| 04/06/2011 5:31 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | DSE news in brief
Dhaka Bank credits bonus shares
The authorities of Dhaka Bank Limited have stated that they have credited the bonus shares to the respective shareholders' BO accounts.
Cos' board meet
Shahjalal Islami Bank: A meeting of the board of directors of Shahjalal Islami Bank Limited will be held on April 10, 2011 at 5:00pm to consider, among others, audited financial statements of the bank for the year that ended on December 31, 2010.
Safko Spinnings: A meeting of the board of directors of Safko Spinnings will be held on April 11, 2011 at 4:00pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Suspension of trading
Jamuna Oil: Trading of the shares of Jamuna Oil Company Limited will remain suspended on record date today (Thursday).
BRAC SC Bond: Trading of the Subordinated 25 per cent Convertible Bonds of BRAC Bank Ltd will remain suspended on record date today (Thursday).
Spot trading
Islamic Finance: Trading of the shares of Islamic Finance & Investment Limited will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Thursday) to Monday (April 11). Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on April 12.
BSRM Steels: Trading of the shares of BSRM Steels Limited will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Thursday) to Monday (April 11). Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on April 12.
Ocean Containers: Trading of the shares of Ocean Containers Limited will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Thursday) to Monday (April 11). Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on April 12.
Summit Alliance: Trading of the shares of Summit Alliance Port Limited will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Thursday) to Monday (April 11). Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on April 12.
Mercantile Insurance: Trading of the shares of Mercantile Insurance Company Ltd will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with the entitlement of rights share from today (Thursday) to Monday (April 11). Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on April 12.
Meghna Petroleum discloses
half yearly report
As per un-audited half yearly accounts of Meghna Petroleum Limited as on December 31, 2010 (July' 10 to Dec' 10), the company has stated profit after tax of Tk 254.08 million with restated EPS of Tk 5.24 (considering proposed 5.0 per cent stock dividend for the year 2009-10) as against Tk 198.49 million and Tk 4.09 respectively for the same period of the previous year. 'Other Income' of the company was Tk 156.02 million as on December 31, 2010 which was Tk 130.94 million as on December 31, 2010. — Dse Online
|
|
|
| 04/06/2011 5:33 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজার কারসাজি
বৃহস্পতিবার তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে: ইব্রাহিম খালেদ
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজার কারসাজির কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে জমা দেওয়া হচ্ছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ বুধবার সন্ধ্যায় বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তবে রিপোর্টে কি আছে তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে ওই রিপোর্টের বিষয়বস্তু অবহিত করতে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সেখানে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
প্রসঙ্গত, অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ২৬ জানুয়ারি এসইসির পক্ষ থেকে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী এবং আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী। পরে এ কমিটিতে সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিহাদ কবিরকে যুক্ত করা হয়।
কমিটিকে দুই মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়। তবে ২৬ মার্চ এ সময় শেষ হলেও ৩১ মার্চ তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশের বাইরে থাকায় বৃস্পতিবার তা জমা দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময়: ২১৫৯ ঘণ্টা, এপ্রিল ৬, ২০১১ |
|
|
| 04/06/2011 5:34 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে ৩০ শতাংশ বোনাসের প্রস্তাব মবিল যমুনার
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: মবিল যমুনা ৩০শতাংশ বোনাস দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্ত হতে প্রস্তাব দিয়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে( ডিএসই)।
বুধবার কোম্পানির পক্ষে এর চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী ডিএসই’র কাছে লিখিত আকারে এ প্রস্তাব দেন।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার ডিএসইর লিস্টিং কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ডিএসই সূত্র বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছে।
উল্লেখ্য, শর্ত নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে ডিএসই ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জ(সিএসই) গত ২৪মার্চ মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়টি নাকচ করে দেয়। এবং ওইদিনই কোম্পানি দু‘টিকে তালিকাভুক্তির জন্য ২সপ্তাহ সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে মবিল যমুনা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে নতুন করে ৩০শতাংশ বোনাস দেওয়ার প্রস্তাব দিল। এ প্রস্তাবে ডিএসইর সমর্থন রয়েছে বলে জানা গেছে।
সেই হিসেবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার কোম্পানিটি তালিকাভুক্ত হতে পারে।
বাংলাদেশ সময়: ২১৩৫ঘণ্টা, এপ্রিল ০৬, ২০১১ |
|
|
| 04/06/2011 5:34 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুজিবাজার: নর্দার্ন পাওয়ার বন্ডের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি এসইসি
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় নর্দার্ন পাওয়ার বন্ডের অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের ৫০ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইস্যুর অনুমোদন প্রদানের বিষয়ে বুধবার কমিশনের নিয়মিত সভায় আলোচনা হয়। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় বন্ডটির অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এসইসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, এসইসিতে জমা দেওয়া নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের কাগজপত্রের ঘাটতি রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হবে। ওইসব কাগজ পাওয়া গেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
জানা যায়, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবিত বন্ডের বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ এবং শেয়ারে রূপান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ১৩-১৪ শতাংশ হার সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও কী কারণে কোম্পানিটি ১৮ শতাংশ সুদে বন্ড ইস্যু করছে তা অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়। ব্যাংকে আমানত রেখে যে হারে সুদ পাওয়া যায় তারচেয়ে কমপক্ষে ৬ শতাংশ বেশি সুদ দেয়ার পরও অভিহিত মূল্যে শেয়ারের রূপান্তরের সুযোগ প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এসইসিতে দেওয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।
ফলে এ কোম্পানির বন্ড দেওয়ার প্রক্রিয়াকে প্লেসমেন্ট বানিজ্যের বিকল্প হিসেবে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪০ঘণ্টা, এপ্রিল ০৬, ২০১১ |
|
|
| 04/06/2011 5:35 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ৫৫ কোটি টাকার রিল্যায়েন্স মিউচুয়াল ফান্ড অনুমোদন
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: রিল্যায়েন্স ইন্স্যুরেন্স ফার্স্ট স্কিমের রিল্যায়েন্স ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এ ফান্ডের আকার হবে ৫৫ কোটি টাকা।
বুধবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় ফান্ডটির বিবরণী (প্রসপেক্টাস) অনুমোদন করা হয় বলে এসইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
কমিশন সভা সূত্রে জানা যায়, মিউচুয়াল ফান্ডটির ৫৫ কোটি টাকার মধ্যে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান রিল্যায়েন্স ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ১১ কোটি টাকা দেবে। ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হবে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে। বাকি ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত তহবিলের মধ্যে স্থানীয়দের কাছ থেকে ২১ কেটি, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য মিউচুয়াল ফান্ডের কাছ থেকে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হবে।
এই ফান্ডের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে এইমস অব বাংলাদেশ লিমিটেড।
বাংলাদেশ সময়: ১৮০৫ঘণ্টা, এপ্রিল ০৬, ২০১১ |
|
|
| 04/06/2011 5:35 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে অধিকাংশ কোম্পানির দাম বাড়লেও কমেছে সূচক ও লেনদেন
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: দেশের দুই পুঁজিবাজারে বুধবার অধিকাংশ কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বাড়লেও কমেছে সূচক ও লেনদেন। আগের কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেশির ভাগ কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ডের দাম ও সূচক কমেছে । এ নিয়ে টানা দুইদিন উভয় বাজারের সূচক কমলো।
বুধবার ডিএসইতে মোট ২৫৬টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৪টির, কমেছে ৭৫ টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে সাতটি কোম্পানির দাম।
ডিএসইর সাধারণ সূচক এক পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৪শ’ ৫৪ পয়েন্টে স্থির হয়। সার্বিক সূচকও এক পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩শ’ ৫২ পয়েন্টে নেমে আসে।
বুধবার ঢাকার পুঁজিবাজারে ৫ কোটি ৮৬ লাখ ৭৪ হাজার ৩শ’ ৩৫টি শেয়ার মোট ৮শ’ ১৯ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার টাকায় লেনদেন হয়। আগের কার্যদিবসের চেয়ে যা ৩শ’ ২৮ কোটি ৬৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা কম।
এদিন ডিএসইতে লেদেনের ভিত্তিতে দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল আফতাব অটোমোবাইলস। এরপর পর্যায়ক্রমে ছিল বিএসআরএম স্টিল, কনফিডেন্স সিমেন্ট, কেয়া কসমেটিকস, বেক্সিমকো, পিএলএফএসএল, বেক্সটেক্স, গোল্ডেন সন, ইএইচএল ও বে-লিজিং।
দাম বাড়ার শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো- এমবি ফার্মা, আনলিমা ইয়ার্ন, গ্রামীণ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, জনতা ইন্স্যুরেন্স, মাইডাস ফিন্যান্স, বিচ হ্যাচারি ও পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স।
দাম কমার শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো- কোহিনুর কেমিক্যালস, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, এসিআই ফর্মুলেশনস, আল-আরাফা ব্যাংক, ইউএলসি, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস ও মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক।
অন্যদিকে বুধবার সিএসইতে মোট ২০৩টি কোম্পানির লেনদেন হয়।
এরমধ্যে বেড়েছে ১০০টির, কমেছে ৯৪ টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে নয়টি কোম্পানির দাম।
এদিন সিএসইর সাধারণ সূচক ২৮ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৬শ’ ২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ৪১ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার পয়েন্টে স্থির হয়েছে।
সিএসইতে মোট লেনদেন হয় ৮২ কোটি ৬৮ লাখ ৮ হাজার ৫শ’ ৭৮ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ১শ’ ১০ কোটি ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৪০ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৬, ২০১১ |
|
|
| 04/06/2011 5:36 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | এসইসির দশ কর্মকর্তাকে উদ্বৃত্ত ঘোষণা: অধিকার রক্ষায় মামলার প্রস্তুতি
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অর্থমন্ত্রণালয় ও সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়হীনতায় চরম বিপাকে পড়েছেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) দশ কর্মকর্তা। ১৫ বছর কর্মজীবন পার করার পর সম্প্রতি তাদের উদ্বৃত্ত ঘোষণা করে এসইসিকে চিঠি দিয়েছে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়। বিষয়টি জানার পর অধীকার রক্ষায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ওই দশ কর্মচারী।
এসইসি সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালে ৬৪ জন কর্মকর্তা নিয়ে এসইসির যাত্রা শুরু হয়। ১৯৯৭ সালে জনবল বাড়িয়ে ৭৭ করা হয়। ওই বছর উচ্চমান সহকারী (ইউডিএ), নিম্নমান সহকারী (এলডিএ) ও স্টেনোরাইটারের পদ বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়। এসব পদের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) পদে আত্মীকরণ করা হয়। তখন সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই অর্থমন্ত্রণালয় থেকে এসইসি এ আতœীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
২০০৪ সালে এসে তাদের স্কেল ধরা হয়। সে সময় পিএ এবং পিও পদের স্কেল একই হওয়ায় এসইসি আভ্যন্তরীনভাবে চিঠি দিয়ে পিএ পদের ১০ কর্মকর্তাকে পিও পদে উন্নীত করে। একই প্রক্রিয়ায় ১০ জনের মধ্যে একজনকে সহকারী পরিচালক (এডি) পদে উন্নীত করা হয়। এভাবে পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে পিও পদে ৯ কর্মকর্তা ও এডি পদে এক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।
পিও পদে ৯ কর্মকর্তারা হলেন- মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, আশরাফুল ইসলাম, শাহানা পারভীন, মো. সেলিম, নান্নু মিয়া, মাহফুজুর রহমান, নাহার, মুন্সী এনামুল হক ও হাবিবুল্লাহ। এডি পদে কর্মরত রয়েছেন মো. জহিরুল হক।
এদিকে ২০১০ সালে পদোন্নতির এ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠে। গত জানুয়ারি মাসে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে জনবল বাড়ানোর অনুমোদন দিয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়। ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কার্যক্রম শুরু করে কমিশন।
নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে পদোন্নতি শুরু হয়। এ পর্যায়ে পিও পদে থাকা ৯ কর্মকর্তার এডি পদে পদোন্নতি দেওয়ার ব্যাপারে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়।
চিঠির প্রেক্ষিতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়-যেহেতু একজন এডিসহ মোট ১০ কর্মকর্তার আতœীকরণ সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে করা হয়নি তাই তাদের উদ্বৃত্ত ঘোষণা করা হবে। উদ্বৃত্ত ঘোষণার পর এ ১০ কর্মকর্তাকে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে যেতে হবে। তবে তার আগে অবৈধভাবে পদোন্নতি নিয়ে যে বাড়তি বেতন তারা তুলেছেন তা ফেরত দিতে হবে।
এ ব্যাপারে এসইসির নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘গত ৭/৮ বছর ধরেই আতœীকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা চলছে। মানবিকতার বিষয়টি বিবেচনা করে আত্মীকরণ জটিলতা নিরসণের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
এসইসি সূত্র জানায়, কিন্তু পিএ ও পিও পদের স্কেল এক হলেও এডি পদের স্কেল উপরে। ফলে এ জটিলতা তৈরি হয়েছে। এ জটিলতা অব্যাহত থাকলে কর্মকর্তাদের বেতন বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং অবসরের পর তারা কোনো ভাতা পাবেন না।
এদিকে উদ্বৃত্ত ঘোষিত একাধিক কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বলেন, ‘আত্মীকরণ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়ে থাকলে তার জন্য আমরা কিছুতেই দায়ী নই। তারওপর পদাবনতি দিয়ে বাড়তি বেতন ফেরত দেওয়ার বিষয়টিও মেনে নেওয়া যায় না। তাই মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ৫, ২০১১ |
|
|
| 04/06/2011 5:36 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | জিবাজার: দুই কোম্পানির বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা এসইসির
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: জরিমানা আদায় না হওয়ায় ওটিসির দুই কোম্পানির বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
মঙ্গলবার এ মামলা করা হয় বলে এসইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে। কোম্পানি দুটি হলো- সজীব নিটওয়্যার ও ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় এ দুই কোম্পানিকে জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে সজীব নিটওয়্যারকে ১ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনালকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জরিমানার তারিখ থেকে পরিশোধ না করা পর্যন্ত প্রতিদিন আরও ১০ হাজার টাকা গুনতে হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে প্রতিদিনের ১০ হাজার টাকাসহ জরিমানা পরিশোধ না করায় কোম্পানি দুটির বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা করলো নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
এ ব্যাপারে এসইসির এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ বাধ্যতামূলক। কোনো কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে অসঙ্গতি থাকলে প্রথমে কারণ দর্শাও নোটিশ ও পরে জরিমানা করে এসইসি।
জরিমানা পরিশোধের জন্য সাধারণত এসইসি ৩ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করে থাকে। তবে প্রথম ধাপে ১৫ দিন সময় বেঁধে দেয় এসইসি। পরে কোম্পানির আবেদন সাপেক্ষে সময় বাড়ানো হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে তাদের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা করা হয়।
তবে জরিমানার তারিখ থেকে পরিশোধ না করা পর্যন্ত এ কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিন আরও ১০ হাজার টাকা করে গুনতে হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭১০ঘন্টা, এপ্রিল ০৫, ২০১১ |
|
|
| 04/06/2011 5:39 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Somokal
৩০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার নতুন প্রস্তাব দিল এমজেএল
সমকাল প্রতিবেদক
ক্ষতিপূরণ নয়, এবার ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেওয়ার মাধ্যমে তালিকাভুক্তির জটিলতা নিরসনের নতুন প্রস্তাব দিয়েছে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টস (এমজেএল) কোম্পানি। কোম্পানির অতিরিক্ত মজুদ তহবিলে (রিজার্ভ অ্যান্ড সারপ্লাস ফান্ড) বোনাস শেয়ারের অর্থ নেওয়া হবে।
গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কোম্পানির চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী এ প্রস্তাব দিয়েছেন। আগামীকাল কোম্পানিটির এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসিকে লিখিতভাবে জানানোর কথা রয়েছে। এছাড়া আগামী রোববার ডিএসই কার্যালয়ে এ বিষয়ে বিশেষ বৈঠক করার অনুরোধ জানিয়েছেন কোম্পানির চেয়ারম্যান। ডিএসই সভাপতি এ কথা স্বীকার করেছেন। তবে ডিএসই সভাপতির সঙ্গে বৈঠকের পর আজম জে চৌধুরী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ডিএসই সভাপতি জানান, মবিল যমুনা কোম্পানির চেয়ারম্যান ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেওয়ার শর্তে কোম্পানিটিকে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত করতে রাজি হওয়ার অনুরোধ জানান। ডিএসই সভাপতি বলেন, আমি জানিয়েছি, এ বিষয়ে এসইসির অনুমোদন লাগবে। শাকিল রিজভী জানান, কোম্পানির চেয়ারম্যান তাকে জানিয়েছেন_ কোম্পানিটি তাদের নতুন প্রস্তাব লিখিতভাবে এসইসিকে জানাবে। তিনি বলেন, প্রস্তাবটি কোম্পানি আইন বা এসইসির কোনো বিধিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয় আবার কোম্পানির শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়ে যাওয়ার বিষয়টিরও একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান হতে পারে। ডিএসই সভাপতি কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি বলেন, এসইসি থেকে কোনো নির্দেশনা পেলে ডিএসই পরিচালনা পর্ষদ এ বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেবে।
প্রসঙ্গত, ৩১ মার্চ মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির সর্বশেষ সময় শেষ হয়; কিন্তু বিশেষ বিবেচনায় এসইসি কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির জন্য আরও ১৫ দিন সময় বাড়িয়ে দেয়। সে হিসাবে মবিল যমুনা কোম্পানিকে আগামী ১৪ এপ্রিলের (বৃহস্পতিবার) মধ্যে তালিকাভুক্ত হতে হবে। অন্যথায় কোম্পানিটির আইপিও প্রক্রিয়া বাতিল হবে এবং আইপিও বরাদ্দকারীদের টাকা ফেরত দিতে হবে। কোম্পানিটি বুক-বিল্ডিং প্রক্রিয়ায় ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা করে মোট ৬০৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল।
রেটিং দিন :
|
|
|
| 04/06/2011 5:40 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন কমেছে
ইত্তেফাক রিপোর্ট
দেশের দুই শেয়ারবাজারেই বুধবার লেনদেন কমেছে। দিনভর সূচকের ওঠানামার পর সামান্য পতন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেড়েছে তালিকাভুক্ত দেড় শতাধিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। তবে সূচক ও লেনদেন কিছুটা কমেছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমলেও বেড়েছে শেয়ারের দাম।
গতকাল ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ১ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট কমে ৬ হজার ৪৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৪টির, কমেছে ৭৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে নয়টি প্রতিষ্ঠানের। মোট লেনদেন হয়েছে ৮১৯ কোটি টাকার; যা গতকালের চেয়ে ৩২৯ কোটি টাকা কম।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো্তবিএসআরএম স্টিল, আফতাব অটো, কনফিডেন্স সিমেন্ট, বেক্সিমকো, কেয়া কসমেটিকস, পিএলএফএসএল, বেক্সটেক্স, গোল্ডেন সন, ইএইচএল ও ফু ওয়াং সিরামিকস।
গতকাল ডিএসইতে সূচক কমার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের আট মিনিটের দিকে সূচক ৪৩ পয়েন্ট কমে যায়। তবে ১৫ মিনিটের দিকে সূচক কিছুটা বাড়ে। এরপর আবার সূচক কমে যায়। এভাবে দিনভর সূচক ওঠানামা করে।
রবিবার চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জে (সিএসই)দিনের লেনদেন শেষে সূচক চার পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ৬৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২০৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১১০টির, কমেছে ৮২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের। মোট লেনদেন হয়েছে ৮২ কোটি টাকার; যা গতকালের চেয়ে ২৮ কোটি টাকা কম। |
|
|
| 04/06/2011 5:43 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
শেয়ারবাজারছিয়ানব্বইয়ের কেলেঙ্কারির হোতাদের
কিছুই হয়নি তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু
এবারের নজিরবিহীন শেয়ার কেলেঙ্কারির তদন্ত প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে আছে ক্ষতিগ্রস্ত লাখ লাখ বিনিয়োগকারী। আজ বৃহস্পতিবারই এই প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে জমা পড়ার কথা। কিন্তু দেড় দশক আগে ১৯৯৬ সালে ঘটে যাওয়া আরেকটি বড় শেয়ার কেলেঙ্কারির হোতাদের আজ পর্যন্ত কিছুই হয়নি। এ অবস্থায় আরেক কেলেঙ্কারির তদন্তের শেষ পরিণতি কী হবে, সে প্রশ্ন বড় করে দেখা দিয়েছে।
ছিয়ানব্বইয়ের ঘটনার তদন্তের ভিত্তিতে যে মামলাগুলো হয়েছিল, তার বিচারকাজ এখনো শেষ হয়নি। কারো শাস্তিও হয়নি আজও। সে ঘটনায় দায়ের করা ১৫টি মামলার ৩৬ জন আসামির মধ্যে দুজন ইতিমধ্যে মারা গেছে। তিনটি মামলা হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছেন। তিনটি মামলার বিচারকাজ চলছে। শুধু তা-ই নয়, ওই সময়ে মামলা দায়েরের পর পরই আসামিরা জামিন পেয়ে যায়।
মূলত দুর্বল তদন্ত প্রতিবেদনের কারণেই সেই কেলেঙ্কারির মামলায় বিচারকাজ পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ে বলে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মন্তব্য করেন।
ঘটনাচক্রে শেয়ার কেলেঙ্কারির দুটি ঘটনাই ঘটেছে আওয়ামী লীগের ক্ষমতাকালীন। তাই দাবি উঠেছে, এ কলঙ্ক মোচনের জন্য আগের ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নইলে নতুন কেলেঙ্কারিতে জড়িতরা একই কায়দায় বেরিয়ে যাবে। রয়েল সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী সাজ্জাদ হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ১৯৯৬ সালের কেলেঙ্কারির হোতাদের শাস্তি না হওয়ায় এবারও তাদের অনেকে কারসাজি করার সুযোগ পেয়েছে।
ডেসা সিকিউরিটিজ হাউসের বিনিয়োগকারী আক্তার হোসেন বলেন, দুটি ঘটনাই ঘটেছে আওয়ামী লীগের আমলে। তাই এর দায় কোনোভাবে আওয়ামী লীগ এড়িয়ে যেতে পারে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের মামলাগুলোর বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বিশেষ বেঞ্চ গঠনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়কে বারবার লিখেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সে অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম তদারকির জন্য গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি করা হয়। এ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সংসদ সদস্য আমেনা আহমেদ ও বজলুল হুদা হারুন। মামলাগুলোর অগ্রগতি জানতে এই কমিটি আজ পর্যন্ত মাত্র একবার এসইসির সঙ্গে বৈঠক করেছে। এরপর আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে বারবার চেষ্টা করেও ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। কমিটির আরেক সদস্য আমেনা আহমেদ গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ১৯৯৬ সালের মামলাগুলো নিয়ে এসইসির সঙ্গে একবার মাত্র বৈঠক হয়েছে। পরে আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। তিনি বলেন, 'কমিটির অন্য সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি কিন্তু কারো কাছ থেকেই তেমন সাড়া পাইনি।'
কেন অগ্রগতি হয়নি জানতে চাইলে আমেনা আহমেদ বলেন, 'জানলেও সেটা বলব না।'
এসইসির আইন বিভাগের দেখাশোনা করার দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য মো. আনিসুজ্জামানও একবার মাত্র বৈঠকের তথ্য জানিয়ে বলেন, তিনটি মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। বাকিগুলো হাইকোর্টে স্থগিত রয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, 'হাইকোর্টে মামলা থাকলে তা সক্রিয় করার জন্য সরকারের নির্দেশনা থাকা দরকার। আমরা এখন পর্যন্ত এ রকম কোনো নির্দেশনা পাইনি।'
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এ-সংক্রান্ত মামলার সর্বশেষ অবস্থা কী জানতে চাইলে মাহবুবে আলম বলেন, সেটা না দেখে বলা যাবে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকার উদ্যোগ নিলে মামলাগুলো নিষ্পত্তি করা সম্ভব।
শেয়ারবাজারে এবার বিপর্যয়কর পরিস্থিতি শুরুর পর গত ২৩ জানুয়ারি পরিস্থিতি নিয়ে এক বৈঠক হয়। এ বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলার বিচার প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুদল মুহিত বলেছিলেন, "আমি মন্ত্রী হওয়ার পর পরই '৯৬ সালের ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিয়ে খোঁজ-খবর নিয়েছি। এ জন্য আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনাও করেছি। কিন্তু সেসব মামলার বিষয়ে কোনো সাক্ষী পাওয়া যাচ্ছে না। তাই অগ্রসর হওয়া যাচ্ছে না। তবে এবারের বিপর্যয়ের জন্য কেউ দায়ী থাকলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ সরকারের হাতে বর্তমানে লেনদেনের সব রেকর্ড সংরক্ষিত থাকে।'
মামলাগুলোর সর্বশেষ অবস্থা : সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চিটাগাং সিমেন্ট কম্পানির মামলাটি ঢাকা মহানগর তৃতীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন (মামলা নম্বর ৫৫২/১৯৯৯)। বর্তমানে সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। এ মামলার আসামিরা হলেন ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান, ডিএসই সদস্য শহীদুল হক বুলবুল ও আবু তালেব।
একই আদালতে ইমতিয়াজ হোসেন গংয়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা বিচারাধীন। আসামি ইমতিয়াজ হোসেন মারা যাওয়ায় তাঁর কম্পানির পক্ষ থেকে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়। কিন্তু আদালত কম্পানির বিরুদ্ধে মামলা চালানোর আদেশ দেন। পরে কম্পানির পক্ষ থেকেও মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। তবে হাইকোর্ট এ ব্যাপারে কোনো আদেশ দেননি বলে জানা গেছে। এ মামলার নম্বর ৫৫৫/'৯৯।
তৃতীয় মামলাটি রূপন ওয়েল অ্যান্ড কিডস লিমিটেডের বিরুদ্ধে একই আদালতে বিচারাধীন। মামলার আসামি নুরুন্নবী মারা গেছেন। অন্য পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে মামলাটি চলছে, মামলা নম্বর ৫৫৯/৯৯।
বেঙ্মিকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পরিচালক সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি নিয়ে নিম্ন থেকে উচ্চ আদালতে দুই দফায় টানাটানি হয়েছে। ঢাকা মহানগর তৃতীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন এ মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন সালমান রহমান। নিম্ন আদালত সে আবেদন খারিজ করে দেন। এর বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করে। হাইকোর্ট তা খারিজ করে দিয়ে নিম্ন আদালতের আদেশ বহাল রাখেন। আসামিপক্ষ তখন আপিল বিভাগে আপিল করে। কিন্তু আপিল আবেদন নামঞ্জুর হতে পারে_এমন আশঙ্কা থেকে আসামিপক্ষ সে আবেদন প্রত্যাহার করে নেয়। পরে গত বছরের ১০ আগস্ট নিম্ন আদালতে মামলাটির চার্জ গঠন হয়। এই চার্জ খারিজের আবেদন করে আসামিপক্ষ আবারও হাইকোর্টে আপিল করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ছয় মাসের জন্য মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে দিয়েছেন। এ স্থগিতাদেশের মেয়াদও গত ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়েছে।
একই অবস্থায় রয়েছে সালমান এফ রহমানের আরেক কম্পানি সাইনপুকুর নিয়ে করা মামলা। এ ছাড়া অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের আজিজ মোহাম্মদ ভাই, দোহা সিকিউরিটিজের এ কে এম শামসুদ্দোহা, এসইএসের রুনা আলম ও সাবেদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রথমে স্থগিত ও পরে খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
ডিএসইর সাবেক সভাপতি আবদুল হক ১৯৯৬ সালের মামলা প্রসঙ্গে কালের কণ্ঠকে জানান, ওই তদন্ত প্রতিবেদনের দুর্বলতার কারণে মামলাগুলোর বিচারকাজ পরিচালনা সম্ভব হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদনের অনেক জায়গায় উল্লেখ করা হয়, 'মনে হয় পরিচালকরা জড়িত।' এরকম দুর্বল প্রতিবেদনের কারণে কয়েকটি মামলা হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছেন।
এ ছাড়া বাকি মামলাগুলো হাইকোর্টে স্থগিতাবস্থায় রয়েছে।
তদন্ত ও মামলা : ১৯৯৬ সালে শেয়ার কেলেঙ্কারির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। কমিটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে ১৯৯৭ সালের ২৭ মার্চ সরকারের কাছে রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালের ৩ এপ্রিল ব্যবসায়ী নেতা সালমান এফ রহমানসহ ১৫ কম্পানি ও ৩৬ ব্রোকার হাউসের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম এ কে এম আবদুস সালামের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সিকিউরিটি এঙ্চেঞ্জ কমিশনের নির্বাহী পরিচালক এম এ রশীদ খান। ১৯৬৯ সালের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন অর্ডিন্যান্সের ১৭(২৪) ধারা মতে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। মামলার আসামি ছিলেন বেঙ্মিকো গ্রুপের পরিচালক সালমান এফ রহমান, সোহেল এফ রহমান, ডি এইচ খান, শাইনপুকুরের পরিচালক সালমান এফ রহমান, সোহেল এফ রহমান ও এ বি সিদ্দিকুর রহমান, এপেঙ্ ফুডের জাফর আহমেদ ও ড. জহুর আহমেদ, ইমতিয়াজ হোসেন অ্যান্ড কম্পানির মালিক ইমতিয়াজ হোসেন, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চিটাগাং সিমেন্টের আবু তালেব, রকিবুর রহমান, এ এস শহীদুল হক বুলুবুল, রূপম অয়েল অ্যান্ড কিডস লিমিটেডের নূরুন্নবী, হেমায়েত উদ্দিন, মোস্তাক আহমেদ সাদেক, সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ, শরীফ আতাউর রহমান ও ইকবাল হোসেন, আমাম সি ফুডের জাফর আহমেদ ও ড. জহুর আহমেদ, ফাস্ট ক্যাপিটালের রেজওয়ান বিন ফারুক ও এম কে এম মহিউদ্দিন, দোহা সিকিউরিটিজের এ কে এম শামসুদ্দোহা, এস ই এসের রুনা আলম ও সাবেদ সিদ্দিকী, প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের আবদুর রউফ চৌধুরী, মশিউর রহমান, সৈয়দ এইচ চৌধুরী ও অনু জায়গীরদার, চিক টেঙ্টাইলের মাকসুদুর রহমান ও ইফতিয়ার মোহাম্মদ, সিকিউরিটিজ কনসালট্যান্টের এ জি আলম চৌধুরী, শহীদুল্লাহ খান ও প্রফেসর মাহবুব আহমেদ।
মামলায় অভিযুক্ত কম্পানিগুলোর মধ্যে ছিল শাইনপুকুর হোল্ডিংস লি., বেঙ্মিকো ফার্মাসিউটিক্যালস লি., অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লি., চিটাগাং সিমেন্ট, আমাম সি ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লি.-এর রূপম অয়েল অ্যান্ড ফিডস লি., সিঙ্গার বাংলাদেশ, চিক টেঙ্ লি., মার্ক শিল্প অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লি., এঙ্লেশিওর সুজ লি., এবং অ্যাপেঙ্ ফুডস লি.। অভিযুক্ত ব্রোকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল, ইমতিয়াজ হোসেন অ্যান্ড কম্পানি, ফাস্ট ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ লি., এসইএস কম্পানি লি., প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজ লি., এইচএমএমএস ফিন্যন্সিয়াল কনসালটেন্সি অ্যান্ড সার্ভিসেস লি., অ্যাসোসিয়েটস সিকিউরিটিজ কনস্যালটেন্টস লি., সাকিল রিজভি, কাজী এনায়েতুর রহমান, খোরশেদ আলম ও দোহা সিকিউরিটিজ।
তদন্ত কমিটি ১৯৯৭ সালের ২৭ মার্চ সরকারের কাছে যে রিপোর্ট পেশ করে তাতে কিছু সুপারিশসহ প্রতারণা ও ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে শেয়ারের দাম বৃদ্ধি ও দর পতনের ব্যাপারে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ দেওয়া হয়।
তদন্ত রিপোর্টে শাইনপুকুর হোল্ডিংস সম্পর্কে বলা হয়, এই কম্পানি ফ্লোর ট্রেডিংয়ে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করে। কম্পানির পরিশোধিত মূলধন হচ্ছে ২৫২ কোটি টাকা। (প্রতিটি ১০০ টাকা করে দুই কোটি ৫২ লাখ শেয়ার)। তদন্ত কমিটি লক্ষ করেছে ১৯৯৬ সালের ৩০ জুন এ কম্পানির শেয়ারের বাজারদর ছিল ৭৩ টাকা। একই বছর নভেম্বরের ২৮ তারিখে এই শেয়ারের বাজার মূল্য বেড়ে দাঁড়ায় ৭৫৪ টাকায়। দর বৃদ্ধির একপর্যায়ে প্রায় দুই মাস এই শেয়ারের সব লেনদেন বন্ধ থাকে।
প্রতিবেদনে মত প্রকাশ করা হয় যে, শাইনপুকুর কম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃক ঘোষণার মাধ্যমে তাদের শেয়ার সম্পর্কে জনগণের মনে আগ্রহ সৃষ্টি করে। শেয়ারের মূল্য উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই এটি করা হয়।
অভিযুক্ত প্রায় সব কম্পানিই বাজারে তাদের শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির জন্য এ ধরনের অনৈতিক ও অসাধু পন্থা অবলম্বন করে।
এদিকে মামলা দায়েরের পরপরই অভিযুক্তরা হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে যায়। পরে এ মামলায় তাদেরকে আর কোনোভাবেই জবাবদিহি করতে হয়নি।
সূত্র মতে, ১৯৬৯ সালের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন অর্ডিন্যান্সের ১৭(২৪) ধারায় দায়েরকৃত এসব মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড অথবা সর্বনিম্ন পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় শাস্তি একসঙ্গে দেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু মাত্র পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে তারা ফের অপরাধ করার সুযোগ নিতে পারে বলে আইনটি সংশোধন করার দাবি তুলেছেন বিজ্ঞজনরা। পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী হাসান মাহমুদ বিপ্লব কালের কণ্ঠকে জানান, বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের জন্য এই শাস্তি খুবই কম। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে শেয়ার কেলেঙ্কারির মতো আর্থিক অপরাধে জড়িতদের যাবজ্জীবন শাস্তি দেওয়ার নজির রয়েছে। |
|
|
| 04/06/2011 5:44 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
এবারের কেলেঙ্কারি
৩০০ পৃষ্ঠার বিশদ প্রতিবেদন জমা আজ বিশেষ প্রতিনিধি
এবারের শেয়ার কেলেঙ্কারির বহুপ্রতীক্ষিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হচ্ছে আজ। ৩০০ পৃষ্ঠার বিশদ এ প্রতিবেদনে কারসাজিতে জড়িত খ্যাত-অখ্যাত অনেকের নামই থাকছে। থাকছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন_এসইসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের কেলেঙ্কারির কথাও। আরো জানা গেছে, ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ_ডিএসইর পরিচালকদেরও বেপরোয়াভাবে শেয়ারবাজারে অনিয়ম করার বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।
এসব বিবেচনায় এসইসি পুনর্গঠন এবং পাশাপাশি ডিএসইর নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতে নেওয়ার সুপারিশও থাকছে প্রতিবেদনে। আর যারা কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে নানা রকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ সেখানে করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটি ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, কমিটির চেয়ারম্যান খন্দকার ইব্রাহীম খালেদের নেতৃত্বে অন্য সদস্যরা আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রতিবেদন জমা দেবেন।
এ বিষয়ে খন্দকার ইব্রাহীম খালেদ গতকাল বুধবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে জানান, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। কিন্তু তিনি এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে প্রায় দুই মাস ধরে পরিচালিত তদন্তের এই প্রতিবেদনটি আকারে প্রায় ৩০০ পৃষ্ঠা এবং তা বিশদ বলে তিনি জানান।
অবশ্য গত ২০ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতিকালে তিনি এবারের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে জড়িত হিসেবে খ্যাত-অখ্যাত অনেকের নাম থাকার কথা কালের কণ্ঠকে জানিয়েছিলেন। এ ছাড়া এসইসির শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তাও এ কেলেঙ্কারিতে জড়িত এবং তাদের নামে বড় অঙ্কের শেয়ার লেনদেন হয়েছে জানিয়ে তাদের বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করতে প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হবে বলেও ইব্রাহীম খালেদ জানিয়েছিলেন।
কমিটি সূত্র জানায়, আজ সকাল সাড়ে ৯টায় প্রতিবেদনটি অর্থমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও মন্ত্রী সকালে একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকবেন বলে সেটা এক ঘণ্টা দেরিতে হতে পারে অথবা বিকেল ৪টায়ও হতে পারে।
শেয়ারবাজারে সাম্প্রতিক কেলেঙ্কারির ঘটনা খতিয়ে দেখতে গত ২৬ জানুয়ারি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খন্দকার ইব্রাহীম খালেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী এবং আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী এফসিএ। পরে গত ২২ ফেব্রুয়ারি এই কমিটিতে নতুন সদস্য হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিহাত কবীরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দুই মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার কথা থাকলেও কমিটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মেয়াদ মার্চ মাস পর্যন্ত বাড়িয়ে নেয়। জানা গেছে, কমিটি দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সদস্য, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা, সাংবাদিকসহ পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট অন্তত ১০০ জনের সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করেছে। |
|
|
| 04/06/2011 5:45 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
অভিমতদোষীদের নামধাম প্রকাশ ও কঠোর শাস্তি চাই
টিটু দত্ত গুপ্ত
ব্যাপারটি নিশ্চয়ই কাকতালীয়। তবু আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসা আর শেয়ারবাজারে বিপর্যয় যেন সমার্থক হয়ে গেছে। ১৯৯৬ সালের ১৫ জুনের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ঐকমত্যের সরকার ক্ষমতায় আসে। আর শেয়ারবাজারে দেখা দেয় 'তেজি'ভাব। ওই বছরের ৩০ জুন যে কম্পানির একটি শেয়ারের দাম ছিল ৭৩ টাকা, চার মাস পর ২৮ নভেম্বর তার বাজারমূল্য দাঁড়ায় ৭৫৪ টাকা। ১০০ টাকায় যে শেয়ারের ক্রেতা পাওয়া যায়নি, সেই শেয়ার পাঁচ হাজার টাকায়ও মিলছিল না। অবশ্য খুব দ্রুতই ফেটে গেল বেলুন। হতভম্ব লগি্নকারীরা দেখল, হাতের শেয়ার রাতারাতি পরিণত হয়েছে নিছক কাগজে। আর বিনিয়োগ করা অর্থের প্রায় পুরোটাই উধাও।
সেবার যা হয়েছিল পাঁচ মাসে, এবার সেটি ঘটেছে আওয়ামী লীগের পুনরায় ক্ষমতায় আসার দুই বছরের মাথায়। ১৪ বছরে বাজার অনেক বড় হয়েছে, তাই এবার ক্ষতির অঙ্কও বেশ বড়, ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যাও বেশি। ১৯৯৬ সালের জুন-নভেম্বর সময়ে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সাধারণ সূচক ৯৫৯ থেকে ২২০ শতাংশ বেড়ে ৩০৬৫-তে পেঁৗছায়। পরের বছরের এপ্রিলে সেটি আবার ৯৫৭-তে নেমে আসে। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার যখন ক্ষমতায় এল, সে মাসে সূচক সর্বোচ্চ উঠেছিল ২৭২৬। দুই বছরেরও কম সময়ে, অর্থাৎ ২০১০ সালের ডিসেম্বরের ৫ তারিখে ডিএসইর সূচক উঠল ৮৯১৮-তে। তারপরই শুরু হলো পতন। কোনোমতেই ঠেকানো গেল না ভাটার সেই প্রবল টান। তিন মাসের মধ্যে আকাশছোঁয়া সেই সূচক নেমে দাঁড়াল ৬৩৫২-তে (৩১ মার্চ, ২০১১)। এর মধ্যে বাজার থেকে হাওয়া হয়ে যায় ২২ হাজার কোটি টাকা। লগি্নকারীরা তাদের বিনিয়োগ করা অর্থের গড়ে ২০ থেকে ৩০ ভাগ হারায়।
গড়, সূচক বা বাজার মূলধনের অঙ্কে ধসের ব্যাপকতা যতটুকুই বোঝা যাক না কেন, ব্যক্তিপর্যায়ে এ ক্ষত অনেক বড়। বাজারের বল্গাহীন ঊর্ধ্বগতির সময় গড়ে দৈনিক ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ শেয়ার ব্যবসা করার জন্য বেনিফিসিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট খুলেছে। তাদের বেশিরভাগই নতুন, নিজেদের সঞ্চয় ভেঙে শেয়ারবাজারে এসেছে। অনেকে ছাত্র, গৃহবধূ, চাকুরে। ভালো-মন্দ সব শেয়ারের দাম বাড়ছে। সবারই লাভ হচ্ছে। অনেকে নিজের পুরো সঞ্চয় লগি্ন করেছে, তার সঙ্গে যোগ করেছে লাভের টাকা। শেয়ারের কাগজ জমা দিয়ে মার্চেন্ট ব্যাংক থেকেও ঋণ নিয়েছে। রিটায়ারমেন্ট বেনিফিটের টাকায় সঞ্চয়পত্র কিনে রেখেছে, সেখান থেকে সুদ বাবদ বছরে যা আসে, শেয়ারবাজার থেকে একদিনেই তার চেয়ে বেশি আসবে। তাই সঞ্চয়পত্র ভাঙিয়ে শেয়ারে বিনিয়োগ করেছে অনেকেই। অনেক বছর বিদেশে থেকে ব্যাংকে কিছু টাকা জমিয়েছে এমন মানুষও এসেছে শেয়ারবাজারে। ছোটখাটো ব্যবসা বা কারখানা বন্ধ করে দিয়েও কেউ কেউ লগি্ন করেছে শেয়ারবাজারে। সেসময় গড়ে দৈনিক ১২০ কোটি টাকারও বেশি ঢুকেছে শেয়ারবাজারে। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে তখন প্রতিদিনই নতুন নতুন রেকর্ড। পত্রিকায় ফলাও করে ছাপা হয়েছে সেসব খবর।
তারপর হঠাৎ করেই উল্টে গেল সবার সব হিসাব-নিকাশ। সব হারিয়ে পথে নামল বিনিয়োগকারীরা। রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের অভিযোগের আঙুল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকে। বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ নতুন ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অনভিজ্ঞতাকে দায়ী করে বললেন, কিছু না বুঝে শেয়ারবাজারে আসা ঠিক হয়নি। কারসাজি করে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। মুখে মুখে শোনা গেল কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের নাম।
সব অভিযোগ ও পর্যবেক্ষণের মধ্যেই কমবেশি সত্যতা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। বাজারের বল্গাহীন ঊর্ধ্বগতির রাশ টেনে ধরার জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বিক্ষিপ্তভাবে হলেও বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। কিন্তু তখনো রাস্তায় মিছিল নেমেছিল। সেসব পদক্ষেপকে পুঁজিবাজার বিকাশের বিরোধী বলে সমালোচনা করা হয়েছিল। বার বারই গৃহীত পদক্ষেপ প্রত্যাহার করে নিয়েছিল এসইসি। মার্জিন লোন নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েও এসইসি পিছু হটেছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঁজিবাজারে লাগামছাড়া বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু সে ক্ষেত্রে যতখানি কঠোরতা ও অনমনীয়তা দরকার ছিল, তা তারা দেখায়নি। কারণ একটিই_সমালোচনার ভয়। ক্রমে কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাই হয়ে গিয়েছিল বাজারের নিয়ন্তা। তাদের লোকরাই বার বার রাস্তায় ঠেলে দিয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের। আর সিদ্ধান্তহীনতায় থাকা নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো বার বার পিছিয়ে এসেছে। বাজার চলে গেছে তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। জনগণের আমানত ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর। তাদের শৈথিল্যের কারণে যদি মানুষের বিনিয়োগ ও আমানত নষ্ট হয়, তাহলে তার দায় তাদেরই নিতে হবে।
পুঁজি ও আর্থিক বাজারে জালিয়াতি বা কেলেঙ্কারির ঘটনা কমবেশি সব দেশেই ঘটে। সেখানে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোই সেসব অপরাধ শনাক্ত করে। দোষী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক জরিমানাসহ বিভিন্ন শাস্তি দেয়। আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হতেও বেশি সময় লাগে না। গত দশকে যুক্তরাষ্ট্রের জেরঙ্, ওয়ানটেল, এনরন, ওয়ার্ল্ডকম, ফ্রেডি ম্যাক, হ্যালিবার্টন, মেরিল লিঞ্চ ও এআইজির মতো কম্পানিরও বড় বড় আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতি ধরা পড়েছে। এসব জালিয়াতির তথ্য উদ্ঘাটন করেছে সে দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ২০০২ সালে এনরনের জালিয়াতি ধরা পড়ার তিন বছরেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়ে যায়। কম্পানি ব্যবসা গুটাতে বাধ্য হয়। নব্বইয়ের দশকের অন্যতম সফল কম্পানি ওয়ার্ল্ডকমের একটি শেয়ারের দাম ৬৪ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ২০০২ সালের মাঝামাঝিতে শেয়ারসংক্রান্ত জালিয়াতি ধরা পড়ার পর তা নেমে আসে ২১ সেন্টে। ভারতের বড় কম্পিউটার কম্পানি সত্যম আর্থিক জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে ২০০৯ সালে।
আমাদের এখানে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নাকের ডগায় নানা রকম আর্থিক অপরাধ সংঘটিত হয়। সাধারণের চোখেও যেসব অপরাধ ধরা পড়ে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেগুলো দেখেও না দেখার ভান করে। যেসব অপরাধী ও প্রতিষ্ঠানের নাম মানুষের মুখে মুখে ঘোরে, তাদেরও শনাক্ত করতে পারে না নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো। চোখের সামনে লাখ লাখ মানুষকে পথে বসতে দেখেও তারা বিচলিত হয় না। অন্যান্য দেশে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোই যেসব অনিয়ম শনাক্ত করে দোষীদের শাস্তির বিধান করে, আমাদের এখানে তদন্ত কমিটি করে সেসব বের করতে হয়। তারপরও দোষীরা সাজা পাবে কি না তার নিশ্চয়তা থাকে না।
১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজারে ভরাডুবির পর গঠিত তদন্ত কমিটি ১৯৯৭ সালের ২৭ মার্চ সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ করেছিল। সে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১৯৯৭ সালের ৩ এপ্রিল ১৫ কম্পানি ও ব্রোকারেজ হাউসের মালিকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে এসইসি। তারপর ১৪ বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু সে মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। আসামিরা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে নিয়েছে। মামলার নিষ্পত্তি তরান্বিত করার জন্য দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগও নেই এসইসির তরফ থেকে। ১৪ বছর পর সেই মার্চ মাসেই প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে ২০১০ সালের শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের পর গঠিত তদন্ত কমিটি। অর্থমন্ত্রী দেশের বাইরে যাওয়ায় প্রতিবেদনটি সরকারের কাছে জমা দিতে পারেনি কমিটি। কমিটির কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সূত্রের বরাত দিয়ে এর আগে কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদে দেখা গেছে, শেয়ারবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করেছে তদন্ত কমিটি। লোকমুখে যাদের নাম শোনা গিয়েছিল, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে তাদের নাম। অনেক নতুন মুখও ভেসে উঠেছে দৃশ্যপটে, যাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান সুদৃঢ়। দেশের বাইরে থেকে কলকাঠি নেড়েছে, লগি্নকারীদের পকেট হাতিয়ে নিয়ে দেশের বাইরে পাচার করেছে হাজার কোটি টাকা_এমন ক্রীড়নকদের সন্ধানও পেয়েছে তদন্ত কমিটি। শেয়ারবাজারে বিও অ্যাকাউন্ট রয়েছে প্রায় ৩৪ লাখ। সক্রিয় রয়েছে প্রায় ৯ লাখ। তাদের বেশিরভাগই নিঃস্ব হয়েছে, পথে বসেছে তাদের পরিবার। এসব মানুষের দাবি, তদন্ত প্রতিবেদনে কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের নাম ও পরিচয় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। আর থাকতে হবে তাদের কুকীর্তির বিস্তারিত বিবরণ। সেসব তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। আর কেলেঙ্কারিতে চিহ্নিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ১৯৯৬ সালের কেলেঙ্কারি চক্রের শাস্তি হলে এবার এ রকম বিপর্যয় ঘটত না বলে তাদের বিশ্বাস।
শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের পর তদন্ত কমিটি গঠনসহ সরকারের কিছু ত্বরিত পদক্ষেপে কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছিল ক্ষতিগ্রস্তরা। বাজারও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহেই তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়ার কথা। তারপরের কাজটি সরকারকেই করতে হবে। প্রকৃত অপরাধীদের আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দায়িত্ব সরকারের। আইনি প্রক্রিয়া তরান্বিত করে পুঁজিবাজারে ধসের জন্য দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য উদ্যোগী হতে হবে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে। তা না হলে শেয়ারবাজার ফটকা কারবারিদেরই আখড়া হয়ে থাকবে। আর নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে মনে হবে ফটকা কারবারি আর জুয়াড়িদেরই রক্ষক। সে ক্ষেত্রে পুঁজি হারানোর ঝুঁকি নিয়েই শেয়ারবাজারে আসবে বিনিয়োগকারীরা, ১৪ বছর পর পর বিপর্যয় হবে তাদের নিয়তি। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হতে থাকবে ভুঁইফোঁড় কম্পানিগুলোর শেয়ার, পড়তে থাকবে বিনিয়োগকারীদের হাতে থাকা ভালো কম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম। ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে ভিড় বাড়তে থাকবে হুজুগে আসা অস্থিরচিত্ত ডে-ট্রেডারদের। নিরাপদ দূরত্বে থাকবে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা আর ভালো মৌলভিত্তির কম্পানিগুলো, যাদের অংশগ্রহণে শেয়ারবাজার হতে পারত অবকাঠামো ও শিল্পে অর্থায়নে সবচাইতে নির্ভরযোগ্য উৎস। আর আওয়ামী লীগের সঙ্গে পাকাপোক্তভাবে সেঁটে যাবে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির অপবাদ।
|
|
|
| 04/06/2011 5:45 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
খসড়ার নানা অসংগতিসহসাই চালু হচ্ছে না শেয়ার পুনঃক্রয় পদ্ধতি
নিজস্ব প্রতিবেদক
সাহসাই শেয়ার পুনরায় ক্রয়ের (বাইব্যাক) পদ্ধতি চালু হচ্ছে না। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এ-সংক্রান্ত একটি খসড়া তৈরি করে কম্পানি আইন সংশোধনের সুপারিশ করেছে। গত ৩০ মার্চ এ-সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় খসড়ার নানা অসংগতি উঠে এসেছে। ফলে শেয়ার বাইব্যাক বিধান চালু করতে বিস্তর আলোচনা দরকার বলে মনে করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, বৈঠকে এসইসি, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের বেশির ভাগই এ ধরনের বিধান না করার পক্ষে মত দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, কম্পানি বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করা হলে কোনো কোনো ব্যবসায়ী কৌশলে কম্পানির শেয়ারের দাম ইচ্ছামতো কমিয়ে বা বাড়িয়ে মুনাফার সুযোগ নিতে পারে। এতে শেয়ারবাজারে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জানান, আলোচকদের কেউ কেউ বলেছেন, বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করা হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচিত শেয়ার কম্পানির কেনা ও বেচার সময়ের দাম নির্দিষ্ট করে দেওয়া। না হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে না। আবার কেউ কেউ এসইসি প্রণীত খসড়া ব্যাংক কম্পানি আইন ও কম্পানি আইনের বিভিন্ন ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মত দিয়েছেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আলোচকদের মতামত লিখিতভাবে জানাতে বলেছে। এসব লিখিত মতামত পাওয়ার পর ২০ এপ্রিলের পর আরেকটি বৈঠক করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি শেয়ারবাজারে অস্থিরতার সময় প্রথম বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করার কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরে বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কম্পানি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদল অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ পদ্ধতি চালুর দাবি জানান। ওই সময় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, এ জন্য প্রচলিত কম্পানি আইনে পরিবর্তন আনতে হবে। সংসদের চলতি অধিবেশনেই তা পাস করার কথা বলেছিলেন তিনি। |
|
|
| 04/06/2011 5:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
ডিএসইতে সূচক কমলেও বেড়েছে শেয়ারের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন ও সূচক কমেছে। তবে বেড়েছে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম।
গতকাল দিনভর ডিএসইর সূচক ওঠানামা করে। ১.৭৬ শতাংশ পয়েন্ট পতনের মধ্য দিয়ে দিন শেষ হয়ে সাধারণ মূল্যসূচক দাঁড়ায় ৬৪৫৪.৪৩ পয়েন্টে।
গতকাল লেনদেনের পরিমাণ কমে যায় ৩২৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। মঙ্গলবার ডিএসইতে যেখানে লেনদেন হয় ১১৪৮ কোটি ১০ লাখ টাকা, সেখানে বুধবার লেনদেন হয় ৮১৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ।
এদিকে গতকাল সূচক ও লেনদেন কমলেও বেড়েছে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম। লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৪টির, কমেছে ৭৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে সাতটি কম্পানির শেয়ারের দাম। গতকাল ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ২৩টি কম্পানির মধ্যে শুধু সিঙ্গার বিডির দাম কমেছে। বাকি সব কয়টি কম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ইনস্যুরেন্স খাতের ৪৪টি কম্পানির মধ্যে তিনটি দাম কমেছে, বাকি ৪১টির বেড়েছে। খাদ্য খাতের ১৫টির মধ্যে দুটির কমেছে, একটির লেনদেন হয়নি আর বাকি ১২টি কম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে।
গতকাল মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষ ১০টি কম্পানি হলো সেন্ট্রাল ইনস্যুরেন্স, প্রগতি ইনস্যুরেন্স, অ্যাম্বি ফার্মা, জুট স্পিনার্স, ফার্মা এইড, রহিম টেঙ্টাইল, বঙ্গজ লি., জেমিনি সি ফুড, সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স ও ঢাকা ইনস্যুরেন্স।
আর লেনদেনের দিক থেকে এগিয়ে ছিল আফতাব অটোমোবাইলস্, বিএসআরএম, কনফিডেন্স সিমেন্ট, কেয়া কসমেটিকস্, বেঙ্মিকো লি., পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি., বেঙ্টেঙ্, গোল্ডেন সন, ইস্টার্ন হাউজিং ও বে-লিজিং।
অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে ছিল ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্স, ট্রাস্ট ব্যাংক, লিগেসি ফুটওয়্যার, সমতা লেদার, সমরিতা হাসপাতাল, মুন্নু জুটেঙ্, যমুনা অয়েল, ইসলামিক ইনস্যুরেন্স এবং ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লি.। |
|
|
|