| 01/18/2011 2:45 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ: বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
ঢাকা, ১৮ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম): বড় ধরনের দরপতনের আশঙ্কায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বেলা ১টা ৩৩ মিনিটে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে। এর প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করছে। এ সময়ের মধ্যে ২৪৩ পয়েন্ট সূচকের পতন হওয়ায় লেনদেন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। আরো বড় ধরনের সূচক পতনের আশঙ্কায় লেনদেন বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসইসি।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/ডিএইচ/এসসি/১৩.৫৮ঘ.)
= = = = = = = = = = = = = = = = = = = =
আইন করলেও নিজেই তা মানছে না এসইসি
আলতাফ মাসুদ, ১৮ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম): বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নতুন কোম্পানির শেয়ারের চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রস্তাব (বিডিং) প্রক্রিয়া সংশোধন হলেও নিজেই তা মানছে না সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সংশোধিত বিধিতে দরপ্রস্তাবের জন্য দু'দিন সময় নির্ধারণ করলেও ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্টকে সর্বোচ্চ ৫ দিন সময় দেয়া হয়েছে। সংশোধনী কার্যকরের ১৫ দিনের মধ্যেই কমিশনের এ শিথিলতা ভবিষ্যতে বিধিটি প্রয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
জানা গেছে, গত ২৯ ডিসেম্বর বিভিন্ন কোম্পানির আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত কোটা বরাদ্দ পেতে শেয়ারের দর প্রস্তাব বা নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য দুই কার্যদিবস সময় রাখার প্রজ্ঞাপন জারি করে এসইসি। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর নিলাম শেষ হওয়া এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য আবেদনপত্র জমা নেয়ার সময়ের মধ্যে ১৫ কার্যদিবস ব্যবধান থাকতে হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করে এসইসি। কিন্তু এ প্রজ্ঞাপন জারির মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে গত ১৩ জানুয়ারি ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্স লিমিটেডের আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য দুই কার্যদিবসের পরিবর্তে এসইসি থেকে ৩ থেকে ৫ কার্যদিবস সময় দেয়া হয়েছে। একই সাথে এ কোম্পানির আইপিওর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর নিলাম শেষ হওয়া এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য আবেদন জমা নেয়ার সময়ের ব্যবধান ১৫ কার্যদিবস থেকে বাড়িয়ে ২৫ কার্যদিবস করার অনুমোদন দিয়েছে এসইসি।
উল্লেখ্য, ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্স লিমিটেডের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্যের প্রস্তাব করা হয়েছে ১৮৫ টাকা (১৭৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ)। এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন হচ্ছে ২৩০ কোটি টাকা। আইপিও পরবর্তী পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ২৬০ কোটি টাকায়। প্রতিষ্ঠানটি মোট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৫শ ৫৫ কোটি টাকা পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহের প্রস্তাব করেছে। এ টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আরো ৩টি ফাইভ স্টার হোটেল করবে বলে জানিয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/ডিএইচ/এসসি/১২.৫৩ঘ.)
= = = = = = = = = = = = = = = = = = = =
বিনিয়োগ সীমার মধ্যে রাখতে ৫ ব্যাংককে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ
ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগ বা ঋণের পরিমাণ সীমার মধ্যে আনতে ৫টি ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোর ডিপোজিট এন্ড ক্রেডিট রেট (সিডিআর) পর্যালোচনা করে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সোমবার ব্যাংক এশিয়া ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক এবং রোববার স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও এক্সমি ব্যাংককে এ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেয়া হয়। এভাবে পর্যায়ক্রমে নিয়মভঙ্গগকারী অন্য ব্যাংকগুলোকেও দেয়া হবে বলে সূত্র জানায়।
ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী একটি ব্যাংক যে পরিমাণ আমানত সংগ্রহ করবে, আমানতের ঘাটতি সংরক্ষণ করার জন্য ব্যাংকগুলোকে ১৯ শতাংশ বিধিবদ্ধ জমার হার (এসএলআর) হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষণ করতে হয়। ব্যাংকগুলো তাদের কাছে সংরক্ষিত ওই আমানতের ৮১ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে নগদ ৬ শতাংশ জমাসহ মোট ১১ দশমিক ৫ শতাংশ সংরক্ষণ করতে হয়। সে হিসেবে তারা তাদের কাছে আমানতের ৮৮ দশমিক ৫ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারে। ডিসেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে এ হার কার্যকর করা হয়।
ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান তাদের আমানতের সর্বোচ্চ ৮১ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের সপ্তাহ ভিত্তিতে ৩০ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখের স্থিতি অনুযায়ী তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১১৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যা বিনিয়োগসীমার চেয়ে ৩৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেশি। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া তাদের আমানতের সর্বোচ্চ ৮১ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের সপ্তাহ ভিত্তিতে ৩০ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখের স্থিতি অনুযায়ী তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১০৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা বিনিয়োগসীমার চেয়ে ২৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি। ব্যাংক এশিয়া তাদের আমানতের সর্বোচ্চ ৮১ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের সপ্তাহ ভিত্তিতে ৩০ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখের স্থিতি অনুযায়ী তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯০ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা বিনিয়োগসীমার চেয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। এক্সমি ব্যাংক তাদের আমানতের সর্বোচ্চ ৮৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের সপ্তাহ ভিত্তিতে ৩০ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখের স্থিতি অনুযায়ী তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১০৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যা বিনিয়োগসীমার চেয়ে ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি। শাহজালাল ব্যাংক তাদের আমানতের সর্বোচ্চ ৮৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের সপ্তাহ ভিত্তিতে ৩০ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখের স্থিতি অনুযায়ী তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ, যা বিনিয়োগসীমার চেয়ে ৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি।
সূত্র জানায়, ব্যাংকগুলো এই বেশি পরিমাণ বিনিয়োগের কারণেই তারল্য সক্সকটে ভুগছে। তাদের অনেক আগে থেকে অতিরিক্ত ঋণের ব্যাপারে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু এ মৌখিক নির্দেশনা তেমন কোনো কাজে আসেনি। এ নির্দেশনা মেনে চললে ব্যাংকগুলোর এ ধরনের তারল্য সংকটে ভুগতে হতো না। ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকা না থাকার কারণে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
জানা গেছে, ব্যাংকগুলোর নগদ টাকার এ ঘাটতি মেটানোর জন্যই বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রতিদিন ৭ হাজার কোটি টাকার ওপরে রেপো ও তারল্য সহায়তা দিতে হচ্ছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে তারল্য ও রেপোর মাধ্যমে ৭ হাজার ৮৩৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা দেয়। এর মধ্যে ১৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৪ হাজার ৫৯০ কোটি ৬১ লাখ টাকা তারল্য সাপোর্ট এবং ১৭টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার ২৪৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা রেপো সুবিধা দেয়। রোববার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে তারল্য ও রেপোর মাধ্যমে ৭ হাজার ২০৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেয়া হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা শীর্ষ নিউজ ডটকমকে জানান, এ ধরনের ব্যাংকিং ব্যবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ব্যাংকগুলোর এ ধরনের বিনিয়োগের ব্যাপারে বারবার মৌখিকভাবে সতর্ক করা হচ্ছে। কোনো কোনো ব্যাংক নির্দেশনা অনুযায়ী বিনিয়োগের পরিমাণ কমিয়ে আনছে। তবে যেটুকু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর তদারকির কারণেই।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসএইচ/ এনএম/ এসসি/১৯.২৯)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/18/2011 3:15 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | আয়কর ও মূসক আইনের খসড়া প্রকাশ
জাহাঙ্গীর শাহ | তারিখ: ১৮-০১-২০১১
Prothom Alo
আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আইনের দুটি পৃথক খসড়া প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ইতিমধ্যে খসড়াটি এনবিআরের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে এবং এর ওপর মতামত আহ্বান করা হয়েছে।
আয়কর আইনের খসড়ায় নতুন করে সম্পদ কর, ভ্রমণ কর ও দান কর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভুয়া কর শনাক্তকরণ নম্বরধারীদের (টিআইএন) দণ্ড আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে মূসক আইনে ছোট ব্যবসায়ীদের মূসকের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূসক নিবন্ধন না নিলে জেলজরিমানার বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে।
আগামী অর্থবছর (২০১১-১২) থেকে মূসক বা ভ্যাট আইন কার্যকর করা হবে। তবে আয়কর আইনটি কার্যকর হবে ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে। এর আগে আগামী মাস থেকে এই দুটি আইনের খসড়ার ওপর ব্যবসায়ী, ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাসহ সংশ্লিষ্ট সব খাতের সঙ্গে সংলাপের আয়োজন করবে এনবিআর।
আয়কর আইন: আয়কর আইনের খসড়ায় ২২টি অনুচ্ছেদ ও ২৪৬টি ধারা রয়েছে। অনুচ্ছেদগুলোতে আয়ের খাত, ক্ষতির খাত, আয়কর প্রশাসন, অগ্রিম আয়কর, সম্পদ কর, ভ্রমণ কর, দণ্ড, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধি, দ্বৈতকর পরিহারসহ বিভিন্ন আলোকপাত করা হয়েছে।
সম্পদ কর, ভ্রমণ কর ও দান করকে আয়কর আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এতদিন ভ্রমণ কর অর্থবিলের সঙ্গে প্রতিবছর অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
পুনরায় সম্পদ কর চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, নিজে বসবাস ব্যতীত বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট, পৌর এলাকার ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত খামার, পৌর এলাকার জমি, গাড়ি, হেলিকপ্টার ও এয়ারক্রাফট, দামি অলংকার, নৃতাত্ত্বিক নিদর্শন, চিত্র, ভাস্কর্য ও দেশের বাইরে কোনো ব্যাংকে অর্থ গচ্ছিত থাকলে সম্পদ কর দিতে হবে। এমনকি ৫০ হাজার টাকার বেশি দামি ঘড়ি ব্যবহার করলেও কর দিতে হবে। এ ছাড়া দুই হাজার টাকার বেশি নগদ অর্থ থাকলেও করের আওতায় আসবেন করদাতারা।
তবে কোনো করদাতা যদি কোনো বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্টে বছরের ৩০০ দিনের বেশি বসবাস না করেন, তাহলে তাঁকে ওই বাড়ির ওপর সম্পদ কর থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে খসড়ায়। বাণিজিক উদ্দেশ্যে নির্মিত ভবনও সম্পদ কর থেকে অব্যাহতি পাবে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তান আমলে সম্পদ কর চালু করা হয়। নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে সম্পদ কর প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
আয়কর আইনের খসড়ায় যেকোনো ধরনের দানের ওপর করারোপের বিধান রাখা হয়েছে। শুধু রাষ্ট্র ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দান করের আওতামুক্ত থাকবে। এ ছাড়া বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দান, ধর্মীয় উপাসনালয়ে দান, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দান করের আওতায় থাকবে না।
তবে স্বামী-স্ত্রী, পুত্র-কন্যা, মা-বাবা, ভাই-বোন ছাড়া অন্য যেকোনো আত্মীয়স্বজনকে দান করলে তা করের আওতায় পড়বে।
সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তারা জানান, অতীতে দানের নামে বহু কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। তাই এবার আয়কর আইনে দানকে করের আওতায় আনা হয়েছে। তবে কয়েক প্রকার দান প্রকৃত অর্থেই দান হিসেবে গণ্য করার সুযোগ্য রাখা হয়েছে।
খসড়ায় ভুয়া টিআইএনধারীকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া কোনো করদাতার কাছে টিআইএন চাওয়া হলে তা প্রদর্শনে ব্যর্থ হলে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে। নির্ধারিত সময় আয়কর প্রদানে ব্যর্থ হলে করদাতাকে পাঁচ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।
এদিকে কোনো করদাতা যদি কোনো কোম্পানির শেয়ার টানা ৩৬৫ দিন (এক বছর) ধরে রাখেন, তবে সেই শেয়ার মূলধনী সম্পদ হিসেবে গণ্য হবে। সেই ক্ষেত্রে বিধি অনুযায়ী করারোপ হবে।
মূসক আইন : ২১টি অনুচ্ছেদে ১৯৩টি শাখা রয়েছে প্রস্তাবিত মূসক আইনে। এসব অনুচ্ছেদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া, মূসক আরোপ, আমদানি পর্যায়ে মূসক, সরবরাহ পর্যায়ে মূসক, মূসক নির্ধারণ কৌশল, সম্পূরক শুল্ক, টার্নওভার ট্যাক্সসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এ ছাড়া মূসক আইনের খসড়া অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি মূসক আরোপ যোগ্য হওয়ার পরও মূসক নিবন্ধন না নিলে জেল-জরিমানা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে। সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে আইনে। এমনকি পাঁচ বছরের জেল দণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া মূসক কর্মকর্তারা কোনো ব্যবসায়ীর কাছে গিয়ে মূসক নিবন্ধন দেখতে চাইতে পারেন। ওই ব্যবসায়ী যদি মূসক নিবন্ধন সনদপত্র দেখাতে না পারেন, তবে ৫০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা করার ক্ষমতা আইনে দেওয়া হয়েছে। এমনকি ছয় মাস পর্যন্ত জেল দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে।
মূসক বিবরণী জমা না দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ২৫ হাজার টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে খসড়ায়। এমনকি সর্বোচ্চ এক বছর জেল দণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।
এই এনবিআরের সদস্য (মূসক) আবদুল মান্নান পাটোয়ারী প্রথম আলোকে বলেন, ‘খসড়ায় নির্দিষ্ট পরিমাণ (ফ্ল্যাট রেট) মূসক আরোপের প্রবণতা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যমান আইনের চেয়ে প্রস্তাবিত আইনে ‘মূসক ছাড়’ অনেক কম।’
তিনি আরও জানান, আধুনিক ও সময়োপযোগী একটি আইন করা হয়েছে। আইনটির খসড়া তৈরির সময় বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা হয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/18/2011 8:31 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের সক্রিয়তার তাগিদ
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৮-০১-২০১১
Prothom Alo
সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যাতে ভীত বা আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি না করেন, সে জন্য ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
একই সঙ্গে এসইসি বলেছে, প্রয়োজনে বিনিয়োগকারীদের ভীত না হয়ে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিতে হবে।
শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত পৃথক বৈঠকে এই আহ্বান জানানো হয়। গতকাল সোমবার সকালে এসইসির কার্যালয়ে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার এতে সভাপতিত্ব করেন।
সকাল সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী শেখ মর্তুজা আহমেদ। এ সময় এবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী শমসের মাহিম, আইডিএলসির মার্চেন্ট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং লংকা-বাংলা ফিন্যান্সসহ বেশ কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আর ব্রোকারেজ হাউসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, লংকা-বাংলা, পিএফআই সিকিউরিটিজ, এবি সিকিউরিটিজসহ শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উভয় বৈঠকে উপস্থিত সবার কাছ থেকে বাজারের বর্তমান অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে মতামত চাওয়া হয়।
মার্চেন্ট ব্যাংকার্স প্রতিনিধিরা বলেন, এসইসি এর আগে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনাবেচায় কোনো ধরনের পরামর্শ না দেওয়ার আদেশ জারি করেছিল। তাই এখন তাঁরা পরামর্শ দিতে গেলে আইনি প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে পারেন।
এ প্রসঙ্গে এসইসির পক্ষ থেকে আইনি প্রতিবন্ধকতা দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
তবে এসইসির কর্মকর্তারা জানতে চান, কেন প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরা শেয়ার কিনছে না, কেন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিংয়ের যথাযথ দায়িত্ব পালন করছেন না। এ সময় গ্রাহকের ঋণসুবিধার বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে মার্চেন্ট ব্যাংকাররা তারল্য-সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, বর্ধিত হারে গ্রাহকদের ঋণসুবিধা দিতে হলে অতিরিক্ত যে টাকার প্রয়োজন, তা ব্যাংকব্যবস্থা থেকে পাওয়া যাচ্ছে না।
বৈঠক প্রসঙ্গে বিএমবিএর সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, বৈঠকে শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা যাতে আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি না করেন, সে জন্য তাঁদের পরামর্শ দিতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর ব্যাপারে একমত হয়েছে।
ডিএসইতে বৈঠক আজ: সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাংক, মার্চেন্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় নির্বাহীদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক ডেকেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদ। আজ মঙ্গলবার বিকেল চারটায় ডিএসইর সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি বুধবার ব্রোকারেজ হাউসের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ডিএসইর। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/18/2011 8:32 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
ডিএসইতে লেনদেন ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৮-০১-২০১১
Prothom Alo
শেয়ারবাজার স্থিতিশীল রাখতে নেওয়া কোনো প্রণোদনা সেভাবে কাজে আসছে না। আর্থিক খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার কিনলেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এর কোনো প্রভাব নেই।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ নয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৮৪৮ কোটি টাকা। এর আগে গত বছরের ১৫ এপ্রিলে লেনদেন ৭৭২ কোটি টাকায় নেমে গিয়েছিল। এভাবে লেনদেন কমার জন্য তারল্য পরিস্থিতিকেই দায়ী করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা।
যোগাযোগ করা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আহমেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাজারে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। বড় কথা, বিনিয়োগকারীরা একটা স্নায়ুচাপে রয়েছেন। পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যেসব প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক ভিত্তি বড়, তারল্য-সংকটের কারণে তারা তেমন কোনো ভূমিকায় যেতে পারছে না। বাজারকে ইতিবাচক ধারায় ফেরাতে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে তারল্য আসতে হবে।’
সালাহউদ্দিন আহমেদ অবশ্য এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের শেয়ারে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেন।
বাজার পরিস্থিতি: ডিএসইতে গতকাল লেনদেন চালু হওয়ার প্রথম ১৫ মিনিটে মূল্যসূচক ৫০ পয়েন্টের বেশি বাড়ে। এর পরের মিনিটে ১৩৫ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর সূচক ৮০ পয়েন্ট বাড়লেও পরক্ষণেই আবার কমতে শুরু করে। এভাবে দিনভর ওঠা-নামার মধ্যে থাকায় মূল্যসূচক শেষ পর্যন্ত আগের দিনের চেয়ে ৫৭ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ৩৭৮ পয়েন্টে নেমে আসে।
বাজারের দরপতন ঠেকাতে ১০ জানুয়ারি সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের পর দুই দিনে সূচক এক হাজার ১৯০ পয়েন্ট বেড়েছিল। কিন্তু টানা তিন দিনের দরপতনে তা আবার ৩১৩ পয়েন্ট কমে গেছে।
বাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের অনেকে বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য অপেক্ষা করছেন। অনেক বিনিয়োগকারীর ক্রয়ক্ষমতা থাকলেও তাঁরা বাজারের গতিবিধি সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে নতুন করে বিনিয়োগে যাচ্ছেন না। আবার অনেক বিনিয়োগকারী আরও দরপতনের আশঙ্কায় ক্ষতি কমাতে লোকসানেই শেয়ার বিক্রি করছেন। এসব কারণে শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ছে, যা সার্বিক মূল্যসূচকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এদিকে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে আগের দিনের মতো গতকালও রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংক পৃথকভাবে মোট ২১১ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে।
এর মধ্যে আইসিবি নিজস্ব পত্রকোষ বা পোর্টফোলিওতে কিনেছে ৮১ কোটি টাকার শেয়ার। আর প্রতিষ্ঠানটির তিনটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকেরা মিলে কিনেছেন ৩৪ কোটি টাকার।
গতকাল তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক মিলে কিনেছে ৯৬ কোটি টাকার শেয়ার। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংক ৬০, অগ্রণী ব্যাংক ১৭ ও জনতা ব্যাংক ১৯ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে।
যোগাযোগ করা হলে আইসিবির মহাব্যবস্থাপক ইফতেখার-উজ-জামান জানান, বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী সমর্থন দিয়ে যাবেন তাঁরা।
বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগের দিনের মতো গতকালও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) থেকে বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসে ফোন করে বিক্রির চাপ না বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/18/2011 8:36 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে ফের কাল থেকে লেনদেন
ঢাকা, ১৮ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে আগামীকাল বুধবার থেকে ফের স্বাভাবিক লেনদেন শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। মঙ্গলবার ব্যাপক দরপতনের মুখে দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার লেনদেন বন্ধ করে দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন। পরে এসইসি'র সদস্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে ফের লেনদেন শুরুর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিকেলে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কমিশনের বৈঠকে বসেছে এসইসি। পুঁজিবাজারে ৯ কার্যদিবসের মধ্যে এ নিয়ে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় শেয়ার লেনদেন বন্ধ করে দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এসইসি জানিয়েছে, বাজারে ক্রেতা না থাকায় অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর পড়ে যাবার আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
দর পতনের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার সপ্তাহের তৃতীয় দিনের লেনদেন শুরু হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুচকের অধ:পতনও হতে থাকে। এসময় এসইসির সার্ভিলেন্স কক্ষে বসে লেনদেন পর্যবেক্ষণ করছিলেন সংস্থার চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দোকার ও সদস্য মো. ইয়াসিন আলী। দুপুরের দিকে ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে শেয়ারবাজার। সাধারণ সুচক পড়ে যায় ২৪৩ পয়েন্ট। বন্ধের আগ পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার। এরমধ্যে কমেছে ২৩৪টির, বেড়েছে ১০টির। একই অবস্থা দেখা যায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও। এ পরিস্থিতিতে আরও পতনের আশঙ্কায় তাৎক্ষণিক লেনদেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। শেয়ারবাজারে টানা ব্যাপক দরপতন এবং লেনদেন বন্ধের প্রতিবাদে ডিএসই'র সামনে বিক্ষোভ করে বিনিয়োগকারীরা।
উল্লেখ্য, এ বছরের এ পর্যন্ত ১৩ কার্যদিবসের ১০ দিনই দরপতন হয়েছে পুঁজিবাজারে। এরমধ্যে পতনের মুখে মঙ্গলবারসহ দুই কার্যদিবসে লেনদেন বন্ধ করে দেয় এসইসি। গত ১০ জানুয়ারি ডিএসই'র সাধারণ সুচক ৬৬০ পয়েন্ট পড়ে যায়। দিনের লেনদেনের প্রথম ৫০ মিনিটে সাধারণ সুচক কমার নতুন রেকর্ড হয় ডিএসই'তে। ওই পরিস্থিতিতে লেনদেন বন্ধ ঘোষণা করে এসইসি। তবে মঙ্গলবার বাজারে শেয়ার ক্রেতা না থাকায় আবারও বড় ধরনের পতনের আশঙ্কায় লেনদেন বন্ধ করে দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমএইচ/১৭.১৫ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/18/2011 8:37 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে ধস ঠেকাতে নানামুখী চেষ্টা বাংলাদেশ ব্যাংকের
ঢাকা, ১৮ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
শেয়ারবাজারের অব্যাহত ধস ঠেকাতে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) কে আরো ২শ কোটি টাকা ডিমান্ড লোন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এ লোন দেয়া হয়। এর আগে গতকালও ২০০ কোটি টাকা লোন দেয়া হয়। সবমিলিয়ে শেয়ার বাজারকে চাঙ্গা করতে আইসিবিকে ৪শ কোটি টাকা লোন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর নগদ টাকার ঘাটতি পূরণ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ ১৫টি ডিলার ব্যাংককে ৪ হাজার ৫০৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা তারল্য সহায়তা এবং ১৬টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার ২৬১ কোটি ৩২ লাখ টাকা রিপো সুবিধা প্রদান করেছে। তবে আজ রিপোর চাহিদা ছিল ১৮ হাজার ৪২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।
এছাড়া সুযোগ থাকা ব্যাংকগুলোকে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে নির্দেশ দেয়। গত সপ্তাহে ট্রেজারি বন্ডের ২০০ কোটি টাকার নিলাম স্থগিত করার ফলে বাজারে ওই ২০০ কোটি টাকা রয়ে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এভাবে বাজার বেশিদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। বাজার ধরে রাখার দায়িত্ব সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকেই (এসইসি) নিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাজারে যথেষ্ট নগদ টাকা সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহি পরিচালক এস কে সুর চৌধুরী শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেছেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ। তারল্য ঘাটতির প্রভাব যাতে পুঁজিবাজারে না পড়ে সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে যথেষ্ট নগদ টাকার সহায়তা দেয়া হচ্ছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসএইচ/বিএইচ/এআইকে/ ১৮:০৫ ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/18/2011 8:40 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত এসইসির
ঢাকা, ১৮ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত সবগুলো কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য (ফেস ভ্যালু) ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া স্টক ডিলারদের জন্য মেম্বারস মার্জিনের ফি লিমিট ৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। শুধুমাত্র স্টক ডিলারদের শেয়ার ক্রয়ের ক্ষেত্রে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। মঙ্গলবার বড় ধরনের দরপতনের প্রেক্ষিতে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সাথে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ডিএসইর সুপারিশের প্রেক্ষিতে বুধবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান কমিশন মুখপাত্র আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া। এ সময় তিনি জানান, বুধবার থেকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আবারো স্বাভাবিক লেনদেন হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন_ ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. নাসিরউদ্দিন চৌধুরী এবং ডিএসইর সিইও সতিপতি মৈত্র।
আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া বলেন, পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতনের আশঙ্কায় এসইসি দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকা ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। বেলা দেড়টা নাগাদ ডিএসইর সূচক ২৩৭ পয়েন্ট পতন হলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তীতে ডিএসইর সাথে জরুরি বৈঠকে বসে এসইসি। পুঁজিবাজারের বর্তমান সংকট কাটাতে ডিএসই থেকে দু'টি সুপারিশ করা হয়। সেগুলো হলো_ স্টক ডিলারদের জন্য মেম্বারস মার্জিনের ফি লিমিট বাড়ানো এবং সবগুলো কোম্পানির অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করা। এসইসি ওই দু'টি সিদ্ধান্তের গুরুত্ব বিবেচনায় স্টক ডিলারদের জন্য মেম্বারস মার্জিনের ফি লিমিট ৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ স্টক ডিলাররা যদি সর্বোচ্চ ১৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনে তাহলে ওই পরিমাণ শেয়ারের বিপরীতে কোনো নিরাপত্তা জামানত রাখতে হবে না। তবে ডিএসইর সুপারিশ অনুযায়ী তালিকাভুক্ত সবগুলো কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা নির্ধারণের বিষয়ে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলেও কবে থেকে তা বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। এছাড়া পুঁজিবাজারের তারল্য সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি বলে আনোয়ার কবীর সাংবাদিকদের জানান।
সংবাদ সম্মেলনে পুঁজিবাজারের নেতিবাচক পরিস্থিতি সম্পর্কে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, মূলত বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার কারণেই পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতনের ঘটনা ঘটছে। বাজারের এ পরিস্থিতিতে ডিএসই মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সাথে বৈঠকের আয়োজন করেছে। মার্চেন্ট ব্যাংকের বক্তব্য শুনার পর পুঁজিবাজারে সংকট উত্তরণে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শাকিল রিজভী।
ট্রেড বন্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই ট্রেড সাময়িকভাবে বন্ধের উদাহরণ রয়েছে। শাকিল রিজভী অভিযোগ করেন, একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল স্টক এক্সচেঞ্জ সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচারণা চালানোর কারণেও পুঁজিবাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাবের সৃষ্টি হয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এস/ ১৮.১২ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/18/2011 1:58 pm |
 Forum Addict

Regist.: 12/31/2010 Topics: 14 Posts: 92
 OFFLINE | মুদ্রানীতি ঘোষণার আগে শেয়ারবাজার স্বাভাবিক নাও হতে পারে
আমাদের সময়, ১৯/০১/২০১১
গোলাম মওলাঃ
কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতি তৈরিতে দেরি করায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কোন খাতে কি পরিমাণ বিনিয়োগ করবে সে সিদ্ধান্তô নিতে পারছে না। কিছু ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন- মুদ্রানীতি ঘোষণার আগে শেয়ারবাজার স্বাভাবিক নাও হতে পারে।
সূত্র জানায়, অতিরিক্ত লাভের আশায় যে সব ব্যাংক নিয়ম-বহিভূêতভাবে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতো তারাও এখন বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকছে। এর সার্বিক প্রভাব পড়ছে বাজারে। এ কারণে প্রতিদিনই দরপতন হচ্ছে।
এ বিষয়ে ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ব্যাব) সভাপতি কে মাহমুদ সাত্তার বলেন, অন্যান্য বছর ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মুদ্রানীতি পেয়ে যাই। কিন্তু এবার এখনো পাইনি। এজন্য বিনিয়োগ ছাড়াও কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্তô নেয়া যাচ্ছে না। তবে মুদ্রানীতি ঘোষণায় দেরির কারণে শেয়ারবাজারে কোনো প্রভাব পড়ছে না বলে তিনি উলেস্নখ করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অপর একটি সূত্র জানায়, দেড় মাস আগে মুদ্রানীতি তৈরির ৭৫ ভাগ কাজ শেষ হলেও এখন পর্যন্তô পূর্ণাঙ্গ করা সম্্ভব হয়নি। এর কারণ হিসেবে ওই সূত্র নিশ্চিত করেন শেয়ারবাজার ধস থেকে উত্তরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ব্যাংককে ভূমিকা রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পর থেকে শেয়ারবাজারকে স্বাভাবিক করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পদক্ষেপ নেয়। তারল্য সংকট মেটাতে আর্থিক সহায়তা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর এ সংক্রান্তô কয়েকটি বিধিমালা শিথিল করে।
জানা গেছে, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ২০১০-১১ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সূত্র আরো জানায়, মুদ্রানীতি ঘোষণার বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখনো কোনো বৈঠক করতে পারেনি। যদিও মাত্র ৬ ঘণ্টার নোটিসে এ বৈঠক ডাকা যায়। আগামী ২৩ জানুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবে এ বিষয়ে আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড· আতিউর রহমানসহ দেশের অর্থনীতিবিদরা এতে আলোচনা করবেন।
সূত্র জানায়, শেয়ারবাজার স্বাভাবিক করতে বর্তমানে বাজারে নগদ টাকা ছাড়া হলেও আগামী জুন-জুলাইতে বাজার থেকে নগদ টাকার প্রবাহ কমানো হবে। ওই সময় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুঁজিবাজারসহ নিয়মবহির্ভূত বিনিয়োগ বন্ধে কঠোর থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইভাবে কৃষি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতগুলোকে পর্যাপ্ত অর্থায়নসহ দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আওতাভুক্তির কথা বলা থাকবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সঠিক মুদ্রানীতি প্রণয়নের জন্য ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া হয়েছে। সরকারের নীতি ও কৌশলের সঙ্গে মিল রেখে উৎপাদনশীলতার ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক জোর দিচ্ছে বলে তিনি উলেস্নখ করেন। তিনি বলেন, মুদ্রানীতিতে খাদ্য আমদানি করতে সরকারকে পরামর্শ দেয়া হবে। একইভাবে উৎপাদনশীল খাতের প্রসারে ঋণপ্রাপ্তি বাড়ানোর দিকে জোর দেয়া হবে। আর্থিক সেবায় অধিক মানুষকে অন্তôর্ভুক্ত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে কৃষি, মাঝারি উদ্যোগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অন্যান্য উৎপাদনমুখী খাতকে আরো জোরদার করা হবে। শরীফ ফয়সাল |
|
|
| 01/19/2011 12:22 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | SEC suspends trading at bourses again
Investors protest stocks' free fall
FE Report
19.01.2011
The SEC suspended trading of both the bourses again Tuesday due to free fall of share prices followed by investors' street protest.
The Securities and Exchange Commission (SEC) instructed the two bourses to halt trading after the general index of Dhaka Stock Exchange (DSE) plunged by 243 points or 3.29 per cent and Selective Categories Index of Chittagong Stock Exchange (CSE) by 298 points at about 1:40pm.
However, normal share trading will resume at 11:00am today (Wednesday) and continue as usual, the authorities said.
The SEC suspended share trading of the two bourses for the second time within eight days. On January 10, the SEC suspended share trading of the bourses when Dhaka stocks declined by 660 points or 9.0 per cent and Chittagong stocks by 914 points within 50 minutes of the start of the day's trading.
Hundreds of angry investors came out from the brokerage houses and gathered in front of the DSE main building at about 12:45pm, after the DGEN lost 203 points. They staged demonstration, protesting the continuous fall of share prices, and chanted slogans against the market regulators and the DSE top bosses.
They also demanded explanation from the authorities concerned about the continuous fall of share prices and probe into the recent bearish trend of the market to detect whether vested quarters are involved in it.
However, no untoward incident occurred, as additional law-enforcers were deployed in front of the DSE building from the early morning.
"We, the small investors, are the worst victims of the continuous plunge, while most of the big players, who could somehow smell the imminent fall, had withdrawn major portion of their investment after making profit," said an investor. Another investor said he has lost most of his savings in the recent market fall.
The market opened Tuesday with a negative note and gradually went down. The benchmark DSE General Index (DGEN) closed at 7140.29, down by 3.22 per cent or 237.33 points. The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 5925.46, shedding 3.19 per cent or 195.43 points. The DSE-20 index lost 2.80 per cent or 131.60 points to 4572.52.
Out of the 244 issues traded, only 10 advanced and 234 declined. Turnover stood at only Tk 6.10 billion during the two hours and 40 minutes trading.
The benchmark index of the Dhaka stocks suffered shock for four consecutive sessions and lost more than 550 points or 7.16 per cent.
The DGEN rose 80 per cent in 2010, but has been volatile since the record high of 8,918.15 points on December 5, 2010.
"Although a correction in share prices was expected anytime last year, following abnormal rise in the market, the current situation is due mainly to liquidity crisis," analysts said.
Professor Abu Ahmed of Economics Department, Dhaka University, said, "Mainly liquidity crunch affects the stock market, as the money market is still volatile."
"The lenders cannot disburse loan, as they are still suffering from liquidity crunch. They cannot buy shares due to fund shortage," he said.
"The market will not come out from the bearish mood unless the money market is stable," he added.
Echoing him, Prime Finance and Investment MD Akter H Sannamat said, "In this situation, the small investors have lost confidence and they are gradually getting panicked."
AIMS Bangladesh MD Yawar Sayeed said, "Tuesday's suspension of share trading by the SEC was unexpected."
Earlier on January 10, angry investors took to the streets across the country after the SEC suspended trading following the record fall of share prices.
They staged demonstrations, engaged in sporadic clashes with policemen, vandalised vehicles and blocked traffic movement for about four hours at Motijheel and adjoining areas in the city.
Police lobbed teargas canisters to disperse the agitated investors. At least nine persons, including four newsmen, were injured during the clashes between the investors and the policemen.
In the same day, the SEC and Bangladesh Bank took a series of measures in a desperate effort to bring back the investors' confidence and stablise the market. But, all the efforts failed to make any impact on the stock market. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 12:23 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | More BB fund to ICB to stabilise share market
FE Report
19.01.2011
The central bank has provided more fund to the state-run Investment Corporation of Bangladesh (ICB) to bring back stability in the share market, officials said.
Bangladesh Bank (BB) has disbursed a total of Tk 4.0 billion to the ICB through IFIC bank in the last two consecutive days to avert any massive slide.
"We've provided the fund to the ICB as short term loan," a BB senior official told the FE Tuesday, adding that the central bank would inject more fund as per the market requirement.
On Sunday, the BB sanctioned a fresh loan to the ICB amounting to Tk 2.0 billion, which was disbursed on Monday.
The BB further injected fresh fund worth Tk 2.0 billion to the ICB Tuesday as trading in both bourses was halted by the Securities and Exchange Commission (SEC) for the second time in eight days.
With 80 minutes remaining in Tuesday's trading session, the benchmark index of the Dhaka Stock Exchange, generally known as DGEN, was down by 3.29 per cent or 243 points when trading was suspended.
Earlier on Monday last week, the SEC suspended trading within the opening fifty minutes of trade when DGEN was down by 9.0 per cent or 660 points.
"We'll take all measures to bring back stability in the capital market," an ICB senior official told the FE, adding that the ICB is purchasing shares actively to inspire the investors and boost their confidence. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 12:24 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Stock dealers allowed to buy shares up to Tk 150m sans deposit from today
SEC firm on share face value splitting
FE Report
19.01.2011
Stock dealers from today (Wednesday) are allowed to purchase shares worth up to Tk 150 million without any deposit as the market regulator took the initiative Tuesday to bring stability to the stock market.
The Securities and Exchange Commission (SEC) has also decided to take immediate measures on splitting the face value of shares of all companies, which are yet to split the share face value with a price of Tk 10.
The decisions came after an emergency meeting of SEC with the leaders of Dhaka Stock Exchange (DSE) following the regulator's halt to trading on Tuesday after the bourses underwent a steep fall.
The stock dealers previously were allowed to purchase shares worth up to Tk 50 million without any deposit.
At a press briefing, the SEC Executive Director Anwarul Kabir Bhuiyan said the measures were taken for the sake of the investors.
"The commission took the decisions following a proposal from the DSE," he said.
"The SEC has moved to facilitate the institutional investors to boost up their confidence through institutional purchase. The trade was also halted for the investors' interest," he added.
At the press briefing, Mr. Buiyan also said the regulator hopes that the market will bounce back in a sustainable situation.
DSE president Shakil Rizvi said the stock plunges occurred due mainly to lack of investors' confidence.
"In such a situation the DSE has arranged a meeting with merchant bankers. After having their opinions, the DSE will talk to the government to overcome the present crisis in the stock market," the DSE president said.
At the press briefing, the DSE president brought allegations against a private television channel for playing a negative role through its broadcast during unrest in the stock market.
At a meeting called by DSE and held on Tuesday evening, the leaders of merchant banks proposed to identify the factors behind the recent nose-diving of the stock market.
They further appealed to the DSE to solve the problems upon discussion with the government and Bangladesh Bank. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 12:25 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের সময় বেঁধে দেয়া হচ্ছে
শীঘ্রই সময়সীমা ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
19.01.2011
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকায় রূপান্তরের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। অভিহিত মূল্য পরিবর্তন নিয়ে পুঁজিবাজারে সৃষ্ট সমস্যা নিরসনে সব কোম্পানিকে একই সময়ের মধ্যে অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের নির্দেশ দেয়া হবে। শীঘ্রই এই সময়সীমা ঘোষণা করা হবে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ডিএসই নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এসইসির এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি অবহিত করা হয়।
এ বিষয়ে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, অভিহিত মূল্য পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে শেয়ারবাজারে নানা ধরনের কথাবার্তা হচ্ছে। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে কোন কোন শেয়ারের দরও প্রভাবিত হচ্ছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সকল কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য একই সময়ের মধ্যে ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শীঘ্রই কমিশনের পক্ষ থেকে এই সময়সীমা ঘোষণা করা হবে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের ইস্যুটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির শেয়ারের দরে সামঞ্জস্য আনার জন্য অভিহিত মূল ১০ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছিল অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কিন্তু ওই বছরের ৫ নবেম্বর পুঁজিবাজার উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সুপারিশ নাকচ হয়ে যায়। তবে বৈঠকে ভবিষ্যতে তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির অভিহিত মূল একইহারে নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই বৈঠকের কার্যপত্রে বলা হয়েছে, 'যেহেতু বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা, সেহেতু ভবিষ্যত শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করা শ্রেয়তর হবে।'
তবে ২০০৯ সালের ১০ নবেম্বর এসইসির পরামর্শক কমিটির সভায় সকল শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সকল কোম্পানির ৰেত্রে ২৫০টি শেয়ার নিয়ে একটি লট নির্ধারণেরও সুপারিশ করা হয়। তবে পরামর্শক কমিটির এই সুপারিশ গ্রহণ না করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্যোগ নেয় এসইসি। এর প্রেৰিতে গত বছরের ১ মার্চ কমিশনের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তন না করার পরামর্শ দেয়া হয়। এতে ভবিষ্যতে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির একই অভিহিত মূল্য নির্ধারণের বিষয়টিও উলেস্নখ করা হয়।
কিন্তু এর আগেই তালিকাভুক্ত বেশ কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকায় রূপানত্মরের জন্য ইজিএমের মাধ্যমে সিদ্ধানত্ম নিয়ে রেখেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক কয়েকটি ব্যাংকের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের প্রসত্মাব অনুমোদন করে। রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এ্যান্ড ফামর্স অভিহিত মূল্য পরিবর্তন করে এসব ব্যাংকের সংঘবিধি পরিবর্তনের আবেদনও অনুমোদন করে। ফলে এ বিষয়ে আইনী জটিলতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে সকল কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ১০ টাকা নির্ধারণ অথবা বিষয়টি কোম্পানির ওপর ছেড়ে দেয়ার জন্য ২০১০ সালের ৭ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি প্রসত্মাব পাঠায় এসইসি। এর ভিত্তিতে গত বছরের ৯ মে শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা নির্ধারণের বিষয়টি তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দিয়ে সরকারী আদেশ (জিও) জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। পরদিন এসইসির পৰ থেকে এ সংক্রানত্ম প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের বিষয়টি কোম্পানির ওপর ছেড়ে দেয়ার পর থেকেই বাজারে এ বিষয়টিকে ঘিরে শেয়ারবাজারে নানা ধরনের প্রবণতা চলছে। অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের ফলে কোম্পানির মৌলভিত্তিতে কোন প্রভাব না পড়লেও অভিহিত একের পর এক কোম্পানি এই সুযোগ গ্রহণ করছে। এর ফলে বাজারে শেয়ার দরে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। শেয়ারবাজারের অতি মূল্যায়নের পেছনে এই ইসু্যটিও গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
জানা গেছে, অভিহিত মূল্য পরিবর্তন নিয়ে সৃষ্ট অস্থিরতা দূর করতে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) পক্ষ থেকে এসইসিতে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এর ভিত্তিতেই কমিশন সকল শেয়ারের অভিহিত মূল্য একসঙ্গে ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 12:26 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দরপতনের মুখে বন্ধ শেয়ারবাজার, আজ স্বাভাবিক লেনদেন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
19.01.2011
বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কায় মাত্র ৬ কার্যদিবসের মাথায় আবারও দেশের দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আগের তিনদিনের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রেখে মঙ্গলবার লেনদেন শুরু হলেও এক পর্যায়ে অধিকাংশ শেয়ারের ক্রেতা না থাকায় বাজারে বড় দরপতনের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে বেলা ১টা ৪০ মিনিটে লেনদেন বন্ধ করে দেয়া হয়। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক থাকলেও আগের সপ্তাহের মতো রাস্তায় নেমে অবরোধ বা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। আজ (বুধবার) সকাল ১১টায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে পুনরায় স্বাভাবিক লেনদেন চালু হবে।
পরিস্থিতি সম্পর্কে ডিএসই সভাপতি মোঃ শাকিল রিজভী বলেন, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থেই লেনদেন বন্ধ করা হয়েছে। পৃথিবীর সব দেশেই বাজারের কোন নাজুক পরিস্থিতিতে লেনদেন বন্ধ রাখা হয়। এটা কোন অস্বাভাবিক বিষয় নয়। তিনি বলেন, আতঙ্কিত বাজারে বিনিয়োগকারীরা তাদের করণীয় সম্পর্কে বুঝে উঠতে পারে না। লেনদেন বন্ধ করার ফলে তারা করণীয় নির্ধারণের সময় পাবেন।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, আগের তিন দিনের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকাল ১১টায় লেনদেনের শুরম্ন থেকে শেয়ারবাজারে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যেতে থাকে। বেলা সোয়া ১১টা থেকে ১৫ মিনিটের জন্য কিছুটা উর্ধমুখী হলেও এরপর দরপতনের মাত্রা বাড়তে থাকে। বেলা ১টা ৪০ মিনিটের মধ্যে (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৩.২৩ শতাংশ বা ২৪৭ পয়েন্ট নেমে যায়। একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক ২.২০ শতাংশ বা প্রায় ৩০০ পয়েন্ট নেমে যায়। এ সময়কালে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৪টিরই দর ছিল আগের দিনের তুলনায় কম।
সূত্র জানায়, আগের দু'দিন এ অবস্থান থেকে বাজার আবারও উর্ধমুখী হলেও মঙ্গলবার পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাজারে শেয়ারের দর উলেস্নখযোগ্যহারে কমে গেলে স্বাভাবিক অবস্থায় বিক্রির হার কমে কেনার চাপ বৃদ্ধি পায়। মূলত এ কারণেই আগের দ'দিন এর চেয়ে বেশি দরপতনের পরও বাজার আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু মঙ্গলবার অধিকাংশ শেয়ারের দর কমে গেলেও বিক্রির চাপ ক্রমশ বাড়ছিল। অন্যদিকে একের পর এক শেয়ারের ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়তে থাকে। এ অবস্থায় বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কায় লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি।
জানা গেছে, বাজারে স্বাভাবিক লেনদেন বজায় রাখতে আগের দু'দিনের মতোই সকাল থেকে তৎপর ছিলেন এসইসির শীর্ষ কর্মকর্তারা। কমিশনের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলীসহ সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা সার্ভিল্যান্স কৰে অবস্থান করে পরিস্থিতি পর্যবেৰণ করেন। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকে টেলিফোনের মাধ্যমে শেয়ার কেনার প্রবণতা বাড়ানোর নির্দেশনা দেন। এছাড়া বাজার ধরে রাখতে আইসিবিসহ সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে শেয়ার কেনার প্রবণতা অব্যাহত রাখতে বলা হয়। বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে আগের দু'দিন আইসিবি, জনতা, অগ্রণী ও সোনালী ব্যাংক বিপুল পরিমাণ শেয়ার কিনলেও মঙ্গলবার তহবিল সঙ্কটের কারণে এসব প্রতিষ্ঠান সে ধারা অব্যাহত রাখতে পারেনি। এছাড়া এসইসির আহ্বানে সাড়া দিয়ে বেসরকারী খাতের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজার ধরে রাখতে তেমন কোন ভূমিকা পালন করেনি। বরং গত কয়েক দিন ধরে বিক্রির প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠান একই প্রবণতা অব্যাহত রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়লে বাজারে বড় ধসের পরিস্থিতি তৈরি হয়। শেষ পর্যনত্ম লেনদেন বন্ধ রেখে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে এসইসি।
এদিকে লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার পর মতিঝিল এলাকার বিভিন্ন ভবনে অবস্থিত ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে আসেন। তবে তাঁদের মধ্যে আগের মতো মারমুখী আচরণ লৰ্য করা যায়নি। ডিএসইর সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হলেও পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ শানত্মিপূর্ণ। কিছুসংখ্যক বিনিয়োগকারী ডিএসই ভবনের সামনে জড়ো হয়ে সেস্নাগান দেন। তবে অধিকাংশেরই এ নিয়ে তেমন আগ্রহ ছিল না। বিনিয়োগকৃত অর্থের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে নানা আলোচনায় ব্যসত্ম ছিলেন। এর আগে বেলা ১টার দিকে কিছুসংখ্যক বিনিয়োগকারী রাসত্মায় নেমে বিৰোভ করতে চাইলে পুলিশী বাধার কারণে ফিরে যেতে বাধ্য হন। বিকেলের দিকে বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। এ সময় অনেক বিনিয়োগকারী প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী দেশে না ফেরা পর্যনত্ম লেনদেন বন্ধ রাখারও দাবি জানান। তাঁরা বলেন, বার বার লেনদেন বন্ধ করে দেয়া শেয়ারবাজারের জন্য কোন সমাধান হতে পারে না। পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকারের পৰ থেকে কার্যকর পদৰেপ প্রয়োজন। তা না হলে বিনিয়োগকারীদের পথে বসা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।
বাজার সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজার স্থিতিশীল করার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা রয়েছে। সরকারের পৰ থেকে যে কোন মূল্যে বাজারে স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংককে যথাযথ পদৰেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশকিছু পদৰেপও নেয়া হয়েছে। কিন্তু এরপরও বাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরছে না।
তাঁরা মনে করেন, শেয়ারবাজারে বর্তমানে যে নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে তার সঠিক সমাধান দিতে পারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাণিজ্যিক ব্যাংকের সহযোগী কোম্পানি হিসেবে মার্চেন্ট ব্যাংককে অতিরিক্ত ঋণ দেয়ার সুযোগ করে দেয়া হলে বিনিয়োগকারীরা বর্ধিত মার্জিন ঋণ পাবেন। এতে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরবে। এই মুহূর্তে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংককেই দৃশ্যমান কিছু পদৰেপ নিতে হবে।
এদিকে স্টক এঙ্চেঞ্জের সদস্য ব্রোকারেজ হাউসে জামানতবিহীন লেনদেনের সীমা বাড়িয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ (বুধবার) থেকে ব্রোকারেজ হাউসগুলো কোন রকম আগাম জামানত ছাড়াই ১৫ কোটি টাকা পর্যনত্ম শেয়ার ক্রয় করতে পারবে। এর আগে জামানতবিহীন লেনদেনের সীমা ৫ কোটি টাকা ছিল।
এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থতিতে ব্রোকারেজ হাউসের ক্রয়ৰমতা বৃদ্ধির জন্য জামানতবিহীন লেনদেনের সীমা বৃদ্ধির জন্য ডিএসইর পৰ থেকে কমিশনের কাছে প্রসত্মাব পেশ করা হয়। এর ভিত্তিতে জামানতবিহীন লেনদেনের সীমা ৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। এর ফলে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর শেয়ার কেনার ৰমতা বৃদ্ধি পাবে। সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বর্ধিত ক্রয়ৰমতা কার্যকর করলে বাজারে শেয়ার কেনার প্রবণতা বাড়বে। শেয়ারের দর ও সূচকে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
অন্যদিকে বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়াতে বেশকিছু পদৰেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শেয়ার কেনার জন্য ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) গত দু'দিনে মোট ৪শ' কোটি টাকা তহবিল যোগান দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোকে নগদ অর্থ সরবরাহ বাড়াতে মঙ্গলবার রেপো ও তারল্য সহায়তার মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন নিয়মনীতিতেও অনেক শিথিলতা আনা হয়েছে। মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল থাকলে পুঁজিবাজারেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান জনকণ্ঠকে বলেন, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন পদৰেপ গ্রহণ করেছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শেয়ার বিক্রি না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আইসিবিকে তহবিল যোগান দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোকেও নগদ অর্থ প্রদান করা হচ্ছে।
এদিকে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ডিএসই নেতারা। বৈঠকে বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে এসব প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে ডিএসইর পৰ থেকে আহ্বান জানানো হয়। বৈঠকে শেয়ারবাজারের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা দূরীকরণে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তৈরি করে বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসিসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে।
বিশেস্নষকদের অভিমত ॥ শেয়ারবাজারে চলমান মন্দা কাটাতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা না নিয়ে আকস্মিকভাবে লেনদেন বন্ধ করা হলে বিনিয়োগকারীরা আরও আতঙ্কিত হয়ে পড়বে বলে বিশেস্নষকরা মনে করছেন। অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, লেনদেন বন্ধ করা কোন স্থায়ী সমাধান নয়। বিনিয়োগকারীদের আস্থার সঙ্কটে বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। আস্থা ফেরানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদৰেপ নিতে হবে।
অধ্যাপক ওসমান ইমাম বলেন, লেনদেন বন্ধ একটি স্বল্পকালীন পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা তাঁদের সিদ্ধানত্ম নেয়ার সময় পায়। তবে তা স্থায়ী সমাধান নয়।
প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকতার এইচ সান্নামাত বলেন, লেনদেন বন্ধ করায় বাজার আরও অস্থির হয়ে পড়বে। বাজারের মূল সমস্যা শনাক্ত করতে সংশিস্নষ্টদের নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করে বাজারকে স্থিতিশীল করতে হবে। তা না হলে সামাজিক অস্থিরতায় রূপ নেবে। ডিএসইর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ রশিদ লালী বলেন, উন্নত রাষ্ট্রেও অস্বাভাবিক আচরণে শেয়ারবাজারে কেনাবেচা অল্প সময়ের জন্য বন্ধ করা হয়। তবে একেবারে বন্ধ করা হয় না। তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে এটি নতুন। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়তে পারে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 12:28 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পতন ঠেকাতে ফের বন্ধ শেয়ারবাজার
বাকি শেয়ারও ১০ টাকা হচ্ছে নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
19.01.2011
দরপতনের মুখে ছয় কার্যদিবসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো লেনদেন বন্ধ করা হলো দুই স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারের লেনদেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এ সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগেই দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় ২৩৭.৩৩ পয়েন্ট ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ২৯৮.৭০ পয়েন্ট পতন ঘটে। দুই এক্সচেঞ্জেই হাতে গোনা কিছু কম্পানি বাদে বেশির ভাগ কম্পানি দর হারায়।
বাজার স্বাভাবিক করতে কর্তৃপক্ষ গতকাল কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের সব শেয়ারকে ১০ টাকা করার ঘোষণা। এসইসির এক কর্মকর্তা জানান, দুপুর দেড়টার দিকে ডিএসইতে বিক্রেতার বিপরীতে ক্রেতা কম ছিল।
তাই আরো বড় দরপতনের আশঙ্কা থেকেই লেনদেন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ যথাসময় লেনদেন শুরু হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, শেয়ারবাজারের তারল্য না বাড়াতে পারলে সামনে আরো খারাপ অবস্থা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে। গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া টানা তিন দিনের দরপতনে গতকাল পর্যন্ত ডিএসইতে সূচক কমেছে ৪৩৫.৬৪ পয়েন্ট। গতকালও লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার পর মতিঝিল এলাকার বিভিন্ন ভবনে অবস্থিত ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসেন। তবে তাঁদের মাঝে আগের মতো মারমুখী আচরণ লক্ষ করা যায়নি। ডিএসইর সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হলেও পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। এর আগে বেলা ১টার দিকে কিছুসংখ্যক বিনিয়োগকারী রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে চাইলে পুলিশি বাধার কারণে ফিরে যেতে বাধ্য হন। বিকেলের দিকে বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
এসইসির কিছু সিদ্ধান্ত : লেনদেন বন্ধ ঘোষণার পর এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার সংস্থার সদস্য ও কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন। ডিএসইর সভাপতিসহ পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আজ বুধবার থেকে যথারীতি লেনদেন চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য ব্রোকারেজ হাউসে জামানতবিহীন লেনদেনের সীমা পাঁচ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। এর আগে জামানতবিহীন লেনদেনের সীমা পাঁচ কোটি টাকা ছিল।
একই সঙ্গে যেসব কম্পানির অভিহিত মূল্যে ১০০ টাকা রয়েছে সেগুলো ১০ টাকায় নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে এসইসির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
অবশ্য তারল্যপ্রবাহ বাড়াতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শেয়ার কেনার জন্য ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) গত দুদিনে মোট ৪০০ কোটি টাকা তহবিল জোগান দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন নিয়মনীতিতেও গতকাল অনেক শিথিলতা আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভালো কম্পানির শেয়ার কেনার জন্য পরামর্শ দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত : পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, লেনদেন বন্ধ কোনো সমাধান নয়। এটা একটা বাজে রেকর্ড হচ্ছে। এই মুহূর্তের মূল সমস্যা তারল্য সংকট। এটা কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে এগিয়ে আসতে হবে। এসইসি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের ঊধ্বতন মহলকে একসঙ্গে বসে দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। এখনো বাজার পরিস্থিতি উত্তরণের সুযোগ আছে। নইলে দীর্ঘ সময়ের জন্য মন্দা পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। এতে ’৯৬ সালের চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। আর এখন ৩৩ লাখ বিও অ্যাকাউন্টধারীর লাখ লাখ সদস্য পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন। এ কারণে পুঁজিবাজারে দীর্ঘ মন্দা শুরু হলে যে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হবে, তা সামলানো সরকারের পক্ষে সম্ভব হবে না।
অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, তারল্য সংকটের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এখানে বিক্রেতা আছে, ক্রেতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, তারল্য সংকট দূর করতে এ মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংককেই এগিয়ে আসতে হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, বিনিযোগকারীদের আস্থা কমে যাওয়ায় এবং তারল্য সংকটে এই বিপর্যয় হয়েছে। খুব শিগগির এসইসির সব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান শাকিল রিজভী। তিনি বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ সবার সঙ্গে আলোচনা করে বাজার স্থিতিশীল করা হবে।
‘আমরা কোথায় যাব’: মতিঝিলের রাইজিং সিকিউরিটিজে লেনদেন করেন কাজী বোরহান উদ্দিন। ১৯৯৪ সাল থেকে পুঁজিবাজারের সঙ্গে আছেন। কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ’৯৬ সালের ভয়াবহ দরপতনে ১০ লাখ টাকা খুইয়েছি। এর পর ১০ বছর পুঁজিবাজারে আসিনি। তিন বছর আগে আবার এ বাজারে পা দিয়েছি। বর্তমানে বিনিয়োগ ৩৫ লাখ টাকা। কয়েক দিনের দরপতনে পোর্টফোলিও থেকে কমে গেছে ২৫ লাখ টাকা।’ তবে তিনি শেয়ার বিক্রি করেননি। বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি করতে নিষেধ করেন তিনি। বোরহান উদ্দিন মনে করেন, এটা বাজার খেলোয়াড়দের কারসাজি। ১৯৯৬ সালের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও কারসাজি চক্রের কারো কোনো বিচার বা শাস্তি না হওয়ায় তারাই আবার নতুন খেলায় মেতেছে। ব্যাংলাদেশ ব্যাংক মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর টুঁটি চেপে ধরার কারণে এ পতন ঘটছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এয়াকুব মজুমদার লেনদেন করেন বাঙ্ক সিকিউরিটিজ হাউসে। তাঁর বিনিয়োগ ১৬ লাখ টাকা। নিজের পোর্টফোলিও থেকে এ পর্যন্ত কমেছে সাত লাখ টাকা। তিনি বলেন, ‘যখন সাত হাজার পয়েন্ট সূচক, তখন বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেছেন বাজারে আসো। যখন ৯ হাজার পয়েন্ট ছুঁই ছুঁই করছে, তখন বলছেন ওভার প্রাইস। এখন বলছেন ধৈর্য ধরো। আমরা কোথায় যাব?’
শেয়ারবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গত ১০ জানুয়ারি দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ারের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিন লেনদেন শুরুর মাত্র ৫০ মিনিটে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ৬৩৫ পয়েন্ট সূচক পতন হলে এসইসির নির্দেশে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। লেনদেন বন্ধের পরপরই রাজধানী মতিঝিলসহ সারা দেশের পুঁজি হারানো লাখ লাখ বিনিয়োগকারী রাস্তায় নেমে আসেন। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/19/2011 12:29 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বিপর্যয় ঠেকাতে এসইসির দুই সিদ্ধান্ত
* জামানতবিহীন শেয়ার ক্রয়সীমা ১৫ কোটি টাকা
* সব শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
19.01.2011
পুঁজিবাজার অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) সব কম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া ব্রোকারেজ হাউসগুলোর শেয়ার ক্রয়সীমা পাঁচ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ কোটি করেছে এসইসি।
গতকাল শেয়ারের লেনদেন বন্ধের পর ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) নেতাদের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এসইসির এক জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভুইয়া সাংবাদিকদের বলেন, 'দরপতের কারণে বেলা ১টা ৪০ মিনিটে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়।' কাল থেকে আবার যথারীতি লেনদেন শুরু হবে। তিনি বলেন, 'বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। জামানতবিহীন মেম্বার মার্জিন পাঁচ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। ব্রোকারেজ হাউসগুলো ডিলারস অ্যাকাউন্টে শেয়ার ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাবে বলে তিনি জানান।
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বর্ধিত ক্রয়ক্ষমতা কার্যকর করলে বাজারে শেয়ার কেনার প্রবণতা বাড়বে। শেয়ারের দর ও সূচকে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া বৈঠকে বিনিয়োগকারীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে যেসব কম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য এখনো আগের নিয়মেই আছে তা খুব শিগগিরই ১০ টাকায় রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, 'বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়ায় এবং তারল্য সংকটে এই বিপর্যয় হয়েছে।' বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়ার পেছনে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ডিএসই সভাপতি বলেন, 'স্টক মার্কেট সম্পর্কে কিছু না জেনেই একের পর এক মনগড়া তথ্য দিয়ে যাচ্ছে কেউ কেউ। ফলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। পুঁজিবাজার ছেলেমানুষির বিষয় না। এখানে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।'
বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বাজার বিপর্যয়ে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয় উল্লেখ করে শাকিল রিজভী বলেন, 'অনেক সময় সূচকের ওঠা-নামাতেও বাজার বন্ধ করে দেওয়ার নজির রয়েছে।' তাই বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। খুব শিগগিরই এসইসির সব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান শাকিল রিজভী। তিনি বলেন, 'মার্চেন্ট ব্যাংকসহ সবার সঙ্গে আলোচনা করে বাজার স্থিতিশীল করা হবে।' এ সময় ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সতীপতি মৈত্র উপস্থিত ছিলেন।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|