Page 1 / 2 1 - 2 Next »
NEWS 28.04.2011
04/27/2011 6:12 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
ফান্ড নিবন্ধন অনিশ্চয়তা দূর হওয়ায় পুঁজিবাজার উর্ধমুখী
অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ টানা পতনের ধারা থেকে বেরিয়ে এসেছে পুঁজিবাজার। প্রায় দু'সপ্তাহ নিম্নমুখী থাকার পর বুধবার দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন হওয়া ৯৭ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। এতে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ২৭৬.৯৮ পয়েন্ট এবং চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) নির্বাচিত সূচক ৪৬১.৫৮ পয়েন্ট বেড়েছে। ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড নিবন্ধনের চূড়ান্ত ঘোষণা এবং বিভিন্ন কোম্পানির ঘোষিত ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদনে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। এর পাশাপাশি তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিবাচক মতামত ও এসইসির শীর্ষপদে রদবদলের সম্ভাবনাও বাজারে চাঙ্গাভাব তৈরির ৰেত্রে ভূমিকা রেখেছে বলে বিশেস্নষকরা মনে করছেন। বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন, নানা অনিশ্চয়তার কারণে গত দু'সপ্তাহ ধরে মন্দা বিরাজ করলেও বেশকিছু ইতিবাচক খবরে বুধবার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসতে শুরম্ন করেছে। বিশেষ করে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড নিবন্ধন নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর হওয়ায় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ফান্ডটির নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
বুধবারের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখরউদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন নিশ্চিত হওয়ায় বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ৰেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। মূলত বৃহস্পতিবার ফান্ডটি নিবন্ধিত হবে_ দুপুরের দিকে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের এ বক্তব্য প্রচারিত হওয়ার পরপরই বাজার দরবৃদ্ধির ধারায় ফিরে আসে। এতে ফান্ড নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল তা কেটে গেছে।
পুঁজিবাজার বিশেস্নষক অধ্যাপক ওসমান ইমাম বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ নিয়ে নানা অনিশ্চয়তার কারণে পুঁজিবাজারে দরপতনের ধারা চলছিল। বাংলাদেশ ফান্ড নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু ফান্ড নিবন্ধনের চূড়ানত্ম ঘোষণা আসার ফলে তা দূর হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসায় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
ইউনাইটেড ফাইন্যান্সিয়াল ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফখরম্নদ্দিন জনকণ্ঠকে বলেন, নানা কারণে ব্যাংকিং খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সংশয় ছিল। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ব্যাংকগুলোর আয় ভাল হয়নি বলে অনেকে ধারণা করছিলেন। গত কিছুদিন ধরে বাজারে মন্দাভাব বিরাজ করার এটি ছিল অন্যতম কারণ। কিন্তু বুধবার দুপুরে যমুনা ব্যাংকের ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিনিয়োগকারীদের সেই আশঙ্কা দূর হয়েছে। ব্যাংকটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ মুনাফা অর্জন করেছে। এর প্রভাবে ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের লেনদেন চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। এর সঙ্গে অন্যান্য খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ায় বুধবার সামগ্রিকভাবে বাজার উর্ধমুখী ধারায় ফিরেছে।
এদিকে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসির) শীর্ষপদে আজকালের মধ্যেই পরিবর্তন আসছে_ বুধবার দিনের শেষভাগে পুঁজিবাজারে এ ধরনের আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে। তদনত্ম কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী এসইসি পুনর্গঠনের এ খবরও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন। তাঁরা মনে করেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে বাজার শীঘ্রই স্বাভাবিক হয়ে যাবে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে পুঁজিবাজার সম্পর্কে নেতিবাচক কোন মনত্মব্য না করতে সরকারের নীতি-নির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তাঁরা বলেন, স্বাভাবিক অবস্থায়ই পুঁজিবাজার একটি অত্যনত্ম সংবেদনশীল জায়গা। সরকারের উর্ধতন পর্যায় থেকে ইতিবাচক মনত্মব্যের ফলে যেমন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়, তেমনি নেতিবাচক বক্তব্যে বাজারের ওপর তাদের আস্থা নষ্ট হয়। এ মুহূর্তে অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখাও অত্যনত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ।
জানা গেছে, পুঁজিবাজারে টানা দরপতন অব্যাহত থাকায় গত রবিবার থেকেই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো উলেস্নখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার কেনা শুরম্ন করে। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কটের কারণে আগের দু'দিন বাজারে এর তেমন প্রভাব পড়েনি। তবে বুধবার বাংলাদেশ ফান্ড নিবন্ধনের চূড়ানত্ম ঘোষণার পাশাপাশি আইসিবির শেয়ার কেনার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজার উর্ধমুখী হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা লোকসানে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে শুরম্ন করেন। ফলে বাজারে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতার সংখ্যা ছিল একেবারেই নগণ্য। এতে দিনের শুরম্নতে অধিকাংশ শেয়ারের দর নিম্নমুখী থাকলেও শেষ দিকে এসে ব্যাপক হারে বেড়ে যায়।
সারাদিনে ডিএসইতে মোট ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের ৫ কোটি ৪৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯১৩টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ২৩৯টির, এর বিপরীতে কমেছে ৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দর। এতে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৭৬.৯৭ পয়েন্ট বেড়ে ৬০৮৩.২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। দিন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭৮৬ কোটি ১ হাজার ৩১৪ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
সারাদিনে মোট ৫০৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮৪৩ টাকা লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের তুলনায় ৬০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বেশি।
Quote   
04/27/2011 6:14 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন দফা ॥ এসইসি সংস্কার
০ পুঁজিবাজার তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক মতামত দিয়েছে
০ বিশেষজ্ঞদের দ্বিমত বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারিশের সঙ্গে, তাঁরা বলেন অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী ঢেলে সাজানো উচিত

খায়রুল হোসেন রাজু ॥ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) সংস্কারের জন্য স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী রোডম্যাপ প্রণয়ন করার সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটি ২০১১-এর তদন্ত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চুলচেরা বিশেস্নষণ করেই সরকারের কাছে এ সুপারিশ করে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ ধরনের সুপারিশের ওপর দ্বিমত পোষণ করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গবর্নর, অর্থনীতিবিদ এবং বিশেস্নষকরা। তারা বলছেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের মতানুসারে পুঁজিবাজারকে আগে ঢেলে সাজিয়ে পরে রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করা উচিত। তা না হলে পুঁজিবাজারের স্বচ্ছতা ফিরে আসবে না।
সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পুঁজিবাজারে ধস সৃষ্টির কারণ উদ্ঘাটন করতে অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংশিস্নষ্ট সকলের সঙ্গে কথা বলে, আলাপ-আলোচনা এবং তথ্য-উপাত্ত বিচার-বিশেস্নষণ করে একটি তদন্ত প্রতিবেদন অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রেরণ করে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে ওই তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর মতামত চেয়েছে সরকার। সরকারের নির্দেশেই বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই ও পরীৰা করে চার দফা সুপারিশসহ কিছু মতামত প্রদান করেছে।
সংশিস্নষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম মতামতটি হলো_কমিটির সুপারশি অনুযায়ী এসইসিকে সংস্কারের ৰেত্রে স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী রোডম্যাপ প্রণয়ন করা যায়। দ্বিতীয়টি হলো- পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর মোট এঙ্পোজার বা দায় তাদের মূলধনের সঙ্গে সম্পর্কিত করার সুপারিশ বাস্তবায়নের লৰ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ২৬(২) ধারা সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রহণ করবে। মতামতের এ সুপারিশ বিশেস্নষণ অনুযায়ী সংশিস্নষ্টরা মনত্মব্য করেছেন, এ ৰেত্রে ক্যাপিটালের মোট ২৫ শতাংশ ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। এতে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর সম্পৃক্ততা কমে আসবে। পাশাপাশি ঝুঁকিও হ্রাস পাবে। তৃতীয় মতামত হলো-ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোন অনিয়মের সঙ্গে সংশিস্নষ্ট থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক যথাযথ পদৰেপ গ্রহণ করবে এবং চতুর্থটি হলো-সার্বিক অর্থনীতির স্বার্থে মূলধন বাজারের স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক সব ধরনের সহায়তা প্রদানে প্রতিশ্রম্নতিবদ্ধ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারিশে এ ধরনের ভাষা লেখা রয়েছে। এসব সুপারিশ বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কতর্ৃপৰের কাছে পাঠানো হয়েছে।
পুঁজিবাজারের ওপরে গঠিত তদনত্ম কমিটির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামতের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ জনকণ্ঠকে বলেন, প্রথমে এসইসিকে ঢেলে সাজাতে হবে। পরে বিভিন্ন স্বল্প, দীর্ঘ এবং মধ্যমেয়াদী রোডম্যাপ বাসত্মবায়ন করা হতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের সুপারিশে রোডম্যাপ গ্রহণের আগে কমিশনকে ঢেলে সাজানোর সুপারিশ করতে পারত। কারণ কমিশনকে প্রথমে ঢেলে না সাজাতে পারলে সেটিকে নিয়ন্ত্রণ করা বা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে না। তিনি বলেন, এসইসিকে প্রথমে প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ করে ঢেলে সাজাতে হবে। পরে সেখানে যাঁরা নিয়োগ পাবেন তাঁরাই রোডম্যাপ বাসত্মবায়ন করবেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট দায়ের নয়, ব্যাংকগুলোর ক্যাপিটালের একটি অংশ শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ করবে বলে যে সুপারিশ করা হয়েছে তা ঠিক রয়েছে। কারণ শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর মোট দায়ের ১০ শতাংশ থেকে সরে আসলে অনেক ঝুঁকি কমে আসবে। এতে ব্যাংকগুলোও শক্তিশালী থাকবে। পাশাপাশি ডিপোজিট অর্থও নিরাপদ থাকবে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোন সম্পৃক্ততা পেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ উদ্যোগ অনেক গুরম্নত্বপূর্ণ। এতে ব্যাংকিং খাতে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে।
তবে পুঁজিবাজার তদনত্ম কমিটি ২০১১-এর তদনত্ম প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামতের ওপর অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ জনকণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ওভারঅল মানি ও ক্যাপিটাল মার্কেটের প্রধান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। কারণ এখন মানি মার্কেট ও ক্যাপিটাল মার্কেট একে অপরের সঙ্গে পরিপূরক। এখানে একটি ছাড়া অন্যটিকে কল্পনা করা যায় না। তবে এসইসিকে সংস্কারের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক যে সুপারিশ করেছে তার সঙ্গে ঢেলে সাজানোর কথা বলা উচিত ছিল। কারণ কমিশনকে ঢেলে না সাজালে রোডম্যাপ বাসত্মবায়ন করা সহজ হবে না। তবে স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী রোডম্যাপ প্রণয়নের যে কথা বলেছে তাও মোটামুটি ঠিক রয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে ব্যাংকগুলোর মোট দায় নয়, ক্যাপিটালের একটি অংশ শেয়ারবাজারে যে বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে তা ভালই হয়েছে। এটি যুগোপযোগী সিদ্ধানত্ম। এৰেত্রে আইন প্রণয়ন করতে হবে। তবে এৰেত্রে দেখতে হবে আনত্মর্জাতিকভাবে ব্যাংকগুলোর শেয়ার মার্কেটে মূলধন বা মোট দায়ের কি পরিমাণ বিনিয়োগ রয়েছে।
জানা গেছে, পুঁজিবাজার ধসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত এবং কি কারণে বাজারে ধস নেমেছে তা বের করতে গঠিত তদনত্ম কমিটির সুপারিশগুলোর মধ্যে ছিল এসইসির সার্বিক পুনর্গঠন। এতে বলা হয়েছে, বাজারে অনিয়ম রোধে ব্যর্থতা, অনৈতিক কমর্কা-ে অনুমোদন প্রদানসহ অনৈতিকতা ও পেশাগত ব্যর্থতার কারণে এসইসির ভাবমূর্তি অতিমাত্রায় ৰতিগ্রসত্ম হয়েছে উলেস্নখ করে তদনত্ম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি দায়িত্ব পালনে অৰম হয়ে পড়েছে। তাছাড়া এখনকার বড় পুঁজিবাজার পরিচালনার মতো জনবল, দৰতা ও নৈতিকতা কোনটিই এসইসির নেই। তাই এই সংস্থাটির সার্বিক পুনর্গঠন প্রয়োজন। সৎ, দৰ ও অতীতে সফল হয়েছেন_ এমন চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট, আইন বিশেষজ্ঞসহ পেশাজীবীদের নিয়ে সংস্থার পুনর্গঠন প্রয়োজন। বাজারভিত্তিক বেতন কাঠামো নির্ধারণ করে মেধাবী ও যোগ্যদের আকর্ষণ করে এসইসির জনবল বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। অর্গানাইজেশন স্টাডির ওপর ভিত্তি করে 'এসইসি রিস্ট্রাকচারিং' পরিকল্পনা তৈরি করে পরিকল্পিতভাবে এসইসি পুনর্গঠন করার সুপারিশ করেছে তদনত্ম কমিটি।
পুঁজিবাজারে ব্যাংকের অর্থায়ন ॥ তদন্ত প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ৰেত্রে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অনৈতিক মুনাফা অর্জনের প্রতিযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজার ও মুদ্রাবাজারকে পৃথক রাখা বিশ্বস্বীকৃত নীতি। ব্যাসেল নীতিগুলো এ বিষয়ে গুরম্নত্ব আরোপ করেছে। কারণ পুঁজিবাজারে নিজস্ব পুঁজি থাকবে। কিন্তু আমানত ব্যাংকের নিজস্ব অর্থ নয়, গ্রাহকের নিজস্ব টাকা। ব্যাংক ট্রাস্টির ভূমিকায় গ্রাহকের আমানত জমা রাখে। আমানতকারীর অনুমতি ছাড়া ব্যাংক এই অর্থ পুঁজিবাজারে খাটাতে পারে না। এ কারণে ভারত-পাকিসত্মান-শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের ব্যাংকিং আইনে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগযোগ্য তহবিলকে ব্যাংকের ইকু্যয়িটির অনুপাতে নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাংকিং আইনে আমানতের ১০ শতাংশ বিনিয়োগের অনুমতি রয়েছে_ যা প্রথাসিদ্ধ নয় এবং ব্যাংকের জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করে ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকে মূল পুঁজির অনুপাতে হিসাবের ব্যবস্থা করা উচিত।
পুঁজিবাজারে ব্যাংকের অর্থায়ন ॥ ভারত-পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কাসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর অনুসরণে এবং ব্যাসেল নীতিমালার বাস্তবায়ন ঘটিয়ে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬(২) ধারা অবিলম্বে সংশোধন করে ব্যাংকের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকে ব্যাংকের মূলধন (টিয়ার-১)-এর অংশ হিসেবে ধার্য করার সুপারিশ করেছে তদনত্ম কমিটি। এছাড়া যেসব ব্যাংক ২০০৯ ও ২০১০ সালে আইন ভেঙ্গে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে এবং উলস্নম্ফনে সাহায্য করেছে তাদের বিরম্নদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
যৌথ তদন্ত অব্যাহত রাখা ॥ তদন্ত প্রতিবেদনে যৌথ তদন্ত অব্যাহত রাখার লৰ্যে এসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের দু'জন নির্বাহী পরিচালকের নেতৃত্বে এসইসি, ডিএসই-সিএসই, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক সমন্বয়ে একটি সর্বৰণিক 'যৌথ ইন্সপেকশন দল' গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। তদনত্ম কমিটির এসব সুপারিশ বাংলাদেশ ব্যাংক চুলচেরা বিচার-বিশেস্নষণ করেই সরকারের কাছে চারদফা সুপারিশ করেছে। এছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু করণীয় বিষয় তুলে ধরেছে। তাতে বলা হয়েছে, ২০০৮ সাল থেকেই ব্যাংকগুলোকে শেয়ারবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ কমিয়ে আনার জন্য বিভিন্নভাবে নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক কতর্ৃপৰ অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, প্রায় দু' বছর আগ থেকেই শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ কমানোর জন্য সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। শেয়ারবাজারে যেসব ব্যাংক রয়েছে সেগুলোকে পৃথক সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করতেও নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংক কোম্পানির ২৬-এর ২ উপধারা (১) অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর মোট দায়ের ১০ শতাংশের অতিরিক্ত অর্থ শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ না করার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিভিন্ন সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসব যুগোপযোগীমূলক নির্দেশনার কারণেই ব্যাংকগুলো আজ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। কোন বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েনি। পুঁজিবাজারের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছেন, এসইসিকে আগে ঢেলে সাজাতে হবে। পরে এর অন্যান্য কার্যক্রম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হতে পারে।
Quote   
04/27/2011 6:14 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
বাংলাদেশ ফান্ড নিবন্ধিত হচ্ছে আজ
সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে আজকের মধ্যেই নিবন্ধন সনদ দেবে এসইসি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া আজ বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হবে। সকাল সাড়ে ৯টায় ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশে (আইসিবি) আয়োজিত অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীরা যৌথভাবে ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে ফান্ডের দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। এর পরপরই নিবন্ধনের কাগজপত্রসহ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) নির্ধারিত ১০ কোটি টাকা ফি জমা দেয়া হবে। এসব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে আজকের মধ্যেই এসইসির পৰ থেকে ফান্ডটির নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের প্রধান উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান বুধবার জনকণ্ঠকে বলেন, ফান্ড নিবন্ধনের সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এরপর নিবন্ধন ফিসহ সকল কাগজপত্র এসইসিতে জমা দেয়া হবে। এসইসির কাছ থেকে নিবন্ধনের চূড়ান্ত সনদ পাওয়ার পরই পুঁজিবাজারে ফান্ডে কার্যক্রম শুরু হবে।
জানা গেছে, গত ১৮ এপ্রিল এসইসি বাংলাদেশ ফান্ড নামে ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন মিউচু্যয়াল ফান্ড অনুমোদন করে। ইতোমধ্যে অনুমোদনের বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। এসইসির পৰ থেকে ফান্ডের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের অনুমোদনের বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর এসইসির সনদ পেলে আগামী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস থেকেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করবে বাংলাদেশ ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের দেড় হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত সাড়ে তিন হাজার টাকা সংগ্রহের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানানো হবে।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারের পতনের ধারা রোধ করতে গত ২৮ ফেব্রম্নয়ারি ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয় আইসিবি। কয়েক দফা আলোচনার পর ৬ মার্চ এ বিষয়ে চূড়ানত্ম সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বাংলাদেশ ফান্ডে যৌথ উদ্যোক্তা হিসেবে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বিডিবিএল, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং জীবনবীমা কর্পোরেশন রয়েছে।
Quote   
04/27/2011 6:15 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
মবিল যমুনা তালিকাভুক্তি নিয়ে এসইসিতে বৈঠক আজ
নতুন কোন প্রস্তাব দেয়নি কোম্পানি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সুনির্দিষ্ট কোন প্রস্তাব ছাড়াই মবিল যমুনা লুব্রিকেন্টের (এমজেএল) তালিকাভুক্তির বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ এবং কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কর্মকর্তারা। বৈঠকে কোম্পানির তালিকাভুক্তির ৰেত্রে শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের জন্য গ্রহণযোগ্য শর্ত নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা হবে। এ বিষয়ে কোম্পানির সঙ্গে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সমঝোতা না হলে এ বৈঠকেই মবিল যমুনার আইপিও বাতিল করে লটারিতে বিজয়ীদের টাকা ফেরতের চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্ম হতে পারে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্র জানা গেছে।
সর্বশেষ মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট (এমজেএল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) শেয়ার বরাদ্দপ্রাপ্তদের ৩০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দেয়ার প্রসত্মাব করে। বোনাস শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে প্রাথমিক শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য কমিয়ে আনার যুক্তি দেয়া হলেও কোম্পানির মৌল ভিত্তিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা না থাকায় প্রসত্মাবটি গ্রহণ করেনি ডিএসই।
কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির নির্ধারিত ৭৫ দিন পার হওয়ায় এসইসি তিন দফায় ৫ সপ্তাহ সময় বাড়িয়েছে। স্টক এঙ্চেঞ্জের তালিকাভুক্তির বিধান অনুযায়ী ৩১ মার্চের মধ্যে এমজেএলের তালিকাভুক্তি অনিশ্চয়তার কারণে এ সময় বাড়ানো হয়। সর্বশেষ বর্ধিত সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ৫ মে এমজেএলের তালিকাভুক্তির সময় শেষ হবে।
এর আগে বরাদ্দ মূল্যের তুলনায় বাজারমূল্য কমে গেলে লেনদেন শুরম্নর ৬ মাস পর্যনত্ম প্রাইমারি শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ দেয়ার শর্তে এমজেএলের তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয় এসইসি। তবে ২৪ মার্চ এসইসির বেঁধে দেয়া শর্ত আইনসিদ্ধ না হওয়ায় ডিএসই তালিকাভুক্তি সংক্রানত্ম কমিটি মবিল যমুনার তালিকাভুক্ত করতে রাজি হয়নি।
উলেস্নখ্য, মবিল যমুনা লুব্রিকান্ট লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। এজন্য শেয়ারপ্রতি ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৬০৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এ কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়ায় ৬২।
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌল ভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিসংক্রানত্ম বিধি সংশোধন করে স্থায়ীভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দু'টি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতার শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্ত আরোপের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়।
Quote   
04/27/2011 6:18 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
মূল্যসূচকের হঠাৎ উল্লম্ফননিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৮-০৪-২০১১

অব্যাহত দরপতনের ধারার বিপরীতে গতকাল বুধবার মূল্যসূচকের বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখলেন দেশের শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা। এদিন লেনদেনের শুরুটা আগের দিনগুলোর ধারাবাহিকতায় হলেও হঠাৎ করেই পাল্টে যেতে থাকে বাজারের চিত্র। বাড়তে থাকে মূল্যসূচক, সেই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণ।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই বাজারে একধরনের অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছিল। কোনো ধরনের দিকনির্দেশনা না পেয়ে বিনিয়োগকারীদের একটা বড় অংশই বাজারে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় ছিল।
গতকাল কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবরে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সরকারের অবস্থান সম্পর্কে ইঙ্গিত দেওয়া হয়। এসব খবরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদনের অনেক কিছু অনুমাননির্ভর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তা ছাড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) একজন নির্বাহী পরিচালক ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবির সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক ছাড়া কারও বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হয়নি বলেও খবরে বলা হয়।
এ বিষয়টি অভিযুক্ত বড় বিনিয়োগকারীসহ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একধরনের স্বস্তি তৈরি করেছে। মূল্যসূচক বাড়ার জন্য এটা বড় কারণ বলে তাঁরা মনে করছেন।
এ ছাড়া গতকালের বাজারে এসইসির চেয়ারম্যানসহ একজন সদস্যের পরিবর্তে নতুন লোক নিয়োগ দেওয়ার খবরটিও আলোচিত হয়েছে। বাজার-সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ খবরটিও বিনিয়োগকারীরা ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। তাঁরা মনে করেন, বর্তমান কমিশন বাজারের উন্নয়নে কাজ করার নৈতিক শক্তি হারিয়েছে। তাই এ কমিশনের চেয়ারম্যান বা সদস্য কাউকে বহাল রেখে বাজারের উন্নয়ন সম্ভব নয়। মূলত এ ভাবনা থেকেই নতুন লোক নিয়োগের খবরে তাঁরা বাজারের প্রতি কিছুটা হলেও আস্থা ফিরে পেতে শুরু করেছেন।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল লেনদেন শুরুর প্রথম ২০ মিনিটের মাথায়ই মূল্যসূচক ৫৫ পয়েন্ট নেমে যায়। এরপর বেশ কয়েকবার সূচক ওঠানামা করলেও বেলা একটার পর থেকে একটানা বাড়তে থাকে, যা শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
বিকেল তিনটায় লেনদেন শেষ হওয়ার পর দেখা যায়, ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ বা ২৭৭ পয়েন্ট বেড়ে ছয় হাজার ৮৩ ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৪ দশমিক ১০ শতাংশ বা ৬৬৯ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ১৬ হাজার ৯৭৪। সিএসইতে গতকাল লেনদেন হয়েছে ১৯১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। এর মধ্যে বেড়েছে ১৮৩টির, কমেছে সাতটির এবং অপরিবর্তিত ছিল একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে ৭৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা বেশি।
ডিএসইতে গতকাল হাতবদল হয়েছে ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার, যার মধ্যে বেড়েছে ২৩৯টির, কমেছে মাত্র চারটির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হয়েছে ৫০৭ কোটি টাকা, যা গতকালের চেয়ে ৬১ কোটি টাকার মতো বেশি।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ফু-ওয়াং সিরামিকস, আফতাব অটো, মালেক স্পিনিং, বিএসআরএম স্টিল, তিতাস গ্যাস, লংকাবাংলা ফিন্যান্স ও এনবিএল।
দাম বাড়ার তালিকায় শীর্ষে ছিল ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স, ফু-ওয়াং ফুডস, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, কাশেম ড্রাইসেল, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, দেশবন্ধু পলিমার, এশিয়া ইনস্যুরেন্স, বিডি ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডস, প্রাইম ইনস্যুরেন্স ও বিচ হ্যাচারিজ।
আর দাম কমার তালিকায় থাকা চার কোম্পানি হলো—ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স, মেঘনা পেট, নিটল ইনস্যুরেন্স ও সায়হাম টেক্সটাইল।
Quote   
04/27/2011 6:19 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
প্রাতিষ্ঠানিক আয়করের হার কমিয়ে পুনর্নির্ধারণের দাবিনিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৮-০৪-২০১১

দেশের ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরা আসন্ন ২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেটে প্রাতিষ্ঠানিক আয়করের (যা করপোরেট কর নামে পরিচিত) হার কমিয়ে আনাসহ বড় ধরনের পুনর্বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই), ঢাকা চেম্বারসহ বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠন সরকারের কাছে এই দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেছে। তারা তাদের কাম্য হারও সুপারিশ করেছে।
বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাড়ে ৩৭ শতাংশ হারে প্রাতিষ্ঠানিক আয়কর দিতে হয়।
এফবিসিসিআইয়ের তালিকাভুক্ত নয় এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে বিদ্যমান আয়করের হার কমিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করে করের হার প্রস্তাব করা হয়েছে। এফবিসিসিআইয়ের সুপারিশ হলো, উৎপাদনকারী বা ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক আয়কর সাড়ে ২৭ শতাংশ আর এর বাইরের তথা কাববারি বা ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে আয়করের হার ৩০ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে।
আবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে বর্তমানে সাড়ে ২৭ শতাংশ হারে প্রাতিষ্ঠানিক আয়কর দিতে হয়। এফবিসিসিআই এই হার কমিয়ে ২৫ শতাংশে নির্ধারণের সুপারিশ করেছে।
আর ঢাকা চেম্বার তাদের প্রস্তাবে বলেছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মুনাফার ওপর করের হার কমিয়ে ২০ শতাংশ করতে হবে।
আবার ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক আয়করের হার আলাদা। বর্তমানে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাড়ে ৪২ শতাংশ হারে প্রাতিষ্ঠানিক আয়কর গুনতে হয়। ঢাকা চেম্বার এই হার ৪০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করেছে।
এ ছাড়া মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৪৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হয়। ঢাকা চেম্বার এই হার কমিয়ে সাড়ে ৪২ শতাংশ নির্ধারণের পক্ষে।
ঢাকা চেম্বার আরও মনে করে, যেসব প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে, সেসব প্রতিষ্ঠানের আয়করের হার ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৩২ শতাংশ করা যেতে পারে। তবে শর্ত হিসেবে শেয়ার ছাড়ার ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বদলে ২০ শতাংশ পুনর্নির্ধারণেরও প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি।
প্রাতিষ্ঠানিক আয়কর কমানোর যুক্তি হিসেবে ঢাকা চেম্বার বলছে, এশিয়ার বিভিন্ন দেশে (যেমন: চীন, মালয়েশিয়া) করপোরেট করের হার ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা এবং দেশের বিনিয়োগ ও উৎপাদন খাতকে উৎসাহিত করতে এখানেও করপোরেট করের হার যৌক্তিকীকরণ প্রয়োজন।
এফবিসিসিআই বলছে, দেশে বিদ্যমান করপোরেট করের হার অনেক বেশি, যা অনেক ক্ষেত্রে সঠিক আয় প্রদর্শনে করদাতাদের নিরুৎসাহিত করে। এই হার সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে এলে করদাতা কোম্পানি অধিক কর প্রদানে এগিয়ে আসবে।
আবার ম্যানুফ্যাকচারিং ও ট্রেডিং উভয় কোম্পানির ক্ষেত্রে একই হারে কর আরোপ যুক্তিযুক্ত নয়। ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেশি বিধায় তাদের প্রণোদনা প্রদানের জন্য ট্রেডিং কোম্পানির চেয়ে নিম্নহারে কর আরোপণ যুক্তিযুক্ত।
এফবিসিসিআই তফসিলভুক্ত সিএসআর (সামাজিক দায়বদ্ধতা) কার্যক্রম, পণ্যমান পরীক্ষণব্যবস্থা, ফ্যাসিলিটি টুল সেন্টার স্থাপন, প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রভৃতি খাতের ব্যয় আয়করমুক্ত রাখার সুপারিশ করেছে।
পাশাপাশি এনজিওগুলো কর্তৃক বাণিজ্যিক ব্যবসার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকৃত পুঁজি এবং এর দ্বারা পরিচালিত ব্যবসা-বাণিজ্য উভয়ই মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে সমহারে আয়করের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
এফবিসিসিআই আরও মনে করে, পদ-পদবিনির্বিশেষে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের সবাইকে করের আওতায় আনা প্রয়োজন।
এ প্রসঙ্গে তাদের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-আয় যদিও করযোগ্য, বাস্তবে তা করমুক্ত। কারণ তাঁরা বেতন আয়ের ওপর যে পরিমাণ কর প্রদান করেন, তা পরবর্তী সময়ে সরকারি কোষাগার থেকে বিলের মাধ্যমে উঠিয়ে নেন। অথচ বেসরকারি খাতের ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা কর্তৃক পরিশোধিত কর আয়ের সঙ্গে যোগ করে করের হার নির্ধারণ ও তদনুযায়ী পরিশোধ করতে হয়।
করমুক্তির এই বৈষম্যমূলক সুযোগ সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে এফবিসিসিআই।
Quote   
04/27/2011 6:22 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Stocks break losing streak
Star Business Report Buying pressure from investors pulled the stocks yesterday, ending a two-day losing trend as the Bangladesh Fund is set to be registered with the Securities and Exchange Commission today.

The benchmark general index of Dhaka Stock Exchange (DGEN) gained 276 points, or 4.77 percent, to close at 6,083 points. DGEN lost 270 points in two days before yesterday's trading session.

The selective categories index of Chittagong Stock Exchange advanced 442 points, or 4.21 percent, to close at 10,942 points.

Meanwhile, the Dhaka Stock Exchange has halted the share trading of Zeal Bangla Sugar Mills Ltd yesterday for a unusual price hike without any price sensitive news.

“The news of registration of Bangladesh Fund boosted investor's confidence to go for big buying of shares,” said Salahuddin Ahmed Khan, a teacher of finance at Dhaka University.

Khan, also a former chief executive officer of DSE, said: “Most of the investors went for bulk buying due to availability of low-priced shares.”

Although he said some investors adopted wait-and-see policy due to the ongoing capital market probe report debate.

“Some investors are still closely watching the market as today's rise is very much unexpected,” said Green Delta Financial Service in its daily market analysis.

Some institutional investors went for heavy buying of shares to stop the losing spell of the market, said a market insider.

The banking sector gained 5.42 percent, reaching 27.6 percent of the total market capitalisation, while all 30 issues closed positive.
Quote   
04/27/2011 6:24 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
FE REPORT
SEC chief, members to go
MoF finalises 13-point action plan for stock market

Nazmul Ahsan

The ministry of finance (MoF) has decided to remove the Chairman and all other members of Securities and Exchange Commission (SEC) immediately for their alleged involvement in the recent share market scam, a top official in the MoF said.

As an immediate measure, the MoF has finalised a 13-point action plan including showing the top officials of the securities regulator the exit path, changing the face value of all shares to a uniform level -- Tk 10 each, and imposing restrictions on short-term trading in shares in the stock exchanges by all government officials, bankers and others employed by merchant bankers and broker-dealers.

The probe committee, headed by Bangladesh Krishi Bank Chairman Khondker Ibrahim Khaled, in its report recommended to 'sack' SEC Chairman Md Ziaul Haque Khondker and two executive directors -- Anwarul Kabir Bhuiyan and Tariquzzaman -- and to reorganise effectively the regulatory body, besides underscoring the need for initiating investigations against the erring functionaries of the SEC.

In its action plan, the MoF has also endorsed the recommendation of the probe committee for investigation into the alleged "irregularities", committed by some SEC key personnel.

Earlier, the government, before getting the probe committee report, had removed SEC Member Mansur Alam and made its executive director Anwarul Kabir Bhuiyan an Officer on Special Duty (OSD).

All the SEC members, along with SEC Chairman, will be removed immediately after the approval of the MoF's decision at the highest level of the government, the sources confirmed it to this correspondent.

The MoF has already suspended Anwarul Kabur Bhuiyan from services with the SEC and also general manager of House Building Finance Corporation Kafil Uddin Ahmed Chowdhury who was earlier the deputy general manager of the Investment Corporation of Bangladesh (ICB) for their alleged dubious role in the stock market scam. Departmental cases have also been started against them.

Besides, another executive director of the SEC, Tariquzzaman has been made an OSD, following the initiation of a departmental case against him, the sources said.

The MoF has also decided to probe into the whole length of possible involvement of any other employee and official of the SEC and Investment Corporation of Bangladesh (ICB) in the recent share market scam, the sources added.

However, no action has yet been taken against the Chief Executive Officer of AB Investment ltd, RY Shams, whose name came out in the report of the probe committee for allegedly managing private placement of shares in his favour, defying the securities exchange rules, the sources told this correspondent.

In line with the recommendation of probe committee, the ministry will ask the SEC for undertaking a move for synchronising the face value of each share at Tk 10 immediately.

Presently, the shares of over 70 listed companies of Dhaka and Chittagong Stock Exchanges have their face value fixed at Tk 100.

The probe report suggested the conversion of the face values of shares of all the listed companies to a uniform rate of Tk 10 by this year.

According to the MoF's decision, the appointment process of the SEC's top officials, including its chairman, will be completed immediately; demutualisation of stock exchanges will be implemented within the next three months, a Study Team will be formed shortly to identify loopholes of the DSE and the SEC and a Joint Inspection team, comprising representatives from the SEC, the DSE, Bangladesh Bank and Detective Branch of Police, will be formed to identify irregularities in the share market.

Besides, an implementation monitoring committee, headed by the Secretary, Banking & Financial Institution Division of the MoF, will be set up to oversee the implementation status of the action plan for streamlining the whole range of activities in the country's capital market.

The officials, employed in government, semi-government and autonomous offices, will be permitted to invest in the share market but will be barred from trading (short-term) and getting private placements, the MoF decided in its action plan.

Earlier, the BB, in its written response to the MoF on the report on the share market scam, endorsed largely the views and findings of the four-member probe committee, while supporting the need for taking appropriate follow-up actions by the authorities concerned on the basis of the report.

Officials employed in the Bangladesh Bank (BB), scheduled banks, merchant banks, broker-dealer companies and asset management companies would not also be allowed to involve themselves in any kind of share trading, according to the action plan of the MoF.

The ministry has also decided to make it mandatory for appointing a chartered accountant firm for the asset-revaluation purpose of any listed company.

Besides, as suggested by probe report, the ministry decided it that the submission of Taxpayer's Identification Number (TIN) would be mandatory for anyone while opening a Beneficiary Owner's (BO) account.

As far as actions against alleged manipulators, as mentioned by the probe committee in its report, are concerned, the MoF has decided, as an immediate step, to take legal action against three individuals for serial trading of Eastern Housing Ltd., the sources said.

"Punitive and other measures against individuals and companies against whom allegations were noted in the report of the probe committee, will follow under both short- and medium-term action plans," a top MoF official told the FE.

Quote   
04/27/2011 6:24 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Stocks rebound sharply



FE Report

Dhaka stocks rebounded strongly on Wednesday with all the indices gained more than four per cent after three consecutive sessions of losses as investors reacted positively over a number of news relating to Bangladesh Fund and bank corporate earnings.

Market operators said investors' brisk buying in banking, NBFIs and telecommunications sector shares pulled the market up after persisting fall in the recent days.

However, the market opened with a negative note amid see-saw during the first two hours. But it started gain from mid session and steadily went up and finally closed 276 points higher.

The benchmark DSE General Index (DGEN) gained 276.97 points or 4.77 per cent to 6083.28 after the bourses main index shed more than 385 points in the last three sessions.

The broader DSE All Shares Price Index (DSI) was up by 224.68 points or 4.65 per cent to close at 5055.10. The DSE 20 blue chip index also added 160.74 points or 4.33 per cent to 3871.30.

The market closed higher after several sessions of downtrend, which is very natural, said Md. Moniruzzaman, head of merchant banking division of IDLC Finance Limited.

He said the investors are also optimistic by the more than expected first quarterly earning report of Jamuna Bank Limited and news of the much a waited 'Bangladesh Fund' registration.

The much waited Tk 50 billion "Bangladesh Fund' is expected to get registration today (Thursday).

The investors now think that the other banks' financial report might also be good, he said.

The investors perceived that the banking sectors earnings report might come negative following a crash in the capital market, but the first quarter financial report of Jamuna Bank gives some optimism to the investors, said Mr. Moniruzzaman.

As per un-audited quarterly accounts for the first quarter ended on 31 March 2011, the Jamuna Bank has reported net profit after tax of Tk. 330.57 million with basic EPS of Tk. 1.12 as against Tk. 140.68 million and Tk. 0.63 respectively for the same period of the previous year.

Share price almost all issues advanced on the day as out of 246 issues traded, 239 advanced; only four declined and three remained unchanged.

The daily turnover increased to 5.07 billion in value terms, up by 14 per cent, from Tk 4.47 billion in the previous session.

Among the major sectors banking sector gained 5.42 per cent, NBFIs sector 5.29 per cent, pharmaceuticals 3.61 per cent, fuel and power 3.51 per cent.

Quote   
04/27/2011 6:25 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
DSE to contain price hike of 'Z' shares



FE Report

The country's prime bourse-Dhaka Stock Exchange (DSE)-has taken a number of initiatives, including trade suspension, to contain the unusual price hike of 'Z' category shares, officials said.

The step has been taken following the recent abnormal price hike of 'Z' category shares. "It's a clear and strict message against those companies and individuals who are behind the unusual price hike of 'Z' category shares," a DSE official told the FE Wednesday, on condition of anonymity.

The DSE official said the players, who play with 'Z' category shares, will have to forget the previous situation in manipulating the prices of such companies.

"There is a big difference between the present and previous monitoring system of the DSE," the official said.

According to the official, the DSE authority has fixed its sharp eyesight on the movement of 'Z' category shares for each and every moment.

Quote   
04/27/2011 6:25 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
DSE news in brief

BGIC recommends 12pc stock dividend

The board of directors of BGIC has recommended 12 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The annual general meeting of the company will be held at Dhaka Ladies Club, Eskaton Garden Road, Dhaka at 11:00am on June 28. The record date is May 8. The company has stated EPS of Tk 2.46, NAV per share of Tk 21.60 and NOCFPS of Tk 1.08 for the year that ended on December 31, 2010.

Cos' board meet

Kay and Que: A meeting of the board of directors of Kay and Que will be held today (Thursday) at 6:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.

Information Services: A meeting of the board of directors of Information Services Network will be held on April 30, 2011 at 11:30am to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.

Monno Jute Stafflers: A meeting of the board of directors of Monno Jute Stafflers will be held today (Thursday) between 3:30pm and 4:00pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.

Spot trading

City Gen Ins: Trading of the shares of City General Insurance Company Ltd will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Thursday) to May 3. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on May 4.

UCBL: Trading of the shares of United Commercial Bank Ltd will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Thursday) to May 3. Trading of the shares of the bank will remain suspended on record date on May 4.

Bata Shoe: Trading of the shares of Bata Shoe will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Thursday) to May 3. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on May 4.

ACI: Trading of the shares of ACI Limited will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Thursday) to May 3. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on May 4.

ACI Formulations: Trading of the shares of ACI Formulations Limited will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Thursday) to May 3. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on May 4.

Paramount Ins: Trading of the shares of Paramount Insurance Company Ltd will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Thursday) to May 3. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on May 4.

— DSE Online



Quote   
04/27/2011 6:30 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
৩ দিন পর চাঙা পুঁজিবাজার, ডিএসই’র সূচক বেড়েছে ২৭৬ পয়েন্ট
----------------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
  
ঢাকা: টানা তিন কার্যদিবস পর বুধবার পুঁজিবাজার চাঙা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এদিন লেনদেন শুরু হয়েছিল সূচকের পতন দিয়ে। তবে দুপুর পৌনে ২টা থেকে  সূচক টানা বেড়ে চাঙ্গাভাবের মধ্য দিয়েই লেনদেন শেষ হয়।  

বুধবার ডিএসইতে সাধারণ সূচক বেড়েছে ২৭৬ পয়েন্ট। একইসঙ্গে বেড়েছে ২৩৯টি কোম্পানির দাম। অন্যদিকে সিএসই‘তে সাধারণ সূচক ৪৪২ পয়েন্ট ও ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে। উভয় বাজারে লেনদেনও আগের কার্যদিবসের চেয়ে বেড়েছে।  

ডিএসই ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বুধবার ডিএসইতে শুরু থেকেই সূচক ও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম কমতে থাকে। প্রথম আধঘণ্টার মধ্যে টানা ২০ মিনিট সূচক কমে। বেলা ১১টা ৩৩ মিনিটে ডিএসইর মূল্যসূচক ১৭ পয়েন্ট কমে ৫৭৮৮ পয়েন্টে নেমে যায়। এরপর বেশ কয়েক বার ওঠানামা করলেও বেলা পৌনে ২টা থেকে সূচক টানা বাড়তে থাকে।

দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ সূচক ২৭৬ পয়েন্ট বা ৪.৭৭ শতাংশ বেড়ে ৬ হাজার ৮৩ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সার্বিক সূচক ২২৪ পয়েন্ট বা ৪.৬৫ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৫৫ পয়েন্টে উঠে আসে।

লেনদেন হয় মোট ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে দাম বাড়ে ২৩৯টির, কমেছে ৪টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি প্রতিষ্ঠানের দাম।

বুধবার ডিএসইতে ৫ কোটি ৪৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯১৩টি শেয়ার ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯১ বারে হাতবদল হয়। যার বাজার মূল্য  ৫০৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা।

লেনদেনের ভিত্তিতে দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল বিবিধ খাতের বেক্সিমকো লিমিটেড। এদিন এ শেয়ারের দর ৫.৩ টাকা বেড়ে সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৯৩ টাকায়। অন্য নয় কোম্পানি হলো- বেক্সটেক্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ফু-ওয়াং সিরামিকস, আফতাব অটো., মালেক স্পিনিং, বিএসআরএম স্টিল, তিতাস গ্যাস, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স ও ন্যাশনাল ব্যাংক।

দাম বাড়ার শীর্ষ দশ কোম্পানি ছিল- ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, ফু-ওয়াং ফুড, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, কাশেম ড্রাইসেল, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, দেশবন্ধু, এশিয়া ইন্সুরেন্স, বিডি ওয়েল্ডিং, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স ও বিচ হ্যাচারি।

দাম কমার শীর্ষ পাঁচ প্রতিষ্ঠান ছিল- সায়হাম টেক্সটাইল, লিবরা ইনফিউশন, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্ট ও এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।  

অন্যদিকে সিএসই ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বুধবার সিএসইতে সাধারণ সূচক ৪৪২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ১০ হাজার ৯৪২ পয়েন্টে। লেনদেন হওয়া ১৯১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৩টির, কমেছে ৭টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানের দাম।

সিএসইতে মোট লেনদেন হয় ৭৯ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ৭৮২ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৬ কোটি ৭৯ লাখ ২ হাজার ৮৩১ টাকা।

বাংলাদেশ সময়: ১৭১৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৭, ২০১১
Quote   
04/27/2011 6:31 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
পুঁজিবাজার: মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি’র সিদ্ধান্ত হতে পারে বৃহস্পতিবার
-------------------------------------------------------------
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির হওয়ার বিষয়ে মবিল যমুনা ল্যুব্রিকেন্টের (এমজেএল) নীতিগত সিদ্ধান্ত হতে পারে বৃহস্পতিবার।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় এসইসি’র চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারের সভাপতিত্বে এসইসি’র সভা কক্ষে এ বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর এসইসির কমিশন সভায় তা চুড়ান্ত ভাবে অনুমোদন দেওয়া হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা য়ায়।

জানা য়ায়, কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তিতে যা যা করনীয় তা দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও এসইসির সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবারের  সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ।

সম্প্রতি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য এমজেএলকে এসইসি আরও দুই সপ্তাহ সময় বাড়িয়ে দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১১ এপ্রিল ডিএসই এমজেএলের তালিকাভুক্তির বিষয়টি চুড়ান্ত ভাবে নাকচ করে দেয়। সে সময় কোম্পানিটিকে দ্বিতীয় বারের মতো তালিকাভুক্তিতে নাকচ করা হয়। কিন্তু ডিএসই’র নাকচ করার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ এপ্রিল কোম্পানিটি সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আবারও এসইসিতে আাবেদন জানায়।

সে পরিপ্রেক্ষিতে এসইসি আবারও তালিকাভুক্তির মেয়াদ ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ায়। এর পর ঠিক মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের দিনেই আবারও কোম্পানিটি এসইসির কাছে আরেক দফা সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন জানায়।

এসইসি বিশেষ বিবেচনায় আবারও মবিল যমুনাকে তালিকাভুক্তির জন্য আরো দুই সপ্তাহ সময় বাড়ায়। এ সময় শেষ হচ্ছে আগামী ৮মে ।

বাংলাদেশ সময়: ২০৫০ ঘণ্টা, এপ্রিল, ২৭-২০১১
Quote   
04/27/2011 6:32 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
শেয়ারবাজার আবারো ঊর্ধ্বমুখী


ঢাকা, ২৭ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): টানা পতনের পর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দিয়েই পুঁজিবাজারে আজ বুধবারের লেনদেন শেষ হয়েছে। দিনের শেষভাগে ডিএসই'র তালিকাভুক্ত প্রায় সবক'টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ২৭৬ দশমিক ৯১ পয়েন্ট বেড়ে ৬০৮৩ দশমিক ২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসআই সার্বিক সূচক বেড়েছে ২২৪ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট।
এর আগে লেনদেন শুরু হওয়ার আধ ঘণ্টার মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক ৫৬ পয়েন্ট কমে যায়। তখন হ্রাস পায় ডিএসই তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর। বেলা ১টা পর্যন্ত সূচকের এ নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকে। তবে বেলা ১টা ৫ মিনিট থেকে ডিএসই'র চিত্র উল্টে যায়। বাড়তে থাকে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর। ফলে শেষ দুই ঘণ্টায় ডিএসই সাধারণ সূচক বাড়ে ২৭৬ দশমিক ৯১ পয়েন্ট।
আজ বুধবারের লেনদেন শেষে ডিএসই'র সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও সে অনুপাতে বাড়েনি লেনদেন। আজ ডিএসই'র তালিকাভুক্ত ২৪৬টি কোম্পানির ৫ কোটি ৪৩ লাখের কিছু বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজারমূল্য ৫০৭ কোটি টাকা।
এদিকে পুঁজিবাজারে লেনদেন হওয়া ২৪৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ২৩৯টির, কমেছে ৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারদর। এর আগে গত তিন কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচক হ্রাস পায় ৩৮৬ পয়েন্ট।
আজ লেনদেনের শীর্ষ দশে রয়েছে- বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, ইউনাইটেড এয়ার, ফু-ওয়াং সিরামিকস্, আফতাব অটো, মালেক স্পিনিং, বিএসআরএম স্টিল, তিতাস গ্যাস, লংকা বাংলা ফিন্যান্স ও ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড।

Quote   
04/27/2011 6:32 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
শেয়ারবাজার নিয়ে বিশেষ বৈঠক করবে সংসদীয় কমিটি

ঢাকা, ২৭ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): শেয়ারবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বিশেষ বৈঠক করবে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। আগামী মে মাসে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে শেয়ারবাজারের অস্থিরতা বিষয়ে সরকারি তদন্ত কমিটির দেয়া বহুল আলোচিত প্রতিবেদনসহ সার্বিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা হবে।
আজ বুধবার কমিটির ৩৫তম বৈঠক শেষে সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) এ তথ্য জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, অর্থমন্ত্রীর সাথে আলাপ করে ওই বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে ওই বৈঠকে।
এদিকে আজকের বৈঠক প্রসঙ্গে লোটাস কামাল জানান, আসন্ন ২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাথে আলোচনা করেছে কমিটি। তিনি বলেন, এবারো বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমরা (সংসদীয় কমিটি) পরামর্শ দিয়ে সরকারকে সহায়তা করব।
এর আগে মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে কমিটির সদস্য অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ, একেএম মাঈদুল ইসলাম, মো. তাজুল ইসলাম, গোলাম দস্তগীর গাজী ও ফরিদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

Quote   
Page 1 / 2 1 - 2 Next »
Login with Facebook to post
Preview