Page 3 / 3 1 - 2 - 3 « previous
NEWS 19.04.2011
04/18/2011 4:12 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantho
বাংলাদেশ ফান্ড নিয়ে গুজবডিএসসিতে আবারও দরপতন
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ফান্ডের অনুমোদন দেওয়া নিয়ে গতকাল সোমবার দিনভর গুজবের প্রভাবে শেয়ারবাজারে সূচক বারবার ওঠানামা করেছে। দিন শেষে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ২৮.৭৬ পয়েন্ট।
ডিএসইতে মোট ২৫৮টি কম্পানির আট কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮২টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭১৫ কোটি তিন লাখ ৬০ হাজার ৯৭৬ টাকা। আগের দিনের তুলনায় যা ২৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা কম।
সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৮.৭৬ পয়েন্ট কমে ৬৩১৮.২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৫৮টি কম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১৫৪টির, বেড়েছে ১০০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল চারটি কম্পানির শেয়ার।
গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ হলো_দুই লাখ ৮৪ হাজার ৭৯৫ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৭ টাকা।
ডেসা সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মিজানুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, বাজারে দিনভর প্রচার ছিল বাংলাদেশ ফান্ডের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। আবার অনুমোদন না দেওয়ারও গুজব ছিল। এ ধরনের গুজবে মার্কেট বারবার ওঠানামা করেছে। লেনদেন শেষে ফান্ডের অনুমোদনের খবর প্রচার হয়। ফান্ডের অনিশ্চয়তায় দিনশেষে অনেকেই শেয়ার বিক্রি করেছে। ফলে শেষ পর্যন্ত দরপতন ঘটে।
মূল্যবৃদ্ধিতে গতকালের শীর্ষ ১০ কমপানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড হলো_আইসিবি এমপ্লয়ি প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বিডি ওয়েল্ডিং, এইমস প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, ষষ্ঠ আইসিবি, বিআইএফসি, আইসিবি ইসলামিক, আইসিবি এএমসিএল প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স।
লেনদেনের ভিত্তিতে গতকালের শীর্ষ ১০ কম্পানি হলো_বিএসআরএম স্টিল, মালেক স্পিনিং, আফতাব অটোমোবাইলস্, বেঙ্মিকো লিমিটেড, আরএন স্পিনিং, বেঙ্টেঙ্, এইমস্ প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, তিতাস গ্যাস, অ্যাকটিভ ফাইন ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।
অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষ ১০ কম্পানি হলো_রেকিট বেঙ্কাইজার, সমতা লেদার, দেশ গার্মেন্টস, সাফকো স্পিনিং, সোনারগাঁও টেঙ্টাইল, আজিজ পাইপস্, ইমাম বাটন, প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্স, বিডি অটোকারস ও রেইনউইক যজ্ঞেশ্বর।
Quote   
04/18/2011 4:18 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
অনুমোদন পেল বাংলাদেশ ফান্ড
আপাতত দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাত্রা
সমকাল প্রতিবেদক

পুঁজিবাজার চাঙ্গা করতে ৫ হাজার কোটি টাকার বহুল আলোচিত 'বাংলাদেশ ফান্ড' অনুমোদন করা হয়েছে। মিউচুয়াল ফান্ড বিধি থেকে উল্লেখযোগ্য ছাড় না দিয়েই এর অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল সোমবার কমিশনের ৩৮০তম সভায় রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ সংস্থা আইসিবির 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামের ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড গঠনে ট্রাস্ট ডিড ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা চুক্তি অনুমোদন করা হয়। তবে প্রাথমিকভাবে আইসিবিসহ অপর সাত রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক কোম্পানির এক হাজার পাঁচশ' কোটি টাকা নিয়ে ফান্ডটির যাত্রা শুরু হবে। আবেদনের ১৯ দিনের মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ড অনুমোদনের ক্ষেত্রে রেকর্ড স্থাপিত হয়েছে। দেশের শেয়ারবাজারে যেকোনো পর্যায়ে অস্থিতিশীলতা রুখতে এই ফান্ড বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উদ্যোক্তা আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ
ফায়েকুজ্জামান।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান জানান, বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট ডিড ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা চুক্তি অনুমোদন করা হলেও ফান্ডটি সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে রেজিস্ট্রারভুক্ত করতে হবে। এসইসিতে রেজিস্ট্রেশনের সার্টিফাইড কপি জমা দেওয়ার পরই কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও জানান, ফান্ডের কোনো মেয়াদ থাকবে না এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হবে না। প্রতিটি ফান্ড ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা। তবে উদ্যোক্তা ফান্ড পরিচালনাকারীদের নির্ধারিত কাউন্টার থেকে ফান্ডটি কেনাবেচা করা যাবে। বিধির বাইরে ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এবং ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের নিয়োগ অনুমোদন দিয়েছে এসইসি।
গত ২৯ মার্চ ফান্ডটি অনুমোদনের জন্য ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এসইসিতে আবেদন করে। এর আগে গত ৯ মার্চ আইসিবির পরিচালনা পর্ষদ ফান্ড গঠন এবং প্রধান উদ্যোক্তা হিসেবে ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ১৪ মার্চ রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা, সোনালী, অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ প্রত্যেকে পৃথকভাবে ২০০ কোটি টাকা করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল), সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং জীবন বীমা করপোরেশনের পরিচালনা পর্ষদও পৃথকভাবে ১০০ কোটি টাকা করে বাংলাদেশ ফান্ডে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। বেসরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি রেস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট এই ফান্ডে মোট ২০ কোটি টাকা বিনিয়োগের লিখিত প্রতিশ্রুতি জানিয়েছে।
এদিকে বিশাল আকারের এই ফান্ডের জন্য কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগসীমা পূরণ করতে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় করার জন্য উদ্যোক্তা আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড বিধির নানা ধারা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করে। সংশ্লিষ্ট বিধি থেকে উল্লেখযোগ্য বিষয়ে ছাড় না দেওয়ার বিষয়ে সাইফুর রহমান বলেন, বিশেষ কোনো ফান্ডের জন্য ছাড় দেওয়া হলে অন্যরাও এটিকে উদাহরণ হিসেবে ছাড় চাইতে পারে। এ কারণে এসইসি কোনো ছাড় দেয়নি। এসইসির নির্বাহী পরিচালক জানান, বাংলাদেশ ফান্ডের বিষয়ে ৫০ শতাংশ শেয়ারবাজারে ও ৫০ শতাংশ অর্থবাজারে বিনিয়োগের প্রস্তাব করে আবেদন করলেও এসইসি তা অনুমোদন করেনি। ফলে মিউচুয়াল ফান্ড বিধি অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে। সব আইপিওর ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ এই ফান্ডের জন্য বরাদ্দ রাখা, এসইসির রেজিস্ট্রেশন ফি ১০ কোটি টাকা এবং বার্ষিক ফি পাঁচ কোটি টাকার পরিবর্তে আইসিবি প্রত্যেক ক্ষেত্রে ৫০ হাজার টাকা ফি ধার্য করার আবেদন করলেও সে বিষয়েও ছাড় দেয়নি এসইসি। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত সব কোম্পানির আইপিওর ১০ শতাংশ অভিহিত মূল্যে, এই ফান্ডে বিনিয়োগের ওপর কর অব্যাহতি ও বিনিয়োগ উৎস জানতে না চাওয়ার বিষয়ে যেসব ছাড় আবেদন করেছিল, সে বিষয়ে সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান এসইসির মুখপাত্র।
অনুমোদন পাওয়ার পর বেসরকারি কোম্পানিও এ ফান্ডে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে। এছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীরা নিজেরা ইচ্ছে করলে আইসিবি থেকে অভিহিত মূল্য ১০০ টাকায় প্রতিটি ফান্ড ইউনিট কিনতে পারবেন। পাঁচ হাজার কোটি টাকার ফান্ডের বিষয়ে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, নতুন এই ফান্ড ওভার দ্য কাউন্টারে সরাসরি ফান্ড ম্যানেজারের অফিস থেকে নগদমূল্যে ফান্ড ইউনিট ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে।
Quote   
04/18/2011 4:19 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
শেয়ারবাজার কারসাজি স্বচ্ছতার সঙ্গেই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে :অর্থমন্ত্রী
সমকাল প্রতিবেদক

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, শেয়ারবাজার কারসাজিসংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন স্বচ্ছতার সঙ্গেই প্রকাশ করবে সরকার। প্রতিবেদনটি মুদ্রণের কাজ চলছে। অচিরেই তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। গতকাল সোমবার শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রাক্বাজেট আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। জাতীয় সংসদের সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যানদের এ বিষয়ে উৎকণ্ঠার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। প্রাক্বাজেট উপলক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয় এ বৈঠকের আয়োজন করে। জানা গেছে, বৈঠকে তদন্ত প্রতিবেদন স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন স্থায়ী কমিটির কয়েকজন চেয়ারম্যান। বাজেট আলোচনার এক ফাঁকে তারা বলেছেন, গণমাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে ইতিমধ্যে যেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে তা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। এতে অনেকের মনে উৎকণ্ঠার জন্ম নিয়েছে। এ সময় তারা অর্থমন্ত্রীকে জানান, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে শেয়ারবাজারের সাধারণ
বিনিয়োগকারীর স্বার্থ রক্ষা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাই সরকারিভাবে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে তাতে যেন স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়। এটা করা হলে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি দূর হবে এবং সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। জবাবে অর্থমন্ত্রী জনপ্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করে বলেন, সরকার প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখবে। তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের সংস্কারের বিষয়ে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে সেগুলো শিগগিরই বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রাক্বাজেট আলোচনায় অংশ নেন শিল্প মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, আইন মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, পর্যটন মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনসহ আরও অনেকে।
বিদ্যুৎ খাতে আশানুরূপ উন্নয়ন হয়নি বলে সংসদীয় কমিটির এক সদস্য অভিযোগ করেন। জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের মধ্যেই ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। তখন পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।
Quote   
04/18/2011 4:19 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
এসইসি পুনর্গঠনে তোড়জোড়
সমকাল প্রতিবেদক

এসইসি পুনর্গঠনে ব্যাপক তোড়জোড় চলছে। কে হচ্ছেন এসইসির নতুন চেয়ারম্যান এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। ওই পদে একজন যোগ্য ও সৎ লোক খোঁজা হচ্ছে। দু-একজনের নাম আলোচনায় উঠে
এলেও নানা কারণে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না সরকার। চেয়ারম্যান নিয়োগ না করে এসইসির পুনর্গঠন প্রক্রিয়াও শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের সিদ্ধান্ত হলে বর্তমান চেয়ারম্যানকে বিদায় দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আইসিএবির সাবেক প্রেসিডেন্ট খ্যাতনামা চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট জামাল উদ্দীনকে এসইসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিলেই তার নিয়োগ চূড়ান্ত হবে।
এদিকে কাল আনুষ্ঠানিকভাবে শেয়ারবাজার কারসাজিবিষয়ক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হতে পারে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সচিবালয়ে তার দফতরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এটি প্রকাশ করবেন। মূল প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে। অভিযুক্তদের নামসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। তবে তাদের বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে কিছু বলা হবে না। অভিযোগ প্রমাণের জন্য আরও গভীর তদন্তের কথা বলা হবে বলে সূত্র জানায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি মহল এসইসির বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারকে বহাল রাখার পক্ষে কাজ করছে। নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ চূড়ান্ত হলেই অব্যাহতি দেওয়া হবে তাকে। চেয়ারম্যান ছাড়াও শূন্যপদে এসইসির দু'জন সদস্য খোঁজা হচ্ছে। এর মধ্যে একজনের নাম অনুমোদনের জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব গেছে। তিনি হচ্ছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আমজাদ হোসেন। অপর পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের নাম শোনা যাচ্ছে। বর্তমানে এসইসির সদস্যপদ চারটির মধ্যে দুটি শূন্য রয়েছে। খুব শিগগির শূন্যপদ পূরণ করা হবে।
সূত্র জানায়, সরকার এসইসিকে ব্যাপকভাবে ঢেলে সাজাতে চাচ্ছে। এ লক্ষ্যে ভারতের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া বা সেবির অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হতে পারে। উপমহাদেশে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে সেবি খুবই শক্তিশালী। সেবির আদলে এসইসিকে গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে যাতে সংস্থাটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে। ১৯৯৩ সালে এসইসি গঠনের পর এর কোনো সংস্কার হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শুধু চেয়ারম্যান আর সদস্য পরিবর্তন করে এসইসি পুনর্গঠন করা হলে কোনো লাভ হবে না। সরকারের প্রথম কাজ হবে এর সক্ষমতা বাড়ানো। এ জন্য যোগ্যতা ও পেশাদারসম্পন্ন জনবল নিয়োগ করতে হবে। এসইসিতে ভালো কোনো লিগাল এক্সপার্ট নেই, নেই কোনো চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, আর্থিক বিশ্লেষকও নেই। অথচ পৃথিবীর উন্নত দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো ওই সব বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে।
এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দীকি এ প্রসঙ্গে সমকালকে বলেন, এসইসি পুনর্গঠনের জন্য সবচয়ে জরুরি হচ্ছে এর সক্ষমতা বাড়ানো। শুধু চেয়ারম্যান আর মেম্বার পরিবর্তন করলে ভালো কোনো সুফল পাওয়া যাবে না।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, একজন চেয়ারম্যান ও চারজন মেম্বারের সমন্বয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়েছে। এই কাঠামো পরিবর্তন করতে হলে বিদ্যমান আইন সংশোধন করে তা সংসদে পাস করতে হবে। এটি জটিল প্রক্রিয়া ও সময়সাপেক্ষ। সে জন্য ওই পথে এগোবে না সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা সমকালকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হবে এসইসিকে যুগোপযোগী সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা। এ জন্য দক্ষ জনবল ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
Quote   
04/18/2011 4:20 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Amar Desh
অনুমোদন পেল ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড : বিশেষ সুবিধা দেয়ার আবেদন নাকচ এসইসি’র
অর্থনৈতিক রিপোর্টার

অবশেষে বহুল আলোচিত ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল কমিশনের বৈঠকে ফান্ডটির ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদন দেয়া হয়। তবে অনুমোদন দেয়া হলেও ফান্ডটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পক্ষ থেকে বেশ কিছু বিষয়ে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করা হলেও সেগুলো নাকচ করে দিয়েছে এসইসি। প্রচলিত বিধিমালা অনুসরণ করেই ফান্ডের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
গতকাল কমিশন বৈঠক শেষে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কমিশনের ৩৮০তম সভায় বাংলাদেশ ফান্ড নামে একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি চুক্তি এবং ইনভেস্টমেন্ট চুক্তি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এটি একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড বিধায় তার কোনো মেয়াদ থাকবে না। ফান্ডটির আকার ৫ হাজার কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে স্পন্সর প্রতিষ্ঠানগুলোর দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়েই ফান্ডটির যাত্রা শুরু হবে। বাকি সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা অন্যান্য বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে। তিনি আরও বলেন, ফান্ডটির ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদন হলেও এখনই ফান্ডটির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না। ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদনের বিষয়টি সাবরেজিস্ট্রেশন অফিস থেকে রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের সার্টিফায়েড কপি এসইসিতে জমা দেয়ার পরই ফান্ড গঠনের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। এর পরই ফান্ডটি তার কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। কবে নাগাদ এটি হতে পারে—জানতে চাইলে তিনি বলেন, সার্টিফায়েড কপি জমা দেয়ার ওপরই ফান্ড গঠনের বিষয়টি নির্ভর করছে।
এদিকে ফান্ডটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বেশ কিছু বিষয়ে অব্যাহতি চাওয়া হলেও সেগুলোর কোনোটি অনুমোদন করেনি এসইসি। প্রচলিত বিধি অনুসরণ করেই ফান্ডটির কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ফান্ডটির ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ অর্থ অর্থবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার জন্য আবেদন জানানো হলেও তা নাকচ করে দিয়েছে এসইসি। এর ফলে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা অনুযায়ী ফান্ডটির ৭৫ শতাংশ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারে এবং বাকি ২৫ শতাংশ অর্থবাজার কিংবা অন্যান্য ইন্সট্রুমেন্টে বিনিয়োগ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ফি এবং বার্ষিক ফি মওকুফের জন্য যে আবেদন করা হয়েছে, তা থেকেও ফান্ডটিকে কোনো ধরনের ছাড় দেয়নি এসইসি। রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ০.২০ শতাংশ এবং বার্ষিক ফি বাবদ ০.১০ শতাংশ এসইসিকে দিতে হবে। এর ফলে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ১০ কোটি টাকা এবং বার্ষিক ফি বাবদ ৫ কোটি টাকা এসইসির কোষাগারে জমা দিতে হবে। আইপিওর মাধ্যমে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির ৫ শতাংশ শেয়ার বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য বরাদ্দ রাখার প্রস্তাবটিও কমিশনের বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়নি। ফলে বর্তমানে মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য আইপিওতে ১০ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রয়েছে। ১০ শতাংশ থেকে আবেদনের ভিত্তিতে শেয়ার বরাদ্দ পেতে হবে। বাংলাদেশ ফান্ডকে এসব বিশেষ সুবিধা দিতে হলে সংশ্লিষ্ট বিধি সংশোধন করতে হতো। কিন্তু একটি ফান্ডকে এ ধরনের সুযোগ দেয়া হলে পরে এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে এসইসি। সেজন্য এসব সুবিধা চাওয়া হলেও তার কোনোটিই অনুমোদন দেয়নি এসইসি।
মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহের বিধান রয়েছে। তবে ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকায় এ বিষয়ে অব্যাহতি দেয়ারও প্রয়োজন হয়নি। অপরদিকে সরকারি যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়া হবে, তার ১০ শতাংশ অভিহিত মূল্যে বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য বরাদ্দের যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, এ বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। সরকার এ ধরনের বরাদ্দ দিবে কি দেবে না, এ বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে বলার কিছু নেই। এসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, মিউচুয়াল ফান্ডের প্রচলিত বিধি মেনেই বাংলাদেশ ফান্ডকে তার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
এদিকে বিশেষ সুবিধার আবেদন নাকচ হয়ে যাওয়ায় ফান্ডটির উদ্যোক্তা আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামানের মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো কিছু পাইনি। এটি পাওয়ার পরই এ ব্যাপারে কোনো কিছু বলার থাকলে তা জানানো হবে।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৬ মার্চ ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ নামে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ান্ত করা হয়। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানই ফান্ডের ট্রাস্টির দায়িত্ব পালন করবে। ফান্ড ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। এছাড়া আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বাংলাদেশ ফান্ডের কাস্টডিয়ানের দায়িত্ব পালন করবে।
আটটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান দেড় হাজার কোটি টাকা জোগান দিচ্ছে। আইসিবি ৫০০ কোটি টাকা, অগ্রণী ব্যাংক ২৫০ কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি, সাধারণ বীমা করপোরেশন ১০০ কোটি, রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১০০ কোটি এবং জীবন বীমা করপোরেশন ৫০ কোটি টাকা জোগান দিচ্ছে।
৫ হাজার কোটি টাকার ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ গঠনের অনুমোদন দেয়া হলেও আদৌ তা গঠন সম্ভব হবে কি-না তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ। ব্যাংকিং খাতে তীব্র তারল্য সঙ্কট চলাকালীন এ ফান্ডে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অংশগ্রহণ নিয়ে রয়েছে সংশয়। উপরন্তু ফান্ডের জন্য যেসব বিশেষ সুবিধা চাওয়া হয়েছে সেগুলো এসইসি নাকচ করে দেয়ায় এই সংশয় আরও তীব্র হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে তীব্র তারল্য সঙ্কট বিরাজ করছে। তারল্য সঙ্কটের কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণপত্র খুলতে পারছে না। সঙ্কট এতটাই তীব্র আকার ধারণ করেছে যে, ব্যাংকগুলো এখন আমানত সংগ্রহে অনেকটা সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে। ১৪ শতাংশ সুদে তারা আমানত সংগ্রহ করছে। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলোর পক্ষে এ ধরনের ফান্ডে বিনিয়োগ করা একেবারে অসম্ভব। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে তীব্র তারল্য সঙ্কট তৈরি হওয়ার জন্য এ খাতের সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতিকে দায়ী করছেন। আর বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরামর্শে। আইএমএফ একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে অধিক পরিমাণে বিনিয়োগের বিপক্ষে। শেয়ারবাজারের মতো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ খাতে ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগ না করার জন্য আইএমএফ বারবার পরামর্শ দিয়ে আসছে। সম্প্রতি শেয়ারবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণে আইএমএফের পক্ষ থেকে আবারও ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ আরও কমিয়ে আনতে বলেছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো তাদের মোট দায়ের ১০ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। আইএমএফ ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন এবং রিজার্ভের অর্থাত্ মোট ইক্যুয়িটির ২৫ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য পরামর্শ দিয়েছে। আইএমএফের পরামর্শ অনুসরণ করা হলে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণ একেবারে কমে আসবে। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পক্ষে বাংলাদেশ ফান্ডে অর্থ জোগান দেয়া সম্ভব হবে না। যেহেতু ফান্ডের ৫০ শতাংশ অর্থই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। অপরদিকে আইএমএফ ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে। ফলে একদিকে আইএমএফের চাপ অন্যদিকে ব্যাংকিং সেক্টরে তীব্র তারল্য সঙ্কট—এ দুটি মিলে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড একটি অলীক স্বপ্ন বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
বাংলাদেশ ফান্ড বিষয়ে এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী জানান, বর্তমানে অর্থবাজারে যে পরিস্থিতি রয়েছে এবং দাতাগোষ্ঠী যে ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছে তাতে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড গঠন খুবই কঠিন কাজ হবে। তিনি মনে করেন, বাজারের মূল্য পরিস্থিতি এমন কোনো পর্যায়ে পৌঁছেনি যে শেয়ারের মূল্য বাড়ানোর জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ফান্ড নামে যে বিশেষ তহবিল গঠন করা হচ্ছে তা একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড। এ ধরনের ফান্ড বাজারে শুধু চাহিদা তৈরি করে থাকে। ফলে ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠন করা যদি সম্ভব হয়, তাহলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাজারে ফের চাহিদা বেড়ে যাবে। এতে বাজার আবারও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে।
Quote   
04/18/2011 4:20 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Amar Desh
৩ কোম্পানির রাইট শেয়ার অনুমোদন : নর্দার্নের অনুমোদন মেলেনি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার

তিনটি কোম্পানির রাইট শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। তবে বহুল আলোচিত নর্দার্ন পাওয়ার সল্যুশনের ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের অনুমোদন দেয়া হয়নি। এছাড়া পুরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের রাইট শেয়ার ইস্যু এবং এবং জিবিবির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়নি। গতকাল কমিশনের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গতকাল কমিশন বৈঠকে যে ৩টি কোম্পানির রাইট শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দেয়া হয়। সিনোবাংলা একটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন পেয়েছে। প্রতি রাইট শেয়ারের জন্য প্রিমিয়াম নেয়া হবে ১০ টাকা। জনতা ইন্স্যুরেন্স ২টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার (১:২) ইস্যুর অনুমোদন পেয়েছে। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম ১০০ টাকা। অপরদিকে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রতিটি রাইট শেয়ারের প্রিমিয়াম ৩০০ টাকা নেয়া হবে। ফলে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের বরাদ্দমূল্য হচ্ছে ৪০০ টাকা। এদিকে নর্দার্ন পাওয়ার সল্যুশনের রূপান্তরিত বন্ডের অনুমোদন মেলেনি কমিশন সভায়। প্রাইভেট প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এ বন্ডটি ছাড়া হচ্ছে এবং বন্ডটিকে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরসহ বেশ কিছু শর্ত নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়। প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে বন্ডটি অনুমোদনে এসইসির ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু এ নিয়ে আমার দেশসহ কয়েকটি পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ায় গতকাল কমিশনের বৈঠকে অ্যাজেন্ডাভুক্ত থাকলেও এ নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি বলে জানা গেছে। এ নিয়ে দ্বিতীয় দফা বন্ড ইস্যুর অনুমোদন দেয়নি এসইসি।
Quote   
04/18/2011 4:21 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Sangbad
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ করতে রিট
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

পুঁজিবাজারে অস্থিরতার কারণ তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ এবং দোষীদের গেফতারসহ আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আদেশ চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ গতকাল সোমবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও এএনএম বশিরউল্লাহর বেঞ্চে এই রিট আবেদন করে।
তবে পুঁজিবাজার তদন্ত নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর নির্ভরযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, এত খবর বেরোচ্ছে তার কোন নির্ভরযোগ্যতা নেই। নির্ভরযোগ্যতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। সরকারের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।
শেরে বাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে (এনইসি) প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন। পুঁজিবাজার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, মুদ্রণে সময় লাগছে। তবে কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে সে বিষয়ে সাংবাদিকদের ধারণা দেওয়া হবে। কী পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসইসি, ডিএসই, সিএসই সংস্কারের কথা তো রিপোর্টেই বলা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, পুঁজিবাজার তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে অনেকের উৎকণ্ঠাও রয়েছে। অনেক লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৩১ লাখ বিও অ্যাকাউন্ট আছে বলে অনেকে দাবি করলেও বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ সক্রিয় বিও অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ার মার্কেটে খুব বেশি লোক নেই। অ্যাকাউন্ট করতে হয় বলে অনেকে অ্যাকাউন্ট করে রেখেছে। নিজেরও দুটো বিও অ্যাকাউন্ট আছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, তবে ২০০১ সালের পর থেকে সেসব অ্যাকাউন্টে কোন লেনদেন হয়নি। এরকম অনেক অ্যাকাউন্ট আছে।
এদিকে গতকাল মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ গত ১২ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে লিগ্যাল নোটিস পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তারপরও প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় রিট আবেদন করা হয়েছে বলে মনজিল সাংবাদিকদের জানান। আজ মঙ্গলবার এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে ।
পুঁজিবাজারে কারসাজির ঘটনায় হাজার হাজার কোটি টাকা 'আত্মসাতের' সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও গ্রেফতার এবং তাদের পাসপোর্ট ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ চেয়েছে সংগঠনটি।
দু'দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ, জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং সাত দিনের মধ্যে কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদন হাইকোর্টে দেখতে চেয়েছে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ। তদন্তে যাদের নাম এসেছে রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের পাসপোর্ট ও ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশও চাওয়া হয়েছে রিট আবেদনে।
একই সঙ্গে পুঁজিবাজারে টাকা খোয়ানো বিনিয়োগকারীদের অর্থ কেন ফেরত দেওয়া হবে না_ প্রতিবেদন প্রকাশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং কারসাজিতে জড়িতদের সাজা কেন নিশ্চিত করা হবে না_ এ তিনটি রুল জারি করতে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে।
দরের ব্যাপক উত্থান এবং পতনের মধ্যদিয়ে গত বছরের শেষ ভাগে অস্থির হয়ে ওঠে পুঁজিবাজার। প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরও করে বিনিয়োগকারীরা।
এই পরিস্থিতিতে সরকার কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি গত ৭ এপ্রিল সরকারের কাছে প্রতিবেদন দেয়। এ তদন্ত প্রতিবেদন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও তা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ইতোমধ্যে চলে এসেছে।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের রিট আবেদনে বলা হয়েছে, তথ্য অধিকার আইন-২০০৯-এর সেকশন-৬ অনুযায়ী জনগুরুত্ব সম্পন্ন সবকিছু প্রকাশ করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তবে সেকশন-৭ অনুযায়ী কেবল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি সৃষ্টিকারী বিষয়াবলি প্রকাশ বাধ্যতামূলক নয়।
পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জনগুরুত্বসম্পন্ন এবং এটা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি সৃষ্টিকারী নয়, উল্লেখ করে এটি প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে রিট আবেদনে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, অর্থসচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও মতিঝিল থানার ওসিকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিবাদীরা জনস্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অ্যাক্ট-১৯৬৯-এর ধারা-১৭ অনুযায়ী অপরাধী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী, সারওয়ার আহাদ চৌধুরী, মো. আকলাস উদ্দিন ভঁূইয়া, মাহবুবুর রহমান খান লোদী, মাহবুুবুল ইসলাম এ রিট আবেদন করেন।
Quote   
04/18/2011 4:21 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
'পুঁজিবাজার নিয়ে প্রকাশিত খবর অনির্ভরযোগ্য'
     
ঢাকা, এপ্রিল ১৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- অর্থমন্ত্রী বলেছেন, পুঁজিবাজার তদন্ত নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর নির্ভরযোগ্য নয়।

সোমবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, "এতো খবর বেরুচ্ছে তার অথেন্টিসিটি (নির্ভরযোগ্যতা) নেই। অথেন্টিসিটি দেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। সরকারের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।"

পুঁজিবাজার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, "মুদ্রণে (প্রিন্টিংয়ে) সময় লাগছে।

"তবে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে সে সম্পর্কে আপনাদের [সাংবাদিকদের] ধারণা দেওয়া হবে।"

কী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "এসইসি, ডিএসই, সিএসই সংস্কারের কথা তো রিপোর্টেই বলা হয়েছে।"

শেরে বাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে (এনইসি) প্রাকবাজেট আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন মুহিত।

সভায় শিল্প, বস্ত্র, পাট, নৌ-পরিবহন, সংস্কৃতি, বিমান ও আইন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পৌনে ৭টা পর্যন্ত সভা চলে।

অর্থমন্ত্রী জানান, পুঁজিবাজার তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে অনেকের উৎকণ্ঠাও রয়েছে। অনেক লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

৩১ লাখ বিও অ্যাকাউন্ট আছে বলে অনেকে দাবি করলেও বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ সক্রিয় বিও অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

"শেয়ার মার্কেটে খুব বেশি লোক নেই। অ্যাকাউন্ট করতে হয় বলে অনেকে অ্যাকাউন্ট করে রেখেছে।"

"আমার নিজেরও দুটো বিও অ্যাকাউন্ট আছে। তবে ২০০১ সালের পর থেকে সেসব অ্যাকাউন্টে কোনো লেনদেন হয়নি। এরকম অনেক অ্যাকাউন্ট আছে"

অর্থনৈতিক অঞ্চল বাংলাদেশে বেশি প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি জানান, এ বছরের মধ্যেই সাত বিভাগের সাতটি অঞ্চলে সাতটি অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘোষণা করা হবে।

বিদ্যুৎ নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে স্বীকার করে তিনি বলেন, আগামি মার্চের মধ্যে এক হাজার সাতশ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। আর ২০১২ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বাজেটে এক লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা বাস্তবায়ন হতে পারে। বার্ষিক উন্নয়ন খাতে বাস্তবায়ন হতে পারে ৩০ হাজার কোটি টাকা।

এছাড়া পরিকল্পনা মোতাবেক বসতবাড়ি নির্মাণের তাগিদ দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, না হলে কৃষিজমি একেবারে কমে যাবে। ভালোমত হাটাচলার সুযোগ থাকবে না।

পুরনো সার কারখানাগুলোকে সংস্কার করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে আরো নতুন সার কারখানা তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ জন্য নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার করতে হবে।

গ্রামীণ অবকাঠামোতে গতিশীলতা আসেনি বলেও সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যানরা অভিযোগ করেছেন বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

কয়েকদিনের মধ্যে অন্য সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যানদের নিয়ে প্রাক-বাজেটের আরো একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে জানান অর্থমন্ত্রী।
Quote   
04/18/2011 4:22 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
পুঁজিবাজার তদন্ত
প্রতিবেদন প্রকাশ চেয়ে রিট আবেদন
     
ঢাকা, এপ্রিল ১৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুঁজিবাজারে অস্থিরতার কারণ তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ এবং দোষীদের গ্রেপ্তারসহ আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আদেশ চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ সোমবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও এএনএম বশিরউল্লাহর বেঞ্চে এই রিট আবেদন করে।

সংগঠনটির পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ গত ১২ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরও প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় রিট আবেদন করা হয়েছে বলে মনজিল সাংবাদিকদের জানান।

মঙ্গলবার এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান তিনি।

পুঁজিবাজারে 'কারসাজির' ঘটনায় হাজার হাজার কোটি টাকা 'আত্মসাতের' সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার এবং তাদের পাসপোর্ট ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ চেয়েছে সংগঠনটি।

দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ, জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং সাত দিনের মধ্যে কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদন হাইকোর্টে দেখতে চেয়েছে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ। তদন্তে যাদের নাম এসেছে রিট নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের পাসপোর্ট ও ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশও চাওয়া হয়েছে রিট আবেদনে।

একইসঙ্গে পুঁজিবাজারে টাকা খোয়ানো বিনিয়োগকারীদের অর্থ কেন ফেরত দেওয়া হবে না, প্রতিবেদন প্রকাশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং কারসাজিতে জড়িতদের সাজা কেন নিশ্চিত করা হবে না- এ তিনটি রুল জারি করতে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে।

দরের ব্যাপক উত্থান এবং পতনের মধ্যে দিয়ে গত বছরের শেষ ভাগে অস্থির হয়ে ওঠে পুঁজিবাজার। প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও ভাংচুরও করে বিনিয়োগকারীরা।

এই পরিস্থিতিতে সরকার কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি গত ৭ এপ্রিল সরকারের কাছে প্রতিবেদন দেয়। এ তদন্ত প্রতিবেদন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও তা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ইতোমধ্যে চলে এসেছে।

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের রিট আবেদনে বলা হয়েছে, তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ এর সেকশন-৬ অনুযায়ী জনগুরুত্ব সম্পন্ন সব কিছু প্রকাশ করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তবে সেকশন-৭ অনুযায়ী কেবল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি সৃষ্টিকারী বিষয়াবলী প্রকাশ বাধ্যতামূলক নয়।

পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জনগুরুত্বসম্পন্ন এবং এটা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি সৃষ্টিকারী নয় উল্লেখ করে এটি প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে রিট আবেদনে।

মন্ত্রী পরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, অর্থ সচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও মতিঝিল থানার ওসিকে রিটে বিবাদি করা হয়েছে।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিবাদিরা জনস্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অ্যাক্ট-১৯৬৯ এর ধারা-১৭ অনুযায়ী অপরাধী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট সারওয়ার আহাদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মো. আকলাস উদ্দিন ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান লোদী, অ্যাডভোকেট মাহবুুবুল ইসলাম এই রিট আবেদন করেন।
Quote   
04/18/2011 4:22 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ইব্রাহিম খালেদের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

ঢাকা, এপ্রিল ১৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুঁজিবাজারের অস্থিরতা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রধান ইব্রাহিম খালেদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়েরের একটি আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

লিয়াকত হোসেন নামের এক আইনজীবী সোমবার সকালে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ আবেদন করেন। বাদির জবানবন্দি শুনে মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াত মামলাটি খারিজের আদেশ দেন।

লিয়াকত আরজিতে বলেন, পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটি গত ৭ এপ্রিল প্রতিবেদন দাখিলের পর বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনা শুরু হয়। নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে ইব্রাহিম খালেদ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন এবং গণমাধ্যমের বিরুদ্ধেও বিষোদ্গার করতে থাকেন। পুঁজিবাজারে অস্থিরতার জন্য দায়ীদের সামরিক আইনে বিচার করারও কথা বলেন তিনি।

এতে দেশের নাগরিক হিসাবে বাদি ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলেও আরজিতে উল্লেখ করা হয়।

আদালতের পেশকার আজমল হোসেন ও মামলার জারীকারক (প্রসেস সার্ভেয়ার) মো. রেজাউল করিম মামলা দায়ের ও খারিজের বিষয়টি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, মামলার উপাদান না থাকায় আবেদনটি খারিজ করেন বিচারক।

পুঁজিবাজারে অস্থিরতার জন্য দায়ীদের শাস্তি প্রসঙ্গে ইব্রাহিম খালেদ গত বৃহস্পতিবার টিভি চ্যানেল বাংলাভিশনকে বলেন, "যদি মনে করেন যে, ধরে ধরে শাস্তি দিলে হবে। ধরে শাস্তি দেওয়া তো এতো সোজা না। আদালত আছে। আদালত তো সব সময় আসামির পক্ষে। কোর্ট কখনো নালিশকারীর পক্ষে থাকে না।"

কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদ আরো বলেন, এ ধরনের অপরাধের বিচার সেনা শাসনের সময়ই দ্রুত সম্ভব হয়।

"এটা মার্শাল ল' তে হয়। ধরে এনে, বিচার করে শাস্তি দেওয়া যায়। এটা তো ডেমোক্রেসিতে হয় না।"

সরকারের ভেতর ও বাইরে থেকে তার ওই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করা হয়।
Quote   
04/18/2011 4:23 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
'ফার্স্ট এমটিবি মিউচুয়্যাল ফান্ড' অনুমোদন

ঢাকা, এপ্রিল ১৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ফার্স্ট এমটিবি মিউচুয়্যাল ফান্ড নামে ১০০ কোটি টাকার একটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

এসইসির সোমবারের সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিশনের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান জানান, "ফার্স্ট এমটিবি মিউচুয়্যাল ফান্ড নামের একটি স্কিম বেজড ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।"

ফান্ডের স্পন্সর হিসেবে রয়েছে মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক। ট্রাস্টি হিসাবে রয়েছে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। আর কাস্টডিয়ান হিসাবে থাকবে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে এইমস অব বাংলাদেশ লিমিটেড।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েব সাইটের তথ্য অনুযায়ী, এ ফান্ডের আকার হবে ১০০ কোটি টাকা। এ ধরনের স্কিম বেজড ফান্ডের আওতায় পর্যায়ক্রমে অনেকগুলো ফান্ড বাজারে আসতে পারে।
Quote   
Page 3 / 3 1 - 2 - 3 « previous
Login with Facebook to post
Preview