DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
Page 18 / 40 1 - 2 - 3.. - 16 - 17 - 18 - 19 - 20.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
STOCK RELATED NEWS FROM NEWSPAPER, ELECTRONIC, PRINT AND DIGITAL MEDIA
01/23/2011 7:56 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মার্চেন্ট ব্যাংকই কুচক্রী মহল: বিএসআইএ



ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে কুচক্রী মহল বলে আখ্যায়িত করেছে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ (বিএসআইএ)। কারণ, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারকে ট্রামকার্ড হিসেবে ব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ জন্যই শেয়ার বাজারের করুণ অবস্থা। সংগঠনটি মার্চেন্ট ব্যাংক যে পরিমাণ অর্থ শেয়ারবাজার থেকে হাতিয়ে নিয়েছে তা পুনরায় বাজারে ফিরিয়ে দিয়ে তাদের দায়বদ্ধতা পূরণ করতে বাধ্য করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। আজ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ভিআইপি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় বিএসআইএ নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন বিএসআইএ'র আহ্বায়ক মিজান উর রশিদ চৌধুরী, যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী আব্দুর রাজ্জাক, এম জাহাঙ্গীর আলম, সদস্যসচিব এমকে ফিরোজ ও এম জিহাদ আহমেদ।
বক্তারা বলেন, যদি বাজার পূর্বের অবস্থায় ফিরে না আসে তাহলে ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীরা আবারো রাস্তায় নেমে আসতে বাধ্য হবে।
যতদিন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে না আসে ততদিন পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ রাখার দাবি জানায় সংগঠনটি। অন্যদিকে, গত ২০ জানুয়ারির অস্বাভাবিক লেনদেন বাতিলেরও দাবি জানায় বিনিয়োগকারীরা। একই সঙ্গে সেদিনের লেনদেনের আইনি বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা। ২০ জানুয়ারির লেনদেন বাতিল না করা হলে আইনের আশ্রয় নেয়ার হুমকি দেয় সংগঠনটি।
এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুঁজিবাজারকে এমন একটি শক্তিশালী বিনিয়োগ বাজার হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানান যার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তা ভূমিকা রাখতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাসহ ১৫ দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনটি।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এইচএমএম/ এস/ এসসি/১৭.১৭ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 7:59 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার
লেনদেন মঙ্গলবার, সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহার

     
     
Sun, Jan 23rd, 2011 6:43 pm BdST
     

ঢাকা, জানুয়ারি ২৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

পুঁজিবাজারে মঙ্গলবার লেনদেন শুরু হবে। সূচকে আরোপ করা সার্কিট ব্রেকারও প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী তদন্তে একটি কমিটি করা হবে।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় স্থগিত করা হয়েছে মোবিল-যমুনা ও এম আই সিমেন্টের শেয়ার লেনদেন।

পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি নিয়ে রোববার দুই দফা বৈঠকের পর সন্ধ্যায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে নিজের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, "মঙ্গলবার থেকে বাজার খুলে দেওয়া হবে। আশা করি ভালোভাবেই চলবে।"

পুঁজিবাজারে সা¤প্রতিক অস্থিরতার ব্যাপারে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি করা হবে জানিয়ে মুহিত বলেন, "মার্কেটের ওভার অল পি ই রেশিও ২৩। আর সূচক ৬ হাজার তিনশর লেভেলে। আমার মনে হয় না এটা খুব হাই। বাজারের ফান্ডামেন্টাল ভাল। প্রতিবেশী দেশগুলোর বাজারে ফান্ডামেন্টাল এরকমই।"

পুঁজিবাজার থেকে 'সামান্য টাকা' বাইরে বেরিয়ে গেছে মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, "মার্কেট থেকে টাকা অন্যত্র চলে যাচ্ছে- এসব বাজে কথা। সামান্য কিছু টাকা বাইরে গেছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

এ ছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যে পরিমাণ টাকা মুনাফা হিসেবে বাজার থেকে তুলে নিয়েছে তার একটি অংশ আবার বাজারে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানান তিনি।

সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন পদ্মায় টানা দুই ঘণ্টার বৈঠকের পর বিকেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ে দ্বিতীয় দফার এ বৈঠক বসে।

অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/আরবি/এসএসজেড/পিডি/জেকে/১৯২২ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 8:04 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
এটা নিয়ন্ত্রক সংস্থারই ব্যর্থতা: সালেহউদ্দিন
     
     
Sun, Jan 23rd, 2011 6:20 pm BdST
     
ঢাকা, জানুয়ারি ২৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

পুঁজিবাজারের সা¤প্রতিক অস্থিরতার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) দায়ী করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ।

রোববার রাজধানীতে 'মনিটারি পলিসি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাংলাদেশ ব্যাংক' শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, "এটা নিয়ন্ত্রক সংস্থারই ব্যর্থতা। তারা নিজেদের স্বাধীন ক্ষমতার ব্যবহার করতে না পারার কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।"

অর্থনীতি বিষয়ক প্রতিবেদকদের সংস্থা ইআরএফ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

টানা কয়েকদিনের দরপতনের পর গত ১৯ ফেব্র"য়ারি পুঁজিবাজারে সূচকে সার্কিট ব্রেকার আরোপের ঘোষণা দেয় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সেদিন নিয়মিত সময়ের চেয়ে দুঘণ্টা দেরিতে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন শুরুর দেড় ঘণ্টার মাথায় সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করায় বুধবার লেনদেন বন্ধ হয়ে যায় বেলায় আড়াইটায়।

২০ ফেব্র"য়ারিও দুঘণ্টা দেরিতে লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটিরে মাথায় সার্কিট ব্রেকার অতিক্রম করে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর রোববার পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকার ঘোষণা দেয় এসইসি।

সালেহউদ্দিন বলেন, "আমি বুঝতে পারছি না- অর্থমন্ত্রী কেন বললেন যে তারও কিছু ভুল ছিল। পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখার দায়িত্ব পুরোপুরি নিয়ন্ত্রক সংস্থার।"

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, পুঁজিবাজার পরিচালনায় এসইসি ও তার নিজের কিছু ভুল ছিলো।

সালেহউদ্দিন আহমেদ আরো বলেন, "সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং এর প্রভাব বিশ্লেষণের পরই যেকোনো সিদ্ধান্ত আরোপ করা উচিত। তবে এক্ষেত্রে দেখা গেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে স্বল্প মেয়াদি কৌশল গ্রহণ করেছে।"

"কৌশলের কারণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, কেউ লাভবান হবেন এটাই সত্য। সবার উপকারে আসে এমন কৌশল হতে পারে না। এসইসি'র এই বিষয়টি বোঝা উচিত", বলেন সাবেক এই গভর্নর।

পুঁজিবাজারে ১৯৯৬-এর কারসাজির মূলহোতাদের বিচারের আওতায় আনা গেলে সা¤প্রতিক বিপর্যয় থেকে পুঁজিবাজারকে রক্ষা করা যেত বলে মনে করেন তিনি।

সালেহউদ্দিন বলেন, "বিশ্বের অন্যান্য দেশে পুঁজিবাজারে কারসাজির জন্য বড় অঙ্কের জরিমানার প্রচলন থাকলেও বাংলাদেশে এটি অনুপস্থিত।"

ব্যাংকগুলোর বেশি মাত্রায় পুঁজিবাজারমুখী হওয়া উচিত নয়- এ মন্তব্য করে সালেহউদ্দিন বলেন, "ব্যাংকগুলো মুনাফা করলেও আমানতকারীদের এতে কোনো লাভ হয় না। তবে তারা যদি ক্ষতির সম্মুখীন হয় সেক্ষেত্রে আমানতকারীদের ওপর এর বোঝা চাপানো হয়। এটি অনৈতিক এবং ব্যাংকগুলোর এমনটি করা উচিত নয়।"

যে কোনো বিপর্যয়কর পরিস্থিতি এড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি ব্যবস্থা আরো জোরালো করার বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

সাবেক এই গভর্নর বলেন, "২০১৮ সাল থেকে ব্যাংকগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বা ব্যাসেল-থ্রি কার্যকর হবে। এতে ব্যবস্থাপনা ও তদারকির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। আরো ১১ বছর সামনে থাকলেও এর বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের এটিই মোক্ষমক্ষণ।"

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিনিয়োগসীমার চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করায় এরই মধ্যে পাঁচটি ব্যাংককে সতর্ক করে তা সমন্বয় করার কথা বলা হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএসজেড/জেকে/এএল/পিডি/১৯৪৩ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 8:05 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার: পদ্মার পর মন্ত্রণালয়ে বৈঠক
     
     
Sun, Jan 23rd, 2011 5:31 pm BdST
     

ঢাকা, জানুয়ারি ২৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বৈঠকে বসেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন তিনি।

রোববার বিকেল ৪টায় অর্থমন্ত্রীর কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়।

অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টানা দরপতনে পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সঙ্কট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে সকালেও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে দুই ঘণ্টার বেশি সময় বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী।

সকালের বৈঠকে যেসব প্রস্তাব এসেছে- সেগুলো নিয়েই বিকেলের বৈঠকে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ওই বৈঠক শেষ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিক লিমিটেড কম্পানির (এপিএলসি) সভাপতি সালমান এফ রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে তা তুলে ধরবেন।

ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের জানান, রোববারের মতো সোমবারও পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে।

বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসই সভাপতি বলেন, "আমরা আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছি। এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।"

এফবিসিসিআই সভাপতি আজাদ বলেন, পুঁজিবাজার দ্রুতই খুলে দেওয়া হবে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/আরবি/এমআই/জেকে/১৭২৯ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 8:08 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

বুকবিল্ডিং, সার্কিট ব্রেকার স্থগিত হচ্ছে॥ হচ্ছে তদন্ত কমিটিও: অর্থমন্ত্রী


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময় ১৮৫২ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৩, ২০১১

ঢাকা: পুঁজিবাজারে স্থিতিবস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার সাম্প্রতিক সময়ে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপই স্থগিত করছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সূচকের সার্কিট ব্রেকার স্থগিত করা হবে, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিও আপাতত থাকবে না।

রোববার এসইসি, ডিএসই, সিএসই’র প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।  

তিনি বলেন, মঙ্গলবার পুঁজি বাজার নতুন উদ্যমে শুরু হবে।

পুঁজি বাজারে ব্যাপক সংস্কার আনা হচ্ছে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিপুল অংকের অর্থ বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, মোটেই বিপুল অংকের অর্থ উধাও হয়নি। সামান্য কিছু অর্থ সরে গেছে যা সংশোধন করা সম্ভব।  

তবে এ ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই তদন্ত কমিটি হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, দুই সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের আরেকটু সাবধান হতে হবে।  দশ টাকা খাটিয়ে ৫০ টাকা হয়ে যাবে এটা এমন নয়। অনেক বিনিয়োগকারী পুজিবাজারের বিষয়গুলো জানেইই না। তাদের প্রশিক্ষণ ও সচেতন করা আমাদের কর্তব্য। একই সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট তাদেরও।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, উদ্ভুত পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল করে তোলা সম্ভব এবং সরকার সে লক্ষেই কাজ করছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন,
‘বিনিয়োগকারীর স্বার্থ রক্ষা করাই আমাদের উদ্দেশ্য তবে কি পদক্ষেপ তা এ মুহুর্তে বলা কঠিন।’

মঙ্গলবারে বাজার খোলার সময় বাজার অনেক গোছানো হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

এর আগে প্রধামন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা মশিউর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, এসইসি চেয়ারম্যান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবসহ অর্থ বিভাগের সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী।

সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন ‘পদ্মা’য় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা, বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা, বাংলাদেশ ব্যাংক, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, এসইসি, মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বেঠক করেন অর্থমন্ত্রী। তারপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

এরপর  শেয়ারবাজারের চলমান সঙ্কট থেকে উত্তরণের উপায় নির্ধারণে বিকেল চারটায় জরুরি বৈঠকে বসেন অর্থমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সন্ধ্যা ছ’টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 8:10 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

পুঁজিবাজারে ধস : অভিযুক্ত সরকার-এসইসি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক


সোহেল রহমান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময় : ১১৫৬ ঘন্টা, ২৩ জানুয়ারি , ২০১১

আবার বড় ধরনের সঙ্কটে পড়েছে দেশের পুঁজিবাজার। ১৯৯৬ সালের চেয়েও এবারের পুঁজিবাজারের ধস আরো ভয়াবহ বলে মন্তব্য করছেন বিভিন্ন মহল। পতনের পর এর কারণ ও দায় নিয়ে নানা ধরনের পর্যালোচনা হচ্ছে সবদিকে। একপক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করছেন। কখনো কখনো এর মধ্যে রাজনৈতিক ইন্ধনও ঢুকে পড়ছে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন খোদ অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিতের সাম্প্রতিক বক্তব্য।  

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো সেগুলোর কিছু সিদ্ধান্ত ভুল ছিলো’। তিনি বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণের কোনো উদ্যোগই কাজে আসেনি। সবশেষে সূচকে সার্কিট ব্রেকার দিয়েও চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু কাজ হয়নি’। একই সঙ্গে বাজার পতনের জন্য বিনিয়োগকারীদের আস্থার সঙ্কট, শেয়ারের অতি মূল্যায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদেরও দায়ী করেছেন তিনি।

অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মহল উল্লসিত হলেও এ ধরনের আত্মসমালোচনামূলক বক্তব্য বা স্বীকারোক্তির এক ধরনের ইতিবাচক দিক যেমন রয়েছে। তেমনি এর তাৎপর্যও অনেক। ইতিবাচক দিকটি হচ্ছে সরকার তার ভুল বুঝতে পেরেছে এবং এই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার আগামীতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

তবে পাশাপাশি এই প্রশ্নটাও উঠছে যে, সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার ব্যর্থতা বা ভুলের খেসারত সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কেন বার বার দেবে? এর প্রতিকার কী? বিনিয়োগকারীরা বলছেন, শুধু দায় স্বীকার করলেই হবে না, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা কিংবা ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়টিও সরকারকে গভীরভাবে ভাবতে হবে। এই কথাগুলো এখন খুব জোরালোভাবে উঠে আসছে। কারণ ’৯৬ সালে পুঁজিবাজারে যখন বিপর্যয় ঘটে তখনও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল। আর এবার যখন এ সরকার দায়িত্ব নেয় তখনও পুঁজিবাজারে এমন একটা কথা ছড়িয়ে পড়েছিল যে, এবারও পুঁজিবাজারে ’৯৬-এর ঘটনার  পুনরাবৃত্তি ঘটবে।

তবে এবার যাতে ’৯৬-এর ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে এ ব্যাপারে সরকার তৎপর ছিল না এমনটা বলা ভুল হবে। সরকার তৎপর থাকলেও মূলত সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে না পারার কারণে এবার বাজারে ধস নেমেছে।

অনেকের মতে, ’৯৬-এর শেয়ার কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতদের শাস্তি দেওয়া হলে আজ আর এ ধরনের ঘটনা ঘটতো না।

অর্থমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে ’৯৬-এর শেয়ার কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িতদের শাস্তি না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেছেন, ‘১৯৯৬ সালের ঘটনার জন্য যাদের অভিযুক্ত করা
হয় তাদের বিরুদ্ধে কেউই সাক্ষ্য দিতে চায় না। ফলে প্রমাণ থাকলেও তা কাজে আসছে
না। মামলা করা যাচ্ছে কিন্তু সাক্ষ্য দেওয়ার লোক পাওয়া যাচ্ছে না’। যদি তাই হয় তাহলে পুঁজিবাজারের জন্য বিষয়টা অবশ্যই উদ্বেগজনক। এক্ষেত্রে সরকারকে অবশ্যই বিকল্প চিন্তা করতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রসঙ্গত, বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব নেয় তখন পুঁজিবাজার ছিল মন্দা। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে টানা প্রায় তিনমাস পুঁজিবাজারে মন্দাবস্থা বিরাজ করছিল। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পুঁজিবাজার একটু একটু করে চাঙ্গা হতে থাকে। ২০০৯ সালের জুনে জাতীয় বাজেট ঘোষণার পরপরই বাজার আরো বেশি চাঙ্গা হয়ে ওঠে এবং প্রথমবারের মতো ডিএসই’র দৈনিক লেনদেন এক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। এরপর থেকে বাজার ঊর্ধ্বমুখি হতে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে।

এর মধ্যে বাজারের লাগাম টেনে ধরার জন্য কখনো কখনো মার্জিন লোন কমিয়ে দেওয়া ও পি-ই রেশিও সংক্রান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হলেও এগুলোর মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। বরং বার বার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণে বিতর্কিত হয়েছে সরকার ও এসইসি।

পুঁজিবাজার সম্পর্কিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ২০০৯-এর নভেম্বরে। এ মাসের ৫ তারিখে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ‘ভবিষ্যতে সব কোম্পানির অভিহিত মূল্যে সমতা আনা হবে। যেহেতু বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ১০০ টাকা, সেহেতু ভবিষ্যতে শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করা শ্রেয়তর হবে।’ এর পাঁচ দিন পর এসইসির পরামর্শক কমিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করে। শেষ পর্যন্ত অর্থ মন্ত্রণালয় আগ্রহী কোম্পানিগুলোকে তাদের অভিহিত মূল্য ১০ টাকায় রূপান্তরের ব্যাপারে সম্মতি দেয়।

বলাবাহুল্য, এ ধরনের ঢালাও সিদ্ধান্তে রাতারাতি অধিকাংশ শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়ে পড়ে এবং লেনদেন বেড়ে যায় অনেক।

চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় পুঁজিবাজারের অস্থিতিশীলতার জন্য ‘বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি, শেয়ার স্বল্পতা ও বিনিয়োগকারীদের অধিক মুনাফা প্রবণতা’ এই তিনটি কারণকে চিহ্নিত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার পুঁজিবাজারকে আরো স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে চায়’। তিনি বলেন, ‘এ লক্ষ্যে বাজার তদারকি জোরদার, মার্জিন লোনের হার পুন: নির্ধারণ, বুক বিল্ডিং পদ্ধতি ও ওটিসি মার্কেট চালু এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট স্থাপন করা হয়েছে’।  

সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বরে (২০১০) মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান যে, পুঁজিবাজারের স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, মার্চেন্ট ব্যাংক এদেরকে মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় আনা হবে। আগামী জুনের মধ্যে এ সংক্রান্ত সকল আইন প্রণয়ন সম্পন্ন করা হবে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারকে মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় আনা হলে ‘বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না’ বলেও উল্লেখ করে তিনি।

এছাড়া পুঁজিবাজারে শেয়ার সরবরাহ বাড়াতে গত বছর ১২ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী এক বৈঠকে ২৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ার পুঁজিবাজারে ছাড়ার বিষয়ে ঘোষণা দিলেও এ ব্যাপারে এখনো তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানা যায়।

প্রসঙ্গ কেন্দ্রীয় ব্যাংক  

বিধান অনুযায়ী পুঁজিবাজার দেখা-শোনা করার সার্বিক দায়িত্ব সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)-এর, বাংলাদেশ ব্যাংকের নয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক যেহেতু সার্বিকভাবে দেশের মুদ্রা বাজার মনিটরিং করে তাই পুঁজিবাজারের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ধরনের পরোক্ষ মনিটরিং থাকে। এ কারণে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক কখনো কখনো নেপথ্য হস্তক্ষেপ করে থাকে।

সাধারণভাবে দেখা যায়, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসি যখন ব্যর্থ হয় কেবল তখনই বাংলাদেশ ব্যাংক এগিয়ে আসে। কিন্তু কোনো কোনো মহল তখন এই বলে প্রচার চালায় যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপের কারণেই পুঁজিবাজারে ধস নামছে। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

তবে এবার পুঁজিবাজার পতনের জন্য অর্থমন্ত্রী সরকার ও এসইসি’র ভুল সিদ্ধান্তকে দায়ী করায় স্বস্তিতে আছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক পুঁজিবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ না করার জন্য ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করে আসছিল। এ লক্ষ্যে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর হিসাব পৃথকভাবে দাখিলেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও ব্যাংকগুলো গোপনে পুঁজিবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করে আসছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে এটা প্রমাণিতও হয়েছে।

ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬(২) অনুযায়ী , কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ৩০ শতাংশ বা ব্যাংকের আদায়কৃত ও সংরতি মূলধনের ৩০ শতাংশের মধ্যে যেটি কম, এর বেশি টাকায় ওই কোম্পানির শেয়ার ধারণ করা যাবে না। পাশাপাশি কোনো ব্যাংক তার মোট আমানতের ১০ ভাগের বেশি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে না।

কিন্তু অতি মুনাফার আশায় ব্যাংকগুলো এ ধরনের বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছে। আর এতে ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে গ্রাহকের আমানত। ব্যাংকগুলো একদিকে নিজস¡ তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ করছে, পাশাপাশি গ্রাহকদেরও ঋণ দিচ্ছে বিনিয়োগ করার জন্য। আর এভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ শেয়ারবাজারে ঢুকে পড়েছে। চলতি বছর বেসরকারি অনেক ব্যাংকের পরিচালন মুনাফার একটি বড় অংশ এসেছে শেয়ারে বাজারে বিনিয়োগ থেকে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-ও সম্প্রতি ‘বাংলাদেশ: আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদনে এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ‘প্রথাগত ব্যাংকিং কার্যক্রমের বাইরে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো তাদের কর্মকাণ্ড ও সম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছে। যা দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করছে। এ রকম পরিস্থিতিতে বাজারের পতন ঘটলে তা কোনো  কোনো ব্যাংকের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে’।

পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের লাগাম টেনে ধরতে গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে ব্যাংকগুলোর সিআরআর ও এসএলআর-এর হার কিছুটা বাড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরও আগে ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে তাদের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয় করতে বলা হয়। তবে বাজারের সঙ্কট ক্রমশ : বাড়তে থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক দ্রুত তার সিদ্ধান্ত শিথিল করে এবং শেয়ার কেনার জন্য আইসিবি-কে ৪শ’ কোটি টাকা অর্থের যোগান দেয়।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 8:11 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া সংকট উত্তরণ সম্ভব নয়


গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১১৪৬ ঘণ্টা, ২৩ জানুয়ারি ২০১১

ঢাকা: ঠেকানো যাচ্ছে না পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক দরপতন। গত ৬ ডিসেম্বর থেকে বাজারে একের পর এক বিপর্যয় ঘটলেও কোনভাবেই তা রোধ করা যাচ্ছে না।

শেয়ারবাজারের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), অর্থ-মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ব্যাংক, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)  দফায় দফায় বৈঠক করেও বাজারের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আনতে পারছে না।

বরং গত ৬ ডিসেম্বর থেকে বাজারে ধারাবাহিক দরপতন শুরু হয় এবং মাত্র ৩৩ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার-মূলধন কমেছে প্রায় ৮৪ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। একই সময়ে সাধারণ সূচক কমেছে প্রায় ২৫৯২ পয়েন্ট।

গত এক বছরে বাজার মূলধন ও সূচক যে পরিমাণ বেড়েছে তার ৫০ শতাংশ বাজার মূলধন এবং ৬০ শতাংশ সূচক মাত্র ৩৩ কার্যদিবসে কমে যায়। বাজারের এই দরপতন এখনো অব্যাহত রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, পুঁজিবাজারের এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন প্রতিষ্ঠানিক বিনিযোগকারীদের অংশগ্রহণ। আর প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ করলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বাজারের প্রতি আস্থা ফিরে আসবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা প্রয়োজন। পাশপাশি এসইসিতে পুনর্গঠনের প্রয়োজন রয়েছে।  
  
এ ব্যাপারে সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, বাজারের এই অবস্থায় সবার আগে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হবে। একইসঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এই মুহূর্তে বাজারে প্রবেশ করা দরকার।

তিনি আরো বলেন, বাজারে শেয়ারের দাম যখন অস্বাভাবিক বাড়ছিল তখন এসইসির আরো হস্তক্ষেপ করা দরকার ছিল। কিন্তু তখন তারা অনেক ক্ষেত্রে ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বাজারকে আরো অস্থিতিশীল করে তোলে।
    
সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, বাজারে পরিকল্পিতভাবে দরপতন ঘটানো হয়েছে কিনা সেটা যথাযথভাবে দেখা উচিত।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ‘এ অবস্থায় উত্তরণের কোনো পথ আছে বলে আমার মনে হয় না। অস্বাভাবিক উত্থান হলে পতনও এভাবেই হয়। তবে একটা পথ বলতে আমি বলবো, বাজারে এই অবস্থায় এসইসিকে পুরোপুরি পুনর্গঠন না করা হলে শেয়ার মার্কেট ঠিক করা যাবে না। সৎ ও দক্ষ লোক বসিয়ে বাজার পরিচালনা করতে হবে।’    

পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ছাড়া বাজারকে এই অবস্থা থেকে টেনে তোলা সম্ভব নয়। আর এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা প্রযোজন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি মো. শাকিল বিজভী বাংলানিউজকে বলেন, বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাজার নিয়ে আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে। বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য সবার আগে ফিরিয়ে আনতে হবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ।  

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 12:27 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ার বাজার চালু হচ্ছে কাল

০০ টাকা চলে যাওয়ার ধারণা অমূলক :অর্থমন্ত্রী

০০ সার্কিট ব্রেকার থাকছে না, বাই ব্যাক পদ্ধতি চালু হবে


০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
24.01.2011

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, শেয়ার বাজার থেকে টাকা চলে গেছে -এটি একটি অমূলক আশঙ্কা। সামান্য কিছু টাকা হয়তো গেছে। তবে বাজার পরিস্থিতি খুব খারাপ নয়। মৌল ভিত্তি ভাল। তাছাড়া আমাদের পর্যবেক্ষণের ক্ষমতাও ব্যাপক। এই বাজার স্থিতিশীল হয়ে যাবে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, বাজারকে ঢেলে সাজাতে হবে। এই লক্ষ্যে আমরা স্বল্প ও মধ্য মেয়াদী কিছু সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করব।

বাজার এখনো ঝূঁকিপূর্ণ কিনা-এ ধরনের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে প্রাইস আর্নিং রেশিও ২৩। এটি খুব বেশি নয়। আশেপাশের দেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। কিন্তু একে আমি আদর্শ বলব না। আর সে কারণেই বাজার ঝুঁকিপূর্ণ নয় -সেটাও আমি বলব না। আমাদের বিনিয়োগকারীদের আরেকটু সাবধান হতে হবে। তাদের সচেতন করার উদ্যোগ আমরাও নেব।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য এবং পরে অন্যান্য সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে সরকার একটি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এর মূল কথা হলো -প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতা যেমন মার্চেন্ট ব্যাংক, বিভিন্ন ব্যাংকের মার্চেন্ট ব্যাংক উইংকে সক্রিয় করা হবে। এদের অনেকেই বাজার থেকে মুনাফা তুলে নিয়েছে। তাদের সেই মুনাফা আবার বাজারে ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়ানো হবে। তবে কি প্রক্রিয়ায় এটি করা হবে সেটি খুব পরিষ্কার নয়। এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতারা যাতে সক্রিয় হয়, সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কিছুটা নমনীয় ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি উলেস্নখ করেন।

মঙ্গলবার দুই শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হবে ঃ আগামী মঙ্গলবার দুই শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হবে -এই ঘোষণা দিয়ে অর্থমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এখন থেকে বাজার বন্ধ রাখা হবে না। বাজারে স্থিতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে বাজারকে নিজস্ব গতিতে চলতে দেয়া দরকার। কেন সোমবার থেকে লেনদেন চালু করা হবে না তার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আমরা কিছু বিধিমালা তৈরি করছি। এই বিধিমালা বাজার শুরু হওয়ার দিন থেকেই কার্যকর হবে। সে জন্যেই একটু সময় নেয়া। এ সময় তিনি মত প্রকাশ করেন, প্রকৃত অবস্থার সঙ্গে বাজারের অস্থিরতার যোগসূত্র স্থাপন করা কঠিন।

তদন্ত কমিটি ঃ অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বাজারে কি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখার জন্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি আমাদের কাছে তাদের সুপারিশ পেশ করবে। আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। এ সময় '৯৬ এর ঘটনায় কুচক্রীদের কারো শাস্তি হয় নি- এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, সে সময় বাজার ব্যবস্থা ছিল অন্যরকম। কোন সাক্ষী পাওয়া যায়নি। এখন পরিস্থিতি সে রকম নয়। কি কি ঘটেছে, সব কিছুর রেকর্ড সিডিবিএল-এর কাছে রয়েছে। এই রেকর্ডই সাক্ষ্য হিসেবে কাজ করবে।

সূচকে সার্কিট ব্রেকার থাকছে না ঃ তিনি আরও জানান, আমরা সূচকের উপর সার্কিট ব্রেকার তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সফটওয়্যার কিছু পরিবর্তন এনে কোম্পানিগুলোর আরোপিত সার্কিট ব্রেকারও কিছুটা নমনীয় করা হবে। এ সময় তিনি বলেন, যে সংকটটা হয়েছে, সেখানে এসইসি, ডিএসই, সিএসই, ব্যাংক, মার্চেন্ট ব্যাংক সকলেরই বিশেষ বিশেষ ভূমিকা ছিল। তাৎক্ষণিক অনেক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এসইসি'র পরামর্শক কমিটি, মার্চেন্ট ব্যাংক ও মার্জিন ঋণ ঃ অর্থমন্ত্রী উলেস্নখ করেন, এসইসির একটি পরামর্শক কমিটি আছে। সেটি ঢেলে সাজানো হবে। এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এ কাজটি সারা হবে। তাছাড়া এসইসি বোর্ডে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিনিধি থাকা নিশ্চিত করা হবে। যাতে সব কিছুর মধ্যে একটা সমন্বয় থাকে। একই সঙ্গে এসইসির জনবল দ্বিগুণ করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির শূন্য পদ পূরণের ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া এসইসি এখন থেকে বাজারে হস্তক্ষেপ কমিয়ে দেবে। মার্চেন্ট ব্যাংকের ঋণ অনুপাত কি হবে সেটি তারাই ঠিক করবে, এসইসি নয়।

বাইব্যাক ঃ অর্থমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে জানান, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাই ব্যাক পদ্ধতি চালু আছে। আমাদের দেশে এটি নেই। আইনের যথাযথ সংশোধনী এনে আমরা বাই ব্যাক পদ্ধতি চালু করব। এই পদ্ধতির প্রয়োগ বাজার স্থিতিশীল রাখার একটি ভাল উপায়।

বুক বিল্ডিং ঃ বুক বিল্ডিং পদ্ধতি আপাতত স্থগিত থাকবে এ কথা উলেস্নখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পর দুই কোম্পানি এই পদ্ধতিতে বাজারে এসেছে। তাদের নিয়ে কোন কথা নেই। বর্তমানে দুইটি কোম্পানি এই প্রক্রিয়ায় বাজারে আসার জন্যে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কিন্তু লেনদেন হয়নি। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিটি ভাল। কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় শেয়ারের দাম নির্ধারণ করা হয়, তাতে কিছু ত্রুটি আছে। সে কারণে আপাতত এটি স্থগিত রাখা হচ্ছে। ত্রুটি দূর করে এটি চালু করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান, এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার এবং ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গতকাল সকাল থেকে অর্থমন্ত্রী পুঁজিবাজার-সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন মহলের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা আনার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। তারা বাজার স্থিতিশীল করার জন্যে বেশকিছু সুপারিশও করেন। একটি অসমর্থিত সূত্রে জানা যায়, সেখানে দুইজন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীর মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ও হয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 12:29 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারের চাহিদা বাড়ানো হবে ॥ পুঁজিবাজার চাঙ্গা করার সিদ্ধান্ত
০ ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত
০ সূচকের সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহার
০ তদন্ত কমিটি গঠন দু'সপ্তাহের মধ্যেই
০ মঙ্গলবার লেনদেন


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
24.01.2011

বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদী পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। ধারাবাহিক দরপতন সামাল দিতে বাজারে শেয়ারের চাহিদা বৃদ্ধির জন্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পদৰেপ গ্রহণের পর আগামী মঙ্গলবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আবার লেনদেন কার্যক্রম চালু হবে। পুঁজিবাজারে বিদ্যমান সঙ্কট নিরসনে করণীয় নির্ধারণে বাজারসংশিস্নষ্ট সকল পৰকে নিয়ে দিনভর বৈঠকের পর রবিবার সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও জড়িতদের চিহ্নিত করতে আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে তিনি জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার জন্য করণীয় নির্ধারণে সংশিস্নষ্ট সকল পৰের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দুই ধরনের পরামর্শ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কিছু কিছু বিষয় স্বল্পমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনবে। সোমবার এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দেয়া হবে। এছাড়া অনেক মধ্যমেয়াদী সিদ্ধান্ত বাজারকে টেকসই করতে ভূমিকা রাখবে।
বাজারে লেনদেন চালু সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারবাজার বন্ধ রাখা কোন ভাল বিষয় নয়। তবে পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাজার বন্ধ রাখতে হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণের পর আগামী মঙ্গলবার আবারও লেনদেন কার্যক্রম চালু করা হবে। এখন থেকে পুঁজিবাজার তার নিজস্ব গতিতে চলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা (সার্কিট ব্রেকার) তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, কোম্পানিভিত্তিক শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা থাকবে। তবে এই সীমা কতটুকু নির্ধারণ করা হবে_ তা এসইসির পৰ থেকে জানানো হবে।
মন্ত্রী জানান, বাজারে অর্থ প্রবাহ বাড়াতে ব্যাংকগুলো মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা সরিয়ে না নিয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে বলে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মুনাফাও আবার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে। মার্জিন ঋণের ৰেত্রে এসইসি সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দেবে। তবে প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণের হার নির্ধারণ করবে।
তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার পর পরিস্থিতি অনুযায়ী কোম্পানি যাতে আবার সেই শেয়ার কিনে নিতে পারে (বাই ব্যাক), সে ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশেও সে ধরনের ব্যবস্থা চালু করা হবে। তবে এজন্য কোম্পানি আইনে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের শেয়ারবাজারের মৌলভিত্তি অনেক ভাল। বিনিয়োগকারীদের পর্যবেৰণ ৰমতাও অনেক বেড়েছে। তবে তাদের বিনিয়োগের ৰেত্রে সাবধান হতে হবে। মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসকে বিনিয়োগকারীদের প্রশিৰিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। পিই অনুপাত ২৩-এর নিচে থাকা বাজারের জন্য সহনীয়। তবে এটা আদর্শ অবস্থান নয়। মঙ্গলবার লেনদেন চালুর পর শেয়ারবাজার টেকসই হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে সবকিছু নতুন করে সাজানো হবে। বর্তমানের তুলনায় ভবিষ্যতে বাজারের গুণগত পার্থক্য নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে। বাজারের অবয়ব অনেক বাড়লেও নিয়ন্ত্রক সংস্থার জনবল বাড়েনি। এসইসি যাতে কার্যকরভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সেজন্য সংস্থার জনবল দ্বিগুণ করা হবে।
বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাজার থেকে টাকা চলে গেছে_ এটা বাজে কথা। এ ধরনের বড় কোন ঘটনা ঘটেছে বলে মনে হয় না। তবে সামান্য কিছু টাকা চলে যেতে পারে। এৰেত্রে অনৈতিক কোন ঘটনা ঘটেছে কিনা_ তা তদনত্ম করে দেখা হবে।
মন্ত্রী জানান, শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের কারণ এবং এজন্য দায়ীদের চিহ্নিত করতে আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যে একটি তদনত্ম কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি শুধু দোষ খুঁজে বেড়াবে না, সরকারের দিক থেকে কোন দুর্বলতা থাকলে তাও চিহ্নিত করবে। তদনত্ম কমিটিকে দ্রম্নত তাদের প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হবে। এর মধ্য দিয়ে সব কিছু বেরিয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাজারসংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়ে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, এসইসি, রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি (আরজেএসসি) এবং বাংলাদেশ ব্যাংক শেয়ারবাজার নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করেছে। এখন থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানো হবে। এসইসির কার্যক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন প্রতিনিধিকে যুক্ত করার ব্যবস্থা করা হবে। কমিশনের সিদ্ধানত্ম গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া এসইসির কাজে সহায়তার জন্য একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হবে।
লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ রাখা ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজের বিষয়ে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা সম্পর্কে তদনত্ম চলছে। তদনত্ম কাজ শেষ হলে পরবর্তী সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে।
১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে মামলার বিচার প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'আমি মন্ত্রী হওয়ার পরপরই '৯৬ সালের ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। এ জন্য আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনাও করেছি। কিন্তু সেসব মামলার বিষয়ে কোন সাক্ষী পাওয়া যাচ্ছে না। সাক্ষী না পাওয়ায় এ সব মামলার বিষয়ে অগ্রসর হওয়া যাচ্ছে না। তবে এবারের বিপর্যয়ের জন্য কেউ দায়ী থাকলে তাদের বিরম্নদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। কারণ সরকারের হাতে বর্তমানে লেনদেনের সব রেকর্ড সংরৰিত থাকে।
বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, লেনদেনের ৰেত্রে বিনিয়োগকারীদের আরও সাবধান হতে হবে। পুঁজিবাজার থেকে মুনাফা পেতে হলে অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করতে হবে। ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে তো মুনাফা পেতে কিছুদিন অপেৰা করতে হয়। তাদের হিসাব করতে হবে_ বিনিয়োগের অর্থ কত বছরে ফেরত পাওয়া যাবে। শেয়ারের বাজারমূল্য ও প্রকৃত আয় (পিই) অনুপাত দেখে বিনিয়োগ করতে হবে।
এর আগে রবিবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শেয়ারবাজারসংশিস্নষ্ট সকল পৰের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বেসরকারী খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান, এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, সদস্য ইয়াসিন আলী, সাবেক উপদেষ্টা মঞ্জুর এলাহী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী, এফবিসিসিআই সভাপতি একে আজাদ, ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী, পরিচালক রকিবুর রহমান, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মোর্তজা আহমেদসহ পুঁজিবাজারসংশিস্নষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে এফবিসিআই সভাপতি একে আজাদ সাংবাদিকদের জানান, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে বাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, পুঁজিবাজারে বিদ্যমান সব রকম সমস্যা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। এর ভিত্তিতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদৰেপ নেয়া হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 12:31 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সরকারী সিদ্ধান্ত

স্টাফ রিপোর্টার ॥
The Daily Kanakantha
24.01.2011

পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক উত্থান-পতন নিয়ন্ত্রণে একদিনে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা (সার্কিট ব্রেকার) বর্তমানের তুলনায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারে লেনদেন নিয়মিত করার লৰ্যে সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা তুলে দেয়া হবে। বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে শেয়ারবাজার থেকে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকের অর্জিত মুনাফার একটি অংশ পুনরায় বিনিয়োগের সুযোগ করে দেয়া হবে। এছাড়া মবিল-যমুনা লুব্রিক্যান্ট ও এমআই সিমেন্টের আইপিওতে আটকে থাকা অর্থ দ্রম্নত বাজারে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে। এসব বিষয়ে আজ (সোমবার) সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পৰ থেকে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দেয়া হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, রবিবার শেয়ারবাজার সংশিস্নষ্ট সকল পৰের সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বৈঠকে সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেয়ার বিষয়ে দু' ধরনের মতামত পাওয়া যায়। এরমধ্যে একপৰ এই সীমা বহাল রাখার পৰে মত দেয়। কিন্তু অপর পৰ বাজারে নিয়মিত লেনদেন চালু রাখার স্বার্থে সূচক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা তুলে দেয়ার পৰে অবস্থান নেয়। তাদের মতে, সূচকে হ্রাস বা বৃদ্ধির সীমা বহাল রাখা হলে বাজারে ঘন ঘন লেনদেন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করলে যে কোন সময় লেনদেন বন্ধ হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট হবে। পাশাপাশি তাদের মধ্যে আতঙ্ক ও ৰোভ সৃষ্টি হবে। এর পরিবর্তে কোম্পানিভিত্তিক সীমার হার কমিয়ে আনা হলে বাজারে লেনদেন বন্ধের কোন আশঙ্কা থাকবে না। কোন কোম্পানির দর হ্রাস বা বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করলেও ওই পর্যায়ে লেনদেন চালু থাকবে। এতে সামগ্রিকভাবে বাজারের লেনদেনের ৰেত্রে কোন প্রভাব পড়বে না।
তাঁরা বলেন, সূচকের সর্বোচ্চ সীমা আরোপ করা হলেও গত বৃহস্পতিবার মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে সূচক যে পরিমাণ কমেছে, ভবিষ্যতেও সে ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। কোম্পানিভিত্তিক সার্কিট ব্রেকারের সীমা কমিয়ে আনা হলে এ সমস্যার সমাধান হবে। বর্তমানে কোম্পানিভিত্তিক সার্কিট ব্রেকারের যে সীমা রয়েছে তাতে একদিনে বাজার সূচক প্রায় ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যনত্ম বাড়তে বা কমতে পারবে। এই সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে আনা হলে সূচক বাড়তে বা কমতে পারবে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ। স্বাভাবিক বাজারে কোন শেয়ারের দরই সার্কিট ব্রেকারের কাছাকাছি হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে না। ফলে সার্কিট ব্রেকার অর্ধেক করা হলে শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির ৰেত্রে তেমন কোন সমস্যা সৃষ্টি হবে না, বরং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির মাত্রাও অর্ধেকে নেমে আসবে।
সূত্র জানায়, ওই বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতে বিকেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সূচকের সীমা তুলে দিয়ে কোম্পানিভিত্তিক হ্রাস-বৃদ্ধির সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর একদিনে ১০ শতাংশের বেশি বাড়তে বা কমতে পারবে না। এসইসির পৰ থেকে আজ সোমবার শেয়ারের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে হ্রাস-বৃদ্ধির বিভিন্ন ধাপ (সস্নাব) নির্ধারণ করা হবে।
সূত্র জানায়, পুঁজিবাজার থেকে গত এক বছরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যে পরিমাণ মুনাফা করেছে তার একাংশ পুনরায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। এৰেত্রে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের মুনাফার উলেস্নখযোগ্য অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করবে। বাকি অংশ উদ্বৃত্ত তহবিল হিসেবে রেখে দিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোও তাদের মুনাফার অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে।
সূত্র জানায়, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে বৈঠকে সরকারের পৰ থেকে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে প্রসত্মাব করা হয়। সেৰেত্রে আইসিবিসহ সরকারী মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত তহবিল যোগান দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এ বিষয়ে বৈঠকে বলা হয়, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বাভাবিক লেনদেনে আগ্রহী করে তুলতে হলে এই মুহূর্তে বাজারে শেয়ারের চাহিদা সৃষ্টি করা জরম্নরী। সেজন্য ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও তাদের মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে শেয়ার কেনার ব্যবস্থা করতে হবে। বাজার মৌলভিত্তির কাছাকাছি চলে আসায় মধ্য বা দীর্ঘমেয়াদী এই বিনিয়োগ থেকে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পৰে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হবে।
তবে ইতোমধ্যে যেসব পদৰেপ নেয়া হয়েছে তাতে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলে সরকারের পৰ থেকে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। এ কারণে আপাতত সরকারী বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই বলে তাঁরা মনে করেন।
বৈঠকে জানানো হয়, গত সপ্তাহের শুরম্নর দিকে বাজারের পতন ঠেকাতে শেয়ার কেনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক আইসিবিকে প্রায় ৪০০ কোটি দিয়েছিল। ওই টাকায় যেসব শেয়ার কেনা হয়েছে সপ্তাহের শেষ তিন দিনে তার দর অনেকটাই কমে গেছে। এতে সরকারের দেয়া অর্থের অনেকটাই লোকসান হবে। এই মুহূর্তে আরও অর্থ দেয়া হলে সরকারের লোকসানের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। তবে ভবিষ্যতে বাজার সংশোধন সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য তহবিল যোগান দেয়া হবে।
এদিকে বাজারে অর্থ সরবরাহ বাড়াতে মবিল-যমুনা লুব্রিক্যান্ট ও এমআই সিমেন্টের আইপিওতে আটকে থাকা অর্থ দ্রম্নত বাজারে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে কোম্পানির আইপিও বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কি ধরনের পদৰেপ নেয়া হবে এ বিষয়ে কোম্পানির সঙ্গে আলোচনার প্রেৰিতে সমঝোতার ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেবে এসইসি।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 12:35 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিনিয়োগকারীদের আকুতি ॥ সর্বস্বান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করুন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
24.01.2011

সর্বস্বান্ত হওয়ার হাত থেকে রৰার দাবি করেছেন দেশের ৰুদ্র ও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এ ব্যাপারে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাদের সর্বস্বান্ত হওয়ার হাত থেকে রৰায় কার্যকর পদৰেপ নিন। আপনি কৌশলী ও কঠোর হোন। এইবারের মতো আমাদের বাঁচান। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আস্থা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনুন। আমরা কথা দিচ্ছি, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ আইনের যে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে তাকে ৫২, ৬৯, ৭০ ও ৭১ এর মতো অর্থনৈতিক মুক্তির গণআন্দোলনে রূপ দিয়ে সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলব।'
রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের নেতারা সকল বিনিয়োগকারীর পৰে প্রধানমন্ত্রী কাছে এরকম আকুতিই জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, নতুন বিনিয়োগকারীদের অধিকাংশই পুঁজির ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ হারিয়েছে। অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পানির দরে শেয়ার বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। যাঁরা আগে কিছুটা লাভের অবস্থায় ছিল তাদেরও পুরো লাভ হাতছাড়া হয়ে পুঁজির অর্ধেকে চলে এসেছে। যে কোন উপায়ে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এসব দাবি তোলেন। সংগঠনের আহবায়ক মিজান উর রশিদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। অনুষ্ঠানে যুগ্ম আহবায়ক ফয়সাল আহমেদ, এম জিহাদ, কে এম রিরোজ ও জাহাঙ্গীর আলম বক্তব্য রাখেন।
সার্কিট ব্রেকারকে অতিক্রম করে পাঁচ মিনিটে ৬০০ পয়েন্ট সূচক পড়ে যাওয়ায় ২০ জানুয়ারির লেনদেন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। তাঁরা বলছেন, ওইদিন সার্কিট ব্রেকার কার্যকর থাকায় ২২৫ পয়েন্ট সূচক কমলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ না হওয়ায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়াও বাজারের স্থিতিশীলতা ফিরে না আসা পর্যনত্ম লেনদেন বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা জানান, পুঁজিবাজারে যে কোন ধরনের সিদ্ধানত্মের জন্য ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের অনত্মত একজন প্রতিনিধি রাখা উচিত। তাঁদের স্বার্থ কেউ দেখছেন না। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) দুনর্ীতিবাজ কর্মকর্তাদের শাসত্মি দেয়া এবং ঘন ঘন সিদ্ধানত্ম পরিবর্তনের না করাসহ বেশ কয়েকটি প্রসত্মাব রাখেন। মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও বাতিল করে পুনরায় শেয়ারের দর নির্ধারণের দাবি তোলেছেন তাঁরা। এসব কোম্পানির শেয়ার তালিকাভুক্তির আগেই অতিমূল্যায়িত হয়ে গেছে। এজন্য বিতর্কিত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি বাতিল করতে হবে। এছাড়া ৯৬ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিচার করার দাবি জানান তাঁরা।
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের জোরপূর্বক শেয়ার বিক্রি বন্ধের দাবি জানানো হয়। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংক, কিছু ব্রোকারেজ ও এ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের কুচক্রী মহলকে চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা সাম্প্রতিক পতনের জন্য দায়ীদের বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সংশিস্নষ্ট হাউসগুলোকে অনুমোদিত হারে ঋণ দিতে বাধ্য করা হোক। অবশেষে অর্থমন্ত্রীর ভুল স্বীকার করায় অভিনন্দন জানান তাঁরা।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 12:47 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Muhith announces stock market bailout measures
Banks to plough back profits, index circuit breaker withdrawn



FE Report
24.01.2011

Finance Minister AMA Muhith announced Sunday a host of measures, including re-investment of profits the commercial and merchant banks earned from share trading, to resuscitate the country's collapsing stock market.

The finance minister told a press briefing that the commercial and merchant banks would plough back their profit in the stock market as a major bailout measure.

The listed companies would also be able to buy back theirs shares, he said.

"Banks and the merchant banks have earned hefty profits from the stock markets. Since the profits thus earned are yet to be assimilated into their accounts would be re-utilised in the stock market," he said at the end of a daylong meeting held at the finance ministry with policymakers and stakeholders.

Necessary circulars and directives relating to decisions taken at the meeting will be issued today (Monday), the minister informed

He expressed the hope that the institutional investors would be active again in the stock markets following the latest decisions.

Muhith also said that there would be no index circuit breaker from the next trading session at the bourses. The Securities and Exchange Commission (SEC) last week introduced the circuit breaker at the Dhaka Stock Exchange (DSE) with a view to stopping free fall of share prices.

He expressed his optimism that the latest measures would help bring back confidence among the investors in the stock market.

"I hope the market will stabilise. You will see a positive movement on Tuesday in the major bourses," Muhith.

He said a committee would be formed within the next 15 days to identify the culprits responsible for creating instability in the market.

Identifying the culprits and bringing them to book is not a difficult task under an automated trading system. Nothing could be done to deal with the share market scam of 1996 for lack of witnesses, he said.

The finance minister also dismissed the allegation of siphoning of money from the stock markets.

"A very nominal amount was taken out of the market," he said.

The minister said he was against the closure of stock market operations saying 'it is not a good practice.'

"It should be allowed to run on its own track to ensure sustainability of the market," said the finance minister.

He, however, said trading at the bourses would remain suspended today (Monday) for the sake of ensuring the effectiveness of the new decisions.

The minister claimed that the fundamentals of the stocks were good saying "The current average price-earning ratio is hovering around 23, which is not that terribly high," he said.

He, however, said that prevailing situation in the stock market is not risk-free.

The finance minister said the government would carry out a reform programme to stop recurrence of the recent events in the stock market and ensure a mid-term solution.

"We will redesign the existing Book Building method and Private Placement regulations as a part of the proposed reform package meant to revive and putting the capital market on the right track," he said.

He said the operation of Book Building method would remain halted until further review.

The transactions of the Mobil Jamuna Lubricant, which has already raised over Tk 23 billion from the stock market, would also remain suspended, he said.

"Retention of the money raised against Mobil Jamuna would be done," he said.

The permission given by the SEC to raise capital by the MI Cement through Book Building method would also remain suspended, he said.

The finance minister also said that the market regulator would fix a mandatory margin loan limit for the merchant bankers and brokerage houses to offer to their clients.

Besides, a portion of margin loan will be determined by bank\brokerage house- client relationship.

The current circuit breaker on the price movements of listed companies will be reviewed, he said.

To ensure a sustainable stock market, the Bangladesh Bank, SEC and the Registrar of Joint Stock Companies and Firms would hold discussions on capital market issues quite frequently and more comprehensively.

A BB representative will be included in the SEC's core decision making body, Muhith said.

The consultative committee on capital market would be reconstituted bringing down the number of its members to ensure its effectiveness, he added.

Prime Minister's Economic Affairs Adviser Dr Moshiur Rahman, BB Governor Dr Atiur Rahman, SEC Chairman Md Ziaul Haque Khondoker were among others were present at the briefing.


................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 12:48 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Bangladesh Bank to remove interest rate cap on lending


Mushir Ahmed
Financial express
24.01.2011

Bangladesh Bank has moved to remove the interest rate cap on lending in the wake of a massive liquidity crisis in the financial market, an official said Sunday.

The central bank had imposed a 13 per cent interest rate cap on commercial banks lending in 2009 in an effort to boost industrial growth at a time of the worst global recession in six decades.

Although the cap has served some of its intended purposes, prompting banks to squeeze spread, it worsened the recent liquidity crisis sparked by last month's half a percentage point hike of Cash Reserve Requirement (CRR).

Experts have said the interest rate ceiling also forced some banks to borrow money at an unprecedented interest rate -- some taking it at 190 per cent -- from the inter-bank call money market over the past few weeks.

The effect spilled over to the capital market, as liquidity starved merchant banks and brokerages found it difficult to lend to the investors, precipating the stock market plunge.

Bangladesh Bank deputy governor Nazrul Huda told the FE that the interest rate ceiling would go very soon as the capping had already served its purpose.

"We capped the interest rate on lending to boost growth during the global recession. The world is no longer in recession," he said.

He said the inter-bank call money rate has come down to 4-5 per cent on Sunday -- a sign of easing of liquidity crunch in the money market.

He said some banks who had earlier decided to offer depositors 13 per cent interest rate dropped their plan and would now fix the rate at around 12 per cent.

"The association of banks have made the decision in its meeting on Friday," he said.

The move means the banks have to revise their interest rate on lending at least three percentage points higher than the Bangladesh Bank ceiling.

The artificial ceiling came under huge flak from the International Monetary Fund which termed the move unnecessary and contrary to the free market economy.

Ahsan H Mansur, head of private think tank Policy Research Institute (PRI), welcomed the move saying the lending rate ceiling "created distortion in the financial market."

"The policy of not allowing the interest rate to go up has created excess demand for credits -- some of which certainly have been diverted to the stock market," he said.

"If they have decided to remove the cap, it's most welcome. It has to go because it was a completely irrational decision," he said.

"Had there been no lending cap, it would have equilibrated the financial market in a better way by containing demand pressure," he said earlier.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 12:50 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Ex-BB boss takes a scathing look at share mkt debacles
Urges govt to take culprits to task


FE Report
24.01.2011

The government should take immediate punitive measurers against the culprits who are behind the recent debacles in the share market, former Bangladesh Bank (BB) governor Salehuddin Ahmed said Sunday.

"Now shares are being traded through automated system. So culprits can be detected easily," the former central bank chief said while speaking at a discussion on monetary policy management and Bangladesh Bank, held at National Press Club.

Economic Reporters' Forum (ERF) organised the discussion as part of its regular activities with its president Monowar Hossain in the chair.

Dr. Ahmed said the recent crash in share market could not take place if necessary actions were taken against the cases filed in connection with the 1996 stock market debacle.

"The government should have properly followed up the 1996 stock market manipulation," he said, adding that the regulators will have to take effective measures to save the financial sector from the adverse impact on stock market crash.

"Our overall financial sector is still behaving well and should persist in the future. Or else, it will create an adverse impact on the national economy," the former governor noted.

Dr. Ahmed blamed regulatory bodies including the central bank of Bangladesh and Securities and Exchange Commission (SEC) for the current crisis in the capital market, saying that decisions should be taken on time to avoid any unwarranted situation.

"If the decisions of the regulatory bodies came out timely, there were good chances to avoid such critical situations in the country's stock market," he said mentioning different decisions relating to the capital market.

Regarding re-fixing of the cash reserve requirement (CRR), he said, "It's an important monetary instrument so that it ought to be revised carefully."

On December 1 last, the central bank raised the CRR by 0.5 percentage points to 6.0 per cent for the commercial banks. The new CRR rules came into effect from December 15.

The former central bank chief sees the country's call money market got volatile in December last following increase in the CRR by the BB.

On December 19 last, the inter-bank call money rate shot up by a record 190 per cent indicating that some commercial banks were facing a big mismatch in their fund position.

"Timing is very import for taking such decisions," he said, adding that the CRR and statutory liquidity ratio (SLR) should not be reviewed frequently.

Dr. Ahmed, however, did not criticise the decisions that were taken for the capital market. He said the decisions were correct, but the timing was not suitable.

He was highly critical of the involvement of the banks in the capital market with depositors' money.

"When the banks gain from the capital market, the profit never goes to the depositors. But, if the banks fail to gain from the capital market, the depositors are to bear the burden," he said.

The central bank earlier identified 11 private commercial banks as they have exceeded the shares' holding as well as exposure limits.

Regarding the over-exposure in the capital market, Dr. Ahmed said the central bank should have warned the banks that it would be made public.

"The regulator gave signals to the banks individually when one or two particular banks were doing something wrong. But it should have been made public," he said, adding that when the index of the capital market was increasing alarmingly the regulatory bodies should have issued a cautionary signal to the banks and other institutions.

Dr. Ahmed recommended that the central bank and the SEC should take more effective measurers to save the country's capital market.

"Both the BB and SEC should work closely," he said, adding that they should sit together each month to review the overall capital market situation.

Criticising the existing pricing method of the initial public offering (IPO), he said Bangladesh is unique in the world where the price at the issuing time is fixed at higher level.

Former deputy governor of the central bank Khondkar Ibrahim Khaled said five commercial banks played 'foul game' in the capital market and one bank borrowed fresh funds from the inter-bank call money market at 190 per cent.

"There is no logic in borrowing money offering such a rate from the call money market," Mr. Khaled, also chairman of Bangladesh Krishi Bank said, adding that the banks will have to pay 6.0 per cent penalty if they failed to maintain the existing CRR rules.

Chairman of Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF) Qazi Kholiquzzaman Ahmad said if the culprits responsible for the present share market debacle could not be brought to book, then the crisis would stage a come back time and again.

Among others, former Vice-President of the Dhaka Stock Exchange (DSE) Ahmed Rashid Lali, Director General of Bangladesh Institute of Bank Management Toufic Ahmad Choudhury, Executive Director of BB Jahangir Alam and ERF General Secretary Abu Kawser also spoke on the occasion.

  
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
01/23/2011 12:51 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Bourses propose to probe balance sheets of listed cos


FE Report
24.01.2011

Leaders of bourses Sunday proposed to investigate "suspicious" balance sheets of publicly listed companies and bring their financial statements of publicly under transparency.

The suggestion came at a meeting with the Finance Minister AMA Muhith at the state guesthouse-Padma, where all key market stakeholders were present.

The discussants also came down heavily on the book building method, saying some companies yanked huge money illegally out of the stock market through this method.

Merchant bankers proposed to introduce a guideline so that they can preserve at least 20 per cent of their total profits in the stock market.

Bangladesh Association of Publicly Listed Companies President Salman F Rahman suggested introducing a law to allow buy-back system so that the listed companies could buy their own shares.

At the meeting, Prime Minister's advisers Mashiur Rahman and HT Imam, former advisor of caretaker government Manzur Elahi, Bangladesh Bank Governor Dr. Atiur Rahman, Deputy Governor Ziaul Hasan Siddiqui, SEC Chairman Ziaul Haque Khondker, SEC member Muhammad Yasin Ali, former SEC Chairman Faruq Ahmed Siddiqi, DSE President Shakil Rizvi, CSE Vice-president Al-Maruf Khan, merchant bankers' association president Sheikh Motuza Ahmed were present.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 18 / 40 1 - 2 - 3.. - 16 - 17 - 18 - 19 - 20.. - 37 - 38 - 39 - 40 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview