Page 1 / 3 1 - 2 - 3 Next »
NEWS 19.04.2011
04/18/2011 3:47 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
শেয়ারবাজার নিয়ে কি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে তা জানানো হবে ॥ অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, মিডিয়ায় শেয়ারবাজার নিয়ে প্রকাশিত সব খবর বস্তুনিষ্ঠ নয়। বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সকলের মধ্যে উৎকণ্ঠা আছে। এ জন্য কি কি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে তা আপনাদের (সাংবাদিকদের) জানানো হবে। সরকারী সিদ্ধান্ত আপনারা পেয়ে যাবেন। তবে একটু সময় লাগবে। কারণ প্রতিবেদন প্রিন্টিংয়ে আছে।
সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কৰে আয়োজিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানদের সঙ্গে প্রাকবাজেট আলোচনা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী আরও জানান, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি শেয়ারবাজার তদন্ত প্রতিবেদনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে। মিডিয়ায় বিভিন্ন ধরনের সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় সংসদীয় কমিটি উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রীর কাছে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে।
তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজারে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ বিনিয়োগকারী আছে বলে যে কথা বলা বা লেখা হচ্ছে তা ঠিক নয়। শেয়ারবাজারে সক্রিয় এ্যাকাউন্ট ১০ লাখের বেশি হবে না। অনেকে এ্যাকাউন্ট খুললেও সেগুলো ট্রানজেকসান (লেনদেন) হয় না। এ সময় উদাহরণ টেনে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার নিজেরও দুটি এ্যাকাউন্ট আছে। কিন্তু ২০০১ সালের পর আর লেনদেন করিনি। এ ধরনের ঘটনা অনেকেরই আছে।
বিদু্যত বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ২ হাজার মেগাওয়াট বিদু্যত যোগ হবে। তিনি জানান, আগামী অর্থবছরে বাজেটে ৩০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দেয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, সাত বিভাগে সাতটি অর্থনৈতিক জোন হবে। এ বছরের মধ্যে এ সংক্রানত্ম কাজ শুরম্ন হবে। সভায় ব্যাংকে তারল্য সঙ্কট রয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের তারল্য সঙ্কট নেই। গত আড়াই বছরে গ্রামীণ অর্থনীতি গতিশীল হয়নি বলে মতপ্রকাশ করা হলেও দ্বিমত প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'ভূমির পরিমাণ এত কমে যাচ্ছে যে এ জন্য বসতি পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। ভূমি ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।' কুইক রেন্টাল পাওয়ার পস্নান্টের কাজ ধীর গতিতে চলছে বলে সংসদীয় কমিটি অর্থমন্ত্রীর কাজে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এ জন্য তারা কুইক রেন্টাল পাওয়ার পস্নান্টের ওপর নির্ভরতা কমাতে বলেছেন।
প্রাক বাজেট আলোচনায় সংসদীয় কমিটির সভাপতিদের মধ্যে তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আকতারম্নজ্জামান বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Quote   
04/18/2011 3:49 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
তিন কোম্পানির রাইট শেয়ার অনুমোদন
জনতা ইন্স্যুরেন্স ২:১, সিনোবাংলা ১:১ এবং পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স ১:৫ হারে রাইট শেয়ার ইস্যু করবে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানিকে রাইট শেয়ার ছেড়ে পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত ৩৮০তম কমিশন সভায় জনতা ইন্সু্যরেন্স, সিনোবাংলা এবং পাইওনিয়ার ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের রাইট শেয়ারের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। কমিশন সভা শেষে এসইসি'র মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহি পরিচালক মো. সাইফুর রহমান এ তথ্য জানান।
জনতা ইন্সু্যরেন্স : কোম্পানিটি মোট ১৬ লাখ ২৬ হাজার ২৪০টি রাইট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৩২ কোটি ৫২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ২:১ হারে (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২টি) রাইট শেয়ার পাবেন। এই কোম্পানির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ১০০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২০০ টাকা গ্রহণ করা হবে।
সিনোবাংলা : কোম্পানিটি মোট ৯৯ লাখ ৯৮ হাজার ৩০০ রাইট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ৬৬ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে। শেয়ারহোল্ডাররা ১:১ হারে (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট শেয়ার পাবেন। সিনো বাংলার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের রাইট শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২০ টাকা গ্রহণ করা হবে।
পাইওনিয়ার ইন্সু্যরেন্স : কোম্পানিটিকে ১:৫ (৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) হারে মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার রাইট শেয়ার ইসু্যর অনুমোদন দিয়েছে এসইসি। এই কোম্পানির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের রাইট শেয়ারের বিপরীতে ৩০০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৪০০ টাকা সংগ্রহ করা হবে। সেই হিসেবে পাইওনিয়ার ইন্সু্যরেন্স পুঁজিবাজার থেকে সর্বমোট ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।
Quote   
04/18/2011 3:49 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
৪ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্ন হারে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত ৪ কোম্পানি।
সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স ॥ ১৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এ কোম্পানিটি। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১৫টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
একইসঙ্গে ১:২ হারে রাইট শেয়ার ইসু্যরও সিদ্ধানত্ম নিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্সু্যরেন্স। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ২টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ জুন বেলা ১১টায় রাজধানীর লেডিস ক্লাবে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৩ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৩০ টাকা ৪৭ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২৬৭ টাকা ৮২ পয়সা।
রেকিট বেনকিসার ॥ ৫০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এ কোম্পানিটি। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে নগদ ৫ টাকা লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ১৫ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ট্রাস্ট মিলনায়তনে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৮ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ২৬ টাকা ৭১ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৪৮ টাকা ১৩ পয়সা।
প্যারামাউন্ট ইন্সুরেন্স ॥ ১০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এ কোম্পানিটি। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৩ জুলাই সকাল ১০টায় রাজধানীর গুলশানের স্পেকট্রাম কনভেনশন সেন্টারে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১৩ টাকা ০৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৩৪ টাকা।
বিআইএফসি ॥ ২৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এ কোম্পানিটি। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২৫টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ১২ মে বেলা ১১টায় রাজধানীর কাকরাইলের ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ২৭ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৪৬ টাকা ৫৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৭১ টাকা ৫১ পয়সা।

পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের রাইট শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব নাকচ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পূরবী জেনারেল ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের রাইট শেয়ার ইসু্যর প্রসত্মাব নাকচ করে দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে রাইট শেয়ার ইসু্য করে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন না দেয়ার সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করা হয়।
কমিশন সভা শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাইফুর রহমান জানান, সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (রাইট ইসু্য) বিধিমালা ২০০৬ এর প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না হওয়ায় পূরবী জেনারেল ইন্সু্যরেন্সের রাইট শেয়ার ইসু্যর আবেদন নাকচ করা হয়েছে।
এসইসি সূত্র জানায়, পরিশোধিত মূলধন বাড়িয়ে কোম্পানির ব্যবসায়িক কর্মকা- সম্প্রসারণের জন্য পূরবী জেনারেল ইন্সু্যরেন্স গত বছরের ২৪ আগস্ট রাইট শেয়ার ইসু্যর অনুমতি চেয়ে কমিশনে আবেদন জমা দেয়। ২:১ (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২টি) হারে কোম্পানিটি মোট ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার রাইট শেয়ার ইসু্য করে পুঁজিবাজার থেকে মোট ৬৬ কোটি ২২ লাখ লাখ টাকা সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের বিপরীতে সাড়ে ৭ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট সাড়ে ১৭ টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করা হয়েছিল।
Quote   
04/18/2011 3:50 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
আইপিও মূল্যে বন্ডকে শেয়ারে রূপান্তর করতে চায় নর্দার্ন পাওয়ার
হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এসইসির পূর্বানুমোদন নেয়া হবে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রাইভেট পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইস্যু করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য দু'টি শর্ত সংশোধন করেছে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড। প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) জন্য নির্ধারিত মূল্যে বন্ডকে শেয়ারে রূপান্তর এবং বন্ড হস্তান্তরের ৰেত্রে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পূর্বানুমোদন গ্রহণের বিষয়টি যুক্ত করে সংশোধিত আবেদন জমা দিয়েছে কোম্পানিটি। এক্ষেত্রে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যেই বন্ড হসত্মানত্মর করা যাবে। গতকাল সোমবার কোম্পানির পৰ থেকে এ আবেদন জমা দেয়া হয়। এর আগে গত ৩০ মার্চ বন্ড ইসু্যর অনুমোদন চেয়ে আবেদন করে নর্দার্ন পাওয়ার। সে সময় অভিহিত মূল্যে বন্ডকে শেয়ারে রূপানত্মর এবং শর্তহীনভাবে হসত্মানত্মরের সুযোগ চাওয়া হয়েছিল।
নর্দার্ন পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী এনামুল হক সোমবার সাংবাদিকদের জানান, বন্ডকে শেয়ারে রূপানত্মরের ৰেত্রে অভিহিত মূল্যের পরিবর্তে আইপিওর জন্য নির্ধারিত মূল্যকে বিবেচনায় নেয়া হবে। এছাড়া বন্ড হসত্মানত্মরের ৰেত্রে এসইসির অনুমোদন সাপেৰে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। এ দু'টি বিষয় যুক্ত করে এসইসিতে আবেদন করা হয়েছে।
বন্ডের অতিরিক্ত সুদ নির্ধারণ বিষয়ে তিনি বলেন, ব্যাংক ঋণ পাওয়ার ৰেত্রে জটিলতা থাকায় ১৮ শতাংশ সরল সুদে বন্ড ইসু্যর আবেদন করা হয়েছে। বিদু্যত কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ দ্রম্নত শেষ করার জন্য বন্ড ইসু্য করে স্বল্প সময়ে অর্থ সংগ্রহের জন্যই প্রাইভেট পেস্নসমেন্টে বরাদ্দ দেয়া হবে।
এসইসিতে দেয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রসত্মাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ৬ মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে ৪ বছর। অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করা হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে। মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১২ অক্টোবর নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত করেন। প্রাথমিকভাবে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৫০ লাখ টাকা। এরমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নামে ৪০ লাখ এবং তাঁর স্ত্রী তহুরা হকের নামে ১০ লাখ টাকার শেয়ার ছিল। পরে বেঙ্মিকো গ্রম্নপের প্রতিষ্ঠান বেঙ্টেঙ্ লিমিটেডের কাছে ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ইসু্য করে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। এরপর গত বছরের ডিসেম্বরে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৯০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৯১ কোটি টাকা উন্নীত করার জন্য এসইসিতে আবেদন করা হয়। ২৭ ডিসেম্বর এসইসির পৰ থেকে এরমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নামে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার শেয়ার ইসু্য করে ৪৫ কোটি ৩ লাখ টাকা এবং বেঙ্টেঙ্ লিমিটেডের নামে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার শেয়ার ইসু্য করে ৪৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দেয়া হয়।

অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণে ৫ কোম্পানির লেনদেন স্থগিত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অস্বাভাবিকভাবে দর বৃদ্ধির কারণে ৫ কোম্পানির লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপৰ। গতকাল ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
লেনদেন স্থগিত কোম্পানিগুলো হলো- দুলা মিয়া কটন, লিগেসি ফুটওয়্যার, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, অলটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ ও মডার্ন ডাইং এ্যান্ড স্ক্রিন পেইন্টিং লিমিটেড। এর মধ্যে মডার্ন ডাইং এ্যান্ড স্ক্রিন পেইন্টিং লিমিটেডের লেনদেন মাত্র একদিনের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধানত্ম নেয় ডিএসই কর্তৃপৰ।
দর বৃদ্ধির কারণ জানতে তদনত্ম চলায় অন্য তিন কোম্পানির লেনদেন সাময়িক স্থগিত রাখা হয়েছে।
Quote   
04/18/2011 3:51 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
৫ হাজার কোটি টাকা ॥ শেয়ারবাজারে বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদিত
০ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে ১০০ টাকা
০ আইসিবি এ ফান্ড ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে রাষ্ট্রায়ত্ত আট প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে গঠিত ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ডের' ট্রাস্ট ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা চুক্তি অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত ৩৮০তম কমিশন সভায় পুঁজিবাজারের বহুল আলোচিত এ ফান্ডের অনুমোদন দেয়া হয়। এসইসির বিধি অনুযায়ী ফান্ডের ৭৫ শতাংশ বা ৩ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা পুঁজিবাজারে এবং বাকি ২৫ শতাংশ মুদ্রাবাজারসহ অন্যত্র বিনিয়োগ করতে হবে।
কমিশন সভা শেষে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা (ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট) চুক্তি অনুমোদন করা হয়েছে। মেয়াদহীন এ মিউচু্যয়াল ফান্ডের প্রাথমিক আকার হবে ৫ হাজার কোটি টাকা। এক্ষেত্রে ফান্ডটির উদ্যোক্তারা দেড় হাজার কোটি টাকা যোগান দিচ্ছে। বাকি সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে। এর প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১০০ টাকা। কমিশন সভায় ফান্ডটির ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পর উদ্যোক্তা, ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্বাৰরিত চুক্তি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে নিবন্ধন করতে হবে। এ সংক্রান্ত সার্টিফাইড কপি এসইসিতে জমা দিলেই ফান্ড গঠনের কাজ সম্পন্ন হবে।
'বাংলাদেশ ফান্ডের' প্রধান উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছে সরকারী বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। এ ছাড়া সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, অগ্রণী, রূপালী ও জনতা ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল), জীবন বীমা করপোরেশন ও সাধারণ বীমা করপোরেশন। ৫ হাজার কোটি টাকা ফান্ডের মধ্যে আটটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান দেড় হাজার কোটি টাকা যোগান দিচ্ছে। ইতোমধ্যে আইসিবি ৫শ' কোটি, অগ্রণী ব্যাংক ২৫০ কোটি, সোনালী ব্যাংক ২শ' কোটি, জনতা ব্যাংক ২শ' কোটি, সাধারণ বীমা করপোরেশন ১শ' কোটি, রূপালী ব্যাংক ১শ' কোটি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১শ' কোটি এবং জীবন বীমা করপোরেশন ৫০ কোটি টাকা দিয়েছে।
এদিকে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য বাংলাদেশ ফান্ডের উদ্যোক্তারা এসইসির কাছে বেশকিছু সুবিধা ও ছাড় চেয়েছিল। শেষ অবধি মিউচু্যয়াল ফান্ড বিধিমালার সকল শর্ত বহাল রেখেই ফান্ডটি অনুমোদন করা হয়েছে। সংশিস্নষ্ট বিধি অনুযায়ী মিউচু্যয়াল ফান্ড নিবন্ধনের জন্য এসইসিকে ফান্ডের মোট আকারের ০.২ শতাংশ হারে ফি পরিশোধ করতে হয়। সেই হিসাবে বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন ফি দাঁড়ায় ১০ কোটি টাকা। এছাড়া প্রতি বছর ফান্ড আকারের ০.১ শতাংশ হারে বার্ষিক ফি প্রদান করতে হয়। বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য এ দু'টি বিধিতে ছাড় দিয়ে নিবন্ধন ও বার্ষিক ফি ৫০ হাজার টাকা করে নির্ধারণের আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে এসইসি সংশিস্নষ্ট বিধি অনুযায়ী ফি পরিশোধের শর্ত বহাল রেখেই ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছে।
অন্যদিকে উদ্যোক্তাদের পৰ থেকে ফান্ডের মোট অর্থের ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজার এবং বাকি ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ চাওয়া হয়। কিন্তু মিউচু্যয়াল ফান্ড বিধিমালার ৫৫ (২) ধারা অনুযায়ী মোট অর্থের কমপৰে ৭৫ শতাংশ পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা বাধ্যতামূলক। এৰেত্রে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগযোগ্য অর্থের কমপৰে অর্ধেক তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হয়। বাংলাদেশ ফান্ডের ৰেত্রেও এ বিধি অনুযায়ী বিনিয়োগ করতে হবে বলে এসইসির পৰ থেকে জানানো হয়েছে।
সরকারী প্রতিষ্ঠানের আইপিওর জন্য নির্ধারিত শেয়ারের ১০ শতাংশ অভিহিত মূল্যে বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য বরাদ্দ রাখার আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে বিষয়টি এসইসির এখতিয়ারের বাইরে হওয়ায় এ বিষয়টি সরকারের সিদ্ধানত্মের ওপর নির্ভরশীল বলে কমিশন জানিয়েছে। এছাড়া বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের আইপিওর ৫ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দের সুযোগ সৃষ্টির জন্য আবেদন করেছিল বাংলাদেশ ফান্ডের উদ্যোক্তারা। কিন্তু সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (্পাবলিক ইসু্য) বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী নতুন আসা কোম্পানির আইপিওর জন্য নির্ধারিত মোট শেয়ারের ১০ শতাংশ মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য সংরৰিত রাখতে হয়। এৰেত্রে এসইসিতে নিবন্ধিত সকল মিউচু্যয়াল ফান্ডের আবেদনের ভিত্তিতে এসব শেয়ার বরাদ্দ করা হয়। বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী একটি মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য ৫ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দ রাখার সুযোগ নেই। এ কারণে বাংলাদেশ ফান্ডকে এ সুবিধা না দেয়ার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে এসইসি।
বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদন পাওয়ায় সনত্মোষ প্রকাশ করে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, এসইসি থেকে লিখিত অনুমোদন পাওয়ার পর দ্রম্নততম সময়ের মধ্যে ফান্ড কার্যকর করার জন্য শীঘ্রই প্রয়োজনীয় পদৰেপ নেয়া হবে। মঙ্গলবার আইসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। এরপর অন্যান্য উদ্যোক্তার সঙ্গে আলোচনা করে কয়েক দিনের মধ্যেই সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে।
Quote   
04/18/2011 3:51 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
শেয়ার কেলেঙ্কারির তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ না করায় রিট

কোর্ট রিপোর্টার ॥ শেয়ার কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় সরকারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট মামলা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে ৫ আইনজীবী সোমবার সকালে এ রিট মামলাটি দায়ের করেন। বিচারপতি সৈয়দ মোঃ জিয়াউল করিম ও বিচারপতি এ এন এম বশিরউলস্নাহর সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চে মামলাটি দায়ের হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আজ মঙ্গলবার শুনানির তারিখ ধার্য করে।
দায়েরকৃত মামলায় শেয়ার কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দুই দিনের মধ্যে প্রকাশের দাবি করা হয়। মামলায় মন্ত্রিপরিষদের সচিবসহ দশ সরকারী কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে। এছাড়া পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে।
মামলার বাদী পাঁচ আইনজীবী হচ্ছেন- এ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী, এ্যাডভোকেট সারোয়ার আহাদ চৌধুরী, এ্যাডভোকেট আখলাস উদ্দিন ভূঁইয়া, এ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান ও এ্যাডভোকেট মাহবুবুল ইসলাম।
মামলার বিবাদীরা হচ্ছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসংক্রানত্ম সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর, সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের নির্বাহী পরিচালক, ডিএমপি কমিশনার ও মতিঝিল থানার ওসি।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের সভাপতি এ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ গত ১২ এপ্রিল ৭ দিনের মধ্যে শেয়ার কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ তদনত্ম প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিস পাঠান। নোটিশে শেয়ার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টানত্মমূলক শাসত্মিও দাবি করেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি।
মনজিল মোরশেদ বলেন, অর্থমন্ত্রী বলেছেন প্রতিবেদন আংশিকভাবে প্রকাশ করা হবে। আমরা বলেছি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে। কারণ তা না হলে সত্যিকারের দোষীরা পার পেয়ে যাবার সুযোগ পাবে।
তিনি বলেন, শেয়ার কেলেঙ্কারির কারণে লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রসত্ম হয়েছে, দায়ীদের বের করতে তদনত্মও হয়েছে। কিন্তু তার রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ না করায় ক্ষতিগ্রস্তরা হতাশ ও চিনত্মিত হয়ে পড়েছে।
দায়ীদের ব্যাংক এ্যাকাউন্ট জব্দ করার দাবি কেন করা হচ্ছে_এ প্রশ্নের জবাবে মনজিল মোরশেদ বলেন, শেয়ার মার্কেট থেকে যারা বড় অঙ্কের অর্থ তুলে নিয়েছে তারা যাতে তা বিদেশে পাচার কিংবা অন্য এ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিতে না পারে তা নিশ্চিত করতেই এটা করা প্রয়োজন।
উলেস্নখ্য, চলতি বছর পুঁজিবাজারে ব্যাপক ধসের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটি গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
Quote   
04/18/2011 3:53 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
৭৫% বিনিয়োগ হবে পুঁজিবাজারে
পাঁচ হাজার কোটি টাকার ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ গঠন
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৯-০৪-২০১১


পাঁচ হাজার কোটি টাকার ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ গঠনের অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সংস্থাটির নিয়মিত সভায় গতকাল সোমবার এ ফান্ডের ট্রাস্ট ও বিনিয়োগ-ব্যবস্থাপনা চুক্তি অনুমোদন করা হয়েছে। এটিই হবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মেয়াদহীন (ওপেন এন্ড) মিউচুয়াল ফান্ড।
পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও আর্থিক খাতের আরও সাতটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গত মাসের প্রথম সপ্তাহে এ ফান্ড গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। নানা অনিশ্চয়তার কথা বলা হলেও এটি গঠনের সিদ্ধান্তের দেড় মাসেরও কম সময়ে এ ফান্ডের অনুমোদন দিল এসইসি।
এসইসির সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান বলেন, এ ফান্ড শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা ফেরাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। আর এ বিবেচনা থেকে অনেক কম সময়ের মধ্যে এ ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
সাইফুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে তহবিলটির আকার হবে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা উদ্যোক্তারা জোগান দেবে। বাকি সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। এ ফান্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ধরা হয়েছে ১০০ টাকা। আর এক হাজারটি ইউনিট নিয়ে গঠিত হবে একটি বাজারগুচ্ছ বা মার্কেট লট। তার মানে প্রতিটি লটের দাম হবে ন্যূনতম এক লাখ টাকা।
সাইফুর রহমান জানান, ওপেন এন্ড হওয়ায় ফান্ডটির নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ বা সীমা থাকবে না। এ কারণে ভবিষ্যতে ফান্ডের আকার বাড়ানোর সুযোগ থাকছে। তবে এ ফান্ডটি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে না।
বাংলাদেশ ফান্ডের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। এ ছাড়া সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছে চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক (সোনালী, অগ্রণী, রূপালী ও জনতা), বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল), জীবন বীমা করপোরেশন ও সাধারণ বীমা করপোরেশন।
ফান্ডটি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকছে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। আর ট্রাস্টি ও কাস্টোডিয়ান হিসেবে কাজ করবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। এ জন্য গতকাল এ কোম্পানিটি ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করার অনুমোদন দিয়েছে এসইসি। তবে এ জন্য কোম্পানিটিকে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে নিবন্ধনের প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে এসইসিতে জমা দিতে হবে।
এদিকে তুলনামূলক দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফান্ডটির অনুমোদন দিলেও বিশেষ তহবিল হিসেবে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে যেসব বাড়তি সুবিধা চাওয়া হয়েছিল তা অনুমোদন করেনি এসইসি। সংস্থাটি বলছে, এসইসির দিক থেকে ফান্ডটির জন্য বিশেষ কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে যাতে কোনো বাজে উদাহরণ তৈরি না হয় সে জন্য সচেতনভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে মোট ফান্ডের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ব্যাপারে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু এসইসি বলেছে, সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী বিনিয়োগ করতে হবে। বিধি অনুযায়ী মিউচুয়াল ফান্ডের ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হয়। বাকি ২৫ শতাংশ আর্থিক বা অন্য খাতে বিনিয়োগ করা যাবে।
এ ছাড়া ফান্ডটির নিবন্ধন ফি ও বার্ষিক ফি বাবদ ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল উদ্যোক্তারা। এসইসি এ ক্ষেত্রে বিধি অনুসরণের কথা বলেছে। বিধি অনুযায়ী মোট ফান্ডের দশমিক ২০ শতাংশ নিবন্ধন ফি ও বার্ষিক ফি বাবদ দশমিক ১০ শতাংশ দেওয়ার কথা। সেই হিসেবে বাংলাদেশ ফান্ডকে নিবন্ধন ফি বাবদ ১০ কোটি টাকা এবং বার্ষিক ফি পাঁচ কোটি টাকা দিতে হবে।
এর বাইরে সরকারি শেয়ার বাজারে আসার সময় সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ১০ শতাংশ শেয়ার অভিহিত মূল্যে ফান্ডটির জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। এ ব্যাপারে এসইসি বলেছে, এটি সরকারের বিষয়। এ ব্যাপার তাদের কিছু করার নেই। সরকার চাইলে এটা দিতে পারে। এ ছাড়া বেসরকারি খাতের কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) পাঁচ শতাংশ বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য বরাদ্দ রাখার সুপারিশ করা হয়েছিল। এ ক্ষেত্রেও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে এসইসি। বর্তমানে যেকোনো আইপিওর ১০ শতাংশ মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। বাংলাদেশ ফান্ডও এর আওতায় পড়বে। এর বাড়তি কোনো সুবিধা পাবে না।
Quote   
04/18/2011 3:53 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
তিন কোম্পানির রাইট শেয়ার অনুমোদন
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৯-০৪-২০১১

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে বিমা খাতের দুটি ও উৎপাদন খাতের একটি কোম্পানি রয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো: জনতা ইন্স্যুরেন্স, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স ও সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
কোম্পানি তিনটি বিদ্যমান শেয়ারধারীদের মধ্যে রাইট শেয়ার ছেড়ে পৃথকভাবে ৬৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার মূলধন সংগ্রহ করবে।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিয়মিত সভায় গতকাল সোমবার কোম্পানিগুলোর রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। তবে বিধিসম্মত না হওয়ায় বৈঠকে পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে।
এসইসির বৈঠক শেষে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
সাইফুর রহমান জানান, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ বর্তমান শেয়ারধারীদের জন্য একটির বিপরীতে একটি (১:১) রাইট শেয়ার প্রস্তাব করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ৯৯ লাখ ৯৮ হাজার ৩০০টি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ৬৬ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে। এ ক্ষেত্রে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের দাম পড়বে ২০ টাকা, যার মধ্যে প্রিমিয়াম (উপরি মূল্য) নেওয়া হবে ১০ টাকা।
জনতা ইন্স্যুরেন্স বর্তমান শেয়ারধারীদের জন্য একটির বিপরীতে দুটি (১:২) রাইট শেয়ার ঘোষণা করে। প্রতিষ্ঠানটি ১৬ লাখ ২৬ হাজার ২৪০টি শেয়ারের বিপরীতে পুঁজিবাজার থেকে ৩২ কোটি ৫২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে। এ ক্ষেত্রে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের দাম পড়বে ২০০ টাকা। যার মধ্যে প্রিমিয়াম নেওয়া হবে ১০০ টাকা।
পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স বর্তমান শেয়ারধারীদের জন্য পাঁচটির বিপরীতে একটি (৫:১) রাইট শেয়ার ঘোষণা করে। প্রতিষ্ঠানটি তিন লাখ ৭৫ হাজার সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে পুঁজিবাজার থেকে ১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ ক্ষেত্রে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের দাম পড়বে ৪০০ টাকা। যার মধ্যে প্রিমিয়াম নেওয়া হবে ৩০০ টাকা।
এমটিবি: গতকালের বৈঠকে এসইসি এমটিবি মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা চুক্তি অনুমোদন করেছে। ফান্ডটির উদ্যোক্তা মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ট্রাস্টি সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, কাস্টোডিয়ান ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড ও অ্যাসেট ম্যানেজার এইমস অব বাংলাদেশ লিমিটেড।
এই মিউচুয়াল ফান্ডটি একটি স্কিম বেইজড ফান্ড। তাই এর আকার এখনো নির্ধারিত হয়নি। আমব্রেলা ট্রাস্ট চুক্তির অধীনে এটি অনুমোদিত হয়েছে। একের পর এক এর আওতায় বিভিন্ন স্কিম আসতে থাকবে।
এদিকে জিবিবি পাওয়ার লিমিটেডের আইপিওর আবেদন অনুমোদন করেনি এসইসি। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের প্রস্তাবিত দাম বেশি মনে হওয়ায় পুনরায় আর্থিক বিবরণী এসইসিতে জমা দিতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া নর্দার্ন পাওয়ার সলুশনের রূপান্তরযোগ্য বন্ড ছাড়ার বিষয়টি গতকালের বৈঠকে আলোচনা হয়নি। এটি অবশ্য কার্যসূচিতে ছিলও না।
লেনদেন স্থগিত: অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়ার কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চারটি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। গতকাল সোমবার ডিএসই ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কোম্পানি চারটি হলো—আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও দুলামিয়া কটন।
ডিএসইর সূত্র জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর দাম বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধান চলছে। এ কারণে তাদের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করা হয়।
Quote   
04/18/2011 3:56 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Star
Stockmarket Crash
Help make probe report public
Rights body appeals to HC

A rights organisation filed a writ petition with the High Court yesterday seeking its directive upon the government to publish the probe report on stockmarket debacle within two days.

Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB) appealed that the court direct the Securities and Exchange Commission chairman to file a criminal case against the individuals or companies liable for the share market crash.

The HC may hear the petition today, HRPB counsel Manzill Murshid told The Daily Star.

The committee formed to probe the share market disaster submitted the report to the finance minister on April 7.

Receiving the report, Finance Minister AMA Muhith told reporters that the government will publish the report in a week or so after deleting some names mentioned in the report.

On April 13, Muhith cited “shortage of paper” for the delay in printing the 300-plus-page report.

Meanwhile, the finance minister yesterday said the report is now being printed and the government will publish it along with the steps the government will take as per the committee's recommendations.

On behalf of the HRPB, five lawyers -- Asaduzzaman Siddiqui, Sarwar Ahad, Aklas Uddin Bhuiyan, Mahabubur Rahman Khan and Mahabubul Islam -- filed the writ petition as public interest litigation.

The petitioners requested the court to direct the government to seize the passports and freeze the bank accounts of the individuals or companies responsible for market manipulation until a full-fledged investigation is done.

The HRPB lawyers also appealed that the court issue a rule upon the government to explain its inaction in publishing the report.
Quote   
04/18/2011 3:56 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
SEC approves Tk 5,000cr fund
Star Business Report

The Securities and Exchange Commission yesterday approved a trust deed and investment management agreements on the Tk 5,000 crore Bangladesh Fund designed to prop up the volatile stockmarket.

The approval came at a meeting of the stockmarket regulator with the commission's chief Ziaul Haque Khondker in the chair.

Eight state-owned financial institutions will sponsor Tk 1,500 crore of the fund, while the rest of the fund will be raised from institutions and individuals, said Saifur Rahman, a spokesman for the SEC, in a press briefing after the meeting.

The eight institutions are: Investment Corporation of Bangladesh (ICB), Sonali Bank, Janata Bank, Agrani Bank, Rupali Bank, Bangladesh Development Bank, Sadharan Bima Corporation and Jibon Bima Corporation.

“It will be an open-ended mutual fund and will be a professionally managed collective investment scheme with an unlimited lifetime and size,” he said, adding that face value of each unit will be Tk 100.

He said the fund will have to be registered with the office of sub-registrar prior to launching and a certified copy of the registration will have to be submitted to the SEC.

ICB Asset Management Company Ltd is the manager of the fund, while ICB Capital Management Company Ltd is the custodian.

Although the sponsors sought a waiver of some applicable rules, the SEC said everything will be under the existing rules.

The sponsors had requested for allowing 50 percent of the fund to be invested in the stockmarket and the rest in the money market. “But as per rules, a fund's minimum 75 percent is meant for investment in the stockmarket,” he said, adding that 25 percent can be invested in the money market.

“There were also requests for reducing the fund's registration fee and annual fee to Tk 50,000 each. But the fund will have to submit the registration fee and annual fee as per existing rules,” said Rahman, also an executive director of the SEC.

A fund has to submit registration fees equivalent to 0.2 percent of the fund size and annual fees equivalent to 0.1 percent of the fund. So, the Bangladesh Fund will have to submit Tk 10 crore in registration fees and Tk 5 crore in annual fees.

Besides, the SEC executive director said the fund sponsors had sought 10 percent quota allotment of government shares while offloading in the stockmarket. The commission replied that it depends on the government's decision.

“On the appeal of a 5 percent quota in any initial public offering, the commission observed that it will also depend on rules,” Rahman added.

On March 6, the ICB, along with seven other state-owned enterprises, decided to give a massive liquidity support to the shrivelling stockmarket by creating a Tk 5,000 crore fund, and the proposal was submitted to the SEC on March 29 for approval.
Quote   
04/18/2011 3:57 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Stocks continue losing streak
Star Business Report

Stocks declined after a morning rise yesterday. The downslide continued for a second day as investors feared that the government might eventually fail to take action against market manipulators.

The benchmark general index of Dhaka Stock Exchange lost 28 points, or 0.45 percent, to close at 6,318 points. The DSE index lost 39 points on the previous day.

The selective categories index of Chittagong Stock Exchange declined 46 points, or 0.40 percent, to 11,418 points.

The market started off in a bullish mood gaining more than 50 points but the bearish trend took hold as the session progressed.

Investors took a conservative view as most outcomes of the probe report are still pending, said Lankabangla Securities in its daily market analysis.

The Securities and Exchange Commission yesterday approved the 'trust deed' and 'investment management' agreements of the Tk 5,000 crore Bangladesh Fund.

Most of the major sectors such as non-bank financial institutions lost 1.19 percent, pharmaceuticals lost 0.20 percent, while banks gained 1.19 percent, fuel and power gained 0.08 percent.

Of the total 258 issues traded on the DSE floor, 154 declined, 100 advanced and four remained unchanged.

Turnover on the DSE stood at Tk 715 crore, down by Tk 28.48 crore from the previous day of trading.

Malek Spinning Mills topped the turnover leaders with 34.73 lakh shares worth Tk 25.18 crore traded.

The other turnover leaders were Aftab Automobiles, Beximco, Aims First Mutual Fund, Titas Gas, DESCO, RN Spinning Mills, BSRM Steels, Bextex and Meghna Life Insurance.

ICB Employees Provident Mutual Fund was the biggest gainer of the day, posting a 8.06 percent rise in its share prices, while the Reckitt Benckiser was the worst loser, slumping by 12.53 percent.

However, share trading of Anlima Yarn and Modern Dyeing and Screen Printing has been halted by the DSE for unusual price hike of shares, while that of the Legacy Footwear, Dulamia Cotton Spinning Mills, ALLTEX Industries, ALLTEX Industries has been suspended by the DSE pending investigation.

The DSE gave the green light to Salvo Chemical Industry to be listed on the bourses, while the DSE is yet to take any decision to list the MI Cement.

Ahasanul Islam, senior vice-president of DSE, said t
Quote   
04/18/2011 3:59 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Probe report to be published soon: Muhith
FE Report

Finance Minister AMA Muhith Monday said the government would publish the probe committee report on share market scam shortly with some preventive measures targeting the capital market.

Mr. Muhith was briefing reporters on the views of different chairmen of parliamentary standing committees (JS bodies) on the next budget.

"Many small investors have undergone financial losses and we are keeping some measures in the report on taking actions," Mr. Muhith added.

The finance minister also said it would include some reforms relating to Securities & Exchange Commission (SEC), Dhaka Stock Exchange (DSE), Chittagong Stock Exchange (CSE) and the much-talked-about book building method.

The minister added the chairmen of the standing committees urged him to overcome the liquidity crisis prevailing in the country's money market.

"But I've contested it. I think there should be a scrutiny on the issue," Mr. Muhith said.

Chairmen of parliamentary standing committees on industries ministry, jute and textile ministry, shipping ministry, law, justice and parliamentary affairs ministry and culture ministry were present at the pre-budge meeting held at the NEC conference room in the city.

Mr. Muhith said the government has planned to set up at least seven economic zones in the divisional headquarters.

"We'll at least identify seven economic zones in the next year," he added.

The finance minister said the government would transform BJMC (Bangladesh Jute Mills Corporation) into a holding company with private mandate.

He also said many parliamentary standing committee chairmen talked about making jute pulps in the country for their bright export prospects.

He said the chairman of the parliamentary standing committee on shipping ministry has asked for keeping budgetary allocation to purchase oil tankers, launches and small vessels.

The finance minister said many discussed the potential of tourism. Chairmen of the standing committees said the public-private partnership has failed to operate due to lack of strategic planning on the entertainment industry.

The minister said many pointed out the deplorable condition of the state-owned aircraft.

Suranjit Sengupta MP, Tofael Ahmed MP, Engineer Mosharrof Hossain MP, Akhteruzzaman MP were present, among others, at the pre-budget meeting.

UNB adds: Finance Minister AMA Muhith today (Monday) dropped an indication that the national budget for the coming fiscal (2011-12) might be between Tk 1580 billion and 1600 billion.

He said about Tk 300 billion will be added to the current fiscal year`s national budget. The current fiscal year’s revised budget might be Tk 1280 billion-1290 billion.

There will be a cut in the annual development budget (ADP) by Tk 35 billion.

He said most of the lawmakers expressed grave concerns over the share market scam and also about the failure of the government`s rental power plants project.

“They viewed that the quick rental power plant project has failed.

But I still believe that about 2000MW power will be added to national grid within 2011,” he said.
Quote   
04/18/2011 3:59 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Stocks end lower, 6 cos face the music
FE Report

Dhaka stocks closed lower for the third straight session Monday amid see-saw of the index throughout the entire trading session as investors maintained their cautious stand in trading.

In the first two hours expectation ram high among the investors on the news on approval of much expected Bangladesh Fund, but in the last two hours the cautious stance by traders pulled the index down slowly but steadily, dealers said.

At the end of the day, the benchmark DSE General Index (DGEN), the yardstick of the DSE lost 28.76 points or 0.45per cent to 6,318.22.

The broader All Shares Price Index (DSI) went down by 20.58 points or 0.39 per cent to close at 5,254.06. The DSE-20 index comprising blue-chip shares lost only 2.91 points or 0.07 per cent to 3,912.05.

However, the market opened with positive mood in the morning, gaining more than 40 points within 15 minutes of the resumption of trade. But the bearish trend loomed as the session progressed amid ups and down till 1.00pm. After that it declined gradually and finally closed 28 points lower.

Many investors remained cautious about the probe committee's report and whether action will be taken against the names mentioned in the report and they are observing the market situation, said a leading merchant banker.

The transaction amount was less than Tk 10 billion for the fourth consecutive sessions and it is the indication of cautiousness from majority of the traders preferring to sit back on cash rather than taking fresh buying on any stocks, he said.

The daily turnover continued to drop and stood at Tk 7.15 billion in value terms, down by 3.90 per cent, from Tk 7.44 billion in the previous session.

Out of 258 issues traded on the day, 100 advanced, 154 declined and four remained unchanged.

A total of 86.04 million shares changed hands on the day against 83.40 million in the previous session. The trade deals decreased to 145,397 against Sunday's 150,362.

Meanwhile, Dhaka Stock Exchange (DSE) suspended trading of shares of six companies for unusual price hike of shares.

The companies are-Anwar Galvanizing, ALLTEX Industries, Legacy Footwear, Modern Dying, Anlima Yarn and Dulamia Cotton.

Share trading of Modern Dying remained suspended only for Monday while five other companies will remain suspended.

Market expert Akhter Sannamat said, decision of suspending share trading of six companies for unusual price hike is appreciable and the authority should give exemplary punishment to the responsible persons.

"If the authorities give them exemplary punishment, the general investors will be benefited and they will be more confident," said Mr Sannamat.

Meanwhile, market capitalization slightly decreased to Tk 2,847.96 billion against Tk 2,857.97 billion in the previous session.

Mutual fund sector was the biggest gainer on the day. The sector gained 1.93 per cent followed by life insurance which gained 0.92 per cent.

Among the major sectors banks advanced 0.46 per cent, fuel and power gained 0.08 per cent while NBFIs lost 1.19 per cent, telecommunication 1.06 per cent and pharmaceuticals lost 0.20 per cent.

Among the notable losers of the day, ceramics sector lost 2.70 per cent, jute 2.56 per cent, pharmaceuticals 0.20 per cent, cement 0.92 per cent, textile 0.75 per cent and tannery 0.44 per cent.

Grameenphone (GP), the most weighted shares in DSE and the lone listed company in telecommunications sector lost Tk 0.60 per share and closed at Tk 167.70.

Malek Spinning emerged the top turnover list with shares worth Tk 251.83 million changing hands.

The other turnover leaders were Aftab Automobiles, Beximco Limited, AIMS First Mutual Fund, Titas Gas, DESCO, RN Spinning, BSRM Steels, Bextex Limited and Meghna Life Insurance.

ICB Employees Provident MF 1: Scheme 1 was the day's top gainer posting 8.06 per cent rise.

It was followed by BD Welding AIMS First Mutual Fund, MBL First Mutual Fund, Meghna Condense Milk, Sixth ICB, BIFC, ICB Islamic Mutual Fund, ICB AMCL First Mutual Fund and National Life Insurance.

Reckitt Benckiser was the day's biggest loser following their corporate declaration of 50% cash dividend.

The day's other top losers included Samata Leather Complex Ltd, Desh Garment, Safko Spinning, Sonargaon Textile, Aziz Pipes, Imam Button, Paramount Insurance Company Ltd, BD Autocars and Renwick Jajneswar & Co (Bd).
Quote   
04/18/2011 4:00 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
DSE rejects MI Cement listing proposal finally
Salvo Chemical makes debut Thursday
FE Report

The board of directors of Dhaka Stock Exchange (DSE) formally rejected the listing proposal of MI Cement Monday.

The DSE board approved the listing proposal of Salvo Chemical on the day. The company will make its debut on the stock exchange Thursday (April 21).

Earlier, the listing committee of the bourse opposed the listing proposal of MI Cement as its proposal for giving compensation to the investors was inconsistent with the Company Law.

Share price of MI Cement has been fixed at Tk 111.60 each under book building system against face value of Tk 10 which believed to be overpriced.

The DSE turn down the listing proposal of the cement manufacturer for the second time.

In both cases, MI Cement applied to the DSE offering compensation to its primary shareholders if the prices of shares fall below offer prices within six months of start of the trading.
Quote   
04/18/2011 4:00 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Bangladesh Fund gets SEC nod
FE Report

The securities regulator has given green signal to much-waited Tk 50 billion open-end mutual fund -- Bangladesh Fund -- as per the existing rules of mutual fund, officials said.

The regulatory consent came at a commission meeting held Monday at the office of the Securities and Exchange Commission (SEC).

The SEC spokesman and Executive Director Mohammad Saifur Rahman said this at a press briefing after the meeting.

As per regulator's nod, the initial size of the fund will be Tk 15 billion and the remaining fund amounting to Tk 35 billion will have to be collected from the capital market. The face value of the fund's unit has been fixed at Tk 100.

"At today's meeting the commission has approved the trust deed and the investment management agreement of the fund," Mr. Rahman told the reporters.

He said the commission has allowed the ICB (Investment Corporation of Bangladesh) Capital Management Limited to work as custodian and trustee of Bangladesh Fund.

The ICB is the sponsor of the fund.

Mr. Rahman said after submitting the certified copy to the SEC, Bangladesh Fund will be eligible to run its operation.

Bangladesh Fund wanted exemption in some cases terming it 'contingency fund' from the securities regulator. The exemption was sought to relax the mutual fund act to invest fifty per cent of the fund in money market and the remaining fund in the capital market. But the act says a mutual fund must invest seventy five per cent in the capital market and the remaining in other places.

"The commission has no way to bypass the existing rules in giving consent to Bangladesh Fund. That's this fund will have to comply with the existing rules," an SEC official said.

Bangladesh Fund also sought waiver in paying full registration fee but the regulator refused the proposal, as auditors can make the SEC responsible for considering the registration fees.

The fund also demanded to buy ten per cent shares of state-own enterprises at face value.

"We have no comments about this demand as it is a matter of government," the official said.

The SEC has not allowed Bangladesh Fund to ensure a quota of five per cent shares in forthcoming IPOs (initial public offerings).

"In this case, the regulator has also followed the existing rules," the official added.

ICB Asset Management Company Limited has been appointed as fund manager of Bangladesh Fund.

The joint sponsors of the fund include Sonali Bank, Janata Bank, Agrani Bank, Rupali Bank, Bangladesh Development Bank, Sadharan Bima Corporation and Jibon Bima Corporation.
Quote   
Page 1 / 3 1 - 2 - 3 Next »
Login with Facebook to post
Preview