| 01/19/2011 2:49 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুজিবাজারে লেনদন বন্ধ, বিক্ষোভ ভাঙচুর
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টা আগেই লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু করেছে বিনিয়োগকারীরা। লেনদেন স্বাভাবিক রাখতে বুধবার সার্কিট ব্রেকার পদ্ধতি আরোপ করে পুজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। দুপুরে নতুন এই পদ্ধতি চালু কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রেড বন্ধ হয়ে যায়। নতুন এই পদ্ধতি অনুযায়ী দিনে সাধারণ সূচক ২২৫ পয়েন্ট কমলে কিংবা বাড়লে ট্রেড বন্ধ হয়ে যাবে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা মতিঝিল, দিলকুশা এলাকায় খণ্ড খন্ড মিছিল বের করে ও গাড়ি ভাঙচুর করে। তারা এসইসির নতুন এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানায়। (শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/এমএইচ/১৪.৪০ঘ.)
=======================================================================================
অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়নি: সূচক ২২৫ কমলে-বাড়লে ট্রেড বন্ধ
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
সূচকের অস্বাভাবিক উত্থান পতন রোধে পুঁজিবাজারে সার্কিট ব্রেকার পদ্ধতি আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বুধবার এসইসির বাজার নিয়ন্ত্রণ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে এসইসির নির্বাহি পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি আরও জানান, ২২৫ পয়েন্ট পর্যন্ত সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ সাধারণ সূচক ২২৫ পয়েন্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলে লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।
এর আগে সকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাসায় অনানুষ্ঠানিক এক বৈঠকে সার্কিট ব্রেকার পদ্ধতি আরোপের চিন্তাভাবনা করা হয়। বৈঠকে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং শাখার সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক নেতিবাচক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে এসইসি চেয়ারম্যান জানান, পুঁজিবাজারের নেতিবাচক পরিস্থিতি উত্তোরণে এসইসি তাদের হাতে থাকা প্রায় সব ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে। এখন পুঁজিবাজার সামাল দিতে এসইসির আর কিছু নেই।
গভর্নর আতিউর রহমান বলেন, পুঁজিবাজারে নেতিবাচক পরিস্থিতি ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু নগদ সহায়তা দিয়ে বেশিদিন এ পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাবে না বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ এমএইচ/ ১৪.০০ঘ)
========================================================================================
পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু, সূচকের আরও পতন
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে।বুধবার লেনদেনের শুরুতেই চাঙ্গাভাব দেখা গেলেও পরে সূচকের পতন শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সূচক ১২৪ পয়েন্ট কমে যায়। এর আগে সকালে সিকিউরিটিজ এণ্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বৈঠক করে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এসইসি'র এ সিদ্ধান্তের কথা তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ব্যাপক দরপতনের মুখে মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে বুধবার স্বাভাবিক নিয়মে ট্রেড শুরু করারও ঘোষণা দেয়া হয়।
এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে বিনিয়োগকারীরা। পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরকারের হস্তক্ষেপ ও বিনিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এ মানববন্ধন করছে তারা। পুঁজিবাজারে বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এণ্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। বৈঠকে সূচকের অস্বাভাবিক উঠানামা নিয়ন্ত্রণে সার্কিট ব্রেকার পদ্ধতির আরোপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তবে এ বিষয়ে এসইসি'র পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোন ঘোষণা এখনো দেয়া হয়নি। এর আগে সকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সঙ্গে পুঁজিবাজার নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান এবং এসইসি'র চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/টিএইচ/এমএইচ/১৩.৩০ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 2:54 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম, লেনদেন বন্ধ
Wed, Jan 19th, 2011 2:44 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিন নির্ধারিত সময়ে চেয়ে দুঘণ্টা দেরিতে বেলা ১টায় লেনদেন শুরু হয়। শুরুর কিছুক্ষণ পর ডিএসইতে ২২৫ পয়েন্টে সার্কিট ব্রেকার আরোপ করে এসইসি।
এরপর বেলা আড়াইটার দিকে মূল্যসূচক ২২৫ পয়েন্ট কমার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হয়ে যায়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/আরএইচএন/পিডি/১৪৪৫ ঘ.
===========================================================
পুঁজিবাজারে সার্কিট ব্রেকার
Wed, Jan 19th, 2011 1:53 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২২৫ পয়েন্টে সার্কিট ব্রেকার আরোপ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, মূল্যসূচক ২২৫ পয়েন্ট বাড়লে বা কমলে লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হয়ে যাবে।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
ডিএসইকে অনুসরণ করবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।
বুধবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া এসইসি কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, ডিএসইতে সাধারণ সূচকে সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করা হয়েছে ২২৫ পয়েন্ট। সার্কিট ব্রেকার কার্যকর হলে সেদিনের জন্য লেনদেন স্থগিত হয়ে যাবে। এর পরবর্তী নির্দেশ এসইসি থেকে দেওয়া হবে। ডিএসইকে অনুসরণ করবে সিএসই।
তিনি বলেন, "গত কয়েকদিনের অবস্থা দেখে সাময়িকভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
এর আগে এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির জরুরি বৈঠক দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এসইসি কার্যালয়ে শুরু হয়। সংস্থার চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, এসইসির দুই সদস্য ও নির্বাহী পরিচালকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে এই প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া।
এর আগে সকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাসায় একটি বৈঠক হয়। এতে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও দুই ডেপুটি গভর্নর, এসইসি চেয়ারম্যান ও দুই সদস্য উপস্থিত ছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ বৈঠক শেষ হয়।
বুধবার পুঁজিবাজারে নির্ধারিত সময় সকাল ১১টায় লেনদেন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুই ঘণ্টা পর দুপুর ১টায় শুরু হয়। লেনদেন শুরু হওয়ার ১ মিনিটের মধ্যে সূচক ২৯ পয়েন্ট বেড়ে যায়।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বিকাল ৩টা পর্যন্ত লেনদেন চলবে।"
পুঁজিবাজারে দরপতন ঠেকাতে মঙ্গলবার দিনের লেনদেন শেষ হওয়ার সোয়া এক ঘণ্টা আগেই দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ডিএসই ও সিএসইতে লেনদেন বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/কেএমএস/পিডি/১৪৪২ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 2:58 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সার্কিট ব্রেকার ইনডেক্সের সীমা ২২৫ পয়েন্ট নির্ধারণ
অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
বার্তা২৪ ডটনেট
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি
শেয়ারজারে সার্কিট ব্রেকার ইনডেক্সের সীমা সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ম ২২৫ পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ১০টায় শেয়ারবাজারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাসায় জরম্নরি বৈঠকে এ সিন্ধামত্ম নেয়া হয়।
সূত্র জানায়, ডিএসইর সার্কিট ব্রেকার ইনডেক্সে একদিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গতি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২৫ পয়েন্ট। সূচকের গতি ২২৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি হলে বা কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাবে। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এসইসির চেয়ারম্যানসহ সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সিদ্ধামত্ম কবে থেকে কার্যকর করা হবে তা নিয়ে সিকিউরিটিক এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও সংশিস্নষ্টরা এখন আলাদা আলাদ বৈঠকে বসেছেন।
বার্তা২৪ ডটনেট/এসএমআর/এআর/এসআর/১৪.১০ঘ
====================================
পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু, সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ০১০৫ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৯, ২০১১
ঢাকা: ধারাবাহিক দরপতনের কারণে শেয়ারবাজারে বন্ধ হয়ে থাকা লেনদেন শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা থেকে এ দেশের দুই পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়। চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। আন্দোলনরত বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে এরই মধ্যে চলে এসেছেন।
এদিকে সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার আরোপ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(এসইসি)।
বুধবার সকাল ১১টায় লেনদেন শুরুর কথা থাকলেও এসইসি নির্দেশনা মোতাবেক বুধবার সকালে লেনদেন দুই ঘণ্টা পরে শুরু করার সিদ্ধান্ত দেয়।
এদিকে লেনদেন যথাসময়ে (১১টায়) শুরু না হওয়ায় ঢাকা ও বাইরের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তারা ডিএসই’র সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন। তবে আইন-শৃ্খংলা বাহিনীর সদস্যরা আগে থেকেই অবস্থান নেওয়ায় রাস্তায় নামতে পারেননি তারা।
এসময় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে হাজার হাজার বিনিয়োগকারী লিফলেট, প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তার এক পাশে অবস্থান নেন। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এসইসি’র চেয়ারম্যান ও ডিএসই’র কর্তা ব্যক্তিদের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
পাশাপাশি তারা পুঁজিবাজারে স্থিতিশীল পরিবেশ, মার্চেন্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে আনুপাতিক হারে লোন দেওয়া, অযৌক্তিক হারে প্রিমিয়াম নিয়ে আইপিও আসতে না দেওয়াসহ বুক বিল্ডিং পদ্ধতি বাতিলেরও দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে শেয়ার বাজারকে স্থিতিশীল রাখার নিয়ে কর্মপন্থা নির্ধারণে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এসইসি চেয়ারম্যান ও ডিএসই’র সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পরে এসইসি নিজেরা বৈঠক করে সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে একদিনে সূচক ২২৫পয়েন্ট ওঠানামা করতে পারবে।
সূচকে সার্কিট ব্রেকার চালু করার বিষয়ে ডিএসই’র নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভুইয়া জানান, অস্বাভাবিক দরপতন ঠেকানোর জন্যই সার্কিট ব্রেকার চালু করা হয়েছে। এটা শুধু ডিএসই’র জন্য প্রযোজ্য। তবে সার্কিট ব্রেকারের জন্য যদি ডিএসই’র লেনদেন বন্ধ হয়ে যায় তবে সিএসই’র লেনদেনও বন্ধ হয়ে যাবে।
লেনদেন দেরিতে শুরু করার বিষয়ে তিনি বলেন, বাজার আরও পড়তে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই লেনদেন শুরু করা হয়নি। আমরা সিদ্ধান্তটা নিয়েই লেনদেন শুরু করতে চেয়েছি।
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দরপতনের মধ্য দিয়ে সপ্তাহের তৃতীয় দিনের লেনদেন শুরু হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচকের পতন অব্যাহত থাকে। দুপুরের দিকে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে। সাধারণ সূচক পড়ে যায় ২৪৩ পয়েন্ট। পুরো বিষয়টিতে বিচলিত হয়ে বাজারের আরও ধস ঠেকাতে ডিএসই ও সিএসই’র লেনদেন দুপুর ১টা ৪০মিনিটে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বন্ধের আগ পর্যন্ত ডিএসই’তে লেনদেন হয় ২৪৪টি কোম্পানির। এর মধ্যে কমেছে ২৩৪টির। বেড়েছে মাত্র ১০টির। একই অবস্থা দেখো যায় সিএসই’তেও। টানা দরপতন ও লেনদেন বন্ধের প্রতিবাদে মঙ্গলবারও ডিএসই’র সামনে বিক্ষোভ করেন বিনিয়োগকারীরা ।
বুধবার যথারীতি লেনদেন শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল এসইসি।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 5:35 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | মার্চের মধ্যে ৬৩ কোটি টাকার শেয়ার বাজারে ছাড়ছে বিএসসি
চট্টগ্রাম, ১৯ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
চলতি বছর মার্চের মধ্যে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) ৬২ কোটি ৭৪ লাখ টাকার নতুন শেয়ার বাজারে ছাড়বে। নতুন প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে এক হাজার টাকা। বুধবার নগরীর এক হোটেলে বিএসসি'র ৩৩তম বার্ষিক সাধারণ সভায় নৌমন্ত্রী শাজাহান খান এ কথা জানান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে শিপিং করপোরেশন গত এক বছরে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ২০১১ সাল হবে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জন্য স্বর্ণের অধ্যায়।
তিনি জানান, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে বিএসসি'র লোকসান হয় ১০ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে বিএসসি লাভ করে ১৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এজন্য তিনি শেয়ার হোল্ডারদের মধ্যে প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়ার সুপারিশ করেন। মন্ত্রী বলেন, বিএসসি'র উন্নয়নের লক্ষে ৬টি নতুন জাহাজ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সাধারণ সভায় বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিএসসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাকসুমুল কাদের। এছাড়া নৌ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মান্নান হাওলাদার, নির্বাহি পরিচালক (অর্থ) গোলাম মাওলা, নির্বাহি পরিচালক (প্রযুক্তি) মো. সাইদ উল্লাহ, ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহি পরিচালক আবুল হোসেন আশরাফুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসআই/ এআই/ ১৬.১০ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 5:39 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | অব্যাহত দরপতনে ফের শেয়ারবাজারে ট্রেড বন্ধ : এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন পদক্ষেপ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
Amardeshonline.com
19.01.2011
শেয়ারবাজারের অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে ৬ কার্যদিবসের মাথায় ফের লেনদেন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হলো নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকা ও চট্টগ্রাম দুই স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়। এ সময় দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্য সূচকের পতন ঘটে ২৩৭ দশমিক ৩৩ পয়েন্টের। শতাংশ হিসাবে এ পতনের হার ৩ দশমিক ২৯ ভাগ। তিনদিন একটানা দরপতনের পর গতকালও সে ধারা অব্যাহত থাকায় মাঝপথে লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে আজ থেকে যথারীতি লেনদেন শুরু হবে। এর আগে গত ১০ জানুয়ারি লেনদেন স্থগিত করে দিয়েছিল এসইসি। ওইদিন মাত্র ৫০ মিনিটের মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক ৬৬০ পয়েন্টের পতন হয়েছিল।
লেনদেন বন্ধের বিষয়ে এসইসির দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূইয়া সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত তিন দিন ধরেই বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা ছিল। গতকালও সে ধারা অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থেই লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে। তবে আজ থেকে যথারীতি লেনদেন শুরু হবে।
এদিকে শেয়ারবাজারের ধস ঠেকাতে গতকালই কিছু পদক্ষেপ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি। এর মধ্যে স্টক ডিলারদের শেয়ার ক্রয়ে উত্সাহী করতে মেম্বার মার্জিনের ফ্রি লিমিট তিনগুণ বাড়িয়েছে এসইসি। আগে ফ্রি লিমিট ছিল ৫ কোটি টাকা, গতকাল তা বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এ সুবিধা শুধুমাত্র স্টক ডিলাররাই পাবে। আজ যেসব স্টক ডিলার নিজস্ব একাউন্টে ৫ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয় করবে সে ডিলারের ব্রোকারেজ হাউসে ১৫ কোটি টাকার লেনদেন হলে তার জন্য কোনো জামানত দিতে হবে না। অন্যদিকে পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট কাটাতে বিনিয়োগের জন্য ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) আবারও ২০০ কোটি টাকা জোগান দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর তারল্য সঙ্কট কাটাতে নগদ এবং রেপোর মাধ্যমে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এদিকে গতকাল লেনদেন বন্ধ করে দেয়ার পর পরই বিনিয়োগকারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তবে পুলিশ বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভে বাধা দেয়। ডিএসই’র সামনে কয়েকশ’ বিনিয়োগকারী অবস্থান নিয়ে অর্থমন্ত্রী, এসইসি চেয়ারম্যান, ডিএসই প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সেম্লাগান দেয় এবং তাদের পদত্যাগ দাবি করেন। বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় মিছিল করার চেষ্টা করতেই পুলিশের বাধার মুখে পড়েন। সূচকের ক্রমাগত পতনের কারণে বেলা ১টার দিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় বিক্ষোভ সমাবেশ করার চেষ্টা চালায়। বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউস থেকে বের হয়ে ডিএসই ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। লেনদেন বন্ধ করে দেয়ার পর বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি বাড়লেও মূলত পুলিশের বেষ্টনীতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন তারা।
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান বাজারের দুটি প্রধান সমস্যা হলো—বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও তারল্য সঙ্কট। বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা পদক্ষেপে পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এর ফলে সম্প্রতি শেয়ারবাজারে ক্রমাগত দরপতনের ঘটনা ঘটছে। গতকাল আবারও বড় ধরনের দরপতন হলে লেনদেন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি।
টানা চার দিন দরপতনের পর বন্ধ শেয়ারবাজার : শেয়ারবাজারে টানা চার কার্যদিবস দরপতন হয়েছে। গতকাল বেলা ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ২৩৭ পয়েন্ট দরপতনের পর এসইসি ঢাকা ও চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ করে দেয়। এর আগে সোমবার ডিএসসিতে মূল্য সূচকের পতন হয়েছিল ৫৭ পয়েন্ট। রোববার সূচকের পতন হয়েছিল ১৪১ পয়েন্ট। যদিও সেদিন এক পর্যায়ে সূচক ৩১৬ পয়েন্ট কমে গিয়েছিল। আর গত বৃহস্পতিবারে পতন হয়েছিল ১১৫ পয়েন্ট। ডিএসসি’র লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৮টি কোম্পানির মধ্যে ১৭৭টির দামই কমেছে গতকাল। বেড়েছে ৬৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টির। গতকাল ডিএসসি’তে মাত্র ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে (১০ জানুয়ারি, মাঝপথে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার দিন বাদে) ডিএসসি’তে গত ১৫ এপ্রিল সর্বনিম্ন ৭৭২ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। জানুয়ারি মাসে ১২ কার্যদিবসের মধ্যে ৯ কার্যদিবসেই সূচকের পতন হয়েছে। এর মধ্যে ৯ ও ১০ ডিসেম্বর পর পর দুদিন সূচকের বড় ধরনের পতন হয়। এর মধ্যে ৯ ডিসেম্বর একদিনে ডিএসসিতে সূচকের পতন হয় ৬০০ পয়েন্ট। পরদিন ৫০ মিনিটের মাথায় সূচক ৬৬০ পয়েন্ট পড়ে গেলে ডিএসসি’র ইতিহাসে প্রথমবারের মতো লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়। এসইসি, ডিএসসি এবং সরকারের প্রতিনিধি যৌথ বৈঠকে বসে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ শেষে পরদিন পুনরায় লেনদেন শুরু হয়। ১১ জানুয়ারিতে অস্বাভাবিক হারে সূচক ১ হাজার পয়েন্ট বাড়ে। পরদিন আরও প্রায় ২শ’ পয়েন্ট বাড়লেও এরপর থেকে পর পর তিন কার্যদিবস সূচকের পতন অব্যাহত রয়েছে। ডিএসসি’র সূচক গত ৫ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ যেখানে প্রায় ৯ হাজার পয়েন্টে পৌঁছেছিল, কয়েক দফায় তা কমে গতকাল দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১৪০ পয়েন্টে।
বিনিয়োগকারীদের কর্মসূচি : গতকাল বিক্ষোভ সমাবেশ করতে না পেরে ‘শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ’ নামে বিনিয়োগকারীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়। আজ ১১ টায় ডিএসই ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
এদিকে শেয়ারবাজারে দরপতনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিনিয়োগকারীরা বলেন, আমরা এখানে বিনিয়োগ করেছি এবং আমাদের বিনিয়োগ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল। আমরা সে অনুযায়ী বিনিয়োগ করেছি। কিন্তু এখন আমাদের ওপর পুলিশ হামলা করছে। বিনিয়োগকারীদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে, আমরা সন্ত্রাসী। তারা আরও বলেন, মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ করতে বলা হচ্ছে। আমরা মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ করেই পুঁজি হারাচ্ছি। বাজারে কেন এমন হচ্ছে—এমন প্রশ্ন রেখে তারা বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে অর্থমন্ত্রী, এসইসি ব্যর্থ হয়েছে। এজন্য অর্থমন্ত্রী ও এসইসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করেন তারা।
বাজার বিশ্লেষণ : বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গতকাল লেনদেন শুরুর মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় ডিএসই সাধারণ সূচকের পতন ঘটে ৭০ পয়েন্ট। এ অবস্থা থেকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও তা খুব একটা স্থায়ী হয়নি। আধঘণ্টা সূচকের কিছু উন্নতি হলেও বেলা পৌনে ১২টা থেকে সূচকের একটানা পতন শুরু হয়। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ায় বাজারে বড় ধরনের বিক্রয় চাপ তৈরি হয়। কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা খুব কম হওয়ায় শেয়ারের দরপতন ঘটতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রির চাপ আরও বেড়ে গেলে দরপতনের ধারা আরও তীব্র হয়। নানাভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করে এসইসি। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয়ের জন্য বলা হলেও তাদের হাতে পর্যাপ্ত তারল্য না থাকায় সে চেষ্টা সফল হয়নি। ফলে বড় ধরন পতন রোধে বাধ্য হয়েই দুই স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন স্থগিত করে দেয় এসইসি। দেশের শেয়ারবাজারের ইতিহাসে লেনদেন স্থগিত করার দ্বিতীয় নজির গতকাল স্থাপন করল এসইসি।
কমেছে ২৪৩টির, বেড়েছে ২১০টির : গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনে অংশ নেয়া প্রায় সব কয়টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের দর কমেছে। লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ২৪৩টির। অন্যদিকে বেড়েছে মাত্র ১০টির দাম। গতকাল দু’ঘণ্টা ৪০ মিনিট লেনদেন হওয়ার পর ডিএসই সাধারণ সূচকের ২৪৩ পয়েন্টের পতন হলে লেনদেন স্থগিত করে দেয় এসইসি। আর এ সময় লেনদেন হয়েছে ৬০৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। গত কয়েকদিন ধরেই শেয়ারবাজারে লেনদেনে যে নিম্নগতি ছিল গতকালও সে ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি বাজার। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে না পারার কারণে বাজারে তারল্যে বড় ধরনের সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এর আগে ব্যাংকগুলো তাদের নির্দিষ্ট সীমার ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছিল; কিন্তু এখন তাদের বিনিয়োগ সীমা তাদের আইনি সীমার চেয়েও কমে এসেছে। এ কারণে বাজারে তারল্য সঙ্কট তৈরি হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতেও টাকা নেই আবার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্রয়ক্ষমতাও হ্রাস পেয়েছে। ফলে সার্বিকভাবে তারল্যের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সঙ্কটই তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক এগিয়ে না এলে পরিস্থিতির সহসাই উন্নতি হবে না।
ধস ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসির আরও পদক্ষেপ : এদিকে শেয়ারবাজারের ধস ঠেকাতে আরও বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি। এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট কাটাতে বিনিয়োগের জন্য ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) আবারও ২০০ কোটি টাকা জোগান দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর তারল্য সঙ্কট কাটাতে নগদ এবং রেপোর মাধ্যমে ব্যাংক এবং আাার্থিক প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অন্যদিকে স্টক ডিলারদের শেয়ার ক্রয়ে উত্সাহী করতে মেম্বার মার্জিনের ফ্রি লিমিট তিনগুণ বাড়িয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। আগে ফ্রি লিমিট ছিল ৫ কোটি টাকা, গতকাল তা বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এ সুবিধা শুধু স্টক ডিলাররাই পাবেন।
এসইসি ও ডিএসই’র সিদ্ধান্ত : এদিকে গতকাল লেনদেন স্থগিত করার পরপরই এসইসি চেয়ারম্যান ও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন। পরে ডিএসই কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন এসইসি কর্মকর্তারা। বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নাছির চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সতিপতি মৈত্র উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া বলেন, যেসব স্টক ডিলার তার নিজস্ব অ্যাকাউন্টে ৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনবেন সে ডিলারের ব্রোকারেজ হাউসে ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনে কোনো ধরনের জামানত দিতে হবে না। আগে এ জামানতবিহীন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি টাকা। আগের তুলনায় এ হার ৩ গুণ বাড়ানো হয়েছে। আজ থেকে এটি কার্যকর হবে। অন্যদিকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কোম্পানি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকা পরিবর্তন করছে। এ পরিবর্তন একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে করার বিষয়ে এসইসি নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে। অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের বিষয়ে শিগগিরই একটি সময় বেঁধে দেবে এসইসি। স্টক ডিলারের শেয়ার ক্রয়ের ফলে বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া বলেন, বাজার পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছেনি যে বাজারে পতন ঘটতে থাকবে।
ডিএসই’র প্রেসিডেন্ট বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা নষ্ট হয়েছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির জন্য তারল্য সঙ্কট অন্যতম কারণ। আমরা সে জন্য মার্চেন্ট ব্যাংকারদের সঙ্গে বৈঠক করছি। বৈঠকে তাদের পক্ষ থেকে যদি যৌক্তিক কোনো সুপারিশ দেয়া হয় তাহলে আমরা তা সরকারের কাছে পেশ করব। তিনি আরও বলেন, মানুষের মনের মতো শেয়ারবাজারও মাঝেমধ্যে গ্লুমি হয়। শেয়ারবাজারে এখন কিছুটা সে অবস্থায় পড়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ডিএসই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নাছির চৌধুরী আমার দেশকে জানান, বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের মধ্যে প্রায় ২০০ জন স্টক ডিলার রয়েছেন। স্টক ডিলাররা ফ্রেশ ৫ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয় করলে তাদের ব্রোকারেজ হাউসে ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হলে তার জন্য কোনো ধরনের জামানত দিতে হবে না। বর্তমান তারল্য সঙ্কট পরিস্থিতিতে স্টক ডিলারদের ৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনার সামর্থ্য আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্টক ডিলাররা তাদের নিজস্ব ব্যবসায়িক স্বার্থে এটি করবেন বলে আশা করছি। এর ফলে শেয়ারের ক্রয় চাহিদা বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, এর ফলে বাজার একটি সাপোর্ট পাবে। ডিলাররা শেয়ার ক্রয় করলে বাজারে ক্রয় চাহিদা বাড়বে; কিন্তু কতটি স্টক ডিলার ৫ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয় করতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে খুব একটা আশাবাদী নন তিনি। তিনি বলেন, স্বল্পমেয়াদে সিদ্ধান্ত না নিয়ে এসইসিকে দীর্ঘমেয়াদের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তারল্য সঙ্কটের কারণে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি রিল্যাক্স করা না হলে তারল্য সঙ্কট কাটবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস কে সুর চৌধুরী বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ। তারল্য ঘাটতির প্রভাব যেন পুঁজিবাজারে না পড়ে সে জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে যথেষ্ট নগদ টাকার সহায়তা দেয়া হচ্ছে। সহায়তার বিষয়ে আইসিবির মহাব্যবস্থাপক ইফতেখার-উজ-জামান বলেন, বাজারের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সমর্থন দিতে আইসিবি প্রস্তুত রয়েছে।
ব্যাংকগুলোর নগদ টাকার ঘটতি পূরণ করতে ১৫টি ডিলার ব্যাংককে ৪ হাজার ৫০৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা তারল্য সহায়তা এবং ১৬টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার ২৪৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা রেপো সুবিধা প্রদান করেছে। তবে গতকাল রেপোর চাহিদা ছিল ১৮ হাজার ৪২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ট্রেজারি বন্ডের ২০০ কোটি টাকার যে নিলাম হওয়ার কথা ছিল তা স্থগিত করা হয়। ফলে বাজারে ওই ২০০ কোটি টাকা রয়ে গেছে। এ ছাড়া যেসব ব্যাংকে শেয়ার বাজারে আরও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে, সেসব ব্যাংককে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, এভাবে বাজার বেশিদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। বাজার ধরে রাখার দায়িত্ব সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকেই (এসইসি) নিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাজারে যথেষ্ট নগদ টাকা সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 5:40 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | অব্যাহত দরপতনে ফের শেয়ারবাজারে ট্রেড বন্ধ : এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন পদক্ষেপ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
Amardeshonline.com
19.01.2011
শেয়ারবাজারের অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে ৬ কার্যদিবসের মাথায় ফের লেনদেন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হলো নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকা ও চট্টগ্রাম দুই স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়। এ সময় দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্য সূচকের পতন ঘটে ২৩৭ দশমিক ৩৩ পয়েন্টের। শতাংশ হিসাবে এ পতনের হার ৩ দশমিক ২৯ ভাগ। তিনদিন একটানা দরপতনের পর গতকালও সে ধারা অব্যাহত থাকায় মাঝপথে লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে আজ থেকে যথারীতি লেনদেন শুরু হবে। এর আগে গত ১০ জানুয়ারি লেনদেন স্থগিত করে দিয়েছিল এসইসি। ওইদিন মাত্র ৫০ মিনিটের মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক ৬৬০ পয়েন্টের পতন হয়েছিল।
লেনদেন বন্ধের বিষয়ে এসইসির দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূইয়া সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত তিন দিন ধরেই বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা ছিল। গতকালও সে ধারা অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থেই লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে। তবে আজ থেকে যথারীতি লেনদেন শুরু হবে।
এদিকে শেয়ারবাজারের ধস ঠেকাতে গতকালই কিছু পদক্ষেপ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি। এর মধ্যে স্টক ডিলারদের শেয়ার ক্রয়ে উত্সাহী করতে মেম্বার মার্জিনের ফ্রি লিমিট তিনগুণ বাড়িয়েছে এসইসি। আগে ফ্রি লিমিট ছিল ৫ কোটি টাকা, গতকাল তা বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এ সুবিধা শুধুমাত্র স্টক ডিলাররাই পাবে। আজ যেসব স্টক ডিলার নিজস্ব একাউন্টে ৫ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয় করবে সে ডিলারের ব্রোকারেজ হাউসে ১৫ কোটি টাকার লেনদেন হলে তার জন্য কোনো জামানত দিতে হবে না। অন্যদিকে পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট কাটাতে বিনিয়োগের জন্য ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) আবারও ২০০ কোটি টাকা জোগান দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর তারল্য সঙ্কট কাটাতে নগদ এবং রেপোর মাধ্যমে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এদিকে গতকাল লেনদেন বন্ধ করে দেয়ার পর পরই বিনিয়োগকারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তবে পুলিশ বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভে বাধা দেয়। ডিএসই’র সামনে কয়েকশ’ বিনিয়োগকারী অবস্থান নিয়ে অর্থমন্ত্রী, এসইসি চেয়ারম্যান, ডিএসই প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সেম্লাগান দেয় এবং তাদের পদত্যাগ দাবি করেন। বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় মিছিল করার চেষ্টা করতেই পুলিশের বাধার মুখে পড়েন। সূচকের ক্রমাগত পতনের কারণে বেলা ১টার দিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় বিক্ষোভ সমাবেশ করার চেষ্টা চালায়। বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউস থেকে বের হয়ে ডিএসই ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। লেনদেন বন্ধ করে দেয়ার পর বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি বাড়লেও মূলত পুলিশের বেষ্টনীতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন তারা।
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান বাজারের দুটি প্রধান সমস্যা হলো—বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও তারল্য সঙ্কট। বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা পদক্ষেপে পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এর ফলে সম্প্রতি শেয়ারবাজারে ক্রমাগত দরপতনের ঘটনা ঘটছে। গতকাল আবারও বড় ধরনের দরপতন হলে লেনদেন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি।
টানা চার দিন দরপতনের পর বন্ধ শেয়ারবাজার : শেয়ারবাজারে টানা চার কার্যদিবস দরপতন হয়েছে। গতকাল বেলা ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ২৩৭ পয়েন্ট দরপতনের পর এসইসি ঢাকা ও চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ করে দেয়। এর আগে সোমবার ডিএসসিতে মূল্য সূচকের পতন হয়েছিল ৫৭ পয়েন্ট। রোববার সূচকের পতন হয়েছিল ১৪১ পয়েন্ট। যদিও সেদিন এক পর্যায়ে সূচক ৩১৬ পয়েন্ট কমে গিয়েছিল। আর গত বৃহস্পতিবারে পতন হয়েছিল ১১৫ পয়েন্ট। ডিএসসি’র লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৮টি কোম্পানির মধ্যে ১৭৭টির দামই কমেছে গতকাল। বেড়েছে ৬৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টির। গতকাল ডিএসসি’তে মাত্র ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে (১০ জানুয়ারি, মাঝপথে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার দিন বাদে) ডিএসসি’তে গত ১৫ এপ্রিল সর্বনিম্ন ৭৭২ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। জানুয়ারি মাসে ১২ কার্যদিবসের মধ্যে ৯ কার্যদিবসেই সূচকের পতন হয়েছে। এর মধ্যে ৯ ও ১০ ডিসেম্বর পর পর দুদিন সূচকের বড় ধরনের পতন হয়। এর মধ্যে ৯ ডিসেম্বর একদিনে ডিএসসিতে সূচকের পতন হয় ৬০০ পয়েন্ট। পরদিন ৫০ মিনিটের মাথায় সূচক ৬৬০ পয়েন্ট পড়ে গেলে ডিএসসি’র ইতিহাসে প্রথমবারের মতো লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়। এসইসি, ডিএসসি এবং সরকারের প্রতিনিধি যৌথ বৈঠকে বসে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ শেষে পরদিন পুনরায় লেনদেন শুরু হয়। ১১ জানুয়ারিতে অস্বাভাবিক হারে সূচক ১ হাজার পয়েন্ট বাড়ে। পরদিন আরও প্রায় ২শ’ পয়েন্ট বাড়লেও এরপর থেকে পর পর তিন কার্যদিবস সূচকের পতন অব্যাহত রয়েছে। ডিএসসি’র সূচক গত ৫ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ যেখানে প্রায় ৯ হাজার পয়েন্টে পৌঁছেছিল, কয়েক দফায় তা কমে গতকাল দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১৪০ পয়েন্টে।
বিনিয়োগকারীদের কর্মসূচি : গতকাল বিক্ষোভ সমাবেশ করতে না পেরে ‘শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ’ নামে বিনিয়োগকারীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়। আজ ১১ টায় ডিএসই ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
এদিকে শেয়ারবাজারে দরপতনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিনিয়োগকারীরা বলেন, আমরা এখানে বিনিয়োগ করেছি এবং আমাদের বিনিয়োগ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল। আমরা সে অনুযায়ী বিনিয়োগ করেছি। কিন্তু এখন আমাদের ওপর পুলিশ হামলা করছে। বিনিয়োগকারীদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে, আমরা সন্ত্রাসী। তারা আরও বলেন, মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ করতে বলা হচ্ছে। আমরা মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ করেই পুঁজি হারাচ্ছি। বাজারে কেন এমন হচ্ছে—এমন প্রশ্ন রেখে তারা বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে অর্থমন্ত্রী, এসইসি ব্যর্থ হয়েছে। এজন্য অর্থমন্ত্রী ও এসইসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করেন তারা।
বাজার বিশ্লেষণ : বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গতকাল লেনদেন শুরুর মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় ডিএসই সাধারণ সূচকের পতন ঘটে ৭০ পয়েন্ট। এ অবস্থা থেকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও তা খুব একটা স্থায়ী হয়নি। আধঘণ্টা সূচকের কিছু উন্নতি হলেও বেলা পৌনে ১২টা থেকে সূচকের একটানা পতন শুরু হয়। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ায় বাজারে বড় ধরনের বিক্রয় চাপ তৈরি হয়। কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা খুব কম হওয়ায় শেয়ারের দরপতন ঘটতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রির চাপ আরও বেড়ে গেলে দরপতনের ধারা আরও তীব্র হয়। নানাভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করে এসইসি। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয়ের জন্য বলা হলেও তাদের হাতে পর্যাপ্ত তারল্য না থাকায় সে চেষ্টা সফল হয়নি। ফলে বড় ধরন পতন রোধে বাধ্য হয়েই দুই স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন স্থগিত করে দেয় এসইসি। দেশের শেয়ারবাজারের ইতিহাসে লেনদেন স্থগিত করার দ্বিতীয় নজির গতকাল স্থাপন করল এসইসি।
কমেছে ২৪৩টির, বেড়েছে ২১০টির : গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনে অংশ নেয়া প্রায় সব কয়টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের দর কমেছে। লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ২৪৩টির। অন্যদিকে বেড়েছে মাত্র ১০টির দাম। গতকাল দু’ঘণ্টা ৪০ মিনিট লেনদেন হওয়ার পর ডিএসই সাধারণ সূচকের ২৪৩ পয়েন্টের পতন হলে লেনদেন স্থগিত করে দেয় এসইসি। আর এ সময় লেনদেন হয়েছে ৬০৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। গত কয়েকদিন ধরেই শেয়ারবাজারে লেনদেনে যে নিম্নগতি ছিল গতকালও সে ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি বাজার। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে না পারার কারণে বাজারে তারল্যে বড় ধরনের সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এর আগে ব্যাংকগুলো তাদের নির্দিষ্ট সীমার ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছিল; কিন্তু এখন তাদের বিনিয়োগ সীমা তাদের আইনি সীমার চেয়েও কমে এসেছে। এ কারণে বাজারে তারল্য সঙ্কট তৈরি হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতেও টাকা নেই আবার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্রয়ক্ষমতাও হ্রাস পেয়েছে। ফলে সার্বিকভাবে তারল্যের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সঙ্কটই তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক এগিয়ে না এলে পরিস্থিতির সহসাই উন্নতি হবে না।
ধস ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসির আরও পদক্ষেপ : এদিকে শেয়ারবাজারের ধস ঠেকাতে আরও বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি। এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট কাটাতে বিনিয়োগের জন্য ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) আবারও ২০০ কোটি টাকা জোগান দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর তারল্য সঙ্কট কাটাতে নগদ এবং রেপোর মাধ্যমে ব্যাংক এবং আাার্থিক প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অন্যদিকে স্টক ডিলারদের শেয়ার ক্রয়ে উত্সাহী করতে মেম্বার মার্জিনের ফ্রি লিমিট তিনগুণ বাড়িয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। আগে ফ্রি লিমিট ছিল ৫ কোটি টাকা, গতকাল তা বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এ সুবিধা শুধু স্টক ডিলাররাই পাবেন।
এসইসি ও ডিএসই’র সিদ্ধান্ত : এদিকে গতকাল লেনদেন স্থগিত করার পরপরই এসইসি চেয়ারম্যান ও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন। পরে ডিএসই কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন এসইসি কর্মকর্তারা। বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নাছির চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সতিপতি মৈত্র উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া বলেন, যেসব স্টক ডিলার তার নিজস্ব অ্যাকাউন্টে ৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনবেন সে ডিলারের ব্রোকারেজ হাউসে ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনে কোনো ধরনের জামানত দিতে হবে না। আগে এ জামানতবিহীন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি টাকা। আগের তুলনায় এ হার ৩ গুণ বাড়ানো হয়েছে। আজ থেকে এটি কার্যকর হবে। অন্যদিকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কোম্পানি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকা পরিবর্তন করছে। এ পরিবর্তন একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে করার বিষয়ে এসইসি নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে। অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের বিষয়ে শিগগিরই একটি সময় বেঁধে দেবে এসইসি। স্টক ডিলারের শেয়ার ক্রয়ের ফলে বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া বলেন, বাজার পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছেনি যে বাজারে পতন ঘটতে থাকবে।
ডিএসই’র প্রেসিডেন্ট বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা নষ্ট হয়েছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির জন্য তারল্য সঙ্কট অন্যতম কারণ। আমরা সে জন্য মার্চেন্ট ব্যাংকারদের সঙ্গে বৈঠক করছি। বৈঠকে তাদের পক্ষ থেকে যদি যৌক্তিক কোনো সুপারিশ দেয়া হয় তাহলে আমরা তা সরকারের কাছে পেশ করব। তিনি আরও বলেন, মানুষের মনের মতো শেয়ারবাজারও মাঝেমধ্যে গ্লুমি হয়। শেয়ারবাজারে এখন কিছুটা সে অবস্থায় পড়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ডিএসই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নাছির চৌধুরী আমার দেশকে জানান, বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের মধ্যে প্রায় ২০০ জন স্টক ডিলার রয়েছেন। স্টক ডিলাররা ফ্রেশ ৫ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয় করলে তাদের ব্রোকারেজ হাউসে ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন হলে তার জন্য কোনো ধরনের জামানত দিতে হবে না। বর্তমান তারল্য সঙ্কট পরিস্থিতিতে স্টক ডিলারদের ৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনার সামর্থ্য আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্টক ডিলাররা তাদের নিজস্ব ব্যবসায়িক স্বার্থে এটি করবেন বলে আশা করছি। এর ফলে শেয়ারের ক্রয় চাহিদা বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, এর ফলে বাজার একটি সাপোর্ট পাবে। ডিলাররা শেয়ার ক্রয় করলে বাজারে ক্রয় চাহিদা বাড়বে; কিন্তু কতটি স্টক ডিলার ৫ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয় করতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে খুব একটা আশাবাদী নন তিনি। তিনি বলেন, স্বল্পমেয়াদে সিদ্ধান্ত না নিয়ে এসইসিকে দীর্ঘমেয়াদের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তারল্য সঙ্কটের কারণে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি রিল্যাক্স করা না হলে তারল্য সঙ্কট কাটবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস কে সুর চৌধুরী বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ। তারল্য ঘাটতির প্রভাব যেন পুঁজিবাজারে না পড়ে সে জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে যথেষ্ট নগদ টাকার সহায়তা দেয়া হচ্ছে। সহায়তার বিষয়ে আইসিবির মহাব্যবস্থাপক ইফতেখার-উজ-জামান বলেন, বাজারের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সমর্থন দিতে আইসিবি প্রস্তুত রয়েছে।
ব্যাংকগুলোর নগদ টাকার ঘটতি পূরণ করতে ১৫টি ডিলার ব্যাংককে ৪ হাজার ৫০৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা তারল্য সহায়তা এবং ১৬টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার ২৪৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা রেপো সুবিধা প্রদান করেছে। তবে গতকাল রেপোর চাহিদা ছিল ১৮ হাজার ৪২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ট্রেজারি বন্ডের ২০০ কোটি টাকার যে নিলাম হওয়ার কথা ছিল তা স্থগিত করা হয়। ফলে বাজারে ওই ২০০ কোটি টাকা রয়ে গেছে। এ ছাড়া যেসব ব্যাংকে শেয়ার বাজারে আরও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে, সেসব ব্যাংককে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, এভাবে বাজার বেশিদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। বাজার ধরে রাখার দায়িত্ব সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকেই (এসইসি) নিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাজারে যথেষ্ট নগদ টাকা সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 5:41 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | অধিক মুনাফার লোভে ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
Amardeshonline.com
19.01.2011
অধিকাংশ বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক নিয়ম অমান্য করে বাড়তি লাভের আশায় শেয়ারবাজারে ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানমতে, গত বছর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ আমানতের অনুপাত ছিল গড়ে ৮৯ শতাংশ। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর এসব খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৭৩ শতাংশ। বিদেশি ব্যাংকগুলোর ছিল ৮৩ শতাংশ। কোনো কোনো ব্যাংকের বিনিয়োগ আমানতের পরিমাণ ১২০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে যায়। ব্যাংকগুলো তাদের আমানতের ৮২ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারে। এর বাইরে যদি কোনো ব্যাংক আরও আগ্রাসী হতে চায়, তাহলে সে বিনিয়োগের পরিমাণ আরও ২ শতাংশ বাড়াতে পারে। জানা গেছে, ৩০টি বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ২০টি তাদের আমানতের ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত এসব খাতে বিনিয়োগ করেছে। শুধু কয়েকটি ব্যাংক ১০০ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ করেছে। এর অর্থ হচ্ছে তারা কলমানি মার্কেট থেকে উচ্চ সুদে ধার করে বিনিয়োগ করেছে। ৪৩টি দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে ৩০টি ব্যাংকের বিনিয়োগের পরিমাণ আমানতের চেয়েও অনেক বেড়ে গেছে। যদিও ব্যাংক তার মোট আমানতের নির্দিষ্ট হারের চেয়েও বেশি বিনিয়োগ করতে পারে না। অধিকাংশ ব্যাংকই এ নিয়ম মানেনি। এমনকি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকও মানেনি। দেখা গেছে একটি ব্যাংকের আমানত প্রবৃদ্ধি মাত্র ৪ শতাংশ। কিন্তু সে বিনিয়োগ করেছে ২২ শতাংশ। অন্য একটি বেসরকারি ব্যাংকের আমানতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৪ শতাংশ। কিন্তু বিনিয়োগ করেছে ৬৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো রাতারাতি অধিক মুনাফার আশায় ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকে গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, দ্রুত বিনিয়োগ তুলে নেয়ার আশায় শেয়ারবাজারে ব্যাপক হারে বিনিয়োগ করা হয়েছে। ফলে শেয়ারগুলো হয়ে পড়েছে অতিমূল্যায়িত। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা এসব কথা বলেন। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সভাপতি কে মাহমুদ সাত্তার বলেছেন, গত বছর ব্যাংকগুলোতে বিপুল পরিমাণ অলস টাকা ছিল। তাই বাধ্য হয়ে ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু যে হারে তারা বিনিয়োগ করেছে, সে হারে তারা সম্পদ ও দায় সমান তালে এগিয়ে নিতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের ব্যাংকগুলো খুব ভালো অবস্থানে আছে। যদিও ব্যাংকগুলো আগ্রাসী ব্যাংকিং করছে, সে কারণে বিনিয়োগকারীদের ভয় নেই। যদিও কিছু ব্যাংক যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক যদি কোনো ব্যবস্থা নিতে যায়, তখন সাংবাদিকরাসহ সবাই বলেন—ব্যাংকের কারণে শেয়ারবাজার ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তবে সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজী বাহারুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকগুলোর এই আগ্রাসী ব্যাংকিং বন্ধ করা উচিত। এজাতীয় ব্যবসায় জড়িয়ে থাকলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচিত কঠোর ব্যবস্থা নেয়া।
অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, বর্তমান অবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকই দায়ী। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক যদি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিত, তাহলে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, গত বছর জুন মাস থেকে আমরা ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করে আসছিলাম। তবে এই চাপ শিথিল করার জন্য একটা গ্রুপ কাজ করছিল। তারপরও গত ৬ জুলাই আমরা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে সতর্ক হওয়ার জন্য নোটিশ পাঠিয়েছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গতবছর ঋণ আমানত অনুপাতে ১শ’ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ করেছে আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। ৯০ শতাংশের বেশি করেছে এবি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, আল-আরাফাহ ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, শাহজালাল ও ব্র্যাক ব্যাংক। ৮২ শতাংশের বেশি করেছে ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউসিবিএল, এনসিসিবিএল, প্রাইম ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংক। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 5:43 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
ডিএসইতে লেনদেন বন্ধের পর ভাঙচুর, একজন আটক
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১৯-০১-২০১১
Prothom-alo.com
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজও দরপতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মতিঝিলের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বিনিয়োগকারীরা মতিঝিলে কমপক্ষে ২০টি গাড়ি ভাঙচুর করেন। এ সময় পুলিশ একজনকে আটক করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ বেলা আড়াইটার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে। তাঁরা ডিএসইর সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন।
একই সময় মতিঝিলের দৈনিক বাংলা মোড়, শাপলা চত্বর, জীবন বীমা টাওয়ারের (এসইসির অফিস) নিচতলা ও ইত্তেফাক মোড়ে বিনিয়োগকারীরা ভাঙচুর চালান। এ সময় তাঁরা কমপক্ষে ২০টি গাড়ি ভাঙচুর করেন। এতে পুরো মতিঝিল এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকার পর সাড়ে তিনটার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ সময় পুলিশ মতিঝিলের জীবন বীমা টাওয়ারের নিচ থেকে আবদুল ওহাব নামে একজনকে আটক করেছে।
বেলা সাড়ে চারটার দিকে ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সতীপতি মৈত্র এক ব্রিফিংয়ে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 5:44 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
প্রথম আলোর গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা
আতঙ্কিত না হয়ে শেয়ারবাজারের ওপর আস্থা রাখার পরামর্শ
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১৯-০১-২০১১
Prothom-Alo
আতঙ্কিত না হয়ে বিনিয়োগকারীদের শেয়ারবাজারের ওপর আস্থা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেন তাঁরা। এ ছাড়া বাজারে যেকোনো ধরনের কারসাজির ব্যাপারে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে আরও বেশি তত্পর হওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়।
আজ বুধবার প্রথম আলোর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘শেয়ারবাজার কোন পথে’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এমন পরামর্শ দেন শেয়ারবাজার-বিশেষজ্ঞরা। বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ বি মীর্জ্জা আজিজুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দ মনজুর ইলাহী, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী, ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ, ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী ও মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান।
সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম। তাঁকে সহযোগিতা করেন প্রথম আলোর যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও বিজনেস এডিটর শওকত হোসেন মাসুম। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 6:15 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু বৃহস্পতিবার
Wed, Jan 19th, 2011 5:31 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
সার্কিট ব্রেকার ভেঙে বন্ধ হওয়া পুঁজিবাজারে আবার লেনদেন শুরু হবে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) জনসংযোগ বিভাগ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/পিডি/১৭২৯ ঘ.
======================================================
ব্রিফিংয়ে ডিএসই সিইও
ভালো শেয়ার বিক্রি করে দেবেন না
Wed, Jan 19th, 2011 5:40 pm BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
বিনিয়োগকারীদের প্রতি 'ভালো শেয়ার বিক্রি করে না দেওয়ার' অনুরোধ জানিয়েছে ডিএসই।
বুধবার লেনদেন বন্ধের পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সতীপতি মৈত্র ডিএসই ভবনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে 'ভালো শেয়ার' বিক্রি না করার অনুরোধ জানান।
"বাংলাদেশের শেয়ারবাজার এখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে," উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বিনিয়োগকারীদের প্রতি অনুরোধ তারা যেন ভালো শেয়ার বিক্রি করে না দেন।"
পুঁজিবাজারে তিন মাস বা চার মাসভিত্তিক সার্কিট ব্রেকার চালু করা যায় কি না সে বিষয়েও চিন্তা চলছে। এসইসি'র সঙ্গে ডিএসই ও সিএসই'র আলোচনায় এ বিষয়টি ঠিক হবে বলে জানান সতীপতি মৈত্র।
তবে আলোচনার কোনো সময় জানাননি তিনি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বুধবার নির্ধারিত সময়ে চেয়ে দুঘণ্টা দেরিতে বেলা ১টায় লেনদেন শুরু হয়। এর আধঘণ্টার বেশি সময় পর ২২৫ পয়েন্টে সার্কিট ব্রেকার আরোপ করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এ অনুযায়ী মূল্যসূচক ২২৫ পয়েন্ট বাড়লে বা কমলে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়া কথা।
চালুর আধঘণ্টার মধ্যে ডিএসইতে সার্কিট ব্রেকার ভেঙে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।
সার্কিট ব্রেকার কার্যকরের সিদ্ধান্তে ডিএসইকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) অনুসরণের সিদ্ধান্ত ছিলো। এ কারণে ডিএসই'র সঙ্গে সিএসই'র লেনদেনও বন্ধ হয়ে যায়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/পিডি/১৭১৬ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 9:18 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বিতর্কিত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত
আলতাফ মাসুদ, ১৯ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
অবশেষে শেয়ারের দর নির্ধারণে বিতর্কিত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগেই অতি মূল্যায়ন রোধ এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ স্থানান্তরের সুযোগ বন্ধে এসইসি বুকবিল্ডিং পদ্ধতি আপাতত স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে বুধবার সকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাসায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার পরামর্শ দেয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে ইতিমধ্যেই বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণে এসইসির অনুমোদন পাওয়া কোম্পানিগুলোর জন্য এ স্থগিতাদেশ কার্যকর হবে না বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতি মূল্যায়নের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বৈঠকে বলা হয়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার আগেই শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে। এর ফলে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ স্থানান্তরিত হয়ে যাচ্ছে। এই পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হওয়ায় শেয়ারবাজারে বর্তমান অর্থ সংকট বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার প্রস্তাব করা হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই প্রস্তাবে সম্মতি প্রকাশ করে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা না ফেরা পর্যন্ত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার পরামর্শ দেন।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে আইন প্রণয়নের এক বছর পর ২০১০ সালের মার্চ মাস থেকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির বাস্তব প্রয়োগ শুরু হয়। ইতিমধ্যে ওশেন কন্টেইনার এবং খুলনা পাওয়ার এই পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণ করে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রি শুরু করেছে। এছাড়া আরএকে সিরামিকস, মালেক স্পিনিং বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর আইপিওতে লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ প্রক্রিয়া শেষ করে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা এসব কোম্পানির শেয়ারের দর নিয়েই বাজার বিশ্লেষক ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর আগেই প্রতিটি কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়েছে বলে তারা মনে করেন। সে সময় বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো নিজেদের পছন্দ মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে অতিরিক্ত নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৯ জুন নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে কারসাজি প্রমাণিত হওয়ায় বিতর্কিত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন করে এসইসি। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির প্রয়োগ সঠিকভাবে হয়েছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করে এসইসি। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সঠিকভাবে প্রয়োগ হয়েছে কিনা এবং এ পদ্ধতিতে দর নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কারসাজির আশ্রয় নেয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আহবায়ক কমিটি। এছাড়া কিভাবে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি আরো গ্রহণযোগ্য করা যায় সে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে রিপোর্ট প্রদান করে কমিটি। কমিটির সুপারিশ এবং পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জনমত যাচাইয়ের পর বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার করে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে এসইসি।
জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শেয়ারের প্রাথমিক দর নির্ধারণের জন্য সর্বনিম্ন তিন ক্যাটাগরির ৫টি প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে এখন থেকে সকল যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীকে মূল্য নির্দেশের জন্য আহ্বান জানাতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্দেশক মূল্য প্রস্তাবের প্রক্রিয়ায়ও পরিবর্তন আনা হয়। রোড-শো'র জন্য নির্ধারিত দিনে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নির্দেশক মূল্য গ্রহণ করা যাবে না বলে সংশোধনে উল্লেখ করা হয়। রোড-শো আয়োজনের পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা এবং আর্থিক বিশ্লেষকের (ফাইন্যান্সিয়াল এনালিস্ট) যৌথ স্বাক্ষরে নির্দেশক মূল্যের প্রস্তাবনা পেশ করতে হবে। অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবনার গড়ের ভিত্তিতে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। তবে এই প্রক্রিয়ায় ৫টি মার্চেন্ট ব্যাংকসহ কমপক্ষে ১৫টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ না করলে পুনরায় নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রস্তাব আহ্বান করতে হবে। এর আগে সর্বনিম্ন তিন ক্যাটাগরির মোট ৫টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করলেই নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা যেত।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এআইকে/১৯.৩০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 12:11 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে সূচক হ্রাস বৃদ্ধির সীমা আরোপ
ডিএসই সাধারণ সূচক ২২৫ পয়েন্টের বেশি বাড়লে বা কমলেই ওইদিনের মতো লেনদেন বন্ধ হয়ে যাবে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
20.01.2011
পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক উত্থান-পতন ঠেকাতে একদিনে সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা (সার্কিট ব্রেকার) আরোপ করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বুধবার থেকেই সূচকের এই নতুন সীমা কার্যকর করা হয়েছে। এসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচকের হ্রাস বা বৃদ্ধি ২৩৭ পয়েন্টকে ভিত্তি ধরা হয়েছে। এৰেত্রে দিনের লেনদেন শুরুর পর সূচক হ্রাস বা বৃদ্ধির পরিমাণ ২৩৭ পয়েন্টের ৫ শতাংশ কম বা বেশি হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাবে। সেই হিসাবে সূচকের সর্বোচ্চ হ্রাস-বৃদ্ধির ফলে লেনদেন বন্ধ হওয়ার সর্বনিম্ন সীমা ২২৫ পয়েন্ট। অর্থাৎ, লেনদেন চলাকালে ডিএসই সাধারণ সূচক হ্রাস বা বৃদ্ধির পরিমাণ ২২৫ পয়েন্ট অতিক্রম করলে ওইদিনের মতো লেনদেন স্থগিত রাখা হবে। ডিএসইর লেনদেন বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হবে।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি এড়াতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থেই সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা আরোপ করা হয়েছে। বুধবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির বৈঠকে সিদ্ধানত্ম নেয়ার পরপরই তা কার্যকর করা হয়েছে।
তিনি বলেন, লেনদেন চলাকালে প্রতি ৫ মিনিট পর পর সূচক সমন্বয় করা হয়। এ কারণে কোন একটি পয়েন্টে সূচকের সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া যায়নি। একবার সমন্বয়ের পর পরের ৫ মিনিটের মধ্যে যাতে বড় ধরনের উত্থান বা পতন ঘটতে না পারে সে জন্য ২৩৭ পয়েন্টকে ভিত্তি ধরা হলেও হ্রাস-বৃদ্ধির পরিমাণ ২২৫ পয়েন্টের বেশি হলেই লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা আরোপের ধারণা নতুন হলেও বিশ্বের অনেক দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এর ফলে একদিনের মধ্যে শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক দরপতন বা উত্থানের প্রবণতা অনেকটা রোধ করা সম্ভব হবে।
এদিকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কায় আগের দিন (মঙ্গলবার) শেয়ারবাজারে লেনদেন স্থগিত রাখার পর বুধবার নির্ধারিত সময়ে (সকাল ১১টা) যথারীতি লেনদেন শুরম্নর ঘোষণা দিয়েছিল এসইসি ও ডিএসই। কিন্তু বুধবার সকাল থেকেই পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণের লৰ্যে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে একের পর এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে কোন ধরনের বিভ্রানত্মি এড়াতে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরম্নর সময় দু'ঘণ্টা পিছিয়ে দেয়া হয়। শেষ পর্যনত্ম সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা আরোপের পর বেলা ১টা থেকে দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরম্ন হয়।
সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা আরোপের প্রথম দিনে লেনদেন শুরম্নর পর দেড় ঘণ্টার মধ্যেই শেয়ারবাজারে সর্বোচ্চ দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। বেলা ১টার দিকে লেনদেন শুরম্নর পর ৫ মিনিটের মধ্যে অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধির প্রভাবে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৬০ পয়েন্টের মতো বেড়ে যায়। কিন্তু এরপরই ব্যাপকহারে কমতে থাকে শেয়ারের দর। ১৫ মিনিট ধরে এ ধারা চলার পর বেলা ১টা ২৫ মিনিটের দিকে কিছুটা উর্ধমুখী হয়ে উঠে সূচক। তবে ১৫ মিনিট পর থেকে একটানা দরপতন হতে থাকে। বেলা ২টা ৩০ মিনিটে ডিএসই সাধারণ সূচক হ্রাসের মাত্রা নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করে। এ সময় এই সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৩১ পয়েন্ট কমে ৬৯০২.৪৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ফলে ওই অবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে দিনের লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় পর্যনত্ম লেনদেন হওয়া ২৪০টি কোম্পানির মধ্যে ২৩০টিরই শেয়ারের দর ব্যাপক মাত্রায় কমেছে। এর বিপরীতে ৭টির দর বেড়েছে এবং ৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
অধিকাংশ শেয়ারের দর ও সূচকে ব্যাপক নেতিবাচক প্রবণতা থাকলেও আর্থিক লেনদেনের মাত্রা ছিল গত কয়েক দিনের তুলনায় বেশি। মাত্র দেড় ঘণ্টা সময়ের মধ্যে ডিএসই বুধবার ৫৩৭ কোটি ৪০ লাখ ৪৭ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের দিন ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে লেনদেন হয়েছিল ৬০৯ কোটি ৮৬ লাখ ১১ হাজার টাকা। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 12:12 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত
আইপিও আবেদন জমা নেয়া কোম্পানির তালিকাভুক্তিতে বাধা থাকবে না
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
The Daily Janakantha
20.01.2011
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগেই অতি মূল্যায়ন রোধ এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ স্থানান্তরের সুযোগ বন্ধে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বুধবার সকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সরকারী বাসবভনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) এ সংক্রান্ত পরামর্শ দেয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে এসইসি ইতোমধ্যেই বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতি মূল্যায়নের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বৈঠকে বলা হয়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার আগেই শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে। এর ফলে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ স্থানানত্মরিত হয়ে যাচ্ছে। এই পদ্ধতি মূল্য নির্ধারণের পর প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হওয়ায় শেয়ারবাজারে বর্তমান অর্থসঙ্কট বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার প্রসত্মাব করা হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই প্রসত্মাবে সম্মতি প্রকাশ করে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা না ফেরা পর্যনত্ম বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার পরামর্শ দেন।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতে এসইসি ইতোমধ্যেই বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার নীতিগত সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। দু'একদিনের মধ্যেই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে। বাজারে স্থিতিশীল পরিস্থিতি ফিরলে নতুন করে পর্যালোচনার পর বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করা হবে।
সূত্র জানায়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত হলে যেসব কোম্পানি ইতোমধ্যেই নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করে এসইসিতে আবেদন জমা দিয়েছে_ সেসব কোম্পানি চাইলে নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতিতে আইপিওর জন্য আবেদন করতে হবে। অন্যথায় এসব কোম্পানিকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধানত্মের জন্য অপেৰা করতে হবে। তবে ইতোমধ্যেই যে দু'টি কোম্পানি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর আইপিও আবেদন জমা নিয়েছে, সেগুলো লটারির মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হবে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন পরীৰা-নিরীৰার পর পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক আগে থেকেই সফলভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। দেশের পুঁজিবাজারে এই পদ্ধতি চালু করার জন্য গত বছরের ৯ মার্চ বিধিমালা জারি করে এসইসি। প্রচলিত পদ্ধতির নির্ধারিত মূল্যের (ফিঙ্ড প্রাইস) পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণের লৰ্যে ২০০৬ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইসু্য) আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চালু হলেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি না থাকায় এটি প্রয়োগ করতে সময় লেগেছে এক বছর। ২০১০ সালের মার্চে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরম্ন হয়।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অংশ হিসেবে দর প্রসত্মাবের (বিডিং) মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার (লক ইন) মেয়াদ খুবই কম হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বেশি দরে শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই শেয়ারের দর কমে যায়। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রসত্ম হন।
বিশেস্নষকদের মতে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এ পর্যনত্ম অনুমোদন পাওয়া সব কোম্পানিই লেনদেন শুরম্নর আগে থেকেই অতি মূল্যায়িত হয়েছে। অতি মূল্যায়িত হিসেবে এসইসি বর্তমানে কোন শেয়ারের বাজার মূল্য ও আয়ের অনুপাত ৪০-এর বেশি হলে মার্জিন ঋণ দেয়া নিষিদ্ধ করে রেখেছে। অথচ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসা সব কোম্পানিই পিই অনুপাত ৪০-এর উপরে থেকে লেনদেন শুরম্ন করে। এই পদ্ধতি প্রথম মূল্য নির্ধারণ হয় ওশন কন্টেইনারের। ২০০৯ সালে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয় ১৪৫ টাকা। ফলে লেনদেন শুরম্নর আগেই প্রতিটি শেয়ারের দর এর প্রকৃত আয়ের তুলনায় ৬০ গুণ বেশি নির্ধারিত হয়। আরএকে সিরামিকের ইপিএস ছিল ১ টাকা ৯ পয়সা। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করে কোম্পানিটির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৪৮ টাকা। শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরম্নর আগেই কোম্পানিটির পিই অনুপাত দাঁড়ায় ৪৪। খুলনা পাওয়ারের ইপিএস ছিল ২ টাকা ৭৯ পয়সা। এই কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয় ১৯৪ টাকা। ফলে লেনদেনের শুরম্নতেই খুলনা পাওয়ারের শেয়ারের পিই দাঁড়ায় ৬৯। বর্তমানে বাজারে আসার প্রক্রিয়ায় থাকা মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়াচ্ছে ৬২। সর্বশেষ অনুমোদন পাওয়া ইউনিক হোটেলস এ্যান্ড রিসোর্টসের ইপিএস ৪ টাকা ৮০ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ধরা হয়েছে ১৮৫ টাকা। ফলে চূড়ানত্ম মূল্য নির্ধারণের আগেই ইউনিকের পিই দাঁড়াচ্ছে ৩৮.৫০। সংশিস্নষ্ট বিধি-বিধান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতির ৰেত্রে কোন কোম্পানির শেয়ারের দর মৌলভিত্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন হলে এসইসি তা কাটছাঁট করতে পারে। কিন্তু বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্টভাবে সেই সুযোগ নেই। আইনের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সংশিস্নষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 12:15 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | মুদ্রাবাজারে ৮ হাজার কোটি টাকা সরবরাহ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
The Daily Janakantha
20.01.2011
মানি মার্কেটের তারল্য বা নগদ অর্থের যোগান দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জোরালো ভূমিকা পালন করছে। রেপো ও তারল্য সহায়তার মাধ্যমে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিদিনই হাজার হাজার কোটি টাকা প্রদান করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাইমারী ডিলার (পিডি) ১৫টি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তারল্য সরবরাহ করা হচ্ছে। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে আট হাজার কোটি টাকার ওপরে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মানি মার্কেটের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি রোধ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার নির্দেশনা অব্যাহত রেখেছে। এরই অংশ হিসেবে মানি মার্কেটে নগদ অর্থের যোগান দেয়া হচ্ছে। প্রতিদিনই ৭ থেকে ৮ হাজার কোটি টাকার ওপরে তারল্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৮ হাজার ২৫১ কোটি টাকা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে তারল্য সহায়তা (লিকুউডিটি সাপোর্ট) হিসেবে প্রদান করা হয়েছে ৪ হাজার ৭৭০ কোটি ৫৬ লাখ এবং রেপোর মাধ্যমে দেয়া হয়েছে ৩ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা। যা গত মঙ্গলবারের চেয়ে প্রায় ৪৮৩ কোটি টাকা বেশি। মানি মার্কেটের সঙ্কট কাটাতেই বাংলাদেশ ব্যাংকের তারল্য সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।
বিদ্যমান পুঁজিবাজার উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তারাও কাজ করছেন। যদিও এটি তাদের কাজের আওতায় পড়ে নয়। কারণ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এরপরও দেশের স্বার্থে এবং ক্যাপিটাল মার্কেটের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের অধিকাংশ নীতিতে ছাড় দিয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির সঙ্গে সংঘর্ষ রেখেই ক্যাপিটাল মার্কেটের সুবিধার জন্য কিছু কিছু সিদ্ধানত্ম নিয়েছে বলেও এ খাতের বিশেস্নষকরা মনত্মব্য করেছেন।
বিশেস্নষকরা আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি দ্বৈতনীতি অবলম্বন করে তাহলে ব্যাংকিং খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ কিছুটা হলেও শিথিল হয়ে পড়বে। আর এতে কোন ব্যাংক যদি সমস্যায় পড়ে তাহলে এর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকই দায়ী থাকবে। তারা আরও বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক একদিকে বাজার থেকে অতিরিক্ত তারল্য প্রত্যাহার করবে, অন্যদিকে নতুন করে তারল্যের যোগান দেবে। এ ধরনের দ্বৈতনীতি চলতে থাকলে মানি মার্কেটে অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করাসহ মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে।
এদিকে ক্রেডিট রেসিই'র চেয়ে অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করায় বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক দু'টি বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান, ডেপুটি গবর্নর মোঃ নজরম্নল হুদা, জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী এবং সংশিস্নষ্ট ব্যাংক দুটোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ব্যাংকগুলো বিতরণকৃত ঋণ আদায় এবং নতুন করে ক্রেডিট রেসিউর অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে বলেও জানা গেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, কোন ব্যাংকের ১শ' কোটি টাকা ডিপোজিট থাকলে ওই ব্যাংকটি ৮১ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করতে পারবে। কিন্তু কিছু কিছু ব্যাংক রয়েছে যেগুলো ১শ' টাকা ডিপোজিট নিয়ে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা আবার এর চেয়ে বেশিও ঋণ বিতরণ করেছে। এতে ব্যাংকের তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বিদ্যমান এ সঙ্কট সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশিস্নষ্ট বাণিজ্য ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করে দিতে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেও জানা গেছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/20/2011 12:22 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে এখন থেকে দুই ঘণ্টা লেনদেন
Thu, Jan 20th, 2011 10:36 am BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
অস্থির পুঁজিবাজারে লেনদেনের সময় চার ঘণ্টা থেকে কমিয়ে দুই ঘণ্টা করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা না থাকায় এ পদক্ষেপ।
বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পুঁজিবাজারে লেনদেন সকাল ১১টার পরিবর্তে দুপুর ১টায় শুরু হবে। তা চলবে বেলা ৩টা পর্যন্ত।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইভাবে লেনদেন হবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আপাতত দুই ঘণ্টা করে লেনদেন হবে।"
তবে বিনিয়োগকারীরা আস্থা ফিরে পেলে আগের মতোই দিনে চার ঘণ্টা লেনদেনের অবস্থায় ফেরত যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গত সপ্তাহে দরের সর্বোচ্চ পতন এবং সর্বোচ্চ উত্থানের পর আবার ব্যাপক দরপতনে পুঁজিবাজারে বুধবারও দুই ঘণ্টা করে লেনদেন হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/১০৩০ ঘ.
=======================================
পুঁজিবাজারে আজ থেকে লেনদেনের সময় কমলো
ঢাকা, ২০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
পুঁজিবাজারে লেনদেন বৃহস্পতিবার থেকে ২ ঘণ্টা পিছিয়ে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষের আবেদনের পর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন লেনদেন চলবে মাত্র ২ ঘণ্টা। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ সময়সূচি বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন এসইসির নির্বাহি পরিচালক ফরহাদ আহমেদ। বাজারের নেতিবাচক পরিস্থিতি এড়াতে বুধবার পুঁজিবাজারে লেনদেন প্রথম স্বাভাবিক নিয়মের চেয়ে ২ ঘণ্টা পিছিয়ে দুপুর ১ টায় শুরু হয়। তবে বুধবার ২ ঘণ্টা পর লেনদেন শুরু হলেও মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে সূচক পড়ে যায় ২৪৩ পয়েন্ট। বন্ধের আগ পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয় ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার। এরমধ্যে কমে ২৩৪টির, বেড়েছে ১০টির।
এদিকে পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে দুপুরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করেছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/ডিএইচ/এমএইচ/১১.১০ঘ.)
===========================================
দুই শেয়ার বাজারে প্রতিদিন লেনদেন শুরু ১টা থেকে
গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১১০৫ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২০, ২০১১॥
ঢাকা: দেশের দুই শেয়ার বাজারে এখন থেকে প্রতিদিন বেলা ১টা থেকে লেনদেন শুরু হবে। বৃহস্পতিবার থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন সময়সূচী বলবৎ থাকবে।
সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এই নির্দেশ জারী করেছে।
এ ব্যাপারে এসইসির নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘ডিএসই’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এসইসি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ডিএসই’র পরিচালনা পর্যদের পক্ষ থেকে এসইসি’কে প্রতিদিন লেনদেন দুই ঘণ্টা বিলম্বে শুরুর আবেদন করা হয়। তাদের আবেদনেই এসইসি এখন থেকে প্রতিদিন বেলা ১টা থেকে লেনদেন শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|