| 01/20/2011 7:01 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার নিয়ে ডিএসই'র জরুরি বৈঠক বিকেলে
ঢাকা, ২০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
বেসামাল পুঁজিবাজার নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। বিকেলে অনুষ্ঠেয় পরিচালনা পর্ষদের এ বৈঠকে লেনদেন স্থগিত রাখাসহ বিভিন্ন অপশন নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী রোববার থেকে কমপক্ষে ৩ দিনের জন্য শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার প্রস্তাব অনুমোদন হতে পারে বৈঠকে। পরে বৈঠকের সিদ্ধান্ত পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে অবহিত করা হবে। শীর্ষ নিউজ ডটকমকে এ কথা জানিয়েছেন ডিএসই'র প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের শুরু থেকে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ পর্যন্ত দু'দিন পুঁজিবাজারে চাঙ্গাভাব দেখা যায়। পতন ঠেকাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি সূচকে সার্কিট ব্রেকার আরোপসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। পতনের মুখে দু'দিন শেয়ার লেনদেন স্থগিত করা হয়। বুধবার থেকে সূচকে সার্কিট ব্রেকার পদ্ধতি চালু এবং স্বাভাবিক লেনদেন ২ ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমএইচ/১৫.০৫ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 7:04 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বেসামাল পুঁজিবাজার
৫ মিনিটেই বন্ধ লেনদেন, সংঘর্ষ-লাঠিপেটা
Thu, Jan 20th, 2011 6:47 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় বৃহস্পতিবার বাজার শুরুর ৫ মিনিটের মাথায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
এতে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে এবং মতিঝিলে তাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় আটক করা হয় অন্তত আট জনকে। বিক্ষোভ হয়েছে ঢাকার বাইরেও।
পরিবর্তিত সময়সূচি অনুযায়ী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় শুরু হয় লেনদেন। ৫ মিনিটের মাথায় প্রথম দফা সূচক সমন্বয়ের সময়ই দেখা যায়, তা ৫৮৭ পয়েন্ট পড়ে গেছে। ফলে লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী সিএসইও লেনদেন বন্ধ করে দেয়।
সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসইতে পাঁচ মিনিটের লেনদেনে ৬৮ কোটি টাকার ১০ হাজার ৪৩৩টি শেয়ার হাতবদল হয়। এর মধ্যে ৮টি কম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ১৭২টির কমেছে এবং দুটির দাম অপরিবর্তিত ছিল।
লেনদেন বন্ধ হওয়ার সময় ডিএসইর সাধারণ সূচক ছিল ৬ হাজার ৩২৬ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট, যা আগের দিনের চেয়ে ৫৮৭ পয়েন্ট বা ৮ দশমিক ৪৯১ পয়েন্ট কম।
এর আগে মঙ্গলবার ব্যাপক দরপতনের মুখে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বুধবার ডিএসইতে ২২৫ পয়েন্টে সার্কিট ব্রেকার আরোপ করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। জানানো হয়, লেনদেন ২২৫ পয়েন্টের বেশি কমে বা বেড়ে গেলে লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।
সিএসইকেও ডিএসইর পদক্ষেপ অনুসরণ করতে বলা হয়।
সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় বুধবারও দেড় ঘণ্টার মাথায় ডিএসইতে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সিএসইর লেনদেনও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
দুদিনই বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক বিক্ষোভ করে।
পুঁজিবাজারে অস্থিরতার জন্য সরকারকে দায়ী করেছে বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, "আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে পুঁজিবাজারে ধস নামে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সর্বস্বান্ত হয়ে রাস্তায় বসে যায়।"
তবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী বলেছেন, বাজারে অস্থিরতার জন্য সরকারকে দায়ী করা যায় না। কারণ বাজার চলে বাজারের নিয়মে।
ডিএসইর বক্তব্য
পুঁজিবাজারে পরিস্থিতি নিয়ে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলন ডাকে ডিএসই। সংবাদ সম্মেলন চলাকালেই সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর আসে।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "বাজারে বুক বিল্ডিং প্রাইসে কিছু সমস্যা আছে। কিছু শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়েই বাজারে আসছে।"
কোম্পানিগুলোর ব্যালেন্স শিট দেখে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বাজার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ডিএসই সভাপতি বলেন, এ মুহূর্তে আস্থার সঙ্কটই পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বড় সমস্যা।
এ কারণেই লেনদেনের সময় চার ঘণ্টা থেকে কমিয়ে দুই ঘণ্টা করার সিদ্ধান্ত নেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
শাকিল রিজভী সকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আপাতত দুই ঘণ্টা করে লেনদেন হবে।"
তবে বিনিয়োগকারীরা আস্থা ফিরে পেলে আগের মতোই দিনে চার ঘণ্টার সূচিতে ফিরে যাওয়া হবে বলে জানান তিনি। শাকিল আশা করছেন, আগামী সপ্তাহেই আবার চার ঘণ্টা লেনদেন শুরু করা যাবে।
বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
দুপুরে লেনদেন বন্ধ হওয়ার পরপরই রাস্তায় নেমে পড়ে বিনিয়োগকারীরা। রাস্তায় কাগজ জড়ো করে তাতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে তারা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের কয়েক দফা ধাওয়া-ধাওয়ি হয়। অবশ্য কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
বিক্ষোভের সময় দুই ঘণ্টায় পুলিশ আট জনকে আটক করে। এদের মধ্যে ছয় জনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন- আনিসুল ইসলাম, রেজাউল করিম, হারুনূর রশিদ, হোসেন, জামাল ও সালাউদ্দিন। তবে বিস্তারিত পরিচয় জানা
যায়নি।
বিকাল পৌনে ৩টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে এলে মতিঝিল এলাকায় ফের গাড়ি চলাচল শুরু হয়।
দরপতনের খবরে ধানমণ্ডি সাত মসজিদ এলাকাতেও বিক্ষোভ দেখায় একদল বিনিয়োগকারী। দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত ওই বিক্ষোভের সময় পুলিশের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। দুপুর ২টার দিকে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বন্ধ হওয়ার পর দেড়টার দিকে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে। তবে ১৫ মিনিটের মধ্যে লাঠিপেটা করে তাদের হটিয়ে দেয় পুলিশ।
এরপর চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদের বেশকিছু ব্রোকারেজ হাউস থেকে বিনিয়োগকারীরা দুই দফায় মিছিল নিয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) কাছে আসার চেষ্টা করেও পুলিশের বাধায় ব্যর্থ হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (ডবলমুরিং অঞ্চল) তানভীর আরাফাত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, বেলা ২টা ১০ এর দিকে বিক্ষোভকারীরা আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়ে সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ সেখান থেকে ১০ জনকে আটক করে।
সিএসইর ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট ডেভলেপমেন্ট) একেএম শাহরুজ আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিনিয়োগকারীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। তারা বৃহস্পতিবারের পুরো লেনদেন বাতিল, আটককৃতদের মুক্তিসহ ১০ দফা দাবি জানিয়েছেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ডিএসইর লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সাভার, ফেনী, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ, সিরাজগঞ্জ ও খুলনায় বিক্ষোভ করেছেন বিনিায়োগকারীরা।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এলএইচ/কেটি/প্রতিনিধি/আরএম/এমআ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 7:05 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে রোববার লেনদেন বন্ধ
Thu, Jan 20th, 2011 5:49 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) রোববার লেনদেন হবে না বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
সোমবার লেনদেন হবে কি না সে বিষয়ে রোববার বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি'র সদস্য ইয়াসিন আলী বৃহস্পতিবার বিকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। একইসঙ্গে ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন কার্যক্রম ৩০ দিনের স্থগিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এগুলো হলো- আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, পিএসআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং এনসিসি ব্যাংক, আল আরাফাহ ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংকের মার্চেন্ট শাখা।
ইয়াসিন বলেন, "ওই ছয় ব্রোকারেজ হাউজ থেকে দিনের [বৃহস্পতিবার] শুরুতে 'অত্যাধিক বিক্রির চাপ' (অ্যাগ্রেসিভ সেলিং প্রেশার) লক্ষ্য করা গেছে।"
"তাদেরকে শুনানির চিঠি পাঠানো হয়েছে বক্তব্য জানার জন্য," বলেন ইয়াসিন।
ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন কার্যক্রম স্থগিত করার ক্ষেত্রে সাধারণত শুনানি হয়ে থাকে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/পিডি/১৮৫০ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 7:06 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | জালিয়াতির অভিযোগ ডিএসই সভাপতির
Thu, Jan 20th, 2011 6:42 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
পুঁজিবাজারে জালিয়াতির অভিযোগ এনে জড়িতদের বিচার দাবি করলেন খোদ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "যারা জালিয়াতি করছেন- আমরা তাদের বিচার চাই।"
পুঁজি বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) উদ্দেশে শাকিল রিজভী বলেন, "খতিয়ে দেখতে হবে কারা বাজার থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে।"
তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর 'ব্যালেন্স শিট' পরীক্ষা করে বাজারের অস্বাভাকি পতনের কারণ খতিয়ে দেখার জন্যও এসইসির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
পুঁজিবাজারের অস্থিরতা নিয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে ডিএসই'র পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এক ঘণ্টার এই সংবাদ সম্মেলন চলাকালেই খবর আসে, সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় বাজার শুরুর মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় ডিএসই'র লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে।
বাজারের এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যা চাইলে শাকিল রিজভী বলেন, "বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার বাজারে আসা নিয়ে দ্বিধা তৈরি হয়েছে। মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রেও অসুবিধা সৃষ্টি হয়েছে।
"এছাড়া বাজার অতিমূল্যায়িত হওয়ায় দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারাচ্ছেন, যার কারণে পুঁজিবাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।"
তিনি দাবি জানান, এসইসি কর্তৃপক্ষ যেন এই বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেয়।
বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসতে চাওয়া অনেকগুলো কম্পানিরই ব্যালেন্স শিট দুর্বল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের যথাযথভাবে পরীক্ষা করা উচিত।
তিনি জানান, এখনো পর্যন্ত ৪৮টি কম্পানি বুক বিল্ডি পদ্ধতিতে বাজারে আসার জন্য রোড শো করছে বা করবে।
বিরোধী দল বিএনপি এরইমধ্যে পুঁজিবাজারে অস্থিরতার জন্য সরকারকে দায়ী করেছে। এ প্রসঙ্গে ডিএসই সভাপতি বলেন, শেয়ার বাজারে উত্থান-পতনের জন্য সরকারকে দায়ী করা যায় না। বাজার চলে বাজারের নিয়মে।
"সরকার কেন দাম উঠানামার দায়িত্ব নেবে? তারা তো শেয়ারের দাম নির্ধারণ করে না। এর জন্য তাদের কিংবা স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে দায়ী করা ঠিক নয়," বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের প্রতি বেশ কিছু পরামর্শও দিয়েছেন ডিএসই সভাপতি।
তিনি বলেন, "আমরা সব সময়ই চাই বাজারে ভালো শেয়ার আসুক। আমরা বিনিয়োগকারীদেরও স্বাগত জানাই।
হাতে ভাল কম্পানির শেয়ার থাকলে তা এখন বিক্রি না করে লভ্যাংশ ও বোনাস শেয়ারের সুবিধা নেওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদে পরামর্শ দেন তিনি।
অবশ্য যারা ইতিমধ্যে ভাল শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন, তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার আর 'উপায় রইল না' বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শাকিল রিজভী আরো বলেন, "ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আসায় স¤প্রতি বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল। কিন্তু বিভিন্ন আইন-কানুনের কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আর সেভাবে বাজারে আসতে পারছে না।"
স¤প্রতি আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ার কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো গত পাঁচ বছরে যে লাভ করেছে তা মুদ্রা বাজারে খাটাচ্ছে, যার কারণে কলমানি রেট ১৮০ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল।
"আমরা আহ্বান জানাই, তাদের আর নতুন মূলধন নিয়ে বাজারে আসার দরকার নাই। কেবল লাভটুকুই যেন বিনিয়োগ করেন," বলেন তিনি।
দেশের রপ্তানি পরিস্থিতি ভালো উল্লেখ করে তিনি বলেন, "পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎও ভালো।"
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছু কিছু বিষয় শেয়ার বাজারকে প্রভাবিত করে। টিভি টক শোতে ভুল তথ্য দিয়ে পুঁজি বাজারকে দুর্বল করে দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, "ইটিভি বিভিন্ন ভুল তথ্য দিয়ে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করছে।"
এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে ডিএসই প্রধান বলেন, "মার্কেটকে অস্থিতিশীল করে তোলার চক্রান্ত করবেন না। আমরা আশা করি, সাংবাদিকরা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন।"
পরিবর্তিত সময়সূচি অনুসারে বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় দুপুর ১টায়। মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় প্রথম দফা সূচক সমন্বয়ের সময়ই দেখা যায়, তা ৫৮৭ পয়েন্ট পড়ে গেছে। ফলে লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী সিএসইও লেনদেন বন্ধ করে দেয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/জেকে/১৮৩৩ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 7:12 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
ব্যাপক দরপতনে পুঁজিবাজার বন্ধ, বিক্ষোভে টিয়ারশেল, আটক ১৫
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২০-০১-২০১১
Prothom-Alo
লেনদেনের শুরুতেই ব্যাপক দরপতনে আজ বৃহস্পতিবার বন্ধ হয়ে গেছে দেশের দুই পুঁজিবাজার। লেনদেন শুরুর ছয় মিনিটেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং ১১ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ সূচকের পতন সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনার পর রাজধানী ও চট্টগ্রামে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ শুরু করেছেন। পুলিশ মতিঝিল এলাকায় চারটি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে এবং এ পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করেছে।
মতিঝিল এলাকায় পুলিশ ও বিনিয়োগকারীরা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন। পুলিশ লাঠিপেটা করছে আর ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা ইটপাটকেল ছুড়ছেন। মতিঝিল এলাকায় এখন যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আটককৃতদের কয়েকজন হলেন—আনিসুল ইসলাম, রেজাউল করিম, হারুন-উর রশীদ, হোসেন ও সালাউদ্দিন। অন্যদের পরিচয় জানা যায়নি।
চট্টগ্রামে সিএসই কার্যালয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিএসই কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়েছে।
আজ ডিএসইতে লেনদেনের ছয় মিনিটেই সাধারণ সূচক ৫৯৯ পয়েন্ট পড়ে যায়। ফলে সার্কিট ব্রেকারের ২২৫ পয়েন্টের সীমা অতিক্রম করলে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায় ।
এ সময়ে মোট ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম কমে ১৭২টির, বাড়ে আটটির এবং অপরিবর্তিত থাকে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
মোট ৬৮ কোটি টাকার লেনদেন হয় ।
সিএসইতে লেনদেন শুরুর ১১ মিনিটে সূচক ৭৯৫ পয়েন্ট কমে এবং সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। লেনদেন বন্ধ হওয়ার পরে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে বিনিয়োগকারীরা বেরিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। সিএসইর সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ চলতে থাকে। এ সময় তাঁরা অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং ডিএসইর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। তখন প্রায় ১০ মিনিট সেখানে যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ এসে তাঁদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভের একপর্যায়ে সিএসই কার্যালয়ে প্রবেশ করতে চান। পুলিশ ১০ জন বিনিয়োগকারীকে প্রবেশের অনুমতি দেয়। এখন বিনিয়োগকারীদের এই ১০ প্রতিনিধির সঙ্গে সিএসই কর্মকর্তাদের আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে এক বিনিয়োগকারী শরত্ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা মরে গেছি। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। সমাধান না হলে আমরা আগামী রোববার থেকে লাগাতার হরতাল দেব।’
দরপতনের প্রতিবাদে আজ বেলা একটার দিকে কুমিল্লায়ও বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। শহরের কান্দিরপাড়ের পূবালী চত্বরে বিনিয়োগকারীরা বেশ কয়েকটি গাড়ি ও অটোরিকশা ভাঙচুর করেন। এ সময় তাঁরা রাস্তায় টায়ারে আগুন দেন এবং পাঁচটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান। বিক্ষোভের ফলে কান্দিরপারের পূবালী চত্বর থেকে কুমিল্লা জেলা স্কুল পর্যন্ত শহরের প্রধান সড়কটি প্রায় ৪০ মিনিট বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 1:18 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারে ধসের রেকর্ড
রবিবার লেনদেন বন্ধ
গভীর সংকটে ৩৩ লাখবিনিয়োগকারীর ভাগ্য
রেজাউল করীম
The Daily Ittefaq
21.01.2011
গভীর সংকটের দিকে যাচ্ছে দেশের শেয়ারবাজার ও ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর ভাগ্য। একের পর এক ধসের রেকর্ড করছে শেয়ারবাজার। আগামী রবিবার লেনদেন বন্ধ থাকবে। স্থিতিশীলতা আনতে বিনিয়োগকারীদের আরজ সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। কিন্তুু কিভাবে তা হবে? নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোন পদক্ষেপই বাজারকে স্বাভাবিক করতে পারছে না। ফলে অশান্ত হয়ে উঠছে বিনিয়োগকারীরা। মতিঝিলের রাস্তায় রুদ্ধশ্বাস আর বিনিয়োগকারীদের ক্ষোভ, আর্তনাদের মাঝে পুলিশী এ্যাকশন পরিস্থিতিকে আরো বেশি বেসামাল করে তুলেছে।
বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ লেনদেন দিবসের এই চিত্র অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ শেয়ারবাজারকে কোথায় নিয়ে যাবে তা নিয়ে বেশ উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় ফেলে দিয়েছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের। যদিও বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) রবিবার লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সোমবার লেনদেন বিষয়ে রবিবারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এসইসির সদস্য ইয়াসিন আলী বৃহস্পতিবার বিকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই লেনদেনের যবনিকাপাত ঘটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)। অন্যদিকে চট্টগাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) এগার মিনিটেই লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সূচক ২২৫ পয়েন্ট বাড়লে বা কমলে লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে ব্যাপক দরপতনে পাঁচ মিনিটেই সাধারণ সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে যায়। ফলে সার্কিট ব্রেকারের ২২৫ পয়েন্টের সীমা অতিক্রম করায় লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময়ে মোট ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম কমে ১৭২টির, বাড়ে ৮টির এবং অপরিবর্তিত থাকে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট ৬৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়। সিএসইতে লেনদেন শুরুর ১১ মিনিটে সূচক ৭৯৫ পয়েন্ট অতিক্রম করায় লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
উলেস্নখ্য, বৃহস্পতিবার ২ ঘণ্টা পিছিয়ে দুপুর ১ টায় দুই পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়
৬ ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন স্থগিত
আগ্রাসীভাবে অতিরিক্ত শেয়ার বিক্রি করার দায়ে ৬ ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন স্থগিত করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। স্থগিতকৃত ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো-আইআইবিএফসি সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক লি. সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ, এলাইন্স সিকিউরিটিজ এন্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লি. সিকিউরিটিজ। আগামী ৩০ দিনের জন্য এসব প্রতিষ্ঠান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করা হয়। আগামী রবিবার ট্রেড বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এসইসির সংবাদ সম্মেলনে এসইসির সদস্য মো. ইয়াসিন আলী এ তথ্য জানান।
দরপতনের হোতাদের শাস্তির
দাবি ডিএসইর
শেয়ারবাজারে দরপতনের কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বৃহস্পতিবার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক দরপতনের নেপথ্যে কোন কারসাজি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য যে ৪৮টি কোম্পানি রোড শো করেছে তাদের আর্থিক বিবরণী পুনরায় পর্যালোচনা করতে হবে। এতে কোন কোম্পানির আর্থিক বিবরণীতে ভুল পাওয়া গেলে সে কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা জনগণ দেখতে চায়। তিনি বলেন, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কারণে কোম্পানির শেয়ারের দর অতি মূল্যায়িত হয়েছে। এতে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা ঘটেছে। বুকবিল্ডিং সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে কোম্পানি, বিনিয়োগকারীসহ সকলে যাতে সঠিক মূল্য পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
শাকিল রিজভী বিনিয়োগকারীদের হতাশ না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, যারা ভালো শেয়ার কিনেছেন, ধৈর্য ধরুন, বিক্রি করবেন না। কারণ লভ্যাংশ পেতে হলে ধরে রাখতে হবে। তিনি শেয়ারবাজারে ধসের জন্য সরকার দায়ী নয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জোর দাবি করেন।
বিক্ষোভ, মিছিল, গ্রেফতার
বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরু প্রথম ৫ মিনিটেই সূচক পড়ে যায় ৬০০ পয়েন্ট। পরিস্থিতি দেখে তাৎক্ষণিকভাবে লেনদেন বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে। ডিএসইর সামনে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে পুলিশের সাথে বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে ডিএসই সামনের সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মতিঝিল, দিলকুশায় বিক্ষোভ করার সময় পুলিশ অন্তত ২৬ জনকে আটক করেছে বলে মতিঝিল থানা সূত্রে জানা গেছে। এদিকে দরপতনে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সামনেও বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা। এতে সিএসই ভবনের সামনের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
চট্টগ্রামে বিক্ষোভ অবরোধ
ভাংচুর আটক ১০
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, দরপতনে লেনদেন বন্ধের পর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা কয়েক দফা সড়ক অবরোধ করে গাড়ি ভাংচুর করেছে। পুলিশ তাদের হটিয়ে দিতে লাঠি চার্জ করেছে। এসময় ১০ জনকে আটক করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার একটায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেন শুরু হয়। এর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সূচকের অস্বাভাবিক পতনের কারণে লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়।
এর সাথে সাথে রাস্তায় নেমে আসেন বিনিয়োগকারীরা। এসময় তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন, শেখ মুজিব রোড, বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ ও গাড়ি ভাংচুর করে।
অবরোধে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে টাইগারপাস পর্যন্ত সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশের ধাওয়ায় বিনিয়োগকারী ও পথচারীরা আশপাশের বিভিন্ন ভবন, ব্যাংক, বণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও দোকানে আশ্রয় নেয়।
বেলা দেড়টার দিকে আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার বিভিন্ন সড়কে থাকা বেশকিছু ব্রোকারেজ হাউজ থেকে বিনিয়োগকারীরা দুইটি মিছিল বের করে। মিছিল দুইটি সিইসি'র দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করেত পুলিশ আবারো লাঠিচার্জ করে।
সড়ক অবরোধ ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ ১০ জনকে আটক করেছে।
এদিকে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন 'ইনভেস্টর ফোরাম অব চিটাগাং' এর প্রতিনিধিরা সিএসই'র ঊধর্্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে বৃহস্পতিবারের লেনদেন সম্পূর্ণ বাতিল করাসহ নয় দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি দেন ফোরামের নেতৃবৃন্দ। বিকালে বিনিয়োগকারীরা চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধন করেন।
সিলেট অফিস জানায়, লেনদেন শুরুর মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ব্যাপক দরপতন ও লেনদেন বন্ধ হয়ে গেলে বিভিন্ন ব্রোকার হাউস থেকে শত শত বিনিয়োগকারী রাস্তায় নেমে আসেন। তারা নগরীর চৌহাট্টা, জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে মিছিল-সমাবেশ করেন। এসময় গাড়ির কয়েকটি পুরনো টায়ারেও অগি্নসংযোগ করা হয়। এক পর্যায়ে বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীরপাড়স্থ বাসা ঘেরাও করলে দ্রুত সেখানে পুলিশ ছুটে যায়। পুলিশ বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এছাড়া বিনিয়োগকারীরা নগরীর তালতলাস্থ বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়েও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। বিনিয়োগকারীরা আগামী রবিবার সিলেটে হরতাল পালনেরও ঘোষণা দিয়েছে।
রাজশাহী অফিস জানায়, গতকাল দুপুরে রাজশাহী নগরীর ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সামনে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করে। পরে নগরীতে মিছিল বের করা হলে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় পুলিশের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে বিনিয়োগকারীরা নগরীর সাহেব বাজার এলাকায় আইসিবির সামনে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এসময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করা হয়।
কুমিলস্না সংবাদদাতা জানায়, শেয়ার বাজারে অস্বাভাবিক দরপতনে কুমিলস্নার ৯টি ব্রোকারেজ ও সিকিউরিটিজ হাউজের বিনিয়োগকারীরা ট্রেড বন্ধ করে দিয়ে রাস্তায় নেমে আসে এবং শহরের কান্দিরপাড়ে একত্রিত হয়। তারা পূবালী চত্বরে ভাংচুর করে এবং রাস্তায় টায়ারে আগুন জ্বালায় ও শহরের বিভিন্ন সড়কে খণ্ডখণ্ড মিছিল করে শেয়ারের দরপতনের পেছনে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে।
নোয়াখালী সংবাদদাতা জানান, দুপুর ২টার দিকে জেলা শহরের দুইটি ব্রোকার হাউজ আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ ও সগির এন্ড কোং থেকে শতাধিক বিনিয়োগকারী বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে শেষ হয়।
খুলনা অফিস জানায়, গতকাল খুলনায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক বিক্ষোভ, অগি্নসংযোগ ও ভাংচুর চালিয়েছে। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। এতে অন্তত ৭ জন আহত হয়।
গতকাল দুপুরে নগরীর ডাকবাংলো, শিববাড়ি মোড় এবং পিকচার প্যালেস মোড়ে অবস্থিত ব্রোকার হাউজ থেকে শত শত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী রাস্তায় নেমে আসে। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা নগরীর প্রাণকেন্দ্র পিকচার প্যালেস মোড় অবরোধ ও দোকান-পাট বন্ধ করে দেয়। এ সময় তারা পুলিশের ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এ সময় অনুষ্ঠিত সমাবেশে তারা শেয়ার বাজারে অব্যাহত দরপতনের জন্য অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এসএসই ও ডিএসই'র চেয়ারম্যানকে দায়ী করে তাদের অপসারণের দাবি জানান।
বরিশাল অফিস জানায়, এখানকার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা নগরীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করেছে। গতকাল দুপুরে বিক্ষোভকারীদের মিছিলের সামনে পড়লে সংসদ সদস্য তালুকদার মোঃ ইউনুসের গাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে তাকে মুক্ত করে দেয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা সদর রোডে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ চলাকালে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভ চলাকালে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে কেন্দ্রীয় কারাগার পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরশুরাম সংবাদদাতা জানান, গতকাল দুপুরে ফেনীতে শেয়ারবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে। বিনিয়োগকারীরা শহরের এস.এস.কে রোডে রয়েল ক্যাপিটেল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফেনী প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সমবেত হয়। পরে অন্যান্য ব্রোকারেজ হাউস থেকে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা এসে মহীপালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাঠ দিয়ে আগুন ধরিয়ে অবরোধ করেন ও চৌরাস্তায় সমাবেশ করেন। এ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আধাঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাস্তায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 1:22 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পাঁচ মিনিটেই গভীর খাদে*
দরপতনে সারা দেশে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ-অবরোধ
* সিলেটে রবিবার হরতাল
* ছয় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ
* রবিবার লেনদেন হবে না
নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
1.01.2011
মাত্র পাঁচ মিনিটে ৬০০ পয়েন্ট সূচক নেমে যাওয়া এবং এরপর লেনদেন বন্ধ হওয়ার নজীরবিহীন ইতিহাসের জন্ম দিল শেয়ারবাজার। আগের দিন আরোপিত সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা ২৩৭ পয়েন্ট অতিক্রম করে এ পতন ঘটে। ফলে চতুর্থবারের মতো লেনদেন বন্ধ হলো দেশের পতনমুখী দুই শেয়ারবাজার ডিএসই ও সিএসইর। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাজারদরের অনেক নিচে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আত্মঘাতী শেয়ার বিক্রির কারণে এই নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এ জন্য ছয়টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম এক মাসের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকালের ঘটনায় ডিএসইর সফটওয়্যারের দুর্বলতার দিকটিও প্রমাণ হয়েছে। পতনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) আওতাধীন
ছয়টি ব্রোকারেজ হাউসের কার্যক্রম এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে এসইসি। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের এক মাসের জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বাজারের নাজুক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আগামী রবিবার লেনদেন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এসইসি। বাজারসংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে আবার লেনদেন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে গতকাল বৃহস্পতিবারের পাঁচ মিনিটের লেনদেন বাতিল করার কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। গতকাল লেনদেন বন্ধের পর বিনিয়োগকারীরা এ লেনদেন বাতিলের দাবি করে।
গতকালের ঘটনার আকস্মিকতায় ঢাকাসহ সারা দেশের বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক বিক্ষোভ ও সহিংস ঘটনা ঘটায়। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভীর ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানেও ভাঙচুর চালায় তারা। অর্থমন্ত্রীর শহর সিলেটে রবিবার হরতাল ডেকেছে ক্ষুব্ধ লগি্নকারীরা। তারা সিলেট শহরে অর্থমন্ত্রীর বাড়ির সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ করে। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা ও রংপুর থেকেও বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ধরপাকড়ের খবর এসেছে। হবিগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, সিরাজগঞ্জসহ অন্যান্য জেলা শহরেও বিক্ষোভ হয়েছে।
দায়ী ছয় প্রতিষ্ঠান : গতকাল দ্রুত সূচকের এ পতনের কারণ খুঁজতে এসইসির চেয়ারম্যান অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে এসইসি সদস্য মো. ইয়াসিন আলী সাংবাদিকদের জানান, কিছু প্রতিষ্ঠানের অস্বাভাবিক তৎপরতার কারণেই মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতনের ঘটনা ঘটে। কমিশনের সার্ভিল্যান্স বিভাগ ওই সময়ের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখেছে, কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস থেকে বাজারদরের চেয়ে কম মূল্যে শেয়ার বিক্রির আদেশ দেওয়া হয়েছে। বাজারে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্যই এ ধরনের চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে কমিশন মনে করে।
শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে সন্দেহজনক প্রবণতার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়ায় ছয়টি ব্রোকারেজ হাউসের কার্যক্রম এক মাসের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউস এবং অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ।
এসইসি সূত্র কালের কণ্ঠকে জানায়, গতকাল কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে বাজারদরের চেয়ে কম মূল্যে শেয়ার বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। কারসাজি চক্রের কেউ কেউ এ আত্মঘাতী ঘটনা ঘটিয়েছে। এসইসির এক কর্মকর্তা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, গতকাল এবি ব্যাংকের শেয়ারের বাজারদর ছিল ১৩৬০ টাকা। এসব হাউসের কোনো একটি ডিলার অ্যাকাউন্ট থেকে এ শেয়ারের বিক্রয় আদেশ দেওয়া হয় ১২০০ টাকা এবং যথারীতি তা ১২০০ টাকায় বিক্রি হয়। এভাবে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ১০ হাজার ৪৩৩ বারে ২৮২টি কম্পানির ৫৮ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৮টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ফলে পাঁচ মিনিটে সূচকের এই পতন ঘটেছে। এসইসির ওই কর্মকর্তা বলেন, এটা পরিকল্পিত।
সফটওয়্যারে দুর্বলতা : আগের দিনের ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল দুই ঘণ্টা দেরিতে দুপুর ১টায় লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন বন্ধের জন্য সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা ছিল ২৩৭ পয়েন্ট বা ৫ শতাংশ। তবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সূচক ২৩৭ পয়েন্টের বেশি নেমে গেলেও শেয়ারবাজার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ না হয়ে লেনদেন যথারীতি চলতে থাকে। এতে বিস্মিত হন পুুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়া জানান, লেনদেন চলাকালে প্রতি পাঁচ মিনিট পরপর সূচক সমন্বয় করা হয়। গতকাল এই পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সূচক ৫৯৯ পয়েন্ট নেমে গেছে। তিনি জানান, লেনদেন পরিচালনাকারী ডিএসইর সফটওয়্যারে ২৩৭ পয়েন্ট ছুঁয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পদ্ধতি নেই। তাই এ ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, পাঁচ মিনিটে লেনদেন হওয়া ২৮২ কম্পানির মধ্যে ১৭২টির দাম কমেছে। বেড়েছে আটটির। পাঁচ মিনিটে লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি আট লাখ ৪২ হাজার ৩৯৭ টাকার শেয়ার। পাঁচ মিনিটে ৬০০ পয়েন্ট সূচকের পতন হলেও সমন্বয়ের পর তা দাঁড়িয়েছে ৫৮৭.০৪ পয়েন্ট। গতকাল সূচক ৬৯১৩ পয়েন্ট থেকে কমে দাঁড়ায় ৬৩২৬ পয়েন্টে। বাজারের পতনের সময় শাকিল রিজভী রাজধানীর একটি হোটেলে পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন।
সিএসইতে লেনদেন শুরুর মিনিট পাঁচেকের মধ্যে সার্বিক সূচক ১৩৩৯ পয়েন্ট কমে ১৮৪৯৯ পয়েন্টে নেমে আসে। আর এ সময়ের মধ্যেই বাজার মূলধন কমেছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। লেনদেন হওয়া ১২২ কম্পানির মধ্যে দাম বাড়ে কেবল চারটি কম্পানির শেয়ারের। আর দরপতনের তালিকায় ছিল ১১৬টি শেয়ার। লেনদেন হয় ১২ কোটি টাকা।
ঢাকাজুড়ে সহিংসতা : বিপর্যয় ও লেনদেন বন্ধ ঘোষণার পরপরই মতিঝিল এলাকায় উত্তেজিত বিনিয়োগকারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তারা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে এবং কাগজ জড়ো করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। ছত্রভঙ্গ বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন ভবন লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকে। এরপর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ছড়িয়ে পড়ে অলিগলিতে।
দুপুর পৌনে ২টার দিকে ইত্তেফাক মোড়ে অবস্থানকারী বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা চারটি মাইক্রোবাসসহ দুটি বাস ভাংচুর করে। বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এ সহিংসতার সময় ডিএসইর সামনের সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় পুলিশ মতিঝিল এলাকায় বিক্ষোভকারী হারুন-উর রশীদ, রেজাউল করিম, হোসেন, সালাউদ্দিন, আনিসুল ইসলামসহ ১৬ জনকে আটক করে। আটক হওয়া কয়েকজন নিজেদের পথচারী দাবি করলেও তাৎক্ষণিক তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়নি। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। শুরু হয় গাড়ি চলাচল। পুলিশ জানায়, আটককৃতদের পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ধানমণ্ডি এলাকায় সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা ১৫ নম্বর রোড ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় পুলিশের শতাধিক সদস্য বিনিয়োগকারীদের আশপাশ ঘিরে রাখে। দুপুর ১টার দিকে বিক্ষোভ শুরু হলে সাতমসজিদ রোডে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। দুপুর ২টার দিকে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও পিটিয়ে বিনিয়োগকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
দুপুরে পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ হওয়ার পরপরই মিরপুরে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের সামনে অবস্থানকারী বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করে। এ সময় মিরপুর ১০ নম্বরে অবস্থানকারী বিনিয়োগকারীরা বেপরোয়া মিরপুর, সদরঘাট ও গুলিস্তান রুটের শিকড়, চয়েস পরিবহনের বাস ও চ্যাম্পিয়ন (অটোরিকশা) ভাঙচুর করে। এ অবস্থায় পুলিশ ও র্যাব বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, আশপাশের বিভিন্ন মার্কেট বন্ধ করে দেয় ব্যবসায়ীরা। থেমে থেমে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে র্যাব ও পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া-ধাওয়ি চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত র্যাবের টহল গাড়ির মো. আলী নামে এক কর্মকর্তা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পর সুস্থ হন।
সিলেট : অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ ও শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতার দাবিতে অর্থমন্ত্রীর নিজ শহর সিলেটে রবিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছেন পুজি বাজারে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন সিলেট বিনিয়োগ ফোরাম। বিক্ষোভকারীরা নগরীর বিভিন্নস্থানে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অগি্ন সংযোগ করে। বিক্ষোভকারীরা চৌহাট্টায় বাঁশ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে। এ সময় পুলিশ এক বিনিয়োগকারীকে আটক করলে প্রতিবাদের মুখে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। সেখান থেকে বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে জিন্দাবাজার বন্দরবাজার হয়ে নগরীর ধোপাদিঘিরপাড়স্থ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাসভবন হাফিজ কমপ্লেঙ্রে সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা অর্থমন্ত্রীর বাসার সামনে রাস্তায় বসে পড়ে।
বেলা ২টার দিকে বিনিয়োগকারীদের একটি মিছিল জিন্দাবাজারের দিকে যাওয়ার সময় কৃষি ব্যাংকের সামনে ছবি তোলার সময় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল ত্রিদিপ রায় এর ওপর বিক্ষোভকারীরা চড়াও হয়। তারা তাঁকে মারধর করে এবং তাঁর ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় পুলিশ এসল্ট ও ক্যামেরা ছিনতাই মামলা করছে বলে জানিয়েছেন ওসি খন্দকার নওরোজ আহমদ।
চট্টগ্রাম : পুঁজিবাজারে গতকালের ছয় মিনিটের লেনদেন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন 'ইনভেস্টর ফোরাম অব চিটাগং'। অন্যথায় আগামী রবিবার চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জ (সিএসই) ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দিয়েছে তারা। লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরপরই ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে। এ সময় তারা সিএসইর সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পুলিশ সেখান থেকে তাদের সরিয়ে দিলে বিক্ষোভকারীরা আশপাশের বিভিন্ন গলি ও মার্কেটে অবস্থান নেয়। এরপর বিচ্ছিন্নভাবে কয়েক দফা বিক্ষোভ মিছিল করলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১১ জনকে আটক করে ডবলমুরিং থানা পুলিশ।
খুলনা : শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের পর বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে যানবাহন বন্ধ করে ভাঙচুর ও কাগজপত্রে অগি্নসংযোগ করে। নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে পুলিশের লাঠিপেটায় ২০-২৫ বিক্ষোভকারী কমবেশি আহত হয়।
রংপুর : দরপতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে বিনিয়োগকারীরা। তারা প্রধান সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নগরী প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়।
বরিশাল নগরীতেও বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশ তাদের নিবৃত্ত করে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 1:24 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দেশ কাঁপানো পাঁচ মিনিট!
নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
21.01.2011
গতকাল বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে দিনভর আলোচিত ছিল পাঁচ মিনিটের সেই অদ্ভুত লেনদেন। এ 'পাঁচ মিনিট' পুঁজিবাজারের ইতিহাস হয়েই থাকবে। গতকাল দুপুর ১টা থেকে ১টা ৫ মিনিট শেয়ারবাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে স্বল্প সময়ে বেশি সূচকের পতন হয়েছে। এমনকি পতন ঠেকাতে সার্কিট ব্রেকার দেওয়া হলেও কেউ কিছু বোঝার আগেই মাত্র পাঁচ মিনিটেই তা অতিক্রম হয়ে যায়।
অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে গত বুধবার থেকেই সূচকের ওপর ২২৫ পয়েন্ট সার্কিট ব্রেকার আরোপ করে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে চার ঘণ্টার পরিবর্তে দুই ঘণ্টা লেনদেনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। গতকাল দুপুর ১টায় লেনদেন শুরু হয়। ব্রোকারেজ হাউসগুলোয় বিনিয়োগকারীরাও জড়ো হয়। অনেকেই ঘরে বসে ইন্টারনেটে দেখতে শুরু করে ঢাকা স্টক একচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট।
লেনদেন শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিট পরেই সবাই দেখে সূচক নেমে গেছে ৬০০ পয়েন্ট। সূচকের পতন দেখে অনেকেই হয় অবাক, অনেকেই বাকরুদ্ধ। সার্কিট ব্রেকার দেওয়ার পরও কী করে এত পতন হলো সেই প্রশ্ন খুঁজতে থাকে কেউ কেউ।
লেনদেন শুরু হওয়ার মাত্র পাঁচ মিনিটে যখন সূচকের বিশাল পতন হয়েছে, তখন শেরাটন হোটেলে বাজার চাঙ্গা করার সংবাদ সম্মেলনে ব্যস্ত ছিলেন ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভী। সংবাদ সম্মেলনেই তিনি প্রথম জানতে পারেন, সূচক সার্কিট ব্রেকার ফেল করেছে এবং অবিশ্বাস্যভাবে সূচক ৬০০ পয়েন্ট কমে গেছে। সংবাদ সম্মেলনেই সূচক পতনের কারণ জানতে চান সাংবাদিকরা। সাংবাদিকদের প্রশ্ন শুনে কিছুটা অবাকই হন ডিএসইর সভাপতি। এরপর বলেন, ওয়েবসাইটের সমস্যায় এমনটা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২৩৬টি ব্রোকারেজ হাউস ডিএসইর সদস্য। এর মধ্যে যেসব ব্রোকারেজ হাউস চালু আছে তারা গতকাল দুপুর ১টায় লেনদেন শুরু করে। আর অব্যাহত দরপতনে আতঙ্কিত হয়ে বিনিয়োগকারীরা তাদের শেয়ার বিক্রি করে দেয় গত বুধবারের চেয়ে কম দামেই। ব্রোকারেজ হাউসের সব লেনদেনের রেকর্ড পেতে ডিএসইর সময় লাগে পাঁচ মিনিট। ওয়েবসাইটে পাঁচ মিনিট পরপর সূচকের উত্থান-পতন দেখা যায়।
গতকালের পাঁচ মিনিটে ১৮২টি কম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৭২টি কম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। দাম বেড়েছে আটটির, অপরিবর্তিত আছে দুটি কম্পানির শেয়ারের দাম। আর মাত্র পাঁচ মিনিটেই ৫৮ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৮টি শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এই স্বল্প সময়েও মোট ৬৮ কোটি আট লাখ ৪২ হাজার ৩৯৭ টাকার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, পাঁচ মিনিট পরপর ওয়েবসাইট রিফ্রেশ হয়। আর সার্কিট ব্রেকার ম্যানুয়ালি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ফলে সূচকের অতি পতন নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। দেখার পরপরই লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 1:26 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতনদেশব্যাপী বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর
বাণিজ্য ডেস্ক
Kaler Kantho
21.01.2011
পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতনে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন দেশের সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। ধারাবাহিক দরপতন ও লেনদেন বন্ধের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা গতকাল দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ, ভাঙচুর ও অগি্নসংযোগ করেছে। এ ছাড়া বেশ কিছু স্থানে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে।
খুলনা থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানিয়েছেন, এক মাসের মধ্যে পুঁজিবাজারে কয়েক দফা ধস ও মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে আকস্মিক সূচক পতনের ঘটনাকে কেন্দুলনায় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে প্রায় ২০-২৫ জন আহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহতের স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আকস্মিক দরপতনের পর খুলনার বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। তারা বিভিন্ন স্থান থেকে নগরীর পিকচার প্যাসেল মোড়ে জড়ো হয়ে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ সভাপতি, অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। একপর্যায়ে তারা সড়কের যানবাহন বন্ধ করে ভাঙচুর ও কাগজপত্রে অগি্নসংযোগ করে। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটায় ২০-২৫ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়।
রাজশাহী থেকে কালের কণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক জানিয়েছেন, পুঁজিবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে গতকাল রাজশাহীতে ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। একপর্যায়ে বেলা দেড়টার দিকে পুলিশ বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দিলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার এলাকায় আইসিবির সামনে বিনিয়োগকারীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে ও কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইসিবির রাজশাহী শাখার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বরিশাল থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, গতকাল লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে ব্যাপক দরপতনের কারণে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বরিশালের বিনিয়োগকারীরা। গতকাল দুপুরে নগরীর সদর রোডে বিনিয়োগকারীরা ওই বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা আগামী রবিবার বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচি পালনেরও ঘোষণা দেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, গতকাল স্বাভাবিক সময়ের সোয়া দুই ঘণ্টা পর দুপুর সোয়া ১টায় নগরীর পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউসে লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে শেয়ারের দরপতনে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় বেরিয়ে আসে এবং বিক্ষোভ মিছিল সহকারে সড়ক অবরোধ করে। এ সময় বরিশাল-১ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসকে বহনকারী মাইক্রোবাসেও হামলার চেষ্টা চালায় তারা। প্রায় ৪৫ মিনিট পর পুলিশ এসে অবরোধ তুলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান দিয়ে আবার বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আইসিবি ব্রোকারেজ হাউসের সামনে শেষ হয়। আইসিবি ব্রোকারেজ হাউসে তারা সমাবেশ করে। সমাবেশে তারা আগামী রবিবার সদর রোড অবরোধ এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়।
কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতন ও এ কারণে লেনদেন বন্ধ রাখার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করেছে কুমিল্লার বিনিয়োগকারীরা। সেই সঙ্গে বিনিয়োগকারীরা এসইসি চেয়ারম্যান, ডিএসই প্রেসিডেন্ট, কেন্দ ীয় ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছে। গতকাল দুপুরে কুমিল্লা শহরের কান্দিরপাড় জিলা স্কুল মোড় থেকে পূর্বালী চত্বর মোড় পর্যন্ত রাস্তায় আগুন জালিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিনিয়োগকারীরা। এ সময় প্রায় ৩০০ বিনিয়োগকারী প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। পাশাপাশি বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রীর হন্তক্ষেপ কামনা করে তারা।
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, পুঁজিবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ, অগি্নসংযোগ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে হবিগঞ্জের সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এ সময় তারা শেয়ারবাজারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের পুঁজি টিকিয়ে রাখতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়। গতকাল দুপুরে শহরের রাজনগর এলাকায় উইসাং সিকিউরিটিজ সার্ভিস লিমিটেডের বিনিয়োগকারীরা গাছ ফেলে সড়ক অবরোধ ও রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অগি্নসংযোগ করে। এ সময় তারা বিক্ষোভ সমাবেশও করে। পরে সদর থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয় ও যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রংপুর থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানিয়েছেন, দিনের শুরুতে শেয়ারবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে রংপুরের বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা এ সময় টায়ার জ্বালিয়ে নগরীর প্রধান সড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নগরী প্রদক্ষিণ করে। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে। ডিএসই সভাপতির পদত্যাগের দাবি জানিয়ে সমাবেশে বক্তারা বলেন, অতি মুনাফালোভী কিছু প্রতিষ্ঠান ও ডিএসই-ই শেয়ারবাজার অস্থির করে তোলার মূল কারণ।
ফেনী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহাসড়ক অবরোধ করেছে বিনিয়োগকারীরা। দুপুর ১টার দিকে এসএসকে রোড থেকে একটি মিছিল বের হয়ে ট্রাংক রোডে সমাবেশে মিলিত হয় তারা। সমাবেশে বক্তারা এসইসি ও ডিএসই সভাপতির অপসারণ দাবি করে। পরে তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহীপালে অবস্থান নিয়ে আধা ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে।
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সূচক অস্বাভাবিক হারে কমে যাওয়ায় সিরাজগঞ্জের বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেছে। লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সিরাজগঞ্জের এসএস রোডের প্রাইলিঙ্ক সিকিউরিটিজ অফিসের বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে এবং টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। প্রায় আধা ঘণ্টার এ অবরোধে রাস্তার দুই পাশে যানবাহন আটকা পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 1:27 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বিপর্যয় ঘটানোর চেষ্টা ॥ নাশকতার কবলে পুঁজিবাজার
০ স্বেচ্ছায় লোকসান দিয়ে শেয়ার বিক্রি
০ ৬ ব্রোকারেজ হাউস চিহ্নিত, কার্যক্রম বন্ধ
০ রবিবার লেনদেন বন্ধ থাকবে
০ প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের এক মাসের জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি
রাজু আহমেদ ॥
The Daily Janakantha
21.01.2011
স্বেচ্ছায় লোকসান দিয়ে শেয়ার বিক্রি করে একটি বিশেষ গোষ্ঠী পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটানোর প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। এ ধরনের আত্মঘাতী লেনদেনের কারণেই বাজারে একের পর এক ধস নামছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়ায় ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) আওতাধীন ৬টি ব্রোকারেজ হাউসের কার্যক্রম এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের এক মাসের জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে বাজারের নাজুক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আগামী রবিবার লেনদেন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এসইসি। বাজার সংশিস্নষ্ট সকল পৰের সঙ্গে বৈঠক করে পুনরায় লেনদেন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বৃহস্পতিবার দিনের লেনদেন শুরম্নর পর মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের ফলে ডিএসই সাধারণ সূচক ৫৯৯ পয়েন্ট কমে যায়। এর ফলে তাৎৰণিকভাবে শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। অস্বাভাবিক এই পরিস্থিতিতে দিনের লেনদেন পর্যালোচনার পর প্রাথমিকভাবে সন্দেহজনক তৎপরতার প্রমাণ পাওয়ায় ৬টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এসইসি সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলি সাংবাদিকদের জানান, কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের অস্বাভাবিক তৎপরতার কারণেই বৃহস্পতিবার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। কমিশনের সার্ভিল্যান্স বিভাগ ওই সময়ের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখেছে, কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস থেকে বাজার দরের চেয়ে কম মূল্যে শেয়ার বিক্রির আদেশ দেয়া হয়েছে। বাজারে অনাকাঙ্ৰিত পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্যই এ ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে কমিশন মনে করে। শেয়ার বিক্রির ৰেত্রে সন্দেহজনক প্রবণতার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়ায় ৬টি ব্রোকারেজ হাউসের কার্যক্রম এক মাসের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো_ আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউস এবং এ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ।
পরিকল্পিত চেষ্টা ॥ নিজেরা লোকসান দিয়ে শেয়ারবাজারে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে এক বা একাধিক চক্র। কোন কোন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক এ ধরনের প্রবণতার সঙ্গে জড়িত রয়েছে। পুঁজিবাজারে একের পর এক বড় দরপতনের ঘটনায় বেশ কিছুদিন ধরেই কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ও বড় বিনিয়োগকারীর তৎপরতার প্রতি নজর রেখেছিল এসইসি। বৃহস্পতিবার মাত্র ৭ মিনিটের মধ্যে অভাবনীয় দরপতনের পর কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউসের নেতিবাচক ভূমিকা সম্পর্কে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা একটায় লেনদেন শুরম্নর পরপরই কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস থেকে বাজার দরের চেয়ে অস্বাভাবিক কম মূল্যে শেয়ার বিক্রির আদেশ দেয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে দেয়া বিক্রয় আদেশে আগের দিনের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কম মূল্য বসানো হয়। এ কারণে লেনদেন শুরম্নর মুহূর্তেই ৮০টি কোম্পানির শেয়ারের দর এক লাফে ১০ শতাংশের বেশি কমে যায়। এছাড়া ৬৭টি শেয়ারের দর কমেছে ৫ শতাংশের বেশি। এর প্রভাবে একদিনে সূচকের সর্বোচ্চ হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা কার্যকর হওয়ার আগেই ৫৯৯ পয়েন্ট কমে যায় ডিএসই সাধারণ সূচক। এর আগে বুধবার ডিএসই সাধারণ সূচক ২২৫ পয়েন্টের বেশি হ্রাস পায়।
দিনের লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কোন একটি কোম্পানির শেয়ারের আগের দিনের মূল্য ছিল ১৫৮ টাকা। বৃহস্পতিবার লেনদেনের শুরম্নতে এই শেয়ারের ক্রয়াদেশ ছিল সর্বোচ্চ ১৫৭ টাকায়। কিন্তু এই দরে শেয়ার বিক্রি না করে একাধিক ব্রোকারেজ হাউস থেকে ১৫৫ টাকায় শেয়ার বিক্রির আদেশ দেয়া হয়। এরপর একই শেয়ারের বিক্রির আদেশ দেয়া হয়েছে ১৪৮ টাকায়। বাজারে বেশি দরে ক্রেতা থাকলেও কম দরে শেয়ার বিক্রির আদেশ দেয়ার প্রবণতাকে পরিকল্পিতভাবে শেয়ারবাজারে ধস নামানোর প্রচেষ্টা বলে মনে করছে এসইসি। এ ধরনের সন্দেহজনক প্রবণতার কারণেই ৬টি ব্রোকারেজ হাউসের কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ৬টি ব্রোকারেজ হাউস ও এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকা- পর্যালোচনা করে আরও কঠোর শাসত্মিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও কোন কোন ব্যক্তির সন্দেহজনক প্রবণতাও চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানের পর তাদের বিরম্নদ্ধে শাসত্মিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এসইসি সদস্য ইয়াসিন আলী সাংবাদিকদের জানান, ছয়টি ব্রোকারেজ হাউস থেকে দিনের শুরম্নতে অত্যধিক বিক্রির চাপ (এগ্রেসিভ সেল প্রেসার) লক্ষ্য করা গেছে। ইতোমধ্যেই এসব প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানার জন্য শুনানির চিঠি পাঠানো হয়েছে। শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্তভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
৫ মিনিটেই লেনদেন বন্ধ ॥ ব্যাপক দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকায় বৃহস্পতিবারও দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। একদিনে সূচক পতনের নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করায় লেনদেন শুরম্নর পর মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) এবং ১১ মিনিটের মধ্যে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
আগের দিন নির্ধারিত সময়ে লেনদেন চালুর ঘোষণা দেয়া হলেও বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারের লেনদেনের সময় কমিয়ে দু'ঘণ্টায় নামিয়ে আনার প্রসত্মাব করে ডিএসই। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি এই প্রসত্মাব অনুমোদন করায় বেলা ১টা থেকে ৩টা পর্যনত্ম লেনদেন চালু রাখার ঘোষণা দেয়া হয়। কিন্তু লেনদেন শুরম্নর পর প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসই সাধারণ সূচক ৫৯৯ পয়েন্ট পড়ে যায়। ফলে সূচক পতনের (সার্কিট ব্রেকার) সর্বোচ্চ সীম হিসেবে নির্ধারিত ২২৫ পয়েন্ট অতিক্রম করায় ৬ মিনিটের মাথায় লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়। ওই সময় পর্যনত্ম লেনদেন হওয়া ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭২টির দরই আগের দিনের চেয়ে কমে যায়। এর বিপরীতে বৃদ্ধি পায় ৮টির এবং অপরিবর্তিত থাকে দু'টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৬৮ কোটি ৮ লাখ ৪২ হাজার টাকা।
রবিবার লেনদেন বন্ধ থাকবে ॥ শেয়ারবাজারের নাজুক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী রবিবার দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। সোমবার লেনদেন হবে কিনা_ বাজার সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও কমিশনের পৰ থেকে জানানো হয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 1:29 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ, লাঠিচার্জ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
21.01.2011
পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকায় বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিক্ষোভ, অবরোধ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পর শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হলেও ব্যাপক দরপতনের কারণে মাত্র ৬ মিনিটের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। এর পর পরই বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে সহিংস বিৰোভ শুরম্ন করে। রাজধানীতে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা মতিঝিল, দিলকুশা এবং দৈনিক বাংলা মোড় এলাকায় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করে। বিনিয়োগকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ দফায় দফায় লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেল নিৰেপ করে। এ সময় বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ ২২ বিনিয়োগকারীকে আটক করে। একইভাবে মিরপুর ও ধানমণ্ডি এলাকায় বিনিয়োগকারীরা বিৰোভ ও ব্রোকারেজ হাউস ভাংচুর করেছে। সিলেটে বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রীর বাসা ঘেরাও করেছে। রবিবার শহরে হরতাল ডেকেছে তারা। একই ধরনের ঘটনায় চট্টগ্রামে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জে খুলনায় ১০ ও কুমিলস্নায় ১৫ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া রংপুর, নোয়াখালী, কুষ্টিয়া, ফেনী, বগুড়া, রাজশাহীসহ বিভিন্ন স্থানে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় লেনদেন শুরুর ৬ মিনিটের মাথায় তা বন্ধ হয়ে যায়। ওই ৬ মিনিটেই ঘটে অবিশ্বাস্য ঘটনা। বিনিয়োগকারীদের হতবাক করে দিয়ে সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে যায়। আগের দিন চালু হওয়া সার্কিট ব্রেকারও কোন কাজ করেনি। সূচকের এই অকল্পনীয় পতনের সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নামার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। এর পর বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ভবনে অবস্থান নিয়ে পুলিশকে লৰ্য ইটপাটকেল ছুড়তে শুরম্ন করে। এ সময় মতিঝিল থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যনত্ম যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর পর শুরম্ন হয় অলিতে গলিতে পুলিশের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া। মারমুখী অবস্থান নেয় পুলিশ। অনত্মত চার রাউন্ড টিয়ার শেল নিৰেপ করে তারা। মধুমিতা সিনেমা হলের দিকেই তিনটি টিয়ার শেল নিৰেপ করা হয়। রাসত্মায় নামলেই বিনিয়োগকারীদের আটক করে পুলিশ।
ইত্তেফাক মোড় এলাকায় বিনিয়োগকারীরা ৪টি মাইক্রোবাস ভাংচুর করে। পুলিশ এখান থেকে ১৭ বিনিয়োগকারীকে আটক করে। তারা হচ্ছে_ শামসুল ইসলাম, রেজাউল করিম, হারম্ননুর রশীদ, হোসেন, জামালউদ্দিন, সালাউদ্দিন ও জিয়া খন্দকার। এদের মধ্যে শামসুল ও রেজাউল বিনিয়োগকারী নয় বলে দাবি করে। তারা শেয়ার মার্কেটের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের আটক করেছে। এ সময় বিৰোভকারীদের ওপর পুলিশ টিয়ার শেল নিৰেপ করে। এলাকার সব ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। বিকাল পৌনে ৩টার দিকে পরিস্থিতি শানত্ম হয়ে এলে মতিঝিল এলাকায় ফের যান চলাচল শুরম্ন হয়।
দরপতনের খবরে ধানমণ্ডি সাতমসজিদ এলাকায় বিক্ষোভ করে একদল বিনিয়োগকারী। দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত ওই বিক্ষোভের সময় পুলিশের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়। দুপুর ২টার দিকে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
মিরপুরে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসে অবস্থানকারী বিনিয়োগকারীরাও রাসত্মায় নেমে বিৰোভ করেছে। এ সময় তারা মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে গাড়ি ভাংচুর শুরম্ন করে। পরে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা বিৰোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় শাহ আলী কমপেস্নঙ্, তোতা মিয়া মার্কেটসহ তিনটি মার্কেট বন্ধ করে দেয় ব্যবসায়ীরা।
সিলেট অফিস জানায়, শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক দরপতনে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের সামনে রাসত্মা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। এক পর্যায়ে তারা সংগঠিত হয়ে নগরীর ধোপাদীঘিরপাড় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের বাসভবন ঘেরাও করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বিক্ষোভকারীরা নগরীর তালতলায় বাংলাদেশ ব্যাংকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ছাড়াও বিনিয়োগকারীরা নগরীর জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, বন্দরবাজার, আম্বরখানাসহ বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ করে খ- খ- সমাবেশ করে। সমাবেশ থেকে রবিবার সিলেট নগরীতে হরতালের ডাক দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা।
সিলেট পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলতে গেলে ক্যামেরাটিও ছিনিয়ে নেয় বিক্ষোভকারীরা। এ সময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য লাঞ্ছিত হয় বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের হাতে। সিলেটে ডিএসই অফিস মিরবঙ্টুলার আরএন টাওয়ারের সামনে রাসত্মায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান নিলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে উল্টো বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখে পড়ে দ্রম্নত সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয় পুলিশ।
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বেলা দেড়টা নাগাদ কয়েক শ' বিনিয়োগকারী নগরীর আগ্রাবাদ এলাকার সিএসই ভবনের সামনের সড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে। বিক্ষোভকারীরা মুহুর্মুহু সেস্নস্নাগান দিয়ে পুরো এলাকা উত্তপ্ত করে তোলে। এ সময় পুলিশ তাদের ওপর চড়াও হলে বিক্ষোভকারীরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয়। পরে পুনরায় বিক্ষোভ মিছিল শুরম্নর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। বেলা সোয়া ২টার দিকে বিনিয়োগকারীরা সিএসইর অদূরে বাদামতলীর মোড়ে গিয়ে ব্যারিকেড দেয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় পুলিশ আবারও লাঠিচার্জ করে। সেখান থেকে আটক করা হয় ১০ জনকে। এর পর বেলা ৩টা নাগাদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 1:30 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অর্জিত মুনাফা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দিন
সংবাদ সম্মেলনে ডিএসই সভাপতি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
21.01.2011
পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক তারল্য সঙ্কট নিরসনে পুঁজিবাজার থেকে গত কয়েক বছরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্জিত মুনাফা পুনরায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ করে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি মোঃ শাকিল রিজভী। বৃহস্পতিবার শেরাটন হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। একইসঙ্গে আর্থিক বিবরণীতে কারসাজির মাধ্যমে যেসব কোম্পানি অতি মূল্যায়িত শেয়ারবাজারে এনেছে সেসব কোম্পানি, সংশিস্নষ্ট ইসু্য ব্যবস্থাপক ও নিরীৰা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিহ্নহ্নত করে শাসত্মির দাবি জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া সমপ্রতি পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক দরপতনে পেছনে কোন কারণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখারও দাবি জানিয়েছেন ডিএসই সভাপতি। তিনি বিনিয়োগকারীদের লোকসান দিয়ে ভাল শেয়ার বিক্রি না করার অনুরোধ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে শাকিল রিজভী বলেন, গত কয়েক বছরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুঁজিবাজার থেকে উলেস্নখযোগ্য পরিমাণ মুনাফা অর্জন করেছে। কিন্তু নতুন কিছু বিধিবিধান ও নির্দেশনার কারণে সেই অর্থ পুনরায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারছে না। এসব প্রতিষ্ঠানের অর্জিত মুনাফার টাকা বাণিজ্যিক ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে আছে। শেয়ারবাজারের সেই টাকা বাজারে ফেরাতে পারলে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করা সম্ভব হবে। তা না হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ভাটা পড়বে। অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে পারলে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াতে বাধ্য।
ডিএসই সভাপতি বলেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য বেশকিছু প্রতিষ্ঠান রোড শো করে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করেছে। এরমধ্যে অনেক নির্দেশক মূল্যই অস্বাভাবিক। এসব কোম্পানির আর্থিক বিবরণী পুনরায় পর্যালোচনা করতে হবে। এতে কোন কোম্পানির আর্থিক বিবরণীতে কোন রকম কারসাজি পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা জনগণ দেখতে চায়।
তিনি বলেন, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কারণে অনেক কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়েছে। এতে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমেছে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে কোম্পানি, বিনিয়োগকারীসহ সব পৰ যাতে সঠিক মূল্য পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, রোড শো করা কোম্পানিগুলোর মধ্যে কয়েকটির আর্থিক ভিত্তি দুর্বল হলেও সেসব কোম্পানির শেয়ারের দর অনেক বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। এজন্য ইসু্য ব্যবস্থাপকদের দায়িত্ব নিতে হবে। ডিএসই কোনভাবেই অতি মূল্যায়িত শেয়ার তালিকাভুক্ত হতে দেবে না বলে শাকিল রিজভী জানান। মবিল-যমুনা লুব্রিক্যান্টসহ কয়েকটি কোম্পানির আইপিওর কারণে পুঁজিবাজারের কয়েক হাজার কোটি টাকা আটকে আছে বলে তিনি জানান।
শাকিল রিজভী বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, যাঁরা ভাল শেয়ার কিনেছেন তাঁরা যেন কোম্পানির লভ্যাংশ পাওয়ার জন্য শেয়ার ধরে রাখেন। আর যাঁরা শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন তাঁরা কিন্তু লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে ফাইনাল হয়ে গেছেন। একটি মহল কিন্তু শেয়ার কেনার জন্য ওত পেতে রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভাল। রফতানি ভাল। ফলে এদেশের শেয়ারবাজার খারাপ হতে পারে না। অচিরেই তা ঘুরে দাঁড়াবে। আর শেয়ারবাজার শক্তিশালী হলে দেশের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
ডিএসই তথ্য প্রবাহে বাধা দিচ্ছে এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ডিএসই বরং তথ্য প্রবাহ উন্মুক্ত করে দিয়েছে। মিডিয়াকে ভুল তথ্য না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শাকিল রিজভী বলেন, যদি ভুল তথ্য দিয়ে মার্কেট ম্যানুপুলেট করা হয় তাহলে এসইসিকে বলব তাদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।
ডিএসই সভাপতি বলেন, শেয়ারের দর বৃদ্ধি হ্রাসে সরকারের কিছু করণীয় নেই। তবে শেয়ারবাজারে আইন-কানুন ঠিকমতো পালন করা হচ্ছে কিনা সে বিষয়টি সরকারকে খেয়াল রাখতে হবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 1:33 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Markets shut again as DGEN sheds 600 pts in five minutes
Trading to remain suspended Sunday
Markets shut again as DGEN sheds 600 pts in five minutes
FE Report
21.01.2011
Trading at the country's both bourses was suspended again Thursday following a stupendous fall in share prices -- 600 points in just five minutes from the start of the day's trading at 1.0 pm -- leading to violent protests by thousands of angry investors in Dhaka, Chittagong, Rajshahi and at some other district headquarters.
Small investors have called for a dawn-to-dusk hartal in Sylhet for observance Sunday in protest against the continuous fall in stock prices in recent weeks.
The securities regulator, apparently, overwhelmed by the bizarre behaviour of the market, also suspended trading at both Dhaka Stock Exchange (DSE) and Chittagong Stock Exchange (SEC) on Sunday next.
The SEC said it would take decision on resumption of trading on Sunday.
Trading at both the country's bourses resumed at about 1:00pm in accordance with the regulator's earlier decision and the main market barometer, the DGEN, lost 600 points within five minutes, a record time in the history of the bourses.
However, according to the circuit breaker introduced by the SEC Wednesday last, the trading was to be automatically suspended with the fall of 225 points. But the circuit breaker did not work on the day since the DSE software was not capable of responding to the SEC circuit breaker in time.
The DSE said the market plunged 600 points while calculating the DGEN manually.
The CSE also witnessed a 795-point plunge in about 15 minutes after trading was resumed, prompting small investors to resort to violent protests.
As the capital market was shut for the second consecutive day on Thursday, the infuriated investors took to the streets demanding "immediate resignation" of the top bosses of DSE, SEC and Bangladesh Bank for their failure to bring about stability in the market.
The protestors vandalised several vehicles, ransacked a leading broker house and engaged in sporadic clashes with police that brought the activities of the capital's bustling financial hub Motijheel to a complete halt.
Vehicular movements around the commercial area was seriously disrupted for more than an hour as the demonstrators blockaded the road between Bangladesh Bank crossing and the DSE building, causing immense suffering to the commuters.
The law enforcers guarding the DSE building later dispersed the protestors charging batons and lobbing teargas shells. The angry investors pelted brickbats and other objects at the police.
The riot police also picked up at least 15 people from the spot for their alleged involvement in the violence.
Officer-in-charge of Motijheel Police Station Tofazzal Hossain said they detained 15 people for their alleged involvement in vandalism and violent activities.
"We shot several rounds of tear gas shells only to maintain law and order in the area. We'll not tolerate any trouble here," he said, adding that traffic movement resumed at about 2:20pm.
Angry investors also sought immediate intervention of the Prime Minister to help protect their investment, saying that the market will not bounce back without the exit of the officials responsible for taking the market to the current deplorable state.
"The handling the stock market affairs by the officials concerned has not been perfect. They are just incapable of dealing with the situation and they should be withdrawn immediately," a protestor said.
Another investor alleged that the top officials of DSE, CSE, Finance Ministry and Bangladesh Bank should be held responsible for the unprecedented fall in stock prices. "We want investment-friendly environment here."
Violent protests at several city points and elsewhere in the country were also reported.
Our Chittagong Correspondent report: Investors in the capital market Thursday demonstrated in front of the Chittagong Stock Exchange and put up road barricade on the Agrabad-Patenga road to protest the abnormal plunging of share price.
The police resorted to baton-charges to free the busy traffic and detained at least 10 people from around the CSE area.
The investors also handed a nine-point demand to the CSE authority that includes the resignations of Finance Minister AMA Muhith and Governor of the central bank.
Thursday's trading in the CSE started at 1.00 pm after suspension for about two hours but the trading halted within 15 minutes when the selective category index came down by 764 points.
By 1.30 pm several hundred investors came out with protest and demonstration and put up barricade on the main road at Agrabad, the commercial area near the CSE Building.
Our Rajshahi Correspondent adds: Agitated shareholders of seven trading houses in Rajshahi took out a procession and put barricades on Shaheb Bazaar areas of the city in protest against abnormal fall of share indexes on Thursday noon.
The protesters damaged several motor-vehicles.
However, police chased the protesters within half an hour and cleared the street.
Hartal in Sylhet called
UNB from Sylhet adds: Small investors called for a dawn-to-dusk hartal in Sylhet on Sunday to protest Thursday's abnormal fall in the share index of Dhaka Stock Exchange (DSE).
Agitated investors tried to enter the residence of Finance Minister AMA Muhith in city's Dupadegi but police foiled their attempt.
Later, the agitators gathered in front of city's Al Mamra Shopping Mall and burnt old tiers and portfolios of shares of different companies on the street to manifest their anger. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 1:34 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
News Analysis
Is circuit breaker the right solution?
Shamsul Huq Zahid
Financial Express
21.01.2011
Until the first week of December last, scores of unsuspecting investors playing to the tune of behind-scene-players behaved bizarre and took the market to a record high. Apparently, it is the market regulator's turn to behave the same way in its bid to save a collapsing market.
But the latest actions, particularly that relating to the introduction of circuit breaker for trading at bourses, of the Securities and Exchange Commission (SEC) have not only infuriated small investors but also added to their miseries.
The circuit breaker can be likened to an act of putting the investors into a gas chamber. Even if the investors are willing to incur loss and make an exit, they are not allowed to do so.
The SEC has admitted that it had no other option but to impose the circuit breaker since all the tools available with it have failed to stabilize the market. But is it the perfect way of stabilizing the falling market?
One particular question that the agitating investors are asking is: Why did not the SEC take actions in time when the market was getting overheated?
In fact, the regulator cannot shirk its responsibility as far as the developments that took place in the stock market for more than a year. It did allow, by default or design, some institutions and individuals to take the market to the boiling point. The issuance of preference shares, direct listing, floating of IPO through book building system etc., are among the mechanisms used, or to be exact, abused by a section of influential people to siphon off billions from the market. Furthermore, the practice of offering pre-placement shares without going by the standard rules of the game is alleged by many to have played a foul-game in the market. And all these happened, as the perception goes, with the connivance, concurrence or indifference, on the part of the securities regulator. Even some days back, two companies took out a large fund from a good number of institutions who had participated in the biddings.
The people who know the stock market did warn both investors and other stakeholders some months back that the market was heading towards the inevitable -- the crash. But the regulator kept its actions mainly confined to the use of margin loan. And there, too, it behaved erratically. It had reversed its decisions on a number of occasions when the market shed a few points reacting to the reduction of the margin loan ratio. If the change in the margin loan ratio was meant for reining in a soaring market, then why did the SEC again increase the loan ratio?
What is more surprising is that it allowed listing a good number of issues through book-building at very high prices despite the fact their fundamentals did not support such pricing. As a regulator, the SEC has the power not to allow any issue to be listed on the bourses if the offered price does not justify its fundamentals. Bidders paid inflated prices to the companies and they in turn sold those stocks to small investors at prices even higher than those.
Meanwhile, there is a serious liquidity problem in the market. An amount of Taka 40 billion reportedly stuck up in two initial public offerings - one of which was floated more than 15 times of its face value. The merchant banks are also facing problem for adjustment of their loans earlier extended to the investors in a situation where stock prices have drastically fallen. And this has further been compounded by suspended trading following the restrictions imposed through circuit breaker. The institutional investors are largely absent now in the market. The government-owned Securities Trading Company, a subsidiary of the Investment Corporation of Bangladesh (ICB), has alone been active, pumping about Taka 6.0 billion (600 crore) in last four trading days.
Before the start of the plunge, it seemed like a free-for-all situation. And a few figures in the capital market played the role of the pied pipers. Then again, the central bank was too late to rein in the banks that had over-exposed themselves to capital market. Had it acted in time, the market would not have reached the current state.
One can blame the small investors for putting in their hard-earned money in stock market without knowing the basics of investment in stocks. But these hapless people were lured to the market by a band of crooks, old and new, having connections with the powerful quarters. The onus lies with the government to find them out and punish. They managed to escape in 1996. This time they should not be spared.
The latest stock market developments are likely to have an adverse snowballing effect on other sectors of the economy, including the banking sector and the non-banking financial institutions.
The situation, it seems, has gone beyond the control of the market regulator. The government would have to handle the situation with utmost care for the greater interest of the small investors and the economy. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 1:35 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | DSE seeks probe into book building 'scam'
Says it won't allow overpriced cos to get listed
FE Report
21.01.2011
The Dhaka Stock Exchange (DSE) won't allow overpriced companies to get listed on the premier bourse and has demanded a probe into firms which manipulated the Book Building method to jack up their share prices.
DSE President Shakil Rizvi spelled out the bourse's stand at a press briefing Thursday saying the companies have window-dressed their balance sheets and misused the price discovery system to fleece ordinary investors.
Mr. Rizvi said these companies are partly to blame for the current liquidity crisis that sent stocks to a free-fall since last month, as they have already soaked up huge fund from the market by inflating share prices artificially.
"Before they have even come into the stock market, a number of companies have made way with a lot of money by manipulating the Book Building method," Rizvi told reporters.
"We are demanding full investigation against the firms, especially those which already have completed road shows to go public through the BB method. We suspect they have window-dressed their balance sheets," he said.
He said the country's premier bourse would bar these overpriced companies to get listed with the market although several of these firms have raised billions through pre-placement, he added.
"In no way such companies will be allowed to float their shares in the stock market from now on. We are taking this stern measure to protect the market and the innocent investors," he said.
The DSE president also demanded probe against the issue managers who lured a lot of companies with poor fundamentals to the stock market by dangling moolahs of easy money.
"Investors confidence has plummeted due to poor performance of these companies. They came to the market by cooking up books and their directors have made quite a lot of money by selling stakes," Rizvi said.
According to the DSE, some 48 companies have completed their road-shows to go public under the Book Building method.
"The government should probe these companies and find out whether the firms are going public with genuine balance sheets. Our suspicion is that most of these firms have made up figures to get better pricing," Rizvi said.
"Companies are welcome to the stock market as long as no cover-ups are detected in their books. But, the authorities must take tough action if any window-dressing is found," he said.
He also urged the regulator to reduce the period of IPO (initial public offering) subscription so that the stock market does face liquidity crisis in an event of big listing.
"About 25 billion taka has been blocked due to the Mobil Jamuna Lubricant (MJL) IPO. The issue manager should quickly release the refund warrants of the company so as to boost liquidity," the DSE president said.
His comments came as analysts raised questions about the indicative price of MJL's shares fixed at Tk 152.40 each through the book building method although the company's earning per share (EPS) was a meagre Tk 2.45.
As a result of this inflated pricing, the price-earning (P/E) ratio of the MJL stands at 62 before even the company goes public next month. A price earning ratio of 16 is considered the standard across the globe.
The EPS of Unique Hotel and Resort, which recently received the SEC nod to go public, is Tk 4.80 and its indicative price has been fixed at Tk 185. As such, the P/E ratio of the company stands at 38.50.
Most of the companies recently went public through the book building price discovery method have their P/E ratios around 40.
Officials said the government has already decided to abandon the latest price discovery method - normally used in the world's top performing stock markets - after analysts raised hues over its manipulation in the country.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|