| 03/30/2011 7:31 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ৩ কোম্পানিকে এসইসির শো-কজ ও ১০ কোম্পানিকে নোটিশ ডিএসইর
----------------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩ কোম্পানিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) শো-কজ করেছে। আর অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণে আরও ১০ কোম্পানিকে নোটিশ দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ(ডিএসই)।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২০১০ সালের অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় বুধবার এসইসি তিন কোম্পানিকে শো-কজ করে। এ তিন কোম্পানি হলো বিএসসি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েল।
তবে শো-কজের পর যমুনা অয়েল অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ কোম্পানির জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী নিট মুনাফা হয়েছে ৪১ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৯ টাকা ১৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে কোম্পানির মুনাফা ছিল ২৫ কোটি ৮৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫ টাকা ৭৪ পয়সা।
অস্বাভাবিক দর বাড়ার জন্য ১০ কোম্পানিকে কারণ জানাতে নোটিশ দিয়েছে ডিএসই। জবাবে কোম্পানিগুলো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো উসমানিয়া গ্লাস, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ, আজিজ পাইপ, রহিমা ফুড, কে অ্যান্ড কিউ, রহিমা টেক্সটাইল, অ্যাপেক্স ফুড, লাফার্জ সুরমা, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার ও রেকিট বেঙ্কিজার।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, উসমানিয়া গ্লাসের শেয়ার দর বুধবার ৯০ টাকা ৭৫ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ১ হাজার ৫৫১ টাকায় লেনদেন হয়। এ কোম্পানির শেয়ার দর ১ হাজার ৪৯০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫৫১ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে।
সাভার রিফ্র্যাক্টরিজের শেয়ার দর ৫৯ টাকা ৭৫ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ৮৬০ টাকায় লেনদেন হয়। এদিন এ কোম্পানির শেয়ার দর ৭৬৪ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮৬০ টাকা ২৫ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করে।
আজিজ পাইপের শেয়ার দর ৩৭ টাকা ২৫ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ৫১৮ টাকায় লেনদেন হয়। শেয়ার দর ৪৮৭ টাকা ২৫ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৫১৮ টাকায় ওঠানামা করে।
রহিমা ফুডের শেয়ার দর ৩৭ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ৫২৬ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে। শেয়ার দর ৪৮০ টাকা থেকে ৫২৬ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করে।
কে অ্যান্ড কিউয়ের শেয়ার দর বুধবার ৩৫ টাকা ৭৫ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ৪৪৫ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে। এদিন শেয়ার দর ৪০১ টাকা থেকে ৪৪৫ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে।
রহিমা টেক্সটাইলের শেয়ার দর ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ২ হাজার ৩০২ টাকা ২৫ পয়সায় ওঠানামা করে।
অ্যাপেক্স ফুডের শেয়ার দর ৬৬ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ১ হাজার ১৩১ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়। এদিন শেয়ার দর ১ হাজার ৭০ টাকা থেকে ১ হাজার ১৩১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করে।
লাফার্জ সুরমার শেয়ার দর বুধবার ৪ টাকা ৭৫ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ৪৩০ টাকায় লেনদেন হয়। দিনভর এ কোম্পানির শেয়ার দর ৪২৫ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৪৫৯ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে।
লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের শেয়ার দর বুধবার ৪ টাকা ২০ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ৪৬ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়। এদিন এ কোম্পানির শেয়ার দর ৪৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৪৬ টাকা ৬০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করে।
রেকিট বেঙ্কিজারের শেয়ার দর ৬৭ টাকা ৯০ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ ১ হাজার ১৫৫ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৮১০ঘণ্টা, মার্চ ৩০, ২০১১
|
|
|
| 03/30/2011 7:31 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ৪ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
-----------------------------
স্টাফ করেপসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, সামিট পাওয়ার, ওশান কন্টেইনার ও এক্সিম ব্যাংক লি.।
বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এতথ্য প্রকাশ করা হয়।
সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট ২০১০ অর্থবছরে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ বোনাস ও ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
আগামী ২৫ মে এ কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে এবং রেকর্ড ডেট থাকবে ১২ এপ্রিল।
গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১১ টাকা ৫৩ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩৭ টাকা।
সামিট পাওয়ার ২০১০ অর্থবছরে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
আগামী ২৬ মে কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে এবং রেকর্ড ডেট থাকবে ১০ এপ্রিল।
৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ২৯ টাকা ৬২ পয়সা।
ওশান কন্টেইনার ২০১০ অর্থবছরে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে।
আগামী ২৫ মে এ কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে এবং রেকর্ড ডেট থাকবে ১২ এপ্রিল। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৬৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে ৫০ টাকা।
্এক্সিম ব্যাংক ২০১০ অর্থবছরে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে।
আগামী ৯ জুন এ কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে এবং রেকর্ড ডেট থাকবে ১০ এপ্রিল।
গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৫ টাকা ৩৩ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৮ টাকা ২২ পয়সা।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৫০ ঘণ্টা, মার্চ ৩০, ২০১১
|
|
|
| 03/30/2011 7:32 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পদ্মা অয়েল’র লেনদেন স্থগিত
---------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পদ্মা অয়েল’র লেনদেন স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
বুধবার ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
এর আগে পদ্মা অয়েলের দ্বিতীয় দফায় লভ্যাংশ ঘোষণা নিয়ে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হলে ডিএসই কোম্পানিটির লেনদেন স্থগিত করার বিষয়ে এসইসির মতামত জানতে চায়। জবাবে এসইসি এর লেনদেন স্থগিত করার ব্যাপারে অনাপত্তি জানায়।
পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৬ ঘণ্টা, মার্চ ৩০, ২০১১
|
|
|
| 03/30/2011 7:32 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
পদ্মা অয়েলের লেনদেন বন্ধ
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ৩০-০৩-২০১১
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করে। আজ ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদে এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। বিনিয়োগকারীদের বৃহত্ স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ ঘোষণা বলবত্ থাকবে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে ৫ মার্চ বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) ঘোষণা দেওয়া হয়। এজিএমের রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় ৬ জানুয়ারি।
কিন্তু ঘোষিত নগদ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় একজন বিনিয়োগকারী হাইকোর্টে রিট মামলা দায়ের করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত লভ্যাংশ, এজিএম ও রেকর্ড ডেটের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ জারি করেন। পরে পদ্মা অয়েল হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেওয়া পূর্বের রায় স্থগিত করে। তবে এ ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ড ডেটের সময় চলে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে রেকর্ড ডেট ঘোষণার প্রয়োজন দেখা দেয়।
অবশেষে ২০ মার্চ প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ আবারও আগের ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে ৩০ এপ্রিল বেলা ১১টায় এজিএমের তারিখ ও ৪ এপ্রিল রেকর্ড টেড ঘোষণা করে। এজিএম ও রেকর্ড টেড ঘোষণা করে।
এ দিকে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলেও মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর নতুন করে ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই ডিএসইর পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখাতে এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন স্থগিত রাখার ব্যাপারে ডিএসই নির্দেশনা চায়।
ডিএসইর প্রস্তাব নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় আলোচন হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়া লেনদেন বন্ধ করার বিষয়টি ডিএসইর ওপর ছেড়ে দেয় কমিশন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই কর্তৃপক্ষ পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করে। |
|
|
| 03/30/2011 7:35 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
তিন কোম্পানিকে এসইসির শোকজ
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ৩০-০৩-২০১১
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্ধবার্ষিক আর্থিক বিবরণী জমা না দেওয়ায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানি, কোম্পানিগুলোর পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সচিবদের শোকজ কাম শুনানি নোটিশ দিয়েছে এসইসি।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো বিএসসি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলো গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া বছরের আর্থিক বিবরণী নির্ধারিত সময়ে এসইসিতে জমা না দেওয়ায় এই শুনানি নোটিশ দেওয়া হয়। |
|
|
| 03/30/2011 7:36 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
চার প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ঘোষণা
অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ৩০-০৩-২০১১
এক্সিম ব্যাংক ৩৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড ২০ শতাংশ নগদ ও ২৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, ওশান কন্টেইনারস লিমিটেড ২৫ শেয়ার লভ্যাংশ এবং সামিট পাওয়ার লিমিটেড ৩০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আজ বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এক্সিম ব্যাংক: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৯ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১০ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ৫.৩৩ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ১৮.২২ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ০.৮৭ টাকা।
সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তাদের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৫ মে বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১২ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ১১.৫৩ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ৩৭ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো পাঁচ টাকা।
ওশান কন্টেইনারস লিমিটেড: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এবং বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৫ মে সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১২ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ২.৬৮ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ৫০ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ২.৭৫ টাকা।
সামিট পাওয়ার লিমিটেড: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তাদের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৬ মে বেলা ১১টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১০ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় চার টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ২৯.৬২ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ৪.৫৭ টাকা। |
|
|
| 03/30/2011 7:36 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত
ঢাকা, ৩০ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): লভ্যাংশ পরিবর্তনের কারণে পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। পদ্মা অয়েলের ঘোষিত লভ্যাংশ ২০০৯ সালের ১ জুনের জারি করা এসইসির নির্দেশনার পরিপন্থি হওয়ায় ডিএসই ম্যানেজমেন্ট বুধবার এ সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে মঙ্গলবার পদ্মা অয়েল কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে এসইসির মতামত চায় ডিএসই। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার সাথে সিকিউরিটিজ আইন সাংঘর্ষিক না হলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করা যাবে বলে এসইসি মতামত দেয়।
একই অর্থবছরে বিধি বহির্ভূত দুই বার লভ্যাংশ ঘোষণা করায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি খাতের কোম্পানি পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করেছে ডিএসই। আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই লভ্যাংশের ধরণ পরিবর্তন করায় ডিএসই এ ব্যবস্থা নেয়।
উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী আজিজ আহম্মেদ পদ্মা অয়েল কোম্পানি কর্তৃক ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট এবং এজিএম করার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে আদালতে একটি রিট করে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানি লিস্টিং বিধি ৩০ লংঘন করায় এ ঘোষণা অবৈধ হয়েছে মর্মে আদালতকে জানান বিনিয়োগকারীর পক্ষের কৌঁসুলি। ডিএসই কোম্পানি লিস্টিং বিধি-৩০ বলা আছে যে, সকল লিস্টেড কোম্পানি তার বাৎসরিক কর্মকাণ্ড এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার উদ্দেশ্যে যে বোর্ড সভা ডাকা হবে তা সভার আগেই ডিএসই এবং এসইসিকে জানাতে হবে। যাতে বিনিয়োগকারী এবং শেয়ারহোল্ডাররা জানতে পারে ও ডিএসই ওয়েবসাইটে আপলোড করতে পারে। কিন্তু সে বিষয়ে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গত ১৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখের পদ্মা অয়েল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখসহ লভ্যাংশ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করে, যা ডিএসই বিধি-৩০ এর পরিপন্থী। এ বিষয়টি নিয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী পদ্মা অয়েল কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
বোর্ড সভায় কোম্পানি ১০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ঘোষিত লভ্যাংশ চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়েরের পর কোম্পানি পুনরায় তাদের লভ্যাংশ পুনর্বিবেচনা করে ৫০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ও ৫০ ভাগ বোনাস শেয়ার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দু'বার লভ্যাংশ ঘোষণা করায় বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া এসইসি'র জারি করা নির্দেশনা লংঘন করায় ডিএসই এ কোম্পানির লেনদেন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়।
|
|
|
| 03/30/2011 7:38 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | উত্থান-পতন শেষে সূচক বেড়েছে
ঢাকা, ৩০ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্োপক উত্থান-পতন শেষে সাধরণ সূচক বেড়েছে। আজ বুধবার সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ২৭ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট বেড়ে ৬২৪৯ দশমিক ৩৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) বাংলাদেশ ফান্ডের অনুমোদনের জন্য পাঠানোর কারণে বাজার কিছুটা ঊর্ধ্বমূখী বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
আজ ডিএসই লেনদেনের ৫ মিনিটে ডিএসই সাধারণ সূচক বাড়ে ৫৪ পয়েন্ট। তবে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। পরবর্তী ২৫ মিনিট সূচকের পতন হতে থাকে। ১১টা ৩৫ মিনিটে আবারো সূচক কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়। এভাবে দিনভর উঠানামায় চলতে থাকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন। যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক কিছুটা বাড়লেও গতকালের চেয়ে লেনদেন কমেছে। আজ ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৪৯ কোটি টাকার শেয়ার। যা গতকালের লেনদেনের চেয়ে প্রায় দু'শ কোটি টাকা কম।
আজ লেনদেন হয়েছে ২৫৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। যার মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ১৭৫টির, কমেছে ৭৫টির এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে ৬টি কোম্পানির শেয়ার দর।
আজ ডিএসই লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় রয়েছে - বেঙ্মিকো, পিপলস লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, যমুনা অয়েল, তিতাস গ্যাস, বেক্সটেক্স, গোল্ডেনসন, সামিট পাওয়ার, ডেস্কো, আফতাব অটো ও মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
|
|
|
| 03/30/2011 7:39 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | চার কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
ঢাকা, ৩০ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): চারটি কোম্পানি ২০১০ সালের জন্য কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আজ বুধবার সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ঘোষিত লভ্যাংশের ঘোষণা ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। লভ্যাংশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হল - সামিট এলায়েন্স পোর্ট, সামিট পাওয়ার, ওশান কন্টেইনার ও এঙ্মি ব্যাংক লিমিটেড।
সামিট এলায়েন্স পোর্ট কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ স্টক ও ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রাপ্ত তথ্য মতে, সামিট এলায়েন্সের বার্ষিক সাধারণ সভা ২৫ মে অনুষ্ঠিত হবে এবং কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট ১২ এপ্রিল।
এছাড়া, সামিট পাওয়ারের পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা ২৬মে অনুষ্ঠিত হবে এবং রেকর্ড ডেট ১০ এপ্রিল।
এদিকে, ওশান কন্টেইনার কোম্পানির সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রকাশিত তথ্য মতে, কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ২৫মে অনুষ্ঠিত হবে এবং কোম্পানির রেকর্ড ডেট ১২ মে।
আর এঙ্মি ব্যাংক লিমিটেড কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে এবং রেকর্ড ডেট ১০ এপ্রিল।
|
|
|
| 03/30/2011 7:39 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় ৩ কোম্পানিকে নোটিশ
ঢাকা, ৩০ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় সরকারি মালিকানাধীন তিন কোম্পানিকে শুনানিতে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ দিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। অর্ধ বার্ষিকী প্রতিবেদন জমা না দেয়া কোম্পানিগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি), মেঘনা পেট্রেলিয়াম ও যমুনা অয়েল কোম্পানি। আর্থিক প্রতিবেদন জমা না দেয়ায় বুধবার এসইসি এ তিন কোম্পানিকে শুনানির জন্য নোটিশ প্রদান করে। তবে কবে নাগাদ শুনানিতে হাজির হতে হবে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি এসইসি। শুনানিতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সচিবকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
|
|
|
| 03/30/2011 7:39 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | রাইট শেয়ারের প্রস্তাব করেছে আইসিবি
ঢাকা, ৩০ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান আইসিবি রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব করেছে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রনালয়ে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে আইসিবি'র ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। প্রতি ৪টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৩টি রাইট শেয়ার দেয়ার প্রস্তাব করেছে সরকারী মালিকানাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি। অর্থ মন্ত্রনালয়ে প্রেরিত প্রস্তাবে আইসিবি'র প্রতিটি রাইট শেয়ারের মূল্য ধরা হয়েছে ১০০০ টাকা। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ৯০০ টাকা প্রিমিয়াম নেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। রাইট শেয়ারের মাধ্যমে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ১৮৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি বাংলাদেশ ফা-ে ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। অবশিষ্ট অর্থ দিয়ে আইসিবির'র ঋণ পরিশোধসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় করা হবে।
আইসিবির প্রতিটি শেয়ারের বর্তমান বাজার দর ৩২০২ টাকা। এ কোম্পানির ২৭ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে সরকারের হাতে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৭০.১৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২.৮১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
|
|
|
| 03/30/2011 11:50 am |
 Senior Member

Regist.: 01/09/2011 Topics: 0 Posts: 48
 OFFLINE | মূলধনের শর্ত পূরণে রাইট শেয়ার ইস্যু করতে পারে ব্যাংকগুলো
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যাপ্ত মূলধনের শর্ত পূরণের জন্য নতুন করে রাইট শেয়ার ইসু্য করতে পারে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য প্রায় প্রতিটি ব্যাংককেই তাদের মূলধনের সীমা বাড়াতে হবে। সেৰেত্রে দু'একটি ব্যাংকের ৰেত্রে শুধু বোনাস ইসু্য করে পর্যাপ্ত মূলধন বৃদ্ধি করা সম্ভব হলেও বাকিগুলোর জন্য রাইট শেয়ার বা বন্ড ইসু্যর বিকল্প থাকবে না বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি এড়াতে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের অংশ হিসেবেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য এখন থেকে আর নূ্যনতম মূলধন বেঁধে দেয়া হবে না। প্রতিটি ব্যাংককেই তার ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ অনুযায়ী পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। গত সোমবার এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয়া হয়েছে। মূলধন ইসু্যতে শীঘ্রই ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ করে পর্যাপ্ত মূলধনের দিক-নির্দেশনা দেয়া হতে পারে।
একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্যাসেল-২ এর প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূলধন ও উদ্বৃত্ত তহবিলের নূ্যনতম পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা বেঁধে দেয়া হয়। চলতি বছরের ১১ আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে এই সীমা পূরণ করতে হবে। অধিকাংশ ব্যাংক ইতোমধ্যেই মূলধন ও উদ্বৃত্ত তহবিলের মোট পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা পূর্ণ করলেও ৬টি ব্যাংক এখনও এর নিচে রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারি তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। তবে শুধু মূলধন হিসেবে নিলে অধিকাংশ ব্যাংকই এখনও দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাসেল-২ এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়ন করতে হলে ব্যাংকগুলোর মূলধনের পরিমাণ প্রায় ৭০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। ফলে সব ব্যাংককেই মূলধন বাড়াতে হবে।
তাঁরা বলেন, ব্যাংকের মূলধন বাড়াতে হলে অবশ্যই রাইট বা বোনাস শেয়ার ইসু্য করতে হবে। এৰেত্রে যেসব ব্যাংকের পর্যাপ্ত পরিমাণ উদ্বৃত্ত তহবিল (রিজার্ভ) রয়েছে, সেসব ব্যাংক এই তহবিলকে মূলধনে রূপানত্মরের জন্য বোনাস ইসু্য করতে পারে। আবার উদ্বৃত্ত তহবিল ঠিক রেখে ব্যাংকগুলো রাইট শেয়ার ইসু্যর মাধ্যমে মূলধন বাড়াতে পারে। আর যেসব ব্যাংকের উদ্বৃত্ত তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ নেই সেসব ব্যাংকের জন্য রাইট ইসু্যর বিকল্প থাকবে না। তবে মূলধন বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাওয়ার পরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। |
................ name:Adv.sk.kabirul islam sagor.
Email:kingkabir001@yahoo.com
khulna.
|
| 03/30/2011 3:55 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ উচ্চ আদালতে মামলা নিষ্পত্তির আগেই ঘোষিত লভ্যাংশ পরিবর্তনের প্রেৰাপটে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। গতকাল বুধবার থেকেই এই সিদ্ধানত্ম কার্যকর করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের রায়ের পর ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে স্টক এঙ্চেঞ্জ মনে করছে। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত রাখা হয়েছে বলে ডিএসইর পৰ থেকে জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ। একইসঙ্গে ৫ মার্চ সকাল ১১টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করা হয়। এজন্য ৬ জানুয়ারি রেকর্ডের তারিণ নির্ধারণ করা হয়।
কিন্তু ঘোষিত নগদ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজিজ আহমেদ নামে একজন শেয়ারহোল্ডার হাইকোর্টে রিট মামলা করেন। ওই রিট পিটিশনের প্রেৰিতে হাইকোর্ট গত ২ জানুয়ারি কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট ও এজিএমের তারিখ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রীমকোর্টে আপীল করে পদ্মা অয়েল লিমিটেড। আপীল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেয়া পূর্বের রায় স্থগিত করে। ফলে এজিএম অনুষ্ঠিত হতে আর কোন বাধা থাকে না। কিন্তু আপীল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ডের তারিখ চলে যায়। এ কারণে নতুন একটি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়। পরে গত ২০ মার্চ পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় নতুন করে এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি পূর্বঘোষিত ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধানত্ম নেয়। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোম্পানির মূল স্থাপনায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। জানা গেছে, আপীল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলেও মামলা নিষ্পত্তি ঘটেনি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট চূড়ানত্ম আদেশ দেয়ার আগে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ লভ্যাংশ পরিবর্তনের ৰমতা রাখে না বলে ডিএসই মনে করে। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এতে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা ৰতিগ্রসত্ম হতে পারে। এ কারণেই ডিএসইর পৰ থেকে পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়। পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়েও নির্দেশনা চাওয়া হয়। জানা গেছে, ডিএসই এই প্রসত্মাব নিয়ে গত মঙ্গলবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় আলোচনা হয়। সভায় কোম্পানির লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনী দিকগুলো খতিয়ে দেখার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। |
|
|
| 03/30/2011 3:56 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ব্যাংকিং ব্যবসায় লাগাম টানছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
খায়রুল হোসেন রাজু ॥ ব্যাংকিং ব্যবসায় লাগাম টানছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই অংশ হিসেবে ব্যাংকগুলোর শাখা খোলার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। ফলে এ বছর ৪৭টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে প্রায় ৩০টি ব্যাংকই নতুন শাখা খোলার লাইসেন্স বা অনুমতি পাবে না। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারক মহল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যাংকিং খাতে আরও শৃঙ্খলা বাজার রাখার জন্য শাসত্মিস্বরূপ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
যেসব ব্যাংক কলমানির ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হচ্ছে, ঋণ-আমানতের অনুপাতের (সিডিআর) চেয়ে অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করেছে, যেসব ব্যাংক আগ্রাসী অর্থায়ন করে শেয়ার মার্কেটে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করেছিল এবং যেসব ব্যাংক তাদের মোট টার্গেটের মধ্যে ৫০ শতাংশ পর্যনত্ম কৃষিঋণ বিতরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের এ বছর শাখা খোলার লাইসেন্স দেয়া হবে না। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থাকলেও সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলো লাইসেন্স নেয়ার সময় এসব বিষয় কঠোরভাবে পর্যবেৰণ করেই শাখা খোলার অনুমতি দেবে বলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক উর্ধতন কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে বলেন, এ বছর ব্যাংকগুলোর নতুন শাখা খোলার বিষয়ে অনেক কঠোরতা অবলম্বন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লৰ্যে ইতোমধ্যেই নীতিনির্ধারণী মহলে সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। যদিও এটি প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে কোন ব্যাংক নতুন শাখা খোলার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করলেই নির্দিষ্ট সময়ে ওই ব্যাংকের কার্যক্রমসহ একাধিক বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবেচনা করা হবে। এর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হলো- ব্যাংকটি তার টার্গেটের মধ্যে ৫০ শতাংশ পর্যনত্ম কৃষিঋণ বিতরণ করছে কিনা। ব্যাংকটি অতিলোভে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করেছিল কিনা, কলমানির ওপর নির্ভর করে লেনদেন করছে কিনা এবং সর্বশেষ ব্যাংকের মোট ডিপোজিট রেসিওর তুলনায় অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করেছে কিনা এসব বিষয় ভালভাবেই তদনত্মস্বরূপ যাচাই-বাছাই শেষেই নতুন ব্রাঞ্চ খোলার অনুমতি প্রদান করা হবে। সে ৰেত্রে প্রায় ৩০টি ব্যাংক এ বছর শাখা খোলার লাইসেন্স পাবে না। এর মধ্যে ১২টি ব্যাংক পাবে না কৃষিঋণ বিতরণে ব্যর্থ হওয়ার কারণে। আর অন্য ১৮টি ব্যাংক পাবে না অন্যান্য কারণে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, একাধিক ব্যাংক রয়েছে যারা নতুন শাখা খোলার সময় প্রত্যনত্ম অঞ্চলে গিয়ে মানুষের সেবা প্রদান করবে। পাশাপাশি কৃষি ও ৰুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে ঋণ বিতরণ করবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্বিক নিয়ম-কানুন অনুযায়ী ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কোনভাবেই ব্যাংক কোম্পানি আইন বা বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন অমান্য করবে না। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক পরিদর্শনে দেখা গেছে, একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যেগুলো প্রতিশ্রম্নতি দিয়ে শাখা খোলার অনুমতি নিলেও বাসত্মবে তা করছে না। এতে ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতার সৃষ্টি হচ্ছে। যার দায়ভার বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপরই পড়ছে। ফলে এ বছর ব্যাংকের নতুন শাখা খোলার ৰেত্রে ব্যাংকগুলোর সার্বিক কর্মকা- বিবেচনা করেই দেয়া হবে। ব্যাংকগুলোর শাসত্মিস্বরূপ এ সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবায় (ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন) অনত্মভর্ুক্ত করার লৰ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো শহরের পাশাপাশি গ্রামেও আনুপাতিকের চেয়ে বেশি করে শাখা খুলছে। সেবার মান উন্নত করারও চেষ্টা চলছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের পাশাপাশি বেসরকারী ব্যাংকগুলো গ্রামাঞ্চলে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে তথ্য রয়েছে। কিন্তু বাসত্মবে দেখা গেছে, কৃষিঋণ বিতরণে ১২টি ব্যাংক পিছিয়ে পড়ছে। এর মধ্যে তিনটি ব্যাংক কোন কৃষিঋণ বিতরণ করেনি। বরং শিল্প খাতে বিতরণকৃত ঋণ কৃষি খাতে বিতরণ দেখানোর জন্য কৌশল অবলম্বন করছে। কিন্তু এসব ব্যাংকের চাতুরতা বাংলাদেশ ব্যাংক চিহ্নিত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১২টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর মুরশিদ কুলী খান সভাপতিত্ব করেন। এতে ব্যাংকগুলোতে আগামী তিন মাসের মধ্যে টার্গেটের ৫০ শতাংশ পর্যনত্ম ঋণ বিতরণের নির্দেশ দিয়েছে। কোন ব্যাংক এ নির্দেশ অনাম্য করলে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের বিরম্নদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গত ৭ মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ১২টি ব্যাংক সামগ্রিকভাবে ২৫ শতাংশ পর্যনত্ম কৃষিঋণ বিতরণ করতে পারেনি। এছাড়া কিছু ব্যাংক রয়েছে যা জানুয়ারি পর্যনত্ম একটি টাকাও কৃষিখাতে বিতরণ করেনি। এ কারণে ১২টি ব্যাংককে এ বছর নতুন করে শাখা খোলার অনুমতি দেয়া হবে না। এ ১২টির সঙ্গে রয়েছে আরও বাকি ১৮টি ব্যাংক যেগুলো শাখা খুলতে পারবে না। কারণ এসব ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ অমান্য করে আগ্রাসী ব্যাংকিংয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শাসত্মিস্বরূপ ব্যাংকগুলোর প্রতি এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে সারাদেশে ব্যাংকগুলোর মোট ৭ হাজার ২৪৬টি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে শহর এলাকায় রয়েছে ৩ হাজার ৭৭টি এবং গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৪ হাজার ১৬৯ টি। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ব্রাঞ্চের সংখ্যা রয়েছে মোট ৩ হাজার ৩৯৪টি। এর মধ্যে শহরে রয়েছে ১ হাজার ২৪২টি এবং গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ২ হাজার ১৫২টি। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ব্রাঞ্চ রয়েছে মোট ১ হাজার ৩৬৬টি। এর মধ্যে শহরে রয়েছে ১৫৭টি এবং গ্রামে রয়েছে ১ হাজার ২০৯টি। এছাড়া বেসরকারী ব্যাংকগুলোর মোট ব্রাঞ্চ রয়েছে ২ হাজার ৪২৭টি। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে রয়েছে ১ হাজার ৬১৯টি এবং গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৮০৪।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান থেকে শুরম্ন করে সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা ব্যাংকিং সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পেঁৗছে দিতে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরম্ন করেছেন। এরই অংশ হিসেবে শহরের সঙ্গে পালস্না দিয়ে গ্রামাঞ্চলে শাখা খোলা হচ্ছে। ৪:১ (অর্থাৎ শহরে ৪টি খুললে গ্রামে ১টি খুলতে হবে) অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর শাখা খোলার কথা থাকলেও অনেকাংশে বেশি খোলা হচ্ছে |
|
|
| 03/30/2011 3:57 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পুঁজিবাজার বিপুল সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে
প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনীতে ডিএসই সভাপতি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি মোঃ শাকিল রিজভী বলেছেন, সময়ের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার দিন দিন বিনিয়োগকারীদের কাছে বিপুল সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় কমপস্নায়েন্স কর্মকর্তারা এক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের জন্য বিকল্প ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারেন। ডিএসই ট্রেনিং একাডেমি আয়োজিত ৬ দিনব্যাপী 'কমপস্নায়েন্স এ্যান্ড এ্যাসোসিয়েটেড ইসু্য' শীর্ষক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএসই সভাপতি বলেন, বিনিয়োগকারীদের সচেতন করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচী চালিয়ে যাচ্ছে। এসব প্রশিক্ষণের জন্য পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট সকল মহলের এগিয়ে আসতে হবে। বিনিয়োগকারীদের অনেকেই কোম্পানির বার্ষিক রিপোর্ট বুঝতে ও তুলনামূলক পর্যালোচনা করতে পারেন না। ব্রোকার হাউসের প্রতিপালন কর্মকর্তারা বিনিয়োগকারীদের এসব বিষয় সহায়তা দিতে পারেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে প্রতিপালন কর্মকর্তারা হাউজের হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ, এসইসির নির্দেশনা প্রভৃতি প্রতিপালনে সচেষ্ট থাকবেন। পরে ডিএসই সভাপতি প্রশিক্ষণাথর্ীদের কর্মজীবনে প্রশিক্ষণের জ্ঞান কাজে লাগানোর বিশেষ তাগাদা দেন।
প্রশিক্ষণে ডিএসইর প্রারম্ভিক ধারণা, হিসাব ও নথিপত্র রক্ষণাবেক্ষণ, সিডিবিএলের ভূমিকা ও কার্যাবলী, স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। গত সোমবার অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির ইনচার্জ ও উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আল-আমিন রহমান ও চার্টার্ড এ্যাকাউনট্যান্ট স্নেহাশীষ বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।
রাইট শেয়ারের প্রসত্মাব করেছে আইসিবি
শীর্ষ নিউজ ডটকম ॥ পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান আইসিবি রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রসত্মাব করেছে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রানত্ম একটি প্রসত্মাব পাঠিয়েছে আইসিবির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। প্রতি ৪টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৩টি রাইট শেয়ার দেয়ার প্রসত্মাব করেছে সরকারী মালিকানাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি। অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত প্রসত্মাবে আইসিবির প্রতিটি রাইট শেয়ারের মূল্য ধরা হয়েছে ১০০০ টাকা। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ৯০০ টাকা প্রিমিয়াম নেয়ার প্রসত্মাব করা হয়েছে। রাইট শেয়ারের মাধ্যমে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ১৮৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি বাংলাদেশ ফান্ডের ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। অবশিষ্ট অর্থ দিয়ে আইসিবির ঋণ পরিশোধসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় করা হবে।
আইসিবির প্রতিটি শেয়ারের বর্তমান বাজার দর ৩৩২৬ টাকা। এ কোম্পানির ২৭ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে সরকারের হাতে। |
|
|
|