| 04/02/2011 5:23 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
এক সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ৩২ শতাংশ
আতঙ্ক কাটিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিনিয়োগকারীরা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দেশের পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরতে শুরু করেছে। ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনসহ সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের প্রভাবে আতঙ্ক কাটিয়ে উঠছেন বিনিয়োগকারীরা। গত সপ্তাহে সামগ্রিক লেনদেনের ৰেত্রে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে। এ কারণেই অধিকাংশ শেয়ারের দর ও সূচকের উর্ধমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। তা সত্ত্বেও আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ৩২ শতাংশ কমে গেছে আর্থিক লেনদেন।
শেয়ারবাজার স্থিতিশীল করতে সরকারের পক্ষ থেকে বেশকিছু প্রশংসনীয় উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে ৫ হাজার কোটি টাকার মিউচু্যয়াল ফান্ড গঠনের উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে। এই ফান্ডটি কার্যকর হলে দেশের পুঁজিবাজারের গভীরতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি এর মাধ্যমে বাজারে অস্বাভাবিক উত্থান-পতন নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব হবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণাসহ সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধানত্মের ফলে গত প্রায় এক মাস ধরেই বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। সর্বশেষ গত সপ্তাহে এই ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য এসইসিতে আবেদন জমা দেয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রায়ত্ত আট প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড' অনুমোদনের জন্য এসইসিতে আবেদন জমা দেয়ার বিষয়টিকে বিনিয়োগকারীরা ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। বাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়েছে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন দিনই পুঁজিবাজার ছিল উর্ধমুখী। সারা সপ্তাহ মিলিয়ে ডিএসইতে ৪ হাজার ১৬২ কোটি ১৭ লাখ ৬৪ হাজার ৭২৬ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৮৩২ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৫ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহের পাঁচ দিনে ৬ হাজার ১১৫ কোটি ৯৬ লাখ ২২ হাজার ৪৬০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ২২৩ কোটি ১৯ লাখ ২৪ হাজার ৪৯২ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ৩১.৯৫ শতাংশ।
লেনদেনে কিছুটা শস্নথগতি থাকলেও সামগ্রিকভাবে বাজার মূলধন, সূচক ও অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। গত সপ্তাহের প্রথম দিন রবিবার লেনদেনের শুরম্নতে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ২ লাখ ৭৭ হাজার ২৫২ কোটি ৭ লাখ ২৭ হাজার ২৯ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তা বেড়ে ২ লাখ ৮৫ হাজার ৫৩০ কোটি ২২ লাখ ৮২ হাজার ৭৯৬ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ হিসেবে গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৮ হাজার ২৭৮ কোটি ১৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা বেড়েছে। সপ্তাহের শুরম্নতে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৬১৬৪.৮২ পয়েন্ট। সপ্তাহ শেষে তা বেড়ে ৬৩৫২.১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ হিসেবে মূল্যসূচক ১৮৭.২৮ পয়েন্ট বা ৩.০৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২১১টির এবং কমেছে ৪৯টির শেয়ারের।
বাজার বিশেস্নষকদের মতে, সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে যে ধরনের পদৰেপই নেয়া হোক না কেন_ পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিনিয়োগকারীদেরই সবচেয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পুঁজিবাজারে বিশেষ করে সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ করতে হলে বিনিয়োগকারীদের নূ্যনতম ধারণা থাকা আবশ্যক। কিন্তু অনেক বিনিয়োগকারী যথাযথ ধারণা না নিয়েই পুঁজিবাজারে ব্যবসা করছেন। |
|
|
| 04/02/2011 5:24 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
৪ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের জন্য বিভিন্ন হারে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৪টি কোম্পানি। কোম্পানিগুলো হলো_ ইসলামিক ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ইউনাইটেড ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ স্টিল রিরোলিং মিলস লিমিটেড (বিএসআরএম) ও ইউনাইটেড লিজিং কোম্পানি লিমিটেড।
ইসলামিক ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ॥ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন করে ১৬ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১৬টি বোনাস শেয়ার পাবেন। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ১৯ মে সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর কাকরাইলে ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১২ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ২০ টাকা ৯১ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৫৬ টাকা ৫৯ পয়সা।
ইউনাইটেড ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ॥ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন করে ০০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার এবং ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের ৰেত্রে ১ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ২ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ২০ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৫০ টাকা ১ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২৪১ টাকা।
বিএসআরএম ॥ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন করে ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৩১ মে সকাল ১১টায় চট্টগ্রামে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১২ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৫৮ টাকা ৮১ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৭৮ টাকা ৭১ পয়সা।
ইউনাইটেড লিজিং কোম্পানি লিমিটেড ॥ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ৭৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ৪টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৩টি বোনাস শেয়ার এবং ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের ৰেত্রে ৭ টাকা ৫০ পয়সা নগদ লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ২৮ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৭১ টাকা ৬৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৫৪ টাকা ৮ পয়সা। |
|
|
| 04/02/2011 5:24 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ইস্যু ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে এসইসি
মডার্ন পলির আইপিও আবেদনে তথ্য গোপন
রাজু আহমেদ ॥ মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনে তথ্য গোপন করায় কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা এবং এসইসিকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে বড় অঙ্কের জরিমানাসহ কঠোরভাবে সতর্ক করা হতে পারে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এসইসির অনুমোদন ছাড়াই সহযোগী কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধি এবং এ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করার অভিযোগে গত বছরের অক্টোবরে মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রাথমিক আইপিও অনুমোদন বাতিল করে দেয় এসইসি।
জানা গেছে, একই ব্যবসায়িক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মডার্ন ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার কেনার জন্য শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের আবেদন করেছিল মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজ। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজকে শেয়ারবাজার থেকে ১৯২ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমতি দেয় এসইসি। গত বছরের ২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করা হয়।
সূত্র জানায়, এসইসি'র অনুমোদন পাওয়ার পর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রসত্মাবের (বিডিং) মাধ্যমে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ এবং তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কোম্পানির পৰ থেকে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) আবেদন করা হয়। আবেদনটি যাচাই-বাছাই করে ডিএসই'র তালিকাভুক্তি (লিস্টিং) কমিটি পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ অগ্রহণযোগ্য খাতে ব্যয়সহ বেশ কিছু অনিয়ম চিহ্নিত করে। কোম্পানির শেয়ারের নির্দেশক মূল্য এবং সহযোগী কোম্পানির শেয়ারের প্রিমিয়াম নির্ধারণের ৰেত্রেও অনিয়ম হয়েছে বলে মনে করে ডিএসই। এসব কারণে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির প্রসত্মাব অনুমোদন করা হয়নি। তবে ডিএসই'র পর্যবেৰণে চিহ্নিত কারণগুলোকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যায়িত করে এসইসি'র একাধিক কর্মকর্তা কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে দর প্রসত্মাব (বিডিং) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ডিএসই'র প্রতি মৌখিক নির্দেশনা দেন।
সূত্র জানায়, ডিএসই'র আপত্তির সূত্র ধরেই পুরো বিষয়টি পুনরায় পরীৰা-নিরীৰা করতে গিয়ে মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও আবেদনে তথ্য গোপনের বিষয়টি ধরা পড়ে। ২০০৯ সালে মডার্ন ফাইবার ইন্ডাস্ট্রিজের পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হলেও আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে এসইসির অনুমোদন নেয়া হয়নি। পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে নিবন্ধিত যে কোন কোম্পানি ১০ কোটি টাকার বেশি মূলধন সংগ্রহ করতে চাইলে এসইসির অনুমোদন নেয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু মডার্ন ফাইবারের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। আইপিও আবেদনে মূলধন বৃদ্ধির বিষয়ে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এ্যান্ড ফার্মসের (আরজেএসসি) সনদ জমা দেয়া হলেও এসইসি'র অনুমোদন না নেয়ার বিষয়টি গোপন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী এসইসির অনুমোদন নেয়ার আগে আরজেএসসি থেকে মূলধন বৃদ্ধির সনদ পাওয়ার কথা নয়।
অন্যদিকে সংশিস্নষ্ট বিধি অনুযায়ী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা অতিক্রিম করলে ওই কোম্পানিকে পাবলিক লিমিটেডে রূপানত্মর করতে হয়। আবার পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা বা তার বেশি হলে কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হয়। মডার্ন ফাইবারের মূলধন এর চেয়ে বেশি হলেও কোম্পানি এখনও প্রাইভেট লিমিটেড রয়ে গেছে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে গত বছরের ২১ অক্টোবর মডার্ন পলির আইপিও অনুমোদন বাতিল করে এসইসি।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, একটি কোম্পানি আইপিও'তে আসতে চাইলে প্রাথমিকভাবে তার সব রকম তথ্যের যথার্থতা নির্ণয় করা ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব। শেয়ারবাজারে আসার জন্য সব রকম যোগ্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরই ইসু্য ব্যবস্থাপক আইপিও আবেদনটি এসইসিতে জমা দেবে। বড় কোন সমস্যা না থাকলে তাদের দেয়া তথ্যের প্রতি আস্থা রেখেই এসইসি আইপিও অনুমোদন করে। মডার্ন পলির ৰেত্রেও তাই করা হয়েছে। কিন্তু ইসু্য ব্যবস্থাপক মডার্ন ফাইবারের মূলধন বৃদ্ধির ৰেত্রে এসইসি'র অনুমোদন না নেয়ার তথ্য গোপন করেছে। এ কারণেই এসইসি'র প্রাথমিকভাবে বিষয়টি চিহ্নিত করতে পারেনি। এ ৰেত্রে তথ্য গোপনের দায়দায়িত্ব ইসু্য ব্যবস্থাপকের ওপর বর্তায়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে শীঘ্রই এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উলেস্নখ্য, মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছিল। কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৬৪ টাকা। ফলে কোম্পানির আইপিও'র জন্য বরাদ্দ শেয়ারের প্রসত্মাবিত সর্বমোট মূল্য ছিল ১৯২ কোটি টাকা। একই শিল্প গ্রম্নপের মডার্ন ফাইবার ইন্ডাস্ট্রিজ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের ৫ লাখ ৬ হাজার ৩০০ শেয়ার কেনার জন্য এই অর্থ সংগ্রহ করা হতো। ওই কোম্পানির ১ হাজার টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ২৮৮০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৮৮০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
জানা গেছে, অস্বাভাবিক হারে প্রিমিয়াম মূল্য যুক্ত করে একই গ্রম্নপের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার জন্য পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দেয়ার বিষয়ে শুরম্ন থেকে ডিএসই বিরোধিতা করছিল। ডিএসই'র পর্যবেৰণ অনুযায়ী, এভাবে সুযোগ দেয়া হলে অনেক ভুয়া কোম্পানি নানা ধরনের কারণ দেখিয়ে পুঁজিবাজার থেকে টাকা নেয়ার চেষ্টা করবে_ যা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৰতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজের তালিকাভুক্তির ৰেত্রে আপত্তির বিষয়টি ডিএসই'র পৰ থেকে এসইসিকে অবহিত করা হয়। কিন্তু এই আপত্তি উপেৰা করেই প্রথম অবস্থায় আইপিও অনুমোদন করেছিল এসইসি। |
|
|
| 04/02/2011 5:26 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
Capital: most banks have enough
Rejaul Karim Byron
Most of the forty-seven commercial and specialised banks have dodged various risks to successfully maintain their capital adequacy.
However, according to Bangladesh Bank (BB) information, five banks -- two private commercial banks and three specialised banks -- failed to meet the capital demand.
The central bank set a mandatory timeframe for the banks to maintain their capitals against 8 percent of the risk weighted assets by June 2010 and 9 percent by June 2011.
According to BB statistics, on December 31, 2010 two specialised banks and one private commercial bank had their capital in the negative, and one specialised and one private commercial bank's capital was below the required 8 percent.
A BB official said the two specialised banks give most of their loans to agriculture sector as per a government directive. As a result, these banks cannot maintain their financial health up to the standard.
Of the two private commercial banks, one has long been a problem bank and it was closed once. After resuming its operation under new ownership it is yet to restore its health.
Capital adequacy focuses on the total position of the banks' capital and protects the depositors from potential shocks of losses that a bank might incur, said the central bank official.
He said it helps absorb major financial risks such as credit risk, market risk, foreign exchange risk and interest risk.
According to central bank statistics, most of the private commercial banks could maintain capital above 9 percent. Some banks maintained capital up to 11 percent to 14 percent, and only four will have to take their capital adequacy to 9 percent by June. Of these four banks, two could not meet the 8 percent target.
The four state-owned commercial banks succeeded in maintaining 8 percent capital but two of them are still having deficit in maintaining 9 percent capital by June.
Till December, the total risk weighted assets were Tk 4,08,134 crore against which the banks maintained a capital of Tk 35,803 crore, and the overall deficit was Tk 1,006 crore.
The BB officials said the overall deficit occurred as some banks had negative capital. However, the private commercial banks had a capital surplus of Tk 3,070 crore.
They expressed satisfaction over the overall capital situation of the banks. An International Monetary Fund (IMF) mission recently suggested more cautious monitoring of the banks' capital situation.
The IMF said, further progress in financial sector reforms is essential to ensure overall stability and reduce fiscal risk. It said the BB needs to enforce a sound regulatory and supervisory framework over the commercial banks.
The IMF especially stressed better financial health of the state banks. It also said the capital adequacy indicator for the state banks is not in line with the Basel-II standards and thus provides a false impression about the financial health of these banks.
The BB officials said the government is going to augment the capital of the state banks soon.
They said the commercial banks' exposure to the capital market has increased in the recent times. Although the banks had to run their business amid various risks, they could maintain the capital at a satisfactory level, the officials said.
The BB is continuing its monitoring drive so that all banks can maintain required capital by June this year, they added
|
|
|
| 04/02/2011 5:27 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
Share buyback runs into debate
Gazi Towhid Ahmed
The much-discussed stock buyback programme runs into a debate as the Companies Act contradicts the new proposed guidelines on buybacks proposed by the Securities and Exchange Commission (SEC).
Ghulam Hussain, commerce secretary, said his ministry asked the SEC, Bangladesh Bank and Bangladesh Association of Publicly Listed Companies to submit their written positions on stock buybacks on April 15.
"A buyback contradicts the Companies Act as per the central bank's opinions," he said.
The commerce ministry has spelt out its stance on the buyback issue as it is linked to the Companies Act.
The debate surfaced at a meeting of the commerce ministry with the related organisations on Wednesday.
"We have not enough time; so as soon as possible we should implement the new buyback according to the Companies Act,” Hussain said.
"The next meeting will be held on April 15 after we receive the written statements from the related organisations on the issue."
Ziaul Haque Khondker, chairman of SEC, said the buyback is now almost in the final stage.
"We will implement the new buyback system after getting the green light from the commerce ministry," Khondker said.
Earlier, the stakeholders on March 15 decided to send a proposal to the finance ministry on how to implement a new regular buyback programme.
The finance ministry sent the proposal to the commerce ministry for proper actions on the buyback method.
Recently in parliament, Finance Minister AMA Muhith said a buyback system would be introduced to prop up the troubled stockmarket.
During the public offer of MJL Bangladesh and MI Cement, the SEC decided that if the market prices go below the offer prices within the first 30 days of trading, the companies must go for a buyback of shares of the general investors intending to sell their shares at the 'offer price'.
The buyback guidelines say:
* A company would not be able to buy back shares worth more than 25 percent of its paid-up capital by using 10 percent cash of free reserve.
* The company could buy back shares by using the money of security premium and free reserve.
* Before going for a buyback, the company must publish a disclosure for the shareholders mentioning why the company has decided to go for a buyback and which shares and in what quantities it would like to buy back.
* The disclosure must mention the importance and the duration of the buyback period.
* If a company decides to buy back shares, it will have to get the decision approved by its shareholders in a general meeting.
* A company would not be able to go for a buyback more than once within a 365-day period.
Usually, the purpose of a buyback is to utilise the unused cash, raising the earnings per share, increasing internal control over the company and obtaining stocks for employee stock option plans or pension plans
|
|
|
| 04/02/2011 5:27 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prime Finance approves 80pc stock dividend
FE Report
The fifteenth annual general meeting (AGM) of Prime Finance & Investment Limited was held in the city recently. Chairman of the company Md Aminul Haque presided over the meeting.
The AGM approved 80 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010.
The company's total business revenue was Tk 3,069.20 million in FY 2010 as against Tk 1,425.36 million of FY 2009. The company achieved 152.72 per cent growth after tax during the FY 2010. Total investment of the company stood at Tk 11,621.04 million in the FY 2010 as against Tk 9,275.31 million in the FY 2009 showing an increase by 25.29 per cent comparing previous year. The company stated Earnings per Share (EPS) increased to Tk 19.13 in the FY 2010 as against Tk 7.57 of the previous year.
Among others, members of the board Md Aliuzzaman, Tauseef Iqbal Ali, Prof Salma Rahman, Managing Director (current charge) Md Ahsan Kabir Khan and Company Secretary Tauhidul Ashraf were also present, said a company statement.
The Financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010 were placed at the meeting and members made a critical review of the performance of the company.
|
|
|
| 04/02/2011 5:28 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Online trading at DSE by July
FE REPORT
The Dhaka Stock Exchange (DSE), country's prime bourse, is going to introduce Internet-based trading system by July next, sources said.
Internet-based trading system means buying and selling stocks by placing orders through online on a broker's server. Execution can also be seen instantly on the investors' computer screen after the order is inserted by the brokerage house in the trading engine.
Through this system, anybody can observe the market situation on the Internet and place buy and sell order through his broker.
"All necessary works are going on in full swing and we are now at the final stage. We expect to start Internet-based trading system within July this year," Ahsanul Islam Titu, senior vice president of the DSE, told the FE.
Technological advancement is the demand of the time and it is necessary to introduce the system, Mr Islam mentioned.
"For a fast growing market like the DSE, it is necessary to introduce Internet-based trading," he observed.
"By introducing Internet-based trading we expect more new investors from home and abroad in the market," Mr Islam said.
"Necessary technological support for introducing stock trading through online network is being developed with the help of Cambridge Solution Limited, an America-India joint venture IT Company," Mr Islam said.
At present, trading of an individual investor at the DSE is being carried out through brokerage houses in person or over phone, but with the availability of mobile and Internet technology, stock trading will be as easy requiring a few clicks from a personal computer (PC) or mobile phone.
Capital market expert Akter H Sannamat said it is a good initiative to introduce Internet-based trading system as it is an age of information technology. By introducing this system scope for share price manipulation will also be reduced, he added.
"With the introduction of Internet-based trading, the investors will be able to place their buy-sell orders from their convenient places and they need not to come to brokerage houses. As a result, the maintenance cost of the brokerage houses will also be reduced significantly," said Mr Sannamat.
However, he suggested the bourse to ensure more supply of quality shares as demand for shares will increase after introducing the system as more investors will come to the market |
|
|
| 04/02/2011 5:29 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Standard Bank recommends 28pc stock dividend
FE REPORT
Standard Bank Limited has recommended 28 per cent stock dividend to the shareholders of the bank for the year that ended on December 31, 2010, said a press statement.
The decision has been made at its 174th board of directors' meeting in the city recently.
The meeting decided to hold its 12th annual general meeting (AGM) on May 16.
Chairman of the bank Kazi Akramuddin Ahmed presided over the meeting, while vice-chairman Ferdous Ali Khan was also present.
The board also took various decisions regarding the bank's investment policy in the field of trade, commerce and industries.
The meeting also approved proposals received from different branches in respect of financing of working capital for industries and other import, export and commercial trading businesses.
|
|
|
| 04/02/2011 5:30 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Sangbad
এক সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ৩২ শতাংশ
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন কমেছে প্রায় ৩২ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুটা নেতিবাচক প্রবণতায় হলেও অন্যান্য দিনে বাজার আচরণ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। এরপরও ২ হাজার কোটি টাকার মতো কমে যায় প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন। আগের সপ্তাহে ডিএসই'র লেনদেনের পরিমাণ ছিল ছয় হাজার ১১৫ কোটি টাকা, যা এ সপ্তাহে নেমে আসে ৪ হাজার ১৬২ কোটি টাকায়।
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন মার্চের শেষে পুঁজিবাজার সম্পর্কিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। এছাড়া এ সপ্তাহে আইএমএফ'র একটি দল দেশে আসার কথা। এ দুই মিলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা সতর্কভাব দেখা গেছে। এতেই কমেছে লেনদেন। ফলে আগের সপ্তাহের এক হাজার ২২৩ কোটি টাকার গড় লেনদেন নেমে আসে ৮৩২ কোটি টাকায়। কমেছে লেনদেনকৃত শেয়ার ও হাওলা সংখ্যাও। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে ১০ লাখ ৭৬ হাজার হাওলায় মোট ৪৯ কোটি ৮৭ লাখ শেয়ার হাতবদল হলেও বিপরীতে এ সপ্তাহে আট লাখ ২০ হাজার হাওলায় মোট ৩২ কোটি ৭৬ লাখ শেয়ার বেচাকেনা হয়, যা আগের সপ্তাহ অপেক্ষা ৩৪ দশমিক ৩১ শতাংশ কম। তবে এ ক'দিনে মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতায় সূচকের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটে। সপ্তাহের পাঁচদিনের লেনদেনে দু'দিন বাদে অন্য তিনদিন বাজার লেনদেন শেষ করে সূচকের উন্নতি ধরে রাখে। এরমধ্যে আবার দ্বিতীয় ও শেষদিন সূচকের প্রবণতা ছিল উল্লেখ করার মতো। এ দুইদিনেই ২৫০ পয়েন্ট বাড়ে ডিএসই'র সাধারণ সূচক। ফলে সপ্তাহান্তে ডিএসই'র তিনটি সূচকের মধ্যে সাধারণ সূচক ১৮৭ দশমিক ২৮, ডিএসই-২০ সূচক ৫৯ দশমিক ২৫ ও ডিএসআই সূচক ১৬৪ দশমিক শূন্য ৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়।
তবে এ সপ্তাহের বাজারে ব্যতিক্রমধর্মী এক আচরণ ছিল লক্ষণীয়। ভালো মন্দবাজারের দুই অবস্থায়ই কিছু কিছু কোম্পানির মূল্যবৃদ্ধি ঘটে সমানতালে। এদের মধ্যে যেমন ছিল 'জেড' ও 'বি' গ্রুপে লেনদেন হওয়া বেশকিছু কোম্পানি আবার কিছু কিছু কোম্পানি ছিল 'এ' গ্রুপের। কোনো কারণ ছাড়াই এসব কোম্পানি সপ্তাহের সব দিনই সর্বোচ্চ দরে বেচাকেনা হতে দেখা গেছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বাজারের জন্য এ প্রবণতা ভালোকিছু নয়।
যদিও বাজারের গড় মূল্যস্তর এখন কিছুটা নিচে তবুও এখন এমন সব কোম্পানির মূল্য বৃদ্ধি হচ্ছে যেগুলো মৌলভিত্তির দিক থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল।
আর এ মূল্য বৃদ্ধি ঘটছে এমন সব কোম্পানির যাদের পরিশোধিত মূলধন খুবই কম। অথচ একই সময়ে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও জ্বালানি খাতের মতো কোম্পানিগুলোর দর থেকে যাচ্ছে অনেকটাই স্থির অবস্থায়। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে মৌলভিত্তিসম্পন্ন এসব কোম্পানির দাম কমতেও দেখা যাচ্ছে।
গত সপ্তাহে ডিএসইর মূল্য বৃদ্ধিও শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলোর দিকে দৃষ্টি দিলে উলি্লখিত বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গত সপ্তাহে মূল্য বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ছিল এপেক্স ফুড, বিডি অটোকার, রেকিট বেনকিসার, ফার্মা এইড, জেমিনি সি ফুড, লিব্রা ইনফিউশন, ন্যাশনাল পলিমার, চিটাগাং ভেজিটেবলস। এদের মধ্যে সব কোম্পানিই ছিল কম মূলধনের। আবার তালিকাভুক্ত শেয়ারের খুব অল্পই রয়েছে বিনিয়োগকারীদের হাতে। আবার কিছু কিছু কোম্পানি রয়েছে যাদের ভালো আর্থিক ইতিহাস নেই বললেই চলে। এদের মধ্যে ছিল মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, ঝিলবাংলা সুগার মিলস, শ্যামপুর সুগার মিলস, সাভার রিফেন্সক্টরিজ, আনোয়ার গ্যালভেনাইজিং, সাফকো স্পিনিং, নর্দার্ন জুট, আনলিমা ইয়ার্ন ডাইং ও ইমাম বাটনের মতো কোম্পানি।
অপরদিকে মূল্য হন্সাস পাওয়া শীর্ষ ১০ কোম্পানির সবই ছিল মূলত মৌলভিত্তির দিক থেকে এগিয়ে থাকা কোম্পানি।
এদের মধ্যে ছিল সিঙ্গার বাংলাদেশ, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, আরএন স্পিনিং, ফার্স্ট লিজ, এবি ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। এদের মধ্যে সিঙ্গার ও আরএন স্পিনিং মূল্য সমন্বয়ের কারণে দর হারালেও ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিগুলো দর হারাচ্ছে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের কারণে। |
|
|
| 04/02/2011 5:32 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
সপ্তাহজুড়ে লেনদেন কমলেও বেড়েছে মূলধন ও সূচক
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১৮৭.২৮ পয়েন্ট বা ৩.০৪ শতাংশ বাড়ে।
আগের সপ্তাহের তুলনায় লেনদেন কমেছে এক হাজার ৯৫৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা
আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে বাজার মূলধন বেড়েছে আট হাজার ২৭৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা
মিশ্র পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে মার্চের শেষ সপ্তাহ পার করল শেয়ারবাজার। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) প্রথম দিন দরপতন দিয়ে শুরু হলেও চাঙ্গা অবস্থায় শেষ হয় শেষ দিন। প্রথম দিন দর পতনের পর দ্বিতীয় দিন ঘুরে দাঁড়ায় শেয়ারবাজার, সূচক বাড়ে। তৃতীয় দিন আবার দরপতন ঘটে। চতুর্থ দিনে সামান্য বাড়ে সূচক। শেষ দিনে বেশির ভাগ কম্পানির দর বাড়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয় লেনদেন। এদিন সূচক বাড়ে ১০২ পয়েন্ট। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১৮৭.২৮ পয়েন্ট বা ৩.০৪ শতাংশ বাড়ে। এক সপ্তাহে বাজার মূলধন বাড়ে আট হাজার ২৭৮ কোটি ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৭৬৭ টাকা বা ২.৯৯ শতাংশ। তবে লেনদেন কমে যায় ৩১.৯৫ শতাংশ বা এক হাজার ৯৫৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৩৪ টাকা।
সব অনিশ্চয়তা ঝেড়ে ফেলে বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদনের জন্য এর পরিচালনা কার্যক্রমের তথ্যসংবলিত ইনফরমেশন মেমোরেন্ডাম (আইএম) সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) জমা দিয়েছে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। এটা ছিল গত সপ্তাহের শেয়ারবাজারের প্রধান ঘটনা। পাঁচ হাজার কোটি টাকার এই ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা জোগানের নিশ্চয়তা নিয়ে এই প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে আইসিবি।
অন্যদিকে মার্চের শেষদিন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও অর্থমন্ত্রী বিদেশ সফরে যাওয়ায় তা পিছিয়ে যায়। এ সপ্তাহের শেষ দিকে অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরলে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
বাজার বিশ্লেষকরা গত সপ্তাহের বাজার পরিস্থিতিকে মিশ্র বলে মন্তব্য করেছেন। কর্মসংস্থান ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক ও আইসিবি ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্টের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রউফ কালের কণ্ঠকে বলেন, পুঁজিবাজারের অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ নিয়ে বাজারে নানা ধরনের খবর প্রচার হয়। তদন্তে কারা ধরা পড়বে, কাদের নাম থাকছে বা আদৌ কারো নাম থাকবে কি-না, তা নিয়ে সপ্তাহজুড়ে নানা জল্পনাকল্পনা চলে। এ ছাড়া শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে প্রস্তাবিত বাংলাদেশ ফান্ডের গঠন নিয়ে মাঝেমধ্যে নেতিবাচক প্রচারণা বাজারকে অস্থিতিশীল করে তোলে। এসব খবরের প্রভাবেও বাজার ওঠানামা করেছে বারবার।
গত সপ্তাহের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগের সপ্তাহের তুলনায় লেনদেন কমেছে এক হাজার ৯৫৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৩৪ টাকা। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ছয় হাজার ১১৫ কোটি ৯৬ লাখ ২২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে চার হাজার ১৬২ কোটি ১৭ লাখ ৬৪ হাজার ৭২৭ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিনের গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক হাজার ২২৩ কোটি ১৯ লাখ ২৪ হাজার ৪৯২ টাকা। গত সপ্তাহে প্রতিদিনের গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৮৩২ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৫ টাকা।
আগের সপ্তাহের শেষ দিন ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৬ হাজার ১৬৪.৮২ পয়েন্ট। গত সপ্তাহের শেষ দিন এ সূচক ছিল ৬ হাজার ৩৫২.১০ পয়েন্ট।
আগের সপ্তাহে লেনদেনের তালিকায় থাকা ২৬৫টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯১টি কম্পানির। দাম কমেছে ১৭১টির। অপরিবর্তিত ছিল একটির দাম। লেনদেন হয়নি দুটি কম্পানির শেয়ার। গত সপ্তাহে লেনদেনের তালিকায় থাকা ২৬৫টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২১১টির, কমেছে ৪৯টির। অপরিবর্তিত থেকেছে চারটি। লেনদেন হয়নি একটি কম্পানির শেয়ার।
আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে বাজার মূলধন বেড়েছে আট হাজার ২৭৮ কোটি ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৭৬৭ টাকা বা ২.৯৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহের শেষ দিনের বাজার মূলধন ছিল দুই লাখ ৭৭ হাজার ২৫২ কোটি সাত লাখ ২৭ হাজার ২৯ টাকা। গত সপ্তাহে শেষ দিনে মূলধনের পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৮৫ হাজার ৫৩০ কোটি ২২ লাখ ৮২ হাজার ৭৯৬ টাকা। |
|
|
| 04/02/2011 5:32 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Somokal
অধিকাংশ কোম্পানির দর বাড়লেও কমেছে লেনদেন
সমকাল প্রতিবেদক
ব্যাংকিং খাতের দর হ্রাসের প্রবণতা দিয়ে শেষ হলো শেয়ারবাজারের আরও একটি সপ্তাহের লেনদেন। তবে সার্বিকভাবে গত সপ্তাহের শেয়ারবাজারে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধির প্রবণতা ছিল সুস্পষ্ট। বাজার সংশ্লিষ্ট ও বিনিয়োগকারীরা জানান, গত সপ্তাহের লেনদেনে শেয়ারবাজার কারসাজি বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ, শিগগিরই সব ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার ১০ টাকায় রূপান্তর, জেড ক্যাটাগরির বেশ কিছু কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা, লিজিং ও বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর ভালো লভ্যাংশ এবং রাইট শেয়ার ঘোষণা সম্পর্কে নানাবিধ গুজব বাজারের সামগ্রিক লেনদেনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬৪টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ২১১টিরই দর বেড়েছে, কমেছে মাত্র ৪৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টির দর। অধিকাংশ শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেলেও লেনদেনের পরিমাণ কমেছে প্রায় ৩২ শতাংশ। দর হ্রাস পাওয়া ৪৯টি শেয়ারের মধ্যে ২৩টিই ছিল ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি, ৭টি লিজিং খাতের, বীমা খাতের ৩টি। অর্থাৎ আর্থিক খাত ভিন্ন অন্য সবগুলো কোম্পানির শেয়ারদরই বেড়েছে। ডিএসই সাধারণ সূচক বেড়েছে ১৮৭ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। অন্যদিকে সার্বিক সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ২১ শতাংশ বা ১৬৪ পয়েন্ট। অর্থাৎ গত সপ্তাহে জেড ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর অনেকটাই বেড়েছে।
এদিকে, গত সপ্তাহের সার্বিক লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, খাতভিত্তিক দিক বিবেচনায় খাদ্য ও আনুষঙ্গিক. ওষুধ ও রসায়ন, বস্ত্র, সিরামিক্স ও বিবিধ খাতের শেয়ারদর আগের সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে লেনদেনের দিক বিবেচনায় ব্যাংকিং খাতে সর্বাধিক লেনদেন হলেও গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় লেনদেন কমেছে। বিপরীতে বস্ত্র, জ্বালানি ও শক্তি, বীমা ও বিবিধ খাতে লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে। গত সপ্তাহে ব্যাংকিং খাতের মোট ৩০টির মধ্যে ২৩টি কোম্পানির শেয়ারদর হ্রাস পাওয়া এবং ৬টি দর বৃদ্ধি পেলেও সার্বিকভাবে এ খাতের শেয়ারদর হ্রাসের হার ছিল এর আগের সপ্তাহের তুলনায় দশমিক ৬৭ শতাংশ। এছাড়া অন্য সব খাতের শেয়ারদরই বেড়েছে। খাতভিত্তিক সর্বাধিক ২৩ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়েছে পাট খাতে। এরপরের অবস্থানে ছিল খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ২১ দশমিক ৬৪ শতাংশ, বিবিধ খাতে ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ, কাগজ খাতে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিরামিক্স খাতে ১৪ দশমিক ৮১ শতাংশ, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ১৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ, বস্ত্র খাতে ১২ দশমিক ৮৬ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৯ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং জ্বালানি ও শক্তি খাতে ৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এছাড়া লিজিং খাতের শেয়ারদর বৃদ্ধির হার ছিল ৪ দশমিক ১৫ শতাংশ এবং বীমা খাতে ৫ দশমিক ১১ শতাংশ।
খাতভিত্তিক লেনদেনের দিক থেকে ব্যাংকিং খাতে মোট ৫৭৬ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এর পরের অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাত; লেনদেন হয়েছে মোট ৫৫৯ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ। বস্ত্র খাতে ৫২৭ কোটি টাকার শেয়ার, লিজিং খাতে ৪৪৬ কোটি টাকার শেয়ার, বীমা খাতে ৪০৫ কোটি টাকার শেয়ার, জ্বালানি ও শক্তি খাতে ৪০৬ কোটি টাকার শেয়ার।
গত সপ্তাহের লেনদেনের উল্লেখযোগ্য দিক ছিল স্বল্প মূলধনী, বিশেষত জেড গ্রুপের কোম্পানিগুলোর অব্যাহত দরবৃদ্ধি। বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে এর কারণ সম্পর্কে যে গুজবটি জানা গেছে তা হলো_ এসব কোম্পানির লেনদেন মূল বাজার থেকে কোনোক্রমেই যেন ওটিসি মার্কেটে না যায়, সে জন্য কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এছাড়া ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের সব শেয়ার একইসঙ্গে শিগগিরই ১০ টাকায় রূপান্তর করা হবে বলেও বাজারে গুজব ছিল। ব্যাংকিং খাতের শেয়ারদর কমা সম্পর্কে বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, এ খাতের অধিকাংশ কোম্পানি লভ্যাংশ প্রদান সম্পন্ন হওয়ায় এবং প্রথম ত্রৈমাসিক মুনাফার পরিমাণ আগের তুলনায় কমে যেতে আশঙ্কা করছেন বিনিয়োগকারীরা। এছাড়া শেয়ারবাজার কারসাজি বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে কী আসতে পারে এবং সরকার ওই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোন ধরনের পদক্ষেপ নেয়, তাও বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছেন। সার্বিকভাবে এই কারণগুলো গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারের লেনদেনকে বেশি প্রভাবিত করে বলে জানান বাজার সংশ্লিষ্টরা। |
|
|
| 04/02/2011 5:32 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
সপ্তাহের পুঁজিবাজার : সূচক ও দর উভয়ই বেড়েছে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
গত সপ্তাহে দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) বেশিরভাগ কোম্পানির এবং মিউচুয়াল ফান্ডের দাম ও সূচক উভয়ই বেড়েছে। তবে আগের সপ্তাহের চেয়ে কমে গেছে লেনদেন। সাধারণ সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বা ১৮৭ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩৫২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৪ হাজার ১৬২ কোটি ১৭ লাখ ৬৪ হাজার ৭২৬ টাকা, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ১ হাজার ৯৫৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৩৪ টাকা কম। সমাপ্ত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে দুই কার্যদিবসে সূচক কমেছে ও বাকি তিন কার্যদিবসে সূচক বেড়েছে দুই পুঁজিবাজারে। এর মধ্যে প্রথম ও তৃতীয় কার্যদিবসে সূচক কমেছে এবং দ্বিতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম কার্যদিবসে সূচক বেড়েছে। তবে আগের সপ্তাহে ডিএসইতে সপ্তাহজুড়ে দরপতন হওয়ায় সাধারণ সূচক কমে যায় ২৪৭ পয়েন্ট। এ সপ্তাহে ১৮৭ পয়েন্ট বাড়লেও ডিএসই গত সপ্তাহের হারানো সূচক এখনও ফিরে পায়নি।
এদিকে তালিকাভুক্ত শীর্ষ ২০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-২০ সূচক ৫৯ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৯৬৮ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২১১টির, কমেছে ৪৯টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। গত সপ্তাহে ডিএসইতে ‘এ’ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঘিরেই বেশিরভাগ লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের ৯৪ দশমিক ৬৪ শতাংশই ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানের। আর ২ দশমিক ২৭ শতাংশ ‘বি’, ২ দশমিক ৩১ শতাংশ ‘এন’ এবং ১ দশমিক ৮ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইতে সাপ্তাহিক দাম বাড়ার শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো : এপেক্স ফুডস, বিডি অটোকারস, র্যাকিট বেনকিজার, বঙ্গজ, ফার্মা এইডস, জেমিনি সি ফুড, লিবরা ইনফিউশনস, ন্যাশনাল পলিমার, চিটাগং ভেজিটেবল ও জুট স্পিনার্স। আগের সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও লেনদেনের ভিত্তিতে দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। অন্য কোম্পানিগুলো হলো—পিপলস লিজিং, গোল্ডেন সন, তিতাস গ্যাস, আফতাব অটোমোবাইলস, আরএন স্পিনিং, বেক্সটেক্স, ম্যাকসন্স স্পিনিং, ফু-ওয়াং সিরামিক ও কনফিডেন্স সিমেন্ট। দাম কমার ক্ষেত্রে শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো—সিঙ্গার বাংলাদেশ, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, আরএন স্পিনিং মিলস, সোনারগাঁও টেক্সটাইলস, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, সিটি ব্যাংক ও এবি ব্যাংক। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে সিএসই’র চিত্র ছিল ডিএসইর মতোই। দেশের এই দ্বিতীয় বড় পুঁজিবাজারে লেনদেন হয় মোট ২১৫টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে দাম বাড়ে ১৭০টির, কমে ৩৭টির ও অপরিবর্তিত থাকে ৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
সপ্তাহ শেষে সিএসইর সাধারণ সূচক ৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়ে ১১ হাজার ৪৫৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সার্বিক সূচক ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেড়ে ১৭ হাজার ৭৫৮ পয়েন্টে ওঠে আসে। এ সময়ে সিএসইতে মোট লেনদেন হয় ৪৩৬ কোটি ৩৪ লাখ ৪৬ হাজার ১১৯ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। যেখানে আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৬৩৯ কোটি ১২ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৫ টাকা।
গত সপ্তাহে সিএসইতে দাম বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো—অলটেক্স, লিগ্যাসি ফুট-ওয়্যার, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, তাল্লু স্পিনিং, এইচআর টেক্সটাইল, রহিমা ফুড, রেকিট বেনকিজার, এপেক্স ফুড, ইমাম বাটন ও আনলিমা ইয়ার্ন। সর্বোচ্চ দাম কমা ১০ কোম্পানি হলো—সিঙ্গার বাংলাদেশ, আরএন স্পিনিং, ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, ফিনিক্স ফিন্যান্স, সিটি ব্যাংক, এপেক্স অ্যাডেলচি ফুট-ওয়্যার, আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড, ইসলামিক ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও এবি ব্যাংক।
এদিকে এ সময়ে মোট নয়টি প্রতিষ্ঠান ২০১০ সালের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক ২৬ শতাংশ স্টক, ইসলামী ব্যাংক ৩৫ শতাংশ স্টক, এপেক্স এডেলসি ফুটওয়ার ৪০ শতাংশ নগদ, সামিট এলায়েন্স পোর্ট ২৫ শতাংশ স্টক ও ২০ শতাংশ নগদ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ২৮ শতাংশ স্টক, সামিট পাওয়ার ৩০ শতাংশ স্টক, ওশান কন্টেইনার ২৫ শতাংশ স্টক, এক্সিম ব্যাংক ৩৫ শতাংশ স্টক, সিটি ব্যাংক ৩০ শতাংশ স্টক ও ফিডেলিটি অ্যাসেট অ্যান্ড সিকিউরিটিজ ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
|
|
|
| 04/02/2011 5:33 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
ব্যাংক কোম্পানি আইনে সংশোধনী আনা হচ্ছে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
আগামী জুনের মধ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইনে সংশোধনী আনা হচ্ছে। আইন সংশোধনীর খসড়াটি বিবেচনায় আনা হলেও সংস্কারের (রিফর্ম) ব্যাপারটি নির্ভর করছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ওপর। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) থেকে এসব কথা জানা যায়।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা আনতে চলতি বছরের জুনে ব্যাংকিং কোম্পানি আইনে সংশোধনী আনা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি কমিটি সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত করে জুনের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেবে। খসড়ায় কিছু রিফর্ম প্রস্তাবও থাকবে যাতে আর্থিক খাতে অধিক স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে খসড়া পাওয়ার পর স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বেশ কিছু বৈঠক করা হবে। তারপর আইন সংশোধনীর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, ব্যাংকিং কোম্পানি আইন প্রণয়ন করা হয় ১৯৯১ সালে। পরবর্তীতে দু’বার এ আইনের সংশোধনী আনা হয় আর্থিক খাতকে অধিকতর দক্ষ করার উদ্দেশ্যে। ১৯৯৩ সালে একবার এবং শেষ ১৯৯৫ সালে দ্বিতীয়বারের মতো সংশোধনী আনা হয় আইনে। বর্তমানে আবার সরকার এ আইনে সংশোধনী নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে। আইন সংস্কারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো একসঙ্গে কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদে অন্তর্ভুক্তির পদ্ধতি বন্ধ করা।
|
|
|
| 04/02/2011 5:33 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
প্রিমিয়ার ও যমুনা ব্যাংকের ইজিএম এই সপ্তাহে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
চলতি সপ্তাহে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
আগামী ৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রিমিয়ার ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাংকটি গত বছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের ৩১ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ৭ এপ্রিল সকাল ১০টায় রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে যমুনা ব্যাংকের ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে।
|
|
|
| 04/02/2011 5:34 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
পূর্ণাঙ্গ মার্চেন্ট ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন পেল ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংককে পূর্ণাঙ্গ মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গত ২৮ মার্চ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে এসইসি ২৭ মার্চ একটি চিঠির মাধ্যমে ব্যাংকটিকে এ অনুমোদন দিয়েছে। ব্যাংকটির মার্চেন্ট ব্যাংকের নাম ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। বিজ্ঞপ্তি
|
|
|
|