| 04/05/2011 3:37 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
পাঁচ দিন পর বাজারে আবার দরপতন
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৬-০৪-২০১১
টানা পাঁচ দিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর গতকাল মঙ্গলবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন ঘটেছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। এ কারণে কয়েক দিন ধরেই দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা নতুনভাবে সক্রিয় হতে শুরু করেন। এতে মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণও বাড়তে থাকে।
তবে গতকাল বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শেয়ারবাজারের কারসাজি খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বাজার কারসাজিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে এমন কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনেকে মনে করেন, এটি বিনিয়োগকারীদের অনেককেই অস্বস্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তাই তাঁদের অনেকেই গতকাল বাজারে খুব একটা সক্রিয় ছিলেন না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁরা শেয়ার বিক্রি করেছেন বলেও জানা গেছে। মূলত এসব কারণেই গতকাল বাজারে সূচক কমেছে।
অবশ্য কারও কারও মতে, টানা পাঁচ দিন অব্যাহতভাবে দর বাড়ার ফলে অনেকে মুনাফা তুলে নেওয়ার জন্য শেয়ার বিক্রি করেছেন, যা বাজারে বিক্রির চাপ বাড়িয়ে দরপতন ঘটাতে ভূমিকা রেখেছে।
বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে গতকালের লেনদেন শুরু হয়। তবে পাঁচ মিনিটের মাথায় সূচক নিম্নমুখী হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে সূচক আবার ৩০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের পর সূচক আবার নিম্নগামী হয়। এরপর একাধিকবার ওঠানামা করে সূচক। দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ৮০ পয়েন্ট কমে ছয় হাজার ৪৫৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচক ৫৮ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার ৪২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ২০৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৬২টির, কমেছে ১৩৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে সাতটি প্রতিষ্ঠানের। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১১০ কোটি টাকার শেয়ার।
ডিএসইতে গতকাল ২৬১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হাতবদল হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৪টির, কমেছে ১৫৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল মোট এক হাজার ১৪৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ৮৮ কোটি টাকা বেশি।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো আফতাব অটোমোবাইলস, কনফিডেন্স সিমেন্ট, বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, গোল্ডেন সন, তিতাস গ্যাস ও বিডি ফিন্যান্স।
দাম বাড়ার শীর্ষে ছিল সেন্ট্রাল ইনস্যুরেন্স, প্রগতি ইনস্যুরেন্স, এমবি ফার্মা, জুট স্পিনার্স, ফার্মা এইড, রহিম টেক্সটাইল, বঙ্গজ, জেমিনি সি ফুড, সোনারবাংলা ইনস্যুরেন্স ও ঢাকা ইনস্যুরেন্স।
সবচেয়ে বেশি কমেছে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্স, ট্রাস্ট ব্যাংক, লিগ্যাসি ফুটওয়ার, সমতা লেদার, সমরিতা হাসপাতাল, মুন্নু জুটেক্স, যমুনা অয়েল, ইসলামিক ফিন্যান্স ও ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট দাম কমে যাওয়ার শীর্ষ ১০-এর তালিকায় রয়েছে। |
|
|
| 04/05/2011 3:39 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
নর্দার্ন পাওয়ার সল্যুউশন
শেয়ারবাজার থেকে বিশেষ সুবিধা নিতে নতুন কৌশল
বিশেষ প্রতিনিধি | তারিখ: ০৬-০৪-২০১১
নতুন কৌশলে শেয়ারবাজার থেকে বিশেষ সুবিধা তুলে নিতে নর্দার্ন পাওয়ার সল্যুউশন ৫০ ভাগ রূপান্তযোগ্য বন্ড ছাড়ার অনুমোদন চেয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কোম্পানিটি তাদের মূলধন আরও ১৭৫ কোটি টাকা বাড়াতে এসইসিতে এই আবেদন করেছে। বর্তমানে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৯১ কোটি টাকা। এসইসি আজ বুধবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে জানা গেছে।
নর্দার্ন পাওয়ারের উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহী-৪ আসনের সরকারি দলের সাংসদ এনামুল হক, তহুরা হক ও বেক্সিমকো গ্রুপের বেক্সটেক লিমিটেড। বেক্সটেক্সকে প্রতিনিধিত্ব করছেন সালমান এফ রহমান।
সূত্রগুলো বলছে, নিয়ম অনুসারে ৫০ কোটি টাকার বেশি মূলধন সংগ্রহ করতে হলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হয়। কিন্তু নর্দার্ন পাওয়ার প্রাথমিক শেয়ারের গণপ্রস্তাবে (আইপিও) না গিয়ে বন্ড (এক ধরনের ঋণ) ছেড়ে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে আপাতত তাদের মূলধন আরও ১৭৫ কোটি টাকা বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এই বন্ডের ৫০ ভাগ বছরভিত্তিতে এবং সম্পূর্ণ চার বছরে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর হবে। সব বন্ডই সম্পূর্ণ হস্তান্তরযোগ্য হবে।
অন্যদিকে এসইসির আইনে বাধ্যবাধকতা থাকায় কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হবে এবং এর জন্য একপর্যায়ে গণপ্রস্তাবেও যেতে হবে নর্দার্নকে। কিন্তু ততদিনে বন্ডের একটা অংশ সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর হয়ে যাবে।
এই বন্ডের সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ শতাংশ এবং কোনো কারণে সুদ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ১৯ শতাংশ হারে তা পরিশোধ করবে কোম্পানিটি। কোম্পানি রাজশাহী জেলার কাটাখালীতে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করবে। এর জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কাছ থেকে পাঁচ বছরের জন্য লিটারপ্রতি ২৬ টাকা ধরে জ্বালানি তেলের নিশ্চয়তাও পেয়েছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) কাছে বিক্রি করা হবে। এসব কারণে সাধারণভাবেই ধরে নেওয়া যায়, কোম্পানিটি আইপিও বা শেয়ার বিনিয়োগকারীদের কাছে অত্যন্ত লোভনীয় হবে।
সূত্রগুলো বলছে, কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এই বিবেচনাতেই মূলত কৌশল করে এখনই আইপিওতে যাচ্ছে না। এখনই আইপিওতে গেলে কোম্পানি অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি দর নিতে পারবে না ‘গ্রিনফিল্ড’ (স্থাপিতব্য কোম্পানি) হওয়ায়। কিন্তু কার্যক্রম চালিয়ে লাভ দেখাতে পারলে মোটা প্রিমিয়ামসহ (অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি দরে) গণপ্রস্তাব করা যাবে। আবার একই সঙ্গে সে সময় বর্তমান রূপান্তরযোগ্য বন্ডের একটা অংশ সাধারণ শেয়ারে (অভিহিত মূল্যে) পরিণত হওয়ায় তা বাজারদরে বিক্রি করেও মোটা অঙ্কের মুনাফা তুলে নেওয়া যাবে।
যোগাযোগ করা হলে সাংসদ এনামুল হক বলেছেন, গ্রিনফিল্ড হওয়ায় তাঁরা আইপিওতে এখনই যাচ্ছেন না। এক বছর পরই তাঁরা আইপিওতে যাবেন। তিনি অবশ্য বলেন, তাঁরা ব্যাংক ঋণ পাচ্ছেন না বলেই বন্ড ছেড়ে অর্থ সংগ্রহ করছেন।
সূত্রগুলো বলছে, এই বন্ডের প্রস্তাবটি এসেছে আসলে আগের মতো প্রাক-আইপিও প্লেসমেন্ট শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করার সুযোগ না থাকায়। বিগত কয়েক বছরে এই প্রাক-আইপিও শেয়ার দিয়ে বাজারে শেয়ারমূল্যে কারসাজি হয়েছিল। এখন নতুন আদলে রূপান্তরযোগ্য বন্ড প্রাক-আইপিও প্লেসমেন্টের জায়গায় কৌশলী প্রস্তাব আকারে আসছে।
এসইসিতে নর্দার্ন পাওয়ারের আবেদনে কারা রূপান্তরযোগ্য বন্ডটি নেবে তার তালিকা পাঠানো হয়নি। সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবি নর্দার্ন পাওয়ারের ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।
এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অবশ্য প্রথম আলোকে বলেন, ‘কমিশনের সভায় আগামীকাল (আজ বুধবার) নর্দার্ন-এর বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কিছু তথ্য এখনো না পাওয়ায় সেটা হবে না। আমরা বরং তথ্যগুলো চাইব। তারপর যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেব কী করা যায়।’
|
|
|
| 04/05/2011 3:40 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
বন্ডের আড়ালে প্লেসমেন্ট বাণিজ্য!
তড়িঘড়ি করে নর্দার্ন পাওয়ারের বন্ড অনুমোদনের আয়োজন এসইসির
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বন্ডের আড়ালে পুঁজিবাজারে নতুন করে পেস্নসমেন্ট বাণিজ্যের আয়োজন করেছে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড। চড়া সুদে রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইসু্য করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ৩০ মার্চ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জমা দিয়েছে কোম্পানিটি। মাত্র ৬ দিনের মাথায় তড়িঘড়ি করে এই আবেদন অনুমোদনের জন্য আজ (বুধবার) এসইসির কমিশন সভা ডাকা হয়েছে। একটি বেসরকারী কোম্পানির আইপিও বা বন্ড অনুমোদনের জন্য জরুরী বৈঠক ডাকার ঘটনা এসইসির ইতিহাসে নজিরবিহীন। শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ৯০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন নিয়ে মাত্র তিন মাস আগে নর্দার্ন পাওয়ারের উদ্যোক্তারা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড রূপানত্মরযোগ্য বন্ড ইসু্য করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ৩০ মার্চ এসইসিতে একটি আবেদনপত্র জমা দেয়। একই সঙ্গে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) বন্ডটির ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের অনুমোদনের জন্যও আবেদন করা হয়। ওই আবেদন পাওয়ার পর পরই তড়িঘড়ি করে বন্ডটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরম্ন করে এসইসি। আবেদন পাওয়ার পর মাত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যে গত সোমবার ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের জন্য আইসিবিকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। একই দিন বন্ড ইসু্য করে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদনের জন্য সব আয়োজন সম্পন্ন করে কমিশনের জরম্নরী বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু ওইদিন একজন সদস্য অনুপস্থিত থাকায় কমিশন বৈঠকের কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় বৈঠকের তারিখ পুনর্নিধারণ করা হয়। শুধু নর্দার্ন পাওয়ারের বন্ড অনুমোদনের জন্য আজ (বুধবার) কমিশনের জরম্নরী বৈঠক ডাকা হয়েছে।
এসইসিতে দেয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রসত্মাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ৬ মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে ৪ বছর। অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করা হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে। মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ৰেত্রে বন্ডের বিনিয়োগকারীরা অভিহিত মূল্যে (১০ টাকা) নর্দার্ন পাওয়ারের শেয়ার পাবেন।
নর্দার্ন পাওয়ারের প্রসত্মাবিত বন্ডের সুদের হার এবং শেয়ারে রূপানত্মরের প্রক্রিয়া নিয়ে সংশিস্নষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ১৩-১৪ শতাংশ হার সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও কি কারণে কোম্পানিটি ১৮ শতাংশ সুদে বন্ড ইসু্য করছে তা অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়। ব্যাংকে আমানত রেখে যে হারে সুদ পাওয়া যায় তারচেয়ে কমপৰে ৬ শতাংশ বেশি সুদ দেয়ার পরও অভিহিত মূল্যে শেয়ারের রূপানত্মরের সুযোগ প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
পুঁজিবাজার বিশেস্নষকদের মতে, এসইসির বিধি অনুযায়ী কোন কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা পূর্ণ হলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক। আবার গত ডিসেম্বরে কোম্পানিকে ৯০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দেয়ার সময় এসইসি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসার শর্ত বেধে দিয়েছিল। ফলে নর্দার্ন পাওয়ারকে এক বছর পরই পুঁজিবাজারে আসতে হবে। কোম্পানির আইপিওতে অভিহিত মূল্যের অতিরিক্ত (প্রিমিয়াম) অর্থ সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্তির পর শেয়ারবাজারে কোম্পানির শেয়ার অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি দরে লেনদেন হওয়াই স্বাভাবিক। ওই সময় কোম্পানির ইসু্যকৃত বন্ডকে অভিহিত মূল্যে শেয়ারে রূপানত্মর করা হলে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের পাশাপাশি বন্ডে বিনিয়োগকারীরাও পুঁজিবাজার থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা তুলে নেয়ার সুযোগ পাবেন। তালিকাভুক্তির আগেই কোম্পানির উদ্যোক্তা ও তাদের ঘনিষ্ঠজনদের জন্য বিপুল মুনাফার সুযোগ তৈরি করে রাখার জন্যই রূপানত্মরযোগ্য বন্ড ইসু্য করা হচ্ছে বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন।
জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১২ অক্টোবর নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত করেন। প্রাথমিকভাবে এই কোম্পানির উদ্যোক্তা ছিলেন রাজশাহী থেকে নির্বাচিত সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোঃ এনামুল হক। প্রাথমিকভাবে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৫০ লাখ টাকা। এরমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নামে ৪০ লাখ এবং তাঁর স্ত্রী তহুরা হকের নামে ১০ লাখ টাকার শেয়ার ছিল। পরে বেঙ্মিকো গ্রম্নপের প্রতিষ্ঠান বেঙ্টেঙ্ লিমিটেডের কাছে ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ইসু্য করে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। এরপর গত বছরের ডিসেম্বরে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৯০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৯১ কোটি টাকা উন্নীত করার জন্য এসইসিতে আবেদন করা হয়। ২৭ ডিসেম্বর এসইসির পৰ থেকে এরমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নামে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার শেয়ার ইসু্য করে ৪৫ কোটি ৩ লাখ টাকা এবং বেঙ্টেঙ্ লিমিটেডের নামে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার শেয়ার ইসু্য করে ৪৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু এসইসি শুধুমাত্র বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দিলেও কোম্পানির পরিচালকরা শেয়ার হসত্মানত্মরের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন।
গত ২৭ ফেব্রম্নয়ারি রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি (আরজেএসসি) থেকে প্রাপ্ত রিটার্ন অব এলটমেন্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, এসইসির পৰ থেকে দুই শেয়ারহোল্ডারের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দিলেও কোম্পানির শেয়াহোল্ডার সংখ্যা বেড়ে আটে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে রয়েছেন_ ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক (৪৯.৮৭%), বেঙ্টেঙ্ লিমিটেড (৪৯.৯৭%), তহুরা হক (০.১১%), মোসলেহউদ্দীন (০.০১%), মমিনুল ইসলাম (০.০১%), নিউ ইংল্যান্ড ইকু্যয়িটি লিমিটেড (০.০১%), শোর ক্যাপিটাল হোল্ডিংস লিমিটেড (০.০১%) এবং ক্রিসেন্ট লিমিটেড (০.০১%। |
|
|
| 04/05/2011 3:41 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
সোনারগাঁও টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা করেছে সোনারগাঁও টেঙ্টাইল। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৪ মে দুপুর ১২টায় বরিশালে অবস্থিত বরিশাল ক্লাবে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১৭ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর সোনারগাঁও টেঙ্টাইলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১৪ টাকা ১৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৭১৫ টাকা ১৯ পয়সা।
বরকতউল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকসের আইপিও লটারি আজ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের জন্য আজ বুধবার সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বরকতউলস্নাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকস লিমিটেডের লটারি অনুষ্ঠিত হবে। লটারির ফলাফল ডিএসই, সিএসই, সংশিস্নষ্ট কোম্পানি এবং ইসু্য ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
বরকতউলস্নাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকস পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে মোট ১২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৬০ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বরকতউলস্নাহর আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৯৬ কোটি টাকা মূল্যের ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হবে। এর বিপরীতে ৬ লাখ ৬৭৮টি আবেদন জমা পড়েছে। এরমধ্যে বিভিন্ন সমস্যার কারণে বাদ পড়েছে ৯হাজার ৪৫৮টি আবেদন। ফলে বাকি ৫ লাখ ৯১ হাজার ২২০টি বৈধ আবেদনের মধ্যে লটারির মাধ্যমে শেয়ার বিতরণ করা হবে। প্রতি ২০০টি শেয়ারে এক লট হিসাবে প্রতি ৭.৪টি বৈধ আবেদনের বিপরীতে এক লট শেয়ার বরাদ্দ করা হবে। অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হবে ১২ কোটি টাকা মূল্যের ২০ লাখ শেয়ার। এর বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ২৪ হাজার ৮৩৯টি। এরমধ্যে ২৪ হাজার ৬৫টি বৈধ আবেদন। |
|
|
| 04/05/2011 3:41 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The daily Janakantha
জরিমানা আদায়ে দুই কোম্পানির বিরুদ্ধে এসইসির মামলা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ জরিমানা আদায় না হওয়ায় স্টক এক্সচেঞ্জের ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কোম্পানি দুটি হলো- সজিব নিটওয়্যার ও ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল। গতকাল মঙ্গলবার এ মামলা করা হয় বলে এসইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় এ দুই কোম্পানিকে জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে সজীব নিটওয়্যারকে ১ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনালকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার তারিখ থেকে পরিশোধ না করা পর্যনত্ম প্রতিদিন আরও ১০ হাজার টাকা গুনতে হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে প্রতিদিনের ১০ হাজার টাকাসহ জরিমানা পরিশোধ না করায় কোম্পানি দুটির বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
এ ব্যাপারে এসইসির এক উর্ধতন কর্মকর্তা জানান, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ বাধ্যতামূলক। কোন কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে অসঙ্গতি থাকলে প্রথমে কারণ দর্শাও নোটিস ও পরে জরিমানা করে এসইসি।
জরিমানা পরিশোধের জন্য সাধারণত এসইসি ৩ মাস পর্যনত্ম অপেৰা করে থাকে। তবে প্রথম ধাপে ১৫ দিন সময় বেঁধে দেয় এসইসি। পরে কোম্পানির আবেদন সাপেৰে সময় বাড়ানো হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে তাদের বিরম্নদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা করা হয়। তবে জরিমানার তারিখ থেকে পরিশোধ না করা পর্যন্ত এ কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিন আরও ১০ হাজার টাকা করে গুনতে হবে। |
|
|
| 04/05/2011 3:42 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
চারদিন উর্ধমুখী থাকার পর মূল্য সংশোধনে পুঁজিবাজার
লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৮৮ কোটি টাকা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ টানা চার কর্মদিবস উর্ধমুখী অবস্থানের পর পুঁজিবাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর ও সূচক সংশোধন হয়েছে। তবে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে। বাজার বিশেস্নষকরা এই দরপতনকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন। তবে পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে নানামুখী আলোচনার নেতিবাচক প্রভাবও বাজারের নিম্নমুখী প্রবণতার জন্য কিছুটা দায়ী বলে অনেকে মনে করছেন।
বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৯৪টির, কমেছে ১৫৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টির শেয়ারের দর। এরমধ্যে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে শুধু আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এবং রূপালী ব্যাংকর শেয়ারের দর বেড়েছে। এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। বাকি ২৭টি ব্যাংকের শেয়ারের দর কমেছে। সিরামিকস খাতের ৫টি কোম্পানির সবগুলোরই দর কমেছে। আর্থিক খাতের ২১টি কোম্পানির মধ্যে ৪টির দর বেড়েছে আর বাকি ১৭টির কমেছে। জ্বালানি খাতের ১১টি কোম্পানির মধ্যে খুলনা পাওয়ার ছাড়া সবগুলোর দর কমেছে। ৪৪টি বীমা কোম্পানির মধ্যে ১১টির কমলেও বাকিগুলোর বেড়েছে।
অধিকাংশ শেয়ারের দর হ্রাসের প্রভাবে দিন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ৮০. ০৭ পয়েন্ট কমে ৬৪৫৫ দশমিক ৮০ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়।
বিশেস্নষকদের মতে, চারদিন বৃদ্ধির পর বাজারের এই পতন স্বাভাবিক ঘটনা। তবে তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সংবাদ বাজারের ওপর কিছু প্রভাব পড়েছে। বাজারের স্থিতিশীলতা অনেকটাই তদনত্ম প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে বলে তাঁরা মনে করেন।
এদিকে সূচকের পতন হলেও মঙ্গলবার আগের দিনের চেয়ে ৮৭ কোটি ৯০ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১০৬০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আর গতকাল লেনদেন হয়েছে ১১৪৮ কোটি ১০ লাখ টাকা।
গতকাল দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো_ সেন্ট্রাল ইন্সু্যরেন্স, প্রগতি ইন্সু্যরেন্স, এমবি ফার্মা, জুট স্পিনার্স, ফার্মা এইড, রহিম টেঙ্টাইল, বঙ্গজ লি., জেমিনী সী ফুড, সোনারবাংলা ইন্সু্যরেন্স এবং ঢাকা ইন্সু্যরেন্স।
আর লেনদেনের দিক দিয়ে এগিয়ে ছিল আফতাব অটোমোবাইলস্, কনফিডেন্স সিমেন্ট, বেঙ্মিকো লি., বেঙ্টেঙ্, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, বে-লিজিং, পিপলস্ লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি., গোল্ডেন সন, তিতাস গ্যাস এবং বিডি ফাইন্যান্স।
আর দাম কমার শীর্ষে ছিল ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স, ট্রাস্ট ব্যাংক, লীগেসী ফুটওয়ার, সমতা লেদার, সমরিতা হাসপাতাল, মুন্নু জুটেক্স, যমুনা অয়েল, ইসলামিক ফাইন্যান্স এবং ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লি.। |
|
|
| 04/05/2011 3:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
SEC for conditional approval to go public
Syful Islam
The Securities and Exchange Commission (SEC) has opined to offer conditional approval of floating initial public offerings (IPO) by the insurance companies with low paid up capital, officials said Tuesday.
The Insurance Act 2010 has set paid up capital for life and general insurance companies to Tk 300 million and Tk 400 million respectively.
In line with the act, SEC in November last year has set minimum paid up capital to Tk 300 million for insurance companies intending to float IPO. Besides, it set the minimum IPO size at Tk 120 million which won't be less than 10 per cent of the paid up capital of the company.
Insurance companies which started business under the Insurance Act-1938 got approval with paid up capital for life insurance at Tk 75 million and for general insurance Tk 150 million.
With the new act passed in the parliament last year, many existing insurance companies whose paid up capital is below the newly set minimum level failed to go public.
The Ministry of Finance last month sought opinion of the SEC on how to allow the existing insurance companies to float IPO with paid up capital below the new minimum level.
The SEC on Sunday last opined that the insurance companies can get approval to float IPO and those can be given time to raise their paid up capital within a time frame.
Besides, they can be allowed to raise paid up capital through issuing rights and bonus shares. But they won't be allowed to pay cash dividend before their paid up capital reach at newly set minimum level.
Secretary General of Bangladesh Insurance Association (BIA) Molla Nurul Islam told the FE that a good number of insurance companies failed to float IPO due to the newly set minimum paid-up capital.
A total of 60 private insurance companies, including a foreign company, are now operating in the country. Of them, 18 are life insurance, and 42 are the general insurance, companies. Besides, two state-owned entities -- Jiban Bima Corporation (JBC) and Sadharan Bima Corporation (SBC) -- are also operating in life and insurance business respectively.
Some 44 insurance companies with an issued capital worth Tk.9.08 billion are listed with the stock exchanges.
The insurance sector witnessed a growth of about 30 per cent last fiscal which in China was 34 per cent and in India 32 per cent. |
|
|
| 04/05/2011 3:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Dhaka stocks plummet after four-day rally
FE Report
Dhaka stocks plummeted Tuesday amid volatile trading after four consecutive sessions' rise as majority of the investors booked profit from their previous purchase.
However, the day's total turnover increased substantially and stood at Tk 11.48 billion in value terms, up by 8.3 per cent, from Tk 10.60 billion in the previous trading session.
Market analysts termed the correction inevitable and fair after four days of continuous gain. In the last four sessions, the DGEN gained 355 points.
However, the market opened with a positive mood in the morning as the DSE General Index (DGEN), the market barometer, gained 20 points within five minutes of trading started, but turned topsy -turvy throughout the whole session and finally closed 80 points lower.
The benchmark DSE General Index (DGEN), the yardstick of the market, ended at 6,455.81, shedding 80.07 points or 1.23 per cent.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) went down by 63.34 points or 1.17 per cent to 5,354.32. The DSE-20 blue chip index lost 59.45 points or 1.46 per cent to 4,012.49.
"Mainly profit booking pulled the market down," observed capital market expert Akter H Sannamat.
"After a four consecutive sessions' rally investors booked profit, which was obviously overdue and it was a normal and expected price correction and the correction is a sign of a sound market," said Mr Sannamat.
However, he said the market is still stable and it is a normal price correction and there is no reason to be worried.
A total of 76.64 million shares changed hands on the day against 77.06 million in the previous session. The trade deals increased to 210,945 against 196,260 in the previous session.
The market capitalisation decreased to Tk 2,881.10 billion against Tk 2,908.56 billion Monday.
The losers took lead over the gainers as out of 261 issues traded on the day, 94 advanced, 159 declined and eight issues remained unchanged.
Share prices of all sectors lost except ---general insurance, jute and cement sectors.
General insurance, jute and cement sectors gained 2.32 per cent, 3.86 per cent and 0.93 per cent respectively.
Banking issues which cover more than one-third of the market capitalisation declined heavily, snapping the four straight sessions of rally. Out of 30 listed issues in the sector, only two banks---ICB Islamic Bank and Rupali Bank closed positive on the day. And the banking sector lost 1.81 per cent.
In the NBFIs sector 21 issues, only four issues gained while 17 issues lost on the day and the sector lost 1.32 per cent.
Grameenphone, the most weighted share in the DSE lost Tk 0.70 per share and closed at Tk 168.7 on the day registering 0.82 per cent fall.
In the fuel and power sector 10 issues traded, only KPCL was the lone gainer while nine issues declined and the sector lost 1.43 per cent.
In the textile sector 24 issues traded, only eight issues advanced and 16 issues declined in prices on the day and the sector lost 1.02 per cent.
In the pharmaceuticals sector out of 20 issues, 12 issues gained and eight issues lost on the day and the sector lost 0.12 per cent.
Mutual funds lost 0.93 per cent, life insurance 0.16 per cent, ceramics 1.42 per cent and tannery 2.11 per cent on the day.
Aftab Automobiles topped the turnover list with shares worth Tk 484.39 million changed hands. The other turnover leaders were Confidence Cement, Beximco Limited, Bextex Limited, Union Capital, Bay Leasing, Peoples Leasing, Golden Sons, Titas Gas and BD Finance.
Union Capital was the day's top losers. It lost 41.86 per cent on the day following its price adjustment after record date. It was followed by Reliance Insurance, Trust Bank, Legacy Footwear, Samata Leather Complex Ltd, Samorita Hospital, Monno Jutex, Jamuna Oil, Islamic Finance and Investment and National Housing Finance and Investment Ltd.
Central Insurance was the highest gainer posting 6.69 per cent rise followed by Pragati Insurance, Ambee Pharma, Jute Spinner, Pharma Aids, Rahim Textile, Bangas, Gemini Sea Food, Sonarbangla Insurance and Dhaka Insurance.
|
|
|
| 04/05/2011 3:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | DSE news in brief
Sonargaon Textiles recommends 10pc stock dividend
The board of directors of Sonargaon Textiles has recommended 10 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The annual general meeting (AGM) of the company will be held at Barisal Club, Barisal at 12:00 noon on May 14. The record date is April 17. The company has also reported EPS of Tk 14.15, NAV per share of Tk 715.19 and NOCFPS of Tk 107.97 for the year that ended on December 31, 2010.
Call to collect dividend
warrants
The authorities of Dutch-Bangla Bank Limited (DBBL) have requested the shareholders concerned to collect their dividend warrants for the year that ended on December 31, 2010 from the share department of the bank at Sena Kalyan Bhaban (5th floor), 195, Motijheel C/A, Dhaka-1000 during office hours up to April 13, 2011. The cash dividend (excluding local sponsors) has already been credited to the bank accounts of shareholders having accounts with the DBBL.
Cos credit bonus shares
Prime Finance: The authorities of Prime Finance & Investment Ltd have stated that they have credited the bonus shares for the year that ended on December 31, 2010 to the respective shareholders' BO accounts.
Bank Asia: The authorities of Bank Asia have stated that they have credited the bonus shares for the year that ended on December 31, 2010 to the respective shareholders' BO accounts.
Cos' board meet
Bangladesh Industrial Finance: A meeting of the board of directors of Bangladesh Industrial Finance Company Limited will be held on April 17, 2011 at 3:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Phoenix Finance: A meeting of the board of directors of Phoenix Finance and Investments Limited will be held on April 07, 2011 at 3:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Jamuna Bank's record date today
Trading of the shares of Jamuna Bank Limited will remain suspended on record date today (Wednesday).
People Ins on spot trading
Trading of the shares of Peoples Insurance will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Wednesday) to Sunday (April 10). Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on April 11.
|
|
|
| 04/05/2011 3:47 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Offer to sell shares
Maksons Spinning: Makcot International, one of the corporate sponsors/directors of Maksons Spinning Mills Limited, has expressed its willingness to sell 16,00,000 shares out of its total holdings of 38,50,000 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
Continental Ins: Mohammed Iqbal, one of the sponsors/directors of Continental Insurance Ltd, has expressed his willingness to sell 10,000 shares out of his total holdings of 67,429 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
Islami Bank: The Ibn Sina Trust, one of the corporate sponsors of Islami Bank Bangladesh Limited, has expressed its willingness to sell 10,000 shares out of its total holdings of 19,93,884 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days. — DSE Online |
|
|
| 04/05/2011 3:49 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
বন্ড ইস্যু করে ১৭৫ কোটি টাকা তুলবে নর্দান পাওয়ার
ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদন করেছে এসইসি * গ্রাহকদের টাকা ফেরতে গ্যারান্টি নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে নর্দান পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড ১৭৫ কোটি টাকা তুলবে। শতকরা ১৮ টাকা সুদে এই বন্ড ইস্যু করা হবে। গতকাল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এ বন্ডের ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদন করেছে।
এসইসিতে দেওয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দান পাওয়ারের প্রস্তাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ছয় মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে চার বছর। অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ দেওয়া হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে। মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কম্পানির শেয়ার দেওয়ার মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বন্ডের বিনিয়োগকারীরা অভিহিত মূল্যে (১০ টাকা) নর্দান পাওয়ারের শেয়ার পাবেন।
এ ছাড়া কম্পানির পক্ষ থেকে এসব রূপান্তরিত শেয়ার অভিহিত মূল্যে বিনিয়োগকারীদের কেনার সুযোগ দেওয়া হবে। বাজারসংশ্লিষ্টরা এ ধরনের বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে নতুন করে প্লেসমেন্ট বাণিজ্য সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন। তা ছাড়া বেসরকারি খাতে এত চড়া সুদে বন্ড ছাড়ার বিরোধিতা করেছেন তাঁরা। কেননা এই বন্ডের মাধ্যমে টাকা তুলে নিয়ে কম্পানি গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেবে কি না, তার গ্যারান্টি নেই বলে মনে করেছেন অনেকে। ১৯৯৬ সালেও শেয়ারবাজারে এ ধরনের বন্ডের মাধ্যমে টাকা তুলে শেয়ারবাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছিল। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সাবেক সভাপতি আবদুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, এ ধরনের বেসরকারি বন্ডের টাকা ফেরত পাওয়ার গ্যারান্টি কোথায়? এ ধরনের বন্ড ইস্যু করে সরকারই টাকা সংগ্রহ করতে পারে। তা ছাড়া রূপান্তরিত শেয়ার ফেসভ্যালুতে বরাদ্দ দেওয়ায় একধরনের প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নর্দান পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইস্যু করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ৩০ মার্চ এসইসিতে একটি আবেদনপত্র জমা দেয়। একই সঙ্গে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) বন্ডটির ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের অনুমোদনের জন্যও আবেদন করা হয়। ওই আবেদন পাওয়ার পর পরই তড়িঘড়ি করে বন্ডটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু করে এসইসি। আবেদন পাওয়ার পর মাত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যে গত সোমবার ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের জন্য আইসিবিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একই দিন বন্ড ইস্যু করে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদনের জন্য সব আয়োজন সম্পন্ন করে কমিশনের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু ওইদিন একজন সদস্য অনুপস্থিত থাকায় কমিশন বৈঠকের কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় বৈঠকের তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা হয়। শুধু নর্দান পাওয়ারের বন্ড অনুমোদনের জন্য আজ (বুধবার) কমিশনের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে এসইসির এক কর্মকর্তা জানান। |
|
|
| 04/05/2011 3:50 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler kantha
টানা চার দিন পর সূচক পতন ডিএসইতে তবে বেড়েছে লেনদেন
নিজস্ব প্রতিবেদক
টানা চার কর্মদিবস পর গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম। তবে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা এই দরপতনকে স্বাভাবিক বলেই মন্তব্য করেছেন। তবে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বাজারের ওপর কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেও মনে করেন তাঁরা।
গত বুধবার থেকেই ডিএসই মূল্যসূচক বাড়তে থাকে। চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিন সূচকের তেজিভাব বজায় থাকলেও গতকাল দিনভর সূচক ওঠানামা করে এবং দিনশেষে সূচক ৮০.০৭ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৪৫৫.৮০ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়।
সূচকের সঙ্গে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে গতকাল। লেনদেন হওয়া ২৬১টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৪টির, কমেছে ১৫৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি কম্পানির শেয়ারের দাম। তবে গতকাল ব্যংক খাতের ৩০টি কম্পানির মধ্যে কেবল আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এবং রূপালী ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে। এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত আছে আর বাকি সব ব্যাংকের শেয়ারের দাম কমেছে। সিরামিকস্ খাতের পাঁচটির সব কয়টির দাম কমেছে কাল। আর্থিক খাতের ২১টি কম্পানির মধ্যে চারটির দাম বেড়েছে আর বাকি ১৭টি কম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। জ্বালানি খাতের ১১টি কম্পানির মধ্যে খুলনা পাওয়ারের শেয়ারের দাম বেড়েছে। আর পদ্মা অয়েলের লেনেদেন হয়নি। আর বাকি সব কয়টির শেয়ারের দাম কমেছে। ইনস্যুরেন্সের ৪৪টি কম্পানির মধ্যে ১১টির কমেছে বাকিগুলোর দাম বেড়েছে।
গতকালকের বাজার সম্পর্কে ডিএসইর সাবেক সভাপতি আবদুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, বাজারের এই পতন স্বাভাবিক ঘটনা। তবে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সংবাদে বাজারের ওপর কিছু প্রভাব পড়েছে। তিনি আরো বলেন, বাজারের স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর।
এদিকে সূচকের পতন হলেও গতকাল আগের দিনের চেয়ে ৮৭ কোটি ৯০ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১০৬০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আর গতকাল লেনদেন হয়েছে ১১৪৮ কোটি ১০ লাখ টাকা।
গতকাল মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কম্পানি হলো সেন্ট্রাল ইনস্যুরেন্স, প্রগতি ইনস্যুরেন্স, অ্যাম্বি ফার্মা, জুট স্পিনার্স, ফার্মা এইড, রহিম টেঙ্টাইল, বঙ্গজ লি., জেমিনি সি ফুড, সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স এবং ঢাকা ইনস্যুরেন্স।
আর লেনদেনের দিক দিয়ে এগিয়ে ছিল আফতাব অটোমোবাইলস্, কনফিডেন্স সিমেন্ট, বেঙ্মিকো লি., বেঙ্টেঙ্, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, বে-লিজিং, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি., গোল্ডেন সন, তিতাস গ্যাস এবং বিডি ফাইন্যান্স।
আর দাম কমার শীর্ষে ছিল ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্স, ট্রাস্ট ব্যাংক, লিগেসি ফুটওয়্যার, সমতা লেদার, সমরিতা হাসপাতাল, মুন্নু জুটেঙ্, যমুনা অয়েল, ইসলামিক ফাইন্যান্স এবং ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লি.। |
|
|
| 04/05/2011 3:52 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Somokal
পরিচালনা পর্ষদে জায়গা পান না সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা
আনোয়ার ইব্রাহীম
মাত্র দুই শতাংশ শেয়ারের মালিক হয়ে কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক হলেও ৯৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক হয়ে পরিচালনা পর্ষদে জায়গা পান না সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা। কোম্পানি আইনে 'মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন' (একত্রীকরণ ও অধিগ্রহণ) ধারা না থাকায় এভাবে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানি পরিচালিত হচ্ছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের মর্জি মতো। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এতে অনেক কোম্পানি দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে এবং অনেক পরিচালক সরাসরি শেয়ার ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। এ অবস্থায় কোম্পানি আইন-১৯৯৪ সংশোধন এবং 'মার্জার অ্যান্ড অ্যাকুইজিশন' বিষয়ে ধারা সংযোজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, কোম্পানিতে অধিকাংশ শেয়ারহোল্ডারের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা গেলে আর্থিক ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে দুর্নীতি কমবে।
মার্জার বা একত্রীকরণ হলো_ একাধিক কোম্পানির একটি কোম্পানিতে রূপান্তরিত হওয়া এবং অ্যাকুইজিশন (অধিগ্রহণ) হলো_ কোম্পানির বেশিরভাগ শেয়ারহোল্ডারের কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। অ্যাকুইজিশনের কারণে কোম্পানির মধ্যে গণতান্ত্রিক ধারা বজায় থাকে, ফলে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন এবং কোম্পানি পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে অধিকাংশ শেয়ারহোল্ডারের দ্বিমত থাকলে তারা তা বাদ দিতে পারেন। এমনকি পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন হতে পারে। দেশে প্রচলিত কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এ 'একত্রীকরণ ও অধিগ্রহণ' বিষয়ে কোনো ধারা নেই। তবে ব্যাংক, লিজিং ও বীমা কোম্পানি আইনে এ বিষয়ে বিশেষ ধারা রয়েছে। অন্য কোম্পানিগুলো এ বিষয়ে নিজস্ব সংঘবিধি (মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন ও আর্টিক্যালস অব অ্যাসোসিয়েশন) অনুযায়ী উদ্যোক্তা ছাড়া সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হওয়ার সুযোগ নেই। ক্ষেত্রবিশেষে কোনো কোনো কোম্পানি সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের থেকে দুই-একজন পরিচালক রাখার সুযোগ রাখলেও পরিচালনা পর্ষদ অধিকাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক নিয়ন্ত্রণ করায় সেখানে তাদের মতামত গুরুত্ব পায় না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, যেকোনো কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে শেয়ারহোল্ডারদের যথেষ্ট প্রতিনিধিত্ব থাকা উচিত। তা না হলে অধিকাংশ শেয়ারহোল্ডারের স্বার্থ রক্ষা নাও হতে পারে। তিনি কোম্পানি আইনে শেয়ারহোল্ডারদের মধ্য থেকে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান বা পরিচালক হওয়ার সুযোগ রাখার পরামর্শ দেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের ইনটেক অনলাইন ও অগি্ন সিস্টেমসের উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার গত ১ জানুয়ারি ছিল যথাক্রমে দুই দশমিক ৫২ শতাংশ এবং ১১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। গত বছরের ১ জানুয়ারিতে তাদের শেয়ার ছিল যথাক্রমে ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ ও ২৮ দশমিক ০১ শতাংশ। ফু-ওয়াং ফুডের উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার চলতি বছরের ১ জানুয়ারিতে ছিল মাত্র আট দশমিক ৪০ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ে তা ছিল ২৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ারের অংশ ৮৫ শতাংশেরও বেশি। এসব কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তালিকাভুক্ত অন্তত ১০০টিরও বেশি কোম্পানির ক্ষেত্রে এ ধরনের চিত্র পাওয়া যায়। সব ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, উদ্যোক্তা পরিচালকরাই নীতিনির্ধারণী সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে কোম্পানি চালান। কোম্পানি আইন বিশেষজ্ঞ হাসান মাহমুদ বিপ্লব সমকালকে বলেন, কোম্পানি আইনের দুর্বলতার কারণে দেশের প্রায় সব কোম্পানিতে এক অর্থে স্বৈরশাসন চলছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কয়েকটি কোম্পানির ৯৭ ভাগ শেয়ারের মালিকদের একজনও পরিচালনা পর্ষদে নেই। আইনের দুর্বলতার সুযোগে কোম্পানির পরিচালকরা শেয়ার ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, এতে কোম্পানির লাভ হয় কিনা জানি না, তবে উদ্যোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা সহজ হয়। |
|
|
| 04/05/2011 3:52 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমেছে
সমকাল প্রতিবেদক
টানা চারদিন বৃদ্ধির পর গতকাল মঙ্গলবার দেশের উভয় শেয়ারবাজারে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। তবে জেড গ্রুপের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এই গ্রুপের সার্বিক দরবৃদ্ধির হার ছিল প্রায় এক শতাংশ। যদিও গতকাল ডিএসইতে সাধারণ সূচক কমে এক দশমিক ২২ শতাংশ। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেন, টানা চারদিন বৃদ্ধির পর গতকাল এ দর কমার প্রবণতা ছিল স্বাভাবিক।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হওয়া ২৬১টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ৯৪টির দর বাড়ে, কমে ১৫৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৮টির দর। ডিএসই সাধারণ সূচক সোমবারের তুলনায় ৮০ পয়েন্ট কমে হয়েছে ৬৪৫৫ দশমিক ৮০ পয়েন্ট। সিএসইতে এদিন লেনদেন হওয়া ২০৩টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ৬২টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৩৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৭টির দর। সিএসই নির্বাচিত খাত সূচক ৩৮ পয়েন্ট কমে হয়েছে ১১৬৫৬ দশমিক ৪২ পয়েন্ট।
কয়েকদিনের মতো গতকাল অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দরবৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। শুরু থেকে ব্যাংকিং খাতের কোম্পানির শেয়ারদর কমার কারণে সূচকে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ছিল না। লেনদেনের সময় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দর কমার তালিকায় আরও কোম্পানি যুক্ত হলে বাজারসূচক নিম্নমুখী হয়। দিনের শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে ৮০ পয়েন্ট। এর আগে গত বুধবার থেকে সোমবার পর্যন্ত সূচক ৩১৪ পয়েন্ট বেড়েছিল।
গতকাল খাতভিত্তিক লেনদেনের দিক থেকে লিজিং খাতে সর্বাধিক লেনদেন হয়েছে। এ খাতে লেনদেন ছিল ২০৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৮ দশমিক ১০ শতাংশ। লেনদেনের দিক থেকে এর পরের অবস্থানে ছিল বীমা (১৫০.৪৬ কোটি), প্রকৌশল (১৪৫.৩৪ কোটি), ব্যাংক (১৩১.২৮ কোটি), বস্ত্র (১০৫.৪০ কোটি), জ্বালানি ও বিদ্যুৎ (৮১.৯৪ কোটি), ওষুধ ও রসায়ন (৬৭.৭৫ কোটি), সিমেন্ট (৬৩.৪৪ কোটি টাকা)।
খাতভিত্তিক দর ওঠানামার মধ্যে সার্বিকভাবে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে সর্বাধিক ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পরের অবস্থানে ছিল সিমেন্ট (১.৩৩ শতাংশ), ওষুধ ও রসায়ন (১ শতাংশ), বীমা (০.৫৯ শতাংশ), বস্ত্র (০.৪৫ শতাংশ) এবং পাট খাত (৩.৮০ শতাংশ)। বিপরীতে সার্বিকভাবে দর কমার দিক থেকে ব্যাংকিং খাতের দর কমার হার ছিল ২ দশমিক ২০ শতাংশ। এ খাতের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২৮টির দরই কমেছে। লিজিং খাতের ২১টির মধ্যে ১৭টির দর কমে; দর হ্রাসের হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। জ্বালানি খাতের লেনদেন হওয়া ১০টি কোম্পানির মধ্যে ৯টির দরই কমেছে; দর কমার হার ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এছাড়া সার্বিকভাবে প্রকৌশল খাতে দশমিক ৭৮ শতাংশ, সিরামিক খাতে ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ, সেবা খাতে ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ হারে দর কমেছে।
এদিকে গতকাল এ ও বি গ্রুপের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর হ্রাস পাওয়াসহ সার্বিকভাবে দর কমলেও জেড গ্রুপের ২২টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে ১৫টির দর বেড়েছে, কমেছে ৭টির দর। এ গ্রুপের সার্বিক দরবৃদ্ধির হার ছিল দশমিক ৯৬ শতাংশ। |
|
|
| 04/05/2011 3:53 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | দুই শেয়ারবাজারে সূচকের পতন
ইত্তেফাক রিপোর্ট
ঊধর্্বগতি দিয়ে শুরু হলেও সূচক পতনের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার শেষ হয়েছে দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন। তবে আগের দিনের চেয়ে আর্থিক লেনদেন বেড়েছে । ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক সোমবারের তুলনায় ৮০ পয়েন্ট কমে যায়। তবে এদিন লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।
দিনের শুরুতেই ধীর গতিতে বাজার বাড়তে শুরু করে। বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বাজারে ৮২ পয়েন্ট যোগ হয়। এরপর থেকে ওঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলতে থাকে। দুপুর পর্যন্ত বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়লেও একটার পর থেকে এই সংখ্যা কমতে থাকে। দিন শেষে সাধারণ সূচক দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৪৫৫ পয়েন্ট এবং সার্বিক সূচক ৬৩ পয়েন্ট কমে ৫৩৫৪ পয়েন্ট। ডিএসইতে ২৬১টি শেয়ার ও মিউচুয়্যাল ফান্ডের মধ্যে ৯৪টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৫৯টি। মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা। শীর্ষ লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- আফতাব অটো, কনফিডেন্স সিমেন্ট, বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, বে লিজিং, পিপলস লিজিং, গোল্ডেন সন, তিতাস গ্যাস, বিডি ফাইন্যান্স।
দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল- সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স, প্রগতি ইন্সুরেন্স, এমবি ফার্মা, জুটস্পিনিং, ফার্মা এইড, রহিমা টেক্সটাইল, বঙ্গজ, জেমিনি সি ফুড, সোনার বাংলা ইন্সুরেন্স, ঢাকা ইন্সুরেন্স। অপরদিকে মূল্যহ্রাসের শীর্ষে ছিল- ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স, ট্রাস্ট ব্যাংক, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, সমতা লেদার, সমরিতা হাসপাতাল, মুন্নু জুট, যমুনা অয়েল, ইসলামিক ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল হাউজিং।
অন্যদিকে ডিএসইর মতো একই প্রবণতা ছিলো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (্িসএসই)। দিন শেষে সিএসই সার্বিক সূচক ৫৮ পয়েন্ট কমেছে। দিন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪২ পয়েন্ট। সিএসই বাছাই সূচক ৩৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৬৫৬ পয়েন্ট। ২০৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৬২টির, কমেছে ১৩৪টির। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১১০ কোটি ৯৪ লাখ ৭২ হাজার টাকা। |
|
|
|