| 04/03/2011 3:52 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
এমজেএলকে ডিএসই
তালিকাভুক্তির শর্ত বোনাস শেয়ার
হাসান ইমাম
এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডকে তালিকাভুক্তির জন্য নতুন শর্ত দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। সংস্থাটি প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ না দিয়ে বোনাস শেয়ার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কোম্পানিটিকে।
ডিএসইর পক্ষ থেকে কোম্পানিটিকে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শেয়ারধারীরা নির্দিষ্ট হারে বোনাস শেয়ার পেলে তাঁদের শেয়ারপ্রতি ক্রয়মূল্য কমে আসবে। ফলে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে অতি মূল্যে শেয়ার বিক্রির যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তাও অনেকখানি কমবে। এতে তালিকাভুক্তির ব্যাপারে সৃষ্ট জটিলতাও নিরসন হবে।
জানা গেছে, প্রস্তাবটি কোম্পানির সক্রিয় বিবেচনাধীন। একই সঙ্গে কোম্পানির পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
এসইসি তাদের দিক থেকে নীতিগত কোনো আপত্তি নেই জানিয়ে ডিএসইর কাছ থেকে লিখিতভাবে প্রস্তাব পাওয়ার পরই এমজেএলকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে এসইসির শীর্ষস্থানীয় একজন কর্মকর্তা এ প্রস্তাবের কথা স্বীকার করে গতকাল রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা চাই বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি হোক। আইনের মধ্যে থেকে যে পদ্ধতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সবচেয়ে বেশি সংরক্ষিত হবে, সেভাবে তালিকাভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হলে এসইসির কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়।’
তবে ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির জন্য কোনো শর্ত বা প্রস্তাব দিইনি। এমজেএল বাংলাদেশ কোম্পানি আইনের ৫৭-এর ২(সি) ধারা অনুযায়ী প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্তি চেয়েছিল। কিন্তু আমরা তাদের বলেছি, এ ধারা অনুযায়ী প্রিমিয়ামের টাকা দিয়ে শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে তারা চাইলে ৫৭-এর ২(এ) ধারা অনুযায়ী আসতে পারে।’
জানা গেছে, কোম্পানি আইনের ৫৭-এর ২(এ) ধারা অনুসারে বোনাস শেয়ার দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে কোম্পানির চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী বলেন, ‘তালিকাভুক্তির ব্যাপারে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। এ ব্যাপারে ডিএসই অনানুষ্ঠানিকভাবে আমাদের কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এসইসি বা ডিএসইর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পেলে আমরা তা বিবেচনা করব।’
এসইসি সূত্র বলছে, ডিএসই পক্ষ থেকে কোম্পানিটির প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। যদি এ হারে বোনাস দেওয়া হয়, তাহলে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য দাঁড়াবে ১১৬ টাকা ৯২ পয়সার মতো।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক পর্যায়ে এমজেএল বাংলাদেশের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে দাম নেওয়া হয়েছে ১৫২ টাকা। বাজারে সাম্প্রতিক ধসের পর কোম্পানির শেয়ারের এ মূল্যায়ন নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে ব্যাপক সমালোচনা ওঠে। তীব্র সমালোচনার মুখে গত ২০ জানুয়ারি সরকার কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে।
তবে এর একদিন পরই বিক্রীত মূল্যের চেয়ে শেয়ারের দর কমে গেলে পরিচালকদের কিনতে হবে—এ শর্তে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রথমে এ শর্তে রাজি হলেও পরে নানা জটিলতার কথা উল্লেখ করে কোম্পানির পক্ষ থেকে শর্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হয়।
একপর্যায়ে তালিকাভুক্তির ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের দর প্রস্তাবিত মূল্যের নিচে নেমে গেলে প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে—এ শর্তে তালিকাভুক্তির অনুমোদন চায় এমজেএল। এসইসি এতে সম্মতি দিলেও আপত্তি তোলে ডিএসই। ডিএসইর পক্ষ থেকে বলা হয়, কোম্পানি আইনের যে ধারা বলে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, সেই ধারা অনুযায়ী প্রিমিয়ামের টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণের কোনো সুযোগ নেই।
এদিকে, এমজেএল বাংলাদেশ ও এমআই সিমেন্ট লিমিটেডের তালিকাভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন সাধারণ শেয়ারধারীরা।
|
|
|
| 04/03/2011 3:54 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ইডবিস্নউভুক্ত ব্যাংকগুলোর ঋণ আমানত হার কমানোর নির্দেশ
বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক সম্পন্ন সমার্চের মধ্যে অতিরিক্ত ঋণ কমিয়ে না আনলে
প্রবলেম ব্যাংকের তালিকায় নেয়া হতে পারে তিন ব্যাংককে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আরলি ওয়ার্নিংভুক্ত (ইডবিস্নউ) ব্যাংকগুলোর ঋণ-আমানত হার (সিডিআর) কমানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইডবিস্নউতে থাকা ইউসিবিএল, এসআইবিএল এবং আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। গত ৩০ মার্চ থেকে ধারাবাহিক বৈঠক শেষে রবিবার এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
গত ৩০ মার্চ থেকে ইডবিস্নউভুক্ত তিনটি ব্যাংকের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক শুরম্ন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। রবিবার পর্যনত্ম ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক চলে। ৩০ মার্চ বৈঠক হয় আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক ও ইউসিবিএল-এর সঙ্গে। ওই দু'টি বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর মোঃ নজরম্নল হুদা সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া রবিবার বৈঠক হয় সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে। ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকেসুর চৌধুরী।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলো পরিচালন ব্যয় কমানো, শ্রেণীকৃত ঋণ হ্রাস করা, মূলধন ঘাটতি রোধ, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশিত সীমার মধ্যে থাকাসহ সকল আর্থিক সূচকের উন্নয়ন ঘটানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী জুনের মধ্যে ব্যাংকগুলোর আর্থিক সূচকগুলো উন্নতি না হয় তাহলে ইডবিস্নউ থেকে প্রোবলেম ব্যাংকে নিয়ে আসা হবে ব্যাংক তিনটিকে।
ইডবিস্নউভুক্ত তিনটি ব্যাংকের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক ও অগ্রগতি সম্পর্কে এসকেসুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভীর পর্যবেৰণ রাখা-ইউসিবিএল, এসআইবিএল এবং আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে রম্নটিন অনুযায়ী বৈঠক করা হয়েছে। বৈঠকে ব্যাংকের সিডিআর কমানো, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হ্রাস করা, মূলধন বৃদ্ধি ও ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের পরিমাণ কমিয়ে আনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব বিষয় উলেস্নখ করে খুব শীঘ্রই ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে লিখিতভাবে পাঠানো হবে। সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলো যদি আগামী জুনের মধ্যে তাদের সকল আর্থিক সূচকের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে না পারে তাহলে প্রোবলেম ব্যাংকের তালিকায় নেয়া হতে পারে। তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং খাতকে শক্তিশালী এবং ঝুঁকিমুক্ত করার লৰ্যেই ইডবিস্নউভুক্ত ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে গভীর মনিটরিংয়ে রাখা হচ্ছে। যাতে করে ব্যাংকগুলো আরলি ওয়ার্নিং থেকে দ্রম্নত বের হয়ে আসে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকটি ২০০৫ সালে ইডবিস্নউতে তালিকাভুক্ত হয়। এছাড়া ইউসিবিএল ২০০৫ সালে এবং এসআইবিএল তালিকাভুক্ত হয় ২০০৭ সালে। ব্যাংকগুলোকে ইডবিস্নউতে রেখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোরভাবে মনিটরিং করে আসছে। প্রতি মাসে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক করা, গাইডলাইন দেয়া এবং গভীর নজরে রাখা হয় ব্যাংকগুলোকে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকগুলো ইডবিস্নউতে পড়ে থাকলেও আর্থিক সূচকের তেমন উন্নতি ঘটেনি। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপুটি গবর্নর মোঃ নজরম্নল হুদাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে এসআইবিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আলী জনকণ্ঠকে বলেন, আমাদের আর্থিক সকল সূচকই বেশ ভাল। খুব শীঘ্রই আমাদের ব্যাংক ইডবিস্নউ থেকে বের হয়ে আসবে। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশিত সকল ফমর্ূলা অনুযায়ীই আমরা কার্যক্রম পরিচালনা করছি।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে উর্ধতন এক কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে বলেন, ব্যাংকগুলোকে ভাল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাপক উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করাসহ রম্নটিন অনুযায়ী মিটিং করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গাইডলাইনও প্রদান করা হচ্ছে। যাতে করে ব্যাংকগুলো কোন সমস্যায় না পড়ে। সেই সঙ্গে বিদ্যমান সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে পারে। এরই ধারাবাহিকতায় তিনটি ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্রে জানা গেছে, ক্লাসিফাইড ঋণ ৩ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে রাখতে পারলে ভাল। কিন্তু বর্তমানে কিছু ব্যাংক তাদের ক্লাসিফাইড লোনের ৰেত্রে প্রায় ৮ শতাংশ দাঁড়িয়েছে। যা সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কোন ব্যাংকের ম্যানেজমেন্টে অবস্থা অসচ্ছল অথবা ম্যানেজমেন্টের মধ্যে গ্রম্নপিং রয়েছে। একই সঙ্গে অদৰ লোকদের নিয়োগ এবং পরিচালক নিয়োগের ৰেত্রে সমস্যা রয়েছে। এছাড়া কোন ব্যাংক তার মোট দায়ের ১০ শতাংশের উপরে শেয়ারে বিনিয়োগ করছে। এসব বিষয় ব্যাংকের জন্য ঝুঁকি বয়ে আনছে। ফলে বিষয়গুলো তত্ত্বাবধায়ন করার জন্য প্রতি মাসে ব্যাংকগুলোকে মনিটরিং করা হয়। যাতে করে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকটি আরলি ওয়ার্নিং থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। আর কোন ব্যাংক যদি আরলি ওয়ার্নিং থেকে বের হতে না পারে তাহলে সেটিকে প্রোবলেম ব্যাংকের তালিকায় অনত্মভর্ুক্ত করা হয়।
ব্যাংকিং খাতের উন্নয়ন ও আনত্মর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিভিন্ন সময় ব্যাপক পদৰেপ গ্রহণ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা, ব্যাংক ম্যানেজমেন্টে যোগ্য ও দৰ লোকবল নিয়োগ দেয়াসহ পরিচালকদের মধ্যে গ্রম্নপিং রোধ করাসহ ক্লাসিফাইড লোনের পরিমাণ কমিয়ে আনার জন্য সরকারী-বেসরকারী ব্যাংকসহ সংশিস্নষ্ট সকল ব্যাংকের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু কিছু ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের এ নির্দেশনা অমান্য করে অতি মুনাফা অর্জনের লৰ্যে ঋণের বিপরীতে উপযুক্ত জামানত না রাখার পরে সমস্যায় পড়ে যায়। এর ফলে কিছু ব্যাংক আরলি ওয়ার্নিং ও প্রোবলেম ব্যাংকে পরিণত হয়েছে।
একটি বেসরকারী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, প্রবলেম ব্যাংকের আনত্মভর্ুক্ত হলে গ্রাহকদের লেনদেনের ৰেত্রে কোন ধরনের সমস্যা হয় না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনিটরিং করার সুবিধার্থে ব্যাংকগুলোকে ক্যাটাগরি হিসেবে ভাগ করে। এতে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের বিনিয়োগকারী, গ্রাহক এবং আমানতকারীদের ওপর কোন প্রভাব পড়ে না। তিনি আরও বলেন, প্রবলেম থেকে এড়ানোর জন্য সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলো মূলধন বাড়াতে পারে। রাইট শেয়ারও ইসু্য করাসহ শ্রেণীকৃত লোনের পরিমাণ কমানো উচিত। একই সঙ্গে ব্যাংক পরিচালনার ৰেত্রে দৰ, যোগ্য এবং অভিজ্ঞ লোকদের নিয়োগ দেয়া দরকার। এসব বিষয় গুরম্নত্ব দিলেই ব্যাংকগুলো প্রবলেমে পড়ে না। |
|
|
| 04/03/2011 3:54 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পাঁচ ৰেত্রে বিশেষ সুবিধা চেয়েছে 'বাংলাদেশ ফান্ড'
অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার পর সিদ্ধানত্ম
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ ছাড়াও সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কাছে পাঁচটি ৰেত্রে বিশেষ সুবিধা চেয়েছে 'বাংলাদেশ ফান্ডের' উদ্যোক্তারা। পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার স্বার্থে বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য প্রসত্মাবিত এসব সুবিধা দিতে হলে কোন কোন ৰেত্রে বিদ্যমান বিধি সংশোধন কিংবা এসইসির বিশেষ ৰমতা (সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯-এর ২সিসি ধারা) প্রয়োগ করতে হবে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশে ফেরার পর তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে বিশেষ সুবিধা প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, এসইসিতে জমা দেয়া ট্রাস্ট চুক্তির আবেদনে ফান্ডটির জন্য স্থায়ীভাবে এসইসির বার্ষিক ফি মওকুফের প্রসত্মাব করা হয়েছে। ফান্ডের মোট অর্থের ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজার এবং বাকি ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফান্ডের বিনিয়োগ থেকে অর্জিত লভ্যাংশ করমুক্ত রাখা, সরকারী প্রতিষ্ঠানের আইপিওর ১০ শতাংশ অভিহিত মূল্যে এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ৫ শতাংশ ইসু্য মূল্যে বরাদ্দ রাখার প্রসত্মাব করা হয়েছে।
সিকিউরটিজি এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচু্যয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১ এর ১১(১) অঠওঠ অনুযায়ী এসইসিতে নিবন্ধিত প্রত্যেক মিউচু্যয়াল ফান্ডকে প্রতি বছর মোট তহবিলের ০.১ শতাংশ হারে এসইসির বার্ষিক ফি পরিশোধ করতে হয়। বাংলাদেশ ফান্ডের মোট আকার ৫ হাজার কোটি টাকায় সীমিত থাকলেও প্রতিবছর এসইসিকে ৫ কোটি টাকা ফি প্রদান করতে হবে। বড় অঙ্কের এই ফি মওকুফ করা হলে বাজার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করা সহজ হবে বলে ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তারা মনে করেন।
তবে এসইসিতে নিবন্ধিত অন্যান্য মিউচু্যয়াল ফান্ডের মতো একই বিধিমালার আওতায় ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের আবেদন করায় বাংলাদেশ ফান্ডের বার্ষিক ফি মওকুফ করা সম্ভব কিনা_ সে বিষয়ে সিদ্ধানত্মহীনতায় পড়েছে এসইসি। কারণ ফি মওকুফের প্রসত্মাব গ্রহণ করতে হলে মিউচু্যয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধন করতে হবে।
একইভাবে সংশিস্নষ্ট বিধিমালার ৫৫(২) ধারা অনুযায়ী মিউচু্যয়াল ফান্ডের মোট অর্থের কমপৰে ৭৫ শতাংশ পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা বাধ্যতামূলক। এৰেত্রে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগযোগ্য অর্থের কমপৰে অর্ধেক তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ফান্ডের উদ্যোক্তারা মোট অর্ধেক মুদ্রবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ চেয়েছে। এৰেত্রেও সংশিস্নষ্ট বিধি সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তবে এসইসি চাইলে বিশেষ ৰমতা (২সিসি) ব্যবহার করে বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য এসব সুবিধা প্রদান করতে পারে বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন।
অন্যদিকে ফান্ডের বিনিয়োগ থেকে অর্জিত লভ্যাংশ করমুক্ত রাখা এবং সরকারী প্রতিষ্ঠানের আইপিওর ১০ শতাংশ অভিহিত মূল্যে বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য বরাদ্দ করার বিষয়টি এসইসির এখতিয়ারের বাইরে। কর সংক্রানত্ম বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সিদ্ধানত্ম নিতে পারে। অন্যদিকে সরকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বরাদ্দের বিষয়ে সরাসরি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধানত্মের বিষয়। এছাড়া বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের আইপিওর ৫ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দের সুযোগ দিতে হলেও এ সংক্রানত্ম বিধিমালা সংশোধন করতে হবে। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (্পাবলিক ইসু্য) বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী নতুন আসা কোম্পানির আইপিওর জন্য নির্ধারিত মোট শেয়ারের ১০ শতাংশ মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য সংরৰিত রাখতে হয়। এৰেত্রে এসইসিতে নিবন্ধিত সকল মিউচু্যয়াল ফান্ডের আবেদনের ভিত্তিতে এসব শেয়ার বরাদ্দ করা হয়। বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী একটি মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য ৫ শতাংশ শেয়ার বরাদ্দ রাখার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ ফান্ডকে এই সুবিধা দিতে হলে সংশিস্নষ্ট বিধিমালা সংশোধন করতে হবে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ফান্ডের বিষয়ে সম্পূর্ণ ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলেও আইনী সীমাবদ্ধতার কারণে বিশেষ সুবিধা প্রদানের বিষয়ে তাৎৰণিক সিদ্ধানত্ম নিতে পারছে না এসইসি। বেশ কয়েকটি বিষয়ের সঙ্গে সরকারের সিদ্ধানত্মের প্রশ্ন জড়িত থাকায় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধানত্ম নিতে চাইছেন এসইসির শীর্ষ কর্মকর্তারা। আগামী ৬ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার পর তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে। অর্থমন্ত্রী ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করলে এসইসির বিশেষ ৰমতা প্রয়োগ করে কয়েকটি ৰেত্রে বিশেষ সুবিধা প্রদানসহ বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন করা হতে পারে। সরকারের দিক থেকে সিদ্ধানত্ম নেয়ার পর ফান্ডের কাগজপত্রের সঙ্গে বাকি সুবিধাগুলো সংযোজন করে নেয়ার সুযোগ রয়েছে।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৬ মার্চ 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ানত্ম করা হয়। এই ওপেন এ্যান্ড (মেয়াদহীন) মিউচু্যয়াল ফান্ড হিসেবে গঠিত এই তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার বিবেচনায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো যাবে। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানই ফান্ডের ট্রাস্টির দায়িত্ব পালন করবে। ফান্ড ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। এছাড়া আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বাংলাদেশ ফান্ডের কাস্টডিয়ানের দায়িত্ব পালন করবে।
বাংলাদেশ ফান্ডের মোট ৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে আইসিবি ৫০০ কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, সাধারণ বীমা করপোরেশন ১০০ কোটি টাকা এবং রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ বরাদ্দ করেছে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংক ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা দেবে বলে জানিয়েছে। দু'একদিনের মধ্যেই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এ অর্থ অনুমোদন করবে। তবে জীবন বীমা কর্পোরেশন ৫০ কোটি টাকা দেয়ার কথা জানালেও বিষয়টি নিশ্চিত নয়। অবশ্য জীবন বীমা কর্পোরেশন টাকা না দিলে সোনালী ব্যাংক আরও ৫০ কোটি টাকা প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়েছে। |
|
|
| 04/03/2011 3:55 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ব্যাংক-বীমার দরবৃদ্ধিতে উর্ধমুখী পুঁজিবাজার
মৌলভিত্তির শেয়ারে আগ্রহী হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ গ্রামীণফোনসহ উলেস্নখযোগ্য সংখ্যক কোম্পানির শেয়ারের দর কমলেও ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দরবৃদ্ধির প্রভাবে সপ্তাহের প্রথম দিনেই উর্ধমুখী হয়ে উঠেছে পুঁজিবাজারের সূচক। দেশের দুই শেয়ারবাজারেই বেড়েছে সূচক ও বাজার মূলধন। গত সপ্তাহের শেষ তিন দিন শেয়ারবাজার উর্ধমুখী থাকলেও সামগ্রিক লেনদেনে দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারের প্রাধান্য ছিল। সেই ধারা কাটিয়ে বিনিয়োগকারীরা রবিবার ব্যাংকসহ মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। লেনদেনের ৰেত্রে ভাল কোম্পানির প্রাধান্য বাজারের জন্য শুভ ইঙ্গিত বহন করছে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, কিছুটা সিদ্ধানত্মহীনতা থাকলেও বিনিয়োগকারীরা ভাল শেয়ারের দিকে মনোযোগী হচ্ছেন। এ কারণে অন্যান্য খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমলেও ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দর বাড়তে শুরম্ন করেছে। একইসঙ্গে অন্যান্য খাতেও বেশকিছু ভাল কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কোম্পানির মৌলভিত্তি ও লভ্যাংশ ঘোষণার বিবেচনা কাজ করলে পুঁজিবাজার সঠিক পথে অগ্রসর হবে।
রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট ১৪৪টি কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে ১০৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টির দর। তবে যেসব কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে তার অধিকাংশই গত কিছুদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছিল। এ অবস্থায় এসব শেয়ারের মূল্য সংশোধন বিনিয়োগকারীদের কাছে অনাকাঙ্ৰিত ছিল না। অন্যদিকে বেশ কয়েক দিন নিম্নমুখী থাকার পর ভাল কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধি সামগ্রিকভাবে বাজারের জন্য ইতিবাচক বার্তা বলে বিশেস্নষকরা মনে করছেন।
সারা দিনের লেনদেনে দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৮টি ছিল ব্যাংকিং খাতের। এ খাতের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২টি বাদে সবগুলোর দরই বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ২০টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মধ্যে ১৫টির দর বেড়েছে। ৪৪টি বীমা কোম্পানির মধ্যে শেয়ারের দর বেড়েছে ৩২টির। অন্যান্য সব খাতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। এরমধ্যে সিমেন্ট, সিরামিক, প্রকৌশল, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, খাদ্য ও অনুষঙ্গিক, জ্বালানি, বীমা, বস্ত্র, মিউচু্যয়াল ফান্ড ও বিবিধ খাতে দর হ্রাসের মাত্রা ছিল বেশি।
বুধবার ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৯৪.৯০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৬৪৪৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সূচকে উর্ধমুখী প্রবণতা শুরম্ন হলেও সামগ্রিকভাবে আগের দিনের চেয়ে লেনদেনের গতি সামান্য কমেছে। ডিএসইতে রবিবার মোট ৭ কোটি ৭৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪১টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৭ কোটি ১০ লাখ টাকা_ যা আগের দিনের তুলনায় ২১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা কম। দিন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৩৪ কোটি ২৭ লাখ ৪৮ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক ১৬৭.২১ পয়েন্ট বেড়ে ১৭৯২৫.৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এখানে লেনদেন হওয়া ২০১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ১০৭টির, কমেছে ৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দু'টি প্রতিষ্ঠানের। সারা দিনে মোট লেনদেন হয়েছে ১০২ কোটি টাকা। |
|
|
| 04/03/2011 3:57 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
Stocks power ahead on good corporate news
Star Business Report
Good corporate declarations and positive first-quarter performance of high-profile companies pulled up the bourses yesterday.
The benchmark general index of Dhaka Stock Exchange increased by 95 points, or 1.5 percent, to 6,447 points.
The selective price index of Chittagong Stock Exchange gained 115 points, or 1.01 percent, to close at 11,575 points.
Insiders said regulators allowing 'black' or untaxed money in the Bangladesh Fund also inspired the investors to buy sharers.
Investors anticipated that the market would get the much-needed liquidity if the retail and institutional investors were allowed to put in untaxed money in the fund.
The government announced the Bangladesh Fund on March 6 to buy shares to halt the bearish trend of the capital market that started in December 2010.
A delayed submission of the investigation report on January's stockmarket crash to the finance ministry also inspired the investors to buy shares, said an insider.
The government formed an investigation committee on January 25 to probe the massive swings in the stockmarket in January.
Akter H Sannamat, a market analyst said, "Most investors made investments after considering the companies profiles and their corporate declarations."
"Now investors seem to be behaving in a more practical manner as they do not pay heed to the rumours in the market," said Sannamat.
He said the bank sector pulled up the stock on the day as investors anticipate some banks will issue good corporate declaration for the first quarter.
Shakil Rizvi, president of DSE, said: "Investors becoming aware of the current market trends regained their confidence to an extent."
"The listing of MJL Bangladesh and MI Cement will be completed within a few days," Shakil said.
“After submission of the investigation report we will discuss the book-building method,” he also said.
Most of the major sectors such as banks gained 3.58 percent, non-bank financial institutions 1.90 percent, pharmaceuticals 0.05 percent, while telecoms lost 2.01 percent and fuel and power 0.40 percent.
Daily turnover on the DSE stood at Tk 1,027 crore, down by Tk 21.87 crore from the previous day of trading on the DSE floor.
Of the total 260 issues traded on the day, 144 advanced, 108 declined and eight remained unchanged.
Aftab Automobiles topped the turnover leaders with 17.13 lakh shares worth Tk 52.26 crore traded on the day.
The other turnover leaders were Beximco, National Bank, Bextex, BSRM Steels, Titas Gas, Union Capital, Fu-Wang Ceramic, Golden Son and Jamuna Bank.
United Leasing was the biggest gainer of the day, posting a 10.19 percent rise in its share prices, while Alltex Industries was the worst loser, slumping by 8.35 percent. |
|
|
| 04/03/2011 3:57 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Dhaka stocks continue to rise
FE Report
Dhaka stocks maintained its upward trend on the opening day of the week Sunday with all indices gained more than 1.0 per cent. The country's premium bourse gained for the three straight sessions on the first working day of the week.
Buying pressure, both from institutional and retail investors, jacked the share prices of most sectors up, dealers said.
The DSE General Index (DGEN), main gauge of the market, ended at 6,447.00, rising 94.90 points or 1.49 per cent.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) went up by 73.45 points or 1.39 per cent to 5,348.58. The DSE-20 blue chip index rose 78.92 points or 1.99 per cent to 4,047.31.
The market started the day with a strong note in the morning gaining more than 80 points within five minutes of the resumption of the trading and the momentum continued until the closure, as the investors went for fresh buying mainly in banking and non-banking financial institutions (NBFIs) issues and finally ended the day 94 points higher.
"The investors' confidence has been enhanced at the news that the regulatory body is going to give approval to the Tk 50 billion "Bangladesh Fund" and they went for fresh buying," said AB Mirza Azizul Islam, former finance adviser of the caretaker government.
"The market also behaved rational and it was almost stable in the last few sessions which is a good sign for the overall market," said Mr Islam, who led the Securities and Exchange Commission (SEC) as its chairman from November 1, 2003 to February 22, 2006.
"Investors seem to be investing now after analysing companies' fundamental," said Mr Islam.
Mr Yawer Sayeed, managing director and CEO of AIMS of Bangladesh, said that the participation of retail investors had been increasing in the daily trading due to positive news in connection with the 'Bangladesh Fund'.
"Healthy corporate declaration of some companies also contributed to the market," Mr Sayeed added.
However, on Sunday, the day's total turnover slightly decreased and stood at Tk 10.27 billion, in value terms, from Tk 10.49 billion in the previous trading session.
A total of 77.97 million shares changed hands on the day against 71.19 million in the previous session. The trade deals also increased to 200,354 against 194,480 in the previous session.
The market capitalisation slightly increased to Tk 2,878.34 billion against Tk 2,855.30 billion Thursday.
Out of total 260 issues traded on the day, 144 advanced, 108 declined and eight issues remained unchanged.
Banking sector, the market's bellwether, was the biggest gainer on the day. Among the 30 listed banks in the banking sector---all banks gained except Rupali Bank and Social Islami Bank Limited. And the sector gained overall by 3.58 per cent.
In the NBFIs sector, of the total 20 issues traded on the day, 15 advanced while five issues lost in prices and the sector gained 1.90 per cent.
In the pharmaceuticals sector out of 20 issues, 11 issues gained and nine issues lost on the day. The sector gained 0.50 per cent.
On the day, general insurance gained 1.36 per cent, life insurance 0.36 per cent and ceramics 0.61 per cent while fuel and power lost 0.40 per cent cement 2.07 per cent, textile 1.77 per cent and mutual fund 0.18 per cent.
Grameenphone, the most weighted share in the DSE, lost Tk 2.90 per share or 2.01 per cent and closed at Tk 170.40 each in the trading session after advanced Tk 7.70 per share in the previous session.
Aftab Automobiles topped the turnover list in the engineering sector with shares worth Tk 522.60 million changed hands. The other turnover leaders were Beximco Limited, National Bank, Bextex Limited, BSRM Steel, Titas Gas, Union Capital, Fu-Wang Ceramics, Golden Sons and Jamuna Oil.
United Leasing was the highest gainer on the day posting 10.20 per cent gain following its corporate declaration.
Alltex Industries was the day's top loser followed by Kay and Que, United Insurance, Anlima Yarn, Tallu Spinning, HR Textile, Anwar Galvanising, Safko Spinning, Aziz Pipes and BD Autocars.
|
|
|
| 04/03/2011 3:58 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | DSE asked to investigate
FE Report
The securities regulator has asked Dhaka Stock Exchange (DSE) to investigate the recent unusual price hikes of some specific 'Z' category shares.
The regulatory move came to protect the innocent investors from possible crash.
The Securities and Exchange Commission (SEC) Sunday sent a letter to DSE to identify the major buyers, sellers and brokers involved with the trading of some 'Z' category shares, whose prices recently went up alarmingly.
"The regulator is concerned over the recent usual price hike of some 'Z' category shares," an SEC official told the FE.
The official said that in response to DSE queries, the companies only informed that there was no undisclosed price sensitive information behind recent unusual price hikes. "But their prices are going up alarmingly."
In March, 2011, the DSE asked about 40 'Z' category companies to inform whether there was any price sensitive information, which pushed the shares prices up.
The SEC official also said the regulator does not want to carry on a mass investigation on all 'Z' companies, as the investors' confidence might be affected following the investigation. |
|
|
| 04/03/2011 3:58 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Trust Bank 1st MF NAV disclosed
On the close of business operation on March 31, 2011, Trust Bank 1st Mutual Fund has stated NAV of Tk 13.80 per unit on the basis of current market price and Tk 12.36 per unit on the basis of cost price against face value of Tk 10, whereas total net assets of the fund stood at Tk 2,759,569,187.88 on the basis of market price and Tk 2,472,918,347.87 on the basis of cost price after considering all assets and liabilities of the fund.
— DSE Online |
|
|
| 04/03/2011 3:58 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | DSE news in brief
Dividends
United Leasing: The board of directors of United Leasing has recommended 7.5 per cent cash and 75 per cent stock dividends for the year that ended on December 31, 2010. The annual general meeting (AGM) will be held at Celebrity Hall, Bangabandhu International Conference Centre, Agargaon, Dhaka at 11:00am on June 9. The record date is April 28. The company has stated net profit after tax of Tk 378.28 million, EPS of Tk 71.64, NAV per share of Tk 307 and NOCFPS of Tk 54.08 for the year that ended on December 31, 2010 as against Tk 162.13 million, Tk 30.71, Tk 239.10 and Tk 154.99 respectively for the year that ended on December 31, 2009.
Premier Leasing: The board of directors of Premier Leasing & Finance Limited has recommended 20 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The board has also recommended for raising paid-up capital through issuing rights shares at 1R:1 (1 rights share for every 1 share held) at par after considering the stock dividend for the year 2010 subject to the approval of the shareholders in the AGM and regulatory authorities. The board has also decided to increase the authorized capital of the company from Tk 1.0 billion to Tk 3.0 billion subject to the approval of the shareholders in the AGM and regulatory authorities. The AGM will be held at Spectra Convention Center Ltd., House #19, Road #7, Gulshan-1, Dhaka-1212 at 11:00am on May 26. The record date is April 13. Another record date for entitlement of the proposed rights shares to be notified later after obtaining approval from SEC. The company has stated EPS of Tk 31.53, NAV per Share of Tk 151.01 and NOCFPS of Tk 63.70 for the year that ended on December 31, 2010.
BSRM Steels: The board of directors of BSRM Steels Limited has recommended 20 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The annual general meeting (AGM) will be held at Institution of Engineers, Bangladesh, Chittagong Centre, SS Khaled Road, Chittagong at 11:00am on May 31. The record date is April 12. The company has stated consolidated net profit after tax of Tk 1,068.23 million and consolidated EPS of Tk 58.81 for the year that ended on December 31, 2010. The company has disclosed net profit after tax of Tk 964.89 million, EPS of Tk 53.12, NAV per share of Tk 78.71 and NOCFPS of Tk 38.26 for the year that ended on December 31, 2010.
United Ins: The board of directors of United Insurance has recommended 10 per cent cash and 10 per cent stock dividends for the year that ended on December 31, 2010. The AGM will be held at Bangabandhu International Conference Centre, Sher-E-Banglanagar, Dhaka at 10:30am on June 2. The record date is April 20. The company has stated profit after tax of Tk 150.03 million, EPS of Tk 50.01, NAV per share of Tk 241 and NOCFPS of Tk 1.52 for the year that ended on December 31, 2010.
Islamic Finance: The board of directors of Islamic Finance & Investment Ltd has recommended 16 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The AGM will be held at Institute of Diploma Engineers, Kakrail, Dhaka at 10:30am on May 19. The record date is April 12. The company has stated EPS of Tk 20.91, NAV per share of Tk 156.59 and NOCFPS of Tk 17 for the year that ended on December 31, 2010.
ONE Bank credits bonus shares
The authorities of ONE Bank Ltd have stated that the bank has credited the bonus shares to the respective shareholders' BO accounts on Sunday.
Offer to sell sponsors shares
Islami Bank: Ibn Sina Trust, one of the corporate sponsors of Islami Bank Limited, has reported its intention to sell 10,000 shares out of its total holdings of 19,93,884 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
NCC Bank: Aslam-ul-Karim, one of the sponsors of NCC Bank Limited, has expressed his intention to sell 1,20,000 shares out of his total holdings of 23,45,130 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
Confirmation of shares sell/buy
Mutual Trust: MA Rouf, one of the sponsors of Mutual Trust Bank Ltd, has stated that he has completed his buy of 20,000 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange as announced earlier.
NCC Bank: Md Shahjahan and Rojbehan Banu, both are sponsors/directors of NCC Bank ltd, have stated that they have completed their sale of 10,000 and 52,000 shares respectively at prevailing market price through stock exchange as announced earlier.
Spot trading
BRAC's Sub 25% Convertible Bonds: Trading of the 'Subordinated 25 per cent Convertible Bonds' of BRAC Bank Ltd will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with entitlement of semiannual interest from today (Monday) to Wednesday. Trading of the 'Subordinated 25 per cent Convertible Bonds' of BRAC Bank Ltd will remain suspended on record date April 7.
Jamuna Oil: Trading of the shares of Jamuna Oil Company Limited will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Monday) to Wednesday. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date April 7.
Suspension of trading
Trust Bank: Trading of the shares of Trust Bank will remain suspended on record date today (Monday). Another record date for entitlement of the proposed rights shares to be notified later after obtaining approval from SEC.
Union Capital: Trading of the shares of Union Capital Limited will remain suspended on record date today (Monday).
Reliance Insurance: Trading of the shares of Reliance Insurance will remain suspended on record date today (Monday).
Resumption of trading
Normal trading of the shares of Peoples Leasing and Finance Services Ltd will resume today (Monday) after record date. — DSE Online
|
|
|
| 04/03/2011 4:01 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের দুটি প্রতিষ্ঠানকে শোকজ নিজস্ব প্রতিবেদক
অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন সময়মতো প্রকাশ না করায় চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) আওতাধীন ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটে (ওটিসি) লেনদেন হওয়া দুটি কম্পানিকে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
গতকাল এ দুটি প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করা হয় বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে। কম্পানি দুটি হলো ফাহাদ ইন্ডাস্ট্রিজ ও খাজা মোজাইক টাইলস অ্যান্ড স্টোন লিমিটেড। আগামী ১৯ এপ্রিল কমিশন বোর্ডরুমে এ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রত্যেক পরিচালক ও সচিবকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে |
|
|
| 04/03/2011 4:02 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | টপ গেইনার ইউনাইটেড লিজিং
ডিএসইর লেনদেনকৃত কম্পানির মধ্যে মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল ইউনাইটেড লিজিংয়ের শেয়ার। গতকাল এর দর বেড়েছে ১৩৫ টাকা বা ৯.৮০ শতাংশ। সারা দিনে দুই হাজার ৪৫৪ বারে এক লাখ পাঁচ হাজার ১০০টি শেয়ার লেনদেন হয়, যার বাজারমূল্য ১৫ কোটি ৯৪ লাখ চার হাজার টাকা। গতকাল দিনের শেষে এর দর ছিল এক হাজার ৫১৩ টাকা। 'এ' ক্যাটাগরিভুক্ত এ কম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা। গত ৩১ ডিসেম্বরে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যার বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৯ জুন। এই বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৭১ দশমিক ৬৪ টাকা, কর-পরবর্তী নিট লাভ ৩৭ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা, শেয়ারপ্রতি নিট মূলধন ৩০৭ টাকা এবং এই বছরে কম্পানিটি ৭.৫ শতাংশ নগদ এবং ৭৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ১৯৯৪ সালে কম্পানিটি পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত হয়, যার বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৫২ দশমিক ৮ কোটি টাকা। |
|
|
| 04/03/2011 4:02 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | জেড ক্যাটাগরির শেয়ার অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানের নির্দেশ
সমকাল প্রতিবেদক
সাম্প্রতিক সময়ে দুর্বল মৌলভিত্তির জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। রোববার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি সর্বশেষ আর্থিক বছরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদানে ব্যর্থ হলে তাদের জেড ক্যাটাগরিভুক্ত করা হয়। এক মাসে জেড ক্যটাগরির কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর ৭০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি অন্যান্য খাতের তুলনায় এসব কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ সামান্য হলেও গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তুলনামূলকভাবে এসব কোম্পানির লেনদেন বেড়েই চলেছে। গত সপ্তাহে যেখানে 'এ', 'বি' ও 'এন' ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন কমেছে যথাক্রমে ৩২ শতাংশ, ৪৯ ও ৭ শতাংশ; কিন্তু জেড ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বেড়েছে এর আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৯ দশমিক ৮০ শতাংশ।
দর ও লেনদেন বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে নর্দার্ন জুট, অলটেক্স, হাক্কানী পাল্প অ্যান্ড পেপার, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, অলটেক্স, আজিজ পাইপস, সমতা লেদার, সাভার রিফেক্টরিজ, আনলিমা ইয়ার্ন, দুলামিয়া কটন, চিটাগং ভেজিটেবল অয়েল প্রভৃতি। |
|
|
| 04/03/2011 4:03 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ৫ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
সমকাল প্রতিবেদক
বিএসআরএম স্টিলস কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের জন্য ২০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামের ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্সে ৩১ মে সকাল ১১টায়। রেকর্ড তারিখ ১২ এপ্রিল, ২০১১। কোম্পানির ২০১০ সালে বছরপরবর্তী নিট মুনাফা ১০৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা। সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় ৫৮ টাকা ৮১ পয়সা।
প্রিমিয়ার লিজিং :কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের জন্য ২০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া পর্ষদ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর জন্য একটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ারের সুপারিশ করেছে। শেয়ার হোল্ডার এবং নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স :কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য ১০ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২ জুন সকাল সাড়ে ১০টায়। রেকর্ড তারিখ ২০ এপ্রিল। শেয়ারপ্রতি আয় ৫০ টাকা ১ পয়সা।
ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট :প্রতিষ্ঠানটি ২০১০ সালের জন্য ১৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ প্রস্তাব করেছে। বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে ১৯ মে সকাল সাড়ে ১০টায় কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ভবনে। রেকর্ড তারিখ ১২ এপ্রিল।
২০১০ সালে সমাপ্ত বছরের জন্য শেয়ারপ্রতি আয় ২০.৯১ টাকা, শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১৫৬.৫৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নেট পরিচালন তারল্য ১৭ টাকা।
ইউনাইটেড লিজিং কোম্পানি :প্রতিষ্ঠানটি ৭৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ও ৭.৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে ৯ জুন সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। রেকর্ড তারিখ ২৮ এপ্রিল।
২০১০ সালে সমাপ্ত বছরের জন্য নেট মুনাফা ৩৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় ৭১.৬৪ টাকা, শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৩০৭ টাকা, শেয়ারপ্রতি নেট পরিচালন তারল্য ৫৮.০৮ টাকা। |
|
|
| 04/03/2011 4:04 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | সপ্তাহের শুরুতে চাঙ্গা শেয়ারবাজার
ইত্তেফাক রিপোর্ট
সপ্তাহের শুরুতে সূচকের ঊধর্্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে শেষ হলো শেয়ারবাজারের লেনদেন। গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই ঢাকা স্টক একচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক বাড়তে থাকে। যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। মাঝে সূচক কিছুটা কমলেও আবারো ঘুরে দাঁড়ায় শেয়ারবাজার। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের সাথে বেড়েছে শেয়ারের দাম।
গতকাল ডিএসইতে দিনের লেনদেন শেষে সূচক বেড়েছে ৯০ পয়েন্টের বেশি। একই সাথে বেড়েছে শতাধিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ৯৪ দশমিক ৯০ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৪৪৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৬০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৪টির, কমেছে ১০৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের। মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২৭ কোটি টাকার।
ডিএসইতে আজ লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো: আফতাব অটো, বেক্সিমকো, এনবিএল, বেক্সটেক্স, বিএসআরএম স্টিল, তিতাস গ্যাস, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ফুওয়াং সিরামিকস, গোল্ডেন সন ও যমুনা অয়েল।
গতকাল সিএসইতে সূচক ১৬৭ দশমিক ২১ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজারর ৯২৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে লেনদেন হওয়া ২০১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৭টির, কমেছে ৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের। মোট লেনদেন হয়েছে ১০২ কোটি টাকার।
পাঁচ প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ঘোষণা
প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড ২০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেড ২০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, ইউনাইটেড ইনসু্যরেন্স ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, ইউনাইটেড লিজিং ৭.৫ শতাংশ নগদ ও ৭৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ এবং ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ১৬ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। রবিবার ঢাকা স্টক ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৬ মে, এজিএমের রেকর্ড ডেট ১৩ এপ্রিল। বিএসআরএম স্টিলস-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩১ মে, এজিএমের রেকর্ড ডেট ১৩ এপ্রিল। ইউনাইটেড ইনসু্যরেন্স বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২ মে, এজিএমের রেকর্ড ডেট ২০ এপ্রিল। ইউনাইটেড লিজিং-এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৯ মে, এজিএমের রেকর্ড ডেট ২৮ এপ্রিল। ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১৯ মে, এজিএমের রেকর্ড ডেট ১২ এপ্রিল। |
|
|
| 04/03/2011 4:06 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ৫ কোম্পানি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
পুঁজিবাজারের পাঁচটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি ২০১০ সালের সমাপ্ত বছরের জন্য কোম্পানির শেয়ার হেল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। লভ্যাংশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে—ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স, ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ইউনাইটেড লিজিং কোম্পানি, বিএসআরএম স্টিলস ও প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ স্টক এবং ১: ১ রাইট শেয়ার দেয়ারও ঘোষণা দিয়েছে। তথ্য মতে, কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে ও রেকর্ড ডেট ১৩ এপ্রিল। প্রিমিয়ার লিজিংয়ের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১শ’ কোটি টাকা থেকে ৩শ’ কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ার হোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
বিএসআরএম স্টিলস কোম্পানি শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে। ৩১ মে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেট ১২ এপ্রিল।
ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রকাশিত তথ্য মতে, কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ২ জুন এবং রেকর্ড ডেট ২০ এপ্রিল।
ইউনাইটেড লিজিং কোম্পানি শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ৭৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ও ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠিত হবে এবং কোম্পানির রেকর্ড ডেট ২৮ এপ্রিল।
ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড কোম্পানি শেয়ার হোল্ডারদের ১৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১৯ মে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা এবং রেকর্ড ডেট ১২ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে।
|
|
|
|