DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 16 / 40 1 - 2 - 3.. - 14 - 15 - 16 - 17 - 18.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
01/21/2011 6:06 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার অস্থিরতায় সরকার ও এসইসির ভুল আছে: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা, ২১ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)



পুজিবাজারে অস্থিরতার পেছনে অবশেষে নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি বলেন, পুঁজিবাজেরর অস্থিরতার পেছনে সরকার এবং বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিশ্চয়ই ভুল আছে। এ ধরনের ভুল সংশোধন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শুক্রবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী বেভারলী জে ওড়ার সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই বলে ৫ মিনিটে ৬শ পয়েন্ট পড়ে গেছে। বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার পরও আস্থা ফেরানো যায়নি। তিনি আরো বলেন, আগামী রোববার স্ট্যাক হোল্ডারদের এতে আস্থা ফেরানোর বিষয়ে আলোচনা হবে।
শেয়ারবাজারে দরপতনের সঙ্গে একটি দুষ্ট চক্রকে দায়ী করে তিনি বলেন, যারা শেয়ারবাজারে কারসাজি করছে তাদের অনুসন্ধান করা হচ্ছে। শেয়ারবাজারের অস্বাভাবিক আচরণ ঠেকাতে জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে ভয়াবহ দরপতনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময়ে শেয়ারবাজারে চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে এখনো ব্যবস্থা নেয়া যায়নি। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাগুলোর সাক্ষী পাওয়া যাচ্ছে না।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ জেডআর/ এসসি/১৭.০৫ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 4:06 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে অস্থিরতা
এসইসি ও আমার ভুল ছিলো: অর্থমন্ত্রী

     
     
ঢাকা, জানুয়ারি ২১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

পুঁজিবাজার পরিচালনায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ও নিজের ভুল থাকার কথা স্বীকার করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বর্তমান পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে ভুলগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কানাডার আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রী বেভারলি জে. ওডার সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, "পুঁজি বাজার পরিচালনায় নিশ্চয়ই এসইসি কর্তৃপক্ষের ভুল হয়েছিলো। তা না হলে পরিস্থিতি এ রকম হতো না। ভুল আমারও হয়েছে।

"ভুলগুলো চিহ্নিত করতে আমরা কাজ করছি। ভবিষ্যতে একই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে আমাদেরকে এটা করতেই হবে।"

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আমি এক সময় বলেছিলাম, শেয়ার বাজার ওভার হিটেড না। তবে বর্তমান পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে, সেটি সঠিক ছিল না।"

বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতাকে শেয়ারবাজারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত করে মুহিত বলেন, "বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।"

শেয়ার বাজারে দামের ওঠানামাকে 'স্বাভাবিক বিষয়' অভিহিত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, "তবে ধপাস করে উঠানামা হতে পারে না।"

তিনি জানান, আগামী রোববার এসইসি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এরপর দুই একদিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

১৯৯৬-এ পুঁজিবাজারে ব্যাপক ধসের ঘটনা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, "এবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর '৯৬ এর দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিলাম। তবে কেউ সাক্ষ্য দিতে চায় না। এ কারণেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।"

বেশ কিছু সরকারি শেয়ার ছাড়ার পরিকল্পনা থাকলেও গত কয়েক সপ্তাহের অস্থির পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

মুহিত বলেন, "পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই সেগুলো ছাড়া হবে।"

সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার আগে অর্থমন্ত্রী কানাডার মন্ত্রী ওডার সঙ্গে বৈঠক করেন।

পুঁজিবাজারে পরিস্থিতি সামাল দিতে এসইসি বুধবার মূল্যসূচকে সার্কিট ব্রেকার আরোপ করে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে সূচক ৫৮৭ পয়েন্ট পড়ে যায়। ফলে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এতে ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ শুরু করে বিনিয়োগকারীরা।

যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বেভারলি জে. ওডা জানান, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও সবার জন্য শিক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসাবে কানাডা বাংলাদেশে কাজ করছে।

তিনি বলেন, "এ জন্য ব্রাক শিক্ষা কর্মসূচির প্রথম ধাপে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী, দরিদ্রতম পরিবার এবং দুর্গম অঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার জন্য আমরা কাজ করেছি। এ কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।"

ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে কানাডার সহযোগিতা ক্ষেত্র আরো বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন ওডা।

তিনি জানান, এই দুই প্রকল্পে ৪ কোটি ডলার বরাদ্দ রয়েছে।

অন্যদর মধ্যে কানাডার হাইকমিশনার এইচ ই রবার্ট ম্যাকডোনাল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/এসএন/এএল/জেকে/১৯৩৮ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 4:09 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
     
22 Jan 2011   03:25:36 PM   Saturday BdST     

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
৩০ কার্যদিবসে উধাও ৮০ হাজার কোটি টাকা


রমেন দাশগুপ্ত, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১২১৮ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২২, ২০১১

চট্টগ্রাম: শেয়ার বাজারের দরপতনের কারণে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) গত ৩০ কার্যদিবসে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা বাজার-মূলধন হারিয়েছে।

গত ৮ ডিসেম্বর শেয়ারবাজারে দরপতন শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত সিএসইর বাজার-মূলধন ছিল প্রায় তিন লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার এই বাজার-মূলধন দাঁড়ায় প্রায় দুই লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা।

এর মধ্যে বৃহস্পতিবার মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যেই সিএসই বাজার-মূলধন হারিয়েছে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা।

সিএসই কর্মকর্তা, সাধারণ বিনিয়োগকারী এবং পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, বাজার মূলধনের এ বিপুল অংকের টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পকেটে যায়নি। তাদের পকেটে গেলে রাস্তায় নেমে তারা বিােভ করত না।

এ টাকা কার পকেটে গেল তার নিরপে তদন্ত চান চট্টগ্রাম পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা।

এদিকে, ৮০ হাজার কোটি টাকার মতো বাজার-মূলধন হারানোর বিষয়টি মানতে নারাজ সিএসইর ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট ডেভেলপমেন্ট) একেএম শাহরুজ আলম। তিনি মতে, ‘হারানো মূলধনের পরিমাণ ৬০ হাজার কোটি টাকা বা তার কাছাকাছি হতে পারে।’

শাহরুজ বলেন, ‘বাজারের প্রতি মুহূর্তের সর্বশেষ সার্বিক পরিস্থিতি আমরা এসইসিকে জানাই। এর চেয়ে বেশি সিএসইর পে বলা সম্ভব নয়।’

সিএসইর বিনিয়োগকারী ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি সিন্ডিকেট ৪০ থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকার বাজার মূলধন হাতিয়ে নিয়ে গেছে। আর এ কাজে ইন্ধন দিয়েছে এসইসি।’

তিনি জানান, শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতন এবং কারসাজির প্রতিবাদে তারা চট্টগ্রামে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন শুরু করবেন। শনিবার বিনিয়োগকারী ফোরাম বৈঠক করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

সিএসই সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সিএসইতে গড়ে লেনদেন হতো দৈনিক প্রায় ২৫০ কোটি টাকা। গত এক সপ্তাহে এ লেনদেন নেমে এসেছে ১০০ কোটিতে।

শেয়ারবাজারের এ পরিস্থিতিতে চরম আতঙ্কিত ও হতাশ হয়ে পড়েছেন পুঁজি হারানো সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

চট্টগ্রামের ব্রোকারেজ হাউজ রয়েল ক্যাপিটাল (বিডি) লিমিটেডের সাধারণ বিনিয়োগকারী জিয়াউল হক জানান, শেয়ারবাজারে ১৩টি কোম্পানির বিপরীতে গত দেড় বছরে তার বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল প্রায় ২০ লাখ টাকা। গতকাল এ বিনিয়োগ ১২ লাখ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে।

তিনি জানান, ১৩টি কোম্পানির মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি তিগ্রস্ত হয়েছেন আরএকে সিরামিকসের শেয়ার কিনে। ২০৫ টাকা করে ৮০০টি শেয়ার কিনেছিলেন। এখন সেই শেয়ার চলছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায়।

জিয়াউল বলেন, ‘দুর্বল কোম্পানির শেয়ার পড়ে যাবে এ ঝুঁকি মাথায় রেখেই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছি। কিন্তু আরএকে সিরামিক, বেক্সটেক্স, এসিআই, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকসহ যেসব কোম্পানির মৌলভিত্তি ভাল সেসব কোম্পানির শেয়ারের দরপতন হওয়াটা রহস্যজনক।’

প্রবীর দাশ নামে অপর এক বিনিয়োগকারী বলেন, ‘শেয়ারবাজারে আমার এক মাস আগেও ১৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ ছিল। এক মাসে বিনিয়োগ নেমে এসেছে ৮ লাখ টাকায়। আমার চোখের সামনে ৬ লাখ টাকা উধাও হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্লেষকরা বলছেন, শেয়ার ধরে রাখতে। আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে- পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কতদিন লাগবে? আদৌ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি-না। নাকি শেয়ার ধরে রেখে আমাদের শেষ পর্যন্ত শূন্য হাতে ঘরে ফিরতে হবে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বিনিয়োগকারী বলেন, ‘পুঁজিবাজারের সঙ্গে ৩৩ লাখ মানুষ সরাসরি জড়িত। পরোভাবে জড়িত আছে প্রায় এক কোটি মানুষ। এদের কথা চিন্তা না করে এখনও সরকারের নীতিনির্ধারকরা কাণ্ডজ্ঞানহীন কথাবার্তা বলছেন।’

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও সাংবাদিক রাশেদুল তুষার বাংলানিউজকে বলেন, ‘সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্য থেকে আস্থা চলে গেছে। যতণ তাদের মধ্যে আস্থা ফিরে না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত শেয়ারবাজারের পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হবে না। আর আস্থা আনার জন্য সরকারকে সরাসরি পুঁজিবাজারে হস্তপে করতে হবে।’

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 4:10 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বাজার নিয়ন্ত্রণে এক বছরে এসইসির কোনো সিদ্ধান্ত কাজে আসেনি


এসএম গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়ঃ ১২৩৭ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২২, ২০১১

ঢাকাঃ পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক উত্থান-পতন রোধ করার জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) গত একবছরে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু বাজার নিয়ন্ত্রণে তা কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। বাজারের অস্বাভাবিক উর্ধ্বমুখী রোধ করতে এসইসি যেমনি ব্যর্থ হয়েছে, তেমনি  শেয়ারবাজারের গত একমাসের মহাবিপর্যয়ও ঠেকাতে পারেনি। এতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা নিয়ে এখন বাজার বিশ্লেষক ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

২০১০ সালের প্রথম কার্যদিবস ৩ জানুয়ারি ডিএসইর সাধারণ মূল্য সূচক ছিল ৪ হাজার ৫৬৮ দশমিক ৪০ পয়েন্ট এবং বাজার মূলধন ১ লাখ ৯১ হাজার ৪০৪ কোটি টাকা। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে শেয়ারবাজার উর্ধ্বমুখী হতে থাকে। ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর বাজার সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত হয়। ওইদিন ডিএসইর সাধারণ মুল্যসূচক ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৯১৮ পয়েন্ট এবং বাজার মূলধন সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৭১ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। একইসঙ্গে এদিন রের্কড পরিমাণ ৩ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়। পাশাপাশি পিই অনুপাত সর্বোচ্চ ৩০ দশমিক ৫০।

বাজার বিশ্লেষকদের অভিমত, ওইদিন বাজার সর্বোচ্চ পর্যায়ে তুলে নিয়ে জুয়ারীরা বাজার থেকে বড় ধরনের মুনাফা নিয়ে বেরিয়ে গেছে। এরপর থেকেই বাজারে দরপতন শুরু হয় এবং তা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখাগেছে, ২০১০ সালের ৩ জানুয়ারি থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় একবছরে বাজার মূলধন বেড়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা এবং সূচক বেড়েছে ৪ হাজার ৩৫০ পয়েন্ট। বিপরীতে গত ৬ ডিসেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে দরপতনের কারণে মাত্র ৩৩ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ৮৪ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। একই সময়ে সাধারণ সূচক কমেছে প্রায় ২ হাজার ৫৯২ পয়েন্ট। গত একবছরে বাজার মূলধন ও সূচক যে পরিমাণ বেড়েছে তার ৫০ শতাংশ বাজার মূলধন এবং ৬০ শতাংশ সূচক মাত্র ৩৩ কার্যদিবসে কমেছে । এটি পুঁজিবাজারের জন্য মহাবিপর্যয় বলে অভিহিত করা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বাংলানিউজকে বলেন,  বাজারের এই অস্বাভাবিক উত্থান-পতন রোধে এসইসি ব্যার্থ হয়েছে। এসইসির কাজ হলো যখন বাজারে শেয়ারের কোনো সমস্যা তখন বাজার প্রয়োজনে টেনে ধরা কিংবা ছেড়ে দেওয়া। কিন্তু এসইসি সেটা করেনি। বরং উল্টো করেছে। যখন টেনে ধরার দরকার ছিল তখন তারা দাম বাড়ার জন্য সহায়তা করছে। না হলে বাজারে দাম বাড়লো কেন? আবার যখন বাজারে অস্বাভাবিক দরপতন শুরু হলো তখনও তারা তা সামাল দিতে ব্যার্থ হয়েছে। আমি বলবো কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসইসি প্রত্যোক্ষ ও পরোক্ষভাবে এর সঙ্গে জড়িত। অথবা তাদের অসহায়ত্ব ছিল। তা না হলে এটি কিভাবে হলো।

২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১১ সালে জানুয়ারি পর্যন্ত এক বছরে এসইসির বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরা হলো:

১৭ জানুয়ারি ২০১০: এসইসি পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত কোম্পানিগুলোর ত্রৈমাসিক আর্থিক বিবরণী প্রকাশ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা জারি করে। ওই নির্দেশনায় বলা হয়, পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত কোম্পানিগুলোর ত্রৈমাসিক আয় বিবরণীতে আয়ের পূর্ণাঙ্গ উৎস উল্লেখসহ নিজ নিজ ওয়েবসাইটে ওই ত্রৈমাসিক আর্থিক বিবরণী প্রদর্শন করবে।

২৪ জানুয়ারি ২০১০: পুঁজিবাজারের অব্যাহত উন্নয়ন ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এসইসি মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংক্রান্ত এক নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, যে কোনো মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ দশবছর হবে এবং যে সব মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মেয়াদ ইতোমধ্যে দশ বছর পার হয়েছে সেগুলো আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০১০ তারিখের মধ্যে অবলুপ্ত করতে হবে। একইসঙ্গে এসইসি পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত মার্চেন্ট ব্যাংক এবং পোর্টফোলিও ম্যানেজারদের ৫০ উর্ধ্ব পি/ই সম্পন্ন সিকিউরিটিজের ঋণ না দেওয়ার বিষয়ে এক নির্দেশনা জারি করে।

১ ফেব্রুয়ারি ২০১০: পোর্টফোলিও ম্যানেজার এবং ডিএসই, সিএসইর সদস্যরা তাদের গ্রাহকদের ১:১ অনুপাতে ঋণ দেবে এই মর্মে এক নির্দেশনা জারি করে।

৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০: এসইসি পুঁজিবাজার এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে গ্রামীণ ফোনের নেটিং সুবিধা বন্ধ করা শীর্ষক এক নির্দেশনা জারি করে।

১৮ ফেব্র“য়ারি ২০১০: বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে এসইসি গ্রামীণফোন ও ম্যারিকোর শেয়ার স্পট মার্কেটে লেনদেন সংক্রান্ত এক নির্দেশনা জরি করে।

১৫ মার্চ ২০১০: মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকার গ্রাহকদের ১:১ দশমিক ৫ অনুপাতে ঋণ দেবে এ মর্মে এসইসি এক নির্দেশনা জারি করে।

২৩ মার্চ ২০১০: এসইসি গ্রাহকদের মার্জিন লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে এনএভি ফর্মুলার প্রবর্তন সংক্রান্ত এক নির্দেশনা জারি করে।

১০ মে ২০১০ : সব সিকিউরিটিজের ইউনিফর্ম ফেসভ্যালু ও মার্কেট লট প্রথা প্রবর্তন বিষয়ে এসইসি ২০১০ সালের এক নির্দেশনা জারি করে।

১লা জুন ২০১০: এসইসি এক নির্দেশনা জারি করে, ‘বি’ ক্যাটাগরীর অন্তর্ভূক্ত যে কোনো কাগুজে/পেপার শেয়ার ১ জুলাই, ২০১০ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরীতে অবনমিত হবে এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরীর যে কোনো পেপার শেয়ার আগামী ১ অক্টোবর, ২০১০ থেকে ওটিসি মার্কেটে লেনদেন হবে।

১৫ জুন ২০১০: মার্জিন লোন দেওয়ার এসইসি েেত্র ইক্যুয়িটির পি/ই ৪০ এ নির্ধারণ করে দেয়।

৩০ জুন ২০১০: বি/ও অ্যাকাউন্টের বার্ষিক হিসাব রনাবেন ফি ৫০০ টাকা নির্ধারণ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে এসইসি।

৮ জুলাই ২০১০: মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকার গ্রাহকদের ১:১ অনুপাতে ঋণ দেবে বলে এসইসি নতুন নির্দেশনা জারি করে।

২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০: ‘জেড’ ক্যাটাগরীর যে সব শেয়ার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১০ এর মধ্যে ডিমেট করতে ব্যর্থ হবে তাদেরকে ১ অক্টোবর, ২০১০ তারিখ থেকে ওটিসি মার্কেটে পাঠানো হবে-এ মর্মে এসইসি এক নির্দেশনা জারি করে।

২১ নভেম্বর ২০১০:  এসইসি নির্দেশনা জারি করে, মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকার তাদের গ্রাহকদের ১:০ দশমিক ৫ অনুপাতে ঋণ দেবে এবং বি/ও অ্যাকাউন্ট খোলার পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লোন সুবিধা প্রাপ্ত হবেন না।

৩০ নভেম্বর ২০১০: বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে, এসইসি এক নির্দেশনার মাধ্যমে ১৪ টি সিকিউরিটিজ লেনদেনের জন্য স্পট মার্কেটে পাঠায়।

১৩ ডিসেম্বর ২০১০: এসইসি মার্চেন্ট ব্যাংক স্টক ব্রোকার গ্রাহকদের ১:১ অনুপাতে ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা জারি করে।

১৯ ডিসেম্বর ২০১০ : এসইসি গ্রামীণ ফোন ও ম্যারিকোর সিকিউরিটিজ পাবলিক মার্কেটে লেনদেন করার জন্য ১০ মাস পর এক নির্দেশনা জারি করে। একইসঙ্গে স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য ও মার্চেন্ট ব্যাংক গ্রাহকদের ১:১দশমিক ৫ অনুপাতে ঋণ দেবে-এই মর্মে এসইসি আরেকটি নির্দেশনা জারি করে।

২৯ ডিসেম্বর ২০১০: মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মার্জিন লোনের ক্ষেত্রে এনভি ফর্মুলা তুলে দেয়। একইসঙ্গে এসইসি ঘোষণা দেয় সাধারণ শেযারের মতোই মিউচ্যুয়াল ফান্ড মার্জিন লোন সুবিধা পাবে।  

১০ জানুয়ারি ২০১১ : পুঁজিবাজারের বিপর্যয় রোধে মার্জিন ঋন সুবিধা বাড়ানোসহ বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ১০ জানুয়ারি সোমবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ১১ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্জিন লোন রেশিও ১ঃ১ দশমিক ৫ থেকে বাড়িয়ে ১ঃ২ করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর থেকে স্পট মার্কেটে লেনদেন হওয়া ১৪টি কোম্পানি মূল মার্কেটে নিয়ে আসা। তৃতীয়ত নন মার্জিন সকল শেয়ারের নেটিং সুবিধা চালু করা হয়েছে। চতুর্থ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এতোদিন তাদের মূলধনের ৫ গুনের বেশি পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা করতে পারতো না। কিন্তু এসইসির নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫ গুনের বেশি পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা করতে পারবে। একইসঙ্গে এদিন লেনদেন শুরুর মাত্র ৫০ মিনিটের মধ্যে ডিএসইতে রেকর্ড পরিমাণ সাধারণ মূল্য সূচক ৬৩৮ পয়েন্ট কমে গেলে  সকাল ১১ টা ৫০ মিনিটে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বন্ধ করে দেয় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে একসঙ্গে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।

১১ জানুয়ারি ২০১১: নানা ধরনের অনিয়ম মাথায় নিয়ে ১১ জানুয়ারি এসইসির সিনিয়র সদস্য মনসুর আলম পদত্যাগ করেন।

১৮ জানুয়ারি ২০১১:  লেনদেন শুরুর পর দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটে অস্বাভাবিক দরপতন শুরু হলে এসইসি উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বন্ধ করে দেয়। ওইদিন বিকেলে বাজারে তারল্য সংকট দূর করার জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য ব্রোকারেজ হাউসের জামানতবিহীন লেনদেন সীমা বাড়িয়ে দেয় এসইসি। এতে ব্রোকারেজ হাউসগুলো কোনো রকম আগাম জামানত ছাড়াই ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত শেয়ার ক্রয় করতে পারবে। এর আগে জামানতবিহীন লেনদেনের সীমা ৫ কোটি টাকা ছিল। একইসঙ্গে এসইসি এ দিন সব শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকার করারও নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়।  

১৯ জানুযারি ২০১১: বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে প্রথম বারের মতো সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার চালু করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ১৯ জানুয়ারি বুধবার এসইসি বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একদিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২২৫ পয়েন্ট উঠানামা করলে ডিএসই‘র লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। আর ডিএসইর লেনদেন বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেনও বন্ধ হয়ে যাবে। এদিন এসইসি বুক বিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়।

২০ জানুয়ারি ২০১১ : উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকাল ১১ টার পরিবর্তে দুপুর ১ টায় শুরু করার সিদ্ধান্ত। একইদিন মাত্র ৫ মিনিটে সাধারণ মূল্য সুচক প্রায় ৬০০ পযেন্ট কমে গেলে ৬ ব্রোকারেজ হাউজকে ১ মাসের জন্য লেনদেন স্থগিত করে এবং একইসঙ্গে ওই ৬ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে ১ মাসের জন্য দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 4:22 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার বাজার ধসে রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিক্রিয়া
কেউ বলছেন সরকার দায়ী, কেউ দুষ্ট চক্র


মান্নান মারুফ/ শামীম খান/ আসাদ জামান
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
22 January,2011




ঢাকা: সম্প্রতি পুঁজিবাজারের ভয়াবহ ধসের পেছনে সরকার দায়ী বলে মনে করছেন প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নেতারা। তাদের অভিযোগ, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগই পুঁজিবাজারের এ অবস্থার জন্য দায়ী। উদাহরণ হিসেবে তারা ’৯৬ সালের কথা বলছেন।

অন্যদিকে সরকার দলীয় মহাজোট নেতারা বলছেন, এর পেছনে দুষ্টচক্র জড়িত। তবে সরকারের অকার্যকর ভূমিকারও সমালোচনা করেছেন তারা। আবার কেউ কেউ খোদ বিনিয়োগকারীদেরই দোষ খুঁজে বেড়াচ্ছেন।  

এ ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খোন্দকার মোশাররফ হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, পুঁজিবাজারের এ অবস্থার জন্য সরকার দায়ী।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, শুধু এখন নয়, এর আগে ’৯৬ সালে আওয়ামী লীগ মতায় আসার পর এভাবেই পুঁজিবাজারে ধস নেমেছিল। ওই সময়ও লাখ লাখ মানুষের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই শেয়ার মার্কেটের এ অবস্থা হয়।

লাখ লাখ বিনিয়োগকারীকে পথে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘সরকার এর দায় এড়াতে পারে না। এর সঙ্গে সরকারি লোক জড়িত।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও পুঁজিবাজারের এ অবস্থার জন্য সরকারকেই দায়ী করেছেন।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘সরকারের ছত্রছায়ায় পুঁজিবাজারে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। এটা অন্যায়। সরকারের উচিত এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।’

একই সঙ্গে এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তবে তিনি বলেন, ‘অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে এ অবস্থা চলতেছে। সরকার কোনও পদপে নিচ্ছে না। কারণ এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও একই কথা বলেছেন।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘শেয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েক লাখ মানুষ পথে বসে গেছে। বেশ কিছু দিন ধরে এ অবস্থা চলছে। সরকার কোনও পদপে নিচ্ছে না।’

তিনি বলেন, অনেকে সারা জীবনের মূলধন হারিয়ে আত্মহুতি দেওয়ার চেষ্ট চালিয়েছে। বিক্ষোভ করছে । হরতাল দিচ্ছে। কিন্তু কোনও লাভ হচ্ছে না।

তিনি প্রশ্ন করেন, ‘এখন কার কাছে যাবে এ মানুষগুলো?’

তিনি বলেন, এর আগেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল, তখনও শেয়ার মাকের্ট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এ বছরও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। সুতারাং এর জন্য সরকারই দায়ী।

তিনি অবিলম্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, ‘সরকার এর দায় কোনওভাবেই এড়াতে পারবে না।’

তবে ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান পুঁজিবাজারের ধসের পেছনে সরকারের কোনও গাফিলতি খুঁজে পাচ্ছেন না। তিনি বরং এ অবস্থার জন্য বিনিয়োগকারীদের অবিবেচনাকে দায়ী করেছেন।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, সরকার সহযোগিতা দিয়ে আসছিল শেয়ার বাজার যাতে ভালোভাবে গড়ে ওঠে। সরকারের কোনও সমস্যার কারণে শেয়ার বাজারের দরপতন হয়নি। এর জন্য বিনিয়োগকারীরা কিছুটা দায়ী। তারা না বুঝে শেয়ার কিনেছে।

তিনি বলেন, ‘এছাড়া ষড়যন্ত্রও রয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবস্থা নিচ্ছে। অর্থমন্ত্রীও বলছেন তদন্ত চলছে। শেয়ার বাজারের দরপতনে সরকারের সমস্যা হবে বলে মনে করি না।’

ষড়যন্ত্র কারা করছে জানতে চাওয়া হলে ফারুক খান বলেন, এখানে নানা মহল কাজ করতে পারে। আমরা দেখছি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। ভাঙচুরের মাধ্যমে তো শেয়ারের দাম বাড়ে না, মার্কেট চাঙ্গা হয় না। ভাঙচুরের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি অন্য দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়।

এ ব্যাপারে তদন্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আশা করছি সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।

তবে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পুরো কণ্ঠ মেলাতে পারেননি আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘এটা সরকারকে ভাবতে হবে। শেয়ার বাজারের সঙ্গে ৩৩ লাখ মানুষ জড়িত। ৫ মিনিটে ৬ শ’ পয়েন্টের নীচে চলে গেল, ২১ হাজার কোটি টাকা হাওয়া হয়ে গেল- এর বাস্তবতা উপলব্ধি করতে হবে।’

তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে বিশেষ সার্কেল (চক্র) জড়িত। এই দুষ্ট চক্র ভাঙতে হবে। সময় নিয়ে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে।

এই মুহূর্তেই সমস্যার সমাধান করা যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে উপশমের জন্য স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। এরপর স্থায়ী সমাধানে মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে।’

এক বছর আগেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা দায়িত্বে ছিলেন তারা যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি।’

তিনি বলেন, ‘শেয়ার মার্কেট কেন সোনার হরিণ হয়ে উঠল? ঘটি বাটি বেচে মানুষ সোনার হরিণের পিছনে ছুটছে, আমরা তাদেরকে ছুটতে দিলাম কেন?’

এর উত্তর সরকারকে খুঁজতে হবে বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)’র সাবেক সভাপতি ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ পুঁজিবাজারের এ পরিস্থিতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গাফিলতিতে চিহ্নিত করেছেন।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে আসতে দিয়ে ঠিক করেনি। যেখানে তাদের আসতে দেওয়ায় উচিত না, সেখানে তাদেরকে দাওয়াত করে নিয়ে আসা হয়েছে। অন্যদিকে এই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যখন প্রচুর পরিমাণ টাকা লাভ করে সব তুলে নিয়ে গেছে বাংলাদেশ ব্যাংক তখন কিছু বলেনি। সুতরাং এটি খুবই স্বাভাবিক সব টাকা তুলে নেওয়ার পর দরপতন ঘটবেই।’

এ অবস্থা থেকে উত্তরনের উপায় জানতে চাইলে ফিরোজ রশিদ বলেন, ‘এখন আবার হিউজ পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করলেই শেয়ার বাজার চাঙ্গা হবে।’

পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক দরপতনের জন্য সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংককে দায়ী করা যায় কি-না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি দেখার দায়িত্ব যখন তাদের তখন এখানে অস্বাভিক কিছু ঘটলে তার দায়-দায়িত্ব তো তাদের নিতেই হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমন কিছু কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসা হয়েছে যে শেয়ারের দাম একশ’ টাকা সেটি বিক্রি হয়েছে দুশ’ টাকায়। মূলত এসব কারণেই পুঁজিবাজারে ধস নেমেছে।’

আওয়ামী লীগই এর জন্য দায়ী-বিএনপি’র এ বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সালমান এফ রহমান, লোটাস কামাল, ফারুক খান ও নূর আলীরা যখন পুঁজিবাজারে আসেন তখন বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আসাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে আশা করছি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুজিবাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে।’

বাংলাদেশ সময়: ১৪২৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২২, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 4:42 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
Amardeshonline.com
22 Jan,2011


পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রির শর্ত শিথিল করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষা সমাপ্তি শেষে তা পরিচালনা পর্ষদে চূড়ান্ত অনুমোদনের আগ পর্যন্ত পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা, পরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টদের উক্ত কোম্পানির শেয়ার ক্রয়, বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। গত ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি এক আদেশের মাধ্যমে এসইসি এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। গত ১৪ ডিসেম্বর এক আদেশনামায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা থেকে ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী দুই বছরের অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ হিসাবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য এ বিশেষ সুবিধা বহাল থাকবে। এর ফলে তালিকাভুক্ত সরকারি বা সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষা চলাকালেই ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শেয়ার বিক্রি করা যাবে।
এসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের আরও শেয়ার বাজারে ছাড়ার সুবিধা দিতেই এ ধরনের আইনি বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা ১৯৯৫-এর ৪(২) ধারা অনুযায়ী, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কোনো স্পন্সর, পরিচালক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী, নিরীক্ষক বা নিরীক্ষাকাজে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, পরামর্শক বা আইন উপদেষ্টা এবং সুবিধাভোগী কোনো ব্যক্তি কোম্পানির বার্ষিক হিসাব সমাপ্তির তারিখ থেকে ওই হিসাব কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে চূড়ান্তভাবে বিবেচিত, গৃহীত বা অনুমোদিত হওয়ার তারিখ পর্যন্ত সময়কালে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ার ক্রয়, বিক্রি কিংবা অন্য কোনো প্রকারে হস্তান্তর বা গ্রহণ করতে পারেন না। ২০০৮ সালের এক আদেশনামার মাধ্যমে শেয়ার ক্রয়, বিক্রি ও হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।
জানা গেছে, এই বিধি কার্যকর থাকায় তালিকাভুক্ত ৮টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছিল। কারণ গত জুনে হিসাব বছর শেষ হলেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই এখনও নিরীক্ষা শেষ করে পরিচালনা পর্ষদে হিসাব বিবরণী অনুমোদন করাতে পারেনি। এ কারণে স্পন্সর হিসেবে সরকারের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। এই সমস্যা দূর করার জন্যই সংশ্লিষ্ট ধারা থেকে সরকার ও সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি দিয়েছে এসইসি।
উল্লেখ্য, তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রূপালী ব্যাংকের ২৪.৫৫ শতাংশ, যমুনা অয়েল কোম্পানির ১৭ শতাংশ, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ১৭ শতাংশ, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টের ১৭.৩০ শতাংশ, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ১৫ শতাংশ, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (ডেসকো) ১৫ শতাংশ, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) ১৬.২৫ শতাংশ, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ১৭.৫০ শতাংশ এবং ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেডের ১.৯৪ শতাংশ শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত রয়েছে। এরই মধ্যে রূপালী ব্যাংক ও ন্যাশনাল টিউবসের শেয়ার বিক্রি শুরু হলেও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও তা করতে পারেনি। শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে আইনি বাধা দূর করা হলেও অপর কোম্পানিগুলোর শেয়ার ছাড়া নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়া নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে বলেছিলেন, শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে কোম্পানিগুলোর অনাগ্রহ রয়েছে। আর তাদের এ অনাগ্রহের কারণেই শেয়ার ছাড়া যাচ্ছে না। যদিও গত ৩১ অক্টোবর অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন, পরবর্তী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের আরও শেয়ার ছাড়া হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 4:55 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Experts rap SEC for actions taken against six brokerage firms


FE Report
22.01.2011

Stock market experts have severely criticised the securities regulator's decision to suspend trading of six brokerage houses for 30 days, saying investors will be hurt by the decision. They also termed the decision `harsh' for the six institutions.

On Thursday, capital market regulator Securities and Exchange Commission (SEC) suspended the trading of Dhaka Bank Securities, NCC Bank Securities, Al Arafa Bank Securities, PFI Securities, IIDFC Securities, Alliance Securities and Management limited.

The six brokerage houses were prohibited from trading for their alleged involvement in market manipulation by huge sales orders on Thursday. The investors of the six brokerage houses were advised to open link account in other brokerage houses to continue trading.

On that day, the main index of Dhaka Stock Exchange, DGEN, plunged by 599 points within 6 minutes of the start of trading mainly due to the heavy sales pressure from the majority of the investors.

Criticising the SEC decision, Yaweer Sayeed, a market analyst, said that the reason cited by SEC for suspension of the brokerage houses' trading is not acceptable. Every investor has the right to sell shares on the basis of the market situation. He said, it is also very hard to determine what an `unusually low price' is. That is why on basis of this any punishing decision is very harsh.

"Investors will be affected by the SEC decision as opening link accounts in other brokerage houses is not easy. Here confidence is an issue for the investors concerned", said Mr. Sayeed, who also acts as a fund manager.

A leading stock broker, on condition of anonymity, told the FE that the allegation raised against the brokerage houses is not clear yet. It seems trading suspension decision is an 'eyewash', he added.

He said investors of the six brokerage houses would definitely hurt by the suspension decision.

Who will take responsibility of the margin loan of the investors of the six brokerage houses? He posed the question. So opening of link accounts with other brokerage houses will be a complex task, he observed.

"It is very usual to take punitive measures if anyone is involved in market manipulation. But as a regulatory body, SEC needs to detect and determine that manipulation first," the broker said.

On trading suspension of the brokerage houses, DSE president Shakil Rizvi said if innocent people are penalised, then it is very unfortunate. If anyone is involved in creating panic in the market, they should be punished.

"Things are not like that the market will collapse in one day. Institutions have the responsibility to create awareness of their investors. Maybe the institution has failed in this regard, said Rizvi adding that if investors are hurt by any decision, DSE authorities will look into the matter. DSE will talk to SEC to find out a solution for the investors."
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 4:57 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজি বাজার ॥ আস্থার সঙ্কট

রাজু আহমেদ ॥
The Daily Janakantha
22,01.2011

ধারাবাহিক দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সঙ্কট তৈরি হওয়ায় পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে না। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পৰ থেকে গত এক মাসে একের পর এক পদক্ষেপ নেয়া সত্ত্বেও ইতিবাচক কোন ফল না আসায় বিনিয়োগকারীরা বাজারের ওপর আস্থা হারাতে বসেছেন। তবে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হলে এখনও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নিজেও বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতাকেই পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বড় সঙ্কট হিসেবে মনে করছেন। শুক্রবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আস্থা থাকলে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক ওঠানামা হতে পারে। তবে এভাবে ধপাস করে পড়ে যাওয়ার কথা নয়। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই বলেই ৫ মিনিটে ৬০০ পয়েন্ট সূচক পড়ে গেছে। বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার পরও আস্থা ফেরানো যায়নি। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সরকার প্রয়োজনীয় পদৰেপ নেবে বলে মন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, এসইসি ও আমাদের ভুল ছিল। ভুলের সংশোধন করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে বাজার সম্পর্কে তাদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করতে হবে। আইনী বাধ্যবাধকতা অনুসরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের প্রভাবে পুঁজিবাজারের লেনদেনে যে মন্দা তৈরি হয়েছে তা দূর করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ভূমিকা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদৰেপ নিতে হবে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুুঁজিবাজার থেকে যে অর্থ তুলে নিয়েছে আইনী সীমার মধ্যেই তার একটি অংশ পুনরায় বিনিয়োগ শুরম্নর করলে বাজারে চাহিদা সৃষ্টি হবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের তৎপরতা বাড়লে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরে আসবে। এতে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হয়ে লেনদেনে সক্রিয় হবেন। তবে তাঁদের মনে এই ধারণা তৈরি করতে হবে যে, তাদের বিনিয়োগ কেউ পরিকল্পিতভাবে লুটে নিতে পারবে না। গত এক মাসের অস্থিরতার সঙ্গে কারও কারসাজি ছিল কিনা তা চিহ্নিত করে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে কঠোর পদৰেপ গ্রহণ করতে হবে। বাজারে নেতিবাচক তৎপরতা বন্ধ এবং তারল্য সঙ্কটের সমাধান করতে পারলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে দেশের পুঁজিবাজারে চরম মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এর আগে গত এক বছরে বেশ কয়েকবার লেনদেন কমলেও তা ছিল একেবারেই সাময়িক। দু'-চার দিনের জন্য মন্দা পরিস্থিতি তৈরি হলেও শেষ পর্যনত্ম তা স্থায়ী হয়নি। কিন্তু ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে লেনদেনে নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। অধিকাংশ শেয়ারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে কোন কোন মহল বিপুল পরিমাণ টাকা সরিয়ে নিয়েছেন বলেও অনেকে আশঙ্কা করছেন।
তবে এ ধরনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বাজার সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন, শেয়ারবাজারে তারল্য সঙ্কট সৃষ্টির পেছনে বেশ কিছু যৌক্তিক কারণ রয়েছে। সাধারণভাবে প্রতি বছরই ডিসেম্বর মাসে এসে পুঁজিবাজারে মূল্য সংশোধনের প্রবণতা তৈরি হয়। এর মূল কারণ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাব সমাপনী। বার্ষিক হিসাব চূড়ানত্ম করার জন্য এসব প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব পোর্টফলিওর শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নেয়। জানুয়ারিতে তারা আবার বিনিয়োগ শুরম্ন করলে বাজার উর্ধমুখী হয়ে ওঠে।
কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের বেশ কিছু নির্দেশনার প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তার মোট দায়ের ১০ শতাংশ পর্যনত্ম শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। কিন্তু অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের সুযোগ কমে যাওয়ায় গত দু'বছরে ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারের দিকে ব্যাপকভাবে ঝুঁকেছে। ২০০৯ সালে শেয়ারবাজার থেকে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করায় ব্যাংকগুলো ২০১০ সালে এসে এখানে বিনিয়োগের হার অনেক বাড়িয়েছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের কারণে গত ডিসেম্বরের মধ্যে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিনিয়োগের পরিমাণ আইনী সীমার মধ্যে নামিয়ে আনতে হয়েছে। এ কারণে এবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বিক্রির প্রবণতা অন্যান্য বছরের তুলনায় ছিল বেশি। এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত বিনিয়োগ সরিয়ে ফেলতে হয়েছে। অন্যদিকে ব্যাংকের ঝুঁকি কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক সিআরআর ০.৫ শতাংশ হার বাড়িয়েছে। এর ফলে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত ২ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ বাসত্মবায়নের জন্য ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজার থেকে অর্থ তুলে নিয়েছে।
অন্যান্য বছর হিসাব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর সরিয়ে নেয়া টাকার বড় অংশ পুঁজিবাজারে ফিরলেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকটি নির্দেশনার কারণে শেয়ারবাজার থেকে তুলে নেয়া টাকা এখানে বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। গত ১ নবেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের মাস্টার সাকর্ুলারে ব্যাংকগুলোকে তাদের সাবসিডিয়ারি মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউসকে ঋণ প্রদানের ৰেত্রে একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়। একক গ্রাহক সীমা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে তার মূলধনের ১৫ শতাংশের বেশি ঋণ দিতে পারে না।
সংশিস্নষ্টরা বলছেন, গত দু'-তিন বছরে শেয়ারবাজার উর্ধমুখী করার ৰেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। এ সময় এসব প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজার থেকে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করেছে। গত বছরে ব্যাংকগুলো মুনাফার সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছে। তার পেছনেও রয়েছে শেয়ারবাজার। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নতুন নির্দেশনা ও পদৰেপের কারণে ওই টাকা আর বাজারে আনতে পারছে না। তারা যে টাকা লাভ করেছে সাবসিডিয়ারি হওয়ায় তার সিংহভাগ রেখে আসতে হচ্ছে মূল কোম্পানিতে।
এর আগে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংকের নিজস্ব বিভাগ বা ইউনিট হিসেবে কাজ করায় তাদের দেয়া মার্জিন ঋণ ব্যাংকের নিজস্ব বিনিয়োগ হিসাবে ধরা হতো। ফলে এৰেত্রে ঋণের কোন সীমা নির্ধারিত ছিল না। কিন্তু মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো সাবসিডিয়ারি কোম্পানি হয়ে যাওয়ায় মার্জিন ঋণ দেয়ার জন্য তাদের ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নিতে হয়। সেৰেত্রে আলাদা কোম্পানি হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠানও তাদের মূলধনের ১৫ শতাংশের বেশি ঋণ নিতে পারে না। এর ফলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ টাকা মাত্র এক মাসের মধ্যে শেয়ারবাজার থেকে বাইরে চলে গেছে।
এ বিষয়ে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, গত কয়েক বছরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুঁজিবাজার থেকে উলেস্নখযোগ্য পরিমাণ মুনাফা অর্জন করেছে। কিন্তু নতুন কিছু বিধিবিধান ও নির্দেশনার কারণে সেই অর্থ পুনরায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারছে না। এসব প্রতিষ্ঠানের অর্জিত মুনাফার টাকা বাণিজ্যিক ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে আছে। শেয়ারবাজারের সেই টাকা বাজারে ফেরাতে পারলে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করা সম্ভব হবে। তা না হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ভাটা পড়বে। অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে পারলে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াতে বাধ্য।
এদিকে মন্দা পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে পুঁজিবাজারে আরও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে একটি বিশেষ গোষ্ঠী। বাজারে পরিকল্পিত ধস নামিয়ে বিনিয়োগকারীদের বিৰুব্ধ করে তোলার জন্য নানামুখী তৎপরতা চলছে। অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার ৰেত্র প্রস্তুত করতে ওই রাজনৈতিক গোষ্ঠীটি শেয়ারবাজারে ২ থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করে। গত সেপ্টেম্বরে ডিএসই সাধারণ সূচক সাড়ে ৬ হাজারের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় ওই গোষ্ঠীটি কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে ওই অর্থ বিনিয়োগ শুরম্ন করে। এর আগে এসব প্রতিষ্ঠানে নামে-বেনামে বিপুলসংখ্যক বিও হিসাব খোলা হয়। সেপ্টেম্বর থেকে নবেম্বরের শেষ সপ্তাহ পর্যনত্ম। এসব হিসাব থেকে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকার শেয়ার কেনা হয়। এর মাধ্যমে প্রতিদিনই তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ানো হয়। এর প্রভাবে তিন মাসের ব্যবধানে ডিএসই সাধারণ সূচক প্রায় আড়াই হাজার পয়েন্ট বেড়ে প্রায় ৯ হাজার পয়েন্টে উঠে যায়। পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টি করতে রাজনৈতিক চক্রটি একযোগে শেয়ার বিক্রি শুরম্ন করে। এর ফলে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়।
বাজার নিয়ে এ ধরনের কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে ইতোমধ্যেই সরকারের পৰ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, যারা কারসাজি করছে তাদের চিহ্নিত করতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাজারে অস্থিরতার পেছনে বেশ কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসেরও ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। ধারাবাহিক দরপতনের সময় ৫-৬টি বড় মার্চেন্ট ব্যাংক শেয়ার কেনা থেকে বিরত ছিল। এরমধ্যে যে ক'দিন রেকর্ড দরপতন হয়েছে_ বিক্রি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হলেও নিজেদের পোর্টফোলিও তো বটেই এসব হাউসে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী শেয়ার কেনাও বন্ধ রাখা হয়। অনেক গ্রাহক শেয়ার কিনতে আগ্রহী হলেও তাদের বুঝিয়ে শুনিয়ে নিবৃত করা হয়। গত এক মাসের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দরপতনের সময় পুঁজিবাজারের লেনদেনে শীর্ষ অবস্থানে থাকা একাধিক ব্রোকারেজ হাউস শেয়ার কেনা বন্ধ রাখায় বাজারে বিক্রির চাপ বাড়লেও এর বিপরীতে ক্রয়াদেশ ছিল একেবারেই কম। মূলত এ কারণেই স্বল্প সময়ের মধ্যেই সূচকে বড় রকমের ধস নামে। আবার শেয়ারের দর ব্যাপক হারে কমে যাওয়ার পর এসব প্রতিষ্ঠান নিজেদের পোর্টফোলিও এবং নির্দিষ্ট কিছু গ্রাহকের হিসাবে বিপুলসংখ্যক শেয়ার কিনেছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার বাজার দরের চেয়েও কম মূল্যে শেয়ার বিক্রির দায়ে ৬টি ব্রোকারেজ হাউসের কার্যক্রম এক মাসের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে এসইসি।
এদিকে পুঁজিবাজারে ঘন ঘন বড় দরপতনের কারণে সরকারের ভেতরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বাজারে বড় কোন বিপর্যয় হলে সরকারের ইমেজ ব্যাপকভাবে ৰুণ্ন হবে বলে মনে করছেন তারা। এ কারণে ইতোমধ্যেই সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেয়া হয়েছে। ৰুদ্র বিনিয়োগকারীরা যাতে ৰতিগ্রসত্ম না হন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া পুঁজিবাজারকে অস্থিতিশীল করে কোন বিশেষ মহল যাতে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার সুযোগ না পায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 4:59 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে ॥ অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
22,01,2011

বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সরকার। এ লৰ্যে আগামীকাল রবিবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনসহ (এসইসি) বাজার সংশিস্নষ্ট সকল পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ওই বৈঠকে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। শুক্রবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কৰে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান। দু'-একদিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতনের ক্ষেত্রে এসইসি এবং তার নিজেরও কোন ভুল থাকতে পারে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারবাজারে অস্থিরতার পেছনে নিশ্চয়ই এসইসির কোন ভুল ছিল। নয় তো এ রকম হতো না। ভুল হয়ত আমারও ছিল। ভুলগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের ভুল সংশোধন করে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতাকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট নেই, রয়েছে আস্থার অভাব। আস্থা থাকলে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক ওঠানামা হতে পারে। তবে এভাবে ধপাস করে পড়ে যাওয়ার কথা নয়। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই বলেই ৫ মিনিটে ৬০০ পয়েন্ট সূচক পড়ে গেছে। বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার পরও আস্থা ফেরানো যায়নি। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে রবিবার সকল পৰের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য সূচক ওঠা-নামার সর্বোচ্চ সীমা (সার্কিট ব্রেকার) আরোপ একটি ভাল সিদ্ধানত্ম। কিন্তু তাও কাজে আসেনি। তাই বাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে অন্য উপায় খুঁজতে হবে।
পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতনের সঙ্গে একটি দুষ্টচক্রকে দায়ী করে তিনি বলেন, যারা কারসাজি করছে তাদের চিহ্নিত করতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে মামলার বিচার প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি মন্ত্রী হওয়ার পরপরই '৯৬ সালের ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। এজন্য আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনাও করেছি। কিন্তু সেসব মামলার বিষয়ে কোন সাক্ষী পাওয়া যাচ্ছে না। সাক্ষী না পাওয়ায় এসব মামলার বিষয়ে অগ্রসর হওয়া যাচ্ছে না।
নির্ধারিত সময়ে সরকারী শেয়ার না আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক। বাজারে অনত্মত যেসব কোম্পানি ছিল তাদের আরও শেয়ার ছাড়া উচিত ছিল। কিন্তু অস্থির পরিস্থিতির কারণে সেসব কোম্পানি আসেনি।
গত আগস্টে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী পুঁজিবাজার অতিমূল্যায়িত নয় বলে যে মনত্মব্য করেছিলেন তা যথাযথ ছিল না বলে উলেস্নখ করেন অর্থমন্ত্রী। এ সংক্রানত্ম এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, তখন মনে হয়েছিল পুঁজিবাজার অতিমূল্যায়িত নয়। কিন্তু গত ৪-৫ সপ্তাহে পুঁজিবাজার বেশি ওঠা-নামা করেছে। এতে মনে হয় পুঁজিবাজার অতিমূল্যায়িত ছিল।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 5:00 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সরকারবিরোধী ব্রোকারেজ হাউজ জড়িত!
চট্টগ্রামে গোপন আঁতাতে অস্বাভাবিক বাজারমূল্যে শেয়ার কেনাবেচা


মহসিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম অফিস ॥
The Daily Janakantha
22.01.2011

শেয়ারবাজারে স্বল্প সময়ে অস্বাভাবিক দর পতনে সরকার বিরোধী ব্যবসায়ীদের একটি অংশের সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগ উঠেছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করেছেন, কতিপয় ব্রোকার হাউসের গোপন কারসাজিতে শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমিয়ে দ্রুত ট্রেডিং করা হচ্ছে। এতে শেয়ারবাজার ধরে রাখার সরকারী সকল উদ্যোগ ভেস্তে যায়। শেয়ারের দর অস্বাভাবিক কমিয়ে ব্যাংক এবং বাণিজ্যিক অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানগুলোকে গ্রাহকদের শেয়ার ফোর্স সেলের মাধ্যমে ঋণ সমন্বয়ে বাধ্য করতে ফাঁদ পাতা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
শেয়ারবাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে পুরো অর্থনৈতিক সেক্টরই বিপর্যস্ত করে তোলার সরকার বিরোধীদের গোপন পরিকল্পনা বলেও অনেকে ধারণা করছেন। ইতোমধ্যে ঢাকায়ও বাজার দরের চেয়ে কমমূল্যে বেশ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউসকে ৩০দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে লেনদেন নিয়ে চট্টগ্রামের বহু ব্রোকারেজ হাউসের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ থাকলেও তাদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। উলেস্নখ্য, '৯৬ সালে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জ (সিএসই) প্রতিষ্ঠার পেছনে প্রধান উদ্যোক্তারা ছিলেন বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাদের কারণে সিংহভাগ বিএনপি সমর্থক ব্যবসায়ী সিএসই'র সদস্যপদ লাভ করেন। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত বহু রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীর সিএসই সদস্যপদ ও ব্রোকারেজ হাউস রয়েছে। আগ্রাবাদ, খাতুনগঞ্জ এবং শহরের বাইরে বিভিন্ন স্থানে সরকার বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ন্ত্রিত এসব ব্রোকারেজ হাউস সক্রিয় রয়েছে। সিএসই'র সচেতন বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ তুলেছেন, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে শেয়ার বাজার নিয়ে কারসাজি শুরম্ন হয়। সরকার এর আগে শেয়ার বাজারের অস্বাভাবিক উত্থান ঠেকানোর জন্য বহু নিয়ম চালু করার পরও উত্থান অব্যাহত ছিল। কিন্তু বর্তমানে তা অকার্যকর করেও পতন ঠেকান যাচ্ছে না। এর পেছনে সরকার বিরোধী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক মহলের ষড়যন্ত্র বলেও অভিযোগ তুলেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাত্র কয়েক মিনিটের লেনদেনে সূচকের মারাত্মক পতনে তাদের কারসাজির বিষয়টি সামনে এসে যায়। ব্রোকারেজ হাউসের মধ্যে গোপন কারসাজির মাধ্যমে বাজারে সর্বনিম্ন দর দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কিনে নেয়ার ঘটনা কৌতূহল সৃষ্টি করে। বেশ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস বৃহস্পতিবার বাজারে বাল্কে শেয়ারবাজারের চেয়ে অস্বাভাবিক কম দরে অফারের সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি হয়ে যায়। এতে কারসাজি থাকায় ঐসব শেয়ার ব্যবসায়ীরা সরাসরি ক্ষতিগ্রসত্ম হয়নি। কিন্তু বাজারকে করে দেয়া হয়েছে অস্থিতিশীল। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, সরকার বিরোধী আন্দোলনে জন সমর্থন না পেয়ে বিকল্প পথেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার সুযোগ খুঁজছে। এ ধরনের অস্বাভাবিক দরের কারণে সূচকের মারাত্মক পতনে অর্থলগি্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের শেয়ারের বিপরীতে দেয়া ঋণ সমন্বয়ে বাধ্য করার পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেয়া হয়। কারণ ব্যাংকগুলো তাদের ঋণ সমন্বয় করতে বড় ধরনের লোকসানের আগেই গ্রাহকদের স্বার্থ চিনত্মা না করে ফোর্স সেলে বাধ্য করছে। এতে গ্রাহকরা পুরোপুরি পুঁজি হারিয়ে বসছে। কিন্তু অর্থলগি্ন প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণের সমন্বয়েই খুশি হয়ে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকদের মধ্যে চরম অসনত্মোষ ছড়িয়ে দেয়ায় কতিপয় ব্রোকার হাউসের রহস্যজনক তৎপরতা গত কিছুদিন ধরে শুরম্ন হয়েছে বলে অনেকেই আঁচ করতে পারছেন। খাতুনগঞ্জের বহু ব্যবসায়ী ডিসেম্বরের আগে পর্যনত্ম শেয়ার ব্যবসায় সরাসরি জড়িত ছিল। কিন্তু ইদানীং ঐসব ব্যবসায়ী তাদের পুঁজি এবং লভ্যাংশ তুলে নিয়ে বাজারে অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করছে। সিএসই'র সিংহভাগ সদস্য এবং ব্রোকারেজ হাউসগুলোর বিনিয়োগকারী খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী। এসব ব্যবসায়ীদের অনেকেই সরকার বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেছেন, গত কয়েকদিনের অস্বাভাবিক লেনদেন পরীক্ষা নিরীক্ষা করলেই ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কারসাজি ফাঁস হয়ে যাবে। ঢাকায়ও অস্বাভাবিক লেনদেনের জন্য ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করার ঘটনার সঙ্গে চট্টগ্রামেরও যোগসূত্র থাকতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দায়ী ব্রোকারেজ হাউসগুলোর বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা নিতে না পারলে সরকারের কোন পদক্ষেপই কাজে আসবে না। বরং শেয়ার বাজারকে অস্থিতিশীল করে সরকারের বিরম্নদ্ধে সাধারণদের সমর্থন জোরালো করবে। তাই চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে শেয়ার বেচাকেনারত ব্রোকারেজ হাউসগুলোর তৎপরতা অবিলম্বে নিরীক্ষা করার দাবি উঠেছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 5:02 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কিছু সিদ্ধান্ত ভুল ছিল :অর্থমন্ত্রী

ইত্তেফাক রিপোর্ট
22.01.2011

পুঁজিবাজারে সামপ্রতিক অস্থিরতার পেছনে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এবং সরকারের ভুল স্বীকার করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। শুক্রবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী বেভারলী জে. ওড়ার সঙ্গে আলোচনা শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ও সরকারের নেওয়া কিছু কিছু সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। ভুলগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতাকে শেয়ারবাজারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত করেন তিনি। পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরাতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে বলে উলেস্নখ করেন তিনি। বর্তমান পরিস্থিতির কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার পুঁজিবাজারে ছাড়া যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শেয়ারবাজারে দরপতনের জন্য একটি দুষ্ট চক্রকে দায়ী করে তিনি বলেন, যারা শেয়ারবাজারে কারসাজি করছে তাদের অনুসন্ধান করা হচ্ছে। শেয়ারবাজারের অস্বাভাবিক আচরণ ঠেকাতে জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে ভয়াবহ দরপতনের প্রসঙ্গ উলেস্নখ করে তিনি বলেন, সেই সময়ে শেয়ারবাজারে চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে এখনো ব্যবস্থা নেয়া যায়নি। সাক্ষীর অভাবে বিচার কাজও শুরু করা যায়নি। বর্তমানে বাজারে চরম আস্থার সংকট বিরাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরাতে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। তবে বাজার নিয়ন্ত্রণের কোনো উদ্যোগই কাজে আসেনি। অবশেষে সার্কিট ব্রেকার দিয়ে চেষ্টা করা হলেও তাতে কাজ হয়নি বলেও উলেস্নখ করেন তিনি। এ পরিস্থিতিতে আগামীকাল রবিবার লেনদেন বন্ধ রেখে এসইসি ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসবেন। ঐ বৈঠকে আস্থার সংকট কাটানো ও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে নতুন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এসইসিতে রদবদল করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সরাসরি কোনো মন্তব্য করেন নি।

এর আগে অর্থমন্ত্রী ও কানাডিয়ান মন্ত্রী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির উন্নয়নে কানাডার আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরেন। কানাডিয়ান মন্ত্রীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দলে বাংলাদেশে নিযুক্ত হাই কমিশনার রবার্ট মেগডুগালও উপস্থিত ছিলেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 5:03 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী তার দায় এড়াতে পারবে

শেয়ার বাজার বিপর্যয়


জামাল উদ্দীন
The Daily Ittefaq
22.01.2011

পুঁজিবাজারে সামপ্রতিক পতনের দায় হিসেবে বাংলাদশ ব্যাংকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কী তাদের দায়িত্ব এড়াতে পারবে? পুঁজিবাজারের ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর ভাগ্য আজ অনিশ্চিত। একের পর এক পতনের রেকর্ডে অর্থমন্ত্রী 'সরকারের ভুল' স্বীকার করে নিয়েছেন। নানা ধরনের নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক যে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে সেটি আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল। অর্থমন্ত্রীর স্বীকারোক্তির মাধ্যমে তা প্রতীয়মাণ হলো।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, পুঁজিবাজারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছিল চালিকাশক্তি। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের নেয়া নানা আইনি পদক্ষেপ ব্যাংকিং খাতকে আটকে ফেলে। এমনকি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার সংকট চরমে উঠে যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুষ্ঠুভাবে সমাধান করতে পারেনি। বরং ঐ সুযোগে বিদেশী ব্যাংকগুলো আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগ করে মুনাফা লুটে নিয়েছে। একইভাবে শেয়ার বাজার থেকেও বিদেশী বিনিয়োগের মুনাফা তুলে নেয়া হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে বিদেশী বিনিয়োগের মুনাফা কি পরিমাণ চলে গেছে তার কোন হিসাব নেই। পাশাপাশি বিপুল অংকের কালো টাকা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা হয়েছিল এ টাকাও বৈধ করে শেয়ার বাজার থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কি পরিমাণ কালো টাকা বিনিয়োগ হয়েছিল এবং কি পরিমাণে তা উঠিয়ে নেয়া হয়েছে সেটারও কোন হিসাব নেই। আইনগতভাবেই এ সব টাকা বাজার থেকে চলে যায়। কিন্তু কারা এ টাকা বিনিয়োগ করেছিল তাদের বিষয়ে কোন রকমের খোঁজখবর নেয়া হয়নি। এ বিষয়গুলো জাতির জানার অধিকার রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। তারা বলেন, এ সব ব্যাপারে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা জরুরী।

বিশেষজ্ঞরা আরো বলেছেন, পুঁজিবাজারকে বলা হয় অর্থনীতির ব্যারোমিটার বা প্রাণ প্রবাহ। নানা ভুল সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অর্থনীতিকে যে জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে, এ জায়গা হতে অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করানো সম্ভব হবে কী? কিংবা অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কোন দিকে? ব্যাংকিং খাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে নিয়ম-কানুনের মাধ্যমে স্বাভাবিক গতিকে বাধাগ্রস্ত করে তুলেছে তাতে আগামী দিনে ব্যাংকগুলোর স্বাভাবিক ঋণ প্রবাহেও ঘাটতি দেখা দিবে যা অর্থনীতির জন্য মোটেই শুভ হবে না। সে ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ব্যাংক কী জবাব দেবে? সামপ্রতিক সময়ে ব্যাংকগুলো মুনাফা করেছে মূলতঃ শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করেই।

শেয়ার বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলো নতুন প্রকল্পে ঋণ প্রদানে উৎসাহিত না হওয়াই স্বাভাবিক। ঋণ দেয়া সম্ভব না হলে উদ্যোক্তারা পুঁজি সংকটে পড়বে। চলতি মূলধন ঋণের অভাবে বিদ্যমান কারখানাগুলোর চাকা সচল রাখাও কঠিন হবে- যা অর্থনীতির জন্য আরো ভয়াবহ হবে।

এদিকে অর্থর্মন্ত্রী ভুল স্বীকার করলেও বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নেয়া পদক্ষেপগুলোর কারণে সৃষ্ট আজকের পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনও উদাসীন। বিশেষজ্ঞ মহলের প্রশ্ন এর দায় তারা কীভাবে এড়াবেন। কালো টাকার মালিক, বিদেশী ব্যাংক কিংবা বিদেশী বিনিয়োগের মাধ্যমে যে সব টাকা পুঁজিবাজার থেকে চলে গেছে সে সব বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কী বলার আছে। পরিস্থিতি উত্তরণে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে সেটিও জাতি আজ জানতে চায়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 5:04 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার বাজারের দুষ্ট চক্রের খোঁজে সরকার

বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে কাল বৈঠক


এজাজ হোসেন
The Daily Ittefaq
22.01.2011


পুঁজিবাজারের উপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কি করা যায় তা নির্ধারণের জন্যে আগামী রবিবার বৈঠক বসছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে অংশ নেবেন অর্থনীতিবিদ, বাজার বিশেস্নষক, সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, দুই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা। এদিকে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা তৈরির জন্যে দায়ী নেপথ্যচারী 'দুষ্ট চক্র' সম্পর্কে অনুসন্ধান শুরু করেছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সূচক ৬০০ পয়েন্ট পতনের পর ট্রেড বন্ধ করে দেয়া হয়। রবিবারের বৈঠকের পর ট্রেড নতুন করে শুরু করা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত হবে। এই বৈঠকের এজেন্ডা সম্পর্কে সূত্র জানান, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বাজার ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হতে পারে। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসই পরিচালনা পর্ষদে সরকারের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষক নিয়োগেরও চিন্তাভাবনা রয়েছে।

সূত্র আরও জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) নিয়েই সরকার বেশী চিন্তিত। সংস্থাটিতে দুই সদস্য পদে নিয়োগের জন্যে যোগ্য লোক খোঁজা হচ্ছে। খুব দ্রুত এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। চেয়ারম্যানসহ ৫ সদস্যের এই কমিশনে আগে থেকেই একটি পদ খালি ছিল। কয়েকদিন আগে অন্য একজন সদস্য মনসুর আলমকে পদত্যাগ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে 'পরামর্শ' দেয়া হয়। এই প্রেক্ষাপটে তিনি ১২ জানুয়ারি 'ব্যক্তিগত' কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এর আগের দিন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মনসুর আলমকে নিষ্ক্রিয় রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। ডিসেম্বরে পুঁজিবাজারে আকস্মিক যে অস্থিরতা দেখা দেয় তার জন্য অভিযোগের তীর তাঁর দিকে রয়েছে। গত ৬ ও ৭ ডিসেম্বর কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ছাড়া চেক নগদায়ন এবং নেটিং সংক্রান্ত দুটি নির্দেশনা জারি করেন মনসুর আলম। এক্ষেত্রে চেয়ারম্যানেরও অনুমতি নেননি তিনি। এ পরিপত্রের কারণে ওই সময়ে পুঁজিবাজারে নজিরবিহীন দরপতন হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

তাছাড়া শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থার কয়েকটি সিদ্ধান্ত বাজার পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। তারা নিজেদের আইন নিজেরাই ভেঙ্গেছে এমনও নজির রয়েছে। সমপ্রতি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বিভিন্ন কোম্পানির আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিলাম প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্যে এসইসি আইন তৈরি করলেও তারা নিজেরাই তা মানেনি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই তা পরিবর্তন করেছে।

জানা গেছে, গত বছর ২৯ ডিসেম্বর বিভিন্ন কোম্পানির আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোটা নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বরাদ্দের জন্যে ২ কার্যদিবস সময় রাখার প্রজ্ঞাপন জারি করে এসইসি। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিলাম শেষ হওয়া এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্যে আবেদন জমা নেয়ার সময়ের মধ্যে ১৫ কার্যদিবসের ব্যবধান থাকতে হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উলেস্নখ করা হয়। কিন্তু এ প্রজ্ঞাপন জারির মাত্র ১৫ দিনের মাথায় গত ১৩ জানুয়ারি এসইসি একটি প্রতিষ্ঠানের আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্যে ৩ থেকে ৫ কার্য দিবস সময় দিয়েছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিলাম শেষ হওয়া এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্যে আবেদন জমা নেয়ার সময়ের ব্যবধান ১৫ কার্যদিবস থেকে বাড়িয়ে ২৫ কার্যদিবস করেছে। এতে সংশিস্নষ্ট কোম্পানি আর্থিক ( ব্যাংক সুদের মাধ্যমে) ভাবে লাভবান হবে বলে জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র এসব অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্যে বাজার ব্যবস্থাপক এবং সংশিস্নষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সংশিস্ন্লষ্টতার অভিযোগ ইতিমধ্যে বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্যে ইতিমধ্যে সক্রিয় হয়েছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা। তাদের পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/22/2011 5:15 am

Forum Addict


Regist.: 12/31/2010
Topics: 14
Posts: 92
OFFLINE
আ’লীগ ও বিএনপি’র ১০/১৫ জন ব্যবসায়ী রাজনীতিক শেয়ার বাজারের ১৫ হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছেন

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
সাক্ষাৎকারে ইব্রাহীম খালেদ

‘১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে আওয়ামী লীগের একজন ব্যবসায়ী-রাজনীতিক জড়িত ছিলেন। কিন্তু এখন তার সঙ্গে জড়িত হয়েছেন বিএনপি’র একজন রাজনীতিক-ব্যবসায়ীসহ আরও বেশ কয়েকজন। অন্যদের নাম আমি বলতে চাই না। তবে তাদের এই সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ জনের বেশি নয়। তারা গত চার মাসে শেয়ারবাজার থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছেন। কিন্তু এই টাকাটা তারা আর কোনও দিন বিনিয়োগ করবেন না। এই টাকা তারা মেরে দিয়েছেন।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর এবং কৃষিব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বাংলানিউজের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট এস এম গোলাম সামদানীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। তার নিজের ভাষ্যেই তুলে ধরা হলো পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকারটি।  

ইব্রাহীম খালেদ বলেন:

আমার প্রশ্ন হলো, শেয়ারবাজারে যখন দাম বাড়লো তখন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনলো। কিন্তু যখন দাম পড়ে গেল তখন টাকাটা কোথায় গেল? আমি বলবো, এই টাকাটা কয়েকজনের পকেটে চলে গেছে।

আমি মনে করি, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে শুধু একটি দলের লোক জড়িত নন। উভয় দলের লোকজন এখানে জড়িত। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও পুঁজিবাজারে তাদের মধ্যে কোনও বিরোধ নেই। বিরোধ হলো সংসদে গিয়ে। দেশের সাধারণ মানুষের টাকা একাট্টা হয়ে মেরে দিতে তাদের কোনো অসুবিধা নেই।

আমি বলবো কোনও কোনও ক্ষেত্রে এসইসি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। অথবা তাদের অসহায়ত্ব ছিল। তা না হলে এটি কীভাবে হলো। তাদের দায়িত্ব হলো বাজার নিয়ন্ত্রণ করা। যখন সরকার থেকে শেয়ার ছাড়ার কথা ছিল সেটা করা গেল না। যেখানে শেয়ার কম সেখানে এতো টাকা বাজারে এলো কী করে? এসইসির কাজ হলো বাজারে কোনও সমস্যা হলে প্রয়োজনে বাজার কখনও টেনে ধরা কিংবা ছেড়ে দেওয়া। কিন্তু এসইসি সেটা না করে বরং উল্টোটা করেছে। যখন টেনে ধরার দরকার ছিল তখন তারা দাম বাড়ায় সহায়তা করছে। না হলে বাজারে দাম বাড়লো কেন?

শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টতায় সরকার মানে তো এসইসি, সরকার মানেতো শেখ হাসিনা নন। এই কারসাজির জন্য এসইসিই দায়ী।    

বাজারে দরপতনের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনও দায়িত্ব নেই বলেই আমি মনে করি। বাংলাদেশ ব্যাংক মানি মার্কেট মনিটরিং করে। স্টক মার্কেটের দায়িত্ব এসইসির। বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি-- এদুটির আলাদা চার্টার আছে। তারা বিনা চার্টারে কাজ করে না। কার চার্টারে কি আছে সেটা দেখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের যে আইন রয়েছে সেখানে কোথাও লেখা নেই যে স্টক মার্কেট বাংলাদেশ ব্যাংক দেখবে।

এক খাতের বিনিয়োগ অন্য খাতে বিনিয়োগ না করা, এসএলআর, সিআরআর জমার পরিমাণ বাড়ানো এবং পরিশোধিত মূলধনের অতিরিক্ত অর্থ বাজারে বিনিয়োগ না করা সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার কারণে বাজার পড়ে গেছে- এমন অভিযোগ রয়েছে।

আমি বলবো, বাংলাদেশ ব্যাংক যে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছে সেগুলো নেওয়া তার দায়িত্ব ছিলো। পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত অর্থ বিনিয়োগ করার পর ব্যাংকগুলোর কোনও সমস্যা হলে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংককে ধরতাম। ব্যাংকগুলো যখন বাজারে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত বিনিয়োগ করেছে তখন বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ব্যাংকগুলো ঠিক রাখার জন্য যা করার দরকার ছিল বাংলাদেশ ব্যাংক তা-ই করেছে। ব্যাংকগুলো যখন অতিরিক্ত অর্থ বাজারে বিনিয়োগ করা শুরু করলো বাংলাদেশ ব্যাংক তখন তাদের ধরলো। তবে আমি বলবো এটা আরও আগে করা দরকার ছিল। যেটুকু বাংলাদেশ ব্যাংকের করা দরকার ছিল তারা সেটুকু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কারণে বাজারে দরপতন হয়নি।

বাজার একবার উঠলে আবার পড়বে। এটাকে কারেকশন বললেও এটা কারেকশন না। কয়েকটি গ্রুপ রাতে বসে ঠিক করে আগামীকাল কোন শেয়ারের দাম বাড়বে। এখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কী করার আছে! তবে এখানে এসইসির করণীয় আছে। কোনও কোনও শেয়ার যখন প্রিমিয়ামে বিক্রি হয়, সেখানে তারা অতিরিক্ত প্রিমিয়াম কেন দেয়?
    
বাজারের এই অবস্থায় থেকে উত্তরণের উপায় কী হতে পারে এমন প্রশ্ন অনেকেই করছেন। তবে বিরাজমান অবস্থায় উত্তরণের কোনও পথ আছে বলে আমার কাছে মনে হয় না। অস্বাভাবিক উত্থান হলে এভাবেই পতন হয়। তবে একটা পথ বলতে আমি বলবো এই অবস্থায় এসইসিকে সম্পূর্ণরূপে পুনর্গঠন করা না হলে শেয়ারবাজার ঠিক করা যাবে না। এখানে সৎ ও দক্ষ লোক বসিয়ে বাজার পরিচালনা করতে হবে।    

বাংলাদেশ সময়: ১২২২ ঘণ্টা ২২ জানুয়ারি ২০১১
Quote   
01/22/2011 6:05 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Fresh innocents to the slaughter

The ECONOMIST
18 January,2011



RIOTS around Bangladesh’s largest stock exchange threaten to become a regular feature of life in the capital. Twice last month, investors took to the streets of Dhaka after a steep decline in the value of shares on the stock exchange’s general index, known as the DGEN.

On January 9th, investors again fought running battles with the police after the DGEN’s shares fell a further 7.8%. When the stockmarket went into free fall the next morning—with the DGEN shares losing 9.3% of their value in just the first 50 minutes of selling—the country’s Securities and Exchange Commission shut down the exchange.

In 1996, a similar share crash was memorably named “the Slaughter of the Innocents” (erm, it was memorable to The Economist anyway). Then, as now, the Awami League (AL) led a government headed by Sheikh Hasina Wajed—but in other ways the political context of the new year’s financial kerfuffle could not have been more different.

Then there were fewer than 50,000 individual investors, most them based in the capital city. Now, 14 years on, almost in step with the internet’s expansion and the flourishing of brokerage firms across the Bangladesh, there are 3.2m investors hailing from every town and city. More than half of these people started investing on the share market only last year.

With the political stakes having grown higher—as the investing class has grown broader—and with elections due in hundreds of municipalities this month, the AL government could not sit idle.

So when the stock exchange reopened on Tuesday, January 11th, the government and the banks immediately pushed huge amounts of money into the markets. Sure enough, the exchange recorded a 15.6% rise in share values by the end of the day.

This may, for now, have soothed investors’ nerves and pre-empted outspoken criticism from the opposition Bangladesh National Party, which would like to pin responsibility for the crash on the government. But share prices are almost certain to fall precipitously again sometime.

Since 2007, the Dhaka stock exchange has been outperforming almost all the world’s markets. Share prices have increased steadily over the past four years, gaining by as much as 410% in value over the period. Last year alone they gained 83%.

This performance is not driven, however, by any such radical changes in the fundamental strengths of the Bangladesh economy. It tends rather to reflect the economy’s weaknesses.

The ongoing energy crisis and other infrastructural problems have curtailed opportunities for private investment. As a result, both banks and financial institutions have invested very heavily in the stockmarket—at more than eights time the levels they had invested four years earlier—driving up the value of shares.

The crash in share prices was probably triggered by an attempt on the part of Bangladesh’s central bank to restrict the private banks’ exposure to the exchange. Attention is now focusing on the inadequacy of the Securities and Exchange Commission. It is heavily understaffed, has no chartered accountant and has only one lawyer. Its response to the recently volatile conditions has been haphazard; it has changed, on a daily basis, the amount of borrowed money an investor is allowed to trade on. On January 12th the commissioner who had presided over recent weeks’ mayhem handed in his resignation.

Institutions do not bear all of the blame however. The most pressing question is whether Bangladesh’s teeming millions of new individual investors will learn their lesson. For too many the stockmarket had become a route to easy money—in many cases it even seemed to provide a way to avoid working a job. Last week’s violent street scenes express these investors’ frustration at learning that putting money on the stockmarket involves risk. If this class of investor fails to take heed, 2011 could bring about yet more slaughter. The innocents, however, will have been culled already.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 16 / 40 1 - 2 - 3.. - 14 - 15 - 16 - 17 - 18.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview