ কোটি টাকা তুলে নেয়। আর প্রিমিয়ামসহ ৪৮ টাকা দামে শেয়ার বিক্রি করে আরএকে সিরামিকস ২০১০ সালে তুলে নেয় মোট ১৬৬ কোটি টাকা।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবহারিক ত্র"টি না থাকলে একটি কোম্পানির বাজারমূল্য নির্ধারণের জন্য বুক বিল্ডিং পদ্ধতি খুব একটা খারাপ না। কিন্তু এ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সজাগ থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।

বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "কিছু ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি অতিমূল্যায়িত শেয়ার নিয়েই কয়েকটি কোম্পানি বাজারে এসেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা যথেষ্ট সতর্ক না হওয়ার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।"

পুরো প্রক্রিয়াটি যাতে 'যৌক্তিক' হয়- তা এসইসিকেই নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আইপিও অনুমোদনের আগে একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারমূল্য নির্ধারণের প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে হবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে।

"প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশে কোনো কোম্পানি তাদের শেয়ারমূল্য বাড়িয়ে নিচ্ছে কি না- সে দিকেও তাদের (এসইসি) খেয়াল রাখতে হবে," বলেন তিনি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিাফোর ডটকম/আরএইচএন/জিএনএ/জেকে/২১৩০ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 12:24 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে অস্থিরতা
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে বিভক্ত বিনিয়োগকারীরা

     
     
Sat, Jan 22nd, 2011 7:47 pm BdST
     

ঢাকা, জানুয়ারি ২২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিাফোর ডটকম)

পুঁজিবাজারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

বিনিয়োগকারীদের একটি পক্ষ দাবি করছেন, ব্যাংক ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে দেওয়া উচিত নয়। অন্য পক্ষ বলছে এর উল্টোটি।

শনিবার রাজধানীতে দুই পক্ষ আলাদা সংবাদ সম্মেলন করে পরস্পরবিরোধী দাবি জানায়।

পুঁজিবাজারে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী রয়েছেন। দুই পক্ষেরই দাবি, তারা বিনিয়োগকারীদের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আবু হেনা লাবলু বলেন, "আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারে কারসাজি করেছে। আমরা তাদের বাজারে প্রবেশ করতে না দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"

অপরদিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জেনারেল ইনভেস্টর্স ফোরামের (বিজিআইএফ) আহ্বায়ক মোর্শেদুর রহমান বলেন, "বাজারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণের বিষয়টি সরকারকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।"

সেইসঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালিত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত তহবিল দেওয়া উচিত বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে উভয় পক্ষই ঢাকা স্টক এক্ষচেঞ্জে (ডিএসই) গত বৃহস্পতিবারের লেনদেন বাতিলের দাবি জানিয়েছে। ওইদিন লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সাধারণ সূচক ৫৮৭ পয়েন্ট নেমে যায়। সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় বন্ধ হয়ে যায় লেনদেন।

বিনিয়োগকারী উভয় পক্ষ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (এসইসি) কাছে শেয়ার ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর 'ফোর্স ও ট্রিগার সেল' নিষিদ্ধ করারও দাবি জানান।

এছাড়া বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজার থেকে সার্কিট ব্রেকার তুলে দেওয়া ও ব্যাংকগুলোর তুলে নেওয়া লাভ বাজারে ফিরিয়ে আনার দাবি জানায়।

বাজারের অতিরিক্ত পতন ও অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে গত বুধবার সাধারণ মূল্য সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার আরোপ করে এসইসি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/এমআই/১৯৪০ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 12:30 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Finance minister sits with stakeholders today


FE Report
23.01.2011

In a desperate bid to restore the investors' confidence in the jittery share market the finance minister is going to sit with various stakeholders including the SEC, the DSE, brokerage firms, and merchant bankers today (Sunday).

"The stakeholders have been called to attend the meeting to discuss the ways for overcoming the current crisis, and to submit proposals on restoring confidence among the investor," said a high official of finance ministry.

"Finance ministry has realised that without the institutional investors' intervention confidence cannot be restored in the capital market," he added.

According to a source in the DSE, the premium bourse's authority is going to submit a set of proposals to restore the general investors' confidence.

The proposals will include withdrawal of the recently-introduced index circuit breaker system, and ensuring the institutional investors' participation in the market.

"Many of the scripts have seen major correction during the last one month. With their corrected prices shares of many companies have now come to an attractive level to buy. So it is very natural that there will be plenty of buyers when the market opens next time," said a director of the DSE board.

He said the market needs to follow its own course, and imposing circuit breaker can not be a solution. He also said, "If you stop trading, how will the buyers offer price to buy shares?"

Earlier on Friday, Finance Minister Abul Maal Abdul Muhith admitted that some improper steps, taken by the government and the securities regulator, were responsible for the market's collapse.

He said restoring confidence among the general investors is the utmost priority of the government. Immediate steps are needed to stabilise the capital market.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 12:32 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Lax monetary policy may destabilise macro-economy


Mushir Ahmed
Financial Express
23.01.2011

The unusual move by the central bank to rescue the stock market may threaten the country's macro-economic stability, monetary analysts said Saturday.

Relegating its role in containing inflation to the background, the central bank early this month took an accommodative stance on banks' buying shares to protect investors, risking the depositors' money.

The policy has, however, not worked and now evoked criticism from a number of economists who resented the move, with some even calling it "playing with fire in front of a mouth of a gas-field."

"It is irrational and injudicious, plain and simple," said an economist who does not want to be named. He said the Bangladesh Bank should go by its mandate before considering any extraordinary rescue effort, ignoring its functional responsibility to protect the real economy from a possible contagion of the stock market crash.

Ahsan H Mansur, head of private think-tank, Policy Research Institute, said the bail-out move is "unprecedented -- possibly the first of its kind in the world".

"You are asking the banks to expose themselves to the stock market knowing fully well that the market is overvalued," he told the FE in a reaction.

"The central bank is there to protect the banks and depositors' interest, not to halt the collapse of an overheated market," he said.

The Bangladesh Bank had said it undertook some actions to bring confidence back into the plunging capital market.

The stocks have been on a free-fall since hitting the historic high on December 5.

Merchant banks blame the BB's hike of cash reserve requirement (CRR) for commercial banks for triggering the collapse.

When the market slid a record 8.9 per cent early this month, BB deputy governor Nazrul Huda in a meeting with the chief executives of the commercial banks, urged them, reportedly, to buy shares to stem the rot.

Private bank officials said the BB has agreed to defer the period for the banks to submit their report relating to diversion of industrial credit to stock market or take a lenient approach on the state of their financial health pertaining to any fund mismanagement.

Mr. Mansur, who had headed International Monetary Fund's middle-east division, said that any instruction, formal or informal, to the banks and subsequent cash injection by BB to the tune of Taka 4.0 billion (400 crore), as reported in the media, to jack up stock prices have raised questions about the central bank's monetary policy stance.

"If the Bangladesh Bank pumps money into the stock market, how it is going to stand firm to its tight monetary policy in the face of surging inflation? he asked.

"Instead of fighting inflation, we are fighting the wrong battles," he said, adding the BB's late interventions to cut bank's exposure was also came too late.

"They should have told the banks to roll back their exposure early 2010 when the main Dhaka Stock Exchange index was hovering around 5,000," he said.

"Where was the central bank when this was happening for the last one year?" he asked while referring to the unprecedented surge in the share market.

Because of these failures, he said," our macro-economic stability is now under threat."

"Exchange rate is also under pressure. Inflation fight is almost lost. One major positive developments is export," he said.

His comments came as some banks are forward-selling dollar at Tk 75-76 each for payments in March-April. They said a major devaluation of Taka is now a matter of time.

"The real economy is still sound. But there is a realistic chance that some banks may have been saddled with huge bad debts due to their over-exposure to the stock market."

"We shall get a full picture after March 31 when the banks are going to submit their quarterly report to the Bangladesh Bank," he said.

He blamed the central bank policy of capping the lending rate, saying it has led to liquidity crisis now affecting the ability of some commercial and merchant banks to lend to the stock brokers.

The central bank capped lending rate at 13 per cent last year in its effort to boost industrial growth. The artificial ceiling came under huge flak from the IMF.

"The policy of not allowing the interest rate to go up has created excess demand for credits -- some of which certainly have been diverted to the stock market," he said.

"Had there been no lending cap, the financial market would have been in a better shape for containing demand pressure," he said.

Facing acute liquidity crisis, already some banks offered 13-14 per cent rate of interest to new depositors.

It was not clear how these banks would abide by the central bank's lending cap regime under the circumstances.

Salauddin Ahmed Khan, a professor of finance at Dhaka University, held a different view about the capital market situation. He said the Bangladesh Bank should now slacken its monetary policy in a bid to boost the ailing capital market.

"The money market is going absolutely dry. Many banks are facing a severe liquidity crisis, which is indirectly affecting the stock market," he said.

He added due to the hike in CRR, the central bank has soaked up some Taka 85 billion from the market, triggering the stock crisis midway through last month.

The central bank, however, claimed that its hike of CRR -- it raised the rate by 50 basis points to six per cent on December 15 -- led to rolling back of only Taka 23 billion.

"The central bank and the government should do all they can to boost the market," he said, adding the authorities can build a war-chest worth billions of takas to buy shares as a last-ditch effort to rescue the market.

Mr. Mansur said a slackening monetary policy at this time of high commodity prices and a soaring inflation may spark severe macro-economic troubles.

"To bail out the stock market in the name of small investors will ultimately bail out the rich people. The question is: Can the Bangladesh economy afford this?
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 12:53 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বাংলাদেশ ব্যাংক শেয়ারবাজার দেখার দায়িত্ব বহন করে না
একান্ত সাক্ষাতকারে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
23.01.2011

"১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে আওয়ামী লীগের এক ব্যবসায়ী-রাজনীতিক জড়িত ছিলেন। কিন্তু এখন তার সঙ্গে জড়িত হয়েছেন বিএনপির এক রাজনীতিক-ব্যবসায়ীসহ আরও বেশ কয়েকজন। অন্যদের নাম আমি বলতে চাই না। তবে তাদের এ সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ জনের বেশি নয়। তারা গত চার মাসে শেয়ারবাজার থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছেন। কিন্তু এ টাকাটা তারা আর কোন দিন বিনিয়োগ করবেন না। এ টাকা তারা মেরে দিয়েছেন।"
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গবর্নর এবং কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বাংলানিউজকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন। তাঁর নিজের ভাষ্যেই তুলে ধরা হলো পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাতকারটি।
ইব্রাহিম খালেদ বলেন, আমার প্রশ্ন হলো, শেয়ারবাজারে যখন দাম বাড়ল তখন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনল। কিন্তু যখন দাম পড়ে গেল তখন টাকাটা কোথায় গেল? আমি বলব, এ টাকাটা কয়েকজনের পকেটে চলে গেছে। আমি মনে করি, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে শুধু একটি দলের লোক জড়িত নন। উভয় দলের লোকজন এখানে জড়িত। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও পুঁজিবাজারে তাদের মধ্যে কোন বিরোধ নেই। বিরোধ হলো সংসদে গিয়ে। দেশের সাধারণ মানুষের টাকা এককাট্টা হয়ে মেরে দিতে তাদের কোন অসুবিধা নেই।
তিনি বলেন, আমি বলব কোন কোন ক্ষেত্রে এসইসি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। অথবা তাদের অসহায়ত্ব ছিল। তা না হলে এটি কীভাবে হলো! তাদের দায়িত্ব হলো বাজার নিয়ন্ত্রণ করা। যখন সরকার থেকে শেয়ার ছাড়ার কথা ছিল সেটা করা গেল না। যেখানে শেয়ার কম সেখানে এত টাকা বাজারে এলো কী করে? এসইসির কাজ হলো বাজারে কোন সমস্যা হলে প্রয়োজনে বাজার কখনও টেনে ধরা কিংবা ছেড়ে দেয়া। কিন্তু এসইসি সেটা না করে বরং উল্টোটা করেছে। যখন টেনে ধরার দরকার ছিল তখন তারা দাম বাড়ায় সহায়তা করছে। না হলে বাজারে দাম বাড়ল কেন?
জনাব খালেদ বলেন, শেয়ারবাজার সংশিস্নষ্টতায় সরকার মানে তো এসইসি, সরকার মানে তো শেখ হাসিনা নন। এ কারসাজির জন্য এসইসিই দায়ী। বাজারে দরপতনের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন দায়িত্ব নেই বলেই আমি মনে করি। বাংলাদেশ ব্যাংক মানি মার্কেট মনিটরিং করে। স্টক মার্কেটের দায়িত্ব এসইসির। বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি_ এ দু'টির আলাদা চার্টার আছে। তারা বিনা চার্টারে কাজ করে না। কার চার্টারে কি আছে সেটা দেখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের যে আইন রয়েছে সেখানে কোথাও লেখা নেই যে স্টক মার্কেট বাংলাদেশ ব্যাংক দেখবে।
তিনি বলেন, এক খাতের বিনিয়োগ অন্য খাতে বিনিয়োগ না করা, এসএলআর, সিআরআর জমার পরিমাণ বাড়ানো এবং পরিশোধিত মূলধনের অতিরিক্ত অর্থ বাজারে বিনিয়োগ না করা সংক্রানত্ম বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার কারণে বাজার পড়ে গেছে_ এমন অভিযোগ রয়েছে। আমি বলব, বাংলাদেশ ব্যাংক যে সিদ্ধানত্মগুলো নিয়েছে সেগুলো নেয়া তার দায়িত্ব ছিল। পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত অর্থ বিনিয়োগ করার পর ব্যাংকগুলোর কোন সমস্যা হলে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংককে ধরতাম। ব্যাংকগুলো যখন বাজারে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত বিনিয়োগ করেছে তখন বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ব্যাংকগুলো ঠিক রাখার জন্য যা করার দরকার ছিল বাংলাদেশ ব্যাংক তা-ই করেছে। ব্যাংকগুলো যখন অতিরিক্ত অর্থ বাজারে বিনিয়োগ করা শুরম্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তখন তাদের ধরল। তবে আমি বলব এটা আরও আগে করা দরকার ছিল। যেটুকু বাংলাদেশ ব্যাংকের করা দরকার ছিল তারা সেটুকু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কারণে বাজারে দরপতন হয়নি।
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, বাজার একবার উঠলে আবার পড়বে। এটাকে কারেকশন বললেও এটা কারেকশন না। কয়েকটি গ্রম্নপ রাতে বসে ঠিক করে আগামীকাল কোন শেয়ারের দাম বাড়বে। এখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কী করার আছে! তবে এখানে এসইসির করণীয় আছে। কোন কোন শেয়ার যখন প্রিমিয়ামে বিক্রি হয়, সেখানে তারা অতিরিক্ত প্রিমিয়াম কেন দেয়?
তিনি বলেন, বাজারের এ অবস্থায় থেকে উত্তরণের উপায় কী হতে পারে এমন প্রশ্ন অনেকেই করছেন। তবে বিরাজমান অবস্থায় উত্তরণের কোন পথ আছে বলে আমার কাছে মনে হয় না। অস্বাভাবিক উত্থান হলে এভাবেই পতন হয়। তবে একটা পথ বলতে আমি বলব এ অবস্থায় এসইসিকে সম্পূর্ণরূপে পুনর্গঠন করা না হলে শেয়ারবাজার ঠিক করা যাবে না। এখানে সৎ ও দক্ষ লোক বসিয়ে বাজার পরিচালনা করতে হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 12:54 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
কোন অবস্থাতেই শেয়ার 'ফোর্স সেল' না করার দাবি
ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সংবাদ সম্মেলন



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
23.01.2011

পুঁজিবাজারের বিদ্যমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা তাদের হাতে থাকা শেয়ার কোন অবস্থাতেই ট্রিগার সেল বা ফোর্স সেল না করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, এটি করা হলে বাজারে বিক্রির চাপ আরও বেড়ে যাবে এবং বাজার পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে। এ ব্যাপারে তারা সরকার এবং সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিবাচক পদক্ষেপ আশা করছে।
ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ জেনারেল ইনভেস্টর ফোরাম শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানিয়েছে। পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা রৰায় এ সময় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সরকারের দায়িত্বশীল পদে বসে দায়িত্ব জ্ঞানহীন কথা বলে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত না করার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য যাতে না দেয়া হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণেরও আহ্বান জানান। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে তারা সরকার ও সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে ১০ দফা পেশ করে তা বাস্তবায়নের দাবি জানান।
ৰুদ্র বিনিয়োগকারী বলেন, পুঁজিবাজারের বেসামাল পরিস্থিতির জন্য অর্থমন্ত্রীর 'ভুল স্বীকার' জাতির জন্য একটি বিরল ঘটনা। এর থেকে উত্তরণে অর্থমন্ত্রী যা যা করণীয় তাই করার আশ্বাস দেয়ায় ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের মনে আশার সঞ্চার হয়েছে। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রীর সর্বাত্মক সহযোগিতা চান।
বিগত কয়েক দিন ধরে পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক অস্থিরতায় আতঙ্কিত হয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ জেনারেল ইনভেস্টর ফোরামের ব্যানারে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ মোর্শেদুর রহমান, ডা. নাজমুল হাসান, মোঃ ওমর ফারুক, আবু তাহের সৈকত, মোঃ মাসুমুর রহমান নাহিদ ও সালাহউদ্দিন মানিক। ওদিকে পুঁজিবাজারের বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগ উদ্যোগে আরও একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এখানে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারের স্বার্থসংশিস্নষ্ট ১৭ দফা প্রসত্মাব করে।
সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগকারীরা গত ২০ জানুয়ারি সংঘটিত পুঁজিবাজারের সূচক অস্বাভাবিক দ্রম্নতগতিতে পড়ে যাওয়াকে নিয়মবহির্ভর্ূত ও কারসাজি উলেস্নখ করে এই দিনের লেনদেন বাতিলের দাবি করেন। পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা রৰায় সরকার, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, বীমা ও আইসিবিসহ অন্যান্য বেসরকারী ব্যাংক, লিজিং ও বীমা প্রতিষ্ঠান এবং সকল প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগ বাড়ানোর পদৰেপ নেয়ার আহ্বান জানান। এই ৰেত্রে তারা আমেরিকার পুঁজিবাজারের বড় বিপর্যয়ের সময় সে দেশের সরকারের ভূমিকার কথা উলেস্নখ করে বর্তমান বাজার পরিস্থতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনে সরকারকেও বাজার থেকে শেয়ার কেনার প্রসত্মাব করেন।
বিনিয়োগকারীরা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক, আইসিবি ও অন্যান্য সরকারী ব্যাংক জীবন বীমা ও সাধারণ বীমাকে নগদ ঋণ সহায়তা দিয়ে শেয়ার ক্রয়ে সহযোগিতা দিতে পারে। এটি করা হলে দীর্ঘমেয়াদে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল হবে।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যাতে তাদের প্যারেন্ট কোম্পানি কিংবা সংশিস্নষ্ট ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত ঋণ পায় তার জন্য প্রয়োজনীয় বিধিবিধান সংযোজন ও পরিবর্তনের প্রসত্মাব করেন বিনিয়োগকারীরা। যাতে করে এসইসি কর্তৃক ঘোষিত ১ঃ২ ঋণ সুবিধা পুরোপুরি প্রদান করতে পারে।
বিনিয়োগকারীরা জানান, বর্তমান আইন অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের মোট দায়ের ১০ শতাংশ পর্যনত্ম শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী এই বিনিয়োগের পরিমাণ ক্রয়মূল্যে নির্ধারণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ব্যাংকের আলাদা সাকর্ুলার জারির মাধ্যমে বাজারমূল্য নির্ধারণের নির্দেশ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও পুঁজিবাজার বিকাশের অনত্মরায়। তারা এটি সংশোধনের দাবি করেন। এ ছাড়া বাজারে তারল্য সঙ্কট দূর করার জন্য সিআরআর ও এসএলআর কমপৰে ১ শতাংশ কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে পরামর্শ দেয় বিনিয়োগকারীরা। তারা বর্তমান প্রচলিত ২২৫ পয়েন্টের মার্কেট সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহার করে তা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ারও দাবি করেন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য সংখ্যাও বৃদ্ধিরও প্রস্তাব করেন বিনিয়োগকারীরা।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 12:55 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে আস্থার সঙ্কট দূর করতে ॥ চাই কার্যকর উদ্যোগ
অর্থমন্ত্রীর বৈঠক আজ



রাজু আহমেদ ॥
The Daily Janakantha
23.01.2011

টানা দেড় মাস ধরে ব্যাপক মাত্রায় মূল্য সংশোধনের কারণে দেশের পুঁজিবাজার প্রায় ঝুঁকিমুক্ত অবস্থানে পেঁৗছেছে। অধিকাংশ শেয়ারের দর মৌলভিত্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ পর্যায়ে চলে আসায় বাজারে বিনিয়োগের অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে । এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কট দূর করতে সরকারের পৰ থেকে কার্যকর উদ্যোগ জরম্নরী। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে না পারলে পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদী সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলে বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন। এদিকে পুঁজিবাজারে বিদ্যমান সঙ্কট নিরসনে করণীয় নির্ধারণে বাজারসংশিস্নষ্ট সকল পৰকে নিয়ে বৈঠক করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।
বাজার বিশেস্নষকদের মতে, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে দেশে যে হারে শেয়ারের দরপতন ঘটেছে তাতে শেয়ারবাজার যতুটুকু অতি মূল্যায়িত ছিল তা সংশোধন হয়ে মৌলভিত্তির কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ডিএসইর সাধারণ সূচক প্রায় ২৬০০ পয়েন্ট কমেছে। গত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যনত্ম ডিএসইতে তালিকাভুক্ত সকল শেয়ারের বাজার মূল্য ও আয়ের (পিই) অনুপাতের গড় প্রায় ৩১-এ উঠে গিয়েছিল। আর বর্তমানে গড় পিই অনুপাত ২২ দশমিক ৪৩-এ দাঁড়িয়েছে। কিছু কিছু শেয়ারের দর এখনও অতি মূল্যায়িত থাকলেও অধিকাংশ কোম্পানির পিই এখন ২০-এর নিচে অবস্থান করছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে গেছে।
এসইসির আরেক সাবেক চেয়ারম্যান ফারম্নক আহমেদ সিদ্দিকী জনকণ্ঠকে বলেন, গত কয়েক দিনে শেয়ারবাজারে যে হারে দর কমেছে তাতে বিনিয়োগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে গেছে। তারপরও বাজার স্বাভাবিক আচরণ করছে না। এৰেত্রে তারল্য সঙ্কট একটি কারণ হলেও সবচেয়ে বড় কারণ আস্থার সঙ্কট। তারল্য সঙ্কট কাটাতে অবশ্যই পদৰেপ নিতে হবে। তবে সবার আগে প্রয়োজন বিনিয়োগকারীদের আস্থার সঙ্কট দূর করা। আস্থা ফেরানোই এখন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
বাজারসংশিস্নষ্টদের মতে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে হলে সরকারের দিক থেকে কার্যকর কিছু পদৰেপ গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বাভাবিক লেনদেনে আগ্রহী করে তুলতে হলে এই মুহূর্তে বাজারে শেয়ারের চাহিদা সৃষ্টি করা জরম্নরী। সেজন্য ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও তাদের মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে শেয়ার কেনার ব্যবস্থা করতে হবে। বাজার মৌলভিত্তির কাছাকাছি চলে আসায় মধ্য বা দীর্ঘমেয়াদী এই বিনিয়োগ থেকে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পৰে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হবে। গত সপ্তাহের শুরম্নর দিকে বাজারের পতন ঠেকাতে শেয়ার কেনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আইসিবিকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা দিয়েছিল। ওই টাকায় যেসব শেয়ার কেনা হয়েছে সপ্তাহের শেষ তিন দিনে তার দর অনেকটাই কমে গেছে। তবে অধিকাংশ শেয়ারের দর ঝুঁকিহীন পর্যায়ে চলে আসায় সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সেই লোকসান কাটিয়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য এসব প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার কেনার জন্য আরও অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে। এতে বাজারে শেয়ারের চাহিদা সৃষ্টি হবে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক ও আস্থাহীনতা কাটাতে সহায়ক হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সালাহউদ্দীন আহমেদ খান বলেন, আস্থার সঙ্কট দূর করতে হলে সরকারের পৰ থেকে শেয়ার কিনে বাজারে চাহিদা সৃষ্টির ব্যবস্থা করতে হবে।
শেয়ারবাজারকে স্বাভাবিক করতে সরকারের প্রচেষ্টা সফল করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের বেশ কিছু নির্দেশনার প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তার মোট দায়ের ১০ শতাংশ পর্যনত্ম শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। কিন্তু অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের সুযোগ কমে যাওয়ায় গত দু' বছরে ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারের দিকে ব্যাপকভাবে ঝুঁকেছে। ২০০৯ সালে শেয়ারবাজার থেকে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করায় ব্যাংকগুলো ২০১০ সালে এসে এখানে বিনিয়োগের হার অনেক বাড়িয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের কারণে গত ডিসেম্বরের মধ্যে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিনিয়োগের পরিমাণ আইনী সীমার মধ্যে নামিয়ে আনতে হয়েছে। এ কারণে এবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বিক্রির প্রবণতা অন্যান্য বছরের তুলনায় ছিল বেশি। এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত বিনিয়োগ সরিয়ে ফেলতে হয়েছে। অন্যদিকে ব্যাংকের ঝুঁকি কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক সিআরআর ০ দশমিক ৫ শতাংশ হার বাড়িয়েছে। এর ফলে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত ২ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ বাসত্মবায়নের জন্য ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজার থেকে অর্থ তুলে নিয়েছে।
অন্যান্য বছর হিসাব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর সরিয়ে নেয়া টাকার বড় অংশ পুঁজিবাজারে ফিরলেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকটি নির্দেশনার কারণে শেয়ারবাজার থেকে তুলে নেয়া টাকা এখানে বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। গত ১ নবেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের মাস্টার সাকর্ুলারে ব্যাংকগুলোকে তাদের সাবসিডিয়ারি মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউসকে ঋণ প্রদানের ৰেত্রে একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়। একক গ্রাহক সীমা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে তার মূলধনের ১৫ শতাংশের বেশি ঋণ দিতে পারে না।
সংশিস্নষ্টরা বলছেন, গত দু'-তিন বছরে শেয়ারবাজার উর্ধমুখী করার ৰেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। এ সময় এসব প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজার থেকে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করেছে। গত বছরে ব্যাংকগুলো মুনাফার সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছে। তার পেছনেও রয়েছে শেয়ারবাজার। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নতুন নির্দেশনা ও পদৰেপের কারণে ওই টাকা আর বাজারে আনতে পারছে না। তারা যে টাকা লাভ করেছে সাবসিডিয়ারি হওয়ায় তার সিংহভাগ রেখে আসতে হয়েছে মূল কোম্পানিতে। শেয়ারবাজারের সেই টাকার একাংশ বাজারে ফেরাতে পারলে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করা সম্ভব হবে।
ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহউদ্দীন আহমেদ খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকই এই মুহূর্তে বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা দূর করতে পারে। ইতোমধ্যেই তারা শেয়ারবাজারের সঙ্গে সংশিস্নষ্ট যেসব কঠোর বিধি-বিধান প্রয়োগ করেছে তা শিথিল করে বাজারে তারল্য সরবরাহ বাড়ানোর ব্যবস্থা করলেই বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর হবে।
সংশিস্নষ্টদের মতে, দেশের পুঁজিবাজার ও সামগ্রিক অর্থনীতির স্বার্থে এই মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংককে কিছুটা নমনীয় হতে হবে। বাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর মৌলভিত্তির কাছাকাছি চলে আসায় ব্যাংকগুলোর জন্য শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ এখন অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত। এই অবস্থায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভাল মৌলভিত্তির শেয়ার কেনার জন্য বলতে পারে। এতে একদিকে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব হবে, অন্যদিকে বর্তমান বাজার দরে শেয়ার কিনলে কোম্পানি থেকে পাওয়া লভ্যাংশসহ এক বছরের মধ্যে ব্যাংকগুলো এ খাত থেকে ভাল মুনাফা অর্জন করতে পারবে।
অন্যদিকে বাজারে বড় ধরনের উত্থান-পতন ঠেকাতে শেয়ারের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা (সার্কিট ব্রেকার) আরও নামিয়ে আনা প্রয়োজন বলে অনেক বিশেস্নষক মনে করেন। তাদের মতে, সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা আরোপ করা হলেও গত বৃহস্পতিবার মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে সূচক যে পরিমাণ কমেছে, ভবিষ্যতেও সে ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। কোম্পানিভিত্তিক সার্কিট ব্রেকারের সীমা কমিয়ে আনা হলে এ সমস্যার সমাধান হতে পারে। বর্তমানে কোম্পানিবিত্তিক সার্কিট ব্রেকারের যে সীমা রয়েছে তাতে একদিনে বাজার সূচক প্রায় ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যনত্ম বাড়তে বা কমতে পারবে। এই সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে আনা হলে সূচক বাড়তে বা কমতে পারবে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ। স্বাভাবিক বাজারে কোন শেয়ারের দরই সার্কিট ব্রেকারের কাছাকাছি হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে না। ফলে সার্কিট ব্রেকার অর্ধেক করা হলে শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির ৰেত্রে তেমন কোন সমস্যা সৃষ্টি হবে না, বরং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির মাত্রাও অর্ধেকে নেমে আসবে।
বাজার সংশিস্নষ্টদের নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বৈঠক আজ শেয়ারবাজারে বিদ্যমান সঙ্কট উত্তরণে করণীয় নির্ধারণের জন্য বাজার সংশিস্নষ্ট সকল পৰকে নিয়ে বৈঠক করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি কর্মকর্তারা ছাড়াও এই বৈঠকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক, তালিকাভুক্ত কোম্পানিসহ সংশিস্নষ্ট সকল সংগঠনের নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
বৈঠক সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে করণীয় নির্ধারণের জন্য রবিবার সংশিস্নষ্ট সকল পৰকে নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে। দু'-একদিনের মধ্যেই পুঁজিবাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 1:00 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

গোয়েন্দা প্রতিবেদন
শেয়ারবাজারের ঘটনা সরকারের জন্য হুমকি


মাসুদ কার্জন
Kaler Kantho
23.01.2011


শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক ঘটনায় সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছে গোয়েন্দারা। একটি গোয়েন্দা সংস্থা সরকারকে দেওয়া এক প্রতিবেদনে বলেছে, 'বর্তমান অবস্থার নিরিখে শেয়ার মার্কেটকে স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সুপারিশ করছি।'
সম্প্রতি সরকারকে দেওয়া এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, 'অনুমান দুই কোটি লোকের রুটি-রুজি পুঁজিবাজারের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। বর্তমান সরকারের পূর্ববর্তী শাসনামলে শেয়ারবাজারের দরপতনের ঘটনায় অনেকের মনে নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। বর্তমানে ঘন ঘন দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আরো ভীতি কাজ করছে। এর ফলে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ার মার্কেট থেকে বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার মনোভাব পোষণ করছে, যা শেয়ার মার্কেটের জন্য এবং সরকারের জন্য হুমকিস্বরূপ।'
গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এবং তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া সংসদীয় কমিটি, অর্থ মন্ত্রণালয়, স্টক এঙ্চেঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়হীনতার কথা উল্লেখ করে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে বাজারের দরপতনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক একটি সিদ্ধান্ত, সন্দেহভাজন কয়েকজন 'গ্যাম্বলারের' ব্যাপারেও সতর্ক ইঙ্গিতসহ বেশ কয়েকটি কারণ তুলে ধরা হয়েছে।
শেয়ারবাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, ব্রোকারেজ হাউস ও বাজার বিশেষজ্ঞসহ কথা বলা ছাড়াও বিভিন্ন স্তরে অনুসন্ধান করে এ গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয় বলে জানা যায়। বাজার অস্থিরতার মধ্যে কেউ কেউ বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে আভাস দেওয়া হয় এ প্রতিবেদনটিতে।
গোয়েন্দা সূত্র মতে, দক্ষ-অদক্ষ হাজার হাজার বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে প্রবেশ করায় প্রত্যেকটি শেয়ারের দাম
অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। এতে মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে বিনিয়োগে শৈথিল্য দেখা দেয় এবং দরপতন হতে থাকে। সিকিউরিটি অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিয়ন্ত্রণমূলক কিছু পদক্ষেপের পরও এ দরপতন হয়।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের মূলধনের ১০ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার নীতিমালা না মেনে মূলধনের অধিকাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করায় শেয়ারের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক এ নীতিমালা অনুসরণের জন্য নির্দেশ দিলে ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ প্রত্যাহার করায় বাজারের দরপতন হয়।
গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো গত ডিসেম্বরের মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা বাজার থেকে প্রত্যাহার করে। আরো টাকা প্রত্যাহার হয়ে গেলে আরেক দফা বিপর্যয়ের আশঙ্কার আভাস দেওয়া হয় প্রতিবেদনে। এ ছাড়া কোনো কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান ব্যাংক লোন নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ না করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে। তাদের বিনিয়োগকৃত টাকা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহার করার নির্দেশ থাকায়ও বাজারে আতঙ্ক চলছে। আবার কিছু 'গেম্বলার' কৌশলে তাদের শেয়ার বিক্রি করে পুনরায় শেয়ার না কেনায় দরপতন ত্বরান্বিত করে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
গত ৮ ডিসেম্বরের পর থেকে বাজারে দরপতনের যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতিকে দায়ী করে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজারে তারল্য সংকট, পুঁজিবাজারের ঋণদাতা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগকারীদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণের জোগান দিতে পারছে না। কিছু বিনিয়োগকারী পুঁজি বাঁচাতে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে। বাজার অস্থিতিশীলতার কারণে বড় বিনিয়োগকারীরা সরে এসে আর বিনিয়োগ করেনি। ১০০ টাকার শেয়ারের লট ভেঙে ১০ টাকা করায় বাজার অল্প সময়ে অতি মূল্যায়িত হয়ে পড়ে। এতে অধিক লাভের আশায় অনেকেই বিনিয়োগ করে। এ সুযোগে বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে নেওয়ায় বাজারে তারল্য সংকটের কথাও তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দাদের অনেক বিনিয়োগকারী বলেছে, তাদের ক্রয়ক্ষমতা থাকলেও কিছু ব্রোকারেজ হাউস থেকে শেয়ার না কিনতে বলা হচ্ছে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বাজারের অস্থিরতা ঠেকাতে কিছু সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে আছে প্রতিটি কম্পানির শেয়ারের ফেসভ্যালুর মধ্যে সমন্বয়, কম্পানির সম্পদের সমন্বয় সাধন প্রক্রিয়া কার্যকর এবং সংসদীয় কমিটি, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটি এঙ্চেঞ্জ কমিশন ও স্টক এঙ্চেঞ্জের মধ্যে সমন্বয় আনা।


................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 1:02 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মার্চেই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাজার?

বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক আজ, বন্ধ থাকবে লেনদেন


জামাল উদ্দীন
The Daily Ittefaq
23.01.2011

'বাই এন্ড সেল' নেই আজ। থাকছে না মতিঝিলের সেই পুরনো দৃশ্য, বিপুল সংখ্যক ক্ষুদে বিনিয়োগকারীর হাঁক-ডাক, পদচারণা। সরকারি সিদ্ধান্তক্রমেই আজ বন্ধ থাকছে দেশের শেয়ার বাজার। রেকর্ড পতনের পর বাজার বন্ধ রেখে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে সরকার। বন্ধের মধ্যেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) শনিবার বাজার পর্যালোচনা সভা করেছে। বাজারকে কিভাবে টেনে তোলা যায় সে চেষ্টাই এখন করা হচ্ছে; কিন্তু লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর 'পুঁজি হারানোর বেদনা' কতটা উপশম হবে তা নিয়ে শংকা রয়েই গেছে। তবে বিনিয়োগকারীদের এই শংকার মধ্যে আশার বাণী শোনা গেছে সংশিস্নষ্ট কয়েকটি সূত্রে। এসব সূত্র বলেছে, মার্চেই ঘুরে দাঁড়াবে শেয়ার বাজার। ইতিমধ্যে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপ কার্যকর করা হবে। তার আগে বাজার চালু হলে সামনের দিনগুলোতেও বিনিয়োগকারীরা আশায় বুক বাঁধতে পারেন বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

সূত্রমতে, আজ বাজার পরিস্থিতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী বৈঠকে বসবেন। বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নিয়ে বাজার চালু করা হবে। তাতে থাকবে কিছু নতুন পদক্ষেপ কিংবা বলা যেতে পারে বিনিয়োগকারীদের জন্য 'ইনসেনটিভ' টাইপের কিছু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে যদি যথাযথ নীতি প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা সম্ভব হয় তাহলে সামনের দিনগুলোতে আশাব্যঞ্জক কিছু হবে। অর্থ্যাৎ আবার ঘুরে দাঁড়াবে বাজার। ধীরে ধীরে বাজার বাড়তে থাকবে এবং মার্চে গিয়ে বাজারের অবস্থা বেশি ভাল হবে। তখন বাজারের উন্নয়নে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকাও থাকবে ইতিবাচক। এসব প্রতিষ্ঠান গুছিয়ে নিয়ে তাদের বাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে পারবে।

সূত্রমতে, বাজারের জন্য এটি ইতিবাচক হওয়ার আরেকটি কারণ, সরকার বাজার ধসের নেপথ্য কারণ চিহ্নিত করার পাশাপাশি এর হোতাদের খুঁজে বের করার কথা বলেছেন। এর আগেও '৯৬ সালের কেলেংকারির ঘটনারও তদ্রূপ তদন্ত হয়েছিল; কিন্তু হতাশার কথা হচ্ছে, তার বিচার হয়নি নানা জটিলতায়। এবারেও কি বিচার হবে? এমন প্রশ্ন বিনিয়োগকারীদের মুখে মুখে। তবে বিনিয়োগকারীরা চান বাজার থেকে অর্থ লুটেরাদের শাস্তি হোক।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ একটি বার্তা সংস্থার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে অনেকটা ইঙ্গিত দিয়ে স্পষ্ট করতে চেয়েছেন, কারা বাজারে কেলেংকারির সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়গুলো আরো স্পষ্ট করে সরকার জনসম্মুখে তাদের মুখোশ উন্মোচন করুক- এমন দাবিও রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারী মহলে।

নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে শেয়ার বাজার ইসু্যটি আলোচনার মূল বিষয় হলেও '৯৬-এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে -এমনটি সংশিস্নষ্ট সংস্থার দায়দায়িত্বহীনতার পরিচায়ক বলেও মনে করা হচ্ছে। তবে এতবড় পতনের পর বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে এর কি অবস্থা হবে সে বিষয়েও সতর্ক রয়েছেন নীতিনির্ধারকরা।

এদিকে, পুুঁজিবাজারে ২০ জানুয়ারির অস্বাভাবিক লেনদেন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জেনারেল ইনভেস্টর্স ফোরাম (বিজিইএফ) নামে বিনিয়োগকারীদের একটি সংগঠন। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কারসাজির কারণে ঐ দিন অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত সূচকের পতন সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তারা। এ ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দাবি করেছে সংগঠনটি।

এতে সংগঠনের আহ্বায়ক মো. মোর্শেদুর রহমান, সদস্য ড. নাজমুল হাসান, আবু তাহের সরকার, সালাউদ্দিন মানিক ও মো. ওমর ফারুক উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ফোর্স সেলিং বন্ধের দাবি জানিয়ে বিনিয়োগকারীরা বলেন, ফোর্স সেল বন্ধ না হলে বাজারে বিক্রির চাপ আরো বেড়ে যাবে। এতে বাজার কোনোভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। এ ছাড়া বর্তমানে প্রচলিত ২২৫ পয়েন্টের সার্কিট ব্রেকার পদ্ধতি প্রত্যাহার করারও দাবি জানান হয়।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 1:04 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
১৫ হাজার কোটি টাকা লুটেছেন আওয়ামী লীগ বিএনপির ১০-১৫ রাজনীতিক ব্যবসায়ী

শেয়ার বাজারের লুটে নেয়া এই টাকা দেশে আর কোনদিন বিনিয়োগ হবে না


খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
ইত্তেফাক রিপোর্ট
23.01.2011

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ-বিএনপির ১০/১৫জন ব্যবসায়ী রাজনীতিক শেয়ারবাজার থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছেন। কিন্তু এই টাকাটা তারা আর কোন দিন বিনিয়োগ করবেন না। এই টাকাটা তারা মেরে দিয়েছেন। গতকাল শনিবার ইত্তেফাককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন। কিভাবে শেয়ারবাজারের এ লুটপাটটা হলো তা জানতে চাইলে তিনি বলেন,'আমার প্রশ্ন হলো, শেয়ারবাজারের যখন দাম বাড়লো তখন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনলো। কিন্তু যখন দাম পড়ে গেল তখন টাকাটা কোথায় গেল? আমি বলবো, এই টাকাটা কয়েকজনের পকেটে চলে গেছে। লুটে নেয়া এই ১৫ হাজার কোটি টাকা দেশে আর কোনদিন বিনিয়োগ হবে না। আমি মনে করি, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে শুধু একটি দলের লোক জড়িত নন। উভয় দলের লোকজন এখানে জড়িত। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও পুঁজিবাজারে তাদের মধ্যে কোন বিরোধ নেই। বিরোধ হলো সংসদে গিয়ে।

দেশের সাধারণ মানুষের টাকা একাট্টা হয়ে মেরে দিতে তাদের কোন অসুবিধা নেই।' খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ আরো বলেন, আমি বলবো কোন কোন ক্ষেত্রে এসইসি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এর সঙ্গে জড়িত। অথবা তাদের অসহায়ত্ব ছিল। তা না হলে এটি কিভাবে হলো। তাদের দায়িত্ব হলো বাজার নিয়ন্ত্রণ করা। যখন সরকার থেকে শেয়ার ছাড়ার কথা ছিল সেটা করা গেল না। যেখানে শেয়ার কম সেখানে এতো টাকা বাজারে এলো কী করে? সিকিউরিটি একচেঞ্জ কমিশনের (এসইসির) কাজ হলো বাজারে কোন সমস্যা হলে প্রয়োজনে বাজার কখনও টেনে ধরা কিংবা ছেড়ে দেয়া। কিন্তু এসইসি সেটা না করে বরং উল্টোটা করেছে। যখন টেনে ধরার দরকার ছিল তখন তারা দাম বাড়ায় সহায়তা করছে। না হলে বাজারে দাম বাড়লো কেন? শেয়ারবাজার সংশিস্নষ্টতায় সরকার মানে তো এসইসি, সরকার মানেতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নন। এই কারসাজির জন্য এসইসিই দায়ি।

তিনি বলেন, বাজার একবার উঠলে আবার পড়বে। এটাকে কারেকশন বললেও এটা কারেকশন না। কয়েকটি গ্রুপ রাতে বসে ঠিক করে আগামীকাল কোন্ শেয়ারের দাম বাড়বে। এখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কি করার আছে! তবে এখানে এসইসির করণীয় আছে। কোন কোন শেয়ার যখন প্রিমিয়ামে বিক্রি হয়, সেখানে তারা অতিরিক্ত প্রিমিয়াম কেন দেয়? বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি এ দু'টির আলাদা চার্টার আছে। তারা বিনা চার্টারে কাজ করে না। কার চার্টারে কি আছে সেটা দেখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের যে, আইন রয়েছে সেখানে কোথাও লেখা নেই যে স্টক মার্কেট বাংলাদেশ ব্যাংক দেখবে।

বাজারের এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় কি হতে পারে এমন প্রশ্ন অনেকেই করছেন। তবে বিরাজমান অবস্থা থেকে উত্তরণের কোন পথ আছে বলে আমার কাছে মনে হয় না। অস্বাভাবিক উত্থান হলে এভাবেই পতন হয়। তবে একটা পথ বলতে আমি বলবো এই অবস্থায় এসইসিকে সম্পূর্ণরূপে পুনর্গঠন করা না হলে শেয়ারবাজার ঠিক করা যাবে না। এখানে সৎ ও দক্ষ লোক বসিয়ে বাজার পরিচালনা করতে হবে। তিনি আরো বলেন, শোনা যায় শেয়ারবাজারের এই দরপতন সম্পর্কে গোয়েন্দা সংস্থা সরকারকে সঠিক তথ্য দেয়নি।

এদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকার এ সপ্তাহের মধ্যেই সিকিউরিটি একচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) রদবদল করছে।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 9:23 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

শেয়ারবাজার থেকে তোলা অর্থ কী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা দেখার পরামর্শ
এসইসি পুনর্গঠন ও তদন্ত কমিটি গঠনের চিন্তা


শওকত হোসেন ও হাসান ইমাম | তারিখ: ২৩-০১-২০১১
Prothom-Alo


দ্রুত এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া শেয়ারবাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
এ জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তি প্রদান, বাজার ধসের কারণ অনুসন্ধানে টাস্কফোর্স গঠন এবং বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে যাঁরা ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।
সূত্র জানায়, সরকারও আস্থা ফিরিয়ে আনতে নতুন কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে। এ লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলছেন। এসইসিতে নতুন দুজন সদস্য নিয়োগ দেওয়াসহ পুনর্গঠন এবং দায়দায়িত্ব নিরূপণ করতে একটি কমিটি গঠন করা হতে পারে বলেও জানা গেছে।
অর্থমন্ত্রী আজ রোববার সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে শেয়ারবাজার পরিস্থিতি বিষয়ে বৈঠক করবেন। ৩০ লাখেরও বেশি বিনিয়োগকারী এখন এই বৈঠকের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়। তাঁরা আস্থা ফিরে পেতে চান। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে সরকারের ওপর। আজ শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে।
অর্থমন্ত্রী গত শুক্রবার তাঁর ও এসইসির নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে স্বীকার করেছেন। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও মনে করেন, অনেক সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়াই এমন অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার ফলে কৃত্রিমভাবে বাজার চাঙা থেকেছে এবং শেয়ারের দর বেড়েছে। এতে অতি লাভের লোভে বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও বেড়েছে।
বাজারে বড় ধস নামলেও এখান থেকে মুনাফা তুলে নিয়েছে, এমন বিনিয়োগকারীও অসংখ্য বলে জানা গেছে। এই অর্থ কোথায় যাচ্ছে, নতুন বিনিয়োগ কর্মকাণ্ডে যাবে না পাচার হয়ে যাবে, সেটি দেখাও প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘অতীতে বিদেশি ঋণ ও ব্যাংকের অর্থ নিয়ে অনেকে ধনী হয়েছেন। এবার মধ্যবিত্তের সঞ্চয় নিয়ে এ ধরনের চেষ্টা দেখা গেল। এর অবশ্যই সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে। যাঁরা বলেন, এর কোনো প্রভাব নেই, তাঁদের সঙ্গে একমত নই।’ তিনি আরও বলেন, এখনো বিনিয়োগ করার ভালো ক্ষেত্র তৈরি হয়নি। সুতরাং শেয়ারবাজারের মুনাফার অর্থ কোথায় যায়, তা দেখা প্রয়োজন। নতুন করে অর্থ পাচারের বিষয়ে তিনি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, কর আরোপ করার বিষয়টিও আবার ভাবতে হবে। গত বাজেটে চেষ্টা করেও অর্থমন্ত্রী পারেননি। কিন্তু এটি করা প্রয়োজন।
এসইসি পুনর্গঠন: পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। কিন্তু গত দুই বছরে পুঁজিবাজার অনেকের কথায় চলেছে বলে সূত্র জানায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের একজন সাবেক সভাপতি, স্থায়ী কমিটির একজন প্রভাবশালী সাংসদ এবং একজন বড় ব্যবসায়ী নানাভাবে এসইসিকে প্রভাবিত করেছেন। তাঁদের কারণে এসইসিকে নানা সময়ে নানা ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। এর প্রভাব পড়ে বাজারে। ফলে এসইসির বিশ্বাসযোগ্যতা তেমন ছিল না। সুতরাং এসইসি পুনর্গঠন না করলে এর প্রতি আস্থা ফিরে আসবে না বলেই সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ ৪ জানুয়ারি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর তৈরি একটি প্রতিবেদনে বলেছে, একটি গ্রুপ শেয়ারবাজারে নানাভাবে সক্রিয় ছিল। দুই স্টক এক্সচেঞ্জের কয়েকজন সদস্য, এসইসির কর্মকর্তা, কিছু রাজনৈতিক নেতা, কয়েকজন বড় ব্যবসায়ী, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের সদস্যরা নানাভাবে বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এমনকি অর্থ মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিও নানা সময়ে পরামর্শকের ভূমিকা নেওয়ায় তা এসইসি ও পুঁজিবাজারের ওপর চাপ তৈরি করে।
সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় মনে করেন, এসইসির ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনতে সংস্থাটির প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার জরুরি। যাঁরা দায়িত্ব পালন করতে পারেননি, তাঁদের দায়দায়িত্ব নিরূপণ করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি সংস্থাটির সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।
টাস্কফোর্স গঠন: ’৯৬-এর শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার এখনো হয়নি। এবারও কিছু মানুষের কারসাজির কারণে বাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে বলে সবাই মনে করেন। এ কারণে এখন আরেকটি কমিটি গঠনের সময় হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। অর্থমন্ত্রী নিজেও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন। এ লক্ষ্যে কমিটি বা টাস্কফোর্স গঠন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
সূত্রগুলো মনে করছে, কখন কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কী কারণে পরিবর্তন করা হয়েছিল এবং কারা পরিবর্তনে প্রভাব বিস্তার করেছে—সবকিছুই খতিয়ে দেখা হবে। কেননা, কারা কারসাজি করে শেয়ারের মূল্য বাড়িয়েছেন এবং মুনাফা নিয়ে বাজার থেকে বের হয়ে গেছেন, তা খুঁজে বের করতেই একটি কমিটি বা টাস্কফোর্স গঠন করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১০ সালের শেষ ছয় মাসে ১৬টি কোম্পানি রাইট শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে দুই হাজার ১৪ কোটি টাকা বাজার থেকে তুলেছে। এ ছাড়া সরাসরি তালিকাভুক্তি ও বুক বিল্ডিং পদ্ধতির মাধ্যমেও কয়েকটি কোম্পানি প্রচুর অর্থ তুলে নিয়েছে। এসব অর্থ কোথায় বিনিয়োগ হয়েছে, তা এবং এসব অর্থ ব্যবহার করে কোম্পানিগুলোর লাভজনকতা বেড়েছে কি না, তা দেখতে হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যও এ ধরনের একটা কমিটি গঠনের পক্ষে মত দেন।
ব্যাংক খাতের বিনিয়োগ: বাংলাদেশ ব্যাংক শুরু থেকেই শেয়ারবাজারে কোনো কোনো ব্যাংকের অতিরিক্ত অংশগ্রহণের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হয়ে এর রাশ টেনে ধরতে চেয়েছিল। কিন্তু ডিএসইর একজন প্রভাবশালী সদস্য ও একজন বড় ব্যবসায়ী সরকারের নানা মহলে প্রভাব বিস্তার করে তা করতে বাধা দেন বলে সূত্র জানায়। এর ফলে শেয়ারবাজারে কোনো কোনো ব্যাংকের বিনিয়োগ বেশি থেকে যায়। জানা গেছে, বেসরকারি খাতের কয়েকটি ব্যাংক শেয়ারবাজার থেকে অতিরিক্ত মুনাফা করেছে।
ব্যাংকগুলোর কয়েকটি ২০১০ সালে আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি মুনাফা করেছে। এই মুনাফার বড় কারণ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ। ব্যাংকগুলোর মোট মুনাফার কত অংশ শেয়ারবাজার থেকে এসেছে, সে তালিকা প্রকাশ করা প্রয়োজন বলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন। তা ছাড়া ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংকিং শাখা কী ধরনের ভূমিকা পালন করেছে, তা-ও খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।
সমন্বিত উদ্যোগ: সামষ্টিক অর্থনীতি বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি সমন্বয় কমিটি রয়েছে। কিন্তু শেয়ারবাজার বিষয়ে কমিটি একটি বৈঠকও করেনি। আবার সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে সমন্বিত পদক্ষেপও নিতে দেখা যায়নি কখনো। পুরো সময়জুড়েই ছিল নীতি সমন্বয়ের ব্যর্থতা। আস্থা ফিরিয়ে আনতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলেও মনে করছেন সবাই।
এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, এ মুহূর্তে বাজারে আস্থার সংকটই মূল সমস্যা। অন্য সমস্যাগুলো গৌণ। কারণ, বাজারে অনেক শেয়ারই বিনিয়োগযোগ্য অবস্থায় চলে এসেছে। তার পরও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সে ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এ ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা একটা ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে তারা সেটি না করে আরও পতনের জন্য অপেক্ষা করছে। এ ব্যাপারে সরকারসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সতর্ক থাকতে হবে।
একই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা যেমন, বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি সমন্বিতভাবে কাজ করছে—সেই ব্যাপারটিও বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরতে হবে। এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী মনে করেন।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলামও মনে করেন, সরকারের এই দুই সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জরুরি। কারণ, মুদ্রাবাজার ও পুঁজিবাজারের একটি যোগাযোগ রয়েছে। এ যোগাযোগ পরস্পরবিরোধী এবং একটির নীতি অন্যটিকে বিপরীতভাবে প্রভাবিত করে। দুটি ক্ষেত্রই যাতে মাঝামাঝি একটি অবস্থানে থাকতে পারে, সে বিষয়টি দেখা যেতে পারে।
বাজারশক্তির ওপর নির্ভরতা: বাজারসংশ্লিষ্টরা সবাই মনে করছেন, বাজারকে বাজারশক্তির ওপর ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন। যখনই বাজার সংশোধন শুরু হয়, তখন তাকে বাধা না দিয়ে বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন। যেমন, ২০১০ সালের শুরুতে বাজার সংশোধন হলে ক্ষতিগ্রস্ত হতো ১৫ লাখ বিনিয়োগকারী। আর এখন বাজারে ধস নামায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩০ লাখের বেশি বিনিয়োগকারী। আবারও বাজার কৃত্রিম উপায়ে চাঙা রাখা হলে এক বছর পর হয়তো ক্ষতির মুখে পড়বে ৫০ লাখ বিনিয়োগকারী। সুতরাং সংশোধন যত দিন ঠেকিয়ে রাখা হবে, পরিস্থিতি ততই খারাপ হবে।
মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বর্তমান পরিস্থিতিতে দীর্ঘ মেয়াদে বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে নতুন শেয়ার ছাড়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে এখনই সরকারি শেয়ার ছাড়া যাবে কি না, সে ব্যাপারে গত শুক্রবার অর্থমন্ত্রী সংশয় প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এ ধরনের সংশয় থাকা উচিত নয়। কারণ প্রাথমিক বাজারে (আইপিও) এখনো কোনো সমস্যা নেই। সব আইপিওতে চাহিদার তুলনায় বেশি আবেদন জমা পড়ছে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত করা উচিত হয়নি বলে উল্লেখ করে মির্জ্জা আজিজ আরও বলেন, এ আইনের কোনো সমস্যা থাকলে তা সংশোধন করা যেত। কিন্তু বাদ দেওয়ায় বেসরকারি খাত নিরুৎসাহিত হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 9:27 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে বিনিয়োগকারীদের ১০ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৩-০১-২০১১
Prothom-alo


পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ১০ দফা দাবি জানিয়েছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ জেনারেল ইনভেস্টরস ফোরাম (বিজিআইএফ)।
গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানায়।
সংগঠনটির নেতারা ২০ জানুয়ারির লেনদেন বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেন, ২২৫ পয়েন্টে সূচকের ‘সার্কিট ব্রেকার’ নির্ধারণ করে দেওয়ার পরও পাঁচ মিনিটে ৫৮৭ পয়েন্ট সূচক কমেছে। তাই ওই দিনের লেনদেন বহাল রাখার বৈধতা বা আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। পাশাপাশি তাঁরা জোর করে শেয়ার বিক্রি (ট্রিগার বা ফোর্সড সেল) বন্ধের দাবি জানান।
সংগঠনের আহ্বায়ক মোর্শেদুর রহমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাজমুল হাসান। আরও উপস্থিত ছিলেন ফোরামের নেতা সালাউদ্দিন মানিক, আবু তাহের সরকার, মাসুুদুর রহমান নাহিদ প্রমুখ।
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ফোরামের নেতারা আরও যেসব দাবি জানিয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছে বাজারের তারল্য সংকট কাটাতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত অর্থসুবিধা দেওয়া; ক্রয়মূল্য ও বাজারমূল্যের মধ্যে যেটি কম, তার ভিত্তিতে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমার হিসাব করা; ব্যাংকের বিধিবদ্ধ জমা (এসএলআর) ও এর নগদ অংশের (সিআরআর) পরিমাণ কমানো; ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই, সিএসই) সদস্যসংখ্যা বাড়ানো; এবং দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে ডিমিউচুলাইজ (পরিচালনা পর্ষদ থেকে ব্যবস্থাপনাকে আলাদা করা) করা।
সংগঠনের নেতারা সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের দায়িত্বহীন বক্তব্য দেওয়া বন্ধ করা; প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ বাড়ানো এবং শেয়ার কেনার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যাপ্ত অর্থসহায়তা দেওয়ারও দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমানে শেয়ারবাজারে ৩৩ লাখ বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবধারী রয়েছেন। প্রতিটি বিও হিসাব গড়ে পাঁচজনের একটি পরিবারকে প্রতিনিধিত্ব করলে এই বাজারের সঙ্গে এক কোটি ৬৫ লাখ লোকের স্বার্থ জড়িত। আবার গত দুই বছরে প্রবাসী বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৭ হাজারে।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, শেয়ারবাজারের কারণে গত দুই বছরে প্রায় ১০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি সরকার শেয়ারবাজারের প্রতিদিনের লেনদেন থেকে কর বাবদ দুই কোটি টাকা আয় করছে।
এসব পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিজিআইএফের নেতারা বলেন, শেয়ারবাজারকে কোনোভাবেই হেলাফেলার চোখে দেখার সুযোগ নেই।
শেয়ারবাজার বর্তমানে তারল্য ও আস্থার সংকটে ভুগছে বলেও দাবি করেন উপস্থিত বিনিয়োগকারীরা। তাই তাঁরা আস্থার সংকট কাটাতে সবার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের কথা বলেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 7:53 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআরআর বাড়ানোর পদক্ষেপ সময়োপযোগী ছিল না : সালেহ উদ্দিন

ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

শেয়ার বাজারে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকগুলোর নগদ জমা সংরক্ষণ (সিআরআর) বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সঠিক হলেও তা সময়োপযোগী ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ। রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত মনিটরি পলিসি ম্যানেজমেন্ট এন্ড বাংলাদেশ ব্যাংক শীর্ষক এক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। ইআরএফ-এর সভাপতি মনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ, কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, বাংলাদেশ ব্যাংক ও ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের কর্মকর্তাবৃন্দ।
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআরআর বৃদ্ধি ডিসেম্বর মাসে না করে আগে বা পরে করতে পারত। কারণ এ সময় ব্যাংকগুলোতে সাধারণত তারল্য ঘাটতি থাকে। এছাড়া তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোকে শেয়ারবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে যাওয়া উচিত নয়। এতে ব্যাংকের বিনিয়োগকারীরা লাভ পান না বরং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
তিনি বলেন, দেশে শেয়ারবাজারের যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে আর্থিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটা আক্রান্ত হলে দেশের অর্থনীতি খারাপ হয়ে যাবে। এ আর্থিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের চরম ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই এখান থেকে সমাধানের একটা পথ বের হওয়া দরকার।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজারে যে কেলেঙ্কারি হয়েছিল, তাদের যথাযথ শাস্তি হলে বর্তমান সময়ে শেয়ারবাজারের এ অবস্থা হতো না।
ড. খলীকুজ্জামান বলেন, মূল্যস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে শুধু মনিটরি পলিসি করলেই কাজ হবে না, ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কে কার্যকর করতে হবে। টিসিবির জনবল ও পরিধি বাড়াতে হবে এবং স্বাধীনতা দিতে হবে। এর পাশাপাশি সরকারকে কমপক্ষে ১২ লাখ টন চাল মজুদ রাখতে হবে। মূল্যস্থিতি ৫ শতাংশের মধ্যে হলে তা ভালো। এর সামান্য উপরে গেলে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। তবে তার চেয়ে বেশি হলে তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। দেশের মূল্যস্থিতি এখন ৭ শতাংশের উপরে। সুতরাং তা জোর দিয়েই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে এ দুটি খাতের প্রতি জোর দিতে হবে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসএইচ/ডিএইচ/ ১৫:০২ ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 7:55 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে কাল লেনদেন বন্ধ, সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহার


ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

পুঁজিবাজারে চলমান ভয়াবহ বিপর্যয় কাটাতে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা প্রয়োগের জন্য কাল সোমবার লেনদেন বন্ধ থাকবে। মঙ্গলবার থেকে লেনদেন আবার শুরু হবে। বাজারের দর উঠানামা নিয়ন্ত্রণে ইতিপূর্বে আরোপিত সূচকের সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা ৬টায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান। এছাড়াও তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর দরের সীমা কমানোর, পুঁজিবাজারে বাই-ব্যাক পদ্ধতি চালুর জন্য কোম্পানি আইন সংশোধন এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের মূলধন স্বল্পতা কাটাতে উদ্যোগ নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ সময় মন্ত্রী বুক বিল্ডিং পদ্ধতির তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি স্থগিত রাখার কথা এবং বাজার থেকে অর্থ লুটপাটকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিটি গঠন করার কথা জানান।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এইচএ/এসসি/১৮.৪৯ ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 17 / 40 1 - 2 - 3.. - 15 - 16 - 17 - 18 - 19.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview