| 04/04/2011 5:00 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
মন্দা কাটিয়ে স্থিতিশীল হয়ে উঠেছে পুঁজিবাজার
হরতাল সত্ত্বেও বেড়েছে সূচক ও লেনদেন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মন্দা পরিস্থিতি কাটিয়ে আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে শেয়ারবাজার। লেনদেন বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর। ইসলামী আইন বাসত্মবায়ন কমিটির নামে মৌলবাদীদের ডাকা হরতাল সত্ত্বেও সোমবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) টানা তৃতীয় দিনের মতো হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে আর্থিক লেনদেন। বেড়েছে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। গত ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যনত্ম টানা দরপতনের পর প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় পুঁজির বিনিয়োগকারীরা পুনরায় বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এ কারণেই সামগ্রিকভাবে শেয়ারবাজারে লেনদেন বাড়তে শুরম্ন করেছে বলে বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন।
বেশ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস ঘুরে দেখা গেছে, বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক সক্রিয়তার কারণে পুঁজিবাজারে হরতালের কোন প্রভাবই পড়েনি। সকাল থেকেই ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত (কোরাম) হয়। এ কারণে সকাল ১১টা থেকেই দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে সূচকের উর্ধমুখী প্রবণতা দিয়েই স্বাভাবিক লেনদেন শুরম্ন হয়। মতিঝিল এলাকায় হরতালকারীদের কোন তৎপরতা না থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডিএসইর সামনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন।
ডিএসইর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হরতাল সত্ত্বেও সোমবার দিনভর শেয়ার লেনদেনে চাঙ্গাভাব বজায় ছিল। ডিএসইতে সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৫৫টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ৯৪টির কমেছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের। ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ৮৮.৮৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬৫৩৫.৮৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সারা দিনে মোট ৭ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৫০৬টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যার মোট মূল্য ১ হাজার ৬০ কোটি ১৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা। আগের দিনের চেয়ে আর্থিক লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৩৩ কোটি টাকা।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ১৭৪.৯৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৮১০০.৮১ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এখানে লেনদেন হওয়া ২০০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ৭৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের। স্টক এঙ্চেঞ্জটিতে মোট ১০১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশেস্নষকদের মতে, টানা বিপর্যয়ের কারণে অনেক বিনিয়োগকারীই বেশ কিছুদিন ধরে বাজারের গতি-প্রকৃতি পর্যবেৰণ করছিলেন। তবে মার্চের শুরম্ন থেকে বাজারে স্বাভাবিক লেনদেন চলতে থাকায় তাঁরা আবারো বাজারে সক্রিয় হয়েছেন। এছাড়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের টানা মূল্য হ্রাসের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজারে তৎপরতা বাড়িয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ৫ হাজার কোটি টাকার মিউচু্যয়াল ফান্ড গঠনের উদ্যোগে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লেনদেনে উৎসাহ ফিরে এসেছে। এসব কারণেই বাজারে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসতে শুরম্ন করেছে।
তাঁরা মনে করেন, পুঁজিবাজারে একবার লেনদেন কমবে, আবার বাড়বে_ এটাই স্বাভাবিক। শেয়ারের দর হ্রাস-বৃদ্ধির ৰেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। টানা দরবৃদ্ধি যেমন বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক নয়, তেমনি ধারাবাহিক দরপতনও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সঙ্কট তৈরি করে। নানা কারণে বেশ কিছুদিন লেনদেন কম হলেও পুঁজিবাজার যে এখনও স্বাভাবিক রয়েছে_ গত দু'সপ্তাহের পরিস্থিতিই এর প্রমাণ বহন করে।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে অস্থির আচরণের পর শেয়ারবাজারে কেনা-বেচায় ভারসাম্য ফিরে এসেছে। গত তিন-চার কার্যদিবস ধরে একসঙ্গে প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি বা হ্রাসের ঘটনা ঘটছে না। সোমবারও বাজারে শেয়ার কেনার চাহিদা থাকলেও বিক্রেতাও ছিল যথেষ্ট।
ফলে দর কষাকষির মধ্য দিয়ে অনেক শেয়ারের দর যেমন বেড়েছে, তেমনি মূল্য সংশোধনের ধারায় ফিরেছে কিছু কিছু শেয়ার। মন্দা পরিস্থিতির সময় যারা কম দরে শেয়ার কিনেছেন তাঁরা এখন তাঁদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিচ্ছেন। ফলে কিছু কোম্পানির দর সংশোধন হচ্ছে। আর ক্রয়-বিক্রয় উভয় দিকে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ থাকায় বেড়েছে আর্থিক লেনদেন। সব মিলিয়ে বাজার আবারও পরিপক্ব আচরণের দিকে যাচ্ছে।
বিশেস্নষকদের মতে, পুঁজিবাজারকে বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রৰা করতে সরকারের দিক থেকে নানা পদৰেপ গ্রহণ করা হয়। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হওয়ায় বাজারে এখন স্বাভাবিক গতি ফিরে এসেছে। লেনদেনের ৰেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা অনেকটা দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। |
|
|
| 04/04/2011 5:01 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ব্রোকারেজ হাউসের অভ্যন্তরীণ হিসাব নিরীক্ষার গুরুত্ব বাড়ছে
কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে ডিএসই সভাপতি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি মোঃ শাকিল রিজভী বলেছেন, প্রতিদিনই নতুন নুতন বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে সম্পৃক্ত হচ্ছেন। বিনিয়োগকারীদের মূলধনের সঠিক হিসাব রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থে দিন দিন অভ্যনত্মরীণ হিসাব নিরীৰার (ইন্টারনাল অডিট) গুরম্নত্ব বেড়ে চলেছে। অভ্যনত্মরীণ হিসাব নিরীৰার সঙ্গে ব্রোকারেজ হাউসের সুনাম ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বিশেষভাবে জড়িত। গত রবিবার ডিএসই ট্রেনিং একাডেমী আয়োজিত ছয় দিনব্যাপী 'অভ্যনত্মরীণ হিসাব নিরীৰা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রক' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সার্টিফিকেট বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রশিক্ষণাথর্ীদের প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান পেশাগত জীবনে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়ে ডিএসই সভাপতি বলেন, প্রতিনিয়ত অভ্যনত্মরীণ নিরীৰার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের অভ্যনত্মরীণ আর্থিক ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে তিনি নিরীৰা কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
প্রশিক্ষণে অভ্যনত্মরীণ নিরীৰার প্রাথমিক ধারণা, অডিট রিপোর্টিং, ম্যানেজমেন্ট অডিট, অডিট পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রণ, অডিট তথ্য, কমিটি, ভেরিফিকেশন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন বিষয়ে আইসিএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট, অডিট ফার্মের চাটার্ড এ্যাকাউন্টেন্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিৰকরা আলোচনা করেন। সার্টিফিকেট বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক ও ট্রেনিং একাডেমীর ইনচার্জ সৈয়দ আল-আমিন রহমান। |
|
|
| 04/04/2011 5:02 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
আইপিওর অর্থে সহযোগী কোম্পানির শেয়ার কিনছে মালেক স্পিনিং
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) বিবরণীতে দেয়া ঘোষণা অনুযায়ী নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে না পেরে শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত টাকায় সহযোগী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেড।
গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে নিউ এশিয়া সিনথেটিক লিমিটেড (এনএসএল) নামে একটি নতুন কোম্পানি চালু করার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যনত্ম গ্যাস সরবরাহ না পাওয়াতে নতুন ওই কোম্পানি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে আইপিওর অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি তার সহযোগী প্রতিষ্ঠান জেএম ফেব্রিঙ্ লিমিটেডের ৯৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে।
জানা গেছে, জে এম ফেব্রিঙ্ মালেক স্পিনিংয়ের পরিচালকদের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। গাজীপুরের মির্জাপুরে ৪ একর জায়গার উপরে জেএম ফেব্রিঙ্রে কারখানা অবস্থিত। কোম্পানিটির উৎপাদন ৰমতা ৫০-৬০ শতাংশ বাড়াতে ১০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রাক্কলন করা হয়েছে। জেএম ফেব্রিঙ্ ১০০ শতাংশ রফতানিমুখী পোশাক তৈরি করে।
এই কোম্পানির ৬ লাখ ২৫ হাজার শেয়ারের মধ্যে ৬ লাখ ২৪ হাজার ৯০০ শেয়ার মালেক স্পিনিংয়ের নামে হসত্মানত্মর করার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। এজন্য শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত ১০০ কোটি টাকা থেকে ৭৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। ওই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের হসত্মানত্মর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৪০ ৩৮৮০ টাকা। এৰেত্রে জে এম ফেব্রিঙ্রে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১১৪০ টাকা প্রিমিয়াম রাখা হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধানত্ম গ্রহণের পর গত ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয়া হয়।
কিন্তু এক খাতের জন্য মূলধন সংগ্রহের পর অন্য খাতে ব্যয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে সংশিস্নষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। শুধু তাই নয়, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পর অতিরিক্ত দরে নিজস্ব মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার সুযোগ দেয়া হলে তা ভবিষ্যতে খারাপ উদারহণ হয়ে থাকবে বলে অনেকে মনে করছেন।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য ২০১০ সালের মে মাসে মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেড আইপিও বিবরণী প্রকাশ করে। এতে কোম্পানির নিজস্ব প্রকল্প হিসেবে নিউ এশিয়া সিনথেটিক লিমিটেড নামে পিইটি গ্রানুয়েলস এবং পলিস্টার স্টাপল ফাইবার উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠার জন্য ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহের ঘোষণা দেয়া হয়। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা সংগ্রহ করা হয়। কোম্পানিটি ৬-১০ জুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আবেদনপত্র জমা নেয়। ২৯ জুলাই মালেক স্পিনিং ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত হয়। ২ আগস্ট থেকে দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরম্ন হয়।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পর ৯ মাস পার হলেও কোম্পানিটি ঘোষিত নতুন প্রকল্প বাসত্মবায়ন শুরম্ন করেনি। এ বিষয়ে কোম্পানির পৰ থেকে আগেই জানানো হয়, সরকারের পৰ থেকে নতুন শিল্পে গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখার কারণে পিইটি গ্রানুয়েলস এবং পলিস্টার স্টাপল ফাইবার কারখানা স্থাপনের সিদ্ধানত্ম স্থগিত রাখা হয়েছে। এর বিকল্প হিসেবে শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত টাকায় জে এম ফেব্রিঙ্রে শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে।
কেউ কেউ মনে করেন, এভাবে সুযোগ দেয়া হলে অনেক ভুয়া কোম্পানি নানা ধরনের কারণ দেখিয়ে পুঁজিবাজার থেকে টাকা নেয়ার চেষ্টা করবে_ যা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৰতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কারণ কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করেছে ৭৭.৫ শতাংশই সহযোগী কোম্পানিতে চলে যাবে। আর ব্যক্তি মালিকানাধীন ওই কোম্পানিতে অর্থ স্থানানত্মরের মানে হলো পরোৰভাবে উদ্যোক্তাদের পকেটে চলে যাওয়া।
বিশেস্নষকদের মতে, দেশের শেয়ারবাজার বর্তমানে ধীরে ধীরে স্থিতিশীল অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদনমুখী খাতের বিকাশের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য বিপুল পরিমাণ মূলধন যোগান দেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। |
|
|
| 04/04/2011 5:02 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
অতিরিক্ত সুদ আদায় তদন্তে মাঠে নেমেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
সাত ব্যাংককে শোকজ
খায়রুল হোসেন রাজু ॥ বেসরকারী ৭টি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী পরিচালককে শোকজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় একাধিক ব্যাংক 'পালস্না দিয়ে উচ্চহারে ডিপোজিট সংগ্রহ করছে' শিরোনামে রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক তদনত্মপূর্বক বেসরকারী ৭ ব্যাংকের এমডিদের শোকজ করে। বিতরণকৃত ঋণে অতিরিক্ত সুদ আদায়, সার্ভিস চার্জ বেশি নেয়া এবং অতি সুদের এফডিআর গ্রহণ করার জন্যই শোকজ করা হয়। একই সঙ্গে সংশিস্নষ্ট বিষয়ে সঠিক তদনত্ম করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক পরিদর্শন টিম মাঠে নেমেছে। এদিকে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত সুদ আদায় নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
জানা গেছে, একাধিক ব্যাংকের অদৰ ব্যবস্থাপনার কারণেই বাজারে কিছুটা তারল্য সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছিল। এ সঙ্কট কাটাতে এবং অধিক ডিপোজিট সংগ্রহের জন্য অধিকাংশ ব্যাংকই সাড়ে ১৩ শতাংশ হার সুদে ডিপোজিট সংগ্রহ করছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক যেসব বিষয়ে সুদের হারের সর্বোচ্চ সীমা তুলে দিয়েছে, সেগুলোতে ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ পর্যনত্ম সুদ নেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এফবিসিসিআইসহ সংশিস্নষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত সুদ হার কমানো এবং বেশি সুদে ডিপোজিট সংগ্রহ না করার লৰ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।
জানা গেছে, বিআরপিডির ৫ নম্বর সাকর্ুলারে উলেস্নখ করা হয়, প্রত্যেক ব্যাংকের বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন, ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম ও স্থিতিপত্র, ব্যাংকের আমানত ও ঋণের খাতভিত্তিক সুদ হারসহ ব্যাংকের ডিসক্লোজ রিকোয়ারমেন্ট পরিপালন ও সিডিউল অব চার্জেসের পূর্ণ তালিকা স্ব স্ব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে শুরম্ন করে সকল শাখার উপযুক্ত স্থানে টাঙ্গানোর পাশাপাশি ওয়েবসাইটে প্রদান করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গত ১৭ জানুয়ারি আনত্মঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধানত্মের প্রেৰিতে ব্যাংকের ঋণসেবা সংক্রানত্ম তথ্যসমূহ গ্রাহকের কাছে সহজলভ্য করার জন্য এসব চার্জের তালিকা যথাস্থানে টাঙ্গানো বা ওয়েবসাইটে প্রদানের জন্য পুনর্নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখনও একাধিক ব্যাংকের শাখাগুলোতে তা টাঙ্গানো হচ্ছে না। এছাড়া ব্যাংকগুলো অতিমুনাফা আদায়ের লৰ্যে কৌশলে বা আইনের ফাঁকফোকড় দিয়ে অতিরিক্ত চার্জ আদায় করছে।
ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, গ্রাহকদের চোখে ধুলো দিয়ে অতিরিক্ত সুদ নেয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে আদায় করা হচ্ছে হিসাব মেন্টেনেজ ফি, টিটি চার্জ, অনলাইন, ডিডি, সার্ভিস, এটিএম কার্ড এবং স্টেটমেন্ট ওঠানোসহ প্রায় ৫০ ধরনের চার্জ। অধিকাংশ চার্জ আদায়ের ৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা নেই। তবে যেসব ৰেত্রে নির্দেশনা রয়েছে সেগুলোও যথাযথভাবে মানছে না একাধিক ব্যাংক। সরকারী-বেসরকারী ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বিদেশী ব্যাংকগুলো যে যার মতো করে পলস্না দিয়ে সুদ ও চার্জ আদায় করছে। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে একাধিকবার অভিযোগ আসে। এর ফলেই ব্যাংকগুলোর সকল প্রকার চার্জ গ্রহণের তালিকা প্রকাশ্যে টাঙ্গানোর জন্য পুনরায় নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্দেশ বাসত্মবায়ের জন্য বিভিন্নভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তলস্নাশি শুরম্ন করেছে। যাতে করে ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত সুদ ও চার্জ আদায় করতে না পারে।
ব্যাংকগুলোর সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সবচেয়ে বড় ব্যাংকের ডিপোজিট সংগ্রহের ৰেত্রে সুদের হার বাড়িয়ে দিয়েছে। কিছুটা তারল্য সঙ্কট বা মিস ম্যানেজমেন্টের কারণেই এটি হতে পারে। এ ব্যাংকের দিলকুশা শাখার এক কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে জানান, ৩ মাস মেয়াদী তবে ৬ মাসের কম সময়ের জন্য এফডিআর-এর জন্য ৮ শতাংশ, ৬ মাস থেকে এ বছরের মধ্যে ৮.৫০ শতাংশ, ১ বছর থেকে ২ বছরের কম সময়ের জন্য ৯ শতাংশ এবং ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যনত্ম মোট ৯.২৫ শতাংশ হার সুদে ডিপোজিট সংগ্রহ করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এ ব্যাংকের সুদের হার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার মধ্যে থাকলেও বেসরকারী একাধিক ব্যাংকের এফডিআর সংগ্রহের ৰেত্রে সুদের হার সাড়ে ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যনত্ম ছাড়িয়েছে। এবি ব্যাংক ডিপোজিট সংগ্রহ করছে সাড়ে ১৩ শতাংশ হারে। বিভিন্ন মেয়াদে এফডিয়ার সংগ্রহ করছে ব্যাংকটি। প্রাইম ব্যাংক ৩ মাস মেয়াদী এক কোটি টাকার নিচে এফডিআর দিচ্ছে ১২ শতাংশ, এক কোটি টাকার ওপরে সাড়ে ১২ শতাংশ এবং ৩ কোটি টাকা থেকে এর ওপরে ১৩ শতাংশ পর্যনত্ম সুদ প্রদান করা হচ্ছে। ওয়ান ব্যাংক বিভিন্ন মেয়াদে সাড়ে ১২ থেকে শুরম্ন করে ১৩ শতাংশ পর্যনত্ম হারে সুদ দেয়া হচ্ছে। এভাবে একাধিক ব্যাংক অতিরিক্ত হার সুদে ডিপোজিট নিচ্ছে। পাশাপাশি বিতরণকৃত ঋণেও প্রায় ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ পর্যনত্ম সুদ নেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিষ্পত্তি করার লৰ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জোরালোভাবে পদৰেপ নিয়ে মাঠে নেমেছে। |
|
|
| 04/04/2011 5:05 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
হরতালেও চাঙা শেয়ারবাজার
নিজস্ব প্রতিবেদক
হরতালের মধ্যেও গতকাল সোমবার চাঙা ছিল দেশের শেয়ারবাজার। প্রস্তাবিত নারী উন্নয়ন নীতি, শিক্ষানীতি ও হাইকোর্টের ফতোয়াবিরোধী রায় বাতিলের দাবিতে ইসলামী একটি দলের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালের কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি শেয়ারবাজারের লেনদেনে। বরং দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে।
হরতালের মধ্যেও সদস্যদের কোরাম পূর্ণ হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ বেলা ১১টায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হয়।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ গঠনের অগ্রগতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সঞ্চার করেছে। মূলত এর প্রভাবে গত পাঁচ দিনে শেয়ারবাজারের সূচক ও লেনদেন বাড়তে দেখা গেছে।
আবার শেয়ারবাজারের কারসাজি খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাজার কিছুটা অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে বলে বিভিন্ন মহল থেকে গুজব ছড়ানো হয়েছিল। বলা হয়েছিল, বাজারের কারসাজির সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু বড় বিনিয়োগকারীর নাম থাকছে প্রতিবেদনে। তাই এ সময় তাঁরা বাজারে খুব একটা সক্রিয় থাকবেন না, যা বাজারকে কিছুটা হলেও অস্থিতিশীল করবে।
তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিবেদনে ঠিক কী কী থাকছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। তবে তদন্তে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কারসাজির জন্য চিহ্নিত করা যায়নি—এমন খবর একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এ ধরনের খবরও বাজারে কিছুটা স্বস্তি এনেছে বলে অনেকে মনে করছেন।
বাজার পরিস্থিতি: চাঙাভাবের মধ্য দিয়েই গতকাল দিনের লেনদেন শুরু হয়, যা সারা দিনই অব্যাহত থাকে। দিন শেষে দেখা যায়, ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৮৮ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বেড়ে ছয় হাজার ৫৩৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ১৭৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ১০০ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে। সিএসইতে গতকাল ২০০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ৭৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের। লেনদেন হওয়া শেয়ারের আর্থিক মূল্য ১০১ কোটি টাকা।
ডিএসইতে হাত বদল হয়েছে ২৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫৫টির, কমেছে ৯৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল মোট এক হাজার ৬০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা রোববারের চেয়ে ৩৩ কোটি টাকা বেশি।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসেস, আফতাব অটোমোবাইল, বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, বিএসআরএম স্টিল, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, যমুনা অয়েল, এনবিএল, গোল্ডেন সন ও কনফিডেন্স সিমেন্ট।
আর দাম বাড়ার তালিকায় ছিল আরএকে সিরামিক, হাক্কানী পাল্প, এসিআই, আইপিডিসি, এসিআই ফরমুলেশন, মালেক স্পিনিং, ফিডেলিটি অ্যাসেট অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, প্রিমিয়ার লিজিং, নাভানা সিএনজি ও বিআইএফসি।
কমার তালিকায় ছিল পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, সমতা লেদার, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, উসমানিয়া গ্লাস, শ্যামপুর সুগার, ন্যাশনাল টিউবস, সোনারগাঁ টেক্সটাইল, ফার্মা এইড, বঙ্গজ ও জুট স্পিনার্স। |
|
|
| 04/04/2011 5:08 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে হরতালের প্রভাব নেই
নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু, বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি স্বাভাবিক
----------------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির ব্যানারে ডাকা সোমবারের হরতালের কোনো প্রভাব পড়েনি দেশের পুঁজিবাজারে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সদস্যদের কোরাম পূর্ণ হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু হয়।
নারীনীতি বাতিলের দাবিতে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি ও কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামসহ ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠনের সমর্থনে সোমবার হরতাল ডাকা হয়। হরতালের মধ্যেই স্টক এক্সঞ্জের কমপক্ষে ৭০টি ব্রোকারেজ হাউজের সমর্থনে লেনদেন চালু হয়। শুরুতেই সূচকের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দিয়ে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হয়েছে।
ডিএসইর ডিজিএম ও পিআরও শফিকুর রহমান বাংলানিউজটোয়েন্টিফোরকে জানান, স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের কোরাম পূর্ণ হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে লেনদেন চালু হয়েছে। সকাল থেকেই ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে বিনিয়োগকারীদের স্বাভাবিক উপস্থিতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে মতিঝিল এলাকায় সকাল থেকে হরতাল সমর্থকদের উপস্থিতি দেখা যায়নি। ফলে যান চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে ডিএসইর সামনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবস্থান নিয়েছে।
বাংলাদেশ সময় ১১১৪ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৪, ২০১১
|
|
|
| 04/04/2011 5:08 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁহরতালেও ডিএসইতে সূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী
--------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টানা চার কার্যদিবস সূচকের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এমনকি সোমবার হরতালেও এর ধারাবাহিকতা ছিল। সকাল থেকেই সূচক বাড়তে শুরু করে এবং দিন শেষে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধি পায়।
সোমবারের হরতালের কোনো নেতিবাচক প্রভাব শেয়ারবাজারে লক্ষ্য করা যায়নি। ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে সকাল থেকেই বিনিয়োগকারীদের সরগরম উপস্থিতি ছিল।
এদিন ডিএসইতে মোট ২৫৭ টি কোম্পানির সাত কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৫০৬টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১০৬০ কোটি ১৯ লাখ ৯২ হাজার ৮৪২ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৩৩ কোটি নয় লাখ টাকা বেশি।
সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় ৮৮.৮৭ পয়েন্ট বেড়ে ৬৫৩৫.৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় ২৪.৬৩ পয়েন্ট বেড়ে ৪০৭১.৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেনকৃত ২৫৭ টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫৫ টির, কমেছে ৯৪ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি কোম্পানির শেয়ারের।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিঃ, আফতাব অটোমোবাইলস্, বেক্সিমকো লিঃ, বেক্সটেক্স, বিএসআরএম স্টিল, বে-লিজিং, যমুনা অয়েল, ন্যাশনাল ব্যাংক লিঃ, গোল্ডেন সন ও কনফিডেন্স সিমেন্ট।
দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো আরএকে সিরামিকস্, হাক্কানী পাল্প, এসিআই, আইপিডিসি, এসিআই ফর্মুলেশন, মালেক স্পিনিং, ফিডেলিটি অ্যাসেট, প্রিমিয়ার লিজিং, নাভানা সিএনজি ও বিআইএফসি।
অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে থাকা প্রধান ১০ টি কো¤পানি হলো পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিঃ, সমতা লেদার, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, উসমানিয়া গ্লাস, শ্যামপুর সুগার, ন্যাশনাল টিউবস্, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, ফার্মা এইড, বঙ্গজ লিঃ ও জুট স্পিনার্স।
|
|
|
| 04/04/2011 5:09 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | বাজেট: পুঁজিবাজারে নতুন কর আরোপ না করতে সুপারিশ করবে ডিএসই
--------------------------------------------------------------
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: চলতি অর্থ বছরের প্রাক বাজেট প্রস্তাব তৈরির কাজ শুরু করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বাজেটে পুঁজিবাজারের ওপর নতুন কোনো কর আরোপ না করার সুপারিশ করা হচ্ছে। ডিএসই‘র সূত্র এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, গত বছরের মত এবারেও প্রস্তাবে আগামী বাজেটে ব্যাংক-বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর ৪২.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৭.৫ শতাংশ নির্ধারণ, ব্যক্তি আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ কর আরোপ না করে স্বতন্ত্র কোম্পানির ডিভিডেন্ডের ওপর ১০ শতাংশ কর্তিত ট্যাক্সকেই চূড়ান্ত গন্য করার প্রস্তাব রাখা হবে।
গত বছর প্রাক-বাজেটে এনবিআরের কাছে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ আরও এক বছর অব্যাহত রাখার সুপারিশ করেছিল ডিএসই ও সিএসই নেতারা। তবে চূড়ান্ত প্রস্তাবনায় এ প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। এ বছরেও কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে ডিএসইর নীতিগত সমর্থন থাকলেও এ ব্যাপারে কোনো মতামত থাকবে না।
তবে প্রাক বাজেটে নতুন কোনো কর আরোপ না করার সুপারিশ রাখা হবে। কারণ ২০১০-১১ অর্থবছরে পুঁজিবাজারের ওপর ৪ ধাপে কর আরোপ করা হয়েছিল। তাই এ বছর কর আরোপের চেয়ে কর্তনের ওপর প্রাধান্য দেয়া হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ডিএসইর বোর্ড মিটিংয়ে প্রাক বাজেট প্রস্তাব চূড়ান্ত করবে ডিএসই।
বাজেট প্রস্তাব নিয়ে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বাংলানিউজকে বলেন, গত বছরে পুঁজিবাজারের ওপর সবচেয়ে বেশি কর আরোপ করা হয়েছে। তাই আগামী বাজেটে নতুন কোনো কর আরোপ না করার সুপারিশ থাকবে।
তিনি বলেন, কোম্পানির ডিভিডেন্ডের ওপর ১০ শতাংশ কর্তিত ট্যাক্সকে চুড়ান্ত করার প্রস্তাব রাখা হবে। কারণ কোম্পানি দুই ধাপে কর প্রদান করছে। প্রথম ধাপে নিট মুনাফার ওপর ৪২.৫ শতাংশ হারে কর প্রদান করছে। দ্বিতীয় ধাপে বিনিয়োগকারীদের ডিভিডেন্ডের ওপর ১০ শতাংশ কর প্রদান করছে। ডিভিডেন্ড যখন বিনিয়োগকারীদের এ্যাকাউন্টে চলে যাচ্ছে তখন আবারো ১৫ শতাংশ হারে কর দিতে হচ্ছে।
এক্ষেত্রে যেহেতু কোম্পানি ডিভিডেন্ডের ওপর একবার কর প্রদান করছে। সেহেতু দ্বিতীয়বার আবারও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে কর গ্রহণের প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে কোম্পানির দেওয়া ১০ শতাংশ করকেই চূড়ান্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হবে। এতে বিনিয়োগকারীরা ডিভিডেন্ডে আগ্রহী হয়ে উঠবে। এতে কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতাও কমে যাবে।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজার থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০১০-১১ অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজারে উৎসে আয় কর ০.০২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ০.১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। এতে ব্রোকারেজ হাউজ মালিকদের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া আসে। উৎসে আয়কর কমিয়ে বিও ফি বাড়ানোর প্রস্তাব আসে বিভিন্ন মহল থেকে।
এছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) বিও এ্যাকাউন্টের সঙ্গে টিন নম্বর বাধ্যতামূলকের পরিবর্তে ১০০ টাকা সার চার্জ নেওয়ার প্রস্তাব করে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় দেখানো হয় ২৫ লাখ বিনিয়োগকারীর বিপরীতে ২৫ কোটি টাকা। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার উৎসে আয়কর কমিয়ে বিও ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে আসে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একদিকে উৎসে আয়কর ০.১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করা হয়। আগে যেখানে এক লাখ টাকার লেনদেনের বিপরীতে কর দিতে হতো ২৫ টাকা সেখানে বাজেটে প্রস্তাব করা হয় ১০০ টাকা। পরে তা কমিয়ে আনা হয় ৫০ টাকায়।
অন্যদিকে বিও অ্যাকাউন্ট মেইনটেইন্যান্স ফি ৩০০ টাকা থেকে বর্ধিত করে ৫০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। পূর্বের বিও অ্যাকাউন্ট চার্জ ৩০০ টাকা থেকে ২০০ টাকা বৃদ্ধি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হবে। এ নতুন আইনের ফলে সরকার এ খাত থেকে ৪ গুন বেশি রাজস্ব আয় করে। এছাড়া ওই বছরে প্রিমিয়াম ও প্লেসমেন্ট শেয়ারের ওপরেও কর আরোপ করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫৩ ঘন্টা, ৪ এপ্রিল ২০১১
|
|
|
| 04/04/2011 5:11 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজার কারসাজি: সালমানদের বাঁচিয়ে দেয়ার ফন্দিফিকির
ঢাকা, ৪ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারের সবচেয়ে আলোচিত সমালোচিত ব্যক্তি সালমান এফ রহমান, লোটাস কামাল, রকিবুর রহমানসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাজারের উত্থান-পতন এবং বিভিন্ন ধরনের কারসাজির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলেও তা থেকে রেহাই দেয়ার চেষ্টা চলছে। পুঁজিবাজারে ফিক্সড প্রাইস, বুক বিল্ডিং, রাইট শেয়ার, ডিরেক্ট লিস্টিং. সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন, প্রেফারেন্স শেয়ারসহ সকল ক্ষেত্রেই অনিয়ম হয়েছে এবং এর সাথে উক্ত প্রভাবশালীদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে এ চক্রটি। অথচ এতোসব অনিয়মের সাথে সালমান রহমানদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলেও তদন্ত কমিটি এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কোন সুপারিশ করছে না বলে জানা গেছে। সালমানদের অপরাধ শুধুমাত্র এসইসির কাঁধে চাপিয়ে তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।
জানা গেছে, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন নিয়ে সালমান এফ রহমান বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম করেছেন বলে তদন্ত কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ থাকছে। এসইসিতে বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করে বেআইনি কর্মকাণ্ড আইনসিদ্ধ করে নিয়েছেন তিনি। যেমন- বেক্সটেক্সের ৬৩৫ কোটি টাকার ঋণ তিনি ইক্যুয়িটিতে রূপান্তর করেছেন। এ বিষয়ে কোন আইন না থাকলেও তা অনুমোদন করতে বাধ্য হয়েছে এসইসি। এসইসির এ অনুমোদনের ফলে বেক্সটেক্সে ৬৩৫ কোটি টাকা ঋণ শেয়ারে রূপান্তর করে নিউ ইংল্যান্ড ইক্যুয়িটিসহ বেঙ্মিকো গ্রুপের অন্যান্য সহযোগী কোম্পানিকে তা দেয়া হয়। সে সময় এসব শেয়ারের বাজার মূল্য ৭০ টাকার বেশি থাকলেও এসইসির অনুমোদন নিয়ে মাত্র ৩২ টাকায় উক্ত কোম্পানিগুলোকে বেক্সটেক্সে শেয়ার দেয়া হয়। উল্লেখ্য, ঋণ করে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেয়ার রাস্তাটি সালমানই প্রথম বাংলাদেশে দেখিয়েছেন। অপরদিকে আইন না থাকার পরও বেক্সিমকো ফার্মার প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করা হয়েছে। এটাও এসইসির অনুমোদন নিয়েই করা হয়েছে। তাই এর দায়ভারও এসইসির ওপরই বর্তাচ্ছে। পরবর্তীতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানি এসইসির অনুমোদন নিয়ে প্রেফারেন্স শেয়ারের মাধ্যমে বাজার থেকে বিপুল পরিমাণের টাকা সংগ্রহ করে। এছাড়া বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে জিএমজি এয়ারলাইন্স, ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্টসহ বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের অযৌক্তিক নির্দেশক মূল্য এবং মূলধন বৃদ্ধির মাধ্যমে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির অনিয়মও হয়েছে এসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে। এছাড়া বেক্সিমকো ফার্মা, বেক্সটেক্স, বেক্সিমকো সিনথেটিক ও সোনালী আঁশ কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে এসইসির অনুমোদনের মাধ্যমে। তাই এসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দরবৃদ্ধি করা হলেও সালমানকে তদন্ত কমিটি ধরতে রাজি নয়। সালমানের এসব অনৈতিক কাজে সহযোগিতার দায়ভার এসইসিকেই নিতে হচ্ছে। কিন্তু এসব কর্মকাণ্ড সালমান এফ রহমান এসইসির যোগসাজশে করলেও তদন্ত রিপোর্টে সালমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কোন সুপারিশ থাকছে না। যা বিভ্রান্তিকর। কারণ, উলি্লখিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে উভয় পক্ষ লাভবান হলেও সাজা পেতে যাচ্ছে শুধু এসইসির কর্মকর্তারা। পরিস্থিতি এমন যে, চুরি-ডাকাতির জন্য চোর-ডাকাতের কোন দোষ নেই। দোষ শুধু পাহারাদারের।
অপরদিকে শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের অনুমোদনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত করা হয়েছে। এর নেপথ্যে শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আহম মোস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল। এছাড়া অতি মূল্যায়িত বাজারে সাধারণ মানুষকে পুঁজিবাজারে সম্পৃক্ত হতে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করেছেন রকিবুর রহমান। স্বল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে সম্পৃক্ত হলেও নতুন কোম্পানির শেয়ার আনার বিষয়টি পরিকল্পিতভাবে আটকে দেয়া হয়। গত বছরের প্রথম দিকে এ চক্রটির পরিকল্পনায় হঠাৎ করেই এসইসির আইপিও'র জন্য ৪০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। ফলস্বরূপ ছোট কোম্পানির জন্য আইপিও ছাড়া বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণেই বাজারে শেয়ারের প্রচ- সঙ্কটের কারণে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়ে যায়। শেয়ারের দরবৃদ্ধির সুযোগে সালমান এফ রহমানের সহযোগিতায় এ চক্রটি হাজার হাজার কোটি টাকার প্লেসমেন্ট বাণিজ্য করেছেন। এছাড়া অতি মূল্যায়িত বাজারে বাণিজ্যমন্ত্রীর পারিবারিক প্রতিষ্ঠান খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (কেপিসিএল) ও ওশেন কন্টেইনার্স সরাসরি তালিকাভুক্তির বিশেষ সুযোগ নিয়ে পুঁজিবাজার থেকে হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত আয় করেছেন। এক্ষেত্রে সরকারি বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কোম্পানি দু'টিকে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ প্রদানের জন্য। এ দু'টি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে প্রায় সাড়ে ৭শ' কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এসব বিষয় তদন্ত কমিটি পরীক্ষা করে দেখেছেন। তাদের তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ডে অনৈতিক বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
জানা গেছে, সালমানদের এসব তৎপরতা পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট আইনের লঙ্ঘন না হলেও নৈতিকতার বিচারে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে তদন্ত কমিটি। তবে অনৈতিক হলেও এসব কর্মকাণ্ডে বেআইনি নয় বলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কোন সুপারিশ থাকছে না তদন্ত রিপোর্টে। জানা গেছে, সালমানের এসব অনৈতিক কাজে সহযোগিতা দেয়ায় এসইসির চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন নির্বাহি পরিচালককে অপসারণ করার সুপারিশ করবে তদন্ত কমিটি। পুঁজিবাজারের দরবেশ খ্যাত সালমান বারবার অপরাধ করেও পার পেয়ে যাওয়ায় তদন্ত কমিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত কমিটি ক্ষমতাশালীদের প্রভাব কাটিয়ে নিরপেক্ষ একটি তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সন্দেহ তৈরি হয়েছে। সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটি কারসাজির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে পুঁজিবাজার সম্পর্কিত বিধি বিধান পরিবর্তন ও এসইসির কর্মকর্তাদের অপসারণেই বেশি আগ্রহী। তদন্ত কমিটির ধারণা, এসইসির বিধি-বিধান পরিবর্তন এবং যোগ্য ও সৎ ব্যক্তি দায়িত্বে থাকলে ভবিষ্যতে পুঁজিবাজারে অনিয়মের প্রবণতা কমে আসবে। এছাড়া তদন্ত কমিটির ধারণা, পুঁজিবাজারে আলোচিত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন। পুঁজিবাজারের মতো একটি বিশাল ক্ষেত্রের বিভিন্ন অনিয়ম খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি সময় পেয়েছে মাত্র দু'মাস। এ স্বল্প সময়ের মধ্যে সব বিষয় তদন্ত করা সম্ভব হয়নি। স্বল্প সময়ের কারণেই নাকি তদন্তে সালমানের বিরুদ্ধে সেকেন্ডারি মার্কেটে সরাসরি কোন যোগসাজশ তদন্ত কমিটি খুঁজে পায়নি। অভিযোগ রয়েছে, এরা সরাসরি সেকেন্ডারি মার্কেটে জড়িত না থাকলেও অন্য নামে সেকেন্ডারি মার্কেটে ব্যবসা করছে। এ ধরনের কয়েকটি সন্দেহজনক লেনদেন তদন্ত কমিটি শনাক্ত করলেও সময়ের অভাবে এসব বিও একাউন্টের নেপথ্যদের শনাক্ত করতে পারেনি। তবে সালমানের বিরুদ্ধে প্রাইমারি মার্কেটে যোগসাজশ পাওয়া গেলেও এসইসির কাঁধে দোষ চাপিয়ে তাদের বাঁচিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা চলছে।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, ১৯৯৬ সালের মতো এবারো সালমানরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরেই থাকবেন। যদিও ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজার কারসাজির ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দু'টি এবং রকিবুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ ১৫ বছরেও সেসব মামলার সুরাহা হয়নি। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, সাক্ষীর অভাবে এসব মামলার শুনানি করা সম্ভব হচ্ছে না। অপরদিকে এবার পুঁজিবাজারের উত্থান-পতনে এবং বিভিন্ন ধরনের কারসাজির সাথে সালমান রহমানদের বিরুদ্ধে তথ্য থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনা বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তদন্তের স্বার্থে কমিটি প্রাইমারি মার্কেটের প্রত্যেকটি ইস্যু বিস্তারিত অনুসন্ধান ও পর্যালোচনা করেছে। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে সমস্যা চিহ্নিত করা হলেও, শেষ পর্যন্ত কোনো অনিয়ম সম্পর্কে মত দেয়া হয়নি। কারণ, এসইসি অনুমোদন নিয়েই ফিঙ্ড প্রাইস, বুক-বিল্ডিং, রাইট শেয়ার, ডিরেক্ট লিস্টিং. প্রেফারেন্স শেয়ার সকল ক্ষেত্রেই অনিয়ম হয়েছে। প্রাইভেট প্লেসমেন্টে সবচেয়ে বেশি অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এসব অনিয়মে জড়িতদের সবার নামই তদন্ত কমিটি পেয়েছে। তবে এসইসির অনুমোদন নিয়ে এসব অনিয়ম হওয়ায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণের কোন সুপারিশ তদন্ত রিপোর্টে থাকছে না বলে জানা গেছে। এসইসি এসব অনিয়ম বন্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় চেয়ারম্যানসহ উপরের সারির বেশ কিছু কর্মকর্তাকে ছাটাই করার প্রস্তাব থাকছে রিপোর্টে। চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য কয়েক জনের নামও প্রস্তাব করবে কমিটি।
একই সঙ্গে বাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলোচনা ও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ পর্যালোচনা করে আইন, বিধি-বিধান ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে সামপ্রতিক বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করার পাশাপাশি কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অনৈতিক প্রবণতা বন্ধ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি রোধে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক সংস্কারের সুপারিশসহ চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তা থেকে পুঁজিবাজারে একের পর এক বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে এর কারণ উদঘাটন ও কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। গত ২৬ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এসইসির পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি এবং এর কার্যপরিধি ঘোষণা করা হয়। কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী এবং আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী এফসিএ। পরে গত ২২ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিহাদ কবিরকে অন্তর্ভুক্ত করে তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপনে কার্যপরিধি অপরিবর্তিত রাখা হলেও এর মাধ্যমে কমিটির কার্যক্রম এসইসির পরিবর্তে মন্ত্রণালয়ের আওতায় ন্যস্ত হয়।
|
|
|
| 04/04/2011 5:11 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ডিএসই সূচক ঊর্ধ্বমুখী
ঢাকা, ৪ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): টানা চার কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচকের উর্ধ্বমূখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বুধবার এবং চলতি সপ্তাহের রোববার ও আজ সোমবার ডিএসই'র বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ডিএসই'র লেনদেন। আজ ডিএসই সাধারণ সূচক ৮৮ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬৫৩৫ দশমিক ৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ চার কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচক বেড়েছে ৩৫৪ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএসই- ২০ সূচক ২৬ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বেড়ে ৪০৭১ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসআই সার্বিক সূচক ৬৯ দশমিক ০৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪১৭ দশমিক ৬৫ পয়েন্টে।
এদিকে টানা জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেলেও তা থেকে কিছুটা বেরিয়ে এসেছে আজ। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২১টি জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের মধ্যে হ্রাস পেয়েছে ১৪টির ও বেড়েছে ৭টি কোম্পানির। গতকাল ডিএসইতে হাতবদল হওয়া ২১টি জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছিল ১১টির, কমেছিল ৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল একটি কোম্পানির শেয়ারের দর। এসব জেড ক্যাটাগরির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব সময় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করা হলেও সম্প্রতি এসব কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পায় অস্বাভাবিক হারে। যা বিনিয়োগকারীদের আরেকটি ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার পুঁজিবাজারে লেনদেন হওয়া ২৫৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫৫টির, কমেছে ৯৪টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টি কোম্পানির। ৭ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৬০৫টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড আজ হাতবদল হয়েছে। যার বাজারমূল্য এক হাজার ৬০ কোটি ১৯ লাখ ৯২ হাজার ৮৪১ টাকা। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ২৭ কোটি ১০ লাখ ৬২৭ টাকা।
ডিএসইতে আজ শীর্ষ দশ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে পিপলস লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, আফতাব অটো, বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, বিএসআরএম স্টিলস, বে লিজিং, যমুনা অয়েল, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, গোল্ডেন সন ও কনফিডেন্স সিমেন্ট।
দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় রয়েছে আরএকে সিরামিকস, হাক্কানি পালপ, এসিআই লিমিটেড, আইপিডিসি, এসিআই ফরমুলেসন, মালেক স্পিনিং, ফিডেল অ্যাসেটস এন্ড সিকিউরিটিজ, প্রিমিয়ার লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স, নাভানা সিএনজি ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি।
দর হ্রাসের শীর্ষ তালিকায় রয়েছে পিপলস লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, সামিট লেদার কমপ্লেক্স, সাভার রেফ্রিজারেটর, ওসমানিয়া গ্লাস, শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড, ন্যাশনাল টিউব, সোনারগাঁ টেক্সটাইলস, ফার্মা এইড, বঙ্গোজ ও জুট স্পিনার্স।
|
|
|
| 04/04/2011 5:15 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
SEC largely responsible for stock market scam
Probe body chief tells FE
Mohammad Mufazzal
The securities regulator is largely responsible for the recent stock market scam as it created opportunities for vested quarters to make their fortunes by indulging in illegal practices.
This was stated by the chief of the committee, now investigating the stock market scam, Monday immediately after the completion of the report.
Echoing the probe body chief Khandaker Ibrahim Khalid, another member of the committee said many persons were behind the scam, but the Securities and Exchange Commission (SEC) must be held responsible ultimately.
"It was not possible for vested quarters to make the best use of illegal practices unless a section of top SEC officials allowed them to do so," Khalid told the FE.
He said the regulator may argue that the failure to carry out the responsibilities of other parties concerned, including the rogue auditors, should not be imposed on the SEC.
"But the regulator was supposed to cancel the applications of controversial issues. Had they done it, such a situation would not have arisen," he said.
However, he said the controversial issues might have been approved through under-the-table deals.
Khalid said the probe body cannot make each and every official responsible for the approval of controversial issues. "Suppose, a director can argue that he had overlooked a controversial issue following an order from his boss - Executive Director (ED). Similarly, an ED can say that he had also bypassed the issue as per the desire of his boss."
"It's not possible to remove all the SEC officials. But some officials, who are mainly responsible for the market scam, should be removed for the sake of dynamic and transparent activities of the regulatory body," he said.
He said the probe report will make a series of recommendations including recruitment of a chartered accountant in the office of securities regulator.
The report will also recommend strengthening of the research and development (R&D) department of the SEC.
Presently, the R&D department is not able to carry out its activities due to shortage of manpower.
A member of the probe body dismissed a media report saying, "The report will, of course, include the names big fishes who had a played role in the scam."
"The names of responsible SEC officials, individuals, companies, stakeholders will be included in the report," he said.
He said the demutualisation of Dhaka Stock Exchange (DSE) is another strong recommendation to be made the probe body.
"The ill practices will be reduced drastically through reforms of the SEC and demutualisation of the DSE," he said.
Asked about the submission of the probe body chief said it has already been completed and they were waiting for the arrival of Finance Minister AMA Muhith from abroad.
"We will submit the report to the finance minister immediately after getting his phone call," he said.
The finance minister is expected to return home from France tomorrow (April 6).
|
|
|
| 04/04/2011 5:15 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | LankaBangla Finance eyes new areas to expand business
FE Report
LankaBangla Finance Limited, a leading non-banking financial institution (NBFI) is going to launch new Shariah-based products to broaden its business.
"We are going to launch the Islamic shariah-based product on deposit and financing by June next," Mafizuddin Sarker, managing director of LankaBangla Finance Ltd told the FE in an interview recently.
The company in its drive will also expand the growing businesses in credit cards, SME and factoring in the coming months.
"We are set to expand our network in Sylhet, Jessore, Khulna and Bogra this year," the LankaBangla chief executive added.
The company held its 14th annual general meeting March 27 last and approved 55 per cent stock dividend for the shareholders.
"We had only 25 per cent public shareholders out of our total company equity-owners when we went public in 2006, but now it has reached to a whopping 56.6 per cent," Mr Mofiz mentioned.
He said the growing number of general shareholders prove that the company is committed towards maintaining the responsibility and accountability. The company's net profit jumped to Tk 1,700.15 million in 2010 showing a whopping 128.49 per cent rise against the amount of 2009. Total portfolio of LankaBangla reached to Tk 15,064.57 million registering a 40.8 per cent growth.
Mr Mafiz said his company is working hard to expand the secondary market.
LankaBangla Finance is one of the recipients of license awarded by Bangladesh Bank to act as primary dealer (PD). "But our efforts will not be fruitful unless the government allows a transparent policy on taxation against the income of bonds," Mr Mafiz clarified.
He mentioned that at present the policy on bonds of Bangladesh is not conducive like the policies of neighbouring countries.
He further added that the central bank should not allow participation of non-licensee FIs at the Bangladesh Bank auction.
Emphasising the need for developing the bond market, he said mobilization of internal resources has become a core necessity to reduce the dependence on external resources.
"We have the opportunity to develop bond market, but the chance should not be missed," he commented.
Established in late-1996, LankaBangla Finance is a joint venture financial institution established with multinational collaboration of foreign equity investment from Sri Lanka and Kingdom of Saudi Arabia.
Reviewing the sectoral performance, Mr Mafizuddin Sarker, also chairman of Bangladesh Leasing and Finance Companies Association (BLFCA) demanded of the government to exempt the financial institutions (FIs) from double taxation in case of booking income by the parent FIs from subsidiary.
"Effective tax liability for the parent company would be 50 per cent against the current rate of 42.5 per cent under a directive of the Securities and Exchange Commission (SEC) on establishing separate subsidiary for stock trading by banks and FIs,"
Currently FIs have been paying 42.5 per cent income tax on its taxable income and upon opening of a subsidiary, income tax payable would be 37.5% on the taxable income of the subsidiary company and the parent company would book the dividend income in its books.
However 20 per cent tax on dividend is required to be imposed on the dividend income to be received by the parent company under the prevailing regulation.
"This is certainly not an encouraging factor to go for opening of subsidiary which was aimed at expanding the businesses of our companies," the BLFCA chief said.
Making a plea for avoiding payment of income tax twice on the same income by the parent company and subsidiary company, the BLFCA chief cited example of India.
"India handled the matter by inserting a special provision in the Finance Act of 2009," he added.
In another demand, the BLFCA chief said in order to reduce the dependency on bank borrowing, FIs should be more focused to attract deposit from public in a three-month plus tenor.
Currently FIs can take deposit from institutions and individual with a tenure of not less than 6 months.
Many FIs have short term product as well like factoring, credit card, treasury operations etc.
The BLFCA chief also demanded that the 'existing exemption on the cumulative exposure in the form of underwriting and portfolio loan of a merchant banker at any time should not exceed five times of its equity' should be applicable in case of subsidiary of FIs as well.
|
|
|
| 04/04/2011 5:16 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Hartal fails to pull down Dhaka stocks
FE Report
Dhaka stocks closed higher Monday despite countrywide dawn-to-dusk hartal as investors opted for buying some particular sectors' shares heavily.
With the Monday's gain, the Dhaka stocks advanced for the fourth consecutive sessions with major index DGEN gained more than 355 points.
The market started the day with a strong note in the morning gaining more than 78 points within 25 minutes of the resumption of the trading and the momentum continued until the end of the trading session.
At the end of the day, the benchmark DSE General Index (DGEN), the yardstick of the market, ended at 6,535.87, rising 88.87 points or 1.38 per cent.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) went up by 69.07 points or 1.29 per cent to 5,417.66. The DSE-20 blue chip index rose 24.63 points or 0.61 per cent to 4,017.94.
Mr Ahmad Rashid Lali, managing director of Rashid Investment Services, said the overall market trend is very much positive.
"The investors are coming to the market with fresh investment and simultaneously they are taking profit from the market which is a sign of stable market."
Many investors regain confidence observing the current behaviour of the market as the market gained for few consecutive sessions, said a leading merchant banker.
The small capital companies, prices of which companies shot up earlier, lost ground on the day which was also a good sign for the market, he added.
However, the day's total turnover increased to Tk 10.60 billion in value terms, up by 3.20 per cent, from Tk 10.27 billion in the previous trading session.
A total of 77.06 million shares changed hands on the day against 77.97 million in the previous session. The trade deals also decreased to 196,260 against 200,354 in the previous session.
The market capitalisation slightly increased and stood at Tk 2,908.56 billion against Tk 2,878.34 billion Sunday.
The gainers took lead over the losers as out of 257 issues traded on the day, 155 advanced, 94 declined and eight issues remained unchanged.
Among the major sectors, NBFIs sector was the highest gainer and the sector advanced 4.39 per cent. Paper and printing and ceramics sectors were the highest gainer of the day with 8.96 per cent and 7.14 per cent gain respectively.
Among other sectors, bank sector gained 0.19 per cent, while fuel and power 1.57 per cent, general insurance 0.43 per cent and pharmaceuticals 0.17 per cent.
Cement and life insurance stocks slumped 0.78 per cent and 0.39 per cent respectively on the day.
Grameenphone, the most weighted share in the DSE, advanced Tk 0.60 per share and closed at Tk 170.10 on the day and the sector retraced 0.18 per cent.
In the banking sector 29 issues traded, 18 issues gained, nine issues lost and two issues remained unchanged.
In the NBFIs sector 20 issues traded, only one issue, Peoples Leasing, lost prices following its price adjustment after record date while 19 issues gained.
In the textile sector 25 issues traded, 19 issues advanced and six declined in prices on the day.
In the fuel and power sector 10 issues traded, of them eight issues advanced and two issues lost.
In the pharmaceuticals sector out of 20 issues, nine issues gained and 11 issues lost on the day.
Peoples Leasing topped the turnover list with share worth Tk 616.76 million changed hands. The other turnover leaders were Aftab Automobiles, Beximco Limited, Bextex Limited, BSRM Steels, Bay Leasing, Jamuna Oil, National Bank, Golden Sons and Confidence Cement.
RAK Ceramics was the highest gainer on the day posting 9.46 per cent rise. It was followed by Hakkani Pulp and Paper, ACI, IPDC, ACI Formulation, Malek Spinning, Fidelity Assets & Securities Company Ltd, Premier Leasing, Navana CNG and BIFC.
Peoples Leasing was the top loser on the day posting 37.95 per cent loss. The other top losers were Samata Leather Complex Ltd, Savar Refractories, Usmania Glass, Shyampur Sugar Mills Ltd, National Tubes, Sonargaon Textile, Bangas and Jute Spinners.
|
|
|
| 04/04/2011 5:16 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | MJL, MI Cement seek jt meet with SEC, DSE
FE Report
The authorities of Mobil Jamuna Lubricants (MJL) and MI Cement have demanded immediate joint meeting with the regulatory body and authorities of stock exchanges to resolve listing issues of the two companies.
Azam Z Chowdhury, chairman of MJL, told the FE that although they had accepted all the proposals of regulatory body, they were yet to be listed with the bourses due to opposition from different quarters.
"It is high time to hold a meeting with the authorities concerned to sort out ways of listing of the two companies complying with the existing laws for the greater interest of the general investors," said Mr Chowdhury.
According to DSE sources, high officials of MJL recently visited the DSE office and proposed to offer bonus shares to its primary shareholders with a view to compensating them.
Following the proposals, the DSE authorities made some observations, the sources added.
Chief Finance Officer of the MI Cement Muktar Hossain Talukder told the FE that they did not think so that their shares were overpriced.
But if the regulatory body suggests to make any compensation to the investors we are ready to do it, he added.
He said that they discussed the listing issue with DSE authorities several times without any substantial results.
Meanwhile, some capital market experts have opposed the proposal to issue bonus shares by means of compensation to the primary shareholders of MJL, saying that it would convey wrong message in the market and would also set up a bad instance.
|
|
|
| 04/04/2011 5:18 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
হরতালেও চাঙ্গা শেয়ারবাজার
বেড়েছে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম
হরতালের মধ্যেও চাঙ্গা ছিল ঢাকার শেয়ারবাজার। গতকাল সোমবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের সঙ্গে বেড়েছে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম। লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে।
গতকাল নির্ধারিত সময় সকাল ১১টায় সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দিয়ে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। আর দিন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৮৮.৮৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৬ হাজার ৫৩৫.৮৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে টানা চার কর্মদিবস ডিএসই সূচক বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতকাল হরতালের পরও এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি বাজারের জন্য ইতিবাচক।
গতকাল সূচক বৃদ্ধির সঙ্গে আগের দিনের থেকে ৩৩ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে ডিএসইতে। রবিবার ডিএসইতে এক হাজার ২৭ কোটি ১০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল। আর গতকাল এক হাজার ৬০ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।
ব্যাংক ও আর্থিক খাতের বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫৭টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫৫টির, কমেছে ৯৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি কম্পানির শেয়ারের দাম। তবে গতকাল আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২১টি কম্পানির মধ্যে কেবল পিএলএফএসএলের দাম কমেছে। বাকি সব কয়টি কম্পানির শেয়ারের দামই বেড়েছে। আর ব্যাংক খাতের ৩০টি কম্পানির মধ্যে ৯টির কমেছে, ১৮টি কম্পানির বেড়েছে। আর ট্রাস্ট ব্যাংকের লেনদেন হয়নি। প্রিমিয়ার ব্যাংক এবং ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
গতকালের বাজার সম্পর্কে এএনএফ ম্যানেজমেন্ট কম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অজিত কুমার বণিক বলেন, ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারের দাম বাড়া বাজারের জন্য ইতিবাচক। বর্তমানে যেসব কম্পানি নিয়মিত লভাংশ দিচ্ছে, তাদের দাম বাড়ছে। এতে বোঝা যায় বিনিয়োগকারীরা সঠিক পথেই আছে।
এদিকে গতকাল মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল আরএকে সিরামিকস্, হাক্কানি পাল্প, এসিআই, আইপিডিসি, এসিআই ফর্মুলেশন, মালেক স্পিনিং, ফিডেলিটি অ্যাসেট, প্রিমিয়ার লিজিং, নাভানা সিএনজি এবং বিআইএফসি।
লেনদেন বেশি হয়েছে এমন ১০টি কম্পানি হলো পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি., আফতাব অটোমোবাইলস্, বেঙ্মিকো লি., বেঙ্টেঙ্, বিএসআরএম স্টিল, বে-লিজিং, যমুনা অয়েল, ন্যাশনাল ব্যাংক লি., গোল্ডেন সন এবং কনফিডেন্স সিমেন্ট।
আর দাম কমার দিকে প্রথম দিকে ছিল পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি., সমতা লেদার, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, উসমানিয়া গ্লাস, শ্যামপুর সুগার, ন্যাশনাল টিউবস্, সোনারগাঁও টেঙ্টাইল, ফার্মা এইড, বঙ্গজ লি. এবং জুট স্পিনার্স। |
|
|
|