Page 2 / 3 1 - 2 - 3 « previous | Next »
NEWS 19.04.2011
04/18/2011 4:00 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
DSE news in brief


Dividends

Reckitt Benckiser: The board of directors of Reckitt Benckiser (Bd) Limited has recommended final 50 per cent cash dividend (Tk 5.0 per share of Tk 10 each) for the year that ended on December 31, 2010. The annual general meeting (AGM) of the company will be held at Trust Milonayatan, Shaheed Jahangir Gate, 545, Old Airport Road, Dhaka Cantonment, Dhaka-1206 at 10:30am on June 15. The record date is May 8. The company has stated EPS of Tk 26.71, NAV per share of Tk 48.13 and NOCFPS of Tk 60.67 for the year that ended on December 31, 2010.

BIFC: The board of directors of Bangladesh Industrial Finance Company (BIFC) Limited has recommended 25 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The AGM of the company will be held at Institution of Diploma Engineers, Bangladesh, IDEB Bhaban Complex, 160/A, Kakrail, Dhaka at 11:00am on May 12. The record date is April 27. The company has stated EPS of Tk 46.58, NAV per share of Tk 171.51 and NOCFPS of Tk 141.85 for the year that ended on December 31, 2010.

Central Ins: The board of directors of Central Insurance has recommended 15 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The board has also decided to issue rights shares at 1R:2 (1 rights share for every 2 shares held) at an issue price of Tk 150 per share (including a premium of Tk 50 each) of Tk 100 each subject to the approval of the shareholders in the AGM and regulatory authorities. The board has also decided to increase authorised capital of the company from Tk 300 million to Tk 750 million subject to the approval of regulatory authorities. The AGM of the company will be held at Dhaka Ladies Club, 36, Eskaton Garden Road, Dhaka at 11:00am on June 20. The record date is May 3. Another record date for entitlement of the proposed rights shares will be announced later after obtaining approval from SEC. The company has stated EPS of Tk 30.47, NAV per share of Tk 267.82 and NOCFPS of Tk 42.95 for the year that ended on December 31, 2010.

Paramount Ins: The board of directors of Paramount Insurance Company Ltd has recommended 10 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The AGM of the company will be held at Spectra Convention Center Ltd., House #19, Road #7, Gulshan-1, Dhaka-1212 at 10:00am on July 3. The record date is May 4. The company has stated EPS of Tk 13.04, NAV per share of Tk 134 and NOCFPS of Tk 15.54 for the year that ended on December 31, 2010.

Southeast Bank requests to collect dividend

warrants

The authorities of Southeast Bank have requested the shareholders concerned to collect their cash dividend warrants for the year that ended on December 31, 2010 from the bank's share office located at 1, Dilkusha C/A (4th Floor), Dhaka during office hours today (holding BOID 120147… to 120209…), on April 20 (holding BOID 120210… to 120322…) and on April 21 (holding BOID 120323… to 160453 & all folio). The authorise of the bank have stated that no dividend warrants will be issued in favour of those shareholders who have mentioned banks name having online facilities in their BO accounts. The dividend money shall be credited to the shareholders respective bank account.

— DSE Online
Quote   
04/18/2011 4:01 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prime Ins AGM approves 30pc stock dividend
FE Report

The 15th annual general meeting (AGM) of Prime Insurance Company Limited (PICL) has approved 30 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010.

The AGM was held in the city Monday. Chairman of the company Ferdous Amin presided over the meeting.

A large number of shareholders attended the AGM.

In his presidential address, Mr Amin said, "PICL is eager to fulfill its vision to be one of the top insurers in the country by proving faster services to its clients."

He said that the company planned to strengthen its operation and to expand its business across country further.

He assured the shareholders that the financial footing of the company would be strong and the shareholders would get attractive return from their investments.
Quote   
04/18/2011 4:03 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ডিসেম্বরের মধ্যে আরো ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
শেয়ারবাজার নিয়ে প্রকাশিত খবরের বস্তুনিষ্ঠতা নেই: অর্থমন্ত্রী
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


ঢাকা: শেয়ারবাজার নিয়ে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের বস্তুনিষ্ঠতা (অথেনটিসিটি) নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। ২০১১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সভাপতিদের সঙ্গে প্রাক বাজেট আলোচনা বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় শেয়ারবাজার নিয়ে সরকার কিছু পদক্ষেপ নেবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

বৈঠকে সংসদীয় কমিটির সভাপতিদের মধ্যে তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত, ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আকতারুজ্জামান বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তারা শেয়ারবাজার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ ব্যাপারে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তা পরে জানানো হবে। সরকারি সিদ্ধান্ত আপনারা পেয়ে যাবেন।’

তিনি বলেন,  ‘শেয়ারবাজারে ৩০/৩৫ লাখ বিনিয়োগকারী আছে বলে যে কথা বলা বা লেখা হচ্ছে তা ঠিক না। শেয়ারবাজারে সক্রিয় একাউন্ট ১০ লাখের বেশি হবে না।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমার নিজেরও দু’টি একাউন্ট আছে। কিন্তু ২০০১ সালের পর আর লেনদেন করিনি। এ ধরনের ঘটনা অনেকেরই আছে।’

সরকার যে পদক্ষেপ নিচ্ছে সেগুলো এখন ছাপা হচ্ছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের কাজ ধীরগতিতে চলছে বলে বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০১১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে। কুইক রেন্টাল নিয়ে যা লেখা হচ্ছে, বিষয়টি আসলে সেরকম না।’

আসন্ন অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ৩০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সাত বিভাগে সাতটি অর্থনৈতিক জোন হবে। এ বছরের মধ্যে এ সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে।’

বৈঠকে ব্যাংকে তারল্য সঙ্কট রয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তারল্য সঙ্কট নেই।’

গত আড়াই বছরে গ্রামীণ অর্থনীতি গতিশীল হয়নি বলে মত প্রকাশ করা হলেও দ্বিমত প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ভূমির পরিমাণ এতো কমে যাচ্ছে যে এজন্য বসতি পরিকল্পণা তৈরি করতে হবে। ভূমি ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

বাংলাদেশ সময়: ১৯২১ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৮, ২০১১
Quote   
04/18/2011 4:03 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
দরপতনের ধারায় পুঁজিবাজার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: দেশের দুই পুঁজিবাজারে সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবারও দরপতন ঘটেছে। এ নিয়ে টানা দুইদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম ও সূচক কমলো। পাশাপাশি এদিন উভয় বাজারে কমেছে লেনদেনও।

সোমবার  ডিএসইতে মোট ২৫৮ টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ১০০টির, কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টি প্রতিষ্ঠানের দাম।

একইসঙ্গে সাধারণ সূচক ২৮ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৩১৮ পয়েন্টে নেমে আসে। সার্বিক সূচক ২০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৫৪ পয়েন্টে পৌঁছায়।

সোমবার ডিএসইতে মোট ৮ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮২টি শেয়ার ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯৭ বারে হাতবদল হয়। যার বাজার মূল্য ৭১৫ কোটি ৩৬ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৭৪৩ কোটি ৫২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।


এদিন লেনদেনের দিক দিয়ে দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল মালেক স্পিনিং। অন্য কোম্পানিগুলো হলো- আফতাব অটোমোবাইলস, বেক্সিমকো, এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, তিতাস গ্যাস, ডেসকো, আরএন স্পিনিং, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সটেক্স ও মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

দাম বাড়ার শীর্ষ দশ কোম্পানি ছিল- আইসিবি কর্মচারী প্রভিডেন্ট মিউচুয়াল ফান্ড-১: স্কিম-১, বিডি ওয়েল্ডিং, এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, ষষ্ঠ আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, বিআইএফসি, আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ও ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স  ।

সবচেয়ে বেশি দাম কমা দশ কোম্পানি হলো-  রেকিট বেনকিজার, সমতা লেদার, দেশ গার্মেন্টস, সাফকো স্পিনিং, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, আজিজ পাইপস, ইমাম বাটন, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, বিডি অটোকারস, রেনউইক জ্যাজনেসওয়ার অ্যান্ড কো.।  

অন্যদিকে, সোমবার সিএসইতে মোট ২০৪ টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়। এরমধ্যে বেড়েছে ৫৮টির, কমেছে  ১৩৭টির ও অপরিবর্তিত ছিল নয়টি প্রতিষ্ঠানের দাম।

পাশাপাশি সাধারণ সূচক ৪৬ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৪১৮ পয়েন্টে স্থ্রি হয়েছে। সার্বিক সূচক ৬৫ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৭২০ পয়েন্টে নেমে আসে।

এদিন সিএসইতে মোট লেনদেন হয় ৭৪ কোটি ৮৭ লাখ ৩৫ হাজার ২২৩ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭৬ কোটি ২১ লাখ ২৪ হাজার ৬৩ টাকা।


বাংলাদেশ সময়: ১৬২৫ঘণ্টা, এপ্রিল ১৮, ২০১১
Quote   
04/18/2011 4:04 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
তিন কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানি বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স ও রেকিট বেনকিজার ২০১০ সালের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ গত অর্থবছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

আগামী ১২ মে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ এপ্রিল।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৪৬ দশমিক ৫৮ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭১ দশমিক ৫১ টাকা।

প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ গত অর্থবছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

আগামী ৩ জুলাই কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট আগামী ৪ মে।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১৩ দশমিক ০৪ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৩৪ টাকা।

রেকিট বেনকিজারের পরিচালনা পর্ষদ গত অর্থবছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ  দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

আগামী ৬ জুন কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট আগামী ৮ মে।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২৬ দশমিক ৭১ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য ৪৮ দশমিক ১৩ টাকা।


বাংলাদেশ সময়: ১৮০০ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৮, ২০১১
Quote   
04/18/2011 4:04 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদন
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: পাঁচ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন মিউচুয়াল ফান্ড (বাংলাদেশ ফান্ড) অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(এসইসি)। তবে প্রথম পর্যায়ে দেড় হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ করা হবে বলে জানা গেছে।

সোমবার বিকেলে এসইসির কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, এ ফান্ডের ফেস ভ্যালু হবে ১০০টাকা। মার্কেট লট হবে ১হাজার ইউনিটের। ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এ ফান্ডের ব্যাপারে বিশেষ ছাড়ের যে প্রস্তাব করেছে তা সক্রিয় বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এছাড়া এ ফান্ডের ৫০ভাগ আইপিও’র মাধ্যমে ছাড়ার প্রস্তাবটি তাও বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আইসিবির মিউচুয়াল ফান্ড নীতিমালার কিছু পরিবর্তন, ফান্ডের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের উৎস জানতে না চাওয়া, কর অব্যাহতি এবং রাষ্টায়ত্ত কোম্পানির শেয়ারের জন্য কোটা দাবি করে প্রস্তাব দিয়েছে।  তবে এসইসি মনে করছে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অর্থ মন্ত্রণালয়। তাই বিষয়গুলো অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

কবে নাগাদ এ ফান্ড যাত্রা শুরু করবে তার সুনির্দিষ্ট উত্তরও দেননি এসইসির এ মুখপাত্র।

উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের মুখে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সরকারিভাবে একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৯ মার্চ বাংলাদেশ ফান্ড নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ান্ত করা হয়। এ ফান্ডের স্পন্সর বা উদ্যোক্তা আইসিবি গত ২৯ মাচ বাংলাদেশ ফান্ডের অনুমোদনের জন্য এসইসিতে  পাঠায়।

বাংলাদেশ সময়: ১৬৪০ঘণ্টা, এপ্রিল ১৮, ২০১১
Quote   
04/18/2011 4:05 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
শেয়ার কেলেংকারি তদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা, শুনানি মঙ্গলবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: শেয়ার কেলেংকারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় সরকারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট মামলা হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে ৫ জন আইনজীবী সোমবার সকালে এ রিট মামলাটি দায়ের করেন।

বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি এ এন এম বশিরউল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চে মামলাটি দায়ের হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে মঙ্গলবার শুনানি নেওয়ার তারিখ ধার্য করেন।

দায়েরকৃত মামলায় শেয়ার কেলেংকারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দুই দিনের মধ্যে প্রকাশের দাবি করা হয়। মামলায় মন্ত্রী পরিষদের সচিবসহ দশ সরকারি কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে। এছাড়া পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের নিষ্ক্রয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে।

মামলার বাদী পাঁচ আইনজীবী হচ্ছেন- অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট সারোয়ার আহাদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আখলাস উদ্দিন ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান ও অ্যাডভোকেট মাহবুবুল ইসলাম।

মামলার বিবাদীরা হচ্ছেন- মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন চেয়ারম্যান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এর নির্বাহী পরিচালক, ডিএমপি কমিশনার ও মতিঝিল থানার ওসি।  

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ গত ১২ এপ্রিল ৭ দিনের মধ্যে শেয়ার কেলেংকারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়ে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। নোটিশে শেয়ার কেলেংকারির সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেন তিনি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ না  নেওয়ায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি।

মনজিল মোরশেদ বলেন, অর্থমন্ত্রী বলেছেন প্রতিবেদন আংশিকভাবে প্রকাশ করা হবে। আমরা বলেছি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে। কারন তা না হলে সত্যিকারের দোষীরা পার পেয়ে যাবার সুযোগ পাবে।

তিনি বলেন, শেয়ার কেলেঙ্কারির কারণে লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দায়ীদের বের করতে তদন্তও হয়েছে। কিন্তু তার রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ না করায় ক্ষতিগ্রস্তরা হতাশ ও চিন্তিত হয়ে পড়ছে।

দায়ীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার দাবি কেন করা হচ্ছে --এ প্রশ্নের জবাবে মনজিল মোরশেদ বলেন, শেয়ার মার্কেট থেকে যারা বড় অঙ্কের অর্থ তুলে নিয়েছে তারা যাতে তা বিদেশে পাচার কিংবা অন্য অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিতে না পারে তা নিশ্চিত করতেই এটা করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, চলতি বছর পুঁজিবাজারে ব্যাপক ধসের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটি গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১১৪৭ঘণ্টা, এপ্রিল ১৮, ২০১১
Quote   
04/18/2011 4:06 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
শেয়ার কেলেঙ্কারি: রিটের শুনানি আজ

ঢাকা, ১৯ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): শেয়ার কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি আজ মঙ্গলবার হবে। বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি এ এন এম বশিরউল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চ সোমবার এ দিন ধার্য করেছেন।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস এণ্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ গতকাল সকালে এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন। দুপুরে তিনি শুনানির জন্য আবেদন করলে আদালত মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।
রিটে দুই দিনের মধ্যে শেয়ার কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ, জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং সাত দিনের মধ্যে কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদন হাইকোর্টে দেয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া তদন্তে যাদের নাম এসেছে রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের পাসপোর্ট ও ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশও চাওয়া হয়েছে আবেদনে।
একই সঙ্গে পুঁজিবাজারে টাকা খোয়ানো বিনিয়োগকারীদের অর্থ কেন ফেরত দেয়া হবে না, প্রতিবেদন প্রকাশে সংশ্লি্ষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং কারসাজিতে জড়িতদের সাজা কেন নিশ্চিত করা হবে না- এ তিনটি রুল জারি করতে রিটে আবেদন করা হয়েছে।
মনজিল মোরসেদ শীর্ষ নিউজ ডটকমকে জানান, ৭ দিনের মধ্যে শেয়ার কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়ে গত ১২ এপ্রিল সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়। নোটিশে একই সাথে শেয়ার কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়।
সরকারের পক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, অর্থ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত সচিব, সিকিউরিটিজ এণ্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিএমপি কমিশনার এবং মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে এ লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় রিট দায়ের করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছর পুঁজিবাজারে ব্যাপক ধসের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটি গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
Quote   
04/18/2011 4:06 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
কোনো সুবিধা ছাড়াই বাংলাদেশ ফান্ডের অনুমোদন

ঢাকা, ১৮ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): কোনো বিশেষ সুবিধা ছাড়াই ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) প্রস্তাবিত ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন (ওপেন এন্ডেড) বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন। আজ সোমবার এসইসি'র নিয়মিত সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ফান্ড অনুমোদনের কথা জানান সংস্থার মুখপাত্র সাইফুর রহমান।
তবে আইসিবি প্রস্তাবিত ফান্ড কবে নাগাদ বাজারে আসবে সে ব্যাপারে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে ফান্ড গঠনের জন্য ২ হাজার ৫শ কোটি টাকা বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে সংগ্রহের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আইসিবির সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে আগ্রহী কি-না তা এখনো যাচাই করা হয়নি। যার ফলে এ ফান্ডের আকার শেষ পর্যন্ত কততে গিয়ে দাঁড়ায় এ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ ফান্ড গঠনে আইসিবি বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ছাড় চায় এসইসিতে। তবে আজ বৈঠকে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বাংলাদেশ ফান্ডের ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে এবং ৫০ শতাংশ মানিমার্কেটে বিনিয়োগ করার অনুমতি চেয়েছিল আইসিবি, যার অনুমোদন দেয়া হয়নি। এ ব্যাপারে সাইফুর রহমান বলেন, বিদ্যমান আইন অনুসারে বাংলাদেশ ফান্ডের ৭৫ শতাংশ পুঁজিবাজারে এবং ২৫ শতাংশ অন্যান্য ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে পারবে।
এছাড়া প্রস্তাবিত ৫ হাজার কোটি টাকার ৫০ শাতংশ আইপিও'র মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকা তোলার আবেদন জানিয়েছিল আইসিবি, সেটিও অনুমোদন দেয়নি এসইসি। এ ব্যাপারে এসইসি মুখপাত্র বলেন, ওপেন এন্ডেড বা মেয়াদহীন মিউচ্যুয়াল ফান্ড গঠনের ক্ষেত্রে আইপিও আবেদন নেয়া যায় না। তাই এ বিষয়টি অমূলক মনে করায় তা আমলে নেয়া হয়নি।
এদিকে ফান্ড গঠনের রেজিস্ট্রেশন ফি ও বার্ষিক ফি'র ব্যাপারে ছাড় চাওয়া হয়েছিল। এ বিষয়টিও আমলে নেয়নি এসইসি। এ বিষয়ে এসইসি'র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিদ্যমান নিয়ম অনুসারে রেজিস্ট্রেশন ফি এবং বার্ষিক ফি দিতে হবে। এছাড়া আরো বেশ কিছু জায়গাতে ছাড় চেয়েছিল আইসিবি যা অনুমোদন দেয়নি এসইসি।
এদিকে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের ক্ষেত্রে ট্রাস্টি, কাস্টোডিয়ান, আন্ডারাইটার ও স্পন্সর একই প্রতিষ্ঠানের হওয়াতে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ একই প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি কাস্টোডিয়ান, আন্ডাররাইটার ও স্পন্সর থাকলে সে প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এছাড়া আইসিবির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। যার প্রতিফলন ঘটেছে কারসাজির নেপথ্য নায়কদের খুঁজে বের করতে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে। এর আগে আইসিবিকে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ছয়'শ কোটি টাকা বাজারে সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাই নতুন করে বড় আকারের এ বাংলাদেশ ফান্ড আইসিবি'র হাতে চলে গেলে তা আইসিবি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হবে কি-না এবং পুঁজিবাজারে আপতকালে তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হবে কি_না এ বিষয়ে সন্দেহ থেকে যায়।
Quote   
04/18/2011 4:06 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
এসইসি'র বৈঠকে নর্দার্ন পাওয়ারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি

ঢাকা, ১৮ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): কার্যতালিকায় থাকা সত্ত্বেও নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। জানা গেছে, গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বেশ সমালোচনা সৃষ্টি হওয়ায় সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে এসইসি। তবে নর্দান পাওয়ার সলিউশনকে অনুমোদন দেয়ার ব্যাপারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওপরে বিভিন্ন মহলের চাপ অব্যাহত রয়েছে।
তাই এসইসির নিয়মিত বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে কোনো কিছু জানানো হয়নি। এছাড়া নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের আবেদন নামঞ্জুর করা হবে কি-না সে বিষয়েও এখন পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি।
গত ৬ এপ্রিল সালমান এফ রহমানের নর্দার্ন পাওয়ারের রূপান্তরিত বন্ড ছেড়ে টাকা উত্তোলনের প্রস্তাবপত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি থাকায় তা অনুমোদন দেয়নি সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
এর আগে সালমান এফ রহমানের নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইস্যু করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ৩০ মার্চ এসইসিতে একটি আবেদনপত্র জমা দেয়। একইসঙ্গে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) বন্ডটির ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের অনুমোদন দেয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। ওই আবেদন পাওয়ার পরপরই তড়িঘড়ি করে বন্ডটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু করে এসইসি। আবেদন পাওয়ার পর মাত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের জন্য আইসিবিকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। একই দিন বন্ড ইস্যু করে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদনের জন্য সব আয়োজন সম্পন্ন করে কমিশনের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু ওই দিন একজন সদস্য অনুপস্থিত থাকায় কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় বৈঠকের তারিখ পুনর্নিধারণ করা হয়।
Quote   
04/18/2011 4:07 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত

ঢাকা, ১৮ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পতনের মধ্য দিয়ে সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনেও লেনদেন শেষ হয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে। এ নিয়ে টানা ৩ দিন শেয়ারের দাম কমেছে। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস এবং চলতি সপ্তাহের দুই কার্যদিবস ডিএসই সাধারণ সূচকসহ সব ধরনের সূচক কমেছে। আজ সোমবার লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৮ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট কমে ৬৩১৮ দশমিক ২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই- ২০ মূল্য সূচক ২ দশমিক ৯১ পয়েন্ট কমে ৩৯১২ দশমিক ০৬ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এছাড়া ডিএসই সার্বিক মূল্য সূচক ২০ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট কমে ৫২৫৪ দশমিক ০৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
আজ লেনদেনকৃত ২৫৮ টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০০টির, কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি কোম্পানির শেয়ারের।
ডিএসইতে আজ মোট ২৫৮টি কোম্পানির ৮ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮২ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের পরিমাণ ৭১৫ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৬ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা কম।
ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় রয়েছে- বিএসআরএম স্টীল, মালেক স্পিনিং, আফতাব অটোমোবাইলস্, বেঙ্মিকো, আরএন স্পিনিং, বেক্সটেক্স, এইমস্ প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, তিতাস গ্যাস, এ্যাক্টিভ ফাইন ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।
দাম বাড়া শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো- আইসিবি প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বিডি ওয়েল্ডিং, এইমস প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, ষষ্ঠ আইসিবি, বিআইএফসি, আইসিবি ইসলামিক, আইসিবি এএমসিএল প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স।
অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে কোমপানি হলো - রেকিট বেঙ্কাইজার, সমতা লেদার, দেশ গার্মেন্টস, সাফকো স্পিনিং, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, আজিজ পাইপস, ইমাম বাটন, প্যারামাউন্ট ইন্সুরেন্স, বিডি অটোকারস ও রেইনউইক যজ্ঞেশ্বর।
Quote   
04/18/2011 4:09 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantho
শেয়ার কেলেঙ্কারি আদালতে গড়ালতদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ ও জড়িতদের ব্যাংক হিসাব
জব্দ করার নির্দেশনা চেয়ে রিট
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুঁজিবাজার (শেয়ারবাজার) কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দুই দিনের মধ্যে প্রকাশ এবং ওই তদন্তে যাঁরা চিহ্নিত হয়েছেন, রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দ করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। এ ছাড়া নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে শেয়ারবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করারও। রিট আবেদনটির ওপর হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে আজ মঙ্গলবার শুনানি হতে পারে।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবী গতকাল সোমবার এ রিট আবেদন দাখিল করেন। বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি এ এন এম বশিরউল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চে আবেদনটি উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তবে আদালত আজ মঙ্গলবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।
পুঁজিবাজারে খোয়ানো অর্থ উদ্ধার এবং তা বিনিয়োগকারীদের কেন ফেরত দেওয়া হবে না, প্রতিবেদন প্রকাশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং প্রতিবেদনে পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের সঙ্গে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর বিচার কেন নিশ্চিত করা হবে না, এর কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করতেও আবেদন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজের অগ্রগতির প্রতিবেদন সাত দিনের মধ্যে হাইকোর্টে দাখিল করারও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী, সারোয়ার আহাদ, এখলাসউদ্দিন ভুঁইয়া, মাহবুবুর রহমান খান ও মাহবুবুল ইসলাম নামের পাঁচ আইনজীবী রিট আবেদনটি দাখিল করেন।
সরকারের পক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসংক্রান্ত সচিব, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) চেয়ারম্যান, ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান নির্বাহী, ডিএমপি কমিশনার ও মতিঝিল থানার ওসিকে বিবাদী করা হয়েছে রিট আবেদনে।
চলতি বছর পুঁজিবাজারে ব্যাপক ধসের কারণ অনুসন্ধানে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটি গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। কিন্তু এ প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। এ অবস্থায় সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়ে গত ১২ এপ্রিল সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়। এইচআরপিবির পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ লিগ্যাল নোটিশ দেন। নোটিশে শেয়ার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন প্রকাশে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় গতকাল রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে।
গতকাল সকালে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন দাখিল করার পর তা শুনানির জন্য বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি এ এন এম বশিরউল্লাহর অবকাশকালীন বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু গতকালের নির্ধারিত কার্যতালিকায় মামলাটি না থাকায় আদালত শুনানি গ্রহণ করেননি। এ অবস্থায় দুপুরে বিচারপতিরা এজলাস ছেড়ে যাওয়ার আগমুহূর্তে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ আবেদনটির বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
পরে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ সাংবাদিকদের বলেন, আদালত আবেদনটির ওপর মঙ্গলবার শুনানির জন্য নির্ধারণ করেছেন।
রিট আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রশাসন তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। রিট আবেদনে আরো বলা হয়, তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ প্রতিবেদন প্রকাশে বাধ্য। এটা প্রেসবিজ্ঞপ্তি আকারে বা অন্য কোনো উপায়ে তা প্রকাশ করবে। কিন্তু তা প্রকাশ করেনি। রিট আবেদনে বলা হয়, সিকিউরিটিজ এঙ্জেঞ্জ অধ্যাদেশ অনুযায়ী শেয়ার কেনাবেচায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রভাব সৃষ্টিকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। নাগরিকদের অর্থনৈতিক বিপর্যয় হলেও যারা অর্থনৈতিক অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
শেয়ারবাজারে দরের ব্যাপক উত্থান-পতনের মধ্যে গত বছরের শেষ ভাগে অস্থির হয়ে ওঠে পুঁজিবাজার। বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ ও ভাঙচুরও করেন। এর পরই সরকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ কমিটির প্রতিবেদন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও তা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে।
Quote   
04/18/2011 4:09 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantho
বহুপ্রতীক্ষিত 'বাংলাদেশ ফান্ড' অনুমোদিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবশেষে বহুপ্রতীক্ষিত পাঁচ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড'-এর অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল সোমবার এসইসির ৩৮০তম কমিশন সভায় এ ফান্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়।
কমিশনের বৈঠক শেষে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্ব পালনকারী নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ফান্ড অনুমোদনের কথা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফান্ডের অনুমোদন শেয়ারবাজারে বিদ্যমান অস্থিরতা দূর করতে ভূমিকা রাখবে। সাইফুর রহমান জানান, পাঁচ হাজার কোটি টাকার ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের এক হাজার ৫০০ কোটি টাকার ট্রাস্ট ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা চুক্তি অনুমোদন করেছে কমিশন। সাবরেজিস্ট্রেশন অফিস থেকে এ চুক্তিনামা রেজিস্ট্রি করতে হবে। এরপর এর সত্যায়িত সনদকপি এসইসিতে জমা দিতে হবে। এর পরই ফান্ডটি কার্যকর হবে। তিনি আরো জানান, এ ফান্ডের ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও ট্রাস্টি কাস্টডিয়ান হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের নিয়োগকেও এসইসি অনুমোদন দিয়েছে।
সাইফুর রহমান বলেন, এ ফান্ডের বাকি তিন হাজার ৫০০ কোটি টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহীত টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তিনি জানান, উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এ ফান্ডের ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগের অনুমোদন চেয়েছিল। কিন্তু এসইসির মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধি অনুযায়ী ৭৫ শতাংশ টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বিধান রয়েছে। কমিশন ৭৫ শতাংশই বিনিয়োগের শর্তে অনুমোদন দিয়েছে। ফলে ফান্ড থেকে তিন হাজার ৭৫০ কোটি টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে। তিনি আরো জানান, ফান্ডটির জন্য আরো কিছু আইনের ছাড় চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কমিশন প্রচলিত আইনের মধ্যেই এটির অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে মিউচ্যুয়াল ফান্ড আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন ফি ১০ কোটি টাকা এবং বার্ষিক ফি পাঁচ কোটি টাকা, যার পুরোটাই ছাড় দেওয়ার আবেদন করেছে উদ্যোক্তারা। কমিশন এ আবেদন বিবেচনায় নেয়নি।
একই সঙ্গে বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য নতুন করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্তির আগে অভিহিত মূল্যে ১০ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ৫ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে। এ ব্যাপারে কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
এর আগে ২৯ মার্চ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে বাংলাদেশ ফান্ডের অনুমোদনের জন্য আবেদন জমা দেওয়া হয়। ফান্ডের মূল উদ্যোক্তা রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবি এসইসির চেয়ারম্যানের কাছে এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেয়। শেয়ারবাজারে বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এ ফান্ড গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ৯ মার্চ ফান্ড গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ফান্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা এবং প্রতি এক হাজার ইউনিটে এক মার্কেট লট ধরা হয়েছে। ইতিমধ্যে ফান্ডটির উদ্যোক্তা অংশের অংশগ্রহণ চূড়ান্ত হয়েছে। মূল উদ্যোক্তা হিসেবে আইসিবি ফান্ডের ১০ শতাংশ অর্থাৎ ৫০০ কোটি টাকা দেবে। সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি, রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ১০০ কোটি এবং সাধারণ বীমা করপোরেশন ১০০ কোটি টাকা দেবে। এ ছাড়া অগ্রণী ব্যাংক ও জীবন বীমা করপোরেশন মিলে বাকি ৩০০ কোটি টাকা দেবে।
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৯ মার্চ বাংলাদেশ ফান্ড নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।
এদিকে বাংলাদেশ ফান্ড গঠন নিয়ে বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবু আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশ ফান্ড শেয়ারবাজারে চলমান অস্থিরতা দূর করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বাজারের তারল্য সংকট দূর করতে যথেষ্ট কাজে দেবে। তবে বাজার থেকে যে পরিমাণ টাকা বেরিয়ে গেছে, তা হয়তো ফিরে আসবে না। তবু এ ফান্ড বিনিয়োগকারীদের মাঝে আস্থাহীনতা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষক ও ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ফান্ড পাঁচ হাজার থেকে দেড় হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। তবু অনেক বড় ফান্ড এটা। যখন এ ফান্ডের টাকা দিয়ে শেয়ার কেনা শুরু হবে, তখন ভালো মৌল ভিত্তির শেয়ারগুলোর অবস্থা ভালো হবে। ফান্ড ম্যানেজারদেরও ভালো শেয়ার দেখে কেনা উচিত হবে।
চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, এটা বহু প্রতীক্ষিত ফান্ড। এর প্রভাবে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে। তবে ফান্ডটিকে কার্যকর করতে উদ্যোক্তাদের ভূমিকা দরকার। সামান্য হলেও এ ফান্ড শেয়ারবাজারের তারল্য সংকট দূর করবে।
Quote   
04/18/2011 4:10 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantho
এসইসি সভায় তিন কম্পানির রাইট শেয়ার অনুমোদন
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ৩৮০তম কমিশন সভায় গতকাল সোমবার সিনো বাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, জনতা ইনস্যুরেন্স এবং পাইওনিয়ার ইনস্যুরেন্সের রাইট শেয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিধি মোতাবেক না হওয়ায় সভায় পূরবী ইনস্যুরেন্সের রাইট শেয়ারের অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
গতকাল কমিশনের সভা শেষে এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপত্র সাইফুর রহমান বলেন, সিনো বাংলা ইন্ডাস্ট্রিজের একটি শেয়ারের বিপরীতে আরো একটি শেয়ার রাইট দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যেও সঙ্গে আরো ১০ টাকা প্রিমিয়াম নিতে পারবে সিনো বাংলা। ৯৯ লাখ ৯৮ হাজার ৩০০টি শেয়ার বাজারে ছাড়ার অনুমতি পেয়েছে সিনো বাংলা।
সাইফুর রহমান আরো জানান, জনতা ইনস্যুরেন্স কম্পানি লিমিটেডকে একটি শেয়ারের বিপরীতে দুটি রাইট শেয়ার দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যেও সঙ্গে আরো ১০০ টাকা প্রিমিয়াম যোগ করে মোট ২০০ টাকায় এই রাইট শেয়ার দিতে পারবে জনতা ইনস্যুরেন্স।
কমিশন সভায় পাইওনিয়ার ইনস্যুরেন্স কম্পানি লিমিটেডকে পাঁচটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ৩০০ টাকা প্রিমিয়াম নেওয়ারও অনুমোদনও দেওয়া হয় সভায়। তিন লাখ ৭৫ হাজার শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
Quote   
04/18/2011 4:11 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler kantho
টানা তিন দিন দরপতন সিএসইতে চারটি কম্পানির লেনদেন স্থডসু
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

অস্বাভাবিক লেনদেনের কারণে গতকাল চারটি কম্পানির লেনদেন স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জ (সিএসই)। কম্পানিগুলো হলো_এনলিমা ইয়ার্ন, অলটেঙ্, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং ও লিগ্যাসি ফুটওয়্যার।
এদিকে দিনভর উত্থান-পতনের পর পতন দিয়েই লেনদেন শেষ করেছে চট্টগ্রাম পুঁজিবাজার। বহুল আলোচিত বাংলাদেশ ফান্ড গতকাল সোমবার অনুমোদন পেতে যাচ্ছে_এই খবরে লেনদেনের শুরুতেই সাধারণ সূচক ৬১ পয়েন্ট বেড়ে যায়।
অ্যাসোসিয়েটেড সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, 'ইতিমধ্যে দোষীদের নাম মিডিয়াতে এসে গেছে। তাই সরকারিভাবে নতুন কিছু আসবে বলে মনে হয় না।'
এদিকে সিএসইতে টানা তৃতীয় দিন দরপতন ঘটেছে। গতকাল দেশের এই দ্বিতীয় বৃহত্তম পুঁজিবাজারে প্রায় ৭৫ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া ২০৪টি কম্পানির শেয়ারের মধ্যে ৫৮টির দাম বেড়েছে। আর দরপতনের তালিকায় ছিল ১৩৭টি কম্পানির শেয়ার। সার্বিক সূচক কমেছে ৬৫ পয়েন্ট। এ সময় ২৪ হাজার হাওলায় এক কোটি সাড়ে ৩৩ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
Quote   
Page 2 / 3 1 - 2 - 3 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview