| 01/27/2011 12:39 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ৩১ জানুয়ারি মবিল-যমুনা, ৯ ফেব্রুয়ারি এমআই সিমেন্টের আইপিও লটারি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
28.01.2011
প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের জন্য লটারির তারিখ চূড়ান্ত করেছে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টস বাংলাদেশ লিমিটেড (এমজেএল) এবং এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড। আগামী ৩১ জানুয়ারি এমজেএল এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এমআই সিমেন্টের লটারি অনুষ্ঠিত হবে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণের কারণে এ দু'টি কোম্পানির আইপিও নিয়ে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর দুই কোম্পানির আইপিও নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। পরে বাজারে আসার এক মাসের মধ্যে দর কমে গেলে কোম্পানির পৰ থেকে বরাদ্দ মূল্যে সকল শেয়ার কিনে নেয়ার (বাই ব্যাক) শর্তে আইপিও প্রক্রিয়া শেষ করার অনুমতি দিয়েছে এসইসি।
মবিল-যমুনা : মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের আইপিও লটারি আগামী ৩১ জানুয়ারি সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির আইপিওতে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সাড়ে ৫ গুণ এবং প্রবাসীদের কাছ থেকে ১.৭৫ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে আবেদন জমার গড় হার ৪.৮৬ গুণ। কোম্পানিটি মোট ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৬০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করছে। ইতোমধ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির দর প্রসত্মাব (বিডিং) মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ বা ৮০ লাখ শেয়ার বরাদ্দ করা হয়েছে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ২ কোটি ৪০ লাখ স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের ৪০ লাখ প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের এবং বাকি ৪০ লাখ মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য বরাদ্দ করা হবে।
১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। কোম্পানির ১০০টি শেয়ারের মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানির ইসু্য ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
এমআই সিমেন্ট : এমআই সিমেন্টের আইপিও আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ড্র অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির আইপিওতে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫ গুণ এবং প্রবাসীদের (এনআরবি) কাছ থেকে ৩ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি মোট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৩৩৪ কোটি টাকার শেয়ার সংগ্রহ করেছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১১ টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানির ১০০টি শেয়ারের মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানির ইসু্য ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/27/2011 12:40 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | কেনা-বেচায় ভারসাম্য ফিরছে শেয়ারবাজারে
স্বাভাবিক মাত্রায় বেড়েছে সূচক, হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে লেনদেন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
The Daily Janakantha
28.01.2011
দু'দিন ধরে বিক্রেতাশূন্য থাকার পর শেয়ারবাজারে কেনা-বেচায় ভারসাম্য ফিরতে শুরু করেছে। তৃতীয় দিনের মতো সূচকের উর্ধমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলেও বৃহস্পতিবার বাজারের সামগ্রিক চিত্র ছিল স্বাভাবিক। বাজারে শেয়ার কেনার চাহিদা থাকলেও বিক্রেতাও ছিল যথেষ্ট। ফলে দর কষাকষির মধ্য দিয়ে অনেক শেয়ারের দর যেমন বেড়েছে, তেমনি মূল্য সংশোধনের ধারায় ফিরেছে কিছু কিছু শেয়ার। আর ক্রয়-বিক্রয় উভয় দিকে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ থাকায় বেড়েছে আর্থিক লেনদেন।
পুঁজিবাজার বিশেস্নষকরা বলছেন, মন্দা পরিস্থিতির সময় যারা কম দরে শেয়ার কিনেছেন বৃহস্পতিবার তাঁদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিয়েছেন। ফলে কিছু কোম্পানির দর সংশোধন হয়েছে। মূলত এ কারণেই আগের দু'দিনের অস্বাভাবিক উর্ধগতির ধারাবাহিকতা থেকে বেরিয়ে এসেছে শেয়ারবাজারে। তাঁদের মতে, বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর দু'দিন ধরে যে হারে দর বেড়েছে তা অনেকটা প্রত্যাশিত ছিল। বাজারের উর্ধমুখী প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে ভূমিকা রেখেছে। আর বৃহস্পতিবারের লেনদেন প্রমাণ করেছে, বাজার আবারও পরিপক্ব আচরণের দিকে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩০ কোটি টাকা_ যা গত সাত কার্যদিবসের মধ্যে সর্বোচ্চ। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে প্রায় ১২৭ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরম্নর প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইর সাধারণ সূচক ২৭৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। এ সময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৪টি কোম্পানির শেয়ার সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করে। তবে আগের দিনের তুলনায় বিক্রির চাপ কিছুটা বাড়ায় সূচকের উর্ধমুখী প্রবণতা কিছুটা কমে যায়। এদিন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি, খাদ্য ও অনুষঙ্গিক, প্রকৌশল, বস্ত্রখাতের প্রায় অর্ধেক কোম্পানির শেয়ারের দর হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া গ্রামীণফোনের শেয়ারের দর কমেছে ৭.৫০ টাকা। অপরদিকে দর বাড়ার তালিকায় বীমা খাতের অবস্থান ভাল ছিল।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ২৫৭টি কোম্পানি ও মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৯টির, কমেছে ১১৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টির। আগের দিনের তুলনায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ১০৫ পয়েন্ট বেড়ে ৭৩৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিনের মোট লেনদেনের পরিমাণ ১ হাজার ৩০ কোটি ২৪ লাখ ২৮ হাজার ৫০৩ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৪৪২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বেশি। ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৫ দশমিক ৯০ পয়েন্ট বেড়ে ৭৩৮৫ দশমিক ৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই ২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৪ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট কমে ৪৭০১ দশমিক ৭১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- ইউসিবিএল, ন্যাশনাল ব্যাংক, বেঙ্মিকো লিমিটেড, গ্রামীণফোন, বেঙ্টেঙ্, তিতাস গ্যাস, সাউথইস্ট ব্যাংক, বে-লিজিং, ওয়ান ব্যাংক ও ম্যাকসন স্পিনিং।
অন্যদিকে দর বাড়ায় শীষ ১০টি কোমপানি হলো- সামিট এলায়েন্স পোর্ট, মালেক স্পিনিং, উত্তরা ব্যাংক, নাভানা সিএনজি, কেয়া কসমেটিকস্, ঢাকা ডায়িং, আরএন স্পিনিং, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, অগি্ন সিস্টেমস্ ও সায়হাম টেঙ্টাইল।
দর কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- অলটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ, শ্যামপুর সুগার, মডার্ন ডাইয়িং, ইসলামী ইন্সুরেন্স, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস্, প্রথম প্রাইম ফিন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আরামিট, দেশ গার্মেন্টস্, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও দেশবন্ধু পলিমার। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/27/2011 12:41 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | লেনদেন বাড়ছে
ইত্তেফাক রিপোর্ট
28.01.2011
শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক ঊধর্্বমুখী প্রবণতায় সপ্তাহের শেষ দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে গত দুইদিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজার ঊধর্্বগতির ধারা কিছুটা কমেছে। লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও কিছু শেয়ারের মূল্য সংশোধন হয়েছে। শেয়ারবাজার মন্দা পরিস্থিতির সময় যারা কম দামে শেয়ার কিনেছেন, বৃহস্পতিবার তারা হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিয়েছেন।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে মোট ২৫৭টি কোম্পানির ৮ কোটি ৩৬ লাখ ২১ হাজার ৫৮০টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসই'তে মোট লেনদেনের পরিমাণ ১ হাজার ৩০ কোটি ২৪ লাখ ২৮ হাজার ৫০৩ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪৪২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বেশি।
ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১০৫ দশমিক ৯০ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৩৮৫ দশমিক ৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই- ২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৪ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৭০১ দশমিক ৭১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল লেনদেনকৃত ২৫৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৯ টির এবং কমেছে ১১৫ টি কোানীর শেয়ার ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩ টি কোম্পানির শেয়ার।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- ইউসিবিএল, ন্যাশনাল ব্যাংক, বেক্সিমকো, গ্রামীণ ফোন, বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাস, সাউথইস্ট ব্যাংক, বে-লীজিং, ওয়ান ব্যাংক ও ম্যাকসন স্পিনিং।
অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে গতকালের প্রধান ১০টি কোমপানি হলো-সামিট এলায়েন্স পোর্ট, মালেক স্পিনিং, উত্তরা ব্যাংক, নাভানা সিএনজি, কেয়া কসমেটিকস্, ঢাকা ডাইয়িং, আরএন স্পিনিং, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, অগি্ন সিষ্টেম ও সায়হাম টেক্সটাইল।
দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- অলটেক্স ইন্ডাষ্ট্রিজ, শ্যামপুর সুগার, মডার্ন ডাইয়িং, ইসলামী ইন্সুরেন্স, বীকন ফামর্াসিউটিক্যালস্, ১ম প্রাইম ফিন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ড, আরামিট, দেশ গার্মেন্টস্, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও দেশবন্ধু পলিমার। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/28/2011 12:14 pm |
 Forum Addict

Regist.: 12/31/2010 Topics: 14 Posts: 92
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে ধস কেন
লুটে নেয়া হয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
29.01.2011
০০ জামাল উদ্দীন
শেয়ার বাজারে অস্বাভাবিক দরপতন কি নীলনকশার অংশ? দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই গতিশীল শেয়ার বাজারে মহাপতন ঘটানো হয় বলে মনে করছেন বিভিন্ন মহল। একের পর এক সিদ্ধান্ত পরিবর্তন এবং শেষ পর্যন্ত সার্কিট ব্রেকার শর্ট সার্কিটে পরিণত হয়ে জ্বালিয়ে দেয় পুঁজিবাজারকে। অপরদিকে, সংশিস্নষ্ট সূত্রগুলো বলেছে, নীলনকশা বাস্তবায়নে নীতিনির্ধারণী মহল থেকে শুরু করে বাজারের ব্রোকারেজ ফার্ম পর্যন্ত জড়িত ছিল। যোগসাজশ ছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তাদের। রাজনীতিতে সক্রিয় ব্যবসায়ীদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র মেকানিজমের মাধ্যমে বাজার থেকে তুলে নিয়েছে ৪০ থেকে ৪২ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা বাজারে বিনিয়োগ হবে না। ফলে বাজার মূলধনে ৪২ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বাজারকে টেনে কতদূর নেয়া যাবে তা নিয়ে যথেষ্ট শংকা রয়েছে।
পুঁজিবাজারকে বলা হয় অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহ। পুঁজি সংগ্রহের জন্য ব্যাংকিং খাতের বিকল্প এই বাজারে ধস সরাসরি অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। বিদু্যৎ ও জ্বালানি সংকটের এই সময়ে অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে শেয়ার বাজার ছিল ইতিবাচক ভূমিকায়। এই ধসের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে বিদেশেও চলে গেছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। বিদেশী বিনিয়োগ যা এসেছিল মুনাফাসহ বের হয়ে গেছে তার সিংহভাগ। বাংলাদেশে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির অর্থনীতি এই 'শক' বা ঝাঁকুনি কাটিয়ে উঠবে কিভাবে তা নিয়েও সন্দেহের অবকাশ আছে। দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ কমেছে, কমেছে রেমিটেন্স ও জনশক্তি রফতানি প্রবাহ। তবে একটি গোষ্ঠী টাকা বানিয়ে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। অন্য শ্রেণী, সাধারণ বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারিয়ে সর্বস্বান্ত।
সংশিস্নষ্ট সূত্রগুলো বলেছে, শেয়ার বাজারে এরকম ধস নামবে তা আগে থেকেই অনুমান করা গেছে। মার্কেট বিহেভিয়র বা বাজারের গতি বিশেস্নষণ করলেই তা স্পষ্ট ছিল। অধিকাংশ শেয়ারের দাম এতই বেড়ে যায় যে, অতিমূল্যায়িত বাজারে বিনিয়োগের ঝুঁকির বিষয়টিও আলোচনায় ছিল। তবে ভরসা ছিল স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় লেনদেনে অতটা বিপর্যয় হবে না। কিন্তু ম্যান বিহাইন্ড দ্য মেশিন বলে কথা আছে। দীর্ঘ সময় নিয়ে এমনভাবে জাল বোনা হয়েছিল, বিপর্যয়কে অবশ্যম্ভাবী করে তোলে চক্রটি। তারা জানে যে কোন পরিস্থিতিই তারা ওভারকাম করতে পারবে। এদের অনেকের নামই বিনিয়োগকারীদের মুখে মুখে। ইশারা-ইঙ্গিতেও এদের নাম আলোচনায় আসে। কিন্তু সাক্ষ্য-প্রমাণ ছাড়া বলা যায় না। তদন্ত কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার আগে এরকম ভাবেই খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ১০/১৫ জনের সংঘবদ্ধ একটি চক্রের কথা বলেছেন। এতে অনেকটাই স্পষ্ট যে, কারা এটি করেছেন। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকেও কোন কোন ব্যবসায়ী একে অপরকে দোষারোপ করেছেন। এখন অপেক্ষা তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য। তবে বাজার সংশিস্নষ্ট সূত্রগুলো বলেছে, পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আগেভাগেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন দপ্তরগুলোতে নিজেদের লোক বসানো হয়। যাদের কেউ নীতি নির্ধারণী খাতে সহায়তা ভূমিকা পালন করেছেন। কেউ তার বাস্তবায়ন করেছেন। নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় বাজার পরিস্থিতি ঘোলাটে করে 'ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে' নেমে যান চক্রের সদস্যরা।
সর্বশেষ ২০ জানুয়ারি দুপুর একটায় শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে ঘটে যায় মহা বিপর্যয়। পাঁচ মিনিটে সূচকের ৬শ পয়েন্ট পতন সব হিসেব নিকেষ উল্টে দেয়। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণায় দেখা গেছে শেয়ার বাজারের সামপ্রতিক এই উত্থান-পতনে বাজার থেকে একটি চক্র নিয়ে গেছে ৪০ থেকে ৪২ হাজার কোটি টাকা। কারসাজির কারণে বাজার মূলধনের পরিমাণও কমেছে। গত ৫ ডিসেম্বর পুঁজিবাজারে মূলধন ছিল রেকর্ড পরিমাণ ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৭১ কোটি টাকা । আর ২০ জানুয়ারি তা নেমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৩ হাজার ৬ ১১ কোটি টাকা। এই অল্প সময়ে ৮৪ হাজার ৪৬০কোটি টাকার মূলধন কমে যায়। বর্তমানে শেয়ার বাজারে বিও একাউন্টধারীর সংখ্যা ৩২ লাখের বেশি। ২০০৪ সালে এর সংখ্যা ছিলো মাত্র ১লাখ ৩০ হাজার।
বাজারে বিনিয়োগকারীদের এত অংশগ্রহণ বৃদ্ধির কারণও ছিল অতিমূল্যায়িত শেয়ার। বাজারে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করা হয়েছিল। আর সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বুক বিল্ডিং পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে শেয়ারের অতিমূল্যায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাদের উদ্বুদ্ধ করতেও নেয়া হয় নানা উদ্যোগ। রোড শো, শেয়ার মেলা প্রভৃতির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করা হয়। প্রবাসীরা শেয়ার বাজরে বিনিয়োগ করতে দেশে ছুটে আসেন। আবার গত এক বছরে ছাড়া হয়েছে নতুন ২৭টি কোম্পানির শেয়ার। উচ্চ প্রিমিয়ামে প্রাথমিক শেয়ার ছাড়ায় বাছবিচার না করেই অনেকে কিনেছেন সেসব শেয়ার যা বাজারে নতুন ধসের ইঙ্গিত দিচ্ছিল।
এই ধসের ব্যাপারে আগাম রিপোর্ট দিয়েছিল সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। ১০ শীর্ষ বাজার নিয়ন্ত্রককে কারসাজির জন্য চিহ্নিত করে এই রিপোর্ট দেয়া হয় বলে বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়। এতে ৫টি ব্রোকারেজ হাউসের কথাও তুলে ধরা হয়েছিল।
সংশিস্নষ্ট সূত্রমতে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কর্মকর্তারা কারসাজির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। কারসাজির মাধ্যমে দাম বাড়ানোর সুযোগটি তারাই করে দিয়েছে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির মাধ্যমে। আর শেষ পর্যন্ত বাজার ধরে রাখতে গিয়ে এসইসি সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার আরোপ করে যা শর্ট সার্কিটের মতই বাজারকে জ্বালিয়ে দেয়।
সূত্রমতে, শেয়ার বাজারে নানা অনিয়ম আর কারসাজি ঘটাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে স্টক এক্সচেঞ্জ পরিচালনা পর্ষদ। একদিকে তারা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক, অন্যদিকে ব্রোকারেজ হাউসেরও মালিক। আর সে কারণে স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যরাই যেন দেশের পুঁজিবাজারের মালিক বা নিয়ন্তা বনে গেছেন। যেমন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের যাত্রা শুরু হয় ১৯৫৯ সালে। এটি একটি লিমিটেড কোম্পানি। এই প্রতিষ্ঠানের সদস্য সংখ্যা এখন ২৩৮। এদের মধ্য থেকে পরিচালক নির্বাচিত হন, আবার তারাই ব্রোকারেজ হাউস চালান। সামপ্রতিক সময়ে দাবি উঠেছে এর পরিবর্তন করতে হবে। নইলে একই সঙ্গে ব্রোকারেজ হাউস আর ডিএসই সদস্যপদের কারণে পুঁজিবাজারের কোন শৃংখলা থাকে না। প্রয়োগ করা যায় না কোন আইন কানুন, নেয়া যায় না ব্যবস্থা। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কেবলমাত্র ডিএসই'র সদস্যরাই ব্রোকারেজ হাউসের লাইসেন্স পাবে এই নিয়মের অবসান ঘটাতে হবে। নয়তো একের পর এক ধসের ঘটনা বন্ধ করা যাবে না।
একইভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেয়া পদক্ষেপগুলোও সমালোচিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের নামে বাজারে অর্থ সরবরাহ কমিয়ে দেয়। তাতে বাজারে অর্থসংকট দেখা দিলে কলমানি মার্কেটেও সুদের হার রেকর্ড পর্যায়ে পেঁৗছে। সময়োপযোগী না হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসব সিদ্ধান্তও সমালোচিত হয়েছে।
বাজার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বাজারে এখন আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। নইলে বিনিয়োগকারীরা এমুখী হবে না। বাজারকে গতিশীল করাও যাবে না। অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী বলেন, 'বাজারে এই মুহূর্তে বেশি প্রয়োজন আস্থা ফিরিয়ে আনা। এসইসিতে পরিবর্তন সাধনের মাধ্যমে প্রাথমিক আস্থা অর্জন করা যেতে পারে। তারপর বাজারে নতুন নতুন শেয়ার নিয়ে আসতে হবে। সরকারি কোম্পানিগুলোর শেয়ার নিয়ে আসা এবং বাজারে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশনকে আরো সক্রিয় করা জরুরি'।
বিশেষজ্ঞরা সুপারিশ করেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর উচিত হবে ভবিষ্যতে যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে এর পরবর্তী সম্ভাব্য ফলাফল কি হতে পারে তা বিবেচনায় নেয়া। তাহলে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো যাবে। তাছাড়া বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের উপযুক্ত সাজা দিতে না পারলে ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়াই স্বাভাবিক। |
|
|
| 01/29/2011 11:23 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ব্যাংকিং স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবো না: আতিউর
ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, কোন অবস্থাতেই দেশের সুশৃঙ্খল ব্যাংকিং ব্যবস্থা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবেনা বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সাথে মনিটরিং জোরদার করে সংযত কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং নীতির দিকে গুরুত্বও দেয়া হচ্ছে। শনিবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক আয়োজিত শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
গভর্নর আরো বলেন, ব্যাংকিং খাতে দক্ষতা অর্জন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আইনগতভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতি প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, মনিটরিং ও সুপারভিশন, মুদ্রার অভ্যন্তরীণ-বহিঃস্থিতিশীলতা রক্ষা, আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা অর্জন ইত্যাদি প্রধান দায়িত্ব পালন করে থাকে। তবে বাজার সম্পর্কে নানা ধরনের বিভ্রান্তিমূলক আমাদের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে রয়েছে। বৈশ্বিক মন্দায় বিভিন্ন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থার বেহাল দশা লক্ষ্য করা গেলেও সে তুলনায় আমাদের আর্থিক খাত বেশ সংহত রয়েছে। বর্তমানে এ খাতের মূলধন দেশের জিডিপি'র প্রায় সাড়ে চার শতাংশ। গভর্নর আরো বলেন, সুশিক্ষার জন্য যে বিনিয়োগ করা হয় তা সবচেয়ে ভাল বিনিয়োগ। এজন্য তিনি ব্যাংকগুলোকে মানব কল্যাণে ও গরীব হিতৈষী রূপে ব্যাংকিং সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার আহবান জানান। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোলাইমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাজ্জাতুয জুম্মা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুর রহমান সরকার প্রমুখ।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসএইচ/সুম/১৩:৩২ ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/29/2011 11:28 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
মূল্যস্ফীতির চাপে শেয়ারবাজারে টানাপোড়েন
আসজাদুল কিবরিয়া | তারিখ: ২৯-০১-২০১১
Prothom-Alo
দুনিয়াজুড়ে বাংলাদেশের নাম আরেকবার ছড়িয়ে পড়ল। তা সম্ভব হলো দেশের পুঁজিবাজারে বিরাট বিপর্যয়ের কারণে। এতে হয়তো খুশি হওয়ার কিছু নেই। তবে যেটা বাংলাদেশের নীতিনির্ধারক ও বিনিয়োগকারীদের সচেতন করতে পারে সেটি হলো, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের এই উত্থান-পতন কিছু কিছু দেশে গভীর মনোযোগ কেড়েছে। মনোযোগ কেড়েছে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও ক্রেতাদের। তারা বাংলাদেশকে ও বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এবার একটু ভিন্নভাবে পর্যালোচনা শুরু করেছে।
আবার কেউ কেউ বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও প্রবণতার সঙ্গে নিজেদের শেয়ারবাজারকে মিলিয়ে দেখতে চাইছে। ফিলিপাইনের কথাই ধরা যাক। সেখানকার কোনো কোনো বিশ্লেষক বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে ধস নামা থেকে সে দেশের কারবারি ও বিনিয়োগকারীদের শিক্ষা নিতে বলছে, সতর্ক হতে বলছে। দেশটির প্রধান শেয়ারবাজার ফিলিপাইন স্টক এক্সচেঞ্জের মূল সূচক হলো পিএসই সূচক। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে এই সূচক চার হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে গেছে। দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে চলায় তা ইতিমধ্যে শেয়ারবাজারের ওপর চাপ তৈরি করেছে।
অবশ্য বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা করতে গিয়ে তারা একটা দিক থেকে স্বস্তিতে রয়েছে। গত পাঁচ বছরের (২০০৬-১০) দুই বাজারের গতি-প্রবণতা পর্যালোচনা করে তারা দেখতে পায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক যত দ্রুত হারে ও যতটা বেড়েছে, পিএসই সূচক সেই হারে ও সেভাবে বাড়েনি।
ফিলিপাইনের বাজারের বিষয়টি যখন চলে এল, তখন আসলে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোর সর্বশেষ প্রবণতাটার দিকে আলোকপাত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে এখানে চলে আসছে মূল্যস্ফীতির বিষয়টি, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বস্তুত এই বছরের প্রথম তিন সপ্তাহে এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোয় দুটি বিপরীতধর্মী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়। ইন্দোনেশিয়া, ভারত ও চীনের শেয়ারবাজার যথাক্রমে ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ, ৭ দশমিক ৩০ শতাংশ ও ৩ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে পড়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পতনের মূলে রয়েছে মূল্যস্ফীতিজনিত আতঙ্ক।
এখানকার বিনিয়োগকারীরা এখন শেয়ার ও বন্ড বিক্রি করে দিয়ে দ্রুত মুনাফা তুলে নেওয়ার দিকেই মনোযোগী। তাঁরা এও মনে করছেন, এসব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক যথাসময়ে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করেনি বা করলেও তা খানিকটা ধীরে ধীরে।
যেমন—ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই) গত মঙ্গলবার রেপো (কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে হারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে অর্থ ধার দেয়) ও রিভার্স রেপোর (কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অর্থ জমা রাখলে যে সুদ দেওয়া হয়) হার বাড়িয়েছে। তবে সেখানকার অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করছেন, এই হার যতটা বাড়ানো হয়েছে, তার চেয়ে বেশি বাড়ানো উচিত ছিল।
ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকার ইকোনমিক টাইমসকে বলেছেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতির মূলে রয়েছে দুই অঙ্কের খাদ্যের মূল্যস্ফীতির হার ও তেল-পণ্যের উচ্চমূল্য। একদিকে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো, অন্যদিকে মুদ্রার সরবরাহ কমানো—এ দুইয়ের মাধ্যমে এই মূল্যস্ফীতিকে প্রশমিত করতে হবে। রেপো ও রিভার্স রেপোর হার বাড়িয়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে না।’
আরেক ধাপ বাড়িয়ে মন্তব্য করেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক বিপুল মালাকার। তাঁর মতে, এই নীতিনির্ধারণী সুদের হার বাড়ানোর কোনো প্রভাব বেড়ে চলা পণ্যমূল্যের ওপর পড়বে না। কেননা, মুদ্রাবাজারে উচ্চমাত্রায় ফাটকা চাহিদাই মূল্যস্ফীতিকে উসকে দিচ্ছে। তাই এই ফাটকা চাহিদার প্রশমন ঘটিয়ে এবং উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতিকে বাগে আনতে হবে।
অথচ আরবিআইকে বলা হচ্ছে এশিয়ার সবচেয়ে আগ্রাসী কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যে কিনা গত বছরে ছয়বার বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী সুদের হার বাড়িয়েছে। আর জানুয়ারি মাসে রেপো ও রিভার্স হার যথাক্রমে সোয়া ছয় ও সোয়া পাঁচ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ছয় ও সাড়ে পাঁচ শতাংশে উন্নীত করেছে।
বিপরীতে মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনেকটা দ্রুত মুদ্রানীতি সংকোচনমূলক করেছে সুদের হার বাড়িয়ে দিয়ে। এটি আবার সে দেশের শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। তাই এ দুটি দেশের প্রধান শেয়ারবাজার আলোচ্য সময়ে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। সিউল স্টক এক্সচেঞ্জে তো একপর্যায়ে রেকর্ড উল্লম্ফন ঘটেছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণে এমনটিই বলা হয়েছে।
সুতরাং, মূল্যস্ফীতির চাপে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোয় এক ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। শুধু শেয়ারবাজারই নয়, মুদ্রাবাজারে বিশেষত বৈদেশিক মুদ্রাবিনিময় হারের ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির চাপ আরেকটি অস্থিরতা তৈরি করেছে।
থাইল্যান্ডের বিহিত মুদ্রা বাথ ও ভারতের রুপির দরের বড় ধরনের পতন ঘটেছে। আর এটা ঘটছে যেহেতু এসব দেশের বিদেশি বিনিয়োগকারী ও কারবারিরা শেয়ার ও বন্ড বিক্রি করে দিচ্ছে এবং মার্কিন ডলার কিনছে। এমনকি থাইল্যান্ডে কিছু স্থানীয় স্বর্ণ আমদানিকারকও ডলার কিনতে শুরু করেছে। এই চাহিদা বৃদ্ধি ডলারের দর বাড়িয়ে স্থানীয় মুদ্রাকে স্বাভাবিকভাবেই চাপের মুখে ফেলছে। সিঙ্গাপুরের স্ট্রেট টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে (২৩ জানুয়ারি) এসব তথ্য দিয়ে আরও বলা হয়েছে, সম্ভবত এশিয়ার মধ্যে এখন একমাত্র তাইওয়ানেই বিদেশিরা শেয়ার ও বন্ড কিনছে।
প্রেক্ষিত বাংলাদেশ: বাংলাদেশে শেয়ারবাজারের বিরাট দরপতন বা ধস যা-ই বলা হোক না কেন, এর সঙ্গে মূল্যস্ফীতির একটা যোগসূত্র দাঁড় করানো যেতে পারে। যদিও বাজার অতিমূল্যায়িত হয়ে যে অবস্থায় গিয়েছিল, তা থেকে বিরাট পতনটা ছিল অনিবার্য। আর মূল্যস্ফীতি প্রশমনের জন্য নিয়ন্ত্রণমূলক মুদ্রানীতি এই পতনে দৃশ্যতই একটা ভূমিকা রেখেছে।
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির মূল কথাই হলো মুদ্রার সরবরাহ কমিয়ে আনা। আর এটা কমিয়ে আনতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণত সুদের হার বাড়ানোর দিকে যায়। এতে একদিকে ঋণ প্রবাহ কমে, অন্যদিকে মানুষজন আগের তুলনায় বেশি পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে জমা করে একটু বাড়তি সুদ পাওয়ার জন্য। এতে শেয়ার ও বন্ড বাজার থেকে অর্থ প্রত্যাহার করার একটা প্রবণতা দেখা দেয়।
বাংলাদেশে এই মুহূর্তে (অক্টোবর, ২০১০ হিসাবে) বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতির হার ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ। আর সরকারি লক্ষ্যমাত্রা হলো চলতি ২০১০-১১ অর্থবছর শেষে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার সাড়ে ছয় শতাংশের মধ্যে বেঁধে রাখা। কাজেই মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি রুখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দিক থেকে করণীয় হলো সুদের হার বাড়ানো। সেই পদক্ষেপ হিসেবেই ডিসেম্বর মাসে ব্যাংক খাতের বিধিবদ্ধ জমার হার (এসএলআর) ও নগদ জমার হার (সিআরআর) বাড়িয়ে দেওয়া হয়। আর এতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চাপ ছিল। কেননা, সরকার আইএমএফের কাছ থেকে ১০০ কোটি ডলার ঋণ নিতে যাচ্ছে।
এ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মুদ্রাবাজার থেকে বাড়তি তারল্য তুলে নেওয়ার দিকে অগ্রসর হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০০৯ সালের নভেম্বর মাসের তুলনায় ২০১০ সালের নভেম্বরে দেশে মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ২২ শতাংশের বেশি। এতে বোঝা যায়, বাজারে যথেষ্ট অর্থ প্রবাহ ঘটেছে।
তবে আরেকটি বিষয় এখানে লক্ষণীয়। মুদ্রা সরবরাহ এতটা বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর যতখানি প্রভাব পড়ার কথা, ততখানি পড়েনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আলী তসলিম এ বিষয়টি উল্লেখ করে প্রশ্ন রাখেন, তাহলে এত টাকা গেল কোথায়? উত্তরটা অবশ্য তিনিই দিয়েছেন, যা এখানে তুলে ধরা হলো।
হতে পারে, মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধির প্রভাবটি মূল্যস্ফীতিতে প্রতিফলিত হয় দীর্ঘ সময় পরে। সে ক্ষেত্রে আরও কিছুদিন পর গিয়ে হয়তো মূল্যস্ফীতির হার আরও উচ্চ হবে। তবে এর চেয়ে অধিক গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা আছে।
সরবরাহকৃত মুদ্রার একটা উল্লেখযোগ্য অংশ খাটানো হয়েছে শেয়ারবাজারে। ফলে অর্থগুলো ধাবিত হয়েছে শেয়ারের পেছনে, যা ক্রমান্বয়ে শেয়ারের দাম বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। আর যেহেতু এই অর্থ বাজারে নিত্যপণ্যের পেছনে ধাবিত হয়নি, তাই তা মূল্যস্তরেও সেভাবে প্রভাব ফেলেনি। তাছাড়া বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির নির্ণায়ক যে ভোক্তা মূল্যসূচক, তাতে শেয়ারের দাম অন্তর্ভুক্ত হয় না। ফলে, শেয়ারের দাম অনেক বাড়লেও তা এই সূচকে প্রতিফলিত হয়নি। তাই তা মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধিতে সেভাবে কোনো ভূমিকা রাখেনি।
বলা যেতে পারে, শেয়ারবাজার বিপুল পরিমাণ অর্থ টেনে নিয়ে মূল্যস্ফীতিকে প্রশমিত রাখার ক্ষেত্রে নিজের অজান্তেই কাজ করেছে। তবে এই কাজটি যে টেকসই নয় বা হতে পারে না, তাও ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। কেননা, শেয়ারবাজার থেকে যখন অর্থ তুলে নেওয়া শুরু হয়েছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই তা বাজারকে নিম্নমুখী করেছে। এটা আবার বাজারকে বড় ধরনের সংশোধনের দিকে ঠেলে দেওয়ায় ভূমিকা রেখেছে।
শেয়ারবাজারের এই বিপর্যস্ত অবস্থার পর স্বাভাবিকভাবেই দেশের আর্থিক খাতে একটি বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। কেউ কেউ ভবিষ্যতে গোটা আর্থিক খাতেই বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন। সেটা হয়তো ঘটবে না। অন্তত শেয়ারবাজারের এই অবস্থার পর নীতিনির্ধারকদের যথেষ্ট সতর্ক ও দৃঢ় হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁরা তা কতটা হয়েছেন, তা বোঝা যাবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রাবিনিময় হারের ক্ষেত্রে অস্থিরতা তৈরি হওয়া বা না হওয়ার ওপর। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:26 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারের উত্থান-পতন তদন্তে অগ্রাধিকার পাবে: খালেদ
ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের কারণ নির্ণয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান ইব্রাহিম খালেদ। তিনি বলেন, কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। তবে তদন্ত কমিটির অফিসের জন্য এখনো জায়গা পাওয়া যায়নি। এসইসির নিজস্ব যে জায়গা রয়েছে সেটি বর্তমানে বিনিয়োগ বোর্ডের দখলে রয়েছে। দু-একদিনের মধ্যেই সে জায়গা খালি করে দেয়া হবে বলে বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান তাকে জানিয়েছেন। রোববার বিকেল ৩টায় সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সাথে আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের উত্থান-পতনের সাথে কারা জড়িত সে বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তদন্ত করা হবে। লেনদেনের তথ্য সিডিবিএল এবং ডিএসই থেকে নেয়া হবে। তদন্ত করে দেখা হবে অস্বাভাবিক উত্থান-পতনের সাথে কেউ জড়িত ছিল কিনা। তদন্তের স্বার্থে ডিএসই, সিএসই, মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশন, পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ এসোসিয়েশন, ক্যাপিটেল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরামসহ পুঁজিবাজারের সাথে সংশ্লিষ্ট সব স্টেক হোল্ডারদের সাথে আলোচনা করা হবে বলে তিনি জানান। এছাড়া সিকিউরিটিজ আইন যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হবে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তিনি বলেন, সঠিক সময়ে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করা হবে। তবে রিপোর্ট প্রকাশ ও এর ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব সরকারের।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/ডিএইচ/এসসি/১৬.৩৯ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:27 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এসইসি সদস্য মনসুর আলমের চুক্তি বাতিল
ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত সদস্য মনসুর আলমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। রোববার দুুপুরে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-৩ অধিশাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে মনসুর আলমের নিয়োগ বাতিল করা হয়।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক ধসের প্রেক্ষিতে গত ১১ জানুয়ারি মনসুর আলমকে তার সকল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। এর প্রতিবাদে ওই দিনই তিনি এসইসি চেয়ারম্যানের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। তারই ধারাবাহিকতায় অবশেষে আজ রোববার মনসুর আলমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়। নিয়োগ বাতিলের এ আদেশ কার্যকর হবে ১১ জানুয়ারি থেকে। সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন স্কেল অনুযায়ী এসইসি'র সদস্য অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার পদ।
চেক ও নেটিং বিষয়ে পূর্বে জারি করা দুটি নির্দেশনা প্রয়োগের বিষয়ে এসইসির সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলে গত ৮ ডিসেম্বর পুঁজিবাজারে এক ঘণ্টায় ভয়াবহ দরপতন ঘটে। কমিশনের সিদ্ধান্ত ছাড়া সদস্য মনসুর আলমের নির্দেশে গত ৬ ও ৭ ডিসেম্বর চেক নগদায়ন এবং নেটিং সুবিধা সংক্রান্ত দুটি নির্দেশনা জারি করা হয় বলে এসইসির একজন নির্বাহি পরিচালক অভিযোগ করেন। এরই প্রেক্ষিতে এ দরপতনের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপরই মনসুর আলমকে সার্ভেইল্যান্স, মনিটরিং, প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিভাগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
এসইসির নির্বাহি পরিচালকের পদ থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের পর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মনসুর আলমকে কমিশনের সদস্য হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়। ২০০৭ সালের ১১ জুন থেকে তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কার্যকর হয়।
২০১০ সালের ১৪ জুন এসইসির বহুল আলোচিত সদস্য মনসুর আলমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়। এ সময় তাকে দু'বছরের জন্য নিয়োগ পান তিনি।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ আরএমএম/ জেডআর/ এসসি/১৭.০০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:28 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | মুদ্রানীতি ঘোষণা: মূল্যস্ফীতি থাকবে ৭ শতাংশের আশপাশে
ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, ২০১০-১১ অর্থ বছরের দ্বিতীয়ার্ধে বাজেটে প্রত্যাশিত গড় মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসার সম্ভাবনা কম। বরং এই হার চলতি বছরের জুনে ৭ শতাংশের আশপাশেই থাকবে। আজ রোববার দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সেমিনার কক্ষে ২০১০-১১ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্য পুনঃনির্ধারিত হতে পারে। সে সূত্রে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির হার খানিকটা বাড়তে পারে। চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরের প্রথমার্ধে দেশে ও বিদেশে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল অস্থির। ২০১০ সালের জুনে বাংলাদেশে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং নভেম্বরে তা ছিল ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ।
তিনি বলেন, ২০১০-১১ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের এ মুদ্রানীতির ভঙ্গিটি প্রথমার্ধের মতোই উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সহায়ক থাকবে। তবে অভ্যন্তরীণ ঋণের মাত্রাতিরিক্ত প্রবৃদ্ধির কারণে যাতে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি না পায় সে জন্য অপচয়ী ও অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যাংক ঋণের প্রসার নিরুৎসাহিত করার দিকে তীক্ষ্ন নজর রাখা হবে।
গভর্নর বলেন, পরিস্থিতির আলোকে এ মুদ্রানীতি বাস্তবায়ন করা হবে।
এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা এবং জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী। তবে সাংবাদিকদের অধিকাংশ প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ করা হয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এসএইচ/আরআর/১৫:৩০ ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:30 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | টানা ৪ দিন ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার, আবারো ঝুঁকির আশঙ্কা
ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
সঙ্কট উত্তরণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের পর পুঁজিবাজারে টানা চার দিন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। পুঁজিবাজারের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসায় দরবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতিতে পুঁজিবাজারের প্রতি ইতিবাচক নীতিমালা থাকার প্রত্যাশায় সর্বসাধারণের অংশগ্রহণ বাড়ছে। তবে টানা ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলেও বাজার আবার ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।
এদিকে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে অংশগ্রহণের কথা থাকলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করায় প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার ক্রয়ে বিরত রয়েছে।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, রোববার লেনদেন শুরুর প্রথম ২০ মিনিটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ সূচক ৪০ পয়েন্ট হ্রাস পায়। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে সূচক বাড়তে থাকে। রোববার দুপুর ২টায় ডিএসই'র সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৬৭ পয়েন্ট বেড়ে ৭৫৫৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
রোববার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইন্স্যুরেন্স, সিমেন্ট, ট্যানারি, খাদ্য ও অনুষঙ্গ, জ্বালানি, বস্ত্র, বিবিধখাত, প্রকৌশলসহ বিভিন্ন খাতের বেশিরভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে। এছাড়া ওষুধ, মিউচ্যুয়াল ফান্ডে মিশ্র অবস্থা লক্ষ্ করা গেছে। অপরদিকে কমেছে গ্রামীণফোনের দর। লেনদেন হওয়া ২৫৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বাড়ে ২০৬টির, কমে ৪৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টির।
গত সপ্তাহে লেনদেন শুরু হওয়ার পর প্রথম দু'দিন বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ক্রয়ের সুযোগ পাননি। এখন শেয়ার হাতবদল হচ্ছে। ফলে লেনদেনের পরিমাণ বাড়ছে। বেলা ২টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৫৯ কোটি টাকা।
রোববারের লেনদেন প্রসঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদ শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, গত দেড় মাসে পুঁজিবাজারে টানা সংশোধন হয়েছে। এ কারণে বাজার চতুর্থ দিনের মতো ঊর্ধ্বগতির ধারায় রয়েছে। তবে লেনদেনে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন না। তিনদিন টানা ঊর্ধ্বগতির পর আজ কিছুটা মূল্য সংশোধন হওয়া উচিত ছিল। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যেভাবে হুমড়ি খেয়ে শেয়ার ক্রয় করছেন তাতে বাজারে কিছুটা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তিনি জানান, পুঁজিবাজারে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো অংশগ্রহণ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে বাজারের এ ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা হয়তো শেয়ার ক্রয়ে ততটা আগ্রহী হবেন না। পুঁজিবাজারে যদি মূল্য সংশোধনের ধারা তৈরি হয় তাহলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো শেয়ার ক্রয় করবে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এআই/ ১৪.৩০ঘ)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:31 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এখনো বসার জায়গা পায়নি পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটি
ঢাকা, জানুয়ারি ৩০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নির্ধারিত স্থানে বসার জায়গা এখনো হয়নি পুঁজিবাজারে অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটির। তবে তদন্ত কমিটির প্রধান বলেছেন, আপাতত তার কার্যালয়ে বসেই কাজ শুরু করেছেন তারা।
তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ রোববার দুপুরে জীবন বীমা ভবনে বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কার্যালয়ে যান।
সেখানেই বসে তাদের কমিটির কার্যক্রম চালানোর কথা। তাদের যেখানে বসার কথা সেখানে বর্তমানে বিনিয়োগ বোর্ড কাজ করছে।
ইব্রাহিম খালেদ সাংবাদিকদের বলেন, "এখনো বসার জায়গা না হলেও আশা করছি শিগগিরই তা হবে। বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলছেন, ওই স্থানটি তারা খালি করে দেবেন।"
বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির সবাই কমিটির প্রধান কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে এসইসি ভবনে যান। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেন তারা। সেদিন খালেদ বলেছিলেন, রোববার থেকে তারা পুরোদমে কাজ শুরু করবেন।
স্থান সমস্যার কারণে কাজ ব্যাহত হবে কিনা- জানতে চাওয়া হলে কমিটির প্রধান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আপাতত কৃষি ব্যাংকে আমার কার্যালয়ে বসেই কাজ চালাবো। পরে এখানে চলে আসবো।"
তদন্তের প্রয়োজনে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এবং সাংবাদিকদের সঙ্গেও কথা হবে বলে ইব্রাহিম জানান।
তিনি বলেন, "বাজার অস্থিতিশীলতার পেছনে কারা, সেটা খুঁজে বের করাই হবে আমাদের মূল কাজ। আর কমিটি তাই করবে।"
টানা দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ, কারসাজির অভিযোগ- সব মিলিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সঙ্কট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে রোববার অর্থমন্ত্রীর দুই দফা বৈঠকের পর বুধবার তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটিকে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বিআইবিএম'র মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী ও আইসিএবি'র সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল বারী।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/১৭২০ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:31 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এসইসি সদস্য মনসুরের নিয়োগ বাতিল
ঢাকা, জানুয়ারি ৩০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পদত্যাগী সদস্য মনসুর আলমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার।
সংস্থাপন মন্ত্রণালয় রোববার এ আদেশ জারি করার ১৮ দিন আগে পদত্যাগপত্র দিয়েছিলেন মনসুর।
পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক অস্থিরতার পেছনে মনসুরের কয়েকটি সিদ্ধান্ত দায়ী বলে অনেকে মনে করেন।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, সম্প্রতি এসইসি চেয়ারম্যান দেশের বাইরে থাকা অবস্থায় দায়িত্বপালনরত মনসুর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের ঋণসীমা বাড়ানো এবং নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন আনেন। যা বাজারে দরপতন ত্বরান্বিত করে।
মনসুরের নিয়োগ বাতিলের আদেশটি ১১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় জানায়। গত ১২ জানুয়ারি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি। তিনি গত বছরের জুন মাসে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছিলেন।
মনসুরের নিয়োগ বাতিল হলেও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নূরুল হুদার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ানো হয়েছে।
তার চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির আদেশ আগামী ২৩ মার্চ থেকে অথবা কাজে যোগ দেওয়ার দিন থেকে কার্যকর হবে। অতিরিক্ত সচিবের মর্যাদায় তিনি ওই পদে চুক্তিতে রয়েছেন।
বিডিনিউজ টোয়েটিন্টফোর ডটকম/এমকে/এমআই/১৫২৫ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:36 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সংকুলানমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েনন্টিফোর.কম
সংকুলানমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণা
ঢাকা: আগামী ছয় মাসের জন্য সংকুলানমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার দুপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বছরের প্রথম ছয় মাসের (জানুয়ারি-জুন) এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ঘোষিত মুদ্রানীতিকে আগের মতোই ‘উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সহায়ক’ হিসাবে উল্লেখ গভর্নর বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাস্তবানুগ মুদ্রানীতি অনুসরণ করা হবে।’
মুদ্রানীতি ঘোষণা শেষে একই অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক রিপোর্ট ২০০৯-২০১০’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
এ সময় ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা ও ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকীসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গভর্নর বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে দেশে ও বিদেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিলো অস্থির। এ প্রেক্ষাপটে অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে গড় মূল্যস্ফীতি দ্রুত হারে কমবে বলে মনে হয় না। এছাড়া আগামীতে অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মূল্য পুর্নর্নিধারণ করা হলে খাদ্য-বহির্ভূত মূল্যস্ফীতির হারও খানিকটা বাড়তে পারে।’
এ পরিস্থিতিতে চলতি বাজেটে প্রত্যাশিত গড় মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত থাকার সম্ভাবনা কম উল্লেখ করে অর্থবছর শেষে তা ৭ শতাংশে দাঁড়াতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
গভর্নর বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ ঋণের মাত্রাতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতির ওপর যে চাপ ফেলবে তা রোধের জন্য মুদ্রানীতিতে অপচয়ী অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যাংক ঋণের প্রসার নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।’
এ ব্যাপারে ব্যাংকগুলোর ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা হবে বলেও জানান তিনি।
গভর্নর আরো জানান, মুদ্রাস্ফীতির গড় হার গত জুনে ছিলো ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে এই হার ছিলো ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। সর্বশেষ গত নভেম্বরে মুদ্রাস্ফীতির গড় হার দাঁড়ায় ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে এ হার ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ।
অন্যদিকে গত জুনে খাদ্য সূচকে মূল্যস্ফীতির হার ছিলো ১০ দশমিক ৮৮ শতাংশ। গত নভেম্বরে তা ৯ দশমিক ৮০ শতাংশে দাঁড়ায়।
আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য, জ্বালানি ও খাদ্য-বহির্ভূত শিল্পপণ্যের মূল্য বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন গভর্নর।
সমষ্টিক অর্থনীতি প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৪১ শতাংশ। কিন্তু রপ্তানির জোরালো বৃদ্ধি সত্ত্বেও আমদানী ব্যয় আরো বেশি হওয়ায় এবং অভ্যন্তরীণ তারল্য চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রায়ই বাজারে টাকা ও মার্কিন ডলারের যোগান দিতে হচ্ছে। পাশাপাশি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি কমে আসায় ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য হ্রাস পাচ্ছে। এ কারণে এবার অর্থবছর শেষে নীট বৈদেশিক সম্পদ বৃদ্ধির হার বেশ কমই হবে।’
তবে এর বিপরীতে দেশে মূলধনী যন্ত্রপাতি ও উৎপাদন উপকরণের আমদানীর হার বিপুলভাবে বেড়েছে বলেও জানান গভর্নর।
তিনি আরো বলেন, ‘একই সঙ্গে উৎপাদনের পরিমানগত সূচকও রয়েছে উর্দ্ধমুখী। আগামীতে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতেও কাঙ্খিত প্রবৃদ্ধি ঘটবে।’
এ অবস্থায় নতুন কোনো সংকট সৃষ্টি না হলে চলতি অর্থবছর কাঙ্খিত ৬ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন গভর্নর।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৩০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩০, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:37 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে বিপর্যয়:তদন্ত কমিটির কার্যালয় হচ্ছে জীবনবীমা ভবনের ১০ম তলায়
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে দরপতনের কারণ অনুসন্ধানের জন্য গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যালয় হচ্ছে মতিঝিলের জীবনবীমা ভবনের দশম তলায়।
রোববার দুপুরে এসইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক শেষে তদন্ত কমিটির প্রধান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও কৃষিব্যাংকের চেয়ারম্যান ইব্রাহীম খালেদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘দশম তলায় এসইসির ওই কক্ষটি বিনিয়োগ বোর্ড ব্যবহার করত। যেটি এসইসি এরই মধ্যে খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। আপাতত (রোববার থেকে) কৃষিব্যাংকের কার্যালয়ে কাজ শুরু করবে তদন্ত কমিটি।’
ইব্রাহীম খালেদ বলেন, ‘পুঁজিবাজারে কোনো কারসাজি হয়েছে কিনা, হয়ে থাকলে কিভাবে হয়েছে, কেন হয়েছে তা খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যত ঝামেলাই হোক না কেন কমিটি অবশ্যই তার প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। ’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দায়িত্ব আমার নয়, শুধু তদন্ত করার দায়িত্ব আমার।’
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৭ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩০, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 01/30/2011 7:37 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে বিপর্যয়:তদন্ত কমিটির কার্যালয় হচ্ছে জীবনবীমা ভবনের ১০ম তলায়
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৭ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩০, ২০১১
ঢাকা: পুঁজিবাজারে দরপতনের কারণ অনুসন্ধানের জন্য গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যালয় হচ্ছে মতিঝিলের জীবনবীমা ভবনের দশম তলায়।
রোববার দুপুরে এসইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক শেষে তদন্ত কমিটির প্রধান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও কৃষিব্যাংকের চেয়ারম্যান ইব্রাহীম খালেদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘দশম তলায় এসইসির ওই কক্ষটি বিনিয়োগ বোর্ড ব্যবহার করত। যেটি এসইসি এরই মধ্যে খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। আপাতত (রোববার থেকে) কৃষিব্যাংকের কার্যালয়ে কাজ শুরু করবে তদন্ত কমিটি।’
ইব্রাহীম খালেদ বলেন, ‘পুঁজিবাজারে কোনো কারসাজি হয়েছে কিনা, হয়ে থাকলে কিভাবে হয়েছে, কেন হয়েছে তা খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যত ঝামেলাই হোক না কেন কমিটি অবশ্যই তার প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। ’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দায়িত্ব আমার নয়, শুধু তদন্ত করার দায়িত্ব আমার।’
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|