DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 14 / 40 1 - 2 - 3.. - 12 - 13 - 14 - 15 - 16.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
01/20/2011 12:30 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

শেয়ারবাজারে দরপতন নির্বিচারে গাড়ি ভাঙচুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
20.01.2011




ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে গতকাল বুধবার লেনদেন শুরু হওয়ার দেড় ঘণ্টার মধ্যে সূচক সর্বনিম্ন সীমায় (সার্কিট ব্রেকার) পৌঁছে যায়। ফলে বন্ধ হয়ে যায় শেয়ার লেনদেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিনিয়োগকারীরা রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা, দৈনিক বাংলার মোড়সহ আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ ও বেপরোয়া ভাঙচুর শুরু করে। তাদের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিরোধ করতে রাস্তায় নামেন ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ির মালিক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মী ও কর্মচারীরা। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করেও ইটপাটকেল ছোড়ে। পুলিশ একজনকে আটক করে।
পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক উত্থান-পতন ঠেকাতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এক দিনে সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা (সার্কিট ব্রেকার) নির্ধারণ করে। এসইসি সিদ্ধান্ত নেয়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচকের হ্রাস বা বৃদ্ধি আগের দিনের তুলনায় ২৩৭ পয়েন্ট হলেই লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হবে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে গতকাল থেকে। এ দিন শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার দেড় ঘণ্টার মধ্যে দরপতন হয়ে এ সীমা ছুঁয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন।
সাত কর্মদিবসের ব্যবধানে গতকাল তৃতীয়বারের মতো বন্ধ হয় লেনদেন। আগের দিন মঙ্গলবার ও গত ১০ জানুয়ারি (সোমবার) অস্বাভাবিক দরপতনের কারণে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
বিনিয়োগকারীরা জানায়, সকালে নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু না হলেও তারা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছিল। অর্থমন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে বাজারের জন্য ইতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত আসবে বলে প্রত্যাশা ছিল তাদের। পরে এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলে লেনদেন শুরু হবে বলে ধারণা করছিল তারা। কিন্তু শুধু সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা আরোপ করে লেনদেন শুরু এবং এর পরই ব্যাপক দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের ক্ষোভ সহিংস রূপ ধারণ করে।
বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি ও ডিএসই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। তবে তারা পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য প্রধানত বাংলাদেশ ব্যাংককেই দায়ী করে। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমানের পদত্যাগও দাবি করে।
দুপুরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা মতিঝিল, দিলকুশা, দৈনিক বাংলার মোড় ও ফকিরাপুলে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে শুরু করে। দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা ওই সব এলাকায় ব্যাপক গাড়ি ভাঙচুর এবং আগুন লাগানো হয়। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এক বিক্ষোভকারীকে আটক করে।
দুপুর আড়াইটার দিকে বিনিয়োগকারীরা ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জের সামনে টায়ার, কাগজ ও কাঠে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। এরপর বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে মতিঝিল শাপলা চত্বর, দৈনিক বাংলার মোড় ও ফকিরাপুল এলাকায়। বিনিয়োগকারীদের একটি দল লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে ওই সব এলাকায় পার্কিং করা গাড়ি ভাঙতে শুরু করে। এরপর আরেকটি দল রাস্তায় চলাচলরত যানবাহন ভাঙচুর করতে থাকে। এ ঘটনায় মতিঝিল, দৈনিক বাংলার মোড়সহ আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় গাড়ি, রিকশা ও মোটরসাইকেল রেখেই দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করতে থাকে লোকজন। এলাকার বিভিন্ন ব্যাংক, অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান মুহূর্তের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়।
মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় অগ্রণী ব্যাংক প্রধান শাখা এবং শিল্প মন্ত্রণালয় ও পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান শাখার নিচে পার্কিং করা গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। বিনিয়োগকারীরা ইটপাটকেল ও লাঠিসোঁটা দিয়ে ভাঙচুর চালায়। একই সময়ে বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর শুরু করে দিলকুশা এলাকায়ও। ওই এলাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টাফ বাস, প্রাইভেট কার ও বিআরটিসির দুটি বাসসহ শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ফুটপাতের দোকানপাটও ভাঙচুর করে বিক্ষোভকারীরা। ফুটপাতের দোকানিরা এগিয়ে গেলে বিক্ষোভকারীরা তাঁদের মারধর করে। এ সময় ওই এলাকা ছিল পুলিশশূন্য। মতিঝিল থানার অদূরে এ ঘটনা ঘটলেও পুলিশ এগিয়ে যায়নি। এতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ দেখা দেয় মানুষের মধ্যে। অসহায় হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ। একপর্যায়ে মতিঝিল এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ির মালিক, বিভিন্ন অফিসের কর্মচারী, ভবনগুলোর নিরাপত্তাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মিলে বিক্ষোভকারীদের পাল্টা ধাওয়া দেয়। শুরু হয় দ্বিতীয় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। একপর্যায়ে শ্রমিক-কর্মচারীরা বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া করেন। এ সময় পুলিশ গিয়ে তাঁদের লাঠিপেটা করে।
সোনালী ব্যাংকের (মিরপুর শাখা) এজিএম এস এম গোলাম মোস্তফা জানান, তিনি অফিসের গাড়ি নিয়ে মতিঝিল শাখায় কাজের জন্য যান। বাইরে হৈচৈ শুনতে পেয়ে বের হন ব্যাংক থেকে। দেখতে পান বিক্ষোভকারীরা তাঁর গাড়িটিও ভাঙচুর করছে। বাধা দিতে গেলে তাঁকে গালমন্দ করে বিক্ষোভকারীরা। ব্র্যাক ব্যাংকের এক নারী কর্মকর্তা অফিস থেকে বেরিয়ে তাঁর গাড়িটি রক্ষা করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা তাঁর সামনেই প্রাইভেট কারটি ভেঙে ফেলে। এই দৃশ্য দেখে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন ওই নারী।
এদিকে দুপুরেই শতাধিক বিনিয়োগকারী ধানমণ্ডিতে মীনাবাজারের সামনে রাস্তা অবরোধ করে ১০-১২টি গাড়ি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় ওই এলাকায়ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ধানমণ্ডি থানার ওসি শাহ আলম জানান, এ ঘটনায় তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে কিছুক্ষণ রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়েছিল। পরে তা তুলে নেওয়া হয়।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি এড়াতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থেই সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা আরোপ করা হয়েছে। বুধবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরপরই তা কার্যকর করা হয়েছে। তিনি বলেন, লেনদেন চলাকালে প্রতি পাঁচ মিনিট পরপর সূচক সমন্বয় করা হয়। এ কারণে কোনো একটি পয়েন্টে সূচকের সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া যায়নি। একবার সমন্বয়ের পর পরের পাঁচ মিনিটের মধ্যে যাতে বড় ধরনের উত্থান বা পতন ঘটতে না পারে সে জন্য ২৩৭ পয়েন্টকে ভিত্তি ধরা হলেও হ্রাস-বৃদ্ধির পরিমাণ ২২৫ পয়েন্টের বেশি হলেই লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হবে।
আনোয়ারুল কবীর আরো বলেন, বাংলাদেশে সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা আরোপের ধারণা নতুন হলেও বিশ্বের অনেক দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এর ফলে এক দিনের মধ্যে শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক দরপতন বা উত্থানের প্রবণতা অনেকটা রোধ করা সম্ভব হবে।
বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কায় আগের দিন (মঙ্গলবার) শেয়ারবাজারে লেনদেন স্থগিত রাখার পর গতকাল নির্ধারিত সময়ে (সকাল ১১টা) যথারীতি লেনদেন শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল এসইসি ও ডিএসই। কিন্তু সকাল থেকেই পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে একের পর এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর সময় পিছিয়ে দেওয়া হয় দুই ঘণ্টা। শেষ পর্যন্ত সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা আরোপের পর দুপুর ১টা থেকে দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়।
সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা আরোপের প্রথম দিনে লেনদেন শুরুর পর দেড় ঘণ্টার মধ্যেই শেয়ারবাজারে সর্বোচ্চ দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। পাঁচ মিনিটের মধ্যে সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৬০ পয়েন্ট বেড়ে ৭৩০০ পয়েন্টের ঘর ছুঁয়ে যায়। এরপর শুরু হয় দরপতন। একটানা দরপতনে ২০ মিনিটে সূচক কমে যায় ২৮০ পয়েন্ট। এটা আগের দিনের তুলনায় ১২০ পয়েন্ট কম। এ সময় লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কম্পানির দরপতন ঘটে। এর ২০ মিনিটে আবার সামান্য বৃদ্ধি পায় লেনদেন। এ সময় সূচক প্রায় ১২০ পয়েন্ট বেড়ে ৭১২৫-এর ঘরে পৌঁছায়। এরপর আবার শুরু হয় পতন। এ পতন শেষ হয় আড়াইটায়। এ সময় এ সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৩১ পয়েন্ট কমে ৬৯০২.৪৮-এ দাঁড়ায়। ফলে ওই অবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে দিনের লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হওয়া ২৪০টি কম্পানির মধ্যে ২৩০টিরই শেয়ারের দর ব্যাপক মাত্রায় কমে। এর বিপরীতে সাতটির দর বাড়ে এবং তিনটির অপরিবর্তিত থাকে।
অর্থমন্ত্রীর বাসায় বৈঠক : পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল সকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাসায় একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, ড. মশিউর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, সদস্য মো. ইয়াসিন আলী, মো. আনিসুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া পুঁজিবাজারে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরির পেছনে কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর কারসাজি রয়েছে কি না তা খুঁজে বের করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
ডিএসইর ব্রিফিং : বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে বিকেলে ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সতিপতি মৈত্র সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি সূচকের সার্কিট ব্রেকার আরোপের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যাদের হাতে ভালো কম্পানির শেয়ার আছে, কোনোভাবেই আতঙ্কে তা বিক্রি করা ঠিক হবে না।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 12:30 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
উত্তাল মতিঝিল শতাধিক গাড়ি ভাংচুর
বেসামাল শেয়ারবাজার

সমকাল প্রতিবেদক
20.01.2011




বেসামাল হয়ে উঠেছে শেয়ারবাজার। নানামুখী ব্যবস্থা নিয়েও বাজারকে স্থিতিশীল করতে পারছে না নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। সর্বশেষ বুধবার শেয়ারবাজারে দরপতনের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিয়েও শেষরক্ষা করা যায়নি। পতনের মাত্রা সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় বুধবার নির্ধারিত সময়ের আগে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে গেছে উভয় বাজারের লেনদেন। এ নিয়ে চলতি মাসে তিনবার দিনের মাঝভাগে লেনদেন বন্ধ করতে হলো। এদিকে পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা গতকালও মতিঝিলে ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে। গাড়ি ভাংচুর করেছে দু'শতাধিক। বিনিয়োগকারীর সংখ্যা এবং বিক্ষোভের মাত্রা ছিল অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। মতিঝিল ও দিলকুশা এলাকা দু'ঘণ্টা অচল ছিল। দরপতন রোধের প্রাণান্তকর চেষ্টায় গলদঘর্ম এসইসি সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে
দৌড়ঝাঁপ করলেও তাতে আশানুরূপ সাড়া মেলেনি।
শেয়ারবাজারে বিপর্যয় এড়াতে গতকাল নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশে নির্ধারিত সময়ে দুই ঘণ্টা পর লেনদেন শুরু হয়েছিল বাজারে। সংকট উত্তরণে সরকারের সহায়তা পাওয়ার আশায় আলোচনার জন্য এই সময় নিয়েছিল এসইসি। কিন্তু অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক কার্যত ব্যর্থ হলে তা গতকালের পরিস্থিতিকে অনিবার্য করে তোলে। বৈঠকে সূচক পতনের সর্বোচ্চ সীমা (ইনডেক্স ব্রেকার) বেঁধে দেওয়া, বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত করাসহ কয়েকটি সিদ্ধান্ত হলেও তা সংকট উত্তরণে মোটেও কাজে আসেনি। বাজারে অনিবার্য ধস রোধে তারল্য বাড়ানো জরুরি হলেও বাংলাদেশ ব্যাংক তাতে সাড়া দেয়নি বলে জানা গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্সের শিক্ষক এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক সালাহ উদ্দিন আহমেদ খান মনে করেন, বাজারের ভালো-মন্দ অনেকটাই এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে। শেয়ারবাজারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক নমনীয় হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। তিনি বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ বিনিয়োগের যে সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, তা অন্য দেশের তুলনায় অনেক কম। অন্যদিকে শেয়ারবাজারে এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ধারণেও বাংলাদেশ ব্যাংক অযৌক্তিক ও ভুল পদ্ধতি অনুসরণ করছে। শেয়ারের কেনা দামের পরিবর্তে বাজার মূল্যের নিরিখে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ পরিমাপ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
দুই ঘণ্টা পর লেনদেন :ভয়াবহ দরপতনের আভাসে মঙ্গলবার লেনদেনের মাঝপথে তা বন্ধ করে দিয়েছিল এসইসি। বুধবারও একই ধরনের আশঙ্কা থাকায় লেনদেন সময়সীমা দুই ঘণ্টা কমিয়ে সকাল ১১টার পরিবর্তে দুপুর ১টায় শুরু করার নির্দেশ দেয় এসইসি। উদ্যোগ নেওয়া হয়, লেনদেন শুরুর আগেই অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকের। ওই বৈঠকে ইতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত এলে বাজার বিপর্যয় রোধ করা যাবে এমন আশা ছিল এসইসির। কিন্তু তা হয়নি।
অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক :এসইসির অনুরোধে বুধবার সকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তার বাসভবনে একটি বৈঠক আহ্বান করেন। এ বৈঠকে অর্থ সচিব ড. মোহাম্মদ তারেক, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ব্যাংকিং বিভাগের সচিব শফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী, এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারসহ বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র অভিযোগ করেন, বাজারের এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও অনেকটাই নির্বিকার ছিলেন অর্থমন্ত্রী। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা শুরুতেই এসইসির ওপর চড়াও হন। এছাড়া বর্তমান বাজার পরিস্থিতির জন্যও এসইসি দায়ী বলে অভিযোগ তোলেন তারা। মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বলতাসহ নিজেদের অযোগ্যতার কারণে শিল্পঋণের টাকা শেয়ারবাজারে স্থানান্তর, মুদ্রাবাজারে অস্থিরতার দায় অস্বীকার করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
বৈঠকে অর্থমন্ত্রী পরিস্থিতি সামাল দিতে এসইসিকে ইনডেক্স ব্রেকার আরোপসহ নিজস্ব উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন। এছাড়া সাম্প্রতিক দরপতনে কোনো কারসাজি আছে কি-না তা খতিয়ে দেখা এবং ঘন ঘন হস্তক্ষেপের পরিবর্তে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা অনুসরণের নির্দেশ দেন তিনি।
ইনডেক্স ব্রেকার আরোপ : অর্থমন্ত্রীর নির্দেশে শেয়ারবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার চালু করেছে এসইসি। বুধবার এসইসি বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একদিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ২২৫ পয়েন্টের বেশি ওঠানামা করতে পারবে না। এই সীমা স্পর্শ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাবে। ডিএসইতে লেনদেন বন্ধ হলে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জও একইসঙ্গে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হবে।
আবারও লেনদেন বন্ধ :গতকাল দুপুর ১টায় লেনদেন শুরু হলে প্রথমে কয়েক মিনিট বাজারে ঊর্ধ্বগতি থাকলেও তার পরই শুরু হয় টানা দরপতন। দুপুর ১টা ২৬ মিনিটে ডিএসইতে সূচক ২২৫ পয়েন্টের বেশি কমে গেলে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। দিনের বাকি সময়ে আর তা চালু হয়নি।
বিক্ষোভ-ভাংচুর :ইনডেক্স ব্রেকার স্পর্শ করার মধ্য দিয়ে বাজারে লেনদেন বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শত শত বিনিয়োগকারী রাস্তায় নেমে আসে। মতিঝিলে মধুুমিতা ভবনের ওপর থেকে তারা পুলিশ ও যানবাহনের ওপর বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। সঙ্গে সঙ্গে ইত্তেফাক মোড় থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা ওই সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করলে কার্যত অচল হয়ে পড়ে মতিঝিল-দিলকুশা এলাকা। তারা এসইসি, ডিএসই, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্নোগান দেয়। ওই সময় এ এলাকায় প্রায় ২০টি গাড়ি ভাংচুর করা হয়। একই সময়ে দিলকুশায় জীবন বীমা টাওয়ারের সামনের সড়কে ব্যাপক ভাংচুরে লিপ্ত হয় বিনিয়োগকারীরা। হোটেল পূর্বাণীর সামনের সড়কে প্রায় ২০০ গাড়ি কমবেশি ভাংচুর করা হয়। বিকেল ৪টার দিকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
এসইসির ব্রিফিং : সকালে বাজার পর্যালোচনা কমিটির বৈঠকের পর ব্রিফিং করে এসইসি। এতে সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া বলেন, বড় ধরনের উত্থান-পতন ঠেকাতে ইনডেক্স ব্রেকার আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ধৈর্য ধরার আহ্বান ডিএসইর :বিকেলে ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সতিপতী মৈত্র এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে শেয়ার বিক্রি করলে তাদেরই ক্ষতি। ভালো শেয়ারে বিনিয়োগ থাকলে এক সময় আবার তারা মুনাফা করতে পারবেন।
আজ লেনদেন ফের শুরু হবে : শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুসারে আজ সকাল ১১টায় আবার লেনদেন শুরু হবে। চলার কথা দুপুর ৩টা পর্যন্ত।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 12:38 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
কাঠগড়ায় এসইসিসব শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা হচ্ছে না

মজুমদার বাবু
Kaler Kantho
20.01.2011

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সব শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকছে না।
একই সঙ্গে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিও তুলে নেওয়ার এবং পুঁজিবাজারে প্রতিটি কম্পানির শেয়ার লেনদেনের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ সার্কিট ব্রেকার আরোপের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় পুঁজিবাজারের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে জড়ানো বা অভিযুক্ত করার ব্যাপারে এসইসি ও স্টক মার্কেটগুলোকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সব সিদ্ধান্ত ও কৌশল এসইসিকেই নিতে বলা হয়।
গতকাল বুধবার সকাল ৯টায় পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে তাঁর বাসভবনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এর আগে গৃহীত এসইসির বিভিন্ন সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করা হয়। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই আরো একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠক শেষে এসব সিদ্ধান্ত পর্যায়ক্রমে কার্যকর করা হবে। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বৈঠকে অর্থসচিব ড. মো. তারেক, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, সদস্য মো. ইয়াসিন আলী ও মো. আনিসুজ্জামান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা ও জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, বৈঠকে অর্থসচিব ড. মোহাম্মদ তারেক সব শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করার সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের আরো ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘সব শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করা হলে বাজারে কী ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে সে সম্পর্কে আমি এ-সংক্রান্ত নোটে বিস্তারিত লিখেছিলাম। কিন্তু তার পরও কিভাবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলো তা আমার বোধগম্য নয়।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরও এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এসইসির চেয়ারম্যানও যৌক্তিকতা তুলে ধরতে ব্যর্থ হন। পরে অর্থমন্ত্রী এমন সিদ্ধান্ত তুলে নেওয়ার বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। একপর্যায়ে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোনো কম্পানির পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার যে বিধান তা তুলে নেওয়ার বিষয়ে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী অভিমত দেন।
বৈঠকে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নগদ জমা সংরক্ষণ (ক্যাশ রিজার্ভ রিকোয়্যারমেন্ট-সিআরআর) বাড়ানোর ফলে বাজারে তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়েছেÑএমন অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে এ জন্য এসইসির তীব্র সমালোচনা করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে জানানো হয়, সিআরআর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরি ইনস্ট্র–মেন্ট। ফিসক্যাল পলিসির লক্ষ্য বাস্তবায়ন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক সিআরআর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসইসির পক্ষে কেউ কেউ শেয়ারবাজারের অর্থের প্রবাহ কম থাকার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তকে দায়ী করেছেন, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন বক্তব্যের পূর্ণ সমর্থন করেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিবৃতি থেকে বিরত থাকতে তিনি এসইসিকে পরামর্শ দেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে জানানো হয়, এ পর্যন্ত এসইসি যতবারই বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা চেয়েছে ততবারই সংস্থাটি সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। সর্বশেষ আইসিবিকে শেয়ার ক্রয়ে তলবি ঋণ দিতেও বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মত হয়েছে। এ পর্যন্ত দুইবারে বাংলাদেশ ব্যাংক ৪০০ কোটি টাকা তলবি ঋণ আইসিবিকে দিয়েছে। তবে আর কোনো তলবি ঋণ আইসিবিকে দেওয়া হবে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বৈঠকে জানিয়েছে। অর্থমন্ত্রীও একই মত পোষণ করেন।
এসইসির পক্ষে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক সব সময়ই তাদের সহযোগিতা করেছে। তবে বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে এসইসির পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকও যাতে পাশে থাকে সে জন্য অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সহযোগিতা করলেও এখন থেকে পুঁজিবাজার বিষয়ে কোনো মতামত বা মন্তব্য না করার কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক এসইসি। সুতরাং তাদের রেগুলেটরি ব্যর্থতার কোনো দায় বাংলাদেশ ব্যাংক নেবে না। ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশ ব্যাংকের। তারা সে কাজ সঠিকভাবেই করছে।
একের পর এক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা পরিবর্তনের জন্য বৈঠকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে এসইসি। বিশেষ করে কোনো প্রক্ষেপণ ছাড়াই সূচক বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করা, সব শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা করার ঘোষণা ইত্যাদি বিষয়ে এসইসির ব্যাপক সমালোচনা করা হয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 12:41 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
তবুও শেষরক্ষা হলো না
এবার মূল্যসূচকের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho
20.01.2011




লেনদেনের মাত্র দেড় ঘণ্টা লেনদেনের ব্যবধানে নতুন চালু হওয়া সূচকের সার্কিট ব্রেকার ছুঁয়ে যাওয়ায় আবারও দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে। শেয়ারবাজারের ইতিহাসে এ নিয়ে সাত দিনের ব্যবধানে গতকাল বুধবার তৃতীয়বারের মতো বন্ধ হলো লেনদেন। শেয়ারবাজারের চলমান মন্দা পরিস্থিতি ও সূচকের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির কর্মকর্তাদের নীতিনির্ধারণী বৈঠকে কারণে নিয়মের দুই ঘণ্টা পর গতকাল দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন শুরু হয়। এর পর বেলা ১টার আগে সূচকের সার্কিট ব্রেকারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয় দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে।
ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় উত্থান বা পতনের ক্ষেত্রে ২৩৭ পয়েন্টের সীমারেখায় পেঁৗছানোর ৫ শতাংশ কম থাকতেই অর্থাৎ ২২৫ পয়েন্টের ঘর ছুঁয়ে গেলেই লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগের দিন মঙ্গলবার বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ২৩৭ পয়েন্ট সূচক কমে গেলে এসইসির নির্দেশে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রথমবারের মতো গত ১০ জানুয়ারি লেনদেন বন্ধ করা হয়। দুই ঘণ্টা দেরিতে শুরু হওয়া লেনদেনের মাত্র দেড় ঘণ্টায় সূচকের নতুন সীমারেখা ছুঁয়ে যায় ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক। সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় লেনদেন। বেলা ১টায় শুরু হওয়া লেনদেনের এক মিনিটেই সূচক আগের দিনের তুলনায় ২৯ পয়েন্ট বেড়ে যায়।
পাঁচ মিনিটের মধ্যে সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৬০ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৩০০ পয়েন্টের ঘর ছুঁয়ে যায়। এর পর শুরু হয় দরপতন। টানা দরপতনে ২০ মিনিটে সূচক কমে যায় ২৮০ পয়েন্ট। এটা আগের দিনের তুলনায় ১২০ পয়েন্ট কম। এ সময় লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কম্পানির দরপতন ঘটে। এর ২০ মিনিটে আবার সামান্য বৃদ্ধি পায় লেনদেন। এ সময় প্রায় ১২০ সূচক বেড়ে ৭ হাজার ১২৫-এর ঘরে পেঁৗছে। এর পর আবার শুরু হয় পতন। এ পতন শেষ হয় বেলা আড়াইটায় সূচকের সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করলে। এ সময় আগের দিনের তুলনায় ২৩১ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৯১৩.৩৮ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। গতকাল প্রথম বারের মতো চালু হওয়া সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করে নির্ধারিত সময়ের আধঘণ্টা আগেই বন্ধ হয়ে যায় ডিএসইর লেনদেন।
এ সময় ২৩০টির দাম কমে যায়। সাতটির মূল্যবৃদ্ধি পায়। তিনটির দাম অপরিবর্তিত থাকে। দেড় ঘণ্টায় গতকাল লেনদেন হয়েছে ৫৩৭ কোটি ৪০ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। এ সময়ে বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল তিন লাখ চার হাজার ৬২৬ কোটি ১৫ লাখ পাঁচ হাজার টাকা।
প্রথম বারের মতো গত ১০ জানুয়ারি দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে শেয়ারের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিন লেনদেন শুরুর মাত্র ৫০ মিনিটে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ৬৩৫ পয়েন্ট সূচকের পতন হলে এসইসির নির্দেশে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরের দিন মঙ্গলবার পুনরায় লেনদেন চালু হলে একদিনে সূচক ১ হাজার ১২.৬৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। এদিন অনেকটা বিক্রেতা-শূন্য হয়ে পড়ে শেয়ারবাজার। পরের দিন বুধবার লেনদেন স্বাভাবিক হয়ে আসে। বিক্রেতা-শূন্য অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসে শেয়ারবাজার। এদিন সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৭৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। গত বৃহস্পতিবার থেকে আবার পতন শুরু হয়।
এ সপ্তাহের শুরুতে এই পতন অব্যাহত থাকে। রবিবার লেনদেন শুরুর মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যে আগের দিনের তুলনায় সূচক ২০০ পয়েন্ট কমে যায়। এ সময় সাতটি কম্পানি বাদে লেনদেন হওয়া বাকি ২৪০টি কম্পানির শেয়ারের দাম কমে যায়। এ নিয়ে টানা পাঁচ দিনের দরপতনে সূচক কমেছে ৭৭৭.৩০ পয়েন্ট। গত ৩ জানুয়ারি থেকে গত ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত এক সপ্তাহে সূচকের পতন ছিল ১ হাজার ৮০৫.১৫ পয়েন্ট। গত ৩ জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত বাজার মূলধন কমেছে ৪২ হাজার ১৪৭ কোটি আট লাখ আট হাজার টাকা। এ সময় লেনদেন কমেছে ৮৩৪ কোটি ৬০ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, গতকালই ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচকের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ২৩৭ পয়েন্ট কম বা বেশি হলে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হবে। নিয়ম চালুর প্রথম দিনেই গতকাল এটা কার্যকর হয়েছে। উত্থান বা পতনের ক্ষেত্রে ২৩৭ পয়েন্টের সীমারেখায় পেঁৗছার ৫ শতাংশ কম থাকতেই অর্থাৎ ২২৫ পয়েন্টের ঘর ছুঁয়ে গেলেই লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২৩৭ পয়েন্টের ৫ শতাংশ কম হলো ২২৫ পয়েন্ট। শেয়ার লেনদেনের প্রতি পাঁচ মিনিট পর পর সূচক পরিশোধন করে ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করা হয়। এ পাঁচ মিনিটের মধ্যে সূচকের হ্রাস-বৃদ্ধি ২৩৭ অতিক্রম করে যেতে পারে। সেজন্য মূল্যসূচক ২৩৭ পয়েন্টের ৫ শতাংশ কম থাকতেই অর্থাৎ ২২৫ পয়েন্ট থাকা অবস্থায় লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার বিধান করা হয়েছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 12:53 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
SEC slaps circuit breaker to curb volatile trading
Experts say the move can create more panic




FE Report
20.01.2011

The securities regulator Wednesday imposed a circuit breaker on the DSE general index (DGEN) for the first time in an effort to rein in volatile trading at the country's premier capital market.

Under the latest Securities and Exchange Commission decision, trading at the DSE will come to an automatic halt for the whole session if the DGEN - the main market barometer -- gains or loses 225 points.

The move backfired on the first day of its introduction as trading of Dhaka shares ground to an automatic halt just 86 minutes after share transaction begun in a truncated session.

"The SEC has taken the decision at the meeting of its market monitoring committee," its executive director Anwarul Kabir Bhuiyan said at a press briefing in the city. "It will remain in action until further order."

The SEC said trading at the smaller Chittagong Stock Exchange (CSE) will also be suspended automatically for the day when DSE stops its trading.

Officials said the move aimed at "curbing volatility and the tackling abnormal ups and downs" in the plunging market and bring confidence back among millions of investors

The market, however, lost for the fifth day Wednesday, shedding nearly 800 points or more than 11 per cent. The fall sent thousands of investors on to the streets as they clashed with police to vent their anger.

"We imposed the circuit breaker to put a brake on volatile behaviour of the trading. We hope it will bring sanity back into the market," another SEC official said, adding the move was taken as a "desperate" attempt to restore order.

Officials said the DGEN could dive deeper or gain further than the circuit breaker i.e. 225 points after adjustments of the day's trading. On Wednesday, the DGEN fell as much as 237 when the circuit breaker comes into effect.

According to the SEC calculation, the lower limit of the circuit breaker is 225 points. And the upper limit can go as high as 249, depending on the adjustments.

Normally, the DSE adjusts its indices after every five minutes. If the DGEN stands at 224 points and hits the circuit breaker moments later, the benchmark index can go as high as 237 points when the next adjustment is made.

Officials said the circuit breaker was introduced after consultations with the Finance Minister AMA Muhith, who flew back to the country Tuesday night, after a visit to London.

SEC Chairman Ziaul Haque Khondker, its member Muhammad Yasin Ali and the Bangladesh Bank governor, Atiur Rahman attended the meeting held at the residence of Finance Minister.

Experts slammed the imposition of the circuit breaker, saying the move will create more volatility in the market.

"It is not a permanent solution. It can create panic in the market. Every time the circuit breaker halts trading, it can send more protesters on to the streets," ex-DSE chief executive Salauddin Ahmed Khan said.

"The SEC should have addressed the main problems of the market first before adopting this measure," he said, adding the market has been on a free-fall because "the banks' hands are tied up and they are not buying anything."

====================================================================


Unrest continues to buffet DSE as investors protest share fall

http://www.thefinancialexpress-bd.com/images/news_image_2011-01-20_18220.jpg

FE Report
20.01.2011

Thousands of angry investors went on the rampage in the capital's Motijheel area Wednesday protesting the continuous fall in share prices, as the newly introduced 'index circuit breaker' failed to stabilise the stock market.

Within the 90 minutes of the day's start of delayed trading, the benchmark index hit a lower limit by losing 237.77 points or 3.33 per cent, which prompted trading to grind to a halt automatically at the Dhaka Stock Exchange (DSE) caused visibly by the index circuit breaker.

The Wednesday's trading started at 1pm, two hours later than the usual time following the order of SEC.

Earlier in the morning, the Securities and Exchange Commission (SEC) imposed index circuit breaker on DSE, meaning that trading at the bourse would come to an automatic halt if the DGEN gains or loses 225 points.

As the trading was halted with the new rule in force at about 2:30pm, the aggrieved investors came out onto the street from different brokerage houses and set off a street violence that jolted the city's commercial area, leading to sporadic clashes.

By chanting slogans against the top bosses of the bourse and the market regulator, the protestors damaged at least 20 vehicles and threw brickbats and stones at the law enforcers, prompting them to charge batons to maintain order in the bustling financial hub that turned the area into a veritable battlefield.

They also blockaded the approach roads of the area with burning tires, wooden materials and paper in front of Dhaka Stock Exchange (DSE) building, which seriously disrupted traffic movement for more than one hour, causing immense sufferings to city commuters.

Officer-in-Charge of Motijheel Police Station said they charged the protestors with batons to maintain peace in the area as the latter became unruly after the shutdown of trading. "We've stepped up security in the area to avert further trouble," he added.

The investors also urged the government to take effective measures to save the stock market. Many frustrated investors said that they lost almost all of their portfolios in the continuous fall of share prices.

"We don't want violence but the continuous fall has forced us to do so. We want an investor-friendly atmosphere in the capital market," a protestor said.

He also demanded immediate resignation of the high-ups of the regulatory body for their frequent failure to control the market.

Yewar Sayeed, managing director of AIMS Bangladesh, said, "The recent incidents that occurred in the stock market are nothing but a painful and shameful experience for us."

The market opened with a positive note in the morning, gaining more than 45 points within five minutes, but it began to decline amid ups and downs and finally closed 226 points lower.

The benchmark DSE General Index (DGEN) was down by 3.18 per cent or 226.86 points to end at 6913.39.

The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 5739.29, shedding 3.14 per cent or 186.29 points. The DSE-20 blue chips index lost 2.21 per cent or 101.03 points to 4471.49.

The benchmark index of the DSE shed 10.11 per cent in the last seven days and it lost 22.48 per cent since the peak on December 5 last year.

Share prices of all the sectors finished in the red on the day.

Turnover stood at only Tk 5.37 billion. Out of 181 issues traded, only five advanced and 176 declined.

However, normal share trading resumes at 11am today (Thursday) and will continue on schedule, the authorities said.

With the Wednesday's halt, the SEC has suspended share trading for the third time and the second day in a row.

On Tuesday, the SEC suspended trading of the DSE and CSE in the wake of a free fall of share prices amid street protests by the investors.

On the day, hundreds of angry investors came out from different brokerage houses and gathered in front of the DSE main building and staged protests against the continuous fall of share prices and chanted slogans against the market regulator and DSE top bosses.

On January 10, the SEC suspended share trading both of the bourses when Dhaka stocks slumped by 660 points or 9.0 per cent and Chittagong stocks by 914 points within 50 minutes of trading, which sparked violent protests by the investors.

==========================================


Govt to postpone book building for price fixing


Mohammad Mufazzal
Financial Express
20.01.2011

The government has decided to postpone temporarily book building (BB) method for price fixing of shares to protect siphoning off money from the stock market through over-pricing, sources said.

The decision came at a meeting Wednesday at the residence of Finance Minister A M A Muhith.

It was said at the meeting that under BB method many companies are fixing very high price of their shares before offloading in the stock market. As a result, huge amount of money is being siphoned off from the stock market, and liquidity crisis has been created.

"In such a situation, it was proposed to suspend the BB method temporarily, and the finance minister gave his nod," it added.

Another source said the Securities and Exchange Commission (SEC) has decided in principle to suspend BB method following the decision of the meeting. The stock regulator is likely to issue a gazette notification within two or three days regarding the matter.

However, some companies have submitted their IPO proposals to the SEC to go public under BB method.

"These companies can be listed under fixed price method, if they intend to go public. But the companies, which have already completed their subscriptions, have no bar to go public under BB method," an SEC source said.

The SEC issued a guideline on March 9, 2010 to introduce BB method. But the experts criticised high prices of shares, fixed under it. Those who buy shares at the bidding can easily come out of the market by selling shares due to minimum lock-in period imposed on their shares.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 12:55 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পতন ঠেকানো যাচ্ছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২০-০১-২০১১
Prothom-Alo




কোনো প্রণোদনা দিয়েই শেয়ারবাজারের পতন ঠেকানো যাচ্ছে না। প্রতিদিন লেনদেন শুরু হলেই দেখা দিচ্ছে বড় ধরনের ধসের আশঙ্কা। ফলে একাধিকবার মাঝপথেই লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে।
কিন্তু এতেও কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মূল্যসূচকে ‘সার্কিট ব্রেকার’ বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এর ফলে শেয়ারের মূল্যসূচক এক দিনে একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি বাড়তে বা কমতে পারবে না।
আপাতত এ সীমা ২২৫ পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। এর অর্থ সূচকের উত্থান-পতন এ পরিমাণ স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লেনদেন বন্ধ হয়ে যাবে। এসইসির পক্ষ থেকে পুনরায় নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ থাকবে। গতকাল বুধবার থেকেই নিয়মটি কার্যকর হয়েছে।
আর প্রথম দিনেই লেনদেন শুরু হওয়ার এক ঘণ্টা ২৬ মিনিটের মধ্যেই দরপতনের মাত্রা মূল্যসূচকের সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করে। ফলে দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় লেনদেন আবার শুরু হবে।
শেয়ারবাজারে গতকাল বেলা ১১টার পরিবর্তে একটায় লেনদেন শুরু হয়। বেলা তিনটা পর্যন্ত লেনদেন চলার কথা থাকলেও সার্কিট ব্রেকারের কারণে দুইটা ২৬ মিনিট পর্যন্ত লেনদেন চলে। এ সময় পুঁজি হারানোর ভয়ে আতঙ্কিত ও বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা আবারও রাস্তায় নেমে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। ফলে পুরো মতিঝিল এলাকা পরিণত হয় রণক্ষেত্রে।
এর আগে সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তাঁর সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসির সঙ্গে বৈঠক করেন। জানা গেছে, বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাজার পতনের জন্য এসইসিকে দায়ী করা হয়। বলা হয়, পুঁজিবাজার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো বিষয় নয়। এটি সম্পূর্ণ এসইসির বিষয়। মুদ্রাবাজারে কোনো সমস্যা হলে তো এসইসিকে ডাকা হয় না! তাহলে শেয়ারবাজার পতনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে কেন দায়ী করা হচ্ছে। এসব বক্তব্যের পর এসইসি কার্যত তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করতে পারেনি।
বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান, অর্থসচিব মোহাম্মদ তারেক, ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হক সিদ্দিকী, নজরুল হুদা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারি, এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
বাজার স্থিতিশীল রাখতে এসইসি গত এক মাসে অনেক নিয়মনীতি শিথিল করেছে। তারল্যপ্রবাহ বাড়াতে ঋণসুবিধা বাড়িয়েছে। বাজারের ঊর্ধ্বগতির লাগাম টেনে ধরতে যেসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, সেগুলোর সবই প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। তারপরও বাজারের পতন ঠেকানো সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় তারল্য পরিস্থিতি বাড়াতে সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা আশা করেছিল এসইসি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আহমেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, মুদ্রাবাজারের সঙ্গে পুঁজিবাজারের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কোনো অর্থনীতিবিদই এ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করবেন না। তিনি বলেন, ‘মুদ্রাবাজারে তারল্য-ঘাটতি নেই—এ বক্তব্য সঠিক নয়। আমি নিজে আজ কয়েকটি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা প্রত্যেকেই এটা স্বীকার করেছেন।’
পুঁজিবাজারে ঋণ জোগানদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাদের অনেক গ্রাহকের বিনিয়োগকোষে (পোর্টফোলিও) ঋণপ্রাপ্যতা অনুযায়ী ক্রয়ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো সেই অনুযায়ী ঋণ দিতে পারছে না। বাজার-সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বাজারে তারল্যঘাটতি যতক্ষণ না কমছে, ততক্ষণ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরবে না। আর আস্থা ফেরাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদেরই নেতৃত্বের ভূমিকায় যেতে হবে।
বাজার পরিস্থিতি: ডিএসইতে গতকাল লেনদেন শুরু হওয়ার প্রথম দুই-তিন মিনিটে সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় ৮৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এ সময় বাজারে গুজব ছিল, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশ ব্যাংক তারল্য সরবরাহ বাড়াতে রাজি হয়েছে। কিন্তু গুজবের বিষয়টি সত্য না হওয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যে সূচক আবার কমতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত ডিএসই সাধারণ সূচক ২৩৭ পয়েন্টের বেশি কমে সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করে। পরে যা সমন্বিত হয়ে ২২৭ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ কমে ছয় হাজার ৯১৩ পয়েন্টে নেমে আসে। এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হওয়া ২৪০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ২৩০টির, বেড়েছে সাতটির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি কোম্পানির শেয়ারের। আর মোট লেনদেন হয়েছে ৫৩৭ কোটি টাকার শেয়ার।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক বেলা আড়াইটার দিকে ৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ বা ৬৯৬ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট কমে ১৯৮৩৮ দশমিক ৮৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসইতে লেনদেন হয় ৬৭ কোটি টাকার। আর লেনদেন হওয়া ১৭৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে সাতটির, কমেছে ১৬৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
এসইসি ও ডিএসইর সংবাদ ব্রিফিং: এদিকে গতকাল দুপুরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া সূচকের সার্কিট ব্রেকার দেওয়ার ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক উত্থান-পতন নিয়ন্ত্রণ করতেই মূল্যসূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার আরোপ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আলাদা কোনো সার্কিট ব্রেকার দেওয়া হয়নি। ডিএসইতে লেনদেন বন্ধ হলে সিএসইতেও লেনদেন বন্ধ করা হবে। এদিকে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সতীপতী মৈত্র এক ব্রিফিংয়ে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, বাজারে যাতে অস্বাভাবিক চাঙা বা অতিরিক্ত দরপতনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সার্কিট ব্রেকার আরোপ করা হয়েছে। এতে বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সতীপতী মৈত্র আরও বলেন, ‘শেয়ারবাজারে এখন ক্রান্তিকাল চলছে। ২০১০-এ বাজার শুধু ওপরের দিকে উঠছিল। কিন্তু চলতি বছরের শুরু থেকেই উল্টোচিত্র দেখা যাচ্ছে। আমরা ক্রমাগত বাড়ার সময়ই বলেছিলাম, এটা ভালো লক্ষণ নয়। কারণ, বাজারের গড় মূল্য অনুপাতে আয় (পিই) এবং সূচক প্রায় দ্বিগুণ হয়ে পড়েছিল। নিচের দিকে নামাটা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। তবে সাম্প্রতিক অব্যাহত দরপতনও স্বাভাবিক নয়।’ তাঁর মতে, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা যদি ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ার দীর্ঘ মেয়াদে ধরে রাখেন, তাহলে ক্ষতি গুনতে হবে না।
বিএবি-এবিবির বৈঠক: মুদ্রাবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিএবি ও ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি বৈঠকে মিলিত হয়।
সূত্র জানায়, বৈঠকে আলোচনা হয়েছে ব্যাংক কোম্পানি, ১৯৯১ অনুসারে কোনো ব্যাংকের মোট আমানতের ১০ ভাগের বেশি অর্থ এখন আর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ নেই। তারপরও যদি কোনো ব্যাংকের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগসীমা এর চেয়ে বেশি থেকে থাকলে, তা শিথিলভাবে বিবেচনা করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করবে এই দুই সংগঠন।
একই সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত অর্থপ্রবাহ রয়েছে, কিন্তু সেই অর্থ কোথায়, কীভাবে আছে, তা নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নির্বাহীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মতানৈক্য রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় দুই সংগঠন।
এ ছাড়া সামগ্রিকভাবে মুদ্রাবাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে দুই সংগঠন আগামী মুদ্রানীতিতে প্রয়োজনীয় শিথিলতা রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অনুরোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য সংগঠন দুটি সহসাই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাইবে বলে জানা গেছে।




................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 1:24 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতন, লেনদেন বন্ধ: বিক্ষোভ

ঢাকা, ২০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

ব্যাপক দরপতনের মধ্যে দিয়ে সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে। দুপুর ১টায় নতুন নিয়ম অনুযায়ী লেনদেন শুরু হওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে গেলে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে বৃহস্পতিবার থেকে ২ ঘণ্টা পিছিয়ে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষের আবেদনের পর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন লেনদেন চলবে মাত্র ২ ঘণ্টা। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ সময়সূচি বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন এসইসির নির্বাহি পরিচালক ফরহাদ আহমেদ। বাজারের নেতিবাচক পরিস্থিতি এড়াতে বুধবার পুঁজিবাজারে লেনদেন প্রথম স্বাভাবিক নিয়মের চেয়ে ২ ঘণ্টা পিছিয়ে দুপুর ১ টায় শুরু হয়। তবে বুধবার ২ ঘণ্টা পর লেনদেন শুরু হলেও মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে সূচক পড়ে যায় ২৪৩ পয়েন্ট। বন্ধের আগ পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয় ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার। এরমধ্যে কমে ২৩৪টির, বেড়েছে ১০টির।
এদিকে পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে দুপুরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করেছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/ডিএইচ/এমএইচ/১৩.১০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 1:24 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতন, লেনদেন বন্ধ: বিক্ষোভ

ঢাকা, ২০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

ব্যাপক দরপতনের মধ্যে দিয়ে সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে। দুপুর ১টায় নতুন নিয়ম অনুযায়ী লেনদেন শুরু হওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে গেলে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে বৃহস্পতিবার থেকে ২ ঘণ্টা পিছিয়ে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষের আবেদনের পর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন লেনদেন চলবে মাত্র ২ ঘণ্টা। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ সময়সূচি বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন এসইসির নির্বাহি পরিচালক ফরহাদ আহমেদ। বাজারের নেতিবাচক পরিস্থিতি এড়াতে বুধবার পুঁজিবাজারে লেনদেন প্রথম স্বাভাবিক নিয়মের চেয়ে ২ ঘণ্টা পিছিয়ে দুপুর ১ টায় শুরু হয়। তবে বুধবার ২ ঘণ্টা পর লেনদেন শুরু হলেও মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে সূচক পড়ে যায় ২৪৩ পয়েন্ট। বন্ধের আগ পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয় ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার। এরমধ্যে কমে ২৩৪টির, বেড়েছে ১০টির।
এদিকে পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে দুপুরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করেছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/ডিএইচ/এমএইচ/১৩.১০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 1:30 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ডিএসই’র সূচক ৬০০ পয়েন্ট পতন, লেনদেন বন্ধ, ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময় ১৩২৬ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২০, ২০১১




ডিএসই’র সূচক ৬০০ পয়েন্ট পতন, লেনদেন বন্ধ, ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা

ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় লেনদেন শুরু ৬ মিনিটের মাথায় তা বন্ধ হয়ে গেছে। লেনদেন শুরু হওয়ার ৬ মিনিটেই সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে যায়।

এ ঘটনায় বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নামার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। এরপর বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ভবনে অবস্থান নিয়ে পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করে।

মতিঝিল থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এলাকার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় ১৩২৬ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২০, ২০১১

     
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 2:46 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে ৫ মিনিটেই ৬'শ পয়েন্ট পতন, লেনদেন বন্ধ: বিক্ষোভ

ঢাকা, ২০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

ব্যাপক দরপতনের মধ্য দিয়ে সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে। দুপুর ১টায় নতুন নিয়ম অনুযায়ী লেনদেন শুরু হওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে গেলে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সূচক ২২৫ পয়েন্ট বাড়লে বা কমলে লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর প্রথম ৫ মিনিটেই সূচক পড়ে যায় ৬০০ পয়েন্ট। পরিস্থিতি দেখে তাৎক্ষণিকভাবে লেনদেন বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে। ডিএসই সামনে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে পুলিশের সাথে বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে ডিএসই সামনের সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মতিঝিল, দিলকুশায় বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষোভ করার সময় পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে। এরা হলেন- আনিসুল ইসলাম (৩০), রেজাউল করিম (৪০), হারুনুর রশিদ (৩৫), হোসেন (৩০), জামালউদ্দিন (৪০) ও সালাহউদ্দিন (২৫)।
এদিকে দরপতনে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সামনেও বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা। এতে সিএসই ভবনের সামনের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া অন্যান্য শহরেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার থেকে ২ ঘণ্টা পিছিয়ে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষের আবেদনের পর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আজ বৃহস্পতিবার থেকে নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন লেনদেন চলবে মাত্র ২ ঘণ্টা। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ সময়সূচি বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন এসইসির নির্বাহি পরিচালক ফরহাদ আহমেদ। বাজারের নেতিবাচক পরিস্থিতি এড়াতে বুধবার পুঁজিবাজারে লেনদেন প্রথম স্বাভাবিক নিয়মের চেয়ে ২ ঘণ্টা পিছিয়ে দুপুর ১ টায় শুরু হয়। তবে বুধবার ২ ঘণ্টা পর লেনদেন শুরু হলেও মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে সূচক পড়ে যায় ২৪৩ পয়েন্ট। বন্ধের আগ পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয় ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার। এরমধ্যে কমে ২৩৪টির, বেড়েছে ১০টির।
এদিকে পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে দুপুরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করেছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/ডিএইচ/এমএইচ/১৩.১০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 2:48 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতনে জড়িতদের শাস্তি দাবি ডিএসই চেয়ারম্যানের

ঢাকা, ২০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের চেয়ারম্যান শাকিল রিজভি। বুধবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
তিনি বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গত ৫ বছরে যে টাকা লাভ করেছে আইনি জটিলতার কারণে তা পূণঃবিনিয়োগ করতে পারছে না। তিনি এসব লাভের টাকা পূণঃবিনিয়োগ করতে আইনের সংশোধন দাবি করেন। তিনি আরো বলেন, বুক বিল্ডিং পদ্ধতির জন্য শেয়ারের দর অতিমূল্যায়িত হবার কারণে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারিয়েছেন। তাই এ পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগ জরুরি বলে তিনি মনে করেন। এছাড়া পুঁজিবাজারে অর্ন্তভূক্তির দাবিতে রোড শো করা ৪৮ কোম্পানির আর্থিক হিসাব খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/সুম/এমএইচ/১৩.৩৫ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 2:50 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধের পর বিক্ষোভ, সংঘর্ষ
     
     
Thu, Jan 20th, 2011 1:20 pm BdST

ঢাকা, জানুয়ারি ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)




সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় দিন শুরুর ৫ মিনিটেই পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাস্তায় নেমেছে বিনিয়োগকারীরা। মতিঝিলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-ধাওয়ি চলছে।

পরিবর্তিত সময় অনুযায়ী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় শুরু হয় লেনদেন। কিন্তু ৫ মিনিটেই সাধারণ সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে যাওয়ায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই রাস্তায় নেমে পড়ে বিনিয়োগকারীরা।

বিক্ষোভের কারণে মতিঝিলে ডিএসইর সামনের সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় কাগজ জড়ো করে তাতে আগুন ধরিয়ে দিলে পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়া-ধাওয়ির মধ্যে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ছে। বিক্ষোভ চলছে ধানমণ্ডি এলাকায়।

বুধবার ডিএসইতে ২২৫ পয়েন্টে সার্কিট ব্রেকার আরোপ করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় সেদিনও ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। যার কারণে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করে।

পুঁজিবাজারে অস্থিরতার নিয়ে ডিএসইর সংবাদ সম্মেলনের মধ্যেই সূচক ৬০০ পয়েন্ট কমে যায়। সংবাদ সম্মেলনে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, "বাজার বুক বিল্ডিং প্রাইসে কিছু সমস্যা আছে। কিছু শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়ে বাজারে আসছে।"

কোম্পানিগুলোর ব্যালেন্স শিট দেখে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বাজার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ মুহূর্তে আস্থার সঙ্কটই পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বড় সমস্যা মনে করছেন ডিএসই সভাপতি।

এ কারণে লেনদেনের সময় চার ঘণ্টা থেকে কমিয়ে দুই ঘণ্টাও করার সিদ্ধান্তও নেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

শাকিল রিজভী সকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আপাতত দুই ঘণ্টা করে লেনদেন হবে।"

তবে বিনিয়োগকারীরা আস্থা ফিরে পেলে আগের মতোই দিনে চার ঘণ্টা লেনদেনের অবস্থায় ফেরত যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শাকিল আশা করছেন, আগামী সপ্তাহেই চার ঘণ্টা লেনদেনে ফেরত যাওয়া যাবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এলএইচ/এমআই/১৪০০ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 2:51 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
৫ মিনিটেই লেনদেন বন্ধ পুঁজিবাজারে
     
     
Thu, Jan 20th, 2011 2:02 pm BdST
     

ঢাকা, জানুয়ারি ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-


সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় দিন শুরুর ৫ মিনিটেই পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ হয়ে গেছে।

একই কারণে বুধবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। যার কারণে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করে।

পরিবর্তিত সময় অনুযায়ী ডিএসইতে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় শুরু হয় লেনদেন। কিন্তু ৫ মিনিটেই সাধারণ সূচক ৬০০ পয়েন্ট পড়ে যাওয়ায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।

বুধবার ডিএসইতে ২২৫ পয়েন্টে সার্কিট ব্রেকার আরোপ করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

অস্থির পুঁজিবাজারে লেনদেনের সময় চার ঘণ্টা থেকে কমিয়ে দুই ঘণ্টাও করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা না থাকায় এ পদক্ষেপ।

বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পুঁজিবাজারে লেনদেন সকাল ১১টার পরিবর্তে দুপুর ১টায় শুরু হবে। তা চলবে বেলা ৩টা পর্যন্ত।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইভাবে লেনদেন হবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আপাতত দুই ঘণ্টা করে লেনদেন হবে।"

তবে বিনিয়োগকারীরা আস্থা ফিরে পেলে আগের মতোই দিনে চার ঘণ্টা লেনদেনের অবস্থায় ফেরত যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

গত সপ্তাহে দরের সর্বোচ্চ পতন এবং সর্বোচ্চ উত্থানের পর আবার ব্যাপক দরপতনে পুঁজিবাজারে বুধবারও দুই ঘণ্টা করে লেনদেন হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/১৩২০ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 2:54 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে কারসাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে- রিজভী


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৩৩০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২০, ২০১১


ঢাকা: পুঁজিবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, ‘বিভিন্ন কোম্পানি শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তিকালে কারসাজি করে আয় বেশি দেখিয়েছে। এ বিষয়গুলো তদন্ত করে এদের বিরুদ্ধে  কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। বেশি আয় দেখানোর কারসাজির পেছনে বিভিন্ন  পর্যায়ে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

পুঁজিবাজারের স্বার্থে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তির আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে যাতে আর কোনও কোম্পানি বাজারে আসতে না পারে সে ব্যবস্থা নিতে হবে।

দুপুর ১২টায় হোটেল শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘বুকবিল্ডিং পদ্ধতির মাধ্যমে বাজারে লুটপাট হওয়ার সুযোগ ছিল। আমরা বিষয়টি ধরতে পেরেছি। আর যাতে এই লুটপাট না হয় সেজন্য বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত নতুন কোনও কোম্পানি যাতে অন্তর্ভুক্ত হতে না পারে সরকারকে সে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের জানান, অতি মূল্যায়িত হয়ে আর কোনও শেয়ার যাতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ডিএসই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী, পরিচালক লাইলুন নাহার ইকরাম, পরিচালক ফিরোজ খান প্রমুখ।



     
     
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/20/2011 7:00 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
৬ ব্রোকারেজ হাউজকে সাসপেন্ড



ঢাকা, ২০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):

পুঁজিবাজারে বৃহস্পতিবার লেনদেনে অস্বাভাবিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬টি ব্রোকারেজ হাউজকে সাসপেন্ড করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এগ্রেসিভ সেল করার দায়ে তাদের সাসপেন্ড করা হয়। সাসপেন্ডকৃত ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো- আইআইবিএফসি সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক লি. সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ, এলাইন্স সিকিউরিটিজ এন্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লি. সিকিউরিটিজ।
আগামী ৩০ দিনের জন্য এসব প্রতিষ্ঠান ও প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করা হয়।
এদিকে আগামী রোববার ট্রেড বন্ধ থাকবে। মার্কেট স্থিতিশীল করা ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ কিভাবে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার পর পরবর্তীতে কবে লেনদেন শুরু হবে তা রোববার জানিয়ে দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এসইসির সংবাদ সম্মেলনে এসইসির সদস্য মো. ইয়াসিন আলী এসব কথা বলেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ জেডআর/ ১৮.০৯ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 14 / 40 1 - 2 - 3.. - 12 - 13 - 14 - 15 - 16.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview