| 03/29/2011 9:01 am |
 Senior Member

Regist.: 01/10/2011 Topics: 5 Posts: 13
 OFFLINE | Prothom Alo
‘বাংলাদেশ ফান্ড’ অনুমোদনের জন্য এসইসিতে জমা
আব্দুল্লাহিল ওয়ারিশ | তারিখ: ২৯-০৩-২০১১
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ নামে একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড অনুমোদনের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) পাঠানো হয়েছে। ফান্ডটির মূল উদ্যোক্তা রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি)। আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ফায়েকুজ্জামান আজ মঙ্গলবার এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সঙ্গে দেখা করে তাঁর কাছে এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেন।
ফায়েকুজ্জামান জানান, এই ফান্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা এবং এক হাজার ইউনিটে একটি মার্কেট লট হবে। তিনি জানান, এরই মধ্যে ফান্ডটির উদ্যোক্তা অংশের অংশগ্রহণ চূড়ান্ত হয়েছে। মূল উদ্যোক্তা হিসেবে আইসিবি ফান্ডের ১০ শতাংশ অর্থাত্ ৫০০ কোটি টাকা দেবে। সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি, রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ১০০ কোটি, সাধারণ বীমা করপোরেশন ১০০ কোটি টাকা দেবে। এ ছাড়া অগ্রণী ব্যাংক ও জীবন বীমা করপোরেশন মিলে বাকি ৩০০ কোটি টাকা দেবে বলে মৌখিকভাবে জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পর ফান্ডটিতে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি উদ্যোক্তা ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হবে বলেও তিনি জানান।
এ ব্যাপারে এসইসির সদস্য মো. ইয়াসিন আলী সাংবাদিকদের বলেন, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফান্ডটির অনুমোদন দেওয়া হবে। প্রয়োজনে জরুরি বৈঠক ডেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর ৬ মার্চ ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। এই ফান্ডের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে। এ ছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো হবে বলেও বিধান রাখা হয়েছে। |
|
|
| 03/29/2011 9:03 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে উত্থান শেষে পতন
ঢাকা, ২৯ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্চে সূচকের ঊর্ধ্বগতি দিয়ে শুরু হলেও লেনদেন শেষ হয়েছে পতন দিয়ে। আজ মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতেই ডিএসই সাধারণ সূচক বাড়ে ৯৯ পয়েন্ট। এ ধারা ২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকে। তবে এরপর থেকেই অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর হ্রাস পেতে থাকে। যার ফলে লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক কমে ২১ পয়েন্ট।
চার কার্যদিবস টানা পতনের পর গতকাল সোমবার ডিএসইতে অধিকাংশ কোম্পানির দর বৃদ্ধি পেলেও সূচকের এ পতনে অনেকটাই হতাশ হয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
আজ লেনদেন হয়েছে ২৫৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। যার মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৭টির, কমেছে ১৫৬টির এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে ৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর। তবে সূচক কমলেও আজ ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯৪৭ কোটি টাকার। যা গতকালের চেয়ে ১৫৭ কোটি টাকা বেশি।
আজ ৩৮ কোটি টাকার বেশি লেনদেন করে ডিএসই লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় রয়েছে গোল্ডেনসন। এছাড়া লেনদেনের শীর্ষে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- বেক্সিমকো, আরএন স্পিনিং, পিপলস লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, পদ্মা ওয়েল, বেঙ্টেঙ্, ম্যাকসন স্পিনিং, কনফিডেন্স সিমেন্ট ও ইউনাইটেড এয়ার।
আর দর হ্রাসের শীর্ষ দশের তালিকায় ছিল, পিপলস ইনস্যুরেন্স, এআইবিএল'র প্রথম ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এমবিএল প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ঝিল বাংলা সুগার মিলস লিমিটেড, অ্যাপেক্স স্পিনিং, ঢাকা ইনস্যুরেন্স লিমিটেড, এবি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, দেশবন্ধু পলিমার লিমিটেড ও ব্যাংক এশিয়া।
দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় ছিল- সোনারগাঁও টেক্সটাইলস, বিডি অটোকারস, তাল্লু স্পিনিং, রেকিড বেনকিজার, অ্যাপেক্স ফুডস, জুট স্পিনার্স, ওসমানিয়া গ্লাস, মিথুন নিটিং, ডাচ-বাংলা ব্যাংক ও বঙ্গোজ । |
|
|
| 03/29/2011 9:05 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক কমেছে
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২৯-০৩-২০১১
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুটা ভালো হলেও শেষটা ভালো হয়নি। দিনের লেনদেন শেষে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ সূচকের পতন হয়েছে। তবে লেনদেন গতকালের চেয়ে বেড়েছে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে আজ ডিএসইতে আজ লেনদেন শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১৩৭ পয়েন্টের মতো বেড়ে যায়। এর পর থেকে সূচক ধীরে ধীরে নিম্নগামী হতে থাকে। দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২১.৮৫ পয়েন্ট কমে ৬২২১.৬৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৭৫টির, কমেছে ১৫৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের দাম। আজ স্টক এক্সচেঞ্জটিতে ৯৪৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা গতকালের চেয়ে ১৫৭ কোটি টাকা বেশি।
ডিএসইতে আজ লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো গোল্ডেন সন, বেক্সিমকো, আরএন স্পিনিং, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, তিতাস গ্যাস, পদ্মা অয়েল, বেক্সটেক্স, ম্যাকসন স্পিনিং, কনফিডেন্স সিমেন্ট ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সোনারগাঁও টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া বিডি অটোকারস, তাল্লু স্পিনিং, রেকিট বেনকিজার, অ্যাপেক্স ফুডস, জুট স্পিনার্স, উসমানিয়া গ্লাস, মিথুন নিটিং, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ও বঙ্গজ দাম বৃদ্ধির শীর্ষ ১০-এর তালিকায় রয়েছে।
আজ সবচেয়ে বেশি কমেছে সিঙ্গার বাংলাদেশের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া মেঘনা পেট্রোলিয়াম, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইমাম বাটন, কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্স, ওশান কন্টেইনার, ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্স, ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স, অগ্নি সিস্টেম ও ফু-ওয়াং সিরামিকস দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০-এর তালিকায় রয়েছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৮৬.৬৮ পয়েন্ট কমে ১৭৪৫০.৪৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে ২০৩টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ৭৫টির, কমেছে ১২৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে আজ মোট ৯৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা গতকালের চেয়ে নয় কোটি টাকা বেশি। |
|
|
| 03/29/2011 9:06 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের আবেদন জমা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির পক্ষ থেকে এ আবেদন জমা দেওয়া হয়।
স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই ফান্ডটি অনুমোদন করা হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের আবেদন জমার বিষয়টি নিশ্চিত করে এসইসি সদস্য মো. ইয়াসিন আলী বাংলানিউজকে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব কমিশনের পক্ষ থেকে এই ফান্ডটির অনুমোদন দেওয়া হবে। এ জন্য প্রয়োজনে কমিশনের বিশেষ বৈঠকের ব্যবস্থা করা হবে।
ফান্ডটি পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান জানান, এসইসির কাছ থেকে ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন পাওয়ার পর ফান্ডে অংশগ্রহণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বেসিক ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন এই ফান্ডে বিনিয়োগ করবে।
এছাড়া বেসরকারী ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই ফান্ডে প্রাথমিক আকার ৫ হাজার কোটি টাকা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৩৮ঘন্টা, ২৯ মার্চ, ২০১১ |
|
|
| 03/29/2011 3:41 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | লেনদেন স্থগিত হতে পারে পদ্মা অয়েলের
ঢাকা, ২৯ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): উচ্চ আদালতের নির্দেশনার সাথে সিকিউরিটিজ আইন সাংঘর্ষিক না হলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করতে পারবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এসইসির বাজার পর্যালোচনা বৈঠকে স্টক এক্সচেঞ্জকে এ নির্দেশনা দিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এক অর্থবছরে বিধি বহির্ভূত দুই বার লভ্যাংশ ঘোষণা করায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি খাতের কোম্পানি পদ্মা অয়েলের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে। তবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনার ব্যত্যয় যাতে না ঘটে তা লক্ষ্য রাখতে নির্দেশ দিয়েছে এসইসি।
দুইবার লভ্যাংশ ঘোষণার জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণে ডিএসইর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে এসইসি। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ কোম্পানির লেনদেন বিষয়ে ডিএসই কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী আজিজ আহম্মেদ পদ্মা অয়েল কোম্পানি কর্তৃক ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট এবং এজিএম করার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে আদালতে একটি রিট মামলা করেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানি লিস্টিং বিধি ৩০ লঙ্ঘন করায় এ ঘোষণা অবৈধ হয়েছে মর্মে আদালতকে জানান বিনিয়োগকারীর পক্ষের কৌঁসুলি। ডিএসই কোম্পানি লিস্টিং বিধি-৩০-এ বলা আছে যে সকল লিস্টেড কোম্পানি তার বার্ষিক কর্মকাণ্ড এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার উদ্দেশ্যে যে বোর্ড সভা ডাকা হবে, তা সভার আগেই ডিএসই এবং এসইসিকে জানাতে হবে। যাতে বিনিয়োগকারী এবং শেয়ারহোল্ডাররা জানতে পারে ও ডিএসই ওয়েবসাইটে আপলোড করতে পারে। কিন্তু সে বিষয় কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গত ১৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখের পদ্মা অয়েল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখসহ লভ্যাংশ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করে, যা ডিএসই বিধি-৩০ এর পরিপন্থী। এ বিষয়টি নিয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী পদ্মা অয়েল কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
ওই সময় কোম্পানি ১০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এরপর কোম্পানি ফের তাদের লভ্যাংশ পুনর্বিবেচনা করে ৫০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ও ৫০ ভাগ বোনাস শেয়ার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এখন স্টক এক্সচেঞ্জ তাদের আইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে। |
|
|
| 03/29/2011 3:42 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | বাংলাদেশ ফান্ডের অনুমোদনের প্রস্তাব এসইসিতে জমা
ঢাকা, ২৯ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য ঘোষিত পাঁচ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড' আজ মঙ্গলবার অনুমোদনের জন্য সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে পাঠানো হয়েছে। ফান্ডটির মূল উদ্যোক্তা রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ফায়েকুজ্জামান আজ এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের কাছে 'বাংলাদেশ ফান্ডের' কাগজপত্র জমা দেন।
বাংলাদেশ ফান্ডের প্রস্তাব জমা দেয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে ফায়েকুজ্জামান বলেন, এই ফান্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা। ইতিমধ্যে ফান্ডটির উদ্যোক্তা অংশের অংশগ্রহণ চূড়ান্ত হয়েছে। মূল উদ্যোক্তা হিসেবে আইসিবি ফান্ডের ১০ শতাংশ অর্থাৎ ৫শ কোটি টাকা দেবে। সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ও সাধারণ বীমা করপোরেশন। কোন ব্যাংক কত টাকা দিচ্ছে এ ব্যাপারে তিনি বলেন, সোনালী ব্যাংক ২শ কোটি, জনতা ব্যাংক ২শ কোটি, রূপালী ব্যাংক ১শ কোটি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ১শ কোটি, সাধারণ বীমা করপোরেশন ১শ কোটি টাকা দেবে। আর অগ্রণী ব্যাংক ও সাধারণ বীমা করপোরেশন বাকি ৩শ কোটি টাকা দেয়ার কথা রয়েছে বলে জানান ফায়েকুজ্জামান। তিনি আরো বলেন, এ ক্ষেত্রে এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পরই বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি উদ্যোক্তা ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফান্ডটিতে অংশ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হবে।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে বাংলাদেশ ফান্ড নামে একটি আপদকালীন ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নেয় আইসিবি। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৬ মার্চ 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। এ ফান্ডের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো যাবে। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা, জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)। তবে এ ফান্ডের অংশগ্রহণের বিষয়ে অগ্রণী ব্যাংক ও সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া যায়নি। |
|
|
| 03/29/2011 3:44 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করতে অনাপত্তি এসইসি’র
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পদ্মা অয়েলের দ্বিতীয় দফায় লভ্যাংশ ঘোষণা নিয়ে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ কোম্পানির লেনদেন স্থগিত রাখার ব্যাপারে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) মতামত জানতে চাওয়ার পর অনাপত্তি জানিয়েছে এসইসি।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, কোম্পানিটি একই বছরে দুই ধরনের লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এটা এসইসির বিধিসঙ্গত নয়। এক্ষেত্রে ডিএসই কোম্পানিটির লেনদেন স্থগিত রাখলে আইনি বাধা থাকবে না বলে এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনে আইনি দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। পাশাপাশি লেনদেন বন্ধের বিষয়টি স্টক এক্সচেঞ্জের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, আদালতে মামলা নিষ্পত্তির আগেই লভ্যাংশের ধরন পরিবর্তন করায় আপত্তি তুলেছে ডিএসই। উচ্চ আদালতের রায়ের পর ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে স্টক এক্সচেঞ্জ মনে করছে।
এ কারণে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত রাখা যায় কিনাÑ সে বিষয়ে ডিএসইর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এসইসির পরামর্শ চাওয়া হয়।
কাল বুধবার কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলেও মামলার নিষ্পত্তি ঘটেনি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট চূড়ান্ত আদেশ দেওয়ার আগে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ লভ্যাংশ পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে না বলে ডিএসই মনে করে।
আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এ কারণে ডিএসইর পক্ষ থেকে পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়।
পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়েও নির্দেশনা চেয়েছে ডিএসই।
জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ।
একইসঙ্গে ৫ মার্চ সকাল ১১টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করা হয়। এজন্য ৬ জানুয়ারি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
কিন্তু ঘোষিত নগদ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজিজ আহমেদ নামে একজন শেয়ারহোল্ডার হাইকোর্টে রিট মামলা করেন। ওই রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ২ জানুয়ারি কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট ও এজিএমের তারিখ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।
পরে হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টে আপিল করে পদ্মা অয়েল লিমিটেড। আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেওয়া পূর্বের রায় স্থগিত করে। ফলে এজিএম অনুষ্ঠিত হতে আর কোনও বাধা থাকে না।
কিন্তু আপিল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ডের তারিখ চলে যায়। এ কারণে নতুন একটি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
পরে গত ২০ মার্চ পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় নতুন করে এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি পূর্বঘোষিত ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোম্পানির মূল স্থাপনায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ২০৫৫ঘণ্টা, মার্চ ২৯, ২০১১ |
|
|
| 03/29/2011 3:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | সরকারি কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়ণের খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: সরকারি কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়ণের খসড়া নীতিমালা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। মঙ্গলবার সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) সম্পদ পুনর্ম্যূল্যায়ণ কমিটির বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। নীতিমালা চূড়ান্ত হলে তা অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। বৈঠক সুত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারে আসার পর সরকারি কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা কিভাবে বণ্টন করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট একেএম শামসুল আলম বাংলানিউজকে বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা অবসরে যাওয়ার পর ভাতা পান। কিন্তু বেসরকারি কোম্পানিতে এ ভাতা দেওয়া হয় না। সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানিতে এ ধরনের কিছু সুযোগ সুবিধার তারতম্য রয়েছে।
সূত্র জানায়, ২১টি সরকারি কোম্পানি বাজারে আনার জন্য একাধিকবার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে একাধিকবার ঘোষণা দেওয়ার পরও ব্যর্থ হয়েছে সরকার।
আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মধ্যে প্রধান ইস্যু ছিল সরকারী কোম্পানি পুঁজিবাজারে আনা হলে তা প্রাইভেট কোম্পানি হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের সুযোগ সুবিধা কিভাবে দেওয়া হবে তা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি কোম্পানিগুলোর সম্পদ পূনর্মূল্যায়ণ করে কর্মকর্তাদের সুযোগ সুবিধা বণ্টনের একটি নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে অথর্ মন্ত্রণালয় থেকে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গত ৯ মার্চ এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এ কমিটিকে নীতিমালার খসড়া প্রস্তাবনা অর্থমন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
৫ সদস্যের কমিটিতে দু’ জন চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টকে অন্তুর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেনÑ একেএম শামসুল আলম এফসিএ এবং জামালউদ্দীন আহমেদ এফসিএ।
এছাড়া এসইসির পরিচালক মো. হাসান মাহমুদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন প্রতিনিধিকে কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৯১৫ঘণ্টা, ২৯ মার্চ, ২০১১ |
|
|
| 03/29/2011 3:55 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
স্বল্প সময়ের মধ্যে 'বাংলাদেশ ফান্ড' অনুমোদন
ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য এসইসিতে আবেদন জমা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারের তারল্য সঙ্কট কাটাতে ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ডের' ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জমা দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির পৰ থেকে এ আবেদন জমা দেয়া হয়। স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই ফান্ডটি অনুমোদন করা হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের আবেদন জমার বিষয়টি নিশ্চিত করে এসইসি সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলী জনকণ্ঠকে বলেন, যত দ্রম্নত সম্ভব কমিশনের পৰ থেকে এই ফান্ডটির অনুমোদন দেয়া হবে। এ জন্য প্রয়োজনে কমিশনের বিশেষ বৈঠকের ব্যবস্থা করা হবে। ফান্ডটি পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৬ মার্চ 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ানত্ম করা হয়। এই ওপেন এ্যান্ড (মেয়াদহীন) মিউচু্যয়াল ফান্ড হিসেবে গঠিত এই তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার বিবেচনায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো যাবে। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানই ফান্ডের ট্রাস্টির দায়িত্ব পালন করবে। ফান্ড ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। এছাড়া আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বাংলাদেশ ফান্ডের কাস্টডিয়ানের দায়িত্ব পালন করবে।
বাংলাদেশ ফান্ডের মোট ৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে আইসিবি ৫০০ কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, সাধারণ বীমা করপোরেশন ১০০ কোটি টাকা এবং রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ বরাদ্দ করেছে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংক ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা দেবে বলে জানিয়েছে। দু'একদিনের মধ্যেই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এ অর্থ অনুমোদন করবে। তবে জীবন বীমা কর্পোরেশন ৫০ কোটি টাকা দেয়ার কথা জানালেও বিষয়টি নিশ্চিত নয়। অবশ্য জীবন বীমা কর্পোরেশন টাকা না দিলে সোনালী ব্যাংক আরও ৫০ কোটি টাকা প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়েছে।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, এসইসির কাছ থেকে ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন পাওয়ার পর ফান্ডে অংশগ্রহণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বেসিক ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন এই ফান্ডে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া বেসরকারী ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা হবে। দ্রম্নততম সময়ের মধ্যেই ফান্ডে প্রাথমিক আকার ৫ হাজার কোটি টাকা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। |
|
|
| 03/29/2011 3:56 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
মূলধনের শর্ত পূরণে রাইট শেয়ার ইস্যু করতে পারে ব্যাংকগুলো
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যাপ্ত মূলধনের শর্ত পূরণের জন্য নতুন করে রাইট শেয়ার ইসু্য করতে পারে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য প্রায় প্রতিটি ব্যাংককেই তাদের মূলধনের সীমা বাড়াতে হবে। সেৰেত্রে দু'একটি ব্যাংকের ৰেত্রে শুধু বোনাস ইসু্য করে পর্যাপ্ত মূলধন বৃদ্ধি করা সম্ভব হলেও বাকিগুলোর জন্য রাইট শেয়ার বা বন্ড ইসু্যর বিকল্প থাকবে না বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি এড়াতে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের অংশ হিসেবেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য এখন থেকে আর নূ্যনতম মূলধন বেঁধে দেয়া হবে না। প্রতিটি ব্যাংককেই তার ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ অনুযায়ী পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। গত সোমবার এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয়া হয়েছে। মূলধন ইসু্যতে শীঘ্রই ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ করে পর্যাপ্ত মূলধনের দিক-নির্দেশনা দেয়া হতে পারে।
একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্যাসেল-২ এর প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূলধন ও উদ্বৃত্ত তহবিলের নূ্যনতম পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা বেঁধে দেয়া হয়। চলতি বছরের ১১ আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে এই সীমা পূরণ করতে হবে। অধিকাংশ ব্যাংক ইতোমধ্যেই মূলধন ও উদ্বৃত্ত তহবিলের মোট পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা পূর্ণ করলেও ৬টি ব্যাংক এখনও এর নিচে রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারি তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। তবে শুধু মূলধন হিসেবে নিলে অধিকাংশ ব্যাংকই এখনও দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাসেল-২ এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়ন করতে হলে ব্যাংকগুলোর মূলধনের পরিমাণ প্রায় ৭০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। ফলে সব ব্যাংককেই মূলধন বাড়াতে হবে।
তাঁরা বলেন, ব্যাংকের মূলধন বাড়াতে হলে অবশ্যই রাইট বা বোনাস শেয়ার ইসু্য করতে হবে। এৰেত্রে যেসব ব্যাংকের পর্যাপ্ত পরিমাণ উদ্বৃত্ত তহবিল (রিজার্ভ) রয়েছে, সেসব ব্যাংক এই তহবিলকে মূলধনে রূপানত্মরের জন্য বোনাস ইসু্য করতে পারে। আবার উদ্বৃত্ত তহবিল ঠিক রেখে ব্যাংকগুলো রাইট শেয়ার ইসু্যর মাধ্যমে মূলধন বাড়াতে পারে। আর যেসব ব্যাংকের উদ্বৃত্ত তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ নেই সেসব ব্যাংকের জন্য রাইট ইসু্যর বিকল্প থাকবে না। তবে মূলধন বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাওয়ার পরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে
সরকারী কোম্পানির তালিকাভুক্তি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সরকারী কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের খসড়া নীতিমালা চূড়ানত্ম এখন পর্যায়ে। মঙ্গলবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) সম্পদ পুনমর্ূল্যায়ন কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে নীতিমালার খসড়া চূড়ানত্ম করা হবে বলে সিদ্ধানত্ম হয়েছে। নীতিমালা চূড়ানত্ম হলে তা অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। বৈঠক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, কমিটির প্রধান এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুঁজিবাজারে আসার পর সরকারী কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা কিভাবে বন্টন করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট একেএম শামসুল আলম বলেন, সরকারী কর্মকর্তারা অবসরে যাওয়ার পর ভাতা পান। কিন্তু বেসরকারী কোম্পানিতে এ ভাতা দেয়া হয় না। সরকারী ও বেসরকারী কোম্পানিতে এ ধরনের কিছু সুযোগ সুবিধার তারতম্য রয়েছে।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য নির্ধারিত সরকারী কোম্পানিগুলোর সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করে কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা বন্টনের একটি নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লৰ্যে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গত ৯ মার্চ এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পৰ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এ কমিটিকে নীতিমালার খসড়া প্রসত্মাবনা অর্থমন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। |
|
|
| 03/29/2011 3:57 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | স্বল্প সময়ের মধ্যে 'বাংলাদেশ ফান্ড' অনুমোদন
ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য এসইসিতে আবেদন জমা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারের তারল্য সঙ্কট কাটাতে ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ডের' ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জমা দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির পৰ থেকে এ আবেদন জমা দেয়া হয়। স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই ফান্ডটি অনুমোদন করা হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের আবেদন জমার বিষয়টি নিশ্চিত করে এসইসি সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলী জনকণ্ঠকে বলেন, যত দ্রম্নত সম্ভব কমিশনের পৰ থেকে এই ফান্ডটির অনুমোদন দেয়া হবে। এ জন্য প্রয়োজনে কমিশনের বিশেষ বৈঠকের ব্যবস্থা করা হবে। ফান্ডটি পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৬ মার্চ 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ানত্ম করা হয়। এই ওপেন এ্যান্ড (মেয়াদহীন) মিউচু্যয়াল ফান্ড হিসেবে গঠিত এই তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার বিবেচনায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো যাবে। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানই ফান্ডের ট্রাস্টির দায়িত্ব পালন করবে। ফান্ড ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। এছাড়া আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বাংলাদেশ ফান্ডের কাস্টডিয়ানের দায়িত্ব পালন করবে।
বাংলাদেশ ফান্ডের মোট ৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে আইসিবি ৫০০ কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, সাধারণ বীমা করপোরেশন ১০০ কোটি টাকা এবং রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ বরাদ্দ করেছে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংক ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা দেবে বলে জানিয়েছে। দু'একদিনের মধ্যেই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এ অর্থ অনুমোদন করবে। তবে জীবন বীমা কর্পোরেশন ৫০ কোটি টাকা দেয়ার কথা জানালেও বিষয়টি নিশ্চিত নয়। অবশ্য জীবন বীমা কর্পোরেশন টাকা না দিলে সোনালী ব্যাংক আরও ৫০ কোটি টাকা প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়েছে।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, এসইসির কাছ থেকে ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন পাওয়ার পর ফান্ডে অংশগ্রহণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বেসিক ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন এই ফান্ডে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া বেসরকারী ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা হবে। দ্রম্নততম সময়ের মধ্যেই ফান্ডে প্রাথমিক আকার ৫ হাজার কোটি টাকা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। |
|
|
| 03/29/2011 3:58 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ ঘোষণা নিয়ে আবার আইনী জটিলতা
লেনদেন স্থগিত করতে পারে ডিএসই
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে আবারও আইনী জটিলতা দেখা দিয়েছে। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির আগেই লভ্যাংশের ধরন পরিবর্তন করায় আপত্তি তুলেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। উচ্চ আদালতের রায়ের পর ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে স্টক এঙ্চেঞ্জ মনে করছে। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত রাখা যায় কিনা_ সে বিষয়ে ডিএসইর পৰ থেকে এ বিষয়ে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ এসইসির পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনী দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে এসইসি। পাশাপাশি লেনদেন বন্ধের বিষয়টি স্টক এঙ্চেঞ্জের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ। একইসঙ্গে ৫ মার্চ সকাল ১১টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করা হয়। এজন্য ৬ জানুয়ারি রেকর্ডের তারিণ নির্ধারণ করা হয়।
কিন্তু ঘোষিত নগদ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজিজ আহমেদ নামে একজন শেয়ারহোল্ডার হাইকোর্টে রিট মামলা করেন। ওই রিট পিটিশনের প্রেৰিতে হাইকোর্ট গত ২ জানুয়ারি কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট ও এজিএমের তারিখ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রীমকোর্টে আপীল করে পদ্মা অয়েল লিমিটেড। আপীল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেয়া পূর্বের রায় স্থগিত করে। ফলে এজিএম অনুষ্ঠিত হতে আর কোন বাধা থাকে না। কিন্তু আপীল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ডের তারিখ চলে যায়। এ কারণে নতুন একটি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
পরে গত ২০ মার্চ পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় নতুন করে এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি পূর্বঘোষিত ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধানত্ম নেয়। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোম্পানির মূল স্থাপনায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, আপীল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলেও মামলা নিষ্পত্তি ঘটেনি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট চূড়ানত্ম আদেশ দেয়ার আগে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ লভ্যাংশ পরিবর্তনের ৰমতা রাখে না বলে ডিএসই মনে করে। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এতে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা ৰতিগ্রসত্ম হতে পারে। এ কারণেই ডিএসইর পৰ থেকে পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়েও নির্দেশনা চেয়েছে ডিএসই।
জানা গেছে, ডিএসই এই প্রসত্মাব নিয়ে মঙ্গলবার এসইসির বাজার পরিচালনা পর্ষদের সভায় আলোচনা হয়েছে। সভায় কোম্পানির লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনী দিকগুলো খতিয়ে দেখার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। এজন্য পদ্মা অয়েলের কাছে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের আদেশের কপিসহ সংশিস্নষ্ট সব রকম কাগজপত্র চাওয়া হবে। এছাড়া লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়ে কোন সিদ্ধানত্ম দেয়নি কমিশন। তবে ডিএসই সঙ্গত মনে করলে লেনদেন স্থগিত রাখতে পারে বলে কমিশনের পৰ থেকে জানানো হয়েছে। |
|
|
| 03/29/2011 3:59 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
তারল্য সঙ্কট কাটিয়ে উঠছে ব্যাঙ্কিং খাত
* কলমানির সুদের হার কমে ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে
* কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিং ও নির্দেশনা অব্যাহত
* ব্যাংকগুলোর হাতে অলস ২২ হাজার কোটি টাকা
খায়রুল হোসেন রাজু ॥ ব্যাংকিং খাতে তারল্য সঙ্কট কাটতে শুরু করছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে তারল্য ফিরে আসার কারণেই নগদ অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে যে ভয়াবহ তারল্য সঙ্কট ছিল তা স্বাভাবিক হচ্ছে। এতে কলমানির (অনত্মঃব্যাংক লেনদেনের ৰেত্রে ওভার নাইট ধার নেয়া অর্থ) সুদের হার কমে ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর্থিক খাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং ও নির্দেশনার কারণেই তারল্যের ৰেত্রে এ স্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে বলেও সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ থেকে ২৭ মার্চ পর্যনত্ম কলমানির সুদের হার সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ছিল ৬ শতাংশ। যদিও সর্বোচ্চ সুদের হারের স্থর ঠিক থাকলেও কলমানির সর্বনিম্নের সুদের হারে কিছুটা ওঠানামা করেছে। এ ৰেত্রে সর্বনিম্ন ১১ শতাংশ পর্যনত্মও দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু গত ২৮ মার্চ কলমানির সুদের হার সর্বোচ্চ ছিল ১০ এবং নিম্ন ছিল ৫ শতাংশ। তবে গতকাল মঙ্গলবার কলমানির সুদের হার কমে সর্বনিম্ন ৩ শতাংশে পেঁৗছায়। আর সর্বোচ্চ ছিল ৬ শতাংশ। যেটি ১৯০ শতাংশ থেকে কলমানির সুদের হার কমে গতকাল মাত্র ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
জানা গেছে, বাণিজ্যিক ব্যাংক অব সিলন ৩ শতাংশে ৫ কোটি টাকা ধার করেছে। আর সিটি ব্যাংক এনএ ৩ শতাংশ হার সুদে ৩৮৯ কোটি টাকা ল্যান্ডিং বা ধার দিয়েছে। আর এবি ব্যাংক সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ হার সুদে ১৭৬ কোটি টাকা মানি মার্কেট থেকে ধার করেছে। গতকালের কলমানির সুদের হারের চিত্র গত প্রায় ছ'মাসের মধ্যে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকেসুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, ব্যাংকিং খাতে কখনই তেমন তারল্য সঙ্কট ছিল না। যেটি হয়েছিল তা কিছু কিছু ব্যাংকের অব্যবস্থাপনার কারণেই হয়েছে। তবে সেটি কাটিয়ে ওঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে সামগ্রিকভাবে সহায়তা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিং ও সহযোগিতার ফলেই এখন প্রায় সব ব্যাংকেই যথেষ্ট তারল্য রয়েছে। যার কারণেই মঙ্গলবার কলমানির সুদের হার কমে মাত্র ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানেও ব্যাংকগুলোর হাতে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার ওপরে অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। তবে এসব তারল্য ইসলামী ব্যাংকগুলোর হাতে কিছুটা বেশি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তারল্য সঙ্কট যে নেই, তা কলমানির পরিস্থিতি দেখেই স্পষ্ট বোঝা যায়। কারণ ১৫৯ শতাংশ থেকে কমে কলমানির সুদের হার গতকাল পর্যনত্ম সর্বোচ্চ ৬ শতাংশে নেমে এসেছে। আর সর্বনিম্ন ছিল ৩ শতাংশ। এতে প্রমাণিত হয় ব্যাংকিং খাতে তারল্য সঙ্কট কেটে যাচ্ছে।
সূত্রে জানা গেছে, বাজারে তারল্য সঙ্কট বেড়ে যাওয়ার কারণে সম্প্রতি ১৯০ শতাংশ পর্যনত্ম কলমানির সুদের হার বেড়ে যায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বীকার করেছে ১৫৯ শতাংশ। এতে মানি মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কয়েক দফায় কলমানির সুদের হার কমিয়ে সর্বশেষ ১২ শতাংশে নামিয়ে আনে। অর্থাৎ কোন ব্যাংক ১২ শতাংশের বেশি কলমানি থেকে অর্থ লেনদেন করতে পারবে না। কিন্তু সম্প্রতি বেসরকারী খাতের তিনটি ব্যাংক এ নির্দেশনা অমান্য করে ১৬ শতাংশ হার সুদে কলমানি থেকে অর্থ ধার করেছে। যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক চিহ্নিত করে সংশিস্নষ্ট ব্যাংক তিনটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের শোকজ করা হয়। পাশাপাশি কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ১২ শতাংশের ওপরে কলমানি থেকে অর্থ ধার দেয়া বা গ্রহণ করতে পারবে না এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নির্দেশনা অমান্য করে তাহলে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় কলমানির সুদের হার কমতে শুরম্ন করছে। সর্বশেষ গতকাল কলমানির সুদের হার কমে সর্বনিম্ন ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে বেসরকারী ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখার জনকণ্ঠকে বলেন, বাজারে তারল্য সঙ্কট নেই বললেই চলে। এখন প্রায় সকল ব্যাংকের হাতে কম বেশি তারল্য রয়েছে। তবে মাঝে কোন কোন ব্যাংকের অতিরিক্ত এলসি খোলা বা বড় বড় এলসি খোলার কারণেও হয়ত কিছুটা তারল্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তবে এখন ব্যাংকিং খাতে পর্যাপ্ত তারল্য রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিং এবং ব্যাংকগুলোর ম্যানেজমেন্টের দৰতার কারণেই এটি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছু কিছু ব্যাংক তাদের প্রয়োজনে ১৩ থেকে সাড়ে ১৩ শতাংশ হার সুদে ডিপোজিট সংগ্রহ করছে। এতে বাধ্য হয়ে প্রায় সকল ব্যাংকের ডিপোজিট রেট কিছুটা বাড়ানো হয়। কিন্তু এটি বেশিদিন স্থায়ী থাকবে না। তিনি আরও বলেন, ইস্টার্ন ব্যাংকের ডিপোজিট গ্রহণের সুদের হার ১২ শতাংশ। তাই বলে এ ব্যাংক থেকে সকল ডিপোজিট চলে যাবে। সেটি নয়। শুধুমাত্র বেশি সুদের জন্যই গ্রাহকরা ডিপোজিট তুলে নিয়ে অন্য ব্যাংকে যাচ্ছেন না। এখানে ব্যাংকের ব্র্যান্ড, সুনাম এবং ম্যানেজমেন্টের দৰতাসহ একাধিক বিষয় দেখা হচ্ছে। |
|
|
| 03/29/2011 4:00 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএমএফের বৈঠক
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের সার্বিক বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করেছে আনত্মর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। বাংলাদেশের আর্থিক খাতের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে বৈঠকের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরীর সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আইএমএফ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সংস্থার সিনিয়র ইকোনমিস্ট রডেলফো মেইনো ও আর্থিক খাতের সিনিয়র কর্মকর্তা ইওন সং।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ আর্থিক খাতের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে_ সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া পুঁজিবাজার ক্ষতির মুখে পড়লে ওই সময় ব্যাংকগুলোর সামলে নেয়া যে কঠিন হয়ে পড়ে সে বিষয়ে বিভিন্ন উদাহরণ দেয়া হয়েছে। তবে বৈঠকে আইএমএফের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন পরামর্শ দেয়া হয়নি। আগামী রবিবার পুঁজিবাজার নিয়ে আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হতে পারে। এছাড়া বাংলাদেশকে ঋণ দেয়ার ১০টি শর্তের বাইরে আইএমএফ নতুন করে পুঁজিবাজার নিয়ে আরও একটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে। ওই শর্তের ধারাবাহিকতায় এ বৈঠক বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, আগামী কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশের আর্থিক খাতের বিভিন্ন বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে আইএমএফ। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ, ব্যাংকিং রেগুলেশন, সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এবং বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় নীতিমালাসহ বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই সব বিভাগে কোন পরামর্শ দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলে তা দেবে আইএমএফ।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলো তাদের মোট দায়ের ১০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। গত কয়েক মাস আগে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের হসত্মক্ষেপে তাদের বেশির ভাগেরই বিনিয়োগ নির্দিষ্ট সীমার নিচে নেমে এসেছে।
এ বিনিয়োগের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় পাঁচ শতাশের নিচে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে। |
|
|
| 03/29/2011 4:02 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Bangladesh Fund awaits SEC nod
Star Business Report
The state-run Investment Corporation of Bangladesh (ICB) yesterday sought approval from the Securities and Exchange Commission for the Bangladesh Fund, which was created to restore confidence to the troubled market.
“After getting approval from the commission, the fund will be invested in the market,” said Khairul Hossain, chairman of ICB and also the organiser and manager of the fund.
“It is an open-ended mutual fund. It may swell to a size larger than Tk 5,000 crore depending on the interest of the institutional investors,” Khairul said.
Eight state-owned financial institutions including ICB, five commercial banks and two insurers announced the fund on March 6 to buy shares in an effort to halt the bearish trends of the capital market.
The regulator will call a meeting soon to approve the fund, said an official of the SEC, asking not to be named.
To make the mutual fund investor-friendly, the government would offer tax exemption and other benefits. The face value of the fund is Tk 100.
Individual and institutional investors will be allowed to whiten their undisclosed money by investing in the fund after paying a 10 percent flat tax, said government officials. |
|
|
|