| 01/24/2011 12:34 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বিনিয়োগকারীদের আকুতি ॥ সর্বস্বান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করুন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
25.01.2011
সর্বস্বান্ত হওয়ার হাত থেকে রৰার দাবি করেছেন দেশের ৰুদ্র ও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এ ব্যাপারে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাদের সর্বস্বান্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিন। আপনি কৌশলী ও কঠোর হোন। এইবারের মতো আমাদের বাঁচান। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আস্থা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনুন। আমরা কথা দিচ্ছি, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ আইনের যে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে তাকে ৫২, ৬৯, ৭০ ও ৭১ এর মতো অর্থনৈতিক মুক্তির গণআন্দোলনে রূপ দিয়ে সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলব।'
রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের নেতারা সকল বিনিয়োগকারীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী কাছে এরকম আকুতিই জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, নতুন বিনিয়োগকারীদের অধিকাংশই পুঁজির ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ হারিয়েছে। অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পানির দরে শেয়ার বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। যাঁরা আগে কিছুটা লাভের অবস্থায় ছিল তাদেরও পুরো লাভ হাতছাড়া হয়ে পুঁজির অর্ধেকে চলে এসেছে। যে কোন উপায়ে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এসব দাবি তোলেন। সংগঠনের আহবায়ক মিজান উর রশিদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। অনুষ্ঠানে যুগ্ম আহবায়ক ফয়সাল আহমেদ, এম জিহাদ, কে এম রিরোজ ও জাহাঙ্গীর আলম বক্তব্য রাখেন।
সার্কিট ব্রেকারকে অতিক্রম করে পাঁচ মিনিটে ৬০০ পয়েন্ট সূচক পড়ে যাওয়ায় ২০ জানুয়ারির লেনদেন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। তাঁরা বলছেন, ওইদিন সার্কিট ব্রেকার কার্যকর থাকায় ২২৫ পয়েন্ট সূচক কমলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ না হওয়ায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়াও বাজারের স্থিতিশীলতা ফিরে না আসা পর্যনত্ম লেনদেন বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা জানান, পুঁজিবাজারে যে কোন ধরনের সিদ্ধানত্মের জন্য ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের অনত্মত একজন প্রতিনিধি রাখা উচিত। তাঁদের স্বার্থ কেউ দেখছেন না। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) দুনর্ীতিবাজ কর্মকর্তাদের শাসত্মি দেয়া এবং ঘন ঘন সিদ্ধানত্ম পরিবর্তনের না করাসহ বেশ কয়েকটি প্রসত্মাব রাখেন। মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও বাতিল করে পুনরায় শেয়ারের দর নির্ধারণের দাবি তোলেছেন তাঁরা। এসব কোম্পানির শেয়ার তালিকাভুক্তির আগেই অতিমূল্যায়িত হয়ে গেছে। এজন্য বিতর্কিত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি বাতিল করতে হবে। এছাড়া ৯৬ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিচার করার দাবি জানান তাঁরা।
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের জোরপূর্বক শেয়ার বিক্রি বন্ধের দাবি জানানো হয়। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংক, কিছু ব্রোকারেজ ও এ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের কুচক্রী মহলকে চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা সাম্প্রতিক পতনের জন্য দায়ীদের বের করে দৃষ্টানত্মমূলক শাসত্মির দাবি জানান। সংশিস্নষ্ট হাউসগুলোকে অনুমোদিত হারে ঋণ দিতে বাধ্য করা হোক। অবশেষে অর্থমন্ত্রীর ভুল স্বীকার করায় অভিনন্দন জানান তাঁরা।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:37 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | অতিরিক্ত বিনিয়োগ করা ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিরিজ বৈঠক শুরু : আজ এনবিএলের সঙ্গে বৈঠক
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
Amar Desh
25.01.2011
পুঁজিবাজারের পতনের পর অবস্থা স্বাভাবিক এবং ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপ, বিনিয়োগ ও ঋণের বিষয়ে সমন্বয় করতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করা ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সিরিজ বৈঠক শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ঢাকা ব্যাংক ও আল-আরাফা ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে ব্যাংক এশিয়া ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও এক্সিম ব্যাংককে এ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ব্যাংকের সঙ্গেও বৈঠক করবে বলে জানা গেছে। আজ ন্যাশনাল ব্যাংকের (এনবিএল) সঙ্গে বৈঠক করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ বিষয়ে আল-আরাফা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একরামুল হক বলেন, আমরা কিভাবে ব্যাংক পরিচালনা করছি, কি কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছি এসব বিষয়ে জানার জন্য ডেকেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
সূত্র জানায়, উল্লেখিত ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগ বা ঋণের পরিমাণ সীমার মধ্যে আনতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোর ডিপোজিট অ্যান্ড ক্রেডিট রেট (সিডিআর) পর্যালোচনা করে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, এর আগে গত রোববার ও সোমবার ৫টি ব্যাংকে বিনিয়োগ বা ঋণের পরিমাণ সীমার মধ্যে আনতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী একটি ব্যাংক যে পরিমাণ আমানত সংগ্রহ করবে, আমানতের ঘাটতি সংরক্ষণ করার জন্য ব্যাংকগুলোকে ১৯ শতাংশ বিধিবদ্ধ জমার হার (এসএলআর) হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষণ করতে হয়। ব্যাংকগুলো তাদের কাছে সংরক্ষিত ওই আমানতের ৮১ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে নগদ ৬ শতাংশ জমাসহ মোট ১১ দশমিক ৫ শতাংশ সংরক্ষণ করতে হয়। সে হিসেবে তারা তাদের কাছে আমানতের ৮৮ দশমিক ৫ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারেন। গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে এ হার কার্যকর করা হয়।
সূত্র জানায়, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের আমানতের সর্বোচ্চ ৮১ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের সপ্তাহ ভিত্তিতে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থিতি অনুযায়ী তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১১৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যা বিনিয়োগ সীমার চেয়ে ৩৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেশি। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ৩০ ডিসেম্বরে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১০৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা বিনিয়োগ সীমার চেয়ে ২৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি। একইভাবে ব্যাংক এশিয়ার বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৯০ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা বিনিয়োগ সীমার চেয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। একইদিন এক্সিম ব্যাংকের বিনিয়োগ ছিল ১০৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যা বিনিয়োগ সীমার চেয়ে ১৫ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি। শাহজালাল ব্যাংকের ছিল ৯৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ, যা বিনিয়োগ সীমার চেয়ে ৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি।
সূত্র জানায়, ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত বিনিয়োগের কারণেই তারল্য সঙ্কটে ভুগছে। এসব ব্যাংকের হাতে নগদ টাকা না থাকার কারণে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তারল্য সঙ্কটের কারণে সম্প্রতি শেয়ারবাজার এবং কলমানি মার্কেটে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে তার জন্য তা এই ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগই মূল কারণ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানান, এ ধরনের ব্যাংকিং ব্যবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকি থেকে ব্যাংকগুলোকে বের করে আনতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:40 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংকগুলোর অর্জিত নিট মুনাফা মূলধনের সঙ্গে যোগ করতে হবে
ঢাকা, ২৪ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংকগুলোর অর্জিত মুনাফার ওপর ট্যাক্স দেয়ার পর নিট মুনাফাকে মূলধনের সঙ্গে যোগ করতে হবে। এ অর্থ ব্যাংকগুলো আবার শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকগুলোর জন্য নগদ জমা সংরক্ষণ (সিআরআর) বাড়ানোর কোনো প্রভাব পুঁজিবাজারে পড়েনি। সমপ্রতি পুঁজিবাজারের দরপতনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে দোষারোপ করা ঠিক না। এসইসি ও বিভিন্ন মহল থেকে যে তারল্য সংকটের কথা বলা হচ্ছে তাও ঠিক নয় বলে মনে করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেননা তারল্যের চাহিদা না থাকায় কলমানি সুদের হার নেমে এসেছে ৪ থেকে সাড়ে ৬ শতাংশে।
সূত্র জানায়, ডিসেম্বরের হিসাব অনুযায়ী শেয়ারবাজারের মূলধনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এরমধ্যে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। যা পুঁজিবাজারের মোট মূলধনের ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। বাকি বিনিয়োগ করেছেন অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সে হিসেবে পুঁজিবাজার উঠানামায় ব্যাংকগুলো ভূমিকা থাকতে পারে না। ফলে ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ তুলে নিলেও বাজারে এর তেমন প্রভাব না পড়ার কথা। তবে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আইন মেনেই ব্যাংকগুলোকে আরো বিনিয়োগ করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সিআরআর বাড়ানোর ফলে বাজার থেকে অতিরিক্ত ১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা উঠে এসেছে। আর এসব ব্যাংককে প্রতিদিন এর তুলনায় অনেক বেশি তারল্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এর ফলে রোববার কলমানি সুদের হার নেমে এসেছে ৪ থেকে সাড়ে ৬ শতাংশে। এরপরও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে রেপোর মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকা আর ডিলার ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তারল্য সহায়তা হিসেবে ৩ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এসএইচ/এইচএ/এআইকে/২১:০৮ ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:46 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সালমান থেকে সামিট
শেয়ারবাজারের হাজার কোটি টাকা লোপাট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমের অনুসন্ধান
বিশেষ সংবাদদাতা
25.01.2011
বেসরকারি বিদ্যুত খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপের বিরুদ্ধে শেয়ার কেলেংকারীর অভিযোগ উঠেছে। সরকারের সুদৃষ্টিতে থেকে প্রতিষ্ঠানটি দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছে শেয়ারবাজার থেকে।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পুঁজিবাজার নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ব্যবসায়ীরা বেক্সিমকো এবং সামিট গ্রুপের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলেন। এ নিয়ে তোপের মুখে পড়েন এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারও।
পুঁজিবাজার ভয়াবহ পতনের পর সরকার মার্কেটকে চাঙ্গা করতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। কিন্তু শেয়ার কেলেংকারীর নায়কদেরকেও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ওই সব বৈঠকে দেখা যাচ্ছে। তাই বিতর্কিত ব্যক্তিদের বৈঠকে উপস্থিত দেখে নানা প্রশ্ন উঠছে। এতে সরকারের ভাবমূর্তিও দারুণ ক্ষুণœ হচ্ছে।
শেয়ারবাজারে ঘটনা প্রবাহে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার আগের দফায় ক্ষমতায় আসার চার মাসের মধ্যেই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শেয়ার কেলেংকারী ঘটেছিলো। তখন কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপ।
ওই ঘটনায় ১৫টি প্রতিষ্ঠান ও ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিলো। বেক্সিমকো ও শাইনপুকুরের বিরুদ্ধে মামলার কোনো অভিযোগই গঠন করা সম্ভব হয়নি। মামলা করার পরের দিনই প্রতিষ্ঠান দু’টির ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। উচ্চ আদালত থেকে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গঠন করা যাবে না বলে জানানো হয়। পরে আদালতের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে এসইসি। কিন্তু সালমান এফ রহমান এখন বাংলাদেশ লিস্টেড কোম্পানিজ এ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যানে হওয়ার ক্ষমতাবলে এসইসির পরামর্শক কমিটিরও সদস্য। একই ক্ষমতাবলে তার পরামর্শ এবং ইশারায় সিদ্ধান্ত নিতে হয় এসইসিকে। এসইসির কর্মকর্তারাই এমন অভিযোগ করেছেন।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চালু হওয়ার পর এর প্রমাণ পাওয়া যায়। কারণ বুকবিল্ডিং পদ্ধতির প্রথম পরামর্শ আসে বাংলাদেশ লিস্টেড কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন থেকে।
পরবর্র্তীতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চালুর পর গ্রীনফিল্ড কোম্পানির জন্য বুকবিল্ডিং পদ্ধতির তিনটি শর্ত থেকে অব্যাহতি চেয়ে ২০১০ সালের আগস্ট মাসে এসইসিতে একটি চিঠি দেয় সংস্থাটি। এতে বলা হয়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আসতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা হিসেবে অবশ্যই কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে থাকতে হবে।
উদ্যেক্তা কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন অবশ্যই ১৫০ কোটি টাকা হতে হবে। প্রতিষ্ঠানটিকে টানা ৭ বছর উৎপাদন অব্যাহত রেখে মুনাফা অর্জনের রেকর্ড থাকতে হবে। উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের কোনো পুঞ্জিভুত লোকসান, খেলাপি আয়কর এবং খেলাপি ঋণ থাকা যাবে না। বর্তমান বিধান অনুযায়ী বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারবাজারে আসতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নূন্যতম তিন বছরে বাণিজ্যিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকা, তিন বছরের মধ্যে নূন্যতম দুই বছর মুনাফা অর্জন এবং আবেদনকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটির কোন পুঞ্জিভূত লোকসান না থাকার শর্ত রয়েছে।
গত ২৬ অক্টোবর এসইসির এক কমিশন সভা শেষে এসইসি’র নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়া বলেছিলেন, কমিশন সভায় বিএপিএলসি’র প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। শিগগিরই আলোচনা সাপেক্ষে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। পরে সালমান এফ রাহমানের পরামর্শে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির বিভিন্ন সংস্কার করা হয়। তবে মূল্য নির্ধারণে যে মূল সমস্যা তার কোনো পরামর্শ তিনি দেননি।
বাজারকে অতিমূল্যায়িত করার সবচেয়ে বেশি সমালোচিত ইস্যুরও জন্ম দেন সালমান এফ রহমান। তার পরামর্শেই এসইসি ফেসভ্যালু পরিবর্তনের সুপারিশ করে অর্থমন্ত্রণালয়ে। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ না হওয়ায় ১ মার্চ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের কোনো সিদ্ধান্ত না নিতে একটি নির্দেশনা জারি করে এসইসি।
এ নির্দেশ প্রত্যাহারের আগেই এসইসির তোয়াক্কা না করে গত ২৫ এপ্রিল প্রথম সামিট পাওয়ার ও ২ মে সামিট এ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড ফেসভ্যালু পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়। এসইসির নির্দেশনা লংঘন করলেও এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের ঘোষণার পরে ওই দিনই সামিট পাওয়ারের শেয়ারের দাম ৪৮ টাকা বেড়ে যায়। এভাবেই ফেসভ্যালু পরিবর্তনের ইস্যুকে শেয়ার অতিমূল্যায়িত করার পথ দেখায় সামিট গ্রুপ।
সমালোচিত প্রেফারেন্স শেয়ারের উদ্যোক্তাও সালমান এফ রহমান। ২০০৯ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো বাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করতে প্রেফারেন্স শেয়ার ছাড়ার নতুন পন্থা অবলম্বন করতে শুরু করে। হঠাৎ করে রাইট বা বোনাস শেয়ারের বদলে কোম্পানিগুলোর প্রেফারেন্স শেয়ার দেয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। নির্দিষ্ট কোনো গাইডলাইন না থাকায় খুব সহজ শর্তে রাইট শেয়ার অনুমোদনের পন্থা অবলম্বন করে এসইসি কোম্পানিগুলোকে প্রেফারেন্স শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন দিচ্ছিল। গাইডলাইন তৈরি না করেই এ কোম্পানিগুলোকে অনুমোদন দেয়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে এসইসি। কারণ রাইট শেয়ারের বিকল্প হিসেবে কোম্পানিগুলো প্রিফারেন্স শেয়ার ছাড়ছে। পাশাপাশি নীতিমালা না থাকায় রাইট শেয়ারে যে প্রিমিয়াম পাওয়া যেত তার চেয়ে ৮ থেকে ১০ গুন বেশি অর্থ তুলে নিচ্ছে।
সাধারণত কোনো কোম্পানি রাইট শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে পারে। কিন্তু এসইসি বিধি অনুযায়ী কোম্পানিকে রাইট শেয়ার ছাড়তে হলে কয়েক বছর প্রফিটে থাকতে হবে। সেক্ষেতে অনেক দুর্বল কোম্পানি এ শর্ত পূরণ করতে পারে না। ফলে তারা রাইট শেয়ারের বিকল্প হিসেবে প্রিফারেন্স শেয়ার ছাড়ছে। কারণ প্রেফারেন্স শেয়ার ৩ মাস পরেই সাধারণ শেয়ারে পরিণত হয়। অন্যদিকে প্রিফারেন্স শেয়ারের প্রায় ৯০ ভাগই ছাড়া হয় প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে। ফলে বড় শিকারিরা প্রিফারেন্স শেয়ারের সুযোগ নিচ্ছে। এ অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করে সর্বপ্রথম বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ৪১০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে এসইসি গাইডলাইন দিয়ে প্রেফারেন্স শেয়ার ছাড়ার প্রবণতা বন্ধ করে। এভাবে নিজের স্বার্থে বাজারে বিভিন্ন ইস্যু ব্যবহার করে টাকা তুলে পরে তা সে ইস্যু বন্ধ করে দিয়েছে সামিট গ্রুপ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাজারকে অতিমূল্যায়িত করার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর ভুমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এক্ষেত্রে সীমার বাইরে বিনিয়োগ কয়েকটি ব্যাংকও করেছে। ব্যাংককে ব্যবহার করে অনেকেই শেয়ারবাজার থেকে প্রচুর মুনাফা করেছে। এ মুনাফা প্রতিষ্ঠানে থাকবে না বরং নিয়ম অনুযায়ী ব্যক্তির পকেটেই যাবে। অভিযোগ, এক্ষেত্রেও কারসাজিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন সালমান এফ রহমান। তার মালিকানায় থাকা আইএফআইসি ব্যাংক এ বছর ৪১৯ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা করেছে। এর বেশির ভাগ উৎসই শেয়ারবাজার থেকে। অথচ এর আগে ২০০৯ সালের অর্ধবার্ষিক হিসাব অনুযায়ী আইএফআইসি ব্যাংক মুনাফা করেছিল মাত্র ৫০ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া এক্সিম ব্যাংক থেকেও সালমান এফ রহমান ২৫০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেন। পরে এ টাকা ব্যাংকের মুনাফার সাথে সমন্বয় করেন। এ বছরে এক্সিম ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৬০৭ কোটি টাকা। অথচ এর আগে ২০০৯ সালের অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে এক্সিম ব্যাংকের মুনাফা ছিল ৫০ কোটি ৮৯ লাখ ১০ হাজার টাকা। এছাড়া ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমেও ১৬০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই সামিট গ্রুপ।
এদিকে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ সুস্পষ্ট হওয়া সত্বেও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সকল বৈঠকে সালমান এফ রহমানের উপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ডিএসই ও এসইসির কর্মকর্তারা। গত ২৩ জানুয়ারি পদ্মায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো উপস্থিত ছিল। সেখানে ব্যক্তি হিসেবে সালমান এফ রহমানের উপস্থিতি কতটুকু যৌক্তিক তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন উঠে। বৈঠকে কেপিসিএল ও ওশান কন্টেইনারের প্রসঙ্গ তুলে সামিট গ্রুপের দিকেই অভিযোগ ছোড়া হয়। এছাড়া ৯৬ এ শেয়ারবাজারে কারসাজির জন্য অভিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও সালমান এফ রহমান নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরামর্শক কমিটিতে কিভাবে থাকতে পারেন তা নিয়েও প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের। ওই দিন বৈঠক শেষে বাজার অতিমূল্যায়িত হওয়ার ক্ষেত্রে ফেসভ্যালু পরিবর্তন ও বুকবিল্ডিংয়ের ভুমিকা নিয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে সামলান এফ রহমান বলেন, এসব ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না।
এরই মধ্যে সরকারি বাজারে কারসাজি উদঘাটনে তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু কারসাজিকারীকে নীতিনির্ধারণে রেখে তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা বাজার সংশ্লিষ্টদের কাছে কৌতুকে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশ সময় ১৮২৬ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৪, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:47 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার থেকে ষোল শ`কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সামিট গ্রুপ
এসএম গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
25.01.2011
ঢাকা: পুঁজিবাজার থেকে সামিট গ্রুপের দুই কোম্পানি হাতিয়ে নিয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।
খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (কেপিসিএল) ও ওশান কন্টেইনার লিমিটেড (ওসিএল) এ দুই কোম্পানি সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ করে বাজার থেকে এ বিপুল পরিমাণ টাকা তুলে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে গতকাল রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘পদ্মা’য় ব্যবসায়ী ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এ অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং তদন্তের দাবি জানান।
অভিযোগ রয়েছে, বাজার থেকে তুলে নিয়ে এ টাকার একটি বড় অংশ সামিট গ্রুপ বিনিয়োগ না করে মালয়েশিয়ায় একটি ব্যাংকের পার্টনার হয়েছে। সেইসঙ্গে রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় বিপুল পরিমাণ জমি কিনে সেখানে ৫ তারকা হোটেল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
একইসঙ্গে কেপিসিএল এবং ওসিএল’র সরাসরি তালিকাভুক্তির বিষয়টি নিয়ে এসইসি’র চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে পড়েন।
সভায় উপস্থিত একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র বাংলানিউজকে এ কথা নিশ্চিত করেন।
সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কেপিসিএল এবং ওসিএল’র মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
বুক বিল্ডিং ও সরাসরি তালিকাভুক্তি দু’টি সম্পূর্ণ আলাদা পদ্ধতি হলেও সামিটি গ্রুপ প্রভাব খাটিয়ে কোম্পানি দু’টিকে এক সঙ্গে দুটো পদ্ধতিতেই তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিতে এসইসিকে বাধ্য করে।
অথচ কেপিসিএল ও ওসিএলওকে অনুমোদন দেওয়ার আগে এসইসি সরাসরি তালিকাভুক্তির বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল।
এসইসির জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছিল, ভবিষ্যতে বেসরকারি খাতের কোনও কোম্পানিকে আর সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ দেওয়া হবে না।
পরে এসইসি তার জারি করা প্রজ্ঞাপনের শর্ত ভঙ্গ করে বেসরকারি খাতের এ দু’ কোম্পানিকে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ করে দেয়।
এ ব্যাপারে এসইসি পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এবং কোম্পানি দু’টি প্রজ্ঞাপন জারির আগে আবেদন করায় তাদের অনুমোদন দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সামিট গ্রুপ বাণিজ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এসইসি বাধ্য হয়ে আইন সংশোধন না করেই সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণ করার সুযোগ করে দেয়।
উল্লেখ্য, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ খান বাণিজ্যমন্ত্রীর বড় ভাই।
বাজার বিশ্লেষকদের অনেকেরই অভিযোগ, পরে ২০১০ সালে ৪ মার্চ ওসিএল এবং ১৮ এপ্রিল কেপিসিএল বাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হয়ে বাজার থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এর ফলে হাজার হাজার বিনিয়োগকারী এ কোম্পানির শেয়ার কিনে নিঃস্ব হয়ে গেছে।
এ পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত ওসিএল ও কেপিসিএল বাজারে আসার আগে শেয়ার প্রতি আয় ছিল যথাক্রমে ২ টাকা ৪০ পয়সা ও ২ টাকা ৭৯ পয়সা।
এদের মধ্যে এর ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ওসিএল এবং কেপিএল’র প্রতিটি শেয়ার বাজারে আসার আগে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারিত হয় যথাক্রমে ১৪৫ টাকা ও ১৯৪ টাকা।
এতে করে কোম্পানি দু’টি লেনদেন শুরুর আগেই পিই রেশিও হয়ে যায় ৬০ ও ৬৯। যা বাজারের গড় পিই রেশিও‘র প্রায় আড়াই গুণ।
গত ৪ মার্চ ওসিএল’র লেনদেন শুরু হয়। এর মধ্যে প্রথম তিন দিন এ কোম্পানির প্রতিটি শেয়ার দাম গড়ে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।
অন্যদিকে গত ১৮ এপ্রিল কেপিসিএল বাজারে লেনদেন শুরু হয়। প্রথম তিন দিন এ কোম্পানির প্রতিটি শেয়ার ২৬০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে গড় লেনদেন হয়।
সরাসরি তালিকাভুক্ত হওয়ার কারণে প্রথম তিন দিন সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে কোনও শেয়ার না থাকায় তারা শুধু শেয়ার কিনেছে আর কোম্পানি শুধুই বিক্রি করেছে।
এতে করে লেনদেন শুরুর প্রথম দিকে এ কোম্পানির পরিচালকরা ১০ টাকার শেয়ার ২৬০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে যায়।
পরে কোম্পানির পরিচালকরা অস্বাভাবিক মূল্যে শেয়ার বিক্রি কওে বাজার থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকেই শুরু হয় কেপিসিএল ও ওসিএল’র শেয়ারের দরপতন।
সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির কাছ থেকে ১২০’র বেশি পিই অনুপাতের কেপিসিএল এবং ওসিএল অতিমূল্যায়িত শেয়ার কিনে নিঃস্ব হয়ে গেছেন।
গত প্রায় ১০ মাসে অব্যাহতভাবে এ ২টি শেয়ারের দাম কমেছে ২০০ থেকে ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত। সর্বশেষ গত ২০ জানুয়ারি এ ওসিএল’র প্রতিটি শেয়ার মাত্র ১০৬ টাকা এবং কেপিসিএল মাত্র ৮৫ টাকায় সর্বশেষ লেনদেন হয়।
সামিট গ্রুপের এ প্রতিষ্ঠান কেপিসিএল এবং ওসিএল বুক বিল্ডিং পদ্ধতি মূল্য নির্ধারণ করে সরাসরি বাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়। এর পরই বুক বিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।
এ নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীসহ বাজার বিশ্লেষকরাও এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে। সর্বশেষ অর্থ মন্ত্রালয়ের নির্দেশে এসইসি বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত করতে বাধ্য হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৮ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৪, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/24/2011 12:49 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শর্ত সাপেক্ষে পুঁজিবাজারে আসছে মবিল যমুনা, এমআই সিমেন্ট
গোলাম সামদানী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ২১৪৯ ঘণ্টা, ২৪ জানুয়ারি ২০১১
ঢাকা: শর্ত সাপেক্ষে পুঁজিবাজারে আসছে মবিল যমুনা বাংলাদেশ লিমিটেড ও এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড। সোমবার এসইসির পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এসইসির একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেন।
শর্ত অনুযায়ী বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারিত হওয়া এই দুই কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রথম ৩০ দিন আইপিওর প্রস্থাবিত মূল্যর চেয়ে বেশি মূল্য শেয়ার বিক্রি করতে হবে।
যদি আইপিও‘র প্রস্তাবিত মূল্যর চেয়ে বেশি দামে শেয়ার বিক্রি না হয় কিংবা এর চেয়ে কম মূল্যে চলে আসে তাহলে কোম্পানির পরিচালকরা আইপিওর দামে শেয়ার কিনে নিতে হবে।
উল্লেখ্য বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারিত হওয়া নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হলে গত ১৯ জানুয়ারি এসইসি বুক বিল্ডিং পদ্ধতি আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
একইসঙ্গে ২৩ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে টাকা জমা নেওয়া মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের কার্যক্রম পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার কথা সাংবাদিকদের জানান।
ফলে কোম্পানি দু’টির আইপিওতে আবেদন করা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এসইসি এ সিদ্ধান্ত নেয়।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২ থেকে ৬ জানুয়ারি মবিল যমুনা বাংলাদেশ লিমিটেডের আইপিওর টাকা জমা নেওয়া হয়। তবে এনআরবি (ননরেসিডেন্স বাংলাদেশি) ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তা জমা দেয়। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এ কোম্পানির ১০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারন করা হয়েছে।
১০ টাকা শেয়ারের বিপরীতে ১৪২.৪০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১৫২.৪০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের প্রতিটি লটের বিপরীতে ১৫ হাজার ৪০০ টাকা জমা দিতে হয়।
কোম্পানিটির আইপিও পূর্ববর্তী পরিশোধিত মূলধন ১৪০ কোটি ৩২ লাখ এবং আইপিও পরবর্তী পরিশোধিত মূলধন ১৮০ কোটি ৩২ লাখ টাকা। কোম্পানিটি অভিহিত মূল্য অনুযায়ী পুঁজিবাজার থেকে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।
সর্বশেষ ২০১০ সালের ৩১ মার্চ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ১১.৭০ টাকা।
অন্যদিকে এমআই সিমেন্ট সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৯ থেকে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত আইপিওর টাকা আটটি ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ করে। তবে প্রবাসীরা ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত টাকা জমা দেয়।
১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১০০টি শেয়ারে এক মার্কেট লট নির্ধারন করা হয়েছে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানিটির ১০১.৬০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১১১.৬০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের প্রতি লটের বিপরীতে ১১ হাজার ১৬০ টাকা জমা দিতে হয়।
কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে অভিহিত মূল্য অনুযায়ী ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর আইপিও পূর্ববর্তী পরিশোধিত মূলধন ৭০ কোটি টাকা এবং আইপিও পরবর্তী মূলধন ১০০ কোটি টাকা।
৩১ শে ডিসেম্বর ২০০৯ সালের সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ১৫.৭৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় ৪৭.৪০ টাকা।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/25/2011 9:30 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | কারিগরি ক্রুটির জন্য এগ্রেসিভ সেল: এসইসিতে ৬ ব্রোকার হাউজ
আলতাফ মাসুদ, ২৫ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
কারিগরি ক্রুটির কারণে গত ২০ জানুয়ারি পুঁজিবাজারে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনে এগ্রেসিভ সেলের (বেশি দরে বিক্রির সুযোগ গ্রহণ না করে কম দরে বিক্রয়) ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযুক্ত ছয় ব্রোকারেজ হাউজ জানিয়েছে। সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজের প্রতিনিধিরা শুনানিতে এ কথা বলেন। সোমবার এসইসির সদস্য মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান অভিযুক্ত ছয় ব্রেকারেজ হাউজের শুনানি গ্রহণ করেন। তবে স্থগিতাদেশের বিষয়ে শুনানি সম্পন্ন হলেও ব্রোকারেজ হাউজগুলোর শাস্তির বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি এসইসি।
জানা গেছে কমিশনের পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে। এগ্রেসিভ সেলের সাথে জড়িত ব্রোকারদের বিরুদ্ধে এসইসি অধিকতর তদন্ত করবে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর যদি ব্রোকারেজ হাউজগুলোর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে আবারো অভিযুক্তদের বক্তব্য শোনার জন্য নোটিশ দেয়া হবে। এরপরই জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তি দেয়া হবে কিনা অথবা শাস্তির ধরন কি হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে এসইসি।
২০ জানুয়ারির এগ্রেসিভ সেল প্রসঙ্গে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর প্রতিনিধিরা শুনানিতে নিজেদের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। অভিযুক্ত ব্রোকারেজ হাউজের প্রতিনিধিরা বলেন, সেদিন শেয়ার বিক্রির জন্য দর প্রস্তাব পেলেও কারিগরি ক্রুটির কারণে সঠিক সময়ে অপর পক্ষ থেকে প্রস্তাব মূল্য গ্রহণ করা যায়নি। এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এছাড়া কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজে তখন স্বল্প সময়ের জন্য প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ঠিক করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে শেয়ারের দর কমে যায় এবং যে দর পাওয়া যায় সেটিই গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কিছু করার ছিল না। তবে ব্রোকারেজ হাউজের এ বক্তব্যে এসইসি সন্তুষ্ট হতে পারেনি বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে এগ্রেসিভ সেলের সাথে জড়িত থাকার দায়ে ২০ জানুয়ারি ৬টি ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করে এসইসি। একইসাথে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের ৩০ দিন পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি পুঁজিবাজার সংক্রান্ত আইন ভঙ্গ করায় সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোর নিবন্ধন কেন স্থগিত করা হবে না, তার কারণ জানাতে শুনানিতে হাজির হওয়ার জন্য সেদিনই নোটিশ পাঠায় এসইসি। এগ্রেসিভ সেলের কারণে ২০ জানুয়ারি লেনদেন শুরুর পাচ মিনিটের মধ্যে ৫৮৭ পয়েন্ট সূচকের পতন হওয়ায় এসইসি এ সিদ্ধান্ত নেয়। এ ঘটনার পরবর্তী দু'দিন পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ রাখা হয়।
এগ্রেসিভ সেলের দায়ে জড়িত ব্রোকারেজ হাউজগুলো হচ্ছে- আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ ও এলায়েন্স সিকিউরিটিজ এন্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। পরবর্তীতে পুঁজিবাজারের সংকট কাটাতে স্টেক হোল্ডারদের সাথে রোববার বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সূচকের সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহার, কোম্পানির দর হ্রাস-বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে আনা, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা, বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিতসহ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা দেন।
এদিকে সংশ্লিষ্ট ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজের নিবন্ধন স্থগিতে এসইসির দেয়া নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সোমবার হাইকোর্টে রিট আবেদন করে অভিযুক্তরা। আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তাকে কাজ থেকে ৩০ দিনের জন্য কাজ থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আলাদা রিট আবেদন করা হয়। বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দীন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সব ক'টি রিট খারিজ করে মঙ্গলবার আদেশ দেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এসসি/১৫.৪০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/25/2011 9:31 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার ঘাটতি ছিল: ডিসিসিআই
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে ধস ঠেকাতে সরকারের পরিকল্পনার ঘাটতি ছিল বলে মনে করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ডিসিসিআই মিলনায়তনে ব্যবসা ও বাণিজ্য উন্নয়নে ঢাকা চেম্বারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ মন্তব্য করেন।
এতে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন ডিসিসিআই সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে গত ২/৩ বছরে বিনিয়োগে যে আস্থার সৃষ্টি হয়েছিল বর্তমানে সে আস্থার সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বাজারে বাবল ইকোনোমির জন্ম হয়েছে। যার কারণে শিল্পায়ন ব্যাহত হয়েছে। বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
তিনি সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি), বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রাণালয়ের সমন্বিত ভূমিকা পালনের জন্য এবং কৃত্রিম ও অতিমূল্যায়িত শেয়ার বৃদ্ধি রোধ করার পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই'র পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এআর/ এসএস/ এআই/ ১৪.৫৪ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/25/2011 9:33 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বিক্রেতা না থাকায় পুঁজিবাজারে সর্বনিম্ন লেনদেনের রেকর্ড
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
বিক্রেতা না থাকায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে লেনদেন। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মাত্র ২০৬ কোটি টাকা। এর আগে ২০০৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসই'র লেনদেন হয় ২১২ কোটি টাকা। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর সর্বোচ্চ সীমা (সার্কিট ব্রেকার) স্পর্শ করার মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার লেনদেন শুরু হয়। টানা দরপতন ও দুই দিন পুঁজিবাজার বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার লেনদেন শুরুর পর থেকেই বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনতে চাইলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের কোন বিক্রেতা নেই।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার লেনদেনের শুরু থেকেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। সকাল ১১টায় লেনদেন শুরুর ২০ মিনিটের মধ্যেই সাধারণ সূচক ৪৪০ পয়েন্ট বাড়ে। মঙ্গলবার ডিএসই'র সাধারণ সূচক ৪৯৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬৮২০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৮টির ও কমেছে ১০টির।
এদিকে এসইসি'র পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেট থেকে ১০ কোম্পানির লেনদেন স্বাভাবিক মার্কেটে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার থেকে সূচকের উপর আরোপিত সার্কিট ব্রেকার পদ্ধতি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। তবে তালিকাভুক্ত কোম্পানির দর হ্রাস-বৃদ্ধির জন্য পূর্বে আরোপিত সার্কিট ব্রেকার অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। এ হিসেবে ডিএসই'র সাধারণ সূচক সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে বা কমতে পারে। এর ফলে ডিএসই'র বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, ৫০০ পয়েন্ট পর্যন্ত হ্রাস-বৃদ্ধি পেতে পারে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ ১৫.০৩ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/25/2011 9:35 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ার কেলেঙ্কারি: ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য শেয়ার কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত থাকায় তাদের নাম ঘোষণা করা হয়নি।
আগামীকাল অপর দুই সদস্যে ও নাম ঘোষণা করা হবে। কমিটি প্রয়োজন মনে করলে সদস্য সংখ্যা আরো বাড়াতে পারবে।
বৃহস্পতিবার থেকে এ কমিটি কাজ শুরু করবে এবং ৩ মাসের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।
মঙ্গলবার দুপুরে শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি ভবনে অনুষ্ঠিত একনেকের সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দু-একজন শেয়ারবাজার থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে। আমরা জানি কারা এ কাজ করেছে। আমাদের কাছে হিসাব আছে। তবে তারা যেই হোক এসব টাকা তাদের ফেরত দিতে হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ যাওয়ার আগে এ কমিটি গঠনের অনুমোদন দিয়েছেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এমএস/ জেইউ/এএইচ/ ১৪.৫০ ঘ.)
=======================================
পুঁজিবাজারের তদন্ত কমিটির প্রধান ইব্রাহিম খালেদ
ঢাকা, জানুয়ারি ২৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুঁজিবাজারের সা¤প্রতিক ঘটনা তদন্তে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
তিনি বলেন, "পুঁজিবাজারে যে সব সমস্যা ও অনিয়ম হয়েছে, তা খতিয়ে দেখবে এ কমিটি।"
কমিটি বৃহস্পতিবারের মধ্যে কাজ শুরু করবে জানিয়ে মুহিত বলেছেন, "তিন মাসের মধ্যে তারা প্রতিবেদন জমা দেবে।"
অর্থমন্ত্রী বলেন, "কমিটিতে সদস্য করার জন্য দুইজনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিলো। কিন্তু তারা শেয়ার বাজারে ইনভলবড থাকায় তাদের নেওয়া হয়নি। বাকি দুই সদস্যের নাম এবং কার্যপরিধি আগামীকাল (বুধবার) জানানো হবে।
কমিটি প্রয়োজন মনে করে আরো সদস্য দেওয়ার সুযোগ থাকবে সরকারের", বলেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, "কে কত শেয়ার কিনেছেন ও বিক্রি করেছেন তার সব হিসাব সিডিবিএল-এ। সেখান থেকেই সব বের করা যাবে।"
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারি সন্ধ্যায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে টেলিফোনে বলেন, "প্রধানমন্ত্রী পাঁচদিনের বিদেশ সফরে মঙ্গলবার রাতে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এ কারণে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) যাওয়ার আগেই তার সঙ্গে আলোচনা করে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে।"
টানা দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, কারসাজির অভিযোগ- সব মিলিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সঙ্কট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে রোববার দুই দফা বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, পুঁজিবাজারের সা¤প্রতিক ঘটনাবলি তদন্তে ১৫ দিনের মধ্যে কমিটি করা হবে।
অর্থমন্ত্রীর প্রতিশ্র"তির দুদিনের মধ্যেই কমিটির ঘোষণা দেওয়া হলো।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/আরবি/এআরএইচ/এমআই/পিডি/১৮০
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/25/2011 9:44 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ৫ ব্রোকারেজ হাউজের রিট আবেদন খারিজ
ঢাকা, জানুয়ারি ২৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
লেনদেন স্থগিতে এসইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে গিয়েও ফল পায়নি পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউজ। খারিজ হয়ে গেছে তাদের রিট আবেদন।
মঙ্গলবার বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দীন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের রিট আবেদনগুলো খারিজ করে দেন।
পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনের পর সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) গত বুধবার ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজের নিবন্ধন ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করে।
এগুলো হলো- আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং এনসিসি ব্যাংক, আল আরাফাহ ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংকের মার্চেন্ট শাখা। এসইসির অভিযোগ দরপতনে তাদের ভূমিকা প্রভাব রেখেছে।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থার এ সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রোববার হাইকোর্টে আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আল আরাফাহ ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংকের মার্চেন্ট শাখা একটি করে রিট আবেদন করে। সোমবার শুনানির পর মঙ্গলবার আদেশ দিলো আদালত।
আদালত বলেছে, "আবেদনকারীরা বাজারে বর্তমান অবস্থায় পেছনে কোনো ভূমিকা পালন করেছেন কি না, তা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তুলে আনতে হবে।
"আমরা আশা করছি, অবিলম্বে এ সংক্রান্ত কমিটি গঠিত হবে এবং কমিটি কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই ঘটনার পেছনে থাকা মূল দোষীদের খুঁজে বের করবে।"
"অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, বাজার অস্থিতিশীল করার পেছনের হোতাদের খুঁজে বের করতে একটি কমিটি করা হচ্ছে। তাই এ পর্যায়ে এসে হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না। তাই আবেদনগুলো খারিজ করে দেওয়া হলো", বলেছে আদালত।
আদেশে একইসঙ্গে বলা হয়, "গত কয়েক সপ্তাহ ধরে শেয়ারবাজারে যে টালমাটাল অবস্থা চলছে, আমরা তা বিচারিক নজরে এনেছি। আবেদনকারীরা পরবর্তী সময়ে নতুন উদ্ভূত কোনো পরিস্থিতিতে আবার আদালতে আসতে পারবেন। তাদের জন্য দরজা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে না।"
পরে চারটি আবেদনকারী ব্রোকারেজ হাউজের আইনজীবী এম জহির বলেন, নিবন্ধন স্থগিত করা সংক্রান্ত আবেদনগুলো আদালত খারিজ করে দিয়েছে।
এসইসি ওই ব্রোকারেজ হাউজগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের এক মাস শেয়ারসংক্রান্ত যে কোনো কাজ থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছিলো।
তবে ওই সংক্রান্ত রিট আবেদনের নিষ্পত্তি আদালত পরে করার কথা জানিয়েছে বলে জহির জানান।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, "পাঁচ ব্রোকারেজ হাউজের পাঁচটি আবেদন আদালত সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। আদালত বলেছে, দেশের স্বার্থ সবার ওপরে। আসল অপরাধীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কাজে হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না।"
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ সব ব্রোকারেজ হাউজের বিও অ্যাকাউন্টধারীরা চাইলে অন্য কোম্পানির মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন।
রিট আবেদনের শুনানিতে সোমবার এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারকে তলব করেছিলো আদালত। ছয়টি ব্রোকারেজ হাউসের নিবন্ধন স্থগিতের আদেশে সরকারি প্রতীক ব্যবহারের কারণে তাকে তিরস্কারও করা হয়।
আদালত এসইসি চেয়ারম্যান সম্পর্কে পর্যবেক্ষণে বলে, গত দুই-তিন সপ্তাহে শেয়ারবাজার নিয়ে দেশে যে টালমাটাল অবস্থা চলছে- অন্য কোনো দেশ হলে এর প্রধান পদত্যাগ করতেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএন/এমআই/১৩১২ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/25/2011 9:47 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | তদন্তের সময় আগের বক্তব্য ভুলে যাব: ইব্রাহিম
রিয়াজুল বাশার
ঢাকা, জানুয়ারি ২৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
শেয়ারবাজারের সা¤প্রতিক অস্থিরতা তদন্তের সময় নিজের দেওয়া আগের বক্তব্য 'ভুলে' যাবেন বলে জানিয়েছেন কমিটিপ্রধান ইব্রাহিম খালেদ।
একইসঙ্গে তদন্ত কমিটিতে 'উল্টা-পাল্টা লোক' নেওয়া হলে দায়িত্ব নেবেন না বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে টেলিফোনে এসব কথা বলেন ইব্রাহিম খালেদ।
দেশের পুঁজিবাজারের সা¤প্রতিক অস্থিরতা তদন্তে ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের কথা দুপুরে জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বৃহস্পতিবারের কমিটি কাজ শুরু করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা।
স¤প্রতি গণমাধ্যমে পুঁজিবাজারের অস্থিরতা নিয়ে ইব্রাহিম খালেদের সাক্ষাৎকারভিত্তিক সংবাদ প্রকাশিত হয়।
সেসব সংবাদে তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, "আওয়ামী লীগ-বিএনপির ১০ থেকে ১৫ জন ব্যবসায়ী রাজনীতিক শেয়ারবাজার থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছেন। কিন্তু এই টাকাটা তারা আর কোনদিন বিনিয়োগ করবেন না।"
এ প্রসঙ্গে ইব্রাহিম খালেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আগে যেসব মন্তব্য করেছি তা পত্রিকা পড়ে জেনেছি। আপনাদের [সাংবাদিক] কাছ থেকে এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে শুনে বিশ্বাস করে বলেছি। ওগুলো আমার ব্যক্তিগত মতামত।"
ওই মতামতের প্রভাব তদন্তে পড়তে পারে কি না জানতে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদ বলেন, "তদন্তের সময় আমার আগের কথাগুলো ভুলে যাবো। পূর্বধারণা (প্রি-কনসিভড আইডিয়া) থেকে কিছু বলব না। ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং করব। তারপরই বললো।"
তার স্বাস্থ্যগত অবস্থা খুব একটা ভালো নয় জানিয়ে ইব্রাহিম খালেদ বলেন, "তারপরও দায়িত্ব দেওয়া হলে তা পালনের চেষ্টা করবো। তবে আমাকে এখনো [সন্ধ্যা পর্যন্ত] আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। আপনাদের [সাংবাদিক] কাছ থেকে জেনেছি।"
তিনি বলেন, "কয়েকজন সাংবাদিক আমাকে বলেছে, আগামীকাল কমিটির অপর দুজন সদস্যের নাম ঘোষণা করা হবে। তবে উল্টা-পাল্টা লোক নেওয়া হলে আমি দ্বায়িত্ব নেব না।"
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/আরবি/পিডি/২০৪৪ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/25/2011 9:54 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন, সূচকের ঊর্ধ্বগতি
অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
বার্তা২৪ ডটনেট
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি
টানা দুইদিন বন্ধ থাকার পর চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচকে চাঙ্গাভাব দেখা গেলেও লেনদেন বাড়েনি। ডিএসইর দু’বছরের ইতিহাসে মঙ্গলবারে লেনদেন হয়েছে সর্বনিম্ন।
মঙ্গলবার সাধারণ মূল্যসূচক ৪৯৪ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ছয় হাজার ৮২১ পয়েন্টে এসে দাঁড়ায়। দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২০৬ কোটি টাকা। এর আগে সর্বশেষ ২০০৯ সালের ২ ফেব্রয়ারি লেনদেনের রেকর্ড ছিল ২১২ কোটি টাকা।
লেনদেনের এক ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে যায় বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসইতে ক্রেতা ও বিক্রেতার সংকট থাকায় লেনদেন কম হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার থেকে মূল্যসূচকের ওপর কোনো সার্কিট ব্রেকার ছিল না। তবে স্বতন্ত্র কোম্পানির ওপর সার্কিট ব্রেকার থাকলেও তা অর্ধেকে কমিয়ে আনা হয়েছে। এর আগে তালিকাভুক্ত একটি কোম্পানির শেয়ারের দাম একদিনে যে পরিমাণ বাড়তে বা কমতে পারত, মঙ্গলবার থেকে তার অর্ধেক হারে বাড়তে বা কমতে পারবে।
তবে এখন থেকে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করলেই লেনদেন আটকে যাবে না। সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন সীমায় ক্রেতা-বিক্রেতা থাকলে লেনদেন চলতে থাকবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বেচার চেয়ে কেনার পরিমাণ বেশি হওয়ায় লেনদেন কমে গেছে। আগামীকাল বুধবার মার্কেট আরো ভালো অবস্থায় ফিরে যাবে ।”
শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিযদের আহ্বায়ক মিজার উর রশিদ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকারের অবশ্যই মার্কেটের অবস্থা কমপক্ষে এক মাস ভালো রাখতে হবে। শেয়ারমার্কেটের স্থিতিশীলতা আনতে সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তা শিগগিরই বাস্তবায়ন করতে হবে।”
পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি আসিফন ইব্রাহিম বলেন, “পুঁজিবাজারে আস্থার ব্যাপক সংকট রয়েছে বলে অস্থিরতা চলছে। দীর্ঘমেয়াদী ও মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা জরুরি।”
মঙ্গলবার লেনদেন হওয়া ২৫৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৮টির এবং কমেছে ১০ টি প্রতিষ্ঠানের দাম।
ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ব্রিটিশ-আ্যামেরিকান ট্যোবাকো কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড, ওরিয়ন ইনফিউশন, তিতাস গ্যাস, এপেক্র্ ফুটওয়ার, ব্যাংক এশিয়া, এনবিএল, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, গ্রামীণ ফোন, ইবিএল এবং ইসলামী ব্যাংক।
আজ দাম বাড়ার শীর্ষে রয়েছে দেশবন্ধু পলিমার, ফাস্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, শাহজালাল ব্যাংক, সিনো বাংলা, এক্সিম ব্যাংক, মালেক স্পিনিং মিলস, এআইবিএল ফাস্ট ইসলামিক মিউচুয়্যাল ফান্ড, সিএমসি কামাল, ইউসিবিএল এবং জিকিউ বলপেন।
আজ দাম কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে শ্যামপুর সুগার মিলস, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, ইসলামী ইনস্যুরেন্স এবং সামাটা লেদার।
বার্তা২৪ ডটনেট/এসএমআর/এমকে
==================================================
পুঁজিবাজার: বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়ে সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
[img]
ঢাকা: পুঁজিবাজারের প্রতি আস্থা ফিরতে শুরু করেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের। টানা দুই কার্যদিবস লেনদেন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়ে সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করেছে।
একইসঙ্গে উভয় স্টক একচেঞ্জে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা ছিল না বললেই চলে। ফলে সার্কিট ব্রেকার স্পশ এবং বিক্রেতা না থাকায় লেনদেন শুরুর মাত্র ৪০ মিনিটের মধ্যে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন হল্টেড হয়ে যায়।
দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৮টির কমেছে ১০টির। সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৯৪ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৮২১ দশমিক ৮ পয়েন্টে উন্নীত হয়।
অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৮টি কোম্পানির মধ্যে ১৭৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১হাজার ১৭৫ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৯ হাজার ৬৭৫ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়।
অন্যদিকে মঙ্গলবার উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম, সাধারণ মূল্য সূচক, বাজার মূলধন আশানুরুপ বাড়লেও আর্থিক লেনদেন হয়েছে অনেক কম।
এদিন ডিএসইতে মাত্র ২০৬ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়। সিএসএইতে লেনদেন হয় মাত্র ৫২ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার।
লেনদেন কমে যাওয়া প্রসঙ্গে বিনিয়োগকারীরা বলেন, টানা দরপতনের কারণে এখনো বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানের মধ্যে রয়েছে। ফলে তারা লোকসানে শেয়ার বিক্রি করছে না।
অন্যদিকে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজগুলো মার্জিন লোন রেশিও না বাড়ানোর কারণে বিনিযোগকারীরা নতুন করে শেয়ার ক্রয় করতে পারছে না। ফলে লেনদেন কমে গেছে।
ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম ১০ মিনিটে লেনদেন হওয়া ১৮৮টি কোম্পানির মধ্যে কোম্পানি সার্কিট ব্রেকারের দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা ১৩১টির লেনদেন হল্ট হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, সোমবার এসইসি কোম্পানির সার্কিট ব্রেকার আগের থেকে অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বাজারে এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে দুপুর ১২ টার দিকে ডিএসই থেকে জানানো হয়, সব কোম্পানির লেনদেন হল্টেড হলে বেলা ৩ টা পর্যন্ত লেনদেন চালু থাকবে।
অন্যদিকে সকাল থেকে লেনদেন শুরু হওয়ার আগেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ জলকামান, টিয়ারসেল নিক্ষেপযন্ত্রসহ অবস্থান নেয়। যে কোনো ধরনের নাশকতা এড়াতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে বাংলানিউজকে জানান একজন দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা। এ সময় তারা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তল্লাশিও চালায়।
বাংলাদেশ সময়: ১৯১০ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৫, ২০১১॥
===================================
পুঁজিবাজারে লেনদেনে খরা
ঢাকা, জানুয়ারি ২৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
টানা দুদিন বন্ধ থাকার পর ঢাকার পুঁজিবাজার মঙ্গলবার খুললেও লেনদেন ছিলো দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার সারাদিনে ২০৬ দশমিক ৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এর আগে ২০০৮ সালের ২২ ডিসেম্বর ২০৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিলো।
দিনের শুরুতেই কেনার চাপে প্রায় প্রতিটি শেয়ারের দামই নিজস্ব সার্কিট ব্রেকারের সীমায় পৌঁছে যায়। ফলে দাম আর না বাড়ায় ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা ছিলো না। এ কারণেই লেনদেন কম হয়েছে বলে পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের ধারণা।
লেনদেন কমলেও সাধারণ সূচক ও শেয়ারের দাম দুটোই বেড়েছে।
দিন শেষে ডিএসইতে সাধারণ সূচক ৬৮২১ দশমিক ০৮ এ দাঁড়িয়েছে, যা দিনের শুরুর চেয়ে ৪৯৪ পয়েন্ট বেশি।
মোট ২৫৮টি কোম্পানির শেয়ারের হাতবদল হয়, এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৮টির, কমেছে ১০টির।
আগের সময় মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে দেশের দুই পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়। সাধারণ সূচকের সার্কিট ব্রেকার তুলে নেওয়ার পর প্রতিটি শেয়ারের আলাদা সার্কিট ব্রেকারও অর্ধেক করা হয়েছে।
দরপতনের পর গত সপ্তাহে সার্কিট ব্রেকার আরোপের পাশাপাশি লেনদেনের সময় দুই ঘণ্টা কমিয়ে দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত করা হয়েছিলো।
তবে তাতেও বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরুর ৫ মিনিটেই ডিএসইতে সাধারণ সূচক ৫০০ পয়েন্ট কমে গেলে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (এসইসি) এ সপ্তাহে প্রথম দুই দিন লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
টানা দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, কারসাজির অভিযোগ- সব মিলিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সঙ্কট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে রোববার দুই দফা বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সাধারণ সূচকে আরোপ করা সার্কিট ব্রেকার প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে পুঁজিবাজারের সা¤প্রতিক ঘটনাবলি তদন্তে একটি কমিটি করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার ডিএসই তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, সাধারণ সূচকে সার্কিট ব্রেকার তুলে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি শেয়ারের আলাদা সার্কিট ব্রেকারও ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে।
প্রধান বিরোধী দল পুঁজিবাজারে অস্থিরতার জন্য সরকারকে দায়ী করে এর তদন্ত চেয়েছে। সেইসঙ্গে অর্থ হারানো বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে তারা।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/১৫৩০ ঘ.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/25/2011 12:08 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Stock prices bounce back amid low turnover, thin transactions
Circuit breaker limits tradability
FE Report
26.01.2011
Trading on the DSE resumed Tuesday with a positive note. However, the turnover was abnormally low -- Tk 2.06 billion -- with a revised circuit breaker mechanism in place for transactions of individual issues.
The revised circuit breaker mechanism, apparantly, discouraged investors from selling their stocks in a situation marked by high demand pressure.
Shares prices on the Dhaka Stock Exchange (DSE) soared and all indices gained nearly eight per cent when the market re-opened after a gap of two trading sessions.
"The market is likely to be stable as the government has taken a series of positive measures regarding the stock market. The measures are expected to bring back the investors confidence," analysts said.
The steps, taken by the government included lifting of index circuit breaker, postponting the book building method, forming independent commettee to investigate the reson for the build up of the bubble and then the dramtic collapse, seems to have helped restoration of some confidence in the market, they said.
However, they said it is too early to say weather the market will stablise or not.
As soon as the trading floor opened at 11 am, investors started buying shares and within one hour DGEN gained more than 492 points. Over the next three hours the index remained almost flat as most of the scripts touched the individual circuit breaker limits. The general index (DGEN) finnaly clsoed 494 points up.
The institutional investors were the most buyers while retail and non-resident Bangladeshi (NRB) investors were the sellers in the day's thin trading.
The benchmark DSE General Index (DGEN), the main gauge of the DSE, surged by 7.82 per cent or 494.78 points to end at 6821.08.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 5666.20, up by 7.66 per cent or 403.09 points. The DSE-20 including blue chips index gained 7.99 per cent or 329.73 points to 4452.55.
However, total turnover came down to only Tk 2.06 billion, which was equivalent to 6.25 per cent of the highest ever turnover on December 05 last.
Total turnover was very low as there were a few sellers on the floor. As a result, many of the investors could not buy shares. The number of transactions on Tuesday stood at only 29200 compared to 389310 on December 05 last.
The market reacted positively as almost all the companies hit the upper limit of their individual circuit breaker on the day.
The SEC reduced the individual circuit breaker limit for individual companies from Tuesday in an effort to control abnormal rise or fall in share prices on a single trading day.
According to the revised circuit breaker system, a share worth up to Tk 200 cannot go up or down by 10 per cent on a single day trading, which was earlier 20 per cent.
Under the revised circuit breaker, market prices of shares ranging between Tk 201 and Tk 500 cannot go up or down by 8.75 per cent or by Tk 37.50.
The limit is 7.5 per cent or Tk 112.50 for shares with price tag between Tk 501 and Tk 1,000.
Stocks with prices ranging between Tk 1,001 and Tk 2,000 cannot increase or decrease by 6.25 per cent or by Tk 100.
The price cannot rise or fall by 5.0 per cent or Tk 187.50 if share value ranges between Tk 2,001 and Tk 5,000.
The limit is 3.75 per cent or Tk 300 for shares worth Tk 5,001 and above.
Professor Abu Ahmed of Economics Department of Dhaka University said, "The individual circuit breaker forced many investors to buy junk shares as they could not go for good shares because of the circuit breaker."
"The good shares had touched the circuit breaker within a very short time which forced the investors to buy junk shares," he said.
Many investors said that they did not sell shares as they had bought shares at higher prices earlier. And they were also gaining confidence by the government's initiatives. So, they want wait for a few more sessions.
"I do not want to sell shares now as the prices are not enough to cover my loss.," said Salam, a retail investor.
Terming the market's behaviour "abnormal", Professor Mahmud Osman of finance department at Dhaka University, said, "The gains do not show that normalcy has returned. The volume of sales was at a two-year low and some weaker stocks have also gained along with fundamentally strong ones."
"The investors are gaining confidence as the government took some market- friendly steps. There was no panic sale and there were a good number of buyers on the floor," said Yawer Sayeed, managing director of AIMS Bangladesh, an asset managemnt company.
He also said that the investors will be more confident if the government restructured the Secutirites and Exchange Commission (SEC) within the shortest posible time as it has failed to stabilise the market.
However, he said "We have to wait for a few more sessions to see the final results." |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/25/2011 12:12 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | High-powered body to probe share mkt
Nazmul Ahsan
26.01.2011
Financial Express
The government has formed a high-powered probe committee to identify individuals and institutional investors involved in recent share market scam.
Prime Minister Sheikh Hasina on Tuesday approved the terms of reference (ToR) for the committee, a senior official in the Prime Minister's Office (PMO) said.
Khondkar Ibrahim Khalid, Chairman, Bangladesh Krishi Bank and former deputy Governor of Bangladesh Bank (BB), has been made head of the committee. Other members of the probe committee will be selected today (Wednesday).
"A probe committee on recent share market irregularities, headed by Ibrahim Khalid, has been formed," Muhith told reporters after a meeting of the Executive Committee of the National Economic Council (ECNEC).
"We selected two other members of the committee, but dropped them later from it after their involvement in share business had been known," Muhith added.
He said names of two members of the committee will be finalised today (Wednesday).
The committee will submit its report to the government after three months from the date of formation of the probe panel.
According to the ToR, the committee will identify individuals and institutions and their techniques of manipulation in influencing the recent unusual ups and downs in the capital market. The amount of money invested by such vested groups in the share market for short term profit, instead of investing for long term, will also be unveiled by the committee, the ToR added.
The high-powered committee will also identify individuals, banks, financial institutions, brokerage houses and listed companies, responsible for the recent volatility in the capital market.
The ever highest general index of Dhaka Stock Exchange (DSE) was 8918.51 on December 5, 2010. The general index shed above 2000 points from January 3, 2011 to January, 20 triggering vandalism by investors in the streets.
Finance Minister on Sunday last announced to form a probe committee to investigate the irregularities in the share market.
According to the ToR, the committee will review how the small investors were affected after they had invested their money in the initial public offerings (IPOs), while it will analyse the liquidity of the market during the steep fall of share prices.
The committee will also identify institutions and individuals, who diverted huge amount of money from the market by issuing initial public offerings under the cover of direct listing, book building and fixed prices. In the process, the roles of issue managers, regulatory authorities, audit firms and asset valuer companies should also be examined by the committee, the ToR stated.
The committee members will compare the rate of return between the profits arising from the investment of savings instruments and banks and profits from long term investment in the capital market. The base time for the analysis has been set at early 2010 to draw the comparison, the ToR said.
The committee will analyse the trend of continuous rise of index in share market, recommend a sustainable scenario for the market and give a picture of an over heated capital market, said the ToR of the committee.
The probe committee will examine whether the role of regulatory authority of capital market -- Securities and Exchange Commission (SEC), was appropriate in handling the recent volatility and unusual ups and downs of the market. The committee members will also suggest whether the existing laws and regulations to regulate the market are adequate.
According to the ToR, the committee members will review the expertise of SEC in handling the unusual volatility in the capital market and put their recommendations on whether the governance and overall infrastructure of Dhaka Stock Exchange and Chittagong Stock Exchange are up to the mark to cope with the entire situation of the market.
"The government is serious to detect the irregularities in the capital market and identifying culprits in the process of manipulating the recent share market," a high official in the SEC said.
"None should go unpunished," he added. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|