| 03/26/2011 5:17 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ইত্তেফাক রিপোর্ট
কমেছে বেশিরভাগ শেয়ারের দাম
সপ্তাহের শেয়ার বাজার
গত সপ্তাহে দেশের দুই শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখকর ছিল না। দুই বাজারেই সূচকের পতন ও কমেছে বেশিরভাগ শেয়ারের দাম। তবে উভয় বাজারে আগের সপ্তাহের চেয়ে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিলো বেশি।
সপ্তাহজুড়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৬৩টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯১টির, কমেছে ১৭১টির ও অপরিবর্তিত ছিল একটি কোম্পানির দাম।
পাশাপাশি সাধারণ সূচক ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ বা ২শ ৪৭ দশমিক ১০ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ১শ ৬৪ দশমিক ৮২ পয়েন্টে পৌঁছে। সার্বিক সূচক ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ বা ১শ ৯৬ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১শ ১১ দশমিক ০৬ পয়েন্টে নেমে আসে।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৬ হাজার ১শ ১৫ কোটি ৯৬ লাখ ২২ হাজার ৪শ ৬০ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ২৬ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল মোট ৪ হাজার ৮শ ১৯ কোটি ৫৪ লাখ ২৯ হাজার ৩ শ ১৮ টাকা।
ডিএসইতে মোট ৯টি কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এরমধ্যে ট্রাস্ট ব্যাংক ২০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল ৭৫ শতাংশ শেয়ার, রূপালী ব্যাংক ১০ শতাংশ শেয়ার, রিলায়েন্স ইন্সু্যরেন্স ৩৫ শতাংশ শেয়ার, যমুনা অয়েল ৩০ শতাংশ ক্যাশ ও ২০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, আরএন স্পিনিং ৩০ শতাংশ শেয়ার, পিএলএফএসএল ৭৫ শতাংশ শেয়ার, পদ্মা অয়েল ৫০ শতাংশ ক্যাশ ও ৫০ শতাংশ শেয়ার ও ফার্স্ট লিজ ৭৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয় মোট ২১৪টি কোম্পানির। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৪২টির, কমেছে ১৬৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি কোম্পানির দাম।
একইসাথে সিএসসিতে সাধারণ সূচক ৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১১ হাজার ১শ ৪১ দশমিক ৪৭৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ৪ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ১৭ হাজার ২শ ৪৫ দশমিক ৮৯৪২ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয় মোট ৬শ ৩৯ কোটি ১২ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৫ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের সপ্তাহে যেখানে লেনদেন হয়েছিল মোট ৫শ ৬৬ কোটি ৪৫ লাখ ১১ হাজার ১শ ১১ টাকা।
গেল সপ্তাহে সিএসইতেও লেনদেনের ক্ষেত্রে দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো। এরপর যথাক্রমে ছিল ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, বেক্সটেক্স, আফতাব অটোমোবাইলস, ম্যাকসন্স স্পিনিং, পিপলস লিজিং, ইউসিবিএল, এবি ব্যাংক, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক ও গ্রামীণ ফোন।
|
|
|
| 03/26/2011 5:21 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Sangbad
ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ১০ হাজার কোটি টাকা
অস্থির না হয়ে ধৈর্য ধরার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
এমএম মাসুদ
গত সপ্তাহে দেশের প্রধান দুই শেয়ারবাজারে উল্লেখযোগ্য হারে সূচকের ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। বাজারের এমন আচরণে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই'র বাজার মূলধন ১০ হাজার কোটি টাকা কমেছে।
আর সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বড় ধরনের দরপতনের ঘটনায় বাজার মূলধন হারানোয় বড় ভূমিকা রাখে। এছাড়া গেল সপ্তাহে মূলধন কমার পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ শেয়ারের দাম। তবে উভয় বাজারে আগের সপ্তাহের চেয়ে মোট লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। বাজারের এরকম পরিস্থিতিতে অস্থির হয়ে শেয়ার বিক্রি না করে, ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
সপ্তাহজুড়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৬৩টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯১টির, কমেছে ১৭১টির ও অপরিবর্তিত ছিল একটি কোম্পানির দাম। এদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৯টি কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
বাজারের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা সপ্তাহের প্রথম দিকের বাজার আচরণকে স্বাভাবিক বলে মনে করলেও শেষ দিনের বাজার আচরণের ক্ষেত্রে তা মানতে পারছেন না। তাদের মতে, বাজারে ওঠানামা থাকতেই পারে। কিন্তু একদিনে আবারও এত অধিক হারে দরপতন কাম্য নয়। তারা মনে করেন, ওইদিন কিছুটা হলেও আতঙ্ক কাজ করেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে তা কোন না কোনভাবে এখনো কাজ করছে। এর ফলে বাজার কিছুটা নিম্নমুখী হলেই বেড়ে যাচ্ছে বিক্রয় চাপ। আর এর ফলে বাড়ছে দরপতনের তীব্রতা।
এ ব্যাপারে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, কোনভাবেই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করা যাবে না। যতটা সম্ভব এর থেকে দূরে থাকতে হবে। তবে ধৈর্য ধরে থাকলে কোন এক সময় বাজার স্বাভাবিক হলে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া যাবে বলে তিনি মনে করেন।
বাজার মূলধনের পাশাপাশি মন্দা পরিস্থিতি পুঁজিবাজারের সব সূচককে করে নিম্নমুখী। ঢাকা স্টকের সাধারণ সূচক এ সময় ২৪৭ দশমিক ১০ পয়েন্ট কমে যায়। সপ্তাহের প্রথম দিন ৬ হাজার ৪১১ দশমিক ৯২ পয়েন্ট থেকে যাত্রা শুরু করলেও সপ্তাহের শেষ দিন সূচকটি নেমে আসে ৬ হাজার ১৬৪ দশমিক ৮২ পয়েন্টে। অন্য দুটি সূূচক ডিএসই-২০ ও ডিএসআই সূচকের অবনতি ঘটে যথাক্রমে ২০৬ ও ১৯৬ পয়েন্টের বেশি। সার্বিক সূচক ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ বা ১৯৬ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১১১ দশমিক ০৬ পয়েন্টে নেমে আসে। এ সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৬ হাজার ১১৫ কোটি ৯৬ লাখ ২২ হাজার ৪৬০ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ২৬ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল মোট ৪ হাজার ৮১৯ কোটি ৫৪ লাখ ২৯ হাজার ৩১৮ টাকা।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বাজার যখন ব্যাপক দরপতনের শিকার হয়েছিল তখন আমরা বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি না করার পরামর্শ দিয়েছিলাম। সে বাজার আবার ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। অথচ যারা সেই সময় লোকসান দিয়ে শেয়ার বিক্রি করেন তারা সে লোকসান আর কাটিয়ে উঠতে পারেননি। পক্ষান্তরে, যারা সেই সময় ধৈর্য ধারণ করতে পেরেছেন, তাদের লোকসান অনেক কমে গেছে। একইভাবে এখনো কোন অবস্থাতেই আতঙ্কিত হওয়ার কোন সুযোগ নেই। সামান্য আতঙ্ক আবারও বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ, এখন বাজার আর তত ঝুঁকিপূর্ণ নেই। ভালো শেয়ারে বিনিয়োগ করে দরপতনেও ধৈর্য ধরার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগে যাওয়ার সময় এখন। ভালো মৌলভিত্তি দেখে বিনিয়োগ করলে বর্তমান মূল্যস্তরেও লাভবান হওয়া যায়।
সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বড় মূলধনের কোম্পানিগুলো এ সপ্তাহে বড় ধরনের পতনের শিকার হয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতে এ দরপতন ঘটে অপেক্ষাকৃত বেশি। এর পরপরই ছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জ্বালানি ও বীমা খাত। তবে সার্বিকভাবে সব খাতেই এ দরপতনের ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে দাম বাড়তে দেখা গেছে কিছু খারাপ মৌলভিত্তির কোম্পানির। গত সপ্তাহের ডিএসই'র মূল্যবৃদ্ধিও শীর্ষে উঠে আসা কোম্পানিগুলোর তালিকা থেকেই তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ সময় দাম বৃদ্ধির ১০ কোম্পানির শীর্ষে ছিল 'এ' ক্যাটাগরির কোম্পানি বঙ্গজ। এরপর পর্যায়ক্রমে ছিল তাল্লু স্পিনিং, চিটাগং ভেজিটেবল, ফার্মা এইডস, ইমাম বাটন, মিথুন নিটিং, জুট স্পিনার্স, আনলিমা ইয়ার্ন, দেশ গার্মেন্টস ও বিডি অটোকারস। এদের মধ্যে কিছু কিছু কোম্পানির মৌলভিত্তির দিক থেকে ভালো অবস্থানে থাকলেও সবই খুব কম মূলধনের। দাম কমার দিক দিয়ে ১০ কোম্পানির শীর্ষে ছিল 'এ' ক্যাটাগরির কোম্পানি ইস্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্স। এরপর ক্রমানুসারে ছিল প্রিমিয়ার ব্যাংক, ফিনিক্স ফিন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, কাশেম ড্রাইসেলস, এশিয়া ইনস্যুরেন্স, রূপালী ইনস্যুরেন্স, একটিভ ফাইন ক্যামিকেলস, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও ফেডারেল ইনস্যুরেন্স। লেনদেনের ক্ষেত্রে ১০ কোম্পানির শীর্ষে ছিল 'এ' ক্যাটাগরির কোম্পানি বেক্সিমকো লিমিটেড। এরপর যথাক্রমে ছিল পিপলস লিজিং, বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাস, আফতাব অটোমোবাইলস, গোল্ডেন সন, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ম্যাকসন্স স্পিনিং, আরএন স্পিনিং ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।
এদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৯টি কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ট্রাস্ট ব্যাংক ২০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল ৭৫ শতাংশ শেয়ার, রূপালী ব্যাংক ১০ শতাংশ শেয়ার, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স ৩৫ শতাংশ শেয়ার, যমুনা অয়েল ৩০ শতাংশ ক্যাশ ও ২০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, আরএন স্পিনিং ৩০ শতাংশ শেয়ার, পিএলএফএসএল ৭৫ শতাংশ শেয়ার, পদ্মা অয়েল ৫০ শতাংশ ক্যাশ ও ৫০ শতাংশ শেয়ার ও ফার্স্ট লিজিং ৭৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয় মোট ২১৪টি কোম্পানির। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৪২টির, কমেছে ১৬৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি কোম্পানির দাম।
একই সঙ্গে সিএসসিতে সাধারণ সূচক ৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১১ হাজার ১৪১ দশমিক ৪৭৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ৪ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ১৭ হাজার ২৪৫ দশমিক ৮৯৪২ পয়েন্টে পেঁৗছেছে। গত সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৬৩৯ কোটি ১২ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৫ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের সপ্তাহে যেখানে লেনদেন হয়েছিল মোট ৫৬৬ কোটি ৪৫ লাখ ১১ হাজার ১১১ টাকা। গত সপ্তাহে ডিএসই'র মতো সিএসইতেও লেনদেনের ক্ষেত্রে ১০ কোম্পানির শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। এরপর যথাক্রমে ছিল ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, বেক্সটেক্স, আফতাব অটোমোবাইলস, ম্যাকসন্স স্পিনিং, পিপলস লিজিং, ইউসিবিএল, এবি ব্যাংক, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক ও গ্রামীণফোন। |
|
|
| 03/26/2011 5:22 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Sangbad
এ সপ্তাহে যেসব কোম্পানির সাধারণ সভা
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৪টি কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) এ সপ্তাহের বিভিন্ন দিনে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আগামী ২৭ মার্চ লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স লিমিটেডের এজিএম ও ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। গুলশান-১ এর স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে সকাল সাড়ে ১০টায় ইজিএম ও বেলা ১১টায় এজিএম শুরু হবে। কোম্পানিটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের ৫৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ৩ মার্চ। একইদিন প্রাইম ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর হোটেল শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে সকাল সাড়ে ১০টায় এজিএম শুরু হবে। ব্যাংকটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৩৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ৩ মার্চ।
আগামী ২৮ মার্চ এইচআর টেক্সটাইলস মিলস লিমিটেডের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট'র ট্রাস্ট মিলনায়তনে এজিএম শুরু হবে। কোম্পানিটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ছিল এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট। একইদিন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজিএম-ইজিএম, ওয়ান ব্যাংক ও কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্সের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ইজিএম শুরু হবে সকাল ১০টায় ও এজিএম সাড়ে ১০টায়। এছাড়া বেলা ১১টায় রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ওয়ান ব্যাংকের এজিএম শুরু হবে। একই সময়ে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্সের এজিএম শুরু হবে ।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্স গত অর্থবছরের জন্য এদের শেয়ারহোল্ডারদের যথাক্রমে ২০ শতাংশ শেয়ার, ৫৫ শতাংশ শেয়ার এবং ৫ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কোম্পানিগুলোর এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল যথাক্রমে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৩ মার্চ ও ১০ মার্চ।
আগামী ২৯ মার্চ ঢাকা ব্যাংক ও প্রাইম ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন এয়ারপোর্ট রোডের হোটেল রেডিসনে বেলা ১১টায় ঢাকা ব্যাংকের ও সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাইম ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের এজিএম শুরু হবে। এ কোম্পানি দুটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য যথাক্রমে ৩৫ শতাংশ শেয়ার ও ৮০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
আগামী ৩০ মার্চ ইস্টার্ন ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএলএফএসএল), এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেডের এজিএম ও ব্যাংক এশিয়ার এজিএম-ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইস্টার্ন ব্যাংকের এজিএম শুরু হবে। এছাড়া বেলা ১১টায় আইএলএফএসএল-এরও সাড়ে ১১টায় এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেডের এজিএম শুরু হবে। ইস্টার্ন ব্যাংক, আইএলএফএসএল, ব্যাংক এশিয়া ও এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের যথাক্রমে ৫৫ শতাংশ শেয়ার, ৬০ শতাংশ শেয়ার, ৪০ শতাংশ শেয়ার এবং ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
আগামী ৩১ মার্চ আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড ও পূবালী ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আইডিএলসির ও বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবে পূবালী ব্যাংকের এজিএম শুরু হবে। কোম্পানি দুটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের যথাক্রমে ৩৫ শতাংশ নগদ ও ৬৫ শতাংশ শেয়ার এবং ৫ শতাংশ নগদ ও ৩৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। |
|
|
| 03/26/2011 5:24 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Sangbad
ট্রাস্ট ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠান ট্রাস্ট ব্যাংক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি ব্যাংকটি ১:৫ হারে রাইটশেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েব সাইটে এসব তথ্য জানানো হয়। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এর বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২০টি বোনাস শেয়ার দেয়া হবে। আগামী ২৪ মে বেলা ১১টায় এয়ারপোর্ট রোডের আর্মি গলফ ক্লাবে এ প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৪ এপ্রিল। একই সঙ্গে ট্রাস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বিনিয়োগকারীদের কাছে ১:৫ হারে রাইটশেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ এ ব্যাংকের বিনিয়োগকারীরা প্রতি পাঁচটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার নিতে পারবেন। ১০০ টাকা প্রিমিয়ামসহ রাইটশেয়ারের ইস্যু প্রাইজ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। এর রেকর্ড ডেট পরবর্তী সময়ে জানানো হবে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১০ সমাপ্ত অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ১২৭ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় ৫৭.৪৮ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য ২২৬.৬১ টাকা। |
|
|
| 03/26/2011 5:26 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Kaler Kantha
গুজবে পার হলো সপ্তাহের শেয়ারবাজার
সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু
নানা ধরনের গুজবের প্রভাবে দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে সপ্তাহের শেষ তিন দিন অধিকাংশ কম্পানির শেয়ারের দর উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। পাশাপাশি লভ্যাংশ ঘোষণার পর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কম্পানির শেয়ারের মূল্য সমন্বয় হয়েছে। বাজার সূচকে এর প্রভাব পড়ে। তাই লেনদেন বাড়লেও মূল্য সংশোধনের ধারায় গত সপ্তাহে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) সূচক কমেছে ২৪৭ পয়েন্ট। চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের সিএসই নির্বাচিত সূচক কমেছে ৪.৯ শতাংশ।
ব্যাংকিং খাত নিয়ে নানা গুজব, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে নানামুখী আলোচনা এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের অমনিবাস হিসাব নিয়ে অনিশ্চয়তায় অধিকাংশ বিনিয়োগকারী কেনাবেচা বন্ধ রেখে পর্যবেক্ষণ করছেন। কারসাজি চক্রের নিয়ন্ত্রণে থাকায় এখানে শেয়ারবাজারে গুজবই প্রধান ইস্যু হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সপ্তাহজুড়ে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৬৩টি কম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৯১টির, কমেছে ১৭১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল একটি কম্পানির দর। এর প্রভাবে ডিএসই সাধারণ সূচক ৩.৮৫ শতাংশ বা ২৪৭.১০ পয়েন্ট কমে ৬১৬৪.৮২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সূচক কমলেও আগের সপ্তাহের তুলনায় আর্থিক লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ছয় হাজার ১১৫ কোটি ৯৬ লাখ ২২ হাজার ৪৬০ টাকার শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট এবং করপোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ২৬.৯০ শতাংশ বেশি। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইতে চার হাজার ৮১৯ কোটি ৫৪ লাখ ২৯ হাজার ৩১৮ টাকা লেনদেন হয়েছিল।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ২১৪টি কম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৪২টির, কমেছে ১৬৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে চারটির। এক সপ্তাহে সিএসই নির্বাচিত সূচক ৪.৯ শতাংশ কমে ১১ হাজার ১৪১.৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সারা সপ্তাহে মোট ৬৩৯ কোটি ১২ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৫ টাকা লেনদেন হয়েছে। এই স্টক এঙ্চেঞ্জে আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৫৬৬ কোটি ৪৫ লাখ ১১ হাজার ১১১ টাকা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নানা ধরনের গুজবের কারণে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রান্ত হয়েছেন। শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ওসমান ইমাম কালের কণ্ঠকে বলেন, পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে বাজার এখন কারসাজি চক্রের হাতে চলে গেছে। সে কারণে এখানে গুজবই প্রধান ইস্যু হিসেবে কাজ করছে। এর ফলে শক্ত মৌলভিত্তির কম্পানির শেয়ারের দাম কমছে। আর দুর্বল মৌলভিত্তির কম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ছে। এটা ভালো বাজারের লক্ষণ নয়।
আইসিবি ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রউফ কালের কণ্ঠকে বলেন, পাঁচ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড নিয়ে অনিশ্চয়তার খবর বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক সিআরআর আরেক দফা বাড়াচ্ছে_দু-একদিন ধরে বাজারে এ ধরনের গুজব রয়েছে। অন্যদিকে কিছু দিন ধরেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে পুঁজিবাজারে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। শেয়ারবাজারের বড় বিনিয়োগকারীদের অনেকেই কারসাজির দায়ে অভিযুক্ত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া অমনিবাস হিসাবের আওতাধীন সব বিনিয়োগ হিসাবকে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশের (সিডিবিএল) সঙ্গে সংযুক্ত করা নিয়ে এসইসির সঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর দর কষাকষির বিষয়টিও বাজারে প্রভাব ফেলছে। এসইসিকে চাপে ফেলতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে আশঙ্কা করেছেন কেউ কেউ। বাজারের সামগ্রিক লেনদেনে এর প্রভাব পড়ছে। অধিকাংশ বিনিয়োগকারী কেনাবেচার পরিবর্তে বাজারের গতি-প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করছেন। |
|
|
| 03/26/2011 5:27 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Kaler Kantha
মার্জিন ঋণ দেওয়ায় অনিয়ম
১১ ব্রোকারেজ হাউসকে জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক
আরো ১১টি ব্রোকারেজ হাউসের বিরুদ্ধে 'জেড' ক্যাটাগরিভুক্ত শেয়ারে মার্জিন ঋণ দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গত সপ্তাহের ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় এ জরিমানা করা হয়। অভিযুক্ত হাউসগুলো হলো_শ্যামল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট, এসএনএম সিকিউরিটিজ, আইসিবি সিকিউরিটিজ, মাইকা প্রপার্টিজ অ্যান্ড সার্ভিসেস, ম-ল সিকিউরিটিজ, ডায়নামিক সিকিউরিটিজ, এনসিসি ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউস এবং এঙ্পো ট্রেডার্স। এসইসি সূত্রে এ খবর জানা গেছে। এর আগে গত ১ মার্চ অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় একই অভিযোগ ১২টি ব্রোকারেজ হাউসকে জরিমানা করা হয়েছিল।
জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত 'জেড' ক্যাটাগরির কম্পানির শেয়ার লেনদেনে মার্জিন দেওয়া নিষিদ্ধ থাকলেও অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো তা ভঙ্গ করে। প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে এসইসির পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
|
|
|
| 03/27/2011 4:05 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | অস্থির বাজারে সরকারী শেয়ার ছাড়লে লাভবান হবে কারা?
তারল্য সঙ্কট না কাটিয়ে তালিকাভুক্ত কোম্পানির আরও শেয়ার ছাড়া হবে আত্মঘাতী
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ তারল্য সঙ্কটের কারণে দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা চলছে। সরকারের পৰ থেকে নানামুখী পদৰেপ গ্রহণের ঘোষণায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হলেও ধীরে ধীরে তা হতাশায় রূপ নিচ্ছে। টানা দরপতনের কারণে পুঁজি হারানোর আতঙ্কে ভুগছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী। এ অবস্থায় বাজারে অর্থ প্রবাহ বাড়াতে কার্যকর পদৰেপ প্রয়োজন হলেও তেমন কোন উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। শেয়ারবাজারের এই নাজুক পরিস্থিতিতে তালিকাভুক্ত সরকারী কোম্পানিগুলোর আরও শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন আতঙ্ক বয়ে এনেছে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে শেয়ার ছাড়া হলে দরপতনের মাত্রা বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা। এই সুযোগে কম দরে সরকারী শেয়ার কিনে নিয়ে আবারও লাভবান হবে বাজারে সক্রিয় স্বার্থান্বেষীরা।
বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন, গত দেড় বছরে নানা উৎস থেকে স্রোতের মতো টাকা ঢুকলেও এর সঙ্গে পালস্না দিয়ে সঠিক সময়ে নতুন শেয়ারের যোগান বাড়াতে না পারার কারণেই পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক উর্ধর্মুখী প্রবণতা তৈরি হয়। অধিকাংশ তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দর কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পেঁৗছে যায়। সে সময় একের পর এক পদৰেপ নিয়েও বাজারের রাশ টানতে ব্যর্থ হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। এ অবস্থায় শেয়ারবাজারে জমে ওঠা পুঁজি উৎপাদনমুখী খাতে স্থানানত্মর করে শেয়ারের যোগান বাড়ানো সবচেয়ে জরম্নরী ছিল। ওই অবস্থায় নতুন কিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়ারও তালিকাভুক্ত সরকারী কোম্পানিগুলোর আরও শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। এসব শেয়ার বিক্রির জন্য অর্থমন্ত্রী বেশ কয়েকবার সময় বেঁধে দিলেও পুঁজিবাজার চাঙ্গা থাকতে একটি কোম্পানিও শেয়ার বিক্রি করেনি। চাহিদা ও যোগানের অসামঞ্জস্যতা দূর করতে ব্যর্থ হওয়ায় এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে পুঁজিবাজার। এই সুযোগে প্রতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিতে শুরম্ন করায় মূল্য সংশোধনের মাত্রা ব্যাপক রূপ ধারণ করে। এর সঙ্গে বিভিন্ন মহলের অপতৎপরতা যুক্ত হয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে পুঁজিবাজার।
বিশেস্নষকদের মতে, বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা বেরিয়ে যাওয়ার কারণেই পুঁজিবাজারে বড় দরপতন এখন প্রতিদিনের ঘটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর স্বার্থে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে অর্থ প্রবাহ বাড়ানো জরম্নরী। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করে বাজারে লেনদেনের গতি ফেরাতে না পারলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরবে না। বর্তমান নাজকু পরিস্থিতিতে তালিকাভুক্ত সরকারী কোম্পানিগুলোর আরও শেয়ার বিক্রির ঘোষণা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত দু'মাস ধারাবাহিক মন্দার কারণে অধিকাংশ বিনিয়োগকারীই বিপুল লোকসানের মধ্যে রয়েছেন। কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারের দর বাড়িয়ে যেসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারী ডিসেম্বরের আগে শেয়ার বিক্রি করে বেরিয়ে গিয়েছিল, তারা ছাড়া অন্য বিনিয়োগকারীদের হাতে এখন শেয়ার কেনার মতো টাকা নেই। ফলে সরকারী শেয়ার বিক্রি করা হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তা কিনতে পারবে না। এতে বাজারে ক্রেতা না থাকলেও শেয়ার বিক্রির চাপ আরও বাড়বে_ যা সরকারী প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য কোম্পানির শেয়ারের দর হ্রাসে ভূমিকা রাখবে। এই সুযোগে কম দরে শেয়ার কিনে নিয়ে আরেক দফা মুনাফা লুটের সুযোগ পাবে কারসাজির সঙ্গে জড়িতরা।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, সরকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা অয়েলের শেয়ারের দর গত জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ৪০০ থেকে ৪৭২ টাকার মধ্যে উঠানামা করে। ওই সময় একজন বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ দর যমুনা অয়েলের ৫ হাজার শেয়ার কিনলে তাকে বিনিয়োগ করতে হয়েছে ২৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বর্তমানে প্রতিটি শেয়ারের বাজার মূল্য ২৫৫ টাকা। সেই হিসাবে ৫ হাজার শেয়ারের বাজার মূল্য ১২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। মার্জিন ঋণসহ সামগ্রিক লোকসানের পরিমাণ প্রায় ১৪ লাখ টাকা।
একইভাবে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের প্রতিটি শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ৩২৫ টাকা। এই কোম্পানির ৫ হাজার শেয়ার কিনতে তখন ব্যয় হয়েছে ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। বর্তমানে প্রতিটি শেয়ারের দর ১৮৮ টাকা হিসাবে ওই শেয়ারের বাজার মূল্য দাঁড়ায় ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা। মার্জিন ঋণসহ লোকসান দাঁড়াচ্ছে ১০ লাখ টাকা।
শুধু তাই নয়, এই মুহূর্তে শেয়ার বিক্রি করলে মার্জিন ঋণ শোধ করতে গিয়ে এ দু'টি কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগকৃত অর্থের পুরোটাই চলে যাবে। এ অবস্থায় সরকারী শেয়ার ছাড়া হলে লোকসানে থাকা বিনিয়োগকারীর পৰে তা কিনে গড় ক্রয়মূল্য কমানো সম্ভব হবে না। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারী শেয়ার বিক্রির উদ্যোগ শুধু সুযোগসন্ধানীদেরই মুনাফার সুযোগ করে দেবে।
বাজার সংশিস্নষ্ট একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, আগামী ২২ ফেব্রম্নয়ারি থেকে যমুনা অয়েল ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামের শেয়ার বিক্রি করা হলে এর আগে যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা সরিয়েছে শুধু তাদের পৰেই এসব শেয়ার কেনা সম্ভব হবে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব শেয়ার ছাড়ার মানে হবে বাজার নিয়ে যারা খেলছে তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা। বর্তমান বাজার মূল্যে শেয়ার ছাড়া হলে সরকারও আর্থিকভাবে ৰতিগ্রসত্ম হবে।
বিশেস্নষকরা মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারকে স্বাভাবিক করা। এজন্য প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করে অর্থ প্রবাহ বাড়ানো। তা না করে উল্টো শেয়ার সরবরাহ বাড়াল বাজারে অস্থিরতা বাড়বে বৈ কমবে না
http://www.dailyjanakantha.com/news_view_all.php?nc=34&dd=2011-02-13 |
|
|
| 03/27/2011 4:08 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | তিন কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
ঢাকা, ২৭ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক ও এপেক্স এডেলসি ফুটওয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে। আজ রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্যমতে, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ ২৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ১০ মে সকাল ১০টায় রাজধানীর আর্মি গলফ গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাংকটির রেকর্ড ডেট ১০ এপ্রিল। কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লভ্যাংশ (ইপিএস) ৪.০৫ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৬.৪২ টাকা।
এছাড়া ইসলামী ব্যাংক ২০১০ সালের জন্য ৩৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ১৮ এপ্রিল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম'র রেকর্ড ডেট ১৩ এপ্রিল। কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লভ্যাংশ (ইপিএস) ৬০.২১ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৩১৬.৯৩ টাকা।
এদিকে এপেক্স এডেলসি ফুটওয়ার লিমিটেড ২০১০ সালের জন্য কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ৩ মে বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লভ্যাংশ (ইপিএস) ২০২.৮৭ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৬৮৫ টাকা।
উল্লেখ্য, কোম্পানি তিনটির লভ্যাংশ ঘোষণার কারণে আজ রোববার কোম্পানিগুলোর শেয়ারের লেনদেনে কোনো মূল্যসীমা থাকছে না।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/ জেইউ/এএইচ/ ১২.৪৫ঘ.)
|
|
|
| 03/27/2011 9:28 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | চার ইস্যু নিয়ে চাপের মুখে এসইসি
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: মার্জিন লোনের নীতিমালা, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি, মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। তাই এই চার ইস্যু নিয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি এখন নানা চাপের মুখে।
ঢাকা ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) ও পাবলিক লিস্টেড কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএপিএলসি) উল্লিখিত বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে। তাই এসইসি বিষয়টি নিয়ে দোটানায় রয়েছে এসইসি।
জানা যায়, মার্জিন লোন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বাজারকে প্রভাবিত করে। মার্জিন লোন নিয়ে ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণে একাধিকবার তোপের মুখে পড়েছে এসইসি। ফলে মার্জিন লোনের বিষয়টি এড়াতে এসইসি বিএমবিএ ও দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে নীতিমালা তৈরীর নির্দেশ দেয়।
বিএমবিএ একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করলেও স্টক এক্সচেঞ্জ মার্জিন লোনের নীতিমালা তৈরির ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বরাবরই মার্জিন লোনের সিদ্ধান্ত বাজারের জন্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে কাজ করে। তাই মার্জিন লোনের সিদ্ধান্তের ভার কোনো প্রতিষ্ঠানই নিচ্ছে না।
বিএমবিএ ১:২ বহাল রেখে খসড়া প্রস্তাবনা তৈরি করেছে। এসইসিও এ প্রস্তাবনাকে চুড়ান্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু স্টক এক্সচেঞ্জের অনিহার কারণে বিএমবিএ চুড়ান্ত প্রস্তাবনা এসইসিতে জমা দিচ্ছে না। ফলে প্রায় দুই মাস পার হলেও এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হচ্ছে না।
মার্জিন লোনের ব্যাপারে স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিএমবিএর অনাগ্রহের কথা জানতে চাইলে তা এড়িয়ে গিয়ে বিএমবিএর সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, বিএমবিএ একটি প্রস্তাবনা জমা দিয়েছিল। পরে এসইসির নির্দেশে সেখানে নতুন কিছু সংযোযন বিয়োজন করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমরা একটি কমিটি করেছি।
জনতা ইনভেস্টমেন্টর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জাহাঙ্গীর মিয়াকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন করে এসইসি একটি প্রস্তাবনা তৈরি করেছে। এ প্রস্তাবনাটি দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি ও বিএমবিএ এ চার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এসইসি গত ২১ মার্চ একটি বৈঠক করে। বৈঠকে বিএপিএলসির সভাপতি সালমান এফ রহমানসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেকেই দ্বিমত পোষণ করে। ফলে পুনরায় পর্যালোচনার প্রস্তাবনাটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেয়া হয়েছে।
গত ২৬ মার্চ এ চার প্রতিষ্ঠান বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন নিয়ে বৈঠকে বসে। বৈঠকে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে সিএসইর প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দীন আলী আহমেদ বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে কোনো ত্রুটি চিহ্নিত করা হতে পারে কিংবা কোনো পরামর্শ বা সুপারিশ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে সকল ত্রুটি, পরামর্শ ও সুপারিশ নিয়ে সংশোধনে আসতে হবে। এজন্য আপাতত এ পদ্ধতির সংস্কার স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এদিকে এ প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামত না পাওয়ায় এসইসিও বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন নিয়ে চুড়ান্ত প্রস্তাবনা অর্থমন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারছে না।
মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে এসইসি। কোম্পানিদুটিকে তালিকাভুক্তির জন্য এসইসি নির্দেশনা দিলেও দুই স্টক এক্সচেঞ্জ বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
এসইসি থেকে তালিকাভুক্তির জন্য যে শর্ত দেওয়া হয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জ সে শর্তগুলোকে তালিকাভুক্তির আইন পরিপন্থী মনে করছে। এজন্য এসইসি দুই সপ্তাহ সময় বাড়িয়েছে। তবে এ সময়েও স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্ত করবে না বলে জানা গেছে। ফলে এসইসি থেকে তালিকাভুক্তির বিষয়টি হাইকোর্টে পাঠানো হতে পারে।
এ ব্যাপারে ডিএসইর পরিচালক মোস্তাক আহমেদ সাদেক বলেন, যেহেতু কোম্পানিটি বাইব্যাক থেকে সরে এসে ক্ষতিপূরনের শর্ত দিচ্ছে। সেহেতু ডিএসই এ শর্তে কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করবে না। কোম্পানিটির স্পন্সররা যদি বাইব্যাকের শর্তে রাজি হয় তাহলে তালিকাভুক্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫০ ঘণ্টা, মার্চ ২৭, ২০১১ |
|
|
| 03/27/2011 9:46 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | ব্যাংকিং খাত নিয়ে দুর্ভাবনার কারণ নেই: বিবি গভর্নর
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে দুর্ভাবনা বা দুশ্চিন্তার কারণ নেই। এই খাতকে আরও স্থিতিশীল রাখতে ব্যাংকারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে।
রোববার সকালে রাজধানীর হোটেল র্যাডিসনে আমানত বীমা বিষয়ে এক কর্মশালার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠাতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিপোজিট ইন্সুরেন্সের (আইএডিআই) যৌথ উদ্যোগে ‘ডিপোজিট ইন্সুরেন্স সিষ্টেমস’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় বাংলাদেশে কার্যরত তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যোগ দেন।
গভর্নর বলেন, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের কথা ঢালাও ভাবে বলা হচ্ছে সেটা ঠিক নয়। কিছু ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা ও অতিরিক্ত বিনিয়োগের কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছিলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকিতে এখন সেটি কেটে গেছে।
তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে গ্রাহককে চড়া সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে এমন প্রচারণা সঠিক নয়। ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব নিয়ম মেনেই ঋণ দিচ্ছে।
গভর্নর জানান, ব্যাংকিং খাতের স্থায়ীত্বের জন্য বাংলাদেশে ১৯৮৪ সাল থেকে ‘আমানত বীমা’র প্রচলন আছে। বিশ^ব্যাপী আর্থিক খাতের বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে এ বীমাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মশালার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে আমানত বীমাকে আরো এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করেন।
কর্মশালায় এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল কমিটির সদস্যদেশ থাইল্যান্ড হতে আগত বিশেষজ্ঞ বক্তা সিংগা নিকর্নপুন, ভারত থেকে আগত কুমুদিনী হাজরা এবং তাইওয়ান হতে আগত হ্যারিসন হোয়াঙ ও উইলিয়াম সু আমানত বীমার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
বিভিন্ন দেশ থেকে আগত এসব বক্তারা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আমানত বীমার কার্যক্রম, বীমা বিষয়ে জনসচেতনতার ভূমিকা, এ বীমার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। ব্যাংকিং খাতের স্থ’ায়ীত্বের জন্য এ ধরনের বীমা বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা জানান।
কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. নজরুল হুদা, নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য, কোনো ব্যক্তি যখন ব্যাংকে টাকা রাখেন তার স্বার্থ সংরক্ষণে সেখান থেকে শতকরা ৭ পয়সা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকে বর্তমানে এ ধরনের টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হলে এ তহবিল থেকে আমনতকারীকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। আর এক লাখ টাকার নীচে যে কোনো পরিমাণ টাকা জমা থাকলে তাকে সম্পূর্ণ অর্থ দিয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়মের পরিবর্তন এনে আমানতের ওপর টাকা দেওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা গেলে তাতে আমানতকারী ব্যাংকে টাকা রাখার বিষয়ে আস্থা আরও বাড়বে বলে আইএডিআইর কর্মকর্তারা মত দেন।
বাংলাদেশ সময় : ১৯৫০ঘণ্টা, মার্চ ২৭, ২০১১ |
|
|
| 03/27/2011 9:49 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | প্রাইম ব্যাংকের নিট মুনাফা ৩০০ কোটি টাকা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা : ২০১০ সালে প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড নিরীক্ষিত ৩০০ কোটি টাকা কর পরবর্তী নীট মুনাফা অর্জন করেছে।
পাশাপাশি ব্যাংকটি বার্ষিক হিসাবের ভিত্তিতে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড এবং ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে।
রোববার সকালে হোটেল শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত প্রাইম ব্যাংকের ষষ্ঠদশ বার্ষিক সাধারণ সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী।
আজম জে চৌধুরী শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশে বলেন, ব্যাংকের প্রতি তাদের অবিচল আস্থার কারণেই ব্যাংক বর্তমান সাফল্য অর্জন করেছে।
তিনি আরও বলেন, গত বছর প্রাইম ব্যাংক তার কার্যক্রমের সর্বেেত্র উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাইম ব্যাংক ২০১০ সালে নিরীতি ৩০০ কোটি টাকা কর পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করে। আমানতের পরিমাণ গত বছরের ১০ হাজার ৬৯৬ কোটি থেকে বেড়ে ১২ হাজার ৪৫২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধির হার ১৬ শতাংশ। ঋণ পোর্টফোলিওর পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি টাকা। এটা ২০০৯ সালের ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকার তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি।
বৈদেশিক বিনিময় ব্যবসা ২৮ হাজার ৩০৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এটি আগের বছরের ১৯ হাজার ৯০০ কোটি টাকা অপেক্ষা ৪২ শতাংশ বেশি।
মূলধন পর্যাপ্ততার হার ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এটাও প্রয়োজনীয় ৯ শতাংশের তুলনায় বেশি।
ব্যাংক দতার সঙ্গে তার ঋণ পোর্টফোলিওর নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে খেলাপী ঋণের হার মোট ঋণের ১ দশমিক ২৩ শতাংশে সীমিত রাখতে সম হয়েছে।
রিটার্ন অন অ্যাসেটের হার ২ দশকি ১৬ শতাংশ।
সভায় প্রাইম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহনাজ কাশেম, নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারপারসন হাসিনা খান, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আইনুন নিশাত, পরিচালক- মোহাম্মদ আমিনুল হক, কাজী সালিমুল হক, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, খন্দকার মোহাম্মদ খালেদ, এমএ খালেক, মুসলিমা শিরীন, মফিজ আহমেদ ভূঁইয়া, মেহেরুন্নেসা হক, রাজিয়া রহমান, মনজুর মোর্শেদ, অধ্যাপক মোহাম্মদ আসলাম ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এহসানুল হক, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রিয়াজুল করিম, আহমেদ কামাল খান চৌধুরী, আই বি চৌধুরী ও গোলাম রব্বানী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৯২৭ ঘণ্টা, মার্চ ২৭, ২০১১ |
|
|
| 03/27/2011 9:52 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে দ্বিতীয় দফা বৈঠক সোমবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে দ্বিতীয় দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে সোমবার। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) সকাল ১১টায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এসইসি সূত্রে এতথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বৈঠকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএর নেতারা বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে তাদের মতামত দিবেন। ইতিমধ্যে এ চার প্রতিষ্ঠান পৃথক একটি বৈঠক করেছে। বৈঠকে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এ পদ্ধতির সংস্কার স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে এসইসিকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হবে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে গত ২১ মার্চ এসইসিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এসইসির পক্ষ থেকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএর নেতাদের কাছে সংশোধনী প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়। ওই বৈঠকে বিএপিএলসির চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে জটিলতা এড়াতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি নির্ধারিত মূল্য (ফিক্সড প্রাইস) পদ্ধতির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির প্রস্তাব করেন। তবে ডিএসই-সিএসই, বিএমবিএ প্রতিনিধি এবং এসইসি কর্মকর্তারা তার এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।
ওই বৈঠকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএ প্রতিনিধিরা তাৎক্ষণিকভাবে এসইসির প্রস্তাবের ওপর কোনো মতামত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ কারণে পরবর্তীতে আরেকটি বৈঠক করে সব প্রতিষ্ঠানের মতামত গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওইদিনই ২৮ মার্চ বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে আরেকটি বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কমিশনের প্রস্তাবের ওপর নিজ নিজ ফোরামে আলোচনার পর বৈঠকে মতামত পেশ করার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৯২১ ঘন্টা, ২৭ মার্চ, ২০১১ |
|
|
| 03/27/2011 9:57 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | এমজেএল'র তালিকাভুক্তির মেয়াদ দুসপ্তাহ বাড়িয়েছে এসইসি
ঢাকা, ২৭ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): মবিল যমুনা বাংলাদেশর (এমজেএল) তালিকাভুক্তির মেয়াদ দুসপ্তাহ বাড়িয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। স্টক এঙ্চেঞ্জের তালিকাভুক্তির বিধান অনুযায়ী ৩১ মার্চের মধ্যে এমজেএল'র তালিকাভুক্তি অনিশ্চয়তার কারণে এ সময় বাড়ানো হয়েছে বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। বর্ধিত সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এমজেএল'র তালিকাভুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। রোববার এসইসি থেকে পাঠানো চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ইস্যু মূল্যের তুলনায় বাজার মূল্য কমে গেলে লেনদেন শুরুর ৬ মাস পর্যন্ত প্রাইমারি শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার শর্তে এমজেএল'র তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয় এসইসি। তবে ২৪ মার্চ এসইসির বেঁধে দেয়া শর্ত আইনসিদ্ধ না হওয়ায় ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) তালিকাভুক্তি সংক্রান্ত কমিটি মবিল যমুনার তালিকাভুক্ত করতে রাজি হয়নি। তালিকাভুক্ত না করার বিষয়ে ডিএসইর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহসানুল ইসলাম টিটো বলেন, এসইসির পক্ষ থেকে যে প্রস্তাবটি এসেছে, তা জটিল এবং গ্রহণযোগ্য নয়। পৃথিবীর কোথাও লোকসানে শেয়ার বিক্রি করলে ক্ষতিপূরণ দেয়ার কোনো নজির নেই। তিনি বলেন, কোম্পানি যদি ক্ষতিপূরণের অর্থ না দেয়, তবে ব্রোকারেজ হাউজ বা ডিএসই বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণের কোনো নিশ্চয়তা দেবে না। তবে তালিকাভুক্তির বিষয়ে কোম্পানি যদি ব্যাংক গ্যারান্টিসহ নির্দ্দিষ্ট কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে শেয়ার কিনে নেয়া লিখিত নিশ্চয়তা দেয়, তাহলে এ দুটি কোম্পানির তালিকাভুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে ডিএসই। সেটা না হলে তালিকাভুক্তির নিয়মানুযায়ী ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত না হলে কোম্পানি আইপিও আবেদনকারীদের অর্থ ফেরত দিবে। এ অবস্থায় এসইসির পক্ষ থেকে এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য দু'সপ্তাহ সময় বাড়ানো হয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমমইচ/১৭.০৭ঘ.)
|
|
|
|