Page 1 / 3 1 - 2 - 3 Next »
07.04.2011
04/06/2011 5:21 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
তালিকাবহির্ভূত কোম্পানি
মূলধন সংগ্রহ করতে ইস্যু ব্যবস্থাপক লাগবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোম্পানিকেও এখন থেকে উদ্যোক্তা ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে শেয়ার বা রূপান্তরযোগ্য সিকিউরিটিজ ছেড়ে মূলধন সংগ্রহের জন্য অনুমোদিত মার্চেন্ট ব্যাংককে ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।
ইস্যু ব্যবস্থাপক নিয়োগ ছাড়া পুঁজিবাজারের তালিকাবহির্ভূত কোনো কোম্পানিকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হবে না।
বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) এক সভায় গতকাল বুধবার এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এসইসি বলছে, মূলধন সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় আরও বেশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ ইস্যু ব্যবস্থাপক মূলধন সংগ্রহের প্রস্তাবসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সঠিক কি না, তা নিরূপণ বা ডিওডিলিজেন্স করে থাকে। এতে কাগজপত্রে ত্রুটির জন্য ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়বদ্ধতা তৈরি হয়। ফলে ভুয়া বা জাল কাগজপত্র দিয়ে মূলধন সংগ্রহের প্রবণতা আটকানো যাবে।
জানা গেছে, সম্প্রতি মূলধন সংগ্রহের নামে বিভিন্ন কোম্পানি প্লেসমেন্ট শেয়ারের অনৈতিক বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর প্রকৃত চিত্র আড়াল করে নিজেদের সুবিধামতো কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে অতিরিক্ত প্রিমিয়াম আদায়ের ঘটনাও রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে লোকবলের অভাবে এসইসির পক্ষে কাগজপত্রের ডিওডিলিজেন্স করাও সম্ভব হয়নি।
আবার অনেক কোম্পানির অসাধু উদ্যোক্তা এ দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে প্লেসমেন্টের নামে বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে নিয়েছে। আর এ প্রবণতা ঠেকাতেই গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এসইসি মূলধন সংগ্রহের জন্য ইস্যু ব্যবস্থাপক নিয়োগের বিষয়টি প্রথমবারের মতো সামনে আনে।
জানা গেছে, ওই সময় কেবল শেয়ার ছাড়ার সময় ইস্যু ব্যবস্থাপক নিয়োগের বিষয়টি ভাবা হয়েছিল। রূপান্তরযোগ্য সিকিউরিটিজ এর বাইরে রাখা ছিল। কিন্তু রূপান্তরযোগ্য সিকিউরিটিজ (বন্ড বা অগ্রাধিকার শেয়ার) নিয়ে সম্প্রতি নানা কারসাজি হওয়ায় গতকালের বৈঠকে এটিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তাছাড়া রূপান্তরযোগ্য সিকিউরিটিজ শেষ পর্যন্ত শেয়ারে রূপান্তর হয়ে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এ কারণে রূপান্তরযোগ্য সিকিউরিটিজে ইস্যু ব্যবস্থাপকের মাধ্যমে ডিওডিলিজেন্স করা জরুরি বলে এসইসি মনে করে।
উল্লেখ্য, এর আগে কোম্পানিগুলো মূলধন বাড়ানোর জন্য সরাসরি এসইসিতে আবেদন করতে পারত।
Quote   
04/06/2011 5:22 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন
এসইসি রূপান্তরযোগ্য বন্ডের অনুমতি দেয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের ৫০ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য বন্ড ছাড়ার অনুমোদন দেয়নি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সংস্থাটির এক সভায় গতকাল বুধবার এ বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় শেষ পর্যন্ত বন্ডটির অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটি তাদের মূলধন আরও ১৭৫ কোটি টাকা বাড়ানোর জন্য ৫০ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য বন্ড ছাড়ার ব্যাপারে এসইসিতে আবেদন করে। কোম্পানিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল কমিশনের নিয়মিত সভায় আলোচ্যসূচি হিসেবে বিষয়টি আলোচনায় আনা হয়।
বিস্তারিত আলোচনার পর গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজপত্র না থাকায় বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া থেকে বিরত থাকে এসইসি।
এসইসির ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা জানান, এসইসিতে জমা দেওয়া নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের কাগজপত্রের কমতি রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। ওই সব কাগজ পাওয়া গেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৯১ কোটি টাকা। নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা অতিক্রম করলেই বাধ্যতামূলকভাবে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে (আইপিও) পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু নর্দার্ন পাওয়ার আইপিওতে না গিয়ে রূপান্তর বন্ড ছেড়ে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে তাদের মূলধন বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এই বন্ডের ২৫ শতাংশ বছরভিত্তিতে এবং সম্পূর্ণ চার বছরে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরিত হবে। এ ছাড়া সব বন্ডই সম্পূর্ণ হস্তান্তরযোগ্য হবে।
অভিযোগ উঠেছে, কোম্পানিটি বন্ডের আড়ালে বিপুল পরিমাণ টাকা বাজার থেকে তুলে নিতেই নতুন কৌশল নিয়েছে।
মিউচুয়াল ফান্ড: গতকাল বুধবার এসইসির সভায় রিলায়েন্স ওয়ান নামে একটি মিউচুয়াল ফান্ডের বিবরণীপত্র বা প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয়েছে।
এসইসি সূত্র জানিয়েছে, ১০ বছর মেয়াদি এই মিউচুয়াল ফান্ডটির আকার হবে ৫৫ কোটি টাকা, যা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের পাঁচ কোটি ৫০ লাখ ইউনিটে বিভক্ত থাকবে। এর মধ্যে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইউনিট প্রাক-আইপিও প্লেসমেন্ট এবং বাকি ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। আর বাকি ১১ কোটি টাকা উদ্যোক্তারা দেবেন।
ফান্ডটির মূল উদ্যোক্তা রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকছে বেসরকারি খাতের প্রথম সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি এইমস অব বাংলাদেশ লিমিটেড। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনাধীন মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে রয়েছে এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, গ্রামীণ মিউচুয়াল ফান্ড স্কিম এক ও স্কিম দুই।
Quote   
04/06/2011 5:22 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
শেয়ারবাজারে অনিয়ম
তদন্ত কমিটি আজ প্রতিবেদন দেবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ারবাজারে সংঘটিত অনিয়ম খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটি আজ বৃহস্পতিবার সরকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবে। কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ সচিবালয়ে গিয়ে তা উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। পরে আরেকজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন: বিআইবিএমের মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী, আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী ও ব্যারিস্টার নিহাদ কবির। প্রথমে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন তৈরির কথা বলা হলেও পরে সময় কমিয়ে আনা হয়।
১১ ধরনের বিষয় খতিয়ে দেখার কথা কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়। এগুলো হচ্ছে: ১. পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউস এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানি পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের ব্যাঘাত ঘটিয়ে বাজারকে অস্থিতিশীল করার কাজে লিপ্ত ছিল কি না। ২. ২০১০ সালের শুরুতে ব্যাংক ও সঞ্চয়ের বিভিন্ন উপকরণে বিনিয়োগ হতে লব্ধ আয়ের তুলনায় পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি আয়ের তুলনা। ৩. পুঁজিবাজারের অব্যাহত উর্বর গতির প্রকৃতি পর্যালোচনা, পুঁজিবাজারের টেকসই অবস্থার ধারণা এবং অতিমূল্যায়নের প্রকৃতি নির্ণয়। ৪. পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীর পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদি ক্রেতা-বিক্রেতার অনুপ্রবেশ এবং তাদের লেনদেনের ধরন। এ ধরনের ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের লেনদেনকৃত অর্থের পরিমাণ এবং বাজারকে প্রভাবিত করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা ও এদের চিহ্নিত করা। ৫. পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের প্রচলিত আইন, বিধিবিধান যথাযথ ছিল কি না এবং এসইসির গৃহীত পদক্ষেপগুলো যথাযথ ছিল কি না, তা নিরূপণ করা। ৬. অতিমূল্যায়িত বাজারের সুযোগ নিয়ে সরাসরি তালিকাভুক্তি, বুক বিল্ডিং এবং ফিক্সড প্রাইসের মাধ্যমে অতিমূল্যায়িত শেয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) এনে অস্বাভাবিক পরিমাণে অর্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি নিরূপণ। এ প্রক্রিয়ায় ইস্যু ম্যানেজার, নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, অডিট ফার্ম ও অ্যাসেট ভ্যালুয়ার কোম্পানির ভূমিকা। ৭. গণপ্রস্তাবে ইস্যুয়ার কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা পর্যালোচনা। ৮. দ্রুত দরপতনের প্রাক্কালে সামগ্রিকভাবে বাজারের তারল্য পর্যালোচনা। ৯. পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি পর্যাপ্ত ছিল কি না, পর্যালোচনা। ১০. ডিএসই ও সিএসইর অবকাঠামো ও সুশাসন যথাযথ ছিল কি না। ১১. অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে কমিটি যথাযথ মনে করলে তা বিবেচনা করবে।
Quote   
04/06/2011 5:24 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
পুঁজিবাজার কারসাজি: আজ অর্থমন্ত্রীর কাছে তদন্ত রিপোর্ট

ঢাকা, ৭ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক উত্থান-পতন ও কারসাজির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি আজ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করবেন। সকাল ৯টায় খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করবেন বলে জানা গেছে।
এ উপলক্ষে আজ বিকেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, দু'মাস ধরে তদন্ত কমিটি পুঁজিবাজারের বিপর্যয় এবং বিভিন্ন কারসাজির সঙ্গে সম্পৃক্তদের শনাক্ত করতে পেরেছেন বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারে অনিয়ম, দুর্নীতি ও কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়াও এসইসি পুনর্গঠনের সুপারিশ করা হবে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া সব ধরনের কারসাজির সাথে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সম্পৃক্ততা পাওয়ায় দ্রুত স্টক এক্সচেঞ্জ ডি-মিউচ্যুয়ালাইজেশন করার সুপারিশ থাকছে তদন্ত প্রতিবেদনে।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পুঁজিবাজারে একের পর এক বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে এর কারণ উদঘাটন ও কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। এরপর গত ২৬ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এসইসির পক্ষ থেকে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি এবং এর কার্যপরিধি ঘোষণা করা হয়। তদন্ত কমিটির অন্য দু'সদস্য হলেন- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী এবং আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী এফসিএ। গত ২২ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিহাদ কবিরকে অন্তর্ভুক্ত করে তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপনে কার্যপরিধি অপরিবর্তিত রাখা হলেও এর মাধ্যমে কমিটির কার্যক্রম এসইসির পরিবর্তে মন্ত্রণালয়ের আওতায় ন্যস্ত হয়।
Quote   
04/06/2011 5:24 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
সালমানের নর্দার্ন পাওয়ারের কাছে তথ্য চেয়েছে এসইসি

ঢাকা, ৬ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): রূপান্তরিত বন্ড ছেড়ে টাকা উত্তোলনে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের প্রস্তাবপত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি থাকায় তা অনুমোদন দেয়নি সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বুধবার কমিশনের জরুরি সভায় নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কোম্পানির কাছ থেকে সম্পূর্ন তথ্য পাওয়ার পরই তা অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইস্যু করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ৩০ মার্চ এসইসিতে একটি আবেদনপত্র জমা দেয়। একইসঙ্গে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) বন্ডটির ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের অনুমোদনের জন্যও আবেদন করা হয়। ওই আবেদন পাওয়ার পরপরই তড়িঘড়ি করে বন্ডটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু করে এসইসি। আবেদন পাওয়ার পর মাত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের জন্য আইসিবিকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। একই দিন বন্ড ইস্যু করে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদনের জন্য সব আয়োজন সম্পন্ন করে কমিশনের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু ওইদিন একজন সদস্য অনুপস্থিত থাকায় বৈঠকের কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় বৈঠকের তারিখ পুনর্নিধারণ করা হয়। শুধু নর্দার্ন পাওয়ারের বন্ড অনুমোদনের জন্য বুধবার কমিশনের এ জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে।
এসইসিতে দেয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ৬ মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে ৪ বছর। অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করা হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে। মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে বন্ডের বিনিয়োগকারীরা অভিহিত মূল্যে (১০ টাকা) নর্দার্ন পাওয়ারের শেয়ার পাবেন। নর্দার্ন সলিউশনের প্রায় অর্ধেক অংশের মালিক সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন বেঙ্মিকো টেঙ্টাইল। এসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন গত বছরের ডিসেম্বরে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৯০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৯১ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়।
Quote   
04/06/2011 5:25 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
রিলায়েন্স ওয়ান ফার্স্ট স্কীম মিউচ্যুয়াল ফা-ের প্রসপেক্টাস অনুমোদন

ঢাকা, ৬ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ৫৫ কোটি টাকার রিলায়েন্স ওয়ান ফার্স্ট স্কীম মিউচ্যুয়াল ফাণ্ডের প্রসপেক্টাসের অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ বুধবার কমিশনের নিয়মিত সভায় এ ফাণ্ডের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
৫৫ কোটি টাকার এ ফাণ্ডে উদ্যোক্তারা ১১ কোটি টাকা যোগান দিবেন। এছাড়া প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং আইপিওর মাধ্যমে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হবে। এ ফাণ্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ধরা হয়েছে ১০ টাকা এবং সম্পদ ব্যবস্থাপক হচ্ছে এইমস অব বাংলাদেশ।
Quote   
04/06/2011 5:25 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
শেয়ারের দাম বাড়লেও সূচক ও লেনদেন কমেছে

ঢাকা, ৬ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ শেয়ারের দাম আজ বুধবার বাড়লেও সূচক কমেছে। লেনদেনের শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ১ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট কমে ৬৪৫৪ দশমিক ০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-২০ সূচক ১৯ দশমিক ০৪ পয়েন্ট কমে ৩৯৯৩ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসআই সার্বিক সূচক ১ দশমিক ৩১ পয়েন্ট কমে ৫৩৫২ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
পুঁজিবাজারের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেলেও লেনদেন কমেছে। লেনদেন হয়েছে ৮১৯ কোটি টাকা। যা গতকালের লেনদেনের চেয়ে ৩২৯ কোটি টাকা কম। মঙ্গলবার ডিএসই সাধারণ সূচক ৮০ পয়েন্ট কমে গেলেও ওইদিন পুঁজিবাজারে লেনদেন হয় ১ হাজার ১শ ৪৮ কোটি টাকা।
ডিএসইতে হাত বদল হয় ২৫৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। এর মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ১৭৪টির, কমেছে ৭৫টির ও অপরিবর্তিত ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দর। এদিকে জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রবণতা আজও লক্ষ্য করা গেছে। তালিকাভুক্ত জেড ক্যাটাগরির ২২টি কোম্পানির শেয়ারে মধ্যে ৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে, বেড়েছে ১৫টির দাম, অপরিবর্তিত রয়েছে একটি কোম্পানির শেয়ার দর। এদিকে এ ক্যাটাগরির ১৯১টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ১৩৪টির, কমেছে ৫৭টির দাম। আর বি ক্যাটাগরির ৯টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে ৬টির, কমেছে ২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১টির দাম।
আজ ২৯ কোটি টাকার কিছু বেশি লেনদেন করে শীর্ষ তালিকায় রয়েছে আফতাব অটো। এছাড়া এ তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- বিএসআরএম স্টিলস, কনফিডেন্স সিমেন্ট, কেয়া কসমেটিকস, বেক্সিমকো, পিপলস লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, বেক্সটেক্স, গোল্ডেনসন, ইস্টার্ন হাউজিং ও বে লিজিং।
Quote   
04/06/2011 5:25 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
এমজেএল-এর ৩০ শতাংশ বোনাস দেয়ার প্রস্তাব

ঢাকা, ৬ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): মোবিল যমুনা লুব্রিকেন্টস (এমজেএল) কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়ার প্রস্তাব জানিয়েছে মোবিল। আজ বুধবার এমজেএল-এর চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের কাছে এ প্রস্তাব দিয়েছেন বলে ডিএসই'র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল হক জানিয়েছেন।
এর আগে ২২ মার্চ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি শর্তসাপেক্ষে এমজেএলকে তালিকাভুক্তির জন্য ডিএসইতে প্রেরণ করে। ২৪ এপ্রিল ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এমজেএলকে তালিকাভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
কোম্পানি আইনের ৫৭-এর ২ (এ) ধারা অনুযায়ী শেয়ারহোল্ডারদের বোনাস শেয়ার দেয়ার প্রস্তাব মৌখিকভাবে ডিএসইকে জানায় এমজেএল এবং বোনাস শেয়ার লেনদেন শুরু হওয়ার আগে শেয়ার হোল্ডারদের দেয়া প্রস্তাব দিয়েছে এমজেএল। এ বিষয়টি দ্রুত সময়ের মধ্যে ডিএসই প্রস্তাব আকারে এসইসি'র অনুমোদনে পাঠাবে বলেও জানা গেছে।
Quote   
04/06/2011 5:27 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
SEC okays Reliance mutual fund
Star Business Report

The stockmarket regulator yesterday approved a prospectus of a Tk 55 crore closed-end mutual fund, Reliance One, the first scheme of Reliance Insurance Mutual Fund.

The Securities and Exchange Commission (SEC) gave the nod at a meeting with the commission's chairman Ziaul Haque Khondker in the chair.

The 10-year multi-scheme fund is sponsored by Reliance Insurance Company Limited, a listed insurance firm in Bangladesh.

Of the total fund, Tk 16.50 crore will be raised through pre-IPO private placement and Tk 27.50 crore from the public through initial public offering (IPO). The remaining amount is being sponsored by Reliance Insurance. The face value of each unit of the fund is Tk 10.

AIMS Bangladesh Limited is the asset manager and investment advisor of the fund, while Bangladesh General Insurance Company is trustee and Standard Chartered Bank is its custodian.

Presently, 33 mutual funds are listed on the stockmarket that accounts for around 2 percent of the total market capitalisation.

In another development, the SEC neither approved nor rejected a proposal of issuing bonds by Northern Power Solution.

Instead, the SEC sought further information from the company, as the regulator found deficiency in the power company's proposal of bond issuance.

“A letter seeking further documents on the bond issuance will be sent to the company,” said an SEC official after the meeting.

Earlier, Northern Power sought permission from the SEC to raise Tk 175 crore through issuing bonds at 18 percent interest rate through private placement.

The company in the proposal said 50 percent of the bonds are convertible to ordinary shares after a certain period of time.

Moreover, the existing paid-up capital of Tk 91 crore suggests the company should go for IPO as per regulatory requirements. But, the company is planning to issue convertible bonds instead.
Quote   
04/06/2011 5:28 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
তালিকাভুক্তির জটিলতা কাটছে
৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়ার প্রস্তাব করেছে মবিল-যমুনা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট (এমজেএল) বাংলাদেশ লিমিটেড প্রাথমিক গণ-প্রসত্মাবে (আইপিও) শেয়ার বরাদ্দপ্রাপ্তদের ৩০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দেয়ার প্রসত্মাব করেছে। কোম্পানির পৰ থেকে ইতোমধ্যেই ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লিখিতভাবে এই প্রসত্মাব দেয়া হয়েছে। বোনাস শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে প্রাথমিক শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য কমিয়ে আনার বিষয়ে আগেই ডিএসইর পৰ থেকে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করা হয়েছিল। ফলে এর মধ্য দিয়ে মবিল-যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে জটিলতার অবসান ঘটবে বলে কোম্পানি সংশিস্নষ্টরা আশা করছেন। দু'একদিনের মধ্যেই ডিএসইর সম্মতিপত্রসহ বোনাস ইসু্যর প্রসত্মাব অনুমোদনের জন্য সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জানানো হবে বলে জানা গেছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এমজেএলের উদ্বৃত্ত তহবিল (রিজার্ভ ফান্ড) থেকে পরিচালকসহ সকল শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দেয়া হবে। এৰেত্রে প্রথমে শুধু আইপিওধারীদের বোনাস দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোম্পানির মোট শেয়ারের ২৫ শতাংশ সরকারের হাতে থাকায় শুধু আইপিওধারীদের বোনাস দিলে রাষ্ট্রীয় অংশীদারিত্ব কমে যায়। এজন্য একযোগে সবাইকে বোনাস দেয়ার চিনত্মা করছে। এর আগে কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির নির্ধারিত ৭৫ দিন পার হওয়ায় এসইসি আরও দুই সপ্তাহ বাড়িয়েছে। স্টক এঙ্চেঞ্জের তালিকাভুক্তির বিধান অনুযায়ী ৩১ মার্চের মধ্যে এমজেএলের তালিকাভুক্তি অনিশ্চয়তার কারণে এ সময় বাড়ানো হয়। বর্ধিত সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যনত্ম এমজেএলের তালিকাভুক্ত হতে হবে।
বরাদ্দ মূল্যের তুলনায় বাজার মূল্য কমে গেলে লেনদেন শুরম্নর ৬ মাস পর্যনত্ম প্রাইমারী শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ দেয়ার শর্তে এমজেএলের তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয় এসইসি। তবে ২৪ মার্চ এসইসির বেঁধে দেয়া শর্ত আইনসিদ্ধ না হওয়ায় ডিএসই তালিকাভুক্তি সংক্রানত্ম কমিটি মবিল যমুনার তালিকাভুক্ত করতে রাজি হয়নি। ডিএসইর মতে, এসইসির প্রসত্মাবটি জটিল এবং গ্রহণযোগ্য নয়। পৃথিবীর কোথাও লোকসানে শেয়ার বিক্রি করলে ৰতিপূরণ দেয়ার কোন নজির নেই। তিনি বলেন, কোম্পানি যদি ৰতিপূরণের অর্থ না দেয়, তবে ব্রোকারেজ হাউস বা ডিএসই বিনিয়োগকারীদের ৰতিপূরণের কোন নিশ্চয়তা দেবে না। তবে তালিকাভুক্তির বিষয়ে কোম্পানি যদি ব্যাংক গ্যারান্টিসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে শেয়ার কিনে নেয়ার লিখিত নিশ্চয়তা দেয়, তাহলে এ দুটি কোম্পানির তালিকাভুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে ডিএসই। সেটা না হলে তালিকাভুক্তির নিয়মানুযায়ী ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত না হলে কোম্পানি আইপিও আবেদনকারীদের অর্থ ফেরত দেবে। এ অবস্থায় এসইসির পৰ থেকে এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য দুই সপ্তাহ সময় বাড়ায়। এবার বোনাস দেয়ার প্রসত্মাব আসায় বিষয়টির সুরাহা হবে বলে আশা করছেন সংশিস্নষ্টরা।
উলেস্নখ্য, মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। এজন্য শেয়ারপ্রতি ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৬০৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়াচ্ছে ৬২।
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌলভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংক্রানত্ম বিধি সংশোধন করে স্থায়ীভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দু'টি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতায় শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্ত আরোপের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়।
Quote   
04/06/2011 5:28 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
বরকতুল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিক্সে আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বরকতুলস্নাহ ইলেকট্রো ডায়নামিঙ্রে প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) লটারির ড্র গতকাল বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে। লটারির ফলাফল দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ ও কোম্পানিসহ সংশিস্নষ্ট সকল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১০-১৩ এপ্রিল শেয়ারের বরাদ্দপত্র এবং লটারিতে বরাদ্দ না পাওয়া আবেদনকারীদের টাকা ফেরত (রিফান্ড) দেয়া হবে।
লটারি অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কোম্পানির ১২০ কোটি টাকার আইপিওর বিপরীতে মোট ৭৬৪ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে_ যা নির্ধারিত শেয়ারের ৬ গুণের বেশি। লটারির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৮০ হাজার, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ হাজার এবং মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য ১০ হাজার লট শেয়ার বরাদ্দ করা হয়। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতি ২০০টি শেয়ারের ১ লট নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বু্যরো অব রিসার্চ, টেস্টিং এ্যান্ড কনসালটেশন (বিআরটিসি) লটারি কার্যক্রম পরিচালনা করে। অনুষ্ঠানে কোম্পানির চেয়ারম্যান ফয়সাল আহমেদ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম রাব্বানী চৌধুরী, কোম্পানি সচিব মুহাম্মদ মনিরম্নল ইসলাম, ডিএসই, সিএসই এবং সিডিবিএলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

৫৫ কোটি টাকার রিল্যায়েন্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড অনুমোদন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ৫৫ কোটি টাকার রিল্যায়েন্স ইন্সু্যরেন্স ফার্স্ট স্কিমের রিল্যায়েন্স ওয়ান মিউচু্যয়াল ফান্ডের চূড়ানত্ম অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় ফান্ডটির বিবরণী (প্রসপেক্টাস) অনুমোদন করা হয়।
মিউচু্যয়াল ফান্ডটির ৫৫ কোটি টাকার মধ্যে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান রিল্যায়েন্স ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ১১ কোটি টাকা দেবে। ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হবে প্রাইভেট পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে। বাকি ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত তহবিলের মধ্যে স্থানীয়দের কাছ থেকে ২১ কোটি, প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছ থেকে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য মিউচু্যয়াল ফান্ডের কাছ থেকে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হবে। এই ফান্ডের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে এইমস অব বাংলাদেশ লিমিটেড।

অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়লেও কমেছে সূচক ও লেনদেন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়লেও পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ কমে গেছে। বুধবার লেনদেনের শেষে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট কমে ৬৪৫৪ দশমিক ০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সেইসঙ্গে কমেছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ। সারা দিনে ডিএসইতে ৮১৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের তুলনায় ৩২৯ কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৪টির, কমেছে ৭৫টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
ডিএসইতে বুধবার সূচক কমার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরম্ন হয়। প্রথম ১০ মিনিটে সূচক ৪৩ পয়েন্ট কমে যায়। তবে ১৫ মিনিটের মধ্যে সূচক কিছুটা বাড়ে। এরপর আবার সূচক কমে যায়। এভাবে দিনভর সূচক ওঠানামা করে। এদিন শেয়ারবাজারে 'জেড' ক্যাটাগরির শেয়ারের দরবৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তালিকাভুক্ত জেড ক্যাটাগরির ২২টি কোম্পানির শেয়ারে মধ্যে ৬টি কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে, বেড়েছে ১৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটি কোম্পানির শেয়ারের দর। অন্যদিকে 'এ' ক্যাটাগরির ১৯১টি কোম্পানির মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ১৩৪টির এবং কমেছে ৫৭টির। আর 'বি' ক্যাটাগরির ৯টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৬টির, কমেছে ২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১টির।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) দিনের লেনদেন শেষে সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১১৬৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২০৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ১১০টির, কমেছে ৮২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের। মোট লেনদেন হয়েছে ৮২ কোটি টাকা_ যা আগের দিনের চেয়ে ২৮ কোটি টাকা কম।
আর্থিক লেনদেনের দিক থেকে ডিএসইতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে আফতাব অটো। এই কোম্পানির প্রায় ২৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এছাড়া শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে_ বিএসআরএম স্টিলস, কনফিডেন্স সিমেন্ট, কেয়া কসমেটিকস, বেঙ্মিকো লিমিটেড, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, বেঙ্টেঙ্, গোল্ডেনসন, ইস্টার্ন হাউজিং এবং বে লিজিং।
Quote   
04/06/2011 5:29 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
নর্দার্ন পাওয়ার বন্ডের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি এসইসি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের ৫০ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইসু্যর অনুমোদন প্রদানের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল বুধবার কমিশনের নিয়মিত সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় বন্ডটির অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। বাজারে আসার ব্যাপারে অনুমোদন দেয়নি সংস্থাটি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড রূপানত্মরযোগ্য বন্ড ইসু্য করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ৩০ মার্চ এসইসিতে একটি আবেদনপত্র জমা দেয়া হয়। একইসঙ্গে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) বন্ডটির ট্রাস্টির ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের অনুমোদনের জন্যও আবেদন করা হয়। ওই আবেদন পাওয়ার পর পরই তড়িঘড়ি করে বন্ডটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরম্ন করে এসইসি। আবেদন পাওয়ার পর মাত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যে গত সোমবার ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের জন্য আইসিবিকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। বন্ড ইসু্য করে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদনের বিষয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় আলোচনা করা হয়। তবে গুরম্নত্বপূর্ণ কিছু কাগজপত্র না থাকায় বিষয়টি অনুমোদন দেয়নি এসইসি।
এসইসির উর্ধতন এক কর্মকর্তা জানান, এসইসিতে জমা দেয়া নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের কাগজপত্রের ঘাটতি রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হবে। ওইসব কাগজ পাওয়া গেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এসইসিতে দেয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রসত্মাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ৬ মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে ৪ বছর। অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করা হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে। মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এৰেত্রে বন্ডের বিনিয়োগকারীরা অভিহিত মূল্যে (১০ টাকা) নর্দার্ন পাওয়ারের শেয়ার পাবেন।
নর্দার্ন পাওয়ারের প্রসত্মাবিত বন্ডের সুদের হার এবং শেয়ারে রূপানত্মরের প্রক্রিয়া নিয়ে সংশিস্নষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ১৩-১৪ শতাংশ হার সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও কী কারণে কোম্পানিটি ১৮ শতাংশ সুদে বন্ড ইসু্য করছে তা অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়। ব্যাংকে আমানত রেখে যে হারে সুদ পাওয়া যায় তার চেয়ে কমপৰে ৬ শতাংশ বেশি সুদ দেয়ার পরও অভিহিত মূল্যে শেয়ারের রূপানত্মরের সুযোগ প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এসইসির বিধি অনুযায়ী কোন কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা পূর্ণ হলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক। আবার গত ডিসেম্বরে কোম্পানিকে ৯০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দেয়ার সময় এসইসি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসার শর্ত বেধে দিয়েছিল। ফলে নর্দার্ন পাওয়ারকে এক বছর পরই পুঁজিবাজারে আসতে হবে। কোম্পানির আইপিওতে অভিহিত মূল্যের অতিরিক্ত (প্রিমিয়াম) অর্থ সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্তির পর শেয়ারবাজারে কোম্পানির শেয়ার অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি দরে লেনদেন হওয়াই স্বাভাবিক। ওই সময় কোম্পানির ইসু্যকৃত বন্ডকে অভিহিত মূল্যে শেয়ারে রূপানত্মর করা হলে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের পাশাপাশি বন্ডে বিনিয়োগকারীরাও পুঁজিবাজার থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা তুলে নেয়ার সুযোগ পাবেন। তালিকাভুক্তির আগেই কোম্পানির উদ্যোক্তা ও তাদের ঘনিষ্ঠজনদের জন্য বিপুল মুনাফার সুযোগ তৈরি করে রাখার জন্যই রূপানত্মরযোগ্য বন্ড ইসু্য করা হচ্ছে বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন।
Quote   
04/06/2011 5:30 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
FE REPORT
Premier Bank approves 31pc stock dividend

The AGM was held in the city Wednesday. Chairman of the board of directors of the bank Dr HBM Iqbal presided over the meeting, said a press release.

A large number of shareholders attended the AGM.

In his presidential address, the chairman told the AGM that during the year 2010 the bank earned operating profit of Tk 4.78 billion registering 94.69 per cent growth compared to previous year 2009.

At the end of 2010, the bank earned profit after tax of Tk 1.77 billion against Tk 1.09 billion in 2009, he pointed out.

Total deposit of the bank rose by 46.30 per cent over the year 2010 to reach at Tk 54.69 billion. Total loans and advances stood at Tk 46.40 billion at the end 2010 yielding a significant growth of 37.83 per cent, the told the AGM.

The chairman appreciated the support of the board members and the effort made by the management team to bring about improvement in the operations of the bank.

He also thanked and admired the valued customers of the bank for their continuous support over the last couple of years.

To meet the challenge of globalisation, the chairman advised the management to prepare a future business plan for the bank.

Addressing the AGM, Vice Chairman of the bank

BH Haroon MP thanked the shareholders for their relentless cooperation that has positioned the bank on a strong foundation.

In his address, Director Kazi Abdul Mazid mentioned that despite of a lot of barrier the year 2010 was successful year for bank in terms of profit and turnover.

As a dynamic institution, the Premier Bank Limited has always stressed the need for sustainable growth. During the year 2010 the bank had given more consolidation in different segments of business and its relationship with customers which had been crystallised by its universal motto of "Service First", he mentioned.

Taking part in the discussion, Managing Director of the bank Niaz Habib informed the shareholders about various steps taken by the management to improve efficiency and to introduce products and services.

The bank has already opened up a new horizon in the corporate world with the launching of some sophisticated products and services for its valued customers like VISA Credit Card and Master Card, Premier TC, PREMIER SMS and PREMIER CMS, Premier 50+ Account and Premier Genius Account for the students, he added.

Among others, directors Nawrin Iqbal, Moin Iqbal, Md Imran Iqbal, Shah Md Nahyan Haroon and Md Lutfur Rahman and Company Secretary Syed Ahsan Habib attended the AGM.

After detailed review the shareholders approved the audited accounts and directors' reports for the year that ended on December 31, 2010
Quote   
04/06/2011 5:31 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Dhaka stocks end flat amid fluctuation
FE Report

Dhaka stocks closed almost flat Wednesday amid fluctuation with lower turnover as the investors were cautious in their trading centering forthcoming probe report of much-talked about stock scam.

The recent stock market scam probe committee is expected to submit its report to Finance Minister AMA Muhith today (Thursday).

Many investors were cautious in their trading as some media already published some findings of the report, claimed a stock broker.

Many investors remained inactive on the day, pushing the turnover to drop 28.6 per cent to Tk 8.19 billion, from Tk 11.48 billion in the previous session.

However, share prices of most of the issues traded on the day gained. Out of 256 issues traded, 174 issues advanced, 75 issues declined and seven issues remained unchanged.

A mixed trend prevailed throughout the session with the main index oscillating several times between the negative and positive zones-highest 6,481.75 to lowest 6,412.19 points before ended the day with 1.76 points lower.

The DSE General Index (DGEN), the main gauge of the market, closed at 6,454.05 with a marginal loss of 0.03 per cent or 1.76 points.

The broader All Shares Price Index (DSI) lost 0.02 per cent or 1.32 points to 5,352.99. The DSE-20 index comprising blue-chip shares ended at 3993.44, shedding 0.47 per cent or 19.05 points.

However, market insiders said the market trend was good as it fluctuated within 70 points.

"The ups and down is a normal phenomena of the stock market and the market fluctuated between 70 points, which is very good and matured market behavior," said Ahsanul Islam Titu, senior vice president of the Dhaka Stock Exchange.

A section of investors preferred to stay on the safe zone until the investigation report is submitted, said a leading merchant banker.

"Some investors are cautious and they are following 'wait and see' policy until the investigation report is submitted," he said.

However, some said the market is a little bit nervous because of media reports on investigation report where some names come into light.

A total of 58.67 million shares changed hands on the day against 76.64 million in the previous session. The trade deals also decreased to 159,307 against 210,945 in the previous session.

The market capitalisation stood at Tk 2881.13 billion which was almost same against Tk 2,881.10 billion in the previous session.

Insurance sector was the top gainer on the day as out of 44 issues traded on the day, only three issues lost and 41 issues gained. Life and general insurance sector rose by 0.32 per cent and 2.59 per cent respectively.

Among the gaining sectors---mutual fund 0.61 per cent, engineering sector 2.12 per cent, tannery sector 1.12 per cent, ceramics 0.48 per cent, textile sector 0.56 per cent and pharmaceuticals sector 0.13 per cent.

Grameenphone (GP), the most weighted shares in DSE and lone listed company in telecommunication sector, lost Tk 0.40 per share and closed at Tk 168.5 on the day and the sector lost 0.12 per cent.

Banking issues, the market's bellwether, retraced by 0.73 per cent. In the banking sector 29 issues traded, only nine advanced and 20 declined.

In the NBFIs sector 21 issues traded, nine issues lost while 11 issues gained on the day and the sector fell 0.23 per cent.

In the fuel and power sector 10 issues traded, seven issues lost and three issues advanced and the sector lost 0.48 per cent.

In the textile sector 24 issues traded, 15 issues advanced and six issues declined in prices on the day.

In the pharmaceuticals sector out of 20 issues, 14 issues gained and six issues lost on the day.

Aftab Automobile topped the turnover list with shares worth Tk 299.69 million traded on the day.

The other turnover leaders were BSRM Steels, Confidence Cement, Keya Cosmetics, Beximco Limited, Peoples Leasing, Bextex Limited, Golden Sons, Eastern Housing and Bay Leasing.

Ambee Pharma was the day's highest gainer posting a rise of 7.25 per cent. It was followed by Anlima Yarn, Grameen Mutual Fund One, Pragati Insurance, Reliance Insurance, Janata Insurance, Midas Finance, Beach Hatchery and Purabi General Insurance.
Quote   
04/06/2011 5:31 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
IPO lottery of Barkatullah held
FE Report

Barakatullah Electro Dynamics Limited (BEDL) held its IPO lottery at Bangabandhu International Conference Centre Wednesday.

The lottery draw was conducted by Bureau of Research, Testing and Consultation (BRTC) of Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET), said a company statement.

Chairman of the company Faisal Ahmed Chowdhury inaugurated the lottery draw programme.

Managing Director Gulam Rabbani Chowdhury informed that the IPO of the company was oversubscribed by 6.37 times. Investors deposited Tk 7.64 billion against Tk 1.20 billion.

Out of the subscription BUET has selected 80,000 lot from General Public, 10,000 lot from NRB investors and 10,000 lot from Mutual Fund by lottery for share allotment.

BEDL is the first private sector power generating company of the country by a group of NRB investors. It has installed and commissioned a 51mw power plant at Fenchuganj, Sylhet in October 2009 and since then supplying uninterrupted electricity to Bangladesh Power Development Board (BPDB) under a Power Purchase Agreement.
Quote   
Page 1 / 3 1 - 2 - 3 Next »
Login with Facebook to post
Preview