Page 2 / 2 1 - 2 « previous
NEWS 30.03.2011
03/29/2011 4:05 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantha
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারপ্রতি মাসে দায়-সম্পদ নিরূপণ করতে হবে ব্যাংকগুলোকে
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যাংকগুলোর দায়-সম্পদ ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ প্রজ্ঞাপন জারির ফলে ব্যাংকগুলোকে প্রতি মাসে তাদের কত টাকা জমা হবে এবং কত টাকা পরিশোধ করতে হবে_এর বিস্তারিত তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে হবে।
সার্কুলার অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে তাদের ম্যাঙ্মিাম কিউমিলিটিভ আউট ফ্লো (এমসিও) এবং মিডিয়াম টার্ম ফান্ডিং রেশিও (এমটিএফ) জানাতে হবে। মিডিয়াম টার্ম ফান্ডিং রেশিও হচ্ছে প্রতি মাসে ব্যাংকগুলোর দায় এবং সম্পদের অনুপাত। সাধারণত এমটিএফ ৪০ শতাংশের বেশি হলে ব্যাংকটির তারল্য স্বাভাবিক বিবেচনা করা হয়। এমসিও হচ্ছে এক মাসের মধ্যে মোট সম্পদের কী পরিমাণ অর্থ ব্যাংককে বিনিয়োগ করতে, তার পরিমাণ। এই এমসিও ও এমটিএফ হিসাবায়নের জন্য নির্দিষ্ট ছক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ছকে এক দিন, দুই থেকে সাত দিন, আট দিন থেকে এক মাস ইত্যাদি বিভিন্ন মেয়াদে ব্যাংকগুলোকে সম্পদ (ইনফ্লো) ও দায় (আউট ফ্লো) জানাতে হবে। সম্পদ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে ব্যাংকগুলোর জমা, নগদ অর্থ, অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা, কলমানি মার্কেটে বিনিয়োগ, ধারণকৃত সরকারি সিকিউরিটিজ, অন্যান্য শেয়ার, বন্ড ও ডিভেঞ্চারে বিনিয়োগ, বিল ক্রয় এবং ডিসকাউন্ট, রিভার্স রেপো, স্থায়ী সম্পদ, ব্যাংক বহির্ভূত সম্পদ, অন্যান্য পাওনাকে ব্যাংকগুলো দেখাতে পারবে। অপরদিকে দায় হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ, রেপো, কলমানি থেকে ধার, অন্যান্য ব্যাংক থেকে ধার, মেয়াদি জমা, সঞ্চয়ী জমা, ফিঙ্ড ডিপোজিট, পরিশোধিত বিল, অন্যান্য দায়ের বিপরীতে প্রভিশন, মূলধন এবং রিজার্ভ ইত্যাদিকে ব্যাংকগুলো নির্দিষ্ট ছকে উপস্থাপন করবে। এই দায় ও সম্পদের ওপর ভিত্তি করে ব্যাংকগুলো মোট অসামঞ্জস্যতা পরিমাপ করবে। একই সঙ্গে এর ওপর ভিত্তি করে এমটিএফ ও এমসিও নির্ণয় করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন সূত্র জানায়, ব্যাংকগুলো এ তথ্য দিলে তাদের দায়-সম্পদ ব্যবস্থাপনায় কী পরিমাণ অসামঞ্জস্য রয়েছে, তা বেরিয়ে আসবে। এর ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে ব্যাংকগুলোর ঋণদান সক্ষমতা, কলমানি নির্ভরশীলতা এবং কী পরিমাণে ব্যাংকগুলোর তারল্য সহায়তা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করা যাবে।
Quote   
03/29/2011 4:06 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantha
বাংলাদেশ ফান্ডের প্রস্তাব এসইসিতে
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাঁচ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড'র ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদনের জন্য এর পরিচালনা কার্যক্রমের তথ্য পুস্তিকা বা ইনফরমেশন মেমোরেন্ডাম (আইএম) নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কম্পানির পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে এসইসিতে এ আবেদন জমা দেওয়া হয়।
এসইসি সদস্য মো. ইয়াসিন আলী বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের আবেদন জমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গতকাল কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব কমিশনের পক্ষ থেকে এই ফান্ডটির অনুমোদন দেওয়া হবে। প্রয়োজনে কমিশনের বিশেষ বৈঠকের ব্যবস্থা করা হবে। আইসিবির মহাব্যবস্থাপক ফায়েকুজ্জামান কালের কণ্ঠকে জানান, বাংলাদেশ ফান্ডের পাঁচ হাজার কোটি টাকার মধ্যে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা জোগানের নিশ্চয়তা নিয়ে এ ফান্ডের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রথমেই আইসিবির পরিচালনা পর্ষদ এ ফান্ডের ১০ শতাংশ বা ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দিয়েছে। সরকারি আরো সাতটি প্রতিষ্ঠান উদ্যোক্তা হিসেবে অংশ নেওয়ার জন্য মেয়াদহীন (ওপেন ইন্ড) এই মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ৯০০ কোটি টাকা জোগান দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছে। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ১০০ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি, সাধারণ বীমা ১০০ কোটি টাকা জোগান দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ থেকে এই ফান্ডে টাকা দেওয়ার বিষয়টি অনুমোদন লাভের পর আইসিবিকে জানানো হয়েছে। আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকার দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে। তা এ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। জীবন বীমা করপোরেশন ৫০ কোটি টাকা জোগান দেবে।
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৯ মার্চ 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ান্ত করা হয়। এই ওপেন ইন্ড (মেয়াদহীন) মিউচ্যুয়াল ফান্ড হিসাবে গঠিত এই তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার বিবেচনায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। ফায়েকুজ্জামান জানান, এসইসির কাছ থেকে ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন পাওয়ার পর ফান্ডে অংশ নেওয়ার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই ফান্ডে প্রাথমিক আকার পাঁচ হাজার কোটি টাকা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
Quote   
03/29/2011 4:06 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantha
শেয়ার পুনরায় ক্রয়এসইসির খসড়া নিয়ে বৈঠক আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

শেয়ার পুনরায় ক্রয়ের (বাইব্যাক) বিধান রেখে কম্পানি আইন সংশোধন করতে আজ বৈঠকে বসছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বৈঠকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) তৈরি করা এ-সংক্রান্ত খসড়া পর্যালোচনা করা হবে। এটি চূড়ান্ত হলে কম্পানি আইনে সংযোজন করা হবে।
সম্প্রতি শেয়ারবাজারে অস্থিরতার সময় বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করার কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরে বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদল অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ পদ্ধতি চালুর দাবি জানান। ওই সময় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, এ জন্য প্রচলিত কম্পানি আইনে পরিবর্তন আনতে হবে। ব্যবসায়ীরা বাইব্যাক পদ্ধতির খসড়া তৈরি করবেন। তা চূড়ান্ত করার পর সংসদের চলতি অধিবেশনেই তা উত্থাপন করা হবে। কম্পানি আইনে সংশোধন আনতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাইব্যাক-সংক্রান্ত পরামর্শ গ্রহণ করেছে। সেসব পরামর্শ পর্যালোচনা করে এসইসি খসড়াটি
তৈরি করেছে।
খসড়ায় দুই বছর পর্যন্ত মূলধন বৃদ্ধির ওপর নিষেধাজ্ঞা রেখে কম্পানির সিকিউরিটিজ বা শেয়ার বাইব্যাক পদ্ধতির সুপারিশ করা হয়েছে। পরিশোধিত মূলধন ও উদ্বৃত্ত মজুদের ১০ শতাংশ বাইব্যাক করার বিধি রাখা হচ্ছে। কম্পানির দায় বা দেনার পরিমাণ মোট মূলধন ও উদ্বৃত্ত অর্থের দ্বিগুণ হলেও বাইব্যাক করা যাবে না বলে বিধান রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাইব্যাক সম্পন্ন করার পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে কম্পানি ক্রয়কৃত সিকিউরিটিজ বাতিল এবং ধ্বংসের বিধান রাখা হয়েছে। এসইসির প্রস্তাবিত আইনে বাইব্যাক আইন লঙ্ঘনের দায়ে কম্পানির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান বাতিল করে সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সালমান এফ রহমান সাংবাদিকদের বলেছেন, কোনো কম্পানি যদি মূলধন কমাতে চায়, তাকে সে সুবিধা দেওয়ার জন্য এই আইন করা প্রয়োজন। তবে কোনো কম্পানির অতিরিক্ত মূলধন না থাকলে সে কম্পানিকে বাইব্যাকের সুযোগ দেওয়া উচিত নয় বলেও মত দেন তিনি। বাইব্যাকের পর কম্পানির বোনাস ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমাদের বিনিয়োগকারীরা নগদ লভ্যাংশ চায় না। এ জন্য আমরা বাইব্যাকের পর কম্পানি যাতে বোনাস ইস্যু করতে পারে, সে জন্য প্রস্তাব রেখেছি।'
Quote   
03/29/2011 4:07 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantha
চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারউত্থানে দিনের শুরু পতনে শেষ
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

উত্থান-পতনের মধ্য দিয়েই গতকাল লেনদেন হয়েছে চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে। মূল্যবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে দিন শুরু হলেও দিনের শেষ পাঁচ মিনিটের লেনদেনে দরপতন ঘটে। তবে সূচক কমলেও সার্বিক লেনদেনে বেড়েছে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই)।
সিএসইতে গতকাল ৯৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকায় এক কোটি ছয় লাখ শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা আগের দিনের লেনদেনের চেয়ে ৯০ কোটি টাকা বেশি। এ সময় লেনদেন হয়েছে ২০৩টি কম্পানির শেয়ার। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৫টি কম্পানির। আর দরপতনের তালিকায় ছিল ১২৩টি কম্পানির শেয়ার। লেনদেন বাড়লেও সার্বিক সূচক কমেছে ৮৭ পয়েন্ট। বাজার মূলধন প্রায় এক হাজার কোটি টাকা কমে গতকাল দুই লাখ ২৫ হাজার ৪৭৬ কোটিতে নেমে এসেছে।
মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, লাফার্জ সিমেন্ট, অলটেঙ্, আজিজ পাইপ ও সোনারগাঁও টেঙ্টাইল। আর দরপতনের তালিকায় শীর্ষে ছিল এসিআই জিরো কুপন বন্ড, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, এবি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক।
Quote   
03/29/2011 4:08 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantha
লভ্যাংশের ধরন নিয়ে জটিলতাপদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিতের এখতিয়ার ডিএসইর ওপর ছেড়ে দিয়েছে এসইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক


ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত পদ্মা অয়েল কম্পানি লিমিটেডের লেনদেন স্থগিত রাখার এখতিয়ার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) ওপর ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। পাশাপাশি পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনি দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির আগেই লভ্যাংশের ধরন পরিবর্তন করায় পদ্মা অয়েলের লেনদেন বন্ধ রাখা যায় কি না_ তা নিয়ে ডিএসইর পক্ষ থেকে এসইসির কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়। সে প্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় এসইসি এ সিদ্ধান্ত নেয়। এসইসি সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য শতভাগ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ। একই সঙ্গে ৫ মার্চ সকাল ১১টায় কম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করা হয়। এ জন্য ৬ জানুয়ারি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
এই লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজিজ আহমেদ নামে এক শেয়ারহোল্ডার হাইকোর্টে রিট মামলা করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ২ জানুয়ারি কম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডে ও এজিএমের তারিখ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে পদ্মা অয়েল লিমিটেড। আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেওয়া আগের রায় স্থগিত করেন। ফলে এজিএম অনুষ্ঠিত হতে আর কোনো বাধা থাকে না। কিন্তু আপিল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ডের তারিখ পার হয়ে যায়। এ কারণে নতুন একটি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
পরে গত ২০ মার্চ পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় নতুন করে এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি পূর্বঘোষিত শতভাগ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কম্পানির মূল স্থাপনায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, হাইকোর্টের আদেশ আপিল বিভাগ স্থগিত করলেও মামলার নিষ্পত্তি ঘটেনি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট চূড়ান্ত আদেশ দেওয়ার আগে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ লভ্যাংশ পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে না বলে ডিএসই মনে করে। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এতে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ কারণেই ডিএসইর পক্ষ থেকে পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়েও এসইসির কাছে নির্দেশনা চাওয়া হয়। সে প্রেক্ষিতে লেনদেনের এখতিয়ার ডিএসইর ওপর ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। অন্যদিকে কম্পানির লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য পদ্মা অয়েলের কাছে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের আদেশের কপিসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র চাওয়া হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
Quote   
03/29/2011 4:08 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantha
বিনিয়োগকারীর দিনলিপিজেড ক্যাটাগরির শেয়ারের দাম বাড়লে বাজার ঠিক হবে কী করে?
নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯৯৬ সালে একবার শেয়ার ব্যবসা করতে এসে ধরা খেয়ে চলে যাই। এক যুগ পর আবার ২০০৮ সাল থেকে শেয়ার ব্যবসায় আছি। এখন শেয়ার ব্যবসায় লোকসানে আছি। এভাবে চলতে থাকলে জানি না কবে আবার লাভের মুখ দেখব।
কথাগুলো বলছিলেন, ঢাকার শেয়ারবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী আনিসুর রহমান (৫১)। রাজধানীর মগবাজারের এই অ্যালুমিনিয়াম ব্যবসায়ীর দেশের বাড়ি চাঁদপুরের মতলবে। মতিঝিলের আহমেদ ইকবাল হাসান সিকিউরিটিজ হাউসে লেনদেন করেন তিনি। গতকাল তাঁর সঙ্গে কথা হয় মতিঝিলের ডিএসই ভবনের সামনের এক চায়ের দোকানে। চায়ে চুমুক দিতে দিতে তিনি বলেন, বেশির ভাগ শেয়ারই নিজের বুদ্ধি-বিবেচনায় কিনি। কিছু কিনি বন্ধু-বান্ধবের পরামর্শে। তাঁর কাছে থাকা ম্যাকসন স্পিনিংয়ের শেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, 'বোনাস শেয়ার দেওয়ায় এই কম্পানির শেয়ার কিনিছি।'
বিনিয়োগের ৪০ শতাংশ লোকসানে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এভাবে লোকসান হলে একসময় হয়তো মূলধন পুরোটাই চলে যাবে!
আনিসুর রহমান বলেন, ১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজারে ধসের সময় বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ছিল কম। আর অল্প বয়সের বেকার ও ছাত্র বিনিয়োগকারী ছিল না বললেই চলে। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। অনেক লোকজন শেয়ারবাজারে এসেছে। তারা এই বাজার থেকে আয় করে তাদের দিন পর করছে, সংসার চালাচ্ছে। শেয়ারবাজারে পতন হলে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আনিসুর রহমান আক্ষেপ করে বলেন, সব সময় সবাই বলে মৌলভিত্তি দেখে শেয়ার কিনতে। কিন্তু এই যে জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের দাম হু হু করে বাড়ছে, তাতে কেউ তো কোনো কথা বলছে না। আজও (মঙ্গলবার) এদের দাম বাড়ছে। তিনি উল্টো প্রশ্ন করেন, জেড ক্যাটাগরির শেয়ারর দাম বাড়লে বাজার ঠিক হবে কী করে?
Quote   
03/29/2011 4:10 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
৬ কোম্পানির লেনদেন আজ থেকে স্পট মার্কেটে
সমকাল প্রতিবেদক

রেকর্ড তারিখের কারণে আজ আরএন স্পিনিংয়ের শেয়ার লেনদেন হবে না। রাইট শেয়ারের বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির অনুমোদনের ভিত্তিতে আরেকটি রেকর্ড তারিখ ঘোষণা করা হবে।
ইউনাইটেড এয়ার : শেয়ারের লেনদেন আজ বন্ধ থাকবে। প্রস্তাবিত রাইট শেয়ারের জন্য এসইসির অনুমোদনের পর আরেকটি রেকর্ড তারিখ জানানো হবে।
পদ্মা অয়েল : শেয়ারের লেনদেন স্পট বা ব্লক মার্কেটে করা যাবে ৩০ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল। রেকর্ড তারিখের কারণে ৪ এপ্রিল লেনদেন হবে না।
রূপালী ব্যাংক : শেয়ারের লেনদেন শুধু স্পট বা ব্লক মার্কেটে করা যাবে ৩০ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত। রেকর্ড তারিখের কারণে ১২ এপ্রিল শেয়ারের লেনদেন হবে না।
রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স : স্পট বা ব্লক মার্কেটে শেয়ারের লেনদেন ৩০ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল। ৪ এপ্রিল রেকর্ড তারিখের কারণে লেনদেন বন্ধ থাকবে।
ইউনিয়ন ক্যাপিটাল : শেয়ারের লেনদেন স্পট বা ব্লক মার্কেটে করা যাবে ৩০ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল। রেকর্ড তারিখের কারণে ৪ এপ্রিল লেনদেন হবে না।
ট্রাস্ট ব্যাংক : শেয়ারের লেনদেন স্পট বা ব্লক মার্কেটে করা যাবে ৩০ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল। রেকর্ড তারিখের কারণে ৪ এপ্রিল লেনদেন হবে না। প্রস্তাবিত রাইট শেয়ারের বিষয়ে এসইসির অনুমোদনের পর আরেকটি রেকর্ড তারিখ ঘোষণা করা হবে।
আরএকে সিরামিক্স : ২০১০ সালের জন্য নগদ লভ্যাংশ ৩১ মার্চের মধ্যে মতিঝিলের ঢাকা ক্রীড়া সংস্থা থেকে সংগ্রহ করার জন্য বলা হয়েছে। বোনাস শেয়ার সংশ্লিষ্টদের হিসাবে জমা করা হয়েছে।
কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স : পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল তার ৬৭ হাজার ৪২৯টি শেয়ারের মধ্যে ১ হাজার ৭০০ (বোনাস শেয়ার) বিক্রি করবেন।
Quote   
03/29/2011 4:10 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
শুরুতে সূচক ঊর্ধ্বমুখী দিনশেষে নিম্নমুখী
সমকাল প্রতিবেদক

শেয়ারবাজারে মঙ্গলবার সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও শেষ হয় নিম্নমুখী ধারা দিয়ে। লেনদেন শেষে ঢাকার শেয়ারবাজারে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর ও সূচক কমেছে। একই অবস্থা ছিল চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে। উভয় শেয়ারবাজারে মোট লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৯টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ১৫৬টির দর কমেছে, বেড়েছে ৯৭ এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬টির। এদিন সাধারণ সূচক ২১ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট কমে ৬২২১ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট হয়। যদিও লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় সূচক প্রায় ১৩৭ পয়েন্ট বেড়েছিল। লেনদেন হয়েছে ৯৪৭ কোটি ৩২ লাখ টাকার। সিএসইতে ২০৩টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ১২৩টির দর কমেছে, বেড়েছে ৭৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫টির দর। এদিন নির্বাচিত খাত সূচক ৬৮ পয়েন্ট কমে হয় ১১২৬০ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৯৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকার।
ডিএসই খাতভিত্তিক লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গতকাল ব্যাংকিং খাতে দর ওঠানামার মিশ্র অবস্থা ছিল। এ খাতের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২০টির দর বাড়ে, কমে ১০টির। সার্বিকভাবে শেয়ার দর বেড়েছে দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে এদিন লিজিং ও বীমা খাতের প্রায় সব কোম্পানির শেয়ার দর কমে। লিজিং খাতের লেনদেন হওয়া ২০টি কোম্পানির মধ্যে ১৫টির এবং বীমা খাতের ৪৪টি কোম্পানির মধ্যে ৩৮টির দর কমে। এ দুই খাতের শেয়ার দর কমার হার ছিল যথাক্রমে শূন্য দশমিক ৪৩ ও শূন্য দশমিক ২১ শতাংশ। এদিকে প্রকৌশল ও বস্ত্র খাতের শেয়ার দর ও সার্বিক লেনদেনের হার উল্লেখযোগ্য বেড়েছে। সিঙ্গার বাংলাদেশের লভ্যাংশ ঘোষণার কারণে রেকর্ড তারিখ পরবর্তী মূল্য সংশোধন বাদ দিলে বাকি ২২টির মধ্যে ১০টির দর বেড়েছে, কমেছে ১২টির। তবে সার্বিকভাবে এ খাতের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যার পরিমাণ ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। অন্যদিকে বস্ত্র খাতের লেনদেন হওয়া ২৪টি কোম্পানির মধ্যে ১১টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৩টির; সার্বিক দর বৃদ্ধির হার ২ দশমিক ৫১ শতাংশ। অন্য খাতগুলোর মধ্যে ফুড খাতের শেয়ার দর বৃদ্ধি পেয়েছে সর্বাধিক ৪ দশমিক ১০ শতাংশ। এ খাতের ১৫টির মধ্যে ১০টি কোম্পানিরই শেয়ার দর বাড়ে। গতকাল ডিএসইতে তথ্য ও প্রযুক্তি, সিরামিকস, চামড়া, কাগজ, টেলিকম খাতের শেয়ার দর কমেছে।


খাতভিত্তিক সার্বিক লেনদেনের দিক থেকে সবার ওপরে ছিল বস্ত্র খাত, লেনদেন হয়েছে ১৩৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ১৯ শতাংশ। এর পরে থাকা প্রকৌশল খাতে ১৩০ কোটি ৯১ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে ছিল ব্যাংকিং খাত, লেনদেন হয়েছে ১১৯ কোটি ৭২ লাখ টাকার শেয়ার যা মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
Quote   
03/29/2011 4:11 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
বাংলাদেশ ফান্ড' ট্রাস্ট ডিড অনুমোদনের আবেদন করেছে আইসিবি
সমকাল প্রতিবেদক


'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে অন্তত ৫ হাজার কোটি টাকার একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনায় ট্রাস্ট ডিড অনুমোদন করার জন্য শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। গতকাল ওই আবেদন পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে এসইসির সদস্য ইয়াছিন আলী বলেন, বিধি অনুযায়ী কাগজপত্র দেওয়া হলে আজ বা কালের মধ্যে জরুরি সভা ডেকে ট্রাস্ট ডিড অনুমোদন করা হবে।
শেয়ারবাজারে সাম্প্রতিক দরপতন ঠেকাতে আইসিবি ওই তহবিল গঠনের ঘোষণা দেয়।
আইসিবির মহাব্যবস্থাপক ইফতেখার-উজ-জামান সমকালকে জানান, ৫ হাজার কোটি টাকার ওই তহবিলের মধ্যে ইতিমধ্যে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে আইসিবি মূল উদ্যোক্তা হিসেবে ৫০০ কোটি টাকা তহবিলে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ও সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা করে, রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা করপোরেশন ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) এবং রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ অগ্রণী ব্যাংক তাদের বিনিয়োগের বিষয়ে পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধান্ত নেবে। শিগগির সাধারণ বীমা করপোরেশনও বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে জানান তিনি। আইসিবির মহাব্যবস্থাপক বলেন, এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পর বেসরকারি কোম্পানিও এ তহবিলে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে। তাছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ইচ্ছা করলে আইসিবি থেকে অভিহিত মূল্য ১০০ টাকায় প্রতিটি ফান্ড ইউনিট কিনতে পারবেন। শেয়ারবাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ তহবিল গঠনের পরিকল্পনা হয়েছে বলে জানান তিনি।  
Quote   
03/29/2011 4:13 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Sangbad
ঢাকা ব্যাংকের ৩৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড ২০১০ সালের জন্য ৩৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে। গতকাল ঢাকার একটি হোটেলে ব্যাংকের ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এ ঘোষণা করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রেশাদুর রহমান। এ সময় অন্যদের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হানিফ, প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দীন আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও পরিচালক আবদুল হাই সরকার, পরিচালক মিসেস আফরোজা আব্বাস, উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার এটিএম হায়াতুজ্জামান খান, পরিচালক আলতাফ হোসেন সরকার, আবদুল্লাহ্ আল-আহসান, খন্দকার জামিলউদ্দিন, এমএনএইচ বুলু, তাহিদুল হোসেন চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, পরিচালক মিসেস রাখী দাশ গুপ্তা, সুয়েজ ইসলাম, জিএম শামীম হোসেন এবং ব্যবস্থাপনা খোন্দকার ফজলে রশীদ।
Quote   
03/29/2011 4:13 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Sangbad
শেয়ারবাজার : ঊর্ধ্বমুখী ধারায় শুরু হলেও দিন শেষে মূল্য সংশোধন
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

দেশের প্রধান দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) লেনদেনের শুরুটা ভালো হলেও দিন শেষে সামান্য মূল্য সংশোধন হয়েছে। উভয় বাজারে সাধারণ সূচকের পতন হওয়া সত্ত্বেও লেনদেন আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে।
ডিএসইতে লেনদেনকৃত ২৫৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৭টির, কমেছে ১৫৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টি কোম্পানির শেয়ারের। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জটিতে ৯৪৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা গতকালের চেয়ে ১৫৭ কোটি টাকা বেশি। ডিএসই'র বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা।
ডিএসইতে গতকাল চাঙাভাবের মধ্যদিয়ে লেনদেন শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১৩৭ পয়েন্টের মতো বেড়ে যায়। এরপর থেকে সূচক ধীরে ধীরে নিম্নগামী হতে থাকে। দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২১.৮৫ পয়েন্ট কমে ৬২২১.৬৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ২৫৯টি কোম্পানির ৭ কোটি ৬২ লাখ ৬৪ হাজার ১১৫টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসই'তে লেনদেনের পরিমাণ ৯৪৭ কোটি ৩২ লাখ ৪৩৬ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৫৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বেশি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২১.৮৬ পয়েন্ট কমে ৬২২১.৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০.৫৯ পয়েন্ট কমে ৩৯১৭.৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- গোল্ডেন সন, বেক্সিমকো লি., আরএন স্পিনিং, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লি., তিতাস গ্যাস, পদ্মা অয়েল, বেক্সটেক্স, ম্যাকসন স্পিনিং, কনফিডেন্স সিমেন্ট ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। দর বৃদ্ধিতে আজকের প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- সোনারগাঁও টেক্সটাইল, বিডি অটোকারস, তাল্লু স্পিনিং, রেকিট বেঙ্কাইজার, এপেক্স ফুডস, জুট স্পিনার্স, উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি, মিথুন নিটিং, ডাচ বাংলা ও বঙ্গজ লি.। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- সিঙ্গার বিডি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, আইসিবি ইসলামিক, ইমাম বাটন, কন্টিনেন্টাল ইন্সুরেন্স, ওশান কন্টেইনার, ইস্টার্ন ইন্সুরেন্স, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, অগি্নসিস্টেম লি. ও ফু-ওয়াং সিরামিকস।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৮৬.৬৮ পয়েন্ট কমে ১৭৪৫০.৪৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে ২০৩টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে বেড়েছে ৭৫টির, কমেছে ১২৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে গতকাল মোট ৯৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা গতকালের চেয়ে ৯ কোটি টাকা বেশি।
Quote   
03/29/2011 4:15 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Amar Desh
পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তন : আইনি দিক খতিয়ে দেখবে এসইসি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার


পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তন বিষয়ে আইনি দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। একইসঙ্গে কোম্পানির লেনদেন বন্ধের বিষয়টি স্টক এক্সচেঞ্জের ওপর ছেড়ে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। আদালতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড লভ্যাংশের ধরন পরিবর্তন এবং এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষ থেকে এসইসির পরামর্শ চাওয়া হলে গতকাল কমিশনের বাজার পর্যালোচনা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পরিষদ। একইসঙ্গে ৫ মার্চ সকাল ১১টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করা হয়। এজন্য ৬ জানুয়ারি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ঘোষিত নগদ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজিজ আহমেদ নামে এক শেয়ারহোল্ডার হাইকোর্টে রিট মামলা করেন। ওই রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ২ জানুয়ারি কোম্পানি ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট ও এজিএমের তারিখ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টে আপিল করে পদ্মা অয়েল লিমিটেড। আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেয়া আগের রায় স্থগিত করেন। ফলে এজিএম অনুষ্ঠিত হতে আর কোনো বাধা থাকে না। কিন্তু আপিল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ডের তারিখ চলে যায়। এ কারণে নতুন একটি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
পরে গত ২০ মার্চ পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পরিষদের এক সভায় নতুন করে এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি পূর্বঘোষিত ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোম্পানির মূল স্থাপনায় এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এজিএমকে সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। জানা গেছে, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলেও মামলার নিষ্পত্তি ঘটেনি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট চূড়ান্ত আদেশ দেয়ার আগে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পরিষদ লভ্যাংশ পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে না বলে ডিএসই মনে করে। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এতে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এ কারণেই ডিএসইর পক্ষ থেকে পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়েও নির্দেশনা চেয়েছে ডিএসই।
Quote   
03/29/2011 4:15 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Amar Desh
সরকারি কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার

সরকারি কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত খসড়া নীতিমালা আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। গতকাল এসইসি কার্যালয়ে খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন বিষয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট একেএম শামসুল আলম বলেন, সরকারি যেসব কোম্পানি বাজারে শেয়ার ছাড়বে সেসব কোম্পানি আর সরকারি প্রতিষ্ঠান থাকবে না। সেটি তখন একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হবে। কিন্তু সরকারি এবং পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেমন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অবসরে যাওয়ার পর ভাতা পান। কিন্তু পাবলিক কোম্পানির ক্ষেত্রে এ ধরনের ভাতা দেয়া হয় না। সরকারি প্রতিষ্ঠান যদি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হয় তাহলে এক্ষেত্রে কোম্পানির দায় কীভাবে নিরূপণ করা হবে, এ ধরনের অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এরই মধ্যে কমিটি খসড়া নীতিমালা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে। তবে এজন্য আরও একটি বৈঠকের প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি।
সূত্র জানায়, ২১টি সরকারি কোম্পানি বাজারে আনার জন্য একাধিকবার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, সরকারি কোম্পানির সম্পদ মূল্যায়নসহ বেশ কিছু জটিলতার কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। এরই প্রেক্ষিতে সরকারি কোম্পানিগুলোর সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করে কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা বণ্টনের একটি নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গত ৯ মার্চ এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এ কমিটিকে খসড়া নীতিমালা অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
৫ সদস্যের কমিটিতে দু’জন চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্টকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন একেএম শামসুল আলম এফসিএ এবং জামালউদ্দীন আহমেদ এফসিএ। এছাড়া এসইসির পরিচালক মো. হাসান মাহমুদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন প্রতিনিধিকে কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।
Quote   
03/29/2011 4:16 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Amar Desh
এসইসির পরামর্শক কমিটি পুনর্গঠিত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পরামর্শক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এসইসির চেয়ারম্যানকে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিশনের সব সদস্যকেও এ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গত সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এসইসি।
গঠিত কমিটির কার্যবিধিতে বলা হয়েছে, দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সঠিক নীতি প্রস্তাব, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষায় নীতি এবং কর্মসূচি গ্রহণে পরামর্শ, এসইসির পক্ষ থেকে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে সে ব্যাপারেও কমিটি তাদের মতামত দিতে পারবে। এছাড়া কোনো বিশেষ বিষয়ে অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের কোনো প্রতিনিধিকে প্রয়োজনে কমিটি বৈঠকে অংশগ্রহণে আমন্ত্রণ জানাতে পারবে।
কমিশনের প্রয়োজনে কমিটি যে কোনো সময় বৈঠক করতে পারবে বলে কার্যবিধিতে বলা হয়েছে।
এছাড়া কমিটির অপর সদস্যরা হলেন, ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নর, এফবিসিসিআইর প্রেসিডেন্ট, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের প্রেসিডেন্ট, ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান, সিপিডির ড. মোস্তাফিজুর রহমান, আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ অ্যাসোসিযেশন অব ব্যাংকস, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউশনের জাহিদি সাত্তার এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসাইন।
Quote   
03/29/2011 4:17 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে
ইত্তেফাক রিপোর্ট

মঙ্গলবার শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে শুরুটা ভালো হলেও শেষটা ভালো হয়নি। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সূচকের সঙ্গে কমেছে দেড় শতাধিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। তবে গতদিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে। গতকাল ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ২১ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২২২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে লেনদেন হওয়া ২৫৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৭টির, কমেছে ১৫৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের। লেনদেন হয়েছে ৯৪৭ কোটি টাকার, যা গত দিনের চেয়ে ১৩৭ কোটি টাকা বেশি। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের শুরু থেকেই সূচক দ্রুত বাড়তে থাকে। লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় সূচক ১০০ পয়েন্টের বেশি বাড়ে, যা তৃতীয় ঘণ্টায় অব্যাহত ছিল। তবে শেষ ঘণ্টায় এসে সূচক কিছুটা কমে যায়।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো-গোল্ডেন সন, বেক্সিমকো, আরএন স্পিনিং, পিএলএফএসএল, তিতাস গ্যাস, পদ্মা অয়েল, বেক্সটেক্স, ম্যাকসন স্পিনিং, কনফিডেন্স সিমেন্ট ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।দর বৃদ্ধিতে গতকালের প্রধান ১০টি কোমপানি হলো -সোনারগাঁও টেক্সটাইল, বিডি অটোকারস, তাল্লু স্পিনিং, রেকিট বেঙ্কাইজার, এপেক্স ফুডস্, জুট স্পিনার্স, উসমানিয়া গ্লাস শীট ফ্যাক্টরী, মিথুন নিটিং, ডাচ্ বাংলা ও বঙ্গজ।
Quote   
Page 2 / 2 1 - 2 « previous
Login with Facebook to post
Preview