| 04/27/2011 6:34 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | খালেদকে পদ ছাড়ার লিগ্যাল নোটিস
ঢাকা, এপ্রিল ২৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুঁজিবাজার তদন্ত প্রতিবেদন 'প্রকাশ ও আপত্তিজনক মন্তব্যের' অভিযোগে কমিটিপ্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে লিগ্যাল নোটিস দিয়েছেন এক আইনজীবী।
বুধবার দেওয়া ওই নোটিসে বলা হয়, নোটিশের অনুলিপি পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে পদত্যাগ না করলে হাইকোর্টে রিট করা হবে।
অ্যাডভোকেট আবুল হাসেমের পক্ষে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সৈয়দা আফসার জাহান এই নোটিস পাঠান।
লিগ্যাল নোটিসের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিবেদনটি 'সরকারের সম্পদ' হওয়া সত্ত্বেও তা 'উদ্দেশ্যমূলকভাবে' প্রকাশ করে ইব্রাহিম খালেদ 'বিশ্বাসভঙ্গ' করেছেন।
নোটিসে যা বলা হয়েছে
ওই প্রতিবেদন অত্যন্ত গোপনীয় হলেও আপনি [ইব্রাহিম খালেদ] তা গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন- এ কথা উল্লেখ করে নোটিসে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে বিভিন্ন ব্যক্তি ও কোম্পানি নিয়ে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বেশ কিছু আপত্তিজনক মন্তব্য করেছেন।
'ওই সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অর্থ পাচার ও শেয়ার বাজার বিপর্যয়ে দায়ী বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। ওই প্রতিবেদন সরকারের সম্পদ হওয়া সত্ত্বেও আপনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তা প্রকাশ করে বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন।'
নোটিসে বলা হয়েছে, আপনার ও আপনার কমিটির সদস্যদের স্পষ্ট স্বাক্ষর সম্বলিত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত শেয়ার বাজার প্রতিবেদনের একটি কপি আমার মক্কেলের নিকট রয়েছে।
'প্রতিবেদন প্রকাশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অর্ডিনেন্স-১৯৬৯ এর ধারা-১৯ ও তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ এর ধারা-৭ এরও লংঘন। এর মাধ্যমে আপনি ও আপনার কমিটির সদস্যরা বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ এড়াতে পারেন না।'
'আপনার বক্তব্য পুঁজিবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সাংঘাতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং শেয়ার বাজারের সূচকের পতন হচ্ছে।'
'আপনার এবং আপনার পুত্রের বিরুদ্ধে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আপনার সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।'
পুঁজিবাজারে ধসের জন্য দায়ীরেদ কেবল সেনাশাসনে বিচার সম্ভব- ইব্রাহিম খালেদের এ বক্তব্য প্রসঙ্গে নোটিসে বলা হয়েছে, বিশেষ করে 'বিতর্কিত' প্রতিবেদনে উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কেবল মার্শাল ল'তে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব বলে করা আপনার বক্তব্য সংবিধান-বহির্ভূত।
'এর মাধ্যমে আপনি পরোক্ষভাবে মার্শাল ল'কে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এ কারণে আপনার বিরুদ্ধে প্ররোচনার অভিযোগ আনা যেতে পারে।'
'এ সব কারণে আপনি একটি সরকারি পদে থাকার মতো বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছেন। বিশেষ করে সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসাবে থাকতে পারেন না।'
আপনি ওই পদে থাকার যোগ্যতা সম্পূর্ণভাবে হারিয়েছেন। পদটি আঁকড়ে থাকার কোন অধিকার আপনার নেই।- এ কথা উল্লেখ করে নোটিসে বলা হয়েছে, তাই এই নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে পদটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।
|
|
|
| 04/27/2011 6:39 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
ডিএসই সূচক বেড়েছে ২৭৭ পয়েন্ট
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
টানা ৩ দিনের দরপতনের পর শেয়ারবাজারে সূচকের বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে। গতকাল একদিনেই দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক বেড়েছে ২৭৬ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট। এর আগে গত ১৪ মার্চ ডিএসইতে একদিনে ২৭৬ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট সূচক বেড়েছিল। গতকাল লেনদেনে অংশ নেয়া প্রায় সবক’টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৬টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র দর বেড়েছে ২৩৯টির, কমেছে ৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টির দাম। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, টানা দরপতনে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ক্রয় উপযোগী হয়ে পড়ে। এতে শেয়ার ক্রয়ে চাপ তৈরি হয় এবং অধিকাংশ কোম্পানির দাম বেড়ে যায়। তবে একদিনে প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তারা বলেন, এ ধরনের প্রবণতা বাজারের জন্য ভালো হচ্ছে না। যখন দাম বাড়ছে, তখন প্রায় সব কোম্পানিরই বাড়ছে। আবার যখন কমছে, তখন সব কোম্পানির দরই কমছে। অনেকটা হুজুগে বিনিয়োগকারীরা হয় শেয়ার ক্রয় করছেন কিংবা বিক্রি করে দিচ্ছেন। এটি না করে বিনিয়োগকারীদের উচিত কোম্পানির মৌলভিত্তি এবং আয়-মূল্য অনুপাত (পিই) দেখে শেয়ার বেচাকেনা করা।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গতকাল সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা দিয়েই শুরু হয় দিনের লেনদেন। প্রথম ২০ মিনিটে আগের দিনের তুলনায় ডিএসই সূচকের পতন ঘটে ৫০ পয়েন্টের। এ সময় অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন ঘটে। আগের তিনদিনের টানা দরপতনের পর গতকাল লেনদেন শুরুতে আবারও দরপতন শুরু হলে শেয়ার ক্রয়ে কিছুটা চাপ তৈরি হয়। এতে সূচকের কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ধারা তৈরি হলেও তা খুব একটা স্থায়ী হয়নি। এভাবে সূচকের ওঠা-নামার মধ্য দিয়ে লেনদেন হলেও বেলা ১টা থেকে বাজারে নতুন গতি তৈরি হয়। একটানা সূচক বাড়তে থাকে—যা প্রায় লেনদেনের শেষ অবধি বজায় ছিল। মূলত শেষ দু’ঘণ্টার লেনদেনেই সূচকের বড় ধরনের উল্লমম্ফন ঘটে। দিনশেষে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২৬৭ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। এতে সাধারণ সূচক ফের ৬ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক অতিক্রম করে লেনদেন শেষে ৬ হাজার ৮৩ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া ডিএসই-২০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৬০ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৮৭১ পয়েন্টে এবং ডিএসআই সূচক ২২৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৫ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।
বাজার বিষয়ে ডিএসই পরিচালক আবদুর রশীদ লালী বলেন, গত কয়েকদিনের টানা দরপতনের পর সূচক বৃদ্ধি একটি ইতিবাচক দিক। সম্প্রতি বড় বিনিয়োগকারীরা লেনদেনে থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছিলেন। এখন মনে হচ্ছে তাদের একটি অংশ নতুন করে বিনিয়োগ শুরু করছেন, যদিও এখনও তারা পুরোপুরি বাজারে সক্রিয় হননি। তবে তারা লেনদেন কার্যক্রমে অংশ নেয়ায় শেয়ারের চাহিদা তৈরি হয়েছে। অপরদিকে গত ক’দিনের টানা দরপতনের কারণে অধিকাংশ শেয়ার ক্রয় উপযোগী হয়েছে। শেষদিকে শেয়ারের ক্রয় চাপ বেড়ে যাওয়ায় অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি হয়েছে। তবে তিনি বলেন, বাজারে এখনও অনেক কোম্পানির শেয়ারের দর অতিমূল্যায়িত। কিন্তু বিনিয়োগকারীরা এ বিষয়টি বিবেচনা না করে যেভাবে হুমড়ি খেয়ে শেয়ার কিনেছেন, তা ভালো মনে হয়নি। বিনিয়োগকারীদের এ আচরণের সমালোচনা করে তিনে বলেন, হুজুগে বিনিয়োগ না করে বিনিয়োগকারীদের উচিত কোম্পানির মৌলভিত্তি দেখে শেয়ার ক্রয় করা।
এদিকে গতকাল লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। আগের দিনের তুলনায় ১৬০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা বেড়ে গতকাল দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৭১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।
ঝিলবাংলার লেনদেন বন্ধ : অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণে গতকাল ঝিলবাংলার লেনদেন স্থগিত করে দেয় ডিএসই ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। লেনদেন শুরুর ১০ মিনিটের মাথায় কোম্পানির লেনদেন স্থগিত করে দেয়া হয় এবং গতকাল কোম্পানির আর কোনো লেনদেন হয়নি। তবে আজ থেকে যথারীতি ঝিলবাংলার লেনদেন শুরু হবে। কোম্পানিটির শেয়ার বেচাকেনার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে ডিএসই ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
|
|
|
| 04/27/2011 6:40 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
আজ নিবন্ধন হচ্ছে বাংলাদেশ ফান্ডের
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
পুঁজিবাজারে বহুল আলোচিত ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আজ সম্পন্ন হবে। ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীরা যৌথভাবে ঢাকার সাবরেজিস্ট্রারের মাধ্যমে ফান্ডের দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। আইসিবিতে আজ সকালে এ নিবন্ধন সম্পন্ন হবে। নিবন্ধনের সার্টিফাইড কপি আজই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) জমা দেয়া হবে। মূলত এ সার্টিফাইড কপি এসইসিতে জমা দেয়ার মাধ্যমে ফান্ডটি গঠনের সব আনুষ্ঠানিক কাজ সম্পন্ন হবে। এসব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে ফান্ডটি বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। আর আগামী সপ্তাহ থেকে ফান্ডটির উদ্যোক্তা অংশ নিয়ে বিনিয়োগ শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের প্রধান উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, ফান্ড নিবন্ধনের জন্য এরই মধ্যে সব উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার আইসিবিতে তাদের উপস্থিতিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ওইদিনই নিবন্ধন ফিসহ সব কাগজপত্র এসইসিতে জমা দেয়া হবে। এসইসির কাছ থেকে নিবন্ধনের চূড়ান্ত সনদ পাওয়ার পরই পুঁজিবাজারে ফান্ডের কার্যক্রম শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে উদ্যোক্তা অংশের দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে। পরে প্রাতিষ্ঠানিক ও অন্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ফান্ডের বাকি সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা জোগাড় করা হবে। উল্লেখ্য, গত ১৮ এপিল পুঁজিবাজারে বহুল আলোচিত ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের অনুমোদন দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারের পতনের ধারা রোধ করতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয় আইসিবি। কয়েক দফা আলোচনার পর ৬ মার্চ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বাংলাদেশ ফান্ডে যৌথ উদ্যোক্তা হিসেবে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বিডিবিএল, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং জীবন বীমা করপোরেশন রয়েছে।
|
|
|
| 04/27/2011 6:40 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে আজ বৈঠক
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
মবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট লিমিটেডের (এমজেএল) তালিকাভুক্তির জটিলতা নিরসনে আজ এসইসিতে বৈঠক হবে। এতে এসইসি, ডিএসই, সিএসই ও কোম্পানির প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। তালিকাভুক্তির জন্য কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রথম দফায় প্রিমিয়ামের টাকা থেকে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দপ্রাপ্তদের ক্ষতিপূরণ এবং দ্বিতীয় দফায় ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব দেয়া হলেও ডিএসই পরিচালনা পরিষদ এ দুটি শর্তের কোনটিতেই তালিকাভুক্তির বিষয়টি অনুমোদন করেনি। ফলে কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির বিষয়ে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়। আইপিওর মাধ্যমে চাঁদা সংগ্রহের ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে সময় উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ায় দুই দফায় তালিকাভুক্তির সময় বাড়িয়ে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। আগামী সপ্তাহে বর্ধিত সময় শেষ হচ্ছে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানির বরাদ্দমূল্য যৌক্তিক মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে—এমন অভিযোগের কারণে তালিকাভুক্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
অবশ্য একই জটিলতা তৈরি হয়েছিল এম আই সিমেন্টের ক্ষেত্রেও। অবশেষে কোম্পানির পরিচালকরা ৬ মাসের মধ্যে শেয়ারের মূল্য বরাদ্দমূল্যের চেয়ে নিচে নেমে এলে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দপ্রাপ্তদের ক্ষতিপূরণ দেবেন—এ শর্তে তাািলকাভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এম আই সিমেন্টের মতো একই শর্তের ভিত্তিতে এমজেএল কোম্পানির তালিকাভুক্তির বিষয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন হতে পারে।
|
|
|
| 04/27/2011 6:41 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Klaer kantho
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বললেন এ কে আজাদ
শেয়ার কারসাজির হোতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ
নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যবসায় নৈতিকতা না থাকলে দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সম্প্রতি শেয়ারবাজার কারসাজি তার জ্বলন্ত উদাহরণ। এ জন্য যারা দায়ী, তাদের অনেকেই চিহ্নিত হলেও তাদের বিরুদ্ধে সরকার কোনো ব্যবস্থা
নিচ্ছে না।
গতকাল বুধবার এক কর্মশালায় এসব কথা বলেছেন ব্যবসায়ী ও আইনজীবীরা। তাঁরা শেয়ারবাজার থেকে কারসাজির মাধ্যমে উঠিয়ে নেওয়া জনগণের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ারও দাবি জানান।
রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে 'ব্যবসায় নৈতিকতা' (বিজনেস অ্যাথিকস্) শীর্ষক কর্মশালাটির আয়োজন করে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি)। অনুষ্ঠানে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, 'দেশে আজ ১০ জন নৈতিক ব্যবসায়ী, বিচারপতি, আইনজীবী খুঁজে পাওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্যবসা করতে গিয়ে প্রতিবছর আমাকে ২৫ লাখ টাকা শুধু সিস্টেম লস দিতে হয়। সরকারের সিস্টেমই এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা শেয়ারবাজার কারসাজির হোতাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। তাহলে আমি সরকারকে কেন ট্যাঙ্ দিই।'
প্রত্যেকে নিজ নিজ স্থান থেকে সৎভাবে দায়িত্ব পালন করলে আর স্বাধীন নির্বাচন কমিশন থাকলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার তিক্ত অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। আগামীবারও যদি একই অবস্থা হয়, তবে ৫০ শতাংশ ব্যবসায়ী দেশ ছেড়ে চলে যাবেন।' সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন বলেন, '১৯৯৬ সালে যারা শেয়ার কারসাজির সঙ্গে জড়িত ছিল, এবারও তারাই ক্রীড়ানক। কিন্তু এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।' তিনি বলেন, অসৎরা সংখ্যায় কম হলেও শক্তিশালী।
অনৈতিকতা সমাজের একটি রোগে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইন বাস্তবায়ন করতে হলে বৈষম্যহীন আইন প্রণয়ন করতে হবে। বিচারব্যবস্থা আদৌ স্বাধীনতা ভোগ করে কি না, সে প্রশ্নও করেন এ আইনজ্ঞ। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান বলেন, অতি মুনাফা ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। নৈতিকতা না থাকলে ব্যবসায় সাফল্য আসবে না। তবে সব ব্যবসায়ী অনৈতিক কাজ করেন না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা ভালো না হলে বাংলাদেশ এ পর্যন্ত আসত না। ব্যবসায়ীরা দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কমিউনিটি। তারা বিনিয়োগ করে দেশের মানুষের কর্মসংস্থান করে। এর ওপর ভর করে দেশ এগিয়ে যায়। আইবিএফবির সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। |
|
|
| 04/27/2011 6:41 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
শেয়ারবাজার নিয়ে বিশেষ বৈঠক করবে সংসদীয় কমিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ারবাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ বৈঠক করবে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এ ব্যাপারে শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। সংসদীয় কমিটির সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠক শেষে এ কথা জানান। তিনি বলেন, সামনেই বাজেট। তাই এ মুহূর্তে শেয়ারবাজার ইস্যুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে শেয়ারবাজার বিষয়ে বিশেষ বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
লোটাস কামাল আরো বলেন, অর্থবছরের শেষ তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) রাজস্ব আদায় সবচেয়ে বেশি হয়। বাকি ৯ মাসে রাজস্ব আদায় খুবই কম হয়। এ অবস্থা যাতে না হয় সেদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে পদক্ষেপ নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাজস্ব আহরণের বর্তমান প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ৭৫ হাজার কোটি টাকা আগামী ২০১৪-১৫ সালের মধ্যে দুই লাখ কোটি টাকায় উন্নীত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। কমিটির সভাপতি বলেন, রাজস্ব আহরণের প্রবৃদ্ধি ২৩ থেকে বেড়ে ২৮ শতাংশ হয়েছে। আয়কর ৩৫ ও মূসক ৩০ শতাংশে পেঁৗছেছে। আর আমদানি প্রবৃদ্ধি ২০ শতাংশে পেঁৗছেছে। তিনি আরো বলেন, বছরজুড়ে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ এক নয়। শেষ তিন মাসে যা আদায় হয় তা অন্য সময় দেখা যায় না। অর্থবছরের প্রতি মাসে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে যাতে সমন্বয় থাকে সেদিকে দৃষ্টি দিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে আয়করের সীমা ও ক্ষেত্রকে আরো প্রসারিত করা, আইন সহজীকরণ এবং জনগণকে বেশি মাত্রায় সম্পৃক্ত ও আয়কর প্রদানে ভয়ভীতি দূর করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া বৈঠকে বর্তমান অর্থবছরে একটি কল্যাণধর্মী ও অর্থবহ বাজেট প্রণয়নে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়। লোটাস কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ, এ কে এম মাইদুল ইসলাম, মো. তাজুল ইসলাম, গোলাম দস্তগীর গাজী, ফরিদা রহমান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
| 04/27/2011 6:42 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantho
দুটি ভালো খবরের প্রভাব
শেয়ারবাজারে ইউটার্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউটার্ন নিয়েছে শেয়ারবাজার। টানা দরপতনের ধারা থেকে বেরিয়ে এসে এক দিনেই ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে ২৭৬.৯৭ পয়েন্ট। লেনদেন বেড়েছে ৬০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৪৬টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩৯টির।
গত রবিবার থেকে মঙ্গলবার তিন দিনে দরপতন হয়েছিল ৩৮৬.৩১ পয়েন্ট। এর আগে গত ১২ এপ্রিল থেকে দরপতনের যে ধারা শুরু হয়েছিল তার মধ্যে ২১ এপ্রিল সূচক বেড়েছিল ৬০ পয়েন্ট। ২১ এপ্রিলের মূল্যবৃদ্ধির পরও গত মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) পর্যন্ত ৯ দিনে সূচক কমে যায় ৬১৬.৯২ পয়েন্ট।
গতকালের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, কয়েকটি কম্পানির প্রথম ত্রৈমাসিক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস বিগত সময়ের তুলনায় ভালো দেখানো হয়েছে। বিশেষ করে যমুনা ব্যাংকের ইপিএস ভালো দেখানোর প্রভাব পড়েছে বাজারে। গতকাল ডিএসইর ওয়েবসাইটে এসব হিসাব প্রদর্শন করা হয়। অব্যাহত দরপতনের সময়ে এটা বাজারের জন্য সুখবর। তাই বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে এসেছে। এ ছাড়া আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন সম্পন্ন হতে যাচ্ছে_এমন খবরের প্রভাবেও দরপতনের ধারা থেকে বাজার ইউটার্ন নিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ দুটি ভালো খবরে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে এসেছে। তারই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাজারে। অত্যন্ত সংবেদনশীল শেয়ারবাজারে সামান্য ভালো খবরও বড় ধরনের আস্থার জন্ম দেয়।
চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ফান্ড নিবন্ধন হবে_একটি বেসরকারি টেলিভিশনের আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের এ বক্তব্যের পরই বাজার মূল্যবৃদ্ধির ধারায় ফিরে আসে। তাঁর এ বক্তব্যে এ ফান্ড নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল, তা অনেকটা কেটে গেছে। আইসিবির এমডির বক্তব্যের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে।
অধ্যাপক ওসমান ইমাম প্রায় একই কথা বলেন। তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা নিয়ে চলছে অনিশ্চয়তা। অনিশ্চয়তা ছিল বাংলাদেশ ফান্ডের গঠন নিয়েও। সেসব কারণে বাজারে টানা দরপতন হচ্ছিল। এ সময়ে বাংলাদেশ ফান্ডের মূল উদ্যোক্তার আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে একটা অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে। তাতে বিনিয়োগকারীদের মনে যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তাতেই বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে চলে আসা অনিশ্চয়তা বিরাজ করলে ভবিষ্যতে আবারও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে বাজারে।
ইউনাইটেড ফিন্যান্স ট্রেডিং কম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের পরিচালক মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, কয়েকটি কম্পানির ইপিএস ভালো আসায় বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কটা দূর হয়েছে। প্রথম ত্রৈমাসিক হিসাব নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মনে নানা সংশয় ছিল। যমুনা ব্যাংকসহ কয়েকটি ভালো কম্পানির ত্রৈমাসিক হিসাব ভালো এসেছে। এর প্রভাবে বাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফান্ড নিয়েও সংশয় দূর হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ ফান্ডের নিবন্ধন হচ্ছে। এর প্রভাবেও বাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরে এসেছে।
গতকালের বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইতে মোট ২৪৬টি কম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের পাঁচ কোটি ৪৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯১৩টি শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩৯টির, কমেছে চারটির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি কম্পানির শেয়ারের। লেনদেন হওয়া এসব শেয়ারের আর্থিক মূল্য দাঁড়ায় ৫০৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮৪৩ টাকা। আগের দিনের তুলনায় এটা ৬০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বেশি।
ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৭৬.৯৭ পয়েন্ট বেড়ে ৬০৮৩.২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল_দুই লাখ ৭৭ হাজার ৭৮৬ কোটি এক হাজার ৩১৪ টাকা।
মূল্যবৃদ্ধিতে গতকালের শীর্ষ ১০ কমপানি হলো_ফিনিঙ্ ইনস্যুরেন্স, ফু-ওয়াং ফুডস্, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, কাশেম ড্রাইসেল, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, দেশবন্ধু পলিমার, এশিয়ান ইনস্যুরেন্স, বিডি ওয়েল্ডিং, প্রাইম ইনস্যুরেন্স ও বিচ্ হ্যাচারি।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কম্পানি হলো_বেঙ্মিকো লিমিটেড, বেঙ্টেঙ্ লিমিটেড, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ফু-ওয়াং সিরামিকস্, আফতাব অটোমোবাইলস্, মালেক স্পিনিং, বিএসআরএম স্টিল, তিতাস গ্যাস, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, ও ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে সাতটি কম্পানি হলো_সায়হাম টেঙ্টাইল, লিব্রা ইনফিউশন, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস্, মার্কেন্টাইল ব্যাংক প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স ও এসিআই জিরো কুপন বন্ড। |
|
|
|